Tag: Amit Shah

  • Sukanta-Anupam: ‘অনেক খেলা বাকি’ফেসবুকে লিখলেন অনুপম, পাল্টা দিলেন সুকান্ত! বিজেপিতে ফের নারদ-নারদ

    Sukanta-Anupam: ‘অনেক খেলা বাকি’ফেসবুকে লিখলেন অনুপম, পাল্টা দিলেন সুকান্ত! বিজেপিতে ফের নারদ-নারদ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Sukanta-Anupam: বঙ্গ বিজেপিতে আদি-নব্য দ্বন্দ্ব, জেলায় জেলায় কোন্দল চলছেই। সেই কোন্দল আরও একবার প্রকাশ্যে এল। কয়েক মাস ধরে সেই কোন্দলে নতুন মাত্রা জুড়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। রাজ্য নেতাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য়ে বিষোদ্গার করার ‘ফল’ ইতিমধ্যেই হাতেনাতে পেয়েছেন অনুপম। প্রশ্ন তুলেছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নিরাপত্তা নিয়েও। তাই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক গত ৫ ডিসেম্বর থেকে অনুপমের নিরাপত্তা তুলে নিয়েছে। অনুপম হাজরার উপর পদক্ষেপকে দলে শৃঙ্খলা নিয়ে কড়া বার্তা বলে মনে করা হচ্ছে। দলে যে বিশৃঙ্খলা একেবারেই বরদাস্ত করা হবে না তার বার্তা দিতে অনুপমের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পথে হেঁটেছেন অমিত শাহ।

    অনুপমের প্রতি শাহ এর এই পদক্ষেপের পরই ফেসবুক পোস্ট করেন অনুপম হাজরা। তিনি লেখেন, ‘‘সিকিউরিটি তুলে নিতে অনুরোধ করেছিলাম, কীসের জন্য অনুরোধ করেছিলাম তা সময়ই বলবে। অনেক খেলা বাকি। এক এক ব্যটসম্যানের খেলার ধরন একেক রকম। সব ব্যটসম্যানকে এক ধাঁচে ফেলা মুশকিল ” এই লেখার মধ্যেই কি লুকিয়ে আছে রহস্য? কোন খেলা বাকির কথা বোঝাতে চেয়েছেন অনুপম ? তা তিনি অবশ্য খোলসা করেননি।

    সংবাদ প্রতিদিনের প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এই মন্তব্য়ের পালটা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, তিনি জানিয়েছেন, “উনি (অনুপম) ফেসবুকে কী লিখেছেন জানি না। খেলাধুলো করা শরীরের পক্ষে ভাল। “পাশাপাশি অনুপম হাজরার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা তুলে নেওয়া প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতির বক্তব্য “কারা কারা নিরাপত্তা পাবেন, এই বিষয়টি আইবি ডিপার্টমেন্ট দেখে। তারাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে সুপারিশ করে।” এই মন্তব্য এবং পাল্টা মন্তব্য দেখে বোঝাই যাচ্ছে সুকান্ত মজুমদার ও অনুপম হাজরার মধ্য়ে বাগযুদ্ধ চরমে।

    উল্লেখ্য,গত বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট না পাওয়ার পর থেকেই ক্ষেপে রয়েছেন অনুপম হাজরা। সম্প্রতি অনুপমের এই ব্যবহারের জন্য আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে টিকিট পাওয়া তার কাছে দুস্কর হয়ে উঠেছে। ফের কি আবার তৃণমূলেই প্রত্যাবর্তন হতে চলেছে অনুপম হাজরার ? প্রশ্ন উঠতে শুরু করলেও উত্তর এখনো অধরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পিওকের পর কী নেক্সট টার্গেটই হবে আকসাই চীন? ‘সহ্যের সীমা পেরিয়েছে’ বোঝালেন অমিত শাহ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আকসাই চীন নিয়ে অমিত শাহের চাঞ্চল্যকর দাবি চীন আতঙ্কে আগেভাগেই বিবৃতি জারি করে দিয়েছে। কূটনৈতিকভাবে সেটার গুরুত্ব অনেক। পিওকের পর কী নেক্সট টার্গেটই হবে আকসাই চীন? অনেকেই বলছেন এত সহজ নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোন ট্র্যাকে নিয়ে যাচ্ছে বিষয়টা জানতে হবে। কাশ্মীরের কোনওদিনও ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার হবে এই কল্পনাটাও যারা করতে পারেনি ২০১৯ সালে ৫ অগাস্ট মোদী সরকার তাদের চমকে দিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের কাশ্মীর নিয়ে ঐতিহাসিক রায়ের পর এবার হট কেক POK সেইসঙ্গে আকসাই চীন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে
    সুর চড়িয়েছেন বহুবার। আপনারা অনেকেই সেই বক্তব্য শুনেওছেন। প্রকাশ্যে দৃপ্তকণ্ঠে শাহ বলছেন পিওকে ভারতেরই অংশ কিন্তু কীভাবে? ভারত কীভাবে দখল করবে পিওকে? শাহের সেই স্ট্র্যাটেজি কিন্তু এখনও পর্যন্ত সামনে আনা হয়নি। ভারতবাসীর কাছে এখনও সেই উত্তর অধরাই। এবার এনিয়েই মুখ খুললেন অমিত শাহ। পরিস্কার বলে দিলেন তিনি কী করতে চলেছেন পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে। এখানেই শেষ নয় আকসাই চীন নিয়েও এমন কিছু কথা শেয়ার করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তা দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো বিশেষ করে কংগ্রেসকে জোর ধাক্কা দিল এটা বলাই বাহুল্য।

