Tag: Cyclone Remal Landfall

  • Cyclone Remal: আজও প্রবল দুর্যোগ বাংলায়, কোথায় কোথায় তুমুল বৃষ্টি?

    Cyclone Remal: আজও প্রবল দুর্যোগ বাংলায়, কোথায় কোথায় তুমুল বৃষ্টি?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

     

    Cyclone Remal: ঘূর্ণিঝড়ের ঝাপ্টা সবচেয়ে বেশি খেয়েছে দমদম। রেমালের দাপটে লন্ডভন্ড সুন্দরবন, কী কী ক্ষতি হয়েছে? দেখলে সত্যিই কান্না পাবে। রেমালের তাণ্ডব এখনই থামবে না। এই জেলায় প্রবল বিপর্যয় নেমে আসতে পারে যখন তখন। সকাল থেকে আপনার এলাকাতেও কি বৃষ্টি চলছে ? তাহলে কমেন্ট বক্সে লিখে জানান আমাদের।

    রেমালের পূর্বাভাস শুনে প্রথম থেকেই তুলনা চলছিল আমপানের সঙ্গে। আমপান যেমন ধ্বংসলীলা চালিয়েছে, রেমাল কি তাকে টক্কর দেবে, উঠছিল প্রশ্ন। গতিতে আমপানকে রেমাল টক্কর দিতে পারেনি ঠিকই, কিন্তু তার ধীরগতিই বাংলার জন্য কাল হচ্ছে! আমপানের সন্ধ্যায় তাণ্ডব চললেও, পরদিন সকাল থেকে আকাশ কিন্তু মেঘমুক্তই ছিল। এখানেই আমপানের সঙ্গে রেমালের তফাত। রেমাল ধীর গতিতে এগোচ্ছে। দুর্যোগ থেকে মুক্তি পাচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ। কোথায় বেশি ঝড়-বৃষ্টি হবে?

     

    কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূম জেলায় অতিভারী বৃষ্টি হবে। নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদে ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার থেকে
    সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় দমকা ঝড়ো বাতাস বইতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান এই জেলাগুলিতে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটারথেকে সর্বোচ্চ ৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় দমকা বাতাস বইতে পারে।

     

    রবিবার রাতে বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে আছড়ে পড়েছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল। সাগর দ্বীপ এবং খেপুপাড়ার মধ্যবর্তী অংশে বাংলাদেশের মোংলার কাছ থেকে ঝড় স্থলভাগে প্রবেশ করেছে। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলেছে ‘ল্যান্ডফল’ প্রক্রিয়া। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে উপকূলবর্তী এলাকায়। কলকাতা শহরেও বহু অংশে গাছ পড়ে, বিদ্যুতের খুঁটি উপরে বিপত্তি ঘটেছে। কেমন থাকবে মঙ্গলবারের তাপমাত্রা?

     

    মঙ্গলবার থেকে দুর্যোগ কাটতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, সোমবারের পর থেকেই বৃষ্টি কমবে। মঙ্গল থেকে আপাতত দক্ষিণের কোনও জেলাতেই ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। সোমবার সকালে শক্তি হারিয়ে সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে রেমাল। বাংলাদেশের উপরে তা অবস্থান করছে। ক্রমে আরও উত্তর-পূর্বে সরে যাচ্ছে সেটি।তবে সোমবারও দক্ষিণবঙ্গের উপকূলেঝোড়ো হাওয়া বইছে, সঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছে অনবরত।

     

