Tag: war

  • Iran and Israel Power: ইরান নাকি ইসরায়েল, শক্তিশালী কে? কলকাঠি নাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র

    Iran and Israel Power: ইরান নাকি ইসরায়েল, শক্তিশালী কে? কলকাঠি নাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Iran and Israel Power: ইরান আর ইসরায়েলের যুদ্ধ বাঁধল বলে। জিতবে কে? পরমাণু শক্তিতেই ইরানকে মাত দেবে না তো ইসরায়েল? শক্তিশালী হয়েও তাহলে কি হার মানবে ইরান? কলকাঠি নাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র। যে কোনো মুহূর্তে বদলা নেবেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। আসল মাস্টার প্ল্যানটা ঠিক কী? আর একটা ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ শুরু হবে না তো? উড়বে ইরানের শান্তির ঘুম।

    যুদ্ধ মানেই তো ক্ষমতা প্রদর্শনের লড়াই। একে অপরের উপর অধিকার কায়েম করার লড়াই। সেখানে কে কত শক্তিশালী, এটা একটা বিগ ফ্যাক্টর। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, ইরান নাকি ইসরায়েল, সামরিক শক্তিতে কে কতটা এগিয়ে? কার ভাঁড়ারে কত অস্ত্র রয়েছে? যে কোনো মুহূর্তে তো যুদ্ধ বেঁধে যেতেই পারে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তাই তো মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বের নজর ইরান আর ইসরায়েলের পরিস্থিতির দিকে। শুধু তাই নয়, উদ্বিগ্নও বটে। ইসরায়েলে হামাসের আক্রমণের পর কিন্তু ইসরায়েল ছেড়ে কথা বলেনি। এখনো পর্যন্ত গাজার উপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যতক্ষণ না সমূলে হামাস নির্মূল করতে পারছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই হামলা জারি রাখবে বলে জানিয়েছেন নেতানিয়াহু । সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ইরান আর ইসরায়েলের সংঘাত ছোটখাট ব্যাপার হবে না।

     

    গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার পরিসংখ্যান বলছে, ইরান সামরিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে ইসরাইলের থেকে প্রায় তিন ধাপ এগিয়ে। দুটি দেশই রয়েছে বিশ্বের সামরিক শক্তিধর দেশের শীর্ষ কুড়িটি দেশের মধ্যে। বুঝতেই পারছেন, দুটো দেশ কেউ কারোর থেকে কম নয়। যদি র‍্যাংকিং এর কথা বলি, তাহলে ইসরায়েলের অবস্থান ১৭, আর ইরানের অবস্থান ১৪। এবার আসা যাক সোজাসুজি একটা রিপোর্ট কার্ডে। ইরানের ভাঁড়ারে থাকা হেলিকপ্টারের সংখ্যা ১২৯ টি, আর ইসরায়েলের আছে ১৪৬টি। ইসরায়েলের অ্যাটাক হেলিকপ্টার রয়েছে ৪৮ টি, আর ইরানের ১৩ টি। এক্ষেত্রে আবার ইরানের চেয়ে শক্তিশালী ইসরায়েল। যদি ট্যাংক আর সাঁজোয়া যানের কথা বলি, তাহলে এগিয়ে ইরান। তেহরানের কাছে আছে ১৯৯৬ টি ট্যাংক, ইসরায়েলের কাছে আছে ১৩৭০টি ট্যাংক। ইরানের কাছে সাঁজোয়া যান আছে ৬৫ হাজারের বেশি, আর ইসরায়েলের কাছে আছে ৪৩ হাজারের বেশি। নৌশক্তির ক্ষেত্রেও এগিয়ে আছে ইরান। রয়েছে ১০১ টি যুদ্ধ জাহাজ, যার মধ্যে ৭টি ফ্রিগেট আর ২১টি টহল জাহাজ। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে, ইসরায়েলের কাছে যুদ্ধ জাহাজের সংখ্যা ৪৭ টি। ঝুলিতে কোনো ফ্রিগেট নেই। শুধু তাই নয়, সাবমেরিনের ক্ষেত্রেও এগিয়ে ইরান। ইসরায়েলের কাছে সাবমেরিন মাত্র পাঁচটা। ইরানের কাছে সাবমেরিন আছে ১৯টি। যেখানে ইসরায়েলের সৈন্য সংখ্যা ৬ লক্ষ ৭০ হাজার, সেখানে ইরানের নিয়মিত সৈন্য সংখ্যা ১১ লক্ষ ৮০ হাজার। ইসরায়েলের রিজার্ভ সেনা আছে ৪ লক্ষ ৬৫ হাজার। ইরানের রিজার্ভ সৈন্য সংখ্যা আবার সাড়ে ৩ লক্ষ। যুদ্ধ বিমানের ক্ষেত্রে এগিয়ে ইসরায়েল, আছে ৬১২টি যুদ্ধবিমান। ওদিকে ইরানের মোট সামরিক বিমানের সংখ্যা ৫৫১ টি। এতক্ষণে এই তথ্যগুলো শুনতে শুনতে আপনার মনে একটা প্রশ্ন নিশ্চয়ই এসেছে, পারমাণবিক শক্তির ক্ষেত্রে কে বেশি শক্তিশালী? এই বিশ্বে পারমাণবিক অস্ত্র যার হাতে আছে তাকেই তো বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউট এর সর্বশেষ তথ্য বলছে, বিশ্বের আপাতত ৯ টা দেশের কাছে প্রায় ১২হাজারের বেশি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। সেই দেশের তালিকায় কিন্তু ইরান নেই, রয়েছে ইসরায়েল। বাকি ৮ টা দেশ হল যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, ভারত, পাকিস্তান আর উত্তর কোরিয়া।

     

    তবে হ্যাঁ, এটা কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে বলছি। তা বলে এই নয় যে ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকার সম্ভবনা নেই। থাকলেও থাকতে পারে। কারণ বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই আমরা দেখেছি, যুক্তরাষ্ট্র আর ইউরোপীয় ইউনিয়ন লাগাতার ভাবে দাবী করছে, ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। যেহেতু ইরানের কাছে ইউরেনিয়াম মজুদ রয়েছে, সেই ইউরিনিয়াম দিয়ে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে। ইরানও কখনো সোজাসুজি বলেনি তাদের কাছে পরমাণু অস্ত্র নেই। বরং বলেছে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে জারি রয়েছে। যদি ইরানের কাছে সত্যিই পরমাণু অস্ত্র থাকে, যুদ্ধের সময় তা ব্যবহার করতে পারে। আর সবচেয়ে বড় কথা কি বলুন তো, কে কত অস্ত্রে শক্তিধর সেটা ইম্পরট্যান্ট নয়। কারণ একবার যুদ্ধ বাঁধলে আশপাশ থেকে বহু দেশ সাহায্য করতে চলে আসবে। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ তার বড় প্রমাণ। আচ্ছা, এই ইরান আর ইসরায়েলের দ্বন্দ্বে কোনো ভাবে কি যুক্তরাষ্ট্র জড়িয়ে পড়তে পারে? উপসাগরীয় আরব অঞ্চলের ছটি দেশে কিন্তু মার্কিন সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। সিরিয়া ইরাক এবং জর্ডানেও রয়েছে সামরিক ঘাঁটি। যে কোনো মুহূর্তে মার্কিন এই ঘাঁটিগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানায় পরিণত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের উপর রাগ মেটাতে ইরাক একবার ফোঁস করলেই বেজে যাবে যুদ্ধের দামামা।

