Tag: Eastern Railway

  • হাওড়া স্টেশনে চালু হল ২৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম, ৬৩৫ মিটার দীর্ঘ এই প্ল্যাটফর্মে দাঁড়াবে ২৬ বগির ট্রেন

    হাওড়া স্টেশনে চালু হল ২৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম, ৬৩৫ মিটার দীর্ঘ এই প্ল্যাটফর্মে দাঁড়াবে ২৬ বগির ট্রেন

    Howrah Station Platform 24: হাওড়া স্টেশনে যাত্রী পরিষেবার পরিকাঠামোয় এল বড় পরিবর্তন। চালু হল নতুন ২৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম। প্রায় ৬৩৫ মিটার দীর্ঘ এই প্ল্যাটফর্মে একসঙ্গে প্রায় ২৬ বগির দীর্ঘ দূরপাল্লার ট্রেন দাঁড় করানো সম্ভব হবে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। দেশের অন্যতম ব্যস্ত রেল জংশন হিসেবে পরিচিত হাওড়া স্টেশনে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক যাত্রী যাতায়াত করেন। ফলে দীর্ঘ ট্রেনের জন্য পর্যাপ্ত প্ল্যাটফর্ম, ট্রেন দাঁড়ানোর জায়গা এবং সময়মতো পরিষেবা দেওয়া—সবকিছুই রেলের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। নতুন প্ল্যাটফর্ম চালুর ফলে সেই চাপ কিছুটা কমার আশা করা হচ্ছে। শুধু নতুন প্ল্যাটফর্ম নয়, হাওড়া স্টেশনে একাধিক প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ, রেললাইন সংযোগ এবং বিভিন্ন স্টেশনে লিফট বসানোর কাজও এগোচ্ছে। অর্থাৎ, যাত্রী পরিষেবাকে আরও সহজ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে ধাপে ধাপে বড় পরিকাঠামোগত পরিবর্তনের পথে এগোচ্ছে রেল।

    ২৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে কী থাকছে বিশেষ সুবিধা?

    হাওড়া স্টেশনের নতুন ২৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হল এর বিশাল দৈর্ঘ্য। প্রায় ৬৩৫ মিটার দীর্ঘ এই প্ল্যাটফর্মে ২৬ বগির মতো দীর্ঘ ট্রেন দাঁড়াতে পারবে বলে জানা গিয়েছে। দীর্ঘ দূরপাল্লার ট্রেনের ক্ষেত্রে প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ট্রেনের সব কামরা যদি প্ল্যাটফর্মের আওতায় থাকে, তাহলে যাত্রীদের ওঠানামা অনেক বেশি নিরাপদ ও সুবিধাজনক হয়।

    এর আগে হাওড়া স্টেশনের দীর্ঘ প্ল্যাটফর্মগুলির মধ্যে ৯ নম্বর প্ল্যাটফর্মটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত। কিন্তু যাত্রী ও ট্রেনের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও বড় পরিসরের পরিকাঠামোর প্রয়োজন দেখা দেয়। সেই প্রয়োজন মেটাতেই নতুন ২৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম যুক্ত করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    প্রায় ২ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্ল্যাটফর্ম ভবিষ্যতে দীর্ঘ দূরপাল্লার ট্রেন পরিচালনায় রেলের জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বড় ট্রেনের সব কামরা একই প্ল্যাটফর্মে দাঁড়াতে পারলে যাত্রীদের ছুটোছুটি কমবে এবং স্টেশনের ভেতরে যাত্রী চলাচলও আরও সুশৃঙ্খল হতে পারে।

    দীর্ঘ ট্রেন পরিচালনায় কমবে চাপ, সুবিধা বাড়বে যাত্রীদের

    হাওড়া স্টেশনে দীর্ঘদিন ধরেই ট্রেনের সংখ্যা এবং যাত্রীর চাপ বেশি। ব্যস্ত সময়ে একাধিক ট্রেনের আগমন ও প্রস্থানের মধ্যে সমন্বয় করা রেলের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। কোনও ট্রেনের জন্য নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম খালি না থাকলে কখনও কখনও সিগন্যালের কারণে ট্রেনকে অপেক্ষা করতে হয়। তার প্রভাব পড়ে পরবর্তী ট্রেনের সময়সূচির উপরও।

    নতুন ২৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম চালু হওয়ায় রেলের হাতে আরও একটি বড় প্ল্যাটফর্ম যুক্ত হল। ফলে দীর্ঘ দূরপাল্লার ট্রেন দাঁড় করানোর ক্ষেত্রে বিকল্প বাড়বে। একই সঙ্গে ট্রেনের কামরা প্ল্যাটফর্মের বাইরে চলে যাওয়ার মতো সমস্যা কমানো সম্ভব হতে পারে।

