Tag: narendra modi

  • Gujarat Election 2022: প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব শুরু মোদীগড়ে, ভাগ্য পরীক্ষা ৭৮৮ জন প্রার্থীর

    Gujarat Election 2022: প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব শুরু মোদীগড়ে, ভাগ্য পরীক্ষা ৭৮৮ জন প্রার্থীর

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Gujarat Election 2022: আজ মোদী-শাহের রাজ্যে ভোটগ্রহণের প্রথম দিন। দুই দফায় ভোটগ্রহণ পর্ব চলবে মোদীগড়ে। আজ প্রথম দফায় ১৯টি জেলা জুড়ে ৮৯টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে, প্রার্থী সংখ্যা ৭৮৮। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ, চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

    বিগত ২৭ বছর ধরে টানা গুজরাটে রাজ করছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গতবারের নির্বাচনে যদিও কংগ্রেসের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। তবুও শেষ হাসি হেসেছে বিজেপি। এবারে প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বাধীন দলের সামনে রয়েছে আম আদমি পার্টি ও কংগ্রেস। দেখার এবারেও গুজরাটবাসী নমোতেই ভরসা রাখে! নাকি নতুন সরকার গড়ে ওঠে মোদীগড়ে। ‘হিন্দুস্তান টাইমস’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই রাজকোটে সকাল সকাল ভোট দিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী রিভাবা জাদেজা। জামনগর উত্তর থেকে লড়াই করছেন তিনি। ভোট দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি জামনগরের মানুষের উপর আস্থা রেখেছি। আমরা সামগ্রিক উন্নয়নে নজর দেবো এবং এবারও বিজেপি ভালো ব্যবধানে জিতবে’।

    অন্যদিকে গুজরাট নির্বাচনের প্রথম পর্বে সকলকে ভোটদানের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন ট্যুইট করে নমো লেখেন, ‘আজ গুজরাট নির্বাচনের প্রথম পর্ব। সকলকে বিশেষ করে প্রথমবারের ভোটারদের তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার আহ্বান জানাচ্ছি’। গতবারের নির্বাচনে আজ যে ৮৯টি আসনে ভোটগ্রহণ তার মধ্যে বিজেপি জিতেছিল ৪৮টি, কংগ্রেস ৩৮টি, ২টি বিটিপি ও ১টি এনসিপি। এবার লড়াইয়ে রয়েছে আপ। সেক্ষেত্রে সংখ্যায় বদল আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Gujarat Election 2022: বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটগ্রহণ মোদীগড়ে, শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি তুঙ্গে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Gujarat Election 2022: রাত পোহালেই প্রথম দফার ভোটগ্রহণ গুজরাটে। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে রাজনৈতিক দলগুলির। প্রচার শুধু রাস্তায় নেমে নয়, চলছে সামাজিক মাধ্যমেও। প্রথম দফায় ৮৯টি কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ। ১৬২১ জন প্রার্থীর মধ্যে বৃহস্পতিবারে ভাগ্য পরীক্ষা ৭৮৮ জনের। ‘কলকাতা টিভি’তে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী এর মধ্যে ৭০ জন মহিলা ৩৩৯ জন নির্দল প্রার্থী।

    বিগত ২৭ বছর ধরে গুজরাটে রাজ করছে বিজেপি। এবারেও যদি শাসনভার যায় গেরুয়া শিবিরের হাতে, তবে এরাজ্যে এক প্রকার ধুয়েমুছে যাবে কংগ্রেস। কিন্তু মোদী-শাহের রাজ্যে নজর রয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টির। পঞ্জাবে ক্ষমতা দখলের পর গুজরাটকে পাখির চোখ করে সমস্ত রকমের প্রচারকার্য চালিয়ে গিয়েছে কেজরিওয়ালের দল। গুজরাটবাসীদের নিজেদের দিকে টানতে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আপ। তাঁদের দাবি, মোদীগড়ে বিপুল ব্যবধানে জিতবেন গোপাল ইটালিয়া। ২০১৭-য় প্রথম গুজরাটে লড়ে ৩০টি কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছিল কেজরিওয়ালের দল। সেই সময়ে ২৮ হাজারের সামান্য বেশি ভোট পেয়েছিল তাঁরা।

