Tag: Iron Dome

  • Iron Dome: আয়রন ডোম ভেঙে দিলো হিজবুল্লা, যু’দ্ধ’বিরতি চুক্তি নয় কঠিন পরিণতি

    Iron Dome: আয়রন ডোম ভেঙে দিলো হিজবুল্লা, যু’দ্ধ’বিরতি চুক্তি নয় কঠিন পরিণতি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Iron Dome: আয়রন ডোমকে ফাঁকি , ইসরায়েল নাকি হিজবুল্লাহ? যুদ্ধে জিতবে কে? বেকার হয়ে গেল ইসরায়েলের প্রাণ ভোমরা আয়রন ডোম! ইসরায়েলের যুদ্ধ কৌশল চুরি করতে, ইসরায়েলের মধ্যেই হানা দিল হিজবুল্লাহ। যুদ্ধ বাঁধলে জিতবে কে? ইসরায়েল নাকি হিজবুল্লাহ? কে বেশি শক্তিশালী? যুদ্ধের পরিণতি শেষ পর্যন্ত গাজার মতো হবে না তো? শিক্ষা নিচ্ছে লেবানন। এবার হয়ত উল্টে মাত দিতে পারে ইসরায়েলকে। চোখে ধুলো দিতে হিজবুল্লাহ চলছে নতুন কৌশলে। মদদ দিচ্ছে ইরান। ইসরায়েলের অন্দরে ঢুকে পড়ল হিজবুল্লাহর ড্রোন, চুরি করল প্রচুর সিক্রেট। জানেন, ড্রোনের ক্যামেরায় ঠিক কী কী ধরা পড়েছে? ইসরায়েলকে মাত দিতে লেবাননের এ কোন ভয়ঙ্কর প্রস্তুতি?

     

    •ইসরায়েলের গর্ব ভাঙল হিজবুল্লাহ, ড্রোন দিয়ে চালাচ্ছে নজরদারি

    ইসরায়েলের আয়রন ডোম, যার কিনা বিশ্বজোড়া নাম। সেই আয়রন ডোমের চোখকে ফাঁকি দিচ্ছে হিজবুল্লাহ। ইসরায়েলের চারিদিকে ঘিরে রয়েছে একগুচ্ছ শত্রু। তাই দেশটা প্রথম থেকেই, কঠোর আকাশ প্রতিরক্ষা সুরক্ষা প্রযুক্তি অর্থাৎ আয়রন ডোম দিয়ে নিজেকে সুরক্ষিত রেখেছে। কিন্তু এভাবে আর কদিন? কারণ, যে ভাবে হিজবুল্লাহ উঠে পড়ে লেগেছে, আর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী করছে, তাতে কিন্তু ইসরায়েলের সামনে বড় বিপদ। মনে করেছে কূটনৈতিক মহলের একাংশ। ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের ভিতরে গোয়েন্দা ড্রোন পাঠিয়ে দিয়েছে লেবাননের এই সশস্ত্র গোষ্ঠী। শুধু তাই নয়, ড্রোনটি দিয়ে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের প্রায় সাড়ে ৯ মিনিট একটা ভিডিও করেছে। ভিডিওতে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। যা ইসরায়েলের মাথা ব্যথার অন্যতম কারণ। ইসরায়েলের হাইফা বন্দরে যে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি রয়েছে তার ছবি এখন চলে এসেছে হিজবুল্লাহর কাছে। প্রশ্নটা তো এখানেই, যে আয়রন ডোম নিয়ে ইসরায়েলের এত গর্ব, সেই গর্ব কি তাহলে ভেঙে দেবে হিজবুল্লাহ্?

