Tag: Joe Biden

  • Joe Biden: ‘সম্ভবত ভবিষ্যত রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প! জো বাইডেনের বর্ননার ভিডিও ভাইরাল

    Joe Biden: ‘সম্ভবত ভবিষ্যত রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প! জো বাইডেনের বর্ননার ভিডিও ভাইরাল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Joe Biden: প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) “সম্ভবত ভবিষ্যতের রাষ্ট্রপতি” হিসাবে উল্লেখ করেছেন জো বাইডেন (Joe Biden)। বৃহস্পতিবার পেনসিলভেনিয়ায় বাজেট প্রস্তাবের এক বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উল্লেখ করে জো বাইডেন বলেছেন, “আমি সেই সময়ে অফিসের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলাম, এবং আপনার মনে থাকতে পারে যে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং সম্ভবত ভবিষ্যতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আমার একটি বড় লড়াই ছিল।”

    জো বাইডেন ২০২৪ সালের মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীকে “সম্ভবত ভবিষ্যতের রাষ্ট্রপতি” হিসাবে উল্লেখ করার ক্লিপটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

    ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২০ সালের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। নভেম্বরে, ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি রাষ্ট্রপতির জন্য ২০২৪ সালের রিপাবলিকান মনোনয়নের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ট্রাম্প তার মার-এ-লাগো এস্টেটে ইভেন্টে বলেছিলেন, “আমেরিকার প্রত্যাবর্তন এখনই শুরু হয়েছে।”

    এদিকে, জো বাইডেনের পুনঃনির্বাচনের ইচ্ছা সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়, তবে বর্তমান রাষ্ট্রপতি আনুষ্ঠানিকভাবে তার পুনঃনির্বাচনের কথা ঘোষণা করেননি।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Joe Biden: ত্বকের ক্যান্সার সরানো হয়েছে বাইডেনের, ‘আর প্রয়োজন নেই চিকিৎসার’, জানালেন চিকিৎসক

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

     

    ফেব্রুয়ারীতে মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেনের বুকে একটি ক্ষত সারানো হয়।শুক্রবার হোয়াইট হাউসের চিকিত্সক কেভিন ও’কনর বলেছেন, এটি একটি বেসাল সেল কার্সিনোমা ত্বকের ক্যান্সারের একটি সাধারণ রূপ এবং আর কোনও চিকিত্সার প্রয়োজন নেই।

     

    হোয়াইট হাউসের চিকিত্সক একটি চিঠিতে বলেছেন, সমস্ত ক্যান্সারযুক্ত টিস্যু সফলভাবে অপসারণ করা হয়েছে। বাইডেন তার চলতি স্বাস্থ্যসেবার অংশ হিসাবে ডার্মাটোলজিক নজরদারি চালিয়ে যাবেন। গত মাসে, চিকিৎসকরা শারীরিক পরীক্ষার পর ৮০ বছর বয়সী বাইডেনকে সুস্থ এবং ডিউটির জন্য উপযুক্ত ঘোষণা করেছিলেন। তারা সে সময় বলেছিল যে তার বুক থেকে একটি ছোট ক্ষত সরিয়ে বায়োপসি করা হয়েছে।

     

    ও’কনর চিঠিতে বলেছিলেন যে বেসাল সেল কার্সিনোমা ক্ষতগুলি ছড়িয়ে পড়ার বা মেটাস্ট্যাসাইজ করার প্রবণতা নেই। ২০২৪ সালে দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য পুনঃনির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে বাইডেনের স্বাস্থ্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ২০২৪ সালে আমেরিকার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা। তার স্ত্রী জিল বাইডেন বলেছেন যে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, যদিও রাষ্ট্রপতির অভিপ্রায়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও করা হয়নি।

     

    বাইডেন ইতিমধ্যেই সবচেয়ে বয়স্ক আমেরিকান রাষ্ট্রপতি। দলের প্রার্থী হওয়া উচিত কিনা তা ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। মেরিল্যান্ডের বেথেসডা শহরের ওয়াশিংটন শহরতলির ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টারে ফেব্রুয়ারিতে ডাক্তারদের সঙ্গে বাইডেনের তিন ঘন্টার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলে। যা ২০২১ সালে মসনদে বসার পর দ্বিতীয় বিস্তৃত পরীক্ষা।

