Tag: cyclone

  • Cyclone Michaung: ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের তাণ্ডব চেন্নাইয়ে, ভিডিও দেখে শিউরে উঠবেন

    Cyclone Michaung: ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের তাণ্ডব চেন্নাইয়ে, ভিডিও দেখে শিউরে উঠবেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Michaung: তাণ্ডব চালাতেই ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম। যার প্রভাব ভালো মত লক্ষ করা গেছে চেন্নাই এ। সোশ্য়াল মিডিয়ায় পোস্ট হতে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চেন্নাইয়ে ভারী বৃষ্টির একাধিক ভিডিয়ো। জলমগ্ন শহরের একাধিক রাস্তা। বৃষ্টির জল ঢুকে পড়েছে নিচু এলাকার বাড়িগুলিতে। শুধু তাই নয়, ডুবে গেছে গাড়িও। ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে সোমবার ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে বন্যা দেখা দিয়েছে চেন্নাইয়ে৷ আগাম সতর্কতা হিসেবে চেন্নাইয়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি অফিস বন্ধ রাখার দেওয়া হয়েছে নির্দেশ।

    ভারতের চেন্নাইয়ে তাণ্ডব চালানোর পর শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম এখন অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে এগিয়ে চলেছে। অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি, নেলোর, প্রকাশম, বাপটলা, কৃষ্ণা, পশ্চিম গোদাবরী, কোনসিমা এবং কাকিনাদা জেলায় ঘুর্ণঝড়ের কারণে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে অন্ধ্র ও তামিলনাড়ুর একাধিক জায়গায় শুরু হয়ে গেছে বৃষ্টি। ভারী বৃষ্টির জেরে পুকুরে পরিণত হল চেন্নাই বিমান বন্দর। বিপর্যস্ত বিমান চলাচল। বেশ কিছু ট্রেনও বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে চেন্নাইয়ে। জলে ভরে যাওয়ায় ১৪টি সাবওয়ে বন্ধ করেছে প্রশাসন। সব মিলিয়ে দুর্যোগ পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে চেন্নাইয়ে।

    ভারী বৃষ্টির দাপটে বিদ্যুৎ পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে। বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে চেন্নাইয়ের বেশ কয়েকটা এলাকা। বিঘ্নিত ইন্টারনেট পরিষেবাও। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই ভারী বৃষ্টির জেরে বানভাসি চেন্নাইয়ে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের তেমন কোনও প্রভাব পড়বে না। তবে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছিল আগেই । মৌসম ভবনের তথ্য অনুযায়ী সকাল থেকেই ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি শুরু হয়েছে বেশ কয়েকটি জেলায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Michaung: মিগজাউমের টার্নিং পয়েন্টে রিস্ক ভারতেই হিট ? টেনশন বাংলাদেশে, ওয়েদার আপডেটে বড়সড় বদল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Michaung: সাগরে ফুঁসছে মিগজাউম। রেড অ্যালার্টে চলে গেল গোটা ভারত? কোন কোন রাজ্য ভাসবে বন্যায়? মিগজাউমের টার্নিং পয়েন্টেই বাংলার বিপদ? ওয়েদার আপডেটে বড়সড় বদল। রাজ্য সহ দেশ জুড়ে একের পর এক ট্রেন বাতিল। মিগজাউম মোকাবেলায় এতো প্রস্তুতি? লাস্ট মোমেন্টে রিস্ক বাড়বে না তো বাংলাদেশের? একদম কনফার্ম। বাংলাদেশ নয়, ভারতে আছড়ে পড়বে মিগজাউম ফুঁসছে সাগর। বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম। যা ৫ই ডিসেম্বর অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়বে বলে জানিয়ে দিয়েছে মৌসম ভবন।ল্যান্ডফলের সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার। দক্ষিণ ভারতের উপকূলবর্তী এলাকাগুলোতেও জারি করা হয়েছে সতর্কতা।

    ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস মিলতেই ৩-৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ মধ্য রেল ১৪৪টি ট্রেন বাতিল করেছে‌। তালিকায় আছে করমণ্ডল এক্সপ্রেস, চেন্নাই মেল, দুরন্ত এক্সপ্রেস। একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে বাংলাতেও। হাওড়া, শালিমার, সাঁতরাগাছি স্টেশন থেকে ছাড়া ট্রেন যে রুট দিয়ে যায়, সেখানে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই হাওড়া, শালিমার এবং সাঁতরাগাছি থেকে ১৮টি এক্সপ্রেস ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। তাছাড়া পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে যাওয়া একাধিক দূরপাল্লার ট্রেনও বাতিল করেছে ভারতীয় রেল। ল্যান্ডফলের পরেই চাপ কমবে না ভারতের। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে অন্ধ্রে ল্যান্ডফলের পরই বাঁক নেবে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম। আর এই টার্নিং পয়েন্টেই রিস্ক বাড়ছে।

