Tag: Healthy Lifestyle

  • Healthy Habits: দীর্ঘদিন সুস্থ সবল থাকতে চান ? এই বদঅভ্যাসগুলি ত্যাগ করুন এখনই

    Healthy Habits: দীর্ঘদিন সুস্থ সবল থাকতে চান ? এই বদঅভ্যাসগুলি ত্যাগ করুন এখনই

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Healthy Habits: সুস্থ সবল থাকতে আমরা সবাই চাই। সবাই চাই, দীর্ঘ আয়ু। অথচ জেনে বা না জেনে আমরা অনেকেই নিজেদের ক্ষতি করে চলেছি। আমাদের অনেকেরই কিছু অভ্যাস আছে। অনেকেই জানি, শরীরের জন্য সেগুলি খারাপ। তবুও দিনের পর দিন সেগুলি করে চলেছেন অনেকেই। দিনে দিনে তা আমাদের শরীর খারাপের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

     

    শরীরে বাসা বাঁধছে নানা জটিল রোগ। দীর্ঘ আয়ুর ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে সেগুলি। সাধারণ কিছু বদ অভ্যাস ত্যাগ করতে পারলেই আমরা সুস্থ থাকতে পারি দীর্ঘদিন। পেতে পারি দীর্ঘ আয়ু। মনে রাখবেন, কখনও কখনও কিছু অভ্যাস থাকে যা ক্ষতি করে। কিছু অভ্যাস মানুষকে মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তেও নিয়ে যায়। মানুষের খারাপ অভ্যাসই তার সবচেয়ে বড় শত্রু। যদি সময়মতো অভ্যাস না বদলানো হয়, তবে তারা ক্ষতি করতে শুরু করে। কোন কোন অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে? চলুন তা দেখে নেওয়া যাক এই প্রতিবেদনে।

     

    প্রথমেই বলা যাক, মোবাইলের ব্যবহার কমাতে হবে। একথা ঠিক, আজকাল মোবাইল এবং ল্যাপটপেই অফিসের সবকিছু। কিন্তু আপনি কি জানেন, এগুলোর অতিরিক্ত ব্যবহার আপনার বয়সকে প্রভাবিত করে? তাই এই অভ্যাসটা একটু বদলাতে হবে। শুধুমাত্র কাজের জন্য ফোন এবং ল্যাপটপ ব্যবহার করতে শিখুন। দরকার পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম। আপনি যদি কম ঘুমান তবে এটিও একটি অভ্যাস যা আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। এর ফলে অনেক ধরনের রোগ আপনাকে আক্রান্ত করতে পারে। সব সময় মনে রাখবেন, একজন ব্যক্তির পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো উচিত। প্রতিদিন গড়ে কমপক্ষে ৬ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিত।

     

    মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন। আপনি যদি মশলাদার এবং ভাজা জিনিসের অনুরাগী হন তবে এই শখটি আপনার ক্ষতি করতে পারে। এর ফলে আপনি কোলেস্টেরল, হার্টসহ অনেক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তাই মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন।

     

    মাদকাসক্তি ত্যাগ করতে হবে। আপনি যদি সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজা-অ্যালকোহল পান করেন তবে এই অভ্যাসটি এখনই ত্যাগ করুন। কারণ এগুলি আপনাকে বিপজ্জনক পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। এক জায়গায় দীর্ঘক্ষণ বসে থাকবেন না। এক জায়গায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলে অভ্যাস বদলান। তা না হলে আপনার ক্ষতি হতে পারে।মাঝে মাঝে উঠুন এবং আপনার শরীরকে নাড়াচাড়া করতে থাকুন। তাতে শরীর সক্রিয় থাকবে। এক জায়গায় বেশিক্ষণ বসে থাকলে শরীরে খারাপ প্রভাব পড়ে।

     

