West Bnengal Today Weather: গত দু-তিনদিন ধরে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের দাপটে আকাশে দেখা মেলেনি সূর্যের। উল্টে মিলেছে বৃষ্টি। যার জেরে ইতিমধ্যেই শীতের পোশাক থেকে শুরু করে লেপ, কম্বল বেরিয়ে পড়েছে আলমারি থেকে। আবহাওয়া দফতরের অনুমান, এবারের শীত লম্বা ইনিংস খেলবে। পরপর দুটি ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে বার বার শীত ঢুকতে বাধা পেয়েছে। আপাতত সেরকম আর কোনও বাধা নেই। দক্ষিণবঙ্গে আপাতত আর বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বরং উত্তরে হাওয়া বিনা বাধায় প্রবেশ করতে শুরু করেছে। ফলে চেনা শীতের দেখা মিলতে পারে শীঘ্রই।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে রাজ্যে ঠান্ডা বাড়বে কতটা ? আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সূত্রে যেটা খবর মিলেছে, আগামী তিনদিনে রাজ্যের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি কমে যাবে। অর্থাৎ কমবে রাতের তাপমাত্রা। পরবর্তী দু’দিনে অবশ্য রাজ্যের তাপমাত্রার কোনও হেরফের হবে না। অন্যদিকে, দার্জিলিংয়ে বৃষ্টি এবং তুষারপাত হতে পারে শনিবার থেকে আগামী বুধবার পর্যন্ত। কালিম্পংয়ে আজকের পর আবার বৃষ্টি হতে পারে আগামী মঙ্গলবার এবং বুধবার।
কলকাতায় শনিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। শুক্রবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা শহরে তাপমাত্রা থাকবে ১৮ থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।
Bangladesh: এই বাংলাদেশকে চিনতে পারবেন না! একটা প্যাটার্নেই বাড়ছে ভয়। মাটি ফেটে চৌচির হবে? কুঁকড়ে যাবে গাছের পাতা? পৃথিবী তেঁতে উঠছে, এল নিনোর কতটা ভয়াবহ এফেক্ট ওপার বাংলায়? এবার কি খরার মুখোমুখি বাংলাদেশ? ডেঙ্গি থেকে সাবধান। বাস্তুহারা হতে হবে এতো এতো মানুষকে? যা, দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারছেন না! সেটাই ঘটতে যাচ্ছে ওপার বাংলার বুকে? ২৪ এর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কি করছে হাসিনা সরকার? বন্যা খরায় জর্জরিত হয়ে যাবে বাংলাদেশ? জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন খরা পরিস্থিতি ফিরছে। চলতি বছর বাংলাদেশ যে তাপমাত্রার কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে, আগামী বছর তা আরও ভয়াবহ হওয়ার হাই চান্স রয়েছে।
হতে পারে খরা, এমনকি প্রাণীবাহিত রোগ বাড়ার আশঙ্কা থাকছে। মশার উপদ্রব বাড়বে বহুগুণ, এখন থেকেই পদক্ষেপ না করলে পরিস্থিতি মহাবিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যেতে পারে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। শুধু তাই নয়, এল নিনোর প্রভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাড়বে। তাই বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা সহ বিভিন্ন এলাকায় বাস্তুহারা মানুষের সংখ্যা বাড়বে। জানলে অবাক হবেন ২০৫০ সালে বাংলাদেশে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা হবে প্রায় দেড় কোটি। প্রায় দু কোটি শিশুর জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানবপাচারের মতো ঘটনা বাড়ার শঙ্কাও বাড়ছে। তাছাড়া, বাংলাদেশের কৃষিতেও এল নিনোর প্রভাব অলরেডি পড়তে শুরু করেছে। বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাট চাষও এফেক্টেড হয়েছে। কম বৃষ্টি ও তীব্র তাপমাত্রার কারণে গাছের পাতা কুঁকড়ে গেছে, ফল পাকার আগেই ঝড়ে পড়েছে।
কম বৃষ্টিপাত আউশ ফসলেও প্রভাব ফেলেছে। নিয়মিত বৃষ্টিপাতের অভাবে এ বছর কীটপতঙ্গের আক্রমণও বেড়েছে। বাংলাদেশের কৃষি বিশেষজ্ঞরা বুঝতে পারছেন, জলবায়ু সহিষ্ণু ধান উদ্ভাবন করতে না পারলে সমস্যায় পড়তে হবে। বিশেষ করে ঠান্ডা আবহাওয়ায় উৎপাদিত গমের ক্ষেত্রে সমস্যা বাড়বে। বুঝতে হবে, বৈশ্বিক উষ্ণতার পাশাপাশি এল নিনো ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়। এর প্রভাব মারাত্মক। এল নিনো মূলত খরা পরিস্থিতি, শুষ্ক মৌসুম, যখন স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কম বৃষ্টি হয় এবং বন্যাও কম হয়, এই সময় তাপমাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যায়। সাধারণত দুই থেকে সাত বছর পরপর এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হয়। যা ১৮ মাসের বেশি সময় পর্যন্ত স্থায়ী হয়। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন বর্তমানে এল নিনোর প্রভাবে পেরু, ইকুয়েডর, চিলি সহ উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও উপকূলে ভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার বহু জায়গায় বৃষ্টিপাত কমে আসবে, দেখা দেবে শুষ্কতা।