    হাওয়া অফিস সোমবার সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ যে বুলেটিন প্রকাশ করেছে, তাতে বলা হয়েছে, ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত দমদমে ঝড়ের গতি ছিল সবচেয়ে বেশি। সেখানে ঘণ্টায় ৯১ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে দেখা গিয়েছে। বাংলাদেশে ঝড়ের গতি ছিল ১০০-র বেশি। রবিবার ভোর থেকে বাংলাদেশের স্থলভাগে অবস্থান করছে রেমাল। সকাল পর্যন্ত তা ‘প্রবল’ আকারেই ছিল। ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ ক্যানিং থেকে তার দূরত্ব ছিল ৬৫ কিমি পূর্বে। ৮টার পরে শক্তি হারিয়ে সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে রেমাল। ঘূর্ণিঝড় ক্রমশ উত্তর উত্তর-পূর্ব দিকে সরছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Remal: হাই অ্যালার্ট ! আর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় রেমাল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Cyclone Remal: আয়লার মতো শক্তি! ধেয়ে আসছে রেমাল! লণ্ডভণ্ড করে দিতে পারে আপনার এলাকা। মাঝরাতে কোথায় আছড়ে পড়বে? কলকাতা কি আদৌ রক্ষা পাবে?
    বাংলাদেশের ল্যান্ডফল হলেও পশ্চিমবঙ্গে বড় দুর্যোগ। সুন্দরবনের কপালে দুর্ভোগ। কোথায় আছড়ে পড়বে? ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে প্রবল বৃষ্টি। কোথায় কোথায় রেড অ্যালার্ট? আবহাওয়া নিয়ে বড় আপডেট। রেমাল কী আপনার এলাকাতেও বড় দুর্যোগ ঘটাতে পারে?

     

    সাগরের বুকে জন্ম হয়েছে ঘূর্ণিঝড় । বঙ্গোপসাগরের উপর থাকা গভীর নিম্নচাপ শনিবার রাতে শক্তি বৃদ্ধি করে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড়ে। শক্তি বাড়িয়ে আছড়ে পড়বে কোথায় সে নিয়েই আতঙ্ক বাড়ছে। কোন কোন জেলায় সব থেকে বেশি গতিতে আসবে ঘূর্ণিঝড়?

     

    দুই ২৪ পরগনায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড় বইতে পারে। হাওয়ার গতি বৃদ্ধি পেয়ে ঘণ্টায় হতে পারে ১৩০ কিলোমিটার।  কলকাতা-সহ বাকি চার জেলায় ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার গতিতে বইতে পারে ঝড়। পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়ায় জারি রয়েছে কমলা সতর্কতা। সেখানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩৪ থেকে ৪৫ কিলোমিটার গতিতে ঝড় বইতে পারে। দক্ষিণের বাকি জেলায় হতে পারে ভারী বৃষ্টি। সেখানে জারি হলুদ সতর্কতা।

     

    সাগরে শক্তি বাড়িয়ে প্রবল আকার নেওয়ার পর ঘূর্ণিঝড় রেমাল রবিবার মধ্যরাতে স্থলভাগে আছড়ে পড়তে চলেছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বাংলাদেশের খেপুপাড়া এবং পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপের মধ্যবর্তী অংশে ঝড় আছড়ে পড়বে। সে সময়ে তার গতি থাকবে ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার। কখনও দমকা হাওয়ার বেগ পৌঁছতে পারে ১৩৫ কিলোমিটার পর্যন্তও।

     

    সোমবারও কি বৃষ্টি হবে কলকাতায়? আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে যে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে মহানগরীতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কয়েকটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে। ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিমি বেগে ঝড় উঠবে। দমকা হাওয়ার বেগ কখনও কখনও ঘণ্টায় ৭০ কিমিতে পৌঁছে যেতে পারে।

     

    ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উত্তাল হবে সমুদ্র। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার এবং সোমবার সমুদ্রের উপর ৯০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এর ফলে সমুদ্র উত্তাল থাকবে। ঢেউয়ের উচ্চতাও হবে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Train Cancelled: ধেয়ে আসছে রেমাল, বাতিল একাধিক ট্রেন, ঝড়ের মোকাবেলায় কী কী ব্যবস্থা নিল পূর্ব রেল?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Train Cancelled: ধেয়ে আসছে রেমাল, রবিবারেই শুরু হবে তুমুল দুর্যোগ। লণ্ডভণ্ড হবে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ। ইতিমধ্যেই তুমুল ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে মেদিনীপুরে।তার আগেই যাত্রী সুবিধার্থে দূরন্ত পদক্ষেপ পূর্ব রেলের। সাইক্লোনের মোকাবেলায় জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। বাতিল করা হয়েছে একের পর এক ট্রেন।খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম, বাতিল করা হয়েছে কর্মীদের ছুটি। আর কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে পূর্ব রেল?

