Tag: water

  • বাংলাদেশের বুকে বড় বিপদ কাপ্তাই! জলশূণ্য হবে বিশ্বপ্রাণ শোকাচ্ছে দঃ আমেরিকারও, ভয়ানক পরিণতি

    বাংলাদেশের বুকে বড় বিপদ কাপ্তাই! জলশূণ্য হবে বিশ্বপ্রাণ শোকাচ্ছে দঃ আমেরিকারও, ভয়ানক পরিণতি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাংলাদেশের বুকে এ কোন নতুন বিপদ? কাপ্তাইয়ের সিস্টেমেই প্রাণ শোকাচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার? টিটিকাকা হ্রদের জল শুকিয়ে কাঠ। কোন অভিশাপে বিশ্বের এতো এতো মিষ্টি জলের হ্রদগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে? কোন চালে খেলছে জলবায়ু? কী ঘটছে পৃথিবীর বুকে? এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে বেঁচে থাকার জলটুকু পাবে তো বিশ্বের এতো এতো মানুষ? পৃথিবী থেকে জল উবে যাচ্ছে? কিভাবে এমন হাল হলো? এর জন্য দায়ী কে? দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ বাংলাদেশের রাঙামাটির ‘কাপ্তাই’ এর জল অস্বাভাবিক হারে কমতে শুরু করেছে।দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম হ্রদ বলা ভালো প্রাণ ‘টিটিকাকা’ ও এইভাবে শুকিয়ে যাচ্ছেত। তথ্য বলছে ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিক থেকে আশঙ্কাজনকভাবে মধ্য এশিয়ার আরাল সাগর, মধ্যপ্রাচ্যের মৃত সাগরের মতো বিশ্বের অর্ধেকের বেশি বড় হ্রদ ও জলাধার শুকিয়ে যাচ্ছে। গবেষণা বলছে কৃষি, জলবিদ্যুৎ, মানুষের ব্যবহারের জল নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগ বাড়ছে। আর সেই উদ্বেগ উৎকণ্ঠকে আরও বেশি বাড়িয়ে দিচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার প্রাণ টিটিকাকা হ্রদ।

    মধ্য আন্দিজ পর্বতমালার প্রায় ১২ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। এই উচ্চতার জন্যই এটিকে বিশ্বের সর্বোচ্চ নৌযানযোগ্য হ্রদ বলা হয়। তবে সর্বোচ্চর খেতাব পেলেও এই উচ্চতাই যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ সূর্য অনায়াসেই এর জলকে ছুঁতে পারে। ফলে জলের বাষ্পীভবনও ঘটে খুব সহজেই। তাই এইভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার প্রাণ। তাপমাত্রার পাশাপাশি খরাও এর অন্যতম কারণ। হ্রদের চারপাশে ৩০ লাখেরও বেশি মানুষের বসবাস। যাদের বেশির ভাগই মাছ ধরা এবং কৃষি কাজের ওপর নির্ভরশীল। তাই টিটিকাকার জল শুকিয়ে যাওয়ায় কৃষি কাজ ব্যাহত হচ্ছে। নৌ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় লেকের চারপাশে দর্শনার্থীদের সংখ্যাও কমছে। পর্যটন অর্থনীতিও ভেঙে পড়েছে। পরিবেশবিদরা বলছেন, জলবায়ু সংকটের কারণে টিটিকাকার পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। সংকটগুলো চরমসীমায় পৌঁছে যাচ্ছে। ফলে, খোলা আকাশের নীচে নীল জলের চোখ জুড়ানো সমাহার এখন অতীত।

    শুধু টিকিকাকা বললে ভুল হবে। দখল ও দূষণের কবলে পড়েছে বাংলাদেশ এর রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ। কাপ্তাই হ্রদ এখন দিনদিন জনবসতিতে পরিণত হচ্ছে। দখলের হিড়িক চলছে বছরের পর বছর। পরিবেশ বিপর্যয়, নির্বিচারে বন উজাড়, নাব্যতা সংকট ও অনাবৃষ্টির কারণে বড় বিপর্যয়ের মুখে রাঙামাটির ‘কাপ্তাই হ্রদ’। হ্রদ সৃষ্টিতে কাপ্তাইয়ে গড়ে ওঠে বাংলাদেশের প্রধান মৎস্য উৎপাদন ক্ষেত্র, কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, রাঙামাটির ৮ উপজেলায় নৌ যোগাযোগব্যবস্থা, পর্যটন ব্যবস্থা ও জলে ভাসা জমিতে চাষাবাদসহ বহুমুখী সুবিধা। কিন্তু অবৈধ দখলের কবলে পড়ে দিনদিন নাব্যতা কমে যাওয়া সহ হ্রদের সুযোগ-সুবিধাগুলো লোপ পাচ্ছে। ১৯৬০ সালে ৭২৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে সৃষ্টি কাপ্তাই হ্রদের এখন বয়স প্রায় ৬২ বছর। বয়সের ভারে নাব্য সংকটে পড়া কাপ্তাই হ্রদের ড্রেজিং নিয়ে শুধু কথার পিঠে কথা হয়েছে, কাজ শুরু করা যায়নি আজ পর্যন্ত। তাই গত কয়েক বছরে গ্রীষ্মের মরসুমে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য কাপ্তাই দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    টিটিকাকা, কাপ্তাই হ্রদ ছাড়াও ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যবর্তী কাস্পিয়ান সাগরের ও একই পরিস্থিতি। বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিষ্টি জলের উৎসগুলো এভাবেই ক্রমাগত শুকিয়ে যাচ্ছে। প্রায় তিন দশক ধরে প্রতি বছর ২২ গিগাটন হারে জল শুকিয়ে গেছে। আর, পৃথিবীর মিষ্টি জলের প্রায় ৮৭ শতাংশই সঞ্চয় করে রাখে প্রাকৃতিক হ্রদ এবং জলাধারগুলো। সেগুলোর এই হাল হলে, বিশ্বজুড়ে এতো এতো মানুষের কী হবে? জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বের শুষ্ক অঞ্চলগুলো আরও শুষ্ক হয়ে উঠছে এবং আর্দ্র অঞ্চলগুলো আরও আর্দ্র হয়ে উঠছে। আর্দ্র অঞ্চলেও উল্লেখযোগ্য হারে জল কমে যাচ্ছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। জলবায়ু বিজ্ঞানীরা মোটেই গোটা বিষয়টাকে হালকা ভাবে দেখছেন না। এই পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য তাঁদের। কিন্তু দায়ী কে এই পরিস্থিতির জন্য?