খরা ও দাবানলের মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে বাংলাদেশ ভারত সহ আশপাশের দেশগুলোতে। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার ২০২৩ সালে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে। ‘জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজন’ বলতে পরিবেশ, সমাজ, জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতিতে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাবগুলো কমিয়ে আনতে সরকার এবং সাধারণ মানুষ যেসব পদক্ষেপ নিয়ে থাকে তা বোঝায়। এই পরিকল্পনায় বাংলাদেশকে ১১টি ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ু বিপদাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে তা মোকাবিলায় ১১৩টি উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ যেমন মোকাবিলা করা যাবে, পাশাপাশি প্রায় ১.১ মিলিয়ন হেক্টর জমি জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা থেকে রক্ষা পাবে।
তাছাড়া, প্রতি বছর বিশ্বনেতাদের সাথে বাংলাদেশ সরকার জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের হাতে পরিকল্পনা আছে, এবার শুধু সেটা বাস্তবায়নের পালা। নাহলে, এভাবে চলতে থাকলে পৃথিবী বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। শুধু বাংলাদেশ নয়, সবুজায়ন নষ্ট করার ফল ভুগতে হবে গোটা বিশ্বকে।
West Bengal Weather Update: কার্যত শীতের পথে কাঁটা ঘূর্ণিঝড়। আরও বাড়ল রাতের তাপমাত্রা। আগামী সপ্তাহে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রাজ্যের বেশ কিছু জেলাতে। সোমবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের উপকূল ও ওড়িশা সংলগ্ন জেলাগুলিতে। ‘মিউগাজম’এর প্রভাবে বঙ্গে বিঘ্নিত হবে শীতের আগমন। দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal) আগামী মঙ্গবার ও বুধবার থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। কলকাতা-সহ ১০ জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা কলকাতা, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমানে। সপ্তাহান্তে উপকূলীয় এলাকাগুলির হাওয়া বদলের সম্ভাবনা প্রবল। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর মিলেছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে রয়েছে নিম্নচাপ। তা এগোচ্ছে পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে।
মিগজাউমের ল্যান্ডফল কোথায়?
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর মিলেছে,৪ ডিসেম্বর অর্থাৎ সোমবার দুপুরে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ এবং উত্তর তামিলনাড়ু সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের পশ্চিম-মধ্যভাগে পৌঁছবে। ৫ ডিসেম্বর অর্থাৎ মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ নেল্লোর এবং মাছিলিপত্তনমের মাঝখান দিয়ে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রবেশে আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়। ৩ ও ৪ তারিখ বাংলার কোথাও কোনও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। কিছু জায়গায় আংশিক মেঘলা আকাশ থাকতে পারে।
গতিবেগ কেমন থাকবে?
এই ঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৮০-৯০ কিলোমিটার। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ১০০ কিলোমিটার ছাড়াতে পারে।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে ক্রমেশ ফুঁসছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী , এই ঘূর্ণিঝড় পুদুচেরি থেকে পূর্ব ও দক্ষিণপূর্ব দিকে ৬৩০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। ৭৪০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে নেল্লোর থেকে দক্ষিণপূর্বে এই ঘূর্ণিঝড়টি। তাপমাত্রার কোনও পতনের নতুন করে সম্ভাবনা নেই। বরং কিছুটা ১-২ ডিগ্রি বাড়তে পারে বা যেটা আছে সেটাই থাকবে। আপাতত ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত শীতের আমেজ উধাও হবে দক্ষিণবঙ্গে।