     

    বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে নিম্নচাপ। শনিবার রাতের মধ্যেই শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে নিম্নচাপটি। রবিবার মধ্যরাতেই পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপর আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’। তার আগেই চূড়ান্ত সতর্ক পূর্বরেল। আশঙ্কা রয়েছে রেল লাইনে ধ্বস নামার। এমন আবহে আগেভাগে সতর্কতা না নিলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে যাত্রীদের। আর সেই কারণেই তৈরি হচ্ছে রেল মন্ত্রকও। রেল ব্যবস্থাকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলার চেষ্টা করছে রেল কর্তৃপক্ষ। জানেন ঠিক কী কী সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে?

     

    বলা হচ্ছে, ইতিমধ্যেই ঝড় নিয়ে এক দফায় বৈঠক সেরে ফেলেছেন হাওড়া ও শিয়ালদহের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজাররা। বাতিল হয়েছে কর্মীদের ছুটি। রেল মন্ত্রকের কড়া নির্দেশ, এই কয়টা কাজে বহাল থাকতে হবে সবাইকেই। চলুন দেখে নিই ঠিক ঠিক কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে পূর্ব রেল।

     

    ফি বছরই শুনে থাকবেন ঝড়ের চোটে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে যায় ওভারহেডের তারে। আর তাতেই ঘটে যায় মর্মান্তিক সব দূর্ঘটনা। মৃত্যু অবধি হয়ে থাকে। তবে এবার আর সেটা হওয়ার কোনও অবকাশ দিচ্ছেনা রেল। ইতিমধ্যেই নাকি, ডাল ভেঙে পড়তে পারে এমন সব গাছকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ঝড়ের আগেই ছেটে ফেলা হচ্ছে সেইসব ডালপালা।

     

    ২৫ মে থেকে ২৭ মে অবধি জরুরি বিভাগে পর্যাপ্ত কর্মী মোতায়েন রাখা হচ্ছে। রেল লাইনে যাতে জল জমতে না পারে তার জন্য জায়গায় জায়গায় বসানো হবে পাম্প। রিলিফ ট্রেন ও মেডিক্যাল ভ্যানও প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

     

    ট্রেন সংক্রান্ত কোনও আপডেট যাতে মিস না হয় তার জন্য আরও ঘন ঘন ঘোষণা করার নির্দেশ দিয়েছে পূর্ব রেল। এছাড়াও সমস্ত প্লাটফর্মের শেড খতিয়ে দেখছে রেলের ইঞ্জিনিয়াররা। কোনোরকম ক্ষতি যদি হয়ও সেক্ষেত্রে, প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টের শীটের বন্দোবস্ত করে রাখা হচ্ছে।

     

    ওদিকে হাওড়া ডিভিশনে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে কন্ট্রোল রুম। প্যানেলের আধিকারিকরা সমস্ত পরিস্থিতির উপরেই কড়া নজরদারি চালাচ্ছেন। বড় স্টেশনগুলিতে ডিজেল জেনারেটর এবং জরুরি পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম আনা হচ্ছে। সেই সাথে বলা হয়েছে, রবিবার সন্ধ্যা থেকে সমস্ত কর্মীদের কাজে বহাল থাকতেই হবে।

     

    আসলে সময় যত এগিয়ে আসছে ততই জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, রেমালের প্রভাব ভয়ঙ্কর হতে পারে। আর সেই কারণেই দীঘাগামি কয়েকটি ট্রেন বাতিল করেছে পূর্ব রেল। রবিবার ২৬ মে বাতিল করা হয়েছে হাওড়া-দিঘা কাণ্ডারী এক্সপ্রেস। বাতিল থাকবে পাশকুড়া-দিঘা মেমু, পাশকুড়া-দিঘা ইএমইউ। এমনকি সোমবার অর্থাৎ ২৭ মে-তেও একাধিক ট্রেন বাতিল থাকছে। দর্শকদের কাছে অনুরোধ, একান্তই প্রয়োজন না থাকলে এই দুর্যোগের সময়টা বাড়িতেই থাকুন। নিজেও সতর্ক থাকুন আর প্রিয়জনদের সতর্ক রাখতে ছড়িয়ে দিন ভিডিওটি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Remal: দুই বঙ্গে তাণ্ডব ‘রেমাল’-এর ! চিন্তার খবর শোনাল আবহাওয়া দফতর

     