    বিশ্বের ২ হাজার বড় হ্রদ নিয়ে করা নতুন এ গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, মানুষের ক্রমাগত ব্যবহার, বৃষ্টিপাত প্রবাহের পরিবর্তন, অবক্ষয় ও ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলেই হ্রদের জলর স্তর কমে যাচ্ছে। ১৯৯২ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ৫৩ শতাংশ জল কমে গেছে। অর্থাৎ শুধু জলবায়ু পরিবর্তন নয় যে বিপর্যয় পৃথিবীর বুকে ঘনিয়ে আসছে তার জন্য দায়ী মানুষ নিজে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Rules for Drinking Water: জল দাঁড়িয়ে খাবেন নাকি বসে? জল পান করা নিয়ে বিভিন্ন কথা জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Rules for Drinking Water: জল খাওয়ার সঠিক নিয়ম জানেন? হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন জল খাওয়ারও নিয়ম রয়েছে। জল দাঁড়িয়ে খাবেন নাকি বসে? দাঁড়িয়ে খেলে কি হয়? কোন সময় জল খেলে ক্ষতি হতে পারে শরীরের? জল খাওয়া নিয়ে বিভিন্ন কথা জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। আপনিও জেনে রাখুন। জল ছাড়া বেঁচে থাকার কথা কেউ কল্পনাও করতে পারে না। জলে এমন উপাদান রয়েছে, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু, যে কোনও কিছু আপনাকে তখনই সুবিধা দিতে পারে যখন তা সঠিক সময়ে ব্যবহার করা হয়। জলের ক্ষেত্রেও তাই। জল থেকে সর্বাধিক উপকার পেতে, জল পান করার সঠিক সময় কী তা আপনার জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ। চলুন আগে আপনাদের জানাই জল খাওয়ার সঠিক সময়!

    প্রত্যেককে সকালে খালি পেটে হালকা গরম জল বা সাধারণ জল পান করতে হবে। সারাদিনে জল পান করার জন্য এটাই সেরা সময় বলে মনে করা হয়। কারণ, রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের কারণে শরীর জল থেকে বঞ্চিত থাকে। এ কারণেই সকালে শরীরে জলের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।

    খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে জল পান করলে খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করবে। শরীর খাদ্য থেকে সর্বাধিক পুষ্টি পেতে সক্ষম হয়। শুধু তাই নয়, এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।

    ঘুমানোর আগে জল পান করা জরুরি বলে মনে করা হয়। কারণ অনেকেই পূর্ণ ঘুমের কারণে ৭-৮ ঘণ্টা জল পান করেন না।

    স্নানের আগে হালকা গরম জল পান করাও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে অনেক সাহায্য করে।

    যখন শরীর সবচেয়ে বেশি তাপ অনুভব করে বা প্রচুর ঘাম হয়, তখন জল খাওয়া উচিত। কারণ ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে জল বের হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে জলের অভাব এড়াতে প্রত্যেকেরই প্রচুর জল পান করা উচিত।

    জল পান করার সঠিক সময় ব্যায়ামের আগে ও পরে। কারণ ব্যায়ামের সময় শরীর থেকে ঘাম বের হয়, যার কারণে আপনার ডিহাইড্রেশনের সমস্যা হতে পারে। ডিহাইড্রেশন এড়াতে, ব্যায়ামের আগে এবং পরে প্রচুর পরিমাণে জল পান করা গুরুত্বপূর্ণ।

    জল খাওয়ার সময় কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত যেমন,

    বোতল বা গ্লাস থেকে ঢকঢক করে জল পান করবেন না। বরং, আস্তে আস্তে চুমুক দিয়ে জল পান করুন।

    খাবার খেতে গিয়ে পিপাসা লাগলে এক গ্লাস নয়, ১-২ চুমুক জল খান।

    আর সব থেকে ইমপর্টেন্ট যে বিষয় সেটি হল দাঁড়িয়ে জল পান করবেন না। জল সব সময় বসে পান করা উচিত। দাঁড়িয়ে জলপান করলে কিডনি থেকে শুরু করে ফুসফুস, জয়েন্টর ব্যাথা এমনকি হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই চিকিৎসকেরা বলছেন জল সব সময় বসে পান করা উচিত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • কালো জল পান করেন আলিয়া – বিরাট, সাধারণ জল নয়! ব্ল্যাক ওয়াটারে আসলে কী আছে ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বিরাট কোহলি থেকে আলিয়া – মালাইকা যৌবন ধরে রাখতে পান করেন এই কালো জল। জল কিনতে হাজার হাজার টাকা খরচ। এমন কী আছে এই ব্ল্যাক ওয়াটারে ? আপনার বাড়ির সাধারণ জল নয়! এক লিটারের দাম আকাশছোঁয়া। সেলিব্রেটিরা শুধু নয় বয়স ধরে রাখতে আমজনতাও বোতল বোতল কিনছেন ব্ল্যাক ওয়াটার। কেন এই কুচকুচে কালো জল খান সেলিব্রেটিরা? ফিটনেস হোক বা ফ্যাশন মালাইকা আরোরা বোল্ড লুক যেন ঝড় তোলে। দেখে কে বলবে ৫০ বছর বয়স। যৌবন ধরে রাখার রহস্যে কী লুকিয়ে এই কালো জলে?এমন কী আছে? ব্ল্যাক ওয়াটার-এ মিনারেল ওয়াটার-এর চেয়ে বেশি পুষ্টি থাকে। আপনি কি সুগার বা হাইপ্রেসারের রোগী? এই জলেই আপনার সব রোগ ভ্যানিশ হতে পারে।অনেকেই বলেন যে এটি পান করলে বার্ধক্য দেখা দেয় না। আপনার যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে। সত্যিই কি তাই?

    বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যাঁদের গ্যাস অম্বল বা হজমের সমস্যা রয়েছে তাঁদের জন্য এই জল বেশ উপকারী জানেন? ত্বকের জেল্লা ফেরাতে ব্রণর সমস্যা দূর করতেও কিন্তু এই জল উপকারী। সাধারণ জলে পিএইচের মাত্রা ৬ থেকে ৭। কোনও খনিজ থাকে না অন্য দিকে, অ্যালকালাইন ওয়াটারের পিএইচের মাত্রা ৮-এর উপরে থাকে। প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। শুধু তা-ই নয় এতে ক্যালশিয়াম ক্লোরাইড ম্যাগনেশিয়াম সালফেট, পটাশিয়াম এবং সোডিয়াম বাইকার্বনেটের মতো খনিজ পদার্থও ভরপুর মাত্রায় থাকে। হাই প্রেসার বা ডায়বিটিসের সমস্যা থাকলেও এই জল খেয়ে দেখতে পারেন। নিয়মিত খেলে এই দুই রোগকে নিয়ন্ত্রণে থাকবে হজম ভাল হয়, ওজনও থাকে কন্ট্রোলে।

    এই জল কেনা মধ্যবিত্তের ধরাছোঁয়ার বাইরে হবে। জানেন কত দাম? এক লিটার এই জলের দাম ৩০০০ থেকে ৪০০০ টাকা। তাহলে ধরুন যে দিনে ৪ লিটার জল খায় তার রোজ জলের জন্য খরচ হবে ১৬০০০ টাকা। মাসের খরচ প্রায় ৫ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। যত দাম বেশি তত গুণও বেশি। কালো ক্ষারীয় জল ভারতে অনলাইনে খুব সহজেই পাওয়া যায়। বিরাট কোহলি জলের জন্য এত টাকাই খরচ করেন। জিমের পর কালো জল পান করলে শরীরের অনেক উপকার পাওয়া যায়। ‘এখন ব্ল্যাক ওয়াটার সেলেব্রিটি ট্রেন্ড। যাঁরা এই জল পান করার ক্ষমতা রাখেন, তাঁরা অত্যন্ত ধনী। কিন্তু খাবার থেকেও তাঁরা এই একই পুষ্টিগুণ পেতে পারেন। তার জন্য এই বিশেষ জলের প্রয়োজন কতটা, এই নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

    এটি বেছে নেওয়ার আগে আপনার চিকিৎসক বা ডায়েটিশিয়ানের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া উচিত। বিশেষ করে এটা জানার জন্য যে এর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কি না। যদি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া না থেকে থাকে, সেক্ষেত্রে আপনি চাইলে খেয়ে দেখতে পারেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চাঁদে জল তৈরি করবে ভারত! চন্দ্রযান ১ এখনও সক্রিয় কীভাবে ? রহস্য ঘনাচ্ছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চাঁদে জল তৈরি করবে ভারত! চন্দ্রযান ৩ বিগ আপডেট চাঁদের কোথায় কোথায় বরফের পাহাড়? কখন তৈরি হয় জলের ফোঁটা? চন্দ্রযান ১ এখন তথ্য পাঠাচ্ছে ভারতকে এমনটা কীভাবে সম্ভব? নতুন একাধিক চাঞ্চল্যকর রহস্যের উদঘাটন। অক্সিজেনের সন্ধান তো পাওয়া গেছে এবার চাঁদের মাটিতে তৈরি হবে জল। আর সেই অসম্ভবকে সম্ভব করবে একমাত্র ভারত। আমেরিকা-চীন-রাশিয়া যা ভেবেও করতে পারেনি দুনিয়ার সামনে সেটাই করে দেখাতে চলেছে চন্দ্রযান ৩। ২০০৯ পর্যন্ত সফলভাবে কাজ করেছিল চন্দ্রযান ১ কিন্তু এখনও তা ইসরোকে তথ্য কীভাবে পাঠাচ্ছে? চাঁদের পিঠে জলের ধারা না মিললেও যে অংশে সূর্যের আলো পড়ে না সেখানে রয়েছে সাদা বরফের চাদরের অস্তিত্ব। জল না থাকলে বরফ এল কোথা থেকে? যে তথ্য মিলেছে তা ভালো করে বুঝুন।

    বড়সড় রহস্যের উন্মোচন করে দিল ইসরো। হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল বিজ্ঞানী তাঁদের গবেষণায় দাবি করেছেন পৃথিবীর বর্হিমণ্ডলে যে প্লাজ়মার চাদর রয়েছে তা থেকে নির্গত হওয়া ইলেকট্রন কণা চাঁদে আবহাওয়ার বিকার ঘটাতে সাহায্য করে। এই ইলেকট্রন কণার এর ফলে পাথর ভেঙে তৈরি হয় খনিজ এমনকি এ ভাবেই তৈরি হতে পারে জলকণাও। ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’ পত্রিকায় প্রকাশিত এই জার্নালে বলা হয়েছে এই ষ গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় সব তথ্য মিলেছে চন্দ্রযান-১ অভিযান থেকে। ২০০৯ পর্যন্ত সফলভাবে কাজ করা চন্দ্রযান ১। আজ বিশ্বকে দেখাচ্ছে নতুন দিশা ভারত কি তাহলে চাঁদের মাটিতে জল তৈরির কাজ শুরু করবে? গবেষকরা ২০০৮ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে চন্দ্রযান -১ মিশনে মুন মিনারোলজি ম্যাপার দ্বারা সংগ্রহ করা দূরবর্তী সংবেদনশীল ডেটা বিশ্লেষণ করেছেন। প্রধানত পৃথিবীর ম্যাগনেটোটেলের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় জল গঠনের পরিবর্তনগুলি দেখেছেন তাঁরা।

