Tag: skin care

  • Acne Scars: ব্রণ আর ব্রণর দাগ নিয়ে জেরবার? সমাধান লুকিয়ে রয়েছে চায়ের পাতায়

    Acne Scars: ব্রণ আর ব্রণর দাগ নিয়ে জেরবার? সমাধান লুকিয়ে রয়েছে চায়ের পাতায়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Acne Scars: ব্রণ আর ব্রণর দাগ নিয়ে জেরবার? কোনোকিছুতেই মিলছেনা সুরাহা? সমাধান লুকিয়ে রয়েছে চায়ের পাতাতেই। আরও তুলতুলে নরম ত্বক পাওয়ার ইচ্ছা? তাহলে বাড়তি চা ফেলে না দিয়ে কাজে লাগান রূপচর্চায়। এইভাবে চা ব্যবহার করুন আর দেখুন ম্যাজিক। কেবল চায়ের দৌলতেই ত্বক হবে মাখনের মত মসৃণ। তার জন্য জানতে হবে কায়দা! আমাদের আজকের ভিডিওতে রইল কিছু ম্যাজিক বিউটি টিপস।

     

    ‘চা’ কেবল পানীয় নয়, ‘চা’ হচ্ছে গুণের ভাণ্ডার। ঝিমিয়ে পড়া এনার্জি ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি আরও নানা উপকারিতা রয়েছে চায়ের। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হল, উজ্জ্বল ত্বক পেতেও চায়ের জুড়ি মেলা ভার। বিশেষ করে যারা ব্রণ বা ব্রণের দাগের সমস্যায় জর্জরিত তাদের জন্য ম্যাজিক টোটকা হয়ে উঠতে পারে ‘চা’। তবে তার জন্য জানতে হবে চা ব্যবহারের সঠিক উপায়।

     

    আজ্ঞে হ্যাঁ, যেমন তেমনভাবে ‘চা’ ব্যবহার করলেই তো আর রেজাল্ট মিলবেনা। তারজন্য জানতে হবে সঠিক উপায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন সঠিক পদ্ধতি জানা থাকলে চুলের মত মুখেও চা মাখলে খিলখিলিয়ে উঠবে আপনার ত্বক। চায়ের নিত্যব্যবহারে দূর হবে বলিরেখার সমস্যা, ফিরে আসবে ত্বকের হারানো জেল্লা। চায়ে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটারির দৌলতে ত্বক হয়ে ওঠে সতেজ ও তরতাজা। তাহলে আর দেরি কেন? ঝটপট দেখে নিন চা ব্যবহারের পদ্ধতি।

     

    প্রথমেই আসি ব্রণর কথায়। ব্রণ দূর করতে গ্রিন টি-র জুড়ি মেলা ভার। আপনার বাড়িতে যদি গ্রিন টি রয়েছে তাহলে তা বানিয়ে রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন। খানিকক্ষণ রেফ্রিজারেট করার পর তা বাইরে বের করে নিন। এরপর সেটিকে মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে নিন। এক সপ্তাহ ট্রাই করে দেখুন। পার্থক্য বুঝতে পারবেন নিজেই।

     

    ত্বকে কালো ছোপ ছোপ দাগ। মূলত পিগমেন্টেশনের কারণে ত্বকের নানা জায়গায় কালো ছোপ ছোপ দাগ দেখা যায়। এই সমস্যাও দূর করে গ্রিন টি। সেক্ষেত্রে আপনাকে একটা প্যাক বানাতে হবে। উপকরণ হিসেবে লাগবে এক চামচ গ্রিন টি পাতা, ২ টেবিল চামচ বেসন, ১ টেবিল চামচ দুধ, ১ চিমটে হলুদ গুঁড়ো আর গোলাপ জল। মিশ্রণটি ভালো করে মিশিয়ে ১৫ মিনিটের জন্য মুখে লাগান। এরপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করুন এই ফেসপ্যাক আর নিজেই দেখুন ম্যাজিক।

     

    ত্বককে নরম আর মসৃণ রাখতেও সাহায্য করে গ্রিন টি। এক্ষেত্রে গোলাপ জলের সঙ্গে গ্রিন টি মিশিয়ে নিতে হবে‌‌। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে টোনারের মত মুখে লাগিয়ে রাখুন। খানিকক্ষণ পর মুখ ধুয়ে ভালো কোনও ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। ত্বক হবে তুলোর মত নরম আর মাখনের মত মসৃণ।

     

    স্ক্রাবার হিসেবেও আপনি গ্রিন টি ব্যবহার করতে পারেন। আধা কাপ গ্রিন টির সাথে মিশিয়ে নিন মধু, টক দই। মিশ্রণটি ভালো করে মিশিয়ে তা মুখে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট পর হালকা গরম জলে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন ব্যবহার করুন এই ম্যাজিক স্ক্রাবার। রেজাল্ট পাবেন হাতে নাতে। তবে মনে রাখবেন এইসব টোটকা কোনও ওষুধ বা চিকিৎসার অঙ্গ নয়। এর চেয়ে বিশদে জানতে চাইলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Summer Skin Care: যৌবন ধরে রাখতে গরমে কোন উপায়ে ত্বকের যত্ন নেবেন? সহ সমাধান হাতের কাছেই

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Summer Skin Care: বয়স কি আপনার ৪০ পেরিয়েছে? যৌবন ধরে রাখতে এই গরমে তাহলে নিতে হবে বিশেষ কেয়ার। রোজ নয়, শনি- রবিবার এই টিপসগুলো যদি ফলো করতে পারেন তাহলেই কেল্লাফতে। জল আপনাকে বাঁচিয়ে দেবে কীভাবে জানেন? বা ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে এইভাবে ব্যবহার করুন শসা- দই। আপনার গ্ল্যামার বাড়তে বাধ্য। শসা শুধুমাত্র মুখের ফোলাভাব এবং কালো দাগ দূর করতেই সাহায্য করে না এ ছাড়াও এতে রয়েছে অ্যান্টি-এজিং বৈশিষ্ট্য। শসা গ্রেট করে দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করতে হবে। এই ফেসপ্যাকটি ১৫ থেকে ২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখলেই মুখের জেল্লা বাড়বে।