    লবণের অতিরিক্ত ব্যবহার কমান। আপনি কি খাবারে অতিরিক্ত লবণ পছন্দ করেন? তাহলে জেনে রাখুন, এটি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ। লবণের অতিরিক্ত ব্যবহার আপনার রক্তচাপের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। রক্তচাপ বৃদ্ধির কারণে আপনি অনেক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। অনেক ধরনের রোগ আপনাকে ঘিরে রাখতে পারে।

     

    মনে রাখবেন, ভালো থাকা না থাকা সবই আমাদের হাতে। আমরা চাইলেই শরীরকে ভালো রাখতে পারি। অযথা ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন। অবসর পেলে খোলা পরিবেশে একটু হাঁটুন। দূষন মুক্ত পরিবেশে ভালো করে শ্বাস দিন। পরিমিত সুষম আহার গ্রহণ করুন। এতেই শরীর সুস্থ থাকবে। ভালো থাকবেন দীর্ঘদিন।

     

    https://fb.watch/sxa2A0JgdZ/

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

     

  • Acne Scars: ব্রণ আর ব্রণর দাগ নিয়ে জেরবার? সমাধান লুকিয়ে রয়েছে চায়ের পাতায়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Acne Scars: ব্রণ আর ব্রণর দাগ নিয়ে জেরবার? কোনোকিছুতেই মিলছেনা সুরাহা? সমাধান লুকিয়ে রয়েছে চায়ের পাতাতেই। আরও তুলতুলে নরম ত্বক পাওয়ার ইচ্ছা? তাহলে বাড়তি চা ফেলে না দিয়ে কাজে লাগান রূপচর্চায়। এইভাবে চা ব্যবহার করুন আর দেখুন ম্যাজিক। কেবল চায়ের দৌলতেই ত্বক হবে মাখনের মত মসৃণ। তার জন্য জানতে হবে কায়দা! আমাদের আজকের ভিডিওতে রইল কিছু ম্যাজিক বিউটি টিপস।

     

    ‘চা’ কেবল পানীয় নয়, ‘চা’ হচ্ছে গুণের ভাণ্ডার। ঝিমিয়ে পড়া এনার্জি ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি আরও নানা উপকারিতা রয়েছে চায়ের। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হল, উজ্জ্বল ত্বক পেতেও চায়ের জুড়ি মেলা ভার। বিশেষ করে যারা ব্রণ বা ব্রণের দাগের সমস্যায় জর্জরিত তাদের জন্য ম্যাজিক টোটকা হয়ে উঠতে পারে ‘চা’। তবে তার জন্য জানতে হবে চা ব্যবহারের সঠিক উপায়।

     

    আজ্ঞে হ্যাঁ, যেমন তেমনভাবে ‘চা’ ব্যবহার করলেই তো আর রেজাল্ট মিলবেনা। তারজন্য জানতে হবে সঠিক উপায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন সঠিক পদ্ধতি জানা থাকলে চুলের মত মুখেও চা মাখলে খিলখিলিয়ে উঠবে আপনার ত্বক। চায়ের নিত্যব্যবহারে দূর হবে বলিরেখার সমস্যা, ফিরে আসবে ত্বকের হারানো জেল্লা। চায়ে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটারির দৌলতে ত্বক হয়ে ওঠে সতেজ ও তরতাজা। তাহলে আর দেরি কেন? ঝটপট দেখে নিন চা ব্যবহারের পদ্ধতি।

     

    প্রথমেই আসি ব্রণর কথায়। ব্রণ দূর করতে গ্রিন টি-র জুড়ি মেলা ভার। আপনার বাড়িতে যদি গ্রিন টি রয়েছে তাহলে তা বানিয়ে রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন। খানিকক্ষণ রেফ্রিজারেট করার পর তা বাইরে বের করে নিন। এরপর সেটিকে মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে নিন। এক সপ্তাহ ট্রাই করে দেখুন। পার্থক্য বুঝতে পারবেন নিজেই।

     