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Cyclone Remal: সমুদ্রে শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড়। শুধু বাংলাদেশ নয়, পশ্চিমবঙ্গের এই জায়গায় আছড়ে পড়বে রেমাল। দুই বাংলাই বড় রিস্কে। ভরা কোটালের সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। আয়লার মতো তাণ্ডব,  ১৪০ কিমি বেগে উড়িয়ে নিয়ে যাবে। আতঙ্কিত হবেন না। আপনি কি পূর্ব মেদিনীপুর বা সুন্দরবনের বাসিন্দা? কোন কোন জেলায় কোন অ্যালার্ট থাকছে জেনে নিন। ঘূর্ণিঝড় কোনদিকে এগিয়ে যাবে? সমুদ্র উত্তাল। আবহাওয়া নিয়ে চিন্তার খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

     

    আয়লা, আমফানের যে ক্ষত আছে সুন্দরবনের, সেটা এখনও শুকিয়ে যায়নি। তারইমধ্যে রেমাল আছড়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। আপাতত যা অনুমান করা হচ্ছে
    তাতে যেখানে ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ডফল হবে তা পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন থেকে খুব একটা বেশি দূরে নয়। আছড়ে পড়তে পারে বাংলাদেশের খেপুপাড়া সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের সাগর দ্বীপে। স্থলভাগে ঢোকার সময় তা প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেবে। ঘূর্ণিঝড়টি রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সোমবার রাত আড়াইটার মধ্যে আঘাত হানতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেফ নয় কলকাতাও। কলকাতায় ৯০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া এমনই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

     

    অন্যদিকে সুন্দরবন এবং পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলবর্তী এলাকা গুলিতে ১১০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। দুই ২৪ পরগনায় জারি করা হয়েছে ভারী বর্ষণের লাল সতর্কতা। কলকাতা সহ চার জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার থেকেই ঝড়-বৃষ্টির দাপট বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

     

    কয়েক বছর আগে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস হাজির হয়েছিল এই সময়। ঠিক সেই সময়েই ফের হাজির আরও এক ঘূর্ণিঝড়। ২৬ মে মধ্যরাতে সাগরে আছড়ে পড়বে রেমাল। সুন্দরবনে মাইকিং শুরু হয়ে গিয়েছে। নীচু জায়গার লোকেদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

     

    ফের আয়লার স্মৃতি ফিরতে পারে সুন্দরবনে। রবিবারেই ভরাকোটাল হবে। তার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের দাপট দুয়ের ফলায় ভয়ঙ্কর হতে পারে সুন্দরবনের পরিস্থিতি।
    একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ঘুর্ণিঝড় আয়লার সময়। সেবারও ভরা কোটাল এবং ঘূর্ণিঝড়ে জোড়া ফলায় সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। প্রচুর ঘরবাড়ি ভেঙে গিয়েছিল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone remal: রেমাল কতটা ভয়ংকর? আবহাওয়ার বড় খবর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Cyclone remal: ঘূর্ণিঝড় রেমাল কেন বেছে বেছে কলকাতাকেই টার্গেট করছে? শনিবার থেকেই তাণ্ডব! আপনি কি এই এলাকায় থাকেন? তাহলে এখনই সাবধান হয়ে যান।
    অবশেষে সত্যি হতে চলেছে সেই আশঙ্কা। ঘূর্ণিঝড় আমফানের মতো সোজা কলকাতা। শহরের ওপর দিয়ে যেতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় রেমালও! কী বলছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর? সুন্দরবনের একের পর এক আঘাত। ম্যানগ্রোভ অরণ্য ধ্বংস হলে কলকাতা বড় বিপদের মুখে। কী হতে চলেছে আগামী কদিন? একটু একটু করে শক্তি বাড়াবে
    আমফানের মতই কি মারাত্মক হবে রেমাল?

     

    শনিবার থেকেই কি তবে দুর্যোগ শুরু? বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড় মডেলে দাবি করা হচ্ছে। রবিবার সন্ধ্যার পর ঘণ্টায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার গতিতে। কলকাতায় আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়। ঘূর্ণিঝড় রেমাল নাকি সুন্দরবনে ল্যান্ডফল। করে কলকাতার ওপর দিয়ে তাণ্ডব চালাতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত এই নিয়ে কী বলছে হাওয়া অফিস?