  • Ajay Banga: বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট পদে মনোনীত ভারতীয় বংশোদ্ভূত অজয় বাঙ্গা, সায় জো বাইডেনের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Ajay Banga: বিশ্বব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট পদে এবার দায়িত্ব সামলাতে পারেন ইন্দো-আমেরিকান ব্যাবসায়ী অজয় বাঙ্গা (Ajay Banga)। তাঁর নাম জড়িয়ে রয়েছে মাস্টার কার্ডের সঙ্গে্। তিনি ছিলেন মাস্টার কার্ডের প্রাক্তন সিইও। বর্তমানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden) বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রধান হিসেবে নাম মনোনয়ন করেছেন অজয় বাঙ্গার নাম । সম্প্রতি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বিশ্ব ব্যাঙ্কের (World Bank) প্রেসিডেন্ট ডেভিড মালপাস ইস্তফা দিয়েছেন। তারপরেই ওই পদে দায়িত্ব গ্রহণকে করবে তার মনোনয়ন চলছে। মালপাসের জায়গায় তিনি পদাভিষিক্ত হলে, অজয় হবেন বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রথম ভারতীয় প্রেসিডেন্ট।

    বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডেভিড মালপাসের মেয়াদ এখনও ছিল এক বছর। কিন্তু আচমকাই তাঁর ইস্তফার কারণ সম্পর্কে কোন ব্যাখ্যা তিনি দেননি। তাঁর পদত্যাগের পর শুরু হয় মনোনয়নের (Nominations) কাজ। জানা যায় বিশ্বব্যাঙ্কের প্রধান হিসেবে মহিলা প্রার্থীদের নামও মনোনীত করা হয়েছে। ২৯ মার্চ পর্যন্ত চলবে এই মনোনয়ন। অজয় বাঙ্গা নেসলে দিয়ে তা্ঁর কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। ১৯৯৬ সালের তিনি সিটি গ্রুপে যোগদান করেন। সেখান থেকেই তাঁর সাফল্যের সিঁড়ি চড়া শুরু। ২০০৫ সালে তিনি সিটি গ্রুপের আন্তর্জাতিক কনজিউমার অপারেশনের অধিকর্তা হন বলে জানা যায়।

    তারপর তিনি যোগদান করেন মাস্টার কার্ডে (Master Card)। সেখানে যোগদান করার অল্প কিছু সময়ের মধ্যেই সিইও পদের দায়িত্ব পান। তিনি পুনেতে জন্মগ্রহণ করেন। অজয় বাঙ্গার বাবা হরভজন সিং বাঙ্গা ছিলেন ভারতীয় সেনার উচ্চপদস্থ এক আধিকারিক। সেনা আধিকারিকের সন্তান হওয়ার দরুন দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাঁর শৈশব এবং কৈশোর কেটেছে। তাঁর কর্মজীবনে নেসলে, পেপসি, মাস্টার কার্ডের মতো একাধিক প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে আসে। বর্তমানে তিনি জেনারেল ইকুইটি নামক একটি মার্কিন সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন বলেও জানা যায়। বাংলার সঙ্গেও সম্পর্ক রয়েছে অজয় বাঙ্গার। কারণ নেসলেতে কর্মরত থাকাকালীন তিনি নেসলের কলকাতা দফতরের কর্তা হিসেবেই নিযুক্ত ছিলেন তিনি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Twitter: এলন মাস্ক ও ট্যুইটার নিয়ে সরব ডেমোক্র্যাটিক পার্টি! পাল্টা প্রশ্ন তুললো রিপাবলিকান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    যত কান্ড ট্যুইটারে! এলন মাস্কের (Elon Musk) হাতে বিশ্বের জনপ্রিয় মাইক্রো ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম যেতেই এই শব্দবাক্যই ঘুরে বেড়াচ্ছে ইন্টারনেটে। কার্যত প্রতিটি দেশের সংবাদ শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছে এলন মাস্ক এবং ট্যুইটার। এতদিন ট্যুইটারে কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল বিশ্ব। সম্প্রতি এর সাথে জুড়ে বসলো আরও এক নতুন সমালোচনা। এলন মাস্কের ট্যুইটার কেনায় মার্কিন সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

    সে দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল ডেমোক্র্যাট (Democrat) প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আবার রিপাবলিকানের (Republican) পাল্টা দাবি, এই সমালোচনা প্ল্যাটফর্মে রক্ষণশীল কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করার একটি পাতলা প্রচেষ্টা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের (Joe Biden) দল ট্যুইটারের কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে কঠোর সমালোচনা করে পাশাপাশি তাদের এও দাবি, ট্যুইটারে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত নয়।

