Tag: Gonesh Thakur

  • মানুষের রূপে গণেশ থাকেন, পিণ্ডি পরিণত হয় শিবলিঙ্গে, রহস্যে ঘেরা তামিল মন্দির

    মানুষের রূপে গণেশ থাকেন, পিণ্ডি পরিণত হয় শিবলিঙ্গে, রহস্যে ঘেরা তামিল মন্দির

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মানুষরূপী গণেশকে দেখছেন কোনওদিনও ভারতের এই সাধারণ মন্দিরে গেলে দেখতে পাবেন জলজ্যান্ত গণেশ।
    কালো এই মূর্তির কাছে গেলে করতে হয় একটাই প্রার্থনা
    স্বয়ং রামচন্দ্র এসেছিলেন এ মন্দিরে পুজো দিতে। গজরূপী গণেশের মূর্তি তো কত দেখেছেন কিন্তু মানবরূপী গণেশ কেমন দেখতে ছিলেন জানেন? কেমন ছিল তাঁর গায়ের রং মানে গণেশের মাথা কাটা পড়ার আগে ভারতের এক মন্দিরে পুজিত হন সেই মানবরূপী গণেশই এই মন্দিরে পুজো হয়। শুধু একটা কারণেই
    ভগবানের মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে যা খুশি চাইতে পারবেন না আপনি। তামিলনাড়ুর তিরুভারুর জেলার আদি বিনায়ক মন্দির। বিনায়ক মানে গণেশ, তার আদি রূপ এখানে পুজিত হন। শুঁড় নেই, কুলোর মতো কানও নেই
    এমনকি তাঁর চেহারাও স্থূল নয়। একেবারে সাধারণ মানুষের মতো দেখতে। কিন্তু তাঁকেই সবাই গণেশ রূপে পুজো করেন সকলে। হ্যাঁ তামিলনাড়ুর তিরুভারুরের মন্দিরে গণেশ পুজিত হন এই মূর্তিতেই।

    স্বয়ং রামচন্দ্র নাকি পিতা দশরথের মৃত্যুর পর এখানে পুজো দিয়েই পিন্ডদান সেরেছিলেন। তার আগে কিছুতেই তিনি পিন্ডদান সম্পন্ন করতে পারছিলেন না। বারবার পিন্ডে চালের মন্ড পোকা হয়ে যাচ্ছিল। মহাদেবের কাছে রামচন্দ্র এর সমাধান চাইলে তিনি তাঁকে আদি বিনায়ক মন্দিরে পূজা দেওয়ার পরামর্শ দেন। শিবের আদেশে, রামচন্দ্র তাঁর পিতার আত্মার শান্তির জন্য আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে এই মন্দিরে পূজার কাজ সম্পন্ন করেন।
    কথিত যে, পুজোর সময়ে ধানের চারটি বল শিবলিঙ্গে রূপান্তরিত হয় এই চারটি শিবলিঙ্গ আদি বিনায়ক মন্দিরের কাছে। মুক্তেশ্বর মন্দিরে স্থাপন করা হয়েছে। এই মন্দিরে গণেশকে এমন যোগীরূপে দেখতে দূর দুরান্ত থেকে ছুটে আসেন মানুষ। মন্দিরের বিগ্রহটিও বেশ প্রাচীন
    লম্বায় প্রায় ৫ফুট কালো পাথরের তৈরি মূর্তি। বিগ্রহের হাতও দুটি চোখ বন্ধ, খানিকটা যোগী রূপ প্রকাশ পায় গণেশের এই বিগ্রহে। তবে পুজোর উপকরণ বা আয়জন সাধারণ গণেশ পুজোর মতোই।