    https://youtu.be/FKGDBsEtRTA?si=0Fvu_ds9R7KLbj85

    যুদ্ধ কখনই কাম্য নয়। যুদ্ধ মানেই তো প্রাণহানি। মানবতার অধঃপতন। তাই তো গোটা বিশ্ব ইরান আর ইসরায়েলের সংঘাত নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন। কিন্তু যদি যুদ্ধ বাঁধে, তাহলে তার পরিণতি কোন দিকে এগোবে? আপাতত এই প্রশ্নের উত্তরটাও অপেক্ষা করছে ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়ার উপর। ইরানের হামলার পর ইসরায়েল সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই হামলার যথাযথ জবাব দেবে। অন্যদিকে ইরানের মনোভাব অনেকটা শোধবোধের মতো। তোমরা আমাদের উপর হামলা করেছ, আমরাও হামলা করেছি। ব্যাস এবার বিষয়টা শেষ করো। ইরানের হামলার পর দেশটার সাধারণ মানুষ কিন্তু বেশ খুশি। কেউ কেউ বা রাস্তায় নেমে আনন্দ উদযাপন করছে। আর এই সবটা নজর রেখেছে ইসরায়েল। হয়ত ইসরায়েল ভিতরে ভিতরে নিজেকে আরও বেশি শক্তিশালী করে ইরানের উপর হামলা চালানোর প্ল্যান কষছে। রীতিমত কড়া জবাব দেওয়ার অঙ্গীকারও করেছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু দেশটার ইতিহাসের সবচেয়ে কট্টরপন্থী সরকার বলে মনে করা হয়। যেভাবে হামাসের জবাব দিচ্ছে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ইরানকে ছেড়ে দেবে বলে মনে হচ্ছে না। এক্ষেত্রে বেশ কয়েকটা আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। এই মুহূর্তে ইজরায়েল হয়তো কৌশলগত ধৈর্য প্রদর্শন করবে অর্থাৎ সরাসরি ইরানের বিরুদ্ধে কোন পাল্টা হামলা না চালিয়ে ওই অঞ্চলে ইরানের শরিক দেশগুলোর উপর অভিযান চালাবে। যার মধ্যে রয়েছে লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী কিংবা সিরিয়ায় থাকা ইরানের সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করার কেন্দ্রগুলো। দ্বিতীয়ত, ইসরায়েল দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে ইরানের মিসাইল বেস গুলোর উপর অ্যাটাক করতে পারে। আর সর্বশেষ মারাত্মক আশঙ্কা হল, ইরানের শুধুমাত্র মিসাইল বেস নয়, বরং ইরানের যত শক্তিশালী রিভোলিউশনারি গার্ডসের ঘাঁটি রয়েছে কিংবা প্রশিক্ষণ শিবির রয়েছে সেগুলো হবে ইসরায়েলের মেইন টার্গেট। আপাতত সবটাই নির্ভর করছে ইসরায়েলের উপর।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Iran-Israel Conflict Effect: ইরান ইসরায়েলের যুদ্ধে ফেঁসে গেল ভারত-বাংলাদেশ, প্রচুর ক্ষতি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Iran-Israel Conflict Effect: মারাত্মক যুদ্ধ বাঁধবে ইরান আর ইসরায়েলের মধ্যে। তক্কে তক্কে আছে দুই দেশ। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আর দেরি নেই! বিশাল এফেক্ট পড়তে চলেছে ভারত আর বাংলাদেশে। ইরান ইসরায়েলের যুদ্ধে বড় লস। যা ক্ষতি হতে চলেছে ভাবতেও পারবেন না। আবারো বাংলাদেশের উপর আসতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ। মধ্যপ্রাচ্যে থাকা বাংলাদেশিরা সাবধান।

    সিরিয়ার দামেস্কে ইরানের কনস্যুলটে চলে প্রাণঘাতী হামলা। ইসরায়েলের ধারণা, লেবানন আর সিরিয়ায় নিজেকে আড়াল করে অস্ত্র সরবরাহ করছে ইরান। তাই রাগও কম ছিল না। অবশেষে দুই পক্ষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হল এই যুদ্ধের ইঙ্গিত। ইরান জানে, তার পায়ের তলার মাটি ঠিক কতটা শক্তিশালী। তাই তো ইসরায়েলের মতো দেশে প্রায় ৪০ টার মতো মিসাইল আর দুটো বিস্ফোরক ড্রোন ছোঁড়ার সাহস পেয়েছে। অর্থাৎ ইরান বুঝিয়ে দিল, তারা প্রতিশোধ নিতে প্রস্তুত। ইসরায়েলকে ছেড়ে কথা বলবেন না। আর এভাবেই সত্যি হল যুক্তরাষ্ট্রের আশঙ্কা। যুক্তরাষ্ট্র কিন্তু বলেই দিয়েছিল, ইসরায়েলের উপরে ইরান হামলা করতে চাইছে। আর তখনই হুঁশিয়ারি দিয়ে দেয়। যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে সুরক্ষা দেবে। ইসরায়েলকে সমর্থন করবে। ইরানকে কখনোই সফল হতে দেবে না। কিন্তু দেখুন, ইরান কম শক্তিশালী দেশ নয়। মধ্যপ্রাচ্যের যতগুলি শক্তিশালী দেশ রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ইরান। দেশটার ভাঁড়ার সজ্জিত অত্যাধুনিক অস্ত্রে। যদি ইসরায়েল আর ইরানের যুদ্ধ হয়, তাহলে সেটা হবে সেয়ানে সেয়ানে লড়াই। আঁচ পড়বে গোটা মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে। একটার সঙ্গে একটা জুড়ে রয়েছে। যদি এশীয় দেশের কথা বলি, তাহলে ভারত এবং ভারতের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশেও এই অনাগত যুদ্ধের মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে।

    গোটা বিশ্ব জানে, এর ফলাফল কতটা ভয়াবহ হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই বড় বড় পরাশক্তির রাষ্ট্র নেতারা বেশ উদ্বিগ্ন। এই যুদ্ধ বাঁধার বিপক্ষে। তড়িঘড়ি সামলাতে চাইছে পরিস্থিতি। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দুই দেশের বিদেশ মন্ত্রীকে ফোন করে পরিস্থিতি শান্ত করতে চেষ্টা করেছেন। পশ্চিম এশিয়ায় কূটনীতির মাধ্যমে শান্তি বজায় রাখার পক্ষে ভারত। এমনি থেকেই ভারত যুদ্ধ নয়, শান্তির পক্ষে। একইভাবে ইরান এবং ইসরায়েলের উত্তেজনার নিরসন চায় বাংলাদেশও।

