Tag: Bankura

  • Tata Nano: গাড়ির জ্বালানি খরচ মাত্র ৮০ পয়সা! দুর্দান্ত আবিষ্কার বাঁকুড়ার ব্যবসায়ীর

    Tata Nano: গাড়ির জ্বালানি খরচ মাত্র ৮০ পয়সা! দুর্দান্ত আবিষ্কার বাঁকুড়ার ব্যবসায়ীর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Tata Nano: দিনের পর দিন বাড়ছে জ্বালানির খরচ, তার উপর রয়েছে পরিবেশ দূষণ। এই সবের ধারে কাছে জাননি বাঁকুড়ার (Bankura) এক ব্যক্তি। পুরনো গাড়িকে (Old Car) নতুন রূপে সাজিয়েছেন, যা দেখে অবাক হয়ে যাবেন। ভাববেন এমন একটা ওয়ান্ডার কার নিজের কাছে থাকলে মন্দ হত না। ন্যানোর (Nano) ইঞ্জিন বদলে দিয়ে বিনা খরচেই তিনি গাড়ি ছোটাচ্ছেন রাস্তায়, যার কোন জ্বালানি খরচ নেই। প্রতি কিলোমিটার রাস্তা যেতে খরচ পড়ে মাত্র ৮০ পয়সা মতো।

    বাঁকুড়ার কাটজুড়িডাঙা এলাকার বাসিন্দা মনোজিৎ মন্ডল পুরনো ন্যানো গাড়িকে সাজিয়েছেন এক্কেবারে অন্যরকম ভাবে। যদিও পুরনো গাড়ির ডিজাইন যেমন ছিল তেমনি রয়েছে, তবে বদলে ফেলেছেন ফিচারস। মনোজিতের বাঁকুড়া শহরে ইলেকট্রিক বাইকের ব্যবসা রয়েছে। তিনি কলা বিভাগের স্নাতক ডিগ্রির পর ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। ব্যবসার ফাঁকেই সবসময় চিন্তা করতেন কিভাবে অচিরাচরিত শক্তিকে ব্যবহার করে নতুন কিছু উদ্ভাবন করা যায়। সেই ভাবনা থেকেই ১৯,৯০০ টাকা দিয়ে কিনেছিলেন টাটা ন্যানো গাড়ি। সেই গাড়ির মডেল এক রেখে বদলে ফেলেছেন ভিতরের ফিচারস। মাত্র উনিশ দিনের মধ্যে গাড়ির পেট্রল ইঞ্জিন বদলে সেখানে লাগিয়েছেন ব্যাটারি চালিত মোটর। গাড়ির ছাদে রয়েছে সোলার প্যানেল। ৭২ ভোল্টের ব্যাটারি নিয়ে রাস্তায় ছোটাচ্ছেন তার অসাধারণ গাড়ি। গাড়িটি ৬ ঘন্টা চার্জ দিলে অন্তত ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছুটতে পারবে। সৌরশক্তির পাশাপাশি বিদ্যুৎ শক্তির সাহায্যেও গাড়িটির ব্যাটারির চার্জ করা যায়। গাড়িটি একবার পুরো সম্পূর্ণ চার্জ হতে বিদ্যুৎ খরচ হয় মাত্র ৬ ইউনিট। বাজার দর অনুযায়ী খরচ পরে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। ১০০ কিলোমিটার পথ যেতে যদি মাত্র ৩০-৩৫ টাকা খরচ হয় তাহলে তা সত্যি আশ্চর্যের বিষয়।

    বাজারে এই ধরনের ব্যাটারি চালিত গাড়ি কিনতে গেলে কমপক্ষে আপনাকে খরচ করতে হতে পারে প্রায় আট থেকে নয় লক্ষ টাকা। সেসমস্ত গাড়িতে ইলেকট্রিক চার্জের ব্যবস্থা থাকলেও সৌর বিদ্যুতের সাহায্যে চার্জের ব্যবস্থা হয়ত পাবেন না। এক্ষেত্রে মনোজিৎ মন্ডল মনে করছেন, তিনি যদি সরকারি ভাবে সাহায্য পান তাহলে বাজারে মাত্র ২ লক্ষ টাকা খরচে এমন গাড়ি আনতে পারবেন। যে গাড়ি কেনার সাধ্য থাকবে সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষেরও। উপরন্তু দূষণ থেকে বাঁচবে পরিবেশ। বাঁকুড়ার রাস্তায় এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বিশেষ সোলার-পাওয়ার্ড টাটা ন্যানো গাড়ি।

