Tag: Chandrayaan 3 Landing

  • Chandrayaan-3: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অক্সিজেন! শীঘ্রই মানুষের বসতি গড়ে উঠবে?

    Chandrayaan-3: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অক্সিজেন! শীঘ্রই মানুষের বসতি গড়ে উঠবে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Chandrayaan-3: চাঁদের বুকে অক্সিজেন পেয়ে গেল চন্দ্রযান ৩, গোটা বিশ্ব তোলপাড়। এবার কি পৃথিবীর মত চাঁদে বাস করতে পারবে মানুষ? কী জানাচ্ছেন ISRO র বিজ্ঞানীরা? এ যেন সত্যি মিরাকেল! না শুধু অক্সিজেনেই থেমে থাকা নয় চাঁদে চলছে আরেক অমূল্য রতনের খোঁজ হদিশ পেলেই কেল্লাফতে। চাঁদে কার্যত চিরুনিতল্লাশি শুরু করেছে রোভার প্রজ্ঞান।  যে দক্ষিণ মেরু এতদিন অন্ধকারের তলায় ছিল। সেখানেই একের পর এক চমকে দেওয়া আবিষ্কার।

    মঙ্গলবার রোভার প্রজ্ঞান জানিয়ে দিল চাঁদের মাটিতে অক্সিজেন রয়েছে। রোভার প্রজ্ঞানের গায়ে যুক্ত একটি বিশেষ যন্ত্র এই আবিষ্কারটি করেছে। শুধু তাই নয় আপনাকে চমকে দেবে আরও বড় আপডেট দক্ষিণ মেরুতে পাওয়া গিয়েছে সালফার, আয়রন, সিলিকন, ক্রোমিয়াম, টাইটেনিয়াম, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, অ্যালুমিনয়ামের মতো একাধিক ধাতু। এবার হাইড্রোজেনের খোঁজে জোর তল্লাশি চালাচ্ছে চন্দ্রযান ৩।
    অক্সিজেন আবিষ্কারের পর থেকেই সকলের মনে একটাই প্রশ্ন। তাহলে কি শীঘ্রই চাঁদে মানুষের বসতি গড়ে উঠবে? কী বলছেন ISRO র বিজ্ঞানীরা?

    হাইড্রোজনের যদি সন্ধান পাওয়া যায় তাহলে জলের উপস্থিতির বিষয়ে ধারণা পাওয়া যাবে। চাঁদের কোনো হাওয়া নেই। সেই পরিস্থিতিতে এই ধাতুগুলি বিশেষ করে অক্সিজেনের হদিশ মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন দিক
    খুলে দিল বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। এর আগে চাঁদে অক্সিজেনের অস্তিত্ব মেলার দাবি করেছিল নাসা শুধু তাই নয়, চাঁদের মাটিতে নানা রকম ধাতুর উপস্থিতি রয়েছে বলেও জানানো হয়েছিল। সেই সময়ে নাসার দাবি ছিল এই অক্সিজেন কেবল নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের কাজে লাগবে তাই নয় ভবিষ্যতে পরিবহণের জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। সেই দাবিকেই যেন উদাহরণ দিয়ে প্রমাণ করে দিল ভারতের চন্দ্রযান-৩। ইসরোর জন্য সত্যি বড় কৃতিত্ব। ৬০ থেকে ৭০-এর দশকের অভিযানে নমুনা পরীক্ষা করেও হাইড্রোজেন পাওয়া যায় বলে দাবি। এখন ইসরো হাইড্রোজেনের সন্ধান পায় কি না সেটাই দেখার।

    কিছুদিন আগেই চন্দ্রযান-৩ চাঁদের মাটির তাপমাত্রা পরিমাপ করে ফেলেছে। চাঁদের মাটির খুঁটিনাটি তথ্য পাঠিয়েছে ইসরোকে। একটি গ্রাফ আকারে সেই তথ্য সকলের সামনে প্রকাশও করেছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। যেখানে দেখা যাচ্ছে মাত্র কয়েক সেন্টিমিটারের ব্যবধানে চন্দ্রপৃষ্ঠে এবং চাঁদের মাটির তলায় ৫০ থেকে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার ফারাক দেখা যাচ্ছে। চাঁদের মাটির তাপমাত্রা নিয়ে ইসরো বলেছিল মাটির গভীরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চন্দ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা কমতে থাকে। ইসরো সূত্রের খবর, সৌর চালিত প্রজ্ঞান রোভার ও বিক্রম ল্যান্ডারের পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার জন্য এই মিশনটি আরও সাত দিন বাড়িয়ে দেওয়া হতে পারে। চন্দ্রযান ৩ মহাকাশে আর কী কী ইতিহাস লিখতে চলেছে এখন সেটাই দেখার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চাঁদ ছোঁয়ার আগেই টলে গেলো জাপানি SLIM, ভারতের থেকেও সূক্ষ্মভাবে হতো ল্যান্ডিং ? কিন্তু ফেইল!

    চাঁদ ছোঁয়ার আগেই টলে গেলো জাপানি SLIM, ভারতের থেকেও সূক্ষ্মভাবে হতো ল্যান্ডিং ? কিন্তু ফেইল!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চাঁদ ছোঁয়ার আগেই টলে গেল জাপান। জাপানের ‘মুন স্নাইপার’ চন্দ্রাভিযান শেষ মুহূর্তে ক্যানসেল হয়ে গেলো।
    রকেট উৎক্ষেপণের আগেই খেলা ঘোরালো বায়ুমণ্ডল। জাপানের প্রথম চন্দ্রাভিযান মিশন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে গেল। ভারত পারলেও, ব্যর্থ রাশিয়া- জাপান। জাপানি ল্যান্ডার স্লিমে রুশ লুনা-২৫ এর কালো ছায়া? শেষ মূহুর্তে মুন মিশনে বড় ঝটকা খেল জাপান। চাঁদ ছোঁয়ার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। জাপানের কোগাশিমা শহরের তানেগাশিমা স্পেস সেন্টার থেকে ল্যান্ডার SLIM মানে Smart Lander for Investigating Moon কে চাঁদে পাঠানোর কথা ছিল। রকেট H2A, SLIM কে পৌঁছে দিত চাঁদের বুকে। কিন্তু লাস্ট মোমেন্টে প্ল্যানে বদল আনতে হলো।