    এই গরমে ত্বক ভাল রাখার জন্য জল খান ।তাই সারা দিনে ৩-৪ লিটার । পান করুন বেলের পানা, পুদিনার সরবত।জানেন? গ্রীষ্মকালে প্রোটিনের একটি উৎস ছাতুর সরবত। শুধু জল নয়, ত্বক ভাল রাখতে খেতে হবে ফলও। তাহলেই বয়সের ছাপ মুখে পড়বে না। গরমে ত্বকের খেয়াল রাখতে ক্লিনজ়ার ব্যবহার করতে ভোলেন না নায়িকারা। ক্লিনজ়িং রূপচর্চার অন্যতম ধাপ। তাই প্রতি দিন ক্লিনজ়ার ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ত্বক ভালো রাখার জন্যে CTM রুটিন ফলো করা খুবই জরুরি। CTM অর্থাৎ ক্লিনজিং-টোনিং-ময়শ্চারাইজিং। সাধারণ স্কিনকেয়ার রুটিন তাই পছন্দের ক্লিনজার বেছে নিন। তারপর টোনার লাগান এবং শেষে ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। ফেস ক্লিন আপ করার পরে এই রুটিন ফলো আপ করতে পারেন। রাতে শুতে যাওয়ার আগেও অবশ্য়ই এভাবে ত্বকের যত্ন নিন।

    বাড়িতে গোলাপ জল রয়েছে? যদি থাকে তাহলে গোলাপজলকে টোনার হিসেবে ব্যবহার করুন । গোলাপ জল মুখের ত্বকের মৃত কোষ দূর করে। এর সাথে লেবুর রস ও গ্লিসারিন মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন।আবার ব্যবহার করতে পারেন গ্রিন টি আর মধুর ফেসপ্যাক। এক চামচ গ্রিন টি জলে ভিজিয়ে রাখুন আগে। মিনিট দশ পরে পাতা ছেঁকে জল তুলে নিন। এবার তাতে এক চামচ মধু মেশান। এবার এটাকে মুখে লাগিয়ে রাখুন মিনিট ১৫। তারপরও ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। গ্রিন টিতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে ।ত্বককে ভালো রাখে ঠান্ডা রাখে। মধু আবার ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    গরমে অবশ্যই যেটা মনে রাখতে হবে বাইরের খাবার একেবারেই খাওয়া চলবে না। সব সময় চেষ্টা করুন ঘরে তৈরি খাবার খেতে। নিজেকে ফ্রেশ রাখতে গরমে স্নানের জলে দুধ মিশিয়ে নিতে পারেন । সুগন্ধীযুক্ত শাওয়ার জেল ব্যাবহার করুন। এতে ত্বক থাকবে নরম। গরমে রাস্তায় বেরোলে সানস্ক্রিনের ব্যবহার করেতই হবে। নাহলে ট্যান পড়ে স্কিনের দফারফা। সানস্ক্রিন লোশনের সঙ্গে অ্যালোভেরা মিশিয়ে নিতে পারেন।

    https://www.facebook.com/100064049016647/posts/803462748465352/?mibextid=NTRm0r7WZyOdZZsz

    ত্বক ভালো রাখার জন্যে সঠিক স্কিনকেয়ার রুটিনও যেমন মেনে চলা প্রয়োজন, একইভাবে আপনার লাইফস্টাইলের প্রতিও সতর্ক হতে হবে। সঠিক পরিমাণে খাবার খান। পুষ্টিসমৃদ্ধ এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার আপনার ডায়েটে যোগ করুন।মন শান্ত রাখাও প্রয়োজন। যোগাসন করতে পারেন। মেডিটেশনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এগুলোও আপনার উইকেন্ড রুটিনে যোগ করুন। সারা সপ্তাহে আপনার স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। ত্বকের জেল্লাও হবে দেখার মতোই।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Jade Stone treatment: হাজার হাজার টাকার ফেসিয়াল করেও মুখের জেল্লা নেই? করুন জেড স্টোন ট্রিটমেন্ট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Jade Stone treatment: নানা ধরণের ক্রিম মেখেও মুখের বলিরেখা দূর করতে পারছেন না? পার্লারে মাসাজ করিয়েও মুখ, চোখের নিচের ফোলাভাব কমাতে পারছেন না? ময়েশ্চারাইজার, নামী দামি প্রোডাক্ট ব্যবহার করেও মুখের সেই তারুণ্য ফিরিয়ে আনতে পারছেন না? তাহলে আপনার জন্য বিশেষ কাজের হয়ে উঠতে পারে জেড স্টোন ট্রিটমেন্ট।এই ট্রিটমেন্ট ঠিক কি ? কিভাবে তা কাজ করে? আজকাল সৌন্দর্যপ্রেমী মানুষের মাঝে বেশ জনপ্রিয় একটি রূপচর্চা অনুষঙ্গ হলো এই জেড জেড স্টোন ট্রিটমেন্ট। এক্ষেত্রে হাতের স্পর্শ ছাড়াই রোলার দিয়ে মুখের ত্বকের ট্রিটমেন্ট করা হয়।

    এখন এই ট্রিটমেন্ট বিশেষ জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও প্রাচীন এশীয় এবং চৈনিক সৌন্দর্যচর্চায় এর ব্যবহার হয়ে আসছে দীর্ঘদিন থেকেই। জেড বা কোয়ার্টজ পাথর দিয়ে তৈরি হয় জেড স্টোন ও জেড স্টোন রোলার। এই পাথর ফ্যাকাশে সবুজ থেকে ফিরোজা রঙের হতে পারে। এই পাথর মূলত আমাদের ত্বকের রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে ত্বকের চাপ কমায়।এই ট্রিটমেন্ট তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে ত্বককে প্রশান্ত করে। এতে ত্বক দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়। এই ট্রিটমেন্ট কিভাবে কাজ করে?

