Tag: Health care

  • Helth tips: হঠাৎ মাথা ঘুরে উঠে? অবহেলা নয়, কী বলছেন চিকিৎসকরা?

    Helth tips: হঠাৎ মাথা ঘুরে উঠে? অবহেলা নয়, কী বলছেন চিকিৎসকরা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Helth tips: হটাৎ উঠে দাঁড়াতে গেলে বারবার মাথা ঘুরে উঠলে অবহেলা নয়, কী বলছেন চিকিৎসকরা? আচ্ছা, কেন এমনটা হয় জানেন? কোনও মারাত্মক রোগ বাসা বাঁধেনি তো ? অগ্রাহ্য করছেন ? বিরাট বড় ভুল করছেন কিন্তু! এমনটা হলে কি করবেন? জানুন চিকিৎসকদের পরামর্শ।

    বসা থেকে বা শোয়া অবস্থা থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে আমাদের অনেকেরই মাথা ঘুরে যায়। এই সমস্যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য স্থায়ী হয় বলে সাধারণত এটি নিয়ে তেমন মাথাও ঘামাই না আমরা। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এই সমস্যাকে একেবারেই অবহেলা করা ঠিক নয়। কারণ এর থেকে ভবিষ্যতের জন্য বড় বিপদ অপেক্ষা করে থাকতে পারে। জেনে নিন এই মাথা ঘোরার সমস্যার আসল কারণ কি।

    এই সমস্যার সঙ্গে নার্ভ বা স্নায়ুর সম্পর্ক থাকতে পারে। অনেকেরই স্নায়ুর সমস্যার কারণে হঠাৎ শোয়া অবস্থা থেকে উঠলে বা বসা অবস্থা থেকে উঠলে মাথা ঘুরে যায়। কয়েক সেকেন্ডের জন্য চোখে অন্ধকার দেখেন অনেকে। তাই এটিকে অবহেলা না করাই ভালো। আপনার যদি এই সমস্যা থেকে থাকে তাহলে এখনই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কারণ নার্ভের সমস্যা অবহেলা করলে তার থেকে ভবিষ্যতে বড় বিপদ হতে পারে।

    অনেকের আবার ব্লাড প্রেশারের কারণে এই ঘটনা ঘটে থাকে। রক্ত চাপ কম থাকলে অনেক সময় হুট করে উঠে দাঁড়ালে মাথায় সঠিক পরিমাণ রক্ত পৌঁছায় না। যার ফলে অনেকের এই মাথা ঘোরার সমস্যা হতে পারে। তাই আপনার এই সমস্যা থাকলে নিজের প্রেশার চেক করিয়ে নিন। তারপর ডাক্তারের পরামর্শ মতো প্রেশার স্বাভাবিক করার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

    ভার্টিগো থাকলেও হঠাত্‍ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘুরে যেতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে উচ্চতা থেকে ভার্টিগো হয়। পাহাড়ে বেড়াতে গেলে অনেকের এই সমস্যা দেখা যায়। বেশি উঁচু বাড়িতে উঠলেও অনেকের এই সমস্যা হয়। অনেকের লিফটে হয়। এটিও একপ্রকার স্নায়ুর সমস্যা। এই ক্ষেত্রেও ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এ ছাড়াও মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে কখনও কখনও ঘুম থেকে ওঠার পরও মাথা ঘুরতে পারে। কানের ভেতরে কোন সমস্যা হলেও এমন সমস্যা হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে যাঁদের মধ্যে বসা বা শোওয়া অবস্থা থেকে হুট করে উঠে দাঁড়ালে মাথার ঘোরার সমস্যা আছে, তাঁদের ভবিষ্যতে ডিমেনশিয়া হতে পারে। অর্থাত্‍ সবকিছু ভুলে যাওয়ার অসুখ গ্রাস করতে পারে এদের। এছাড়াও মাথায় নানা রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটতে পারে। হৃদযন্ত্র বিকল হওয়া থেকে শুরু করে স্নায়ুর সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই যদি এই লক্ষণ থাকে, তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া আবশ্যক।