    ভক্তেরা মানেন, মহাগুরু অগস্ত্য স্বয়ং প্রতি ‘সংকষ্টি চতুর্থীতে’ আদি বিনায়কের পূজা করেন। এমনও বিশ্বাস রয়েছে যে, এখানে গণেশের পূজা করলে নাকি পারিবারিক সম্পর্কে শান্তি আসে। বিনায়কের আশীর্বাদে শিশুদের বুদ্ধি তীক্ষ্ণ হয়। তবে জনশ্রুতি বলে রামচন্দ্র এই মন্দিরে বাবা কাজ সারার পর থেকে সাধারণ মানুষও পূর্বপুরুষদের শান্তির জন্য এই মন্দিরে পূজা দিতে শুরু করেন। এই কারণেই এই মন্দিরটি তিলতর্পণপুরী নামেও পরিচিত। তিলতর্পণের অর্থ পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা। পুরী কথার অর্থ শহর নদীর তীরে পূর্বপুরুষদের শান্তির জন্য পূজা করা হলেও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান হয় মন্দিরের ভিতরে। মন্দিরটি সাধারণ চেহারায় খুব সাধারণ হলেও স্থানীয়রা বলেন এই স্থানমাহাত্ম্য ও ক্ষমতা অসীম।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • জেলায় জেলায় চলছে নোবোপত্রিকা স্নান! এই নবপত্রিকা আসলে কে জানেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    নবপত্রিকা স্নানের মাধ্যমে দেবীর আরাধনা শুরু। প্রাণের উৎসবে মাতোয়ারা বাংলার মানুষ। জেলায় জেলায় রীতি মেনেই চলছে নবপত্রিকা স্নান। নটি গাছের সমন্বয়ে কলা বউ এসে বসবে গণেশের পাশে। তাই বলে ইনি কিন্তু গণেশের স্ত্রী নন, আসলে কী এই নবপত্রিকা জানেন ? কেন সপ্তমীর সকালে নবপত্রিকা স্নান করানো হয় জানেন কি? নবপত্রিকাকে চলতি কথায় কলা বউ বলা হয়। ষষ্ঠীর বোধনের পর সপ্তমীর সকালে নটি গাছের সমন্বয়ে কলা বউ এসে বসে গণেশের পাশে। তাই অনেকেরই ধারণা কলা বউ গণেশের স্ত্রী। এটা এক্কেবারে ভুল ধারণা। নবপত্রিকা আসলে দুর্গারই রূপ। এই গাছ আদৌ গণেশের স্ত্রী নন, বরং মা দুর্গা অর্থাৎ গণেশের জননী।

    নবপত্রিকা বলতে বোঝানো হয় নটি গাছকে। যাতে মূলত দৃশ্যমান কলাগাছ। এটি ছাড়াও ৮ টি গাছ থাকে। যেমন কচু গাছ, হলুদ গাছ, জয়ন্তী গাছ, বেল গাছ, ডালিম গাছ , অশোকের ডাল, মান কচু গাছ এবং ধান গাছ। তাদের পরানো হয় লালপেড়ে শাড়ি। তারপর তাকে সিঁদুরের টিপ পরানো হয়। নবপত্রিকার পুজো প্রকৃতপক্ষে শস্যদেবীর পুজো। সপ্তমীর ভোরে নবপত্রিকা স্নানের পর দেবীর প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়। তারপর শাস্ত্রমতে ষোড়শ উপচারে শুরু সপ্তমীর পুজো। সকাল থেকেই শুরু হয়েছে নবপত্রিকা। দুর্গাপুর, আসানসোল থেকে বাঁকুড়া, বীরভূম প্রত্যেকটা জেলাতেই দেখা যাচ্ছে নবপত্রিকা স্নানের উৎসাহ।

    নবপত্রিকা স্নানকে কেন্দ্র করে প্রচুর মানুষের ভিড় ঘাটগুলিতে। মহা সপ্তমীর একেবারে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন অংশের নদী, পুকুরে নব পত্রিকার স্নান শেষে  ঘট নিয়ে পুজো মণ্ডপের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা। দুর্গাপুরের বিভিন্ন ঘাটেও চলছে নবপত্রিকা স্থান। দুর্গাপুরে সিটি সেন্টার এর গান্ধী মোড়ের আলেখ্য পুজো কমিটির সদস্যদের দেখা যাচ্ছে হলুদ পাঞ্জাবি ও মহিলা সদস্যরা হলুদ লাল শাড়ি পরে সুসজ্জিত ভাবে ফরিদপুর পুকুরে নবপত্রিকা স্নানে যাচ্ছেন। এবছর তাদের পুজো চতুর্থ বর্ষে পদার্পণ করেছে।