Cyclone Michaung: মিগজাউমের ধাক্কা এপার বাংলাতেও? বাংলাদেশ রেডি তো? কতটা রিস্কে অন্ধ্র ওড়িশা? লাস্ট মিনিটে ঘুরবে খেলা? বাংলাদেশ নাকি এপার বাংলা, এক্স্যাক্টলি ল্যান্ডফল হবে কোথায়? কোথায় কোথায় মিগজাউমের এফেক্টে বন্যা, ভূমিধসের আশঙ্কা? কি ঘটবে ভাইটাল ৪৮ ঘন্টায়? কিভাবে তৈরি হবে বাংলাদেশ? ইলেভেন্থ আওয়ারে বিগড়ে যাচ্ছে আবহাওয়া? বদলে যাচ্ছে নাকি ল্যান্ডফলের অভিমুখ? মিগজাউম এর আসল ভয় টা কোথায় জানেন? আবহবিদরা কিন্তু এখনও নির্দিষ্ট ভাবে ধরতে পারছেন না কোন দিকে ধেয়ে আসছে মিগজাউম।এপার বাংলাতেও চাপা অস্বস্তি। সিস্টেমটা তৈরি হয়ে গেছে অলরেডি। সামনের ভাইটাল সময়টাতে নিম্নচাপ গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। ডিসেম্বরের ৩ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা। ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিলে এর নাম হবে মিগজাউম।
ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম ঘিরে ভারতের ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গে টেনশন বাড়ছে। ক্ষতি এড়াতে আগে থেকেই সতর্কতা জারি সাত সাতটা জেলায়। ওড়িশা সরকার নিম্নচাপ এবং সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সাতটি উপকূলীয় জেলাকে সতর্ক করেছে। বালাসোর, ভদ্রক, কেন্দ্রাপাড়া, জগৎসিনপুর, পুরী, খুড়দা এবং গঞ্জামের জেলাশাসকদের কাছে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে ২রা ডিসেম্বরের মধ্যে নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীর-লাদাখ-গিলগিট-বালতিস্তান-মুজফফরাবাদে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বিস্তীর্ণ এলাকায় হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস ছিলই। পরবর্তী দুদিনেও হাল্কা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা উত্তর-পশ্চিম ভারতের সমতল এলাকায়। আগামী দুদিনে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা, পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ, পূর্ব মধ্যপ্রদেশ এবং বিদর্ভ এলাকায়।
হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা, মধ্য মহারাষ্ট্র, মারাঠাওয়াড়াতেও। আগামী পাঁচ দিন বিস্তীর্ণ এলাকায় হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, কড়াইকাল, কেরল ও মাহেতে। ১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, কড়াইকালে। কেরল ও মাহেতেও একই পরিস্থিতি হওয়ার চান্স। আবহবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন, ঘূর্ণিঝড়টা ডিসেম্বর মাসের ৩ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের উপকূল থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মধ্যবর্তী কোনো এলাকার উপকূলে আছড়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে কিন্তু, কিছু আবহাওয়ার মডেল জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম অন্ধপ্রদেশ উপকূলে বিজয়ওয়াড়া অথবা ওড়িশা উপকূলের ভুবনেশ্বরের মাঝামাঝি কোথাও ল্যান্ডফল করতে পারে।
অতএব কোথায় আছড়ে পড়বে মিগজাউম সেটা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ রয়েছে। এর জন্য বাংলা জুড়ে ঠিক কি এফেক্ট পড়বে? আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সপ্তাহান্তে আবহাওয়ার বদল হবে উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে। পুরোপুরি মেঘলা আকাশ থাকবে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশ কিছু জেলাতে! রাতের তাপমাত্রা বাড়বে দক্ষিণবঙ্গের উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলোতে। পশ্চিমের জেলায় শীতের আমেজ একটু বেশি থাকবে। আর, কলকাতায় আপাতত আংশিক মেঘলা আকাশ, রাতের তাপমাত্রা বাড়বে। কমবে দিনের তাপমাত্রা। সকাল সন্ধ্যা শীতের হালকা আমেজ থাকলেও বেলার দিকে গরম। সপ্তাহের শেষে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে।শীতের আমেজ কমে বাড়বে উষ্ণতা। মেঘলা আকাশ ও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা।
