Tag: pakistan

  • দাউদকে ISIS-র মাথায় কেন ? প’র্দাফাঁ’স হল পাক আর্মির! পাকিস্তান বাঁচতে চায় এই পথে

    দাউদকে ISIS-র মাথায় কেন ? প’র্দাফাঁ’স হল পাক আর্মির! পাকিস্তান বাঁচতে চায় এই পথে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    দাউদ ইব্রাহিমকে কেন ISI-র মাথা করল পাকিস্তান? পাক আর্মির অতিচালাকির পর্দাফাঁস ২৪ ঘন্টা মোস্ট ওয়ান্টেডকে ঘিরে রাখছে পাক আর্মি ঘিরে রাখার বড় কারণ আছে। ভারতকে কিছু করতে হয়নি পাক মিডিয়াই সামনে এনেছে বিস্ফোরক তথ্য। পাকিস্তান এমনি এমনি এমন স্টেপ যে নেয়নি সেটা বাজি রেখে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। যদি দাউদ ইব্রাহিমকে পাক গোয়েন্দা সংস্থা ISIর শীর্ষ পদে বসানোর তথ্য সত্যি হয়ে থাকে তাহলে নেপথ্যে রয়েছে পাকিস্তান আর্মির বড় অঙ্ক। কি সেই অঙ্ক? তা থেকে পাকিস্তানের কী লাভ হতে পারে?

    পাকিস্তান সরকার কিন্তু একবারও এ নিয়ে মুখ খোলেনি। সূত্রের খবর দাউদকে বাড়ির বাইরেও পা রাখতে হচ্ছে না। কারণ একেবারে করাচীতে ফ্লিনটচফ রোডের তার বাড়িতে তৈরি করা হয়েছে অফিস। ISIর প্রধান নদিমানজুমের কাছে রিপোর্ট করছে দাউদ খবর এমনটাই। কিন্তু এমন কী প্রয়োজন পড়ল যে একেবারে গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ পদে মোস্ট ওয়ান্টেড ডন? যাতে ভারতের বিরুদ্ধে আরও জোরালো করা যায় ষড়যন্ত্র? বিশেষজ্ঞরা বলছেন আপাতত তেমন কারণ নেই। আসলে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক চাপ থেকে বাঁচতে চায় পাক কর্তারা এই বিষয়ে মুখে কুলুপ আঁটবেন সেটাই স্বাভাবিক। তবে কূটনৈতিক মহলের একাংশের দাবি সুদূরপ্রসারী ভাবনা থেকে বিশ্ব ব্যাঙ্কের সহায়তা পেতেইয়এই পদক্ষেপ করেছে পাক সরকারের। ডিসেম্বরেই বড় দুটি পরীক্ষা রয়েছে পাকিস্তানের। প্রথমত, আন্তর্জাতির আর্থিক তহবিল (IMF)-এর দ্বিতীয় কিস্তি পাওয়ার পরীক্ষা। দ্বিতীয়ত, ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (FATF)-এর বার্ষিক মূল্যায়ণ।

    এবার ভালো করে বুঝুন ইসলামাবাদের অঙ্ক FATF যদি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জঙ্গিদের মদত দেওয়ার প্রমাণ পায়
    তাহলে ফের ধূসর তালিকায় ঢুকে যাবে পাকিস্তান। সেক্ষেত্রে অথই জলে পড়বে তারা কারণ বিশ্ব ব্যাঙ্কের সহায়তা পাবে না। তাই জঙ্গি নেতাদের সরকারি পদে বসিয়ে তাদের কালো টাকা সাদা করিয়ে জঙ্গি মদতের অভিযোগ খণ্ডন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেটাও আবার কেমন করে জানেন? পাক সরকারের নিয়ম অনুযায়ী আইএসআই অফিসার নিজের দায়িত্বে অনুমতি ছাড়া ২৫ লাখ ডলার পর্যন্ত খরচ করতে পারেন। আর অনুমতি নিয়ে যে কোনও অঙ্কের টাকা খরচ করতে পারেন। স্বাভাবিকভাবেই দাউদ ইব্রাহিম সত্যিই যদি ISIর শীর্ষপদে বসে থাকে তাহলে অনেক সুবিধাই পাবে।দাউদের পাকিস্তানে থাকার কথাই অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। যদিও সূত্রের খবর পাক পুলিশের বিশেষ বাহিনী ২৪ ঘণ্টা ঘিরে রাখছে দাউদ ইব্রাহিমকে। যতই হোক ভারতের শত্রুর স্পেশাল গুরুত্ব তো রয়েছেই পাকিস্তানে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকিস্তানকে চাঁদ দেখাবে চীন! চন্দ্রযানের কপি চাং-ই ৬ ? বড় রিস্ক নিল বেজিং

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চাঁদ দেখতেও পাকিস্তানের ভরসা চীন। ভারতের দেখাদেখি চাঁদ ছোঁয়ার লোভ। সেটুকুও একার দ্বারায় সম্ভব হলো কী? চীন কেরামতি দেখাবে চাঁদের অন্ধকার পিঠে। ফিরেও আসবে? আর পাকিস্তানের স্যাটেলাইট শুধু দূর থেকে দেখবে? ছুঁতে না পেরে, কাছ থেকে দেখাই সই। চন্দ্রযান তিন কিন্তু সহজ কথা নয়, ভারত পেরেছে। চীন-পাকিস্তানের কাছে কী শুধুই স্বপ্ন?