    ত্বকে কালো ছোপ ছোপ দাগ। মূলত পিগমেন্টেশনের কারণে ত্বকের নানা জায়গায় কালো ছোপ ছোপ দাগ দেখা যায়। এই সমস্যাও দূর করে গ্রিন টি। সেক্ষেত্রে আপনাকে একটা প্যাক বানাতে হবে। উপকরণ হিসেবে লাগবে এক চামচ গ্রিন টি পাতা, ২ টেবিল চামচ বেসন, ১ টেবিল চামচ দুধ, ১ চিমটে হলুদ গুঁড়ো আর গোলাপ জল। মিশ্রণটি ভালো করে মিশিয়ে ১৫ মিনিটের জন্য মুখে লাগান। এরপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করুন এই ফেসপ্যাক আর নিজেই দেখুন ম্যাজিক।

     

    ত্বককে নরম আর মসৃণ রাখতেও সাহায্য করে গ্রিন টি। এক্ষেত্রে গোলাপ জলের সঙ্গে গ্রিন টি মিশিয়ে নিতে হবে‌‌। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে টোনারের মত মুখে লাগিয়ে রাখুন। খানিকক্ষণ পর মুখ ধুয়ে ভালো কোনও ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। ত্বক হবে তুলোর মত নরম আর মাখনের মত মসৃণ।

     

    স্ক্রাবার হিসেবেও আপনি গ্রিন টি ব্যবহার করতে পারেন। আধা কাপ গ্রিন টির সাথে মিশিয়ে নিন মধু, টক দই। মিশ্রণটি ভালো করে মিশিয়ে তা মুখে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট পর হালকা গরম জলে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন ব্যবহার করুন এই ম্যাজিক স্ক্রাবার। রেজাল্ট পাবেন হাতে নাতে। তবে মনে রাখবেন এইসব টোটকা কোনও ওষুধ বা চিকিৎসার অঙ্গ নয়। এর চেয়ে বিশদে জানতে চাইলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Benefits of Quitting Sugar: চিনি খাওয়া ছাড়লে কী হবে? বিষয়টি জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Benefits of Quitting Sugar: জাস্ট এক মাস চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন, আর দেখুন ম্যাজিক। চিনিতেই লুকিয়ে রয়েছে আসল রহস্য। গ্যারান্টি দিচ্ছি, পার্থক্য আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। জাস্ট একটা মাস চিনি খাবেন না। আর তাতেই ঘটবে আমূল পরিবর্তন। জানেন শরীরে কী কী বদল হবে? গবেষকদের উত্তর শুনলে চমকে উঠবেন। জানলে বিশ্বাসই করতে পারবেন না আপনি।

     

    গবেষণা বলছে, আজকাল মানুষের চিনি খাওয়ার প্রবণতা অনেকটাই বেড়েছে। সরাসরি না খেলেও কোনও না কোনও উপায়ে শরীরে চিনি ঢুকছেই। আবার আপনি হয়ত সচেতনভাবেই চিনি ছেড়ে দিতে চাইছেন। যে কারণে এড়িয়ে চলছেন মিষ্টি জাতীয় খাবার। কিন্তু যে সব খাবারে চিনি ‘লুকোনো’ থাকে, তাদের থেকে রেহাই মিলবে কী ভাবে? অল্পস্বল্প লোভ কী আর সামলানো যায়?

     

    তবে তিনি বন্ধ করে দিলে আপনার শরীরে যা যা ঘটবে, সেটা যদি আপনি জানেন তাহলে আপনিও বলবেন ‘বাই বাই চিনি’। যেন তেন প্রকারেন চিনি থেকে ছুটকারা চাইবেন আপনি। জানেন মাত্র একমাস চিনি বন্ধ করলে আপনার শরীরে কী কী হবে? বিশেষজ্ঞরা যে উত্তরটা দিচ্ছেন তা জানলে চমকে উঠবেন। নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারবেন না। তাহলে আর অপেক্ষা কেন, চলুন সেটাই দেখে নিই বরং।

     

