Tag: KMC

  • Shibram Chakraborty: মুক্তারাম বদলে গলিপথ এবার শিবরাম চক্রবর্তী স্ট্রিট, কলকাতা পুরসভায় পাশ প্রস্তাব

    Shibram Chakraborty: মুক্তারাম বদলে গলিপথ এবার শিবরাম চক্রবর্তী স্ট্রিট, কলকাতা পুরসভায় পাশ প্রস্তাব

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Shibram Chakraborty: চলতি বছর ১২১ বছর পূর্তি হয়েছে বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপ্রতিম লেখক শিবরাম চক্রবর্তীর। আর এই জন্মদিনেই তাঁকে সেরা উপহার দিল কলকাতা পুরসভা। কলকাতায় ১৯০৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর জন্মেছিলেন শিবরাম চক্রবর্তী। জীবনের বেশিরভাগ সময় যিনি কাটিয়েছেন মুক্তারামবাবু লেনের মেসবাড়িতে। লেখককে শ্রদ্ধা জানাতে সেই মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটের নাম বদল করছে কলকাতা পুররসভা। নাম দেওয়া হচ্ছে লেখকের নামে, শিবরাম চক্রবর্তী স্ট্রিট।

    একটা সরু আধো-অন্ধকার গলি। সেটি পেরিয়ে ডান দিকে ঘুরলে ১৩৪, মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটের ‘ক্ষেত্র কুঠি’। পলেস্তারা খসে পড়েছে তিনতলা বাড়ির। নেই বারান্দা। বেরিয়ে রয়েছে লোহার কাঠামো। সাহিত্যিক শিবরাম চক্রবর্তী থাকতেন ১৩৪ মুক্তারাম বাবু স্টিটের মেস বাড়িতে। নিজের লেখাতে সেই মেসবাড়ি সম্বন্ধে লিখেছেন শিবরাম। তাঁর কথায় মুক্তারাম থেকে তক্তারামে শুয়ে, শুক্তারাম খেয়ে তিনি শিবরাম হয়েছেন। এই মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটের মেস বাড়িতে বসে তার লেখালিখির অধিকাংশ করছেন শিবরাম। ঘনাদা, হর্ষবর্ধন-গোবর্ধনের মতো একের পর এক কালজয়ী চরিত্র ওই মেসবাড়িতে বসেই তিনি তৈরি করেছেন। বহু স্মৃতি বহন করে চলেছে ওই মেসবাড়ি। এখানেই লেখকের মৃত্যু হয়। এই মেসবাড়িতে শিবরামের পড়শি যাঁরা ছিলেন তাঁরা এখনও বলেন তাঁর গল্প। লেখককে শ্রদ্ধা জানাতে কলকাতা পুরসভা রাস্তার নাম বদল করছে। একই সঙ্গে পুরসভা প্রস্তাব পাঠাচ্ছে রাজ্য শিশু কিশোর অ্যাকাডেমির নাম সাহিত্যিকের নামে করার জন্য।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Adi Ganga : বদলে যাবে আদি গঙ্গার চালচিত্র, কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে মেয়র ফিরহাদ

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Adi Ganga : প্রাচীন সময়ের বহু ঐতিহ্য নিজের মধ্যে বহন করে চলেছে তিলোত্তমা । তেমনই কলকাতার কালীঘাট মন্দিরের পেছন দিয়ে বয়ে চলেছে আদি গঙ্গা ( Adi Ganga) । এর মাধ্যমে হু হু করে জলস্রোত বইলেও এখন এর অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। আর সেই কারণেই আদিগঙ্গা বা টালি নালা সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছে কলকাতা পৌরসভা। তাতে আর্থিক সাহায্য করছে রাজ্য সরকার। কলকাতা পৌরসভার তরফ থেকে আদিগঙ্গা সংস্কার নিয়ে বড় আশার আলো দেখানো হয়েছিল। শনিবার আদি গঙ্গা নৌকার মাধ্যমে ঘুরে দেখলেন কলকাতা পৌরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim) ।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিগত চার মাস ধরে কলকাতা পুরসভা এই আদি গঙ্গা সংস্কারের কাজ করছে। এখনও পর্যন্ত চলছে কাজ । তাতে অর্থ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার । আর সেই কাজ কতটা এগিয়েছে তা দেখতেই নৌকায় চড়ে আদিগঙ্গা পরিদর্শনে বেরোলেন কলকাতা পুরসভার ( KMC) মেয়র । তাঁর সঙ্গে ছিলেন পুরসভার অন্যান্য আধিকারিকরা। এই টালি নালা বা আদি গঙ্গার যতটুকু এলাকা কলকাতা পুরসভার আওতায় পড়ে , সেই কাজ পুরসভা করবে । আর বাদ বাকি কাজগুলির দায়িত্ব নেবে রাজ্যের সেচ দফতর । অর্থাৎ কলকাতা পুরসভা প্রথম দফায় মোট ৪.৭ কিলোমিটার এলাকার কাজ করবে।

