Tag: Fridge

  • Beauty Tips: আপনার শখের প্রসাধনী দীর্ঘদিন ভালো রাখতে চান?আজ থেকেই ফ্রিজে রাখুন এই জিনিসগুলি

    Beauty Tips: আপনার শখের প্রসাধনী দীর্ঘদিন ভালো রাখতে চান?আজ থেকেই ফ্রিজে রাখুন এই জিনিসগুলি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Beauty Tips: কোন কোন প্রসাধনী ফ্রিজে রাখলে ভালো থাকে। ব্যবহার করা যায় দীর্ঘদিন। শেষ হওয়ার আগেই নষ্ট হয়ে যাবে না আপনার প্রিয় নেল পালিশ, লিপস্টিক বা কাজল। সঠিকভাবে প্রসাধনী সংরক্ষণ না করলে সময়ের আগেই তার মেয়াদ ফুরিয়ে যায়। ফলে প্রিয় প্রসাধনী সম্পূর্ন ব্যবহার করার আগেই ফেলে দিতে হয়। এসব প্রসাধনী সংরক্ষণের সঠিক উপায় জানা থাকলে দীর্ঘদিন ভালো রাখা যাবে জিনিস গুলি। বেশ কিছু প্রসাধনী রয়েছে, যেগুলো ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হয়। সেগুলোই কী-কী, দেখে নিন।

    লিপস্টিক, টিপ, কাজল সহ নানান ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকি আমরা। প্রসাধনীর মধ্যে শুধু যে লিপস্টিক, কাজল, ফেসওয়াশ, ফেসপাউডার এসবই নয়, থাকে বিভিন্ন টোনার ক্রিমও। যে কারণে এই সব কিছুই যত্ন করে রাখার প্রয়োজন রয়েছে। কিছু প্রসাধনী আছে যেগুলো ফ্রিজে থাকলেই সবথেকে ভাল থাকে। তাই বলে বাজার থেকে কিনে এনেই ফ্রিজে ভরে দিতে হবে এমনটা নয়। ফ্রিজে রাখলে যে মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও ব্যবহার করা যাবে তাও নয়। প্রসাধনীর দীর্ঘ সময় ভালো রাখতেই এগুলো ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন রয়েছে।

    আপনি কি নিয়মিত টোনার ব্যবহার করেন? তাহলে টোনারের বোতলটি ফ্রিজে রাখুন। এ ধরনের প্রসাধনীগুলিও ফ্রিজে রাখলে অনেক দিন ভাল থাকে। ঠান্ডা টোনার মুখে লাগালে ত্বকও ভাল থাকে। এছাড়া নাইট ক্রিম, ডে ক্রিম, আই ক্রিমের মতো প্রসাধনীও ফ্রিজে রাখা ভাল। ঠান্ডা আই ক্রিম চোখের ক্লান্তি ও ফোলা ভাব দূর করতে সাহায্য করে। এ সব ক্রিম ফ্রিজ থেকে বার করে ত্বকে রেখে ব্যবহার করলে বেশি আরাম পাবেন

    লিপস্টিক ভরে রাখতে পারেন ফ্রিজের মধ্যে। এতে লিপস্টিকের মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক তেল অনেক দিন ভাল থাকে। রং নষ্ট হয় না, লিপস্টিকের আর্দ্র ভাবও বজায় থাকে।

    অ্যালোভেরা জেল দীর্ঘদিন ভালো রাখতে ফ্রিজে ভরে রাখুন। ত্বক রোদে পুড়ে গেলে কিংবা ত্বকে অ্যালার্জির সমস্যা হলে ঠান্ডা অ্যালো ভেরা জেল দ্রুত আরাম দেয়।

    সমস্ত প্রসাধনীর মধ্যে নেলপলিশ খুব সাধারন। কিন্তু অনেক সময়েই দেখা যায় শেষ হওয়ার আগেই জমে গিয়েছে নেলপালিশ। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে ফ্রিজে রাখতে পারেন আপনার প্রিয় নেল পালিশ। ফ্রিজে রাখলে তা হবে না আর লাগানোর পর নখেও নেল পালিশ টিকে থাকবে বেশি দিন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ফ্রিজ থেকে কি জল পড়ছে? সাবধান, ক্ষতি হচ্ছে প্রচুর! ঠিক করুন এখনই