    ৬ ও ৭ ডিসেম্বর দক্ষিণবঙ্গের ১০ জেলায় থাকছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমানে। এই পূর্বাভাসেই বাংলার চাষীদের মাথায় হাত। পাকা ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দানা বাঁধছে। মাটি ভিজলে পিছিয়ে যেতে পারে আলুচাষও। আপাতত ঠান্ডার বালাই নেই, তাতেই আলু চাষেও ক্ষতির আশঙ্কা থাকছে। বাংলা ছাড়াও ভারতের অন্যান্য জায়গাতেও মিগজাউমের এফেক্ট পড়বে ভালো মতো। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী। উত্তর উপকূলীয় তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে ৩ তারিখ থেকে শুরু হয়ে ৪ ডিসেম্বর ও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। তার পর বৃষ্টির পরিমাণ কমবে, উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাত চলবে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব ফেলতে পারে ওড়িশাতেও। সেখানেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের উদ্দেশ্যেও দেওয়া হয়েছে সতর্কবার্তা। যারা সমুদ্রে মাছ ধরতে গেছেন, তাদের ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্ভাবনা পুদুচেরিতে। আগাম সতর্কতা হিসেবে কারাইকাল এবং ইয়ানাম অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব রেল তামিলনাড়ুগামী ১১৮টি বাতিল ঘোষণা করেছে। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তৈরি রাখা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের টিম-কেও। তামিলনাড়ুর কয়েকটি জায়গায় জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতাও।তাহলে কি এযাত্রায় পুরোপুরি সেফ বাংলাদেশ? ওপার বাংলাতেও সাগর উত্তাল থাকায় উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি যেতে বারণ করা হয়েছে।

    চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ঝড়টা বাংলাদেশের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে মিগজাউম স্থলভাগে ওঠার পরে ৬-৭ ডিসেম্বর মূলত বাংলাদেশ এর উপকূলীয় এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে। এই মেঘ-বৃষ্টিতে মোটামুটি ঠান্ডার দফারফা। ভারতের মৌসম ভবন বলছে, আগামী কয়েকদিন স্বাভাবিকের উপরেই থাকবে তাপমাত্রা। ৯ ডিসেম্বর থেকে আকাশ পরিষ্কার হয়ে তাপমাত্রা কমার আশা করা হচ্ছে। তবে আপাতত ভারত বাংলাদেশ এর নজর মিগজাউমের সামগ্রিক গতিবিধির উপরেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • West Bengal Weather Update: ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে ‘মিগজাউম’, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    West Bengal Weather Update: শীত মরশুমের শুরুতেই স্বাভাবিক শীতের ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম এর প্রভাবে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম আছড়ে পড়বে অন্ধ্র ও তামিলনাড়ুর উপকূলে। এই মুহূর্তে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থান করছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’। এই প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি বঙ্গোপসাগরের উপকূল ঘেঁষে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আগামীকাল অৰ্থাৎ মঙ্গলবার এবং পরবর্তী দিন বুধবার নেল্লোর ও মছিলিপত্তনমের মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’। দক্ষিণ অন্ধ্র উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ডফলের সময় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১১০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর মিলেছে, এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু এবং ওড়িশার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। অন্যদিকে এই ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্ৰভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে, কমতে পারে তাপমাত্রাও। ফলে জেঁকে বসতে পারে শীত। অন্যদিকে, ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে নিম্নচাপে বাংলার উপর এর কারণে শীত মরশুমের শুরুতেই স্বাভাবিক শীতের ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। হাওয়া অফিসে রিপোর্ট অনুযায়ী, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শীতের দেখা মিলবে না।

    ইতিমধ্যেই শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে মিগজাউম। এর জেরে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে দক্ষিণ ভারতে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১১০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে দক্ষিণ অন্ধ্র উপকূলে। এই পরিস্থিতিতে ইতিমধ্যেই এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে দক্ষিণবঙ্গে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে শুরু হয়ে যাবে বৃষ্টি। হালকা বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে। বুধবার থেকে কলকাতা সহ দক্ষিণের বাকি জেলাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার, বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং নদিয়ায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Michaung: মিগজাউমের সফ্ট টার্গেটে বাংলাদেশ? রুপ বদলেই ভয়, কতটা সেফ ভারত