    এবার আসা যাক এই যুদ্ধের এফেক্টের কথায়। যুদ্ধ বাঁধলে ভারতের উপর বড় প্রভাব পড়তে চলেছে। বাদ যাবে না বাংলাদেশও। ইরান এবং ইসরায়েল দুই দেশের সঙ্গেই ভারতের ভালো সম্পর্ক। গত বছর জি টোয়েন্টি সম্মেলনে ঘোষণা হয়েছিল ভারত মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপ আর্থিক করিডোরের কথা। যার লক্ষ্য, এশিয়া, ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে একটা সংহতি গড়ে তোলা। যার মধ্যে যুক্ত থাকবে একাধিক স্টক হোল্ডার। বর্তমানে এই উদ্যোগ একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এই জায়গাটায় ভারত কিন্তু বড় ধাক্কা খেতে পারে। পাশাপাশি সমস্যার মুখে পড়তে পারে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বাণিজ্যিক বিষয়। প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে পারে ভারত-ইসরায়েল-সংযুক্ত আরব আমিরশাহী আর আমেরিকার সম্পর্ক। তাই এই বিষয়ে ভারত কিন্তু একেবারেই হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না।

    শুধু ভারতই বা কেন, বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই এফেক্টেড হবে। যদি বাংলাদেশের কথা বলি, বড় সমস্যার মুখে পড়তে পারে। এমনি থেকেই বেশ কয়েক মাস হয়ে গিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য উত্তপ্ত। হামাস আর ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে যে অস্থিরতা চলছিল, ও তা আরো বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। স্বাভাবিক ভাবেই, আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়বে জ্বালানি তেলের দাম। এমনি থেকেই তো বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট রয়েছে। সেই সংকট মেটাতে হিমশিমও খাচ্ছে। এরপর যদি জ্বালানি তেলের দাম আরো বাড়ে, তাহলে ধাক্কা খেতে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতি। কান টানলে মাথা টানার মতো, প্রভাব পড়বে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের উপর। তেলের দাম বৃদ্ধি পেলে বাড়বে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা মানেই কিন্তু সেখানে কর্মসংস্থান কমবে। বাংলাদেশের বহু মানুষ প্রবাসী হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের বহু দেশে কাজের সঙ্গে যুক্ত। যদি কর্মী ছাটাই এর ঘটনা ঘটে, রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে বড়সড় আঘাত খাবে বাংলাদেশ। কূটনৈতিক চাপেও পড়তে পারে। কারণ, বহুবার দেখা গিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র নিজের বন্ধু বলয় বাড়াতে বাংলাদেশকে হাতে রাখতে চাইছে। এটা মূলত একটা ভূ রাজনৈতিক স্ট্র্যাটেজি। কোথাও গিয়ে, যুক্তরাষ্ট্র পরোক্ষভাবে প্রেসার ক্রিয়েট করবে, যাতে বাংলাদেশ ইরানের বিপক্ষে থাকে, আর ইসরায়েলের পক্ষে যায়। যদিও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ। নিজেদের সিদ্ধান্ত নেবে নিজেদের মতো করে। কিন্তু একটা দুমুখো কূটনৈতিক চাপে পড়তে পারে দেশটা।

    বিশেষজ্ঞরা কিন্তু বিষয়টা নিয়ে বেশ আশঙ্কায় রয়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, এভাবেই যুদ্ধের সূচনাটা হয়ে গেল। কারণ ইসরায়েল পাল্টা প্রতিশোধ ঠিকই নেবে। এমনটাই বলছে অতীত অভিজ্ঞতা। এখানে আরও একটা বড় ব্যাপার আছে। ইরান ইসরায়েলে আক্রমণ করার পর, পরোক্ষভাবে হুমকি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে। বলে দিয়েছে যেন যুক্তরাষ্ট্র এই বিরোধ থেকে দূরে থাকে। কিন্তু এটা কি সম্ভব বলুন? যেখানে যুক্তরাষ্ট্র বদ্ধপরিকর ইসরায়েলের পাশে থাকার জন্য। তার উপরে ইরানের সাথে সম্পর্ক মোটেই ভালো নয়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের এই কথা জাস্ট তোয়াক্কাই করবে না। উল্টে ইরানের হামলার কঠোর নিন্দা করেছে এবং তলে তলে ইসরায়েলের সাথে পাল্টা হামলার হয়তো প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে।

    https://youtu.be/F28-HrAK4LA?si=9rO67KgRc8iFrp1c

    কয়েকদিন ধরেই ইরান বারবার বলছিল, তারা ইসরায়েলের উপর প্রতিশোধ নেবে। আর সেটা করেও দেখালো। ইসরায়েল সেই আক্রমণ ঠেকালো আয়রন ডোম দিয়ে। ইরান একদিকে বুঝিয়ে দিল, তারা পাল্টা আক্রমণ করতে জানে। আরেক দিকে, গোটা পরিস্থিতি সামলাতে আর গোটা বিশ্বের কাছে ভালো সাজতে যুক্তরাষ্ট্রকে জানাল, কেবল আত্মরক্ষার জন্য ইসরায়েলের উপর হামলা চালিয়েছে। আপাতত দুই দেশ চুপ করে আছে ঠিকই। কিন্তু যে কোনো মুহূর্তে একে অপরের উপর অতর্কিত হামলা চালাতে পারে। তাই থমথমে গোটা পরিবেশ। বাতাসে ছড়িয়েছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আতঙ্ক। ইসরায়েল বলেই দিয়েছে, তারা সময় করে ঠিক ইরানের থেকে এই হামলার সঠিক মূল্য বুঝে নেবে। তাহলে বুঝতেই পারছেন, এটাও কিন্তু হুঁশিয়ারি। সম্মুখ চ্যালেঞ্জ। এবার অ্যাকসেপ্ট করার অপেক্ষা।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel Hamas War: হামাস আত্মসমর্পণ করুক নয় মরুক! হুমকি নেতানিয়াহুর, গাজায় শান্তি আসবে কবে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel Hamas War: এখনো হাল ছাড়েনি হামাস। উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে হামাস আর ইসরায়েল যুদ্ধের মাত্রা। যা ভাবিয়ে তুলেছে গোটা বিশ্বকে। এত আলাপ আলোচনার পরেও যুদ্ধ বন্ধ হয়নি। এসবের মাঝে হুঁশিয়ারি দিল ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। হামাসকে আত্মসমর্পণ করতে হবে, নয় মরতে হবে। এছাড়া আর কোনো রাস্তা খোলা নেই। প্রশ্নটা এখানেই, গাজায় শান্তি আসবে কবে? গাজার মানুষ কবে স্বস্তিতে থাকতে পারবে?