    পাশাপাশি, আপনাকে নিজে থেকেও বেশি কিছু জিনিস মানতে হবে। মাথা ঘোরা কমাতে বার বার জল খেতে পারেন। এতে বেশ তাড়াতাড়ি কমতে পারে এই সমস্যা। শরীরে জলের ঘাটতি হলে এই সমস্যা দেখা যায়। মানসিক চাপের কারনেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। মানসিক চাপ কমানোর জন্য আপনি গান শুনতে পারেন এবং ধ্যান করতে পারেন। যোগব্যায়াম করলেও মানসিক চাপ কমতে পারে। ক্যাফেইন যুক্ত খাবার ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন। আর অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Health Care: ঘন ঘন প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া ভাব! কিডনিকে মারাত্মক বিপদ থেকে বাঁচাবেন কীভাবে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Health Care: ঘন ঘন প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া ভাব, যদি এই সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগতে থাকেন তাহলে বিষয়টি একেবারেই অবহেলা করবেন না। হয়ত শরীরের বাসা বাঁধছে জটিল রোগ। তাই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এই ধরনের সমস্যা হলে অনেকেই ভাবেন শরীর গরম হয়েছে, তাই জল খেলে হয়ত ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু সমস্যা যদি গভীর হয় তাহলে মুশকিল। ঘন ঘন প্রস্রাব আর তার সঙ্গে জ্বালাপোড়া ভাব কেন হয়? এর থেকে মুক্তির উপায় কী? আপনার জন্য কিছু উপকারী তথ্য রইল এই প্রতিবেদনে।

    • কিডনির বিপদ সামান্য সমস্যায় !

    সাধারণত এই ধরনের সমস্যা বয়স ভেদে নির্ভর করে। যাদের খুব ঘন ঘন ইউরিন ইনফেকশন হয় সেক্ষেত্রে কিন্তু ভবিষ্যতে বড় বিপদ আসতে পারে। কিডনির নানান সমস্যা দেখা দেওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে হলে তা মূলত চিকিৎসকরা এর লক্ষণ দেখে বোঝেন। ইনফেকশন যদি বারবার হতে থাকে তাহলে তা কিডনি পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে। যারা বিশেষ করে ডায়াবেটিসে ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রে এই ধরনের ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এক্ষেত্র দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ এই ইনফেকশন যদি ভুলেও রক্তে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে তা মারাত্মক, যাকে বলা হয় সেপটিসেমিয়া। এই সমস্যায় দীর্ঘদিন ভুগলে কিডনিতে এফেক্ট পরে। এমনকি পরিস্থিতি মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছালে কিডনি নষ্ট পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে। এই সমস্যা স্টোনের জন্য হতে পারে। প্রস্রাবের নালীতে স্টোন জমলে তা ব্লক করে দেয়। যার কারণে এফেক্ট পড়ে কিডনিতে।

    • সমস্যার সমাধান

    যদি সমস্যা গভীর না হয় তাহলে আপনি ঘরোয়া কিছু উপায়ের মাধ্যমে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। জল পানের পরিমাণ বাড়াতে হবে। পরিমিত পরিমাণে জল পান করলে দূষিত ব্যাকটেরিয়া গুলি শরীর থেকে বার হয়ে যাবে। এর ফলে প্রস্রাবের সময় এই সমস্যা দূর হবে। এছাড়াও পাশাপাশি জল জাতীয় ফল, সবজি, বিভিন্ন জুস, স্যুপ খেতে পারেন। স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া সমৃদ্ধ দই শরীরের পিএইচ এর ভারসাম্য বজায় রাখে। প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া ভাব কমাতে কয়েক দিন নিয়ম করে দুই থেকে তিন কাপ দই খেলে উপকার পাবেন। যদি সমস্যা বারবার হয় তাহলে আমিষ জাতীয় খাবার থেকে একটু দূরে থাকুন। তার পরিবর্তে বেছে নিন প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি জাতীয় খাবার। এছাড়াও হিটিং প্যাড ব্যবহার করতে পারেন বা বাড়িতে থাকা নরম সুতির কাপড় সামান্য গরম করে তলপেটে আলতো করে পাঁচ মিনিট ধরে চেপে রাখবেন। এভাবে কয়েকবার করলে একটু হলেও উপকার পাবেন। তবে এই সমস্যা একেবারেই ফেলে রাখা উচিত নয়। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Health Care: ধূমপানে মারণ বিষ! সামান্য অভ্যাসেই ত্যাগ করুন মায়া

