Tag: pakistan

  • বাংলাদেশের বড় ধাক্কা ! মক্কা জোটে জায়গা নেই ঢাকার !

    বাংলাদেশের বড় ধাক্কা ! মক্কা জোটে জায়গা নেই ঢাকার !

    Makkah Defense Pact: মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে এই মুহূর্তে নতুন কোনও দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। তবে ভবিষ্যতে একই ধরনের অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গি পোষণকারী দেশগুলির জন্য এই জোটের দরজা খোলা রাখা হতে পারে। ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান এই অবস্থানের কথা জানিয়েছেন বলে দ্য ডন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপাতত পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক নিজেদের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার দিকেই নজর দিচ্ছে। ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই চুক্তির অন্যতম লক্ষ্য যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা। ফলে এখনই নতুন দেশ যোগ না হলেও ভবিষ্যতে চুক্তির পরিসর বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

    আপাতত নতুন কোনও দেশকে নেওয়ার পরিকল্পনা নেই

    পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খানের বক্তব্য অনুযায়ী, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে এই মুহূর্তে নতুন কোনও দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে কোনও পরিকল্পনা নেই। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে বর্তমানে কোনও আলোচনা বা আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াও চলছে না বলে তিনি জানিয়েছেন।

    অর্থাৎ, চুক্তির প্রাথমিক কাঠামোতে আপাতত পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যেই সহযোগিতাকে আরও মজবুত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিন দেশের মধ্যে সমন্বয়, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যৌথ অবস্থানকে আরও সুসংহত করাই এখন অগ্রাধিকার বলে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    তবে এখানেই বিষয়টি শেষ নয়। কারণ পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের বক্তব্যে ভবিষ্যতে এই জোট আরও বড় হওয়ার সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। অর্থাৎ, এখনই নতুন দেশ যোগ না হলেও পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে চুক্তির পরিসর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

    ভবিষ্যতে কারা এই জোটে আসতে পারে?

    সাজ্জাদ হায়দার খান জানিয়েছেন, প্রথমে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ককে নিজেদের জোট এবং সহযোগিতাকে আরও সুসংহত করতে হবে। এরপর একই ধরনের অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গি পোষণকারী দেশগুলির জন্য জোটটি উন্মুক্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

    এই বক্তব্যের অর্থ হল, ভবিষ্যতে নতুন দেশ অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়নি। বরং বর্তমান তিন দেশের মধ্যে সহযোগিতার কাঠামো কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা দেখার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

    পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এটাও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, জোট সম্প্রসারণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরবর্তী পর্যায়ে নেওয়া হবে। ফলে এখনই কোনও দেশের নাম ঘোষণা বা নতুন সদস্য নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। বিষয়টি ভবিষ্যতের আলোচনার ওপর নির্ভর করছে।

    চুক্তির মূল লক্ষ্য কী?

    ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল উদ্দেশ্য যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা। চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারায় বলা হয়েছে, স্বাক্ষরকারী দেশগুলির মধ্যে কোনও একটি দেশের ওপর আক্রমণ হলে সেটিকে সব স্বাক্ষরকারী দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

    এই ব্যবস্থার মাধ্যমে তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করা হয়েছে। কোনও সম্ভাব্য আক্রমণের ক্ষেত্রে এককভাবে প্রতিক্রিয়া জানানোর পরিবর্তে সম্মিলিত প্রতিরোধের ধারণাকেই এখানে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, এটি মূলত প্রতিরোধের মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি রক্ষণাত্মক জোট। অর্থাৎ চুক্তিটির ঘোষিত উদ্দেশ্য নতুন কোনও সংঘাত তৈরি করা নয়, বরং সদস্য দেশগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো।

    কেন আপাতত তিন দেশেই সীমাবদ্ধ?

    নতুন কোনও দেশকে এখনই যুক্ত না করার সিদ্ধান্তের পিছনে চুক্তির প্রাথমিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পাকিস্তানের বক্তব্য অনুযায়ী, আগে তিন দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও সুসংহত করা প্রয়োজন। তার পরেই জোট সম্প্রসারণের প্রশ্নে এগোনো হবে।

    এতে একদিকে যেমন তিন দেশের মধ্যে সামরিক ও কৌশলগত সমন্বয় বাড়ানোর সুযোগ থাকবে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট কাঠামো তৈরি করা সম্ভব হবে।

    তবে কোন দেশকে ভবিষ্যতে এই চুক্তিতে নেওয়া হতে পারে, সে বিষয়ে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এখনও নির্দিষ্ট কোনও নাম জানানো হয়নি। ফলে আপাতত নতুন সদস্য নিয়ে জল্পনা থাকলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও দেশের অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত হয়নি।

    মক্কা চুক্তির ভবিষ্যৎ কোন পথে?

    পাকিস্তানের বক্তব্য থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট—মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির পরিসর ভবিষ্যতে বাড়ানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। তবে সেই সম্প্রসারণ এখনই নয়। প্রথম পর্যায়ে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক নিজেদের সহযোগিতার ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে চাইছে।

    এরপর একই ধরনের অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে এমন দেশগুলিকে জোটের আওতায় আনার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। ফলে মক্কা চুক্তি বর্তমানে তিন দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কাঠামো হলেও ভবিষ্যতে এটি আরও বড় আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোয় পরিণত হবে কি না, তা সময়ই বলবে।

    দ্য ডন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, আপাতত নতুন কোনও দেশকে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা নেই। তবে পরবর্তী পর্যায়ে চুক্তির সম্প্রসারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফলে এই মুহূর্তে নজর থাকবে তিন দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা কতটা শক্তিশালী হয় এবং ভবিষ্যতে কোন দেশগুলি এই প্রতিরক্ষা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করে।

    #MakkahDefensePact #Pakistan #SaudiArabia #Turkey #DefenseCooperation #RegionalSecurity #PakistanSaudiRelations

  • বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য! পাকিস্তানের অস্বস্তি বাড়ছে কেন?