    এরপরই হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক শুয়াই লি ও তাঁর টিম জানাচ্ছে চাঁদ যে সময়ে পৃথিবীর ম্যাগনেটোটেল এর মানে পৃথিবীর বর্হিমণ্ডলের স্তর ম্যাগনেটোস্ফিয়ারের প্রভাব পর্যায়ের বাইরে থাকে, সেই সময় তার উপরে সৌরজাগতিক ঝড় আছড়ে পড়ে। বিজ্ঞানীদের মতে সৌরবায়ু উচ্চ শক্তি সম্পন্ন প্রোটন কনার সমন্বয়ে গঠিত তার জেরে প্রবল শক্তিশালী প্রোটন কণার সঙ্গে চন্দ্রপৃষ্ঠের সংঘর্ষ হয়। এই আবহবিকারের ফলে চাঁদের পিঠে থাকা পাথর ভেঙে ধীরে ধীরে তা খনিজে পরিণত হয়। আর এই সময়ই তৈরি হয় জলকণাও। এই ঘটনা সবসময় ঘটে না যে সময়ে ম্যাগনেটোটেল পর্যায়ের মধ্যেই চাঁদ থাকে তখন সৌরঝড় চাঁদকে ছুঁতে পারে না সেই সময় জলকণা তৈরির সম্ভাবনাও শূন্যে নেমে যায়। বলা হচ্ছে একইভাবে পৃথিবীর বাইরের স্তরে প্লাজ়মার যে চাদর রয়েছে সেখান থেকে নির্গত শক্তিশালী ইলেকট্রন কণার জেরেও চন্দ্রপৃষ্ঠে জলকণা তৈরি হতে পারে। এর মানে ভবিষ্যতে চাঁদের মানুষ পাঠানোর ক্ষেত্রে জল খুঁজে পাওয়াটা বড় একটি পাওনা হবে মানবজাতির কাছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Iraq: শুকিয়ে কাঠ ইরাক! জলের জন্য হাহাকার, সর্বনাশের মূলে আমেরিকা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Iraq: জলের ছিটেফোঁটাও নেই, ধুঁকছে ইরাক। ইরাকের নদনদী খালবিল শুকিয়ে কাঠ, তীব্র জলসঙ্কটে ভুগছে দেশটা। কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়েও জলের দেখা মিলছে না। জল নিয়ে কাটাকাটি মারামারির মতো পরিস্থিতি। ইরাক ছেড়ে চলে গেছে কত মানুষ। যা করা উচিত ছিল তা কি করতে পারছে ইরাক? কি কারণে তৈরি হলো এই পরিস্থিতি? কি বলছেন আবহবিদরা?

    জলের জন্য ইরাক আর ইরানের মধ্যে ১০ বছর ধরে যুদ্ধ চলার পরেও। ভালো নেই ইরাক। রীতিমতো খরা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঘরবাড়ি মাঠঘাট সবকিছুই খাঁ খাঁ করছে। খাল ফেঁটে চৌচির। একটু জলের আশায় কোদাল দিয়ে প্রতিদিন মাটি খোঁড়ে ইরাকের মানুষ। কিম্বা জলের জন্য মাইলের পর মাইল হেঁটেও ফিরতে হয় খালি হাতে। জল সংকটের কারণে কমে গেছে শস্য উৎপাদন। বৃষ্টি নির্ভর ফসলের উৎপাদন কমেছে অনেকটাই। চাষীদের মধ্যে জলের জন্য বিরোধ তৈরি হচ্ছে। জলের অভাবে কত মানুষ ঘর বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছে।

    দীর্ঘদিন ধরেই মারাত্মক খরার মুখে ইরাকের বিভিন্ন অঞ্চল। বর্তমানে পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে। বসরার দিকে একবার তাকিয়ে দেখুন শাত আল আরব ইরাকের খুব গুরুত্বপূর্ণ নদী। এর তীরে অবস্থিত বসরা শহরটি ওই নদীর সঙ্গে অনেকগুলো খাল দিয়ে যুক্ত। কয়েক বছর ধরে বসরার খাল গুলো মরে যাচ্ছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ জল বাহিত রোগে আক্রান্ত। আসলে, শুধু বসরা নয়, এই ছবি কমবেশি গোটা ইরাকের। আবহবিদদের মতে ইরাকে বৃষ্টির পরিমাণ কমেছে ৩০ শতাংশ। জল সংরক্ষণের পরিমাণ বছরে ৭০ বিলিয়ন ঘন মিটার হওয়ার কথা থাকলেও তা হয় না। দুর্বল ব্যবস্থাপনা, অবৈধভাবে জল সরবরাহ এগুলোর কারণেই এই পরিস্থিতি বলে অভিযোগ।

    এর বাইরেও আরও কিছু কারণ আছে। ইরাকের জলের মূল উৎস ইউফ্রেটিস আর টাইগ্রিস। দুটো নদী এক হয়ে তৈরি করেছে শাত আল আরব নদী, যা পারস্য উপসাগরে গিয়ে মিশেছে। নদী দুটোর জল, তীরবর্তী শহরের মানুষের প্রয়োজন আর ক্ষেত খামারে কৃষিকাজের চাহিদা মেটালেও, দেশটার বাকি অংশ শুকিয়ে কাঠ, যেন একপ্রকার মরুভূমি। নগর ব্যবস্থা আর কৃষিকাজ কে সচল রাখতে নদী দুটোর উপর অনেকগুলো বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে, খাল কাঁটা হয়েছে। বলতেই হচ্ছে, ইরাকের মানুষ এই দুটো নদীর উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। নদী দুটোর জন্ম তুরস্কে, উৎস থেকে ৭১% জল আসে। সিরিয়া আর ইরান থেকে যুক্ত হয় ১০% জল। এই তিনটে দেশ নদীর জল প্রয়োজন মতো ধরে রাখছে। ইউক্রেটিস টাইগ্রিস নদী দুটোতে প্রচুর বাঁধ দিয়েছে তুরস্ক, সিরিয়া। আরও বাঁধ তৈরি চলছে। ফলে, নদীগুলোর স্বাভাবিক জলপ্রবাহের খুব কমই ইরাকে পৌঁছতে পারছে।