    একই চিত্র দেখা যাচ্ছে আসানসোলেও। নবপত্রিকা স্নানকে কেন্দ্র করে প্রচুর মানুষের ঢল নেমেছে ঘাট গুলিতে। সবাই মিলে একদম আনন্দে উৎসবে মেতে উঠেছে।

    বোলপুরের সুরুলেও দেখা যাচ্ছে এক অনন্য চিত্র। সুরুল জমিদার বাড়ির রীতি অনুযায়ী গ্রামের সবাই মিলে গ্রামের সমস্ত পূজোর কলা বউ স্নান একসাথেই চলছে। মহাসমারোহে মেতে উঠেছে গোটা গ্রাম।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মুম্বাইয়ের এই গণেশের গায়ে কোটি কোটি টাকার গয়না, চোখ ধাঁধিয়ে যাবে! কেন বীমা করতে হল ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মুম্বইয়ের এই গণপতি মোড়া কেজি কোজি সোনা। দিয়ে বাধ্য হয়ে গণেশের জন্য ৩৬০ কোটির বিমা। কী কী অলঙ্কারে সেজেছেন সিদ্ধিদাতা? আয়োজন দেখলে চোখ ধাঁধিয়ে যাবে এই পুজোর বিশেষত্ব কী? ভারতের সবচেয়ে ধনী গণপতির পুজো কীভাবে হচ্ছে জানুন। মুম্বইয়ের অলিতে গলিতে গণেশ পুজো হয়েই থাকে। কিন্তু এই গণপতি সবার থেকে আলাদা। দর্শনে আপনার চোখ আটকে যাবে।

    সবচেয়ে ধনী গণপতির পুজো মুম্বইয়ের জিএসবি বোর্ডের পুজো। হাজার হাজার ভক্ত সকাল থেকেই পুজো প্রাঙ্গনে পুজো প্যান্ডেলে ঠাসা ভিড়। পা গলানোর জায়গা নেই। প্রতিমা দেখতে লাইনে দাঁড়িয়ে। এমন অবস্থা যে, না এগনো যাচ্ছে-না পিছনো কিন্তু কষ্ট করে যখন একটু এগিয়ে যাবেন আপনার চোখ আটকে যাবে সিদ্ধিদাতার মূর্তির উপর। বিশালাকার মূর্তি থেকে আলো যেন ঠিকরে পড়ছে এক বিশেষ ধরনের মাটি যার নাম শাদু মাটি। এই প্রতিমা তৈরিতে ব্যবহার করা হয় মাথার মুকুট থেকে গয়না সব সোনার। মুকুট দেখলেই বোঝা যাবে তাতে কত কেজি সোনা রয়েছে। এবছর গণেশ মূর্তি সাজানো হয়েছে ৬৬ কেজি সোনা দিয়ে। শুধু তাই নয়! যে সিংহাসনে গণপতি বসে রয়েছেন সেটাও পুরোটা রুপোর। মোট ২৯৫ কেজির রুপো ব্যবহার করা হয়েছে। পুজো উপলক্ষ্যে ৩৬০ কোটির বিমা করিয়েছে জিএসবি সেবা মণ্ডল। শুধু এই গয়নার জন্য ৩৮.৪৭ কোটির বিমা।

