Category: টপ ফাইটস

  • শনির কৃপা পেতে ও অর্থকষ্ট থেকে মুক্তি

    শনির কৃপা পেতে ও অর্থকষ্ট থেকে মুক্তি

    প্রথম কলকাতা : অর্থ কষ্টে জর্জরিত? দেনার দায়ে ডুবে আছেন? অনেক সময় দেখা যায়, একের পর এক বাধা আসছে জীবনে—ব্যবসায় লোকসান, চাকরিতে অস্থিরতা, সংসারে আর্থিক অশান্তি। জ্যোতিষ শাস্ত্র বলছে—এ সবই শনির প্রভাবের কারণে হতে পারে। শনিদেবের কৃপা লাভের মাধ্যমে এই দুরবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রাচীন বাস্তু ও জ্যোতিষ মতে কিছু সহজ উপায় বা শনিবারের টোটকা মানলে নাকি অর্থকষ্ট কমে, সাফল্যের দরজা খুলে যায়।

    🔱 ১. শনিদেবের পূজা করুন

    শনিবার সকালে বা সন্ধ্যায় কালো তিল বা সরষের তেল দিয়ে শনিদেবকে পূজা করুন।
    শনিদেবের মূর্তির সামনে একটি প্রদীপ জ্বালিয়ে “ওঁ শাম শনৈশ্চরায় নমঃ” মন্ত্র জপ করলে শনি দোষ নিবারণ হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।

    🐕 ২. কালো কুকুর বা কাককে খাবার দিন

    শনিবার কালো কুকুর বা কাককে খাবার দিলে শনিদেব খুশি হন।
    বিশেষত রুটি, তিল বা দুধ মেশানো খাবার দিলে ফল দ্রুত পাওয়া যায় বলে মনে করা হয়।

    🌳 ৩. অশথ গাছের নিচে প্রদীপ জ্বালান

    শনিবার সন্ধ্যায় অশথ গাছের নিচে সরষের তেলের প্রদীপ জ্বালানো খুবই শুভ।
    এই উপায় শনিদোষ কমিয়ে জীবনের বাধা দূর করে বলে বাস্তু ও পুরাণে উল্লেখ আছে।

    🌿 ৪. তুলসী গাছের যত্ন নিন

    শনিবার তুলসী গাছে জল দিন এবং পরিষ্কার রাখুন।
    বিশ্বাস করা হয়, তুলসী দেবীর আশীর্বাদে গৃহে ধন-সম্পদ ও শান্তি বৃদ্ধি পায়।

    🕉️ ৫. দান-ধ্যান ও সৎ কাজ করুন

    শনিবার গরিব মানুষকে পোশাক, কালো তিল বা তেল দান করুন।
    দান-ধ্যান শনিদেবকে তুষ্ট করে এবং জীবনে সৌভাগ্য নিয়ে আসে বলে শাস্ত্রীয় মত।


    নোট: উপরের সকল তথ্য বাস্তু ও জ্যোতিষ শাস্ত্রের ভিত্তিতে বলা হয়েছে। এটি আপনাকে বিশ্বাস করতে বা পালন করতে বাধ্য করে না। প্রয়োজনে জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    📍 উৎস: প্রাচীন বাস্তুশাস্ত্র, ব্রহ্ম পুরাণ, জ্যোতিষ গ্রন্থসমূহ

  • Top Fights: ত্রিপুরার নির্বাচনে বড়দোয়ালি থেকে TMC’র প্রার্থী অনন্ত ব্যানার্জি, প্রতিপক্ষ মানিক সাহা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Top Fights: আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা, তার পরেই জানা যাবে ত্রিপুরায় (Tripura) বিজেপি থাকবে নাকি নতুন সরকার গড়বে তৃণমূল (Trinamool)। বাংলার বাইরে অন্য রাজ্যে নিজেদের ভীত শক্ত করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন দল। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন (Tripura Assembly Election)। শেষ পর্যায়ের প্রচার সারছে সব রাজনৈতিক দলগুলি। প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী টাউন বড়দোয়ালি থেকে তৃণমূলের প্রার্থী অনন্ত ব্যানার্জি। অপরদিকে বিজেপি দাঁড় করিয়েছে রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহাকে।

    ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা আইনজীবী পীযূষকান্তি বিশ্বাসের সঙ্গে আরও পাঁচজন কংগ্রেস নেতা ‘টিএমসি’তে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে নাম ছিল অনন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ananta Banerjee)। এবার ঘাসফুল শিবিরের হয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন তিনি। নয়া দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জির (Abhishek Banerjee) উপস্থিতিতে ঘাসফুল শিবিরের পতাকা হাতে তুলে নেন। সেই সময় তৃণমূলই বিজেপিকে হাটিয়ে সরকার গড়তে পারবে এবং রাজ্যে একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পারবে, বলে মনে করেছেন বিদায়ী কংগ্রেস নেতারা। আর সেখান থেকেই দল বদলানোর সিদ্ধান্ত। আগে ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন অনন্ত ব্যানার্জি।

    এদিকে বিপ্লব দেব চলে যাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছেন মানিক সাহা (Manik Saha)। এর আগে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন সিপিএমের মানিক সরকার। বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক দশ মাস আগে আচমকা মুখ্যমন্ত্রী বদল হয় ত্রিপুরেশ্বরী রাজ্যে। ২০১৬-তে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর বিজেপি ইউনিটের সভাপতি হয়েছিলেন তিনি। রাজ্যসভার সদস্য হিসেবেও মনোনীত হয়েছিলেন মানিক সাহা। এর পর সর্বসম্মতিক্রমে মুখ্যমন্ত্রী জায়গায় বসেছেন তিনি। এবারে অনন্ত ব্যানার্জির বিপরীতে দাঁড়িয়েছেন ত্রিপুরার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। দেখার, জনগণ কাকে বেছে নেয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Top Fights : বনমালীপুর থেকে লড়বেন BJP রাজ্য সভাপতি, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলের যুব নেতা

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Top Fights : ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফ থেকে তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। বিজেপির তরফ থেকে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে ত্রিপুরা ( Tripura) বিধানসভার বিভিন্ন কেন্দ্রে । তার মধ্যে নাম নেই ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের । বরং তাঁর আসন থেকে বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করতে চলেছেন ত্রিপুরার বিজেপি রাজ্য সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য ( Rajib Bhattacharya)। ওই একই কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে রাজীব ভট্টাচার্যের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তৃণমূল প্রার্থী শান্তনু সাহা।

    ত্রিপুরা রাজনীতিতে রাজীব ভট্টাচার্য বিপ্লব দেবের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত ছিলেন । যে সময় বিপ্লব দেব মুখ্যমন্ত্রী পদের দায়িত্ব পালন করছিলেন সেই সময়ও মহাকরণে রাজীব ভট্টাচার্যের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর প্রায়ই সাক্ষাৎ হতো বলে জানা যায়। কাজেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি অনুযায়ী , ত্রিপুরার বিজেপিতে বিপ্লবের বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিতদের মধ্যে অন্যতম হলেন রাজীব ভট্টাচার্য। আর ২০২৩ এর বিধানসভা নির্বাচনে প্রাক্তন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের আসন থেকেই লড়াই করবেন তিনি।

    এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে ত্রিপুরার বনমালীপুর ( Banamalipur) বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে শান্তনু সাহাকে। তিনি ত্রিপুরার তৃণমূল কংগ্রেসের যুব নেতা। ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে বিপুল ভোটে জয়ী করতে এবং ত্রিপুরার সরকার পরিবর্তনের ডাকে দলীয় কর্মীদের নিয়ে প্রচারে নেমেছেন শান্তনু সাহা (Santanu Saha) । ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে প্রচার করার পাশাপাশি তাদের শান্তি সম্প্রীতি ও উন্নয়নের বার্তা দিয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে।

    উল্লেখ্য, ত্রিপুরা বিধানসভার ৬০ আসন বিশিষ্ট। তার মধ্যে থেকে বিজেপির তরফ থেকে ৫৯ টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়ে গিয়েছে। এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে সব মিলিয়ে মোট ২২ টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তার মধ্য ছয় জন সিডিউল ট্রাইব, দুজন সিডিউল কাস্ট, দুজন মহিলা প্রার্থীর নাম রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিকের বিরুদ্ধে তৃণমূলের হয়ে ধনপুর বিধানসভা কেন্দ্রে লড়বেন হাবিল মিঁয়া।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Top Fights: ত্রিপুরার ভোটের ময়দানে BJP প্রার্থী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, প্রতিপক্ষ তৃণমূলের হাবিল মিঁয়া

