Tag: Russia-Ukraine war

  • রাশিয়ার সমুদ্রসৈকতে ড্রোন হামলা: মস্কোর দাবি এক, কিয়েভের অবস্থান কী?

    রাশিয়ার সমুদ্রসৈকতে ড্রোন হামলা: মস্কোর দাবি এক, কিয়েভের অবস্থান কী?

    Russia Ukraine Drone Attack: রাশিয়ার কৃষ্ণসাগর উপকূলের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র গেলেনঝিক-এর কাছে আরখিপো-ওসিপোভকা সমুদ্রসৈকতে ড্রোন হামলায় অন্তত ৭ জন নিহত এবং ৪০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে রাশিয়া। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশু রয়েছে বলেও জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

    রাশিয়ার দাবি কী?

    রাশিয়ার ক্রাসনোদার ক্রাই অঞ্চলের গভর্নর ভেনিয়ামিন কন্দ্রাতিয়েভ জানান, একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন জনাকীর্ণ সমুদ্রসৈকতে আঘাত হানায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। তাঁর দাবি, হামলার সময় সৈকতে বহু পর্যটক উপস্থিত ছিলেন এবং বিস্ফোরণে বহু মানুষ গুরুতর আহত হন।

    রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, একই রাতে ইউক্রেন শতাধিক ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে হামলার চেষ্টা চালায়। তাদের দাবি, বেশিরভাগ ড্রোনই রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করেছে। তবে কয়েকটি ড্রোন লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছতে সক্ষম হয়।

    রুশ প্রশাসনের অভিযোগ, ইউক্রেন ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করছে, যা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের পরিপন্থী।

    ইউক্রেন কী বলেছে?

    এই নির্দিষ্ট সমুদ্রসৈকত হামলার বিষয়ে ইউক্রেন সরকার বা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক তাৎক্ষণিকভাবে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

    তবে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছে, তারা রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি, বিমানঘাঁটি, গোলাবারুদ ডিপো এবং যুদ্ধ পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত অবকাঠামোকে লক্ষ্য করেই হামলা চালায়। বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা চালানো তাদের নীতি নয় বলেও ইউক্রেন বারবার দাবি করে এসেছে।

    ঘটনাস্থল কোথায়?

    ঘটনাটি ঘটেছে রাশিয়ার ক্রাসনোদার ক্রাই অঞ্চলের গেলেনঝিক শহরের কাছে অবস্থিত আরখিপো-ওসিপোভকা সমুদ্রসৈকতে। গ্রীষ্মকালে এটি রাশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

    এখনও কী স্পষ্ট নয়?

    এই বিস্ফোরণ ড্রোনের সরাসরি আঘাতে হয়েছে, নাকি রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুলিতে ড্রোন ভূপাতিত হওয়ার পর তার ধ্বংসাবশেষ সৈকতে পড়ে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

    ফলে ঘটনাটি নিয়ে দুই দেশের দাবি-পাল্টা দাবির মধ্যেই তদন্ত চলছে এবং আন্তর্জাতিক মহলও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

    #RussiaUkraineWar #DroneAttack #RussiaNews #Ukraine #BlackSea #WorldNews #BreakingNews #Russia #UkraineConflict #InternationalNews

  • পুতিনের ১ নিশানায় ঘায়েল ১০! ইসকান্দার ভয়ানক রূপে, জেলেনস্কি কাঁপছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    রাশিয়ার একটা হামলায় দশবার অ্যাটাক। ইউক্রেনে নয়া রূপে পুতিন আনলেন ইসকান্দারকে। যু্দ্ধের এই পরিস্থিতিতে এ কোন নয়া বিধ্বংসী ক্ষেপনাস্ত্র? ইউক্রেনের সেনা হকচকিয়ে গেল কাতাকে কাতারে সেনা শেষ হবে জেলেনস্কি সামরিক সাফল্যের দাবি করতেই পুতিনের খেলা শুরু। ইউক্রেন একের পর এক চাঞ্চল্যকর দাবি করছে আর রাশিয়া যুদ্ধের ময়দানে সরাসরি চমকে দিচ্ছে কিয়েভকে। ইউরাএশিয়ার রিপোর্টে উঠে এসেছে সেই তথ্যই। একটাই টার্গেট আর সেখানে রুশ মিশাইল হামলা চালাচ্ছে একের অধিক বার। এর মানে কত বড় ধ্বংসলীলা বুঝতে পারছেন? রাশিয়া আবারও বের করল ইসকান্দার ক্ষেপনাস্ত্র। এ যেন তার অনেক বেশি ভয়ঙ্কর রূপ। ইউক্রেনকে কি বিশ্বকে বোঝাতে চাইছে?

    রাশিয়ার হামলার প্রায় ২০ মাস পর আরও কিছু অধিকৃত এলাকা উদ্ধার করতে পেরেছে ইউক্রেন। সাফল্যের স্বার্থে তাই প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সামরিক বাহিনীতে দ্রুত পরিবর্তনের ওপর জোর দিচ্ছেন। ইউক্রেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে এক ধাক্কায় প্রায় তিন থেকে আট কিলোমিটার এলাকা রাশিয়া থেকে দখলমুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। সেই অভিযানে দিনিপ্রো নদীর তীরে রুশ সৈন্যরা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র অবশ্য জানিয়েছেন রাশিয়া ক্রমাগত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। আর এটা শুধু হামলা নয় এটা বিধ্বংসী হামলা। ইসকান্দর ভূমি থেকে ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনের জন্য অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেতে পারে। এটা যুদ্ধ শুরুর সময় প্রেডিক্ট করেছিলেন যু্দ্ধ বিশেষজ্ঞরা। স্বল্পপাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি একটি ট্রাকের উপরে চাপানো থাকে। প্রতিটি ট্রাকে দু’টি করে ইসকান্দর ক্ষেপণাস্ত্র থাকতে পারে। ১৬ মিনিট ছাড়া ছাড়া এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি নিক্ষেপ করা যেতে পারে।