    ১৮২ আসনের গুজরাট বিধানসভার দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ হবে আগামী ৫ ডিসেম্বর। সেদিন ৮৩৩ জন প্রার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা হবে। যাদের মধ্যে ৬৯ জন মহিলা এবং ২৮৫ জন নির্দল প্রার্থী। ‘কলকাতা টিভি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী নির্বাচনের আগে এক রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা জানিয়েছে, তিন ধরনের ভোটারের উপর আশাবাদী আপ। বিজেপি বিক্ষুব্ধ, কংগ্রেসের একের পর এক ব্যর্থতায় যাঁরা চটে রয়েছেন ও মনবদলু ভোটারদের উপর আস্থা রয়েছে আপের। এদিকে আগেরবারও একইভাবে সাফল্য ধরে রেখেছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। ২০১৭-য় গুজরাটের বিধানসভা ভোটে ৯৯টি আসন গিয়েছিল বিজেপির ঝুলিতে, কংগ্রেস ৭৭টি এবং অন্যান্য দল ৬টি আসন পেয়েছিল। দেখতে গেলে গেরুয়া শিবিরকে জোর টেক্কা দিয়েছে হাত শিবির। এবার সঙ্গে রয়েছে আম আদমি পার্টি। এবারও কি ক্ষমতার রাশ নিজেদের হাতে রাখবে বিজেপি?

    ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের আগে গুজরাট ও হিমাচল ছাড়া আরও বেশ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন রয়েছে। কিন্তু এই সব কিছুর মাঝে মোদীগড়ে ভোটের দিকে নজর রয়েছে সকলের। এই নির্বাচন রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ফলাফল জানা যাবে ৮ ডিসেম্বর। হিমাচল প্রদেশের ভোটগ্রহণ আগেই হয়ে গিয়েছে। ফলাফল শুধু বের হবে একই দিনে। দেখার গুজরাটবাসী কাকে সমর্থন জানায়! তাঁরা ফের বিজেপিতেই ভরসা রাখে, নাকি পঞ্জাবের মতো গুজরাটেও গড়ে উঠবে নতুন সরকার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • CV Anand Bose: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন সিভি আনন্দ বোস, নেপথ্যে রয়েছে কোন কারণ?

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    CV Anand Bose: চলতি সপ্তাহের বুধবারই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদে শপথ নিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যে ২দিন কাটিয়ে শনিবার দিল্লিতে পৌঁছেছেন তিনি। আর সেখান থেকেই সোজা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে ছুটেছেন বাংলার রাজ্যপাল। তারপর সেখান থেকে যান বঙ্গভবনে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও তাঁর দেখা করার কথা রয়েছে। কিন্তু অনেকের মনেই প্রশ্ন, হঠাৎ তাঁর এই সফরের কারণ কী?

    নিয়মমাফিক যে কোনও রাজ্যের রাজ্যপাল দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ সাড়েন। সেভাবে বাংলার রাজ্যপালও সৌজন্য সাক্ষাৎ সাড়তে গিয়েছেন। চলতি সপ্তাহে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই কলকাতায় পা রাখেন আনন্দ বোস। ‘টিভি৯ বাংলা’য় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এরপর এদিন দিল্লিতে গিয়েছেন তিনি।বিমানবন্দর থেকে সোজা যান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে‌। যদিও প্রধানমন্ত্রী ও বাংলার রাজ্যপালের মধ্যে কী কথা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারে কিছুই জানা যায়নি। এদিকে তাঁর অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করারও কথা রয়েছে, কিন্তু গুজরাট সফরে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাই তাঁদের দেখা হওয়ার সম্ভাবনা কমই বলা যায়।

