Tag: pakistan

  • China-Pakistan: চিনা নাগরিকদের নিরাপত্তায় জোর, পাখতুনখোয়ায় দেড় হাজারের অধিক পুলিশ মোতায়েন পাকিস্তানের

    China-Pakistan: চিনা নাগরিকদের নিরাপত্তায় জোর, পাখতুনখোয়ায় দেড় হাজারের অধিক পুলিশ মোতায়েন পাকিস্তানের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    China-Pakistan: খাইবার পাখতুনখোয়ায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে কর্মরত চীনা পেশাদারদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য ১,৫০০ জনেরও বেশি পুলিশ সদস্যকে মোতায়েন করল পাকিস্তানের বিশেষ নিরাপত্তা ইউনিট (এসএসইউ)। এসএসইউ-এর পাশাপাশি, বেশ কিছু জেলা পুলিশ কর্মী এবং এলিট ফোর্স এবং ফ্রন্টিয়ার রিজার্ভ পুলিশের সদস্যদেরও পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশে নিযুক্ত করা হয়েছে।

    পেশোয়ারের চায়না উইন্ডোতে এক অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক আখতার হায়াত খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইজি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি নিরাপত্তা পরিদর্শন করার জন্য ইতিমধ্যেই কয়েকটি প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন।

    দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল দেওয়া সাক্ষাৎকারে আখতার হায়াত খান বলেন, “খাইবার পাখতুনখোয়ার বিভিন্ন অংশে চীনা প্রকল্পগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশ, এলিট ফোর্স এবং এফআরপির অন্যান্য পুলিশদের সাথে এসএসইউ-এর প্রায় ১,৫০০ পুলিশ সদস্য তাদের কেপিতে নিরাপত্তা প্রদান করছে।”

    আখতার হায়াত খান বলেছেন যে বিদেশ এবং পাকিস্তান উভয়ের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তিদের নিরাপত্তা দেওয়া হবে। উপরন্তু, তিনি বিদেশী ব্যক্তিদের সুরক্ষার জন্য খাইবার পাখতুনখোয়া পুলিশের মধ্যে একটি বিশেষ নিরাপত্তা ইউনিট গঠনের ঘোষণা করেছেন।

    পুলিশ প্রধান আরও প্রকাশ করেছেন যে গত বছর খাইবার পাখতুনখোয়ায় ৪৯৫টি সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদন অনুসারে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা এবং শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার জন্য কাউন্টার-টেরোরিজম বিভাগকে সংস্কার করা হয়েছে এবং প্রাক্তন উপজাতীয় জেলাগুলিতে সক্রিয় করা হয়েছে।

    দ্য বেলুচিস্তানের প্রতিবেদন অনুসারে, ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ গোয়াদরে চীনা নাগরিকদের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করার সময় সানাউল্লাহ বলেছেন, সমস্ত স্থানীয় এবং বিদেশী নাগরিকদের ফুলপ্রুফ নিরাপত্তা প্রদান করা হবে।”

    গোয়াদর সফরকালে রানা সানাউল্লাহ চীনা নাগরিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন এবং গোয়াদর ও মেকরানের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হন। পাঞ্জাব স্বরাষ্ট্র দফতর প্রদেশে বসবাসকারী চীনা নাগরিকদের বা বেসরকারী সংস্থাগুলির জন্য কাজ করে তাদের নিরাপত্তার জন্য ‘এ’-শ্রেণির ব্যক্তিগত সুরক্ষা সংস্থাগুলির পরিষেবাগুলি সুরক্ষিত করার নির্দেশ দিয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Imran Khan: তোশাখানা মামলায় ইমরান খানকে গ্রেফতার করতে এসে বিক্ষোভের মুখে ইসলামাবাদ পুলিশ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Imran Khan: রবিবার তোশাখানা মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের লাহোরে জামান পার্কের বাসভবনে পৌঁছেছে ইসলামাবাদ পুলিশ। পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের গ্রেফতারি এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। বারবার আদালতে হাজির না হওয়ার কারণে তোশাখানা মামলায় একটি দায়রা আদালত তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। এমনটাই জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জিও নিউজ জানিয়েছে।

    এদিকে, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলীয় কর্মীরা ইমরান খানের সম্ভাব্য গ্রেফতারি ঠেকাতে তার বাসভবনে উপস্থিত হয়েছে। সেখানে তারা বিক্ষোভ দেখতে থাকে। স্লোগান তোলে ‘আগে আমাদের ধরো, তারপর নেতার কথা ভাবো।” সূত্র জিও নিউজকে জানিয়েছে যে সমস্ত আইনি প্রয়োজনীয়তা পূরণের পরে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হবে।