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Michaung: মিগজাউমের সফ্ট টার্গেট! ডেঞ্জার জোনে বাংলাদেশ? কোথায় কোন বিপদ সংকেত? ল্যান্ডফলের পরেই কি রুপ বদলাবে মিগজাউম? বাংলাতেও সাঙ্ঘাতিক এফেক্ট। ৯ টা জেলা বিপদের মুখে, রেড অ্যালার্ট জারি। সুপার সাইক্লোন হলেই বিপদ, অন্ধ্রপ্রদেশ নিয়ে বাড়ছে চিন্তা। ল্যান্ডফলের আগেই ঘটবে ম্যাসিভ পরিবর্তন। সিস্টেমেই ফল্ট? দুই বাংলায় কিভাবে দাপট দেখাবে মিগজাউম। বাংলাদেশ মিগজাউম মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে? নেক্সাউন কিন্তু ঘূর্ণিঝড় হামন মিডিলের থেকেও বেশি পাওয়ারফুল হওয়ার আশঙ্কা। পরিস্থিতি বুঝেই কি এই সেনসিটিভ জায়গা গুলোতে বাংলাদেশ বিপদ সংকেত জারি করে দিল? নাকি বাংলার ওপরই আসলে কোপটা পড়ছে?সাগরের বুকে ফুঁসছে, গভীর নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় তৈরির প্রসেসে আছে মিগজাউম। বাংলাদেশে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা বন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সমস্ত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি যেতে বারণ করা হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশের এই পোস্ট সত্যি হয়ে গেলে? বাংলাদেশের বিপদ কেটে যাবে! তবে, ঘূর্ণিঝড় “মিগজাউম” এর প্রভাবে বাংলাদেশের খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের জেলাগুলোর উপরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিভাবে সেফ জোনে এলো বাংলাদেশ? নিম্নচাপের জেটস্ট্রিমের অবস্থান ভারত ও পাকিস্তান সীমান্তের উপরে। আগামী ২ দিন যদি হঠাৎ করা জেটস্ট্রিমের পূর্বমুখী চালার গতি না বেড়ে যায় তাহলে ঘূর্ণিঝড় “মিগজাউম” ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের চেন্নাই কিংবা ভিশাখাপত্তম সমুদ্র বন্দরের উপর দিয়ে স্থলভাগে আঘাত করবে কিন্তু সেক্ষেত্রে রিস্ক কতটা?আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে তাণ্ডব চালাবে সেটি। ৫ তারিখ, ভাইটাল টাইম। অর্থাৎ মঙ্গলবার দুপুরে ল্যান্ডফল হবে মিগজাউমের। সেই সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বচ্চ ৯০-১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

    তাহলে নেক্সজাউমের কোপ ডিরেক্ট ভারতে? বাংলার সিচুয়েশন কি হবে? ঘূর্ণিঝড়ের কারণে তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলবর্তী এলাকায় সোমবার থেকেই ভারী বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। মঙ্গলবার ল্যান্ডফলের সময় ওড়িশাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ফনীর সময় ওড়িশায় যা ঘটেছিল এবার যাতে আর না ঘটে সেই সম্ভাব্য দুর্যোগের কথা মাথায় রেখে সাত জেলাকে সতর্ক করেছে ওড়িশা প্রশাসন। বালেশ্বর, ভদ্রক, কেন্দ্রাপাড়া, জগতসিংহপুর, পুরী, খুরদা এবং গঞ্জামকে সতর্ক করা হয়েছে আর এপার বাংলা? আলিপুর সূত্রে খবর, বুধ বৃহস্পতিবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদীয়া, পূর্ব বর্ধমান জেলায়। তাহলে কি হাওয়া অফিসের রিসেন্ট আপডেট অনুযায়ী এযাত্রায় বেঁচে গেল দুই বাংলা? হ্যাঁ, এটা ঠিক মিগজাউমের বিশেষ কোনও এফেক্ট এপার বাংলাতেও পড়বেনা। দক্ষিণের বাকি জেলাগুলোতে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে ওই জেলাগুলোতে বৃষ্টির ফলে শীত শীত ভাব কিছুটা কমতে পারে। তাপমাত্রায় বিরাট কোনও বদল আসবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    উত্তরবঙ্গেও আপাতত নতুন করে পারদ পতনের সম্ভাবনা নেই। তবে, মিগজাউমের এফেক্টে বৃষ্টি হলে কৃষিকাজে বিরূপ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এখনও চলছে ধান কাটার কাজ। বৃষ্টি হলে তা বাধা পাবে। ধান উঠলেই শুরু হয় যায় আলুচাষ। আলুর বীজতলার জন্য শুকনো মাটির প্রয়োজন হয়। কিন্তু বৃষ্টি হলে মাটি যাবে ভিজে। তখন আলুর বীজ বপনের কাজ পিছিয়ে যাবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।এছাড়াও এই ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গে জলীয় বাস্প ঢুকবে। যত তা পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের দিকে এগিয়ে আসবে ততই বঙ্গে জলীয় বাস্পের ঢোকা বৃদ্ধি পাবে। এর জেরে উত্তুরে হাওয়া ব্যাপক ভাবে বাধাপ্রাপ্ত হবে। ঠান্ডা যে আগামী কয়েক দিনে বাড়বে না তা নিশ্চিত ভাবে। ফলে জাঁকিয়ে শীত এখনই যে পড়ছে না, সেটা স্পষ্ট।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • West Bengal Weather Update: ধেয়ে আসছে ‘মিগজাউম’, কেমন থাকবে বাংলার আবহাওয়া ?

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    West Bengal Weather Update: কার্যত শীতের পথে কাঁটা ঘূর্ণিঝড়। আরও বাড়ল রাতের তাপমাত্রা। আগামী সপ্তাহে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রাজ্যের বেশ কিছু জেলাতে। সোমবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের উপকূল ও ওড়িশা সংলগ্ন জেলাগুলিতে। ‘মিউগাজম’এর প্রভাবে বঙ্গে বিঘ্নিত হবে শীতের আগমন। দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal) আগামী মঙ্গবার ও বুধবার থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। কলকাতা-সহ ১০ জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা কলকাতা, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমানে। সপ্তাহান্তে উপকূলীয় এলাকাগুলির হাওয়া বদলের সম্ভাবনা প্রবল। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর মিলেছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে রয়েছে নিম্নচাপ। তা এগোচ্ছে পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে।

    মিগজাউমের ল্যান্ডফল কোথায়?

    আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর মিলেছে,৪ ডিসেম্বর অর্থাৎ সোমবার দুপুরে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ এবং উত্তর তামিলনাড়ু সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের পশ্চিম-মধ্যভাগে পৌঁছবে। ৫ ডিসেম্বর অর্থাৎ মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ নেল্লোর এবং মাছিলিপত্তনমের মাঝখান দিয়ে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রবেশে আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়। ৩ ও ৪ তারিখ বাংলার কোথাও কোনও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। কিছু জায়গায় আংশিক মেঘলা আকাশ থাকতে পারে।

    গতিবেগ কেমন থাকবে?

    এই ঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৮০-৯০ কিলোমিটার। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ১০০ কিলোমিটার ছাড়াতে পারে।

    উল্লেখ্য, দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে ক্রমেশ ফুঁসছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী , এই ঘূর্ণিঝড় পুদুচেরি থেকে পূর্ব ও দক্ষিণপূর্ব দিকে ৬৩০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। ৭৪০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে নেল্লোর থেকে দক্ষিণপূর্বে এই ঘূর্ণিঝড়টি। তাপমাত্রার কোনও পতনের নতুন করে সম্ভাবনা নেই। বরং কিছুটা ১-২ ডিগ্রি বাড়তে পারে বা যেটা আছে সেটাই থাকবে। আপাতত ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত শীতের আমেজ উধাও হবে দক্ষিণবঙ্গে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

     

  • Cyclone Michaung: মিগজাউমের ধাক্কা এপার বাংলাতেও ? এক্স্যাক্টলি ল্যান্ডফল কোথায়, ভাইটাল ৪৮ ঘন্টা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Michaung: মিগজাউমের ধাক্কা এপার বাংলাতেও? বাংলাদেশ রেডি তো? কতটা রিস্কে অন্ধ্র ওড়িশা? লাস্ট মিনিটে ঘুরবে খেলা? বাংলাদেশ নাকি এপার বাংলা, এক্স্যাক্টলি ল্যান্ডফল হবে কোথায়? কোথায় কোথায় মিগজাউমের এফেক্টে বন্যা, ভূমিধসের আশঙ্কা? কি ঘটবে ভাইটাল ৪৮ ঘন্টায়? কিভাবে তৈরি হবে বাংলাদেশ? ইলেভেন্থ আওয়ারে বিগড়ে যাচ্ছে আবহাওয়া? বদলে যাচ্ছে নাকি ল্যান্ডফলের অভিমুখ? মিগজাউম এর আসল ভয় টা কোথায় জানেন? আবহবিদরা কিন্তু এখনও নির্দিষ্ট ভাবে ধরতে পারছেন না কোন দিকে ধেয়ে আসছে মিগজাউম।এপার বাংলাতেও চাপা অস্বস্তি। সিস্টেমটা তৈরি হয়ে গেছে অলরেডি। সামনের ভাইটাল সময়টাতে নিম্নচাপ গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। ডিসেম্বরের ৩ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা। ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিলে এর নাম হবে মিগজাউম।

    ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম ঘিরে ভারতের ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গে টেনশন বাড়ছে। ক্ষতি এড়াতে আগে থেকেই সতর্কতা জারি সাত সাতটা জেলায়। ওড়িশা সরকার নিম্নচাপ এবং সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সাতটি উপকূলীয় জেলাকে সতর্ক করেছে। বালাসোর, ভদ্রক, কেন্দ্রাপাড়া, জগৎসিনপুর, পুরী, খুড়দা এবং গঞ্জামের জেলাশাসকদের কাছে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে ২রা ডিসেম্বরের মধ্যে নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীর-লাদাখ-গিলগিট-বালতিস্তান-মুজফফরাবাদে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বিস্তীর্ণ এলাকায় হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস ছিলই। পরবর্তী দুদিনেও হাল্কা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা উত্তর-পশ্চিম ভারতের সমতল এলাকায়। আগামী দুদিনে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা, পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ, পূর্ব মধ্যপ্রদেশ এবং বিদর্ভ এলাকায়।

    হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা, মধ্য মহারাষ্ট্র, মারাঠাওয়াড়াতেও। আগামী পাঁচ দিন বিস্তীর্ণ এলাকায় হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, কড়াইকাল, কেরল ও মাহেতে। ১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, কড়াইকালে। কেরল ও মাহেতেও একই পরিস্থিতি হওয়ার চান্স। আবহবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন, ঘূর্ণিঝড়টা ডিসেম্বর মাসের ৩ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের উপকূল থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মধ্যবর্তী কোনো এলাকার উপকূলে আছড়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে কিন্তু, কিছু আবহাওয়ার মডেল জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম অন্ধপ্রদেশ উপকূলে বিজয়ওয়াড়া অথবা ওড়িশা উপকূলের ভুবনেশ্বরের মাঝামাঝি কোথাও ল্যান্ডফল করতে পারে।