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে পার্বত্য এলাকা ছাড়া আপাতত মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশ। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উইকেন্ডে দার্জিলিং কালিম্পং এ হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে আবহাওয়া দফতরের। আগামী তিন চার দিনে উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকবে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাতে একই রকম পরিবেশ শুকনো আবহাওয়া থাকবে আরও চার-পাঁচ দিন। মিগজাউমের গতিপথ পরিবর্তনের বিষয়টাতেই ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। দুই বাংলাই উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় সময় কাটাচ্ছে। মিগজাউম কোথায় কবে ল্যান্ডফল হবে এখন সুনিশ্চিতভাবে সেটাই জানার অপেক্ষা।
Cyclone Michaung: তছনছ করতে ধেয়ে আসছে মিগজাউম! ভারত-বাংলাদেশ কতটা রিস্কে? টগবগিয়ে ফুটবে বঙ্গোপসাগর। বাংলাতেও সাঙ্ঘাতিক এফেক্ট? কোন কোন জেলা চলে যাচ্ছে রেড অ্যালার্টে? মোকার ডিটো? জলবন্দী ১৪০ কোটির ভারত? সামনের ৪৮ ঘন্টায় কী ঘটতে যাচ্ছে? ঝড় বৃষ্টির মাঝেই হুহু করে নামবে তাপমাত্রা? ব্যাক টু ব্যাক ঘূর্ণাবর্ত। মিধিলি ভুলে যান। ভারত কাঁপাবে মিগজাউম?শীতের মাঝেই ছুটে আসছে কোন ভয়ঙ্কর দুর্যোগ? পূর্বাভাস বলছে, মিগজাউম এর বড়সড় এফেক্ট পড়ার চান্স দক্ষিণবঙ্গে। দক্ষিণের জেলাগুলোতে ও উত্তরবঙ্গের একাংশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু জেলায় বইতে পারে ঝোড়ো দমকা হাওয়া। টেনশন বাড়ার যথেষ্ট কারণ আছে। ঘূর্ণিঝড়টি যথেষ্ট শক্তিশালী হতে পারে বলে প্রাথমিক পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার নাম হবে মিগজ়াউম। এখন কতটা ভয়ঙ্কর রুপ ওই ঘূর্ণিঝড়ের? এটা কিন্তু আপনার জেনে রাখা দরকার।
২৭ নভেম্বর থাইল্যান্ড উপসাগর থেকে একটি পাওয়ারফুল সিস্টেম বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করবে। সেই শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্তটা ক্রমশ উত্তর পশ্চিমদিকে এগিয়ে আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করবে। ২৯ নভেম্বর শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে ঘূর্ণাবর্তটি। এর পর সেটি ক্রমশ উত্তর দিকে এগোতে থাকবে। ২ রা ডিসেম্বর সেটি পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া ওড়িশা উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে। আর বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে পূর্বাভাস মিলে গেলে মিগজাউম এর জন্য রাজ্যে শীতকালীন চাষে ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। যার জেরে বাড়তে পারে কাঁচা সবজির দাম। ঘূর্ণিঝড় মিধিলির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে বাংলা৷ কিন্তু মিগজাউম? তৈরী হলে এটা কিন্তু সাঙ্ঘাতিক শক্তিশালী হবে। শুধু মিগজাউম নয়, তার আগে বাংলার মানুষকে ফেস করতে হবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা।নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে বৃহস্পতিবার। এই মুহূর্তে দুটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে বঙ্গোপসাগরে। সঙ্গে রয়েছে একটি অক্ষরেখা। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তামিলনাডু উপকূল এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত এবং অন্য ঘূর্ণাবর্তটি রয়েছে পুরোপুরি কোমোরিন এলাকায়। শ্রীলংকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম ও পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় পর্যন্ত একটি পুবালি অক্ষরেখাও রয়েছে।
সাধারণত বর্ষা বিদায়ের পর থেকেই ধীরে ধীরে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন হয়। বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় দখিনা বাতাসের পরিবর্তে শুষ্ক, ঠান্ডা উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে শুরু করে। তার জেরেই তাপমাত্রা নামে। তবে বঙ্গোপসাগরে আচমকা কোনও ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপ তৈরি হলে উত্তুরে হাওয়া বাধা পায়। তাতে তাপমাত্রার পতনও থমকে যায়। যদিও আপাতত তেমন কোনও সম্ভাবনা দেখছেন না আবহাওয়াবিদরা। তাহলে কী এরমধ্যেই জাঁকিয়ে শীত পড়ার দিনক্ষণ ঠিক? অলরেডি ২০ ডিগ্রির নিচে গেছে পশ্চিমের জেলাগুলোর তাপমাত্রা। সপ্তাহের শেষ দিকে যা ১৫ ডিগ্রিতে পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে।আগামী চার পাঁচ দিনে পশ্চিমবঙ্গের কম-বেশি জেলাগুলোতেই দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমবে। তবে রাজ্যে শীতের অনুকূল পরিস্থিতি থাকলেও পাকাপাকিভাবে এখনই শীত নয়, বলছেন আবহবিদরা।