    এবার শুনুন এর নয়া ভার্সনের কামাল ইউরাএশিয়ার প্রতিবেদন থেকে জানতে পারা যাচ্ছে সম্প্রতি ইউক্রেনের ঝাপোরিজিয়া এলাকায় এই ইসকান্দার দিয়েই অ্যাটাক করেছিল রাশিয়া। সেখানেই লক্ষ্য করা যায় একটা টার্গেটেই বারবার হামলা করছে মিশাইল। প্রথমে দুবার দাগা হয় এই মিশাইল এরপর ইউক্রেন মিলিটারি ঘটনাস্থলে পৌঁছতেই ফের দাগা হয় ইসকান্দর। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা শীতকালে মূলত এই ঝাপোরিঝিয়া বিদ্যুত কেন্দ্র ও এর সংলগ্ন এলাকাকেই টার্গেট করবে মস্কো। আর সেটা যদি ইসকান্দার ক্ষেপনাস্ত্র দিয়েই করা হয় তাহলে তো ইউক্রেনের বড় বিপদ ঘনিয়ে আসছে।গতবার শীতকালের মতো এবারও রাশিয়া ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর জোরালো হামলা চালাবে বলে কিয়েভের নেতৃত্ব আশঙ্কা করছে। প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি বলে দিয়েছেন হাতে তাদের সময় বড্ড কম। রাশিয়া বিদ্যুৎ ও উত্তাপ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাতে হামলা বাড়াতে পারে। তাই তিনি যাবতীয় সমস্যা ও অবসাদ সত্ত্বেও ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর উদ্দেশ্যে ১০০ শতাংশ সক্রিয় থাকার ডাক দিয়েছেন কিন্তু তাতে কি আর পুতিন বাহিনীকে আটকানো সম্ভব প্রশ্ন উঠছে বড়সড়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুতিনের ম্যাগনেটিক পাওয়ার ? ইউক্রেনের অদ্ভুত আচরণ, মাটি ছাড়ছে কারা, রহস্য ফাঁস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুতিনের খতরনাক ম্যাগনেটিক পাওয়ার? মস্কোর মাটির তলায় কি আছে? দেখুন কারা রাতের অন্ধকারে ইউক্রেনের মাটি ছাড়ছে? এদের ভেতর কোন অসুস্থা বাসা বেঁধেছে? কিভাবে ইউক্রেন থেকে এই মানুষগুলোকে টেনে নিচ্ছেন পুতিন? জেলেনেস্কির বড় ভুল, ইউক্রেন কেমন অদ্ভুত আচরণ করছে! যুদ্ধের দেড় বছর পর কিয়েভের আসল রহস্য ফাঁস। সত্যিই কী ইউক্রেনের মাটিতে বিষ আছে? কেন কোনো পুরুষ এই দেশে থাকতে পারেনা? জানেন প্রতি রাতে কী ঘটে ইউক্রেনের বুকে? দেড় বছর ধরে রাশিয়ার সঙ্গে লড়াই করে টিকে আছে ইউক্রেন।দেশটিকে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র সহ অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলো। তবে মাঠে-ময়দানে লড়াই করতে হয়েছে ইউক্রেন বাসীদেরকেই। যুদ্ধ শুরুর পর সেনাবাহিনীতে যুবকদের যোগদান বাধ্যতামূলক করেছে কিয়েভ। আর এখানেই গণ্ডগোলের সূত্রপাত।

    প্রথম দিকে দেশমাতৃকার ডাকে হাজার হাজার যুবক সাড়া দিলেও বর্তমানে উল্টো ছবি দেখছে ইউক্রেন। যুদ্ধে যোগদান এড়াতে এখন ইউক্রেনীয় যুবকরা দলে দলে দেশ ছাড়ছে। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক যোগদান এড়াতে এখনও পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার পুরুষ ইউক্রেন ছেড়ে পালিয়েছে। তাছাড়া দেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করার সময় ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের হাতে ধরা পড়েছে আরও ২১ হাজার ১১৩ জন। তাদের মধ্যে ১৪ হাজার ৩১৩ জন বিপজ্জনক নদী সাঁতরে কিংবা কেউ কেউ রাতের অন্ধকারে হেঁটে সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করেছে। এ ছাড়া অসুস্থতার অজুহাতে ভুয়ো নথি তৈরি করে সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করেছে বাকি ৬ হাজার ৮০০ জন। মনে করিয়ে দিই, গত বছর রাশিয়া ইউক্রেনে অ্যাটাক করলে ১৮-৬০ বছর বয়সী পুরুষদের দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় কিয়েভ।