    ভারতের চন্দ্রযান ৩ মিশন সাকসেসফুল। মহাকাশ জয়ে চীন ভারতকে টেক্কা দিতে মরিয়া। তাই, শি এর দেশ চাঁদের অন্ধকার পিঠকেই বেছে নিল। রিস্ক নিল চীনের মহাকাশ সংস্থা চায়না ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন মানে সিএনএসএ। মুন মিশন চাং-ই ৬ যাচ্ছে চাঁদে। না, শুধু যাওয়াতেই থেমে থাকবে না চীন। চাঁদের মাটি থেকে তুলে আনবে নমুনা। হ্যাঁ, একদম ঠিক আন্দাজ করেছেন। চাং-ই ৬ ফিরবে পৃথিবীতে, পৃথিবীর বুকে। শুধু চীন নয়, সঙ্গে যাবে আরো অনেকগুলো দেশ। মুন মিশন সাকসেসফুল করার পাশাপাশি চীনের টার্গেট আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নীত ও শক্তিশালী করা। তাই, চাং-ই ৬ এর সঙ্গে যাবে পাকিস্তান এর কিউবস্যাট উপগ্রহ, ফ্রান্সের ড্রোন রেডন ডিটেকশন ইন্সট্রুমেন্ট, ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির নেগেটিভ আইরন ডিটেক্টর, ইতালির লেজার রেট্রোরিফ্লেক্টর। স্থানের কিউব সেট অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটা উপগ্রহ। মূলত বর্গাকার একটা বক্স।

    চাঁদ ছোঁয়া তো দূরস্ত। কাছ থেকে শুধু চাঁদকে দেখতে পারবে পাকিস্তান। চাঁদের কক্ষে কিউবস্যাট উপগ্রহটিকে প্রতিস্থাপিত করা হবে যা চাঁদের চারপাশ ঘুরে চাঁদকে আরও কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করবে। মোদ্দা কথা, চীনের ভরসায় চাঁদ দেখবে পাকিস্তান। চীনের এই মুন মিশন নিয়ে জোর কদমে চলছে গবেষণা। ভারতের চন্দ্রযান ৩ এর সাফল্য দেখে হিংসায় জ্বলছে চীন। আর তাই, চীন চাঁদের ফার সাইড থেকে নমুনা আনার ডিসিশন নিয়ে ফেলেছে। এখনো পর্যন্ত চাঁদ বা চাঁদের মাটি থেকে যতগুলো নমুনা এসেছে সবটাই নেয়ার সাইড এর। অর্থাৎ চাঁদের যে দিকটা আমরা দেখতে পাই সেটাই নেয়ার সাইড আর যেদিকটা আমরা দেখতে পাই না সেটাই চাঁদের অন্ধকার দিক মানে ফার সাইড। আর সাইড কে অত্যন্ত প্রাচীন বলে মনে করা হয়। আইটকেন অববাহিকা রয়েছে সেখানেই। চাঁদের তিনটে বৃহত্তম এবং সবচেয়ে বিশিষ্ট ভূমি অংশ গুলোর মধ্যে একটা এই জায়গাটা দক্ষিণ মেরুর কাছেই, যার বৈজ্ঞানিক মূল্য অনেক।

    চলতি বছরে, ভারতের ইসরো চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে চন্দ্রজান ৩ এর সফট ল্যান্ডিং করিয়েছে। ভারতকে নিয়ে চারিদিকে ধন্য ধন্য করে গেছে। তারপরই চাঁদের ফার সাইডে পা রাখতে মরিয়া বেজিং। চীনের ওই মিশন ২০২৪ সালের প্রথম দিকে হতে পারে যে মিশনের সাগরেদ হবে পাকিস্তান। কিন্তু, সাকসেসফুল হতে পারবে কী?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারত-পাকিস্তানের এই যুদ্ধ অনিবার্য ? ভয়ঙ্কর পরিণাম, সিক্রেট ফাঁস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারত বনাম পাকিস্তান! নিউক্লিয়ার যুদ্ধের পরিনামটা ভেবে দেখেছেন কোনোদিন? সাড়ে ১২ কোটি মানুষের প্রাণহানি? তলে তলে পরমাণু অস্ত্রের জাল বিছাচ্ছে পাকিস্তান। কিছুই ভারতের নজর এড়াচ্ছে না। দেউলিয়া হওয়ার পর্যায়ে দাঁড়িয়েও দমছে না ইসলামাবাদ। কোথায় পাকিস্তান পরমাণু অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছে? সিক্রেট ফাঁস। আর, ভারত কী করছে জানেন? কনফিডেন্সিয়াল, কাক-পক্ষীতেও টের পাবেনা, শুধু ধামাকা হবে। অর্থনীতিতে মন নেই। তার বদলে পারমাণবিক অস্ত্রের পরিমাণ বাড়ানোর দিকে নজর পাক ফৌজের। সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। চরম আর্থিক সংকট, দেউলিয়া হওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে দেশটা, ঠিকমতো খেতে পাচ্ছে না মানুষগুলো। অথচ পরমাণু অস্ত্রাগারকে শক্তিশালী করছে পাকিস্তান। পারমাণবিক অস্ত্রের উন্নত ডেলিভারি সিস্টেম ও একাধিক ওয়ারহেড সম্বলিত পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে মনোযোগ দিয়েছে ইসলামাবাদ।

    এর জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীও সংগ্রহ করার কাজ চলছে জোরকদমে। রকেট লঞ্চার রাখার জন্য নতুন জায়গাও তৈরি করা হয়েছে বলছে মার্কিন বেসরকারি সংস্থা ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টের রিপোর্ট। আগেও যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক এক গবেষণায় উঠে এসেছিল ভারত পাকিস্তান পারমাণবিক যুদ্ধের প্রসঙ্গ। ভয়ানক পরিণতির কথা উল্লেখ করা হয়েছিল বিবিসির ওই রিপোর্টে, কিন্তু ১৯৯৯ সালের নো ফার্স্ট ইউজ নীতি অনুযায়ী ভারত কোনও সময়ই প্রথমে পারমাণবিক অস্ত্র প্রয়োগের পক্ষে নয়। ভারতের কাছেও রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র যাতে কুপোকাত হতে পারে পাকিস্তান। এমনকি, পাকিস্তান ভারতের অগ্নি ৫ মিসাইলের রেঞ্জে রয়েছে কয়েক সেকেন্ডে ধূলিস্মাৎ হতে পারে পুরো পাকিস্তান। এই ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে ভারত পাকিস্তানের সমস্ত শহরকে টার্গেট করতে পারে। ভারত যদি পাকিস্তানের ওপর পারমাণবিক বোমা ফেলে তাহলে তা রাওয়ালপিন্ডি, লাহোর, ইসলামাবাদ, নভশেরা এবং করাচি শহরগুলোকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে।

