Tag: west bengal

  • Droupadi Murmu in Kolkata: পশ্চিমবঙ্গ সফরে এলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, হাতে একগুচ্ছ কর্মসূচি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Droupadi Murmu in Kolkata: ২৭ মার্চ সোমবার (Monday) কলকাতায় (Kolkata) পৌঁছালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Draupadi Murmu)। তাঁকে স্বাগত জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাষ্ট্রপতি পদে বসার পরে এই প্রথম তাঁর পশ্চিমবঙ্গ সফর। দু’দিনের সফরে তিনি একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন। কলকাতায় রাষ্ট্রপতি আসার কয়েকদিন আগে থেকেই জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সোমবার পৌনে বারোটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত তিলোত্তমায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এছাড়াও যান চলাচলের কিছু রোডম্যাপ পরিবর্তন করা হয়েছে। রাত দশটা পর্যন্ত ভিআইপি রোড দিয়ে যেতে পারবে না কোন পণ্যবাহী গাড়ি।

    সোমাবার সকালে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানানোর জন্য রাজ্যপাল নিজে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ছিলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুজিত বসু সহ অনেকে। বিমানবন্দর থেকে রাষ্ট্রপতির রাজভবনে যাওয়ার কথা। তারপর সেখান থেকে বিকেলে যাবেন নেতাজি ভবনে। মঙ্গলবারও রাষ্ট্রপতির একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। সোমবার এবং আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার তিনি কলকাতা, বেলুড়মঠ সহ শান্তিনিকেতনের বিভিন্ন জায়গায় যাবে। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তাঁর উদ্দেশ্যে সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

    কলকাতা জুড়ে রাষ্ট্রপতি সফরকে কেন্দ্র করে নানান নিয়মের বেড়াজালে মুড়ে দেওয়া হয়েছে। গোটা শহরে জারি রয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাষ্ট্রপতি রাজভবনের মধ্যাহ্নভোজন শেষে আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলবেন। তাঁর সম্মানে রাজ্যপাল রাতে একটি ভোজসভার আয়োজন করেছেন, সেখানে তিনি রাত্রে যোগ দেবেন। মঙ্গলবার সকালে যাবেন বেলুড় মঠে। এছাড়াও সাইন্সসিটি অডিটোরিয়ামে তাঁর একটি কর্মসূচি রয়েছে। তারপর অংশ নেবেন ইউকো ব্যাঙ্কের ৮০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে। শান্তিনিকেতনে যাবেন মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ। সেখানে বিশ্বভারতী পড়ুয়াদের জন্য সমাবর্তনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে তিনি অংশগ্রহণ করবেন। তারপর বিকেলে আসবেন কলকাতা বিমানবন্দরে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Draupadi Murmu: বঙ্গ সফরে আসছেন রাষ্ট্রপতি, কলকাতায় আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা! বদলে গেছে রোড ম্যাপ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Draupadi Murmu: বাংলা সফরে আসছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Draupadi Murmu)। ২ দিনের সফরে একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে সোমবার(Monday) কলকাতায় (Kolkata) আসবেন তিনি। রাষ্ট্রপতি পদে বসার পর এটাই তাঁর প্রথম পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) সফর। ২ দিনের সফরে নেতাজি ভবন, জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, বেলুড় মঠ, শান্তিনিকেতন প্রভৃতি জায়গায় তিনি যেতে পারেন ।

    সোমবার সকালে রাষ্ট্রপতির কলকাতায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সোমবার বিকেলে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে তাঁকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হবে। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হয়েছে সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান, যেখানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অনুষ্ঠানের আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু যাবেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বাসস্থান নেতাজি ভবনে। সেখান থেকে যেতে পারেন ঠাকুরবাড়ি জোড়াসাঁকোয়। সোমবার দিন রাজভবনেই তাঁর রাত্রিবাস করার কথা। ২৮শে মার্চ অর্থাৎ মঙ্গলবার সকালে যাওয়ার কথা রয়েছে বেলুড় মঠে। সেখান থেকে পৌঁছাবেন বীরভূমের শান্তিনিকেতন। ২৮শে মার্চ বিশ্বভারতীতে ২০২২ সালের উত্তীর্ণ পড়ুয়াদের জন্য একটি সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির এই সফর পড়ুয়াদের কাছে বিশেষ হতে চলেছে।

    রাষ্ট্রপতি সফরের আগের দিন থেকেই কলকাতা সহ বিভিন্ন জায়গায় নিরাপত্তার দিকে বিশেষ জোর দিয়েছে রাজ্য সরকার। শনিবার থেকে বহু জায়গায় পুলিশি টহলদারি চলছে। শহরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার জোরদার করতে কলকাতার বহু রাস্তা বন্ধ রাখা হয়েছে। আগে থাকতে একটু জেনে নিন কলকাতার কোন কোন রাস্তায় একটু এড়িয়ে যাবেন। সোমবার এবং মঙ্গলবার কলকাতার একাধিক রাস্তার রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে থাকবে। যে বাস বা গাড়ি গুলি নির্দিষ্ট রাস্তা দিয়ে যাওয়ার কথা ছিল সেগুলির পথ একটু ঘুরে গেছে।