    সংবাদ মাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংখ্যালঘু নেতা ম্যাককার্থি (McCarthy) জানান, ট্যুইটারে এলনের বাকস্বাধীনতার (Free Speach) যে প্রয়াস তা ডেমোক্র্যাট পার্টি এবং তাদের মিডিয়ার বন্ধুদের জন্য একপ্রকার হুমকি। আসলে ট্যুইটারে মালিকানা পেতেই আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) অ্যাকাউন্ট পুনঃস্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেন মাস্ক।

     

    আরও পড়ুন : Tata Motors: ট্যুইটার-ফেসবুকে ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের জন্য দরজা খুলে দিল টাটা মোটর্স, রইল চাকরির অফার

     

    ডেমোক্র্যাট পার্টির দাবি ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনে বেশ কিছু অনলাইন মাধ্যম সহযোগিতা করেছিল। ফেসবুকে সেই সময় অজস্র ভুয়ো খবর ছড়ানো হয়েছিল।

    অন্যদিকে রিপাবলিকান পার্টির দাবি, টুইটার, ফেসবুক সহ অনেক সামাজিক-মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম যেমন মেটা ইনকর্পোরেটেড (Meta Inc) এবং অ্যালফাবেট ইনকর্পোরেটেড ইউটিউব (Alphabet Inc) অন্যায়ভাবে রক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গিগুলিকে দমন করে এসছে, যা কোম্পানিগুলি সাধারণত অস্বীকার করে।

    পাশাপাশি অনেকে ট্যুইটার ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নির্বাসন করার পদক্ষেপ নিয়েও সমালোচনা করেন। যার জেরে ট্রুথ সোশ্যাল (Truth Social) নামে নিজের আলাদা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট খুলতে বাধ্য হোন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    তথ্যসূত্র : ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

  • US Walmart shooting: যুক্তরাষ্ট্রে আবার বন্দুকধারীর তাণ্ডব, নিহত ১০

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    US Walmart shooting: সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীদের তাণ্ডব ভয়ঙ্কর ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাইডেন সরকার বারংবার অস্ত্র আইন কড়া করার কথা বললেও আদতে কি কোন লাভ হচ্ছে? উপরন্তু রিপাবলিকানরা কোনো কড়া আইন চায় কিনা এই নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এসবের মাঝেই যুক্তরাষ্ট্রের চেসাপিক শহর থেকে এল এক হৃদয়বিদারক ঘটনার কথা। বাংলাদেশের গণমাধ্যম ‘সময় টিভি’র সূত্র অনুযায়ী, এই শহরের ওয়ালমার্ট স্টোরে ঢুকে গুলি চালিয়েছে বন্দুকধারী। যার কারণে নিহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। অপরদিকে ওই বন্দুকধারীর মৃত্যু হয়েছে পুলিশের গুলিতে।

    সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের শপিংমল, দোকান, খোলা জায়গা, এমনকি স্কুলেও বন্দুকধারীদের তাণ্ডব চলছে। বাইডেন সরকার এক্ষেত্রে কিছুতেই যেন রাশ টানতে পারছে না । এবার এই ভয়ঙ্কর কাণ্ড থেকে রেহাই পেলেন না ওয়ালমার্ট স্টোরে জিনিস কিনতে আসা সাধারণ মানুষ। আপাতত ওই ঘটনার পরেই প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি আশেপাশের এলাকায় তল্লাশি চলছে।

    এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, তারা প্রথমে স্টোরের ভিতরে ঢুকেই দেখেন বেশ অনেকগুলি দেহ পড়ে আছে। যার মধ্যে কেউ মারা গিয়েছেন, আবার কেউ আহত। তারা স্টোরে ঢোকার পর প্রথমেই বন্দুকধারীকে হত্যা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই স্টোরে একজন মাত্র বন্দুকধারী ছিলেন। চেসাপিক নগর কর্তৃপক্ষ, একটি টুইট বার্তার মাধ্যমে এই ঘটনা নিশ্চিত করেছে। ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের সিনেটের লুইস লুকাস এই বিষয়ে জানান “আমার শহরে আমার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে তা ভাবতেই পারছি না। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা একটা সমাধানে না আসতে পারি, ততক্ষণ আমি লড়ে যাব”। কিছুদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোতে বন্দুকধারীর হামলায়, ৫ জন নিহত এবং অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছিলেন।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Donald Trump: ‘২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নামব’, ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Donald Trump: আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে বইবে ‘লাল ঝড়’ এমনই দাবি করা হয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) দলের তরফে। শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। সেনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতেই রয়ে গিয়েছে সেনেটের নিয়ন্ত্রণ। তবে এবার ফের ভোটে লড়বেন এমনটাই জানালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন যে ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি ফের লড়বেন। ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে হোয়াইট হাউসে (White House)। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান নির্বিশেষে তিনিই প্রথম হেভিওয়েট প্রার্থী, যিনি পরের নির্বাচনে লড়ার কথা ঘোষণা করলেন।