    মনোজিৎ মন্ডল স্বপ্ন দেখতেন, নিজের হাতে গাড়ি তৈরি করবেন। তার স্বপ্ন পূরণ করলেন একটু অন্যরকম ভাবে। পেট্রোল ডিজেল চালিত গাড়িকে সৌর চালিত গাড়ির রূপ দিলেন। এই গাড়িটি যখন চলবে তখন না পাবেন কোন আওয়াজ, না পাবেন কোনো ধোঁয়া। ঘন্টায় প্রায় ৮০ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে। প্রতি কিলোমিটারে খরচ হয় মাত্র ৮০ পয়সা মতো।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee: তিন দিনের জঙ্গলমহল সফর, একাধিক কর্মসূচি নিয়ে জেলা ভ্রমণে মুখ্যমন্ত্রী

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata Banerjee: পঞ্চায়েত নির্বাচনকে পাখির চোখ করেছে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। একই রকম ভাবে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে লক্ষ্য বানিয়ে জনসংযোগে জোর দিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। এরকম পরিস্থিতিতে দলনেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) একের পর এক জেলা সফর সারছেন। ইতিমধ্যেই তিনি বীরভূম, মালদা এবং বর্ধমানের সফর শেষ করেছেন। তারপরেই জানা গেল ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় জঙ্গলমহল সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    সংবাদ প্রতিদিনে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি জঙ্গলমহল সফরে যাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তবে এই যাত্রা পথে তিনি ঝাড়খন্ড ছুঁয়ে যাবেন বলেই জানা গিয়েছে। ১৫ তারিখ তিনটে নাগাদ তিনি জামশেদপুর থেকে রাঁচি হয়ে হেলিকপ্টারে করে পৌঁছে যাবেন পুরুলিয়ায় (Purulia)। সেই দিন পুরুলিয়ার সার্কিট হাউসে রাত্রি যাপন করবেন তিনি। এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম মেদিনীপুরের কলেজের মাঠে একটি প্রশাসনিক সভা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ১৭ ফেব্রুয়ারি পুরুলিয়া থেকে বাঁকুড়ার (Bankura) উদ্দেশ্যে হেলিকপ্টারে করেই রওনা হবেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তারপর বাঁকুড়া এসে একটি প্রশাসনিক জনসভা করবেন তিনি।

    তারপর কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন আপাতত এমনটাই জানা গিয়েছে প্রাথমিকভাবে। ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলার জনগণ যাতে সব রকমের সুযোগ-সুবিধা পেতে পারেন তার জন্য তাদের বাড়ির দুয়ারে গিয়ে পৌঁছেছে দিদির দূতেরা। জনকল্যাণমূলক রাজ্য সরকারের যে সকল পরিষেবা গুলি রয়েছে সেগুলি যাতে খুব ভালোভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে তার জন্যই এই উদ্যোগ। আর এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জঙ্গলমহল সফর তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য কতটা লাভবান হবে তা অবশ্য বিচার করবে সময়। উল্লেখ্য, শুধুমাত্র রাজ্যের বিভিন্ন জেলা নয় উত্তর-পূর্ব ভারতের তিন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ত্রিপুরা- মেঘালয় সফরেও গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bankura: হাতির তাণ্ডবে উড়েছে রাতের ঘুম, সরকারি সাহায্যের বদলে মিলছে শুধু আশ্বাস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bankura: বাঁকুড়ার জঙ্গল লাগোয়া গ্রামের বাসিন্দাদের কাছে বুনো হাতির হামলা নতুন বিষয় একেবারেই নয়। কারণ প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই একটি সমস্যাকে বয়ে নিয়ে চলতে হচ্ছে তাদের। রাত-বিরেতে বুনো হাতির (Elephant) তাণ্ডব আতঙ্কগ্রস্থ করছে গ্রামের বাসিন্দাদের। সারা বছর ধরে কষ্ট করে পুঁজি জুড়ে যেটুকু চাষবাস তাঁরা করতে পারছেন মুহূর্তের মধ্যেই বুনো হাতির দল এসে সবকিছু ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে। এই ঘটনায় রীতিমতো হতাশ গ্রামবাসীরা। গতকাল হাতির হামলায় বাঁকুড়া (Bankura) জেলার সোনামুখীর ধানসিমলা পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ইন্দকাটার জঙ্গলে হাতির দলকে তাড়ানোর সময় আহত হন দুই ব্যক্তি।