    চীন কি আন্দাজ করতে পারছে ভারত এবার আকসাই চীনের দিকে ঝুঁকবে? নাকি পাকিস্তান চুপি চুপি চীনের মনে ভয় ঢোকাচ্ছে যে পিওকে নিয়ে তো দিল্লি এত হইচই করছে এবার বোধহয় নেক্সট টার্গেট আকসাই চীন। আর ঠিক সেই কারণেই হয়ত আগেভাগেই ভারতকে কড়া বার্তা বেজিংয়ের। ইন্ডিয়া টুডের একটি সাক্ষাতকারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পিওকে-কে ভারতের দখলের করার কী ভাবনা রয়েছে তা নিয়ে খোলাখুলি প্রশ্ন করেন সাংবাদিক। যার উত্তরে শাহ বলেন, ‘আমি মানছি ভারতের এই অংশের ওপর পাকিস্তান কবজা করে রয়েছে তবে এধরণের প্রোগ্রামে খোলাখুলি আমি কি আপনাকে বলে দেব পিওকে দখল নিয়ে ভারতের কী প্ল্যান রয়েছে?’

    এরপরই প্রশ্ন ঘুরে যায় আকসাই চীনের দিকে। কারণ সম্প্রতি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী শাহকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন ডেপসাং, নিমচকে ঘাঁটি বানাচ্ছে পিএলএ আর্মি। মোদী সরকার পারলে আকসাই চীনকে ভারতে ফিরিয়ে আনুক। এ প্রশ্নের জবরদস্ত উত্তর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এ প্রশ্ন অন্য করে রাজনৈতিক দল করলেও মেনে নেব কিন্তু রাহুল গান্ধী করতে পারেন না। কারণ দেশের ইতিহাস বলছে ভারতের সবথেকে বড় অংশ যদি কোনওসময় দেশ হারিয়ে থাকে তাহলে তা নেহেরুর সময় হারিয়েছিল এবং কংগ্রেসের পলিসির জন্য হারিয়েছিল।’ একইসঙ্গে শাহের কড়া বার্তা কংগ্রেস পার্টি কোনওভাবে ভারতীয় জনতা পার্টি ও মোদী সরকারকে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও পরামর্শ দেওয়ার অবস্থাতেই নেই।

    এদিকে চীনের সম্প্রতি আগ বাড়িয়ে লাদাখ নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং বলেন,
    ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কোনও কিছুর বদল হবে না। ভারত-চীন সীমান্তের পশ্চিমাংশ চীনেরই থাকবে  ভারত একতরফা ও বেআইনিভাবে লাদাখকে পৃথক করেছে। চীন কখনও তথাকথিত কেন্দ্রশাসিত লাদাখ অঞ্চলকে স্বীকৃতি দেয় না। অনেকেই মনে করছেন কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর লাদাখ ও আকসাই চীন নিয়ে বেজিং অনেক বেশি প্রটেকটিভ। এবার এটাই অপেক্ষার যে সত্যি ভারত কবে অ্যাকশন নেয়।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Lok Sabha Election 2024: লোকসভা নির্বাচনের নয়া রণকৌশল বিজেপির, মোদীর পর বঙ্গে শাহ-নাড্ডা’র উপস্থিতি! শীত বঙ্গে তুঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Lok Sabha Election 2024: আসন্ন চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন। লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের অভ্যন্তরে সংগঠনকে নিজেদের মত সাজিয়ে নিচ্ছেন রাজনৈতিক দলগুলি। এর মধ্যে বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূল নিজেদের সাংগঠনিক ভীতকে মজবুত করে নিজেদের বাঁধনকে আরও শক্ত করতে উঠে পড়ে লেগেছে। দলের প্রধানরা ঘনঘন বৈঠক করে নিজেদের রূপরেখা তৈরী করছেন। কোথায় কোথায় এই মুহূর্তে তাদের গলদ রয়েছে তা নিজেরাই সারিয়ে তোলার চেষ্টায় রয়েছেন, যাতে কোনোভাবে লোকসভা নির্বাচনে তাদের এই গলদগুলি মাথাচাড়া দিয়ে না ওঠে। কেন্দ্রীয় দল তথা বিজেপির অন্যতম নেতা নরেন্দ্র মোদীর মুখ কে হাতিয়ার করে ভোট বৈতরণী পার করার চেষ্টা করছে। যার ঝলক সদ্য সমাপ্ত মধ্যপ্রদেশ রাজস্থান ও ছত্রিশগড়ের ক্ষেত্রে দেখা গেছে। এছাড়াও রয়েছে মহিলা ভোট ব্যাঙ্কের ঝলকানি। যেটি অস্ত্র হিসাবে বার করছে বিজেপি-তৃণমূল উভয়ই। কিন্তু বাংলার রাজনীতিতে কোন দলের শক্তি বেশি প্রদর্শিত হয়, সেটার জন্য আরও কয়েকটি মাস অপেক্ষা করতে হবে সকলকে।

