Tag: India

  • চীনকে বরবাদ করে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব! কোন দেশের এত দম ? দিল্লির কাছে বড় সুযোগ

    চীনকে বরবাদ করে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব! কোন দেশের এত দম ? দিল্লির কাছে বড় সুযোগ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চীনকে বরবাদ করে দিল ছোট্ট দেশটা। ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এবার হবে নতুন খেলা। গোপনে নয় জিনপিংয়ের চোখে চোখ রেখে বেজিংকে ধাক্কা। ভারতের থেকে বড় কিছু কিনতে চায় ফিলিপিন্স। ফিলিপিন্সকে নিয়ে কথা বলতেই হচ্ছে এত সাহস এত দম কোথা থেকে পাচ্ছে? ছোট ছোট কয়েকটি দ্বীপ নিয়ে গঠিত এই দ্বীপরাষ্ট্র। ভারতের কাছে বড় সুযোগ একঢিলে দু পাখি মারার। আর সব ঠিক থাকলে দিল্লি সেই সুযোগ তুলবেই। ফিলিপিন্স কীভাবে শি জিনপিংয়ের স্বপ্ন ভাঙল?
    চীনের আর্থিক লস হয়ে গিয়েছে বড় পরিমানে তবুও কোনও স্টেপ সেভাবে নিতে পারে না বেজিং।

    চীনের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে দক্ষিণ চীন সাগরের পাশেই রয়েছে ফিলিপিন্স। এর পূর্বে রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং উত্তরে তাইওয়ান। ফিলিপিন্সে প্রায় ১২ কোটি মানুষ বসবাস করেন। তবে চীনের বিশালতার নিরিখে যাকে ক্ষুদ্র বলাই যায় আর সেই ক্ষুদ্র ফিলিপিন্সই। সম্প্রতি বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রজেক্ট থেকে বেরিয়ে গিয়েছে কার্যত দুঃসাহস দেখিয়েই ফিলিপিন্স সেনেট জানিয়ে দিয়েছে রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে চীনকে আর তারা বিশ্বাস করে না। ঠিক এরপরই আরও চাঞ্চল্যকর যা শুনে চীন কার্যত হতবাক। ভারতের থেকে অ্যাডভান্স লাইট হেলিকপ্টার সম্ভবত কিনতে পারে ফিলিপিন্স। কারণ অ্যাডভান্স লাইট হেলিকপ্টার এমকে-৩ নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে তারা। ভারতের থেকে এমকে-৩ কিনে কাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করবে ফিলিপিন্স? উত্তরটা যে খুব সহজ সেটা বুঝতেই পারছেন। এক্ষেত্রে বলে রাখি ভারতের সঙ্গে কিন্তু বেশ মজবুত ফিলিপিন্সের সম্পর্ক। ঔ ভারতে তৈরি ব্রহ্মোস মিশাইলের প্রথম বিদেশি খদ্দের ফিলিপিন্সই। ম্যানিলায় সেদেশের সরকার এই অস্ত্র কেনার জন্য ২.৮ বিলিয়ন পেসো (৫৫.৫ মিলিয়ন ডলার) বরাদ্দ করেছিল।

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন দক্ষিণ চীন সাগরে আসলে চীনের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফিলিপিন্স। এই সাগরের দখল কার হাতে থাকবে তা নিয়ে সংলগ্ন দেশগুলির মধ্যে সংঘর্ষ, বিরোধ চলতেই থাকে। আর তাতেই লাগাতার মদত দেয় আমেরিকাও। ফিলিপিন্স এবং চীন এই সংঘর্ষের মাঝেও বিআরআই-এর মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল। কিন্তু সেই সমঝোতায় সম্প্রতি ফাটল দেখা দিয়েছে। শোনা যায় ফিলিপিন্সে এই ভোলবদলের নেপথ্যে রয়েছে বর্তমান রাজনৈতিক পটভূমি। ফিলিপিন্সের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট রড্রিগো ডুটেরটে চীনপন্থী ছিলেন। বিভিন্ন নীতির জন্য তিনি দেশের অভ্যন্তরে সমালোচিতও হয়েছিলেন। বর্তমানে তাঁর কুর্সিতে বসেছেন বংবং মার্কোস। তিনি আবার চীনের পরিবর্তে আমেরিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলছেন। কীভাবে এতে ফিলিপিন্সের লাভ হচ্ছে দেখুন ছোট ফিলিপিন্স কূটনীতির মাধ্যমেই করে ফেলেছে কামাল।

    সম্প্রতি চীনের সঙ্গে একটা বিরোধের পর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানিয়ে দিয়েছেন ফিলিপিন্সের সঙ্গে তাদের সমঝোতার কারণে ফিলিপিন্সের জাহাজ সেনা কিংবা বিমানের উপর যে কোনও ধরনের চীনা হামলার জবাব দেবে আমেরিকান বাহিনী। এর মানে ফিলিপিন্সকে প্রটেক্ট করবে যুক্তরাষ্ট্র। আর এদিকে ভারত থেকে যাবে বড় বড় অস্ত্রের জোগানতাতে ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক লাভ তো হবেই। অন্যদিকে ফিলিপিন্সকে দিয়ে চীনকে চাপে ফেলতে পারবে দিল্লি। হল না এক ঢিলে দুই পাখি মারা!

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চীনে আগুনের বৃষ্টি ইন্ডিয়ান আর্মির! একাই একশ রুদ্রর অ্যাটাক, লাদাখ অ্যালার্টে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চীন সীমান্তে ঢুকে আগুনের বৃষ্টি! দাপিয়ে বেড়াবে ইন্ডিয়ান আর্মি। কপ্টার ‘রুদ্র’র ব্রেকিং নিউজ পিএলএ হেডকোয়ার্টারে টেনশন বাড়াল। বেজিংয়ের জেট-১৯ পাল্টা অ্যাটাক করলেই মাঝ আকাশ হবে চুরমার। গেম চেঞ্জার হতে পারে ভারতের নয়া অ্যাটাক কপ্টার। ইন্ডিয়ান আর্মির একের পর এক চমক গর্বে বুক ফুলছে ভারতের। সহ্য করতে পারবে তো চীন? আকাশ থেকে আগুন আর ইস্পাতের বৃষ্টি। পাকিস্তানের একগুচ্ছ যুদ্ধবিমান ধ্বংস হওয়ার ঠিক পরের দিনই উত্তর-পূর্বের পার্বত্য এলাকায় দাপিয়ে বেড়াল রুদ্র। ভারতের দেশীয় অ্যাটাক কপ্টার রুদ্র। জেনে রাখুন এটিই দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভারতের প্রথম আক্রমণকারী হেলিকপ্টার।