    জানা যায়, তাঁরা গুরুতর জখম (Injured) হলে তাদেরকে প্রথমে সোনামুখী প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তড়িঘড়ি বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে দেওয়া হয়। বর্তমানে যদিও তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল কিন্তু এই সমস্যা কোনভাবেই মিটছে না। গ্রামবাসীদের কথায়, বাঁকুড়া জেলা জুড়ে এই মুহূর্তে প্রায় ৮৮ টি বুনো হাতির দল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সোনামুখী, বড়জোড়া, বেলিয়াতোড় সহ আরও অন্যান্য জঙ্গল সংলগ্ন গ্রাম গুলি। গ্রামবাসীদের দাবি হাতির হামলায় বেঘোরে প্রাণ হারাচ্ছেন বহু মানুষ।

    যতবার হাতির হামলা হচ্ছে বনদফতরকে  (Forest Department) খবর দেওয়া হচ্ছে। তাঁরাও আসছেন কিন্তু যেটুকু সময় তাঁরা থাকছেন সেটুকু সময় রক্ষা। হাতি তাড়াতে রীতিমত বেগ পেতে হচ্ছে বনদফতরকেও। তবে বনদফতরের কর্মীরা ফের গ্রাম থেকে চলে যাওয়ার পরে আগের ঘটনারই পুনরাবৃত্তি ঘটছে। যতক্ষণে বনদফতরের কর্মীরা খবর পাওয়ার পর গ্রামে এসে পৌঁছাচ্ছেন ততক্ষণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ফসল থেকে শুরু করে কাঁচা বাড়ি ঘর। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ক্ষতিপূরণ মিলবে এমন আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বনদফতরের তরফ থেকে সেই ক্ষতিপূরণ আদায় করতে গিয়ে রীতিমতো কাঠখড় পোড়াতে হচ্ছে তাদের। যে কারণে দরখাস্ত করাই বন্ধ করে দিয়েছেন বহু গ্রামবাসী। বছরের পর বছর বাঁকুড়ার জঙ্গল লাগোয়া গ্রামের বাসিন্দাদের এই করুণ পরিস্থিতি বারে বারে প্রকাশ্যে আসে। কিন্তু তারপরেও এই সমস্যার কোন স্থায়ী সমাধান মেলেনি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mini vrindavan in Bankura: ‘এক টুকরো বৃন্দাবন’ এর হাতছানি, বাঁকুড়ার এই ঠিকানা আপনার জানা ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mini vrindavan in Bankura: এবার এক টুকরো বৃন্দাবন বলা যেতে পারে লাল মাটির জেলা বাঁকুড়াতে চলে এসেছে।
    সাধ থাকলেও সাধ্যের কারণে শ্রীকৃষ্ণ লীলাক্ষেত্র বৃন্দাবনধামে যেতে পারেননি অনেকেই। এবার তাদের জন্য এক টুকরো বৃন্দাবন হাজির ‘লাল মাটির জেলা’ বাঁকুড়াতেই। জেলার তালডাংরার পাঁচমুড়াতেই জনৈক ভজন দত্ত নামে এক ব্যবসায়ীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরী হয়েছে সুবিশাল ও সুদৃশ্য মন্দির। ‘ত্রিধারা’ মন্দির নামে এই মন্দিরে অসংখ্য সাধারণ মানুষ হাজির হচ্ছেন।

