Tag: drone

  • India: ভারতের মোক্ষম অস্ত্রে ঘায়েল হবে চীন-পাকিস্তান!ত্রাসের আরেক নাম ‘গার্ডিয়ান’, স্বার্থসিদ্ধি যুক্তরাষ্ট্রের

    India: ভারতের মোক্ষম অস্ত্রে ঘায়েল হবে চীন-পাকিস্তান!ত্রাসের আরেক নাম ‘গার্ডিয়ান’, স্বার্থসিদ্ধি যুক্তরাষ্ট্রের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India: এবার খতরনাক ড্রোনের খেলা দেখাবে ভারত, যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেবে। আল-কায়দা প্রধান হত্যায় ব্যবহৃত মার্কিন ড্রোন আসতে চলেছে এবার ভারতের হাতে। ভয়ে সিঁটিয়ে যাচ্ছে চীন, পাকিস্তান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের ড্রোন মেগা চুক্তি কি তাহলে ফাইনাল? ভারতের সঙ্গে ড্রোন চুক্তিতে কেন এতো আগ্রহ যুক্তরাষ্ট্রের? যে ড্রোন নিয়ে এতো তোলপাড়, তার শক্তি সম্পর্কে কতটা ওয়াকিবহাল আপনারা? ছিন্নভিন্ন হবে শিকার, বলে বলে শত্রু বধ করবে ভারত। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ড্রোন কেনার জন্য, একটা বড়সড় অস্ত্র চুক্তি সারতে নয়াদিল্লিকে রীতিমতো চাপ দিচ্ছে হোয়াইট হাউস। এদিকে, ভারত দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ওই খতরনাক ‘গার্ডিয়ান’ ড্রোন কেনার আগ্রহ প্রকাশ করলেও নানান কারণে তা বারংবার পিছিয়ে গেছে। কিন্তু এবার হয়তো এই চুক্তি ফাইনাল হয়ে যেতে পারে। ড্রোন সম্পর্কে এই ইনফরমেশনগুলো জানলে চমকে যেতে বাধ্য।

    আমেরিকার তৈরি গার্ডিয়ানের মধ্যে রয়েছে সি গার্ডিয়ান, স্কাই গার্ডিয়ান। প্রিডেটর ড্রোন এমকিউ ১ এর নতুন ভার্সন এমকিউ ৯ রিপার ড্রোন। এমকিউ-৯ রিপার নামের ঘাতক ড্রোনটি ‘গার্ডিয়ান’ নামেও পরিচিত। ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সিগার্ডিয়ান কেনার বিষয়ে কথাবার্তা চলছে। সিগার্ডিয়ান রিমোটলি পাইলটেড এয়ারক্রাফ্ট সিস্টেম যা মূলত সামুদ্রিক অঞ্চলে নজরদারি ও আঘাত হানার জন্য ব্যবহার করা হয়। এক কথায় এটাকে অস্ত্র-সহ রিমোটচালিত ক্যামেরা ভাবতে পারেন। এর ক্ষমতা কিন্তু মারাত্মক।

    এই সিগার্ডিয়ান সব ধরনের আবহাওয়াতেই প্রায় ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে চালনা করা যেতে পারে। তবে, কনফিগারেশনের উপর নির্ভর করে। এতে অতি শক্তিশালী মেরিটাইম রাডার, স্বয়ংক্রিয় সনাক্তকরণ ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক অ্যাসিস্ট সিস্টেম এবং একটা স্বয়ংসম্পূর্ণ অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার মিশন কিট রয়েছে।
    এই অ্যাটাক ড্রোন ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় থেকে শত্রুর উপর আঘাত হানতে পারে। সর্বোচ্চ বহন ক্ষমতা ১,৭৪৬ কিলোগ্রাম অর্থাৎ, শত্রুর এলাকার গভীরে ঢুকে হামলা চালানোর ক্ষমতা রয়েছে ‘এমকিউ-৯ রিপার’-এর। শক্রপক্ষের রেডারের নজরদারি এড়াতে সক্ষম এই হানাদার ড্রোন ৯৫০ অশ্বশক্তির ইঞ্জিনের সাহায্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৩০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে সক্ষম। নৌসেনার টহলদারির ক্ষমতা এক লহমায় বাড়িয়ে দেয় এই রিমোটচালিত ড্রোন।