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে ১৪৪টি এমন আসন আছে যা বিজেপি অল্প ব্যবধানে হেরেছিল। আবার এই হারা আসনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসন জিতেছে কংগ্রেস। চব্বিশের লোকসভায় কংগ্রেসের হাত থেকে সেই আসনগুলো ছিনিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছে বিজেপি। সেকথা মাথায় রেখে তারা এখন থেকেই ঘর গুছিয়ে নিতে মাঠে নেমে পড়েছে। ইতিমধ্যেই লোকসভা নির্বাচনের জন্য সাংগঠনিক বিস্তৃতি কীভাবে ঘটানো হবে, তার রূপরেখা চূড়ান্ত করে ফেলেছেন শাহ-নাড্ডারা।

    ‘মোদী হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ ২০১৯ সালে ভারতের লোকসভা নির্বাচনের আগে এটাই ছিল গেরুয়া শিবিরের স্লোগান। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আর কয়েক মাস বাকি থাকতে ‘সেমিফাইনালে’ তিন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের জয়ে গেরুয়া শিবিরের আত্মবিশাস দৃঢ় করেছে। বাংলার বিজেপির রাজনীতিবিদদের কথায় ‘নরেন্দ্র মোদির সমকক্ষ যে কেউ নেই তা ফের প্রমাণিত হল’। বিরোধীরা যত অপপ্রচার এবং নরেন্দ্র মোদিকে ব্যাক্তিগতভাবে আক্রমণ করবে, ততই নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি রাজনৈতিক মানচিত্রে শক্তিশালী হবে।

    সংসদে এই মুহূর্তে চলছে শীতকালীন অধিবেশন শেষ হলেই লোকসভা নির্বাচনের উত্তাপ বাড়াতে শুরু করবে বিজেপি। ২২ ডিসেম্বর অধিবেশন শেষ হওয়ার কথা। আগামী ২৪ ডিসেম্বর কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। এটি কোনো রাজনৈতিক কমর্সূচি না হলেও লোকসভা নির্বাচনের আগে হাওয়া যে ভালো রকমই উঠবে তা ভালো মতোই আন্দাজ করতে পারছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। মোদীর পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যে আসবেন। বিজেপি সূত্রে খবর, শাহের সেই সফরের সময় কলকাতায় আসতে পারেন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। কলকাতায় রাজ্য নেতাদের নিয়ে বসে লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল তৈরি করে সফরের মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে। দুই নেতার এই সফরে বড় মাপের কোনও জনসভা না-ও হতে পারে। তবে সাংগঠনিক বৈঠক হবে দফায় দফায়। বিভিন্ন স্তরের নেতাদের ডেকে বৈঠক হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Rajasthan New CM: মোদী সিক্রেট গেমে সব প্রেডিকশন ফেল! রাজস্থান ধরতেই পারেনি, ব্রাহ্মণ মুখ্যমন্ত্রী কেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Rajasthan New CM: মোদী-শাহ- নাড্ডা কি খেলা দেখাচ্ছেন সব প্রেডিকশন তো ফেল! রাজস্থানে এ কী করলেন বিজেপির হাইকমান্ড? এখনই এত এত অঙ্কের খেলা তো তাহলে তো ২০২৪ বিরোধী বলে কিছু থাকবে না দাবি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। রাজস্থান মুখ্যমন্ত্রী তো পেল কিন্তু নেপথ্যের স্ট্র্যাটেজিটা জানেন কি? কে এই ভজনলাল শর্মা? যিনি সকলকে পিছনে ফেলে রেসে একেবারে ফার্স্ট। না কোনও নেতা না কোনও সাংবাদিক না পার্টির কর্মকর্তা কেউ কোনওভাবে টেরই পেলেন না যে একেবারে নতুন মুখ ৫৬ বছর বয়সি ভজনলাল শর্মাকে কীভাবে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর পদ দিয়ে দেওয়া হল? আপনি যদি রাজনীতিতে ইন্টারেস্টেড হন তাহলে এতক্ষণে জেনে যেতেও পারেন এই প্রথমবার বিধায়ক হয়েই মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য ভজনলাল শর্মাকে বেছে নেওয়া হল।

    রাজস্থানের মতো এত গুরুত্বপূর্ণ একটা রাজ্যের জন্য বসুন্ধরা রাজে, বাবা বালকনাথ, গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত কারোরই মুখ্যমন্ত্রী পদে ভাগ্যের শিকে ছিঁড়ল না। প্রেডিকশনে তো এদের নামই উঠে এসেছিল কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন যে ফ্যাক্টর রয়েছে ভজনলাল শর্মাকে বেছে নেওয়ার নেপথ্যে সেটা রাজস্থানের পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচন ও লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ঘরে ভোটের জোয়ার আনতে এনাফ।

    কে এই ভজনলাল শর্মা?