     

    বিগত বেশ কিছু বছর ধরেই ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহ যে রকেট মজুদ করছে, তা দিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন ছিল তেল আবিব। যার জেরে উত্তপ্ত লেবানন আর ইসরায়েলের সীমান্ত। তখন থেকেই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করার পরিকল্পনা করে ফেলে ইসরায়েল। ২০১১ সাল থেকে কাজ শুরু করে দেয় আয়রন ডোম। আর সেই আয়রন ডোমকেই এবার টক্কর দিতে চলেছে হিজবুল্লাহ। ইতিমধ্যেই উচ্চগতির, কম উড়ন্ত ড্রোন মোতায়েন করে ফেলেছে। গোয়েন্দা পাঠিয়ে দিচ্ছে ইসরায়েলের মধ্যে। সেই ড্রোন ধারণ করছে ইসয়েলেল স্থাপনা গুলোর ভিডিও। ফলতেইসরায়েলিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো স্বাভাবিক। কারণ যখন শত্রুপক্ষ দেশের মধ্যে ঢুকে গতিবিধির ওপর নজর রাখে, তার মানে বুঝতে হবে সেই শত্রুপক্ষ কম শক্তিশালী নয়। হিজবুল্লাহ যে আক্রমণের সমস্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা তো আগেই জানা গিয়েছিল। কিন্তু সেই প্রস্তুতি যে এতটা সূক্ষ্ম তা বোঝা যায়নি।

     

    আয়রন ডোমকে বলা হয়, বিশ্বের অন্যতম সফল এবং শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এবার তাকেই মাত দিতে চলেছে হিজবুল্লাহ। সত্যি সত্যি যদি আয়রন ডোমের প্রযুক্তি হিজবুল্লাহর কাছে হেরে যায়, তাহলে কিন্তু চাপে পড়বে যুক্তরাষ্ট্রও। কারণ রকেট আর আর্টিনারি হামলার বিরুদ্ধে ব্যাপক কার্যকর এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি তৈরি করেছে ইসরায়েলের রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেম আর ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ। যেখানে সহযোগিতা রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। এত উন্নত একটা প্রযুক্তি কিনা হিজবুল্লাহর গোয়েন্দা ড্রোনকে ধরতেই পারলো না। উল্টে সেই গোয়েন্দা ড্রোন ইসরায়েলের মধ্যে ঢুকে ভিডিও ধারণ করল। এই ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। হতবাক দেশটার নিরাপত্তা বিভাগ।

     

    আর কেনই বা হবে না? ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর কাছে নিরাপত্তার দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর স্থানগুলোকে হিজবুল্লাহ চিহ্নিত করে ফেলেছে। প্রকাশিত ফুটেজে রয়েছে নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত ইসরায়েলের দিমোনা আণবিক চুল্লি, তেল আবিবের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, রামাত ডেভিড বিমান ঘাঁটি, লেবানন উপকূলের কারিশ গ্যাসক্ষেত্র এবং নেভাতিম বিমানঘাঁটি। এছাড়াও রয়েছে হাকিরিয়া কমপ্লেক্স। যেখানে ইসরায়েল সামরিক বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এবং অনেক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার বাড়ি রয়েছে।

     

    •যুদ্ধে জিতবে কে? বিস্ফোরণের রূপ নিচ্ছে ছাই চাপা আগুন

    কূটনৈতিক মহলের ধারণা, যদি লেবাননের ইরানপন্থী সশস্ত্র সংগঠনের সঙ্গে ইসরায়েলের পুরোদমে যুদ্ধ বেঁধে যায়, তখন কিন্তু নেতানিয়াহু ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন। একই আশঙ্কা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন কর্মকর্তা। ধারণা করা হচ্ছে, আয়রন ডোম সহ ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ঠিক যতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে তার থেকেও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোন রয়েছে হিজবুল্লাহর কাছে। আর তাই হয়তো ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গুলোর মাধ্যমে হিজবুল্লাহর হামলা পুরোপুরি ঠেকানো যাবে না। প্রশ্নটা উঠছে এখানেই। কারণ হিজবুল্লাহ শুধুমাত্র একটা সশস্ত্র গোষ্ঠী নয়, পিছন থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বড় বড় দেশসহ অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর বড় সাপোর্ট রয়েছে। তাদের থেকে যদি গুচ্ছগুচ্ছ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সহ অস্ত্রের সাপোর্ট পায়, তা ইসরায়েলের সমকক্ষ হতে বেশি সময় লাগবে না। বলা হয়ে থাকে, হিজবুল্লাহ নাকি ইসলামিক জিহাদের থেকেও অনেক বেশি শক্তিশালী। সুনির্দিষ্ট ভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে এমন ক্ষেপণাস্ত্র সহ বহু অস্ত্র দিয়ে বছরের পর বছর এই সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সাহায্য করে আসছে ইরান। তাই কূটনৈতিক মহলের ধারণা, হিজবুল্লার কাছে বড়সড় অস্ত্রের মজুদ রয়েছে। আর যেগুলো হামলা ঠেকাতে পারে একমাত্র আয়রন ডোম। কিন্তু এবার জিজ্ঞাসার মুখে সেই আয়রন ডোমও। এমনকি হামাসের থেকেও হিজবুল্লাহর হাতে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন রকেটের সংখ্যা বেশি। যার মধ্যে অধিকাংশটাই স্বল্প পাল্লার। যার কিছু কিছু ইসরায়েলের বেশ ভিতরে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। ইসরায়েলি বাহিনীর ধারণা, হিজবুল্লার কাছে আছে প্রায় দেড় লক্ষ ক্ষেপণাস্ত্র আর রকেট।