    জানলে অবাক হবেন, গত দু’দশকে আমেরিকার প্রিডেটর ড্রোনের শিকার হয়েছেন অনেকেই। ইরানের জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং আল কায়েদা প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরির হত্যায় যুক্তরাষ্ট্র ব্যবহার করেছিল প্রিডেটর ড্রোন। এমকিউ সিরিজের সেই প্রিডেটর ড্রোনের আধুনিকতম সংস্করণ হাতে পাচ্ছে ভারত। ওই সিরিজেরই এমকিউ-৯বি সি গার্ডিয়ান মডেলটা কেনার চান্স রয়েছে। তাতে দুই দেশের মধ্যে ২০০ থেকে ৩০০ কোটি ডলারের একটি বাণিজ্যিক চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে, আমেরিকার থেকে প্রিডেটর ড্রোনও কেনার কথা চলছে। এফ-৪১৪ যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন কেনার চুক্তিও চূড়ান্ত হওয়ার কথা। এই চুক্তির ফলে ভারত-আমেরিকা স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ আরও মজবুত হতে চলেছে। তবে, এই প্রথম নয় এমকিউ সিরিজ়ের ড্রোন ব্যবহারের পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে ভারতীয় নৌসেনার। ২০১৭ সালে আমেরিকা থেকে দু’বছরের লিজ়ে দু’টি এমকিউ-৯বি ড্রোন নিয়েছিল নৌসেনা।

    ড্রোন মেগা চুক্তির বিষয়টিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমেরিকা সফরের আগে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে আমেরিকা। কিন্তু কেন? কিসের এত আগ্রহ যুক্তরাষ্ট্রের? চীনকে পালটা জবাব দিতে ভারতের প্রতিরক্ষা বিভাগ আরও শক্তিশালী হোক সেটাই চায় আমেরিকা, সেই জন্যই যুক্তরাষ্ট্র এই সামরিক ড্রোন বিক্রি করতে আগ্রহী বাইডেন প্রশাসন। যদিও পুরো বিষয়টা এখনও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। ভারতের তরফে ড্রোন কেনা নিয়ে কিছু জানানো হয়নি। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ‘অস্ত্র বা ড্রোন কেনা হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত ভারতের। ভারত যা ঠিক করবে সেটাই চূড়ান্ত। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই নিয়ে ভারতের চুক্তি হোক, সেটাই চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র’। আগামী ২২ জুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হোয়াইট হাউস সফরের কথা। আর সেই দিনই এই চুক্তি পাকা করে ফেলার বিষয়ে কোমর বেঁধে নামতে পারেন মার্কিন কর্তারা, এমনটাই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • China Drone: বাতাসের চেয়ে তিনগুণ দ্রুত ড্রোন চীনের কাছে, চাপ বাড়ছে তাইওয়ানের! চিন্তায় আমেরিকা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    China Drone: ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের (Ukraine-Russia War) মাঝে চীন (China) আর তাইওয়ানের (Taiwan) উত্তেজনা অব্যাহত। জারি রয়েছে চীনের হুমকি। অপরদিকে তাইওয়ানকে সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছে আমেরিকা (America)। এসবের মাঝে প্রকাশ্যে এল চীনের শব্দের চেয়ে তিনগুণ দ্রুতগামী অত্যাধুনিক ড্রোন, যাকে রুখে দেওয়ার ক্ষমতা তাইওয়ানের নেই। পিএলএ-র এই অত্যাধুনিক ড্রোন নিয়ে বেশ চাপে পড়েছে পেন্টাগন।

    সম্প্রতি ফাঁস হয়েছে আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ নথি। যেখানে চীনের সামরিক অগ্রগতি সংক্রান্ত নানান তথ্য ছিল। ওয়াশিংটন সেই সমস্ত তথ্য দেখে রীতিমত হতবাক। রিপোর্ট অনুযায়ী, চীনের ভাঁড়ারে রয়েছে শব্দের থেকে তিনগুণ দ্রুত এক অত্যাধুনিক ড্রোন, যা খুব সহজেই উঁচু পার্বত্য এলাকায় উড়ে যেতে পারে। এমনটাই দাবি করা হয়েছে, দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে। শোনা যাচ্ছে ন্যাশনাল জিয়স্পেশাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির তরফ থেকে এই গোপন তথ্য পাওয়া গিয়েছে। আকাশ পথে নজরদারি চালাবে এই বিশেষ চীনা ড্রোন। যেখানে থাকবে না কোন মানুষ। আমেরিকা মনে করছে, চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি খুব শীঘ্রই এই ড্রোন ব্যবহার করতে চলেছে, যা দিয়ে তাইওয়ানের উপর নজর রাখবে।