    এর মানে শত্রুদেশের যে এলাকার ওপর দিয়ে যাবে রুদ্র। সেই এলাকাকে বড় বড় আগুনের গোলা পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে? প্রথমেই যে খবর জিনপিংকে চমকে দিয়েছে সেটা হল লাদাখে নিজেদের দেশকে প্রটেক্ট করার জন্য যে যে যুদ্ধবিমান LAC ঘেষে দাঁড় করিয়ে রেখেছে চীন। তাদের মধ্যে সবথেকে শক্তিশালী হল হারবিন জেট-১৯। আর এই দেশীয় রুদ্র তার থেকেও বেশি শক্তিশালী। খতরনাক ফিচারই রুদ্রকে আলাদা করে দিয়েছে বাকি সব কপ্টার থেকে। ইন্ডিয়ান আর্মি জানাচ্ছে ধ্রুব হেলিকপ্টারেরই সশস্ত্র সংস্করণ এই রুদ্র হেলিকপ্টার। যা যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুপক্ষের চরম মোকাবিলা করতে রেডি। রবিবার দেশীয় ্প্র যুক্তিততে তৈরি অত্যাধুনিক হামলাকারী এই হেলিকপ্টার থেকেই আকাশ থেকে মাটিতে ‘আগুন এবং ইস্পাত’ ঝরায় ইন্ডিয়ান আর্মি স্পিয়ার কর্পস।

    রুদ্র যে এমন তান্ডব করল এতে এমন কী আছে?

    এই কপ্টারের ওজন প্রায় ৫.৮ টন শত্রুপক্ষের সাঁজোয়া গাড়ি, সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করতে এবং পদাতিক বাহিনীকে গোলাগুলি ছুড়ে ধ্বংস করতেই এই কপ্টার তৈরি। এর পাশাপাশি, অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শত্রুপক্ষের উপর নজরদারি চালানোরও সহায়ক রুদ্র হেলিকপ্টার। সমতল থেকে পার্বত্য অঞ্চল বেশি উচ্চতায় উড়ানে সক্ষম এই কপ্টার। ৭০ মিলিমিটারের রকেট প্রযুক্তি, ২০ মিলিমিটারের গোলা ছোড়ার বন্দুক এবং আকাশপথে ধাবমান ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের প্রযুক্তি বসানো রয়েছে এই কপ্টারে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ১ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রকাশ করে ভারতীয় সেনা তাতে বোঝা যাচ্ছে রুদ্রর দম ঠিক কতটা?

    উড়ানের প্রস্তুতি থেকে রকেট-গোলার পরীক্ষা প্রতিটি মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে। উত্তর-পূর্বের পার্বত্য এলাকায় এদিন অস্ত্রশস্ত্রের সফল পরীক্ষা করা হয়। দিনেই দেখাবো কামাল কিন্তু রাতে পঙ্গু রুদ্রর ক্ষেত্রে কিন্তু এমন কিছুই হবে না। দিনে-রাতে যে কোনও সময় যে কোনও অবস্থান থেকে শত্রুপক্ষের উপর অব্যর্থ আঘাত হানতে সক্ষম এই কপ্টার নাইট ভিশন গুগুল ককপিটে রাতেও নির্ভুল টার্গেটে অ্যাটাক করতে পারবেন পাইলট। এতে রয়েছে ডপলার নেভিগেশন, রেডিও অল্টিমিটার, ইলেকট্রো অপটিক পড। হেলমেট মাউন্টিং সাইট ও হেলমেট পয়েন্টং সিস্টেম। HAL-এর ওয়েবসাইটে হেলিকপ্টার দুদ্র-র কার্যক্ষমতাকে ‘চমৎকার’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে লাদাখ সীমান্তে চীনকে সবক শেখাতেই মূলত রুদ্রকে তৈরি করেছে ভারত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে রহস্যময় সীমান্ত হাট! অপরাধ রুখে দিতে মোক্ষম চাল, সম্পর্ক হবে জলের মতো

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত মিশে যাচ্ছে এক অদ্ভুত জায়গায়। বড় রহস্যের আধার “সীমান্ত হাট” চোরাচালান রুখে দেবে একটা অস্ত্র। দিল্লি ঢাকার কথায় গ্রীন সিগন্যাল। কাঁটাতার, নদী অতীত, দুটো দেশকে কিভাবে আলাদা করবে এই সীমান্ত হাট?জি ২০ তেই খুলেছিল সম্ভাবনার দুয়ার, বাংলার বুকেই ৮-৮ টা সুযোগ। হাতে চাঁদ পাবে দুদেশের সীমান্ত। একেই বলে মোদী ম্যাজিক, আবেগে ভেসে যাবে ভারত বাংলাদেশের মানুষ। ভারত আর হাসিনার দেশ মিলে মিশে একাকার। বর্ডারের উপর গ্র্যাণ্ড আয়োজন। ঘটতে যাচ্ছে বড় কিছু। যা দু দেশের সম্পর্ক কে ঘুরিয়ে দেবে রাতারাতি। দ্রুত শুরু হতে যাচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত হাট। দুদেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য এটা খুব বড় সুখবর। যে বিশেষ হাটের প্ল্যানিং করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রক। একটা সীমান্ত হাটে লুকিয়ে একাধিক বেনিফিট। জানেন, এই সীমান্ত হাট আসলে কী?