     

    মৌসম ভবন সূত্রে খবর, দক্ষিণ-পশ্চিম ও পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘূর্নাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এই নিম্নচাপ উত্তর-পূর্ব দিকে এগিয়ে মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরও ঘনীভূত হবে গভীর নিম্নচাপে। গভীর নিম্নচাপ শুক্রবারের পর উত্তর-পূর্ব দিকে এগিয়ে উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে।
    আবার এদিকে আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, গভীর নিম্নচাপের জেরে শুক্রবার উপকূলের জেলা পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে
    বৃষ্টির সম্ভাবনা একটু বেশি। শনিবার ও রবিবার ভারী বৃষ্টির সতর্কতা পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে এই তিন জেলাতে।
    বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ৫০ কিলোমিটার।

    গতিবেগে দমকা ঝড়ো বাতাস বইবে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে। দমকা ঝড়ো হাওয়া সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। শুক্রবার থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আম্ফানের পর সেই মে মাসেই চোখ রাঙাচ্ছে আরও এক ঘূর্ণিঝড়। ঝড়ের নাম দিয়েছে ওমান। রেমাল শব্দের অর্থ বালি। তীব্র দাবদাহে নাজেহাল অবস্থা সকলের৷ কবে হবে স্বস্তির বৃষ্টি তাঁর আশাতেই সকলে বসে থাকেন৷ তা বলে ঘূর্ণিঝড়! দুয়ারে বিপদ কড়া নাড়ার মতই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Remal Update: সাগরে ঘনাচ্ছে ঘূর্ণিঝড়? এই দিন থেকেই দুর্যোগ শুরু বাংলায়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Cyclone Remal Update: রেমাল ঘূর্ণিঝড়ের কাউন্টডাউন শুরু। বঙ্গোপসাগরে ফুঁসছে ঘূর্ণাবর্ত! ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়ের প্রবল আশঙ্কা। ঘূর্ণিঝড়ের টার্গেটে কি বাংলা? বঙ্গ জীবনে মে মাসের স্মৃতি মোটেও সুখের নয়! ২০০৯ সালের ২৫ মে সুন্দরবন তছনছ করেছিল আয়লা। ২০ মে আমফান এবার রেমালের ঝাপটা। শুক্র থেকে ভারী বর্ষণ রাজ্যে। এই এই জেলায় জারি হয়ে গেল সতর্কতা। আপনার এলাকা কি বিপদমুক্ত? কোথায় কোথায় অশনি সংকেত? আবহাওয়ার বড় খবর। এখন প্রতিটা মুহুর্ত ভীষণ ভাইটাল। বারেবারে এই মে মাসেই কেন তাণ্ডব চালায় ঘূর্ণিঝড়? ওয়েদারের সব খুঁটিনাটি।

     

    ‘লো প্রেশার বা নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাকে বলা হয় সাইক্লোজেনেসিস। মার্চ এপ্রিল মে, অর্থাৎ গরম কালে সমুদ্রের জলের উপরের যে তাপমাত্রা, তা অনেকটা বেশি থাকে। আর শুধু বেশিই নয়, তা জলের প্রায় ৫০ মিটার গভীর পর্যন্ত থাকে। আর সেই কারণেই মার্চ, এপ্রিল, মে বা পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে কখনও কখনও জুন মাসেও ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়। আগামী ২২ মে নিম্নচাপ বলয় তৈরি হতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে। পরে সেটি উত্তর-পূর্ব দিকে এগিয়ে নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।

     

    আরও শক্তি বৃদ্ধি করে সেই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার মতো অনুকূল পরিস্থিতিও। সাগরে তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আবহবিদেরা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে বেশ কিছু ঢেউয়ের দিকে নজর রাখছে হাওয়া অফিস। এছাড়াও সমুদ্রপৃষ্ঠে যে তাপমাত্রা তা-ও ঘূর্ণিঝড় তৈরির অনুকূলে রয়েছে। এমনটাই বলছেন আবহবিদরা। ইতিমধ্যেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে গাঙ্গেয় বঙ্গে। কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস।

     

    আবহবিদেরা জানিয়েছেন, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঝড়বৃষ্টি বেশি হতে পারে।  এই জেলাগুলিতে বৃষ্টির সঙ্গে হাওয়ার বেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত। বৃষ্টি চলবে বুধবার পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার বৃষ্টি কমতে পারে দক্ষিণে। এর পর শুক্রবার থেকে আবারও বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ বলয়ের জেরে ভারী বৃষ্টিতে ভিজতে পারে রাজ্য।