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Health Care: বহু ধূমপায়ীদের কাছে সিগারেট রীতিমত অমৃতের সমান। কয়েক ঘন্টা অন্তর অন্তর ধূমপান (Smoking) না করলে মনে হয় যেন মাথা ধরেছে, কিংবা মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। হয়ত ভাবেন, সিগারেটের মধ্যেই রয়েছে এমন জাদু যা খিটখিটে মেজাজকে ভালো করতে পারে। যদিও এই ধারণা এক্কেবারে ভুল। উপরন্তু দিনের পর দিন ধূমপানের অভ্যাস আপনার মস্তিষ্কের বারোটা বাজাচ্ছে। কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে সংসারিক টানা পোড়েন, এইসবের ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই ধূমপানে আসক্ত হয়ে পড়েন। যা পরবর্তীকালে মানসিক অবসাদের অন্যতম কারণ। শত চেষ্টা করেও এই নেশাকে পিছু ছাড়ানো যায় না।

    জানেন কি, প্রতিদিনের আপনার সামান্য কয়েকটি অভ্যাস ধূমপানের নেশা ত্যাগ করতে সাহায্য করবে। তবে একদিনেই ধূমপানের নেশা যাবে না, তার জন্য কয়েক মাস যাবত আপনাকে চেষ্টা করতে হবে। এই নেশা ত্যাগ করার জন্য রোজ কঠিন কোন কাজের প্রয়োজন নেই। অন্যান্য দিনের স্বাভাবিক রুটিন অনুযায়ী সমস্ত কাজ করবেন। শুধু মাঝে মাঝে করতে হবে সামান্য কয়েকটি যোগাসন। বহু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, শুধুমাত্র ধ্যানের সাহায্যে কিংবা যোগাসন করে ৮৫ শতাংশ ধুমপায়ী তাদের নেশা ছাড়তে পেরেছেন।

    (১) ধূমপানের নেশা কমাতে পারে বালাসন। এই যোগাসন করা অত্যন্ত সোজা। এর অপর নাম চাইল্ডস পোজ। প্রতিদিন কয়েক মিনিটের জন্য এই যোগাসন করলে আপনার মন ভেতর থেকে শান্ত হবে। যার ফলে ধীরে ধীরে সিগারেটের ধূমপানের প্রয়োজনীয়তাও কমবে। প্রথমে হাঁটু মুড়ে গোড়ালির উপর বসবেন। তারপর ধীরে ধীরে শরীরটা বাঁকিয়ে নিচের দিকে নিয়ে আসবেন। তারপর মাথা মেঝেতে রাখবেন। খেয়াল রাখবেন বুক যেন উরুতে গিয়ে স্পর্শ করে। এই পদ্ধতিতে হাত দুটো সামনের দিকে প্রসারিত করবেন। এই যোগাসনে শুধুমাত্র ধূমপানের নেশা নয়,ঘাড়- পিঠের ব্যথাও কিছুদিনের মধ্যে আপনার শরীর ত্যাগ করতে বাধ্য।

    (২) আপনার মনকে শান্ত করতে পারে ভদ্রাসন। এই যোগ ব্যায়াম অত্যন্ত সহজ। শুধুমাত্র মাটিতে বসে দু পায়ের পাতা একে অপরের সঙ্গে জুড়ে পায়ের পাতার উপর হাতের পাতা দুটি রাখতে হবে।