    বিজেপির টিকিটে সঙ্গনেড় থেকে জিতেছেন ভজনলাল। প্রথম বার বিধায়ক হয়েই মুখ্যমন্ত্রী তিনি রাজস্থানের একজন ব্রাহ্মণ নেতা। এটাই শুধু তার পরিচয় নয় ভজনলাল শর্মা শিরোনামে থাকতে চাননি সেভাবে কখনও। তবে বিজেপি এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)-এর সঙ্গে ভজনের যোগসূত্র দীর্ঘ দিনের। তাতে তিনি টেক্কা দিতে পারেন অনেক শীর্ষনেতাকেই। ৫৬ বছরের ভজনের রাজনীতিতে প্রবেশ। আরএসএসের ছাত্র সংগঠন এবিভিপির হাত ধরে ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে সঙ্গনেড় কেন্দ্রে সেখানকার প্রাক্তন বিধায়কের পরিবর্তে টিকিট দেওয়া হয় ভজনকে। অপেক্ষাকৃত সুরক্ষিত ওই আসনে লড়ে ৪৮ হাজার ভোটে জিতেছেন তিনি হারিয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী পুষ্পেন্দ্র ভরদ্বাজকে। বিধায়ক তিনি প্রথমবার হয়েছেন ঠিকই তবে ভজন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন চার বার। বরাবরই সংগঠনের দিকটি সামলেছেন। সেই এবিভিপিতে থাকার সময় থেকেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডার সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে তাঁর।

    শুধু এটাই এনাফ নয় রাজস্থানের মতো জাতপাতের অঙ্ক কষা গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের জন্য। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন এ ক্ষেত্রে সম্ভবত আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের কথাই মাথায় রেখেছে বিজেপি। আর সে কারণেই ব্রাহ্মণ নেতা ভজনকে করা হয়েছে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী। রাজস্থানে এক জন ব্রাহ্মণ নেতাকে মুখ্যমন্ত্রী করলে তা কখনওই অন্তত দলকে বিপাকে ফেলবে না। কারণ রাজস্থানে জাঠ আর রাজপুত ভোটারদেরই সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিকে মুখ্যমন্ত্রী করলে অন্য সম্প্রদায় চটে যেতে পারে তার প্রভাব পড়তে পারে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ভোটব্যাঙ্কে।

    বসুন্ধরাকে মুখ্যমন্ত্রী করলে রাজপুত ও জাঠ দুই ভোটব্যাঙ্কের একটা সুবিধা পেতে পারত বিজেপি, কিন্তু খুব সচেনত ভাবে বসুন্দরা রাজের ডানা ছাঁটার কাজ হয়েছে এবার। বিজেপি সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য নাকি ভজনের নাম পর্যবেক্ষকদের কাছে প্রস্তাব করেছেন বসুন্ধরাই। এবার দেখার কেমন চলে রাজস্থানে ভজনলালের সরকার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারত হিন্দু রাষ্ট্র হচ্ছে শীগগিরই! ২০২৪ এই বড় চমক না তো ? একসুরে মোদী-যোগী-শাহ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারতকে হিন্দুরাষ্ট্র ঘোষণা করার তারিখ রেডি হচ্ছে?
    যোগীকে আনা হবে ফ্রন্টফুটে কারণ আছে বড়সড়। আরএসএস কঠোর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে বিজেপিকে?
    ২০২৪ এ বিজেপি সরকার কেন্দ্র ক্ষমতায় এলেই কি হিন্দুরাষ্ট্র ঘোষণার চরম স্টেপ? কতদূর এগোলো কাজ? ইউনিফর্ম সিভিল কোড এখানে বড় ম্যাটার। হিন্দুস্থান মানে হচ্ছে হিন্দু রাষ্ট্র আর এটাই ধ্রুব সত্য। নাগপুরে দাঁড়িয়ে জোর গলায় ঠিক এটাই কয়েক মাস আগে ঘোষণা করেছিলেন। আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত
    তার অনেক আগে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যোগী আদিত্যনাথ এবার সেই পথেই ধীরে ধীরে এগোচ্ছে নাকি দেশ? ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের ঠিক হাতে গোনা কটা মাস আগে ভাগবতের এধরণের বক্তব্যের কী কোনও গোপন বা অন্তর্নিহিত অর্থ ছিল নাকি?

    ২০২৪ এর আগে নাকি বিজেপি ফের কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণার দিকে দ্রুত এগোবে আরএসএস? হায়দরাবাদের বিজেপি এমএলএ টি. রাজা সিংয়ের দাবি ছিল ‘হিন্দুরা দেশটিকে ‘অখন্ড হিন্দু রাষ্ট্র’ করার দাবি করছে। যদি ৫০টির বেশি ইসলামিক দেশ এবং ১৫০টিরও বেশি খ্রিস্টান দেশ থাকতে পারে তবে কেন ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করা যাবে না যেখানে হিন্দুরা তার ১০০ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ?’ কিন্তু নরেন্দ্র মোদী বা শাহের মুখে কেন শোনা যায় না ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণার কথা? নাকি তারা মুখে নয় কাজে করে দেখাতে চান আসলটা? তবে হিন্দু রাষ্ট্র নিয়ে সরাসরি কোনও কথা না বললেও ইউনিফর্ম সিভিল কোড ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে সওয়াল করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী আর সেখানেই বিশেষজ্ঞদের দাবি ছিল
    একবার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ইউনিফর্ম সিভিল কোড দেশে লাগু হলেই ভারতরে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করায় আর কোনও বাধা কোনও বিপত্তি থাকবে না। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি মানে সব ধর্মের জন্য সমান আইন একটাই আইন
    শিখ, মুসলিম, খ্রীস্টান সকলকেই মানতে হবে একটাই আইন। সেখানে কোনও শরিয়তি বা অন্য আইন চলবে না।