     

    ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তা আমফানের মতোই বিধ্বংসী হতে পারে বলে মত আবহাওয়াবিদদের। তবে সেটি কতটা শক্তিশালী হবে বা আদৌ সুপার সাইক্লোনের রূপ নেবে কিনা তা পরবর্তী সময়ে আবহাওয়ার পরিস্থিতি দেখেই বোঝা যাবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। সেক্ষেত্রে কি তাহলে বাংলায় এর প্রভাব পড়বে? তা বোঝা যাবে আর কিছু সময় পরেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

     

  • Cyclone Remal: গরম থেকে মিলবে রেহাই, বৃষ্টি কবে থেকে শুরু? ঘূর্ণিঝড় চোখ রাঙাচ্ছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Cyclone Remal : ঘূর্ণিঝড়ের রেশ কি শুরু হয়ে গেল? বৃষ্টি ভাসাবে বাংলার এই জেলায়। ২০ মে !কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। সর্বনাশা মে মাস ভয়াবহ স্মৃতি যেন ফিরে আসছে। কবে, কোথায় অঝোরে বৃষ্টি? গরমে আর হাঁসফাঁস নয়। তবে প্রকৃতির এই তাণ্ডব সামলাতে পারবেন তো? আলিপুর আবহাওয়া দফতর দিল বড় আপডেট। কোথাও বেড়ানোর প্ল্যান থাকলে ক্যান্সেল করুন। কারণ সে আসছে।

     

    এই মাসেই এমন ঝড় আসতে চলেছে যা আগের ঘূর্ণিঝড়গুলির থেকেও বেশি শক্তিশালী হতে পারে। এই ঝড়ের নাম রেমাল। সেই সাইক্লোন কি এখন থেকেই মাথাচাড়া দিতে শুরু করল? রবিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা পশ্চিমের বেশ কয়েকটি জেলাতে। সোম ও মঙ্গলবার উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই। বৃষ্টি বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। দু-এক জায়গায় দমকা ঝোড়ো বাতাস। তাপমাত্রা আরও বাড়বে আগামী চারদিনে। রবিবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

     

    গরম কালে কখনও আয়লা, কখনও আমফান, কখনও যশের তাণ্ডব দেখেছে বাংলা। এবার আবারও এক ঘূর্ণিঝড়। মে মাসের শেষাশেষি, মোটামুটি ২৪ মে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে শক্তি বাড়িয়ে স্থলভাগের দিকে এগোবে এই ঝড়। সমুদ্রের জলের উষ্ণতা বৃদ্ধি এর অন্যতম বড় কারণ। এমনটাই বলছেন আবহবিদদের একাংশ। আবহাওয়া দফতর যদিও এখনও বলেনি, কোন পথে কত গতিবেগ নিয়ে এগোবে রেমাল। তবে মনে করা হচ্ছে, আগামী ২০ মে থেকে এই ঝড়ের গতিপথ স্পষ্ট হতে পারে। এদিকে সেই দিন বাংলার বেস কিছু জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে। ২০ মে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে একটি ঘূর্ণাবর্ত। সেটি সোজা উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে শক্তি বৃদ্ধি করতে পারে। এরপর ২৪ মে সেটি ঘূর্ণিঝড়ের আকার নিতে পারে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এমন তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

     

    সাধারণত ১ জুন কেরল হয়ে ভারতের মূল ভূখণ্ডে বর্ষা প্রবেশ করে থাকে। সাতদিনের মতো হেরফের হলেও দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু স্বাভাবিক ছন্দেই এগোচ্ছে বলে মনে করেন আবহাওয়াবিদরা। এবার অবশ্য সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে মে শেষ হওয়ার আগেই ভারতের মূল ভূখণ্ডে ঢুকে পড়বে বর্ষা। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কেরলে বর্ষা প্রবেশ করতে পারে। আপাতত ভারতীয় মৌসম ভবনের তরফে সেরকমই পূর্বাভাস দেওয়া হল। তবে সেটা একেবারে হুবহু মিলবে যাবে, এমন নয়। পুরোটাই নির্ভর করছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর সক্রিয়তার উপরে। এমনিতে সাধারণত বাংলায় ১১ জুনের মধ্যে ঢুকে যায়। তবে এবার কবে ঢুকবে, সে বিষয়ে আপাতত মৌসম ভবনের তরফে কিছু জানানো হয়নি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