    মারাত্মক খারাপ আবহাওয়ার কারণে রকেট উৎক্ষেপণ করা যায়নি। জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি জাক্সা জানিয়ে দিয়েছে, প্রবল বাতাসের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উৎক্ষেপণ এর ঠিক ২৭ মিনিট আগে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় জাক্সা। এদিন সফলভাবে SLIM উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হলে এটাই হত জাপানের প্রথম চাঁদে অবতরণ। যে ল্যান্ডার SLIM চাঁদে পৌঁছবে বলে ঠিক করা হয়েছে তার ৪ টে পা। SLIM চাঁদে পৌঁছলে প্রথমে এর পিছনের একটা পা চাঁদ ছুঁতো। অবতরণের সময় SLIM এর পিছনে ডানদিকের তিনটে পা চাঁদের মাটিতে পড়তো। আর তাতেই সোজা হয়ে দাঁড়াতো এই জাপানি ল্যান্ডার। চাঁদের বুকে হতো সফট ল্যান্ডিং। চাঁদে নেমে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়িয়ে থেকে গবেষণা চালাত জাপানের SLIM।

    না, চন্দ্রযান ৩-এর রোভার প্রজ্ঞানের মতো চাঁদে চলাফেরা করার ক্ষমতা নেই SLIM-এর। কিন্তু ভারতের পর পঞ্চম দেশ হিসেবে এই কৃতিত্বের অধিকারী হত জাপান তা হলোনা। সব প্ল্যান আপাতত স্থগিত। জানিয়ে রাখি, ভারতের চন্দ্রযান-৩ পথ দেখিয়েছে জাপানকে। তাই জাপানের মহাকাশযানটিকেও চাঁদের দক্ষিণ মেরুতেই সফট ল্যান্ডিং করানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে। তবে, জাপান যে প্রথমবার ব্যর্থ হয়েছে, তেমনটা নয়। প্রথমে ২৬ অগাস্ট জাপা মহাকাশযানটিকে উৎক্ষেপণ করা হবে বলে জানিয়েছিল। এরপর সেই তারিখ পিছিয়ে করা হয় ২৮ অগাস্ট। এবার সেই ডেডলাইনও ফেইল করল সূর্যোদয়ের দেশ। রাশিয়ার লুনা ২৫-এর মতো জাপানও শুধু ল্যান্ডার পাঠাচ্ছিল চাঁদে। খুব কম সময়ের জন্য চন্দ্রপৃষ্ঠে গবেষণার কাজ চালানোর কথা এই জাপানি ল্যান্ডারের। তবে মিশন পিছিয়ে যাওয়ায় পুরো পরিকল্পনাই এখন বিরাট বড় প্রশ্নের মুখে।

    গত ২৩ অগাস্ট, সন্ধ্যা ঠিক ৬টা বেজে ৩ মিনিটে চাঁদে সফলভাবে অবতরণ করেছে ভারতের চন্দ্রযান-৩। ইতিহাস রচনা করেছে ভারতের ইসরো। ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর সাফল্য নিয়ে যখন গোটা বিশ্ব ধন্য ধন্য করছে তখন চন্দ্রাভিযান পিছিয়ে দিয়ে কিছুটা ব্যাকফুটে জাপান। এদিকে, কিছুদিন আগে চাঁদের কক্ষপথেই আছড়ে ভেঙে পড়ে রাশিয়ার লুনা-২৫ ল্যান্ডার। ফলে এখনও পর্যন্ত ভারতের সাফল্যের এক কোনাও ছুঁতে পারল না জাপান কিংবা রাশিয়ার মতো দেশ। যদিও মহাকাশ বিজ্ঞানীদের ধারণা, রাশিয়ার ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কোনওরকম তাড়াহুড়ো করতে রাজি নয় জাপান। আর তাই এই সিদ্ধান্ত। কারণ এর আগে টোকিও-ভিত্তিক স্টার্টআপ আইস্পেসের চন্দ্র ল্যান্ডার হাকুটো-আর মিশন ১ গত এপ্রিলে ব্যর্থ হয়েছে। তারপরেও ভারতের পথেই নজির গড়ার চেষ্টায় জান প্রাণ লড়িয়ে দিচ্ছে জাপান।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে কোন রহস্যের উত্তর পেলেন বিজ্ঞানীরা? এ যেন আন্টার্কটিকা

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে কোন রহস্যের উত্তর পেলেন বিজ্ঞানীরা? এ যেন আন্টার্কটিকা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কোন অন্ধকারে আলো দেখাল চন্দ্রযান ৩? ইতিহাসে প্রথমবার অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখাল ভারত। মণি, মুক্ত নাকি সোনা -হীরে কী খুঁজে পেল রোভার প্রজ্ঞান? পৃথিবীর দক্ষিণ মেরুতে আন্টার্কটিকা! যেখানে শুধু বরফ আর বরফ চারদিকে চাঁদেও কী জল থেকে পাথর সবই বরফ? এই জায়গায় মাত্র ১৫ দিন সূর্যের আলো থাকে চন্দ্রপৃষ্ঠের দক্ষিণ মেরুতে আর কোন রহস্য ফাঁস করলেন ISRO-র বিজ্ঞানীরা? চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ১৫ দিন সূর্যের আলো থাকে। ১৫ দিন পর আবার অন্ধকার হয়ে যায়। ২৩ অগাস্ট চাঁদের বুকে চন্দ্রযান ৩ নামানোর অন্যতম কারণ এখন চাঁদে সূর্যএর আলো রয়েছে। আর তাতেই এক অজানা রহস্যের উত্তর খুঁজে পেলেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা।