    প্রাচীন চৈনিক বিশ্বাস অনুযায়ী জেড স্টোন রোলার কোনো সাধারণ পাথর নয়। এর রয়েছে নিরাময়ের ক্ষমতা। অর্থাৎ এটি আমাদের ত্বকের ক্লান্তি দূর করতে খুবই কার্যকরী। জেড স্টোন এমনিতে একটি ঠান্ডা পাথর।বরফ ঘষলে যেমন ত্বক প্রশান্ত হয়, ক্লান্তি দূর হয়, জেড স্টোন ঠিক এই কাজটিই করে। সারা দিনের পরিশ্রম, দূষণসহ নানা কারণে আমাদের ত্বক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাতে ত্বকের মধ্যকার রক্তসঞ্চালন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।ফলে ত্বক ঔজ্জ্বল্য হারায়। জেড স্টোন ট্রিটমেন্ট বিভিন্নভাবে আমাদের ত্বককে স্বাভাবিক ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। দুশ্চিন্তা, ঘুম ঠিকমতো না হওয়া, ক্লান্তি, দূষণ, রোদ ইত্যাদির কারণে আমাদের ত্বকের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে ত্বকের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

    জেড স্টোন ট্রিটমেন্ট করলে রক্তসঞ্চালন ঠিক হয় অতিরিক্ত তাপমাত্রাও বের হয়ে যায়। ত্বকের ওপর চাপ কমে। ত্বকের নিচে থাকা রক্তনালিগুলো বাধাগ্রস্ত হলে রক্তসঞ্চালন ঠিকমতো হতে পারে না। ফলে আমাদের মুখমণ্ডল ও চোখ বিশেষ করে চোখের নিচের অংশ ফুলে থাকে। জেড স্টোন ট্রিটমেন্ট এই বাধাগ্রস্ত নালিগুলোকে স্বাভাবিক প্রবাহে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। এতে ফোলাভাব কমে এবং ত্বকে সতেজতা ফিরে আসে। এই ট্রিটমেন্ট তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়তে পারে না। জেড স্টোন ম্যাসাজ ত্বকের টানটান ভাব বজায় রেখে ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে দীর্ঘদিন। অনেকেই ত্বকে সিরাম, ফেসিয়াল অয়েল, ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন। জেড স্টোন রোলারের সাহায্যে ম্যাসাজ করলে এই সব স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট খুব ভালোভাবে ত্বকের সব জায়গায় ভালোভাবে মিশে যায় এবং তাদের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।

    জেড স্টোন ট্রিটমেন্ট কতখানি কাজ করবে সেটা অনেকাংশে নির্ভর করছে আপনারা কীভাবে ব্যবহার করছেন তার ওপর। এই পাথর এমনিতেও বেশ ঠান্ডা, তবে আরও ভালো কুলিং এফেক্ট পেতে অনেকেই ফ্রিজে রেখে এটি ব্যবহার করেন। সপ্তাহে অন্তত তিন থেকে চারবার ৫-৭ মিনিট ধরে ম্যাসাজ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এটি ব্যবহারের কিছু নিয়ম আছে যা না মানলে হিতে বিপরীত হতে পারে। যেমন, রোলার কখনোই ওপর থেকে নিচের দিকে নয় বরং নিচ থেকে ওপরের দিকে টানবেন। তা না হলে উল্টো চামড়া ঝুলে যেতে পারে। শুকনা ত্বকে এই রোলার ব্যবহার করা যাবে না।ম্যাসাজের আগে অবশ্যই তেল, ময়েশ্চারাইজার বা সিরাম মাখিয়ে নিতে হবে।

    প্রতিবার ব্যবহারের পর অবশ্যই একে ভালোমতো উষ্ণ জল ও সাবান দিয়ে ধুয়ে রাখতে হবে, যাতে কোনো জীবাণু না ছড়ায়। আপনি অনলাইনে জেড স্টোন রোলার আনিয়ে এই ট্রিটমেন্ট করতে পারেন। মনে রাখবেন, বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় বাজারজুড়ে বিশেষ করে অনলাইনে নকল ও নিম্নমানের জেড স্টোন রোলারের ছড়াছড়ি। তাই দাম একটু বেশি হলেও দেখেশুনে আসল পণ্যটি কেনাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। আরেকটি বিষয় জেনে রাখা ভালো, জেড স্টোন রোলার একটি সৌন্দর্যচর্চা সামগ্রী মাত্র, চিকিৎসা উপকরণ নয়। তাই যদি কোনো কারণে ত্বক অস্বাভাবিক রকম ফুলে যায় বা দীর্ঘদিন ফোলাভাব থাকে, তাহলে জেড স্টোন রোলারের ওপর ভরসা না করে ডাক্তার দেখানো উচিত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pre-Bridal Juice: রূপচর্চা নয়! এক পানীয়তেই ত্বক হবে উজ্জ্বল, উঠে যাবে দাগছোপ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pre-Bridal Juice: সামনেই বিয়ে? আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি? এদিকে কাজের চাপে একেবারেই রূপচর্চা করার সময় পাচ্ছেন না? অথচ বিয়ের আগে গ্লোইং স্কিন চান? তাহলে এই প্রতিবেদনটি আপনার জন্য। রূপচর্চা নয়, বিয়ের আগে ত্বকের গ্লো ফেরান একটি পানীয় খেয়েই। কয়েকদিন এই পানীয় খেলেই রেজাল্ট পাবেন। ত্বক হবে উজ্জ্বল সেই সাথে সমস্ত দাগছপও দূর হবে। শরীর থাকবে একদম সুস্থ। কিভাবে বানাবেন এই পানীয় জেননিন ঝটপট।

    সব সময় মুখে ক্রিম মাখলেই ফর্সা হওয়া যায় না। দিনরাত ফেসিয়াল করলেই যে মুখের গ্লো বাড়বে এমনটাও হয় না। শরীরকে ভিতর থেকে সুস্থ রাখাও খুব জরুরি। আর তাই রূপচর্চার পাশাপাশি নজর দিতে হবে রোজকারের খাবারেও। খাবারের মধ্যে যাতে প্রোটিন, পুষ্টি এসব সঠিক পরিমাণে থাকে সেই দিকে নজক দিন। রোজ জল বেশি করে খেতে হবে। সঙ্গে ফল, সবজি এসব অবশ্যই রাখবেন। বেশি তেলমশলা চলবে না। সাথে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কিশমিশ, দারচিনি আর মৌরি দিয়ে এই পানীয় বানিয়ে খেতে পারেন। এতে শরীর থেকে যাবতীয় টক্সিন বেরিয়ে যাবে। ত্বক উজ্জ্বল হবে। সহজে বুড়িয়ে যাবে না। আর শরীর ভিতর থেকে সুস্থ থাকবে।