     

    অপরদিকে মার্কিন সরকারের তথ্য বলছে, হিজবুল্লাহর কাছে আছে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার যোদ্ধা। যদিও এই সশস্ত্র সংগঠনের প্রধান হাসান নাসরাল্লাহর মতে, তাদের সংগঠনে যোদ্ধা সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষেরও বেশি। রয়েছে বিশেষ বাহিনী রেদওয়ান ফোর্সের সদস্যরা। যাদের সিরিয়ায় বাশার আল আসাদ সরকারের পক্ষে লড়াই করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রসঙ্গত বলে রাখি, এই হিজবুল্লার জন্যই কিন্তু একটা সময় ইসরায়েল লেবানন থেকে পিছু হটার বাধ্য হয়েছিল। তাহলে কি, সেই দিন ফিরে আসতে চলেছে? আর তাই হয়ত, যুক্তরাষ্ট্রর কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, যদি বড় আকারে সত্যি যুদ্ধ বেঁধে যায় তাহলে কিন্তু তা ধ্বংসাত্মক রূপ নিতে পারে। কারণ ওদিকে হামাস আর ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ বিরতির সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। বহু আলাপ আলোচনা করেও কোন কাজ হয়নি। উল্টে ইসরায়েল আর হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়ছে।

     

    দেখুন, যদি গাজায় একটা যুদ্ধ বিরতি চুক্তি হত, তাহলে কিন্তু ইসরায়েল আর হিজবুল্লাহর মধ্যে হয়ত বা একটা কূটনৈতিক চুক্তির মাধ্যমে সমস্যাটার সমাধান হত। আর সেই চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন মার্কিন সরকারের মধ্যস্থতাকারী প্রতিনিধি। কিন্তু সেখানেও যেন কোন আশার আলো দেখা যাচ্ছে না। হিজবুল্লাহ বহুদিন ধরেই বলছে, গাজায় যতদিন না অস্ত্র বিরতি হবে, ততদিন তারা ইসরায়েলের উপর হামলা চালিয়ে যাবে। তবে সেই ধিকে ধিকে আগুন যে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটবে এ তা কে জানতো।

     

    •ইসরায়েল-হিজবুল্লাহর পুরোনো শত্রুতা, চলছে পাল্টা হুমকি

    ২০০৬ সালেও এই দুই পক্ষ একে অপরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে ছিল। সেই সময় ইসরায়েলের ভিতরেও ঢুকে পড়েছিল হিজবুল্লাহর যোদ্ধারা। লেবাননের রাজনীতিতে যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর। শুধু তাই নয়, দেশটিতে সবচেয়ে শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী রয়েছে তাদের। গত শতকের আশির দশকে, ইরান ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে তৈরি করেছিল এই হিজবুল্লাহ। যাকে সন্ত্রাসী সংগঠনের তকমা দিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো সহ উপসাগরীয় আরব দেশ, আরব লীগ এবং ইসরায়েল। বহুদিন ধরেই লেবাননের সীমান্তে বিরোধপূর্ণ এলাকাগুলোয় ইসরায়েলের উপস্থিতির বিরোধিতা করছে এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। ইসরায়েলের কর্মকর্তাদের যুক্তি, তাদের মূল লক্ষ্য ইসরায়েলের উত্তরে থাকা লেবানন সীমান্ত থেকে হিজবুল্লাহকে পিছু হটানো। লেবানন সীমান্তে একটা নিরাপদ অঞ্চল তৈরি করা। কারণ হিজবুল্লাহর হামলার কারণে উত্তর ইসরায়েল থেকে বহু বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়েছেন। ওই জায়গা নিরাপদ হলে তারা আবার পুনরায় সেই স্থানে ফিরে আসতে পারবেন।