    চাঁদের মাটি পরীক্ষার জন্য চেস্ট নামে একটি যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। এই যন্ত্র চাঁদের মাটির তাপমাত্রা বার করে কেরামতি দেখাল প্রথমবার চন্দ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা জানা গেল। পৃথিবীর থেকে কতটা ফারাক চাঁদের তাপমাত্রার? ইসরোর প্রকাশিত গ্রাফ দেখে বোঝা যাচ্ছে গভীরতা অনুযায়ী চাঁদের মাটির বিভিন্ন স্তরে তাপমাত্রা মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করে। দক্ষিণ মেরুতে চন্দ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা ৪০ থেকে ৪৫ ডিগ্রির কাছাকাছি। তবে মাটির গভীরে ঢুকলে এই পরিসংখ্যান পালটে যায়। চেস্ট নামের যন্ত্রটি চন্দ্রপৃষ্ঠের অন্তত ১০ সেন্টিমিটার গভীরে যেতে পারে। চাঁদের মাটিতে অন্তত ১০ রকম তাপমাত্রা খতিয়ে দেখছে রোভার প্রজ্ঞানের এই যন্ত্র। পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু যেমন চাঁদও তেমনি। পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু অ্যান্টার্কটিকা। যাঁকে বলা হয় পৃথিবীর শীতলতম স্থান। চাঁদের দক্ষিণ মেরু এমনটাই?

    আন্টার্কটিকার বরফের চাদরে ঢাকা। চাঁদের দক্ষিণ মেরুর অনেক গর্ততে কখনও আলো পড়েনি। বেশিরভাগই ছায়ায় রয়ে গেছে। কয়েক হাজার বছর পরও তাতে কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাই সেখানে বরফ থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা। বৈজ্ঞানিকদের দাবি চাঁদের বুকে থাকা জল বা বরফ চাঁদের পৃষ্ঠে অগ্নুৎপাত সম্পর্কে তথ্য জানাতে পারে। সমুদ্রের উৎপত্তি কোথা থেকে হল তাও জানা যেতে পারে চাঁদের বুকে থাকা জল থেকে। যদি চাঁদে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল থাকে তবে পরবর্তী সময়ে চন্দ্রাভিযানে পানীয় জল নিয়ে আর কোনও সমস্যা থাকবে না মহাকাশচারীদের। ওই জলই আবার ভেঙে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনে পরিণত করা যাবে যা নিশ্বাস নিতে ও জ্বালানিতে সাহায্য করবে।

    আগামী দিনে আরও বেশ কিছু তথ্য জানাবে রোভার প্রজ্ঞান, সেটাও ঘোষণা করা হয়েছে ইসরোর তরফে। তবে আলো থাকলে তবেই কাজ করতে পারবে রোভার প্রজ্ঞান। কারণ চাঁদের মাটিতে রাত নামলে প্রজ্ঞানের যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে, ২০১৯ সালে চন্দ্রযান-২ এর পরিকল্পনাও ছিল চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করার। কিন্তু সেই সময়ে সফট ল্য়ান্ডিং ব্যর্থ হয়। চাঁদের মাটিতে অবতরণের পরই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কিন্তু এবার চন্দ্রযান ৩ তা করে দেখিয়েছে। মহাকাশ সংক্রান্ত গবেষণার ইতিহাসে এই প্রথমবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুর মাটির তাপমাত্রা কেমন তার বর্ণনা দিয়েছে। ইসরোকে নিয়ে গর্বে দেশবাসীও।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চাঁদ ভারতকে ভূরাজনীতিতে যা সুবিধা দেবে, আমোঘ আকর্ষণ সব দেশের!

    চাঁদ ভারতকে ভূরাজনীতিতে যা সুবিধা দেবে, আমোঘ আকর্ষণ সব দেশের!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চাঁদে বড় লাফ ভারতের। ভূরাজনীতি থেকে চান্দ্র অর্থনীতি, ভারতের শেকড়-বাকড় ছড়িয়ে যাচ্ছে। চাঁদে হিলিয়াম ভান্ডার থেকে রিয়েল এস্টেট এর ব্যবসা, ভারতের উইশলিস্টে আর কী কী? ‘লুনার ইকোনমি’ আসলে কী? চাঁদেও পথ দেখাচ্ছে ভারত। জানেন, কেন চাঁদের প্রতি অমোঘ আকর্ষণ সবকটা দেশের? চাঁদে অবতরণ ভারতকে ভূরাজনীতিতে কী সুবিধা দিতে পারে?আসলেই, ভারতের মুন ল্যান্ডিং একটি বিরাট জিওপলিটিক্যাল স্টেপ। এটা মানতে হবে, মানছে গোটা বিশ্ব। দেশগুলোর মধ্যে চাঁদের দক্ষিণ মেরুকে ঘিরে যে নতুন ‘স্পেস রেস’ চলছে তাতে ফার্স্ট অ্যাচিভার’ হিসেবে ভারত অবশ্যই কিছু অ্যাডভান্টেজ পাবে মত বিশেষজ্ঞদের। কিন্তু ভারতের এই সাফল্য লুনার ইকোনোমি বা চান্দ্র অর্থনীতিতে কতটা এফেক্ট ফেলবে? লুনার ইকোনোমি বা কী?

    চাঁদের বুকে যত ধরনের সম্পদ আছে, চাঁদের বুকে, পৃথিবীতে ও চাঁদের কক্ষপথে তার সফল ব্যবহারই এই অর্থনীতির সূচক। যেমন চাঁদে হিলিয়ামের একটি আইসোটোপ হিলিয়াম-থ্রির বিরাট ভান্ডার আছে, যা পুনর্নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিপুল উৎস হয়ে উঠতেই পারে। চান্স আছে কিন্তু সেই হিলিয়াম-থ্রিকে কীভাবে পৃথিবীর উপকারে কাজে লাগানো যায়, সেটাই লুনার ইকোনমির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এমন কী, চাঁদের বুকে ‘রিয়েল এস্টেট’ বা জমিজমা নিয়েও একদিন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। যদি কোনও দিন সত্যিই তা হয়, তাহলে দক্ষিণ মেরুতে ‘ফার্স্ট মুভার’ হিসেবে ভারতের যে অবশ্যই একটা শক্ত দাবি থাকবে অনেক বিশেষজ্ঞই সে কথা মেনে নিচ্ছেন, কিন্তু চাঁদকে ঘিরে যে আন্তর্জাতিক রাজনীতি শুরু হয়েছে, তার নেপথ্যে কোন কারণ লুকিয়ে?

    আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হল চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চল, যেখানে বিজ্ঞানীরা জল বা বরফের অস্তিত্ত্ব আছে বলে প্রমাণ পেয়েছেন। ভাবতে অবাক লাগলেও, এটা বাস্তব। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সত্যিই জল পাওয়া গেলে তা রকেটের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এমন কী, পর্যাপ্ত জলের জোগান নিশ্চিত হলে চাঁদের বুকে একটি স্থায়ী স্টেশন বা পার্মানেন্ট বেস, কিংবা মঙ্গলগ্রহ বা আরও দূরে অভিযান চালানোর জন্য লঞ্চপ্যাডও তৈরি করা যেতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন। ওখানে জল পাওয়া গেলে ভবিষ্যতের মহাকাশচারী ও স্পেসক্র্যাফটগুলোরও খুবই কাজে আসবে কিন্তু ওই এলাকায় যদি চীন প্রথম তাদের কোনও মহাকাশচারীকে নামাতে পারে, তারা চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের ওপর নিজেদের দাবি প্রতিষ্ঠা করতে চাইবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    মনে করিয়ে দিই এই ধরনের প্রতিযোগিতা যখন তখন শুরু হতে পারে। এটা আশঙ্কা করেই যুক্তরাষ্ট্র ২০২০ সালে ‘আর্মেটিস অ্যাকর্ডসে’ এনেছিল, যে চুক্তিতে শরিক দেশগুলো মহাকাশচর্চার ক্ষেত্রে অভিন্ন নীতি ও সম্পদ ভাগ করে নেওয়ার অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়েছে। পৃথিবীর বহু দেশই এই সমঝোতায় সামিল হয়েছে। গত জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় ভারতও এই অ্যাকর্ডে সই করেছে। কিন্তু চীন-রাশিয়ার মতো দুটো বড় ‘স্পেস পাওয়ার’ এখনও এই সমঝোতার শরিক হয়নি তবে এই পটভূমিতেও ভারতীয় মহাকাশযান চন্দ্রযান-থ্রির সাফল্য ভারতকে ‘পোল পোজিশনে’ নিয়ে আসবে। আন্তর্জাতিক দৌড়ে এগিয়ে রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    মিলিয়ে নেবেন মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই ভারতের স্পেস সেক্টর বা মহাকাশ খাত এক ট্রিলিয়ন মানে এক লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হবে। ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এর এই পূর্বাভাস অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাবে বলেই আশাবাদী বিশেষজ্ঞরা। চন্দ্রযান-থ্রির অভূতপূর্ব সাফল্যের পর ভারতের পক্ষে এটা মোটেই অসম্ভব নয়। এই সাফল্য ভারতের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে মহাকাশচর্চায় উৎসাহিত করবে, যারা এটাকে পেশা হিসেবেও নিতে চাইবেন। তবে আরও প্রিপেয়ার হতে হবে ভারতকে। চন্দ্রযানের এই অর্জনের ভিত্তিতে ভারতকে এখন ‘লুনার জিওপলিটিক্স’ বা ‘চান্দ্রেয় ভূরাজনীতি’র জন্যও নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। তাহলে অচিরেই চাঁদেও পথপ্রদর্শক হয়ে উঠবে ভারত। ভারত এখন কোথায়? বুঝিয়ে দিই। যখন, বিশ্বের বহু দেশ মহাকাশচর্চার বিভিন্ন মাইলফলক স্পর্শ করার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে, বিপুল পরিমাণ টাকা ইনভেস্ট করছে। বিশেষ করে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অভিযান চালানোর জন্য রাশিয়া, চীন বা আমেরিকা, প্রত্যেকেই জান লড়িয়ে দিচ্ছে সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ভারতের এই নজিরবিহীন সাফল্য তাদের জন্য বিভিন্ন নতুন নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত খুলে দিচ্ছে। এটাই ভারতবর্ষ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চন্দ্রযান ৩ -এ বড় অবদান এই দুই নারীর, চিনুন এদের

    চন্দ্রযান ৩ -এ বড় অবদান এই দুই নারীর, চিনুন এদের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চন্দ্রযান ৩ – র সাথে মহাকাশে ইতিহাস লিখলেন এই দুই নারী। চাঁদ ছুঁলেন আরেক কল্পনা। চাঁদের দক্ষিণ মেরু অভিযানের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড শুধু কল্পনাই নন! চন্দ্রযান ৩-এর ক্যাপ্টেন আরেক মহিলা। ভারতে যাঁকে সবাই চেনে রকেট ওম্যান নামে। মেধা ও পরিশ্রমের জোরে পেয়েছেন রাষ্ট্রপতির থেকে পুরস্কার। চন্দ্রযান ৩ এর সাফল্যের ছক কষেছেন ইনিই। ভারতের এই দুই অগ্নিকন্যাকে প্রথম কলকাতার সেলাম। যারা বলেন মেয়েরা কিছু পারে না! তারা চোখ খুলে দেখুন চন্দ্রযান অভিযান সফল করতেও ইসরোর মহিলা বিজ্ঞানীরা লড়েছেন জান দিয়ে। এদের মধ্যে কেউ হয়তো মা, কেউ বউমা আবার কারোর বউ। সংসারের সব কাজ সামলে পুরুষ সহকর্মীদের সাথে হাতে হাত দিয়ে করে গিয়েছেন। ইসরোর মহিলা টিমের এই দুজনের কৃতিত্ব জানলে গায়ে কাঁটা দেবে।

    ছোট থেকেই বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন কল্পনা। মহাকাশ তাঁকে টানত। বাবা ছিলেন মাদ্রাজ হাই কোর্টের বিচারপতি। মা বরাবর সংসার সামলেছেন চেন্নাইয়ে বিটেকের পর চলে আসেন খড়্গপুর আইআইটিতে পাশ করার পর যোগ দেন ইসরোতে। চন্দ্রযান-২ মিশনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তবে দ্বিতীয় চন্দ্রযান ব্যর্থ হওয়ার পর থেকে কল্পনার জেদ বেড়ে যায়। দিনরাত এক করে তৃতীয় মিশনের প্রস্তুতি নেন। যার ফল পেলেন বুধের সন্ধ্যায় মোট পাঁচ জন বিজ্ঞানী ছিলেন ইসরোর চন্দ্রযান-৩ অভিযানের মূল টিমে। তার মধ্যেই এক জন কল্পনা কলাহস্তি। দেশের চন্দ্রাভিযানের নতুন অধ্যায়। যার ক্যাপ্টেন লখনউয়ের মেয়ে। খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে রকেট ওম্যানের পরিচয় কীভাবে তৈরি করলেন ঋতু?