    এখানেই সবথেকে বড় পয়েন্ট রয়েছে যেটা মিস করবেন না অযোধ্যায় রামমন্দির ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের মতোই দেশে এই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু পরিকল্পনা বিজেপির ইস্তেহারে রয়েছে। তাই আজ নয় হোক কাল বিজেপির সরকার থাকলে এটা হবেই হবে। বিশেষজ্ঞদের দাবি ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করার সিগন্যালটা এই আবহে দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের হিন্দুত্বের পোস্টার বয় যোগী আদিত্যনাথ। ২০১৭ সালে যোগী প্রথম বলেছিলেন যদি এধরণের সিদ্ধান্তে দেশের জনগনের ও দেশের ভালো হয় তাহলে এধরণের সিদ্ধান্তে কোনও ভুল নেই। এরপর ২০২৩ ১৫ ফেব্রুয়ারি একটা টুইটে যোগী লেখেন ভারত হিন্দুরাষ্ট্র কারণ ভারতের সব নাগরিক হিন্দুই। ভারত হিন্দুরাষ্ট্র ছিল আর আগামীতেও থাকবে।

    অনেকেই বলেছিলেন এমনি এমনি নিশ্চয় এধরণের কথা বলবেন না যোগী? নেপথ্যে কোনও কারণ তো থাকবেই। নরেন্দ্র মোদী নয়া সংসদ ভবনে যখন পুজোর পর সেঙ্গলকে স্থাপন করেন তখনও বেশ কিছু মহলের দাবি ছিল এই তো ধীরে ধীরে হিন্দুরাষ্ট্রের গন্তব্যে পৌঁছচ্ছে ভারত। বিজেপি ও সঙ্ঘের তাবড় তাবড় নেতাদের মতে একবার ইউনিফর্ম সিভিল কোড লাগু হয়ে যেতে পারলে হিন্দুরাষ্ট্রের ইস্যু যে পিকআপ নেবে তাতে সেই দিন আর বেশি দূরে নেই। যখন নেপালের পর ভারত হবে সবথেকে বড় হিন্দু রাষ্ট্র। কবে ইউসিসি লাগু হওয়ার কাজ শুরু হয় সেটাই দেখার।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Amit Shah: POK ভারতেরই, শাহের নিশানায় কংগ্রেস, আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন নরেন্দ্র মোদী!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Amit Shah: লোকসভায় কয়েকদিন আগেই অমিত শাহ POK হুঙ্কার দিয়ে POK বলেছিলেন যে পিওকে আমাদের। এই জমি এই কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না। এই অংশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এবার সেই বিষয়ে নিশানা করলেন কংগ্রেসকে।

    পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই। সরাসরি বলে দিয়েছিলেন অমিত শাহ। জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা বৈঠক সমালোচনার যেন শেষ নেই। সম্প্রতি পার্লামেন্টে জম্মু ও কাশ্মীর সংরক্ষণ (সংশোধন) বিল, ২০২৩ নিয়ে আলোচনা চলাকালীন আবার উঠল আলোচনার ঝড়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বক্তৃতা শুরু হতেই বিরোধী নেতারা একটু দূরে হটতে থাকেন। প্রকৃতপক্ষে, শাহ তাঁর বক্তৃতার শুরুতে বিরোধী দলগুলির একটি জোট INDIA-কে ‘অহংকারী’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

    জম্মু ও কাশ্মীর সংরক্ষণ (সংশোধন) বিল ২০২৩ নিয়ে বক্তৃতা দেওয়ার সময়, শাহ কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ৩৭০ ধারা অপসারণের বিরোধিতা এবং উপত্যকায় বিচ্ছিন্নতাবাদের প্রচারের মতো অনেক গুরুতর অভিযোগ করেছেন। শাহ বলেছেন যে নেতারা যারা পদত্যাগ করছেন তারাও আগামী লোকসভা নির্বাচনে খারাপ পারফর্ম করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জম্মু ও কাশ্মীর সংরক্ষণ (সংশোধন) বিল, ২০২৩ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন (সংশোধন) বিল, ২০২৩-এ রাজ্যসভায় বক্তৃতা করার সময় টার্গেট করেন কংগ্রেস এবং জোটের অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য দলগুলিকেও। বলেন, “আজ ৩৭০ ধারা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তও এসেছে। তারপরও তারা (কংগ্রেস) বলছে যে তারা এটা মানে না এবং ৩৭০ অনুচ্ছেদ ভুলভাবে সরানো হয়েছে। বাস্তবতা কী তা আমি তাদের বোঝাতে পারব না। ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিচ্ছিন্নতাবাদকে প্রচার করেছে। এবং বিচ্ছিন্নতাবাদ সন্ত্রাসবাদের দিকে পরিচালিত করে”। এমনটাই বলেছে ‘Oneindia’র প্রতিবেদন।

