Tag: Child

  • Parenting: আপনার বাচ্চাও রাতে খেলনা নিয়ে ঘুমোচ্ছে! আদৌ কি তা নিরাপদ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Parenting : শিশুদের হাতে খেলনা একটা খুবই স্বাভাবিক জিনিস। শিশুরা নিজেদের খেলনা নিয়েই নিজেদের মতো আনন্দে মেতে থাকে। শুধুমাত্র জেগে থাকার সময়ই নয়, ঘুমের সময়ও অনেক বাচ্চা নিজের কাছে খেলনা রাখতে পছন্দ করে। তবে বাচ্চাদের খেলনা নিয়ে ঘুমানোটা আদৌ কি তাদের জন্য নিরাপদ না কি এতে কোন রকম অসুবিধার মুখে পড়তে পারে আপনার শিশু ? অভিভাবক হিসেবে এটা জানা অত্যন্ত জরুরী, আপনার শিশু ঘুমের সময় যে খেলনাটি নিয়ে ঘুমোচ্ছে সেটা আদৌ তাঁর কোন ক্ষতি করছে কিনা।

    শিশু বিশেষজ্ঞরা সাধারণত বলছেন, আপনার শিশুর বয়স যদি ছয় মাস না হয় তাহলে তাকে বিছানায় খেলনা নিয়ে ঘুমোতে দেবেন না। তাঁর ঘুমের সময় বিছানাটি একেবারে পরিষ্কার রাখুন। নইলে যেকোনো সময় বড় কোন খেলনায় শিশুর শ্বাস রোধ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। তবে একটু বড় হলে অর্থাৎ ছয় মাসের থেকে বয়স খানিকটা বেশি হলে একটা নরম ছোট খেলনা শিশুর কাছে রাখা যেতেই পারে।

    * খেলনাতে মায়ের ঘ্রাণ : শিশুদের পক্ষে মাকে চিনে নেওয়ার একটা বড় উপায় হল ঘ্রাণ। তাই আপনার শিশুর কাছে যে নরম খেলনাটি রাখবেন সেটা কিছুক্ষণ আপনার কাছেও রাখুন। তাতে সেই খেলনা থেকে শিশু তাঁর মায়ের ঘ্রাণ পাবে। আর নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারবে সেই খেলনাকে নিয়ে।

    * স্টাফ খেলনা একেবারেই নয়: বড় বড় স্টাফ খেলনা গুলি দেখতে বেশ ভালো লাগে। কিন্তু এইগুলি থেকে ভীষণ এলার্জি হতে পারে। চিকিৎসকরাই পরামর্শ দেন শিশুদের কাছে স্টাফ খেলনা না রাখার। কারণ এই ধরনের খেলনা গুলিতে খুব সহজে ধুলো আটকে যায়। আপনার সন্তানের যদি এলার্জির সমস্যা থাকে তবে খুব ছোটবেলা থেকেই এই খেলনার জন্য আরও শারীরিক অসুস্থতা ঘিরে ধরবে তাকে।

    * সস্তা খেলনায় ভরসা নয়: অনেক সময় বাজারে যেসব সস্তা খেলনা কিনতে পাওয়া যায় সেইগুলি মানে ভালো হয় না। কারন সেইগুলির ভেতরে ভালো তুলোর বদলে স্পঞ্জ, থার্মোকল এমনকি সর্ষের বীজ পর্যন্ত ভরা থাকে। যা আপনার শিশুর জন্য উপযুক্ত নাও হতে পারে। রাস্তার পাশের দোকানে বিক্রি হওয়া যে কোন খেলনা কিনে আনার আগে অবশ্যই একবার যাচাই করে নিন যে আদৌ সেটি আপনার সন্তানের জন্য ভালো কিনা।