    ইমরান খানের বিরুদ্ধে তোশাখানা নামক রাষ্ট্রীয় ডিপোজিটরি থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাওয়া উপহার বেআইনিভাবে বিক্রি করার অভিযোগ আনা হয়েছিল। গত সপ্তাহে তিনি এই মামলায় শুনানির জন্য হাজির হওয়ার কথা থাকলেও হাজির হননি। তার আইনজীবীরা বলেছিলেন যে তারা পরোয়ানা বাতিলের জন্য আদালতে যাবেন কারণ তিনি দিনের বেলা তিনটি আদালতে যাওয়ার পরে শুনানির জন্য উপস্থিত হতে বিলম্ব করেছিলেন।

    গ্রেফতারি পরোয়ানায় ইমরান খানকে হেফাজতে নেওয়ার পর ৭ মার্চের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদের মহাপরিদর্শক আজ ইমরান খানের গ্রেফতার নিশ্চিত করার জন্য একটি আদেশ জারি করেছেন।

    এদিন দায়রা আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার ফরমান হাতে নিয়েই লাহোরে ইমরানের বাসভবনে পৌঁছায় ইসলামাবাদ পুলিশের একটি দল। তাদের সহায়তা করতে এগিয়ে আসেন লাহোর পুলিশ। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ইমরানের ধারেকাছেও পৌঁছতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেফতারির পথে যাঁরা বাধা তৈরি করবেন, আইন অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদিও পুলিশের হুঁশিয়ারিকে গুরুত্ব না দিয়ে লাহোরের পথে প্রতিবাদে নেমেছে পিটিআই। তাদের দাবি ইমরান খানকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার যাবে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pakistan: পাকিস্তানে সরকারের পরিবর্তে রাজ করবে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, চালু হবে শরিয়া আইন! দাবি রিপোর্টের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pakistan: এমনিতেই পাকিস্তানে (Pakistan) সংকটের যেন কোন শেষ নেই। দেশটি প্রায় দেউলিয়ার মুখে। এখনই যদি সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে। পাকিস্তান সরকার কোনভাবেই সংকট কমাতে পারছে না, উপরন্তু বর্তমানে বিশ্বের বহু দেশ পাকিস্তানকে এখন সাহায্য করতে প্রস্তুত নয়। এমন পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে এল এক চাঞ্চল্যকর খবর। পাকিস্তানের সন্ত্রাসী সংগঠনগুলি তাদের দেশের সরকারের পতনের চেষ্টা করছে। এমনটাই দাবি করা হয়েছে আমেরিকার (America) এক প্রতিবেদনে।

    ‘Khabar India TV’-র একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট (Report) অনুযায়ী, তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সন্ত্রাসী গোষ্ঠী পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়াতে (Khyber Pakhtunkhwa) তাদের হামলার জোরদার করেছে। এখানে মূলত প্রদেশ সেনাবাহিনী এবং সামরিক কর্মীদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী অভিযান চালিয়ে শরিয়া আইন জারি করেছে। আমেরিকার এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই চিন্তায় পড়েছে পাকিস্তান সরকার। পাকিস্তান সরকার তাদের কর্মকর্তাদের একটু সতর্ক থাকা নির্দেশ দিয়েছেন। ‘২০২১ কান্ট্রি রিপোর্ট অন টেররিজম’ শিরোনামের প্রতিবেদন অনুসারে, টিটিপি পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত এবং উভয় পাশের অঞ্চলকে তাদের অপারেটিভদের প্রশিক্ষণ ও স্থাপনার ঘাঁটি হিসাবে ব্যবহার করে। এছাড়াও টিটিপি আল কায়েদার কাছ থেকে দিকনির্দেশনা গ্রহণ করে থাকে।

    আমেরিকার রিপোর্টে বলা হয়েছে, সীমান্ত অঞ্চলে প্রবেশের প্রধান সুবিধাভোগীদের মধ্যে রয়েছে টিটিপি বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি এবং ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রদেশ সহ বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। এই গোষ্ঠীগুলি পাকিস্তানে বড়সড় সন্ত্রাসী হামলা চালানোর সাথে জড়িয়ে রয়েছে। ২০২১ সালে উল্লেখযোগ্য ভাবে পাকিস্তান সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সম্মুখীন হয়েছে। বারংবার বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বেলুচিস্তান এবং সিন্ধু প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলকে রীতিমত টার্গেট করে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছিল। এক্ষেত্রে তারা নানান কৌশল গ্রহণ করে। সেই তালিকায় রয়েছে ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস, গাড়ি বাহিত ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস, আত্মঘাতী বোমা হামলা এবং টার্গেটেড কিলিং সহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ করার জন্য নানান কৌশল।