    গতবছরের আগস্ট মাসের ৯ তারিখে উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়ে, সাংহাই থেকে প্রায় ৫৬০ কিলোমিটার দূরে পূর্ব চীনের একটি বিমান ঘাঁটিতে দুটি ‘ডাবলুজেড ৮’ রকেট প্রপেল্ড ড্রোন ধরা পড়েছে। মনে করা হচ্ছে, এটি চীনের ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের অন্তর্ভুক্ত। যা দিয়ে নজর রাখা হবে তাইওয়ানের উপর। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসলেও, এখনো পর্যন্ত আমেরিকার প্রতিরক্ষা বিভাগ কিংবা চীনের তরফ থেকে সেভাবে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কিন্তু ধারণা করা হচ্ছে বিষয়টি একেবারে তাইওয়ানের জন্য ভালো হবে না। যদি চীন সরকারের কাছে এই ধরনের শক্তিশালী অত্যাধুনিক ড্রোন থাকে তাহলে তা মোকাবিলা করা তাইওয়ানের পক্ষে বেশ কষ্টকর।

    সম্প্রতি তাইওয়ানের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক একেবারেই যাচ্ছে না। উপরন্তু তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট যখন আমেরিকার সফরে যান তখন বারংবার চীন হুমকি দিয়েছে, যাতে তিনি কোন রকম কূটনৈতিক বৈঠক না করেন। সেই হুমকিকে গ্রাহ্য না করে আমেরিকার সঙ্গে তাইওয়ানের বৈঠক হয়েছে। আর তার জবাব দিতে তাইওয়ান প্রণালীর কাছে সামরিক মহড়া চালিয়েছে চীন। চীনের অত্যাধুনিক এই ড্রোন সংক্রান্ত তথ্যটি ফাঁস করেছে আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস এয়ার ন্যাশনাল গার্ডের ২১ বছরের সদস্য জ্যাক ডগলাস টেইক্সিয়েরা। শোনা যাচ্ছে, গোপন নথি ফাঁস হওয়ায় সেই অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করেছে এফবিআই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Drone Delivery: ড্রোন এবার পৌঁছে দেবে ওষুধ! ২০২৪-এর মধ্যে চালু করবে মিশিগান মেডিসিন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Drone Delivery: বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের পর এবার ওষুধও বাসায় বসে পেয়ে যাবেন রোগীরা। তবে ডেলিভারি ম্যান নয়, ড্রোনের মাধ্যমে রোগীর বাড়িতে ওষুধ পাঠানো হবে। ২০২৪ সালের মধ্যে এই সেবা চালু করতে যাচ্ছে মিশিগান মেডিসিন। মিশিগান থেকে প্রকাশিত দ্য ডেট্রয়েট নিউজ এই তথ্য দিয়েছে। যেসব রোগীর বিশেষ প্রেসক্রিপশনের প্রয়োজন তারা এই ওষুধ পাবেন বলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাটি জানিয়েছে। অ্যান আরবার-ভিত্তিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা জিপলাইনের সাথে অংশীদারিত্ব করেছে। জিপলাইন একটি আমেরিকান কোম্পানি যা স্বায়ত্তশাসিত। এটি ডেলিভারি ড্রোন ডিজাইন, তৈরি এবং পরিচালনা করে। ড্রোনগুলির জন্য লোডিং ডক, পোর্টাল এবং চার্জারগুলি ডেক্সটারে মিশিগান মেডিসিনের বিশেষ যত্নের ফার্মেসিতে একত্রিত করা হবে, যা জটিল এবং বিরল রোগে আক্রান্ত রোগীদের সেবা করবে।

    মিশিগান মেডিসিনের চিফ ইনোভেশন অফিসার এবং ফার্মেসির চিফ অপারেটিং অফিসার ডানা হ্যাবার্স বলেছেন, এই রোগীরা তাপমাত্রা-সংবেদনশীল ওষুধের উপর নির্ভর করে যার জন্য উচ্চ রক্ষণাবেক্ষণ এবং উচ্চ খরচে ডেলিভারি প্রয়োজন। জিপলাইনের হোম ডেলিভারি সিস্টেম ব্যবহার করার ক্ষেত্রে মিশিগান মেডিসিন প্রথম প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি হবে। হ্যাবার্স বলেছেন, “এটি সত্যিই যে মেল অর্ডার উপাদান এবং প্রাথমিকভাবে বিশেষ ফার্মাসি রোগীদের সাথে সম্পর্কিত।”

    প্রতিটি ড্রোন ডকের ১০ মাইল জুড়ে পরিষেবা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। জিপলাইনের প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা কনর ফ্রেঞ্চ বলেছেন, ৬ থেকে ৮ পাউন্ড পেলোড নিয়ে একমুখী ট্রিপে ড্রোনগুলি ২৪ মাইল পর্যন্ত উড়তে পারে। এটি আসলে ঝরঝরে পাতার মতো শব্দ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে বলে জানান ফ্রেঞ্চ। তিনি বলেছেন, “আমরা ১০ মিনিটে ১০ মাইল ডেলিভারি সম্পূর্ণ করতে সক্ষম হব বলে আশা করি। গাড়ি এবং ট্রাকের বিপরীতে আমাদের জিপগুলি কখনই যানজটে আটকাবে না।”