    ত্বক ভালো থাকবে। শুনে চমকে উঠছেন? ভাবছেন বুঝি মস্করা।‌ আরে না না, এটাই সত্যি। অনেকেই বলেছেন, চিনি খাওয়া বন্ধ করতেই ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ফিরে এসেছে। সেই সাথে কমেছে ব্রণ, ফুসকুড়ির সমস্যাও। ত্বক থাকে টানটান। এটা বিশ্বাস করতে একটু অসুবিধা হলেও এটাই সত্যি। তাই দেরি না করে ঝটপট বঙ্গললনাদের কাছে এই খবরটা পৌঁছে দিন।

     

    ওজন কমবে! হ্যাঁ, কেবলমাত্র চিনি খাওয়া বন্ধ করলেই শরীরের ওজন কমবে অনেকটাই। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে চিনি দেওয়া খাবার থেকে দূরে থাকলে ওজন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে। যে কারণে সরাসরি তো নয়ই, রান্নাতেও যথাসম্ভব চিনির ব্যবহার কমিয়ে দেওয়া উচিত।

     

    এছাড়াও চিনি খাওয়া ছেড়ে দিলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে আপনার ব্লাড সুগারও। যারা ডায়াবেটিসের রোগী তাদের তো চিনি খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। মধুমেহ না থাকলেও চিনিকে নিয়ে সতর্ক হতে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

     

    চিনি খাওয়ার প্রবণতা যাদের বেশি থাকে তাদের মধ্যে একটা কমন জিনিস দেখতে পাবেন। সেটা হচ্ছে, খিদে না পেলেও খেতে ইচ্ছে করা। হয়ত পেটে খিদে নেই কিন্তু মন খাবার চাইছে। ক্রেভিং টের পাওয়া যায় বারবার। কিছু না ভেবেই খাবার খেয়েও নিচ্ছেন। আর তাতেই বাড়ছে ওজন। চিনি বন্ধ করলে এই সমস্যা থেকেই মিলবে রেহাই।

     

    চিনি খাওয়া যে দাঁতের জন্য একেবারেই ভালো নয় তা আমরা কমবেশি সকলেই জানি। তবে অনেকেই বিষয়টাকে অগ্রাহ্য করেন। ভাবেন, দাঁতই তো, এতে আর কী হবে! তাহলে বলি দাঁত থাকতে থাকতে দাঁতের মর্ম বুঝুন। কারণ একবার দাঁত চলে গেলে তার যোগ্য বিকল্প আর কিছুই নেই। তাই অতিরিক্ত মিষ্টি জিনিসকে বলুন ‘টা টা’।

     

    জাস্ট একটা মাস চিনি খাওয়া বন্ধ করুন। আর দেখুন আপনার শরীরের এনার্জি কীভাবে বেড়ে যায়। হুটহাট ক্লান্তি আসাটাও কমে যাবে অনেকটাই। এছাড়াও হার্ট, লিভার সুস্থ রাখতেও চিনি খাওয়া কমানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। তাহলে আর দেরি কেন? আজ থেকেই বরং শুরু করুন ‘নো সুগার ডায়েট’। তবে শরীরে অন্য কোনও সমস্যা থেকে থাকলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Healthy Lifestyle: রক্তের গ্রুপ না জেনেই মুরগি-মাটন খাচ্ছেন! কী বিপদ ডেকে আনছেন জানেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Healthy Lifestyle: আপনার কী আমিষ খাবারের নাম শুনলেই জিভে জল আসে? মাটন বা চিকেন বিরিয়ানি পেলে নিশ্চয়ই লোভ সামলাতে পারেন না। চিংড়ি মালাইকারি বা ইলিশ ভাপা থাকলে নিশ্চয়ই ভাত একটু বেশি খান। কিন্তু আপনার নিজের ব্লাড গ্রুপ জানা আছে তো? রক্তের গ্রুপ মেনে খাবার না খেলে কিন্তু মহা বিপদ। তখন ডাক্তারের কাছে বার বার ছুটেও তেমন লাভ হবে না। আপনি হয়তো বলবেন খাওয়ার সঙ্গে ব্লাড গ্রুপের কী সম্পর্ক!