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত হাট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একটি সীমান্ত বাণিজ্য বাজার। যে বাজার সপ্তাহে এক দিন বা দু’দিন চালু থাকে। এটা শুধুমাত্র দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য নয় বরং উভয় দেশের মানুষের জন্য পুনর্মিলনের একটি সুন্দর জায়গা। সীমান্ত হাটগুলোতে লেনদেন চলে ভারতীয় রুপি, বাংলাদেশ টাকায় এবং বস্তু বিনিময়ের ভিত্তিতে। যা সংশ্লিষ্ট সীমান্ত হাটের হাট ব্যবস্থাপনা কমিটি দ্বারা পরিচালিত হয়। এটা ভারত বাংলাদেশ বর্ডার। সীমান্তের বেশিরভাগ অঞ্চলেই কাঁটাতারের অনুশাসন। কোথাও সীমানা নির্দিষ্ট করেছে নদী। রয়েছে সীমান্ত পেরিয়ে চোরাচালানের রমরমাও। কিন্তু এইসব কে মিটিয়ে দেবে একটা সীমান্ত হাট। সেখানে গুচ্ছেক সীমান্ত হাটের কথা হচ্ছে। সরকারি সূত্র বলছে, সীমান্ত হাটের ফলে দু’দেশের নাগরিকদের সৌহার্দ্য বজায় থাকাবে। নতুন সীমান্ত হাট সীমান্তের উভয় পাশে অবৈধ বাণিজ্য কমানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষের জন্য বাজারে প্রবেশ এবং অর্থনৈতিক সুযোগ আরও উন্নত করবে। বহু ক্ষেত্রে চোরাচালানকারীদের দৌরাত্ম্যেও রাস টানা সম্ভব হবে। দু দেশের মধ্যে কথা হয়েছে, হাটে আসা-যাওয়ার প্রশ্নে সীমান্তবাসীদের ভিসা পাসপোর্টের ক্ষেত্রে কী ভাবে আর কতটা শিথিলতা দেখানো হবে তা নিয়েও।

    জি-টোয়েন্টির মঞ্চেও ভারত এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক লেনদেন সম্পর্কের আলোচনাতেও এই সীমান্ত হাট নিয়ে কথা হয়েছিল। কারণ ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক আরো জবরদস্ত করতে দু-দেশই উদগ্রীব। ভারতের মাটিতেই ১৬টি সীমান্ত হাটের কথা ভাবা হয়েছে। যার আটটি বাংলার মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, দক্ষিণ ও উত্তর দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে গড়ে ওঠার কথা। তবে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এই প্রথম নয়, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মেনেই ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত হাটের প্রচলন। নতুন করে এই বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রক এবং দুই দেশের বিদেশ মন্ত্রক। সীমান্ত হাট নিয়ে দিল্লি এবং ঢাকার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা প্রায় সম্পূর্ণ।

    এবার শুধু বাস্তবায়নের পালা। শুধু বাংলা নয়, এসব সীমান্ত হাট মিজোরামেও স্থাপন করা হবে সীমান্ত লাগোয়া প্রত্যন্ত গ্রামীন অঞ্চলের মানুষ বাজার হাটের সুবিধা পাননা। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটা করতে পারেননা। তাই তাদের সুবিধার্থেই এই উদ্যোগ মোদী সরকার এর। যে সীমান্ত হাট এক ঢিলে মারবে দুই পাখি। কারণ এই সীমান্ত হাট ভারত বাংলাদেশ কে যে আরো কাছাকাছি আনবে সেটা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • কাতারকে সৌদি দাওয়াই মোদীর! দোহা-পাকিস্তান গোপন বৈঠক প্রকাশ্যে, চাপ বাড়ল অন্য পথে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    কাতারের সঙ্গে পাকিস্তান আর্মি প্রধানের লাগাতার মিটিং। ভারতকে সবক শেখাতে পাকিস্তানই করেছিল প্ল্যান। মোদী সৌদি মডেল আরোপ করবে কাতার ওপর। পাকিস্তানের থিঙ্ক ট্যাঙ্কদের ভারতকে সাপোর্ট ঘুম ছুটল দোহার। অর্থনীতিতে প্রতিপত্তি থাকা মানেই যে বিদেশনীতিও স্ট্রং এমনটা ভুলেও ভাববেন না। পাকিস্তানের ফাঁদে পা দিয়ে দিল কাতার। এবার দোহা বুঝবে কাদের সঙ্গে পাঙ্গা নিয়েছে তারা। পাকিস্তানের থিঙ্ক ট্যাঙ্করা ৮ ভারতীয় অফিসারের মৃত্যুদন্ডের নির্দেশে কাতারকে নয় সমর্থন করছে ভারতকেই। সৌদি মডেল কী? যা ভারত যে কোনো মূহুর্তে অ্যাপ্লাই করতে পারে কাতারের ওপর। কাতার হঠাত করে এমন নির্দেশ দেওয়ার পর প্রথমেই সন্দেহের তীর ছিল পাকিস্তানের দিকে। এবার পাক মিডিয়ার এক খবরে সেই সন্দেহ যেন বাস্তবে পরিণত হওয়ার দিকেই ইঙ্গিত করছে এমনটাই বলছে ওয়াকিবহাল মহল।

    কেন এখনই কাতার আর্মির মাথারা পাকিস্তানে সফর করল? কেন পাকিস্তানের আর্মি প্রধান আসিম মুনির তাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন? জানা যাচ্ছে এই বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কাতার ও পাকিস্তানের। তবে জল যেদিকে গড়াচ্ছে সেটাকে খুব একটা সুবিধা মনে করছেন না বিশ্লেষকেরা। তারা বলছেন এমনিতেই পাকিস্তানের সঙ্গে কাতারের সম্পর্ক বেশ মজবুত। পাকিস্তানকে অর্থনৈতিকভাবে বিভিন্ন সময় সাহায্য করেছে কাতার। আবার ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপের সময় পাক আর্মিই কাতারের বিভিন্ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গেছিল সেদেশে। শুধু তাই নয় কাতারের রাজা ও রাজকুমার তাদের শিকারের শখ পুরণের জন্য বারবার পাকিস্তান যান। তাই এই মিটিংয়ের খবর ফাঁস হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে পাকিস্তানের কতটা উস্কানি ছিল।কাতারে ভারতের ৮ অফিসারকে অপরাধী প্রমাণ করার নেপথ্যে একটা কথা জেনে নিন কানাডা কিন্তু যে অভিযোগটা ভারতের বিরুদ্ধে তুলেছিল সেটা এখনও প্রমাণ করতে পারেনি। নিজ্জরের হত্যাকারীরা যে ভারতের সঙ্গে জড়িত তার কোনও প্রমাণ ট্রুডো তুলে ধরতে পারেননি। এদিকে কাতার ভারতকে এই সংক্রান্ত কোনও প্রমাণ দেখানোর প্রয়োজনই মনে করেনি। এক্ষেত্রে পাকিস্তানি থিঙ্ক ট্যাঙ্কেরা বলছেন কাতার জেনে বুঝে নিজের পায়ে নিজেই কোপ দিল।