     

    কারণ ইসরায়েলিদের নিজেদের ঘর ফেরাতে চাপে রয়েছে ইসরায়েল সরকার। যদি পুরোদমে যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে নাকি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে লেবাননের এই সশস্ত্র গোষ্ঠী। শোচনীয় পরাজয় ঘটবে লেবাননের। এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল ক্যাটজ। তিনি লেবাননের বিরুদ্ধে নতুন কৌশল অবলম্বনে সম্ভাবনার কথাও বলেছেন। আবার ওদিকে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহর যুক্তি, যদি ইসরায়েল লেবাননের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়, তাহলে কিন্তু লেবানন কোন নিয়মের তোয়াক্কাই করবে না। যুদ্ধ বাঁধলে ইসরায়েলের কোন স্থানে আর নিরাপদ থাকবে না। শুধু তাই নয়, যদি সাইপ্রাস লেবাননে হামলার জন্য ইসরায়েলকে বিমানবন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেয়, সেক্ষেত্রে ওই দেশটাকেও ছাড় দেবে না হিজবুল্লাহ। দুই পক্ষই কিন্তু যথেষ্ট শক্তিশালী, ইসরায়েলের পাশে যেমন পশ্চিমারা রয়েছে, তেমনই হিজবুল্লাহর পাশে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের বহু দেশ। তাই যুদ্ধ হলে তার পরিণাম খুব একটা ভালো হবে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতে তৈরি নয়া আয়রন ডোম! রাশিয়াকে দেবে টেক্কা? শত্রুরা সীমান্ত ছুঁতেও ঘাবড়াবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারত নিজেদের আয়রন ডোম তৈরি করে ফেলল, ইজরায়েলের আয়রন ডোমকেও কি টেক্কা? রাশিয়া না আমেরিকা কার সাহায্য নিল দিল্লি সত্যিটা জানলে অবাক হতে হয়। কত রেঞ্জ? এস-৪০০ থেকে শক্তিশালী নতুন মাস্টারপিস। ভারত কারোর সাহায্য নেয়নি এটা প্রথমেই জেনে নিন একেবারে দেশীয় প্রযুক্তিতেই ইজরায়েলকে টেক্কা! ফোকাস কিন্তু ইজরায়েলকে টেক্কা দেওয়া নয় মেন টার্গেট চীন-পাকিস্তান বা অন্য কোন শক্রর বুকে ভয় ধরানো। ভারতের প্রতিরক্ষা কতটা বুস্টআপ হতে পারে এই মাস্টারস্ট্রোকে? হামাসের একটা আক্রমণ রাতারাতি কয়েকগুণ সতর্ক করে দিয়েছে ভারতকে, ভারতের সেনাকে। হামাসের আক্রমণে ইজরায়েলের আয়রন ডোম নিয়ে যখন মাতামাতি প্রশ্নটা তখনই উঠছিল ভারতে এমন হামলা হলে ভারতের হাতে দেশকে রক্ষা করার জন্য আসলে কি রয়েছে? রাশিয়ার দেওয়া শুধু S-400? না এবার ভারত তৈরি করছে নিজেদের আয়রন ডোম বা সহজ ভাষায় বলা যায় নিজেদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। LR-SAM (long range surface to air missile) একা কত ক্ষেপনাস্ত্রের মোকাবিলা করতে পারবে এই ডিফেন্স সিস্টেম?