    ইরাক পাচ্ছেনা মিঠা জল, বাড়ছে দূষণ। জলপ্রবাহ কমে যাওয়ায় পারস্য উপসাগর থেকে নোনা জল শাত আল আরব দিয়ে ঢুকে যাচ্ছে ইরাকের মালভূমিতে। বুঝতে পারছেন বিপদ টা কোথায়? মারা যাচ্ছে মিঠা জলের মাছ আর শস্য। সবমিলিয়ে, চরম বিপদে ইরাক। ইরাকে জল সংকটের শুরু ১৯৯০ সালে। উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় ইরাকের হাইড্রোইলেকট্রিক বাঁধ সহ অসংখ্য অবকাঠামো ধ্বংস করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইরাক জুড়ে ফের আক্রমণ চালায়। ইরাকের ৪০ শতাংশ মানুষ খাওয়ার জল থেকে বঞ্চিত হতে শুরু করে। এককথায় ইরাকে, নদীভিত্তিক অবকাঠামো আর পরিষ্কার জল সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলা ভালো, ধ্বংস হয়ে গেছে। ইরাক সেগুলো এখনো নতুন করে তৈরি করতে পারেনি। শুধু ইরাক নয়, এখনও যদি আমরা সতর্ক না হই তবে ভবিষ্যতে ভুগতে হবে। জীবনের সংকট মেটায় যে জল, সেই জলই এখন তীব্র সঙ্কটে। মনে রাখবেন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যদি কখনো বাঁধে, তা জমি বা এলাকার দখল নিয়ে নয়, জলের জন্য বাঁধবে বলছেন গবেষকরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Summer Drink: গরমে হাঁসফাঁস, চটজলদি মুক্তি দেবে এই শরবত! বানিয়ে ফেলুন বাড়িতেই

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Summer Drink: গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা, বারবার জল (Water) খেয়েও তৃষ্ণা মিটছে না। মনে হচ্ছে হাতের কাছে যদি এমন কোন ম্যাজিক পানীয় (Magic Drink) থাকত যা দিয়ে মনের তৃপ্তি হত। জল খেয়ে পেট ভরলেও মন ভরছে না। গরম পড়লে এটা চেনাপরিচিত ছবি। বিগত সমস্ত বছরের রেকর্ড ভেঙে দিয়ে ২০২৩ এ তীব্র তাপদাহে পুড়ছে গোটা ভারত (India)। বিশেষজ্ঞ মহল থেকে বারংবার এই বিষয়ে সতর্কতা জারি করছে। চরম গরম থেকে বাঁচতে আপনি হাতের কাছে রাখতে পারেন এক বিশেষ পানীয়। যা অনেকটা ম্যাজিকের মতো কাজ করবে। এতে রয়েছে একাধিক উপকারী উপাদান। এর জন্য খুব একটা দামী উপকরণের প্রয়োজন নেই। বাড়িতে থাকা সামান্য কয়েকটি উপকরণ দিয়ে চটফট বানিয়ে ফেলতে পারেন এই বিশেষ পানীয়।

    মোটামুটি ভাবে একজন পুরুষদের ক্ষেত্রে দিনে কমপক্ষে ৩.৭ লিটার এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ২.৭ লিটার জলের প্রয়োজন। অনেকেই আছেন যারা গরমের অস্বস্তি কাটাতে কোমল পানীয় কিংবা শরবত বেছে নেন। কোমল পানীয় কিংবা অতিরিক্ত চিনি দেওয়া শরবত শরীরের জন্য একেবারেই ভালো নয়। গরম থেকে বাঁচতে রাস্তার ধারে জুসের দোকানগুলোতে অনেকেই ভিড় জমান। কিন্তু এইসব পানীয়র উপর নির্ভর না করে আপনি বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন স্বাস্থ্যকর জলজিরার শরবত। উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করবেন তেঁতুল জল, পুদিনা পাতার পেস্ট, সামান্য মৌরি, জিরে, এলাচ এবং মরিচ। এগুলি ভালোভাবে মিক্সিতে পেস্ট বানিয়ে একটি গ্লাসে ২ টেবিল চামচ জল জিরা দিয়ে তাতে পেস্টটা ভালো ভাবে মিশিয়ে নেবেন। এটি ঠান্ডা জল দিয়ে বানাতে পারেন কিংবা যোগ করতে পারেন কয়েক টুকরো বরফ।

    বলা হয় এই পানীয়ে রয়েছে হাজারো উপকার। মূলত যারা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছেন তারা জলজিরার শরবত খেতে পারেন। এই শরবত খেলে পেট বেশিক্ষণ ভরা থাকে এবং ক্ষিদে কম হয়। পাশাপাশি ক্যালরির পরিমাণও কম। জলজিরা শরবতের জিরে আয়রনসমৃদ্ধ। তাই যারা রক্তাল্পতার সমস্যায় ভুগছেন তারা আয়রনের ঘাটতি মেটাতে এই পানীয় পান করতে পারে। জলজিরার শরবতে থাকা উপকারী মশলা শরীরের ক্ষতিকারক উপাদান গুলিকে বার করে দিতে সাহায্য করে। এছাড়াও যারা গ্যাস অম্বলের সমস্যায় প্রতি নিয়ত ভুগছেন তারা হজমশক্তি বাড়াতে জলজিরার শরবতে ভরসা করলে উপকার পাবেন।

    যারা জটিল লগে ভুগছেন কিংবা শিশুদের ক্ষেত্রে জলজিরা শরবত পান করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Summer Tips: গরমে জলের ঘাটতিতে হতে পারে মৃত্যু! লক্ষণগুলি জেনে রাখুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Summer Tips: তীব্র গরমে শরীরে জলশূন্যতা একটা বড় সমস্যা। জলশূন্যতার কারণে হিটস্ট্রোক (Heat Stroke) থেকে শুরু করে নানান সমস্যা (Problem)দেখা দিতে পারে। জ্বর, বমি, ডায়রিয়া সহ চলে যেতে পারেন আশঙ্কা জনক পর্যায়ে। গরম থেকে বাঁচতে বিশেষজ্ঞরা তৃষ্ণা না পেলেও বারংবার জল পান করার পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু অতিরিক্ত পরিমাণে জল জোর করে খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই আপনার শরীরে ঠিক কতটা জলের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তা জানা অত্যন্ত দরকার। শরীরে জলের স্বল্পতা বা জলশূন্যতার অবস্থাকে চিকিৎসকদের পরিভাষায় বলা হয় ডিহাইড্রেশন (Dehydration)। প্রতিদিন একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীর থেকে ঘাম, মুত্র, বাষ্পীভবন এবং মলত্যাগের মাধ্যমে জল বেরিয়ে যায়। অতিরিক্ত ঘামের ফলে কিংবা ডায়রিয়ার কারণে শরীরে জলশূন্যতা দেখা দিতে পারে।