    মনে করা হচ্ছে, এই গোষ্ঠীগুলির সন্ত্রাসী সংখ্যা প্রায় ৩০০০ থেকে ৫০০০। যারা সবাই রয়েছে পাকিস্তানে। এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলি বেসরকারি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের উপর হামলার সঙ্গেও জড়িয়ে। হাক্কানি নেটওয়ার্ক, লস্কর-ই-তৈয়বা (এলইটি) এবং জইশ-ই-মোহাম্মদ (জেএম) এর মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলি ২০২১ সালে পাকিস্তানের মাটি থেকে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদিও পাকিস্তান ২০২১ সালে সন্ত্রাসে অর্থায়নের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং ভারত-কেন্দ্রিক কিছু সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর লাগাম টেনে ধরতে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল, কিন্তু তাদের নির্মূল করার জন্য যথেষ্ট কাজ করেনি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pakistan: নির্লজ্জ পাকিস্তান, প্রকাশ করল অভিনন্দনকে দেওয়া চায়ের দাম ! কত টাকা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pakistan: মাঝে কেটে গিয়েছে বেশ কয়েকটি বছর। কিন্তু ২০১৯ সালের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান বারংবার নির্লজ্জের সীমা পার করছে। ২০১৯ সালে একটি ক্যাশ মেমো সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ছড়িয়ে পড়েছিল। বর্তমানে সেই ক্যাশ মেমো আবার পোস্ট করা হলো। যেখানে লেখা আছে এক কাপ চায়ের দাম (Tea Price)। ২০১৯ সালে ওই ক্যাশ মেমোটি পাকিস্তান (Pakistan) ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছিল। সাধারণত পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ওই ওয়েবসাইটটি গবেষণা করত। পাশাপাশি সেটি সামনে আনে পাকিস্তানের বেসরকারি বেশ কিছু টিভি চ্যানেল। যদিও এই সত্যতা নিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বারংবার চুপ থেকেছে। আবার সেই ক্যাশ মেমো নিয়ে শুরু হলো নতুন জলঘোলা।

    ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পাক সেনার বিরুদ্ধে যোগ্য জবাব দেয় ৫১ স্কোয়াড্রন। যার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন অভিনন্দন বর্তমান (Abhinandan Varthaman)। ভারতীয় বায়ু সেনার উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান। মিগ-২১ বিমানকে গুলি করে নামায় পাক সেনা। সেখানে ছিলেন অভিনন্দন। তিনি পাকিস্তানের মাটিতে অবতরণ করেন এবং পাকিস্তানি সেনাদের হাতে আটক হন। কিন্তু সেদিন তাঁর বীরত্ব অবাক করেছিল গোটা ভারতবাসীকে। দেশের কোন গোপন তথ্য শত্রুরা তাঁর মুখ থেকে বার করতে পারেনি। অবশেষে পাক সেনারা জেনিভা যুদ্ধ চুক্তি অনুযায়ী তাঁকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল। গোপন তথ্য জানতে শত্রুরা বারংবার চাপ সৃষ্টি করলেও তিনি বিনয় আর দৃঢ়তার সাথে বারংবার বলেছিলেন, তিনি সেটা বলতে পারবেন না, তাঁর অনুমতি নেই।

    অপরদিকে পাকিস্তান যেন তার ঘৃণ্য কার্যকলাপ থেকে একেবারেই বিরত থাকতে পারে না। সম্প্রতি অভিনন্দন বর্তমানকে পরিবেশিত চায়ের একটি বিল সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে। নতুন করে সেটি পোস্ট করা হয়েছে পিএমএলএন নামক টুইটারে। ভারতীয় উইং কমান্ডারকে পরিবেশন করা চায়ের দাম লেখা রয়েছে MiG-21। এর আগেও পাকিস্তান একবার ভারতীয় বিমানবাহিনীর পাইলটের ছবি ব্যবহার করে নানান ভাবে ঠাট্টা করেছিল। বেশ কয়েক বছর কেটে গেলেও পাকিস্তানের দল পিএমএলএন সেই বিষয়গুলি নিয়ে এখনো তামাশা করতে ভুলছে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pakistan Created Khalistanis Against India: “আমরা খালিস্তানকে ভারতের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়েছিলাম” বিস্ফোরক দাবি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pakistan Created Khalistanis Against India: খালিস্তান (Khalistan), এই নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে তরবারি, বন্দুক আর লাঠির সেই ভয়ঙ্কর ছবি। খালিস্তানি আন্দোলনের কারণে প্রচুর নিরীহ মানুষের প্রাণ গিয়েছে। একটা সময় ছিল যখন এই আন্দোলনের জেরে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে আতঙ্ক গ্রাস করত। সেই খালিস্তানিরা ভারতের (India) গণ্ডি ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া সহ বিভিন্ন দেশে। পাকিস্তান (Pakistan) আগে কখনোই মেনে নেয়নি, খালিস্তান আন্দোলনের পিছনে তাদের ভূমিকা রয়েছে। তবে সব কি আর গোপন থাকে? সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে এমন এক চাঞ্চল্যকর ভিডিও যা দেখলে আপনি অবাক হবেন। ‘এবিপি নিউজ’ (হিন্দি) এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবার পাকিস্তানের একজন বিখ্যাত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ খোলাখুলি স্বীকার করলেন, খালিস্তান আন্দোলনের পিছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে। সেই সম্পর্কিত একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে।