Weather Update: দেশজুড়ে বরফ পড়বে? ভারতে আবহাওয়ার ভয়ঙ্কর খেলা শুরু? কেন বঙ্গোপসাগর ভয়ানকভাবে ফুঁসছে? ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই ঘটবে ম্যাসিভ পরিবর্তন? গভীর নিম্নচাপ, বাংলা জুড়ে তুষারপাতের সঙ্গে বৃষ্টি? জানেন কেন কাটছে না মিধিলির আফটার শক? পাহাড়ের থেকে বেশি ঠান্ডা সমতলে? এবার শীতেই কী ফেস করতে হবে বন্যা? আইএমডির ওয়েদার অ্যালার্ট না জানলে ভুল করবেন। যাকে বলে হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা। আবহাওয়ার এই পূর্বাভাস শোনার সাথে সাথে নিজেকে কিন্তু মানসিক ভাবে তৈরি করবেন। একদিকে হু হু করে নামবে পারদ, অন্যদিকে বাড়বে বৃষ্টি। দেশের দুটো অংশে দু’রকমের খেল দেখাবে আবহাওয়া। ফের আবহাওয়ার ব্যাপক রদবদলের ইঙ্গিত দিল ভারতের আবহাওয়া দফতর, আইএমডি কিন্তু এতো ঠান্ডার মধ্যে ঝড় বৃষ্টি? বাংলাও কিন্তু আছে এই চক্রব্যূহে।দেশজুড়ে কী ঘটছে জানুন।
উত্তর ভারত-সহ দেশের অন্যান্য বেশ কিছু জায়গায় মোটের উপর আবহাওয়ার ধরণ বদলেছে। অনেক রাজ্যে, সকালে এবং রাতে ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে কিন্তু দিল্লিতে যা ঘটতে যাচ্ছে সেটা মারাত্মক। আবহাওয়া দফতরের মতে, আগামী দিনগুলোতে রাজধানী দিল্লিতে তাপমাত্রার বেশ কিছুটা পতন রেকর্ড করা হতে পারে। দিল্লিতে তরতড়িয়ে নামবে পারদ। আবহবিদদের অনুমান, দিল্লির তাপমাত্রা দেরাদুন এবং সিমলা সহ সমস্ত পার্বত্য শহরের তুলনায় কম হতে পারে। আগামী ২৩ নভেম্বর দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রিতে পৌঁছে যেতে পারে। তাপমাত্রা নামার পাশাপাশি কুয়াশার চাদরে ঢেকেছে রাজধানীর রাজপথ। যা এতো তাড়াতাড়ি দেখা যায় না। দিল্লির পাশাপাশি এনসিআর, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান-সহ সংলগ্ন রাজ্যেও হালকা কুয়াশা দেখা যাচ্ছে।
স্বাভাবিকভাবেই ভোরের দিকে চাদর, টুপি জড়িয়ে ঘর থেকে বেরোচ্ছেন মানুষজন। দিল্লির পাশাপাশি আগামী কয়েকদিনে এনসিআর-সহ মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাব, হরিয়ানার তাপমাত্রাও নামবে এবং শৈত্যপ্রবাহ শুরু হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। উত্তর-পূর্ব রাজ্য অসম, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মণিপুরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের। এদিকে বাংলাতে কিন্তু মিধিলির এফেক্ট এখনো কাটছে না।
আইএমডি সর্বশেষ পূর্বাভাস, ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’-র কারণে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় জেলা উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুর আগামী ২৪ ঘণ্টায় ২০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে কিন্তু আবার একটা সিস্টেম তৈরি হয়ে গেছে। চলতি মরশুমে দ্বিতীয়বারের মতো গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। আগের ঘূর্ণিঝড় হামুনও বাংলাদেশের উপকূলের দিকেই অগ্রসর হয়েছিল। এবারও একইভাবে বাংলাদেশের দিকে এগিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’। আর তার জেরেই বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে উপকূলীয় জেলাগুলোতে। অন্যদিকে, পাহাড়ে অলরেডি বরফ পড়া শুরু হয়ে গেছে। চলতি বছর নির্ধারিত সময়ের আগেই পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাত শুরু হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাতের সঙ্গে বৃষ্টিও হচ্ছে। যার ফলে সমতলে দ্রুত ঠান্ডা পড়ছে।
এখনই বাংলায় হাড় কাঁপানো ঠান্ডা পড়বেনা। কবে জাঁকিয়ে শীত পড়বে এখনই নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না। এল নিনোর এফেক্টে আদেও প্রচন্ড শীত অনুভূত হবে কিনা বাংলায় সেটাও পরিষ্কার নয়। তবে হুড়মুড়িয়ে পারদ পতন ঘটলে, দিল্লি যে ঠান্ডায় থরহরিকম্প হবে সেটা একদম পরিষ্কার।