    সিস্টেমটি নেটওয়ার্ক এবং পরিসর প্রসারিত করার জন্য ড্রোন ঘাঁটি যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে বলে হ্যাবার্স জানান। তিনি বলেন, “আমরা শুরু করতে চাই, আপনি জানেন, বুদ্ধিমান কিছু দিয়ে তবে এমন উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে আমরা লোডিং পোর্টাল বা ডকগুলি কোথায় রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে পরিসর বাড়াতে পারি।” ফ্রেঞ্চ বলেন, ফার্মাসিস্টরা ভবন ত্যাগ করা ছাড়াই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ডেলিভারি ড্রয়েডে ওষুধ লোড করতে পারে। ড্রয়েডটি জিপ ড্রোনের মধ্যে আরোহণ করবে, যা তারপর তার গন্তব্যে উড়ে যাবে এবং এটির প্রায় ৩০০ ফুট উপরে ঘোরাফেরা করবে। ডেলিভারি ড্রয়েড তারপরে নামতে পারে এবং সঠিক ডেলিভারি স্পটে আলতো করে অবতরণ করতে পারে, এমনকি উচ্চ বাতাস বা বৃষ্টিতেও, জানিয়েছেন ফ্রেঞ্চ। ফ্রেঞ্চ সংযুক্ত করেছেন , গ্যাস চালিত গাড়ির তুলনায় ড্রোনগুলি ৯৭% কম নির্গমন করে। ড্রোন ডেলিভারি রোগীদের বিনামূল্যে দেওয়া হবে এবং ট্রাক ব্যবহার করে ডেলিভারির তুলনায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাটির কম খরচ হবে বলে আশা করা হচ্ছে, হ্যাবার্স বলেছেন। যখন প্যাকেজগুলি ট্রাক ব্যবহার করে পাঠানো হয়, তখন সেগুলিকে ৪৮ ঘন্টার জন্য পণ্যের তাপমাত্রা পরিসীমা সংরক্ষণ করার জন্য ডিজাইন করা আইস প্যাকসহ একটি স্টাইরোফোম কুলারে পাঠানো হয়।

    জিপলাইন ড্রোনগুলি সারা বিশ্বে পণ্য পাঠানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে এবং ৪০ মিলিয়ন বাণিজ্যিক স্বায়ত্তশাসিত মাইল উড়েছে এবং ৫,০০০০০ টিরও বেশি ডেলিভারি সম্পন্ন করেছে। তারা সাতটি দেশের মধ্যে অপারেশন করেছে ঘানা, রুয়ান্ডা, নাইজেরিয়া, কোট ডি’আইভরি, কেনিয়া, জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এবং হাসপাতালগুলিতে রক্ত এবং ফাইজারের কোভিড-১৯ টিকার ২ মিলিয়ন ডোজ সরবরাহ করেছে ৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Drone Use in Farming: কৃষিকাজে ৮ ঘন্টার কাজ হবে ৮ মিনিটে, ড্রোনের মাধ্যমে বিশাল লাভ!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Drone Use in Farming: কৃষি ক্ষেত্রে নয়া নজির সুন্দরবনে (Sundarban)। সাধারণত চাষের কাজে জমির পরিমাণ অধিক হলে চাষীদের সময়, শ্রম এবং অর্থের প্রয়োজন বেশি পড়ে। এবার সুন্দরবনে চাষীদের (Farmer) সময়, শ্রম বাঁচাতে চাষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে ড্রোন (Drone)। বহুদিন আগে প্রশাসনিক কাজে ড্রোনের ব্যবহার শুরু হয়েছে। ভারত সরকারের (India Government) তরফ থেকেও বারংবার কৃষি ক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহার নিয়ে নানান প্রকল্প সামনে এসেছে। সময় এবং অতিরিক্ত অর্থের কারণে বহু চাষী কৃষি ক্ষেত্রে সেভাবে মুনাফা পান না। উপরন্তু দিনের পর দিন কাঁধে চাপতে থাকে লোকসানের বোঝা। অনেকে আবার ঋণ নিয়ে চাষ করলেও যা ফসল ওঠে, তা দিয়ে ঋণ পরিশোধ করতে পারেন না। চাষীদের সময় শ্রম আর অর্থ সাশ্রয়ের জন্যই এবার সুন্দরবনে ব্যবহার করা হচ্ছে ড্রোন। ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’তে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিমপীঠ রামকৃষ্ণ আশ্রম কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র কৃষি ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষকদের সামনে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। ড্রোনের মাধ্যমে অতি সহজে বড় বড় জমিতে রাসায়নিক সার এবং জৈব কীটনাশক প্রয়োগ করা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে চাষীদের অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন নেই। আবার পরিশ্রমও করতে হচ্ছে না।