    ফেডারেশন অব আমেরিকান সায়েন্টিস্টের মতে, পাকিস্তানের কাছে এবং ভারতের কাছে পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা প্রায় এক। তাই, আগ বাড়িয়ে এগিয়ে এলে বড় ভুল করবে ইসলামাবাদ। ভারতের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র কিন্তু পাকিস্তান এর পুরো বিষয়টার দিকে কড়া নজর রাখছে। পাকিস্তানের পরমাণু হাতিয়ার যাতে কোনভাবেই জঙ্গিদের হাতে না পড়ে, সেটাই নজরে রাখছে আমেরিকা। সেই লক্ষ্যে স্যাটেলাইটের পাঠানো পাক ফৌজ ও বায়ুসেনা ঘাঁটিগুলির ছবি ঘন ঘন খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে দেখছে ওয়াশিংটন। ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই স্যাটেলাইট ইমেজেই বিভিন্ন সেনা ঘাঁটিতে পাক সেনাকে একাধিক নতুন লঞ্চার নিয়ে আসতে দেখা গেছে। লঞ্চারগুলো দিয়ে পরমাণু মিসাইল হামলা করা যায় বলে অনুমান করা হচ্ছে। এছাড়াও, স্যাটেলাইট ইমেজে ধরা পড়েছে পাকিস্তানের ৫টি ঘাঁটি। আর্কো আউটপস্ট, যেটি ভারতের সীমান্ত থেকে প্রায় ১৪৫ কিমি দূরে অবস্থিত। গুজরানওয়ালা পোস্ট, যেটি প্রায় ৬০ কিমি দূরে অবস্থিত। খুজদার পোস্ট ভারতের সীমান্ত থেকে সব চেয়ে দূরে অবস্থিত।

    পানো আকিল পোস্ট, যেটি ৮৫ কিমি দূরে অবস্থিত। পঞ্চম পাকিস্তানি ঘাঁটি যেটা কিরানা পাহাড়ে অবস্থিত, নাম সারগোধা পোস্ট। এছাড়াও পাকিস্তানের হাতে রয়েছে গত কয়েক বছরে তৈরি করা ঘোরি, গজনভি, শাহিন, নাসর ক্ষেপণাস্ত্র। যা পারমাণবিক হাতিয়ার বহণে সক্ষম। সব মিলিয়ে চাপ বাড়ছে আফগানিস্তানের। আফিগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাত শুরু হয়েছে পাকিস্তানের। তোরখাম সীমান্তে প্রায়ই চলছে গোলা-গুলি। সেখানে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান বা TTP জঙ্গিরা একরকম যুদ্ধই ঘোষণা করেছে। বাধ্য হয়ে অন্যতম ব্যস্ত এই সীমান্ত বন্ধ করে রেখেছে ইসলামাবাদ। তাছাড়া বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত-পাকিস্তাধ সঙ্গে ফের যুদ্ধে জড়াতে পারে। ফলে ইসলামাবাদের পরমাণু হাতিয়ার বৃদ্ধির উপর নজর রাখছেন ভারতের সেনা কর্তারাও। সময় সুযোগ এলে পাকিস্তানকে নিজেদের অকাত বুঝিয়ে দিতে জানে ভারত। জানিয়ে রাখি ১৯৯৮ সালে ভারত ও পাকিস্তান পারমানবিক বোমা পরীক্ষা চালিয়েছে। এর পরে ২৫ বছর পার হতে চললো। এর মধ্যে কারগিল যুদ্ধ হয়েছে ঠিকই কিন্তু সেইসময় এবং তার পর থেকে কখনোই পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের কথা ওঠেনি। তাই ভবিষ্যতে পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াতে পারে সেটা বলবে সময়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • জাত চেনালো পাকিস্তান, ISI এর মাথায় আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ! বড় কোনও ছক ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিম ISI এর মাথায়। বুঝতে ভুল হয়নি ভারতের, ১৬ কলা পূর্ণ। মাফিয়া দাউদ পাকিস্তান ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির এডিজি। গুপ্তচরদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বড় কোনও ছক? এই পাকিস্তান নাকি লড়ছে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে? ভাবা যায়? দাউদের কীর্তি মনে রেখেই এতো সম্মান দিল আইএসআই। সত্যিই, একেই বলে পাকিস্তান। জানেন এত বড় হামলার মাস্টারমাইন্ড দাউদ ইব্রাহিম এখন কেমন আছেন? আর গোপনে নয়, এবার ঘোষিত ভাবে অফিসিয়ালি আইএসআই এর মাথায় বসলেন আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিম।

    না, আমরা বলছি না। কানাঘুষোও নয়। ফ্রি প্রেস জার্নালের রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি মানে আইএসআইয়ের এডিজি হিসাবে দাউদকে আনা হয়েছে। তবে এই পদ সাম্মানিক। পাকিস্তানের গুপ্তচর ব্যবস্থায় দাউদের কীর্তি মনে রেখেই তাঁকে দেওয়া হয়েছে এই পদ, এই সম্মান রিপোর্টে দাবি, সাম্মানিক পদের মাধ্যমে নতুন করে পাক গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন ভারত থেকে পালিয়ে যাওয়া ৬৮ বছরের কুখ্যাত অপরাধী তথা জঙ্গি দাউদ। গোপনে আইএসআইয়ের সঙ্গে তাঁর লিঙ্ক ছিলই। বহুবার ভারত এ কথা বলেছে। তবে এ বার ঘোষিত ভাবে ওই সংস্থায় আসছেন দাউদ। সবথেকে বড় প্রশ্নটা উঠছে। তাহলে কী পাক গুপ্তচরদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নতুন কোনও ছক কষতে চলেছেন দাউদ ইব্রাহিম? শুরু জোর জল্পনা। কিন্তু, এখন কেমন আছেন দাউদ? কিভাবে আছেন? কোথায় আছেন?