     

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাবারের সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে রয়েছে রক্তের গ্রুপ। রক্তের গ্রুপই ঠিক করে দিচ্ছে আপনি কী খাবার খাবেন। তা মেনে না চললে শরীর খারাপ অনিবার্য।যাঁর আমিষ খাওয়া দরকার তিনি হয়তো তা খেতে চান না। আবার যার শরীরে দরকার শুধু শাক সবজি, তিনি হয়তো চিকেন মাটন খেয়ে চলেছেন। তখন ফল হচ্ছে বিপরীত।তাই আসুন, কোন রক্তের গ্রুপের জন্য কোন খাবার যথাযথ তা জেনে নেওয়া যাক।

     

    রক্তের গ্রুপ দেখেই এখন ডায়েট করতে বলছেন ডাক্তারেরা। অনেক সময় দেখা যায় পুষ্টিকর খাবার খেয়েও শরীর ভালো থাকছে না। তখন তাদের ঘন ঘন ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী ডায়েট ঠিক করা দরকার। তা না হলে শরীর খারাপ লেগেই থাকবে। রক্তের গ্রুপের ভিত্তিতে নেওয়া খাবার খুব তাড়াতাড়ি হজম হয়। আপনারা সকলেই জানেন, রক্তের গ্রুপ চার ধরনের O, A, B এবং AB। এখন জেনে নেওয়া যাক কোন ব্লাড গ্রুপের কোন ধরনের ডায়েট গ্রহণ করা উচিত। কোন জিনিসগুলি এড়িয়ে চলা উচিত তাও দেখে নিন।

     

    A ব্লাড গ্রুপের মানুষদের খাদ্যতালিকায় থাকতে হবে সবুজ শাক-সবজি। এছাড়াও তাঁদের সামুদ্রিক মাছ এবং বিভিন্ন ধরনের ডাল খাওয়া উচিত। এই গ্রুপের লোকেরা জলপাই তেল, দুগ্ধজাত পণ্য, ভুট্টা খেতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, A ব্লাড গ্রুপের মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুবই সংবেদনশীল। তাই খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। এধরনের ব্যক্তিদের নিরামিষ খাদ্য গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, এই ব্লাড গ্রুপ যুক্ত মানুষ সহজে মাংস হজম করতে সক্ষম হয় না। তাই এই গ্রুপের লোকদের মুরগি-মাটন কম খাওয়া উচিত।

     

    B ব্লাড গ্রুপের মানুষদের খুব একটা খাবার এড়িয়ে চলতে হয় না। সবুজ শাক-সবজি, ফলমূল, মাছ, মাটন, চিকেন সবই খাওয়া যেতে পারে। এই ব্লাড গ্রুপের মানুষের হজম শক্তি খুব বেশি থাকে। তাদের শরীরে চর্বি জমতে পারে না। তবে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে তাদের খাদ্যাভ্যাস যেন ভারসাম্যপূর্ণ হয়।

     

    AB রক্তের গ্রুপ খুব কম মানুষের মধ্যেই পাওয়া যায়। যাদের এবি ব্লাড গ্রুপ আছে তাঁদের বেশি করে ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়া উচিত। বয়স বাড়ার সাথে সাথে কিছু লোকের উচ্চ রক্তচাপ, নিম্ন রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের মতো সমস্যাও দেখা দেয়। তবে সকলের ক্ষেত্রেই কোনও কিছু ডায়েট কিংবা বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকদের থেকে উপযুক্ত পরামর্শ নেওয়া উচিত।

     

    O ব্লাড গ্রুপের উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত। তাহলেই দেখছেন তো রক্তের গ্রুপের সঙ্গে খাবারের সম্পর্ক কতটা। আপনার রক্তের গ্রুপ জানা আছে তো? না থাকলে আজই জেনে নিন। এবার সেই গ্রুপ অনুযায়ী ডায়েট চার্ট ঠিক করুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Skin Care Tips: ত্বকের জেল্লা দেখে তাক লাগবে! ঠিক কোন নিয়মে মুখে ঘি মাখতে হবে দেখে নিন এখনই