    গত দুই মাস ধরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবারো হামাস নির্মূলের কথা বলেছেন। নেতানিয়াহু বৃহস্পতিবার বলেছেন, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে যে কোনও মূল্যে হামাসকে নির্মূল করতে তাদের মিশন শেষ করতে হবে। এই বিবৃতির মাধ্যমে নেতানিয়াহু আবারও যুদ্ধ বন্ধের সকল প্রচেষ্টাকে পিছিয়ে দিয়েছেন। দ্বিতীয়বারের মতো, জিম্মি সম্পর্কিত আলোচনা স্থবির বলে মনে হচ্ছে, কারণ ইসরায়েল এবং হামাস উভয়ই যুদ্ধবিরতিতে একমত হয়নি।

    এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা বিজয় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই করছি। যতক্ষণ না আমরা এর সব লক্ষ্য অর্জন না করি ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা যুদ্ধ বন্ধ করব না। হামাসের ধ্বংস এবং সকল জিম্মিদের মুক্তিই আমাদের লক্ষ্য”। তিনি আরও বলেন, ‘হামাস খুব সহজ বিকল্পের মুখোমুখি। আত্মসমর্পণ কর নতুবা মারা যাবে। এ ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় নেই”। নেতানিয়াহু আরও জোর দিয়ে বলেন, ‘হামাস নির্মূল করার পর, গাজা যাতে ইসরায়েলকে কখনও হুমকি না দেয় তা নিশ্চিত করতে আমি আমার সমস্ত শক্তি ব্যবহার করব।’ এই সপ্তাহে নেতানিয়াহুর জারি করা কয়েকটি বার্তার মধ্যে এটি একটি।

    নেতানিয়াহুর এই বিবৃতি এমন সময় এসেছে যখন মিশর ও কাতার গাজায় একটি চুক্তির জন্য ইসরাইল ও হামাসের সঙ্গে আলাদা আলোচনা করছে। এই চুক্তি ১২৯ জিম্মি মুক্তি নিশ্চিত করবে। নভেম্বরের শেষের দিকে চুক্তির পর, হামাসের বন্দিদশা থেকে ১০৫ জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়। গত সপ্তাহে আইডিএফ ঘটনাক্রমে তিন পুরুষ জিম্মিকে হত্যা করার পর নেতানিয়াহুর উপর একটি চুক্তি করার জন্য জনসাধারণের চাপ বেড়েছে। হামাসও এর সুযোগ নিচ্ছে। হামাস বলেছে, ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি না করা পর্যন্ত কোনো চুক্তি হবে না। যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধ না হয় কোনো জিম্মিকে মুক্তিও দেওয়া হবে না। হামাস আরো জানিয়েছে, এই আহ্বানে ফিলিস্তিনি সব দল একত্রিত হয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas war: পৃথিবী থেকে ছিটকে গেল ইসরাইল! গাজার বুকে জিওনকাঠি ? ১৫৩ বড় রহস্য

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas war: পৃথিবী থেকে ছিটকে গেল ইহুদী ভূমি! গাজার বুকে অক্সিজেনের পাহাড়, কোন আকর্ষণে গোটা বিশ্ব জমে পাথর হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের মাটির নীচে? ১৫৩ সংখ্যাতেই বড় রহস্য, ১০ এ থাকলো কারা? নেতানিয়াহুর ভুল চালে ভারতের এই দামী সম্পদ হারালো ইসরাইল থেকে। বিপদ কাটাবে কে? জাতিসংঘের হাতে গাজা রক্ষার মূলমন্ত্র। মাটি কামড়ে বাঁচবে গাজা। প্রাণভোমরা কাদের হাতে? ফাঁড়া কাটছে না ইসরাইল এর বাইডেন ও ছুঁড়লেন শেষ অস্ত্র? বললেন, প্যালেস্টাইনের গাজায় ‘নির্বিচার’বোমা হামলা চালানোর কারণে ইসরাইল আন্তর্জাতিক সমর্থন হারাতে শুরু করেছে। নেতানিয়াহু ফল ও পেলেন হাতেনাতে। গাজা বাঁচবে নিজের কায়দায়।

    বিশ্ব দাঁড়ালো গাজার পাশে। দু মাসের যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ গিয়েছে ইতিমধ্যেই। নিত্যদিন হতাহতের সংখ্যা এবং ক্ষয়ক্ষতি বেড়েই চলেছে। সেই আবহে এবার গাজায় যুদ্ধবিরতির পক্ষে দাবি আরও জোরাল হল। রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় গাজায় মানবিক যুদ্ধবিরতির পক্ষে ভোট দিল ভারত, বাংলাদেশ। গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাতে মৌরিতানিয়া আর মিশর একটা প্রস্তাব তুলেছিল। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় যে প্রস্তাবটি পাশ হয়ে যায়। ভারত, বাংলাদেশ সহ ১৫৩টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে।তালিকায় রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ইরান, ফ্রান্স, জাপান, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, পাকিস্তান, সৌদি আরব। পাশাপাশি সমস্ত পণবন্দি মানুষজনের নিঃশর্ত মুক্তির প্রস্তাবেও সমর্থন জমা পড়েছে। যেসব দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র, চেক প্রজাতন্ত্র, অস্ট্রিয়া, গুয়াতেমালা, লাইবেরিয়া, মাইক্রোনেশিয়া, নাউরু, পাপুয়া নিউগিনি আর প্যারাগুয়ে।

    ২৩টি দেশ ভোট দেয়নি। আর্জেন্টিনা, বুলগেরিয়া, কেপ ভার্দে, ক্যামেরুন, ইকুয়েটরিয়াল গিনি, জর্জিয়া, জার্মানি, হাঙ্গেরি, ইতালি, লিথুয়ানিয়া, মালাবি, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, নেদারল্যান্ডস, পালাউ, পানামা, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, দক্ষিণ সুদান, টোগো, টোঙ্গা, ইউক্রেন, যুক্তরাজ্য, উরুগুয়ে। যদিও এই দেশগুলোর ভোটদান থেকে বিরত থাকা বিশেষ কোনো এফেক্ট ফেলেনি। কারণ গোটা বিশ্ব চায় বেঁচে থাকুক গাজা। বেঁচে থাকুক গাজার নিরীহ মানুষ। তাই গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাতে সাধারণ পরিষদে প্রস্তাবটা যে পাশ হবে, তা আগেই ধারণা করা হচ্ছিল। তবে, এটাও ঠিক জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পাশ হওয়া প্রস্তাব মানা বাধ্যতামূলক নয়। তবু এর রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। কারণ এর মাধ্যমে গোটা বিশ্বের মনোভাব বোঝা যায়। কিন্তু, এরপর কোন পথে হাঁটবেন নেতানিয়াহু? বাইডেনের কথা মেনেই বদলাবেন স্ট্যান্ড পয়েন্ট? প্যালেস্টাইন নিয়ে অবিলম্বে অবস্থান পাল্টানো উচিত নেতানিয়াহুর, বলেছেন বাইডেন। তাহলে কি যুক্তরাষ্ট্র ও সরছে ইসরাইল থেকে?