    ডিনার সেরে ৩০ মিনিট পর খান এই পানীয়। ১০ থেকে ১২ টা কিশমিশ ভাল করে ধুয়ে একগ্লাস জলের মাপে ফুটতে দিন। দিয়ে দিন এক চামচ ছোট মৌরি। এই মৌরি আর কিশমিশের মধ্যে থাকে অ্যান্টি এজিং গুণ, যা ত্বকের জন্য ভাল। ফুটতে থাকা জলের মধ্যে দিন কয়েকটি দারচিনির টুকরো। মাঝারি আঁচে সমস্ত উপকরণটিকে ফোটাতে হবে ১০ মিনিট। উষ্ণ গরম অবস্থাতেই কিশমিশ, মৌরি জল থেকে তুলে নিন। বাকি জল ছেঁকে একটা গ্লাসে নিতে হবে। এর মধ্যে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে নিন। রোজ নয়, সপ্তাহে চারদিন করে এই জল খেলেই কাজ হবে।

    গরম অবস্থাতেই খান এই পানীয়। এই জল খাওয়ার ৩০ মিনিট পর ঘুমোতে যান।সান ট্যান তুলতেও কাজে আসে এই পানীয়। কিশমিশের মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি থাকায় তা খুবই উপকারী। আগে কিশমিশ চিবিয়ে খান। তারপর চুমুক দিয়ে জল খান। এই কিশমিশ ফোটানো জল খেলে ঘুম ভাল হয়। চোখের তলায় কালি পড়বে না। শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেবে। ভেতর থেকে শরীর রাখবে পরিষ্কার। আর উজ্জ্বলও হবে আপনার ত্বক।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Eye Cream: ডার্ক সার্কেলের জন্য দামী আই ক্রিম ব্যবহার করেন? কেনার আগে অবশ্যই এইগুলি মাথায় রাখবেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Eye Cream: চোখের ফোলা ভাব বা ডার্ক সার্কেল কম করতে বিভিন্ন রকম ভালো আই ক্রিম ব্যবহার করছেন, চোখের নিচে ফ্লুইড জমে চোখে ফোলা ভাব বা ডার্ক সারকেল সৃষ্টি হয়। অনেকেই এমন আছেন যারা প্রত্যেকদিন আন্ডার আইক্রিম ব্যবহার করছেন কিন্তু চোখের সব সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। বাজারে নামীদামি ব্র্যান্ডের আইসক্রিম পাওয়া যায় সেগুলি কোনটা চোখের তলায় দুর্দান্ত কাজ করে আবার কোনটা মনের মতো ফল দেয় না। কিন্তু চোখের তলায় আপনি যেকোন ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন না। একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনাদের জানাবো তা হল ডার্ক সার্কেল দূর করতে আই ক্রিম বেছে নেবেন কিন্তু তাতে কোন কোন উপাদান থাকবে সেটা জেনে নেওয়া অবশ্যই জরুরি।

    আসলে চোখের ত্বক অনেক বেশি ভঙ্গুর। এই অংশে শুষ্কতার প্রবণতা ও বেশি। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি, কাজের ফলে চোখের নিচের অংশে জল জমে চোখ ফুলে যায় কালো দাগায় বলিরেখা সহ বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়।আই ক্রিম গুলি শুধু চোখের নিচের ত্বকের সুরক্ষার জন্যই বিশেষ ফর্মুলায় তৈরি হয়ে থাকে আজকাল রূপচর্চার দুনিয়ায় ব্যাপক হারে এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করা হয়। কিন্তু পেপার মিন্ট লেমন এর মতো এসেনশিয়াল অয়েল চোখের তলায় লাগালে ত্বক জ্বলতে পারে। আই ক্রিম বাছাইয়ের সময় দেখে নিতে হবে কোনো সুগন্ধিযুক্ত উপাদান রয়েছে কিনা, ক্রিম এর গন্ধ ভালো হলে জানবেন সেটা আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত নয়। সুগন্ধী যুক্ত আই ক্রিম ব্যবহারে চোখে চারপাশে চুলকানি লালচে ভাব বাড়তে পারে।  আই ক্রিম লাগানোর ভুল পদ্ধতিকেই জন্য অনেক সময় কাজ করেনা জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

    চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চোখে যাতে বয়সে ছাপ না পরে তার জন্য আন্ডার আই ক্রিম লাগানোর আগে এই ভুলগুলো করবেন না। আই ক্রিম ব্যবহার করার আগে মুখ, হাত ভালো করে ধুয়ে নিন। অনেক সময় মোবাইল ঘাঁটতে ঘাঁটতে আচমকা ক্রিম লাগানোর কথা মনে হতেই আমরা আই ক্রিম লাগিয়েনি। এমনটা করলে চলবে না। মনে রাখতে হবে নানান গবেষণায় উঠে এসেছে মোবাইল ফোনে প্রচুর পরিমাণে জীবাণু থাকার কথা। সেখান থেকে জীবাণু সহজেই আমাদের হাতে চলে আসে তাই ক্রিম লাগানোর আগে হাত ধরে নিতে হবে। আই ক্রিম লাগানোর ক্ষেত্রে কতটা পরিমাণ ব্যবহার করছেন তা কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ।