    গণপতিকে দেখার জন্য দীর্ঘ লাইন। একটিবার দর্শন করতে মহারাষ্ট্র শুধু নয় অন্য রাজ্য থেকেও মানুষ আসেন। জিএসবি গণপতি পুজো পাঁচ দিন ধরে চলে। এই এতো অলঙ্কারের জন্য এবার বিশেষ কড়াকড়ি। গণেশ পুজোয় বিমায় কী কী থাকছে? এত বিশালাকায় মূর্তি ভূমিকম্প কিংবা ভারী বৃষ্টিতে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে শুধু তাই নয়, মূর্তি ক্ষতিগ্রস্থ হলে বিপদের আশঙ্কা রয়েছে আশেপাশে থাকা মানুষজনেরও। ৩০ কোটির বিমা মণ্ডপ ও দর্শনার্থীদের সুরক্ষার জন্যে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কথা মাথায় রেখে ২ কোটির বিমা হয়েছে। দুর্ঘটনার জন্য রয়েছে ২৮৯.৫০ কোটির বিমা। এই পুজোর আয়োজন দেখলে সত্যি হা হয়ে যাওয়ার মত। কয়েকশো পুরোহিত দিনরাত লাড্ডু বানিয়ে চলেছেন। মহাযজ্ঞ চলবে সারাদিন। উৎসবে ২৪ ঘণ্টা ধরেই মণ্ডপে চলে আরতি ও পূজা। এই গণপতির কাছে প্রচুর মানুষ মানত করেন নিজের ওজনের পুজোর সামগ্রী দিয়ে পুজো দেন। দাড়িপাল্লা দিয়ে রীতিমত মাপা হয়। এতো ভক্ত এসছেন কিন্তু কোথাও কোনও ধাক্কাধাক্কি নেই লাইন করে একে একে এগিয়ে যাচ্ছেন ভক্তরা।

    গণেশ পুজো উপলক্ষ্যে সেজে উঠছে মুম্বই। মহারাষ্ট্রে গণপতি বাপ্পার পুজোর বাঙালির দুর্গাপুজো থেকে কম কিছু নয়। এই পুজো নিয়ে শহরাবাসীর উত্তেজনা থাকে তুঙ্গে। গণেশ চতুর্থীর উৎসবে আমাদের প্রায় গোটা দেশ গা ভাসালেও মহারাষ্ট্র সেই তালিকায় সকলের উপরেই রয়ে গিয়ে গিয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Ganesh Chaturthi 2023: গনেশ চতুর্থীতে এই ৪ রাশি কোটিপতি হবেন! এবারের গনেশ পুজো কাদের জন্য শুভ ? জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Ganesh Chaturthi 2023: এবারের গণেশ চতুর্থীতে এই ৪ রাশি বাড়িতে গণেশ পুজো করলে কোটিপতি হতে পারেন। মনের ইচ্ছা পূরণ হবেই এবারের গণেশ চতুর্থীতে। এই রাশির জীবনে শুভ যোগ আসবেই সিদ্ধিদাতা পুজোয় এই ভুল, ভুলেও করবেন না। ব্যবসায় বিপুল লোকসান হতে পারে। চাকরি চলে যেতে পারে আপনার। ভাদ্র মাসের শুক্লচতুর্থী তিথি সিদ্ধিদাতা গণেশের জন্মতিথি। এবছর এই ৪ রাশির জীবন বদলাতে চলেছে গণেশ চতুর্থীতে। কীভাবে?

    জ্যোতিষীদের একাংশ বলছেন মিথুন রাশিদের চাকরি ও ব্যবসায় উন্নতির সুযোগ আসবে এবছর গণেশ পুজো করলে। মনে সুখ আসবেই, আটকে থাকা কাজগুলো হয়ে যাবে, ব্যবসায় লাভ হবে, প্রচুর অর্থ আসবে আপনার ঘরে। ব্যবসা হঠাৎ ফুলে ফেঁপে উঠবে।

    আপনি যদি সিংহ রাশির জাতক-জাতিকা হন সহকর্মীদের সহযোগিতা পাবেন। দাম্পত্য জীবনে সুখ আসবে। এই রাশিরও ব্যবসায় লাভের সুযোগ।