Weather Update: দুর্যোগের চক্রব্যূহে ফেঁসে গেল বাংলা? শীতের বদলে বন্যার পূর্বাভাস? মিধিলির আফটার শকে ঘটতে যাচ্ছে কোন ভয়ানক কাণ্ড? ঝড়বৃষ্টির রেড অ্যালার্টে কোন কোন জেলা? আচমকাই আবহাওয়ায় ম্যাসিভ পরিবর্তন। সাগরের হাই টাইড সামাল দেওয়া কঠিন। খেল দেখাবে এল নিনো। শীত জাঁকিয়ে পড়তে পারল না, এরমধ্যেই বন্যার আশঙ্কা? মিধিলির আফটার শক কতটা ভোগাবে বাংলাকে? এই শীতকালে শক্তিশালী এল নিনো ধেয়ে এলে কী হবে? ঝড় বৃষ্টির হাত থেকে রেয়াত নেই বরং পুঙ্খানুপুঙ্খর রিপোর্টটা জেনে নিন। ঘূর্ণিঝড়ে বাংলার আকাশ মেঘলা ছিল, শুরু হয়েছিল বৃষ্টি, সমুদ্র হয়েছিল উত্তাল। কিন্তু ঝড় কেটে যেতেই আকাশ পরিষ্কার। রাতের তাপমাত্রা কমে গেছে খানিক। শীতের আমেজ ফিরেছে।পাকাপাকিভাবে শীত আপাতত আসছে না বলেই জানা যাচ্ছে। আবার সেই মেঘলা আকাশ, সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা সোম মঙ্গলবার। রবিবার পর্যন্ত বাংলায় বৃষ্টির ছিঁটে ফোঁটাও থাকবে না। কিন্তু ভোলবদল হবে নতুন সপ্তাহে।
নতুন সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গে ফের বৃষ্টি শুরুর পূর্বাআভাস হাওয়া অফিসের। আগামী সোম, মঙ্গল এবং বুধবার অতি সামান্য থেকে হালকা বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে। এছাড়া হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদীয়ায় আবহাওয়া শুষ্কই থাকতে পারে আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকেও তারপর? শীতকাল জুড়ে তৈরি হতে পারে এল নিনো। এর ফলে সাগরে ক্রমেই হাই-টাইড বা জোয়ার তৈরি হতে পারে। সাগর তীরবর্তী এলাকার রাস্তা, ইত্যাদি জলের তলায় তলিয়ে যেতে পারে। ভয়ানক বিপদ ঘনিয়ে আসতে পারে। আর এই পুরোটার জন্য দায়ী এল নিনো। এল নিনোর প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ে। এর ফলে তৈরি হয় নানারকম সমস্যা। সাগর ফেরত এই ঝড় জলের পিছনেও এল নিনোই কাজ করছে। ‘এল নিনো’-এর প্রভাবে পরিবেশে মারাত্মক ভাবে পড়তে চলেছে, বলছেন, নাসার বিজ্ঞানীরা৷ আর সেই প্রভাবে পরিবেশ আমূল পাল্টে যেতে পারে৷ ২০৩০ সালের পর থেকেই এই বিপুল পরিবর্তন হতে পারে৷ পৃথিবীর কোথায় কোথায় রিস্ক বাড়ছে? অলরেডি শুরু হয়ে গেছে।
আমেরিকার বিভিন্ন অংশে, যেগুলি মার্কিন উপকূল ভাগের অংশ, সেখানেই এই বিপুল বিপদ দেখা দিচ্ছে। সার বিজ্ঞানীরা বলেছেন, গত ১০ বছরে পাঁচটি উদাহরণ দেখা গিয়েছে, যে খানে আমেরিকার উপকূলে একাধিক বার বন্যা দেখা দিয়েছে। যে পশ্চিম উপকূলে সাধারণত এমন বন্যা দেখা যায় না, সেখানেই বন্যার প্রভাব চোখে পড়েছে। এটাকে টেন ইয়ারস ফ্লাড ইভেন্ট বলেও চিহ্নিত করা হয়। অর্থাৎ ১০ টির মধ্যে একটি ক্ষেত্রে বন্যার সম্ভাবনা থাকে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই সম্ভাবনা প্রবল ভাবেই আছে। যে কারণে আমেরিকার উপকূলে এই বন্যার প্রভাব নজরে পড়ে। সেক্ষেত্রে ভারতে এই এল নিনোর কতটা কি প্রভাব পড়বে তা নিয়ে অবশ্য এখনো কিছু জানা যায়নি। এবছর জাতীয় শীত পড়বে কিনা সে বিষয়েও এখনো নিশ্চিত ভাবে কিছু জানা যায়নি। বাংলাতেও তেমন কোনো পূর্বাভাস এখনো নেই।
আপাতত পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির নীচে থাকবে। আগামী সপ্তাহের শেষে তাপমাত্রা নামতে পারে। বাড়বে শীতের আমেজ এখন দেখার জাঁকিয়ে শীত পড়ার ক্ষেত্রেও এল নিনো এবার বড়সড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় কিনা।
Weather Update: ফুঁসছে সাগর! সাইক্লোনিক সার্কুলেশনে আটকে বাংলা। কালীপুজো-ভাইফোঁটায় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি? নিম্নচাপের এফেক্ট কোন কোন জেলায়? তাপমাত্রা নামবে ৫ ডিগ্রিতে? কোথায় কোথায় শৈত্যপ্রবাহ? রেড অ্যালার্টে কোন কোন জেলা? বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে জানুন আবহাওয়ার ফ্রেশ আপডেট। খাতায়-কলমে বর্ষা শেষ। তারপরেও গোটা দেশের পাশাপাশি বাংলায় বৃষ্টির বিরাম নেই।বিশেষ করে জেলাগুলোতে। আরব সাগরে শুরু তোলপাড়। ঝড় ঝঞ্ঝা, সঙ্গে তুমুল বৃষ্টি? কি বলছে হাওয়া অফিস? কালীপুজো-ভাইফোঁটায় শীতের আমেজ বজায় থাকবে। সকাল সন্ধ্যা ভালো রকম শীত অনুভূত হবে। অলরেডি, দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু শহরের পারদ ইতিমধ্যেই ২০ ডিগ্রির নীচে নেমেছে। এমনকি কোনো কোনো জেলা ছুঁয়েছে ১৫° ডিগ্রিও। তাহলে কি আগামী দু দিনে হুড়মুড়িয়ে পারদ পতন? ধারণা ভুল প্রমাণিত করে জাঁকিয়ে শীত পড়তে যাচ্ছে নভেম্বরেই?
হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়ায় আবহাওয়া শুষ্কই থাকবে। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের আশেপাশে বা হালকা নীচে থাকতে পারে। অন্যদিকে কলকাতায় আগামী কয়েকদিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশেই থাকবে। ১১ নভেম্বর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকবে। ১২ তারিখ, কালীপুজোর দিনও শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রির আশেপাশে থাকতে পারে। পরে ১৫ তারিখ পর্যন্ত সর্বনিম্ন পারদ ২২-এর ঘরেই থাকার চান্স। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জায়গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে নেমে গেছে ইতিমধ্যেই।
বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুরে ১৬.৭ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ১৫.৫ ডিগ্রি প্রতিবারের মতো সবথেকে কমের ঘরে রান করছে এই দুই জেলা। আগামী পাঁচদিন দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায় আবহাওয়া শুষ্কই থাকবে। সঙ্গে উত্তরবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া স্বাভাবিকের আশেপাশে বা হালকা নীচে থাকতে পারে! দার্জিলিঙে ইতিমধ্যেই সর্বনিম্ন পারদ ১০ ডিগ্রির নীচে নেমেছে। সমতলের শহরগুলিতেও রাত ও ভোরের পারদ নিম্নমুখী। এদিকে মৌসম ভবন জানিয়েছে, বর্তমানে আরব সাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত বিস্তার করছে। এর জেরে দক্ষিণ ভারতের বেশ কিছু রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তবে বঙ্গোপসাগরে আপাতত কোনও সিস্টেম নেই।
এই পরিস্থিতিতে আগামী পাঁচদিন বাংলার আবহাওয়া শুষ্কই থাকবে। আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে কোমোরিন ও সংলগ্ন এলাকায়। এছাড়াও উত্তর-পশ্চিম ভারতের পার্বত্য এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতে পারে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা।
Weather Update: ১০ ঘন্টাতেই হুহু করে পারাপতন? মাইনাসে নামবে তাপমাত্রা? কনকনে শীতের ভয়ানক চক্রব্যূহ, বাংলার কোন কোন জেলায় শৈত্য প্রবাহের দাপট? দিওয়ালির আগেই জাঁকিয়ে শীত? “এল নিনো” র ঝটকা সামলাতে পারবে তো বাংলা? জানুন আবহাওয়ার বড় আপডেট। ৪ ঠা নভেম্বরের পর ১৮০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে ঘুরে যাবে আবহাওয়া। আন্দাজ নেই কি ঘটতে যাচ্ছে। হু হু করে নামবে তাপমাত্রা। জকিয়ে শীত পরবে বাংলায়। রবিবারের পরের তিন দিনে তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমার পূর্বাভাস। ৫ থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে ঝলমলে আকাশ৷ আর আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে৷ ফলে, মঙ্গলবার থেকে পুরোপুরি শীতের আমেজ ফিল করবে বাংলা।
রাজ্যে যেহেতু উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আর্দ্র বাতাস প্রবেশ ঢুকছে ফলে রাতের তাপমাত্রা যে অনেকটাই কমবে সেটা আগেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস! পশ্চিমের জেলাগুলোতে তো তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে যাওয়ারও সম্ভাবনা থাকছে। অতএব আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রার পতন যথেষ্ট চোখে পড়বে। অস্বস্তি কমবে। রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টি চলেছে। শীতের হাল্কা আমেজের পাশাপাশি বৃষ্টির জন্য স্যাঁৎস্যাঁতে ভাব থাকছে৷ তবে পুরোপুরি ভাবে এখনই আসছে না শীত৷ এবছরের কনকনে শীতে বড় ব্যারিকেড যে এল নিনো সেটা কিন্তু আগেই জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। দিল্লির মৌসম ভবন ২০২৩-কে ‘এল নিনো’ বছর হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কী ঘটতে পারে?