    সামান্য একটু ক্রিম মটরশুঁটির দানার মতো ক্রিম আঙ্গুলে নিয়ে চোখের তলায় লাগিয়ে চোখের নিচে ছোট ছোট ডটের মতো করে প্রথমে লাগিয়ে নিন। এবার ক্রিম জোর দিয়ে না ডলে আলতো হাতে মালিশ করে নিন। অনিদ্রা মানসিক চাপ দূষণ ত্বকের অযত্ন ডার্ক সার্কেলের সমস্যা বাড়িয়ে তোলে। তাই নিয়মিত চোখের চারপাশে আই ক্রিম লাগাতে হয় এতে চোখের চারপাশের ত্বকের রক্ত সঞ্চালন ভালো থাকে। নাম আন্ডার আই ক্রিম মানুষই শুধুমাত্র চোখের নিচেই আই ক্রিম ব্যবহার করেন ‌। ভালো ফল পেতে চোখের চারপাশে ক্লক ওয়াই মালিশ করে নিন। ভালো ফল পেতে দিনে অন্তত দুবার এই ক্রিম চোখে চারপাশে লাগিয়ে নিন।

    আর একটা বিষয় মাথায় রাখবেন চোখের সমস্যা অনুযায়ী আই ক্রিম বাঁছবেন এতে ভালো ফল পাবেন। ভীষন ডার্ক সার্কেল এর সমস্যা থাকলে স্কিন ব্রাইটেনিং ইনগ্রিডিয়েনট যুক্ত আই ক্রিম ব্যবহার করুন। এই উপকরণ গুলি চোখের আশেপাশে ঝিমিয়ে পড়া রক্ত সঞ্চালন ভালো করে তোলে। যাদের চোখের চামড়ার একাধিক সমস্যা রয়েছে তারা মাল্টি স্ট টাস্কিং ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চির উজ্জ্বল ত্বক চান ? ব্যাবহার করুণ পেঁপের তৈরী এই ফেসপ্যাক!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    সব সময় কার জন্য উজ্জ্বল ত্বক চান? পেপে দিয়ে এই ফেস প্যাক ব্যবহার করে দেখুন। রাতারাতি ফল দেখে নিজেই চমকে যাবেন! আর এই প্যাক নিয়মিত ব্যবহার করতে পারলে আপনার ত্বক হবে চির উজ্জ্বল। অফিস, বাড়ি, সংসার—সব কিছু সামলে নিজের যত্ন নেওয়ার সময় হয় না। অনেকে তো শরীরের খেয়াল রাখতেই ভুলে যান। খাওয়া-দাওয়াও বেশ খুব একটা নিয়ম মেনে করেন, তা নয়। সেখান থেকে ত্বকের যত্ন নেওয়ার কথা তো অনেকের মনেই থাকে না। তবুও উজ্জ্বল ত্বক তো সকলেরই চাই। আর উজ্জ্বল ত্বক পেতে ঘরোয়া টোটকা গুলির মধ্যে পেঁপের জুরী মেলা ভার।

    পাকা পেঁপে ত্বকের জন্য দারুণ উপকারী। পেঁপের মধ্যে বেশ ভাল পরিমাণে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি রয়েছে। পাশাপাশি এই ফলের মধ্যে পাপাইন নামের এনজাইম রয়েছে। এই উপাদানগুলো ত্বকের উপর কালচে দাগ, ব্রণ, ফুসকুড়ি ইত্যাদি দূর করতে সাহায্য করে। পাকা পেঁপের তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে আপনি নিখুঁত ত্বক পেতে পারেন। শুধু আপনাকে সঠিক ভাবে ফেসপ্যাক বানিয়ে নিতে হবে। কিভাবে বানালে সবচেয়ে ভালো কাজ করবে সেটাই আজ আপনাদের জানাবো

    প্রথম যে প্যাকটির কথা বলবো সেটি হলো পেঁপে ও হলুদের ফেসপ্যাক। পেঁপে ও হলুদের এই প্যাক মুখে লাগাতে পারেন। এর জন্য পেঁপে ম্যাশ করে তাতে দুই চিমটি হলুদ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এর পরে, এটি অন্তত দশ মিনিটের জন্য মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি এপলাই করলে শীঘ্রই আপনার ত্বকে পরিবর্তনগুলি দৃশ্যমান হবে।

    পেঁপে ও চন্দনের ফেসপ্যাকও কিন্তু দারুন কার্যকরী। এর জন্য একটি পেঁপে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ম্যাশ করে তাতে মধু, লেবুর রস ও চন্দনের গুঁড়ো মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টে যেন চন্দনের গুঁড়ো না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। এই ফেসপ্যাকটি মুখে এবং ঘাড়ে লাগান । এই প্যাকটি অন্তত ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। এর পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

    শশা, কলা এবং পেঁপের তৈরী ফেসপ্যাকও ত্বক উজ্জ্বল করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শসা আমাদের ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে । কলা ত্বককে ময়েশ্চারাইজড রাখতেও কাজ করে । শশা ছোট ছোট টুকরো করে কেটে পেঁপে ও কলা দিয়ে মিক্সারে মিক্সড করে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি আপনার মুখে এবং ঘাড়ে লাগান। এটি প্রায় ১৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন, তারপরে এটি গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং তারপরে ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে ভুলবেন না।

    আর শুষ্ক ত্বকের জন্য পেঁপে ও মধুর ফেসপ্যাক ব্যবহার করুন। ৮-১০ কিউব পাকা পেঁপে নিয়ে ম্যাশ করে নিন। এতে ১ চামচ কাঁচা দুধ যোগ করুন এবং ১ চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এবার এই মসৃণ পেস্টটা ত্বকের উপর লাগান। ১৫-২০ মিনিট ত্বকের উপর এই ফেসপ্যাক লাগিয়ে নিন। এটা শুকিয়ে গেলে সাধারণ জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নেবেন।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • শীতের আগেই হাতের চামড়া কুঁচকে যাচ্ছে? শুরুতেই নিন হাতের যত্ন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    শীতকাল পুরোপুরি না আসলেও হালকা শীতল হাওয়ার প্রভাব কিন্তু ত্বকে পড়ছে। সারাদিনে সবচেয়ে কাজ করে আমাদের হাতদুটি। কিন্তু হাতের দিকে ততটা মনোযোগী হতে দেখা যায় না। তাই শীতের সময়ে হাতের জন্য নেওয়া বেশি জরুরি। শীতে মুখ বা পায়ের যত্ন প্রায় সকলেই নিয়ে থাকি তবে বাদ যায় হাত আপনার হাতের বাড়তি যত্ন প্রয়োজন। স্নানের আগে সারা শরীরে তেল মেখে নিন ভালো করে। আপনার হাত দুটোতেও ভালো করে তেল মালিশ করুন।এতে হাতের চামড়া টানটান থাকে।