    কর্কট রাশিরা  পেশাগত জীবন এগিয়ে যাবেন। এই সময়ে আপনার আয় ভালো হবে। আপনি আত্মবিশ্বাস এবং বুদ্ধি দিয়ে এগিয়ে যাবেন। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের উন্নতি হবেই।

    ধনু রাশিরা আটকে থাকা কাজে চেষ্টা করে সফলতা পাবেন। পরিবার থেকে সহযোগিতা পাবেন। এবছর গণেশ পুজো করলে ভাগ্য বদলে যাবে।

    যে ব্যক্তি মন ভরে দেবতা গণেশের আরাধনা করেন তার জীবনে সুখ সমৃদ্ধি লেগেই থাকে। কোন ঝামেলাই তাকে স্পর্শ করতে পারে না। শুধু তাই নয়, তিনি যে কাজে হাত দেন সে কাজেই সফলতা পান। তিনি সব সময়েই সিদ্ধিদাতা গণেশের কৃপা পান।এমনটাই বিশ্বাস। গণেশ পুজোর সময় এই কয়েকটা বিষয় মাথায় রাখুন। আপনি যদি গণেশ পুজো করেন তাহলে লাল কাপড় দেবতার আসনে উপরে গণেশের মূর্তি রাখুন। গণেশ পূজোর সময় হলুদ চন্দন, সিঁদুর ,দুব্বা মালা অবশ্যই দেবতাকে নিবেদন করবেন। উত্তর পূর্ব দিকে গণেশের মূর্তি স্থাপন করবেন,
    তবে প্রতিমার মুখ অবশ্যই পশ্চিমদিকে রেখে পুজো করবেন। পুজোয় থাকবে লাড্ডু ও মোদক। একই ঘরে দুটি গণেশের মূর্তি রাখবেন না। ভগবান শ্রী গণেশের মূর্তি পছন্দ করার সময় মনে রাখবেন যে ভগবান গণেশের শুঁড়
    যেন বা দিকে ঝুঁকে থাকে। এমন মূর্তি প্রতিষ্ঠা করলে সুখ-সমৃদ্ধির পাশাপাশি সাফল্য আসে। যে মূর্তি ঘরে আনা হচ্ছেতার হাতে মোদক যেন অবশ্যই থাকে। গণেশকে ঘরে ঢোকানোর সময় মোদক নিবেদন করুন।

    গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়ি ও মণ্ডপে ঋদ্ধি সিদ্ধির দাতা গণপতির পুজো করা হয়। মনে করা হয়, এই দশ দিন কৈলাস থেকে পৃথিবীতে ভক্তদের হাজির থাকেন গণেশ। তিনি ভক্তদের সমস্ত সমস্যা দূর করেন। দেশের বিভিন্ন জায়গায় চলছে গণপতি বন্দনার প্রস্তুতি। চলতি বছর ১৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার গণেশ পুজো হবে, যা চলবে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ১৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২ টা ৩৯ মিনিট থেকে চতুর্থী তিথি শুরু হচ্ছে। ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে ১ টা ৪২ মিনিটে তা শেষ হবে। এদিন গণেশের বিশেষ পুজোর আয়োজন করেন তার ভক্তরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • শিশুর মুখে গণেশের শুঁড়! কীভাবে সম্ভব?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভগবান গণেশ রূপে জন্ম নিল এক শিশু। ভারতের এই গ্রামে সদ্যোজাতের মুখে হুবুহু গণেশের শুঁড় এও কী সম্ভব? এ যেন সাক্ষাৎ সিদ্ধিদাতা মানুষের রূপ নিয়ে পৃথিবীতে এসেছেন। শুঁড় সমেত সন্তানের জন্ম হল কীভাবে? এই আশ্চর্য শিশুকে কোথায় গেলে দেখতে পাবেন ? এ যেন অবিকল ভগবান গণেশ। গণেশ চতুর্থীর আর হাতে গোনা কয়েকদিন বাকি। তার আগেই এ যেন এক অলৌকিক ঘটনা।