    অতএব কোথায় আছড়ে পড়বে মিগজাউম সেটা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ রয়েছে। এর জন্য বাংলা জুড়ে ঠিক কি এফেক্ট পড়বে? আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সপ্তাহান্তে আবহাওয়ার বদল হবে উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে। পুরোপুরি মেঘলা আকাশ থাকবে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশ কিছু জেলাতে! রাতের তাপমাত্রা বাড়বে দক্ষিণবঙ্গের উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলোতে। পশ্চিমের জেলায় শীতের আমেজ একটু বেশি থাকবে। আর, কলকাতায় আপাতত আংশিক মেঘলা আকাশ, রাতের তাপমাত্রা বাড়বে। কমবে দিনের তাপমাত্রা। সকাল সন্ধ্যা শীতের হালকা আমেজ থাকলেও বেলার দিকে গরম। সপ্তাহের শেষে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে।শীতের আমেজ কমে বাড়বে উষ্ণতা। মেঘলা আকাশ ও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা।

    অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে পার্বত্য এলাকা ছাড়া আপাতত মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশ। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উইকেন্ডে দার্জিলিং কালিম্পং এ হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে আবহাওয়া দফতরের। আগামী তিন চার দিনে উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকবে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাতে একই রকম পরিবেশ শুকনো আবহাওয়া থাকবে আরও চার-পাঁচ দিন। মিগজাউমের গতিপথ পরিবর্তনের বিষয়টাতেই ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। দুই বাংলাই উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় সময় কাটাচ্ছে। মিগজাউম কোথায় কবে ল্যান্ডফল হবে এখন সুনিশ্চিতভাবে সেটাই জানার অপেক্ষা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Michaung: ডিরেক্ট বাংলাদেশে হিট করবে মিগজাউম? সেন্টমার্টিন কতটা রিস্কে। ল্যান্ডফলেই ভয়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Michaung: ডিরেক্ট বাংলাদেশে হিট করবে মিগজাউম ? আবার কি তছনছ হতে পারে ওপার বাংলার এই দ্বীপ? সেফ নয় বরিশাল, চট্টগ্রাম ও? আবহবিদ মোস্তফা কামাল পলাশের আশঙ্কা মিলে গেলে, কতটা রিস্কে বাংলাদেশ? জলোচ্ছ্বাস, ভূমিধসের আশঙ্কা?মিগজাউমের এফেক্টে এপার বাংলাতেও টানা বৃষ্টি? এক্স্যাক্টলি ল্যান্ডফল কবে, কোথায়? নজর রাখুন মিগজাউমের ফ্রেস আপডেটে।সাবধানতা অবলম্বন করুন, নিরাপদে থাকুন। ২৯ নভেম্বর থেকেই কিন্তু খেলাটা শুরু হয়ে যাবে। মিগজাউমের সিস্টেমটাই ভয়ঙ্কর। অলরেডি আবহাওয়া বিগড়ে যাচ্ছে।

    আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে তৈরি হওয়া লঘুচাপ শক্তি সঞ্চয় করে ২৯ নভেম্বর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এর পর নিম্নচাপটি ডিসেম্বর মাসের ১ তারিখ থেকে ৩ তারিখের মধ্যে গভীর নিম্নচাপে ও ডিসেম্বর মাসের ৩ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা।  ঘূর্ণিঝড়ের রুপ নিলে এর নাম হবে “মিগজাউম”। ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম ঘিরে বাংলাদেশের টেনশন বাড়ছে। মিগজাউম ঘূর্ণিঝড় হামুন ও মিধিলির থেকেও বেশি শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে।
    ক্ষতি এড়াতে আগে থেকেই পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন আবহবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ। এমনকি ঘূর্ণিঝড়টা হিট করার আগেই পর্যটকরা সেন্টমার্টিন দ্বীপ না ছাড়লে আটকা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রাণহানি ও নৌকাডুবি এড়াতে অবশ্যই খুব তাড়াতাড়ি উপকূলে ফেরত আসতে হবে সমুদ্রে যাওয়া জেলেদের। ঘূর্ণিঝড়টি ডিসেম্বর মাসের ৩ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের উপকূলে থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মধ্যবর্তী কোনো এলাকার উপকূলে আছড়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

    অলরেডি, কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশের ফেসবুক পোস্টের এইসব আশঙ্কা ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে। অধিকাংশ আন্তর্জাতিক আবহাওয়া কেন্দ্রের মডেল পূর্বাভাসে বাংলাদেশের উপকূলের দিকেই ঘূর্ণিঝড়টা এগোতে পারে বলে উল্লেখ। মিগজাউম আঘাত আনলে তা হবে চলতি বছর বাংলাদেশে চতুর্থ ঘূর্ণিঝড়ের অ্যাটাক। আবহবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ বলছেন, সম্ভাবনা বেশি যে এই ঘূর্ণিঝড়টিও একই পথে উপকূলে আঘাত করার, যে পথে আঘাত হেনেছিল ঘূর্ণিঝড় মিধিলি। অর্থাৎ বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যবর্তী উপকূলীয় জেলাগুলোর ওপর দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টির স্থল ভাগে প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এলাকায় অলরেডি ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করে দেওয়া হয়েছে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ অঞ্চলে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া ২৯ নভেম্বর ও ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিতে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। শুধু বাংলাদেশ নয়, রিস্কে আছে ভারত, মিয়ানমারও।