    হাত ভালো রাখতে ব্যবহার করতে পারেন মুসুর ডাল। তিন চামচ মুসুরের ডাল বেটে নিন। এরপর তার সঙ্গে ২ চামচ আপেল সিডার ভিনেগার ও ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে নিন। ৩০ মিনিট হাতে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন।

    মধু, লেবুর রস আর চিনি মিশিয়ে হাতে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। এরপর শুকনো হলে ঈষদুষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন। এতে হাত নরম থাকে।

    হাতের কাজ শেষ হলে দুপুরে তিন চামচ চালের গুঁড়া, ২ চামচ গ্লিসারিন আর মধু দিয়ে প্যাক বানান। ১৫ মিনিট হাতে রেখে ধুয়ে ফেলুন। এরপর অন্তত ২ ঘণ্টা সাবান ব্যবহার করবেন না।

    প্রতিদিন থালা বাসন পরিষ্কার কিংবা কাপড় কাচার কারণে হাত অনেকটাই শুষ্ক হয়ে যায়। তাই প্রথমেই খেয়াল রাখুন, খুব ক্ষারযুক্ত কোনো সাবান যেন ব্যবহার করা না হয়। থালা-বাসন পরিষ্কারের সময় গ্লাভস পরার অভ্যাস করুন।

    এসবের পাশাপাশি হাতের ব্যয়াম করতেও ভুলবেন না। আর ময়েশ্চারাইজার মাখুন হাত ধুয়ে।

    বাইরে যাওয়ার আগে হাতে সানস্ক্রিন লাগাতে ভুলবেন না। অনেকেই মুখে সানস্ক্রিন লাগালেও হাত পা বাদ দিয়ে দেন। এতে হাত বেশি কালো হয়ে যায়। শীতকালে ক্রিমবেস সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে পারেন।

    শীতের দিনগুলোতে অত্যন্ত নিয়ম করে হ্যানড ক্রিম লাগান। এতে চামড়া নরম থাকবে।

    এছাড়াও সেদ্ধ আলুর খোসা ফেলে না দিয়ে তা হাতে ভালো করে ঘষে নিতে পারেন। এতে হাতের কালো দাগ সহজে উঠে যাবে।

    টিভি দেখার সময় বা অবসরের হময় অল্প গ্লিসারিনের সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে দুহাতে ভালো করে মাসাজ করতে পারেন। হাত নরম হবে।

    অতিরিক্ত শুষ্ক হাত থেকে রেহাই পেতে দু চামচ সানফ্লাওয়ার অয়েল দু চামচ পাতি লেবুর রস তিন চামচ চিনি মিশিয়ে মাসাজ করুন।

    যাদের হাতের চামড়া অত্যাধিক রুক্ষ তারা ক্ষারযুক্ত সাবান এড়িয়ে চলুন। হাতের চামড়া বেশি থাকলে তিলের তেল ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত শুষ্ক হাত পায়ে কাঠবাদামের প্যাক লাগাতে পারেন।

    শসার রস ত্বকের সুরক্ষায় ভালো কাজ করে। চায়ের লিকারের সঙ্গে শসার রস ও একফোঁটা কর্পূর মিশিয়ে ফ্রিজে রাখুন। যা হাতের টোনার হিসেবে কাজ করবে।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • শীতে তৈলাক্ত ত্বকে কোন ময়েশ্চারাইজার পারফেক্ট? দেখে নিই এখনই

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    এসেই গেল শীত, ময়েশ্চারাইজার ত্বকের বাইরের স্তরে আদ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে আমরা এতদিনে সকলেই জেনে গেছি। যাদের তৈলাক্ত ত্বক ময়েশ্চারাইজার মুখে লাগাতে ভয় পান তারা কি করবেন?তৈলাক্ত ত্বকে মশ্চারাইজার ব্যবহারের কি প্রয়োজন অনেকে আবার এমনটাও মনে করেন। পার্টি বিয়ে বাড়িতে যদি সকলে আপনার ত্বকের জন্য প্রশংসা করেন তাহলে কার না ভালো লাগে বলুন? ত্বক কে ঝকঝকে ঝলমলে রাখতে সেলিব্রেটি থেকে শুরু করে পাশের বাড়ির কন্যা সকলেই মরিয়া কিন্তু যাদের ত্বক প্রাকৃতিক ভাবেই চকচকে তারাই জানেন তারা কি সমস্যার মধ্যে পরেন। মানে কথা হচ্ছে ওয়েলি বা তৈলাক্ত ত্বক নিয়ে মুখে কি মাখবেন আর কি মাখবেন না তা নিয়ে দারুণ দ্বন্দ্বে থাকেন তারা। এমনকি শীতকালে মুখে ময়েশ্চারাইজার মাখবেন কিনা তা নিয়েও দ্বিধায় থাকেন তারা।

    ক্লিনজিনে এক ঘন্টা পর থেকেই মুখের ত্বক তেলতেলে হয়ে যায়। বিশেষ করে মুখে টি জোন এলাকাগুলি সবচেয়ে বেশি তৈলাক্ত হয়। অতিরিক্ত সিবাম উৎপাদনের ফলে মুখের ত্বক থেকে তেল এবং ব্রণ বের হয়। মনে রাখতে ময়েশ্চারাইজার বাইরের স্তরে জল ধরে রাখতে সহায়তা করে। শীতে তৈলাক্ত ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগানো উচিত? অনেকেরই ধারণা, অয়েলি স্কিনে যেহেতু তেল নিঃসরণ হয় তাই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করার কোনো প্রয়োজন নেই এই ধারণাটি কিন্তু সম্পূর্ণ ভুল। অয়েল আর মশ্চারাইজার দুটো ভিন্ন জিনিস ত্বকের ওয়াটার লেভেল বা হাইডরেশন ঠিক রাখতে মশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। ময়েশ্চারাইজার এর আরেকটি কাজ হচ্ছে ত্বকের ন্যাচারাল অয়েল ব্যালেন্স করা। তাই অয়েলি স্কিনে ময়েশ্চারাইজার এপ্লাই করা কিন্তু মাস্ট, কিন্তু কিরকম ময়েশ্চারাইজার শীতে ব্যবহার করবেন তা জানাবো আমরা।