    জলশূন্যতার লক্ষণ

    আপনার শরীরের যে জলশূন্যতা তৈরি হয়েছে তা বোঝার জন্য কয়েকটি লক্ষণ রয়েছে। যদি দেখেন বারংবার তৃষ্ণা বোধ করছেন, তাহলে বিষয়টি অবহেলা করবেন না। অবশ্যই জল পান করুন। মুখ শুকিয়ে গেলে কিংবা হঠাৎ করে শারীরিকভাবে দুর্বল রাখলে একটু নুন চিনির জল খেয়ে নিন। মাথা ঘোরা, বুক ধরফর করা, হঠাৎ করে প্রস্রাব কম হওয়া, হলুদ প্রস্রাব হওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কিংবা জ্ঞান হারানো এগুলি সবই জলশূন্যতার লক্ষণ।

    জলশূন্যতার বিপদ

    অনেকেই শরীরে জলশূন্যতার বিষয়টিকে খুব একটা আমলে নেন না। কিন্তু সাধারণত অন্যান্য ঋতুর তুলনায় গ্রীষ্মকালে এই সমস্যার প্রভাব একটু বেশি থাকে। কারণ এই সময় মানব শরীরে বেশি জলের প্রয়োজন রয়েছে। জলশূন্যতার কারণে ওজন বৃদ্ধি, অকালে বার্ধক্য, শরীরে ক্লান্তি, অবসাদ ভাব, অ্যাজমা বা অ্যালার্জি, ত্বকের নানান সমস্যা, কিডনির গোলযোগ, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি, উচ্চ রক্তচাপ, পরিপাকে সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রভৃতি সমস্যা হতে পারে।

    জলশূন্যতা থেকে বাঁচবেন কীভাবে?

    গরমে শরীরকে জলশূন্যতা থেকে বাঁচাতে অবশ্যই ব্যাগে সর্বদা জল রাখুন। স্কুল, কলেজ কিংবা কর্মক্ষেত্র গন্তব্য যাই হোক না কেন ব্যাগে জলের বোতল রাখতে ভুলবেন না। বারংবার জল খান। এই সময় একেবারেই গরম চা কফি পান করবেন না। আসলে এই ধরনের পানীয়তে এক ধরনের উপাদান থাকে যা প্রস্রাবের সাথে শরীর থেকে জলের নির্গমনের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তাই চা বা কফির বদলে বেছে নিতে পারেন গরম দুধ, স্যুপ, স্টু। এছাড়াও খেতে পারেন তাজা ফলের রস। শরীরকে জলশূন্যতার হাত থেকে বাঁচাতে প্রচুর পরিমাণে জলের পানে সঙ্গে জলীয় অংশ রয়েছে এমন ফল এবং সবজি একটু বেশি পরিমাণে খান।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Child Care in Summer: অসহ্য গরমে জলশূন্য হয়ে পড়ছে শিশুর শরীর! বাড়িতে কীভাবে সুস্থ রাখবেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Child Care in Summer: বাইরের তীব্র দাবদাহ। এই অসহ্যকর গরমে বড়রাই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে শিশুদের (Children) একটু বিশেষ যত্ন (Special Care) নেওয়া প্রয়োজন। আপনার বাড়িতে যদি ছোট শিশু থাকে তাহলে একটু সাবধান। আপনার ভুলে ভ্যাপসা অসহ্যকর গরমে শিশু অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ সবাই। সেই তালিকায় শিশুরাও বাদ নেই। শিশু যদি অতিরিক্ত ঘামে তাহলে জল শূন্যতায় ভুগতে পারে। পাশাপাশি কমে যাবে প্রস্রাবের পরিমাণ। শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। এছাড়াও এই গরম আবহাওয়ায় জ্বর, বমি, ডায়রিয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। আসলে বড়দের তুলনায় শিশুদের শরীর দ্রুত জলশূন্য হয়ে পড়ে। তাই শিশুদের যত্নে একটু বাড়তি মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন।

    (১) শিশুর ঘুমানোর সময় বিছানায় চাদর কিংবা কাঁথা বিছিয়ে দেবেন। এর ফলে ঘাম দ্রুত শুকিয়ে যাবে,
    তোশক ব্যবহার করলে গরম আর অস্বস্তি আরো বাড়তে পারে।

    (২) বাইরে বেরোলে শিশুরা তৃষ্ণা মেটাতে নানান ধরনের ঠান্ডা পানীয় কিংবা আইসক্রিমের বায়না করে। শিশু চাইলেই যে দিতে হবে এমনটা নয়। তাকে ভালোভাবে বোঝান। তীব্র গরমে এই ধরনের খাবার শিশুর শরীর অসুস্থ করে দেবে। হতে পারে বমি কিংবা ডায়রিয়ার মতো সমস্যা। এর পরিবর্তে তাজা ফলের জুস দিতে পারেন।

    (৩) শিশু যে ঘরে ঘুমায় কিংবা সারাক্ষণ খেলা করে সেই ঘর যেন ঠান্ডা এবং আরামদায়ক হয়। নিশ্চিত করতে হবে ঘরে বাতাস চলাচলের বিষয়টি। ঘর ঠান্ডা রাখতে ঘরের মধ্যে গামছা কিংবা তোয়ালে ভিজিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে পারেন।

    (৪) শিশুরা সাধারণত জল নিয়ে খেলা করতে একটু বেশি ভালোবাসে। তার উপর গরম। তাই শিশুদের একটু খেয়াল রাখবেন। তীব্র গরমে বারংবার জল নিয়ে খেলা করলে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে।