    • সোমবার বেলা ১২টা থেকে ১২টা ১৫ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে উত্তর ও দক্ষিণ মুখী খিদিরপুর রোডের গাড়িগুলি সেন্ট জর্জেস গেট রোড স্ট্যান্ড রোড দিয়ে ঘুরে যাবে। হসপিটাল রোড বা লাভার্স লেন দিয়ে যে গাড়ি যেত সেগুলি ঘুরে যাবে এজেসি বোস রোড, ডিএল খান রোড, স্ট্যান্ড রোড দিয়ে। এটিএম রোডের গাড়ি গুলি ঘুরে যাবে শরৎ বোস রোড দিয়ে।
    • বেলা ১টা থেকে দুপুর ২টোর মধ্যে দক্ষিণমুখী রেড রোডের গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়া হবে স্ট্র্যান্ড রোড দিয়ে। অপরদিকে উত্তমুখী রেড রোডের গাড়ি গুলি ঘুরিয়ে দেওয়া হবে জওহরলাল নেহেরু রোডের দিকে। বিবেকানন্দ রোডের গাড়ি চালকদের ঘুরে যেতে হবে বিডন স্ট্রিট দিয়ে। বিবি গাঙ্গুলি রোডের গাড়িগুলিকে ঘুরে যেতে হবে গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউ দিয়ে।
    • বিকেল সাড়ে ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের মধ্যে রানী রাসমণি অ্যাভিনিউর গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়া হবে জহরলাল নেহেরু রোডের দিকে। অকল্যান্ড রোডের গাড়ি গুলিকে যেতে হবে কিরণ শংকর রায় রোড দিয়ে। সোমবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত পণ্যবাহী গাড়িগুলি ভিআইপি চলাচলের রাস্তা ব্যবহার করতে পারবে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: তিস্তারের জলের জন্য দিল্লির উত্তরের অপেক্ষায় বাংলাদেশ, বহু বছর ঝুলে রয়েছে চুক্তি!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: তিস্তা চুক্তি নিয়ে ভারত (India) ঠিক কি ভাবছে সেই সম্পর্কে জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্র দফতরে এই বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি কূটনৈতিক নোট অর্থাৎ নোট ভার্বাল পাঠিয়েছে। ভারত সরকার সেচ ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গে তিস্তা নদী থেকে জল প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে ঠিক কোন পদক্ষেপ নিতে চলেছে তা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের জলসম্পদ মন্ত্রণালয় পশ্চিমবঙ্গের পরিকল্পনা বিস্তারিত ভাবে জানতে ভারতকে চিঠি দেওয়ার কথা বলে।

    বাংলাদেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশ এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করার জন্য এখন তিস্তা নদীর উপর তাদের নোটের মৌখিক উত্তরের ক্ষেত্রে নয়া দিল্লির অপেক্ষা করছে। এখনো পর্যন্ত ওই ভার্বাল নোটের কোন উত্তর পাওয়া যায়নি। উত্তর পেলে তবেই বাংলাদেশ পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে। বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের সামনে এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলি সাবরিন। পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন গণমাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশ তিস্তার উপর পশ্চিমবঙ্গের প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলির প্রবাহ হ্রাস করার বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে নয়া দিল্লিতে একটি ভার্বাল নোট পাঠিয়েছে। নিউইয়র্কে চলমান জাতিসংঘের জল সম্মেলনে ঢাকা আন্তঃসীমান্ত নদীর জল বন্টনের বিষয়টি উত্থাপন করেছে কিনা জানতে চাইলে সাবরিন সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে বাংলাদেশ জল সম্পদের টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে তার জাতীয় নীতি তুলে ধরেছে।

    ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তিস্তা জল বন্টন চুক্তি আলোচনায় রয়েছে। ২০১১ সালে ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশের সফরের সময় ঢাকা এবং নয়া দিল্লির মধ্যে তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষর করার জন্য নির্ধারিত হয়েছিল। সেই সময় পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভারত ও বাংলাদেশ চুক্তি স্বাক্ষর করতে সম্মত হলেও অবশেষে সেই চুক্তি বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলায় সেচের উদ্দেশ্যে তিস্তার জল সরানোর জন্য দুটি নতুন খাল খননের কথা চলছে। বাংলাদেশের দাবি অনুযায়ী, তিস্তার জল ব্যবহার করে পশ্চিমবঙ্গে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের নিম্নধারার প্রবাহকে প্রভাবিত করতে পারে।