    * বড় নয়, কিনুন ছোট খেলনা : বাচ্চারা এমন খেলনা পছন্দ করে যেটা তাঁরা হাতে নিয়ে খুব সহজেই খেলতে পারবে। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারবে। নিজেদের সাইজের অথবা নিজেদের থেকে বড় খেলনা তাঁরা খুব একটা পছন্দ করেন না। তাই আপনার শিশু হাতে রেখে খেলতে পারবে এমন ছোট নরম খেলনা পছন্দ করে কিনুন তাঁর জন্য।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Juvenile Diabetes: ডায়াবেটিস থেকে মা তার শিশুকে বাঁচাতে পারেন, খেয়াল রাখুন এই ভাবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Juvenile Diabetes: ডায়াবেটিস শুধু বড়দের নয়, বর্তমানে শিশুদের ক্ষেত্রেও একটা বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চার বছর বয়সী বাচ্চাদের শরীরেও ডায়াবেটিস বাসা বাঁধছে। বাবা-মা সন্তানের খেয়াল সমানভাবে রাখলেও, সন্তানের সারা দিনের রুটিনের দিকে একটু বেশি খেয়াল রাখেন মা। মায়েদের সবসময় সতর্কতার সঙ্গে শিশুকে বড় করতে হয়। একজন মা হিসেবে দায়িত্ব, শিশুর শারীরিক পরিবর্তন কিংবা প্রতিদিনের রুটিনের দিকে নজর দেওয়া। কারণ সাম্প্রতিককালে টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিস বা জুভেনাইল ডায়াবেটিস কোন বয়স মানছে না। বহু শিশু এই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এর ফলে অগ্ন্যাশয় থেকে খুব কম ইনসুলিন তৈরি হয়।

    এখনও পর্যন্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানে জুভেনাইল ডায়াবেটিসের সঠিক কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে এটি একটি অটোইমিউন জনিত রোগ। এই রোগ থেকে শিশুকে রক্ষা করতে কয়েকটি বিষয়ের উপর খেয়াল রাখা উচিত।

    •শিশুকে কিছুতেই খালি পেটে থাকতে দেবেন না। যদি ইতিমধ্যেই শিশু ডায়াবেটিক হয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী একটি ডায়েট প্ল্যান বানিয়ে নিন।

    •ডায়াবেটিক শিশুদের প্রতিদিন ব্যায়াম করা উচিত। এর ফলে ডায়াবেটিস সহজে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ডায়াবেটিক শিশুর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় অন্তর চেকআপ করার উচিত। সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শে থাকতে হবে।

    •খারাপ লাইফস্টাইল মানসিক চাপের কারণেও বয়স্কদের এই অসুখ সহজেই থাবা বাসায় শিশুদের শরীরে। তাই আপনার সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখুন। স্কুল থেকে ফিরেই পড়তে বসানো, সমস্ত পড়া মুখস্ত রাখতে হবে, ফার্স্ট হতে হবে, নম্বর কম পেলেই বকুনি এই ধরনের ধারণা থেকে একেবারেই বেরিয়ে আসুন। প্রয়োজনে শিশুকে সুস্থ রাখতে মিউজিক থেরাপি দিতে পারেন।

    •পড়াশোনার চাপ আর অনলাইন গেমের জেরে শিশুরা মাঠে খেলতে যেতে ভুলে গিয়েছে তাই শিশুকে সর্বদা শারীরিক ক্রিয়াকলাপ বা মাঠে গিয়ে খেলার জন্য অনুপ্রাণিত করুন।

    •শিশু যতই জাঙ্কফুডের জন্য বায়না করুক না কেন প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে সুষম এবং পুষ্টিকর খাবার। বিশেষ করে শাকসবজি কিংবা প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি করে খাওয়ানো উচিত।

    শিশুর ডায়াবেটিস হয়েছে বুঝবেন কীভাবে ?

    • রোগা থেকে হঠাৎ করে মোটা হয়ে যাওয়া বা মোটা থেকে রোগা হয়ে যাওয়া
    •ঘনঘন জ্বর সর্দি কাশি
    •পুষ্টিকর খাবার খেলেও শারীরিক দুর্বলতা
    •ঘনঘন বাথরুম যাওয়া
    •সামান্য কাজে ক্লান্ত হয়ে পড়া
    •বারংবার খিদে কিংবা জল তেষ্টা পাওয়া
    শিশুর মধ্যে যদি এই সমস্যাগুলি দেখা দেয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিশেষ করে ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সী শিশু হলে ব্লাড সুগার টেস্ট করিয়ে নেওয়া উচিত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Raja-Madhubani: দ্বিতীয় সন্তানের মা হলেন মধুবনি! ছবি ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুঙ্গে চর্চা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Raja-Madhubani: টেলি দুনিয়ার অত্যন্ত জনপ্রিয় জুটি তাঁরা। ‘ভালোবাসা ডট কম’ ধারাবাহিকের সেট থেকে প্রেম শুরু তাঁদের। বর্তমানে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ভ্লগ দেন মধুবনি ও রাজা। প্রায় সময়ই নেটিজেনদের সঙ্গে নিজেদের জীবনের কিছু মুহূর্ত ভাগ করে নেন এই তারকা জুটি। এবার সেরকমই একটি মুহূর্ত ভাগ করেছেন অভিনেতা। ‌শুক্রবার ফেসবুকে একটি ছবি শেয়ার করেছেন রাজা। আর তারপরই নেট নাগরিকদের প্রশ্ন, ‘এটা কেশব নাকি নতুন সদস্য?’