    এর আগে মেঘালয় সরকারের উপদেষ্টা পদে ছিলেন আনন্দ বোস। তাঁকে জগদীপ ধনখড়ের উত্তরসূরী করে পাঠানোর সিদ্ধান্তের পেছনেও কোনও রণকৌশল রয়েছে বলেই ধারনা বিশ্লেষক মহলের। আর এদিন দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে তাঁর। অন্যদিকে তাঁর শপথ গ্রহণের দিনই ঝালদা পুরসভা ইস্যুতে তাঁকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। রাজভবনে ডেকে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন শুভেন্দু অধিকারীও। পশ্চিমবঙ্গের ২২তম স্থায়ী রাজ্যপাল হিসেবে চলতি মাসের ১৭ তারিখ নাম ঘোষণা করা হয় আনন্দ বোসের। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে তাঁর নিয়োগের চিঠি প্রকাশিত হয়। এরপর ২৩ নভেম্বর শপথ নিয়েই শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন তিনি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Modi-Mamata Meeting: ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা, মূল উদ্দেশ্য কী ?

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Modi-Mamata Meeting: ফের দিল্লি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামী ৫ ডিসেম্বর দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ডেকেছেন । বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য, G-20 সম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা। তাই স্বাভাবিক ভাবেই ডাক পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে আজ বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “৫ ই ডিসেম্বর দিল্লি যাব প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করতে। তবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চেয়ারপার্সনদের সেইদিনের বৈঠক ডাকা হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই সেখানে দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে আমিও যাব।” ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে জি২০-র আয়োজক দেশ ভারত। ওই আয়োজন নিয়ে প্রস্তুতি নিতেই এই বৈঠক। তবে এই বৈঠকের পর তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলাদা করে বৈঠক হবে কি না, তা নিয়ে এখনো সেইভাবে কিছু জানা যায়নি।

    বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে অনুসারে জানা গিয়েছিল, ভারত তার সভাপতিত্বে G20 শীর্ষ সম্মেলন সহ ২০০ টিরও বেশি বৈঠকের আয়োজন করবে। প্রসঙ্গত, জি ২০ শীর্ষ বৈঠক সদ্য ইন্দোনেশিয়ার বালিতে শেষ হয়েছে। ভারত আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে জি ২০ দেশসমূহের মিলিত গোষ্ঠীর সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করবে। ভারত এক বছর এই দায়িত্ব পালন করবে। জি২০ বৈঠক ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে এ দেশে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তারই প্রস্তুতিতে ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রীদের।

    কী এই G-20 ?

    G-20 বা গ্রুপ অফ টুয়েন্টি বিশ্বের প্রধান উন্নত ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির একটি আন্তঃসরকারী ফোরাম। এর মধ্যে সদস্য হিসাবে রয়েছে ব্রাজিল, মেক্সিকো, রাশিয়া, আর্জেন্টিনা, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, যুক্তরাজ্য । ভারত বর্তমানে G-20 ট্রোইকা এর একটি অংশ, যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, ইতালি এবং ভারত রয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • G-20 Summit: বিশ্বমঞ্চে জি-২০র দায়িত্ব কেন দেওয়া হল ভারতকে? নমোর সামনে চ্যালেঞ্জ অনেক বড়

    ৷৷প্রথম কলকাতা৷৷

    G-20 Summit: বিশ্বের দরবারে উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হচ্ছে ভারতবর্ষের ভাবমূর্তি৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ৷ জি-২০ সম্মেলনের মতো এত বড় দায়িত্বে ভারতকেই কেন বেছে নেওয়া হল? যুদ্ধের আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্ব প্রমাণ করে দিল কূটনীতি আসলে কাকে বলে৷ বিশ্ব যেন এখন দু অক্ষে ভাগ৷ একদল আমেরিকার পক্ষে, একদল হাঁটছে চিনের পিছনে পিছনে৷ ভারতবর্ষ স্বতন্ত্র হয়েও যে ছাপ রাখতে পারে বিশ্বের দরবারে৷ আবারও আবারও প্রমাণ হয়ে গেল সেটাই৷ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে এ বলে আমায় দেখ ও বলে আমায় দেখ৷