    ফিজিক্সকে ভীষণ ভালোবাসতেন, লখনউ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গবেষণা করেছেন। পরে সেখানে পড়াতেও শুরু করেছিলেন। এরপর সেখানে ছয় মাস গবেষণা করার পর ঋতু কারিধাল শ্রীবাস্তব বেঙ্গালুরুতে আইআইএসসিতে ভর্তি হন। বদলাতে থাকে কেরিয়ারের মোড় এয়রোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স পরে ১৯৯৭ সালে ইসরোতে যোগ দেন ঋতু। ইসরো তরুণ বিজ্ঞানী সম্মান পেয়েছিলেন। সেই সম্মান তাঁর হাতে তুলে দিয়েছিলেন দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালাম। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রায় ২০টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। এরপর বাকিটা ইতিহাস! চন্দ্রযান-৩ অভিযানের মিশন ডিরেক্টর তিনিই। চাঁদের দক্ষিণ মেরু পৃথিবীর আর কোনও দেশ সেখানে পৌঁছতে পারেনি। সেখানেই পৌঁছে নতুন কীর্তি গড়ল ভারত। আর সেই সাফল্যের পথে চন্ড্রজান ৩ কে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন কল্পনার মত মেয়েরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ISRO-কে পথ দেখালো যাদবপুরের এই ৩ জন! বিতর্কের অন্ধকারে চাঁদের আলো

    ISRO-কে পথ দেখালো যাদবপুরের এই ৩ জন! বিতর্কের অন্ধকারে চাঁদের আলো

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চন্দ্র মিশনে সাফল্যের পথ দেখালেন বিতর্কিত যাদবপুরের ৩ জন। চন্দ্রজয়ের সাফল্যেই এবার জুড়ে গেল সেই যাদবপুরের নাম। সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা কারা এই তিন জন? হাজার বিতর্কের মাঝে অন্ধকারে চাঁদের আলো এই তিন প্রাক্তনী শেষে মুখরক্ষা করলেন বলছেন নেটিজেনরাও। গত কয়েকদিন ধরেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিতর্ক চরমে।তার মধ্যেই যে খানিকটা শান্তির বাতাস বইয়ে দিলেন এই তিন জন।

    স্বপ্নকে বাস্তব করার জন্য সবথেকে বেশি যাঁদের ওপর ভরসা করেছে ইসরো তাঁদের মধ্যে একজন উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের বাসিন্দা অনুজ নন্দী। তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক। চন্দ্রযানের ক্যামেরার ডিজাইনিংয়ের কাজ করেছেন। অনুজ নন্দী এই চন্দ্রযান-৩-র ছবি পাঠানোর কারিগরির দায়িত্বে ছিলেন। যাদবপুরে মাস্টার্সে ফাস্ট ক্লাস পেয়েছিলেন এরপর এম টেক এবং পিএইচডি। মাসখানেক আগেই বাড়িতে এসেছিলেন। চন্দ্রযান ৩ উড়ে যাওয়ার পরে বেঙ্গালুরু থেকে ফোনে কথাও হয়েছে পরিবারের সাথে। ৪৯ বছর বয়সী অনুজ এখন গোটা ইসলামপুরের গর্ব। যখন ছেলের কাজের দিকে তাকিয়ে দেশবাসী তখন গর্বে-আনন্দে চোখে জল অনুজের পরিবারের।

    চাঁদের মাটিতে যখন ল্যান্ডার নামল। সেইসময় যাতে হার্ড ল্যান্ডিং না হয় বা ল্যান্ডার ভেঙে না পড়ে সেই কাজের দায়িত্ব ছিল যাদবপুরের এক শিক্ষকের হাতে। পালকের মতো চাঁদের মাটিতে নেমে এসেছে চন্দ্রযান ৩ -র ল্যান্ডার ল্যান্ডার আগে দেখেছে যেখানে সেটি নামবে সেখানে কোনও পাথর বা বোল্ডার আছে কিনা। ওই প্রযুক্তির ইমেজিং সংক্রান্ত গবেষণায় অন্যতম দায়িত্বে ছিলেন যাদবপুরের সায়ন চট্টোপাধ্যায়। ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষক। শেষ পর্যন্ত কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়তে হয়নি বিক্রমকে। তাঁর কৃতিত্বও অনান্য সহকর্মীর সাথে সায়নেরও প্রাপ্য।

    চন্দ্রযান ৩ মিশনে অন্যতম ভূমিকায় ছিলেন যাদবপুরের পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক অমিতাভ গুপ্তও। ২০১৯ সাল থেকে কাজ শুরু করেছিলেন যাদবপুরের অমিতাভ গুপ্তরা। ২০২২-এর জুলাই মাসে কাজ শেষ হয় টিমে ছিলেন এক জন পিএইচডির গবেষক তিন জন স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ছাত্র এবং কয়েক জন বিই ইন্টার্ন চাঁদে পাড়ি দেওয়া বিক্রমের খুঁটিনাটি বুঝে তাঁকে সফলভাবে অবতরণের পিছনে বিরাট ভূমিকা এঁদের। চাঁদের দেশে পাড়ি দিয়েছে ভারত। ভারতীয়রা জানেন কঠিন লড়াইটা জিতে দেখিয়ে দিয়েছেন ইসোররো বিজ্ঞানীরা। আগের মিশন ব্যর্থ হওয়ার পর সহজেই চাঁদের মাটিতে পা রাখতে পারল চন্দ্রযান-৩। সেই নকশা এঁকে দিয়েছেন যাঁরা তাঁদের মধ্যে জ্বলজ্বল করছে এই তিনটে নামও। যতই বিতর্ক হোক। এই তিন সোনার টুকরো ছেলের দৃতিত্ব কোনওদিন ভুলতে পারবে না ভারত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চাঁদের পর ইসরোর পরের টার্গেট সূর্য! আবারও ইতিহাস তৈরির পালা