    এখন সোশ্যাল মিডিয়া ঘুরছে পাকিস্তানের সিনিয়র প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ জায়েদ হামিদের একটি ভিডিও। যেখানে তাকে বলতে দেখা যায়, ভারতের বিরুদ্ধে যে খালিস্তান দাঁড় করানো হয়েছিল তার পিছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে। ভারতকে হেয় করার জন্য এটি ছিল পাকিস্তানের একটি পরিকল্পনা। ‘পাকিস্তান আনটোল্ড’ নামক একটি টুইটার হ্যান্ডেলে সেই ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। যেখানে দেখা যায়, ওই প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ বলছেন আশির দশকের শিখ আন্দোলন তারাই গড়ে তুলেছিলেন। এটি করা হয়েছিল ভারতের ১৯৭১ সালের পদক্ষেপ অনুযায়ী। কাশ্মীরি জিহাদকে তারা পুনরুজ্জীবিত করেছে। উপরন্তু সেই সময় ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে নাগা, আসাম, নকশাল, মাওবাদী কিংবা যেখানে আগে থেকেই স্বাধীনতার আন্দোলন চলছিল সেখানে সাহায্য করা হয়। অপরদিকে তামিল টাইগারদের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করেছিল শ্রীলঙ্কা।

    এখনও ইতিহাসের পাতায় দগদগে হয়ে রয়েছে ১৯৮০ দশকের ঘটনা। যখন পাঞ্জাবে সহিংসতা আর অশান্তি চরম রূপ নেয়। এই ঘটনায় পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে ভারত যথেষ্ট সচেতন ছিল। কিন্তু এবার প্রকাশ্যে পাকিস্তানের সিনিয়র প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ সেই কথা স্বীকার করলেন। কিছুদিন আগেই দেখা গিয়েছিল, অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডায় বেশ কয়েকটি স্থানে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। যেখানে দায়ী করা হয়েছে খালিস্তান পন্থী আন্দোলনের সদস্যদের। সেই ঘটনার কড়া প্রতিবাদও করেছে ভারত।

    খালিস্তান আন্দোলন কী ?

    খালিস্তানি আন্দোলন বলতে বোঝায় শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই আন্দোলনের ডাক এসেছিল একটি ভারত থেকে, আরেকটি ভারতের বাইরে থেকে। পরবর্তীকালে এই দুটির মিলমিশে তৈরি হয় খালিস্তানি আন্দোলন। ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক মহলেও এই আন্দোলন পরিচিতি পেতে থাকে। সেই সময় জনসমর্থনের অভাব থাকলেও মানুষের মুখে মুখে খালিস্তান শব্দটি ছড়িয়ে পড়েছিল। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ১৯৮০ এর দশকে পাঞ্জাবের মাটিতে রক্ত গঙ্গা বয়ে গিয়েছিল। ভারতের তরফ থেকে বারংবার খালিস্তান জঙ্গিবাদ মুছে ফেলার চেষ্টা করলেও তা শেষ হয়নি। এখনো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটি সক্রিয়, বেঁচে রয়েছে খালিস্তানের দাবি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pakistan Economic Crisis: ওষুধের অভাবে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে রোগী, ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্য খাত! হাহাকার পাকিস্তানে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pakistan Economic Crisis: চরম অর্থনৈতিক সংকটের (Economic Crisis) মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন পাকিস্তানের (Pakistan) নাগরিকগণ। কবে যে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, হয়ত শ্রীলঙ্কার মতো দেউলিয়ার পথে পাকিস্তান। সম্প্রতি স্বাস্থ্য খাতেও চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। অসুস্থ ব্যক্তিরা তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় ওষুধ পাচ্ছেন না। এক কথায় অস্তিত্বের লড়াই চলছে পাকিস্থানে। ইতিমধ্যেই পাকিস্তান সরকার ফেডারেল মন্ত্রক এবং সংযুক্ত বিভাগগুলিকে বেতন পেনশন ও বিল ক্লিয়ারিং বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। এখনো পর্যন্ত বহু কর্মীর বকেয়া বিল রয়েছে। যদিও এই তথ্য সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে পাকিস্তানের অর্থ বিভাগ। একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, পাকিস্তান সরকার বেতন পেনশন ইত্যাদি বন্ধ করার যে নির্দেশ দিয়েছে বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।