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাড়িতে নিশ্চয়ই ফ্রিজ আছে? একটু খেয়াল করে দেখুন তো, ফ্রিজের নিচ দিয়ে কি জল পড়ছে? ভেসে যাচ্ছে মেঝে। মাঝে মধ্যেই এমনটা হয় অথচ পাত্তা দেন না! গরম খাবার ডায়রেক্ট ঢুকিয়ে দিচ্ছেন ফ্রিজে, গাদাগাদি করে রাখছেন প্রচুর জিনিস। ঠিক করছেন তো? সাবধান, আপনর অবহেলাতেই ক্ষতি হচ্ছে হাজার হাজার টাকা। খারাপ হয়ে যেতে পারে শখের দামি ফ্রিজ। ফ্রিজ থেকে জল কেন পড়ে? সমস্যার সমাধানটাই বা কি? জানুন তবে।

    ফ্রিজের ঠিক পিছনে কম্প্রেসারের উপরে কিংবা একদম কাছে দেখুন একটা ওয়াটার ট্রে রয়েছে। ওয়াটার ট্রেতে জলে ভরে গেল ওভার ফ্লো হয়ে চলে আসে মেঝেতে। ভাবেন হয়ত ফ্রিজ থেকে জল বেরোচ্ছে। ওয়াটার ট্রেতে জল জমা স্বাভাবিক, কিন্তু অতিরিক্ত হলে গন্ডগোল। মূলত কম্প্রেসার চলার সময় গরমের কারণে ওয়াটার ট্রের জল বাষ্প হয়ে উবে যায়। স্বাভাবিক ভাবেই তা চোখে পড়ে না । কিন্তু কোন কারণে যদি স্বাভাবিকের থেকে অতিরিক্ত জল জমে কিংবা তা ওভার ফ্লো হয়ে মেঝেতে পড়ে তার মানে ফ্রিজে সমস্যা রয়েছে।

    কী করবেন তাহলে? ফ্রিজের দরজা ঘনঘন খুলবেন না। বাইরের গরম বাতাস ফ্রিজের ভিতর প্রবেশ করে সহজে বরফ গলিয়ে দেয়। মাঝেমধ্যে একটু চেক করে নিন, ফ্রিজের ড্রেন লাইনটা ঠিক আছে কিনা। ড্রেন লাইন বলতে বোঝায় ফ্রিজে থাকা একটা ছোট্ট ছিদ্র। যেখান দিয়ে জমা অতিরিক্ত জল বেরিয়ে যায়। ফ্রিজে যখন অতিরিক্ত খাবার রাখেন তখন ওই ছিদ্র বন্ধ হয়ে গেলে ফ্রিজের ভিতরে জমে থাকা জল দরজা দিয়ে বেয়ে নেমে আসে মেঝেতে। মাঝেমধ্যে ফ্রিজের বডি চেক করে নিন। কোনো ফাটল বা চির ধরলে সেখান থেকে কিন্তু জল বেরিয়ে আসতে পারে। এমনটা চোখে পড়লে দ্রুত মেরামত করুন। সারা সপ্তাহের খাবার এক দিনে রান্না করে ফ্রিজে গাদাগাদি করে ঢুকিয়ে দেবেন না । এভাবে খাবার রাখলে ফ্রিজের মধ্যে জায়গা কমে যায়, ঠান্ডা বাতাস সব জায়গায় পৌঁছাতে পারে না। সহজে বরফ জমে গিয়ে অতিরিক্ত জল তৈরি করে।