    জেনে রাখুন তৈলাক্ত ত্বকের মূল সমস্যা হল সিবাম উৎপাদন। অতিরিক্ত সিবামের কারণেই ব্রণ হয়। এর অর্থ একেবারেই এই নয় যে ত্বক যথেষ্ট আদ্র। ত্বক যেহেতু প্রচুর পরিমাণ তেল উৎপাদন করে তাই ত্বকের প্রয়োজনীয় জলের অভাব হতে পারে। অন্যদিকে ত্বক থেকে এই অতিরিক্ত তেল অপসারণ এর কারণে আদ্রতা হ্রাস করার চেষ্টা করেন অনেকেই। যা আসলে ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ হতে পারে। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা সবসময় তেল নিয়ন্ত্রণ করতে চায় সে কারণে নানান ধরনের পণ্য ব্যবহার করেন। এই ধরনের স্কিন কেয়ার দ্রব্য ত্বকে আর্দ্রতা বজায় না রেখে তেল নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে। তাই তবকে হাইডরেড করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

    মনে রাখতে হবে নন কমেডোজেনিস ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। যা ত্বকের ছিদ্র গুলিকে আটকে রাখবে না। এমন ময়েশ্চারাইজার বেছে নিতে হবে যা হালকা তেল মুক্ত এবং দ্রুত শোষিত হতে পারে। এসেনসিয়াল অয়েল যুক্ত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার এড়িয়ে চলতে হবে। বরং এলোভেরা জেল গ্লিসারিন রয়েছে এমন একটি ময়েশ্চারাইজার বেছে নেওয়া ভালো। ত্বক যদি খুব বেশি তৈলাক্ত হয় সেক্ষেত্রে সোডিয়াম লরেথ সালফেট আছে এমন কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন। এ জাতীয় রাসায়নিক ব্যবহারের ফলে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে পড়ে।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pregnancy Safe Skin Care: গর্ভাবস্থায় ত্বকের যত্ন না নিলেই শুরু হবে হাজার সমস্যা! কিভাবে নেবেন ত্বকের যত্ন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pregnancy Safe Skin Care: গর্ভাবস্থায় ত্বক আগের তুলনায় অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। গর্ভবতী মহিলাদেরও খুব ভালোভাবে ত্বকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন৷ তবে এইসময় ত্বকের যত্ন নিতে হয় একটু অন্যভাবে৷ তা না হলেই এই সময় শুরু হবে ত্বকের নানান ধরণের সমস্যা। কীভাবে নেবেন যত্ন? শীতের মরশুম গর্ভবতী মহিলাদের জন্য বেশ কষ্টকর। শীতে ত্বকে পিম্পল, শুষ্ক প্রাণহীন ত্বক, সর্দি-কাশি হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই এই সময়, একজন গর্ভবতী মহিলার উচিত স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বকেরও যত্ন নেওয়া ।কীভাবে গর্ভবতী মহিলারা শীতকালে ত্বকের যত্ন নেবেন সেই হদিশই আজ দেবো এই প্রতিবেদনে।

    শীতের সময় ত্বক বেশ শুষ্ক থাকে। অনেক সাবান আছে যেগুলি ত্বককে আরও বেশি শুষ্ক-রুক্ষ করে তোলে। তাই সেই সাবানগুলি ব্যবহার করবেন না। তাই শীতকালে ময়শ্চারাইজিং বডি ওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। যেগুলি রুক্ষভাব দূর করবে৷

    শীতের সময় ত্বক রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে যায়। ত্বকে টান ধরার কারণে হালকা ব্যথাও হয়ে থাকে। তাই শুষ্ক ও প্রাণহীন ত্বক এড়াতে ত্বকে ময়শ্চারাইজার বা ক্রিম লাগান। এটি আপনার ত্বককে হাইড্রেট রাখবে। ত্বককে কোমল রাখবে৷ রাতে শুতে যাওয়ার আগে ও স্নান করার পর ক্রিম ভালো করে লাগান৷

    এই সময় অবশ্যই সিরাম ব্যবহার করুণ। মুখ পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে সিরাম লাগাবেন। তারপর ময়শ্চারাইজার ইউস করবেন।

    গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করা খুবই জরুরি। উজ্জ্বল ত্বকের জন্য সবুজ শাকসবজি এবং ফল খাওয়া উচিত। ফলটি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার পাশাপাশি ত্বককে উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে। আপনি আপনার ডায়েটে পালং শাক, মেথি এবং সবুজ শাক-সবজি অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করুন। সেগুলি প্রতিদিন সেদ্ধ করে খান।

    সপ্তাহে ১ থেকে ২ বার স্ক্রাবিং করতে পারেন। বাড়িতে স্ক্রাব তৈরি করতে ২ টেবিল চামচ চালের গুঁড়ার সঙ্গে আধা কাপ তরল দুধ ও ১ চা-চামচ মধু মেশান। ওটা দিয়েই স্ক্র্যাবিং করতে পারেন।

    গলার কালচে ভাব কমাতে বাড়িতেই মাস্ক তৈরি করতে পারেন। ২ টেবিল চামচ টকদই, ১ টেবিল চামচ মসুর ডালের বেসন ও ১ চা-চামচ মধু মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করা যায়। সপ্তাহে ১ থেকে ২ বার এভাবে মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন।

    শীতের মরশুমে ত্বকের যত্ন নিতে যতটা সম্ভব জল পান করুন। সাধারণত শীতকালে মানুষ কম জল পান করেন। কিন্তু তা একেবারেই করা উচিত নয়। গর্ভাবস্থায় উজ্জ্বল ত্বকের জন্য জল পান করা উচিত। জলের সঙ্গে জুস বা নারকেলের জল পান করা উচিত। নারকেলের জল কেবলমাত্র ত্বকের জন্যই নয় উপকারি নয়, পাশাপাশি এটি শিশুর পক্ষেও খুব ভালো।