    ২০২৩ এর জানুয়ারি মাসে ফ্রি প্রেস জার্নালের রিপোর্ট অনুযায়ী, সিকিউরিটি এজেন্সির সূত্র বলছে ২০২২ এর অক্টোবরে করাচির ক্লিফটন এলাকায় লিয়াকত ন্যাশনাল হসপিটাল এবং কম্বাইন মিলিটারি হসপিটালে যান বড় বড় চিকিৎসকেরা। জানা যায়, দাউদ ইব্রাহিমের পায়ে যে গ্যাংগ্রিন হয়েছিল সেটার ক্রিটিক্যাল সিচুয়েশন হওয়াতেই বিশিষ্ট সব চিকিৎসকদের এনে সেইসময় চিকিৎসা করানো হয়। বাদ দেওয়া হয় পায়ের দুটো আঙ্গুল। পায়ের আঙুল বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে প্রথমে রাজি না হলেও, লাইফ রিস্ক হতে পারে চিকিৎসকদের এই কথা শুনেই বাধ্য হয়ে রাজি হয়ে যান দাউদ। সার্জারির পর থেকে লাঠি নিয়ে চলছেন দাউদ। চলাফেরার ক্ষেত্রে বেশ অসুবিধা রয়েছে তাঁর। এমনকি, চেনা ছবির থেকে দাউদ ইব্রাহিম কে দেখতে এখন অনেকটাই আলাদা লাগে, দাবি ওই রিপোর্টে।

    দাউদ ইব্রাহিম, ৭০ ছুঁইছুঁই বয়স। মুম্বইয়ের পুলিশ কনস্টেবলের ছেলে দাউদ আশির দশকে ভারত থেকে পালিয়ে দুবাই যান। সেখান থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়। শুরু হয় জঙ্গি কার্যকলাপ। শোনা যায়, ১৯৯৩ সালের ১২ মার্চ মুম্বইয়ে যে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণ হয়েছিল, তার মাস্টারমাইন্ড ছিলেন দাউদই। পাকিস্তানে বসে এই হামলার ছক সাজিয়েছিলেন তিনি। তারপর পাকাপাকি করাচিতে থাকা শুরু। সেখানে বসেই পাকিস্তান সহ গোটা বিশ্বের জঙ্গি সংগঠনগুলোর সঙ্গে কাজ করে চলেছে দাউদ। আমেরিকা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপুঞ্জ, সবার খাতাতেই বিশ্বমানের ঘোষিত জঙ্গি দাউদ। আল কায়েদা, তালিবানের সঙ্গেও দাউদের যোগ ছিল বলে অভিযোগ।

    কাজ করেছেন ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গেও। বিশ্ব জুড়ে নিষিদ্ধ মাদক পাচার চক্র চালান দাউদ। জঙ্গি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে রমরমিয়ে চলে সেই কারবার। মাদক পাচার, বেআইনি অস্ত্রের কারবার থেকে আসা টাকা জঙ্গি সংগঠনগুলোকে সাপ্লাই করার অভিযোগ রয়েছে দাউদের বিরুদ্ধে। সেই দাউদ এবার পাক গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে ঘোষিত ভাবে হাত মিলিয়ে আরও নতুন কোনও ছক কষবেন কি না, সেটাই এখন দেখার।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধে পাকিস্তান ? হারে হারে চেনে ভারত, ইরানের ইরাদা সফল হওয়ার চান্স শূণ্য

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    সুযোগ বুঝে পাকিস্তান ক্যাপচারের ফন্দি আঁটছে ইরান। জানেন তেহরান কোন পাকিস্তান কে সাহায্য করতে চাইছে? ২০০% নিশ্চিত? পাকিস্তান সাকসেসফুল হতে দেবে তো ইরানকে? সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর পাকিস্তান হবে কিনা সন্ত্রাস বিরোধী? ইরান পাকিস্তান সম্পর্ক এবার আরও গভীর। অসময়ে ইসলামাবাদ এর পাশে দাঁড়ালো তেহরান। সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধে পাকিস্তানকে সাহায্য করার ঘোষণা করলো ইরান।

    ইরানের সশস্ত্রবাহিনী এর জন্য তৈরি সাফ জানিয়ে দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল মোহাম্মাদ বাকেরি। কিন্তু যে পাকিস্তান সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর, যে পাকিস্তান কে ভারত অনেক আগেই সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র হিসেবে দেগে দিয়েছে সেই দেশই কিনা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করবে? ওই যে কথায় বলে
    প্রকৃতি বদলা নেয় এখন সেই পাকিস্তানের বুকেই পরপর বোমা বিস্ফোরণ-অহরহ চলছে হামলার ঘটনা। দুদিন আগে পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমের বেলুচিস্তান আর উত্তর-পশ্চিমের খাইবার পাখতুনখোয়ায় ভিন্ন দুটো আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। মৃতের সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে, আহত একাধিক মানুষ।

    এখন পাকিস্তানের গলায় অন্য সুর। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কাকার সরকার দেশ থেকে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করতে বদ্ধপরিকর। আর সেই পাকিস্তানের হাত শক্ত করতেই এবার হাত মেলালো ইরান। ইরানের প্রেসিডেন্ট রাইসি পাকিস্তানকে সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলে জানিয়ে দিয়েছে কিন্তু, সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর পাকিস্তান লড়বে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে? ভারত পাকিস্তান কে চেনে। ২০১৬ সালে ভারত বলেছিল সন্ত্রাসবাদ পাকিস্তানের জাতীয় নীতি। যে সন্ত্রাসের ফল ভোগ করে ভারত সহ প্রতিবেশীরা। গোটা বিশ্ব সেটা জানে যে পাকিস্তানে জইশ ই মহম্মদ, হিজবুল মুজাহিদিন, আল বদরের মতো জঙ্গি সংগঠনের সাড়ে ৫০০-রও বেশি জঙ্গিঘাঁটি সক্রিয়, সেই দেশকে সঙ্গে নিয়েই ইরান লড়বে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে! সেক্ষেত্রে এই লড়াই কতটি সাকসেসফুল হবে সেটা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন থেকেই যায়। আর এদিকে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী পুলিশ ও বিচার বিভাগের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই হামলায় জরিতদের চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করা হবে বলে ইরানের সেনাপ্রধান এর মধ্যেই আশা প্রকাশ করেছেন, আশা দেখিয়েছেন পাকিস্তানকে। পাকিস্তান ও সেই স্বপ্ন দেখছে ইরানের হাতে হাত রেখে। ইরান পাকিস্তান আরো বেশি কাছাকাছি আসছে। এখন দেখার এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই ইরান পাকিস্তানের ক্ষেত্রে ঠিক কি রকম পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়ায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • দেশের ভিখারিদের বেচে দিচ্ছে পাকিস্তান, মধ্যপ্রাচ্যের ওয়ার্নিং