    খেয়াল করে দেখুন তো, আপনার ফ্রিজের ডিপ অংশ আর নরমাল অংশের সংযোগ স্থলে কি কোন লিকেজ রয়েছে? থাকলে দ্রুত বন্ধ করুন। ফ্রিজ কখনোই অতিরিক্ত মাত্রায় ওভারলোড করবেন না। পাওয়ার বাড়ালেই যে ফ্রিজ তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হবে এমনটা কিন্তু নয়। রেগুলেটর ভলিউম সেট করে ওভারলোড করলে ফ্রিজের বডিতে ফোঁটা ফোঁটা হয়ে ঘামের মত জল জমে। এমনটা হলে বুঝবেন আপনার ফ্রিজ ওভারলোড হয়েছে। পাওয়ারটা একটু কমিয়ে দিন। আপনি কি ফ্রিজ পরিষ্কারের পর সঙ্গে সঙ্গে খাবার সবজি মাছ ফ্রিজে ঢুকিয়ে দেন? এটাও আর একটা ভুল। সুইচ অন করে এক দেড় ঘন্টার জন্য ফ্রিজ ঠান্ডা হতে দিন। একটু ঠান্ডা হয়ে এলে তারপরেই শাক-সবজি মাছ ফ্রিজে রাখুন। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, খুব গরম খাবার ডায়রেক্ট ফ্রিজে রাখবেন না। অল্প গরম খাবার অবশ্যই রাখতে পারেন, কিন্তু খুব গরম খাবার রাখলে বাষ্পের কারণে জল জমতে পারে। দিনের পর দিন এই ভুলগুলো চললে নষ্ট হয়ে যেতে পারে আপনার ফ্রিজ। তখন কিন্তু অনেকটা টাকার ধাক্কা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Refirgerator: বাড়িতেই মৃত্যু ফাঁদ, কারেন্ট চলে আসতে পারে ফ্রিজের বডিতে! কীভাবে সাবধানে থাকবেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Refirgerator: আপনার বাড়িতে নিশ্চয়ই ফ্রিজ আছে। যখন তখন কি ফ্রিজে গিয়ে হাত দেন? একটু সাবধান। ফ্রিজেই লুকিয়ে মৃত্যুর ফাঁদ। চোখের পলকে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যাবে। কিচ্ছু করার থাকবে না। অযথা আতঙ্কিত হবেন না, আগে ভালো করে শুনুন। একটু ভুল আর একটু অসাবধানতায় ফ্রিজের কারণে প্রাণ যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। মাস দুয়েক আগেই, উদয়পুরে এক বাবা মেয়ের প্রাণ গিয়েছিল শুধুমাত্র ফ্রিজের কারণে। ফ্রিজ থেকে যে কোনো মুহূর্তে কারেন্ট শক লাগতে পারে। সাবধানের মার নেই, বাড়িতে থাকা ফ্রিজ সম্পর্কে এই কয়েকটা কথা অবশ্যই জেনে রাখুন।

    বাড়িতে ফ্রিজ কিনেছেন অথচ সতর্ক হননি এমন ব্যক্তি খুব কমই রয়েছে। তাহলে কীভাবে ফ্রিজের বডিতে কারেন্ট চলে আসে? আপনার কোনো ভুল না থাকলেও কিন্তু এমনটা হতে পারে। যখনই দেখবেন ফ্রিজের বডিতে টেস্টার ধরলে আলো জ্বলছে কিংবা হাত দিলে শক লাগছে, তাহলে পিছনে বিস্তর গন্ডগোল। আসলে ফ্রিজ চালু হওয়ার জন্য বা অপারেট করার জন্য যে বিদ্যুত সাপ্লাই রয়েছে তা যদি কোনো কারণে লিকেজ হয়ে ফ্রিজের বডিতে চলে আসে তাহলে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটবে। কিন্তু প্রশ্ন, হঠাৎ কেনই বা লিকেজ কারেন্ট ফ্রিজের বডিতে আসবে? আসলে ফ্রিজ সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য কম্প্রেসার নামক একটা যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। যেটি থাকে ফ্রিজের পিছন দিকে বোর্ডের নিচের অংশে। এর মধ্যেই থাকে একটা মোটর। হঠাৎ প্রচন্ড গরমে বা অনাকাঙ্ক্ষিত কোন কারণে মোটরের ইনসুলেশন দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এই ইনসুলেশন কি? ইনসুলেশন হল বিদ্যুৎ পরিবাহী তারের উপরে থাকা একটা আবরণ, যা সহজে বিদ্যুৎ বাইরে বের হতে দেয় না। কিন্তু এই ইনসুলেশন দুর্বল হলে লিকেজ কারেন্ট কম্প্রেশারের মাধ্যমে চলে আসে ফ্রিজের বডিতে।