    অমিত শাহ আলোচনার সময় আসন্ন নির্বাচনের বিষয়ে হাউস থেকে ওয়াক আউট করা সাংসদদেরও সতর্ক করেছিলেন। তিনি বলেন, “আমি এখনও করছি, ফিরে আসুন নাহলে যারা বাকি আছে তারাও থাকবে না। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতেও, আপনি যদি আপনার সিদ্ধান্তে অটল থাকতে চান তবে জনগণ দেখছে… ২০২৪ সালে।” আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India Pakistan: POK দখলে মোদীর প্রথম স্টেপ! পাকিস্তান যা করে ফেলল জানলে অবাক হবেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India Pakistan: POK নিয়ে শাহের হুঁশিয়ারিতে রেসপন্স কী পাকিস্তানের? প্রতিক্রিয়া জানাটা জরুরী তাহলে তো বুঝবেন খেলা শুরু। পাকিস্তান ভয় পেল নাকি রুখে দাঁড়াল কাশ্মীর বাঁচাতে? পিওকে কীভাবে গেছিল পাকিস্তানের কাছে জানা আছে আপনার? পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখলে মোদীর এটা প্রথম ধাপ। এ কি পাকিস্তান ভয় পেয়ে গেল নাকি? যে কাশ্মীর নিয়ে এত বছর দাপিয়েছে পাকিস্তান এবার ব্যাকফায়ার হয়ে গেল পুরোটাই। পাকিস্তান কি ভারতের কাশ্মীর নেবে, ভারত পাল্টা দখল করবে পিওকে। আচ্ছা ইদানিং পাকিস্তানকে আর কাশ্মীর নিয়ে কথা বলে না কেন? মোদীর একের পর এক উত্থান দেখে থরহরিকম্প নাকি ISI? অমিত শাহ ভারতের সংসদের দাঁড়িয়ে পিওকে দখলের ব্লুপ্রিন্ট দিয়ে দেওয়ার পর সীমান্ত পেরিয়ে সেই খবর ইসলামাবাদের কানে পৌঁছতে খুব বেশি সময় লাগেনি। সেখানকার সরকার, সেনা ও গোয়েন্দা সংস্থা সর্বোপরি পাকিস্তানের জনতা কী বলছে এরপর? সত্যিই কি নেহরুর জন্যই পিওকে আজ পাকিস্তানের হাতে?

    ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও কাশ্মীর নিয়ে তখনও মীমাংসা হয়নি। কাশ্মীরের রাজা হরি সিং তখনও স্বাধীন থাকতে চেয়েছিলেন, কিন্তু হঠাত করে কাশ্মীরের ওপর আক্রমণ করে দেয় পাকিস্তানি ফোর্স। অবশ্য ফোর্স না বলে পাশতুন উপজাতি বাহিনী বললে বেটার। এরপরই মাউন্টব্যাটেনের প্রস্তাব মেনে ‘ইনস্ট্রুমেন্ট অফ অ্যাকসেশনে’ স্বাক্ষর করেন হরি সিং। এর ফলে জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অংশ হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে শুরু হয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। এতদিন যে লড়াইয়ে পাশতুন বাহিনীর সঙ্গে লড়ছিল ‘জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর স্টেট ফোর্সেস’ এবার সেই লড়াইয়ে অংশ নিল ভারতীয় সেনা। ১৯৪৭ সালের ২২ অক্টোবর শুরু হয় যুদ্ধ। চলেছিল ১ বছর ২ মাস ২ সপ্তাহ সময়কাল ধরে। পরে ১৯৪৯ সালের ৫ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরিত হয়। তার আগে ১৯৪৮ সালেই যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যায়।