    এই আদি গঙ্গাকে নিয়ে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন দু ধারে থাকা কলকাতা ও সোনারপুর পুরসভার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা । বর্ষাকালে কালীঘাটের নিচু এলাকাগুলিতে আদি গঙ্গা থেকে জল ঢুকে যায় বলেও জানা গিয়েছে। কাজেই এই সংস্কারের মাধ্যমে সেই সমস্যা থেকে অন্ততপক্ষে মুক্তি পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন আদি গঙ্গা পরিদর্শনে এসে রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতা পৌরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানান, ” ৩৪ বছর ধরে আগের সরকার আদি গঙ্গার এই পরিস্থিতিকে অবহেলা করে গেছে, যার খেসারত এখন দিতে হচ্ছে “।

    একইসঙ্গে ফিরহাদ জানান , কেন্দ্র সরকারের প্রকল্প ‘নমামি গঙ্গাতে’ও আদি গঙ্গা সংস্কারকে যুক্ত করা হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের তরফ থেকে এই প্রকল্প এখনও পর্যন্ত অর্থ সাহায্যে এসে পৌঁছায়নি । তবে সেই অর্থ সাহায্য পৌঁছালে নদীর জলকে পরিষ্কার করা, নাব্যতা বৃদ্ধি করা, জোয়ারের সময় বান নিয়ন্ত্রণ করার মতো একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। বর্ষাকালে আদি গঙ্গার দু ধার দিয়ে কলকাতা পৌরসভা গাছ লাগাবে এমনটাই পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও জানালেন মেয়র।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • KMC: সতর্কবার্তা সত্ত্বেও ফেরেনি হুঁশ, লাগামহীন জঞ্জাল ফেলায় জরিমানার নোটিশ ধরালো পুরসভা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    KMC: বিগত কয়েক মাস ধরে গোটা রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গি যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল তা পুরসভা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য দফতর সব জায়গাতেই উদ্বেগ সৃষ্টি করেছিল। শহর কলকাতাতেও ডেঙ্গির ব্যাপক প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। যার উৎস হিসেবে যত্রতত্র ফেলে রাখা আবর্জনাকে দায়ী করেছিল পুর নিগম। এরপরে বহুবার পুরসভার কর্মীরা সেই বিভিন্ন জায়গায় ফেলে রাখা আবর্জনা পরিষ্কার করেছে। এছাড়াও আশেপাশের বাসিন্দাদের এই নিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তাকে তোয়াক্কা না করায় এবার কলকাতা পৌরসভার তরফ থেকে জরিমানার নোটিশ পাঠানো হল বেশ কয়েকজন এলাকাবাসীকে।

    উত্তর কলকাতার বেলগাছিয়া থেকে শুরু করে দক্ষিণ কলকাতার কায়স্থ পাড়া, অর্থাৎ এক কথায় বলতে গেলে গোটা কলকাতা জুড়ে যেখানেই ফাঁকা জমি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে আশেপাশের বাসিন্দারা সেখানেই তাদের প্রতিদিনের পরিত্যক্ত ময়লা স্তূপাকারে রেখে চলে যাচ্ছেন। এর ফলে নতুন করে মশার উপদ্রব সৃষ্টি হচ্ছে। এই বিষয়টিতে কড়া নজরদারি রেখেছিল কলকাতা পুরসভা। মেয়র ফিরহাদ হাকিম নির্দেশ দিয়েছিলেন, যে সমস্ত জায়গায় এই ধরনের ঘটনা ঘটছে সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর জন্য। আর সেই সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাতেই পর্দা ফাঁস।