    একটু খেয়াল করে দেখবেন, ফ্রিজের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটা থার্মোস্ট্যাট ব্যবহার করা হয়। আর ফ্রিজের ভিতরেই রয়েছে একটা ইন্ডিকেটর ল্যাম্প। এই দুই অংশে পাওয়ার সাপ্লাইয়ের জন্য রয়েছে বিশেষ তার। সেই তারের ইনসুলেশন যদি বাইচান্স দুর্বল হয়ে যায় তখনও কিন্তু লিকেজ হয়ে ফ্রিজের বডিতে কারেন্ট চলে আসতে পারে। ফ্রিজে পাওয়ার সাপ্লাইয়ের জন্য একটা মেইন মোটা তার ব্যবহার করা হয়। যেটা সরাসরি দেওয়া থাকে প্লাগের সঙ্গে। এই পাওয়ার সাপ্লাই তারটাও ভীষণ ইম্পর্ট্যান্ট। এর ইনসুলেশন ফেলিওর হলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। একটা ফ্রিজের যখন এতই সমস্যা তাহলে সমাধান কীভাবে করবেন? আতঙ্কিত হবেন না। একটু সতর্ক থাকলেই এই সমস্যা কোন সমস্যাই নয়।

    বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন, ফ্রিজ দেওয়াল থেকে অন্তত ৮ থেকে ১০ ইঞ্চি দূরে রাখা ভালো। ফ্রিজের পিছনে জালের মত অংশ থেকে তাপ নির্গত হয়। তাই দেয়াল থেকে একটু দূরে রাখলে ফ্রিজের উপরে চাপ কম পড়ে। বিপদে পড়ার আগেই ছোট্ট একটা কাজ করে নিতে হবে। ফ্রিজের সঙ্গে আর্থিং করা অত্যন্ত জরুরি। যদি এটা করে নেন, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে ত্রুটিও থাকলেও সেই কারেন্ট মাটির ভিতরে চলে যাবে। তখন সেই ডিভাইস স্পর্শ করলেও আর শক লাগবে না। এই আর্থিং মূলত চার ধরনের হয়ে থাকে, বার, প্লেট, পাইপ আর স্ট্রিপ। আপনি আপনার সুবিধা অনুযায়ী যে কোন একটা করে নিতে পারেন। ফ্রিজের উপর প্লাস্টিকের কভার রাখবেন না। খুব গরম জিনিস সরাসরি ফ্রিজে রেখে দেবেন না। আর ভুলেও ভিজে হাতে ফ্রিজ খুলবেন না। এই কয়েকটা সাবধানতা মানলেই যথেষ্ট।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ফ্রিজে ফল রাখার আগে দুবার ভাবুন! কতটা ক্ষতি হচ্ছে জানেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ফ্রিজে এই ফলগুলো রাখছেন? জানলে অবাক হবেন এমন কিছু ফল আছে যা ফ্রিজে রাখলেই বিষ হয়ে যেতে পারে। এই সব ফল ফ্রিজে রাখলে উপকার তো হয়েই না, উলটে শরীরের বারোটা বেজে যাবে আপনার। ফ্রিজে ফল রাখলেই সর্বনাশ। ফ্রিজ ছাড়াও ফল তাজা রাখবেন কী করে? এই প্রতিবেদনেই জানাবো সেই সিক্রেট। গরমে যেকোনও ফলই খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়।  তাই ফল, সব্জি  বা যেকোনও খাবার তাজা রাখতে তা ফ্রিজে রাখেন। গরমে ঠাণ্ডা-ঠান্ডা আম খেতে খুবই ভালো লাগে, কিন্তু আপনি কি জানেন যে দীর্ঘদিন ফ্রিজে রাখা আম আপনার কতটা ক্ষতি করতে পারে?