    (৫) শিশুর শরীর কখনোই জলশূন্য হতে দেওয়া যাবে না। খুব ছোট শিশু যারা বুকের দুধ পান করে তাদের ঘন ঘন বুকের দুধ দিতে হবে এবং একটু বড় শিশুদের ঘন ঘন জল খাওয়াতে হবে। কিন্তু জোর করলে হবে না। এক্ষেত্রে হিতে বিপরীত হতে পারে।

    (৬) শিশুর পোশাক হবে পাতলা সুতির ঢিলেঢালা। যা দ্রুত শরীর থেকে ঘাম শুষে নেবে।

    (৭) যদি দেখেন প্রচণ্ড গরমে শিশু শরীরে ঘামাচি বা চামড়ার উপর লাল দানার মত ফুসকুড়ি হয়েছে, তাহলে শিশুকে অবশ্যই পরিষ্কার রাখুন। শিশুকে নিয়মিত স্নান এবং পরিষ্কার জামা পরাতে হবে। ফুসকুড়ির জায়গা গুলিতে বেবি পাউডার ব্যবহার করতে পারেন, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে।

    (৮) এই গরমে আপনার ছোট্ট সোনার চুলের দিকেও নজর দিতে হবে। কারণ গরমে চুলের গোড়া ঘেমে যায়। যার কারণে ধুলোবালি বসে এবং জীবাণু সংক্রমণ করতে পারে। গরমে শিশুর চুল ছেঁটে ছোট করে দিন। যদি দেখেন শিশু বারবার ঘামছে তাহলে ঘাম মুছে দিতে হবে। শরীরে ঘাম শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা লাগতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hangover: হোলিতে অতিরিক্ত মদ্যপান, হ্যাংওভার না কাটালে মুশকিল! কীভাবে দ্রুত চাঙ্গা হবেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hangover: রাত পোহালেই রঙের উৎসবে (Festival) মেতে উঠবে সবাই। সেই সঙ্গেই চলে বন্ধুদের সঙ্গে হইহুল্লোড়, রাত জেগে পার্টি (Party)। আর এই আনন্দে অনেকেই মদ, ভাং পান করে থাকেন। কিন্তু সেসব যদি একটু বেশি পরিমাণে খাওয়া হয়ে যায়, তাহলেই বিপদ। অতিরিক্ত মদ শরীরে যাওয়ার পর অনেকের ক্ষেত্রে গলা শুকিয়ে যাওয়া, পেশিতে ব্যথা, বমি-বমি ভাব বা অস্বস্তি দেখা যায়। তার রেশ থাকে পরের দিন পর্যন্ত। একে বলা হয় হ্যাংওভার। মদ্যপানের পর এবং আগে হ্যাংওভার (Hangover) কিভাবে কাটাবেন চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    মদ্যপান (Drinking) বা ভাং খাওয়ার আগে কী খাবেন?

    জল: মদ্যপান বা ভাং খাওয়ার আগে বেশি করে জল (Water) খান। তেষ্টা না পেলেও খান। এতে শরীর চট করে ডিহাইড্রেট হবে না

    ড্রাই ফুড: মদ্যপানের আগে কোন ভারী খাবার না খাওয়াই ভালো, তবে খালি পেটেও থাকবেন না। ড্রাই ফুড (Dry Food) জাতীয় খাবার খান যেমন চিনা বাদাম, আমণ্ড ইত্যাদি। এতে আপনি এনার্জি পাবেন।

    অন্যান্য খাবার: এই সময় আপনি ফাইবার যুক্ত খাবার খেতে পারেন, ওটস, কলা এই ধরনের। যা আপনার শরীরে থাকা অ্যালকোহল শুষে নিতে সাহায্য করবে।

    মদ্যপান বা ভাং খাওয়ার পরে কী খাবেন?

    জল: মদ্যপানের পরেও বেশি করে জল খান। পারলে লেবুর রস মিশিয়ে সেই জল পান করুন। এই জল পান করলে শরীর মন উভয় শীতল হয়। শরীর থেকে অ্যাসিড মুক্ত করতেও সাহায্য করবে।

    ডাবের জল: ডাবের জল অত্যন্ত উপকারী একটি পানীয়। ডাবের জলে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। মদ্যপানের পর ডাবের জল খেলে আপনার ক্লান্তি অনেকটা কমে যেতে পারে।

    টক জাতীয় খাবার: টক জাতীয় খাবার হ্যাংওয়ার কাটাতে সাহায্য করে। এর জন্য আপনি তেঁতুল বা লেবু খেতে পারেন।

    গরম জলে স্নান: সবশেষে আপনি গরম জলে চান করে, একটা লম্বা ঘুম দিন। এতে আপনার গা বমি ভাব, ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও হ্যাংওভার সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যার সমাধান হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Foods For Spring Time: বসন্তে রোগব্যাধি ঠেকাবেন কীভাবে ? ভরসা রাখুন টাটকা শাকসবজিতে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Foods For Spring Time.: শীতকাল একেবারে শেষের মুখে। যাবে যাবে করেও পুরোপুরি যেতে পারছে না। এদিকে গরমটাও সেই মতো অনুভূত হচ্ছে না। এই সময়ে না খুব ঠান্ডা আবার না খুব বেশি গরম। অর্থাৎ একটা মনোরম আবহাওয়া বলাই যায়। কিন্তু এই আবহাওয়া বয়ে নিয়ে আসেন নানান ধরনের রোগ। চিকেন পক্স (Chicken Pox) থেকে শুরু করে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো একাধিক বসন্তের চেনা অসুখ এসে হাজির হবে আপনার শরীরে, শুধুমাত্র কিছুটা সতর্কতার অভাবে। বসন্তে যে সকল রোগ গুলি মানুষকে কাবু করে ফেলতে পারে তা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বিরাট কিছুর প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যদি শরীরে বৃদ্ধি করা যায় তাহলেই সমস্যার সমাধান হবে।

    এই সময়ে বাজারে এমন কিছু শাকসবজি (Vegetables) দেখতে পাওয়া যায় যেগুলি বছরের অন্যান্য সময়ে ততটা পাওয়া যায় না। আর পাওয়া গেলেও তেমন টাটকা হয় না। কাজেই মরশুমের শাকসবজি খাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন না। এইগুলি সেই মরশুমের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে আপনাকে রক্ষা করতে পারে। আর টাটকা শাকসবজি এমনিতেই মানবদেহে পুষ্টির জোগান দেওয়ার অন্যতম উৎস। তাই সুস্থ থাকতে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সুস্থ রাখতে অবশ্যই ভরসা রাখুন সবজিতে।