    Balochistan Independence: পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ বেলুচিস্তানকে ঘিরে নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। একটি ভিডিও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কিছু বেলুচ জাতীয়তাবাদী নেতা বেলুচিস্তানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং ভারতের কাছে এই নতুন সত্তাকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই স্বাধীনতার দাবি এখনও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয় এবং স্বাধীনভাবে যাচাইও করা যায়নি।

    কী দাবি করা হয়েছে?
    বেলুচ জাতীয়তাবাদী নেতারা পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ‘রিপাবলিক অব বেলুচিস্তান’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁদের দাবি—

    বেলুচিস্তানের অধিকাংশ এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
    নতুন প্রশাসনিক কাঠামো গঠন করা হয়েছে।
    নিজস্ব পতাকা, জাতীয় সংগীত ও মুদ্রা গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছে।
    ভারত-সহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি চাওয়া হয়েছে।
    কেন বেলুচিস্তান গুরুত্বপূর্ণ?

    বেলুচিস্তান পাকিস্তানের আয়তনের সবচেয়ে বড় প্রদেশ। প্রাকৃতিক গ্যাস, তামা, সোনা-সহ বিপুল খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এই অঞ্চল কৌশলগত দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    এই প্রদেশেই রয়েছে গোয়াদর বন্দর, যা চীনের চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (সিপিইসি)-এর অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। ফলে বেলুচিস্তানের পরিস্থিতি শুধু পাকিস্তান নয়, চীন ও সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত।

    পাকিস্তানের সামনে কেন বড় চ্যালেঞ্জ?

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান বর্তমানে একাধিক অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সমস্যার মুখোমুখি।

    বেলুচিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন
    সশস্ত্র হামলা ও বিদ্রোহ
    পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে অস্থিরতা
    বিভিন্ন সীমান্তে নিরাপত্তা চাপ

    এই পরিস্থিতিকে পাকিস্তানের জন্য অন্যতম বড় নিরাপত্তা সংকট হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

    ভারতের সামনে কী প্রশ্ন?

    প্রশ্ন তোলা হয়েছে—

    ভারত কি বেলুচ আন্দোলনকে সমর্থন করবে?
    নাকি দীর্ঘদিনের নীতি অনুযায়ী অন্য দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান দেখিয়েই অবস্থান নেবে?

    এটি এখন কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি আলোচনার বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে।

    স্বাধীনতার দাবির সত্যতা কতটা?

    এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি মনে রাখা জরুরি।

    বর্তমানে—

    বেলুচিস্তানকে কোনও দেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।
    জাতিসংঘও এ ধরনের কোনও স্বীকৃতি দেয়নি।
    পাকিস্তান সরকারও এই দাবিকে স্বীকার করেনি।
    বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থাও বলছে, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্বাধীনতার দাবিগুলি এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    অর্থাৎ, বেলুচিস্তানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণার দাবি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চললেও, সেটি এখনও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বা নিশ্চিত বাস্তবতা নয়।

    #BalochistanIndependence #Pakistan #Balochistan #AsimMunir #Geopolitics #SouthAsia #BreakingNews #India

  • Iran And Pakistan Conflict: ইরান শাস্তি দেবে পাকিস্তানকে? ভয় দেখাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র!

    ।।প্রথম কলকাতা।।

    Iran And Pakistan Conflict: যুক্তরাষ্ট্রের কারণে ফাটল ধরতে পারে ইরান আর পাকিস্তানের সম্পর্কে? ইরান পাকিস্তানকে টেনে নিয়ে যেতে পারে আন্তর্জাতিক আদালতে। কি এমন গুরুতর বিষয়? যার কারণে ভাঙা সম্পর্ক জোড়া লেগেও আবার ভাঙার পথে? একটা চুক্তি করতে, পাকিস্তান আর ইরানের দশকের পর দশক কেটে যাবে না তো। পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র আর ইরানের মাঝে ব্যালেন্স করতে গিয়ে তাহলে কি বেসামাল হয়ে পড়ছে? ইসলামাবাদ এখন কাকে সামলাবে? ইরান নাকি যুক্তরাষ্ট্র? তেল পাইপ চুক্তি নিয়ে তেহেরান আর ইসলামাবাদের মধ্যে নতুন করে মনকষাকষি শুরু হয়ে গেলেই কিন্তু বিপদ। হঠাৎ কেন এমন আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে? কিছুদিন আগেই তো পাকিস্তান ঘুরে গেলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট। যা অত্যন্ত ভালো খবর বলেই মনে করেছিল পাকিস্তান। দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে, ধিকে ধিকে এগোচ্ছে উন্নতির দিকে। তাহলে আবার নতুন করে অশনি সংকেতটা কীসের? ইরান আর পাকিস্তানের মধ্যে তেল পাইপ চুক্তি নিয়ে এত টালবাহানা কেন? যুক্তরাষ্ট্রই বা কেন এই চুক্তি কার্যকর হতে দিতে চাইছে না? তাহলে কি ইরান-পাকিস্তানের জোটের কাছে ভয় পাচ্ছে পশ্চিমা দুনিয়া? কি আছে এই চুক্তিতে? যা বদলে দিতে পারে বিশ্ব রাজনীতি।

    এই তো কিছু মাস আগের কথা। যখন ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে হামলা চালিয়েছিল সরাসরি পাকিস্তানের মাটিতে। সেই আক্রমণ ঘিরে কিন্তু দুই দেশের মধ্যে কম টানাপোড়েন তৈরি হয়নি। জবাবে পাকিস্তানও ইরানে পাল্টা হামলা চালায়। তবে হ্যাঁ, এই পাল্টা হামলার পরেও কিন্তু দুই দেশের সম্পর্ক ভাঙন ধরতে ধরতে গিয়েও বেঁচে গিয়েছে। কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে, ছেদ পড়েছে পুরনো শত্রুতায়। পুনরায় কথা হচ্ছে, দুই দেশের মধ্যে হওয়া গ্যাস পাইপলাইন চুক্তি নিয়ে। চুক্তি বলুন আর মেগা প্রকল্প , এটা নিয়ে এখন কথা হলেও এটা বহু পুরনো চুক্তি। এই প্রকল্পের কথা ভাবা হয়েছিল ১৯৯০ দশকে পাকিস্তানের বেনজির ভুট্টোর আমলে। তার আগে কিন্তু এই প্রকল্পটি ছিল ইরান পাকিস্তান আর ভারতের মধ্যে একটা গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প। নিরাপত্তা জনিত কারণ দেখিয়ে ভারত এই প্রকল্প থেকে বেরিয়ে যায়। কারণ পাকিস্তান যেকোনো মুহূর্তে ভারতের সঙ্গে এই তেল পাইপ লাইনের যোগাযোগ বন্ধ করে দিতে পারে। তারপর থেকে এই প্রকল্প ইরান-পাকিস্তান গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প হিসেবে থেকে যায়।