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    দেশের ভিখারিদের বিদেশে বেচছে পাকিস্তান। সেটা কেমন ব্যাপার সৌদি আরব পাকিস্তানকে দিল কড়া ওয়ার্নিং। মধ্যপ্রাচ্যে ভিখারিদের পাঠিয়ে পাকিস্তানের কত লাভ জানেন? আন্তর্জাতিক মহলে ইসলামাবাদের মাথা হেট হয়ে গেল। ব্যাপারটা খুব হালকা নয় সৌদি আরব, ইরাকের মতো দেশগুলোতে ভিখারিদের কেন পাঠাচ্ছে পাকিস্তান? নাকি পাকিস্তানে খেতে না পেয়ে পশ্চিম এশিয়ায় পালাচ্ছে মানুষ আর সেখানে ভিক্ষাবৃত্তি করেই চলছে পেট পাকিস্তানিদের। ভারতের বন্ধু দেশও এবার পাকিস্তানকে দিতে পারে হুমকি।

    পাকিস্তানের আর মানায় না ভারতের সঙ্গে নিজেদের তুলনা করা। ভিখারি আর পকেটমার পাঠাবেন না আমাদের দেশে। সৌদি আরবের সঙ্গে ইরাকও এবার পাকিস্তানকে দিল কড়া বার্তা। কোনও ভাবেই যাতে ভিখারি কিংবা পকেটমারের মতো ছিঁচকে অপরাধীরা যাতে হজের সুযোগ না পান সে কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে স্পষ্ট ভাষায়। সৌদির এমন হুমকি পেতেই বেরিয়ে এল সত্যিটা বাইরে। বিভিন্ন দেশে আটক ভিক্ষুকদের ৯০ শতাংশই নাকি পাকিস্তানি। সৌদি আরবের মসজিদুল হারামের মতো পবিত্র স্থানগুলোতে আটক পকেটমারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পাকিস্তানি রয়েছেন। মুদ্রাস্ফীতি, মূল্যবৃদ্ধির জেরে দমবন্ধ হয়ে আসা পাকিস্তানের আসল সত্যিটা তাহলে এই।

    হজ শুরুর আগে সৌদি আরবের থেকে সতর্কবার্তা এসেছে পাকিস্তানে। জানা যাচ্ছে প্রতিবছর হজ ও ওমরাহ পালনের জন্য যত পাকিস্তানি সৌদি আরবে যান তাদের সবাই দেশে ফিরে আসেন না। এই ফিরে না আসা লোকজনের একটি বড় অংশ পরে চুরি, পকেট মারা, ভিক্ষা শুরু করেন। আর জেনে রাখুন সৌদি, আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে চুরি ও ভিক্ষাবৃত্তি উভয়ই শাস্তিযোগ্য অপরাধ ভিক্ষুকদের গ্রেপ্তার করতে প্রায়ই অভিযান চালায়। সেখানকার আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা। পাকিস্তানের প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জুলফিকার হায়দার পার্লামেন্টে যে তথ্য তুলে ধরেছেন তাতে অনেকেই হতবাক। পাকিস্তান থেকে বিদেশে যাওয়া ভিক্ষুকের সংখ্যা বাড়ছে। এই ভিক্ষুকদের অনেকে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব এবং ভ্রমণের ভিসা লাগিয়ে ইরান, ইরাকসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে যাচ্ছেন। এখন তো ভিক্ষুকদের জন্য নতুন গন্তব্য হয়ে উঠেছে জাপানও।

    এর নেপথ্য সবথেকে বড় কারণ হল বেকারত্ব। ব্যাপক অর্থনৈতিক সংকটের কারণে পাকিস্তানে এই মুহূর্তে কর্মসংস্থানের ব্যাপক সংকট চলছে। অদক্ষ তো বটেই, শিক্ষিত ও দক্ষ তরুণ-তরুণীদেরও মধ্যেও বেকারত্বের হার বাড়ছে দিন দিন। আর এই সমস্যার কোনও সমাধান এখনও ইসলামাবাদের কাছে নেই। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে এখনও পাকিস্তানী কর্মীদের চাহিদা রয়েছে। তবে তারা আর অদক্ষ শ্রমিক নিতে চায় না, আর এভাবে ভিখারিরা সেসব দেশে বাড়তে থাকলে কোনদিন যে সৌদি আরব চটে যাবে কে বলতে পারে। অনেকেই বলছেন পাকিস্তান এখন ভিখারিদেরও রফতানি করা শুরু করে দিল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চীন সীমান্তে ঝাঁক ঝাঁক উড়ন্ত প্রহরী! ইন্ডিয়ান সেনা লেভেল বাড়াল, কে আসছে ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চীন লাদাখে চোখ তুলে তাকালেই হবে সোজা অ্যাকশন। বর্ডারে বিরাট লেভেলে প্রস্তুতি নিচ্ছে এয়ারফোর্স ইন্ডিয়ান আর্মি। ২০০র কাছাকাছি ঝাঁকে ঝাঁকে আসবে উড়ন্ত প্রহরী। বিশ্বের একমাত্র অজুবার খবরে হইচই পাকিস্তানে। একটাই ঢিল আর শেষ হবে দুটো পাখি এতদিন যা হয়নি এবার LAC ও LOCতে বর্ডারে তা হবে। গোপন সূত্রে কোন ইঙ্গিত পাচ্ছে ভারতীয় সেনা? প্রশ্নটা উঠছে কারণ ইন্ডিয়ান আর্মি কিনতে চলেছে ১৫৬ টা হেলিকপ্টার আর এটা যেমন তেমন চপার নয় এর নাম প্রচন্ড। নামটা নিশ্চয় শুনে থাকবেন। হঠাৎ করে এতগুলো প্রচণ্ড লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার কেনার কারণ?