    প্রসঙ্গত, সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজার শেয়ার করা ছবিতে হাসপাতলে এক সদ্যজাতের সঙ্গে শুয়ে রয়েছেন মধুবনি। দুজনকেই বেশ আনন্দিত দেখাচ্ছে ছবিতে। সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা, “আমাদের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন, হ্যাশট্যাগ কেশব”। মূলত রাজা ছেলের জন্মের দিনটিকে চেরিস করতে চেয়েছেন। সকলকে বোঝাতে চেয়েছেন যে এই দিনটি তাঁর কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, যখন তিনি কেশবের বাবা হয়েছেন। সেইসঙ্গে এদিন পোস্টে একটি ব্লু আইয়ের ইমোজিও দিয়েছেন অভিনেতা। তবে তাঁর এই পোস্টে যাঁরা যাঁরা ভেবেছেন যে নতুন সদস্যের আগমন ঘটেছে এই তারকা জুটির জীবনে, তাঁরা হয়তো বা অভিনেতার পুরো পোস্টটি ঠিক করে পড়েন নি বা দেখেননি। পাশাপাশি অভিনেতার ছবির নিচে অনেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আর কিছু জনের প্রশ্ন, এটা কি তোমাদের দ্বিতীয় সন্তান?

    তবে এই সমস্ত প্রশ্নের কোনও উত্তর দেননি রাজা বা মধুবনি কেউই। ২০২১-এ মা হয়েছেন মধুবনি। আর তারপর থেকে ছেলেকে নিয়ে চুটিয়ে সংসার করছেন অভিনেত্রী। অন্যদিকে ছোট পর্দায় পার্শ্ব চরিত্রে কাজ করছেন রাজা। তাঁকে দেখা যাচ্ছে ধুলোকণাতে। পাশাপাশি জন্মদিন, বিয়ে, গৃহপ্রবেশ, অন্নপ্রাশনের মতো নানা বিষয়ে নিয়ে ভ্লগ করছেন এই তারকা জুটি। তাতে সম্প্রতি প্রশ্ন উঠেছিল যে, সহজ উপায়ে অর্থ উপার্জনের জন্যই এই নতুন ভ্লগিংয়ের পন্থা গ্রহণ করে নিয়েছেন ‘ভালোবাসা ডট কম’-এর এই জুটি।

    সেইসঙ্গে নেট নাগরিকদের একাংশের বক্তব্য, মধুবনি আর নায়িকা হিসেবে ফিরতে পারবেন না কোনওদিন। তাই এইসব করে বেড়াচ্ছেন। ‘হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা’তে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী তাতে রাজা জানিয়েছেন, ‘আমরা প্রচুর বড় ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছি। অনেক কন্টেন্ট ক্রিয়েটরও আমাদের সঙ্গে কোলাবরেশন করতে চায়। এ ধরনের কাজের জন্য আমরা অবশ্যই পারিশ্রমিক নিই, কারণ এতে তারাও প্রচার পায়। এটা অনেকটা ঠিক বিজ্ঞাপনের মত’। সম্প্রতি শুরু করা ইউটিউব চ্যানেলে তাঁদের সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ২ লক্ষের কাছাকাছি। অভিনেতার কথায়, এই ধরনের কাজ অনেকে করেন না ঠিকই। এদিন ফের অভিনেতার পোস্ট করা ছবি ঝড় তুলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mumbai Measles Outbreak: হামে প্রাণ কাড়ল ৮ মাসের শিশুর, মুম্বইয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mumbai Measles Outbreak: এবার হামের কারণে মুম্বইয়ে ৮ মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার বিএমসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বছর এখনও পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ২৩৩। দিন দিন বাণিজ্য নগরীতে মহামারীর আকার ধারণ করছে এই হাম।

    দ্য ওয়াল থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন জানিয়েছে, এদিন যে শিশুটি মারা গিয়েছে সে গত এক মাস ধরেই জ্বর, সর্দি, কাশিতে ভুগছিল। এরপরই তাঁর সারা শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। প্রথমে তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তারপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় কস্তুরবা হাসপাতালে। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। ভেন্টিলেশনে রাখা হলেও, শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকদের বক্তব্য, শিশুটি হামের প্রতিষেধক নেননি।