    অর্থনৈতিক সংকটের জেরে বেশ বিপাকে পাকিস্তানের স্বাস্থ্য খাত। ওষুধের কাঁচামাল আমদানি থেকে শুরু করে উৎপাদনে নানান সমস্যা দেখা দিয়েছে। যার কারণে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ওষুধ এখন পাকিস্তানের সাধারণ নাগরিকদের নাগালের বাইরে। অপরদিকে খাদ্যদ্রব্য এবং নিত্য পণ্যের দাম আকাশ ছোঁয়া। ওষুধের অভাবে রোগী কষ্ট পেলেও কিছু করা যাচ্ছে না। এমনকি হাসপাতালের বেডে ওষুধের অভাবে অস্ত্রোপচার করতে পারছেন না চিকিৎসকরা। বিশেষ করে হার্ট, ক্যানসার আর কিডনি রোগের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের জন্য কিছু ওষুধ অত্যন্ত দরকার। পাকিস্তানের হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার গুলিতে যে পরিমাণ চেতনা নাশক ওষুধ রয়েছে তা দিয়ে মাত্র দুই সপ্তাহ মতো চলতে পারে। মূলত পাকিস্তানের স্বাস্থ্য খাত সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করছে আমদানির উপর। ওষুধ তৈরির ক্ষেত্রে যে কাঁচামাল প্রয়োজন হয় তার ৯৫ ভাগ আসে ভারত চীনসহ বিশ্বের নানান দেশ থেকে। অপরদিকে দেশটির ডলার বিপর্যয়ের কারণে কাঁচামাল আমদানি করতে পারছে না। যার কারণে ওষুধ উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলো উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। বর্তমানে পাকিস্তান যে অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে তা গত ৫০ বছরের মধ্যে সবথেকে খারাপ।

    অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পাকিস্তান। এই মুহূর্তে আইএমএফ এর তহবিলের জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া কোন উপায় নেই। আপাতত পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল অর্থাৎ আইএমএফ এর মুখে চেয়ে বসে আছে, কখন ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তহবিল পাওয়া যাবে। সম্প্রতি পাকিস্তান সরকার প্রকাশ্যে এনেছে একটি মিনি বাজেট। যেখানে অধিকাংশ গৃহস্থলীর জিনিসের ক্ষেত্রে প্রায় ১৭ থেকে ২৫ শতাংশ বিক্রয় কর বৃদ্ধি করা হয়েছে। দোকানে দোকানে চাহিদা অনুযায়ী ওষুধ পাচ্ছেন না ক্রেতারা। পাকিস্তান এখন ঋণ নিয়ে রিজার্ভের ভাঁড়ার পূরণ করছে। কিছুদিন আগেই পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ পৌঁছেছিল ২.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে কিন্তু। এখন তা দাঁড়িয়েছে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এক্ষেত্রে ঋণ যোগাচ্ছে চীন। সম্প্রতি চীনের কাছ থেকে পাকিস্তান প্রায় ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সাহায্য পেয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pakistan Economic Crisis: দেউলিয়া পাকিস্তান! ভয়াবহ অবস্থা, না খেতে পেয়ে মারা যাবে মানুষ!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pakistan Economic Crisis: পাকিস্তানের (Pakistan) পরিস্থিতি যে দিনের পর দিন জটিল হয়ে যাচ্ছিল তা গোটা বিশ্ব জানে। বারংবার বিশেষজ্ঞ মহল আশঙ্কা করছিল, হয়ত পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা হয়ে যাবে। দেউলিয়া হতে দেশটির বেশি বাকি নেই। দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি টালমাটাল। তার উপর অভ্যন্তরীণ ঝামেলা লেগেই রয়েছে। একের পর এক বিস্ফোরণ। সবকিছুর মিলেমিশে পাকিস্তানের অর্থনীতি রীতিমত ধসে পড়েছে। শিশুদের দুধ থেকে শুরু করে আটা, অগ্নি মূল্য দামে কিনতে পারছেন না অনেকেই। এর মাঝে প্রকাশ্যে পাকিস্তানের মন্ত্রী জানালেন “আমরা দেউলিয়া হয়ে যাওয়া দেশে থাকি”।