    কাতারের সঙ্গে সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের সম্পর্ক একেবারেই সুখকর নয়। এমন অবস্থায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কি এ কেসে ওই দুই দেশের সাহায্য নিতে পারেন? এখানেই উঠে আসছে সৌদি মডেলের কথা। সৌদি আরবেও শরিয়ত নিয়মে চলে আইন কাতারেও। তাই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আইন খুব শক্ত হলেও অনেক সময় মৃত্যুদন্ড দেওয়ার পরও সাজা কম হয়ে যায়। ১৯৯৭ সালে সৌদিতে অস্ট্রেলিয়ার নার্সকে হত্যার ঘটনা ব্রিটেনর ২ নার্সকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়েছিল কিন্তু ব্রিটেনের কূটনৈতিক চাপে ২ নার্সকে মুক্তি দেয় সৌদি। এর মানে মিডল ইস্টে আগে যা হয়েছে তা এখনও হতে পারে। তবে ভারত সৌদিকে এই ঘটনায় জড়াবে কিনা যদিও এমন কোনও খবর এখনও সামনে আসেনি। পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী মহলের দাবি কাতার যদি পাকিস্তানের পরিকল্পনায় এমন কিছু করে থাকে তাহলে তারা জানে না ভারতের বর্তমানে বিদেশনীতি ও কূটনীতি ঠিক কতটা পরিমাণ শক্তিশালী।

    আমেরিকা কাতারের সামরিক সহযোগী। ভারতের চেষ্টা হতে পারে আমেরিকার দ্বারা কাতারের ওপর চাপ সৃষ্টি করার এমনকি ৮ প্রাক্তন নেভি অফিসারকে দেশে ফেরানোর জন্য ভারত রাষ্ট্রপুঞ্জেরও দ্বারস্থ হতে পারে। তবে কাতার যেমন গোপনেই গোটা বিচারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে তেমন ভারত এখনও পর্যন্ত কী কূটনৈতিক স্টেপ নিল। সেই খবর কিন্তু কোনওভাবেই প্রকাশ্যে আনা হয়নি। এবার দেখার খেলা কোনদিকে ঘোরে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতে ৮ ঘন্টা থেকে বেড়ে ১১ ঘন্টা কাজের সময়! চীনকে টেক্কা সম্ভব? ৭০ ঘন্টা কাজে দম লাগে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারতে কাজের সময় ৮ ঘন্টা থেকে বেড়ে ১০-১১ ঘন্টা হতে পারে? ভারতীয়দের প্রতিসপ্তাহে ৭০ ঘন্টা কাজের কথা বলা হচ্ছে কিন্তু আসলে কারা বেশি পরিশ্রমী ভারতীয় না চিনারা না আমেরিকানরা? বিদেশে তাহলে ভারতীয় কর্মীদের এত চাহিদা কেন? ইনফোসিস কর্তা নারায়ন মূর্তির ৭০ ঘন্টার মন্তব্যের পর চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট ভারতীয়রা কি নিজেদের কদর আদৌ নিজেরা জানেন? ভারতীয় যুবক যুবতীরা যতটা পরিশ্রম করেন সে তুলনায় তারা কি পারিশ্রমিক পান? এটাই বোধহয় আজকের সবথেকে বড় প্রশ্ন! কারণ একটি পডকাস্টে ইসফোসিস কর্তা নারায়ন মূর্তি পরামর্শ দিয়েছেন ৪৫ বা ৫০ ঘণ্টা নয়, কাজ করতে হবে সপ্তাহে ৭০ ঘণ্টা। তবেই উন্নততর দেশগুলোর সঙ্গে পাল্লা দেওয়া সম্ভব কিন্তু সত্যিই কি পরিশ্রমের দিক থেকে পিছিয়ে রয়েছেন ভারতীয়রা? বিশ্বের বড়সড় ইকোনমির দেশগুলোর বাসিন্দাদের থেকে যেমন ধরুন চীন, আমেরিকা, জার্মানি।

    সপ্তাহের ৬ দিনে ৭০ ঘন্টা কাজ মানে প্রতিদিন ১১ ঘন্টার থেকেও বেশি কাজ। এর মতামত জানতে গেলে এক্ষেত্রে কার্যত দুভাগে হয়েছেন দেশের নাগরিকরা‌। অনেকেরই দাবি এক দিনে ১১ ঘন্টার বেশি কাজ মানে তাহলে তো কোনও ব্যক্তির ব্যক্তিগত কোনও জীবনই থাকবেন না। সেক্ষেত্রে দেশের তাবড় তাবড় কর্পোরেট বস যেমন সচিন জিন্দল, ওলার ভাবেশ অগরওয়ালদের দাবি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিদিন ১৪ থেকে ১৫ ঘন্টা কাজ করতে পারলে সাধারণ জনগন কেন পারবেন না? কিন্তু জানেন কি আসল সত্যিটা কি? ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের ডেটা বলছে ভারতীয়রা অন এভারেজ প্রায় ৪৭.৭ ঘন্টার বেশি কর্মসপ্তাহ পার করে। সেখানে চীনের সংখ্যা ৪৬.১ ঘন্টার ও আমেরিকার ৩৬.৪ কিন্তু অবাক করার মতো তথ্য এটা যে ভারতীয়রা এত এত ঘন্টা কাজ করার পরও যা উপার্জন করছেন তার পরিমাণ অনেক কম।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভারতীয়দের এভারেজ স্যালারি ৫০-৬০ হাজার। অনেকে বলবেন এই সংখ্যাটা আরও কম। ভারতের একটা বাড়ি কিনতে গেলে সেই দাম কিন্তু ইউরোপের প্রপারটি কেনার দাম ছোঁয়। ভারতে বছরে হাইলেভেলের স্যালারি ৪ লক্ষ থেকে ১৭ লক্ষ কিন্তু চীনে সেখানে এক ব্যক্তি ইনকাম ৪২১৪ ডলার। মানে ধরে নিন মাসে ৩ লক্ষের কাছাকাছি।বিশেষজ্ঞদের দাবি ৪৭.৭ ঘন্টার সময়টা কিন্তু কম নয়। যেই পরিশ্রমটা অলরেডি করছেন ভারতীয়রা। তবে ইনফোসিস কর্তা নারায়ন মূর্তি দাবি একে বাড়িয়ে ৭০ ঘন্টা করা উচিত। সেটা করলে কি স্যালারিও তেমনই বাড়বে ভারতীয়দের? তবে এক্ষেত্রে অনেকের দাবি ইনফোসিস কর্তা নারায়ন মূর্তি যা বলছেন সেটাকে প্রথমেই প্রত্যাখান করে দিলে হবে না। এক্ষেত্রে একাংশের দাবি ভারতীয়দের প্রোডাকটিভিটি কতটা সেটাও ম্যাটার। প্রোডাকটিভি মানে এক একজন কর্মী দ্বারা কোম্পানির ঘরে কত রেভেনিউ আসছে সেই তথ্য বলছে সেক্ষেত্রে প্রোডাকটিভি কিন্তু গত পাঁচ বছরে অনেকেটাই কমেছে।