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Skin Care Tips: অনেকেই ত্বকের নানা সমস্যা সমাধানে ঘি ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু ত্বকের যত্নে ঘি ব্যবহার করা কি উচিত? এই ঘি কি সত্যিই আপনার ত্বকের জন্য উপকারী? কীভাবে ব্যবহার করলে ফল পাবেন? সুস্বাস্থ্যের জন্য অনেক সময়ে চিকিৎসকরা ডায়েটে সামান্য পরিমাণে ঘি রাখার পরামর্শ দেন। নির্দিষ্ট পরিমাণে ঘি খেলে স্বাস্থ্য ভালো থাকতে পারে। কিন্তু মুখে ঘি মাখলে ঠিক কী কী উপকার পাবেন তা কি আপনি জানেন? রূপচর্চায় ঘি-এর ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নিন ঝটপট। ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্যে নানা স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট নিশ্চয়ই আপনি ব্যবহার করে থাকেন। ত্বক ভালো রাখতে এই ব্যবহার করতেই পারেন। আবার অনেকেই ঘরোয়া টোটকায় ভরসা করেন।

    নানা প্রাকৃতিক উপাদানের মতো ত্বকের যত্নে ঘি ব্যবহার করতে পারেন আপনি। আয়ুর্বেদ মতে,এক সময় প্রাচীন ভারতে ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্যে ঘি ব্যবহার করা হত।এমনকি সারা গায়েও ঘি মাখার রীতি ছিল। এতে ত্বকের জেল্লাও হত দেখার মতো। অনেকেই এখনও বাড়িতে প্রাকৃতিক ময়শ্চরাইজার হিসেবে ঘি ব্যবহার করেন। একটি গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, ঘি ব্যবহার করলে ত্বক ময়শ্চারাইজ হতে পারে। এমনকি শুষ্কভাবও কম হতে পারে।

    চুলকানি এবং জ্বালাভাব হলে তা ঘি লাগিয়ে সারিয়ে তুলতে পারেন আপনি। এমনকি ঘি-এর ক্রিম শুষ্ক ত্বকে আর্দ্রতার জোগান দিতে পারে। ডার্ক সার্কেল মলিন করতে পারে ঘি। প্রাচীনকালেও ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য ঘি-এর ব্যবহার করা হত। ঘি আপনার ত্বকের ক্ষত সারিয়ে তুলতে পারে। ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্যেও ঘি-এর ব্যবহার করতে পারেন। শীতে ঠোঁটে নিয়মিত ঘি লাগালে উপকার পাবেন আপনি।

    ঘি, দুধ এবং বেসন হার্বাল ফেসমাস্কে ব্যবহার করা যায়। এটি আপনার ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে। দুধের মধ্যে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের জন্য ভালো। এজন্য প্রয়োজন ২ টেবিলচামচ ঘি, ২ টেবিলচমচ বেসন এবং ১ টেবিলচামচ দুধ। এই প্রত্যেকটি উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করে নিন। পেস্টটি সারা মুখে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ১০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১বার ব্যবহার করুন। মধুতে আছে অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট এবং অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল উপাদান।এটি আপনার ত্বকের ক্ষত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।ত্বকও ভালো রাখে। যা আপনার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