    শিব ও পার্বতী পুত্র শিশুর বেশে জন্ম নিলেন শুঁড় সহ শিশুকে দেখে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় চিকিৎসকদের। খবরটা জানা মাত্র একটিবার দর্শনের আশায় হইহই পড়ে যায়। এ যেন ঈশ্বরের অলৌকিক লীলা বলতে থাকেন অনেকেই। যদিও এই ঘটনার সত্যতা যাচাই করেনি প্রথম কলকাতা।

    রাজস্থানের আলওয়ারের বাসিন্দা এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলা ৩১ জুলাই এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু তার মুখটা পুরোটাই শুঁড়ের মতো। যে চিকিৎসকরা প্রসব করিয়েছেন এমন শিশু দেখে রীতিমত চমকে গিয়েছেন। এই খবর পাওয়া মাত্রই গোটা রাজস্থান জুড়ে খবর ছড়িয়ে যায়। সকলে ভিড় করতে থাকেন হাসপাতাল চত্বরে। সকলে বলতে থাকেন গনেশ চতুর্থীর আগে সাক্ষাৎ সিদ্ধিদাতা এসেছেন। কিন্তু দুঃখের খবর জন্মের প্রায় ২০ মিনিট পরেই তার মৃত্যু হয়। ২ রা অগাস্ট সংবাদমাধ্যমে এমনই তথ্য দাবি করা হয়েছে।

    কিন্তু শিশু এরকম শুঁড় নিয়ে জন্ম নিল কীভাবে ? বিজ্ঞান কি বলছে? গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করলে শিশুর অস্বাভাবিক গঠন সম্পর্কে জানা যায়। জেনেটিক কিছু সমস্যা থাকার পাশাপাশি ক্রোমোজোমের ত্রুটির কারণেও এমন শিশুর জন্ম হতে পারে। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছেষ। এমনটাই এই সংবাদমাধ্যমে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vinayaka Chaturthi: বিনায়ক চতুর্থীতে একাধিক শুভ যোগ, গণেশ আরাধনায় ফিরবে ভাগ্য!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vinayaka Chaturthi: আপনি যদি গণেশজির ভক্ত হয়ে থাকেন তাহলে সামনেই রয়েছে বিনায়ক চতুর্থী (Vinayaka Chaturthi)। এই দিন ভক্তি ভরে আরাধনা করলে মিলতে পারে সুফল, রয়েছে একাধিক শুভ যোগ। প্রতি মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থীতে বিনায়ক চতুর্থী ব্রত পালন করা হয়। ফাল্গুন মাসে বিনায়ক চতুর্থী পড়েছে ২৩শে ফেব্রুয়ারি। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই দিনে ভগবান শ্রী গণেশের পুজো এবং উপবাস পালন করলে ভক্তের সমস্ত ইচ্ছা পূরণ হয়। জীবনে ক্রমাগত সাফল্যের সাথে জ্ঞান এবং ঐশ্বর্য আসে। এই দিনে চন্দ্র দর্শনেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিশ্বাস করা হয় যে চাঁদ দেখা হলেই চতুর্থীর উপবাস সম্পন্ন হয়, তাই চতুর্থীর দিন চাঁদ দেখে অর্ঘ্য অর্পণ করা উচিত। এই দিন ভগবান গণেশকে অর্ঘ্য নিবেদন করলে সৌভাগ্য লাভ হয়। পাশাপাশি পরিবারের সমস্ত সদস্যের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। হিন্দু সংষ্কৃতি অনুযায়ী, চতুর্থী চন্দ্র মাসে দুবার পড়ে। ভগবান গণেশ চতুর্থী তিথিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তাই এই তিথিটি ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করা হয়। অমাবস্যার পর শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিকে বলা হয় বিনায়ক চতুর্থী এবং পূর্ণিমার পর আসা কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থী তিথিকে সংকষ্টী চতুর্থী বলা হয়। কিন্তু মঙ্গলবার যদি চতুর্থী তিথি পড়ে তাহলে তাকে অঙ্গারকি বা অঙ্গারক চতুর্থী বলে।

    ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথি ২৩শে ফেব্রুয়ারি ভোর ৩টে ২৪ মিনিটে শুরু হবে এবং ২৪শে ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটে শেষ হবে। ২৩শে ফেব্রুয়ারি উদয় তিথিতে বিনায়ক চতুর্থী উপবাস পালিত হবে। এই দিনে পুজোর শুভ সময় সকাল ১১টা ২৬ মিনিট থেকে ১টা ৪৩ মিনিট পর্যন্ত। পঞ্জিকা ভেদে সময়ের সামান্য হেরফের রয়েছে। এবার বিনায়ক চতুর্থীর উপবাসের দিনে ৪টি শুভ যোগ তৈরি হচ্ছে। শুভ যোগ খুব ভোরে শুরু হবে, যা রাত ৮টা ৫৮ মিনিট পর্যন্ত চলবে। শুক্ল যোগ শুরু হবে সারা রাত এবং পরের দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে। সেই সঙ্গে বিনায়ক চতুর্থীর দিন জুড়ে থাকবে রবি যোগ। সর্বার্থ সিদ্ধি যোগ থাকবে ২৪শে ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা ৫মিনিট থেকে ২টো ১৪মিনিট পর্যন্ত।

    শাস্ত্র অনুযায়ী, বিনায়ক চতুর্থীর দিনে একজন ব্যক্তির উচিত ব্রহ্ম মুহুর্তে ঘুম থেকে উঠে স্নান ও ধ্যান করা। স্নানের পর সূর্যদেবকে অর্ঘ্য নিবেদন করতে ভুলবেন না। এরপর বিনায়ক চতুর্থীর ব্রত নেবেন এবং ভগবান গণেশের যথাযথ ভাবে পুজো করবেন। পুজোয় গণপতিকে ফুল, ধূপ, প্রদীপ ইত্যাদি নিবেদন করবেন এবং ভোগে নারকেলের তৈরি মিষ্টি বা মোদক রাখবেন। এরপর গণপতি জির প্রিয় স্তোত্র পাঠ করবেন। সবশেষে আরতির পরে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Sankashti Chaturthi: গণেশের আশীর্বাদে দূর হবে আর্থিক সমস্যা, সংকষ্টী চতুর্থীতে কাটবে সমস্ত বিপদ!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Sankashti Chaturthi: জীবনের সমস্ত সমস্যার সমাধান করবে একটিমাত্র ব্রত। বিপদের হাত থেকে বাঁচাবে পরিবারের সমস্ত সদস্যদের। হিন্দু সংস্কৃতিতে এমনটাই যুগ যুগ ধরে কথিত রয়েছে। ভগবান গণেশের উদ্দেশ্যে দ্বিজপ্রিয় সংকষ্টী চতুর্থীর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে নানান বিশ্বাস। প্রতিমাসে দু বার করে আসে সংকষ্টী চতুর্থী (Sankashti Chaturthi)। একটি আসে পূর্ণিমার পরে, অপরটি আসে অমাবস্যার পরে। অমাবস্যার পরে যে চতুর্থী আসে তাকে বলা হয় বিনায়ক চতুর্থী। কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থী তিথিতে থেকে সংকষ্টী চতুর্থী (Sankashti Chaturthi) পালন করা হয়। ২০২৩ এ এই দ্বিজপ্রিয় সংকষ্টী চতুর্থী পড়েছে ৯ই ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার। এই দিন ভগবান গণেশের ৩২ টি রূপের মধ্যে ষষ্ঠ রূপের আরাধনা করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এই দিন যে ভক্ত ভগবান গণেশের আরাধনা এবং উপবাস পালন করেন তার জীবনের সমস্ত সমস্যার খুব দ্রুত নিরসন ঘটে।