    এই প্রকল্পে ইরান আর পাকিস্তানের মধ্যে কাজ শুরু হয় ২০০০ সাল নাগাদ। ২০১৩ সালে ইরান সফরে গিয়ে পাকিস্তানের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি যার উদ্বোধন করেছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে ১০টা বছর কেটে গিয়েছে, প্রকল্প নিয়ে কোন কাজই হয়নি। ২০১৩ সাল নাগাদ কিন্তু ইরান এই পাইপ লাইনের বেশিরভাগ অংশ তৈরি করে ফেলেছিল। কিন্তু বাকি ছিল পাকিস্তান সীমান্ত থেকে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার এলাকার কাজ। বহু সমালোচক অভিযোগ করে বলেন, পাকিস্তান মুসলিম লীগ এবং পাকিস্তান তেহরিক ই ইনসাফের আমলে এই প্রকল্পের বিন্দুমাত্র অগ্রগতি হয়নি। পরে শাহবাজ শরীফ ক্ষমতায় এলে প্রকল্পের জন্য ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে একটি কমিটি গঠন করেন। প্রায় এক বছর পর জ্বালানি বিষয়ে ক্যাবিনেট কমিটি এই প্রকল্পের একটা অংশের অনুমোদন দেয়।

    তবে কেন এতদিন ধরে ঝুলে ছিল চুক্তিটা? সেক্ষেত্রে কূটনৈতিক মহলের একাংশ আঙুল তোলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে। সমালোচক মহলের মতে, সেই সময় পাকিস্তানি সরকার চাইছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখতে। তার উপর, যেহেতু ইরানে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাই ইরান থেকে তেল আর গ্যাস রপ্তানির উপরেও ছিল একগুচ্ছ বাধা। এই প্রকল্পে যে সংস্থা কাজ করবে সেই সংস্থাও কিন্তু পড়তে পারে নিষেধাজ্ঞার কবলে। তবে বর্তমানে বিষয়টা দাঁড়িয়েছে আরও জটিল রূপে। কারণ এই গ্যাস প্রকল্পটার বিষয়ে প্রথম থেকেই আপত্তি জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। যার কারণ হিসেবে জানানো হয়েছিল, ইরানের উপর থাকা একাধিক আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা। এখন পাকিস্তানের অবস্থা হয়েছে অনেকটা শাখে করাতের মত। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের যে গভীর সম্পর্ক তা তো জানেনই । পাকিস্তানকে এখন ব্যালেন্স করতে হচ্ছে ইরান আর যুক্তরাষ্ট্রের সাথে। আবার ইরান আর যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের ঘোর শত্রু। পাকিস্তান না পারছে যুক্তরাষ্ট্রের কথা সম্পূর্ণভাবে ফেলে দিতে, আবার না পারছে ইরানের সাথে হওয়া প্রকল্পটাকে বাতিল করতে। কারণ এই প্রকল্পে কাজ না করার জন্য ইরান আন্তর্জাতিক সংস্থা মারফত পাকিস্তানের উপর সম্ভাব্য মোটা জরিমানা বসাতে পারে। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানকে টেনে নিয়ে যেতে পারে আন্তর্জাতিক আদালতের দোরগোড়া পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই ইরান প্রচুর টাকা এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে। শুধুমাত্র পাকিস্তানের সিদ্ধান্তের কারণে প্রচুর লস খেতে হতে পারে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটাকে। ইরানের অভিযোগে জরিমানা হতে পারে পাকিস্তানের। কূটনৈতিক মহলের দাবি আপাতত এই জটিলতা এড়াতে পাকিস্তান পাইপ লাইন বসানোর অনুমতি দিয়েছে। যদিও এগুলো সবই সম্ভবনা, এখনো পর্যন্ত ইরানের তরফ থেকে এই বিষয়ে কোন আল্টিমেটাম দেয়া হয়নি।

    আসলে ২০১৩ সালে সই হওয়া এই প্রকল্পে পাকিস্তানের অংশের কাজ ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। চুক্তি অনুযায়ী, যদি এই প্রকল্প থেকে পাকিস্তান সরে যায় তাহলে ইরানকে দিতে হবে প্রায় ১৮০০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ। প্রায় ১৯০০ কিলোমিটার এই পাইপ লাইন পাকিস্তানে ক্রমবর্ধমান শক্তির চাহিদা মেটাতে ২৫ বছর ধরে প্রতিদিন প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন থেকে এক বিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করবে। ইরানের দক্ষিণে ফারস গ্যাসক্ষেত্র থেকে পাকিস্তানের বেলুচিস্তান সিন্ধু পর্যন্ত পাইপলাইন নির্মাণের জন্য যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল এটা নিয়ে সম্প্রতি নতুন করে উদ্যোগ নিতে চলেছে পাকিস্তান। যদিও পাকিস্তানের যুক্তি, পাইপলাইনটি আন্তর্জাতিক বিধি নিষেদের আওতায় এখনো আসেনি এবং ইরান আর পাকিস্তান দুই দেশী এই বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করছে। ওদিকে ইরান যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, সেই সম্পর্কে একদম চুপ ইসলামাবাদ। পাকিস্তানি শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিক সম্মেলনে দুই দেশের মধ্যে হওয়া চুক্তি নিয়ে কথা বললেও ইরান যে আইনি ব্যবস্থা নিয়েও নিতে পারে এই সম্পর্কে কোন কথা আপাতত বলছে না। আসলে কি বলুন তো, পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের বাড়ি থেকে শুরু করে শিল্প কলকারখানায় প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রয়োজন রয়েছে। যেহেতু দ্রুত পাকিস্তানে নিজস্ব মজুদ হ্রাস পাচ্ছে এবং উচ্চ মূল্য বৃদ্ধির মধ্যে এলএনজি সরবরাহ ব্যয়বহুল উঠেছে, তাই এই মুহূর্তে সস্তা গ্যাস ভীষণ দরকার। বলা হয়ে থাকে, ইরানি রয়েছে বিশ্বের অন্যতম গ্যাসের মজুদ। কিন্তু পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞা, রাজনৈতিক অশান্তি আর উৎপাদন বিলম্বে ইরানের সেই বিকাশকে আরো ধীরে করে দিয়েছে।