    জয়নগরের ২ নম্বর ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েকদিন ধরেই পরীক্ষামূলক ভাবে ড্রোনের ব্যবহার করা হচ্ছিল। এই অঞ্চলের চাষীরাও এই প্রযুক্তিতে বেশ খুশি এবং তারা বিষয়টি নিয়ে কৌতূহলী। সাধারণত যারা এক একর বা তার বেশি জমি চাষ করেন, সেই জমিতে যদি কীটনাশক স্প্রে করতে চান তাহলে সারাদিন লেগে যেতে পারে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে মাত্র ৮ মিনিটের মধ্যে ড্রোন পুরো জমিতে রাসায়নিক সার প্রয়োগ করতে পারে। দশ লিটার রাসায়নিক সার অথবা কীটনাশক চাষের জমিতে ব্যবহার করতে সময় লাগছে মাত্র ৮ মিনিটে।

    ড্রোনের মাধ্যমে অত্যাধুনিক কৃষি পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্র থেকে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জয়নগর ১ এবং ২ নম্বর ব্লক, পাথরপ্রতিমা, কুলতলী মথুরাপুর এবং মন্দির বাজার সহ সুন্দরবনের বহু এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে চাষের কাজ আরো সহজ হয়ে উঠেছে। আগে জমিতে কীটনাশক বা সার প্রয়োগ করতে প্রায় ছয় থেকে আট ঘন্টা লাগত। সেই কাজ ড্রোনের মাধ্যমে হচ্ছে মাত্র কয়েক মিনিটে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • China-taiwan: উত্তর-পূর্ব চিনে সন্দেহজনক গতিবিধি, লেজার বোমা নিয়ে নয়া পরীক্ষা

    ৷৷ প্রথম কলকাতা ৷৷

    China-taiwan: ঝুলি থেকে ভয়ানক ড্রোন বের করছে চিন৷ অতি গোপনে উত্তর-পূর্ব চিনে কোন পরীক্ষা চালানো হচ্ছে? ডিকোড করে ফেলা হচ্ছে প্রত্যেকটা লোকেশন! জানেন লেজার গাইডেড বোমা ঠিক কীভাবে কাজ করে? কোন নতুন যুদ্ধাস্ত্র এল বেজিংয়ের প্রতিরক্ষায়? খুব বেশি বড়াই করা হচ্ছে না ইদানিংকালে৷ কিন্তু একটা দেড় হাজার বিলিয়ন জনসংখ্যার দেশকে রক্ষা যা সম্পদ রয়েছে চিনের হাতে সেগুলোই দ্রুত আপগ্রেড করে ফেলা শি জিনপিংয়ের লক্ষ্য৷ উত্তর-পূর্ব চিন এবার ঝুলি থেকে বেড়াল বের করা হল৷ একটা ড্রোন কি খেল দেখাতে পারে এবার চিন প্রমাণ করে দেবে বিশ্বের কাছে৷

    চিনা ড্রোন শত্রু দেশের ওপর ছুঁড়তে পারে লেজার গাইডেড বোমা৷ কোন কোন দেশকে সতর্ক থাকতে হবে? পিএলএ আর্মির হাতে বর্তমানে লেটেস্ট ভার্সনের যে ড্রোন রয়েছে তা ১০০০ কিমি ওপর থেকে (কোনও ভুলচুক ছাড়াই) আঘাত করে লক্ষ্যবস্তুতে৷ চিনের খতরনাক এয়ার ফোর্স তৈরি করে ফেলেছে এমনই ড্রোন৷ উইং লুং ২-এর সামরিক ভার্সন ৪৮ জিজে-২ ড্রোন৷ এই ড্রোনই সম্প্রতি পরীক্ষা করতে দেখা গিয়েছে বেজিংকে তাদের দেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে৷ কেন এই ড্রোনকে মারাত্মক ড্রোনগুলোর মধ্যে একটা বলে ধরা হয় জানেন?

    জিজে-২ বহন করতে পারে লেজার গাইডেড বোমা৷ হামলা চালাতে সক্ষম চিনা ড্রোনে ১২ টি এয়ার-টু-সারফেস মিসাইল আছে৷ প্রশ্ন হল হঠাত্ করে কেন দেশের অভ্যন্তরে এই ড্রোনের পরীক্ষা চালালো চিন? তাইওয়ানে আতঙ্ক আবারও বাড়ছে৷ লেজার গাইডেড বোমা আর এমনি বোমার মধ্যে পার্থক্য কী জানেন? একটি সাধারণ বোমার চেয়েও অনেক বেশি পারফেকশনের সাথে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করে অর্ধ-স্বয়ংক্রিয় লেজার দূরনিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে বোমা ফেলে এই অস্ত্র৷ এখানেই ক্যারিশ্মা শেষ নয় জিজে-২ এর৷ শত্রুপক্ষ ঘাঁটির অনেক বেশি কাছে গিয়ে পুঙ্ক্ষানুপুঙ্খ তথ্য দেখে আসা তারপর হামলা চালাতে সক্ষম উইং লুং ২ সিরিজের ড্রোন৷