    গত ১৭ নভেম্বর বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’। আঘাতের সময় পটুয়াখালীতে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০২ কিলোমিটার। কম ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। প্রাণহানি ও হয়েছে। আর এবার ধেয়ে আসছে মিগজাউম। এপার বাংলায় মিগজাউম এর তেমন এফেক্ট পড়বে না বলেই মনে করছেন আবহবিদরা। বাংলায় সমুদ্র থাকবে উত্তাল। ওপো গুলি ও জেলাগুলোতে আকাশ থাকবে মেঘলা। জেলায় জেলায় পারদ পতন আগেই শুরু হয়েছিল। ক’দিন ধরে কলকাতা এবং লাগোয়া এলাকাগুলিও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির নীচে নেমেছে। শীত প্রায় এসে গিয়েছে ধরে নিয়ে লেপ, কম্বলও বেরিয়ে পড়েছে। কিন্তু শীতের আসার পথে বড় বাধা ঘূর্ণাবর্ত। জানা গেছে, আগামী কয়েক দিনে কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকাগুলিতে তাপমাত্রা আপাতত ২০ ডিগ্রির আশপাশেই থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে কার্যত শীতের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হবে।

    ইতিমধ্যেই পুরুলিয়া, বাঁকুড়া সহ পশ্চিমের বেশ কিছু জেলায় তাপমাত্রা ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে। পশ্চিমে তাপমাত্রা আরও নামতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে, মিগজাউম সৃষ্টি হলে সেটি হবে চলতি বছরের সবথেকে বড় ঘূর্ণিঝড়, ইঙ্গিত সাইক্লোন বিশেষজ্ঞদের। বছর শেষের এই বড় ঘূর্ণি বিপর্যয়কে কিভাবে সামাল দেবে বাংলাদেশ, মিয়ানমার। এটাই এখন সব থেকে বড় প্রশ্ন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Migzaum: ভারত-বাংলাদেশে আছড়ে পড়বে মিগজাউম ? ফুটছে সাগর, ম্যাসিভ পরিবর্তন, কতটা রিস্কে বাংলা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Migzaum: দৈত্যের গতিতে আছড়ে পড়বে মিগজাউম? ফুঁসছে সাগর, ভারত বাংলাদেশে সাঙ্ঘাতিক এফেক্ট? সাইক্লোনিক সার্কুলেশন তৈরির সিস্টেম শুরু। বাংলার কোন কোন জেলা রেড অ্যালার্টে? মিগজাউম আসার আগেই আবহাওয়ার ম্যাসিভ পরিবর্তন। সামনের ৭২ ঘন্টায় ট্রেলার? শীতের মাঝে ঝড় বৃষ্টি শুরু কবে? দুই বাংলায় টেনশন বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম। ব্যাক টু ব্যাক ঘূর্ণাবর্ত। তছনছ হবে কোন কোন দেশ? কোথায় কোথায় মিগজাউম এর ফাঁড়া? মিগজাউম যথেষ্ট পাওয়ারফুল হতে পারে বলে প্রাথমিক পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।আশঙ্কা করা হচ্ছে ভারত, বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। ফলে ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। এখনও পর্যন্ত মৌসম ভবনের তরফে সরাসরি কিছু জানানো হয়নি।

    আগেও পূর্বাভাস ছিল, মিগজাউম এর বড়সড় এফেক্ট পড়ার চান্স দক্ষিণবঙ্গে। দক্ষিণের জেলাগুলোতে ও উত্তরবঙ্গের একাংশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু জেলায় বইতে পারে ঝোড়ো দমকা হাওয়া। ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নিলে এই ‘নিরক্ষীয় ঝঞ্ঝা’ -র নাম হবে ‘মিগজাউম’। ২৭ নভেম্বর মানে সোমবার থাইল্যান্ড উপসাগর থেকে একটি পাওয়ারফুল সিস্টেম বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করবে। সেই শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্তটা ক্রমশ উত্তর পশ্চিমদিকে এগিয়ে আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করবে। ২৯ নভেম্বর শক্তি বাড়িয়ে সেই ঘূর্ণাবর্তটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ২ রা ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া ওড়িশা উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে।

    তাই আপাতত, ২৯ নভেম্বর ঘূর্ণাবর্তটা ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নেয় কিনা, সেদিকেই নজর রাখছেন আবহবিদরা। মনে করিয়ে দিই, পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা একেবারে কান ঘেঁষে বেঁচে গেলেও ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’-র দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশ। সেই রেশ মেলাতে না মেলাতেই এবার ‘মিগজাউম’-র আশঙ্কা। যদিও এখনও পর্যন্ত বড়সড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা একরকম নেই বললেই চলে। সুতরাং এখনই চিন্তার কোনও কারণ নেই। তবে বর্ষা-পরবর্তী সময়ে সার্বিক ভাবে ভারত মহাসাগর ও নির্দিষ্ট ভাবে বঙ্গোপসাগরে যে ভাবে ঘূর্ণিঝড় দানা বাঁধছে, সেই বিষয়টা আবহবিদদের কাছে খুব একটা সুবিধার ঠেকছে না। যেমন শুধু মিগজাউম নয়, তার আগে ফেস করতে হবে আরেক ঘূর্ণাবর্ত‌ নিম্নচাপ।