    আপাতত এই চুক্তি নিয়ে পাকিস্তান এখন ভাবছে নিজের স্বার্থের কথা। বন্ধুত্বের আগে গুরুত্ব দিচ্ছে নিজের স্বার্থকে। সম্প্রতি ইসলামাবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটার উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেন, পাকিস্তান কি করবে, কখন করবে আর কিভাবে করবে, যাই হোক না কেন সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা অন্যান্য দেশ বা কেন বলবে? এখানে পাকিস্তান নিজের স্বার্থ দেখবে। নিজেদের প্রতিশ্রুতি দেখবে। পাকিস্তান সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে পাকিস্তানের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে। সেটা তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। পাকিস্তান কাউকে ভেটো ব্যবহার করতে দেবে না। আরো বলেন, সম্প্রতি ইরানের প্রেসিডেন্টের পাকিস্তান সফর খুবই ফলপ্রসু ছিল। আন্তর্জাতিক মহলের গুঞ্জন বলছে, এই সফরে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বমঞ্চে ইরানকে যেভাবে বিচ্ছিন্ন দেখতে চেয়েছি সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। আগামী পাঁচ বছরে পাকিস্তান আর ইরান তাদের বাণিজ্য দুই বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে দশ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে সম্মত হয়েছে।

  • Secret Town in Pakistan: পাকিস্তানের এই শহরে মুসলিমদের নো এন্ট্রি! কেন এমন নিয়ম?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Secret Town in Pakistan: পাকিস্তানের একটা শহরে মুসলিমদের এখনও নো এন্ট্রি। এই রহস্যময় শহরে মুসলিমরা পাও রাখতে পারেন না। কিন্তু কেন? এই শহর রয়েছে এমন অদ্ভুত নিয়ম। পাকিস্তানের এই শহর নাকি বড় রহস্যময়। কারা থাকেন এই শহরে? কোন সম্প্রদায়ের মানুষ? হিন্দু, শিখ, খ্রীস্টান নাকি মুসলিমদের প্রবেশ করতে না দেওয়ার কারণটা আসলে অন্য?

    পাকিস্তানের খুব কম নাগরিকই জানেন এমন শহর রয়েছে তাদের দেশে। মূল পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েও ঝা চকচকে এই শহর কিন্তু কীভাবে? পাকিস্তানের চিনাব নদীর তীরে ‘রাবওয়াহ’ একটা সিটির নাম নামে, যাকে অন্যরা চিনাব নদীর সঙ্গে মিলিয়ে ‘চিনাবনগর’ বলে। চিনোট জেলায় অবস্থিত এ শহরটি সারা বিশ্বের কাদিয়ানি তীর্থ হিসেবে পরিচিত।।কাদিয়ান এ কোন নতুন সম্প্রদায়?

    কাদিয়ানি মতবাদে বিশ্বাসীগণ রাবওয়াহ শহরকে পবিত্র বলেই বিশ্বাস করে। শহরের ৯৭ ভাগ অধিবাসীই কাদিয়ানি। বাকিরা অন্য ধর্মের অনুসারী, তবে সেখানে কোনো মুসলমান বসবাস করে না। এমনকি তাদের এই শহরে পা রাখাও নিষিদ্ধ। বিভিন্ন তথ্য বলছে, আহমদিয়া মুসলিম জামাতের অনুসারীরা নিজেদের অন্য সকল মুসলমানের মতোই মুসলিম বলেই দাবি করেন। তারাই কাদিয়ান নামে পরিচিত অনেকের কাছেই। তবে সুন্নি মুসলিমদের অনেকে আহমদিয়াদের ‘অমুসলিম’ বলে মনে করেন। বর্তমানে সারা বিশ্ব জুড়ে তাদের লাখ লাখ সদস্য ছড়িয়ে থাকলেও আহমদিয়া মুসলিম জামাতের জন্ম হয়েছিল অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাবের অমৃতসরের কাছাকাছি একটি গ্রাম – কাদিয়ানে। সেখান থেকেই এই ফিলোজপির জন্ম বলে অনেকে এই সম্প্রদায়ের লোকজনকে কাদিয়ানী বলেও বর্ণনা করে থাকেন। এই সম্প্রদায়কে নিয়ে বিশ্বের অনেক দেশেই বিরোধ রয়েছে, তবে পাকিস্তানের বুকে তারা নিজেদের মতো করে গুছিয়ে নিয়েছে একটা শহর। এই শহরে ধনী থেকে গরিব সকলেই সমান। তাই এখানে সকলে সাইকেলেই যাতায়াত করেন।

    কাদিয়ানি জামাত ১৯৪৮ সালে ভারত থেকে তাদের সদর দপ্তর পাকিস্তানে স্থানান্তর করে। সে সময় চিনাব নদীর তীরের ভূখণ্ড কিনে গড়ে তোলে নিজস্ব শহর। বর্তমানে এই চিনাব নগরে ৭০ হাজারের অধিক পরিবার বসবাস করে। রহস্যময় এ নগরীর জীবনযাত্রার মান অত্যন্ত উন্নত। এখানের প্রতিটি সড়কই পাকা ও উন্নত। সড়কের পাশে রয়েছে পরিকল্পিত ফুলের বাগান ও সবুজ উদ্যান। এখানে রয়েছে অলিম্পিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতায় ব্যবহৃত আন্তর্জাতিক মানের সুইমিং পুল, আধুনিক পাঠাগার, আন্তর্জাতিক মানের নিজস্ব ব্যাংকিং ব্যবস্থা, সর্বাধুনিক হাসপাতাল। এছাড়াও পাকিস্তানে থেকেও উল্টো পথে হেঁটে শহরের ৮৫ ভাগ নারী-পুরুষ শিক্ষিত। নিউইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এ শহরের জীবনযাত্রার মান পশ্চিমা বিশ্বের যে কোনো শহরের সমমানের। পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ যা কল্পনাও করতে পারে নারাবওয়াহ শহরের বাসিন্দাদের সবাই আর্থিকভাবে স্বচ্ছল। তবে শহর ছোট বলে ধনীরাও এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে সাইকেল ব্যবহার করে। শহরের প্রায় প্রতিটি স্থাপনায় কাদিয়ানি মতবাদের প্রবর্তক গোলাম আহমদ কাদিয়ানির ছবি রয়েছে।

    https://www.facebook.com/100069378195160/posts/717272697261997/?mibextid=NTRm0r7WZyOdZZsz