    প্রায় ১১ বছর হয়ে গিয়েছে, ঝুলে রয়েছে তিস্তার জল বন্টন চুক্তি। পশ্চিমবঙ্গ সরকার বারংবারই চুক্তিতে আপত্তি তুলে জানিয়েছে, বাংলাদেশকে দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত জল তিস্তায় নিয়ে। অপরদিকে বাংলাদেশ সরকারের দাবি, জলপাইগুড়িকে দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গ দুটি সেচ খল খনন করতে চলেছে। এই খাল বিতর্কে সেচ মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক নবান্নের শীর্ষ মহলে জানান, রাজ্য দুটি খাল খননের চিন্তাভাবনা করছে। যদিও এই উদ্যোগ এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। খাল খননের জন্য নানান পর্ব পেরোনোর প্রয়োজন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Civic Volunteer: সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন হাইকোর্টের, গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Civic Volunteer: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। মঙ্গলবার একটি মামলার শুনানিতে এই প্রশ্ন তোলেন হাইকোর্টের বিচারপতি। রাজ্যে সিভিক ভলান্টিয়ারের ভূমিকা নিয়ে একটি বিস্তারিত গাইডলাইন তৈরি করারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। রাজ্য পুলিশের আইজিকে এই বিষয়ে আগামী ২৯ মার্চের মধ্যে গাইডলাইন তৈরি করে আদালতে জমা দিতে হবে।

    আনন্দবাজার পত্রিকার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক যুবককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে সরশুনা থানার দুই সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। এরপরই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই যুবকের পরিবার। এদিন সেই মামলার শুনানিতেই হাইকোর্টের বিচারপতি সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। যুবকের পরিবারের আইনজীবী সব্যসাচী চক্রবর্তী আনিস খানের প্রসঙ্গ তোলেন। শুধু তাই নয়, এর আগে আরও বিতর্কে জড়িয়েছে সিভিক ভলান্টিয়ারের নাম।

    সম্প্রতি বাঁকুড়া পুলিশের উদ্যোগে প্রাথমিকের পড়ুয়াদের পাঠ দেওয়ার কাজে সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয় রাজ্যজুড়ে। পরে অবশ্য রাজ্য শিক্ষা দফতর এবং পুলিশের পক্ষে বিষয়টি স্পষ্ট করে জানানো হয়। বলা হয় বিদ্যালয়ে নয়, বিদ্যালয়ের বাইরে প্রাথমিকের পড়ুয়াদের শিক্ষা দেবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা।

    ২০১২ সালে এই বাহিনী গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়। বর্তমানে রাজ্যে এক লক্ষের বেশি সিভিক ভলান্টিয়ার রয়েছেন। প্রথমে এই বাহিনীর নাম রাখা হয় ‘সিভিক পুলিশ ভলান্টিয়ার্স।’ পরে ২০১৪ সালে পুলিশ কথাটি সরিয়ে ‘সিভিক ভলান্টিয়ার্স’ রাখা। মূলত এই বাহিনী গড়ে তোলা হয়েছিল যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও মেলা-পার্বণে ভিড় সামলানোর জন্য। প্রশাসনিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই বাহিনী গড়ে তোলার উদ্দেশ্য ছিল পুলিশের সাহায্যকারী হিসেবে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাল কাজ করলে সিভিক ভলান্টিয়ারদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা করেছেন।

    নবান্ন সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় কনস্টেবল পদে ‘দক্ষ’ সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ করা যায় কি না, তা ভাবার জন্য রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতরকে পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সিভিক ভলান্টিয়ার পদে আবেদনের জন্য ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়স হতে হবে। এই পদে আবেদনের জন্য সর্বনিম্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে অষ্টম শ্রেণি পাশ। সিভিক ভলান্টিয়ারদের বর্তমান বেতন মাসিক ৯,০০০ টাকা। অসুস্থতা এবং দুর্ঘটনাজনিত কারণে সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিমার সুযোগসুবিধাও দেয় রাজ্য সরকার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Droupadi Murmu: পশ্চিমবঙ্গে ২ দিনের সফরে আসছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, দেওয়া হবে বিশেষ সংবর্ধনা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Droupadi Murmu: রাষ্ট্রপতি (President) হওয়ার পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) সফরে আসছেন দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) উদ্যোগে রাজ্য সরকার তাঁকে বিশেষ সংবর্ধনা দেবে। ২০১৭ সালেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে সংবর্ধিত করেছিল। সেই সময় রামনাথ কোবিন্দ প্রথম বার পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসেছিলেন। দ্রৌপদী মুর্মু রাষ্ট্রপতি হবার ৯ মাস পর আসছেন পশ্চিমবঙ্গে।