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Top Fights: ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে বর্তমানে ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুতি একেবারে একেবারে তুঙ্গে। ত্রিপুরা, মেঘালয় এবং নাগাল্যান্ডের শাসক শিবির থেকে শুরু করে বিরোধীপক্ষ সকলেই বিধানসভার আসনে প্রার্থী বন্টনে ব্যস্ত। কোন কোন রাজ্যে তৈরি হচ্ছে জোট, আবার কোন রাজ্যে জোটের পরিকল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত হিসাবে গড়মিল দেখা যায় । এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির (BJP) হয়ে ত্রিপুরায় (Tripura) কারা লড়বেন তার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে একাধিক মহিলা প্রার্থীর নাম।

    ত্রিপুরায় বিজেপির প্রার্থী তালিকার মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা ত্রিপুরারই ভূমি কন্যা প্রতিমা ভৌমিক। ৬০ আসন বিশিষ্ট ত্রিপুরা বিধানসভার ধনপুর আসন থেকে নির্বাচনে লড়বেন তিনি । ইতিমধ্যেই ধনপুর (Dhanpur) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক (Pratima Bhowmik) সোনামুড়া মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে এসেছেন। নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পূর্বে তিনি দুর্গা বাড়িতে পুজো দেন। আর তারপর রওনা দেন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে। প্রতিমা ভৌমিকের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও বিপুল জনসমাবেশ লক্ষ্য করা গিয়েছিল।

    অন্যদিকে ২০২৩ এর বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তৃণমূলের হাবিল মিঁয়া (Habil Mia)। ধনপুর আসন থেকে লড়াই করার জন্য তাঁর নাম ঘোষণা করেছে ঘাসফুল শিবির (TMC) । এই ধনপুর কেন্দ্রটি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের জায়গা হিসেবেই পরিচিত। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন সরকার তৃণমূল কংগ্রেস বর্তমানে রাজ্যের বাইরেও তাদের সংগঠনকে মজবুত করতে চাইছে। এই কারণে ত্রিপুরা, মেঘালয়ে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের তরফ থেকে। যদিও ২০১৮ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের তরফ থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়। কিন্তু সে রাজ্যে বিশেষ কোনো সুবিধা করতে পারেনি এই দল। তবে এবার আবারও লড়াইয়ে প্রস্তুত তৃণমূল কংগ্রেস। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরায় হতে চলেছে বিধানসভা নির্বাচন। বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় তৃণমূল কতটা নিজের জায়গা তৈরি করতে পারবে তা অবশ্য বোঝা যাবে ২ মার্চ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Top Fights: মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রাক্তন বিচ্ছিন্নতাবাদী, প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Top Fights: ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি বেশ সরগরম। কোন দল জোট বাঁধছে, কোন দল একক ভাবে লড়াই করছে, আবার কোন দল কোথায় কোন প্রার্থী দিচ্ছে এই নিয়ে চলছে বহু আলোচনা। এরই মাঝে মেঘালয় বিজেপির (Meghalaya BJP) প্রার্থী ঘোষণা করা হল। প্রার্থী তালিকায় রয়েছে প্রাক্তন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা বার্নার্ড এন মারাক (Bernard N Marak)। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কোনরাড সাংমার (Conrad Sangma) কেন্দ্র থেকে।

    মুখ্যমন্ত্রী সাংমা, মেঘালয়ের দক্ষিণ তুরা সংসদীয় কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করবেন। সেখানেই গেরুয়া শিবির তাদের প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করেছে বার্নার্ডের। এক সময় এই বিজেপি (BJP) নেতা মেঘালয়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। শুধু তাই নয়, এই নেতার বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা দায়ের করা রয়েছে, এমনটাই জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই ধরনের কোন একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গ্রেফতার করা হয়েছিল বার্নার্ডকে। ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে তিনি মেঘালয়ের একটি আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান।