    এমনিতেই বাঁকুড়া জেলা জুড়ে পর্যটন কেন্দ্রের ছড়াছড়ি। আর নবতম সংযোজন এই পাঁচমুড়ার ‘ত্রিধারা’। যাঁরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মণ্ডিত মুকুটমনিপুর কিম্বা ‘গুপ্ত বৃন্দাবন’ হিসেবে পরিচিত বিষ্ণুপুর বেড়াতে আসছেন তাঁরা সহজেই যাত্রাপথে একবার ঘুরে যেতে পারেন ‘টেরাকোটার দেশ’ হিসেবে পরিচিত পাঁচমুড়ার এই নব বৃন্দাবনে। এখানে অপরুপ সৌন্দর্যমণ্ডিত সুবিশাল মন্দিরের পাশাপাশি শ্রীকৃষ্ণ রাধিকার যুগল মূর্তির দর্শণ পাবেন। সকালে আলাদা আলাদাভাবে কালী ও দেবাদিদেব মহাদেব তো আছেনই।

    ভজন দত্ত জানিয়েছেন, বৃন্দাবনে গিয়ে তার খুব ভালো লেগেছিল। তখনই তিনি ঠিক করেছিলেন বৃন্দাবনের আদলে একটা মন্দির করবেন। অবশেষে সেটা সম্ভব হয়েছে। তবে একটা সমস্যা রয়েছে। তিনি জানিয়েছেন যে পরিমাণ ভক্ত আসছে সেই পরিমাণ পর্যাপ্ত পরিকাঠামো এখনো গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। তবে আগামীদিনে সেই চেষ্টা আছে যাতে ভক্তরা এসে রাত্রিবাস করতে পারেন। তাই প্রতিদিনই এক থেকে দুটি বাসে করে বাঁকুড়া কিংবা বিষ্ণুপুর থেকে আসছেন ভক্তদের দল। শনিবার ও রবিবার ভক্তদের ভিড় আরো বাড়ছে।

    সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মন্দির ও গোশালা দর্শণের সুযোগ থাকলেও প্রসাদ গ্রহণের জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিশেষ মূল্যের কূপন সংগ্রহ জরুরী বলে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে।

    বাঁকুড়া গোবিন্দ নগর বাস স্ট্যান্ড থেকে সরাসরি বাস পাওয়া যায়। পাঁচমুড়া বাসস্ট্যান্ডে নেমে হাটা পথ। চাইলে পাঁচমুড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে টোটো নিতে পারেন। অন্যদিকে বিষ্ণুপুর থেকেও বাস রয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Road Block: বাঁকড়ায় হাতির তাণ্ডবে নাজেহাল, পথ অবরোধ গ্রামবাসীদের

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Road Block: বারবার দাঁতালের হানায় রাতের ঘুম উড়েছে বাঁকড়া এলাকার বাসিন্দাদের । হাতির তাণ্ডবে নাজেহাল অবস্থা এলাকাবাসীর । বনদফতরকে বারবার এই বিষয়ে অভিযোগ জানানোর পরেও আশানুরূপ কোন ফল মেলেনি। যার কারণে বৃহস্পতিবার সকালে পথ অবরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন গ্রামবাসীরা। যার ফলে স্বাভাবিকভাবে যানজট সৃষ্টি হয় রাস্তায় । যদিও ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয় পুলিশ এবং বনদফতরের আধিকারিকরা । কিন্তু তাদের উপরেও ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যায় পথ অবরোধকারী গ্রামবাসীদের।

    ঘটনাটি ঝাড়গ্রামের সাঁকরাইল ব্লকের বাঁকড়া এলাকার। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে বাঁকড়া এলাকায় পথ অবরোধ করেন তাঁরা । যার ফলে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে যায় বড় বড় গাড়িগুলি। অবরোধকারীদের দাবি, প্রতিদিন দলে দলে হাতি লোকালয়ে ঢুকছে । ক্ষেতের ফসল নষ্ট করছে একইসঙ্গে সাধারণ মানুষের বাড়িঘর ভেঙে তছনছ করে দিচ্ছে। গতকাল দুপুরেও ৩০ থেকে ৩৫ টি হাতি বাঁকড়া এলাকায় ঢুকে চাষের জমি নষ্ট করে দিয়েছে। এর আগে বহুবার বনদফতরের সাহায্য চেয়েছেন তাঁরা। দফতরের কর্মীরা এসেছেন তবে কাজের কাজ তেমন কিছুই হয়নি। যার কারণে বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা।