    ২ দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি কলকাতায় পৌঁছাবেন ২৭শে মার্চ সকাল বেলায়। এই দিন বিকেলে তাঁকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে রাজ্য সরকার। অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর উদ্যোগে এই আয়োজন। ২৭শে মার্চ তিনি দিল্লি থেকে কলকাতায় এসে সরাসরি চলে যাবেন নেতাজি ভবনে। সেখানে সুভাষ বসু স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর কথা। তারপর যাবেন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। গত বছর জুলাইতে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত হয়েছেন দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যে বিশেষ সংবর্ধনা আয়োজন করেছে তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২৭শে মার্চ তিনি কলকাতায় এসে তার পরের দিন অর্থাৎ ২৮শে মার্চ যাবেন বেলুড় মঠে । তারপর সেখান থেকে যাবেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে। সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষে তাঁর দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা।

    ২০২২ এ রাষ্ট্রপতির কুর্নিশে বসেন দ্রৌপদী মুর্মু বসেন। তিনি প্রথম আদিবাসী কোন মহিলা, যিনি রাষ্ট্রপতি পদে বসেছেন। যদিও এর আগে তিনি ছিলেন ঝাড়খণ্ডের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাজ্যপাল ( নবম)। রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে দ্রৌপদী মুর্মুর নাম ঘোষণা হতেই শুরু হয়েছিল তুমুল চর্চা। আজকে যিনি দ্রৌপদী মুর্মু, তাঁর জীবন ছোট থেকেই ছিল নানান সমস্যায় জর্জরিত। জীবনে পেয়েছেন অনেকগুলি ধাক্কা। পাশাপাশি তাঁর ঝুলিতে রয়েছে প্রায় আড়াই দশকের রাজনৈতিক জীবন। মেয়েকে মানুষ করতে করেছিলেন শিক্ষকতার চাকরি। ২০ জুন অর্থাৎ সোমবার ছিল তাঁর জন্মদিন , এই শুভ দিনের পরের দিনই তিনি রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৫৮ সালের ২০ জুন ওড়িশার ময়ুরভঞ্জ আদিবাসী জেলার এক পিছিয়ে পড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। এই জেলাটি ছিল উড়িষ্যার পিছিয়ে পড়া জেলাগুলির মধ্যে অন্যতম। শৈশবে তাঁকে প্রতি মুহূর্তে লড়াই করতে হয়েছে ক্ষিদে আর দারিদ্র্যতার সঙ্গে। চরম আর্থিক সঙ্কট আর টানাটানির মধ্যে তিনি পড়াশোনা করেছেন। স্নাতক করেন ভুবনেশ্বর রমাদেবী ওমেন্স কলেজ থেকে। তারপর কর্ম জগত শুরু করেছিলেন ওড়িশার সেচ ও বিদ্যুৎ দপ্তরে জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে ( ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৩)। তার কিছুদিন পর তিনি এই সহকারি শিক্ষিকা হিসেবে যুক্ত হন শ্রীঅরবিন্দ ইন্টিগ্রাল কলেজে( ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৭)।
    রাজনৈতিক জীবন
    •১৯৯৭ সালে পৌর নির্বাচনে জয়লাভ করে তিনি রাজনৈতিক জীবনে পদার্পণ করেন। পদ পান রাইরংপুর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে।
    • ২০০২-২০০৯
    বিজেপির আদিবাসী মোর্চার জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য
    • ২০০০-২০০৪
    বিজেপি বিধায়ক, জিতেছিলেন ওড়িশার রাইরংপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে।

    •২০০৬-২০০৯

    ওড়িশা বিজেপির আদিবাসী মোর্চার সভানেত্রী

    • ২০১০ সালে ময়ূরভঞ্জ পশ্চিমের জেলা বিজেপি সভাপতি হন।

    • ২০১৫ – ২০২১
    ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল
    পুরষ্কার – উড়িষ্যার বিধানসভার তরফ থেকে ২০০৭ সালে সেরা বিধায়ক বা স্টার পারফরমার বিধায়ক হিসেবে পেয়েছিলেন নীলকন্ঠ পুরস্কার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Higher Secondary Examination 2023: শুরু উচ্চ মাধ্যমিক, কড়া নিরাপত্তায় পরীক্ষা কেন্দ্র, মানতে হবে বিশেষ নিয়ম

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Higher Secondary Examination 2023: ২০২৩ এর ১৪ই মার্চ থেকে শুরু হল উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা (Higher Secondary Examination)। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা কেন্দ্র (Exam Centre) গুলির জন্য উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে। পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) পড়ুয়াদের জীবনের দ্বিতীয় বড় পরীক্ষা। সেই পরীক্ষা যাতে নির্বিঘ্নে হয় সেদিকে কড়া নজর রেখেছে সংসদ। ২০২৩ এ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৮ লক্ষ ৫৫ হাজার। পরীক্ষা চলবে ১৪ই মার্চ থেকে ২৭শে মার্চ পর্যন্ত। পরীক্ষার ফলাফল (Result) প্রকাশ হতে পারে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে, এক সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই জানিয়েছিলেন সংসদের সভাপতি।