    কোনও শত্রু দেশ বা সংস্থা যখন ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে ইসরায়েলকে আক্রমণ করার চেষ্টা করে তখন আয়রন ডোম অটোমেটকলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠে। শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে আকাশে গুলি করে ধ্বংস করে। LR-SAM কী সেই কাজই করবে? ৪০০ কিলোমিটার দূরের শত্রুকেও উচিত শিক্ষা দিতে সক্ষম LR-SAM। এর মানে এটা দুরপাল্লা সারফেস টু এয়ার মিশাইল সিস্টেম। শত্রুদেশের লড়াকু বিমান, ব্যালিস্টিক মিশাইল এবং অ্যাটাক ড্রোন এই ৩ টে কেই ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। মনে করা হচ্ছে রুশ S-400এর থেকেও হবে শক্তিশালী। চিন, পাকিস্তান বা ভারতের সীমান্তবর্তী কোনও দেশ যদি ভারতের ওপর কোনও ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র বা মিশাইল ছোড়ে তাহলে LR-SAM ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশের আগেই সেগুলোকে বেছে বেছে ধ্বংস করবে।

    টাইমস নাওয়ের প্রতিবেদনের তথ্য বলছে মোট তিনটে আলাদা আলাদা দুরত্বে কাজ করবে LR-SAM ১৫০ কিমি, ২৫০ কিমি ও ৩৫০ কিমি রেঞ্জে ডিআরডিও সূত্রে খবর, LR-SAM হাইস্পিড টার্গেডের ক্ষেত্রে মসিহা হবে। সবথেকে বড় পয়েন্ট মিস করবেন না এই ডিফেন্স সিস্টেম পোর্টেবল এর মানে একে যে কোনও জায়গাতেই নিয়ে যাওয়া সম্ভব পাহাড়, মরুভূমি এমনকি গ্লেসিয়ারও মোতায়েন করা সম্ভব। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন ২০২৮-২০২৯র মধ্যে ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে পুরোপুরি রেডি হয়ে চলে আসবে LR-SAM, যেহেতু এটা সম্পূর্ণ দেশীয় সেক্ষেত্রে এটা একবার তৈরি হয়ে গেলে ভারতের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রির জন্য সেটা হবে অতিব গর্বের বিষয়। কারণ অনেক বছর ধরেই নিজেদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের এই কোড ক্র্যাক করার চেষ্টা করছিল ভারত সবথেকে বড় কথা কে বলতে পারে ভবিষ্যতে অন্য দেশও ভারতের বানানো LR-SAM কেনার জন্য আগ্রহ দেখাতে পারে?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতের আকাশ অদৃশ্য চক্রব্যূহ! রকেট মর্টারের যম ডেভিডস স্লিং-থাড, হাত বাড়ালেই বড় ভুল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ঝাঁকে ঝাঁকে ছুটে আসা রকেট-মর্টার নিষ্ক্রিয় হয় নিমেষে। এই খতরনাক ডিফেন্স সিস্টেম আছে ভারতের কাছেও। ক্ষেপণাস্ত্র হানা রুখে দিতে বিশ্বের কোন দেশের কাছে কিরকম নিরাপত্তা বলয়? চর্চার কেন্দ্রে ইজরায়েলের “আয়রন ডোম”। কম যায় না “আকাশ” ও। আকাশ আসলে কী? কোথায় ইনস্টল করা থাকে? কবে থেকে আকাশ বাঁচিয়ে আসছে ভারতকে? এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই ভারতের রক্ষাকবচ, চীন-পাকিস্তান একেবারে দিশেহারা। “আয়রন ডোম” লোহার গম্বুজ, বারংবার বাঁচিয়ে দেয় ইজরাইলকে, আর “আকাশ” বাঁচিয়ে দেয় ভারতকে। এটাই ফ্যাক্ট।

    প্রতিপক্ষ দেশ থেকে ছুটে আসা রকেটের অধিকাংশই এই আয়রন ডোমের সুরক্ষাবলয়ে এসে থমকে যায়। আয়রন ডোম আসলে একটা প্রতিরক্ষামূলক আচ্ছাদন, অদৃশ্য এক দেওয়াল। যা ইজরায়েলের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ব্যবহার করে। কিন্তু ভারতের ক্ষমতা আলাদাই লেভেলের। তাই ইসরাইলের থেকে আয়রন ডোম কেনে নি ভারত। চীন-পাকিস্তানকে হাতে গরমে পাল্টা দেওয়ার জন্য ভারত কিন্তু তৈরি। ৫০ থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরত্বে শত্রুর যুদ্ধবিমান, ড্রোন ক্রুজ মিসাইলকে ধ্বংস করে দেয় ভারতের ডিফেন্স সিস্টেম “আকাশ”! “আকাশ” স্বল্পপাল্লার ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্ররোধী ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবেও কাজ করতে এক্সপার্ট। ভ্রাম্যমান জায়গা থেকেও ‘আকাশ’কে কন্ট্রোল করা যায়।ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংক্রান্ত সংস্থা ডিআরডিও-র সাহায্যে তৈরি হয়েছে ‘আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা। শুধু আকাশ নয়, ভারত এবং ইজ়রায়েল যৌথ ভাবে তৈরি করেছে ‘বারাক-৮’। ইজ়রায়েলি সেনার পাশাপাশি ভারতের সেনাও এখন ক্ষেপণাস্ত্র হানা রুখতে ‘বারাক’-এর উপর ভরসা রাখছে।