    জেনে রাখুন ভারতীয় কর্মীদের টানা কাজ করার প্রতিভার জন্য বিদেশে কার্যত অনেকটাই চাহিদা রয়েছে। বিদেশের বড় কোম্পানি গুগল, মাইক্রোসফট, পেপসি, আইবিএম, অ্যাডোবের সিইওরা ভারতীয় বংশোদ্ভুত বা ভারতীয়।আপনাদের কি মনে হয় তাহলে কি ভারতীয়দের কাজের সময় ৮ ঘন্টা পরিবর্তে বাড়িয়ে ১০ বা ১১ ঘন্টা করা উচিত?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতের চরম ঘোষণা প্যালেস্টাইন নিয়ে! স্ট্যান্ড পাল্টাচ্ছে দিল্লি? ইজরায়েল চমকে গেল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    প্যালেস্টাইন নিয়ে বড়সড় ঘোষণা করে দিল ভারত ভারতের সমর্থন কী ফের পাল্টে যাচ্ছে? ইজরায়েলের গাজা হামলা নিয়ে কি বললেন জয়শঙ্কর? ভারত যে পথ দেখাচ্ছে তার ইমপ্যাক্ট কতটা? রাশিয়া ইউক্রেন যু্দ্ধে যেমন ভারতের অবস্থান নিয়ে যেমন তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা হয়েছিল ঠিক তেমনটা এবারও হচ্ছে। যারা এই প্রতিবেদন পড়ছেন, শুনছেন বা দেখছেন তারা বলতে পারবেন ভারত কাকে সমর্থন করছে ইজরায়েল- প্যালেস্টাইন যুদ্ধে? অনেকেই কিন্তু এখনও দ্বিধাগ্রস্থ, কনফিউজ! অনেকেই ভাবছেন ভারত তো ইজরায়েলের বন্ধু তাই স্বাভাবিকভাবে ইজরায়েলকেই সমর্থন করবে। না ভুল হচ্ছে, তাই এখানেই ভুলটা শুধরে নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ইজরায়েলের পাশে আছি এই বক্তব্যের মানে কিন্তু এটা নয় যে ইজরায়েলের হামলা নির্বিচারে গাজার ওপর অ্যাটাক এগুলোকে সমর্থন করে। বরং করে না সেটাই বলা বাহুল্য।

    এশিয়ার সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের একের পর এক দেশও ইজরায়েল-হামাস দ্বন্দ্বে দ্বিধাবিভক্ত। তবে ভারত বিলক্ষণ জানে তাদের স্ট্যান্ড পয়েন্ট কি? আর সেটাই আরও একবার পরিস্কার ভাষায় জানিয়ে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি বুঝিয়ে দিলেন ভারত কোনও ধরণের হামলাকে সমর্থন করে না। কী বললেন এস জয়শঙ্কর? এই মূহুর্তে এই স্টেটমেন্ট আপনার জানা উচিত যদি এই যুদ্ধ সংক্রান্ত খবর নিয়ে আপনি আপডেটেট থাকতে চান তাহলে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “গত ৭ অক্টোবর থেকে যেসমস্ত ঘটনা ঘটে চলেছে সেটা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ। সকলেই আশা করছেন যে গোটা পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হয়ে যাক, তবে সন্ত্রাসবাদ একেবারেই বরদাস্ত করা হবে না।” এরপরই প্যালেস্টাইনের সমর্থনে ভারতের বড় প্রতিক্রিয়া। বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন প্যালেস্টাইন নিয়েও সমস্যা রয়েছে। সেখানকার মানুষের সমস্যা দূর করা প্রয়োজন। একাধিক বিশেষজ্ঞদের মত, প্যালেস্টাইনের নাগরিকদের প্রতি ক্রমাগত অবিচারের ফলশ্রুতিই হামাসের এই হামলা।

    জয়শংকরের মতে, আমরা চাই দুই দেশ মিলেই সমাধানের পথ খুঁজুক। একমাত্র কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা মেটানো যেতে পারে। সংঘর্ষ বা সন্ত্রাসবাদ দিয়ে কোনও সমস্যার সমাধান হতে পারে না। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে মানবাধিকার রক্ষার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। এর মানে ভারত আকার ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিল গাজার ওপর ইজরায়েলের এই তীব্র হামলাকে কোনওমতে সমর্থন করছে না দিল্লি। তাতে ইজরায়েলর ভারতের যত ভালো বন্ধুই হোক না কেন মনে রাখতে হবে হামাসের হামলার তীব্র নিন্দা করে। যেমন ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে প্যালেস্টাইনের দুর্গতদের জন্য ত্রাণ পাঠিয়েছে ভারত। ভারত যে আলোচনার মাধ্যমেই দুপক্ষের সমাধান চায় সেটাই কার্যত পরিস্কার করে দিল দিল্লি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মোদী ম্যাজিকে ৫০ বিলিয়ন ঢুকছে ভারতে! মধ্যপ্রাচ্যের সাহসী সিদ্ধান্ত, কারা ঢালছে এত টাকা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মধ্যপ্রাচ্যে মোদী ম্যাজিক চরমে। সোজা ৫০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ। ইজরায়েল-হামাস দ্বন্দ্বে ভারতের অবস্থান কাঁটা হতে পারল না। পাকিস্তানের হতবাক মিডল ইস্টে এমন ঘোষণায় সৌদি- আরব আমিরাত নাকি ইজরায়েল কারা করবেন এত বড় ইনভেস্টমেন্ট? কাতার যত বড় ষড়যন্ত্রই করুক না কেন মধ্যপ্রাচ্যের তাবড় তাবড় দেশ যে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক খারাপ করতে রাজী নয়। সেটা কার্যত স্পষ্ট হয়ে গেল এই একটা খবরে। ইজরায়েল- হামাস যুদ্ধ বাঁধার কয়েকমাস আগেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের একের পর এক দেশে সফর করেছেন। আর এবার বোধহয় সেই ম্যাজিকটাই দেখার পালা। সংযুক্ত আরব আমিরাত ভারতে ৫০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ করতে পারে। ভারতের অর্থনীতিতে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। সম্প্রতি এমনই উঠে এসেছে ব্লুমবার্গের রিপোর্টে। আর এখানেই কার্যত ঝটকা খাচ্ছে ভারতের শত্রুরা। ফিসফাস করে হলেও একটা প্রশ্ন তোলা হচ্ছে তাহলে ভারতের ইজরায়েলর-হামাস যুদ্ধে স্বাধীন প্যালেস্টাইনের সমর্থন করা কোনওভাবেই কোনও প্রভাব ফেলল না ভারত-আরব আমিরাতের সম্পর্কের ওপর।