    উল্লেখ্য, হামে প্রথমে জ্বর, সর্দি, কাশি হয় ও সারা শরীর ব্যথা করতে থাকে। তারপর লালচে র‌্যাশ বের হতে শুরু করে সারা গায়ে। এর প্রাথমিক লক্ষণ হল জ্বর। আর সেইসঙ্গে সর্দি, হাঁচি লেগে থাকে। অনবরত চোখ দিয়ে জল পড়ে, চোখের পাতা ফুলে যায়, এরপর ধীরে ধীরে মুখের ভেতর দানা দানা ভাব দেখা যায়। আস্তে আস্তে তা গোটা শরীরে ছড়িয়ে যায়। পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে হালকা বাদামি হতে থাকে র‌্যাশগুলি। সব মিলিয়ে মোটামুটি ৭ থেকে ১০ দিন এই রোগে ভুগতে হয়। কিন্তু বিগত কয়েক মাসে হামের প্রকোপ বেড়েছে মহারাষ্ট্রে।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডঃ তানাজি সাওয়ান্ত জানিয়েছেন, দক্ষিণ মুম্বইতে হামের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। এরইসঙ্গে ঝাড়খণ্ড, আহমেদাবাদ, কেরলে হামে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। এই মুহূর্তে কোন কোন এলাকায় শিশুদের হামের প্রতিষেধক দেওয়া হয়নি? তা নিয়ে খোঁজ চলছে। সেইসঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে, কোন কোন রাজ্যে হামের প্রকোপ বাড়ছে? এই ভ্যাকসিন ৯ মাসের বাচ্চাদের দেওয়া হয়। এরপর এম এম আর ভ্যাকসিন দিলে এই রোগ আর হয় না। কিন্তু মুম্বইতে এই রোগের প্রকোপ ক্রমে বেড়েই চলেছে, যা চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে সকলের কাছে।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Calcutta Medical College: শ্বাসনালীতে আটকে বাঁশি, মেডিক্যালের তৎপরতায় প্রাণ বাঁচল ফুটবলভক্ত খুদের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Calcutta Medical College: বিশ্বকাপের আবহে ভয়ঙ্কর অঘটন থেকে রক্ষা। আর্জেন্টিনা ভক্ত এক সাত বছরের খুদে ফুটবলপ্রেমীর গলায় বাঁশি আটকে প্রাণ যায় যায় পরিস্থিতি। তবে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকদের তৎপরতায় অপারেশনের সাহায্যে বের করা গিয়েছে বাঁশি। আপাতত স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে ওই বছর সাতেকের খুদে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইএনটি বিভাগে ব্রঙ্কোস্কোপির সাহায্যে শিশুটির শ্বাসনালী থেকে বাঁশি বের করতে সক্ষম হন চিকিৎসকরা।

    সংবাদ প্রতিদিনে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, হাসপাতালের তরফ থেকে জানা যায়, ওই শিশুটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার হোগলার বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা যায় শাহবুল নামে ওই শিশুটি সোমবার বিকেলে বিশ্বকাপের আমেজে মেতে থাকার জন্য কিনে এনেছিল একটি বাঁশি। সেই বাঁশি পরখ করতে গিয়ে এই বিপদ ঘটে। বাঁশি বাজাতে গিয়ে হঠাৎ করেই সেটি গিলে নেয় শিশুটি। রীতিমতো খাওয়া দাওয়া বন্ধ হয়ে যায় তাঁর। এমন কি কাশি হলেই গলা থেকে বাঁশির আওয়াজ বের হতে থাকে । যা দেখে হতভম্ব হয়ে যায় পরিবার।

    সোমবার তাকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে সারারাত থাকার পরও বাঁশি বের করা যায় নি। পরবর্তীতে মঙ্গলবার তাকে ভর্তি করা হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইএনটি বিভাগে। চিকিৎসক ডক্টর দীপ্তাংশু মুখোপাধ্যায় জানান, দ্রুত ওই শিশুটির সিটি স্ক্যান করা হয় । দেখা যায় বাঁশিটি তাঁর ব্রঙ্কাসের ডান দিকে আটকে রয়েছে। বাঁশির খোঁচায় শ্বাসনালী ফুটো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও ছিল। তবে রিজিড ব্রঙ্কোস্কোপির মাধ্যমে চিকিৎসকরা তাঁর শ্বাসনালির মধ্যে থেকে ওই বাঁশিটি বের করেন। আপাতত পূর্বের তুলনায় অনেকটাই সুস্থ রয়েছে শাহবুল।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version