    চীনের ম্যাপ কান্ডের বদলা কী এবার এভাবেই নেবে ভারত! ইসলামাবাদের হেডকোয়ার্টারে কার্যত হইচই পড়ে গেছে। কারণ প্রচন্ড নামটা নিলেই বুক কাঁপে পাকিস্তানের। পৃথিবীর সবথেকে খারাপ আবহাওয়া আর দুর্গম এলাকায় পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে প্রচন্ড। তাই শত্রুদের টেনশন তো হবেই। কানাডা নিয়ে একবার ভারতকে খোঁচা দেওয়া পর চীন কার্যত চুপ। বেজিং নতুন কোন প্ল্যান কষছে চুপচাপ? প্রচন্ড কতটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়বে বেজিংয়ের লালফৌজকে? জানেন লাদাখের দুর্গম এলাকার জন্য পারফেক্ট বলা হয় প্রচন্ডকে। জানা যাচ্ছে নতুন হেলিকপ্টারগুলি সাতটি বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় সাতটি ইউনিটে মোতায়েন করা হবে। মূলত দুর্গম পাহাড় ও মরুভূমি এলাকার জন্য হ্যাল বানিয়েছিল প্রচন্ডকে। হাই অল্টিটিউডে দুর্গম এলাকায় ব্যাপকভাবে কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম প্রচন্ড।

    প্রচণ্ড হেলিকপ্টারের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৬৮ কিমি পরিসীমা ৫৫০ কিমি ও একটানা ৩ ঘণ্টা ১০ মিনিট উড়তে সক্ষম। এটিই বিশ্বের একমাত্র হেলিকপ্টার যা ৫ হাজার মিটার উচ্চতায় ল্যান্ডিং এবং টেক অফ করতে পারে। মূলত পূর্ব লাদাখ এবং সিয়াচেন হিমবাহ এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে এই ধরনের হেলিকপ্টার। কারণ এই এলাকায় এটাই এফেকটিভ। এই অ্যাটাক হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশ থেকে মাটিতে গুলি করা এয়ার টু এয়ার মিসাইল ছোঁড়া যায়। এর নামে দুনিয়ার কোনও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। প্রচন্ডর হামলা থেকে বাঁচতে পারবে না। সবথেকে বড় কথা নতুন ধ্রুব মিশাইলও ফিট হতে পারবে। এতে মোট ৭০০ কেজি অস্ত্র বহন করা যাবে প্রচন্ডতে।

    বর্তমানে ১৫টি প্রচন্ড হেলিকপ্টার রয়েছে ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সের হাতে তবে খবর পাওয়া যাচ্ছে “১৫৬টি প্রচণ্ড হেলিকপ্টার কেনার জন্য ভারত সরকারের কাছেয়প্রস্তাব পাঠিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। খুব শীঘ্রই এই আবেদন মঞ্জুর করা হবে বলেও খবর। ১৫৬টি হেলিকপ্টারের মধ্যে ৬৬টি থাকবে বায়ুসেনার অধীনে এবং বাকি ৯০টি থাকবে সেনার দখলে। সবথেকে গর্বের বিষয় খতরনাক প্রচন্ড পুরোপুরি দেশীয়। এর এক একটা কলকবজা সবটাই তৈরি ভারতে। প্রচণ্ড হেলিকপ্টারগুলি কমব্যাট সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (CSAR), ডেস্ট্রাকশন অফ এনিমি এয়ার ডিফেন্স (DEAD), কাউন্টার ইনসারজেন্সি (CI) অপারেশন ও রিমোটলি পাইলটেড এয়ারক্রাফ্ট (RPA’s) ধ্বংস করা এবং বাঙ্কার বিস্ফোরণ অপারেশনে সাহায্য করবে চীন পাকিস্তান রেডি তো?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকিস্তানকে জাঁতাকলে ফাঁসাল চীন! POK তে প্রজেক্ট বাতিল, বন্ধুত্ব ভাঙছে নাকি ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চীনের আসল চেহারা দেখে পাকিস্তান চমকে গেল পিওকে-তে টাকা ঢালা বন্ধ করে দিলেন জিনপিং। একের পর এক প্রজেক্ট বাতিল পাকিস্তানের সাহায্য চেয়েছিল কেন মুখের ওপর না বলে দিল চীন? বেজিং ইসলামাবাদের সম্পর্কের এমন দশা কেন? টাকা চাইতে চাইতে পাকিস্তান কি চটিয়ে দিল চীনকে? পিওকের মধ্যে দিয়ে চলা বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রজেক্টের বড় আপডেট। ইসলামাবাদের একের পর এক প্রজেক্ট বাতিল করে দিচ্ছে চীন গত কয়েকমাসে এমন কী ঘটল যে মুখে ফিরিয়ে নিচ্ছে বেজিং?