    চাঁদের পর ইসরোর পরের টার্গেট সূর্য! আবারও ইতিহাস তৈরির পালা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চাঁদের পর ইসরোর দখলে আসতে চলেছে সূর্যও বড় ঘোষণা করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চন্দ্রযান-৩ এর সাফল্যের দিনেই টার্গেট ফিক্সড করে নিলেন বিজ্ঞানীরা। সূর্যকে পরীক্ষা করার ভারতের প্রথম মহাকাশ‌ মিশন কেমন হতে চলেছে? চাঁদের পর, সূর্যের বুকে কোন রহস্যের। উত্তরের খোঁজে ISRO?‌ এখানেই শেষ নয়। এবার মহাকাশে মানুষ পাঠাবে ভারত। গগনযান মিশনের পরিকল্পনা ফাঁস করলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। চন্দ্রযান-৩ সাফল্যের পরই পরের প্ল্যানিং রেডি ইসরোর। শীঘ্রই উৎক্ষেপণ হতে পারে আদিত্য এল-১- এর। এরপরই আরেক ইতিহাস লিখতে চলেছে ভারত। রাশিয়া এবং আমেরিকার মতো মহাকাশে মানুষ পাঠাবে এবার ভারত। কীভাবে?

    আদিত্য-এল ১ যাকে সূর্যের নামেই নামকরণ করা হয়েছে একটি করোনাগ্রাফি স্যাটেলাইট। সূর্যকে পর্যবেক্ষণ করা এই মিশনের মূল উদ্দেশ্য‌। সূর্যের বায়ুমণ্ডল ও চৌম্বক ক্ষেত্র সম্পর্কে তথ্য দেবে বিজ্ঞানীদের। সূর্যের করোনা, সৌর নির্গমন এই সব কিছু সম্বন্ধে তথ্য জোগাড় করবে‌ এই কৃত্রিম উপগ্রহ। সূর্যের বাইরের দিকের তাপমাত্রা প্রায় ১ কোটি কেলভিন নীচের দিকের স্তরের তাপমাত্রা সেই তুলনায় কম। প্রায় ৬০০০ কেলভিন ছিটকে আসা আগুনের ফুলকি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কীভাবে প্রভাব ফেলে তা আদিত্য-এল১ খুঁজে বের করবে এমনটাই জানাচ্ছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। আদিত্যের শরীরে সাতটি যন্ত্র বসানো থাকছে। পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থানে থেকে এই যন্ত্রগুলোর সাহায্যে সূর্যকে‌ ভালো ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারবে যানটি। সৌরঝড় এবং সূর্যের অন্যান্য রহস্য সম্পর্কে এখনও বিজ্ঞানীদের অনেক কিছুই অজানা। আর সেই লক্ষ্যেই কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও পরের টার্গেটে রয়েছে মিশন গগনযান।

    যাতে প্রথম ধাপে মহাকাশযান পাঠানো সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজ্ঞানীরা। সেটি সাফল্য পেলে দ্বিতীয় ধাপে পাঠানো হবে রোবট। আর শেষ ধাপে পাঠানো হবে মানুষ।মহাকাশচারীদের নিরাপদে পুনরুদ্ধারে পরামর্শের জন্য নিয়োগ করা হয়েছে কমান্ডার অভিলাষ টমিকে। আগামী বছরের গোড়ার দিকেই এই মিশন চালু করার ব্যাপারে পরিকল্পনা নিয়েছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। জানা গিয়েছে গগনায়ণ অভিযান দেশীয় প্রযুক্তির অধীনে হতে চলেছে। এ জন্য খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৯ হাজার ২৩ কোটি টাকা।সাথে আদিত্য-এল ১ মিশন। শূীঘ্রই আরেক ইতিহাস তৈরি হতে চলেছে। তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইসরো কী ম্যাজিক জানে ? ক্ষমতা থাকা সত্বেও চাঁদ ছুঁতে ব্যর্থ হয় কেনো দেশগুলো জানেন

    ইসরো কী ম্যাজিক জানে ? ক্ষমতা থাকা সত্বেও চাঁদ ছুঁতে ব্যর্থ হয় কেনো দেশগুলো জানেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চন্দ্রযান ৩ কে দেখে ঈর্ষা হচ্ছে? ভেবে দেখেছেন ভারত যা পারলো, অন্যান্য বহু দেশ তা কেন পারলো না? এতো ক্ষমতা সত্ত্বেও কেন ব্যাক টু ব্যাক ফেইলিয়ারের মুখে পড়তে হলো তাদের? টার্গেট স্থির, তারপরেও বছরের পর বছর ধরে চাঁদে অবতরণ প্রায় অসাধ্য কেন? শত চেষ্টাতেও চাঁদের মাটি ছুঁতে পারেনি বহু মহাকাশযান, কেন জানেন? ভারতের ইসরো কি ম্যাজিক জানে? চীন যুক্তরাষ্ট্রকেও তো পেছনে ফেলে দিল দেশটা। ভারতের অ্যাডভানটেজ কী? উন্নত প্রযুক্তি, লাগাতার গবেষণা, একের পর এক পরীক্ষা নিরীক্ষার পরেও চাঁদ ছোঁয়া সহজ নয়।