    আসলে, ফোর্বসের তথ্য বলছে, আধুনিক সমরাস্ত্রের লড়াইয়ের ক্ষেত্রে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বের ক্ষমতাধর সব দেশের কাছেই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। যেমন ইসরাইল এর “আয়রন ডোম”। এছাড়াও, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা “এস-৪০০ ট্রাম্ফ” ও কম যায় না। যা তৈরি করেছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত একটি সংস্থা।বিশেষ পরিস্থিতিতে তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে পারে এটি। শত্রু দেশের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে তৈরি করতে পারে মজবুত প্রতিরোধও। অন্যদিকে, আমেরিকার ‘রেথিয়ন’ এবং ইজ়রায়েলের ‘রাফায়েল’ সংস্থা যৌথ ভাবে তৈরি করেছে ‘ডেভিডস স্লিং’ নামক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা। কোন দিক থেকে আক্রমণ ধেয়ে আসছে, তা আগাম টের পাওয়ার ক্ষমতা রয়েছে “ডেভিডস স্লিং”-এর।

    “থাড” ও মারাত্মক। ব্যবহার করার শুরুর দিন থেকে ১০০ শতাংশ সাফল্য পেয়েছে আমেরিকার প্রতিরক্ষা সংস্থার তৈরি ‘থাড’! ২০০ কিলোমিটার পাল্লা পর্যন্ত যে কোনও ক্ষেপণাস্ত্রকে মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস করে দেওয়ার ক্ষমতা থাডের! প্রতিটা অভিযানেই সফল “থাড”। চীনের হাতে রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা “হং কুই-৯”। হেলিকপ্টার, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, হেলিকপ্টারকে নিখুঁত ভাবে ধ্বংস করে দিতে পারে এটি। জার্মানি, আমেরিকা এবং ইতালি যৌথ ভাবে তৈরি করেছে ‘মিডস’। যুদ্ধক্ষেত্রে যে কোনও ধরনের আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতা রয়েছে এটির। বিশেষজ্ঞদের মতে, শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা থাকলে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই এড়ানো যায়। নিজের দেশকে সুরক্ষিত রাখা যায়। তাই, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ক্ষেপণাস্ত্রের যেমন বহুল ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। তেমনই শত্রুদেশের ক্ষেপণাস্ত্র হানা রুখতে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থাও তৈরি রাখছে বিভিন্ন দেশ। যা কখনো কোনো দেশকে ধোকা দিতে পারে না। এখানেই এই ডিফেন্স সিস্টেম এর সাক্সেস।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Iron Dome: ইজরায়েলের আকাশে পাহারাদার আয়রন ডোম! রকেট-মর্টারের যম, হাত বাড়ালেই ভুল হবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Iron Dome: ইজরায়েলের আকাশ ঘিরে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে শক্তিশালী “আয়রন ডোম”। ইজরায়েলকে কিভাবে রক্ষা করছে এই ডিফেন্স সিস্টেম? কেন আয়রন ডোম চর্চার কেন্দ্রে? ঝাঁকে ঝাঁকে ছুটে আসা রকেট-মর্টার নিষ্ক্রিয় হয় নিমেষে। আয়রন ডোম আসলে কী? কোথায় ইনস্টল করা থাকে? কবে থেকে আয়রন ডোম বাঁচিয়ে আসছে ইজরায়েলকে? এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই ইজরায়েলের রক্ষাকবচ, শত্রুরা দিশেহারা। “আয়রন ডোম” লোহার গম্বুজ, বারংবার বাঁচিয়ে দিচ্ছে ইজরাইলকে, এটাই ফ্যাক্ট।