    * সজনে ডাঁটা: এই সবজিটি বসন্ত আসতেই বাজারে জায়গা করে নেয়। আর বাঙালি তার বাজারের থলেতে অবশ্যই এক গোছা সজনে ডাঁটা (Drumstick) ভরে নিয়ে তবে বাড়ি ফেরেন। চিরসবুজ এই ডাটা মা ঠাকুমাদের কাছে দারুণ প্রিয়। শীত ও গ্রীষ্মের এই মাঝামাঝি সময়ে প্রাদুর্ভাগ ঘটে নানান ধরনের রোগের। তার মধ্যে অন্যতম হল বসন্ত বা পক্স। সজনে ডাঁটা আপনাকে সেই রোগ থেকে দূরে রাখতে পারে। এই ডাটার মধ্যে রয়েছে এমন কিছু উপাদান যা হজমে সহায়তা করে। গ্যাস, বদহজম, পেটে ব্যথা প্রভৃতি নিরাময় করতে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপ থেকে শুরু করে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও ভীষণ উপকারী সজনে ডাঁটা। শুধু ডাটা নয়, সজনে গাছের ফুলও ভীষণভাবে খাওয়া হয়। এই সময়টাতে বড়া থেকে শুরু করে তরকারি সবেতেই সুস্বাদু ফুলের গুণ পাওয়া যায়।

    * গাজর: গাজর হল এমন একটি সবজি যা আপনি রান্না না করেও কাঁচা খেয়ে নিতে পারবেন। গাজরের মধ্যে থাকা পুষ্টি উপাদান গুলি শরীরে ক্যারোটিন এবং অক্সিডেন্টের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। কখনও ডালের সঙ্গে আবার কখনও আলুর সঙ্গে ভেজে এই গাজর (Carrot) খাওয়া যেতে পারে। খেতে বেশ সুস্বাদু গাজর বসন্ত রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করবে আপনাকে।

    * বাঁধাকপি: বাঁধাকপির মধ্যে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের উপস্থিতি রয়েছে। তাই বসন্ত রোগকে যদি শরীর থেকে দূরে রাখতে হয় তাহলে বাঁধাকপি (Cabbage) খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যারা থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য বাঁধাকপি না খাওয়াই ভালো। তাঁরা বরং বসন্ত রোগ প্রতিরোধ করার জন্য অন্য শাকসবজি বেছে নিতে পারেন।

    * নিম পাতা: স্বাদে তেতো যে সকল খাবারগুলি সেগুলি সাধারণত অনেকেই এড়িয়ে যেতে পছন্দ করেন। বাড়িতে নিম পাতা (Neem Leaves) ভাজা কিংবা নিমপাতা দিয়ে বেগুনের ঝোল অথবা বেগুন নিম পাতা ভাজা দেখলে অনেকেই চোখে মুখে চিন্তার ভাঁজ পড়ে যায়। কিন্তু এই নিম পাতার মধ্যেই রয়েছে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য। যেগুলি আপনার শরীরকে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করবে। রোগ জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করার জন্য শরীরে যথেষ্ট ইমিউনিটি তৈরি করবে এই সকল উপাদান গুলি। পাশাপাশি একই রকম ভাবে কাজ করবে করলা জাতীয় সবজিগুলি।

    * কাঁচা হলুদ: বসন্তকালে যে বসন্ত রোগ বা চিকেন পক্স দেখা যায় তার লক্ষণ গুলি জ্বর, সর্দি -কাশি গা ম্যাজম্যাজে ভাব, গায়ে হাতে পায়ে যন্ত্রণা এবং এই ধরনের কিছু সমস্যা। যাতে চিকেন পক্স বা বসন্ত রোগ আপনাকে কাবু করে ফেলতে না পারে তার জন্য প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কাঁচা হলুদ (Turmeric) খাওয়া অত্যন্ত উপকারী। অল্প গুঁড় দিয়ে কাঁচা হলুদ খেলে আপনার লিভার থাকবে তরতাজা। এছাড়াও কাঁচা হলুদের মধ্যে থাকে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। সর্দি-কাশি এবং বসন্তকালে হওয়ার চর্মরোগ থেকে আপনাকে দূরে রাখবে এই উপাদানটি।

    * কাঁচা পেঁপে ও আমলকি: পেঁপে কাঁচা হোক কিংবা পাকা হোক সব রূপেই এটা মানুষের শরীরে কোনো না কোনো পুষ্টিগুণ পৌঁছতে থাকে। বসন্ত রোগীদের ক্ষেত্রে কাঁচা পেঁপে (Papaya) খুবই ভালো কাজ করে। এর মধ্যে থাকা বিভিন্ন উপাদান শরীরকে ভেতর থেকে সেরে উঠতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে তোলে। এছাড়াও যদি রোগ মুক্ত শরীর স্বপ্ন থাকে তাহলে রোজ সকালে খালি পেটে এক টুকরো আমলকি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। শুধু বসন্ত কালের বিভিন্ন রোগ থেকে বাঁচার জন্য নয়। নানান ধরনের ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের হাত থেকেও বাঁচাতে পারে টাটকা আমলকি (Amlaki/Emblic) এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করতে পারে। কারন আমলকি হল ভিটামিন সি-এর একটা উৎকৃষ্ট উৎস।

    প্রতিবেদনে উল্লেখিত প্রত্যেকটি সবজি সহ নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে। জল শরীরের অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ গুলিকে বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে। তেল মশলাযুক্ত খাবার যতটা এড়িয়ে চলা যায় ততটাই শরীরের পক্ষে ভালো। পুষ্টিকর খাবার সারা বছর খেতে পারলে শরীর এমনিতেই থাকবে সুস্থ। কাজেই খুব সহজে কোন সংক্রমণ বাসা বাঁধতে পারবে না শরীরে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version