শীত তার চিরাচরিত নির্ধারিত সময়ের থেকে দেরিতে আসতে পারে। পরিচিত জাঁকিয়ে শীত এবছর অধরা থাকতে পারে। বা মাত্র কয়েকদিনের জন্য শীতের আমেজ দিয়ে তড়িঘড়ি বিদায় নিতে পারে। আলাদা করে উষ্ণ নভেম্বর বা ডিসেম্বর নয়। এবার গোটা শীতের মরশুম এল নিনো এফেক্ট এর জেরে তার স্বাভাবিক ছন্দ হারাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ফর্মুলা বদলালে ঘটতে পারে এর উল্টোটা। মানে হিন্দুকুশ পর্বতমালা থেকে ভারতে প্রবেশ করা তীব্র উত্তুরে হাওয়া যদি সময় বিশেষে এল নিনো ফ্যাক্টরের থেকে বেশি প্রভাবশালী বা শক্তিশালী হয়ে ওঠে, তাহলে সাময়িকভাবে এলনিনো এফেক্ট কাজ করার ক্ষমতা হারাবে। তাই ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের আগে এই বিষয়ে বেশি কিছু বলা কঠিন।
Weather Update: তুমুল বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলা? জাকিয়ে শীত পড়ার দিনক্ষণ ঠিক? হেমন্তেই আবহাওয়ার সাঙ্ঘাতিক মুড সুইং। আপনার লোকেশন রেড অ্যালার্টে? তোলপাড় করা ঝড়বৃষ্টি কোন কোন জেলায়? বৃষ্টির দাপটে দেশজুড়ে কতটা সাংঘাতিক পরিস্থিতি তৈরি হবে? হাওয়া অফিসের বড় আপডেট! সিজন চেঞ্জ হচ্ছে। শীত শীত আমেজ। এর মধ্যেই ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। ভাবতে পারছেন কিভাবে পারদ পতন ঘটবে? বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে ওয়াদেরর লেটেস্ট আপডেট টা জেনে নিন।
নতুন করে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সপ্তাহের শেষের দিকে দক্ষিণবঙ্গে নামবে বৃষ্টি। ৬ জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। বৃহস্পতি ও শুক্রবার বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া ও কলকাতায় হাল্কা বৃষ্টির চান্স থাকছে। বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সবকটি জেলার আবহাওয়া শুকনো থাকবে বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে। অন্যদিকে, উত্তরেও সপ্তাহের মাঝেই নামতে পারে বৃষ্টি। ১লা নভেম্বর থেকে ৩রা নভেম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। হালকা বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং এবং কালিম্পং এর কিছু কিছু এলাকায়। ৪ঠা নভেম্বর, শনিবার উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলার আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তাহলে, শীত আর কতদূরে? অসময়ের বৃষ্টি শীতে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে কী?
এখনও পর্যন্ত বৃষ্টি না হওয়ায় সন্ধ্যের পর থেকে ভোর পর্যন্ত ঠান্ডার আমেজ অনুভূত হচ্ছে। বৃষ্টির আগে পর্যন্ত বা যেসব জেলায় বৃষ্টি হবেনা সেখানে এরকমই কাটবে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই শীতের অনুভূতি বাড়ছে। একইভাবে দক্ষিণবঙ্গেও পারদ পতনে শীতের আমেজ মিলছে। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলাগুলি অর্থাৎ বীরভূম, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে সন্ধে নামলেই ভালো মতো ঠান্ডার আমেজ মিলছে। দুই বঙ্গেই ধীরে ধীরে উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে থাকবে। তারই হাত ধরে বাড়বে ঠান্ডার অনুভূতি। মোটের উপর আগামী কয়েকদিন কলকাতার আবহাওয়াও মনোরম থাকবে।
শুধু বাংলা নয়, বৃষ্টির দাপটে নাজেহাল হতে চলেছে গোটা দেশ। আইএমডি-র আপডেট তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। নভেম্বরের তিন তারিখ পর্যন্ত দেশজুড়ে চলবে বৃষ্টি। কোথাও কোথাও টানা, কোথাও আবার বিক্ষিপ্ত ভাবে। সেই কারণেই দেশের পাঁচ রাজ্যে বৃষ্টি নিয়ে সতর্কতা জারি দিল্লির কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের। দিওয়ালির মুখে সেই আপডেট যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। লাক্ষাদ্বীপের পাশাপাশি কেরল, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, কনিকলে বৃষ্টি চলবে পাঁচ দিন। ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হতে পারে। আর, নভেম্বরের শুরু থেকে হিমাচল প্রদেশে বরফ পড়ার সম্ভাবনা। মোট কথা রাজ্যের পাশাপাশি গোটা দেশ জুড়ে আগামী কয়েকদিন বৃষ্টি চলছে চলবে।