    গত ৭ অক্টোবর গাজা থেকে হামাস ইজরায়েলের উপর হামলা চালানোর পর থেকে এখনও পর্যন্ত নেতানিয়াহু কে সমর্থন করে এসেছেন বাইডেন। মাঝে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বিরতির পক্ষে ঝুঁকলেও, এই প্রথম তাদের মধ্যে দূরত্ব চোখে পড়ছে। যখন কিনা সরাসরি ইজরায়েলের সমালোচনা করলেন বাইডেন গোড়ার দিকে অধিকাংশ দেশই ইজরায়েলের সমর্থনে এগিয়ে এসেছিল। কিন্তু যেভাবে নির্বিচারে গাজায় বোমাবর্ষণ করে চলেছে ইজরায়েল, তাতে সমর্থন হারাচ্ছে তারা। ঠিক এই কারণেই কি পরিস্থিতি বুঝে ইসরাইল থেকে নিজেদের দূরত্ব বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র? তেমন হলে নেতানিয়াহুর বিপদ রোখে কে? কিভাবে নিশ্চিহ্ন হবে গাজার বুক থেকে হামাস? কিভাবে নিজেদের টার্গেট ফুল ফিল করবে আইডিএফ? অনেক দূর এগিয়ে গেছে ইসরাইল। এখান থেকে পেছানোর আর কোনো রাস্তা বাকি আছে কি?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hamas Israel war: দক্ষিণ গাজায় হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েল, লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hamas Israel war: হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এখন গাজার দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। এখানকার অনেক এলাকায় হামাসের সঙ্গে চলছে তুমুল লড়াই। ইসরায়েলের এসব হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সাধারণ ও বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি নাগরিকরা। উত্তর গাজা থেকে বাস্তুচ্যুত হাজার হাজার পরিবার দক্ষিণ গাজায় আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু সর্বশেষ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তারা কোথায় যাবে তা নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছে। হামলা থেকে বাঁচতে বিপুল সংখ্যক মানুষ মিশরের সীমান্তবর্তী রাফাহ শহরে আশ্রয় নিয়েছে।

    বুধবার গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী ও হামাস জঙ্গিদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। ইসরায়েলি হামলার কারণে কমছে ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়স্থল। দক্ষিণে অবরুদ্ধ উপকূলীয় অঞ্চলে জনগণের বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। জাতিসংঘ বলেছে, এই অঞ্চলের ১.৮ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ (জনসংখ্যার ৮০ শতাংশেরও বেশি) ইতিমধ্যেই তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে। গাজা শহরের বড় অংশসহ উত্তরের বেশিরভাগ অংশ বিধ্বস্ত। ফিলিস্তিনিরা আশঙ্কা করছে, গাজার বাকি অংশও একই রকম ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। কারণ ইসরায়েল এই অঞ্চলে গভীর শিকড় রয়েছে। যেখানে হামাসকে নির্মূল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। ৭ অক্টোবর হামলার কারণে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গাজায় হামাসের সামরিক উপস্থিতি মেনে নিতে পারছে না বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।

    জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা অফিস বলেছে, গত তিনদিন ধরে মিশরের দক্ষিণ সীমান্তে রাফাহ শহরের কাছাকাছি এলাকায় আটা এবং পানীয় জলের মতো সাহায্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু হাসপাতালে কমেছে জ্বালানি ও চিকিৎসা সরবরাহ। হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় ২০০ আহত ব্যক্তিকে আনা হচ্ছে। যদি হঠাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়, ভেন্টিলেটরগুলি কাজ করা বন্ধ করে দেবে। ব্যাহত হবে রক্তদানের কাজ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Fuel oil crisis: পৃথিবীতে জ্বালানি তেলের মজুদ শেষ ? ভারত বাংলাদেশে কী এফেক্ট, যুদ্ধের আঁচ ঘরে ঘরে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Fuel oil crisis: তেলের আকাল পড়ে গেল বিশ্বজুড়ে? বাংলাদেশ এর আশঙ্কাটাই সত্যি হয়ে গেল? কতটা এফেক্ট ভারতে? মাটির নীচের গুপ্তধনেও হামাস ইসরায়েল যুদ্ধের আঁচ। ২৪ এই শেষ জ্বালানি তেলের মজুদ? সব দেশের ভাঁড়ারে টান? ভেতরের খবরটা কি আপনি জানেন? এই গুপ্তধনের কাছে সোনার দামও ফেইল। খাবারেও কি টান পড়তে যাচ্ছে? পৃথিবীর বুকে নেমে আসছে কোন বিপর্যয়? শুধু ভারত বাংলাদেশ নয়। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচে পুড়ছে গোটা বিশ্ব? জ্বালানি তেলের দাম হুহু করে বাড়ছে। গাজায় ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর তেল সরবরাহ নিয়ে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর গোঁদের উপর বিষফোঁড়া। ওপেক ও সহযোগী দেশগুলো তেল সাপ্লাই কমানোর ঘোষণা। যা তেলের বৈশ্বিক চাহিদা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

    বিশ্লেষকেরা বলছেন, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন করে বেড়ে যাওয়ার কারণে তেলের দাম বেড়েছে। যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ নতুন করে শুরু হওয়ায় তেলের বাজার এফেক্টেড হচ্ছে কিন্তু এই এফেক্ট দীর্ঘস্থায়ী কিনা সেটা সবথেকে বড় প্রশ্ন। এই টালমাটাল পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের তেল উৎপাদন বাড়লেও, ৩০শে নভেম্বর ওপেক এবং সহযোগী দেশগুলো তেল উৎপাদন কমানোর ঘোষণা তেলের বাজারে অস্থিরতা বাড়িয়েছে। কিন্তু কোন দেশ কতটা রাস টেনে ধরবে তেল উৎপাদনের ক্ষেত্রে সেটা এখনো স্পষ্ট নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, তেল উৎপাদন কমানোর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত তেলের দাম বাজারে ওঠানামা করবে। এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেতে আরও দু মাস অপেক্ষা করতে হবে, ফলে এই সময়ে একধরনের অনিশ্চয়তা থাকবে। মনে করা হচ্ছে, হামাস-ইসরায়েল সংঘাতকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে।