    আম ফ্রিজে রাখলে এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কমে যায় এবং পুষ্টিগুণও নষ্ট হয়ে যায়। সেজন্য কখনই ফ্রিজে আম রাখবেন না। তরমুজ এত বড় ফল যে একবারে একজনের পক্ষে খাওয়া সম্ভব হয় না, তাই বাধ্য হয়ে তরমুজ কেটে ফ্রিজে রাখেন অনেকেই। কিন্তু অনেকেই জানেন না তরমুজ কেটে ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। এই ফল কেটে ফ্রিজে রাখলে ফুড পয়জনিং হওয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায়।
    কারণ কাটা তরমুজে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে শুরু করে। ফ্রিজে রাখলে আপেলের খোসা দ্রুত শুকোয়। আপেলের মধ্যে উপস্থিত ট্রিটারপেনয়েড ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। কিন্তু ফ্রিজের তাপমাত্রায় নষ্ট হয় ও আপেলের কোষের পচন ধরায়। তাই তা খেলে বিষক্রিয়া ঘটতে পারে যখন তখন।

    গরম তাপমাত্রায় ফল হওয়ায় গরমেই এটি ভাল থাকে, ফ্রিজে কলা রাখলে কলার কোষের গঠনও নষ্ট হয়ে তা বিষাক্ত হতে পারে। ফ্রিজে রাখলে নাশপাতি নরম হয়ে যায় পচন ধরেও তাড়াতাড়ি। পুষ্টিগুণ কমে যাওয়ার সঙ্গে এই ধরনের নাশপাতিতে বিষক্রিয়াও হতে পারে। তাহলে আপনার মনে প্রশ্ন আসছেন নিশ্চয়ই গরমে ফলকে সতেজ রাখবেন কীভাবে? তাহলে আপনার জন্য কিছু টিপস রইল।

    পুষ্টিবিদরা বলছেন এই সব ফল চালের ড্রামে রাখুন। চাইলে পরিষ্কার ঝুড়িতে বা নরম কাপড়ে মুড়ে শুকনো জায়গাতেও রাখতে পারেন। আঙুর কিংবা স্ট্রবেরি ফ্রিজের বাইরে রাখলে স্বাদ ভালই থাকে। কিন্তু দিন কয়েক তাজা রাখতে হলে কখনও এই ফলগুলি ধুয়ে রাখবেন না, তা হলেই বাড়ে ছাতা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা। এমনি রেখে দেবেন তবে খাওয়ার আগে ধুয়ে নেবেন। ফল একটি শুকনো পরিষ্কার কাপড়ে বেঁধে রাখতে পারেন এতে ফল বেশিদিন ফ্রেশ থাকবে এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    রোজকার জীবনে আমাদের জীবনযাত্রা সহজ হয়ে উঠলেও কোথাও গিয়ে ক্ষতি হচ্ছে আমাদেরই।প্রতিদিন বাজার যাওয়া সম্ভব  নয়, তাই সপ্তাহে একদিন বা দুদিন বাজার যাচ্ছেন। আর ফল কিনে এনে জমা করছেন ফ্রিজে। এবার থেকে দুবার ভাবুন। দরকার হলে ফল কিনে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব খেয়ে ফেলার চেষ্টা করুন। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Refrigerator: ঠান্ডা হচ্ছে না আপনার বাড়ির ফ্রিজ ? চটজলদি জানুন সমাধানের উপায়

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Refrigerator: প্রতিটি বাড়িতেই বর্তমানে রেফ্রিজারেটর দেখা যায়। এমনটা কিন্তু নয় শুধু খাবার ঠান্ডা রাখার জন্য ফ্রিজ ব্যবহার করা হয়। ফ্রিজকে খানিকটা স্টোর রুম হিসেবেও ব্যবহার করে থাকি আমরা বিভিন্ন ধরনের খাবার ফ্রিজের মধ্যে রেখে থাকি। একটা সাধারন ফ্রিজ বড়জোর ৭ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত পরিষেবা দিতে পারে আপনাকে। কিন্তু তারপর তা বদলাতেই হবে। অনেক সময় দেখা যায় কিছুতেই ঠান্ডা হচ্ছে না ফ্রিজ। তার পেছনেও খানিকটা দোষ রয়েছে মালিকেরই। ফ্রিজ ব্যবহারকারীদের বিশেষ কয়েকটি দিকে খেয়াল রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। কেন ফ্রিজ মাঝে মধ্যে ঠান্ডা হয়না তা জেনে নিন :