    আপনাদের জানার জন্য বলে দি এই যুদ্ধে কিন্তু ইজরায়েলকেই সমর্থন করছে আরব আমিরাত এবার আসি ভারতের সঙ্গে বিজনেসের কথায়। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট বলছে ভারতে ৫ হাজার কোটি ডলারের এই বিনিয়োগের ঘোষণা আগামী বছর করতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তবে সামনের বছরই ভারতে রয়েছে লোকসভা নির্বাচন তাই এই ঘোষণা নির্বাচনের আগে হবে না পরে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। এটাও জানা যায়নি যে ঠিক কোন খাতে বা কোন সেক্টরে এত বড় ইনভেস্টমেন্ট করতে চলছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। অবশ্য এবার বোঝা যাচ্ছে লাগাতার মোদী আরব সফর আসলে বাস্তবে কতটা এফেকটিভ প্রমাণিত হচ্ছে। মোদীর এবছরের সফর ছিল পঞ্চম আরব আমিরাত সফর। দেশটিতে তার প্রথম সফর ছিল ২০১৫ সালে অগাস্টে, দ্বিতীয়টি ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে এবং তৃতীয়টি২০১৯ সালের অগাস্টে এবং চতুর্থটি ২০২২ সালের জুনে সফর করেছিলেন মোদী। ভারতের ওপর যে এত বড় ইনভেস্টমেন্ট করবে আরব সেটা কি মোদী সরকার আগে থেকে জানত? কারণ এ বছরই কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে গিয়ে বৈঠক করেছেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে। সেখান থেকেই দুদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বাড়ানোর বিষয়টি শোনা গিয়েছিলেন দুই দেশের রাষ্ট্র প্রধানের কথায়।

    শুধুমাত্র সেটাই নয় জ্বালান তেল ছাড়াও অন্যান্য ক্ষেত্রে বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে নয়াদিল্লি ও আবুধাবি। তেল ছাড়া অন্য ক্ষেত্রগুলিতে দুদেশের মধ্যে ১০ হাজার কোটি ডলারের বাণিজ্য করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে দুই দেশ। এমনকি উল্লেখযোগ্যভাবে রূপিতে লেনদেন করার চুক্তিও হয় ভারতের সঙ্গে ইউএইর। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন সবচেয়ে বড় কথা হল ভারতে ইউএই-এর বিনিয়োগ ও ব্যবসায় একটি ধারাবাহিকতা রয়েছে। এটিই সবথেকে বড় ব্যাপার কারণ আমরা অনেক দেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক চুক্তি করি কিন্তু লাগাতার বিনিয়োগ ও ব্যবসার প্রসার দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যেটা পাকিস্তান ও আরব আমিরাত দুটি মুসলিম হয়েও তাদের পক্ষে করা সম্ভব হয়নি। এবার দেখার ভারতের জন্য এত বড় প্যাকেজ ঠিক কবে ঘোষণা করে আরব আমিরাত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাতাল ফুঁড়ে ছুটবে ট্রেন! সুড়ঙ্গের ভেতর এতো রহস্যময় সেতু? বাংলা টু সিকিম কত মিনিটে!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাতাল ফুঁড়ে ছুটবে ট্রেন? ১৪ টা সুড়ঙ্গ জুড়ে গেল সিকিমের মাটিতে। সুড়ঙ্গের গভীরে রহস্যে মোড়া বাইশটা সেতু? হাতে চাঁদ পেল বাংলা! ব্রেক জার্নি ভুলে যান, রংপো ঘোরালো অ্যাঙ্গেল। তিস্তা বাজারের আন্ডারগ্রাউন্ড স্টেশনেই লুকিয়ে আসল চমক। ২৪ এই জোর ঝটকা খাবে চীন। ইন্ডিয়ান আর্মির বড় হাতিয়ার এই স্পেশাল রেল ট্র্যাক। দুর্গম পথের এই সুড়ঙ্গ কতটা রিস্কি? জানেন শূন্য থেকে শুরু করে কোটি কোটি মুনাফা, সুড়ঙ্গে ভারতের বিশাল ভরসা। মাকড়সার জালের মত এতগুলো সুড়ঙ্গ। ভারতের মাটির তলায় কি ঘটছে জানেন?

    চীনকে টেক্কা দিতে সুড়ঙ্গের ভেতর মাস্টার প্ল্যান ভারতের। পুরোটা তাহলে খোলসা করে বলা যাক। পশ্চিমবঙ্গের সেবক থেকে সিকিমের রংপো পর্যন্ত তৈরি হচ্ছে রেলপথ। সেবক- রংপো রেলপথ ৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ। সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়েই যাচ্ছে এই রেল ট্র্যাকের বেশিরভাগ অংশ, ৩৮ কিলোমিটার। এই রেল ট্র্যাকের জন্য মোট ১৪টি সুড়ঙ্গ তৈরি করেছে রেল। এর মধ্যে দীর্ঘতম সুড়ঙ্গটি ৩ কিমোমিটারেরও বেশি লম্বা। পশ্চিমবঙ্গের কালিম্পং জেলার তারখোলা ও টুংলাংখোলার মধ্যে এই সুড়ঙ্গ অবস্থিত। ভারতীয় রেল সূত্রে খবর, এই রুটের মোট টানেল তৈরির বেশিরভাগ কাজই শেষ হয়ে গেছে। এই অঞ্চলে টালেন তৈরি করা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং ছিল। ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা হওয়ায় সতর্কতা বজায় রেখে তৈরি করা হয়েছে এই সুড়ঙ্গ। যোগাযোগ ব্যবস্থায় কি এফেক্ট ফেলবে এই রুট সেটা জানানোর আগেও যে পয়েন্টে হিট করব সেটা হল প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এই রুট কতটা ইম্পরট্যান্ট।