    (৩) যদি মনে হয় নিয়ম করে অন্যান্য যোগাসন করতে অসুবিধা হচ্ছে তাহলে প্রতিদিন দশ থেকে পনেরো মিনিট এক জায়গায় চুপ করে বসে ধ্যান করেও বিশাল উপকার পেতে পারেন। প্রাণায়ামের মাধ্যমে আপনি যদি শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করেন তাহলে মানসিক অবসাদ দূর হবে এবং ধীরে ধীরে সিগারেট ধূমপানের প্রতি আসক্তি কমবে। এক্ষেত্রে উপকার পেতে পারেন কপালভাতি কিংবা ভ্রমরির মতো প্রাণায়ামের মাধ্যমে।

    (৪) মস্তিষ্ককে সচল রাখতে এবং মন শান্ত রাখতে বেশ উপকারী উষ্ট্রাসন। প্রথমে মাটিতে হাঁটুর উপর ভর দিয়ে ভালোভাবে বসবেন। দু পায়ের গোড়ালি থাকবে পিছন দিকে। তারপর শরীর ধীরে ধীরে বাঁকিয়ে দু হাত দিয়ে দু পায়ের গোড়ালি ধরবেন। এইভাবে কিছুক্ষণ থাকার পর আবার পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরে আসবেন। এই যোগাযোগ করলে ধূমপানের আসক্তি থেকে আপনি দ্রুত মুক্তি পেতে পারেন। পাশাপাশি শরীরের নানান জটিল রোগ দূর হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Health Care: করোনা আর দুষণকে হার মানাবে ফুসফুস! পাতে রাখুন এই সামান্য খাবার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Health Care: দিনের পর দিন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে দূষণের( pollution) পরিমাণ। বিশেষ করে যারা দৈনিক অফিসে যান তাদের রাস্তার ধুলো ধোঁয়াকে ফেস করতে হয়। তার উপর নতুন করে মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে করোনা। যদিও করোনা নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই, তাও শরীর দুর্বল করে দফারফা করে দিতে পারে এই ভাইরাস। এক্ষেত্রে ফুসফুসকে শক্তিশালী করতে যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ফুসফুসের( lungs) যত্ন নেওয়ার জন্য নানান ব্যায়াম রয়েছে। তবে আপনার রান্নাঘরে থাকা কয়েকটি খাবার দিয়ে ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে পারেন।

    কীভাবে ফুসফুসের ক্ষতি হয় ?

    বায়ু দূষণ( air pollution), ধূমপান( smoking) এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার( unhealthy food) আপনার ফুসফুসকে দুর্বল করে দেয়। একই সময়ে, টক্সিন এবং দূষিত কণা ফুসফুসে জমা হয়। যার কারণে অ্যাজমা, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, পালমোনারি ফাইব্রোসিস ইত্যাদি সমস্যার ঝুঁকি থাকতে পারে।

    নির্দিষ্ট কিছু খাবার খাওয়া আপনার ফুসফুসের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।

    • মুসুর ডাল
    মসুর ডালে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এতে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, কপার এবং পটাসিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদান ফুসফুসের জন্য কার্যকরী করে তোলে। অনেক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা ধূমপান করেন তাদের মসুর ডাল খেলে ফুসফুসের ক্যানসার এবং সিওপিডির মতো গুরুতর সমস্যার ঝুঁকি কমে যায়।

    •কুমড়ো
    বিটা ক্যারোটিন, লুটেইন এবং জেক্সানথিনের মতো ক্যারোটিনয়েড রয়েছে যা প্রদাহ এবং ফোলা কমাতে সাহায্য করে। বেশ কিছু গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে রক্তে উপস্থিত ক্যারোটিনয়েডের মাত্রা এবং ফুসফুসের ভালো কার্যকারিতার মধ্যে একটি ইতিবাচক সম্পর্ক রয়েছে।