    বিশ্বের বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ দেশই রাশিয়া বা ইউক্রেনের মধ্যে কোনও না কোন এক পক্ষকে সমর্থন করেছে আরেক পক্ষের বিরুদ্ধে উগড়ে দিয়েছে ক্ষোভ৷ কিন্তু ভারত প্রথম থেকেই এমন একটা অবস্থানে ছিল যা আজ বুঝিয়ে দিচ্ছে যে আসলে সেটা ঠিক না ভুল? ভারত রাশিয়া বা ইউক্রেন কারোর পক্ষই নেয়নি, কারোর বিরোধীতাও সেসময় করেনি৷ কিন্তু এবারের জি ২০ সম্মেলনের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এমন একটা কাজ করে দিলেন যেটা অবিশ্বাস্য বলছেন বিশ্বের কূটনৈতিক মহল৷ ইন্দোনেশিয়া নমোর হাতে তুলে দিল অনেক বড় দায়িত্ব৷ ভারতবর্ষকেই আগামী দায়িত্ব নিতে হবে৷ তবে চ্যালেঞ্জ কিন্তু অনেকটাই বড় বলছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা

    ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ভারত জি-২০ গোষ্ঠীর সভাপতিত্ব করবে৷ কিন্তু তাতে এমন কি লাভ হবে ভারতবর্ষের? এক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জই বা কি কি থাকছে? মোদি বিশ্বমঞ্চে বলেছেন বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর ভারত প্রভূত উন্নতি করেছে৷ একইসঙ্গে রাশিয়ার হাতটা ধরেই পুতিনকে মোদী বার্তা দিলেন এটা যুদ্ধ করার সময় নয়৷ এর মানে সোজা কথায় বন্ধুত্ব ভাঙার প্রশ্নও নেই কিন্তু বন্ধুকে বুঝিয়ে দেওয়া দেখো আমি কি চাইছি৷ আমেরিকার মুখে ভারতের ঠিক এই নীতিরই প্রশংসা৷ বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৯ সালে গঠিত হয়েছিল গ্রুপ অব টুয়েন্টি বা জি-২০৷ বিশ্বের প্রধান প্রধান উন্নত এবং উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলির ফোরাম জি-২০৷ আর সেখানের সুক্ষ্ম সুক্ষ্ম তারগুলো জুড়ে ফেলার কাজটাই করতে হবে ভারতকে৷ চাপটা অনেকটাই৷

    গত কয়েক মাসে জি-২০ গোষ্ঠীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে৷ অভ্যন্তরীণ ফাটল ক্রমে স্পষ্ট হয়ে উঠছে৷ কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত সভাপতিত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর এই বিভেদ দূর করতে হবে। ভিন্নমতের মধ্যে সেতু নির্মাণের কাজ করতে হবে৷ নয়া দিল্লিকে এমন কিছু নীতি তৈরি করতে হবে যেগুলির বিষয়ে সকল সদস্য দেশ ঐক্যমত হতে পারে৷ এর সঙ্গে রয়েছে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা৷ আইএমএফ, ডব্লিউটিও-র মতো অর্থনীতি বিষয়ক আন্তর্জাতিক ফোরামগুলির সঙ্গে যৌথভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলার রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে ভারতকে। এখানেই শেষ হয়ে যায় না দায়িত্ব৷ ইমেজ বাড়ছে গুরুত্ব বাড়ছে, দায়িত্ব আরও কয়েকগুণ৷ অন্যান্য চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা৷ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়ে একটি জি-২০-র নীতি নির্ধারণের মতো চ্যালেঞ্জ৷

    ভারত যদি একবার এই পরীক্ষায় সফল হয়ে যায় তাহলেই বড়সড় প্রাপ্তি৷ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সুযোগ ভারতকে বিশ্ব মঞ্চে নেতৃত্বদানকারীর ভূমিকায় উন্নীত করবে ভবিষ্যতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে সমর্থন পেতে সুবিধা হবে ভারতের৷ যে দেশে নরেন্দ্র মোদীর মতো প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব থাকে ও এস জয়শঙ্করের মতো বিদেশমন্ত্রীর কূটনীতি সে পথে ভারত সফল হবেই হবে আশা রাখে ভারতবাসী৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version