    ১) কম্প্রেসরের এর কারণে সমস্যা- ফ্রিজ সঠিকভাবে ঠান্ডা না হওয়ার জন্য কম্প্রেসরের দিকে নজর দেওয়া দরকার। কারণ ফ্রিজ ঠান্ডা রাখার কাজটি করে কম্প্রেসরই । ফলে কোনও কারণে কম্প্রেসরের সমস্যা হলে ফ্রিজ কম ঠান্ডা হবে।

    ২) বিদ্যুৎ সরবরাহ জনিত সমস্যা : অনেক সময় দেখা যায় যে সকেটে বিদ্যুৎ সংযোগ ঠিক মতো আসছে না। ফ্রিজে ঠিক মতো বিদ্যুৎ প্রবাহিত হচ্ছে কিনা তা দেখতে হবে। কোনো তার কেটে গেলে তা দ্রুত মেরামত করিয়ে নিতে হবে। না হলে বড়সড় বিপদে পড়তে পারেন আপনি। এগুলি মেরামত করিয়ে নিতে হবে।

    ৩ ) গ্যাস লিক এর কারণে সমস্যা : একটি গ্যাস সিলিন্ডার থাকে প্রতিটি ফ্রিজেই । ঠান্ডা হওয়ার কাজটি হয় মূলত তার মাধ্যমেই। সেক্ষেত্রে বড়সড় সমস্যা দেখা দিতে পারে গ্যাস সিলিন্ডার লিক হলে ।

    ৪) তাপমাত্রা নির্ধারণ জনিত সমস্যা : শীতকাল এবং গ্রীষ্মকাল দুটো সিজনে অনেক সময় এ বাহ্যিক তাপমাত্রা অনুসারে ফ্রিজের তাপমাত্রা সেট করতে হবে। না হলে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Tips for storing:‌‌ ডিম কিনে এনেই ফ্রিজে ঢুকিয়ে দেন, কত বড় ভুল করছেন জানেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।
    Tips for storing Eggs: আপনি ভাবছেন ফ্রিজে ডিম ভালো থাকে! এদিকে পরিবারের বড় বিপদ ডেকে আনছেন ! ফ্রিজে (Fridge) ডিম রাখলে আসলে কী হয় জানা আছে?

    ডিমের ট্রেতে ভর্তি থাকে কেনা ডিম। গরমে ভালো রাখতেই ফ্রিজে তুলে দিচ্ছেন! সেখানেই করছেন আসল গণ্ডগোল। তাহলে কোথায় ডিম রাখবেন?শরীরে প্রোটিনের (Protein) ঘাটতি মেটাকে রোজ একটা করে সেদ্ধ ডিম খাই আমরাপ্রয়োজন মতো ডিম নিয়ে বাড়তিটা সমেতট্রে ভরে দি ফ্রিজে কিন্তু ফ্রিজে রাখার পর
    সেই ডিম আর পুষ্টিকর থাকছে তো? ফ্রিজের তাপমাত্রা শূন্যরও বেশ খানিকটা নীচে থাকে বলে এখানে খাবার-দাবার রাখা যায় কিন্তু ডিমের ক্ষেত্রে ব্যপারটা কিন্তু ঠিক উল্টো! ফ্রিজে ডিম রাখলে তার মধ্যে এক ধরনের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া (Bacteria) জন্ম নেয়।তা কি আপনি জানেন?