    ট্রাম্প তার সমর্থকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাবর্তন এখনই শুরু হলো।’ রিপাবলিকান দল থেকে প্রার্থী হয়ে ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হন ট্রাম্প। তার সেই জয় বিশ্বকে চমকে দেয়।

    তবে উল্লেখ্য ট্রাম্পের সামনে আরও অনেক বেশি চ্যালেঞ্জ থাকবে। এবার তিনি নিজের দলের অন্য নেতাদের কাছ থেকেই প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতে পারেন। ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিসান্টিস এবং প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সও এই বছর রিপাবলিকান পার্টির সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন।

    এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও ট্রাম্প প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সেখানে তার প্রতিপক্ষ ছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির জো বাইডেন। নির্বাচনে বাইডেনের কাছে হেরে যান ট্রাম্প। কিন্তু ট্রাম্প নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগ তোলেন।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Russia Test Nuclear Submarine: প্রকাশ্যে ‘আমেরিকা কিলার’, রাশিয়ার নিউক্লিয়ার সাবমেরিন ঘুরিয়ে দেবে যুদ্ধের মোড়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Russia Test Nuclear Submarine: প্রকাশ্যে ‘আমেরিকা কিলার’! আর বাইডেনের চোখ রাঙানি সহ্য করবে না পুতিন! রাশিয়া দেখিয়ে দিল তার ক্ষমতা। একদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ, অপরদিকে পশ্চিমা দেশের চাপ। একের পর এক ফেল করছিল পুতিনের মাস্টারস্ট্রোক। এক চালে সবাইকে মাত দেওয়ার বারংবার চেষ্টা চালাচ্ছে রাশিয়া। অবশেষে ঘুরে যেতে পারে যুদ্ধের পাশা! রাশিয়া সামনে আনল ভয়ঙ্কর নিউক্লিয়ার সাবমেরিন এবং ক্ষেপণাস্ত্র। ইতিমধ্যেই প্রাথমিক পরীক্ষায় এই নিউক্লিয়ার সাবমেরিন থেকে সফলভাবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আমেরিকার আকাশে ঘনাচ্ছে কালো মেঘ। একবার যদি রশিয়া এই অস্ত্র ব্যবহার করে তাহলে সর্বনাশ। এর ক্ষমতা আমেরিকার তাবড় তাবড় শক্তিধর অস্ত্রগুলোকে তুড়ি মেরে হারিয়ে দেবে।

    ইউক্রেন রাশিয়ার দ্বন্দ্বে ইউক্রেন কম শক্তিশালী হলেও, এখনো পর্যন্ত যুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আর পিছনে সাপোর্ট দিয়ে আসছে আমেরিকা। বাইডেন প্রশাসন সম্প্রতি নতুন করে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার সৈন্য সহায়তার ঘোষণা করেছে। আমেরিকা মনে করছে, এর ফলে ইউক্রেন আরো মজবুত হবে, এছাড়াও নবীকরণ হবে ৪৫টি যুদ্ধ ট্যাংক। অপরদিকে থেমে নেই রাশিয়া। সম্প্রতি রুশ আর্মি কামিকোজি ড্রোন দিয়ে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি গান বোট গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়াও ইউক্রেনে ব্যবহার করছে মারাত্মক জিরকান হাইপারসনিক মিসাইল। প্রায় তিন লক্ষ সৈন্য নিয়ে রাশিয়া বানিয়ে ফেলেছে বিশেষ দল। যার মধ্যে রয়েছে কুখ্যাত সব আসামিরা। স্বাভাবিকভাবেই ইউক্রেনের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলে যুদ্ধের পাশা উল্টে যেতে পারে। কিন্তু সমস্যা হল, ভ্লাদিমির পুতিন যতবার ইউক্রেনকে দমাতে নতুন নতুন প্ল্যান বানিয়েছে, ততবারই তা ভেস্তে যাচ্ছে। ১০০ পারসেন্ট সফল হতে পারছে না। আমেরিকার অস্ত্র আর অর্থ সাহায্যে এত মাস ধরে চলার যুদ্ধে মাথা নত করতে চাইছে না ইউক্রেন।