    সিকিমের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে চীন সীমান্ত। সিকিম শেষ হলেই চীনের এলাকা শুরু। তাই নিরাপত্তার জন্য এই এলাকায় বিশেষ নজর থাকে ইন্ডিয়ান আর্মির। ডোকালাম এখান থেকে মোটেই বেশি দূরে নয়। এই ডোকালামেই বছর খানেক আগে ভারত ও চীনা সেনা মুখোমুখি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতি তৈরির পর থেকেই ওই এলাকায় প্রচুর ফোর্স মোতায়েন করেছে ইন্ডিয়ান আর্মি। ডোকালাম থেকে আবার চিকেন নেক খুব দূরে নয়। ভারতের প্রতিরক্ষায় চিকেন নেক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেক্ষেত্রে এই রেলপথ তৈরি হলে ইন্ডিয়ান আর্মির যাতায়াত ও যুদ্ধ সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়াও সহজ হবে। জাতীয় নিরপত্তার ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব রয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। তাছাড়া, সিকিম পৌঁছনোর খরচ এক ধাক্কায় কমে গেল অনেকটাই। এই রেল ট্র্যাক চালু হয়ে গেলে সরাসরি ছোঁয়া যাবে সিকিম।

    মনে করিয়ে দিই সেবক ও রংপোর মধ্যে সংযোগকারী এই রেললাইন নির্মাণ হচ্ছে ১৪ টা সুড়ঙ্গ ও ২২ টা সেতুর মধ্যে দিয়ে। টানেলগুলোর চূড়ান্ত কংক্রিট লাইনিং এর কাজ শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। বাংলার তিস্তা বাজারে এর একটি ভূগর্ভস্থ স্টেশনও রয়েছে। এই লাইনে মোট পাঁচটি স্টেশন থাকছে। এতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সিকিম যাওয়া অনেক সহজ হবে। পাশাপাশি পণ্য পরিবহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এই রেলপথ।

    বর্ষার সময় ধসের জেরে সিকিমগামী এক মাত্র জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। সেই সময় কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় সিকিম। সেই অবস্থা বদলে যাবে এই রেলপথ তৈরি হলে। তবে শুধু পশ্চিমবঙ্গের কপালেই যে শিঁকে ছিঁড়ছে এমনটা নয়। ধীরে ধীরে এটা দেশের বাকি অংশের সঙ্গে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৪ সালের শুরুতেই উত্তর-পূর্ব ভারতের ছোট রাজ্য সিকিমের সঙ্গে রেল যোগাযোগের সমস্ত কাজ শেষ করে রেল দফতরকে হস্তান্তর করা হবে প্রজেক্ট।অর্থাৎ খুব তাড়াতাড়ি বাংলা থেকে সরাসরি পৌঁছানো যাবে সিকিম। বলাই বাহুল্য, এই প্রজেক্ট সিকিমের সামগ্রিক উন্নয়নে বড় অবদান রাখবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বর্ডারে মাটির নীচে কোন ফেসিলিটি? ইন্ডিয়ান আর্মির টেকনিকে বদল! চীন ছোঁয়ার প্ল্যান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বর্ডারে কী ফিট করে দিল ভারত? থরথর করে কাঁপছে চীন। টেকনিক বদলাচ্ছে ইন্ডিয়ান আর্মি। শুধুই কী বাঙ্কার-গোপন সুড়ঙ্গ? মাটির নীচে আলাদাই ফেসিলিটি। গুপ্ত শহর ভারতের ট্রাম্পকার্ড? ৪ টে বছরে চীন ছোঁবে ভারত। চীনের প্ল্যানে জল ঢালতে আদাজল খেয়ে নামলো ভারত।আগামী ৪ বছরে বদলে যাবে বর্ডার। চীনকে রীতিমতো টেক্কা দেবে ভারত। বর্ডারে রাস্তা, রেললাইন, টানেল, এয়ারফিল্ড, ব্রিজ তৈরি করে ফেলেছে ভারত। পাহাড় ফাটিয়ে তৈরি হচ্ছে গুচ্ছেক সুড়ঙ্গ। কোটি কোটি টাকা ইনভেস্টে গত ৩ বছরে ৩০০ টা প্রজেক্ট শেষ হয়েছে। আরও ২০৫ টা প্রজেক্ট চালু হয়ে গেছে। বানিয়েছে ভাইব্রেন্ট ভিলেজ। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ভারত চীন সীমান্তে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করাই কী ভারতের মেইন টার্গেট? নাকি যুদ্ধাস্ত্র মজুদ করাই মূল ফোকাস?

    ২০২২ এর শেষে শোনা যায়, সীমান্তের রাজ্যগুলোতে ভারত এমন সুড়ঙ্গ তৈরির প্ল্যান করছে, যেখানে ইন্ডিয়ান আর্মি শর্ট রেঞ্জ ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সমেত বিভিন্ন অস্ত্র মজুদ করতে পারে আন্দাজ করতে পারছেন, বর্ডারে কড়া নজরদারি বাড়াতে ভারত কোন স্ট্র্যাটেজিতে এগোচ্ছে? আর চীন কী চুপচাপ বসে দেখছে? নয়া এয়ারবেস, মিসাইল সাইট, অত্যাধুনিক বাঙ্কার, মাটির নীচে দুর্ধর্ষ ফেসিলিটি বানাচ্ছে চীন। আর ভারত চীনের মুখের উপর জবাব দেওয়ার জন্য কোমর বেঁধে তৈরি। ইঙ্গিত মিলেছিল চলতি বছরের সেপ্টেম্বরেই। বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন BRO- প্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেল রাজীব চৌধুরী বলেছিলেন দ্রুত অর্থ বরাদ্দ, প্রযুক্তির ব্যবহার ও কৌশলগত উন্নতির ফলে বর্ডারে ভারতের ভোলবদল শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। একটা বিষয় কিন্তু পরিষ্কার, বর্ডারে কার্যত পরিকাঠামো তৈরির রেস চলছে। চীনকে রীতিমতো চোখে আঙুল দিয়ে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে ভারত। এবছরের শেষের মধ্যে আরও ৬০টি প্রজেক্ট শেষ হয়ে যাবে। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ টু লেন টানেল অরুণাচলের সেলায়, যেটা ১৩ হাজার ফুটে তাওয়াংয়ে জলদি অস্ত্র পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।