    উইং লুং ২ ড্রোনগুলি ইতিমধ্যে পশ্চিম এশিয়ার দেশে বিক্রি করেছে চিন৷ ‘স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট’-এর (সিপ্রি) রিপোর্ট অনুযায়ী ২০০৮ সাল থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, সৌদি আবর, আলজেরিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি-সহ প্রায় ১২ টি দেশে ১৬৩ টি ‘আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকেল’ বিক্রি করেছে চিন। তার ফলে বর্তমানে বিশ্বে সশস্ত্র ড্রোনর সবথেকে বেশি রফতানি করেছে বেজিং। তবে এবার উত্তর-পূর্বে চিনে নতুন এই গতিবিধিতে সন্দেহ নতুন করে বাড়ছে৷

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pakistan: দেশের মাটিতে ড্রোন বানাচ্ছে পাকিস্তান, কতটা খতরনার ‘শাহাপার’?

    ৷৷ প্রথম কলকাতা ৷৷

    Pakistan: আমেরিকা-চিনের ওপর আগের মতো ভরসা করছে না আর পাকিস্তান? পাকিস্তান এবার নিজের দেশের মাটিতেই বানিয়ে ফেলল ড্রোন৷ ভারতের জন্য কি নয়া হুমকি? পাকিস্তান গত পাঁচ বছরের সবথেকে বেশি অস্ত্র কিনেছে তাদের ঘরের বন্ধু বেজিংয়ের কাছ থেকে৷ প্রায় ৭৪ শতাংশ৷ কিন্তু পাকিস্তান যেন এবার ভারতের দেখাদেখি স্বাবলম্বি হতে শুরু করেছে৷ এর মানে কি বলা যেতে পারে আত্মনির্ভর পাকিস্তান? দেশীয় প্রযুক্তি এই প্রথমবার ড্রোন বানিয়ে ফেলল পাকিস্তান৷

    এই ড্রোন যে শত্রুদেশের ঘুম ওড়াবে এমন দাবি এখনও তারা করেনি কিন্তু ইসলামাবাদ বলছে এই ড্রোন খতরনাক৷ প্রশ্ন উঠছে কতটা? ভারতকে টার্গেট করেই নিশ্চয় এমন ভাবনা এসেছে পাকিস্তানের মাথায়৷ ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা তাতে নিশ্চিত৷ কিন্তু পাকিস্তান এখনও চুপ৷ নতুন সামরিক ড্রোন ‘শাহপার-১’কে বিশ্বের সামনে তুলে ধরল পাকিস্তান৷ তুরস্কও দেখতে নতুন এই যুদ্ধাস্ত্র কতটা ছক্কা হাঁকাতে পারে৷ এতদিন তো পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ভান্ডারে শুধুমাত্র নজরদারি ড্রোন ছিল৷ তাহলে শাহাপার কি এর থেকেও বেশি? শাহাপার ড্রোন হামলা চালানোর ক্ষমতা রাখে নাকি? তাহলে তো ভারতকেও ভাবতে হবে৷

    পাকিস্তান সরকারের কোম্পানি জিআইডিএস (গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ডিফেন্স সলিউশনের) সিইও আসাদ কামালের দাবি, পাকিস্তান সরকার তাকে পরিষ্কারভাবে নির্দেশ দিয়েছিল৷ পাকিস্তান যে প্রযুক্তির জন্য বিদেশের ওপর নির্ভরশীল৷ তা ধীরে ধীরে পাকিস্তানে বিকশিত করতে হবে৷ এরপরই জন্ম হয় ‘শাহাপার’-এর৷ বরাক নামের একটি নজরদারি ড্রোনের পর এবার এল শাহাপার৷ শাহাপার হামলা করতে পারে টার্গেটের ওপর সরাসরি৷ পাকিস্তান আপডেটেট ভার্সন শাহাপার ২ নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে৷

    শাহপার-২ কে বলা হচ্ছে পাকিস্তানের ফ্ল্যাগশিপ ড্রোন৷ ঘণ্টায় ১২০ নটিক্যাল মাইল (নটস) পর্যন্ত গতিতে উড়তে পারে৷ এর টেক-অফ স্পিড ৮০ নটিক্যাল মাইল থেকে ৮৫ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত৷ এর ক্রুজ গতিও ৮০-৮৫ নট৷ ড্রোনটির ডাটা লিংক রেঞ্জ ৩০০ কিলোমিটার৷ যা এখন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে।