    প্রথমত, পৃথিবী থেকে চাঁদের দীর্ঘ দূরত্ব পার হতে গিয়েই যান্ত্রিক বিভ্রাটের কারণে মিশন ব্যর্থ হওয়ার চান্স থাকে। তাছাড়া, চাঁদে যে মহাকাশযানগুলো প্রবেশ করে, তাদের জন্য অপেক্ষা করে অসম্ভব চ্যালেঞ্জ। চাঁদের বায়ুমণ্ডল অত্যন্ত পাতলা, ওই পরিস্থিতিতে মহাকাশযানের গতি কমাতে প্রপালশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। যা সঠিক ভাবে চালনা করতে গেলে মহাকাশযানটিকে প্রচুর জ্বালানি বহন করতে হয়, যাতে নিরাপদে সফট ল্যান্ডিং এর জন্য সে নিজেকে ধীর করতে পারে। কিন্তু বেশি জ্বালানি বহন করলে মহাকাশযানটা ভারী হয়ে যায়। এই সময় ব্যালেন্স ঠিক রাখাই মূল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। পাশাপাশি, অবতরণের জন্য অবস্থান নির্ণয়ও সহজ নয় চাঁদে। সেখানে নেই কোনও জিপিএস সিস্টেম তাই, মহাকাশযান একটি নির্দিষ্ট জায়গায় অবতরণ করার জন্য উপগ্রহের নেটওয়ার্কের উপরেও নির্ভর করতে পারে না। এক্ষেত্রে চাঁদের মাটিতে নির্দিষ্ট পয়েন্টে সফট ল্যান্ডিং করতে মহাকাশযানে অবস্থিত কম্পিউটারগুলিকে দ্রুত গণনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সফট ল্যান্ডিং এর কয়েক কিলোমিটার আগে প্রপালশন সিস্টেমের ধাক্কায় সেন্সরগুলোও ঠিক করে কাজ করে না অনেক সময়। তখন দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া দুষ্কর হয়ে ওঠে। চাঁদের বুকে অবস্থিত গর্ত, পাহাড়ি ভূভাগ অনেক ক্ষেত্রে সফট ল্যান্ডিং এর জন্য অবস্থান নির্ণয়ে বাধা হয়ে ওঠে।

    তাই ক্ষমতা সত্ত্বেও অনেক দেশের কাছেই সহজ হয় না চন্দ্রযানগুলোর সফল অবতরণ। এর মধ্যেও ১৯৫৯, সালে রাশিয়া আইস ব্রেক করেছিল। তারপর থেকে বহু দেশ চাঁদ ছোঁয়ার চেষ্টায় সামিল হয়েছে, কম্পিটিশন‌ চালিয়েছে, কিন্তু সাকসেসফুল হতে সবাই পারেনি। ১৯৬০ এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন একের পর এক চন্দ্রাভিযানে সামিল হয়েছে, যতক্ষণ না সাফল্য এসেছে চাঁদের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেও ল্যান্ডিং করতে না পেরেৎব্যর্থ হয়েছে একের পর এক মিশনI মনে করিয়ে দিই, ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের চন্দ্রযান ২ যেবার ফেইল করলো, ওই একই বছরে অন্যান্য দেশের চন্দ্র অভিযানের একাধিক প্রজেক্ট ফেইল করে তাছাড়া, চলতি বছর ইসরায়েলের নেতৃত্বাধীন বেরেশিট মুন মিশন ব্যর্থ হয়েছে। এপ্রিলে, জাপানের Hakuto-R ও সফট ল্যান্ডিং করতে পারেনি।

    সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে চীন, রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফল হওয়ার পর ভারতের চন্দ্রযান ৩ চাঁদের বুকে সফট ল্যান্ডিং এ সফল হয়েছে। অথচ, মহাকাশ গবেষণায় ষ ভারত যে টাকা ইনভেস্ট করেছে তা চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অতি সামান্য। কিন্তু তারপরেও বাকিরা যা পারেনি তা করে দেখালো ভারত। ভারত চন্দ্রযানকে পৃথিবী এবং চাঁদের এমন রুটে পাঠিয়েছে, যেখানে মাধ্যাকর্ষণের সুবিধা নিয়ে কম জ্বালানি খরচ করে লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। আবার সফট ল্যান্ডিং করেছে চাঁদ এর দক্ষিণ দিকে, যা কোনও দেশ ছুঁতে পারেনি। শুনতে অবাক লাগলেও, এটা বাস্তব যে চন্দ্রযান ২ এর থেকেও চন্দ্রযান ৩ মিশনে খরচ কম হয়েছে। অথচ ব্যবহার করা হয়েছে উন্নত প্রযুক্তি। সঙ্গে ২০১৯ এর ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে চন্দ্রযান ৩ এ একগুচ্ছ বদল এনেছে ইসরো। আর উপরি পাওনা, ভারতীয় বিজ্ঞানীদের আত্মবিশ্বাস যা চাঁদেও সফলতা এনে দিল ভারতবর্ষকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ISRO Chairman: ইসরো প্রধানের প্রশংসায় মোদী, সাফল্যের কৃতিত্ব দিলেন অন্যদের, ইতিহাস গড়ে কী বললেন এস সোমনাথ?

    ISRO Chairman: ইসরো প্রধানের প্রশংসায় মোদী, সাফল্যের কৃতিত্ব দিলেন অন্যদের, ইতিহাস গড়ে কী বললেন এস সোমনাথ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ISRO Chairman: “আমরা পেরেছি, চাঁদের দেশে পা রেখেছে ভারত”। আনন্দে চিৎকার করে বললেন ISRO -র চেয়ারম্যান এস সোমনাথ। ইসরো প্রধানের মুখে চওড়া হাসি অথচ ২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদীর বুকে মাথা রেখে কেঁদেছিলেন তৎকালীন ইসরো প্রধান কে শিবন। চাঁদের একদম কাছে এসেও পাননি সাফল্য। ব্যর্থ হয়েছিল চন্দ্রযান ২ মিশন। সেই ক্ষত এবার ভোলালো চন্দ্রযান ৩I SRO- র চেয়ারম্যান যা করলেন কুর্নিশ জানাচ্ছেন সকলে। ‘আপনার নাম সোমনাথ আপনি তো সফল হবেনই’ বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চন্দ্রযান ৩ র সাফল্যে আবেগে ভাসলেন ইসরোর চেয়ারম্যান। গত ৪০দিন ধরে ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়েছেন, তারপর এত বড় সাফল্য।