    দেখা গেল ওই এলাকার আশেপাশের বাসিন্দারাই যথেচ্ছ ভাবে নিজেদের বাড়ির আবর্জনা ফেলে যাচ্ছেন ফাঁকা জায়গায়। আর তারপর সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ধরে ধরে চিহ্নিত করা হয় প্রত্যেককে। তাদেরকে পাঠানো হয় জরিমানা নোটিশ। ইটিভি ভারত বাংলায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এইরকমভাবে বিগত দু মাসে মোট হাজার থেকে বারোশো জনকে কলকাতা পৌরসভা জরিমানার নোটিশ পাঠিয়েছে। যা এক কথায় প্রশংসার যোগ্য। কিন্তু তারপরেও সাধারণ মানুষের সচেতনতা কিছুতেই বৃদ্ধি করা যাচ্ছে না। মশা বাহিত রোগ ক্রমশ বেড়ে চলেছে শহর কলকাতার বুকে।

    ডেঙ্গিতে একের পর এক প্রাণনাশের ঘটনা ঘটেছে এই শহরেই। তবে তারপরও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা এতটুকুও জাগরিত হয়নি। পৌরসভার তরফ থেকে বারে বারে প্রচার অভিযান চালানো হয়েছে , ক্যাম্পেইন করা হয়েছে। কিন্তু তেমন কিছু ফল পাওয়া যায়নি। যার কারণে এবার যথেষ্ট কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতা পুরসভা। সোজা নির্দেশ অমান্যকারীদের হাতে ধরানো হয়েছে জরিমানার নোটিশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • KMC: পুরসভার সম্পত্তিতে বেআইনি দখলদারি! উচ্ছেদ করতে অভিযানে নামল কেএমসি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    KMC: নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও পুরসভার জায়গা ছাড়েনি দোকানগুলি। তাই অবশেষে দখলদারদের উচ্ছেদ করতে অভিযানে নামল কলকাতা কর্পোরেশন এবং কলকাতা পুলিশ। শনিবার অভিযান চলল রক্সি বিল্ডিং এর নিচের দোকানগুলিতে। পুরনিগম সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, মোট ১৩ টি দোকানের শাটার নামিয়ে তাতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি তালা গুলিকে সিল পর্যন্ত করে দেওয়া হয়েছে। সিনেমা হলের সামনে এসে উপস্থিত হন লালবাজার বাহিনীসহ কলকাতা কর্পোরেশনের আধিকারিকরা। আর তারপর চলে দখলদার উচ্ছেদের এই কর্মসূচির।

    এই রক্সি সিনেমা হলের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই একটা জটলা সৃষ্টি হয়েছিল। তবে সমস্যার সমাধানে হাইকোর্টের রায় নেওয়া হয়। সেখানে হাইকোর্ট সিদ্ধান্তে জানায় যে, রক্সি প্রেক্ষাগৃহের মালিকানা রয়েছে কলকাতা পুরনিগমের হাতে। এরপর পুরনিগমের মার্কেট বিভাগ রক্সি সিনেমা হলে নিচে থাকা দোকানগুলিকে অবিলম্বে খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। একটি নোটিশ দিয়ে তাদেরকে সরে যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল । সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল সাতদিন। কিন্তু তারপরেও দোকানদাররা জায়গা ছাড়েনি। সেপ্টেম্বর মাসে তাদের হাতে গিয়ে নোটিশ পৌঁছায়। অবশেষে বাধ্য হয়ে ডিসেম্বরের ১০ তারিখে পুলিশের সহায়তা নিয়ে সেই দোকানগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, পুরসভার স্পেশাল কমিশনার চিঠি লিখে সাহায্য চান কলকাতা পুলিশের কাছে। আর তারপর শনিবার কলকাতা পুলিশ বাহিনী নিয়ে হাজির হয় দখলদারি উচ্ছেদ করার জন্য। নিউ মার্কেট থানা থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশ বাহিনী এসে উপস্থিত হয় ঘটনাস্থলে। শনিবার সকালে অন্যান্য দিনের মতো যখন রক্সি সিনেমা হলে নিজের দোকানগুলি খোলা হয়েছিল। তখনই সেখানে হানা দেয় পুলিশ। দোকানদারদের বের করে শাটার নামিয়ে দেওয়া হয়। দোকানে তালা দিয়ে সিল করে দেওয়া হয়। যদিও এই প্রসঙ্গে দোকানদার থেকে সেখানে কর্মরত কর্মচারীরা কেউ মুখ খুলতে চাননি।

    কলকাতা পুরনিগম এর স্পেশাল কমিশনারের নির্দেশ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, অতি দ্রুত পুরসভার সম্পত্তিতে যারা বেআইনি দখল বসিয়ে রেখেছে তাদের সরিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হবে। শনিবার সেই সিদ্ধান্তের বাস্তব রূপায়ণ করা হল। এক্ষেত্রে অবশ্য পুলিশ প্রশাসন এবং পুর নিগমের যৌথ উদ্যোগ রয়েছে বলেই খবর।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hawker’s ID Card: ডিসেম্বরেই কলকাতার হকাররা পাবেন পরিচয় পত্র! কাজ শুরু করল KMC

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hawker’s ID Card: শহর কলকাতার বুকে হকারদের সমস্যা ক্রমশ জটিল হয়ে উঠেছিল। এই বিষয়টি নিয়ে অবশেষে কলকাতা পৌরসভার নড়েচড়ে বসেছে। এবার শহরের হকারদের পরিচিতি পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা এবং টাউন ভেন্ডিং কমিটি। আপাতত ২০১৫ সালে যারা নাম নথিভুক্ত করিয়েছিলেন হকার হিসেবে তাদের তালিকা ধরে রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু হয়েছে খুব তাড়াতাড়ি রেজিস্ট্রেশন করা হকারদের হাতে এসে পৌঁছাবে আইডি কার্ড। যেখানে তাদের নাম সহ স্টল নম্বর এবং দোকানের বিবরণ থাকবে।

    নিউজ ১৮ বাংলায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ২০১৫ সালে শহর কলকাতার বুকে হকার সমীক্ষা হয়েছিল। সেই সমীক্ষায় যারা নাম নথিভুক্ত করেছিলেন তাদেরকেই আইডি কার্ড দেওয়া হবে। যদিও প্রত্যেক হকারকে ব্যক্তিগতভাবে একটি কোর্ট পেপারে সই করতে হবে। আর সেই স্ট্যাম্প বা কোর্ট পেপারের ভিত্তিতেই পরিচয় পত্র পাবেন তাঁরা। টাউন ভেন্ডিং কমিটির বৈঠকের পর হকার পুনর্বাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই হকার রেজিস্ট্রেশন এর কাজ শুরু করে দিতে চাইছেন তাঁরা।

    ২০১৫ সালে যে হকার সমীক্ষা হয়েছিল সেখানে ৫৯ হাজার হকারের নাম তালিকাভুক্ত রয়েছে। সেই তালিকা ধরেই কাজ শুরু হয়েছে। তাদের মধ্যে যে সকল হকাররা এখনও পর্যন্ত ওই জায়গায় দোকানদারি করছেন তাদেরকে সর্বপ্রথম নথিভুক্ত করা হবে। সম্প্রতি কলকাতা শহর জুড়ে হকার সমস্যা বড় আকার ধারণ করেছিল। যার কারণে কলকাতার তিনটি থানা এলাকায় ৭ থেকে ২১ শে নভেম্বর পর্যন্ত সার্ভে করে কলকাতা পুরসভা। নিউমার্কেট, হাতিবাগান এবং গড়িয়াহাট বাজারে এই সমীক্ষা চলে। অভিযোগ উঠে এসেছিল টাকা নিয়ে হকার বসানো, জোর করে হকার বসানো এমনকি ফুটপাত ও ক্যারেজ দখল করে হকার বসানোর। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করার জন্য এবার হকারদের লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে কলকাতা পুরসভা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version