    পাকিস্তানের শিয়ালকোটে খাজা আসিফ (Khawaja Asif) একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি স্পষ্ট ভাবে বলেন, পাকিস্তান দেউলিয়া হতে চলেছে। দেশটির পরিস্থিতি এখন ধসে যাওয়ার মতো। দেশবাসী এখন একটা দেউলিয়া দেশে থাকছে। তাঁর এই বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে পাকিস্তানের সংবাদপত্র ‘দ্য ডন’ এ। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী (Minister of Defence of Pakistan) দেশটির এই অবস্থার জন্য দায়ী করেছেন, সংবিধান না মেনে চলার প্রবণতাকে। যার কারণে এ দেশটিতে নেমে এসেছে ভয়াবহ আর্থিক বিপর্যয়। এছাড়াও তিনি এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ, আমলা এবং ব্যবসায়ীদের। পাকিস্তান এখন এত পরিমাণে হামলা সংখ্যা বেড়েছে, তার কারণ হিসেবে দায়ী করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে। খাজা আসিফের মতে, আড়াই বছর আগে পিটিআই সরকার পাকিস্তানের সন্ত্রাসীদের ঢুকতে দিয়েছে বলেই আজ এমন পরিস্থিতি। চলতি সপ্তাহে পাকিস্তানের মূল্যস্ফীতি রীতিমত রেকর্ড করেছে। দুধের দাম প্রায় ২৫০ টাকা। পাকিস্তান সরকার কোন ভাবেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আইএমএফ এর শর্ত মেনে পাকিস্তান নতুন কর আরোপ করেছে, পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি করেছে। তার জেরেই এতটা মূল্যস্ফীতি। বর্তমানে পাকিস্তানে এক লিটার পেট্রোল কিনতে গেলে খরচ করতে হবে এই প্রায় ২৭২ টাকা। প্রতিদিনই দেশটিতে লাফিয়ে লাফিয়ে জিনিসের দাম বাড়ছে। হিসাব অনুযায়ী ৩০ থেকে ৪০ টাকা করে গড়ে বাড়ছে খাবারের দাম। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে হুরোহুড়ি করছে সাধারণ মানুষ। চলতি সপ্তাহে পাকিস্তানের মূল্যস্ফীতি পৌঁছেছে ৩৮.৪২ এ। ১ কেজি মুরগির মাংস কিনতে গেলে খরচ পড়বে ৭৮০ টাকা। আটা ময়দা থেকে শুরু করে খাবার জলের দামও পর্যন্ত লাগাম ছাড়া। পাকিস্তানের সাধারণ মানুষকে মাথায় হাত দিয়ে ভাবতে হচ্ছে কি খাবে। দেশটি ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ দেউলিয়া হওয়ার পথে এগিয়ে চলেছে।

    পাকিস্তান আইএমএফ এর কাছ থেকে ২০১৯ সালে ৬০০ কোটি ডলারের অনুদান নিয়েছিল। ২০২২ সালেও ভয়াবহ বন্যার পরে পুনরায় আবার ১১০ কোটি ডলারের অনুদান পায়। কিন্তু ২০২২ এর নভেম্বর মাসে আইএমএফ অনুদান দেওয়া বন্ধ করে দেয়। পাকিস্তানে এখন বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয় নেই বললেই হয়। যদি পরিস্থিতি দ্রুত সামাল দেওয়া না যায়, তাহলে মেনে নিতেই হবে পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা হতে বেশি দেরি নেই। শ্রীলঙ্কার চিত্র এখনো গোটা বিশ্বের কাছে টাটকা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pakistan Blast: পাকিস্তানের জাফর এক্সপ্রেসে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, উড়ে গেল ট্রেন লাইন! মৃত ২

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pakistan Blast: সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের (Pakistan) অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। রীতিমত ধারাবাহিকভাবে একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেই চলেছে। পেশোয়ারে বিস্ফোরণের (Peshawar Blast) পর দেশটির ভীত নড়ে গিয়েছে। দেশটি আবার ভয়াবহ বিস্ফোরণের মুখে পড়ল। এবার প্রাণ গেল ২ জন ব্যক্তির, আহত হয়েছেন অনেকে।

    ঘটনাটি ঘটেছে কোয়েত্তার (Quetta) জাফর এক্সপ্রেসে (Jaffar Express)। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি পেশোয়ার (Peshawar) থেকে চিচাওয়াটনি (Chichawatni) স্টেশনে আসার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণ কেন ঘটলো বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সেই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত খোঁজ পাওয়া যায়নি, তবে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিস্ফোরণের জেরে কিভাবে জাফর এক্সপ্রেস দুমড়েমুচড়ে গিয়েছে, সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

     

    যখন দুর্ঘটনাটি ঘটে তখন ট্রেনটি চলন্ত অবস্থায় ছিল। এটি যাচ্ছিল পেশোয়ার থেকে কোয়েত্তা। বিস্ফোরণের কারণে ট্রেনটি লাইন থেকে বিচ্যুত হয়ে বাইরের ছিটকে পড়ে। যারা আহত হয়েছেন তাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা বেশ গুরুতর। তাদেরকে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে পাকিস্তান রেল পুলিশ এবং রেলের পদস্থ কর্মকর্তারা। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গিয়েছে, ট্রেনের শৌচালয়ের পাশে একটি গ্যাস সিলিন্ডার রাখা ছিল সেখান থেকেই কোনোভাবে আগুন লেগে বিস্ফোরণ ঘটেছে। এখনো পর্যন্ত মৃত দুই যাত্রীর পরিচয় জানা যায়নি। এই ঘটনায় আদৌ কোন জঙ্গি সংগঠন জড়িয়ে রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জাফর এক্সপ্রেসের বিস্ফোরণের এটি দ্বিতীয় ঘটনা। গত মাসেও ঠিক এমন বিস্ফোরণ ঘটেছিল, যেখানে আহত হয়েছিলেন প্রায় আট জন। তখন বিস্ফোরণের কারণে ট্রেনটির দুটি বোগি লাইনচ্যুত হয়ে বাইরে বেরিয়ে এসেছিল।