    • গ্রিন টি
    গ্রিন টি ফুসফুসের জন্যও উপকারী। গ্রিন টিতে রয়েছে EGCG(Epigallocatechin gallate) উপাদান, যার কারণে এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য। এই বৈশিষ্ট্যগুলি আপনার ফুসফুসের টিস্যুকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করে। যার কারণে আপনার ফুসফুস পালমোনারি ফাইব্রোসিসের মতো গুরুতর সমস্যা থেকে দূরে থাকে।

    • আপেল
    অনেক গবেষণায় ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়াতে আপেলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আপেলে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্ল্যাভোনয়েড এবং ভিটামিন-সি অ্যাজমা এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপানের কারণে যাদের ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করেছে, তারা আপেল খেয়ে তাদের ফুসফুসকে দিব্যি সুস্থ রাখতে পারেন।

    • হলুদ
    ফুসফুসের কার্যকারিতা হ্রাসের পিছনে প্রায়শই প্রদাহকে দায়ী করা হয়। হলুদ ফুসফুসের জন্য একটি উপকারী খাদ্য উপাদান। এতে উপস্থিত কারকিউমিন এটিকে একটি প্রদাহরোধী খাবার করে তোলে। যারা বেশি কারকিউমিন খান, তাদের ফুসফুস বেশি সুস্থ থাকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Health care: মিষ্টি ছাড়া দিন চলে না? বড় বিপদ এড়াতে এখনই সাবধান হোন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Health care: মিষ্টি অনেকেরই প্রিয়। এমন অনেকেই আছেন যাঁদের মিষ্টি ছাড়া দিন চলে না। রাতের খাবার পর একটা মিষ্টি মাস্ট। কিন্তু জানেন কি অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস হতে পারে?অতিরিক্ত পরিমাণে মিষ্টি খেলে বাড়তে পারে ওজনও (Body weight)। যারা বেশি মিষ্টি খায় তাদের টাইপ-টু ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

    বেশি মিষ্টি (sweet) খেলে ত্বকের ক্ষতি হয় ভীষণ রকম। মূলত যাঁদের তৈলাক্ত ত্বক তাঁদের একদমই বেশি মিষ্টি খাওয়া উচিত নয়। অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে ব্রণর (pimple) সমস্যা বাড়ে। ত্বক ও শরীর ভালো রাখতে চাইলে মিষ্টি খাওয়া কমান।

    মিষ্টিতে এমন কিছু উপাদান থাকে যেটা আমাদের শরীরের জন্য একদম ঠিক নয়। এটা খেলে পেটের গোলমাল হতে পারে। হজমের (digest) সমস্যা দেখা দেয়। সঙ্গে হতে পারে পেটের সমস্যা। তাই মিষ্টি কম খাওয়া ভালো। আর পেট ঠিক না থাকলেই তার প্রভাব মুখে দেখা যায়।

    মিষ্টিতে যে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স থাকে সেটার কারণে ত্বকের বয়সের ছাপ সময়ের আগেই পড়ে যায়। এছাড়া অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে ত্বক শুষ্ক এবং নিষ্প্রাণ হয়ে যেতে পারে। মিষ্টি খাওয়ার কারণে ত্বকের আর্দ্রতা কমে যায়।

    তাই মিষ্টি খাওয়ার বদলে শরীর এবং ত্বক (skin) দুই ভালো রাখতে চাইলে বেশি পরিমাণে জল খান। জল আমাদের যেমন হাইড্রেটেড রাখে, তেমনই একাধিক রোগ ব্যাধি দূরে রাখে।

    উচ্চ মাত্রার ফ্রুকটোজ সমৃদ্ধ কর্ন সিরাপ বা বাড়তি চিনিওয়ালা পানীয়, জুস ড্রিংক, মধু (honey) বা সাদা চিনি এগেুলো হৃদযন্ত্রের সমস্যা তৈরি করে। কারণ তা ধমনীর ভেতর ট্রাইগ্লিসারাইড জাতীয় চর্বি জমাতে বড় ভূমিকা রাখে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version