    এরপর বার্নার্ড যোগ দেন বিজেপিতে। দলের তরফ থেকে মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা প্রসঙ্গে বলা হয়, মেঘালয়ে বিজেপির তরফ থেকে কারা কারা বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করবেন তা ঠিক করার জন্য বুধবার একটি নির্বাচনী কমিটির বৈঠক বসে। সেই কমিটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন খোদ বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। ওই বৈঠকেই সবার সম্মতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে রাজ্যের প্রাক্তন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা তথা বর্তমানে বিজেপির অন্যতম নেতৃত্ব বার্নার্ড এন মারাককে মুখ্যমন্ত্রী সাংমার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।

    এদিকে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি বর্তমানে মেঘালয়ে শাসক দলের পর্যায়ে রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হলেন কনরাড সাংমা। ২০২৩ এর মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনে ৭ টি আসনের মধ্যে বিজেপির তরফ থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে মাত্র ২০ টি আসনে। আর বাকি ৪০টি আসনে প্রার্থী দেবে জোট NDPP পার্টি। চলতি বছরে নির্বাচনে বিজেপির ট্যাগলাইন রাখা হয়েছে ‘এম-পাওয়ার’।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Top Fights: এক সময় ছেড়েছিলেন কংগ্রেস, সেই আশিসই লড়বেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Top Fights: ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি। ইতিমধ্যেই এই নির্বাচনকে ঘিরে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল কোমর বেঁধে প্রচারের কাজে নেমেছে। প্রার্থী তালিকা আগেই প্রকাশ করা হয়ে গিয়েছে বাম, কংগ্রেস, বিজেপির তরফ থেকে। আর সেই প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী ত্রিপুরার (Tripura) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী পদে না থাকলেও রয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। তিনি ত্রিপুরার টাউন বড়দোয়ালি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী। ওই কেন্দ্র থেকেই তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কংগ্রেসের আশিস কুমার সাহা (Ashish Kumar Saha) ।

    ত্রিপুরায় বিগত পুরভোটের আগে বিজেপি দলকে চূড়ান্ত অস্বস্তির মধ্যে ফেলেছিলেন দলেরই দুই বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ এবং আশিস কুমার সাহা। কারন তাঁরা বিজেপি ছেড়ে তাদের পুরনো দল কংগ্রেসের হাত ধরেন। বিজেপি দলের বিধায়ক পদে দায়িত্বে ছিলেন তাঁরা। কিন্তু ওই বছর ফেব্রুয়ারি মাস নাগাদ বিজেপি ত্যাগ করেন সুদীপ রায় বর্মণ। একই সঙ্গে দল ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন আশিস কুমার সাহা। পুরনো দল অর্থাৎ কংগ্রেসে পুনরায় ঘরওয়াপসি হয় তাদের। এবার সুদীপ এবং আশিস দুজনেই ২০২৩ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী হয়েছেন। সুদীপ বর্মণ লড়াই করবেন আগরতলা কেন্দ্র থেকে।

    অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বিপ্লব দেব গত বছরে পদত্যাগ করেন। আর তারপর সেই জায়গায় বিজেপি দায়িত্ব আনে মানিক সাহাকে (Manik Saha)। ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের ৬০ টি আসনের মধ্যে ৪৮ টি আসনে বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে তাঁরা। যার মধ্যে নাম দেখা যায়নি, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের। বিজেপির ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী তিনি টাউন বড়দোয়ালি কেন্দ্র থেকে এই বছরের বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করবেন। বিপ্লব দেব প্রার্থী তালিকায় না থাকার কারণে সে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা উঠে আসে।

    উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে (Tripura Assembly Election) ওই রাজ্যের রাজনীতিতে এক বিরাট পালা বদল ঘটে। কারণ সেখানে ২৫ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে প্রথমবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছিলেন বিজেপির সদস্য। তাঁরা সেবারের নির্বাচনে ৬০ টি আসনের মধ্যে জয়লাভ করেছিলেন ৩৬ টি আসনে। তাদের প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল ৪৩.৫৯ শতাংশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Top Fights: মেঘালয় ভোটে তৃণমূলের মুখ মুকুল, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কংগ্রেসের ভিনসেন্ট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Top Fights: মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনের আর হাতে গোনা কিছুদিন বাকি। ফেব্রুয়ারির ২৭ তারিখ ২০২৩ এর বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে মেঘালয়ে। ৬০ আসন বিশিষ্ট মেঘালয় বিধানসভায় (Meghalaya Assembly) ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দল তাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। কংগ্রেসের তরফ থেকে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ৫৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে ৬০ টি আসনের মধ্যে ৫২ টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এককথায় সব মিলিয়ে চলছে জোরদার প্রস্তুতি। কোন দলই নিজের জায়গা এক ইঞ্চিও ছাড়তে নারাজ।

    তৃণমূলের তরফ থেকে যে ৫২ টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে, তার মধ্যে দুটি আসনে প্রার্থী হিসেবে নাম রয়েছে মুকুল সাংমার (Mukul Sangma)। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে মেঘালয়ে তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হলেন মুকুল। তিনি সোংসাক এবং তিকরিকিল্লা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন। অন্যদিকে রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি এবং শিলং সংসদীয় আসনের লোকসভা সাংসদ ভিনসেন্ট এইচ পল (Vincent H Paul) এবার বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কংগ্রেসের ঘোষিত ৫৫ জন প্রার্থীর মধ্যে তিনি সুতাঙ্গা সাইপুং বিধানসভা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের হয়ে লড়বেন এমনটাই জানা গিয়েছে।

    ২০১৮ সালের মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে তৈরি হয়েছিল টানটান উত্তেজনা। কারণ গতবার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি মেঘালয়ে প্রার্থী দিয়েছিল ৪৭ টি আসনে । তার মধ্যে কয়েকটি আসনে জয়লাভ করে। তবে ১৯ আসন জয়ী এনপিপি এর সঙ্গে জোট বাঁধে বিজেপি। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছিল আটটি আসনে। তাঁরা আটটি আসনেই জয়লাভ করে। আর কংগ্রেস সেবারে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হয়েছিল। তাঁরা ৬০ টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ২১ টি আসনে জিতেছিল। কিন্তু ১৯ আসনে জয়ী ন্যাশনাল পিপলস পার্টি অন্যান্য বেশ কয়েকটি পার্টি সহ বিজেপির সঙ্গে জোট করে একটি জোট রাজ্য সরকার গঠন করে। যার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন কনরাড সাংমা।

    চলতি বছরে মেঘালয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিস্তারকে পাখির চোখ করেছে দল। ঘনঘন উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে জনসংযোগের জন্য এসেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে মেঘালয় তাদের সংগঠন যথেষ্ট শক্তিশালী। কাজেই তাকে আরও বেশি কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুকুল সাংমা যদিও ২০১৮ সালে কংগ্রেসেই ছিলেন। কিন্তু ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে তিনি দলবদল করেন। এনপিপির বিরোধী দল হিসেবে মেঘালয়ে কংগ্রেস কাজ করতে পারছে না। এমনটাই সাফাই দিয়েছিলেন তিনি। বেশ কয়েকজন বিধায়ক নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করায় মেঘালয়ের প্রধান বিরোধী দলে পরিণত হয় তৃণমূল কংগ্রেস।

    ইতিমধ্যেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বেশ কয়েকবার মেঘালয় সফর সেরে ফেলেছেন। সেখানকার মানুষের সঙ্গে কথাবার্তা থেকে শুরু করে তাদের একাধিক প্রতিশ্রুতি দিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় যে, মেঘালয়ে যদি তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হয় তাহলে জনজাতির উন্নতির স্বার্থে তাঁরা কাজ করবে। বাংলায় যেমন মহিলাদের আত্মনির্ভর করে তোলার জন্য লক্ষ্মী ভান্ডার প্রকল্প চালু করা হয়েছে, তেমনি মেঘালয়ের মহিলাদের জন্য ভাতা প্রকল্প চালু করা হবে। কাজেই এবার দেখার বিষয় আদৌ কী ফলাফল দাঁড়ায় মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version