    প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিয়ে যেতে হবে অ্যাডমিট কার্ড এবং রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট। পরীক্ষা শুরুর অন্তত এক ঘন্টা আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। প্রথম দিনের পর থেকে পরীক্ষা শুরুর আধঘন্টা আগে প্রবেশ করলেও হবে। পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের প্রত্যেক পরীক্ষার দিন সই করতে হবে অ্যাটেনডেন্স কাম সিগনেচার রোলে। গতবছরের তুলনায় এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় এক লক্ষ বেশি। পরীক্ষা হলে যাতে কোনো রকম ভাবে টোকাটুকি না হয় কিংবা প্রশ্নপত্র ফাঁস না হয় সেদিকে কড়া নজর রেখেছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলিতে থাকবে মেটাল ডিটেক্টর। অতি স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলিতে থাকবে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ডিটেক্টর। এর মাধ্যমে যদি কোন পড়ুয়ার কাছে কোন ধরনের ডিভাইস থেকে যায় তাহলে বিপ শব্দ হবে। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ডিটেক্টরের ব্যবহার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় এই প্রথম। পরীক্ষা হলে মোবাইলসহ ইলেকট্রনিক জিনিস নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ। যদি কোন পড়ুয়া মোবাইল ফোনসহ ধরা পড়ে সেক্ষেত্রে পরীক্ষা বাতিল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি সেন্টার ইন চার্জ, ভেন্যু সুপারভাইজার, সেন্টার সেক্রেটারি সহ শিক্ষা কর্মীরাও পরীক্ষা কেন্দ্রে ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না।

    ২০২৩ এর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যের মোট পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২৩৪৯টি। পরীক্ষা শুরুর এক ঘন্টার মধ্যে কোন পরীক্ষার্থী শৌচালয় যেতে পারবেন না। পাশাপাশি পরীক্ষার শেষের ১২.৪৫ মিনিটের আগে কোনো পরীক্ষার্থী কেন্দ্র ছেড়ে বাইরে যেতে পারবেন না। যে কোন অসুবিধার জন্য চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন নম্বর। সেন্ট্রাল হেল্প ডেস্কের নম্বরটি হল ০৩৩২৩৩৭০৭৯২। এছাড়াও কন্ট্রোল রুমের নম্বর গুলি হল ০৩৩২৩৩৭৪৯৮৪,৮৫,৮৬,৮৭।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • No doctor fees within 15 days: ১৫ দিনের মধ্যে ডাক্তার দেখাবেন নিখরচায়, জারি নয়া বিজ্ঞপ্তি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    No doctor fees within 15 days: সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে কমল ডাক্তার খরচ। আগে ৭ দিনের মধ্যে চিকিৎসককে(Doctor) রিপোর্ট(Report) দেখাতে গেলে কোন ফি দিতে হত না। এবার ৭ দিনের মেয়াদ বাড়ানো হল ১৫ দিন পর্যন্ত। যদি ১৫ দিনের মধ্যে কোন চিকিৎসকের রিপোর্ট দেখাতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে কোন কনসালটেশন ফি(Consultation Fee) প্রদান করতে হবে না। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশন।

    সাধারণত অধিকাংশ জায়গায় একবার চিকিৎসককে দেখানোর পর ৭ দিনের মধ্যে যদি সেই রোগ সংক্রান্ত রিপোর্ট দেখাতে যাওয়া হয় তাহলে আলাদা করে কোনো ফি দিতে হত না। এবার সেই মেয়াদ বাড়িয়ে ১৫ দিন করা হল অর্থাৎ আপনি যদি ১৫ দিনের মধ্যে চিকিৎসককে রিপোর্ট দেখাতে চান সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোন ফি দিতে হবে না। বহু জায়গা থেকেই অভিযোগ আসছিল, ৭ দিন পর রিপোর্ট দেখাতে গেলে তার জন্য চিকিৎসকের পুরো ফি দিতে হত। তাই স্বাস্থ্য কমিশন বিষয়টি নিয়ে চিন্তা ভাবনা করে। এমনকি বিগত কয়েক দিনে কর্পোরেট হাসপাতালের ওপিডি গুলোতেও এই ধরনের সমস্যা দেখা দেওয়ায় বিষয়টি খতিয়ে দেখে স্বাস্থ্য কমিশন। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশন বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, যদি একই চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী কোন পরীক্ষা করাতে হয় এবং রিপোর্ট পেতে সময় লাগে সে ক্ষেত্রে ১৫ দিন পর্যন্ত সময় দিতে হবে। ১৫ দিনের মধ্যে ওই চিকিৎসককে রিপোর্ট দেখাতে গেলে কোন অতিরিক্ত ফি দিতে হবে না।