    দ্রুত এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এমন দাবি তুলেই এই দিনের পথ অবরোধ। যদিও অবরোধকারী গ্রামবাসীদের একাংশকে বনদফতরের আধিকারিকদের সামনেই গলা চড়াতে দেখা যায়। তাদের দাবি, ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে সাধারণ খেটে খাওয়া গ্রামবাসী। এ বিষয়ে একেবারেই তৎপর নয় বনদফতর । কাজেই তাঁরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে চান। যদিও এদিন পুলিশ এবং বনদফতর আধিকারিকদের আশ্বাসে কিছুটা শান্ত হন পথ অবরোধকারীরা।

    উল্লেখ্য, ঝাড়গ্রামে চলতি বছরেই হাতির আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন এক মহিলা সহ তিনজন । ঘটনাটি ঘটে ঝাড়গ্রাম শহর সংলগ্ন কন্যাডোবা এলাকায়। প্রতিনিয়ত এই অঞ্চল গুলিতে হাতির দলের আনাগোনা আতঙ্ক হয়ে উঠেছে গ্রামবাসীদের কাছে । যখন তখন হাতির আক্রমণে প্রাণ যেতে পারে তাদের । এই আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন গ্রামবাসীরা । তাদের এই সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই, এমন দাবি তুলেই বৃহস্পতিবার পথ অবরোধ বাঁকড়ায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Kenjakura Muri Mela: মাঠের মাঝে মুড়ি উৎসব, পুঁটলিতে থাকে লোভনীয় খাবার! স্বাদ পাবেন বাঁকুড়ায়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Kenjakura Muri Mela: শীতের রোদ্দুরে খোলা প্রকাণ্ড মাঠ, সেখানে দলে দলে মানুষ এসে হাজির হচ্ছেন। সঙ্গে আছে পরিবারের লোক, আবার কারোর সঙ্গে রয়েছে প্রচুর আত্মীয়-স্বজন। একটাই উদ্দেশ্য, মাঠে গিয়ে সবাই মিলে মুড়ি খাবেন। সঙ্গে আছে মুড়ি, চপ, বেগুনি, সিঙারা। যার যেমন সামর্থ্য তেমন ভাবেই পুঁটলি বেঁধে চলে যান মাঠে। তারপর সবাই মিলে মাটিতে বসে গোল হয়ে একসাথে যোগ দেন মুড়ি উৎসবে। পশ্চিমবঙ্গের গ্রাম বাংলার আনাচে-কানাচে রয়েছে প্রচুর সংস্কৃতি। ঐতিহ্য আর সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ার এক গ্রামে হয় মুড়ির মেলা। এই মেলা দেখতে শুধু এই রাজ্য নয়, ভিন রাজ্য থেকেও বহু মানুষ এখানে হাজির হন।

    কেন মুড়ি খেতে জড়ো হন লক্ষাধিক মানুষ ?

    মেলার মূল কেন্দ্রে রয়েছে মুড়ি। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি দিনে মুড়ি ভিজিয়ে খাওয়ার জন্য হাজার হাজার মানুষ হাজির হয় এই বিশেষ মেলায়। সমস্ত পশ্চিমবঙ্গবাসীর কাছে বাঁকুড়ার মুড়ির মেলা অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