    ফ্রিজ থেকে ডিম বের করেই রান্না করে ফেলেন ?
    তাপমাত্রার পরিবর্তন না ঘটায় ওই সব ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ডিমের মধ্যে জীবিত অবস্থাতেই থাকে।
    যার মধ্যে রয়েছে সালমোনেল্লা ব্যাকটেরিয়া।এটি খাদ্যবাহিত রোগের জন্য দায়ী (Harmfull)। মুরগির মতো বিভিন্ন পশু-পাখির পরিপাকতন্ত্রে এই ব্যাকটেরিয়া থাকে।
    এরফলে খাবারে বিষক্রিয়া (Food poisoning) বা নানা রকমের সংক্রমণের আশঙ্কা অনেকটাই বেড়ে যায়।
    এমনকি গুরুতর সংক্রমণের ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে
    পেটের সমস্যাও হতে পারে এর থেকেই। পুষ্টিবিদদের মতে, ফ্রিজ থেকে ডিম বের করে বাইরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায়
    অনেক ক্ষণ রেখে ডিম রান্না করলে বিপদের ঝুঁকি (Risk) খানিকটা কমে! বিশেষজ্ঞদের দাবি ফ্রিজে রাখা ডিম দীর্ঘদিন পর খেলে তা থেকে ডায়রিয়াও হতে পারে।

    খুব গরম হলে ফ্রিজের সাধারণ তাপমাত্রায় রাখতে পারেন ডিমবাজার থেকে কিনে এনে বেশিদিন জমিয়ে না রাখাই ভালো। তাই ডিম বেশি দিন ফ্রিজে রাখা একদমই ঠিক নয়। ফ্রিজের ডিম থেকে বাড়তে পারে শরীরের নানা সমস্যা।ফ্রিজে থাকা ডিমের পুষ্টি নষ্ট হয়ে যায় আর ফ্রিজে রাখলেও ভালো করে পরিষ্কার করে রাখবেন। কারণ ডিমের খোসায় ব্যাকটেরিয়ার চিহ্ন থেকে যায়
    যা এটিকে পাতলা করে। এর থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি এ কারণে ডিম পরিষ্কার করার পরপরই ফ্রিজে (Fridge) রাখতে হবে।

    যে ডিম ফ্রিজে রাখলে সেদ্ধ হতে অনেক দেরি হয়। এমনকি, ঠিকমতো সিদ্ধও হয় না অনেক সময়। এ ছাড়াও ফ্রিজে থাকার ফলে ডিমের অন্যান্য খাবারে গন্ধ ডিমে মিশে যায়। ফলে ডিমের স্বাভাবিক গন্ধ ও স্বাদ ফ্রিজে থাকার ফলে বদলে যেতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • HEALTH TIPS: ফ্রিজে বেশিদিন খাবার রাখলেই বিপদ, শরীরে বাসা বাঁধবে জটিল রোগ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    HEALTH TIPS: ফ্রিজ মানেই বহু সমস্যার মুশকিল আসান। অনায়াসে দু’দিনের রান্না করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যায়। এক সপ্তাহের বাজার করে নিশ্চিন্তে থাকা যায় ফ্রিজের জন্য। প্রক্রিয়াজাত খাবার, রান্না করা খাবার থেকে কাঁচা সবজি, সবকিছুই সংগ্রহ করে রাখেন ফ্রিজে। প্রযুক্তি যতই দৌড়াক না কেন, এখনো মেনে চলতে হয় কিছু নিয়ম। যা না মানলে বিপদে পড়তে বেশিক্ষণ সময় লাগবে না। ফ্রিজের খাবার যে ঘন ঘন খাওয়া উচিত নয় তা প্রত্যেকেই কম বেশি জানেন। ফ্রিজে কোন কোন খাবার রাখা উচিত নয়? এছাড়াও ফ্রিজ ভালো রাখতে ঠিক কি কি নিয়ম মানবেন, একটু জেনে নিন।

    • কফি, পাউরুটি এগুলি ফ্রিজে রাখবে না। যেহেতু ফ্রিজের পরিবেশ একটু আদ্র এবং স্যাঁতস্যাঁতে, তাই কফি বা পাউরুটি খুব সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এমনি থেকে পাউরুটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় প্রায় দুই থেকে তিন দিন পর্যন্ত ভালো থাকে।