    এই শহরেই কাদিয়ানিদের আন্তর্জাতিক বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে সারা বিশ্বের কাদিয়ানি ধর্মাবলম্বীরা অংশগ্রহণ করে। তাদের ধর্মীয় শিক্ষা ও দীক্ষা প্রদান করা হয়। সারা বিশ্বে কাদিয়ানি মতবাদ প্রচারের জন্য। এখানে ধর্মপ্রচারকদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। নিজেদের মতো নিজেদের এই শহরকে গুছিয়ে নিয়েছে কাদিয়ানিরা।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pakistan India UNSC TTP Attack: টিটিপির ধারে বিপর্যস্ত পাকিস্তান, দায় চাপাচ্ছে ভারতের উপর! নালিশ জাতিসংঘে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pakistan India UNSC TTP Attack: ঘুম উড়েছে পাকিস্তানের। দেশটা ধীরে ধীরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। আর তার দায় চাপাচ্ছে ভারতের উপর। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে নালিশ ঠুকেও কোন লাভ নেই। পাকিস্তান এখন ভুগছে টিটিপির আতঙ্কে।

    ‘নবভারত টাইমস’ এর রিপোর্ট অনুযায়ী,পাকিস্তান সরকার তেহরিক-ই-তালেবান বা টিটিপি সন্ত্রাসীদের কারণে আতঙ্কে রয়েছে। যারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর উপর একের পর এক ভয়াবহ হামলা চালাচ্ছে। এই TTP সন্ত্রাসীদের নিয়ে জাতিসংঘে ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছে পাকিস্তান। তাও আবার যখন পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী নিজেই এ জন্য তালেবানদের হুমকি দিয়েছেন। পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে জানিয়েছে যে তাদের কাছে ‘স্পষ্ট প্রমাণ’ রয়েছে, টিটিপিকে নাকি তাদের প্রধান শত্রু দ্বারা সমর্থন করা হচ্ছে। পাকিস্তান ভারতের নাম না নিলেও তা সম্পূর্ণরূপে নয়াদিল্লির দিকেই ইঙ্গিত করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত মুনির আকরাম নাম না নিয়ে অভিযোগ করেন, ভারত টিটিপিকে পাকিস্তানি ঘাঁটিতে হামলার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে। হামলা চলছে সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য স্থাপনায়। বুধবার নিরাপত্তা পরিষদে আফগানিস্তান সংক্রান্ত জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনার সময় পাকিস্তান এই দাবি করে। ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আকরাম ভারতের নাম নেননি তবে তার পুরো উল্লেখ ছিল ভারতের দিকে। এর আগেও, পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছে যে তারা আফগানিস্তানের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলিকে সমর্থন করে যারা পাকিস্তান সীমান্তের ভিতরে সন্ত্রাসী হামলা চালায়। আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের সহকারী রোজা ওতুবায়েভা বলেছেন, আফগানিস্তান থেকে উদ্ভূত সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আঞ্চলিক দেশগুলো উদ্বিগ্ন। তিনি আরও বলেন, তালেবান টিটিপি নিয়ন্ত্রণে কোনো দৃঢ় প্রয়াস করেনি। পাকিস্তান নিরাপত্তা পরিষদে আবেদন করে জানিয়েছে, টিটিপি হামলায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। মুনির আকরাম বলেন, ‘এসব হামলায় আমরা আমাদের হাজার হাজার সেনা ও বেসামরিক নাগরিককে হারিয়েছি। এটি সারা বছর এবং গত সপ্তাহেও ঘটেছে।’

    সম্প্রতি, TTP-এর সাথে মিত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর একটি ভয়াবহ হামলায় ২৪ জন পাকিস্তানি সেনা সৈন্য নিহত হয়েছিল। আকরামের কথায়, টিটিপির কাছে মারাত্মক আমেরিকান অস্ত্র রয়েছে যা তারা আফগানিস্তানে রেখে গেছে। পাকিস্তান সরকার ক্রমাগত তালেবানদের হুমকি দিচ্ছে কিন্তু তাতে কোনো প্রভাব পড়ছে না। শুধু তাই নয়, চীন ও রাশিয়া পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করলেও তালেবানরা টিটিপির কাছে মাথা নত করতে প্রস্তুত নয়। এক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো, ভারতকে নিয়ে পাকিস্তানের এহেন অযৌক্তিক এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ নতুন নয়। এর আগে বহুবার করেছে। কিন্তু আদতে কোন লাভ হয়নি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Dawood Ibrahim: দাউদকে নিয়ে পাকিস্তান চরম ফাঁদ পেতেছে! RAW শেখাবে সবক, সত্যিই কি বিষপ্রয়োগ ডনকে ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Dawood Ibrahim: দাউদ ইব্রাহিমকে সত্যিই কি বিষ দেওয়া হয়েছে? তথ্য ফাঁস করবে “র”! যে পাকিস্তান দাউদের অস্তিত্ব তাদের দেশের স্বীকার করত না তারা বের করছে দাউদের লাইফরিস্কের খবর। পাকিস্তানের নতুন খেলায় ধোঁকা খেতে পারে বিশ্ব। ‘র’ এবারই নেবে সেই মোক্ষম স্টেপ? চালাকি করতে গিয়ে বড় ভুল ISIS এর। পাকিস্তান লুকাতে চাইছে নাকি ফেক তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে তার মাঝেই বড় খেলাটা খেলতে চাইছে? পাকিস্তান কনফার্ম করে নিচ্ছে দাউদ ইব্রাহিম তাদের দেশেই? তুখোর কোন পরিকল্পনা করে ফেলেছে আইএসআই দাউদকে নিয়ে। ‘র’ এর সামনে ফাঁদ পাতা হয়েছে অদৃশ্য এক ফাঁদ। এই সুযোগে দাউদকে অন্য কোথাও সরিয়ে ফেলার প্ল্যানিং! কীভাবে পাকিস্তানে টপ সিকিউরিটিতে থাকা এক জঙ্গির খবর ভাইরাল হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ায়? সে অসুস্থ, তাকে করাচীর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এসব তথ্য হু হু করে ফাঁস হয়ে যাবে, আর ISI বোকার মতো সেগুলোকে ফাঁস হতে দেবে? বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় এটা আপনার?