    বিবিসি বলছে, সেই সরকারি নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে প্রতিদিনই দেশ থেকে পালিয়েছেন কয়েক ডজন করে পুরুষ। অনেকেই বলছেন তারা তো আর যোদ্ধা নন, তাই এই সিদ্ধান্ত। তাহলে কী, আসতে আসতে পুরুষহীন দেশে পরিণত হচ্ছে ইউক্রেন? বিবিসি বলছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত ইউক্রেন থেকে অবৈধভাবে রোমানিয়া, মলদোভা, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়ার প্রবেশ করেছে ১৯ হাজার ৭৪০ জন পুরুষ। ফলে, এবারের শীতে পুতিন যেভাবে ইউক্রেন অ্যাটাকের প্ল্যান সাজাচ্ছেন, তাতে জেলেনেস্কির দেশ যে যথেষ্ট। চাপে পড়বে তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। অস্ত্র থাকলেও যোদ্ধা কোথায়? কীসের ভরসায় যুদ্ধ করবে দেশটা? এটাই এখন বিরাট বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকিস্তানের ৩০ কোটির জ্যাকপট! যুদ্ধ হলেই আসল লাভ, ইসলামাবাদ বোকা বানাচ্ছে বিশ্বকে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তান মালামাল হয়ে গেল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে। ৩০ কোটির জ্যাকপট পেয়ে গেল ইসলামাবাদ। রাশিয়া-চীন ধরতেই পারেনি শাহবাজ শরিফের চালাকি। যে তথ্য সামনে এল তাতে বিশ্ব অবাক! পাকিস্তান নিজের দেশের যে অবস্থা দেখাচ্ছে বাস্তব কি সেটাই? নাকি নিজের দেশের জনগনের সঙ্গে গোটা দুনিয়াকে বোকা বানানোর চেষ্টা! পাকিস্তানের বড়সড় লটারি লেগে গেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে এই দেশটা যা কামিয়ে ফেলেছে সেই সংখ্যা শুনে রীতিমত অবাক হতে হয়। অনেকে বলেছিলেন রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে নিরপেক্ষ থেকে আসলে যুদ্ধের ফায়দা লুটছে ভারত। রাশিয়ার থেকে সস্তা দামে কাড়ি কাড়ি তেল কিনছে ভারত। তাহলে বলতে হয় একটু দাঁড়িয়ে যান পাকিস্তানেরটা শুনুন। ২০২২ সালে ইউক্রেনকে গোলাবারুদ সরবরাহ করে ৩৬ কোটি ৪০ লক্ষ মার্কিন ডলার উপার্জন করেছে। অর্থ সংঙ্কটে ভুগতে থাকা পাকিস্তান কারা দিল পাকিস্তানকে এত টাকা?এবার কি তাহলে চীনের লোনের আর দরকার নেই ইসালামাবাদের?

    জানতে পারা যাচ্ছে ‘গ্লোবাল মিলিটারি’ এবং ‘নর্থরপ গ্রুম্যান’ নামে দুটি মার্কিন বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে অস্ত্র চুক্তি করেছিল ইসলামাবাদ। মার্কিন ফেডেরাল প্রোকিওরমেন্ট ডেটা সিস্টেমের তথ্যের উল্লেখ করে বিবিসি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে ইউক্রেনকে ১৫৫ মিমি শেল বিক্রি করেছিল পাকিস্তান। ২০২২-এর ১৭ অগস্ট ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের এই চুক্তিগুলি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তারপর কীভাবে ইউক্রেনে পৌঁছনো হয়েছিল একের পর এক অস্ত্র জানেন? অনেকেই বলছেন যে রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে তা পাকিস্তান অস্বীকার করলেও এবার মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক বিগড়ে যেতে পারে পাকিস্তানের। রাওয়ালপিন্ডির পাক বিমান বাহিনী ঘাঁটি নুর খান থেকে সাইপ্রাসের ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি আকরোতিরি হয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনে অস্ত্রগুলি পৌঁছে দিয়েছিল। একটি একটি ব্রিটিশ সামরিক কার্গো বিমান। এর জন্য নুর খান বিমান ঘাঁটি থেকে মোট পাঁচবার উড়েছিল বিমানটি। ইমরান খানই কি গদিতে থাকার সময় করেছিলেন এসব চুক্তি?

    এদিকে বিবিসি উর্দুর দাবি পাকিস্তান একেবারেই এই লাভের কথ না মানতে চাইলেও পাকিস্তানের ব্যঙ্কের তথ্য সত্যিটা ফাঁস করে দিচ্ছে। স্টেট ব্যাঙ্ক অব পাকিস্তানের তথ্যেও বলা হয়েছে ইসলামাবাদের অস্ত্র রফতানি ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ৩,০০০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২১-২২-এ পাকিস্তান ১ কোটি ৩০ লক্ষ মার্কিন ডলারের অস্ত্র রফতানি করেছে। সেখানে ২০২২-২৩-এ তাদের অস্ত্র রফতানির আয় পৌঁছেছে ৪১ কোটি ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলারে। এই চুক্তিগুলি হয়েছিল পাকিস্তানের বহুদলীয় জোট। পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট-এর শাসনাকালে ইমরান খানের সময় নয় গত বছরের এপ্রিলে ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল। ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট তারপরই এসব চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।

    অনেকেই বলছেন পাকিস্তানের পকেটে যদি সত্যি এই পরিমাণ অর্থ এসে থাকে তাহলে তো তাদের এবার দেশের দুর্দশা ঘোচানোর কাজে তা ব্যবহার করা দরকার। এখন সেই টাকা যদি সেনাবাহিনীর পেটে চলে যায় তাহলে তা আলাদা ব্যাপার বা হয়ত এই টাকা দিয়েই আরও নতুন অস্ত্র কিনে তা ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার করারই ছক কষছে তারা।পাকিস্তানের অবশ্য দাবি রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে দুই দেশের বিরোধ করে তারা ‘কঠোর নিরপেক্ষতা’ নীতি বজায় রেখেছে। যদি এই বক্তব্য খুব কম লোকই বিশ্বাস করেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বড় প্যাকেজ নিয়ে যুদ্ধে পুতিন! কিম-জিনপিং বন্ধ দরজায় ওপারে কোন ষড়যন্ত্র ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুতিন বড় প্যাকেজ নিয়ে নামছেন ইউক্রেন যুদ্ধে। কিম- জিনপিংয়ের লোক কী দিয়ে গেল রাশিয়াকে? অস্ত্র নাকি অন্য কিছু?  দুটো গোপন মিটিং রাশিয়া বড় কিছু করতে চলেছে। বেজিংয়ে পাড়ি দেওয়ার আগেই বড় স্টেপ যুদ্ধে। আমেরিকার ৩ শত্রু পুতিন-কিম-জিনপিং। বন্ধ দরজার পিছনে লাগাতার বৈঠক তিনটে দেশের। কোন জবরদস্ত প্ল্যান নিয়ে ইউক্রেনের মাটি কাঁপাবেন পুতিন? ন্যাটো যা আভাস পেল তা মোটেই ভালো খবর নয় এতে শুধু ইউক্রেন-আমেরিকা নয় গোটা বিশ্ব ফের বিপদে পড়তে পারে। একেই রাশিয়ার কাছ থেকে পাঁচটি কামিকাজে ড্রোন, একটি জেনার-২৫ ড্রোন এবং বুলেটপ্রফ ভেস্ট পেয়েছেন কিম জং-উন। সেগুলো নিয়েই তিনি দেশে ফিরেছেন। একই সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার স্যাটেলাইট কর্মসূচিও আলাদা করে গুরুত্ব পেয়েছে পুতিন ও কিমের আলোচনায়।

    রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন চীন যাওয়ার ঠিক আগেই কেন উত্তর কোরিয়ার কিম জং উন তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন? আর এখন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই রয়েছেন রাশিয়ার সফরে। কূটনৈতিক মহল বলছে এটা আন্দাজ করা যায় ২০২৩ শেষের আগেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বড় কিছু ঘটবে। কারণ এই তিনটে দেশেরই একটাই টার্গেট সেটা হল আমেরিকার ক্ষতি। ন্যাটোর প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গ সতর্কবাণী শোনাচ্ছেন তিনি ন্যাটোর জোট দেশগুলোকে বলছেন প্রস্তুত হতে কারণ ইউক্রেন যুদ্ধ এত জলদি শেষ হওয়ার নয়। কীভাবে স্কেডিউল সাজানো হয়েছে জানেন? ভ্লাদিমীর পুতিন যখন চীনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইর সঙ্গে মিটিং করবেন তখন রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগুর বৈঠক কিম জন উনের সঙ্গে এর মানে ক্রেমলিনে বসেই তৈরি হচ্ছে আরেক ব্লুপ্রিন্ট। রাশিয়ার সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের অস্ত্রের ডিলটা তাহলে পুরোপুরি পাকা হয়ে গেল? শুরু থেকেই কিমের রাশিয়া সফরের ওপর কড়া নজরে রেখেছে আমেরিকা এবং দক্ষিণ কোরিয়া।যুক্তরাষ্ট্রে গোয়েন্দারা কি জানতে পারবেন কী কী প্ল্যান তৈরি হল?

    কিমের সফরের মাঝেই চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঠিক এখন মস্কোয় কেন এলেন? কূটনৈতিক মহল বলছে আগামী অক্টোবর মাসে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সম্ভাব্য যুগান্তকারী সফরের মঞ্চ প্রস্তুত করবে এই সফর। একইসঙ্গে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে জানিয়েছে রাশিয়া সফরের সময় ওয়াং ই বার্ষিক নিরাপত্তা আলোচনার নিরাপত্তা পরিষদের সচিব নিকোলাই পাত্রুশেভের সাথে দেখা করবেন। কিন্তু এসব কর্মসূচী তো অফিসিয়াল আনঅফিসিয়ালী পুতিনের সঙ্গে কোন আলোচনায় বসবেন? ওয়াং ই কিমের সঙ্গে কী ডিল হল উত্তর কোরিয়া-রাশিয়া কীভাবে এগোবে এই সব তথ্য কী পুতিন ফাঁস করবেন চীনা বিদেশমন্ত্রী কাছে। যাতে বরবারের মতো উত্তর কোরিয়াকে সাহায্য করা চীন‌ এবার নতুন করে মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের হাত শক্ত করে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, কিম-পুতিন ও জিনপিংকে একসঙ্গে কন্ট্রোল করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবার কূটনীতির কোন খেলা খেলে সেটাই দেখার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুতিনকে অস্ত্র দিলে কী পাবেন কিম ? ঘুম হারাম যুক্তরাষ্ট্রের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুতিনকে অস্ত্র দিলে কী পাবেন কিম? কোটি টাকার প্রশ্ন! পুতিনের বড় লাভ, কয়েক সেকেন্ডে ঘোরাতে পারে যুদ্ধের হিসেব। রাশিয়ার স্পেস সেন্টারে মুখোমুখি কিম-পুতিন। তলে তলে যুক্তরাষ্ট্রকে জব্দ করার ছক? কিমের অস্ত্রই পুতিনের হাতিয়ার? পুতিন’ই জিতবেন, কিমের মারাত্মক ভবিষ্যদ্বাণীতে প্রাণ শোকাচ্ছে ইউক্রেনের। ইউক্রেন যুদ্ধের আগুনে ঘি ঢাললো উত্তর কোরিয়া। রাশিয়ার স্পেস সেন্টারে কিম-পুতিন ফেস টু ফেস কী হল সেই বৈঠকে?কোন পক্ষের লাভ কতটা? তার থেকেও বড় প্রশ্ন ক্রেমলিনকে অস্ত্র দেবে উত্তর কোরিয়া?

    অলরেডি, কিম আশ্বাসের সুরে ভবিষ্যৎবাণী করে দিয়েছেন। বলে দিয়েছেন ইউক্রেন যুদ্ধে শত্রুদের মোকাবিলা করে রাশিয়া জিতবে আর এতেই ভয়ে কাঁপছে ইউক্রেন। তাহলে কী উত্তর কোরিয়ায় বিশাল প্রতিরক্ষা শিল্প খাতে এন্ট্রি নিল রাশিয়া? মনে করিয়ে দিই, ওই খাতের উৎপাদন ক্ষমতা বিশাল। ভয় একটাই ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য যুদ্ধাস্ত্রের বড় জোগানদার হয়ে উঠতে পারে পিয়ংইয়ং। তাই যুক্তরাষ্ট্র আগে থেকে ওয়ার্ন করে আসছে। কিম পুতিনের মধ্যে অস্ত্র চুক্তি হলে তার ফল যে ভালো হবে না সেটা স্ট্রেট জানিয়ে দিয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব। তারপরেও কিম পুতিন একসঙ্গে চোখ রাঙাচ্ছে গোটা বিশ্বকে। কিন্তু পরাশক্তি রাশিয়ার মতো পারমাণবিক অস্ত্র ভাণ্ডারে পরিপূর্ণ দেশ কেন অস্ত্রের জন্য উত্তর কোরিয়ার দ্বারস্থ হবে? নাকি এর পেছনে আছে আরও বৃহৎ স্বার্থ, যাতে লাভ হতে পারে উত্তর কোরিয়া এবং রাশিয়া দু’দেশেরই?