    • কেক, মিষ্টি, কুকিজ এগুলি যদি বহুক্ষণ ফ্রিজে রেখে দেন তাহলে আসল স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। ড্রাই ফুডস, আনারস, পিচ, চেরি, লেবু, অ্যাভোকাডো, কমলা এই ফলগুলি ফ্রিজে রাখবেন না।

    • শাকসবজি কিন্তু দ্রুত পচনশীল। আপনি হয়তো ভাবছেন অনেকক্ষণ ফ্রিজে রাখলে এগুলো সতেজ থাকবে। কিন্তু এই ধারণা অনেকটা ভুল। উপরন্তু আপনার পরিশ্রমই নষ্ট হবে। তাই সারা সপ্তাহের গাদা গাদা বাজার ফ্রিজে না রেখে অল্প অল্প বাজার করুন।

    • সাধারণত ফল ফ্রিজের থেকে ঘরের স্বাভাবিক মাত্রাতেই বেশি ভালো থাকে। উপরন্তু ফ্রিজে রাখলে ফলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভেঙে গিয়ে তার কার্যক্ষমতা কমে যায়। শর্করা জাতীয় খাবার যেমন আলু কিংবা মিষ্টি আলুকে ফ্রিজে রাখবেন না। এর ফলে আলুর শ্বেতসার ভেঙে গিয়ে আলু নরম হয়ে যায়। আদা, রসুন, পিঁয়াজও ফ্রিজে রাখা উচিত নয়।

    • ফ্রিজে মধু এবং জ্যাম রাখলে আরো জমে যেতে পারে। পড়ে যখন খেতে যাবেন তখন আরো অসুবিধায় পড়বেন। তাই ফ্রিজের বাইরে ঘরোয়া তাপমাত্রায় এই জিনিসগুলি রেখে দিন।

    • আচারে প্রিজারভেটিভ বেশি থাকে। তাই এটি ফ্রিজের বাইরেই বরং বেশি ভালো থাকবে। আচার এমন জায়গায় রেখে দিন যেখানে সারাদিন প্রচুর বাতাস চলাচল করে। একই ভাবে ফ্রিজের থেকে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সস রাখলে ভালো থাকে। ফ্রিজে পাকা কলা রাখলে তা কালো হয়ে যেতে পারে। পাকা কলা রেখে দিন ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, তবে কাঁচা কলা ফ্রিজে রাখতে পারেন।

    ফ্রিজে কেন বহুদিন খাবার রাখবেন না?

    ফ্রিজে বেশিদিন খাবার রেখে দেওয়া মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়, বরং শরীরে নানা রোগ ব্যাধি দেখা দিতে পারে। তাই নিজেকে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলার আগে এই বিষয়গুলি নিয়ে একটু ভাবুন। ফ্রিজে দীর্ঘদিন খাবার রাখলে তাতে ব্যাকটেরিয়া জমতে থাকে, যা শরীরে প্রবেশ করলে এনজাইম গুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বহুদিন ধরে ফ্রিজে জমানো খাবার খেলে বমি, পেট খারাপ ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও ফ্রিজে থাকা খাবারে অনেক সময় ফাঙ্গাস তৈরি হয়, যা খেলে ডায়রিয়া হতে পারে। অনেকেই আছেন যারা ফ্রিজ থেকে একটু করে খাবার বার করেন তারপর গরম করে সেই খাবার খান। এই অভ্যাস এখনই ত্যাগ করুন। নাহলে শরীরে বাসা বাঁধবে জটির রোগ। বিশেষজ্ঞদের মতে ফ্রিজের তাপমাত্রা হওয়া উচিত ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর ডিপ ফ্রিজের তাপমাত্রা হওয়া উচিত মাইনাস ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফ্রিজে খাবার রাখতে হবে ঢাকা দিয়ে। গরম খাবার ফ্রিজে রাখা যাবে না। প্রথমে খাবার ঠান্ডা করে তবেই ফ্রিজে রাখুন। দুই দিনের বেশি ফ্রিজে খাবার না রাখাই ভালো।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version