    এলএসি ধরে ৫৯টি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাও তৈরি হয়েছে গত তিন বছরে। চলতি বছরেই ৯৩৪ কিমি রাস্তা তৈরি হচ্ছে। গড়ে ৩৬৫২ মিটার ব্রিজ তৈরি হয়েছে গত তিন বছরে, যা দশ বছর আগের থেকে প্রায় তিন গুণ বেশি। হিসেবটা বুঝুন। বর্তমানে বিআরও র বার্ষিক খরচ ১২৩৪০ কোটি। গত বছর ছিল ৯৩৭৫ কোটি। গালওয়ান সংঘর্ষের আগে ২০১৯-২০তে ছিল ৭৭৩৭ কোটি। তার আগের দশ বছরে সর্বোচ্চ বছরে ৪৬৭০ কোটি টাকা পেয়েছিল এই সংস্থা। মোদ্দা কথা, সরকার টাকা মঞ্জুর করাতেই প্রযুক্তিগত যে সব সমস্যা ছিল, সেগুলিকে কাটিয়ে দ্রুত গতিতে পরিকাঠামো তৈরি করা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিআরও প্রধান। সবমিলিয়ে বর্ডারে শান্তি ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে ভারত। কিন্তু চীনের মতিগতি ঠিক না লাগলে ভারত যেন পাল্টা দিতে পারে, তারজন্য কোনও চেষ্টার কমতি রাখছে না বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মায়ানমারে জান্তা ক্ষমতা হারাচ্ছে! চীনের বড় লস, গন্ডগোলে ভারতে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মায়ানমারে জান্তা সরকার ক্ষমতা হারাচ্ছে নাকি? চীনের বাণিজ্যে বড় কোপ পড়েছে ভারতে হু হু করে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা কড়া স্টেপ নিল দিল্লি। এ কোন নতুন গৃহযুদ্ধের শুরু হয়ে গেল মায়ানমারে? চীন পাল্টা বদলা নিতে কোন চাল চালবে? ভারতকে কড়া নজর রাখতে হচ্ছে বিশেষ করে মণিপুরের এক একটা অশান্তি আর ভারতে ঢুকে পড়ার চেষ্টা! তারপর ভারতের মাটিতে আরেকটা অশান্তির ব্লুপ্রিন্ট রেডি। মায়ানমার থেকে অনুপ্রবেশ আর কোনওভাবেই বরদাস্ত নয়। চীন কীভাবে উস্কানি দিতে পারে এই গোটা ঘটনায়? মায়ানমার থেকে আসা কত শরণার্থী বর্তমানে রয়েছে ভারতে? মণিপুর নিয়ে নতুন কোনও অশান্তি চায় না ভারত। তাই তো মায়ানমারে উত্তেজনা শুরু হতেই কড়া অ্যাকশন নিল দিল্লি।

    জান্তা সরকারকে নিয়ে ফের হলটা কী? আলজাজিরার তথ্য বলছে মায়ানমার সীমান্তে থাকা একটি শহরের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ কার্যত হারিয়ে ফেলেছে জান্তা সরকার। মায়ানমারের উত্তরাঞ্চলে শান প্রদেশে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ চিনশয়েহাউ শহরের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কথা জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী নিজে। আর এই খবরটাই মেনে নিতে পারছে না বেজিং। নেপথ্য বড়সড় লসের আশঙ্কা রয়েছে। জানা যাচ্ছে এ অঞ্চলে কয়েক দিন ধরে সশস্ত্র তিনটি গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাত চলছিল তাদের। এর মাঝেই চীন একটা বড় ঘোষণাও করে ফেলেছে আর টাইমিংটা দেখুন ঠিক এই সময়ই মণিপুর থেকে বড় খবর! মণিপুরের মোরেহতে ৩২ জন মায়ানমার অভিবাসীকে গ্রেফতার করে। মণিপুর পুলিশের এসডিপিও’কে হত্যার পর মোরেহতে বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। এই অভিযানে প্রায় ৪৪ জন কুকিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
    তাদের মধ্যে ৩২ জন মায়ানমারের বাসিন্দা তারা বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ভারতে ঢুকে পড়ে বলে খবর।

    প্রশ্ন উঠছে অশান্তির আঁচ পেয়েই কি ভারতে পালানোর চেষ্টা? ২০২১ সাল থেকে ৪০ হাজার কুকি শরণার্থী রয়েছে মিজোরামে। মণিপুরের সংখ্যাটা সরকারী খাতা কলমের হিসেবে ১২ হাজার। তবে চলতি বছরের মণিপুরে অশান্তি হওয়ার পর এনিয়ে রীতিমত সতর্ক ভারত সরকার। চীন কি কোনওভাবে ফের অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে? মায়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) আরাকান আর্মি (এএ) ও মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ) জানিয়েছে চীনের সঙ্গে মায়ানমারকে যুক্ত করা বিভিন্ন প্রধান সড়ক ও সামরিক ফাঁড়ি সেনাবাহিনীর কাছ থেকে দখল করেছে তারা। এতে চীনের কত বড় ক্ষতি জানেন? চীন ও মায়ানমারের মধ্যে বাণিজ্যের বড় একটি অংশ হয়ে থাকে। চিনশয়েহাউ শহরের সীমান্ত দিয়ে গত এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সীমান্ত দিয়ে ১৮০ কোটি লারের বাণিজ্য হয়েছে বলে মায়ানমারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য জানিয়েছে জান্তা সরকার নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম।

    তাই এশহর জান্তার হাত থেকে চলে যাওয়া মানে চীনের ব্যবসায় বড়সড় কোপ। ঠিক সেজন্যই চলমান সংঘাতের মধ্যে অস্ত্রবিরতির আহ্বান জানিয়েছে চীন। বেজিংয়ের অনুরোধ সব পক্ষকে শিগগিরই অস্ত্রবিরতিতে যেতে এবং লড়াই বন্ধের জন্য আহ্বান জানাচ্ছে তারা। তবে পরিস্থিতি আগামীতে আরও বিগড়াতে পারে আশঙ্কা করা হচ্ছে ভারতের তরফে। মায়ানমারের গৃহযুদ্ধ নিয়ে কোনও মন্তব্য না করা হলেও দিল্লি করা নজর রয়েছে মায়ানমার-ভারত সীমান্তের দিকে। যাতে এপরিস্থিতিতে কোনও ধরণের অনুপ্রবেশের ঘটনা না ঘটে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version