    এই নতুন নিয়ম সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক খবর। অনেক সময় রিপোর্ট পেতে একটু দেরি হয়। আবার এমন কিছু রিপোর্ট রয়েছে যা ৭ দিনের মধ্যে আসা অসম্ভব। তাই ওপিডি কনসালটেশনের পর যদি ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেখান সেক্ষেত্রে কোন চার্জ দিতে হবে না। এর আগেও দেখা গিয়েছিল রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশন করোনার সময় বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স গুলির ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। অনেক বেসরকারি হাসপাতাল অতিমারির সুযোগ নিয়ে প্রচুর ভাড়া নিত। তখন স্বাস্থ্য কমিশন নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছিল, কলকাতা কিংবা শহরতলি হাসপাতাল গুলিতে ভর্তির ক্ষেত্রে দূরত্ব অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৩০০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া হবে। শুধু তাই নয়, যখন করোনা থেকে কোন ব্যক্তি সুস্থ হয়ে উঠবেন তখন তাকে নিখরচায় অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে বাড়ি পৌঁছে দিতে হবে। স্বাস্থ্য কমিশন ৩৩ নম্বর অ্যাডভাইজারির মাধ্যমে জানাল, যে কোনো ক্লিনিক, নার্সিংহোম আউটডোর, বেসরকারি হাসপাতালের ক্ষেত্রে চিকিৎসককে দেখানোর পর পুনরায় কনসালটেশনের জন্য ১৫দিন পর্যন্ত কোন ফি দিতে হবে না।

     

     

  • Weather Update: শীতের বিদায় বেলায় বৃষ্টির ঝামেলা, গরম আসতে কত দেরি?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: শীতের বিদায় বেলায় বারংবার আবহাওয়ার(Weather) পট পরিবর্তন। দুপুরের দিকে গরম আর রাত নামলেই ঠান্ডা। অনেকে ভেবে পাচ্ছেন না ফ্যান চালাবেন না চালাবেন না। এমত পরিস্থিতিতে একের পর এক ভাইরাসের(Virus) দাপটে ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি, কাশির মত উপসর্গ লেগেই রয়েছে। আবহাওয়ার এই বারংবার রং বদলের ঝামেলা আপনাকে হয়তো আরও কয়েকদিন সহ্য করতে হবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সূত্র অনুযায়ী, শনিবার(Saturday) বৃষ্টির(Rain) পূর্বাভাস রয়েছে।

    হাওয়া অফিস বলছে, গরম পড়ার আগেই বৃষ্টি এবং তার সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া হতে পারে। ঝড় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং পশ্চিম বর্ধমানে শনিবার বৃষ্টির সাথে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়ার এই বদলের পিছনে কাজ করছে পশ্চিমবঙ্গের উপরে থাকা গভীর অক্ষরেখা। যার কারণে শনিবার থেকে উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে বৃষ্টি হতে পারে। এখানেই শেষ নয়, আগামী সপ্তাহেও ঠিক এই ধরনের ঝঞ্ঝার সমস্যা পোহাতে হতে পারে। যার প্রভাবে বৃষ্টিতে ভিজবে দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

    আপাতত শনিবার কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। যে অক্ষরেখাটি রয়েছে তা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম থেকে বাংলাদেশের দিকে চলে যেতে পারে। শনিবার কলকাতার আকাশ মেঘলা থাকবে, কিন্তু বৃষ্টি সেভাবে হবে না। রবিবার থেকে আকাশ পরিস্কার হতে শুরু করবে। তাপমাত্রা যেমন রয়েছে তেমনি থাকবে। অপরদিকে হাওয়া অফিস আশঙ্কা করছে, আগামী সপ্তাহে বুধবার এবং বৃহস্পতিবার কালবৈশাখী হতে পারে। কলকাতা এবং কলকাতা সংলগ্ন এলাকা গুলিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৩ ডিগ্রির আশেপাশে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৩ ডিগ্রির কাছে।

     

     

  • Holi 2023: ন্যাড়া পোড়ায় কোন গাছের কাঠ দিচ্ছেন? একটু ভুলে ঘিরে ধরবে অমঙ্গলের ছায়া

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Holi 2023: আবার এক বছর পর চলে এল বহু প্রতীক্ষিত হোলি(Holi)। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, হোলিকা দহন হোলি উৎসব উদযাপনের একদিন আগে করা হয়। ২০২৩ এ হোলিকা দহন অর্থাৎ ন্যাড়া পোড়া পড়েছে ৭ই মার্চ। এই রীতি শুভ শক্তির জয় এবং অশুভ শক্তির পরাজয়ের প্রতীক। হোলিকা দহনের পরের দিনই থাকে হোলি। পশ্চিমবঙ্গে(West Bengal) অনেকে এটি ন্যাড়া পোড়া বললেও উত্তর ভারতের হোলিকা দহন হিসেবে ব্যাপক প্রচলিত। এই রীতি অনুযায়ী, বিভিন্ন ধরনের কাঠ দিয়ে আগুন জ্বালানো হয়। কিন্তু কাঠ বাছাই করা হয় বিশেষভাবে। প্রচলিত বিশ্বাস এবং ধ্যান ধারণা অনুযায়ী, এমন কিছু কিছু কাঠ রয়েছে যা পোড়ালে হিতে বিপরীত হতে পারে। সংসারে নেমে আসতে পারে অমঙ্গলের ছায়া। এছাড়াও কাঁচা সবুজ পাতা বিশিষ্ট কিংবা ফল ফুল যুক্ত গাছ পোড়াতে নেই। সনাতন ধর্মে আম, আমলকি, কলা, অশোক, বেল, নিম প্রভৃতি গাছ গুলিকে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। তাই এই গাছের কাঠ পোড়ানোর কাজে ব্যবহার করা হয় না।