    প্রতিপক্ষ দেশ থেকে ছুটে আসা রকেটের অধিকাংশই এই আয়রন ডোমের সুরক্ষাবলয়ে এসে থমকে যায়। আয়রন ডোম আসলে একটা প্রতিরক্ষামূলক আচ্ছাদন, অদৃশ্য এক দেওয়াল। যা ইজরায়েলের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ব্যবহার করে থাকে। রকেট, মর্টার বা অন্য যে কোনও অস্ত্র এতে এসে ধাক্কা লেগে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। ইজরায়েলে দাবি, প্রতিপক্ষের ছোড়া রকেটের প্রায় ৯০ শতাংশই তারা আয়রন ডোমের সাহায্যে নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে, এখানেই আয়রন ডোম এর সাক্সেস। কিন্তু, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে তৈরি হওয়া এই অদৃশ্য দেওয়াল কাজ করে কীভাবে? আয়রন ডোম রাডার সিস্টেম, কন্ট্রোল ইউনিট ও মিসাইল ফায়ারিং ইউনিট এই তিনের সমন্বয়ে গঠিত। এর মধ্যে সবথেকে ইম্পরট্যান্ট রাডার সিস্টেম। শত্রুপক্ষের ছোঁড়া মিসাইল বা রকেট ও এর গতিপথ সঠিকভাবে শনাক্ত করতে রাডারের বিকল্প নেই। যা চারপাশে প্রায় ৭০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা বস্তুগুলোকে নিয়মিত স্ক্যান করে। আর কন্ট্রোল ইউনিট রাডার এবং রকেট ধ্বংসকারী মিসাইল এর মধ্যে কানেকশন রেখে চলে। কন্ট্রোল ইউনিট নির্দেশনা দেয় ফায়ারিং মিসাইল সিস্টেম কে। তখন শত্রু মিসাইলের দিকে ছুটে যায় ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশেই ঘটে যায় বিস্ফোরণ।

    সাধারণত কোনও দেশ তাদের আকাশ বা জলপথের সীমানায় এই ধরণের ক্ষমতাসম্পন্ন অদৃশ্য এক দেওয়াল বা আয়রন ডোম ইনস্টল করে রাখে। জেনে রাখুন, ইজরায়েল যে আয়রন ডোম পরিষেবা ব্যবহার করে তা বানিয়েছে ফ্রান্সের বিখ্যাত রাফাল অ্যাডভান্স ডিফেন্স সিস্টেম। নির্দিষ্ট ট্র্যাকিং রাডার, ব্যাটারির মাধ্যমে বছরের সব সময় অ্যাক্টিভ থাকে এই আয়রন ডোম। আসলে, ২০০৬ সালে লেবাননে যুদ্ধ এবং তারপর হেজবোল্লা ও হামাস জঙ্গিদের তরফে ইজরায়েলের উত্তর-প্রান্তে ছোড়া হয় প্রায় ৪ হাজারের বেশি রকেট। যাতে ৪৪ জন ইজরায়েলির মৃত্যু হয়, বাড়ি ছাড়তে হয়েছিল প্রায় আড়াই লক্ষকে। এর পরই দেশের উত্তর-প্রান্তে নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করতে আয়রন ডোম পরিষেবা ইনস্টল করে ইজরায়েল সরকার। বিশ্বের অন্যতম অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মালিক ইজরায়েল। দেশটার আকাশ ঘিরে রীতিমতো চক্রব্যূহ তৈরি করেছে তাদের গর্ব এই আয়রন ডোম, যা ইজরায়েলকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রেখেছে। ফলে, ইসরাইলের অনুমতি ছাড়া শত্রুপক্ষের কোনো রকেট বা মিসাইল দেশটিতে আঘাত হানতে পারেনা। যদিও শত্রু দেশগুলো সম্প্রতি আঙ্গুল তুলে বলছে যে কখনো কখনো ইসরাইলের এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ঠিক মত কাজ করে না, তবু ইজরাইল তা মানতে নারাজ। দেশটার বক্তব্য, আর যাই হোক আয়রন ডোম কখনো ধোকা দিতে পারে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version