    পাকিস্তান এখন মহাবিপদে। এমনি থেকেই দেশটির অর্থনৈতিক ভিত নড়ে গিয়েছে। তারপর একের পর এক বিস্ফোরণের খবর পাকিস্তানের জন্য একেবারেই ভালো নয়। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া উঠে আসছে নানান ভিডিও। যেখানে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানের মানুষ সামান্য রুটির জন্য মারামারি করছেন। এত কিছুর পরেও দেশটিতে অব্যাহত রাজনৈতিক জটিলতা। একদিকে অগ্নি মূল্য বাজার, অপরদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা, সবকিছুর মিলেমিশে বিশেষজ্ঞরা অনেকেই আশঙ্কা করছেন পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা না হয়ে যায়।

    https://twitter.com/aisha786_khan/status/1626086219871563779?s=20

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pakistan china: পাকিস্তানের দুর্দশায় বড় ধাক্কা দিল চিন! পুতিনই কি মন্ত্র ঢাললেন শি-য়ের কানে?

    ৷৷ প্রথম কলকাতা ৷৷

    Pakistan china: পাকিস্তানের ভবিষ্যতবাণী আগেই হয়ে গিয়েছিল? চিনের কানে কে মন্ত্র দিল যে মারাত্মক এফেক্ট শুরু ইসলামাবাদে? পেট্রোল বোমা দেশটার ওপর ফেলে দিল শাহবাজ সরকার৷ ভারত কেন পাকিস্তানকে সাহায্য করছে না উত্তর চায় ইসলামাবাদ৷ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমীর পুতিনের বন্ধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, পুতিনের বন্ধু শি জিনপিং৷ কিন্তু পাকিস্তান লাভের আশায় লোভে পড়ে ডিল করল ইউক্রেনের সঙ্গে৷ অনেকেই বলছেন, ভিখারি পাকিস্তানকে ঘুরপথে বড় ঝটকা হয়ত পুতিনই দিলেন৷ বিজনেস টুডের রিপোর্ট বলছে, ইসলামাবাদে চিন বন্ধ করে দিল তাদের কনস্যুলেট অফিস৷ কোনওরকম ঘোষণা কোনওরকম পূর্বাভাস ছাড়াই৷ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এটা পাকিস্তানের জন্য এ মূহুর্তের দাঁড়িয়ে অবশ্যই বিপদের বার্তা৷

    বেজিংয়ের সঙ্গে একেই তো সম্পর্ক বিগড়ে ছিল এবার কি পাক-চিন সম্পর্ক বিপদের মুখে? বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন এবার হয়ত পাকিস্থানি নাগরিকদের চিনে প্রবেশ নিষিদ্ধ হয়ে যেতে পারে! পাকিস্তানিরা চিনে ঢোকার ভিসা নাও পেতে পারে৷ আর চিন কেন এমনটা করল কি কারণ বলছে তারা? বৃহস্পতিবার সকালে চোখ খুলতে পাক নাগরিকদের সামনে আরও একটা দুঃসংবাদ৷ এক লিটার পেট্রোলের দাম ছাড়িয়ে গেল ২৫০ টাকা৷ ২৭২ টাকা লিটার বিক্রি হচ্ছে পেট্রোল৷ চা- চাল- আটায় তো হাত লাগানো যাচ্ছে না৷ এক কেজি চায়ের দাম ১৬০০ টাকা৷ পাকিস্তানি সংবাদপত্র ডন বলছে, আসন্ন রমজান মাসে ১০০০ টাকা প্রতি কেজি চায়ের দাম বেড়ে ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে! ইনফ্লেশনের এত ভয়ঙ্কর রূপ সহ্য করতে পারছে না পাকিস্তানীরা৷