    বলা হচ্ছে চীনের এমন সিদ্ধান্তে পিওকের সিপিইসি প্রকল্প ধাক্কা খেতে চলেছে এই প্রকল্পের অধীন কয়েকটি বিষয়েই
    চীন পাকিস্তানকে সহযোগিতা করতে গিয়ে বেঁকে বসেছে। পাকিস্তানের গোয়াদারে একটি আমদানিকৃত কয়লাচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলার কথা ছিল। পাক সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই পরিকল্পনা বাতিল করেছে ইসলামাবাদ। রিপোর্ট অনুযায়ী, বিদ্যুৎশক্তি, জলবণ্টন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে সিপিইসি-র অধীনে পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি পরিকল্পনা ছিল। গিলগিট বাল্টিস্তান, খাইবার পাখতুনখোয়া, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পর্যটন বিষয়ক পরিকল্পনাও বাতিল করা হয়েছে। আর এর নেপথ্যে মূল মাথা হল চীন। শি জিনপিং পাকিস্তানকে স্বপ্ন দেখিয়ে মাথার ওপর থেকে হাতটা তুলে নিল। প্রথমে পাকিস্তানের এই সব পরিকল্পনাগুলিতে সায় দিয়েছিল চীন। সিপিইসি-র অধীনে চুক্তিতে স্বাক্ষরও করেছিল দুই দেশ, কিন্তু তার ন’মাস পর ১১ তম জয়েন্ট কো অপারেশনের বৈঠকে চীন বেঁকে বসে। ওয়াকিবহাল মহল প্রশ্ন তুলছে এই ৯ মাসে এমন কী ঘটে গেল দুই পরম মিত্র দেশের মধ্যে?

    এটা কিন্তু মানতে হবে সিপিইসি-তে বিনিয়োগের পরিমাণও বাড়িয়েছে চীন। প্রথমে এই প্রকল্পের অর্থমূল্য ছিল ৪,৬০০ কোটি ডলার পরে তা বৃদ্ধি করে ৬,২০০ কোটি ডলার করা হয়েছে। এখন মূলত জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নাগরিক কাঠামোর উন্নয়নকে সিপিইসি-র আওতাভুক্ত করতে চেয়েছিল পাকিস্তান। বেশ কিছু ক্ষেত্রে চীনের উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করেই এগোতে চেয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু কোনওভাবেই কোনও ক্ষেত্রে সায় দিচ্ছে না বেজিং। যার ফলে কার্যত ফলসে পড়ে গিয়েছে ইসলামাবাদ। বেশকিছু সূত্রের দাবি নিরাপত্তাজনিত কারণে পাকিস্তানের উপর চটেছেন জিনপিং। করাচিতে সিপিইসি সংক্রান্ত কাজে চীনা নাগরিকদের নিরাপত্তাহীনতা জিনপিংকে রুষ্ট করেছে বলে খবর। আগেই বালুচিস্তানেও চীনা নাগরিকদের ওপর আক্রমণ হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি আফগানিস্তানের সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে আর সেটা পাকিস্তানকে অবহেলার কারণ হতে পারে।

    আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল বলছে এতে কোনও সন্দেহ নেই পাকিস্তানের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রয়েছে চীনের ভূমিকা। চীনের সহায়তাতেই মাথা তুলে দাঁড়াতে পেরেছে ইসলামাবাদ এই পরিস্থিতিতে চীন হাত গুটিয়ে নিলে নির্বাচনের আগেই ফাঁপরে পড়তে হবে পাকিস্তানকে। তাই কোনও অশান্তি না করে আপাতত চীনের মন জুগিয়ে চলার নীতিই নিয়েছে ইসলামাবাদ। জিনপিং যা নির্দেশ দিচ্ছেন সেই অনুযায়ী তারা কাজ করছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইমরান খানের জেলে বসেই বাজিমাত! কারাগার থেকে সরিয়ে কালকুঠুরি?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ইমরান খানকে ভোটের আগে জেল থেকে সরানো হল। পাকিস্তানের সমীক্ষায় ইমরানের বাজিমাত এবার কী পিটিআই প্রধানের ঠাঁই কালকুঠুরিতে। সভানুভূতির ভোট দেখে সেনা আতঙ্কে কাঁপছে। কেমন আছেন ইমরান খান? জেলে বসেই এ কী কামাল দেখাচ্ছেন তিনি? একাই জয় করবেন ১৫০ আসন। ইমরান খানের শাস্তি তাহলে শাপে বর হতে চলেছে পাকিস্তানের নির্বাচনে। ভোটের তারিখ ঘোষণা হতেই চরম চাপে শাহবাজ শরিফের পার্টি। তাহলে, নওয়াজ শরিফ কি পাকিস্তানে ফিরবেন না? পাকিস্তানের নির্বাচনী সমীক্ষা যা রেজাল্ট দিচ্ছে তাতে সেনাবাহিনী চোখ উঠছে কপালে এত কিছু করেও রোখা গেল না তেহেরিক-ই-ইনসাফ পাকিস্তানকে।

    দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এর জেরেই কি সহানুভূতির ভোট পেয়ে ফের ক্ষমতায় ফিরবেন তিনি? অনেক কিছুই ঘটে যেতে পারে পাকিস্তানে আগামী কয়েকটা মাসে। তারইমধ্যে জানা যাচ্ছে যে রাখা হয়েছিল খানসাহেবকে সেখান থেকে বদলি করে অন্য জায়গায় রাখা হবে তাঁকে সেখানে কি বেশি সুবিধা পাবেন তিনি নাকি আরও খারাপ পরিস্থিতি? নির্বাচনের সময় ঘোষণা হতেই চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু করেছে পাক সংবাদমাধ্যম ২০১৮-র ভোটের সঙ্গে তুলনা টেনে জনমত সমীক্ষায় ভোটের হাওয়া বোঝার চেষ্টা করছে পাক মিডিয়া। আর সেখানেই ইমরান খান অন্যদের থেকে এগিয়ে বলে মনে করা হচ্ছে পিটিআই।

    ২০১৮ ইমরানের দল PTI ৩১.৮২ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। অন্যদিকে, নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (নওয়াজ) বা PML(N)-র ঝুলিতে যাওয়া ভোট শতাংশ ছিল ২৪.৩৫। আর বিলাবল ভুট্টো জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টি বা PPP-র পেয়েছিল ১৩.০৩ শতাংশ ভোট। এখানে পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি ইমরান খান জেলে থাকার কারণ প্রবল সহানুভূতির হাওয়ায় বিপুল জন সমর্থন পেতে পারে PTI আগের বারের ভোটে ১১৬ আসন জিতে ছিল এই দল। এবার তা বেড়ে ১৫০ আসনের কাছাকাছি যেতে পারে। আর এই সমীক্ষা রীতিমত চাপে ফেলে দিয়েছে পাকিস্তান আর্মি ও নওয়াজ শরিফের দলকে। এত কেসে ফাঁসিয়ে যেভাবে নাস্তানাবুদ করা হয়েছে ইমরানকে তাতে এবার সেটাতেও নাকি লাভের গুড় খাবে পিটিআই।