    ঘড়ির কাঁটায় সন্ধ্যা ৬টা বেজে ৩ মিনিট একটু একটু করে চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডার বিক্রম ছুঁল চন্দ্রপৃষ্ঠ। হাসিমুখে হাততালি দিচ্ছিলেন এস সোমনাথ। নিজের বিরাট অবদান থাকলেও পরিবারের একে একে সকলকে এগিয়ে দিলেন। বর্ষীয়ান বিজ্ঞানীদের মঞ্চ ছেড়ে দিলেন ISRO চেয়ারম্যান। একদম শেষ মুহূর্তে একটি ফোন পান ইসরোর চেয়ারম্যান। তা তুললেনও। অন্য কারও নয়, ফোন করেছিলেন স্বয়ং দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বিদেশের মাটি থেকে ISRO প্রধানকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানালেন ইতিহাস লেখার জন্য।

    এরপর ভার্চুয়ালি জাতীয় পতাকা দেখান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মাইক্রোফোনের সামনে এস সোমনাথ আসতেই মুখে যেন যুদ্ধ জয়ের হাসি। প্রথমেই প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা চাঁদে সফট ল্যান্ডিংহয়ে সফল হয়েছি। ভারত এখন চাঁদে। এটি কষ্টের সাগর পাড়ি দেওয়ার মুহূর্ত। বিজয়ের চন্দ্রপথে হাঁটার মুহূর্ত। দর্শকরা বলছেন মাইক্রোফোনের সামনে এস সোমনাথ চাইলেই নিজের কৃতিত্বের কথা বলতে পারতেন। কারণ চন্দ্রযান ৩ এর মাস্টারমাইন্ড তিনি। অথচ তিনি নিজের কথা নয়, বললেন এতদিন ধরে চন্দ্রযান ৩ নিয়ে লড়ে যাওয়া মানুষগুলোর কথা। ধন্যবাদ জানালেন প্রজেক্ট ডিরেক্টর, মিশন অপারেশন ডিরেক্টরসহ মিশনের সাথে যুক্ত প্রত্যেক বিজ্ঞানীকে। একজন লিডারের কত বড় মন থাকলে এই কাজ টি করতে পারেন। হ্যাঁ এটাই ইসরো প্রধান।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Chandrayaan 3 Landing: চাঁদের সেই ছবি পাঠালো চন্দ্রযান-৩। কী আছে সেখানে জানা গেলো। ভারতের দুর্দান্ত সফলতা!

    Chandrayaan 3 Landing: চাঁদের সেই ছবি পাঠালো চন্দ্রযান-৩। কী আছে সেখানে জানা গেলো। ভারতের দুর্দান্ত সফলতা!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Chandrayaan 3 Landing: পাখির পালকের মতো চাঁদে নামার আগে চন্দ্রযান ৩ -র পাঠানো শেষ ছবি কেমন দেখতে? নামার আগে শেষ ছবি দিয়ে ইসরোর বিজ্ঞানীদের কী জানাল চন্দ্রযান ৩? চাঁদের দক্ষিণ মেরুর সেই বিরল ছবি কেমন?ফাঁস হল কোন কোন রহস্য? অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখালেন ISRO-র বিজ্ঞানীরা। চাঁদের পথে যেতে যেতে ছবি তুলতে ভোলেনি চন্দ্রযান। চাঁদের দক্ষিণ মেরুর নানা ছবি ধরা পড়ল চন্দ্রযান ৩-এর ক্যামেরায়। কী কী দেখা গেল জানেন?

    গত ২১ অগাস্ট চাঁদের চারটি ছবি শেয়ার করেছিল চন্দ্রযান ৩। ল্যান্ডার হ্যাজারড ডিটেকশন অ্যান্ড অ্যাভডান্স ক্যামেরাতে তা তোলা হয়। চাঁদের কক্ষপথে লাট্টুর মতো পাক খেতে খেতে সেখান থেকে একগুচ্ছ ছবি পাঠায় চন্দ্রযান ৩। চাঁদের গায়ে বড় বড় গর্ত সেই ছবিতে সামনে এসেছে। চাঁদে নামার আগের মুহূর্তে ২৩ অগাস্ট চন্দ্রযান ৩ আরও একটি ছবি পাঠায় সেখানেও দেখা গিয়েছে নানা আকারে গর্তে ভরা চন্দ্রপৃষ্ঠ চাঁদের দক্ষিণ মেরুর সেই ছবি মুগ্ধ হয়ে দেখেছে দেশবাসী এতো কাছে চাঁদ মামা। এতেই শেষ নয় এভাবে চন্দ্রযান ৩ পৃথিবীতে আরও ছবি পাঠাতে থাকবে আর তা পৃথিবীতে বসে বিশ্লেষণ করে দেখবেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা।

    চাঁদের দক্ষিণ মেরু নিয়ে সব দেশের এতো আগ্রহ কেন?বিজ্ঞানীরা বলছেন কোটি কোটি বছর ধরে দক্ষিণ মেরু
    সূর্যের আলো থেকে বঞ্চিত তার কারণ চাঁদ তার কক্ষপথে সামান্য হেলে থাকে ফলে চাঁদের উত্তর মেরুর তুলনায় দক্ষিণ মেরু অনেক বেশি অন্ধকার এই কারণে হিমশীতল দক্ষিণ মেরুতে বরফ থাকার সম্ভাবনা বেশি। আর বরফ মানেই জল। জল মানেই হাইড্রজেন ও অক্সিজেন। এখান থেকে লাভ হবে দুটো। এই হাইড্রজেন ব্যবহার করা যেতে পারে জ্বালানি হিসেবে।আর অক্সিজেন শ্বাস নিতে সাহায্য করবে। আগামী দিনে কে বলতে পারে চাঁদে বসেই হয়তো গবেষণা করবে মানুষ।

    ভারতের অনান্য দেশের থেকে অনেক উন্নত বিজ্ঞান গবেষণায়। তা আর একবার প্রমাণ করল চন্দ্রযান ৩।
    বিশ্বের অন্য দেশের উপর আর সত্যিই নির্ভর করার প্রয়োজনীয়তা নেই ভারতের। সে একাই একশো।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম