Tag: Child

  • Dog Attack Video: ভয়ানক দৃশ্য! প্রকাশ্য রাস্তায় ৪ বছরের শিশুকে ছিঁড়ে খেল কুকুর, দেখুন ভিডিও

    Dog Attack Video: ভয়ানক দৃশ্য! প্রকাশ্য রাস্তায় ৪ বছরের শিশুকে ছিঁড়ে খেল কুকুর, দেখুন ভিডিও

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Dog Attack Video: সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ঘুরছে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য, যা দেখলে আঁতকে উঠবেন। ৪ বছর বয়সী ছোট্ট ছেলের অবস্থা দেখলে শিউরে উঠে ভাববেন সেখানে কেন কেউ সাহায্য করতে এগিয়ে গেল না। ঘটনাটি ঘটেছে প্রকাশ্য রাস্তায়। সেই রাস্তায় এক দল কুকুর ছাড়া আর কেউ ছিল না। দিনের আলোয় ৪ বছরের প্রদীপকে আক্রমণ করেছিল একদল বিপথগামী কুকুর। ঘটনাটি ঘটেছে হায়দ্রাবাদে (Hyderabad)।

    হায়দ্রাবাদের একটি হাউসিং সোসাইটিতে একদল বিপথগামী কুকুর ৪ বছর বয়সী প্রদীপকে আক্রমণ করে। শিশুটিকে গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে। প্রকাশ্যে এসেছে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ। ভিডিওটিতে দেখতে পাওয়া যায় প্রদীপ একা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল বেশ কয়েকটি বিপথগামী কুকুর। তারা হঠাৎ ওই শিশুকে আক্রমণ করে। শিশুটি প্রথমে পালানোর চেষ্টা করলেও পারেনি। মুহূর্তে শিশুটিকে কুকুরের দল মাটিতে ফেলে দিয়ে আঁচড়াতে থাকে।

     

    জানা যায়, শিশুটির বাবা গঙ্গাধর ওই আবাসিক কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা রক্ষী হিসেবে কাজ করেন। ছেলের কান্না শুনে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করে। এই ঘটনায় স্থানীয় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ধরনের ঘটনা এই প্রথম নয়। দুই সপ্তাহ আগে গুজরাতেও এমন ঘটনা ঘটেছিল। গুজরাতের সুরাটে কিছু বিপথগামী কুকুরের আক্রমণে এক ৪ বছরের বালক মারা গিয়েছে. গত জানুয়ারিতে বিহারেও একটি বিপথগামী কুকুরের কারণে প্রায় ৮০ জনের বেশি মানুষকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল।

    হঠাৎ কুকুর তাড়া করলে কি করবেন কী করবেন?

    রাস্তায় হঠাৎ কুকুরকে দেখে অনেকেই ভয় পেয়ে থাকেন। যদি দেখেন কুকুর বিনা কারণে আপনার দিকে তেড়ে আসছে, সেই সময় নার্ভাস না হয়ে উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগাতে হবে। এক্ষেত্রে নার্ভাস হয়ে ভুল করলে কামড় খাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি বাইকে বা সাইকেলে থাকেন তাহলে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে যান কিংবা খুব দ্রুত গাড়ি চালিয়ে সেই স্থান থেকে চলে যান। যদি কুকুর আপনাকে কামড়াতে আসে সেই জায়গায় থেমে কুকুরটির উপর জোরে চিৎকার করুন। এক্ষেত্রে অধিকাংশ কুকুর ভয় পেয়ে পালিয়ে যায়। এই সময় নিজেকে যতটা সম্ভব শান্ত রাখার চেষ্টা করুন। কারণ মানুষের ভয়-ভীতি কুকুর কিন্তু টের পায়। কুকুরের সঙ্গে সরাসরি চোখাচোখি না করে আড়চোখে দেখুন। কুকুরের মুখোমুখি দাঁড়াবেন না। যদি হাতের কাছে কোন লাঠি থাকে তাহলে অন্যদিকে ছুঁড়ে দিন। কুকুরটির মনোযোগ আপনাদের থেকে সরে যাবে। যদি ভুলেও কুকুর কামড়ায় তাহলে দেরি না করে দ্রুত জায়গাটি সাবান জল দিয়ে ধুয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Adeno Virus: শিশুকে অ্যাডিনো ভাইরাস থেকে বাঁচাতে বাড়িতে কী করবেন? খাওয়ান বিশেষ খাবার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Adeno Virus: করোনা (Corona) থেকে এখনো পর্যন্ত গোটা বিশ্বে রেহাই মেলেনি। ভারতে এখন করোনা সংক্রমণ কম, কিন্তু তাতেও স্বস্তি নেই। নতুন করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস (Adeno Virus)। কলকাতার (Kolkata) অবস্থা বেশ খারাপ। আইসিইউ বেড পাওয়া যাচ্ছে না। এক থেকে দেড় বছরের শিশুরা এই ছোঁয়াচে ভাইরাসে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। শহর থেকে জেলা, সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে শিশু বেডের অভাব। রবিবার পর্যন্ত এই ভাইরাসের জেরে পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১১ জন শিশুর। যদি দেখেন শিশু দীর্ঘদিন ধরে কাশছে, ঠান্ডা লেগেছে, ঘন ঘন জ্বর হচ্ছে তাহলে বিষয়টি একেবারেই হালকা ছলে নেবেন না। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। শীতের শেষ বেলায় আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে জ্বর, সর্দি, কাশি স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু করোনার পর পরিস্থিতি বদলেছে। একের পর এক চেনা রোগ ধরা দিচ্ছে অচেনা রূপে। তাই বাড়িতেই শিশুর বিশেষভাবে যত্ন নিন। অ্যাডিনো ভাইরাস অ্যাটাক করার আগেই শিশুকে সাবধানে রাখুন।

    অ্যাডিনো ভাইরাসের লক্ষণ

    • দীর্ঘদিন কাশি
    • দীর্ঘদিন ঘন ঘন তীব্র জ্বর
    • গলা ব্যথা
    • চোখ লাল হয়ে যাওয়া
    • শ্বাসকষ্ট
    • নাক দিয়ে জল পড়া
    • সর্দি
    • হাঁপানি
    • ফুসফুস, পেটে, চোখে ইনফেকশন

    কিভাবে শিশুকে সাবধানে রাখবেন?

    • এই ভাইরাস বেশ ছোঁয়াচে। শিশুকে ভিড় এলাকা থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখুন।
    • বাইরে থেকে এলেই শিশুর পোশাক পরিবর্তন করে দিন এবং হাত ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধুয়ে দেবেন।
    • করোনার মতই বাইরে বেরোলে শিশুর মুখে যেন মাস্ক থাকে। মাঝে মাঝে হাতে স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।
    • বাড়ির খুদেকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব অভিভাবকদের উপর। তাই এই সময়ে অভিভাবকদেরও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা উচিত। এই ভাইরাসকে বড়রা রুখে দিলেও, শিশুরা পারবে না।

    শিশুকে কী খাওয়াবেন?

    এই সময় শিশুদের খাবারের তালিকার দিকে একটু বিশেষভাবে নজর রাখুন। চেষ্টা করুন প্রতিদিনের খাবারের পাতে একটু তিতো রাখার। সেক্ষেত্রে নিমপাতা কিংবা উচ্ছে রাখতে পারেন। এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন মাছ, মাংস, সয়াবিন, মসুর ডাল, ডিম এই ধরনের খাবার শিশুদের খাওয়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য খাবারে ব্যবহার করতে হবে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ লবঙ্গ, দারুচিনি, কাঁচা হলুদের মত মসলা। খাবার হজমের সাহায্য করে টক দইয়ের ফার্মেন্টেড এনজাইম। এটি লিভারকে সুস্থ রাখে। যদি শিশু টক দই না খেতে চায় তার পরিবর্তে দুধ খাওয়াতে পারেন। খেয়াল রাখবেন শিশু শরীরে যেন কোনো ভাবেই ডিহাইড্রেশনের সমস্যা তৈরি না হয়। তাই পরিমিত পরিমাণে জল পান করানো উচিত। শিশুকে কি খাওয়াবেন আর কি খাওয়াবেন না, এই বিষয়ে অবশ্যই একজন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে নেবেন।

    অ্যাডিনো ভাইরাসের সংক্রমণ আর ভাইরাল জ্বরের পার্থক্য বুঝবেন কীভাবে ?

    ভাইরাল জ্বরের ক্ষেত্রে দিন কয়েক পরেই শিশুরা সুস্থ হয়ে যায়। কিন্তু অ্যাডিনো ভাইরাসের ক্ষেত্রে একেবারে উল্টো। প্রায় ১৪ দিন পর্যন্ত জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। কখনো বা তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ১০৪ কিংবা ১০৬ ডিগ্রিতে। যেখানে প্যারাসিটামল ব্যবহার করেও খুব একটা সুরাহা মেলে না। জ্বরের সাথে আসতে পারে তীব্র কাঁপুনি। পাশাপাশি রয়েছে ফুসফুস, চোখ আর পেটে ইনফেকশন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Adeno Virus: রাজ্যে অ্যাডিনো ভাইরাসের ত্রাস, সতর্কতা স্বাস্থ্য দফতরের! শিশুকে বাঁচাতে কী করবেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Adeno Virus: করোনা ভীতি এখনো দূর হয়নি। তার মাঝেই একের পর এক নতুন আতঙ্ক এসে হাজির। কলকাতায় (Kolkata) হাসপাতাল গুলিতে শিশুদের জন্য আইসিইউ বেড পাওয়া বেশ মুশকিল। এক থেকে দেড় বছর শিশুরা সংক্রমিত হচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাসে (Adeno Virus)। বড়রা এই ভাইরাসের কবল থেকে বেঁচে গেলেও শিশুরা পেরে উঠছে না। অ্যাডিনো ভাইরাসকে নিয়ে রীতিমত উদ্বিগ্ন রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। কোভিড, হাম, রুবেলার পর অ্যাডিনো ভাইরাস ধীরে ধীরে মারাত্মক রূপ নিচ্ছে। হাসপাতালে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে শিশু রোগীর সংখ্যা। পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জারি করা হয়েছে একগুচ্ছ নির্দেশিকা।

    শিশু বা বড়দের ক্ষেত্রে ঘন ঘন জ্বর সর্দি কাশির মতো সমস্যাকে অবহেলা করবেন না। সাধারণত শীতের বিদায় বেলায় এই সমস্যাগুলো অত্যন্ত স্বাভাবিক, কিন্তু করোনার পর সেই পরিস্থিতি বদলেছে। এখন কোন বিষয়কে স্বাভাবিক ভাবে নিলে একটু ভুল করবেন। বিশেষ করে শিশুরা যদি টানা এক মাসের কাছে কাশতে থাকে, গলা ব্যথা হয়, চোখ ফুলে লাল হয়ে যায় পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট আর নিউমোনিয়ার সমস্যা দেখা দেয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এক্ষেত্রে ডায়রিয়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এগুলি অ্যাডিনো ভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ। আবহাওয়া বদল আর যেখানে ইমিউনিটি পাওয়ার কম সেখানেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে এই ভাইরাস। ইতিমধ্যেই কয়েকজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই ভাইরাসের জেরে একবার কাশি শুরু হলে আর থামতে চায় না।

    চিকিৎসকদের শব্দের পরামর্শ অনুযায়ী, অ্যাডিনো ভাইরাস থেকে বাঁচতে করোনা বিধির মতই নিয়ম মানতে হবে। বাইরে বেরোলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। পাশাপাশি ব্যবহার করতে হবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। শিশুদের ভিড়ের মধ্যে না নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। শুধু শিশু নয়, এই ভাইরাসের আক্রান্ত হচ্ছেন বয়স্করাও। দেখা দিচ্ছে শ্বাসকষ্টের সমস্যা। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আচমকা বায়ুবাহিত ভাইরাসের দাপট অপরদিকে জ্বর ঠান্ডার লাগার সমস্যা বেড়ে যাওয়ার পিছনে বিশেষ কারণ হল কলকাতার বায়ু দূষণ। এই সময় মাস্ক পরার উপর বিশেষভাবে নজর দিতে হবে।

    এই ভাইরাসের মোকাবিলায় হাসপাতাল গুলিকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল গুলিকে বেডের সংখ্যা বৃদ্ধি, অক্সিজেনের যোগান, আক্রান্তদের তথ্য অন্তর্ভুক্তের পাশাপাশি অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার প্রতি বিশেষভাবে নজর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কোন শিশু যদি এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয় সেক্ষেত্রে চিকিৎসকরা ওই শিশুকে স্কুলে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। যদি দেখেন শিশুর শ্বাস প্রশ্বাসে অস্বস্তি হচ্ছে, তিন থেকে পাঁচ দিন টানা জ্বরে ভুগছে কিংবা রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা প্রায় ৯২% থেকে কম তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Adeno Virus: অ্যাডিনো ভাইরাসের দাপটে কলকাতায় হাহাকার! শিশুকে কীভাবে সাবধানে রাখবেন? জানুন উপসর্গ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Adeno Virus: কলকাতায় (Kolkata) রীতিমত দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস (Adeno Virus)। এই ভাইরাসের প্রভাবে আতঙ্কিত শিশুদের বাবা-মা। ঘরে ঘরে দেখা দিচ্ছে জ্বর সর্দি কাশির মতো সমস্যা, আর তাতেই নাজেহাল ছোট্ট শিশুরা। এই সংক্রমণকে আটকানো যাচ্ছে না। শিশু হাসপাতাল গুলিতে দেখা গিয়েছে আইসিইউয়ের সংকট। অ্যাডিনো ভাইরাস কি? হঠাৎ করে গোটা কলকাতাকে কীভাবে গ্রাস করল? শিশুকে সাবধানে রাখতে আগে থেকে জেনে রাখুন উপসর্গ।

    ২০১৯ সালে এই ভাইরাসের জেরে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ১০জন শিশুর। শিশুদের জ্বর সর্দি কাশিকে স্বাভাবিক ঠান্ডা লাগা বলে উড়িয়ে দেবেন না। হয়ত ভাবছেন শিশু ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত কিংবা আবহাওয়া বদলের কারণে অসুস্থ হয়েছে। গুরুত্ব দিচ্ছেন না অ্যাডিনো ভাইরাসকে। তাহলে কিন্তু ভুল করছেন। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গেলে সমস্যা আরো বাড়তে পারে। এই ভাইরাসের সঙ্গে বড়রা মোকাবিলা করতে পারলেও শিশুদের পক্ষে তা বেশ কঠিন। সম্প্রতি কলকাতা শহরে বহু শিশু এই ভাইরাসে আক্রান্ত। যার কারণে চিন্তিত চিকিৎসকরা। ইতিমধ্যেই বহু হাসপাতালে আইসিইউ বেড পাওয়া যাচ্ছে না। প্রয়োজন থাকলেও শিশুদের রাখতে হচ্ছে জেনারেল বেডে। এই ভাইরাসের অতিরিক্ত প্রভাবে ক্ষতি হতে পারে ফুসফুসে। যার কারণে বড়সড় ঝুঁকি রয়েছে। যদি দেখেন শিশুর ঠান্ডা লেগেছে তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যেসব শিশুদের বয়স দুই বছরের কম তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি হচ্ছে। শিশু অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা সে ক্ষেত্রে পিসিআর পরীক্ষা করা হয়।

    এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে ঘন ঘন জ্বর, সর্দি, কাশির মতো সমস্যা লেগেই থাকে। পাশাপাশি গলা ব্যাথা হয়, চোখ ফুলে লাল হয়ে যায়। এছাড়াও রয়েছে শ্বাসকষ্ট আর নিউমোনিয়ার সমস্যা। অনেক ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও দেখা দিতে পারে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গত দেড় মাসে এই ভাইরাসের জেরে কয়েকজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকরা মনে করছেন, আবহাওয়া বদল আর কম ইমিউনিটি পাওয়ারের কারণেই এই ভাইরাসের এত বাড়বাড়ন্ত। বিষয়টি নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। আইসিইউ বেডের পাশাপাশি ভেন্টিলেটরের সাপোর্টের প্রয়োজন পড়ছে। চেনা অসুখ যেন অচেনা রূপে ধরা দিচ্ছে। একবার কাশি শুরু হলে আর কাশি থামতে চায় না। মাসখানেক ধরে শিশু কাশতে থাকলে বিষয়টিকে হালকা ছলে না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। শীতের শেষ বেলায় ঋতু পরিবর্তনের কারণে সর্দি কাশি স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে করোনার পর এই ভাইরাল রোগের প্রকোপ আগে থেকে অনেকটা বেড়েছে। এর ফলে মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে ফুসফুসের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Child Care: বাচ্চা খেতে চাইছে না, পুষ্টিতে বিশাল ঘাটতি! এই মজার খাবার চেটেপুটে খাবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Child Care: আপনার বানানো রকমারি খাবার কিছুতেই শিশু মুখে তুলছে না। যার কারণে আপনি কি বেজায় চিন্তায় আছেন? এই প্রতিবেদনে রয়েছে সমস্যার সমাধান। সঠিক ভাবে খাবার না খেলে শিশুদের দৈহিক এবং মানসিক বিকাশে বাধা তৈরি হয়। তাই সব বাবা মা শিশুকে প্রতিদিন পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার পেট ভরে খাওয়াতে চান। শিশুদের খাওয়া নিয়ে নানান বায়নাক্কা থাকে। অনেক মায়েরাই রীতিমত চিন্তায় পড়ে যান, কি রান্না করে দিলে তার বাচ্চা চেটেপুটে খাবে। পড়াশোনায় মনোযোগী করতে এবং শরীরের ইমিউনিটি বাড়াতে পুষ্টিকর খাবার অবশ্যই দিতে হবে। অথচ শিশুরা দুধ কিংবা নানা রকম ফল দেখলেই দৌড় দেয়। সুস্থ থাকতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাটাই আসল। এমন কিছু খাবার রয়েছে যা চটপট বানিয়ে শিশুদের সামনে দিলে তারা পেট ভরে খাবে আবার পুষ্টিতেও কোন ঘাটতি থাকবে না। ব্রেকফাস্টে রাখুন পুষ্টিগুণসম্পন্ন কিছু মজার খাবার।

    • সবজি এবং পনির স্যান্ডউইচ
    শাকসবজি এবং পনিরের সংমিশ্রণ সহ স্যান্ডউইচ সুস্বাদু একটি খাবার। আপনার বাচ্চার পেটের জন্য এটি খুব ভারী হবে না। সব থেকে ভালো ব্যাপার হল, স্যান্ডউইচ তৈরি করা সহজ এবং প্রস্তুত করার সময় আপনার বাচ্চাকে শেখাতেও পারেন। তারাও শীতের রঙিন সবজি দিয়ে স্যান্ডউইচ বানাতে বেশ মজা পাবে। সেক্ষেত্রে খাওয়ার প্রতি একটু হলেও আগ্রহ বাড়বে।

    • মুগ ডাল চিলা
    মুগ ডাল চিলা (Moog Dal Chilla) প্রোটিন সমৃদ্ধ। এটি আপনার বাচ্চার জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্ট হিসেবে পরিবেশন করতে পারেন। সকালে দুই টুকরো মুগ ডাল চিলা খেলে শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তির ঘাটতি পূরণ হয়।

    •ভার্মিসেলি উপমা
    ভার্মিসেলি উপমা (Vermicelli Upma) সবজিতে ভরপুর এবং আপনার বাচ্চাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। ভার্মিসেলি উপমা বিপাক ক্রিয়া উন্নত করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। আসলে উপমায় ব্যবহার করা হয় সিমাই। সিমাই মানেই যে মিষ্টি তা নয়। আপনার বাচ্চাকে সবজি দিয়ে এভাবে উপমা বানিয়ে দিতে পারেন।

    • মেথি পরোটা
    মেথি পরোটা পুষ্টিকর এবং প্রস্তুত হতে খুব বেশি সময় লাগে না। মেথি ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতেও সাহায্য করে। মেথি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো হজমের সমস্যাও দূর হয়।

    • ডালিয়া বা ভাঙা গমের উপমা
    শিশুর ব্রেকফাস্টের জন্য আরেকটি চমৎকার বিকল্প হল ভাঙা গমের উপমা কিংবা ডালিয়া (Dalia)। এটি আপনার বাচ্চার দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভরা থাকতে সাহায্য করে, পাশাপাশি সারা দিন জমিয়ে খেলাধুলা করার জন্য এনার্জি পাওয়া যায়। ভাঙা গম ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য পুষ্টি সরবরাহ করে।

    • সুইট কর্ন স্যালাড
    সুইট কর্ন স্যালাড (Sweet Corn Salad) সকালের খবরের জন্য দুর্দান্ত বিকল্প খাবার। সুইট কর্নে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। খাদ্যতালিকায় ফাইবার থাকলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং অন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকি হ্রাস করে। বড়রাও এই খাবারটি খেতে পারেন। এই খাবার আপনর বাচ্চাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য এনার্জেটিক এবং চনমনে রাখবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Budapest: আশ্চর্য! গোটা রেল স্টেশনের দায়িত্ব শিশুদের হাতে, কীভাবে নিয়োগ করা হয়?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Budapest: আপনি কি পাহাড় ঘেরা অরণ্যের মাঝে ট্রেনে করে ভ্রমণ করতে চান? তাহলে আপনার জন্য রয়েছে এক বিস্ময়কর জায়গা। প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখার পাশাপাশি উপরি পাওনা হিসেবে পাবেন নানান রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের সুযোগ। এখানে রয়েছে এমন এক রেলস্টেশন যার কাজকর্ম এক্কেবারে স্বাভাবিক কিন্তু স্টেশন যারা পরিচালনা করছেন তাদের দেখে অবাক হবেন। এখানে রেলস্টেশনে পরিচালকদের বয়স মাত্র ১০ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। ট্রেন ছাড়া, টিকিট চেক করা, টিকিট দেওয়া, যাত্রীদের সুবিধা অসুবিধার দিকে খেয়াল রাখা সবই করে শিশুরা। ট্রেনের সঙ্গে রং মিলিয়ে পরে থাকে নির্দিষ্ট পোশাক। তবে তাদের মন ভোলাতে এই কাজ দেওয়া হয় না। এখানে কাজ করতে গেলে যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হয়। মূলত মেধার উপর ভিত্তি করে তাদের নিয়োগ করা হয়। তারপর হয় প্রায় চার মাসের ট্রেনিং। সব কাজ ঠিকঠাক থাকলে কাজের জন্য প্রায় এক বছরের একটি লাইসেন্স। এমন আশ্চর্য রেলস্টেশন রয়েছে বুদাপেস্টে (Budapest)।

    একটা রেলস্টেশন প্রচুর কাজ থাকে। অনেক প্রাপ্তবয়স্করাই সেই কাজ সামাল দিতে রীতিমত হিমশিম খান। সেখানে প্রায় সত্তর বছর ধরে এই গোটা রেলওয়ে স্টেশন পরিচালনা করে আসছে ১০ থেকে ১৪ বছরের শিশুরা। গেলেই দেখতে পাবেন বাচ্চাগুলো কত ব্যস্ত। নিয়মিত যাত্রী আনা-নেওয়া, ট্রেনের সিগন্যাল দেখা, স্টেশন মাস্টারের কাজ, টিকিট চেকিং করা, টিকিট বিক্রি করা প্রভৃতি কাজ তারা ছোট্ট হাতে সুন্দরভাবে সামলাচ্ছে। ছোট ছোট বাচ্চাদের নিখুঁত কাজ দেখতেও ভাল লাগবে । এই বিশেষ রেল স্টেশনটি অবস্থিত হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে। স্টেশনের নাম জায়ারমেকভেসাট (Gyermekvasut) । বুদাপেস্টের পাহাড়ি এলাকার অরণ্যের বুক চিরে তৈরি হয়েছে ১১.২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রেলপথ। সেই রেল পথে চলে দুটি বগির বিশেষ ট্রেন। এই রেলপথটি পরিচালনার কাজে সমস্ত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করে আসছে কয়েকটি শিশু।

    ট্রেনটিতে দুটি বগি, একটি সাধারণ এবং অপরটি প্রথম শ্রেণীর। সাধারণ বগিতে কাঠের বেড থাকে এবং প্রথম শ্রেণীতে সবুজ ভেলভেটে ঢাকা নরম সিট। দুটো বগি সাজানো রয়েছে সুন্দর ডিজাইনে। আপনি ইচ্ছা করলে পুরো রেলপথটি ট্রেনে করে ভ্রমণ করতে পারেন, আবার মাঝ পথে নেমে গিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।

    রেলপথটির নির্মাণের কাজ সমাপ্ত হয়েছিল ১৯৫০ সালে। শোনা যায় সেই বছর থেকেই বর্তমান পর্যন্ত এই স্টেশনের পরিচালনার দায়িত্ব সম্পূর্ণ শিশুদের উপরে রয়েছে। প্রথমে মেধার ভিত্তিতে বাচ্চাদের বাছাই করে নেওয়া হয়। তারপর ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে তাদেরকে দক্ষ এবং দায়িত্বশীল হিসেবে গড়ে তোলা হয়। যদিও বাচ্চাদের সমস্ত কাজই থাকে প্রাপ্তবয়স্কদের নজরদারিতে। বাচ্চাগুলি অত্যন্ত দায়িত্বের সাথে কায়িক পরিশ্রম করে। প্রায় সারা বছরই রেলপথ চালু থাকে, পুরো রেল পথটি ঘুরে আসতে সময় লাগে ৪০ থেকে ৫০ মিনিট। এছাড়াও এই রেলস্টেশনের অপর একটি আকর্ষণ হল জাদুঘর, এখানে সংরক্ষিত রয়েছে বিভিন্ন পুরনো জিনিসপত্র এবং যন্ত্রপাতি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Parenting Tips: বাড়িতে রয়েছে ২-৪ বছরের সন্তান ? এই খাবারগুলি কিন্তু ভুলেও দেবেন না

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Parenting Tips: বাচ্চাদের সাধারণত এমন খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয় যা থেকে তাঁরা সম্পূর্ণ পুষ্টিগুণ পেতে পারে। তবে অনেক অভিভাবক মনে করেন বাচ্চার যদি কোন কিছুতে অ্যালার্জি (Allergy) না থেকে থাকে তাহলে তাকে অল্পবিস্তর সবকিছুই খাওয়ানো যেতে পারে। এই ধারণা একেবারেই ভুল। নির্দিষ্ট বয়স অনুযায়ী তাকে খাবার খাওয়ানো উচিত। আর বাড়িতে যদি থাকে দুই থেকে চার বছর বয়সের বাচ্চা (Child) তাহলে অবশ্যই তাকে খাবার খাওয়ানোর আগে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দুই চিন্তাই করে নেওয়া ভালো।

    অনেক বাবা- মাই নিজেদের ধ্যান-ধারণা অনুযায়ী বাচ্চাদের খাবার (Food) খাওয়াতে শুরু করেন। এক বছর বয়স হওয়া মাত্রই ফ্যাট ফ্রি বা লো ফ্যাট দুধ খাওয়াতে শুরু করেন। কারণ তাদের দৃঢ় বিশ্বাস ফ্যাট মানেই খারাপ জিনিস। চিকিৎসকরা সাধারণত শিশুদের লো ফ্যাট বা ফ্যাট ফ্রি (Fat Free) খাবার তখন খাওয়াতে বলেন যখন তাদের ওজন খুব দ্রুত হারে অস্বাভাবিক ভাবে বাড়তে শুরু করে। কিন্তু আপনার শিশুর যদি স্বাভাবিক বৃদ্ধি থাকে তাহলে এইভাবে তাঁর খাবার কখনই বদলে দেবেন না। এছাড়াও আরও কিছু খাবার রয়েছে যেগুলি ওই বয়সী বাচ্চাদের দেওয়া উচিত নয়।যেমন:

    • এখন সবকিছুই প্রায় প্যাকেটে ভরা পাওয়া যায়। প্যাকেটজাত বা ক্যানজাত খাবার থেকে বাচ্চাকে যত দূরে রাখা যায় ততই ভালো। কারণ সেই খাবারগুলি অনেক সময় জীবাণুমুক্ত করা থাকে না। সেগুলি হতে পারে ফলের রস এমনকি দুধও । তাই বাচ্চাদের সব সময় ফ্রেশ খাবার খাওয়ানো উচিত।
    • শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নয়, বাচ্চাদের জন্যও অতিরিক্ত চিনি যথেষ্ট ক্ষতিকারক। ফল কিংবা দুধে প্রাকৃতিক ভাবে কিছুটা মিষ্টি উপাদান থাকে। তাতে কোনো রকম ক্ষতি নেই। তবে চকলেট, চিনি , মিষ্টি সিরাপ এই ধরনের প্রসেস করা খাবার থেকে বাচ্চাকে যত দূরে রাখা যায় ততই শ্রেয় । কারণ এতে তাঁর শারীরিক স্বাস্থ্য ক্ষয় হতে পারে।
    • একটা দুই থেকে চার বছরের বাচ্চার দিনে ১২০০ মিলিগ্রামের বেশি সোডিয়ামের প্রয়োজন হয় না। সেই সোডিয়ামটি সে নুন অন্যান্য খাবার এমনকি দুধ থেকেও পেতে পারে। তাই কোনোভাবেই তাকে প্যাকেটের চিপস, ক্যানবন্দী চিপস অথবা ফ্রোজেন কোন খাবার খাওয়াবেন না। কারণ তাতে নুনের মাত্রা অত্যন্ত বেশি থাকে।
    • কাঁচা সবজি বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে কতটা উপকারী সেই সম্পর্কে কোন রকম সন্দেহ নেই। কিন্তু সেই সবজি কীভাবে খাওয়াতে হবে এটা জানা প্রয়োজন । বড় বড় টুকরো করে সবজি খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না । বরং সেই সবজিগুলিকে সেদ্ধ করে গলিয়ে খাওয়ান । এতে শ্বাসনালীতে খাবার আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে বাচ্চারা একটু বড় না হলে তাকে সূর্যমুখীর বীজ, কুমড়োর বীজ বাদাম অথবা যেকোনো ধরনের স্বাস্থ্যকর বীজ না খাওয়ানোই ভালো। ভুলবশত তা চিবানোর পরিবর্তে গিলে ফেললে হিতে বিপরীত হতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Child’s Appetite: খাবারে বড় অনীহা সন্তানের, কিছুতেই খেতে চায় না ? মা হিসেবে কী করণীয়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Child’s Appetite: বাড়িতে যদি ছোট বাচ্চা থাকে তাহলে খাওয়ার টেবিলে রোজ নতুন নতুন কাণ্ড বাধা একেবারেই অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়। খুব কম সংখ্যক বাচ্চা এমন রয়েছে যারা ছোট বয়স থেকেই সুন্দরভাবে নিজের খাবার নিজে খেয়ে নিতে পছন্দ করে। বেশিরভাগ বাচ্চাই খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে একাধিক বাহানা খুঁজে বের করে। পৃথিবীর সব থেকে কষ্টের কাজ তাদের কাছে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া (Eat Healthy Food) । তবে চিপস, লজেন্স, চকলেট, পেস্ট্রি এইগুলিতে কোনরকম সমস্যা নেই। বাচ্চাদের (Child) সঠিক খাবার খাওয়ানোর চেষ্টায় ক্লান্ত হয়ে পড়েন মায়েরাও (Mother)।

    রোজ যদি আপনার বাড়িতেও একই ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে মা হিসেবে আপনি কী করবেন ? অনেকেই বাচ্চাদের বকাঝকা করে খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। আবার কেউ গল্প করে এদিক ওদিকের কথা শুনিয়ে বাচ্চাদের খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। তবে এই বিষয়টির একটা স্থায়ী সমাধান অবশ্যই দরকার। সেই সম্পর্কিত কিছু তথ্যই দেওয়া হল আজকের প্রতিবেদনে।

    দিনের শুরুতে জলখাবার (Breakfast) হিসেবে আমরা যে খাবারটা খাই সেটা কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনভাবেই আপনার বাচ্চাকে জলখাবার স্কিপ করতে দেবেন না। সে যতই বাহানা করুক, আপনাকে আপনার কাজটি করতেই হবে। প্রয়োজন পড়লে কিছুটা কড়া হাতে দেখবেন বিষয়টি। একদিন দুদিন তিনদিন এইভাবে সময়মতো আপনার সন্তানকে সকালের খাবার খেতে বাধ্য করলে একটা সময় পরে এটাই তাঁর অভ্যাস হয়ে যাবে। আর ধীরে ধীরে জলখাবারের প্রতি যে অনীহার সৃষ্টি হয়েছিল সেটা কাটতে থাকবে । কিন্তু তাই বলে প্রতিদিন বাচ্চাদের একই ধরনের খাবার দেবেন না । ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একটু অন্য ধরনের খাবার দেওয়ার চেষ্টা করুন।

    বাচ্চাদের সব থেকে প্রিয় খাবার হল অস্বাস্থ্যকর (Unhealthy) চিপস, চকলেট, ভাজাভুজি এইসব। সন্তান কান্নাকাটি করবে এইজন্য হয়তো অনেক মা বাবাই তাঁর হাতে চিপসের প্যাকেট কিংবা চকলেট ধরিয়ে দেন । তবে এটা করা কখনই উচিত নয়। যতই আপনার খুদে জেদ করুক না কেন বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেবেন না। কারণ এইসব খাবার থেকে কোনরকম পুষ্টিগুণ আপনার সন্তানের শরীরে যাবে না বরং ক্ষতি হবে বেশি। বাচ্চাদের শারীরিক পরিশ্রম হচ্ছে কিনা এই দিকে নজর রাখবেন । ফোন হাতে দিয়ে বাড়ির মধ্যে বসিয়ে রাখবেন না। বরং বিকেলে কিছু সময়ের জন্য খেলতে পাঠান। যত দৌড়ঝাপ করবে তত তাঁর বিপাক হার ভালো থাকবে এবং খিদেও বাড়বে।

    শিশুদের জোর করে একেবারে অনেকটা খাবার খাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। সারাদিনে অল্প সময় অন্তর অন্তর তাদের অল্প পরিমাণে খাবার খাওয়াতে থাকুন। কখনও স্যুপ, কখনও ফল কিংবা কখন পুষ্টিকর স্যান্ডউইচ খাওয়াতেই পারেন। হঠাৎ করে যদি আপনার বাচ্চা খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেয় অথবা তাঁর খিদে না পায়, তাহলে বিষয়টি চিকিৎসককে জানানো প্রয়োজন। অনেক সময় বাচ্চাদেরও মানসিক অবসাদ ঘিরে ধরে। এই বিষয়টি একেবারেই এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Child height: আপনার সন্তানের উচ্চতা বাড়ছে না? ভালো ফল পেতে এই নিয়মগুলি মেনে চলুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Child height: অনেক সময় দেখা যায় সঠিক যত্ন নেওয়ার পরেও সন্তানের উচ্চতা বাড়ছে না। বয়সের তুলনায় উচ্চতা অনেকটাই কম থেকে যাচ্ছে। তখন আমরা চিন্তিত হয়ে পড়ি। অথচ কয়েকটি বিষয়ে সচেতন থাকলেই এই সমস্যা এড়ানো যায়। চলুন দেখে নেওয়া যাক সন্তানের উচ্চতা বাড়াতে কি করবেন।

    সন্তানকে সুষমা খাদ্য দিন। খাদ্য তালিকায় কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট, ফাইবার (fibre) এবং ভিটামিন সঠিক অনুপাতে থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই ডায়েটে ডিম, দুধ, মাছ, মাংস, সবুজ শাকসবজি, বিভিন্ন ফল এবং বীজ ও বাদাম, চিনাবাদাম এবং স্কোয়াশ বীজের মতো জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার তাঁদের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। কারণ জিঙ্কও বাচ্চাদের বৃদ্ধিতে খুব কার্যকরী। এছাড়া, বাচ্চাদের যথাসম্ভব জাঙ্ক ফুড, কার্বোনেটেড পানীয়, প্রক্রিয়াজাত এবং প্যাকেটজাত খাবার থেকে দূরে রাখুন। কারণ এই ধরনের খাদ্যগুলি বাচ্চাদের সার্বিক বিকাশে বাধা দেয়।
    স্ট্রেচিং(stretching)ব্যায়ামগুলি বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধিতে বিশাল প্রভাব ফেলে। তাই ছোটো বয়স থেকেই বাচ্চাদের কিছু সাধারণ স্ট্রেচিং ব্যায়াম শেখানোর অভ্যাস করুন।

    বাচ্চাদের উচ্চতা বাড়ানোর জন্য, তাদের দিনের কিছুটা সময় ঝোলানোর অভ্যাস করানো উচিত। ঝুলে থাকা মেরুদণ্ডকে প্রসারিত করতে সহায়তা করে, যা লম্বা হওয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    রাতে ভালো ঘুম হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সুস্থ-সবল থাকতে এবং উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য বাচ্চাদের প্রতিদিন রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো খুবই দরকার। ঘুমানোর ফলে HGH নামক গ্রোথ(growth hormone) হরমোন নিঃসৃত হয়, যা বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

    সাঁতার (swimming) বাচ্চাদের সামগ্রিক বৃদ্ধিতে সহায়ক। সাঁতার শরীরের সমস্ত পেশীগুলির ওপর কাজ করে। তাছাড়া সাঁতারে প্রচুর পরিমাণে স্ট্রেচিং থাকায় এটি মেরুদন্ডকেও শক্তিশালী করে তুলতে ও উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

    শিশুদের উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য স্কিপিং (skipping) খুবই কার্যকর। স্কিপিং এক ধরনের কার্ডিও ওয়ার্কআউট। তা উচ্চতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি সক্রিয় এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। স্কিপিং করার সময় পুরো শরীর প্রসারিত হয়।তা শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

    এছাড়াও নিয়মিত যোগাযোগ ব্যায়াম জরুরি।
    যোগব্যায়ামে থাকা স্ট্রেচিং এবং ব্যালেন্সিং, উভয়ই বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য দুর্দান্ত কার্যকর। তাই বাচ্চাকে সূর্য নমস্কার, চক্রাসন এবং ট্রি পোজ-এর মতো বিভিন্ন ধরনের যোগাসন করান।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Parenting Tips: পাঁচ বছর হতে না হতেই বাচ্চাদের পিঠে চাপছে স্কুলের ব্যাগ, আদৌ কি এই সিদ্ধান্ত ঠিক ?

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Parenting Tips: বাচ্চার স্কুলের প্রথম দিন প্রত্যেকটি বাবা-মায়ের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রত্যেক অভিভাবক এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। আসলে বাচ্চাদের প্রথম স্কুলে (School) পাঠানো তাদের ভবিষ্যতের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে । এটা একটা বড় মাইল ফলক বাচ্চাদের (Children) জীবনে । বর্তমানে দেখা যায় মা-বাবা দুজনেই কর্ম ব্যস্ত জীবনের কারণে মুখে বুলি ফুটতে শুরু করলেই বাচ্চাদের পিঠে ব্যাগ চাপিয়ে তাদের প্রি স্কুলে (Pre School) পাঠিয়ে দেন। অনেকে মনে করেন এতে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের (Mental Health) গঠন আরও দ্রুত হবে । বাস্তবের মাটিতে পা রাখবেন তাদের সন্তানরা।

    যদিও এই প্রি স্কুলগুলিতে দু থেকে তিন ঘন্টা থাকতে হয় বাচ্চাদের । কিন্তু এক্ষেত্রে কোন নির্দিষ্ট বয়স রয়েছে কী? পাঁচ বছরের আগে একটি শিশুকে বাড়ির বাইরে স্কুলে পাঠানো তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য কতটা সুবিধা জনক? এই বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনা করার মতো । এত অল্প বয়সে তাদের স্কুলে পাঠালে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর কোন রকম প্রভাব পড়ে না তো ? এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই সম্প্রতি বেশ কয়েকটি সমীক্ষা চলে। সেখান থেকেই এমন কিছু তথ্য উঠে এসেছে যা প্রত্যেকটি মা- বাবার জানা প্রয়োজন।

    গবেষণা যা বলছে

    সম্প্রতি বেশ কয়েকটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছে কোন কোন বাচ্চা জন্মগতভাবে এমন কিছু প্রতিভা নিয়ে জন্মায় যা তাকে অন্য বাচ্চার থেকে কিছুটা আলাদা করে । যেমন সে কোন জিনিস খুব দ্রুত মুখস্থ করতে পারে, কোন জিনিস খুব দ্রুত চিনে ফেলতে পারে, রং সম্পর্কে তার স্পষ্ট ধারণা রয়েছে, এইরকম বহু। কাজেই সেই সকল বাচ্চাদের তাড়াতাড়ি স্কুলে পাঠানো বেশ লাভজনক হতে পারে। তবে আরও একটি বিষয় গবেষণায় বলা হয়েছে যে, একটা শিশুর মস্তিষ্কের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিকাশ হতে অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগে। তাই তার আগেই যদি বাচ্চাকে কোন প্রি স্কুলে বা শিক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হয় তাহলে সেটা তাঁর উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ এক্সেটার মেডিকেল (University of Exeter Medical) স্কুলের গবেষকদের একটি গবেষণার রিপোর্টে জানা গিয়েছে, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের যদি স্কুলে পাঠিয়ে দেওয়া হয় তাহলে তা্ঁরা নিরাপত্তা হীনতায় ভুগতে পারে। কারণ এত ছোট বয়সে বাড়ি থেকে কয়েক ঘন্টা দূরে থাকা তাদের মনে একটা ভয়ের সৃষ্টি করবে। চেনা পরিবেশ ছেড়ে অচেনা পরিবেশে গেলে তাদের মানিয়ে নিতে অসুবিধা হবেই। একই সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে । নিজেকে গুটিয়ে নিতে পারে সে।

    এমনও অনেক সময় দেখা যায় যে কোন শিশুর সহপাঠীর বয়স তাঁর থেকে বেশি। কাজে সে তাঁর সহপাঠীদের সঙ্গে সঠিকভাবে মিশে উঠতে পারছে না। এক্ষেত্রেও কম বয়সের শিশুদের স্কুলে পাঠানোর বিষয়টিকে দায়ী করা হয়। মা-বাবা থেকে শিশুকে দূরে রাখলে তাঁর মনে মা বাবার সম্পর্কে নেগেটিভ ছবি তৈরি হতে পারে । কারণ শিশু বয়সে সবথেকে আস্থার জায়গা হল বাবা-মা। সেই সময় কোনটা তাদের ভালোর জন্য এবং কোনটা তাদের খারাপের জন্য করা হচ্ছে এই বিষয়ে জ্ঞান শিশুদের থাকে না। তাদের বুঝে ওঠা কখনই সম্ভব নয় । তাই আপনার শিশুকে স্কুলে পাঠানোর আগে অবশ্যই কিছু বিষয় বিবেচনা করে নিন।

    যে বিষয়গুলি মাথায় রাখবেন

    • যদিও বাচ্চাদের স্কুলে খুব জোর দুই থেকে তিন ঘন্টা রাখা হয় । কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে শিশুর টয়লেট ব্যবহার করতে হতে পারে , তাকে নিজে খেতে হতে পারে তাই অন্ততপক্ষে এই বিষয়গুলির প্রশিক্ষণ বাড়িতেই দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
    • আপনার সন্তান যাতে কোনরকম সমস্যায় পড়লে সেটা অন্য কাউকে বলতে পারে এটা তাকে শেখান। নইলে স্কুলে গিয়েও জড়তার কারণে নিজের সমস্যার কথা মুখ ফুটে বলতে পারবে না আপনার শিশু।
    • কিছু সময় তাকে ধীরস্থির রাখা এবং পরিবারের সদস্যদের থেকে বাইরে রেখে বাস্তব জগতের সাথে ধীরে ধীরে পরিচয় ঘটানোর জন্য প্রি স্কুলগুলি বেশ উপকারী। এক্ষেত্রে অবশ্যই এমন স্কুল বেছে নিন যেখানে আপনার বাচ্চা দিনের দু-তিন ঘন্টা একেবারে নিরাপদে থাকতে পারবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version