    আধ চামচ মধু ও এক চামচ ঘি দিয়েও রূপচর্চা করা যায়। দুটি উপাদান ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর আপনার মুখে এবং গলায় লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩বার ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকে জেল্লা আসবে চোখে পড়ার মতো।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Belly Fat Reduce: সিজারের পর পেটের মেদ কমাবেন কীভাবে? রইল উপায়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Belly Fat Reduce: সি সেকশন বা সিজারের পরে কীভাবে কমাবেন পেট কমাবেন? মা হওয়ার পর আপনি পেটের মেদ নিয়ে চিন্তিত? বাড়িতে বসে শরীরের কোনও ক্ষতি না করেই কমতে পারে পেটের চর্বি। খুব সহজ পদ্ধতিতে! এই প্রতিবেদনে সেই টিপস জানাবো আপনাদের। সন্তানের জন্মের পরবর্তী ওজন এত সহজে কমে না। বিশেষ করে সিজারিয়ান হলে পেটের মেদ কমিয়ে আগের অবস্থায় যেতে অনেক সময় লাগে। কিন্তু এই সহজ টিপস গুলো মানলে আপনার এই সমস্যা কমে যেতে পারে। তবে এই স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়টিতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে তবেই সিদ্ধান্ত নেবেন। এই তথ্যগুলো বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম, গবেষণামূলক পত্রিকা থেকে নেওয়া হয়েছে। তাই এই সমস্যা সংক্রান্ত বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন শিশুর জন্মের ছয় সপ্তাহ পর থেকে ব্যায়াম শুরু করতে পারেন। ছয় সপ্তাহের আগে পেটের ব্যায়ামগুলো কোনো অবস্থাতেই করা যাবে না। শিশুর জন্ম সিজারিয়ানের মাধ্যমেই হোক আর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায়ই হোক। মায়ের পক্ষে যখনই স্বাভাবিক কাজকর্ম করা সম্ভব হবে তখন থেকেই ব্যায়াম শুরু করতে হবে। পরিমানে জল খান দিনে ৭-৮ গ্লাস অন্তত। শুনতে অবাক লাগলেও জল দেহ থেকে অতিরিক্ত মেদ বের করে দিতে সাহায্য করে। খাওয়া, ঘুমানো ও স্নান ছাড়া সবসময় পেটে বেল্ট পরে থাকুন। এটা বিরক্তিকর হলেও আপনি অবশ্যই ভালো ফল পাবেন।

    ভাত, মিষ্টিসহ শর্করাজাতীয় অন্যান্য খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া যাবে না। বিশেষ করে যাঁরা গর্ভধারণের আগে থেকেই একটু মোটা হয়ে গিয়েছেন তাঁদের এ ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে। রাখবেন বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সময় মায়ের ওজন সবথেকে বেশি কম হয় অনেকেই এই সময়তেই পুরোপুরি রোগা হয়ে যান। ঝরিয়ে ফেলেন প্রেগন্যান্সির সময়ের ওজন। সংবাদমাধ্যমে এমনই তথ্য দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা। আপনার আগের চেহারা চট করে ফিরে পাবেন না এমন ভেবে হতাশ হবেন না। একটু সময় লাগবে। তাই ধৈর্য ধরুন এবং নিয়ম মেনে চলার চেষ্টা করুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hair Stop Growing : নির্দিষ্ট লেন্থের পর থামছে চুলের গ্রোথ! কী কী কারণ থাকতে পারে এর পেছনে ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair Stop Growing : লম্বা চুল কে না চায় বলুন তো ! কিন্তু যেটা আমরা চাই সেটাই কী পাওয়া যায় ? উদাহরণ হিসেবে এই চুলের কথাই বলা যাক। অনেকেই লম্বা চুল পছন্দ করেন। মোটা গোছের লম্বা চুল সকলেরই পছন্দের। কিন্তু পাওয়া হয় না। থেকে যায় স্বপ্ন হিসেবেই। যদিও চুল লম্বা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্টের ওপর ভরসা করেন অনেকে , হয়তো চুলের স্বাস্থ্য আগের তুলনায় খানিকটা ভালো হয় কিন্তু মন মতো লেন্থ পাওয়া যায় না। একটা নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য পর্যন্ত চুল বৃদ্ধি পায় আর তারপর থেমে যায়। তখনই দেখতে পাওয়া যায় ডগা ফেটে যাচ্ছে অথবা প্রচুর পরিমাণে চুল ঝরে পড়ছে (Hair Fall)।