    তাই পুতিন সুকৌশলে যুদ্ধের মাঝেই তার অস্ত্রাগারে যোগ করলো ধ্বংসাত্মক অস্ত্র। ইতিমধ্যেই এই অস্ত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলির কাছে তার শক্তি প্রদর্শন করেছে। এই ক্ষেপণাস্ত ৮০০০ কিলোমিটারের বেশি রেঞ্জে ধ্বংসলীলা চালাতে পারে। এর পরিসর সমগ্র ইউরোপ এবং আমেরিকা জুড়ে। ইউক্রেন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে এখন উত্তেজনা চরমে। সেখানে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এই নিউক্লিয়ার সাবমেরিন। এই সাবমেরিনটি চতুর্থ প্রজন্মের। এটি ক্ষেপণাস্ত্র, টর্পেডো অস্ত্র , নেভিগেশন, রেডিও ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সোনার অস্ত্রের আধুনিক সিস্টেমে সজ্জিত। খুব শিগগিরই এই সাবমেরিনটি রাশিয়ান নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে, যা আঘাত হানতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

    রাশিয়ার নতুন পারমাণবিক সাবমেরিন বুলাভা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। জেনারেলিসিমো সুভরভ পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। রাশিয়া তাদের ‘গ্রোম’ পারমাণবিক অস্ত্র অনুশীলনের সময় এই বুলাওয়া/ বুলাভা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছিল। রুশ নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল নিকোলাই ইয়েভমেনভ বলেছেন, নতুন পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন একটি কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে। মনে করা হচ্ছে আগামী মাসে এই সাবমেরিনকে রাশিয়ান নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা হতে পারে। জেনারেলিসমো সুভোরভ সাবমেরিন শ্বেত সাগরে অবস্থানকালে এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে তার শক্তি প্রমাণ করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও টেলিগ্রাম বার্তায় এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে।

    আমেরিকা না রাশিয়া? এগিয়ে কে?

    আমেরিকার নৌবাহিনী ১৪টি ওহাইও-শ্রেণির SSBN পরিচালনা করে, যার প্রতিটিতে কমপক্ষে ২০টি ট্রাইডেন্ট ডি-৫ এসএলবিএম রয়েছে। এর প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র ১৪টি স্বতন্ত্র পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করতে পারে। ট্রাইডেন্ট ডি৫-এর পরিসীমা ৬,৪৩৭ কিলোমিটার। এই সাবমেরিনগুলি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক এবং প্রতিশোধমূলক পারমাণবিক স্ট্রাইক বিকল্প। এগুলি থাকে আমেরিকার পারমাণবিক শক্তির ৭০% গোপন সাবমেরিন এবং স্টিলথ বোমারু বিমানে। ওহিও হল মার্কিন নৌবাহিনীর অস্ত্রাগারের বৃহত্তম সাবমেরিন এবং বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম – সোভিয়েত-যুগের টাইফুন শ্রেণীর। কিন্তু একে পিছনে ফেলে দিতে চলেছে রাশিয়া। ওহিও শ্রেণী সাধারণত কৌশলগত প্রতিরোধক টহল পরিচালনা করে এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার সময় সামরিক ও পারমাণবিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেয়।

    অন্যদিকে চতুর্থ জেনারেশনের প্রোজেক্ট 955A বোরেই এ-ক্লাসের অংশ সুভরভ, যা ২০২২ সালের ১৩ই সেপ্টেম্বর চালু করা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে এটি সোভিয়েত যুগের ডেল্টা III, ডেল্টা IV এবং টাইফুন-শ্রেণীর সাবমেরিনগুলিতে প্রতিস্থাপন করা হবে। এটি ১৬টি R-30 ‘Bulava’ SLBM বহন করতে সক্ষম। এর বিধ্বংসী রেঞ্জ প্রায় ৮,৩০০ কিলোমিটার। প্রতিটি বুলাভা ক্ষেপণাস্ত্র ৬টি পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম।

    চতুর্থ প্রজন্মের এই রাশিয়ান সাবমেরিনকে আটকানো খুব মুশকিল। সম্প্রতি রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয়েই তাদের পারমাণবিক মহড়া শেষ করেছে। কিন্তু ইউক্রেনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের উত্তেজনার পারদ এখন চরমে। পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কোন প্রয়োজন নেই জানিয়েছিলেন পুতিন। কিন্তু এও বলেছিলেন, তিনি নিজের দেশের জন্য সব কিছু করতে পারেন। তাই পুতিনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রতিমুহূর্তে সন্দেহ করছে যুক্তরাষ্ট্র।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version