    হোলিকা দহনের প্রস্তুতি কয়েক দিন আগে থেকে শুরু হয় এবং বহু ব্যক্তি হোলিকা দহনের জন্য কাঠ সংগ্রহ করতে শুরু করেন। কিন্তু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, কিছু গাছ আছে যাদের কাঠ হোলিকা দহনের সময় পোড়ানো হয় না। হোলিকা দহনে কোন গাছের কাঠ পোড়ানো উচিত নয় একটু বিস্তারিত জেনে নিন।

    যে কাঠ পোড়ানো অশুভ

    হোলিকা দহনের জন্য কখনই পিপল, আমলকী, নিম, আম, কলা গাছে শুকনো অংশ এবং বেল কাঠ ব্যবহার করবেন না। এই সমস্ত গাছের বিশেষ গুরুত্ব সনাতন ধর্মে বলা হয়েছে। সবুজ বা কাঁচা গাছের কাঠ কখনই দহনে রাখা উচিত নয়। এই দহনকে হত্যার সমতুল্য বলা হয়। অন্যদিকে হোলিকা দহনে আগাছা, শুকনো কাঠ ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে আশেপাশের পরিবেশও পরিষ্কার হবে এবং সবুজ গাছ কাটাও হবে না। হোলিকা দহনে ডুমুর এবং রেড়ি বা ক্যাস্টর গাছের কাঠ ব্যবহার করা শুভ। প্রকৃতপক্ষে বসন্তে এই ধরনের গাছের ডালগুলি শুকিয়ে যায় এবং এই কাঠগুলি শীঘ্রই পুড়ে যায়। এর পাশাপাশি হোলিকা দহনে গোবরের শুকনো বলও পোড়ানো যেতে পারে।

    হোলি উদযাপনের নেপথ্যে পৌরাণিক গুরুত্ব

    হোলি উদযাপনের পিছনে ধর্মীয় গ্রন্থে হরি ভক্ত প্রহ্লাদ এবং হিরণ্যকশিপুর গল্প রয়েছে। ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে মন্দের উপর ভালোর জয়ের কথা স্মরণ করে হোলিকা দহন পালন করা হয়। রাক্ষস রাজা হিরণ্যকশিপুর পুত্র প্রহ্লাদ ভগবান বিষ্ণুর পরম ভক্ত ছিলেন, কিন্তু হিরণ্যকশিপু তা পছন্দ করতেন না। শিশু প্রহ্লাদকে ভগবানের ভক্তি থেকে সরিয়ে দেওয়ার কাজটি তার বোন হোলিকার উপর অর্পণ করা হয়েছিল, যার বর ছিল যে আগুন তার শরীরকে পোড়াতে পারে না। হোলিকা প্রহ্লাদকে হত্যা করার উদ্দেশ্য নিয়ে আগুনে বসেছিলেন, কিন্তু প্রহ্লাদের ভক্তির কারণে হোলিকা নিজেই আগুনে পুড়ে যায়, অপর দিকে প্রহ্লাদের কোন ক্ষতি হয়নি। এটি মন্দের উপর ভালোর বিজয় হিসাবেও পালিত হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Holi 2023: দোল ঘিরে নানা উৎসব! দেশজুড়ে হোলির রং কোথায় কেমন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Holi 2023: পাহাড় ঘেরা উত্তরপূর্ব থেকে রাজস্থানের (Rajasthan) রাজকীয় হোলি। রঙের উৎসব ! ফুলন ওয়ালি হোলি কী? দোল (Dol Purnima) ঘিরে দেশের নানা উৎসবকে জানুন।

    পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, হোলি ভারতের বারসানা অঞ্চলে শুরু হয়েছিল।যার মধ্যে রয়েছে বৃন্দাবন, মথুরা,(Mathura) নন্দগাঁও এবং বারসানা। আপনি জানেন ফুল ওয়ালি হোলি কি? বৃন্দাবনের অন্যান্য উৎসবের সঙ্গে হোলির আগে একাদশীর দিন এটি পালন হয়। সুন্দর ফুলে সাজিয়ে কৃষ্ণমূর্তিকে সাদা রঙের পোশাক পড়ে গোস্বামী পুরোহিতরা পুষ্পবৃষ্টি করেন।

     