    শুধু তাই নয়, জিআইডিএসের অন্যান্য ড্রোনের মধ্যে রয়েছে ইকাবও৷ এটি রীতিমত অস্ত্র বহনে সক্ষম৷ আবাবিল-৫ ড্রোনটি পাঁচ কেজি পর্যন্ত ওজন বহন করতে পারে এতে দুটি মর্টার শেল লোড করা যায়৷ তবে এই ড্রোন ভারতের ড্রোনের সম্ভারের আশেপাশেও ঘেষতে পারবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে৷ DRDO-র তৈরি ভারতের বোমারু ড্রোন AFWTD৷ চোখের পলকে গুড়িয়ে দিতে পারে পাকিস্তানের এই প্রযুক্তিকে৷ যদি তুলনা সেভাবেই করা হয় তাহলে৷ তবে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা মহল বলছে, পাকিস্তানের টার্গেট শুধু কিন্তু একটাই নয়৷ ইসলামাবাদ চাইছে,এই ড্রোন অন্য দেশের কাছে বিক্রিও করতে৷ তাই তো করাচিতে চলমান অস্ত্র প্রদর্শনীতে পাকিস্তানের অস্ত্র প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো প্রথমবারের মতো এমন ধরনের ড্রোন প্রদর্শন করেছে৷ সেখানে রয়েছেন চিন-তুরস্ক ছাড়াও অনেক দেশের কোম্পানি অংশ নিয়েছে৷ দেখা যাক কোন দেশ পাকিস্তানকে এতটা ভরসা করে কিনা তাদের তৈরি ড্রোন কিনে৷

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Action camera drone: চীনের মারাত্মক অ্যাকশান ক্যামেরা ড্রোন! যেভাবে চীনা অস্ত্রকে হাতিয়ার করছে জঙ্গিরা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    শত্রুদেশের সেনা শিবিরে ঢুকে যায় চীনের গোপন ড্রোন। এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায় অস্ত্র পৌঁছতেও পারদর্শী।চীনা অস্ত্র দিয়ে ভারতে কোনও নাশকতার ছক? জঙ্গিদের কাছে কীভাবে লোভনীয় হয়ে উঠছে, চীনের শক্তিশালী অ্যাকশন ক্যামেরা ড্রোন ?

    সমুদ্রে নজরদারি চালানোর জন্য চীনের আন্ডারওয়াটার ড্রোনের নাম শুনেছেন। কিন্তু জিংপিংয়ের সেনার বিশেষ কৌশলে তৈরি অ্যাকশন ক্যামেরা ড্রোনের ক্ষমতা জানেন? কখন কোন জায়গায় লুকিয়ে রয়েছে এই আকাশযান, তা বোঝা ভীষণমই মুশকিল। চীনা এই উড়ন্ত রোবটকেই কাজে লাগাচ্ছে জঙ্গিরা, আশঙ্কা গোয়েন্দাদের। ভারতে কোনও হামলার ছক?কীভাবে জঙ্গিদের কাছে সন্ত্রাসবাদের অস্ত্র হয়ে উঠছে এই চীনা ড্রোন?

    চীনের অস্ত্রভাণ্ডারে ড্রোনগুলির মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক অ্যাকশন ক্যামেরা ড্রোন। প্রত্যন্ত জায়গায় নজরদারিতে তুখোড়়।যুদ্ধ অথবা জঙ্গি দমন অভিযানে ব্যবহার হয়। এই ক্যামেরা লাগানো যায় জওয়ানদের হেলমেটের উপরেও যুদ্ধক্ষেত্রে হেলমেটের ক্যামেরা। নিজে থেকেই রেকর্ড করে ভিডিও ফুটেজ। একটি মূল শিবির থেকে সেই ভিডিও ফুটেজ দেখে সেনাদের নিয়ন্ত্রণ করেন অফিসাররা। বুঝে নেওয়া যায় আশপাশের পরিস্থিতি। যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুদেশের সেনা দূরে কোনও বাঙ্কারে লুকিয়ে থাকলেও সহজেই খোঁজ পেয়ে যায় লাল ফৌজ। কখনও এই ড্রোন যুদ্ধাস্ত্রেরও কাজ করে।
    যুদ্ধে সশস্ত্র ড্রোনকে কাজে লাগায় চীন।