    সামনেই ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস ভারতের, এরপরই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন কোন ছক কষছে আসলে পাকিস্তান? এবারই কি মোদী দাউদকে নিয়ে কোনও বড় ঘোষণা করতে পারত সেটা বুঝেই কি আগেভাগেই বড় প্ল্যান কষা হলো জিন্নাহর দেশ? দাউদ ইব্রাহিমকে নিয়ে এটা শুধু খবর নয় পাকিস্তানের একটা টোপ বলতে পারেন এমনটা বহু মহলের দাবি। পাকিস্তান থেকে যদি এই খবরটাও পান মারা গিয়েছে দাউদ ইব্রাহিম তাহলেও অবাক হবেন না। ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দাবি পাকিস্তানের মিডিয়া বলছে ১৯৯৩ সালে মুম্বইয়ে একের পর এক বিস্ফোরণে মূল মাথা দাউদকে পাকিস্তানে বিষপ্রয়োগ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় করাচী এক বড় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের যে অংশে সে আছে সেই ফ্লোরটা খালি করা দেওয়া হয়। সূত্রের খবর, গত দু’দিন ধরে হাসপাতালে রয়েছে দাউদ।

    স্বাভাবিকভাবে কে বিষ দিল দাউদকে? এই প্রশ্নটা যখন উঠবে তখন মনে মনে একটা নামই মানুষের আসবে সেটা হল হয়ত এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’। ইসলামাবাদ আঁটঘাট বেঁধে নেমেছে। পাকিস্তান সব জায়গায় নাকি সোশ্যাল মিডিয়াও চলছে না পাকিস্তানের একাধিক এলাকায় ইন্টারনেট সার্ভার ডাউন হয়ে পড়ার খবর মিলেছে। এক্স, ফেসবুক কিংবা ইনস্টাগ্রামের মতো সমাজমাধ্যম কাজ করছে না। এসব করে কি ধোঁয়াশা তৈরি করার চেষ্টা? বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন পাকিস্তান হয়ত চাইছে কানাডার খালিস্তানি ইস্যুর পর ফের এবার এই ইস্যুত ‘র’ এর দিকে আঙুল উঠুক। একটা ব্যাপার তো নিশ্চই লক্ষ্য করেছেন এতদিনে পাকিস্তানে একের পর এক জঙ্গি খতম হচ্ছে। কখনও মসজিদের বাইরে শ্যুট করা হয়েছে লস্কর জঙ্গিদের কখন পাকিস্তানের জেরে ঢুকে বিষ দেওয়া হচ্ছে সাজিদ মীরকে। এদিকে পাকিস্তানের খান বাবা জঙ্গি হাবিবুল্লাহকে রবিবারই প্রাণে মারার খবর উঠে এসেছে বিভিন্ন মিডিয়ায়। পাকিস্তানে জঙ্গি খুন মানে ইশারায়ভারতের দিকেই ইঙ্গিত তাই না?

    আমেরিকা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপুঞ্জ সবার খাতাতেই ঘোষিত বিশ্বমানের জঙ্গি দাউদ আল কায়েদা, তালিবানের সঙ্গেও তার যোগ ছিল বলে অভিযোগ। দাউদ কাজ করেছে ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে বিশ্ব জুড়ে নিষিদ্ধ মাদক পাচার চক্র চালায় এই দাউদই। অনেকেই বলছেন পাকিস্তান হয় এই সুযোগে ‘র’ এর চোখে ধুলো দিয়ে দাউদকে অন্য কোথাও পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারে। এতদিন সন্দেহ করা হত সিন্ধ প্রদেশের করাচীতে আরব সাগর সংলগ্ন ক্লিফনেট এলাকাতেই নাকি লুকিয়ে রাখা হয়েছিল দাউদকে। কিছু দিন আগে জানা গিয়েছিল পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই)-এর শীর্ষস্থানীয় একটি সাম্মানিক পদে দাউদকে বসানো হয়েছে।

    বিশ্লেষকেরা বলছেন দুটো জিনিস হতে পারে হয় পাকিস্তান দাউদের মৃত্যুর খবর ঘোষণা করে দিতে পারে। আর সেই ঘটনায় ফাঁসিয়ে দিতে পারে ভারতকে। দ্বিতীয়ত এই সুযোগে দাউদকে অন্য কোথাও সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। ২০২৩এর শেষ সময় বছরটা খুব ভাইটালদা উদকে প্রজেক্ট করে পাকিস্তানের কোনও বড় ছক হতেই পারে বলছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India-Pakistan War: ভারত-পাকিস্তানের সুপারসনিক অ্যাকশন, কেঁপে উঠেছিল আকাশ! ৫২ বছর আগে কী এমন ঘটেছিল?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India-Pakistan War: ৫২বছর হতে চলেছে ১৯৭১ এর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। এটি ছিল সেই যুদ্ধ যা গোটা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেন উভয় দেশের সামরিক সক্ষমতা। সেদিনই বোঝা গিয়েছিল কার দৌড় কতটা বেশি। এই যুদ্ধে ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) ভূমিকা ছিল স্মরণীয়।

    ১৯৭১, এটি সেই বছর যা পাকিস্তান তার ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে চায়। সে বছর ডিসেম্বরের ঠান্ডা মৌসুমে পাকিস্তানে তাপমাত্রা বেশি ছিল। যেখানে প্রায় এক লাখ পাকিস্তানি সৈন্য ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল। পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত হয়েছিল বাংলাদেশে। ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধে পরাজয়ের মুখে পড়ে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী। এই যুদ্ধে ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) তৎপরতা আজও পাকিস্তানকে রাতে শান্তিতে ঘুমাতে দেয় না। এমন এক সময়ে যখন ভারতের কাছে খুব একটা উন্নত প্রযুক্তি ছিল না, তখনও পাকিস্তান এয়ার ফোর্সের (PAF) জেট ধুলিস্যাৎ করে দিয়েছিল ভারত। পাকিস্তান কিন্তু তখন আমেরিকা ও অন্যান্য পশ্চিমা শক্তির সমর্থন পেয়েছিল। কিন্তু লাভ হয়নি।