     

  • Cyclone Remal: সাবধান! হার মানাবে আয়লা-আমফানকে, বাংলায় ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Cyclone Remal: মে মাসে ফের ঘূর্ণিঝড়? আবহাওয়া নিয়ে বড় আপডেট। হঠাৎ যেন ঘূর্ণিঝড়ের আতঙ্ক গ্রাস করেছে বাংলায়। সেই মে মাস অর্থাৎ আমফানের মাস।আমফানের ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল রাজ্যজুড়ে। এবার ফের একবার সেই আমফানের স্মৃতি মনে পড়ছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়েছে সাইক্লোন রেমাল। এ বছরও মে মাসে ঘূর্ণিঝড়ের আতঙ্কে ভুগছে গোটা বাংলা।

     

    আর এবার তো শোনা যাচ্ছে আয়লা আমফানের থেকেও বড় ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে। গোটা এপ্রিল জুড়ে চূড়ান্ত গরমের পর মে মাসের শেষের দিকে আসতে চলেছে ঘূর্ণিঝড়। এমনই সংকেত দিল আবহাওয়া দপ্তর। ইতিমধ্যেই সেই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সতর্ক করে দিয়েছে হাওয়া অফিস। বাংলায় কতটা তাণ্ডব চালাবে এই ঘূর্ণিঝড়?

     

    ঙ্গোপসাগরে জন্ম নিচ্ছে রেমাল। জানা যাচ্ছে এই ঘূর্ণিঝড় আমফানের থেকেও বিধ্বংসী হতে পারে। আবারো অশনি সংকেত দেখছেন আবহাওয়াবিদরা। ব্যাপক ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস। বৈশাখী গরমে নাজেহাল বাংলা। কয়েকদিনের বৃষ্টি স্বস্তি দিলেও আবার গরম বাড়তে পারে। গরম কালে কখনো আয়লা কখনো আমফানের মতো ঝড়ের তাণ্ডব দেখেছে বাংলা। এবার আবারো এক ঘূর্ণিঝড়ের সংকেত পাওয়া যাচ্ছে। এমন ঝড় আস্তে চলেছে যা আগের ঘূর্ণিঝড়গুলির থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী হতে পারে। এই ঝড়ের নাম রেমাল।

     

    রেমাল বাংলার কোথায় কোথায় প্রভাব ফেলবে জানাবো আপনাদের। ২০ মে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে ঘূর্নাবর্ত। সেটা সোজা উত্তর দিকে শক্তি বাড়াবে। ২৫ মে এই ঘূর্ণাবর্তটি পশ্চিমবঙ্গ বা বাংলাদেশের দিকে যেতে পারে। এই ঘূর্ণিঝড়ের জেরে ২ মে-র রাত থেকে বৃষ্টি শুরু হতে পারে। বৃষ্টি চলতে পারে ২৬ শে মে পর্যন্ত। জানা গিয়েছে ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়।

     

    তবে হাওয়া অফিসের তরফ থেকে এই ঘূর্ণিঝড় প্রসঙ্গে যে আপডেট দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে যতক্ষণ না ঘূর্নাবর্ত তৈরি হচ্ছে ততক্ষণ ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ বা তার শক্তি সম্পর্কে সুনিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হলে তার প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে পড়বেই। বিশেষ করে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বেশি প্রভাব পড়বে।দক্ষিণবঙ্গে এই সময় গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকবেন ভোট কর্মীরা। ফলে ভোট প্রক্রিয়াও বিপদের মুখে পড়তে পারে। কিন্তু মে মাসেই কেন বারবার আসে ঘূর্ণিঝড়? এই প্রশ্নটা তুলছেন অনেকেই।

     

    বিশেষজ্ঞদের মতে সমুদ্রের জলের উষ্ণতা বৃদ্ধি এর অন্যতম কারণ। আবার এই বছর তো শোনা যাচ্ছে স্বাভাবিক সময়ের আগেই ১৯শে মে আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করতে পারে। তবে দিন যত এগোবে ততই এই সাইক্লোনের গতিপথ এবং শক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version