    এর পেছনে কিন্তু বিভিন্ন ধরনের কারণ থাকতে পারে। হেলদি লাইফস্টাইল (Healthy Lifestyle) না মেনে চলা থেকে শুরু করে পুষ্টির কমতি পর্যন্ত আপনার চুলের গ্রোথ থামিয়ে দিতে পারে। আজকের প্রতিবেদনে চুল বড় না হওয়ার বিভিন্ন কারণ নিয়ে আলোচনা করা হল।

    * স্ট্রেস লেভেল : যেকোনো ধরনের স্ট্রেস আপনার শরীর কিংবা মনের জন্য কিন্তু ভালো নয়। এই গুলির প্রভাব দেখতে পাওয়া যায় শরীরে। অতিরিক্ত চিন্তাভাবনা আপনার চুলের বৃদ্ধি তিরিশ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে। এই সমস্যা কিন্তু কোন সরাসরি সমাধান নেই। আপনি যদি আপনার স্ট্রেস লেভেল কন্ট্রোল না করতে পারেন তাহলে এটি হেয়ার ফলের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

    * জেনেটিক সমস্যা : অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় চুল অনেক লম্বা আবার কারও কারও চুল একদমই বড় হতে চায় না । আপনি কি জানেন এর একটি কারণ হতে পারে জেনেটিক্স (Genetics)। বংশগত কারণেও আপনি চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা উত্তরাধিকার সূত্রে পেতে পারেন। আবার একটি নির্দিষ্ট লেন্থ পর্যন্ত চুল পাওয়া যায় এই কারণেও।

    * হরমোনাল ইমব্যালেন্স: শরীরে যদি হরমোন ইনব্যালেন্স দেখতে পাওয়া যায় তাহলে তার প্রভাব চুলের উপর পড়ে। পিসিওএস , পিসিওডি, থাইরয়েড এবং প্রেগনেন্সির সময় শরীরে হরমোনাল ইমব্যালেন্স হয় । যার কারণে অনেক বেশি পরিমাণে চুল পড়তে থাকে। এই ভাবেই চুলের গ্রোথ (Hair Growth) স্তব্ধ হয়ে যায়।

    * চুল ভেঙে যাওয়া : অতিরিক্ত রুক্ষ শুষ্ক চুল মাঝখান থেকে ভেঙে যেতে পারে । বারবার চুলে রঙ করা , স্ট্রেট করা , তাতে হিট প্রয়োগ করার ফলে চুলের ময়েশ্চার এবং ইলাস্টিসিটি কমে যায়। এতে চুল ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। দুর্বল হয়ে যায় যার কারণে সামান্য চিরুনি ঘোরালেই চুল ভেঙে পড়তে পারে। যা আপনার চুলের বৃদ্ধিকে নষ্ট করে দেয়।

    * বয়স : এই তথ্য হয়তো অনেকেরই জানা নেই যে বয়স বাড়ার সাথে সাথে চুল শুধু সাদা হয় এমনটা নয়, চুলের বৃদ্ধিও বন্ধ হয়ে যায়। তবে সবার ক্ষেত্রে কিন্তু এমনটা হয় না। কিছু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে যত বয়স বৃদ্ধি পায় ততই চুলের গ্রোথ কমতে থাকে।

    এছাড়াও হেলদি লাইফস্টাইল মেনটেন না করলে এবং বাইরের খাবারে মগ্ন থাকলে চুলের বৃদ্ধি তলানিতে গিয়ে ঠেকবে। আয়রন, প্রোটিন, জিংকের অভাব আপনার চুলকে ভঙ্গুর করে দেবে। তাই সঠিক খাবার দাবার প্রয়োজন নিয়মিত। একই সঙ্গে প্রয়োজন সামান্য ব্যায়ামের। তারপরেও যদি কোনরকম শারীরিক সমস্যার কারণে চুল অত্যাধিক পরিমাণে ঝরতে থাকে অথবা চুলের গ্রোথ বন্ধ হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version