    উঃ কোরিয়ার বাণিজ্যের পরিসংখ্যান জানায় না তেমনি জানায় না নিজেদের সম্পদের পরিমাণও তবে, কোভিড মহামারির কারণে কঠোর বিধিনিষেধের আওতায় গত তিন বছর ধরে সীমান্ত বন্ধ রেখেছিল উত্তর কোরিয়া। বাণিজ্যও স্থগিত করা হয়েছিল। এর ফলে দেশটিতে খাদ্য ও ওষুধের চরম ঘাটতি দেখা দেয়। খাদ্য সংকটে ভুগতে থাকে দেশটা। সাথে সাথে দেশটির অর্থনীতিও পড়ে চরম সংকটে। যে পরিস্থিতি এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি উত্তর কোরিয়া। আর এই সংকট অবস্থা কাটাতেই কিমের রাশিয়া সফর বলে মনে করছেন অনেকে। মূলত, রাশিয়ার কাছে অস্ত্র বিক্রির মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া নিজেদের অর্থনৈতিক ভগ্নদশা কিছুটা হলেও কাটাতে চাইছে কারণ, অস্ত্রের দিক দিয়ে বেশ ভালো ক্ষমতাধর কিমের দেশ। এটা ফ্যাক্ট। তাই, তলে তলে রাশিয়ার সাথে অস্ত্র বাণিজ্য চুক্তি হয়ে গেলে উত্তর কোরিয়ার জন্য বিষয়টা ব্যাপক লাভজনক হবে।

    অন্যদিকে পুতিনের জন্যেও এটা ভালো সুযোগ! উত্তর কোরিয়ার অস্ত্রে রাশিয়া সমৃদ্ধ হলে ইউক্রেন যুদ্ধে নিজেদের পায়ের তলার মাটি শক্ত করা পুতিনের জন্য আরো বেশি সহজ হবে, মোদ্দা কথা লাভ দু পক্ষেরই। তাহলে কি এবার কিমের অস্ত্র তলে তলে ঢুকবে রাশিয়ায়? কিম কিন্তু কনফিডেন্টলি বলেছেন রাশিয়ার সেনারা অবশ্যই বিশাল জয় পাবে। এই যুদ্ধের মাধ্যমে শয়তানদের শাস্তি দেবে। রাশিয়ার সেনারা বিশ্বব্যাপী অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবে। রাশিয়ার সম্মান বাড়াবেএটা তো ঠিক, ইউক্রেনের সঙ্গে দেড় বছরের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ রাশিয়ার জন্য সেই অর্থে ভালো হয়নি। এতে অনেক অস্ত্র খরচ হয়েছে। তাই মস্কোকে আবার অস্ত্রের মজুত বাড়াতে হবে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে উত্তর কোরিয়ার সাহায্য ছাড়া রাশিয়া যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে না।

    আসলে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া বিশ্বব্যাপী যুক্তরাষ্ট্রের ‘আধিপত্যের’ বিরুদ্ধে সোচ্চার। যা দুই নেতাকে কাছাকাছি এনেছে। তাঁরা দুজন এখন মূলত প্রয়োজনের বন্ধু। এই ২০২৩ সালের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় তাঁদের বন্ধুত্ব আরও গভীর হয়েছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। যে বন্ধুত্ব থেকে দুজনই লাভবান হতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে
    সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র কোন পথে এগোবে সেটা সময় বলবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চীনের মাস্টারপ্ল্যান, তলে তলে অস্ত্র পাচার রাশিয়ায়! দেখে নেবে যুক্তরাষ্ট্র, কোন পরিণতর পথে পৃথিবী ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    এবার তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মুখোমুখি গোটা বিশ্ব? যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্নিং এর তোয়াক্কা না করেই রাশিয়াকে অস্ত্র দিচ্ছে চীন। আগুন নিয়ে খেলছে বেজিং। চীন থেকে রাশিয়ায়, ঠিক কি কি চালান হয়ে যাচ্ছে? কতটা ভয়ংকর এইসব চীনা অস্ত্র? তাহলে কি যুক্তরাষ্ট্রের আশঙ্কাই সত্যি হচ্ছে? সত্যি কি মারাত্মক পরিণতির দিকে এগোচ্ছি আমরা? কী বলছে রিপোর্ট? যুদ্ধে নিজেদের জড়ানো ঠিক হবে না বেইজিং এর। রাশিয়াকে অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের চান্স আছে বলে আগেই আশঙ্কা করেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনেস্কি। এবার কি সেদিকেই গড়াচ্ছে জল?