    ভারতীয় মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে চলেছে। যা রবিবার নিম্নচাপে পরিণত হবে। সেই এফেক্টে রবি এবং সোমবার আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কয়েকটি জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। হাতেগোনা কয়েকটি জায়গায় ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সঙ্গে চলবে ঝোড়ো হাওয়া, এর বেগ পৌঁছে যেতে পারে ৬৫ কিমিতে।তাহলে কী ঝড় বৃষ্টির মাঝেই হুরমুড়িয়ে নামবে তাপমাত্রা? দেখার মতো পারদ পতন ঘটবে? পূর্বাভাস বলছে, বাংলায় শীতের অনুকূল পরিস্থিতি থাকলেও পাকাপাকিভাবে এখনই জাঁকিয়ে শীত নয়, বলছেন আবহবিদরা। ফলে আপাতত পুরো ফোকাস থাকছে মিগজাউম এর উপরেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Michaung: ধেয়ে আসছে মিগজাউম! টগবগিয়ে ফুটবে সাগর। ভারত- বাংলাদেশে তুমুল দুর্যোগ ? কতটা রিস্কে দুই বাংলা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Michaung: তছনছ করতে ধেয়ে আসছে মিগজাউম! ভারত-বাংলাদেশ কতটা রিস্কে? টগবগিয়ে ফুটবে বঙ্গোপসাগর। বাংলাতেও সাঙ্ঘাতিক এফেক্ট? কোন কোন জেলা চলে যাচ্ছে রেড অ্যালার্টে? মোকার ডিটো? জলবন্দী ১৪০ কোটির ভারত? সামনের ৪৮ ঘন্টায় কী ঘটতে যাচ্ছে? ঝড় বৃষ্টির মাঝেই হুহু করে নামবে তাপমাত্রা?  ব্যাক টু ব্যাক ঘূর্ণাবর্ত। মিধিলি ভুলে যান। ভারত কাঁপাবে মিগজাউম?শীতের মাঝেই ছুটে আসছে কোন ভয়ঙ্কর দুর্যোগ? পূর্বাভাস বলছে, মিগজাউম এর বড়সড় এফেক্ট পড়ার চান্স দক্ষিণবঙ্গে। দক্ষিণের জেলাগুলোতে ও উত্তরবঙ্গের একাংশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু জেলায় বইতে পারে ঝোড়ো দমকা হাওয়া। টেনশন বাড়ার যথেষ্ট কারণ আছে। ঘূর্ণিঝড়টি যথেষ্ট শক্তিশালী হতে পারে বলে প্রাথমিক পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার নাম হবে মিগজ়াউম। এখন কতটা ভয়ঙ্কর রুপ ওই ঘূর্ণিঝড়ের? এটা কিন্তু আপনার জেনে রাখা দরকার।

    ২৭ নভেম্বর থাইল্যান্ড উপসাগর থেকে একটি পাওয়ারফুল সিস্টেম বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করবে। সেই শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্তটা ক্রমশ উত্তর পশ্চিমদিকে এগিয়ে আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করবে। ২৯ নভেম্বর শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে ঘূর্ণাবর্তটি। এর পর সেটি ক্রমশ উত্তর দিকে এগোতে থাকবে। ২ রা ডিসেম্বর সেটি পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া ওড়িশা উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে। আর বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে পূর্বাভাস মিলে গেলে মিগজাউম এর জন্য রাজ্যে শীতকালীন চাষে ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। যার জেরে বাড়তে পারে কাঁচা সবজির দাম। ঘূর্ণিঝড় মিধিলির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে বাংলা৷ কিন্তু মিগজাউম? তৈরী হলে এটা কিন্তু সাঙ্ঘাতিক শক্তিশালী হবে। শুধু মিগজাউম নয়, তার আগে বাংলার মানুষকে ফেস করতে হবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা।নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে বৃহস্পতিবার। এই মুহূর্তে দুটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে বঙ্গোপসাগরে। সঙ্গে রয়েছে একটি অক্ষরেখা। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তামিলনাডু উপকূল এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত এবং অন্য ঘূর্ণাবর্তটি রয়েছে পুরোপুরি কোমোরিন এলাকায়। শ্রীলংকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম ও পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় পর্যন্ত একটি পুবালি অক্ষরেখাও রয়েছে।