    উত্তরপ্রদেশে (Uttarpradesh) হোলিতে রঙের সঙ্গে সঙ্গে থাকে লাঠিও।ভাবছেন তো দোল খেলতে লাঠি আবার কী হয়? আসলে এখানের একটা প্রথা অনুযায়ী মহিলারা লাঠি নিয়ে পুরুষদের তাড়া করে তা বলে এমন ভাববেন না যে লাঠি পেটা করা হয়। এটা একটা প্রথা মাত্র।
    মহিলারা শ্রীকৃষ্ণের গোপিনীদের মতো সাজেন। যোদ্ধাদের দোল খেলা দেখতে হলে দেখতে হবে পঞ্জাবের (punjab) হোলা মোহল্লা। এ-ও হোলিরই অন্য একরূপ,শিখরা মূলত এই ভাবে দোল উৎসব পালন করে।

    মহারাষ্ট্র (Maharastra) আর মধ্যপ্রদেশে দোল উৎসব রং পঞ্চমী। সিনেমার পর্দায় এই রং পঞ্চমীর অনেক দৃশ্যই অনেকে দেখেছেন। মানুষের পিরামিড তৈরি করে অনেক ছেলে মিলে গোল করে দাঁড়ায়,তাদের পিঠের ওপর কিছু
    তারও ওপর কিছু এই ভাবে মানুষের মই বানিয়ে অবশেষে এক জন সব থেকে ওপরে উঠে উঁচুতে বাঁধা দই-এর হাঁড়ি ভাঙে। হোলিকা দহনের (Holika Dahan) পাঁচ দিন পরে হোলি খেলা হয়। নীল সাগরে ঘেরা গোয়ায় (Goa beach) বসন্ত উদযাপনই হল- শিগমোগোয়ার পর্যটকরাও এই উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠে।

    রাজস্থানের গোলাপী শহর (Pink City)বলা হয় জয়পুরকে (Jaypur)।ভারতে একমাত্র জায়গা যেখানে হোলির সময় রঙের তুলনায় মানুষ আরও রঙিন হয়ে ওঠে। এই সময় জয়পুরে “হাতি উৎসব” বিশ্ববিখ্যাত রাজস্থানের রাজপরিবারের হোলি সবচেয়ে বড় উত্সব।রাজস্থানীদের বিশ্বাস, হোলিকা দহনে অশুভ আত্মা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।উদয়পুরের (udaypur)মেওয়ার রাজপরিবার জমকালোভাবে হোলির উত্সব হয়। প্রতিবছর রাজস্থানের বিকানের, পুষ্করের অলি গলি
    রঙিন হয়ে উঠে।

    খাদি হোলি কুমায়ুন অঞ্চলে খেলা হয়। যার মধ্যে প্রধানত উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) শহরগুলি রয়েছে। হোলির সময় স্থানীয়রা এক বিশেষ পোশাক পরে ।আর হোলি মানেই বসবে গান বাজনার আসর হরিয়ানা রাজ্যে হোলি ধুলন্ডি উৎসব। হোলি মানেই সেখানে দেওয়দের বৌদিরা রং মাখিয়ে ভূত করে দেন। এটাই রীতি। হরিয়ানার প্রায় গোটা মাস ধরেই তাই কারোর না কারোর গায়ে রঙ লাগবেই।গুজরাতেও হোলি একটি বড় উত্সব।
    পাহাড় ঘেরা ভারতের উত্তর পূর্বে কেমন হয় হোলি উত্সব?অসমে (assam)হোলির নাম ফাকুওয়া।এটি বাংলার ‘দোল যাত্রা’-এর মতোই। এখানে উৎসবটি দুই দিনব্যাপী পালিত হয়। প্রথম দিনে মাটির কুঁড়েঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয় । দ্বিতীয় দিন রঙ উৎসব। মণিপুরে, হোলি বা ইয়াওসাং ছয় দিন ধরে চলে। মণিপুরী লোকনৃত্য থাবাল চোংবা নাচ দিয়ে রঙের উৎসবকে উদযাপন করেন তারা।

    কে বলে দক্ষিণ ভারতীয়রা (South Indian) হোলি খেলেনা? তবুও ভারতের অনান্য অংশের তুলনায় দক্ষিণ ভারতে হোলির চল অনেকটাই কম।তবুও কিছু কিছু এলাকায় হোলি পালন করা হয়। কেরালের এই উৎসব মাঞ্জালা কুলি নামে পরিচিত। গোসরপুরম তিরুমালার কঙ্কনি মন্দিরে এই উৎসবের শুরুটা হয়।দিল্লির বাসিন্দাদের দোল খেলার জন্য আবির লাগবেই।এমন কোনো কথা নেই।

    ডিম, কাদা, দেওয়াল রঙের মত কিছু একটা হলেই চলবে।
    সবশেষে আসি পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal)। বাংলার দোল বসন্তের উতসব। তাই এখানে হোলি দোল বা বসন্ত উৎসব নামেও পরিচিত। শান্তিনিকেতনের (Santiniketan) সঙ্গে আবিরের রঙে রাঙা হয়ে উঠে গোটা বাংলা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version