    বিশ্লেষকদের একাংশের মতে এই যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেরকম হলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট কিন্তু আঞ্চলিক পর্যায়ে ছড়িয়ে যেতে পারে। তাই এখনই এই সংঘাত বন্ধ না করা গেলে সারাবিশ্বে এর প্রভাব পড়বে। সেই আঁচ থেকে ভারত বাংলাদেশ বাদ যাবেনা। বিশ্বের কোনো প্রান্তে খারাপ কিছু ঘটলে তার প্রথম ধাক্কাটা লাগে তেলের বাজারে। অলরেডি জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে বেড়ে গেছে।তেলের দাম বাড়ার প্রভাব কিন্তু কৃষিপণ্যের ওপরও পড়ে।তখন অন্যান্য সংকটগুলো সামনে আসে। বিশেষ করে বৈশ্বিক বাণিজ্যিক সংকট দেখা দিতে পারে। তেল-ডলার সহ বিভিন্ন ধরনের পণ্যের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। অতএব এটা একেবারে পরিষ্কার যে হামাস ইসরাইল যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে সেটা গোটা বিশ্বের জন্য খুব একটা ভালো ফল বয়ে নিয়ে আসবে না। এর প্রভাব সবাইকে ভোগ করতে হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইজরায়েলের দুর্ধর্ষ লেজারের খেলা! যুদ্ধবিরতিতেই গোপন প্রস্তুতি, হামাস পাতালেও লুকোতে পারবে না

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    যুদ্ধবিরতি মধ্যে গোপনে বড় প্রস্তুতি ইজরায়েলের। হলিউড সিনেমার মতো সোজা আকাশ থেকে লেজারের টার্গেট হামাসকে কিন্তু চাইলেও খুঁজে পাওয়া যাবে না এই হাতিয়ার। এ কোন নয়া অস্ত্র বের করলেন নেতানইয়াহু? ৯৬ ঘন্টা কাটলেই যমের মুখোমুখি হবেন হামাসের নেতারা। বেঞ্জামিন নেতানইয়াহুই কি হবেন পরবর্তী পুতিন? ইজরায়েলর আসল খেলা তো এখনও বাকি বলছেন অনেকেই। হামাসও যুদ্ধবিরতির ঠিক আগে যে হুমকি দিয়েছে সেই মতই প্রস্তুতি নিতে পারবে তো? বিশেষজ্ঞদের দাবি প্যালেস্টানীয় বন্দিদের হু হু করে ছাড়ছে তেল আভিভ। যুদ্ধবিরতির সময় শেষ হলে এর এফেক্ট ভয়ঙ্কর হতেই পারে। আয়রন বিমের কথা তো জেনে গেছেন। এবার ঝুলি থেকে ইজরায়েল বের করতে চলেছে ‘আয়রন বিম লেজ়ার গান’। কোনো গোলাগুলি দরকারই নেই সোজা লেজারে হবে কাম তামাম। হামাস কেন হিজবুল্লারও এবার সাহসে কুলোবে না ইজরায়েলের দিকে মিশাইল তাক করার।

    বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে আকাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য।  হামাসের সঙ্গে ক্রমাগত যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে প্রথম বার এই অত্যাধুনিক লেজ়ার অস্ত্র ব্যবহার করতে চলেছে ইজ়রায়েল। ইজরায়েলর কবে বানালো এই অস্ত্র? নাকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধের মধ্যেই পাঠিয়েছে এই হাতিয়ার? ইজ়রায়েলের আকাশকে সুরক্ষিত রাখতে সে দেশের সেনার হাতে আগে থেকেই ‘অ্যারো-২’, ‘অ্যারো-৩’, ‘ডেভিডস স্লিং’ এবং ‘আয়রন ডোম’-এর মতো নিশ্ছিদ্র পাহারাদার রয়েছে। এর মানে যাকে আমরা বলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেই তালিকাতেই নয়া সংযোজন হল ‘আয়রন বিম লেজ়ার গান’। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন ‘আয়রন বিম লেজ়ার গান’ ‘আয়রন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার থেকে আরও বেশি আধুনিক এবং সাশ্রয়ী। আয়রন ডোমের চেয়ে হালকা এবং ছোট হওয়ার কারণে আয়রন বিম সহজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়। আর একে লুকিয়ে ফেলাও সহজ। ‘আয়রন বিম লেজ়ার গান’ ইজ়রায়েলের পুরো আকাশকে সুরক্ষিত করার পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসাবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

    ৭ অক্টোবরের হামলার পর আয়রন বিমকে কতটা ব্যবহার করবে ইজরায়েল তা নিয়েও বিস্তর সন্দেহ রয়েছে। আর আয়রন বিমের কিছু ত্রুটিও রয়েছে। এই অস্ত্র ভিজে গেলে তা সঠিক ভাবে কাজ না-ও করতে পারে। এমনকি স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়াতে লেজ়ার রশ্মি লক্ষ্যে পৌঁছনোর আগেই সম্ভাব্য শক্তির ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ হারাবে। আর সেই দুর্বলতাকেই পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছে হামাস। এবার হয়ত একইভুল আর করবেন না নেতানইয়াহু। ২০১৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ‘আয়রন বিম লেজ়ার গান’ প্রথম সিঙ্গাপুরের একটি অনুষ্ঠানে জনসমক্ষে আনা হয়। কথা ছিল ২০২৫ সাল নাগাদ এই অস্ত্র ইজ়রায়েলের সেনায় পাকাপাকি ভাবে জায়গা করে নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই যে যুদ্ধ বাধবে সেটা কে জানত? তাহলে কি যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তাড়াহুড়ো করে আসরে নামানো হল ‘মহাস্ত্র’কে? ঠেলা হারে হারে বুঝতে হতে পারে হামাসকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • আমেরিকা-রাশিয়া যুদ্ধে জড়াতে পারে, কিন্তু কী কারণে ? নতুন উত্তেজনা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আমেরিকা-রাশিয়ার মধ্যে যে কোনওসময় যুদ্ধ লাগতে পারে। তবে ইউক্রেন নয় সোজা সিরিয়ার মাটিতে ক্ষোভ মেটাবেন পুতিন। গৃহযুদ্ধ বিদ্ধস্ত সিরিয়াতে রাশিয়া কী করছে? কেন সিরিয়া নিয়ে এত আগ্রহ মস্কোর। দামাস্কাসে আমেরিকার পাওয়ার প্লে সময় শেষ। ইজরায়েল- গাজা থেকে সোজা কাট টু সিরিয়ার মাটি। এখানে শুরু হয়ে গেল আলাদাই উত্তেজনা। আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে যে কোনও সময় এখানেই বাঁধতে পারে যুদ্ধ
    কেন? কী কারণ রয়েছে নেপথ্যে সেই বিশ্লেষণে একটু পরে আসছি। তবে আগে জেনে নিন গৃহযুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়ায় রাশিয়া এবং আমেরিকার একসঙ্গে বিমানবহর হামলা চালিয়েছে। আর ঠিক এখান থেকেই আশঙ্কা বাড়ছে। এবার নতুন অশান্তির মেঘ পশ্চিম এশিয়ায়? ইউক্রেনের ক্ষোভ এবার সোজা সিরিয়ায় মেটাবেন পুতিন?