    বাঁকুড়ার লাল মাটি আর তার সাথে ধবধবে সাদা মুড়ির মেলা যেন অন্য এক প্রেমের কথা রচনা করে। শীতের রোদে খোলা আকাশে দারকেশ্বর নদীর চরে মেলা যেনো মুড়িময় হয়ে ওঠে। প্রতিবছর মাঘ মাসের ৪ তারিখে এই মেলা আয়োজিত হয়। বাঁকুড়ার এক নম্বর ব্লকের কেঞ্জাকুরা গ্রামে দারকেশ্বর নদীর পাড়ে প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ হাজার মানুষ এই মুড়ির মেলায় অংশগ্রহণ করেন। মেলায় অংশগ্রহণ করার একটাই মূল উদ্দেশ্য , জলে ভিজিয়ে মুড়ি খাওয়া।

    প্রায় পঞ্চাশ থেকে ষাটটি গ্রামের মানুষ একত্রিত হয় এই মুড়ির মেলায়। তার মধ্যে থাকে আত্মীয়-স্বজন এবং অন্যান্য জেলার লোকজন। প্রত্যেকে গামছা করে আনেন মুড়ি। তারপর দারকেশ্বরের চড়ে গর্ত খুলে, গর্তের পরিষ্কার জল গামছা দিয়ে ছেঁকে নেওয়া হয়। সেই জলে ভিজিয়ে খাওয়া হয় মুড়ি। মেনুতে থাকে মুড়ির সাথে আলুর চপ , বেগুনি, পিয়াঁজ, লঙ্কা, সিঙারা প্রভৃতি। অনেক গ্রামবাসী আবার সঙ্গে নিয়ে আসেন নাড়ু ও পিঠে। মেনুতে বাদ যায়না টমেটো ও কড়াইশুঁটি।

    বাঁকুড়ার মুড়ির মেলা একশো বছরেরও বেশি প্রাচীন । তবে গত ত্রিশ বছরে সর্বাধিক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বাঁকুড়া শহর থেকে মাত্র কুড়ি কিলোমিটার দূরত্বে দারকেশ্বর নদীর তীরে রয়েছে সঞ্জীবনী মাতার আশ্রম। অনেক কাল আগে আশ্রমের আশেপাশেএকসময় ঘন জঙ্গল ছিল। হরিনাম সংকীর্তন করতে এবং শুনতে যাঁরা এই আশ্রমে আসতেন, তাঁরা রাত্রে আর ফিরতে পারতেন না। তাই সঙ্গে আনা মুড়ি ও বাতাসা ছিল প্রকৃত ভরসা। এই রেওয়াজ ধীরে ধীরে বর্তমানের মুড়ির মেলার রূপ ধারণ করেছে। মেলার দিন সঞ্জীবনী মাতার আশ্রমে খিচুড়ি প্রসাদ বিতরণ করা হয়। মুড়ি মেলার অন্যতম একটি আকর্ষণ হলো, পড়ন্ত বিকেলে মেলার পর আশ্রমের খিচুড়ি প্রসাদ সংগ্রহ ।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mithun Chakraborty: দুর্ঘটনার কবলে মহাগুরু! এখন কেমন আছেন মিঠুন চক্রবর্তী ?

    ।।প্রথম কলকাতা।।

    Mithun Chakraborty: দুর্ঘটনার কবলে পড়ল ‘মহাগুরু’ মিঠুন চক্রবর্তীর গাড়ি। বাঁকুড়া থেকে আসানসোল যাওয়ার পথে মিঠুন চক্রবর্তীর গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়ে। তবে মিঠুন চক্রবর্তী সহ তাঁর সঙ্গে থাকা সকলে সুরক্ষিত আছেন বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে।

    শনিবার বাঁকুড়ায় কর্মসূচি ছিল মিঠুন চক্রবর্তীর (Mithun Chakroborty)। বাঁকুড়ার কর্মসূচি শেষ করে আসানসোলের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। নিরাপত্তার জন্য মিঠুন চক্রবর্তী আগে ও পরে ছিল একাধিক গাড়ি। জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুর ছাড়ার পরেই একটি তিন মাথার মোড়ে আচমকাই তাঁর কনভায়ের সামনে একটি সাইকেল চলে আসে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে ব্রেক কষে একেবারে সামনে থাকা গাড়িটি। তারপরে ওই গাড়ির পেছনে থাকা মিঠুন চক্রবর্তীর গাড়ি গিয়ে ধাক্কা মারে সামনের গাড়িতে। অন্যদিকে পেছনে থাকা নিরাপত্তা রক্ষীদের গাড়িটি ধাক্কা মারে সামনের মিঠুন চক্রবর্তীর গাড়িতে।