    যুদ্ধবিরতির পর নিয়ন্ত্রণরেখা তৈরি হয়ে যায় কিন্তু জারি থেকে যায় বিতর্ক। পাক অধিকৃত কাশ্মীর আর পুনরুদ্ধার করা যায়নি কেন সেই সময় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন নেহরু? সেই প্রশ্নটাই সংসদে তুলেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অবাক করা ঘটনা শুনবেন শাহের এই হুঁশিয়ারির পর পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রক একেবারেই চুপ। পাকিস্তানের তরফ থেকে টুঁ শব্দটাও করা হয়নি কার্যত, কিন্তু কেন? পাকিস্তান কি পাল্টা কোনও প্ল্যান করছে, নাকি মোদী-শাহের এমন আত্মবিশ্বাস পাকিস্তানের মুখে সেলোটেপ লাগিয়ে দিয়েছে। এরইমধ্যে ভারতের বিদেশমন্ত্রক থেকে বড় বয়ান বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন এটা নিয়ে কাউকে জবাবদিহিতা করবে না ভারত। পিওকে ভারতেরই অংশ আর এটা জলের মতো পরিস্কার। এটা ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আর নিজেদের মত বদলানোর কোনও প্রয়োজন ভারতের নেই। পাকিস্তান কি এরপরও চুপ থাকবে?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Rajasthan CM: রাজস্থান মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন বাবা বালকনাথই! যোগী আদিত্যনাথ নামলেন আসরে, কোথায় দুর্বলতা বাবার ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Rajasthan CM: বাবা বালকনাথই কি তাহলে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী? মোদীর সঙ্গে দেখা করলেন যোগী আদিত্যনাথ বালকনাথের অতি ঘনিষ্ঠ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এফেক্ট হতে পারে জোরদার। বসুন্ধরা রাজে তড়িঘড়ি দিল্লি গেছিলেন না কী হল তার? রাজস্থানে মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার বাড়ছে কিন্তু শেষপর্যন্ত কি বালকনাথেই ভরসা রাখবেন বিজেপির হাই কমান্ড? রাজস্থানে কুর্সির খেলা এখনও বাকী কেন বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা? কুর্সি একটা কিন্তু দাবিদার বাড়ছে হু হু করে। এখন কেন হঠাৎ করে মোদীর সঙ্গে দেখা করলেন যোগী আদিত্যনাথ? বালকনাথের হয়ে কী মোদীকে কোনও সুপারিশ? বাবা বালকনাথ সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন। এদিকে বুধবারই রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে দিল্লিতে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। সেখান তিনি কী বললেন তাতে কী জানানো হল সেই কথা একেবারেই প্রকাশ্যে আসেনি।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন মোদী-শাহ-নাড্ডার মধ্যে কী আলোচনা হয় সেকথা দেওয়ালও জানতে পারে না। সেক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই কৌতুহল বাড়ছে। এখন প্রশ্ন হল যাদের নাম মুখ্যমন্ত্রীর পদপ্রার্থীর জন্য রয়েছে তাদের এই কুর্সি সামলানোর অভিজ্ঞতা কতটা রয়েছে? সূত্রের খবর রাজস্থানের জন্য এবার নতুন মুখকেই বাঁচতেপারেন বিজেপির হাইকমান্ড। বিশেষজ্ঞদের দাবি মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার বসুন্ধরা রাজের সরকার চালানোর বিশেষ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তার সমর্থন বহু বিধায়কও রয়েছে। তবে এনার দুর্বলতা বলতে রয়েছে দলের মধ্যে তাঁকে ঘিরে ক্ষোভ এবং মোদী-শাহের সঙ্গে দুরত্ব। এছাড়াও রাজের বয়স বাড়ছে সেটাও ম্যাটার। এদিকে বাবা বালকনাথের সবথেকে বড় স্ট্রং পয়েন্ট হল যোগী ভাবমূর্তি। যা হিন্দুত্বের পোস্টার বয় হিসেবে তার জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে মরু রাজ্যে। বালকনাথের দুর্বলতা বলতে সরকার চালানোর কোনও অভিজ্ঞতা তার নেই।

    এছাড়াও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শিখাওয়াতও রয়েছে এই কুর্সির দাবিদার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে  তাঁর। মোদী-শাহের কাছে এটাই তাকে এগিয়ে রেখেছে অনেকটা। তবে দুর্বলতা হিসেবে প্রশাসনিক কাছে অনভিজ্ঞতা এবং শুধু রাজপুত বর্গের সমর্থন তাকে দুর্বল করেছে। এছাড়াও রয়েছেন জয়পুরের রাজকুমারি দিয়া কুমারি যিনি অমিত শাহের ঘনিষ্ঠ বলে ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে। এবার দেখার বিজেপির হাইকমান্ড কাকে রাজস্থানের মু্খ্যমন্ত্রী পদে বসান।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bjp Mp: দিল্লির বাংলো ছাড়ুন, ১০ বিজেপি সাংসদকে নোটিস দিল সংসদ

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Bjp Mp: প্রকাশিত হয়েছে চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল। আর এই বিধানসভা নির্বাচনে ব্যাপক জয় পেয়েছে গেরুয়া শিবির। চার রাজ্যের পাল্লা ভারী করতে বিজেপি ২১ জন সাংসদকে প্রার্থী করেছিল। তার মধ্যে জয়লাভ করেছেন ১২ জন সাংসদ। গত বুধবার সেই ১২ জনের মধ্যে ১০ জন লোকসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এদের মধ্যে ৯ জন আবার লোকসভার সাংসদ। এবং একজন রাজ্যসভার সাংসদ। এঁদের মধ্যে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও রয়েছেন। বিধানসভা নির্বাচনের জয়ের পর সাংসদদের ইস্তফার দুদিন পরই সংসদের সচিবালয়ের নোটিস পেলেন ১০ বিজেপি সাংসদ। সচিবালয় তাঁদের সরকারি বাংলো ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। এর জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে মাত্র ৩০ দিন, তার মধ্যেই বাংলো খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, হিন্দি বলয়ে বিজেপি কংগ্রেসকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে। কংগ্রেস আগেরবার যেখানে তিনটি রাজ্যেই সরকার গড়েছিল, সেই তিনটি রাজ্যেই এবার বাজিমাত করেছে গেরুয়া ব্রিগেড। বিজেপির একদিকে জয় আর অন্যদিকে আগামী বছর লোকসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের কাছে ‘ডবল’ ধাক্কা। যদিও দক্ষিণ ভারতের রাজ্য তেলঙ্গানায় বিজেপি তিন সাংসদকে প্রার্থী করে সাফল্য পায়নি। সেখানে ক্ষমতা দখল করেছে কংগ্রেস। অনেকের মতে শান্তনা পুরস্কার হিসাবে তেলাঙ্গানা পেয়েছে কংগ্রেস।