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে সূঁচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরোনোর প্ল্যান চীনের। মীমাংসার নামে, অস্ত্র দিয়ে রাশিয়াকে তলে তলে উস্কে দিচ্ছে চীন। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়াকে সামরিক প্রযুক্তি দিচ্ছে চীন। ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য মস্কোকে এমন সামরিক প্রযুক্তি সরবরাহ করছে চীন যা দুবার ব্যবহার করা যায়। কাস্টমসের তথ্য বলছে, চীনের রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলো রাশিয়ান প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোকে ন্যাভিগেশন সরঞ্জাম, জ্যামিং প্রযুক্তি ও যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশ সরবরাহ করছে। সামরিক প্রযুক্তি এবং নন-লিথাল সাহায্য যেমন হেলমেট ও সাজ-সরঞ্জাম চীন থেকে রাশিয়ায় ঢুকছে। এমনকি ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর চীন রাশিয়ার ঘনিষ্ঠতা আরও বেড়েছে, আরও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে উঠেছে বলেও দাবি যুক্তরাষ্ট্রের। অলরেডি, মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের কার্যালয়ে তৈরি রিপোর্টে এসব তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। আপাতত এই নিয়েই চারিদিকে হুলস্থূল পড়ে গেছে।

    রাশিয়ায় চীনের এমন প্রযুক্তি ও অস্ত্র সরবরাহ করা নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে, ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য রাশিয়াকে চীন লিথাল সহায়তা করছে এমন প্রমাণ মার্কিন কর্মকর্তারাও এখনো পাননি।আর চীন তো ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই রাশিয়াকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার কথা অস্বীকার করে আসছে। কিন্তু তারপরেও এক বছরে ৩০ হাজার চীনা ড্রোন কিনে রেকর্ড গড়েছে মস্কো। জাপানের সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন নিক্কেই এশিয়ার রিপোর্টে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য আগেই উঠে এসেছে। তাই বেইজিং বিষয়টা যতই অস্বীকার করুক বা এড়িয়ে যাক, যুক্তরাষ্ট্রের টেনশন বাড়ছে বই কমছে না। যুদ্ধে রাশিয়াকে অস্ত্র দিয়ে সাহায্য না করার জন্য চীনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র জার্মানি সহ পশ্চিমারা। অস্ত্র দিলে ভয়াবহ পরিণতির হুমকিও দিয়েছে তারা। নিষেধাজ্ঞার কারণে উত্তর কোরিয়া ও ইরান থেকে অস্ত্র কিনছে রাশিয়া। কিন্তু সেই তালিকায় চীনের নাম জুড়ে যেতেই বড় আশঙ্কা দানা বাঁধছে। তাহলে কি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনেস্কির আশঙ্কাই এবার সত্যি হতে যাচ্ছে? সত্যিই কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে মোড় নিচ্ছে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • কৃষ্ণসাগর শাসন করবে রাশিয়ার সাইক্লোন! বড় অপারেশনে ব্ল্যাক সি ফ্লিট? কায়দাই আলাদা, ভয়ে তটস্থ ইউক্রেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    কৃষ্ণ সাগরে ঝড় তুলল রাশিয়ার “সাইক্লোন”। আরও সমৃদ্ধ হল পুতিনের অহংকার ‘ব্ল্যাক সি ফ্লিট’। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রুশবাহিনীর বড় অপারেশনের ইঙ্গিত?  মিসাইল ক্রুজার সাইক্লোনের ক্ষমতা জানেন? সমুদ্র শাসনের ক্ষমতা রাখে সাইক্লোন। রাশিয়ার কনফিডেন্সে ভয়ে তটস্থ ইউক্রেন। যে কৃষ্ণসাগর রাশিয়ার জন্য এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা ফ্যাক্টর, সেই কৃষ্ণ সাগরের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে ব্ল্যাক সিং ফ্লিট নামের বিশেষ ইউনিট। আর, তারই অংশ হিসেবে রাশিয়া কৃষ্ণ সাগরে নামালো নতুন মিসাইল ক্রুজার সাইক্লোন।

    আকারে ছোট হলেও সাইক্লোন একসাথে ৮টি শক্তিশালী দূরপাল্লার মিসাইল আক্রমণে সক্ষম। আক্রমণ এবং শত্রুর হামলা থেকে বাঁচাতে ওই যুদ্ধজাহাজটিতে রাশিয়া সব ধরনের ব্যবস্থা নিযুক্ত করেছে। সাধারণত কৃষ্ণ সাগরের যুদ্ধজাহাজ গুলো থেকে রাশিয়া, ইউক্রেনে ক্যালিবার ক্রুজ মিসাইল হামলা চালিয়ে থাকে। যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিন থেকে এখনো পর্যন্ত রাশিয়া শত শত ক্রুজ মিসাইল হামলা করেছে ব্ল্যাক সি ফ্লিট এর ডেস্ট্রয়ার, করভেট, ফ্রিগেট থেকে। সেই তালিকাতেই নবতম সংযোজন সাইক্লোন যুদ্ধ জাহাজ। এক কথায় বলতে গেলে সাইক্লোন আরো সমৃদ্ধ করল ব্ল্যাক সি ফ্লিট কে। এই নৌযানের প্রতিরক্ষায় প্যান সির অ্যান্টি এয়ারক্রাফ্ট সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে এটি ইউক্রেনের বায়ারাক্তার ড্রোন মিসাইল সহ যেকোনো হামলা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে, বলে দাবি করছে রাশিয়া। সাইক্লোন তৈরীর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পর হয়েছে পরীক্ষা। চলমান বিশেষ সামরিক অভিযানের চাহিদার কথা মাথায় রেখে তৈরি এই যুদ্ধ জাহাজ পরীক্ষায় ফুল মার্কস পেয়ে পাশও করেছে। যে কোন অবস্থা এবং যে কোনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সমভাবে কাজ করতে সক্ষম রাশিয়ার সাইক্লোন।

    চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই যুদ্ধ জাহাজের অভিষেককে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন পুতিন। তবে, এর আগে ২০২২ সালের এপ্রিলে ব্ল্যাক সি ফ্লিট এর নেতৃত্বে থাকা রাশিয়ার মিসাইল ক্রুজার মস্কোভা, ইউক্রেনের অ্যান্টি শিপ মিসাইলের আঘাতে ডুবে গিয়েছিল। ওই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েছে রুশ বাহিনী। সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন সাইক্লোন এর সঙ্গে না ঘটে, তার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত রকম ব্যবস্থা রেখেছে রাশিয়া। যদিও, ব্ল্যাক সি ফ্লিট যথেষ্টই শক্তিশালী। চোখ বন্ধ করে এই ইউনিটের উপর ভরসা করে রাশিয়া। ব্ল্যাক সি ফ্লিট ১৭৮৩-৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ক্রিমিয়ান যুদ্ধের সময় এই ইউনিটটি বেশ কয়েকটি নৌ যুদ্ধে লড়াই করে। বর্তমানে কৃষ্ণসাগরের নিরাপত্তায় দায়িত্বে রয়েছে এই ব্ল্যাক সি ফ্লিট। শুধুমাত্র কৃষ্ণ সাগরের নিরাপত্তায় যে নিয়োজিত তাই নয়, আজভ সাগর এবং ভূমধ্যসাগরের রাশিয়ার সার্থরক্ষার দায়িত্বও তাদের উপর। ফলে ব্ল্যাক সি ফ্লিট এর যুদ্ধ জাহাজগুলো ক্ষমতার দিক থেকে সবসময়ই ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের তুলনায় এগিয়ে থাকার চেষ্টা চালায়। এমনকি সংখ্যাতেও।

    বড় আকারের ডেস্ট্রয়ার, মাঝারি ফ্রিগেট, ছোট করভেট ছাড়াও এই ফ্লিটে আছে সাবমেরিন মিসাইল বোর্ড, মাইন সুইপার সহ ৫০ এর ও বেশি রণতরী। রাশিয়ার জন্য কৃষ্ণসাগর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উষ্ণ জলের বন্দর হিসেবে খ্যাত সেবাস্তপোল কৃষ্ণ সাগর তীরেই অবস্থিত। রাশিয়ার ভয়ংকর ঠান্ডায় যখন দেশটির বেশিরভাগ বন্দর অকার্যকর হয়ে পড়ে তখন এই কৃষ্ণ সাগরের সেবাস্তপোল বন্দর দিয়েই রুশরা ব্যবসা-বাণিজ্য চালায়। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এই কৃষ্ণ সাগরের গুরুত্ব আরো বেড়েছে। ফলে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ব্ল্যাক সি ফ্লিট এর গুরুত্বও। এবার এই বিশেষ ইউনিট এর হাত শক্ত করতে সাইক্লোনের সংযোজনে আরও কনফিডেন্ট হলো রুশবাহিনী।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cluster Bombs: চরম সর্বনাশ রাশিয়ার, বিষাক্ত ক্লাস্টার ছড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র! ইউক্রেনকে ব্যবহার করে ফায়দা লুটছে যুক্তরাষ্ট্র

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cluster Bombs: ইউক্রেনে কেন নিষিদ্ধ ক্লাস্টার বোমা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র? আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তোলপাড়। ক্লাস্টার বোমা জীবাণু অস্ত্র ছড়িয়ে দিতে পারে। রাসায়নিক অস্ত্র ছড়িয়ে গেলেও রিস্ক আছে। বাইডেনের বিধ্বংসী সিদ্ধান্ত, এবার কোন পথে হাঁটবেন পুতিন? কি প্রমাণ করতে চাইছে? যুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই সবকিছুর ঊর্ধ্বে? ক্লাস্টার বোমার ক্ষমতা জানেন? কতটা বিধ্বংসী বাইডেনের এই ক্লাস্টার বোমা? কেন ক্লাস্টার বোমা নিয়ে এতো বেশি বিতর্ক? এর আগে কোথায় কোথায় ব্যবহৃত হয়েছে ক্লাস্টার বোমা? রাশিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ জোরদার হচ্ছে। খেলা ঘোরানোর ছক যুক্তরাষ্ট্রের? পেন্টাগনের দাবিই কি সত্যি হবে? সত্যিই কি রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে বড় ব্যবধান করে দেবে এই নিষিদ্ধ ক্লাসটার বোমা?

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ক্লাস্টার বোমার আবিষ্কার। ১০টি অথবা তার বেশি ক্লাস্টার বোমা একটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস করতে পারে। বৈদ্যুতিক পাওয়ার ট্রান্সমিশন, যুদ্ধবিমানের রানওয়েও সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করতে পারে এই ক্লাস্টার বোমা। এই বোমার সাহায্যে রাসায়নিক বা জীবাণু অস্ত্র ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। ল্যান্ডমাইন ধ্বংস করতে এই বোমা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। পরিকাঠামোর পাশাপাশি মানুষ হত্যাও করা যায় এই বোমার মাধ্যমে।

    কিভাবে কাজ করে ক্লাস্টার বোমা?

    ছোড়ার পর লক্ষ্যবস্তুর ওপর নির্ভর করে এর ক্যানিস্টারগুলো একটা নির্ধারিত উচ্চতায় খুলে যায়। এরপর এই বোমা থেকে শত শত ছোট ছোট বোমা বেরিয়ে মাটিতে ছড়িয়ে পড়ে। ভূমির কাছাকাছি অথবা ভূমিতেই যেন বিস্ফোরণ ঘটে সেই লক্ষ্যে বোমা বিস্ফোরণে টাইমার ব্যবহার করা হয়। তবে, এগুলো মাটিতে পড়ে না ফাটলেও বহুদিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকে যা পরবর্তীতে রিস্ক বাড়ায়।