    পাকিস্তানের সোশ্যালিস্ট পার্টি বলছে এখনই তো ভারতের এগিয়ে আসা উচিত ছিল৷ দেশের সীমান্ত দিয়ে গম-আটা পাঠিয়ে ভারত উদারতার পরিচয় দিতে পারত
    যেমনটা তুরস্কের জন্য করছে ভারত৷ তুরস্কের সঙ্গেও তো আগে সম্পর্ক খুব একটা ভালো ছিল না ভারতের৷ তবুও ভারত উঠেপড়ে লেগেছে ভূমিকম্প কবলিত মানুষদের উদ্ধার করার জন্য তাহলে পাকিস্তান কেন ব্রাত্য থাকবে, প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই৷ চিনের দাবি, ক্রমাগত জঙ্গিদের হুমকির জেরে এত কড়া সিদ্ধান্ত নিল চিন৷ গত কয়েকদিন ধরে পাকিস্তানের চিনা দূতবাসে হামলার হুমকি দেয় তেহরিক-ই তালেবান (TTP) এবং বালোচ জঙ্গিরা৷ জঙ্গি হুমকির আশঙ্কাতেই পাকিস্তানে নিজেদের কনস্যুলেট অফিস সাময়িক বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেজিং৷ কিন্তু অনেকেই মনে করছেন হয়ত ইউক্রেন ক্রমাগত অস্ত্র পাঠিয়ে পাকিস্তান যে বিপদ ডাকছে এটা তার প্রথম ধাপ৷ পাকিস্তান দুর্দশা থেকে বাঁচবার একটা পথও কি এতদিনে বের করতে পারল? সেটাই এখন প্রশ্ন৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Turkey Earthquake: তুরস্কের মতো হবে পরিস্থিতি, ভূমিকম্পে কেঁপে উঠবে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Turkey Earthquake: নতুন বছরের শুরুতেই তুরস্কের ভূমিকম্প বিশ্ববাসীর কাছে একটা বেদনাদায়ক দুঃস্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই না। হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু দেখেছে তুরস্ক (Turkey)। ধ্বংসস্তূপের নিচে সন্তান থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্যদের হারিয়েছেন বহু মানুষ। এরকম পরিস্থিতি যে কোন দেশের জন্যেই মর্মান্তিক। তুরস্কের এই ভূমিকম্পের পরে একাধিক আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন মহলের বিশেষজ্ঞরা। একটি পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের (Pakistan) জন্যেও। ভারতের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানও ভূমিকম্পের কবল থেকে রক্ষা পাবে না। তীব্র কম্পনের জেরে ধূলিসাৎ হয়ে যেতে পারে সেই দেশটিও।

    এই কথা জানিয়েছেন ডাচ গবেষক ফ্র্যাঙ্ক হুগারবিটস (Frank Hugarbits)। এটা তাঁর কল্পনা নয় বরং তিনি আগাম সতর্কবার্তা দিয়েছেন বলেই জানিয়েছেন। তাঁর থেকেও বেশি আশ্চর্যজনক বিষয় হল, তুরস্ক এবং সিরিয়ায় এই ভূমিকম্পটি হওয়ার আশঙ্কা দিন কয়েক আগেই প্রকাশ করেছিলেন তিনি। তারপরেই এমন পরিণতি দেখতে পেল বিশ্ববাসী। ভূগর্ভের উথালপাথাল নিমেষের মধ্যে তছনছ করে দিল দুটি দেশকে। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা উঠল ৭.৮ পর্যন্ত। সেখানেই কিন্তু থামেনি। ভূমিকম্পের (Earthquake) পরবর্তী তিনদিন আফটার শক আরও বেসামাল করে দেয় তুরস্ককে।

    প্রকৃতির এমন করুণ পরিহাসের মুখোমুখি রুখে দাঁড়াতে পারেনি মানুষ। বর্তমানে ডাচ গবেষক ফ্র্যাঙ্ক আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং ভারতেও এমন তীব্র ভূমিকম্পের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি ট্যুইটে বলেন, যখন বড় কোন ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তার আগে মাঝে মাঝে বায়ুমণ্ডলের কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। যদিও এটার ব্যতিক্রম থাকে। সকলেরই হয়তো মনে থাকবে ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে ভারতের রাজধানী দিল্লি সহ উত্তর ভারতের বেশ কয়েকটি জায়গায় বার তিনেক মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছিল। কাজেই এই পরিস্থিতিকে স্বস্তিদায়ক বলে মানতে নারাজ ডাচ গবেষক।

    অন্যদিকে ফ্র্যাঙ্কের এই পূর্বাভাসের সঙ্গে একমত নন খড়গপুর আইআইটির অধ্যাপক এবং ভূবিজ্ঞানী শঙ্করকুমার নাথ। এই সময়-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভূবিজ্ঞানী শঙ্করকুমার নাথের মতে, তুরস্ক, সিরিয়া এই দেশগুলি যেখানে অবস্থিত সেখানে অ্যানাটোলিয়া, আফ্রিকা এবং আরবীয় এই তিনটি প্লেট সংযুক্ত হয়েছে। কাজেই সেই সংযোগস্থলে ভূমিকম্প হওয়া অস্বাভাবিক কিংবা অবাক হওয়ার মতো কিছু নয়। আর পূর্বাভাস সম্পর্কে তাঁর মতামত, কোন স্থানে ভূমিকম্প হবে, কোন নির্দিষ্ট সময়ে ভূমিকম্প হবে এবং তার মাত্রা ঠিক কতটা হবে এই তিনটি বিষয়ে নির্ভুলভাবে যখন বলা যায় তখনই সেটাকে যথাযথ পূর্বাভাস বলে মনে করা হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version