    আসলে ব্যাপারটা ঠিক তা নয় সিরিয়া নিয়ে বেশ কিছু বছর ধরে অন্য অঙ্কই কষে আসছে রাশিয়া একবার আমেরিকাকে সিরিয়া থেকে বের করে দিতে পারলে মস্কো ক্ষান্ত। রাশিয়ার বা ভ্লাদিমীর পুতিনের মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের পাওয়ার বাড়ানোর
    বিশাল স্বপ্ন এবার কি তাহলে সত্যি হতে পারে? সেটা জানতে গেলে কয়েক বছর পিছনে যেতে হবে। ২০১৫ সালে সিরিয়া মিশন শুরু করেছিল রাশিয়া। যে ঘোষিত উদ্দেশ্য নিয়ে মস্কো এই অভিযান শুরু করেছিল তা ছিল আসলে ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের’ মোকাবিলা করা। তার থেকেও বড় লক্ষ্য ছিল মস্কো গুরুত্বপূর্ণ মিত্র। বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতায় রাখা এই প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে আবার সহ্য করতে পারে না আমেরিকা। রাশিয়ার সমর্থনের ফলেই বাশার আসাদের বাহিনী বিদ্রোহীদের মোকাবিলা করতে পেরেছিল। এদিকে ২০১১ সালে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে মদত দিতে শুরু করেছিল আমেরিকা।

    পরবর্তী সময়ে আইএস জঙ্গিদের মোকাবিলায় পূর্ব সিরিয়ার ডেইর-এজ জাওয়ার প্রদেশ এবং উত্তর-পূর্বের হাসাকা-সহ বিভিন্ন এলাকায় সেনা মোতায়েন করেছিল পেন্টাগন। এখন যে হামলা আমেরিকা সিরিয়ার ওপর করেছে তথ্য বলছে তাতে পেন্টাগনের নিশানায় ছিল সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের অনুগত সেনার বিভিন্ন ঠিকানা। অন্য দিকে, রুশ বিমানবহর হামলা চালিয়েছে। আসাদ বিরোধী বিদ্রোহী বাহিনীর একাধিক ডেরায় রুশ সেনা জানায় বিদ্রোহীদের সাতটি ঘাঁটি ধ্বংস করেছে তারা। ইদিলিবে রুশ বিমানহানায় অন্তত ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় সংবামাধ্যম জানিয়েছে। এই ইদলিব এলাকার মারাত্মক গুরুত্ব রয়েছে। সিরিয়ায় বাশার আল আসাদ সরকার বিরোধীদের সর্বশেষ ঘাঁটি ইদলিব। ২০১৫ সাল থেকে এ শহরের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে রয়েছে। মস্কো ঠিক সেখানেই নিশান করে গত কয়েক সপ্তাহে ধারাবাহিক ভাবে আসাদ বাহিনীর উপর হামলা চালিয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় মোতায়েন আমেরিকার যুদ্ধবিমান। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে রাশিয়া এই ক্ষমতার জাহির করা কি আমেরিকা সহ্য করবে? নাকি এবার সিরিয়ার মাটিতেই লাগতে পারে বড়সড় যুদ্ধ?

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মোদীর টোটকাতে থামবে যুদ্ধ! ইরান থেকে আমেরিকার ভরসা ভারতই কেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারতের হাতে গোপন চাবিকাঠি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনার। ইরান থেকে আমেরিকা কেন ভারতেই দ্বারস্থ? মোদী ঠিক কোন কোন স্টেপ নিলেন যুদ্ধের মাঝে কিন্তু প্যালেস্টাইন দিল্লির বিরুদ্ধে উগড়ে দিল ক্ষোভ, কেন? ভারত কি নেতৃত্ব দিতে পারে এমন কোনও বৈঠকের যেখান ইজরায়েল ও প্যালেস্টাইন মুখোমুখি বসে কথা বলবে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির খোঁজে, হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের বন্ধের জন্য কেন ভারতকেই দেওয়া হচ্ছে এতটা গুরুত্বপূর্ণ? মোদী বা তাঁর বিদেশনীতি কি এমন কোনও উপায় বের করতে পেরেছে যার অ্যাপ্লাই করলে পরিস্থিতি শোধরানো অনেকটাই সম্ভব। ভারত স্বাধীন প্যালেস্টাইনের পক্ষে বলে প্যালেস্টাইনের নেতারা বোধহয় ভেবেছিলেন ভারত এই যুদ্ধে তাদের হয়ে ইজরায়েল বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে বা ইজরায়েলকে হুমকি দেবে সাবধান করবে, চমকাবে কিন্তু না দিল্লি এর মধ্যে কোনওটাই করেনি আর করবেও না।
    সেই জন্যই বোধহয় ভারতের ওপর ঠিক এতটাই চটে গিয়েছে প্যালেস্টাইন। ভারত কিছুই করেনি, ওঁদের থেকে কোনও আশা নেই’। নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ এনেছে ক্ষুব্ধ প্যালেস্তিনীয় রাষ্ট্রদূত।

    এতে যে ভারত যে নিজেদের অবস্থান বদলাবে না সেটা কার্যত স্পষ্ট এমনটাই বলছেন কূটনৈতিক থিঙ্ক ট্যাঙ্কেরা। দেখুন না ভারতে জো বাইডেন সরকারের দুই শীর্ষকর্তা ব্লিঙ্কন ও লয়েডের আলোচনার বিষয় ছিল। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার অগ্রগতি কিন্তু বৈঠকে অনিবার্য ভাবেই উঠে আসে। ্পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ এবং সেই সংক্রান্ত সঙ্কটের কথা যেন ভারতের সঙ্গে এই নিয়ে কথা বলাটা ও এবিষয়ে ভারতের মতামত নেওয়াটা অত্যন্ত জরুরি ছিল। দেখুন পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্য যাই বলুন না কেন সেখানের সমস্যার দ্বিপাক্ষিক শান্তিপূর্ণ সমাধানের কথাই প্রথম থেকেই বলে আসছে ভারত। ইজ়রায়েলের ভূখণ্ডে হামাসের হামলার কড়া নিন্দা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার পর নয়াদিল্লির তরফে বলা হয় আলোচনার মাধ্যমে দু’পক্ষের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে ওই এলাকায় শান্তি ফেরাতে হবে।

    ভারতের এই মতামতের বিরোধী যদি ইজরায়েল বা প্যালেস্টাইন করে তাতেও যে দিল্লির অবস্থান বদলাবে না সেটা স্পষ্ট। যুদ্ধ চলাকালীন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রইসির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মোদী। এমনকি পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ় ইনাসিও লুলা ডা সিলভার সঙ্গেও কথা বলেছেন মোদী। এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন পশ্চিম এশিয়া নিয়ে নিজেদের উদ্বেগ। আশঙ্কা একে অপরের সঙ্গে তাঁরা ভাগ করে নিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন আসলে মানবিকতা কথা মুখে বলা আমেরিকা আসলে কি করতে চায় সেটা আন্তর্জাতিক মহলে পরিস্কার।
    গাজার ক্ষেত্রে এ ক্ষেত্রে আমেরিকা যে নীতি নিয়েছে তা খুব একটা ভাল চোখে দেখছে না অনেক রাষ্ট্র। গাজ়ায় শিশু-সহ সাধারণ মানুষের হত্যার সময় আমেরিকার ‘মানবিক’ রূপ কোথায় গেল, প্রশ্ন উঠেছে।