    ২০০৮ সালে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ এই অস্ত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। ক্লাস্টার বোমার ব্যবহার নিষিদ্ধ করার জন্য জাতিসংঘের কনভেনশনে সই করেছে ১২০ টা দেশ। যদিও যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন, রাশিয়া সহ ৭১টি দেশ তাতে যোগ দেয়নি। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এবার, ইউক্রেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ১৫৫ মিলিমিটারের হাউইৎজার কামান থেকে ছুড়তে সক্ষম ক্লাস্টার গোলাবারুদ সহ যুদ্ধাস্ত্রের একটা প্যাকেজ ঘোষণা করতে চলেছে, যার ব্যবহার রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে বড় পরিবর্তন এনে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ক্ষেপণাস্ত্র থেকে উৎক্ষেপণের পাশাপাশি বিমান, আর্টিলারি, নৌ বন্দুক অথবা রকেট লঞ্চার থেকেও নিক্ষেপ করা যেতে পারে এই গুচ্ছ বোমা। কিন্তু, মানবিক উদ্বেগ সত্ত্বেও, গণবিধ্বংসী হওয়ার পরেও যুক্তরাষ্ট্র কেন ইউক্রেনকে এই বোমা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল? আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই নিয়ে হলুস্থুল পড়ে গেছে জানিয়ে রাখি, ক্লাস্টার অস্ত্রগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পর্যন্ত তিন ডজনেরও বেশি সংঘর্ষে ব্যবহৃত হয়েছে। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে সর্বশেষ এই অস্ত্রগুলোর ব্যবহার করে। এমনকি, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর পর উভয় দেশই ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করেছে। তবে, আতঙ্কের বিষয় হলো এই বোমার কারণে সৈন্য ছাড়াও ক্ষতির মুখে পড়তে পারে সাধারণ মানুষ। যা, যে কোনও যুদ্ধাস্ত্র থেকে ক্লাস্টার বোমাকে বিতর্কের ক্ষেত্রে বেশ খানিকটা এগিয়ে রেখেছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হিমার্স-আর্টিলারি রুখে দিচ্ছে রাশিয়ার এই সিস্টেম! যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ পুতিনের হাতে? কুলকিনারা পাচ্ছে না ইউক্রেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    যুক্তরাষ্ট্রের অহংকার ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার রেডিও ইলেকট্রনিক সিস্টেমের ধারে কাছে ঘেঁষতে পারছে না ‘অজেয়’ পশ্চিমা অস্ত্র হিমার্স। ইলেকট্রনিক যুদ্ধে এগিয়ে রাশিয়া, টিকছে না আর্টিলারিও। তবে কি যুদ্ধে হার মানতে শুরু করলো ইউক্রেন? রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ কি দিনে দিনে প্রযুক্তির যুদ্ধ হয়ে উঠছে? রাশিয়ার রেডিও ইলেকট্রনিক সিস্টেম ঠিক কতটা শক্তিশালী? কেন রাশিয়াকে ভয় পেতে শুরু করেছে ইউক্রেন? যুদ্ধের মোড় কী রাশিয়ার দিকেই ঘুরিয়ে দিচ্ছে খতরনাক ইডাব্লিউ সিস্টেম? কনফিডেন্স হারাচ্ছে ইউক্রেন, কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    রাশিয়ার কাছে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক সমরাস্ত্র রয়েছে। যে শক্তিশালী রেডিও ইলেকট্রনিক সিস্টেমের জন্য ইউক্রেন বাহিনীকে খুঁজে বের করে হামলা চালানো সহজ হয়ে যাচ্ছে রাশিয়ার কাছে। ইউক্রেন বলছে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ভয়ংকর হিমার্স রকেট আটকে দিচ্ছে রাশিয়ার এই সিস্টেম। আটকে দিচ্ছে জিপিএস সুবিধা ব্যবহারকারী আর্টিলারির হামলাও। মোদ্দা কথা, হিমার্স সহ অন্যান্য অস্ত্রের গতিপথ সহজেই ট্র্যাক করে ফেলছে রুশ রেডিও ইলেকট্রনিক সিস্টেম। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ দিন, মাস, বছর অনুযায়ী যত লম্বা হচ্ছে; ইলেকট্রনিক যুদ্ধের নানা কৌশলের সুবাদে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী ততই বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর দিনগুলোর চেয়ে এখন রণাঙ্গনে বড় ভূমিকা পালন করছে রাশিয়ার ‘ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার’ মানে ইডব্লিউ সিস্টেমগুলো। ন্যাটোর পাঠানো রেডিওর সংকেত সহজেই শনাক্ত করে ফেলছেন রাশিয়ার অভিজ্ঞ ইডব্লিউ–চালকেরা।

    এই কাজে রাশিয়াকে সাহায্য করছে অতীত অভিজ্ঞতা। এর আগে রুশ ইডব্লিউ–চালকেরা সিরিয়ায় তাঁদের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন। যা এখন ইউক্রেনের মাটিতে কাজে লাগছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক যুদ্ধে ইলেকট্রনিক সমরাস্ত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সামরিক বাহিনী রেডিও, রাডার ও ইনফ্রারেড ডিটেক্টরের ওপর নির্ভর করে অপারেশন সমন্বয় করে। শত্রুকে খুঁজে বের করতেও ইলেকট্রনিক পদ্ধতি কাজে লাগানো হয়। আর এই ইডব্লিউ সিস্টেমগুলোই যুদ্ধে রাশিয়াকে এগিয়ে রাখছে, যেটা অলরেডি প্রমাণিত। ইউক্রেন বুঝে গেছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দিনে দিনে প্রযুক্তি নির্ভর যুদ্ধ হয়ে উঠছে। ইউক্রেনের মিত্রদের দেওয়া যে প্রযুক্তিই তারা ব্যবহার করুক না কেন, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কাছে অধিকাংশ সময় সেগুলো ফেইল করছে। রণাঙ্গনে কুলকিনারা পাচ্ছে না ইউক্রেন। তাই, বাধ্য হয়ে বিশ্বের কাছ থেকে আরও বেশি সামরিক সহায়তা প্রত্যাশা করছে কিয়েভ। নাহলে, পাল্টা আক্রমণে টিকে থাকা জেলেনেস্কির জন্য যে কঠিন হয়ে উঠবে তা নিশ্চিতভাবে বলে দেওয়ার অপেক্ষা রাখে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version