    সাধারণত বর্ষা বিদায়ের পর থেকেই ধীরে ধীরে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন হয়। বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় দখিনা বাতাসের পরিবর্তে শুষ্ক, ঠান্ডা উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে শুরু করে। তার জেরেই তাপমাত্রা নামে। তবে বঙ্গোপসাগরে আচমকা কোনও ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপ তৈরি হলে উত্তুরে হাওয়া বাধা পায়। তাতে তাপমাত্রার পতনও থমকে যায়। যদিও আপাতত তেমন কোনও সম্ভাবনা দেখছেন না আবহাওয়াবিদরা। তাহলে কী এরমধ্যেই জাঁকিয়ে শীত পড়ার দিনক্ষণ ঠিক? অলরেডি ২০ ডিগ্রির নিচে গেছে পশ্চিমের জেলাগুলোর তাপমাত্রা। সপ্তাহের শেষ দিকে যা ১৫ ডিগ্রিতে পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে।আগামী চার পাঁচ দিনে পশ্চিমবঙ্গের কম-বেশি জেলাগুলোতেই দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমবে। তবে রাজ্যে শীতের অনুকূল পরিস্থিতি থাকলেও পাকাপাকিভাবে এখনই শীত নয়, বলছেন আবহবিদরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • CYCLONE MIDHILI: বাংলাদেশে আছড়ে পড়বে মিধিলি ? কতটা রিস্কে বাংলা, ২৪ ঘন্টাতেই ভয়ানক রূপ, সাগরে তোলপাড়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    CYCLONE MIDHILI: মিধিলির চক্রব্যূহে ফুঁসছে সাগর। ভয়ে তটস্থ বাংলাদেশ, দুর্যোগের কাঁটা ভারতেও। মোকার মতোই অ্যাটাক করবে না তো? বাংলাদেশের কোন কোন জোনে বাড়ছে রিস্ক? বাংলার কোন কোন জেলা রেড অ্যালার্টে? কতটা শক্তিশালী এই মিধিলি? টেনশন বাড়াচ্ছে আইএমডির ওয়েদার অ্যালার্ট। সামনের ২৪ ঘণ্টাতেই শুরু তুমুল তাণ্ডব? বঙ্গোপসাগরে একটা মারাত্মক সিস্টেম তৈরি হয়েছে। তার জেরেই কি তোলপাড় হবে বাংলা? কি বলছে রিপোর্ট? ফুঁসছে সাগর, তাই আগেভাগেই মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আইএমডি। অন্ধ্র এবং ওড়িশা উপকূলে এর এফেক্ট পড়তে শুরু হয়ে গেছে।বাংলাতেও এর প্রভাব কম পড়বে না। উপকূলের ৩ জেলায় তুমুল দুর্যোগের আশঙ্কা। বেশি প্রভাব পড়বে সুন্দরবনে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরে! কলকাতা-সহ দক্ষিণের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে! দমকা বাতাস বইছে উপকূলে। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০-৭০ কিলোমিটার অবধি হতে পারে বলে আশঙ্কা।

    ভারতের মৌসম ভবন বলছে, অলরেডি বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।
    আরও শক্তি বাড়িয়ে সেটি অতিগভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে চলেছে আগামী কয়েকদিনে। এই সিস্টেমটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে তার নাম হবে – মিধিলি। এই নামটি মলদ্বীপের দেওয়া। এই ঝড়ের দরুণ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাকা ধান নষ্টের শঙ্কা যেমন থাকছে, তেমন সবজিতে পচন ধরে গিয়ে তা নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। শুধু তাই নয় বৃষ্টির জলে মাটি ভিজে গেলে পিছিয়ে যেতে পারে আলু চাষও। বাংলার পাশাপাশি টেনশন বাড়ছে বাংলাদেশেও।

    হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, হামুনের মতো ঘূর্ণিঝড় মিধিলিও বাংলাদেশে যাবে। অলরেডি গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এটা মিধিলি আসার পূর্ব সংকেত।মৌসম ভবন জানিয়েছে, শনিবার ভোররাতে মংলা-খেপুপাড়া উপকূল হয়ে বাংলাদেশের স্থলভাগে ঢুকবে এই ঘূর্ণিঝড়। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, মিধিলি উত্তর ও উত্তর-পূর্বে বাংলাদেশের দিকেই এগোচ্ছে। তবে এটা কখন আঘাত হানবে তা এর বডির গতির ওপর নির্ভর করছে। তাই সেই ব্যাপারে এখনো নির্দিষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। মিধিলি খুলনা ও বরিশালের মাঝখান দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।যে কোনও সময় গতিপথ পরিবর্তনও করতে পারে। সেই মতোই মিধিলি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ।

    জানা যাচ্ছে, মিধিলি একটি সাধারণ সাইক্লোন হবে। এটি খুব দ্রুত ঘনীভূত হয়েছে। এর এগোনোর গতিও বেশি। শুক্রবার সকালের মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ের পরিণত হলে, পরবর্তী ১৮ ঘণ্টার মধ্যে তা উপকূল অতিক্রম করতে পারে। উপকূল অতিক্রমের সময় এর গতি থাকতে পারে ৫৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ ৭৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। বাংলাদেশ বলছে ‘গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে সতর্ক সংকেত বাড়বে! সংকেত বেড়ে পাঁচ, ছয়, সাত পর্যন্ত যেতে পারে। অতএব এটা স্পষ্ট বাংলা থেকেও বাংলাদেশের রিস্ক বেশি মিধিলির জন্য।পুরো সিস্টেমটার জন্য বাংলাদেশে শনি এবং রবিবারও বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version