    ভারতের মাটিতে চীনা এই ড্রোনকেই হাতিয়ার করছে দেশ বিদেশের জঙ্গি সংগঠনগুলো। গোয়েন্দাদের দাবি, কোনও জঙ্গি গোষ্ঠীই চিন থেকে চোরাপথে পাচার করেছে এই আধুনিক উড়ন্ত রোবট। ভারতের আনাচে কানাচেও ছড়িয়ে যাচ্ছে চীনের আকাশযান বলে আশঙ্কা করছে গোয়েন্দা বাহিনী। ড্রোনকে বলা হয় চালকবিহীন আকাশ যান। কিন্তু চীনের অ্যাকশন ক্যামেরা ড্রোন। আকারে একদম ছোট হলেও, ক্ষমতায় নয়। শত্রপক্ষের সেনার চোখের ধুলো দিয়ে সহজেই ব্যবহার করা যায়।ভারী বৃষ্টি বা ঝড়েও নিজের কাজ চালিয়ে যায় এই বিশেষ ড্রোন।এমনকি রাতেও স্পষ্ট ভিডিও ফুটেজ তুলতে পারে।এই ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র পাচার করাও সম্ভব। সম্প্রতি কলকাতার ম‌্যাডন স্ট্রিট থেকে উদ্ধার হয় চারটি আধুনিক চীনা ড্রোন।নাশকতার জাল ছড়াতে চিনের গোপন এজেন্টরা কুরিয়রের মাধ‌্যমেও এদেশে পাচার করছে চীনা ড্রোন। তাহলে কী চীনা ড্রোনকে কাজে লাগিয়ে ভারতে, বড় নাশকতার ছক কষছে কোনও জঙ্গি গোষ্ঠী?

    ড্রোনকে প্রথমবার সামরিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আমেরিকা। এরপর থেকে বিভিন্ন দেশের সেনায় বেড়েছে ড্রোনের ব্যবহার। নজরদারির পাশাপাশি, অস্ত্র হিসেবেও ড্রোন ব্যবহার হচ্ছে। এর সুযোগ নিচ্ছে জঙ্গি সংগঠনগুলি গোয়েন্দাদের আশঙ্কা তাহলে কী! এদেশের জঙ্গলের মধ্যে গোপন শিবির থেকে ওই ক‌্যামেরার ফুটেজ দেখে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করছে জঙ্গি নেতারা? প্রয়োজন মতো পালটানো হচ্ছে অ‌্যাকশন প্ল‌্যান?সরকারি ভবনগুলির আশপাশেও গুপ্তচরবৃত্তির জন‌্যও এই বিশেষ ড্রোন। ব্যবহার করার ছক কষতেও পারে জঙ্গি বাহিনী।তাহলে কি ড্রোন দিয়ে সীমান্তে হামলাও হতে পারে?

    ভারতের জায়গায় জায়গায় নজরদারি বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবেভারতীয় সেনার তৎপরতায় ড্রোনের আনাগোনা কিছুটা কমলেও বন্ধ হয়নি। সশস্ত্র ড্রোনও ভারতীয় আকাশসীমায় পাঠানোর জন্য নানা ফন্দি-ফিকির খুঁজছে চীনা ও পাক জঙ্গিরা। তবে ভারতও তৈরি। শত্রুসেনার যে কোনও হামলা রুখে দেওয়ার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ড্রোনও আছে ভারতের হাতে। শত্রুসেনার ড্রোন ধ্বংস করার জন্য আরও বেশি অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম সীমান্তে মোতায়েন করার তোড়জোড় করছে ভারত।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Fire camera drone: সহজ হবে কাজ, ড্রোন উড়িয়ে আগুনের উৎস খুঁজবে দমকল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Fire camera drone: বহুতল হোক বা ঘিঞ্জি এলাকা। আগুনের উৎস খুঁজতে এবার কাজে লাগানো হবে ড্রোন। প্রাথমিকভাবে দুটি ড্রোন কলকাতার আগুনের উৎস খোঁজার কাজে লাগানো হবে।

    কোনো জায়গায় অগ্নিসংযোগ হলে প্রাথমিকভাবে আগুনের উৎস খুঁজতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় দমকল কর্মীদের। এবার সেই কাজটা করে দেবে ক্যামেরাযুক্ত ড্রোন। ফলে দ্রুত আগুনকে নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে। এমনটাই মনে করছেন অগ্নিনির্বাপন ও জরুরি পরিষেবা দপ্তরের আধিকারিকেরা। তাঁরা বলেন, ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে আগুনের উৎস দেখা যাবে তেমনই ভিতরে কেউ আটকে আছেন কিনা কিংবা দাহ্য বস্তু রয়েছে কিনা তাও জানা যাবে। এছাড়াও আগুন কোন দিকে ছড়াচ্ছে তা চিহ্নিত করে দেবে ড্রোন।

    প্রাথমিকভাবে শুধু ভিডিও ফুটেজ পাঠাবে ড্রোন ক্যামেরা। পরে একে আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহার করা যায় কিনা তা বিচার-বিশ্লেষণ করবেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকেরা। সূত্রের খবর দুটি ড্রোনের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। এই ব্যবস্থাপনা চালু হলে আগুন নেভানোর কাজে আমূল পরিবর্তন আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ড্রোন চালানোর জন্য কয়েকজন কর্মীকে প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version