    যদিও এই নিয়ে দ্বিমত রয়েছে বিশেষজ্ঞদের অপর অংশের তাঁদের যুক্তি, গতবারে ইমরানের বিপুল জনসমর্থন পাওয়ার নেপথ্যে ছিল পাক ফৌজের হাত। এবার সেই সুযোগ পাচ্ছেন না PTI চেয়ারম্যান যার ফলে হয়ত আসন কমতেও পারে ইমরান খানের নওয়াজ ফিরলে ভোটের অঙ্ক পুরোপুরি পাল্টাতেও পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে রয়েছেন বিলাবল ভুট্টো জারদারি। সম্প্রতি দলের চেয়ারম্যান পদ পেয়েছেন তিনি। তরুণ তুর্কি বিলবল দলের সংগঠন বাড়ানোর দিকে নজর দিয়েছে। নির্বাচনে PPP-র ভোট শতাংশ কিছুটা বাড়বে বলে অনুমান। এর মধ্যে বর্তমানে খানিকটা স্বস্তিতে পিটিআই প্রধান এবার জেলের মধ্যেই চিকিৎসা-সহ বিশেষ পরিষেবা পাবেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তাঁকে কুখ্যাত আটোক জেল থেকে সরিয়ে রাওয়ালপিণ্ডির আদিয়ালা জেলে স্থানান্তর করা হবে এমনই নির্দেশ দিয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। সেখানেই চিকিৎসা-সহ অন্যান্য সুবিধা পাবেন ইমরান খান।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • নিজ্জরকে শেষ করার নেপথ্যে ISI! ২ বছরের সিক্রেট প্ল্যান, ট্রুডো ক্ষমা চাইবেন তো ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    খালিস্তানি নেতা নিজ্জর খুনে ISIর হাত? ভারত-কানাডা সম্পর্ক বিগড়াতে পাকিস্তানের ছক ট্রুডো কাকে বাঁচাতে গিয়ে ভারতকে দোষারোপ করছেন? পাকিস্তানই ট্রেনিং দিয়ে তৈরি করেছিল নিজ্জরকে। সত্যি কি নিজ্জর খুনে ভারতের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ জোগার করতে পারবে কানাডা? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের CIA ভারতকে নিয়ে তথ্য পেয়ে গেল আর পাকিস্তানের ISIর বিরুদ্ধে কোনও ইনফরমেশন পেল না? ভারত-কানাডার নড়বড়ে সম্পর্ককে হিলিয়ে দেওয়ার জন্য ঠিক কতবড় ষড়যন্ত্র তৈরি করা হয়েছিল ইসলামাবাদে?

    খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর ১৮ জুন কানাডায় খুন হয়েছেন। এ নিয়ে ভারত-কানাডার দ্বন্দ্বের মাঝেই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে। সূত্রের দাবি, নিজ্জরকে খুনের চিত্রনাট্যকার আসলে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ISI, ভারত ও কানাডার মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট করতেই ISI নিজ্জরকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছে বলে সূত্রের দাবি। যদি এই তথ্যকে সত্যি বলে কিছুক্ষণের জন্য ধরেও নেওয়া হয় তাহলে প্রশ্ন উঠছে যে নিজ্জরকে নিজের হাতে তৈরি করেছিল পাকিস্তান। সেই দেশে রীতিমত ট্রেনিং দেওয়া হত সেই নিজ্জরকে শুধুমাত্র ভারত-কানাডার সম্পর্ক বিগড়ানোর জন্য শেষ করে দেওয়া হল? নাকি নিজ্জরকে সরালে অন্যপথে বড় লাভ হত পাকিস্তানের বা ISI এর।

    ইন্ডিয়া টুডের রিপোর্টে বলা হচ্ছে সূত্রের দাবি নিজ্জরকে হত্যার পরিকল্পনা অনেক দিন আগে থেকেই করছিল ISI, গত ২ বছরে কানাডায় আসা গ্যাংস্টারদের পুরোপুরি সমর্থন করার জন্য নিজ্জরকে চাপ দিচ্ছিল ISI, তবে নিজ্জারের সমর্থন ছিল প্রাক্তন খালিস্তানি নেতাদের দিকে। সম্ভবত পাক গোয়েন্দা সংস্থা ভেবেছিল নিজ্জরকে সরাতে পারলে এক ঢিলে দুই পাখি মারাটা হয়ে যাবে। প্রথমত, নতুন গ্যাংস্টারদের নিয়ে খালিস্তানি আন্দোলন জোরদার করা যাবে। দ্বিতীয়ত, এই সুযোগে একটা ভারত-কানাডা সম্পর্ক বিষিয়ে দেওয়া যাবে এমনটাই অনুমান করছে কূটনৈতিক মহল। জানা যাচ্ছে সেজন্যই গত ২ বছর ধরে কানাডায় ভাড়াটে খুনি নিয়োগ করেছে ISI, নিজ্জরকে খুনের পর কানাডায় থাকা খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের একজোট করার চেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান।

    সূত্র আরও বিশ্বাস করে যে নিজ্জারের হত্যার পর আইএসআই এখন বদলির জন্য লোক খুঁজছে তারা কানাডায়। খালিস্তানপন্থী সন্ত্রাসবাদীদের জড়ো করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এখন প্রশ্ন হল কানাডা পুলিশ ও গোয়েন্দাদের তদন্তে যদি ভারতের র এর বদলে পাকিস্তানের আইএসআইয়ের যু্ক্তা থাকার একাধিক তথ্য উঠে আসে জাস্টিন ট্রুডো কি তাহলে ক্ষমা চাইবেন ভারতের কাছে? আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের ভাবমূর্তিতে কালি ছেটানোর জন্য? কী উঠে আসে তদন্তে সেই অপেক্ষা করছে বিভিন্ন মহল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version