    বাইরে বের হলে ত্বককে রক্ষা করতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন। পাশাপাশি টুপি বা ছাতা, সানগ্লাস সঙ্গে রাখুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • শীতে কোন ফেসিয়াল করাবেন, কি কি মাথায় রাখবেন? জানুন!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    শীতে ত্বক ভাল রাখতে কোন ফেসিয়াল জরুরি জানেন? শীতকালে ফেসিয়াল করানোর সময় কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখবেন? শীতের সময় আমাদের স্কিনকে কিন্তু এক্সট্রা কেয়ার করতেই হয়। কারণ এ সময়ে ত্বক রুক্ষ শুষ্ক হয়ে মুখের বারোটা বাজতে পারে। আর তাই শীতকালে কিন্তু সব ধরণের ফেসিয়াল করা যায় না। কোন ফেসিয়াল গুলি করবেন এবং কি কি মাথায় রাখবেন সমস্ত তথ্য জেনে নিন এই প্রতিবেদন থেকে।

    শীতকালে আবহাওয়া থাকে শুষ্ক আর এই প্রভাব পড়ে আমাদের ত্বকেও। চামড়া খসখসে হয়ে যায়, টান পড়ে। প্রাকৃতিক আর্দ্রতাও নষ্ট হয়ে যায়। শীতের আলসেমিতে অনেকেই এই সময় ঠিক করে স্নান করেন না। কিন্তু ত্বক সবথেকে বেশি নোংরা হয় এই সময়েই। বাইরে দূষণ যেমন বেশি থাকে তেমনই কিন্তু শীতে ক্রিম, ময়েশ্চারাইজার. তেল-সবই ব্যবহার করা হয়। সারাদিন ক্রিম, ময়েশ্চারাইজার মাখার ফলে মুখের উপর একটা ময়লার আস্তরণ পড়ে।তখন ক্ষতিকর টক্সিন যেমন বাইরে বেরোতে পারে না, তেমনই কিন্তু বায়ু চলাচলও করতে পারে না। এতে চামড়া কুঁচকে যায়। যে কারণে এই সময় ত্বকের একটু বেশিই যত্ন নিতে হয়।

    শীতে পার্টি, অনুষ্ঠানও বেশি থাকে। যে কারণে মেকআপও করতে হয়। আর ত্বক যদি পরিষ্কার না থাকে তাহলে কিন্তু মেকআপও ঠিকমতো বসে না। সেই সঙ্গে মুখের ফ্রেশনেসও হারিয়ে যায়। বাজারে এখন নানা রকম ফেসিয়াল কিট পাওয়া যায়। সেই কিট কিনে এনে বাড়িতেও যেমন ফেসিয়াল করতে পারেন তেমনই উপযোগী কিছু প্যাকও বানিয়ে নিতে পারেন। এছাড়াও পার্লার তো রয়েইছে। দেখে নিন কোন, কোন ফেসিয়াল আপনার ত্বকের জন্য উপকারী।

    পার্ল ফেসিয়াল, শীতের ত্বকের জন্য এই ফেসিয়াল কিন্তু বেশ উপকারী। মুক্তোর গুণাগুণ ছাড়াও এই ফেসিয়ালের মধ্যে থাকে বেশ কিছু খনিজ উপাদান। থাকে প্রয়োজনীয় ভিটামিন। যা শীতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে ত্বককে প্রয়োজনীয় খাবার দেয়। যাঁদের সামনেই বিয়ে তাঁরা এই ফেসিয়াল করতে পারেন।

    দ্বিতীয়টি হলো অ্যারোমাথেরাপি, প্রাচীনকাল থেকেই এই অ্যারোমাথেরাপি কিন্তু রূপটানের কাজে ব্যবহার করা হয়। বনের ফুল, মধু এবং গাছ-গাছড়ার নির্যাস থেকেই বানানো হত নানা সিরাম, ফেসপ্যাক। তাই দিয়েই চলত রূপচর্চা। বাজারে এখন অনেক রকম অ্যারোমা ফেসিয়াল কিট পাওয়া যায়। এছাড়াও বাড়িতে বানিয়ে নিতে পারেন বিশেষ ফেসিয়াল প্যাক।

    তারপর তৃতীয় যে ফেসিয়ালটি করতে পারেন সেটি হলো ও থ্রি ফেসিয়াল। এই ফেসিয়াল আমাদের স্কিনে জলের চাহিদা মেটাই। জলের বিশেষ যৌগ ত্বককে দেবে পুষ্টি। যা বলিরেখার হাত থেকে বাঁচাবে। ত্বক লাগবে ফ্রেশ। যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত তাঁদের জন্য কিন্তু এই ফেসিয়াল খুবই ভাল।

    আর ফেসিয়াল করার পর কিছু জিনিস অবশ্যই মাথায় রাখবেন। যেমন, ফেসিয়াল করিয়ে রোদে বেরোবেন না। অনেকবার ফেসিয়াল করার পর, বিউটিশিয়ান অবশেষে একটি সিরাম ব্যবহার করেন, যাতে ত্বক হাইড্রেটেড থাকে। এটি ত্বকে মিশে না যাওয়া পর্যন্ত পার্লার থেকে বের হবে না। শীতে ফেসিয়াল করার পর ফেস ওয়াইপ, ফেসপ্যাক, ফেস মাস্কের মতো জিনিস লাগাবেন না। অন্তত দুই দিন এটি করবেন না। ফেসিয়াল করার পর যদি মুখ তৈলাক্ত মনে হয়, তাহলে ৪ ঘণ্টা পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সেই সঙ্গে একদিন পর ফেসওয়্যাশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারেন।
    শীতকালে কম্বিনেশন ত্বকও শুষ্ক দেখাতে শুরু করে। এই সময় উপরের ঠোঁট বা নীচের ঠোঁটে থ্রেডিং করাতে প্রচুর ব্যথার সম্মুখীন হতে হয়। এমন অবস্থায় ফেসিয়ালের ২ দিন আগে থ্রেডিং করিয়ে নিন।ফেসিয়াল করার পর স্ক্রাব করবেন না। কমপক্ষে ৪ দিন স্ক্রাব করার দরকার নেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version