    ১৯৭১, ১২ ডিসেম্বর, পাকিস্তান বিমান বাহিনী গুজরাটের জামনগরে একটি আইএএফ ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু করা শুরু করে। সেদিন দুপুর ২টোর দিকে আকাশে দুই শত্রুর মধ্যে শুরু হয় যুদ্ধ। এটি ছিল একটি সংঘাত যা বিমান সেক্টরে ঐতিহাসিক বলে বিবেচিত হয়। ভারতের MiG-21 FL গুলি করে নামায় পাকিস্তানের F-104A স্টার ফাইটারকে। আজও এটিকে বিশ্বের সেরা সুপারসনিক অ্যাকশন বলে মনে করা হয়। ভারত ভূষণ সোনি ব্ল্যাক আর্চার নামে পরিচিত বিমানবাহিনীর ৪৭ নং স্কোয়াড্রনের অংশ ছিলেন। সোনি সেদিন ছিলেন কমব্যাট এয়ার টহলে। হামলার ঘটনা ঘটলেই তারা হামলা বন্ধের নির্দেশ পায়। সোনি স্টার ফাইটারদের একজনকে টার্গেট করেছিলেন এবং এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল দিয়ে আক্রমণ করেন। তবে তার একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে বাদ পড়ে। কিন্তু আতঙ্কিত না হয়ে, নিজের বন্দুক দিয়ে কাথিয়াওয়ার উপকূলে পাকিস্তানি জেটকে গুলি করে নামিয়ে দেন। পরবর্তীকালে সোনি বীর চক্রে ভূষিত হন।

    শোনা যায়, সেদিনের যুদ্ধে শত্রু পাইলটকে হাঙর-আক্রান্ত জলে প্রাণ দিতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু এয়ার এবং সি রেসকিউ পরে তাকে সনাক্ত করতে পারেনি। পাকিস্তানি বিমানটি তাদের অন্যতম সেরা পাইলট উইং কমান্ডার মারভিন লেসলি মিডলকোট পরিচালনা করছিলেন। হামলার পর তিনি উড়াল দেন। সোনি তাকে প্যারাসুট থেকে বেরিয়ে আসতে এবং আরব সাগরে পড়ে যেতে দেখেছেন। কথিত আছে, আরব সাগরে যে জায়গায় তার প্যারাসুট পড়েছিল সেখানে হাঙর ছিল। সোনিও একটি উদ্ধারকারী দল পাঠানোর জন্য আইএএফ-এর সাথে যোগাযোগ করে। কিন্তু দেহাবশেষ আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। পাকিস্তান সরকার এখনও তাকে নিখোঁজদের তালিকায় রেখে দিয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Amit Shah: POK ভারতেরই, শাহের নিশানায় কংগ্রেস, আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন নরেন্দ্র মোদী!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Amit Shah: লোকসভায় কয়েকদিন আগেই অমিত শাহ POK হুঙ্কার দিয়ে POK বলেছিলেন যে পিওকে আমাদের। এই জমি এই কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না। এই অংশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এবার সেই বিষয়ে নিশানা করলেন কংগ্রেসকে।

    পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই। সরাসরি বলে দিয়েছিলেন অমিত শাহ। জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা বৈঠক সমালোচনার যেন শেষ নেই। সম্প্রতি পার্লামেন্টে জম্মু ও কাশ্মীর সংরক্ষণ (সংশোধন) বিল, ২০২৩ নিয়ে আলোচনা চলাকালীন আবার উঠল আলোচনার ঝড়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বক্তৃতা শুরু হতেই বিরোধী নেতারা একটু দূরে হটতে থাকেন। প্রকৃতপক্ষে, শাহ তাঁর বক্তৃতার শুরুতে বিরোধী দলগুলির একটি জোট INDIA-কে ‘অহংকারী’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

    জম্মু ও কাশ্মীর সংরক্ষণ (সংশোধন) বিল ২০২৩ নিয়ে বক্তৃতা দেওয়ার সময়, শাহ কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ৩৭০ ধারা অপসারণের বিরোধিতা এবং উপত্যকায় বিচ্ছিন্নতাবাদের প্রচারের মতো অনেক গুরুতর অভিযোগ করেছেন। শাহ বলেছেন যে নেতারা যারা পদত্যাগ করছেন তারাও আগামী লোকসভা নির্বাচনে খারাপ পারফর্ম করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জম্মু ও কাশ্মীর সংরক্ষণ (সংশোধন) বিল, ২০২৩ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন (সংশোধন) বিল, ২০২৩-এ রাজ্যসভায় বক্তৃতা করার সময় টার্গেট করেন কংগ্রেস এবং জোটের অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য দলগুলিকেও। বলেন, “আজ ৩৭০ ধারা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তও এসেছে। তারপরও তারা (কংগ্রেস) বলছে যে তারা এটা মানে না এবং ৩৭০ অনুচ্ছেদ ভুলভাবে সরানো হয়েছে। বাস্তবতা কী তা আমি তাদের বোঝাতে পারব না। ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিচ্ছিন্নতাবাদকে প্রচার করেছে। এবং বিচ্ছিন্নতাবাদ সন্ত্রাসবাদের দিকে পরিচালিত করে”। এমনটাই বলেছে ‘Oneindia’র প্রতিবেদন।

    অমিত শাহ আলোচনার সময় আসন্ন নির্বাচনের বিষয়ে হাউস থেকে ওয়াক আউট করা সাংসদদেরও সতর্ক করেছিলেন। তিনি বলেন, “আমি এখনও করছি, ফিরে আসুন নাহলে যারা বাকি আছে তারাও থাকবে না। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতেও, আপনি যদি আপনার সিদ্ধান্তে অটল থাকতে চান তবে জনগণ দেখছে… ২০২৪ সালে।” আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • 370 Article: ভারতের সিদ্ধান্তে আতঙ্কে পাকিস্তান, কাশ্মীর পেতে ছুটল চীনের কাছে!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    370 Article: সম্প্রতি জম্মু এবং কাশ্মীরকে নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায় যেন কিছুতেই হজম হচ্ছে না পাকিস্তানের। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের পর আতঙ্কে রয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলিল আব্বাস জিলানি বলেছেন, তার দেশ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন বিষয়টি ইসলামিক দেশগুলোতে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান। এই নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে ‘নবভারত টাইমস’ এ।

    প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিলের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের পর পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকার আতঙ্কে রয়েছে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তের পর কয়েক ঘণ্টা চুপ ছিলেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলিল আব্বাস জিলানি। জিলানি অবশেষে সন্ধ্যায় তার নীরবতা ভেঙে বলেন যে, ভারতের একতরফাভাবে কাশ্মীরের অবস্থা পরিবর্তন করার অধিকার নেই। আরো বলেন, পাকিস্তান ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে। শুধু তাই নয়, এবার পুরো বিষয়টি অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কান্ট্রিজ (ওআইসি)-তে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়াও, এর আগে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সংবিধান অনুযায়ী ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করার সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতভাবে ঘোষণা করেছিল। পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ কাশ্মীরে নির্বাচন করার নির্দেশও দিয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, কাশ্মীর একটি বৈশ্বিক বিরোধ এবং এ বিষয়ে জাতিসংঘের একটি প্রস্তাবও এসেছে। ২০১৯ এর ৫ আগস্ট ৩৭০ ধরা বাতিল করার সিদ্ধান্ত জাতিসংঘের বিধানের লঙ্ঘন। সুপ্রিম কোর্টের এই রায় বিশ্ববাসীর দৃষ্টি ফেরানোর চেষ্টা। পাকিস্তান ওআইসি ও চীনের আশ্রয় নিতে পারে।