    সেখানে নিজেদের মুখরক্ষা করতে আমেরিকার আলোচনা, ইরানের অনুরোধ কিংবা ব্রাজিলের সঙ্গে আলাপচারিতা পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে। নয়াদিল্লির গুরুত্ব বৃদ্ধির দিকেই ইঙ্গিত করছে। তবে হ্যাঁ এটাও মনে রাখতে হবে ভারতের একার পক্ষে এই অসাধ্য সাধন করা সম্ভব নয়। বাকী গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলো যদি এগিয়ে আসে তবেই সম্মিলিত ভাবে কাজ করে পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ফেরাতে পারবে ভারত আশাবাদী বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মাটিতে মিশে গেল মোসাদ- আইডিএফ। কোন জালে আটকা পড়লো ইসরাইল ? চরম ভুলের মাশুল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ধুরন্ধর মোসাদ মাটিতে মিশে গেল। ইসরাইল ফোর্সের উপরেও নেমে এলো বিশাল ফাঁড়া। যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুর সুপার মুভ। হামাসের প্ল্যানে মোসাদের হাত? সত্যিই কি সব জানতো আইডিএফ? কোন অন্ধকারে ডুবে ছিলেন নেতানিয়াহু? এ কোন জালে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়াচ্ছে ইসরায়েল? নিজেদের মধ্যেই আকচা আকচি শুরু। হামাসের তাণ্ডব ইসরায়েল কে কোথায় পৌঁছে দিল? সব জেনেও ঘাপটি মেরে বসেছিল ইসরাইলের সাঙ্ঘাতিক ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি মোসাদ? ব্যর্থতা নাকি কন্সপিরেসি? প্রশ্নটা উঠল ইহুদী ভূমিতেই। তুললেন খোদ ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। ইসরাইলের উপর হামাসের হামলা হঠাৎ নয়? জেহাদি নেটওয়ার্কের নাড়ির খবর টেনে বের করতে যারা ওস্তাদ, ইসরাইলের সেই গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ, সেনাবাহিনী আইডিএফ সবাই হামাসের প্ল্যানিং জানতো?

    সেই খবর ঘুনাক্ষরেও টের পাননি নেতানিয়াহু। জানতেন না নাকি জানতে দেওয়া হয়নি? ইসরাইলের উপর হামাস অ্যাটাকের প্ল্যান নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য নেতানিয়াহুর। ঠিক কি বলেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, যা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও তোলপাড় শুরু? ইসরাইলের সেনা ও গোয়েন্দা বিভাগের কাছে হামাসের পরিকল্পনার খবর থাকলেও সেই বিষয়ে নেতানিয়াহুকে কিছুই জানানো হয়নি। হামাসের আচমকা হামলা নিয়ে তিনি কিছুই জানতেন না বলে সাফ দাবি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর। আন্দাজ করতে পারছেন কত বড় কথা বলে দিয়েছেন নেতানিয়াহু? ইসরাইল কী নিজেদের জালেই নিজেরা জড়িয়ে যাচ্ছে?

    অলরেডি নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য ঘিরে ইসরাইলের অন্দরেই বিতর্ক শুরু হয়ে গেছে। এতো বড় যুদ্ধের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য আসলে দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো আচরণ বলেই মনে করছে ইসরাইলের রাজনৈতিক মহল। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মন্তব্য নিয়ে নেতানিয়াহু পোস্ট ও দিয়েছিলেন, কিন্তু বিরোধী রাজনীতিকদের তোপের মুখে পড়ে পোস্টটা পরে ডিলিট করে দেন। তবে তাতে বিতর্কের ঝড় থামেনি। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে ইসরাইল যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে, এখন দেশের নেতাদের উচিত দায়িত্ব সহকারে কাজ করা! দেশের সেনাকে সঠিক পথে চালনা করা, যেন তারা নির্দিষ্ট কাজটা শেষ করতে পারে আর যাদের কে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে নেতানিয়াহু এতো বড় মন্তব্য টা করে বসলেন তাঁরা কী বলছেন? নেতানিয়াহুর মন্তব্য নিয়ে মুখ খুলতে চাননি ইজরায়েল সেনার মুখপাত্র।আপাতত যুদ্ধের দিকেই মন দিতে চাইছেন তাঁরা। কিন্তু ৭ ই অক্টোবর থেকে শুরু করে এতোগুলো দিন কেটে গেল, যুদ্ধ চলছে। থামার কোনও ইঙ্গিত ও নেই। আর ঠিক তারই মাঝে দেশের সেনা, গোয়েন্দাদের বিরুদ্ধে নেতানিয়াহু এতো বড় মন্তব্য করে বসলেন কী এমনি এমনি?

    বিরোধীদের দাবি, রাজনৈতিকভাবে নিজের দিকে সমর্থন পেতেই এই স্ট্র্যাটেজি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর। ইসরাইলের বুকে হামাসের হামলার পরেই প্রশ্ন উঠেছিল, কিভাবে মোসাদকে ঘোল খাওয়াল প্যালেস্টাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস? এত বড় অভিযানের পরিকল্পনার কথা কেন জানতে পারল না ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ? গলদটা কোথায়? অতিরিক্ত গ্যাজেট নির্ভরতাই ইহুদী ভূমির কাল? রিপোর্ট মোতাবেক, এটাও সামনে উঠে আসে যে হামাস আক্রমণের দিনক্ষণ নিয়ে আগেই নাকি ইজরায়েলকে সতর্ক করেছিল মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ। হামলার একদিন আগেই আমেরিকার আধিকারিকদের হাতে একটি রিপোর্ট আসে যেখানে, হামাসের সন্দেহজনক কার্যকলাপ নিয়ে বেশ কিছু তথ্যের উল্লেখ ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ সেই খবর যে ইসরাইল কে জানাবে এটা স্বাভাবিক। প্রশ্ন উঠেছিল তাহলে কী ভয়ংকর কোনও বিপদ যে শিয়রে সেই সম্পর্কে সব জানতো নেতানিয়াহুর সরকার? এই নিয়ে ইসরাইলের ভেতরেই জোর চাপানউতোর শুরু। তার মধ্যেই বিতর্কিত মন্তব্য করে আরও চাপে নেতানিয়াহু। তাহলে কী চাপে পড়ে নিজেকে বাঁচাতেই কূটকৌশলের পথে হাঁটলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী? এই একটা প্রশ্নই চারদিকে ঢিঢি পড়ে গেছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version