    উল্লেখ্য, পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল মার্জিনে জয় পেয়েছেন বিজেপির এই সাংসদরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং জে পি নাড্ডার একটি দীর্ঘ বৈঠক হয়। তারপরই একে একে ইস্তফা দেন গেরুয়া শিবিরের ১০ জন সাংসদ। তবে, এতগুলি সাংসদ পদ খালি হওয়ার অর্থ ফের একবার উপনির্বাচন। ফলে ২০২৪ সালের আগেই নতুন করে নির্বাচন তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Amit Shah: মোদীর POK দখলের প্ল্যান রেডি! অমিত শাহ প্রকাশ্যে আনলেন বিগ স্ট্র্যাটেজি, পাকিস্তান কাঁপছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Amit Shah: POK ফেরানোর প্ল্যান রেডি করে ফেললেন মোদী। POK আমাদের! পাকিস্তানকে প্রকাশ্যে হুঙ্কার অমিত শাহ আইনি প্রক্রিয়া নাকি যুদ্ধ কীভাবে ফেরানো হবে পাক অধিকৃত কাশ্মীর? সংসদে দাঁড়িয়ে ব্লুপ্রিন্টের খোলসা করলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অর্জুনের লক্ষ্যভেদের মতই পাক অধিকৃত কাশ্মীর একমাত্র টার্গেট মোদীর। পিওকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে শেষপর্যন্ত যাবেন নরেন্দ্র মোদী সেটাই হাতেনাতে প্রমাণ হয়ে গেল আরও একবার, কিন্তু এত বছর আগের হওয়া কাশ্মীরের একটা ভুখন্ড ভারত পাকিস্তানের থেকে ফেরাবে কীভাবে? কী পরিকল্পনা রয়েছে দিল্লির এনিয়ে? ধোঁয়াশা কাটছে ধীরে ধীরে। শুধুই হুঙ্কার গর্জন আর ভোটের জন্য প্রচার নয় পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে বড় পরিকল্পনা রেডি হয়ে গিয়েছে। সাংসদে দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলে দিলেন পাক-অধিকৃত কাশ্মীর আমাদের আর এই পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের জন্য জম্মু কাশ্মীর বিধানসভায় ২৪ আসন সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে এর মানে কী?

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন এর মানেটা খুব পরিস্কার, মোদী সরকার পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী যে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পাকিস্তানের থেকে ছিনিয়ে আনবেই ভারত। আর সেজন্য আগে থেকে বিধানসভাও রেডি করে রাখা হচ্ছে। পাকিস্তান কি কোনওভাবে তা আটকাতে পারবে? এটা কি সম্ভব? আগে সবমিলিয়ে জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভায় ১০৭টি আসন ছিল। সেটা বেড়ে হচ্ছে এখন ১১৪। একটু ভেঙে বললে বিধানসভায় জম্মুর আসনসংখ্যা ৩৭ থেকে বেড়ে ৪৩ হচ্ছে। কাশ্মীরের আসন সংখ্যা ৪৬ থেকে হচ্ছে ৪৭। আর পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জন্য ২৪টি আসন থাকছে। কূটনৈতিক মহল বলছে এমনিতেও তো পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষেরা পাক সেনাবাহিনী অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ভারতের সঙ্গেই জুড়তে চাইছে।

    একইসঙ্গে এদিন পিওকে নিয়ে কংগ্রেস ও নেহেরুর পদক্ষেপের নিন্দাও করেন শাহ। শাহের দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীর আজও ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবেই থাকত। শুধু প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরুর দুটি ভুলের জন্য অধিকৃত কাশ্মীর আজ ভারতের সঙ্গে নেই। নেহেরুর প্রথম ভুল, আমাদের সেনা যখন যুদ্ধে জিতছিল তখন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা এবং সেটাকে কার্যকর করা। আর তিনটে দিন পর যুদ্ধবিরতি হলেও আজ পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের সঙ্গে থাকত। নেহেরুর দ্বিতীয় ভুল, ভারতের অভ্যন্তরীণ ইস্যুকে রাষ্ট্রসংঘে নিয়ে যাওয়া। একইসঙ্গে অমিত শাহ বলেন ‘‘ওই দু’টি সিদ্ধান্তকে নেহরুপন্থার বিপর্যয় হিসেবে বলা হয় আমি তা সমর্থন করি আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি নেহরুর ওই ভুলগুলির কারণেই কাশ্মীরকে এত দীর্ঘ সময় ধরে ভুগতে হয়েছে’’।

    নেহরুর নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে আক্রমণ শানানোয় সংসদ থেকে ওয়াক আউট করেন কংগ্রেসের নেতারা। এখানেই শেষ নয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী পরিস্থিতি নিয়ে পরিস্কার বলে দেন জম্মু কাশ্মীরে ২০২৬ পর্যন্ত নো টেরর প্ল্যান চালু হয়ে যাবে। এর মানে কাশ্মীরের থেকে খুঁজে খুঁজে সন্ত্রাসকে সাফ করবে মোদী সরকার। এবার দেখার ঠিক কীভাবে পিওকে দখলের প্ল্যান অ্যাকশনে পরিণত করে মোদী-শাহ জুটি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version