    জিলানি বলেন, পুরো বিষয়টি সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে নিয়ে আলোচনা করা হবে। ভারতের পদক্ষেপ ইতিমধ্যে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ওআইসিকে জানানো হয়েছে। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের পর পাকিস্তান সরকার সব বিকল্প বিবেচনা করছে। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিত্তিহীনভাবে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনা করেছেন। পাকিস্তানের মন্ত্রীর আরো দাবি, ভারত ওআইসি পর্যবেক্ষকদের নাকি কাশ্মীরে যেতেও দেয়নি।

    প্রকৃতপক্ষে, গত কয়েক দশক ধরে পাকিস্তান কাশ্মীর নিয়ে ভারতকে কোণঠাসা করতে সৌদি আরবের তৈরি ওআইসিকে ব্যবহার করছে। পাকিস্তানের পদক্ষেপ নস্যাৎ করতে ভারত ওআইসিকে যোগ্য জবাব দিয়েছে। পাকিস্তান এখন আবারও ইসলামিক দেশগুলোর কাছে ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টির আবেদন করতে পারে। এছাড়া এই পুরো বিষয়টি নিয়ে পাকিস্তান চীনের আশ্রয় নিতে পারে। সেই চীন যে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর গালওয়ান, লাদাখে রক্তক্ষয়ী সহিংসতা চালিয়েছিল। বহু বিশেষজ্ঞের মতে, চীন ও পাকিস্তান এখন ভারতের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India Pakistan: POK দখলে মোদীর প্রথম স্টেপ! পাকিস্তান যা করে ফেলল জানলে অবাক হবেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India Pakistan: POK নিয়ে শাহের হুঁশিয়ারিতে রেসপন্স কী পাকিস্তানের? প্রতিক্রিয়া জানাটা জরুরী তাহলে তো বুঝবেন খেলা শুরু। পাকিস্তান ভয় পেল নাকি রুখে দাঁড়াল কাশ্মীর বাঁচাতে? পিওকে কীভাবে গেছিল পাকিস্তানের কাছে জানা আছে আপনার? পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখলে মোদীর এটা প্রথম ধাপ। এ কি পাকিস্তান ভয় পেয়ে গেল নাকি? যে কাশ্মীর নিয়ে এত বছর দাপিয়েছে পাকিস্তান এবার ব্যাকফায়ার হয়ে গেল পুরোটাই। পাকিস্তান কি ভারতের কাশ্মীর নেবে, ভারত পাল্টা দখল করবে পিওকে। আচ্ছা ইদানিং পাকিস্তানকে আর কাশ্মীর নিয়ে কথা বলে না কেন? মোদীর একের পর এক উত্থান দেখে থরহরিকম্প নাকি ISI? অমিত শাহ ভারতের সংসদের দাঁড়িয়ে পিওকে দখলের ব্লুপ্রিন্ট দিয়ে দেওয়ার পর সীমান্ত পেরিয়ে সেই খবর ইসলামাবাদের কানে পৌঁছতে খুব বেশি সময় লাগেনি। সেখানকার সরকার, সেনা ও গোয়েন্দা সংস্থা সর্বোপরি পাকিস্তানের জনতা কী বলছে এরপর? সত্যিই কি নেহরুর জন্যই পিওকে আজ পাকিস্তানের হাতে?

    ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও কাশ্মীর নিয়ে তখনও মীমাংসা হয়নি। কাশ্মীরের রাজা হরি সিং তখনও স্বাধীন থাকতে চেয়েছিলেন, কিন্তু হঠাত করে কাশ্মীরের ওপর আক্রমণ করে দেয় পাকিস্তানি ফোর্স। অবশ্য ফোর্স না বলে পাশতুন উপজাতি বাহিনী বললে বেটার। এরপরই মাউন্টব্যাটেনের প্রস্তাব মেনে ‘ইনস্ট্রুমেন্ট অফ অ্যাকসেশনে’ স্বাক্ষর করেন হরি সিং। এর ফলে জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অংশ হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে শুরু হয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। এতদিন যে লড়াইয়ে পাশতুন বাহিনীর সঙ্গে লড়ছিল ‘জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর স্টেট ফোর্সেস’ এবার সেই লড়াইয়ে অংশ নিল ভারতীয় সেনা। ১৯৪৭ সালের ২২ অক্টোবর শুরু হয় যুদ্ধ। চলেছিল ১ বছর ২ মাস ২ সপ্তাহ সময়কাল ধরে। পরে ১৯৪৯ সালের ৫ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরিত হয়। তার আগে ১৯৪৮ সালেই যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যায়।

    যুদ্ধবিরতির পর নিয়ন্ত্রণরেখা তৈরি হয়ে যায় কিন্তু জারি থেকে যায় বিতর্ক। পাক অধিকৃত কাশ্মীর আর পুনরুদ্ধার করা যায়নি কেন সেই সময় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন নেহরু? সেই প্রশ্নটাই সংসদে তুলেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অবাক করা ঘটনা শুনবেন শাহের এই হুঁশিয়ারির পর পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রক একেবারেই চুপ। পাকিস্তানের তরফ থেকে টুঁ শব্দটাও করা হয়নি কার্যত, কিন্তু কেন? পাকিস্তান কি পাল্টা কোনও প্ল্যান করছে, নাকি মোদী-শাহের এমন আত্মবিশ্বাস পাকিস্তানের মুখে সেলোটেপ লাগিয়ে দিয়েছে। এরইমধ্যে ভারতের বিদেশমন্ত্রক থেকে বড় বয়ান বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন এটা নিয়ে কাউকে জবাবদিহিতা করবে না ভারত। পিওকে ভারতেরই অংশ আর এটা জলের মতো পরিস্কার। এটা ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আর নিজেদের মত বদলানোর কোনও প্রয়োজন ভারতের নেই। পাকিস্তান কি এরপরও চুপ থাকবে?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version