    এই দুর্ঘটনায় মহাগুরুর গাড়ির সামনের অংশ খুলে যায়। মেরামত করতে মিস্ত্রি ডেকে পাঠানো হয়। তারপর মিঠুন চক্রবর্তী একরকম ভাঙা গাড়িতেই চড়ে বসেন। তারপর কনভয় ছোটে আসানসোলের দিকে। তবে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে মিঠুন চক্রবর্তী ও গাড়ির অন্যান্য আরোহীরা সুরক্ষিতই আছেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bankura: মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকেই মিলবে পাট্টা, কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা বাঁকুড়াবাসীর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bankura: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে পাট্টা নেওয়ার আনন্দে আত্মহারা এই জমিহীনরা। বাঁকুড়া জেলার অধিকাংশ মানুষই দিনমজুর। অনেকের কাছেই নিজস্ব জমি বলতে কিছুই নেই। তাই আগামীকাল নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী তাদের হাতে তুলে দেবেন পাট্টা। এর জন্য বাঁকুড়া জেলা থেকে ৮০ জনের নাম তালিকা ভুক্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে থেকে জয়পুর ব্লকের ১৬ জন বুধবার রওনা দিয়েছেন কলকাতার উদ্দেশ্যে। এদের মধ্যে থেকেই চারজন একেবারে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে পাট্টা নেবেন বলে জানা গিয়েছে।

    পাট্টা কী ?

    পাট্টা হল অতি পুরনো একটি ভূমি বন্দোবস্ত চুক্তিপত্র। আরও সহজ ভাষায় বলতে গেলে পাট্টা  হল কোনো ব্যক্তির জমি ভোগ দখলের অধিকার পত্র। পূর্বে যদিও রাজা বা জমিদারদের কাছ থেকে শর্তসাপেক্ষে এই জমি মিলত। তবে বর্তমানে জমির পাট্টা মেলে সরকারের তরফ থেকে। পাট্টার শর্তগুলি মেনে নিয়ে প্রজা (বর্তমানে সাধারণ মানুষ) যে সম্মতিপত্র দেন তা কবুলিয়াত।

    পাট্টাকে একপ্রকার জমির দলিল বলা যায়। এই পাট্টার শর্তগুলির মধ্যে জমির সীমানা, জমির পরিমাণ, তার গুণগত মান জমির লিজ, খাজনার হার, খাজনা প্রদানের পদ্ধতি সমস্ত কিছুই লিপিবদ্ধ থাকে। মূলত চাষ করার জন্য এবং অনেক সময় বসবাসের জন্য এই জমির পাট্টা দেওয়া হয়। ওই জমিতে কৃষকের কিংবা বসবাসকারী ব্যক্তির অধিকার রয়েছে এমন তথ্য দিয়েই সরকারের পক্ষ থেকে দলিল দেওয়া হয়। তাকেই বলা হয় পাট্টা। যাকে জমি দেওয়া হল তাকে এবার সরকারকে নির্দিষ্ট পরিমাণে কিছু রাজস্ব দিতে হবে। সেই কথা কবুল করে যে দলিল তিনি সরকার পক্ষকে দেবেন সেটি কবুলিয়ত বলে ধরা হয়।

    উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাট্টা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে কলকাতায় । যার জন্য জয়পুর ব্লকের ভূমি রাজস্ব দফযরের আধিকারিকরা নিজে দাঁড়িয়ে থেকে জয়পুর থেকে প্রায় ১৬ জনকে কলকাতায় যাওয়ার এবং সেখানে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন । এই তালিকায় যারা রয়েছেন তাঁরা প্রত্যেকেই নয় চাষাবাদের সঙ্গে যুক্ত নয় দিনমজুরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন । কাজেই মুখ্যমন্ত্রীর হাতে জমি পাওয়ার আনন্দ তাদের চোখে মুখে স্পষ্ট।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version