    ৯ই ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সংকষ্টী চতুর্থীর শুভ সময় শুরু হবে সকাল ৬টা ২৩ মিনিটে। শেষ হবে ১০ই ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা ৫৮ মিনিটে। উদয়া তিথি অনুযায়ী, দ্বিজপ্রিয় সংকষ্টী চতুর্থী পালিত হবে ৯ই ফেব্রুয়ারি। এই দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে স্নান সেরে শুদ্ধ বসনে প্রথমে বাড়ি মন্দির পরিষ্কার করবেন। তারপর উত্তর দিকে মুখ করে ভগবান গণেশের উদ্দেশ্যে জল অর্পণ করবেন। জেনে নিন সংকষ্টী চতুর্থীর সঠিক পুজো পদ্ধতি।

    পুজো পদ্ধতি

    • যারা এই চতুর্থীতে উপবাস করবেন, তাদের ব্রহ্ম মুহুর্তে স্নান, ধ্যান ইত্যাদি সেরে ‘ওম গম গণপতয়ে নমঃ’ মন্ত্র উচ্চারণ করে উপবাসের ব্রত গ্রহণ করা উচিত। এছাড়াও লাল রঙের পোশাক পরবেন, এটি মঙ্গল গ্রহের অবস্থানকে শক্তিশালী করে।
    • কেউ উপবাস না করলেও এই দিন গণেশের পুজো করা উচিত। উপবাস পালনকারীর পূর্ব বা উত্তর দিকে মুখ করে ভগবান গণেশের পুজো করবেন।
    • ভগবান গণেশের পুজোয় তাঁর প্রিয় জিনিস যেমন দূর্বা, ধূপ-দীপ এবং মোদক বা মতিচুর লাড্ডু নিবেদন করবেন। এরপর গণেশ চালিসা, গণেশ স্তোত্র বা গণেশ অথর্বশীর্ষ পাঠ করতে পারেন। মনে রাখবেন গণেশের পুজোয় তুলসি ব্যবহার করা উচিত নয়।
    • পুজোর দিন জুড়ে ওম গম গণপতয়ে নমঃ মন্ত্র জপ করবেন। এই দিন উপবাস রাখার নিয়ম মেনে ফল খেতে পারেন।
    • চাঁদ ওঠার পরে ভগবান গণেশের পুজো করবেন। গণপতির মূর্তি বা ছবিতে ধূপ-দীপ, ফল, ফুল দিয়ে নৈবেদ্য নিবেদনের পাশাপাশি চন্দনের টিকা এবং লাড্ডু নিবেদন করতে ভুলবেন না।

    সুফল লাভের উপায়

    এই শুভ তিথিকে মাত্র কয়েকটি কাজের মাধ্যমে সুফল লাভ করতে পারেন।

    • সংকষ্টী চতুর্থীর দিন ঘিয়ের সঙ্গে সিঁদুর মিশিয়ে প্রদীপ জ্বালাবেন। তারপর সেই প্রদীপটি রাখবেন গণেশের সামনে। এই দিন ভগবান গণেশকে গাঁদা ফুল এবং গুড় নিবেদন করতে ভুলবেন না।
    • প্রথমে একটি কলাপাতা ভালোভাবে পরিষ্কার করে নেবেন তারপর রোলি চন্দন দিয়ে সেটি ত্রিভুজ আকারে তৈরি করবেন। সেই কলাপাতাটি পুজোর স্থানে রেখে তার সামনে একটি প্রদীপ জ্বালাবেন।
    • গণেশের পুজো করার সময় অবশ্যই লাল কিংবা সবুজ রঙের পোশাক পরা উচিত। হলুদ রঙের আসনে গণেশের মূর্তি কিংবা ছবি রাখবেন। বলা হয় এতে ভগবান গণেশ খুব খুশি হন এবং সমস্ত সমস্যার সমাধান করেন।
    • সংকষ্টী চতুর্থীর দিন ৫ টি দূর্বাতে ১১টি গিঁট বেঁধে একটি লাল কাপড়ে রাখবেন। তারপর সেটি ভগবান গণেশের সামনে অর্পণ করবেন। বলা হয় এই কাজের পরে গণেশের ধ্যান করলে আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version