    যাত্রীদের জন্য এর সরাসরি সুবিধাও রয়েছে। দীর্ঘ ট্রেনের সব কামরা প্ল্যাটফর্মের মধ্যে থাকলে যাত্রীদের নিজেদের নির্দিষ্ট কামরা খুঁজে পেতে সুবিধা হয়। ট্রেন থেকে নামার পরও স্টেশনের মূল যাত্রী চলাচলের এলাকায় পৌঁছনো তুলনামূলকভাবে সহজ হতে পারে। ফলে নতুন প্ল্যাটফর্মটি শুধু রেলের পরিচালন ব্যবস্থার জন্য নয়, সাধারণ যাত্রীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    শুধু ২৪ নম্বর নয়, আরও প্ল্যাটফর্মে চলছে সম্প্রসারণের কাজ

    হাওড়া স্টেশনের পরিকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা নতুন ২৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মেই শেষ হচ্ছে না। দীর্ঘ দূরপাল্লার ট্রেন পরিচালনার সুবিধার জন্য আরও কয়েকটি প্ল্যাটফর্মের সম্প্রসারণের কাজ চলছে বলে রেল সূত্রে খবর।

    ১০ ও ১১ নম্বর এবং ১২ ও ১৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের সম্প্রসারণের কাজও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে আরও বেশি সংখ্যক দীর্ঘ ট্রেন পরিচালনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ১৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মেও পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ চলছে।

    হাওড়া স্টেশনের মতো একটি বড় রেল জংশনে যাত্রী পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে শুধু প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা বাড়ালেই হয় না। প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য, রেললাইন, সিগন্যাল, ট্রেনের রুট এবং একাধিক রেল বিভাগের মধ্যে সমন্বয়—সবকিছুই সমান গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই একাধিক দিক থেকে পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ চালানো হচ্ছে।

    ট্রেন চলাচল আরও নিরাপদ করতে আসছে নতুন ব্যবস্থা

    হাওড়া স্টেশনের পরিকাঠামো উন্নয়নের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল রুট রিলে ইন্টারলকিং ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ট্রেনের রুট নির্ধারণ এবং সিগন্যাল ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ ও সমন্বিত করার লক্ষ্য রয়েছে।

    হাওড়ার মতো ব্যস্ত স্টেশনে একই সময়ে বহু ট্রেনের আগমন, প্রস্থান এবং লাইন পরিবর্তন হয়। ফলে সিগন্যাল ব্যবস্থায় সামান্য সমস্যা হলেও তার প্রভাব অনেক দূর পর্যন্ত পড়তে পারে। রুট রিলে ইন্টারলকিং ব্যবস্থার মতো আধুনিক প্রযুক্তি ট্রেন চলাচলের নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি পরিচালন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সাহায্য করতে পারে।

    এর পাশাপাশি পূর্ব রেল এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেলের মধ্যে রেললাইন সংযোগের কাজও চলছে। এই কাজের জন্য বর্তমানে কিছু ক্ষেত্রে ট্রেনের গতি ও চলাচলে প্রভাব পড়ছে বলে জানা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কাজ শেষ হলে হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেন বেরোনো এবং প্রবেশের ক্ষেত্রে যে বিলম্ব তৈরি হচ্ছে, তা ভবিষ্যতে কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

    হাওড়া-সহ একাধিক স্টেশনে লিফট, বদলাচ্ছে যাত্রী পরিষেবার চেহারা

    রেলযাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে শুধু ট্রেন পরিচালনা নয়, স্টেশনের দৈনন্দিন যাতায়াত ব্যবস্থাতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন স্টেশনে লিফট বসানোর কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    তারকেশ্বর, লিলুয়া, আজিমগঞ্জ, ডানকুনি, রামপুরহাট এবং কাটোয়া-সহ একাধিক স্টেশনে লিফট সংক্রান্ত কাজ শেষ হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে হাওড়া, তারকেশ্বর, সাঁইথিয়া, বালি, রিষড়া, বেলুড়, শ্রীরামপুর, চন্দননগর, ব্যান্ডেল এবং লিলুয়া-সহ আরও কয়েকটি স্টেশনে লিফট পরিষেবা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

    এই ধরনের পরিষেবা বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ, শিশু, অসুস্থ যাত্রী এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক প্ল্যাটফর্ম থেকে অন্য প্ল্যাটফর্মে যাতায়াতের সময় সিঁড়ি ব্যবহার করতে না হলে যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকটাই কমতে পারে।

  • বারাসাত–শিয়ালদহে এসি লোকাল

    লিখেছেন সৌমেন রায় চৌধুরী

    Barasat AC Local Train: উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সদর বারাসাত থেকে শিয়ালদহ পর্যন্ত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হলো ৬ জুলাই, সোমবার। বারাসাত স্টেশনে নতুন পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন বারাসাতের বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন পূর্ব রেলের আধিকারিকেরা। মতুয়া মহাসংঘের প্রতিনিধিরাও ডঙ্কা ও কাঁসর নিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

    রানাঘাট–শিয়ালদহ এবং বনগাঁ হয়ে শিয়ালদহগামী শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লোকালের পরে এবার বারাসাত থেকেও সরাসরি এই পরিষেবা শুরু হলো। প্রতিদিন সকাল ১০টা ৩৩ মিনিটে ট্রেনটি শিয়ালদহ থেকে বারাসাতের উদ্দেশে ছাড়বে। বারাসাত থেকে ফিরতি ট্রেন সকাল ১১টা ২৯ মিনিটে শিয়ালদহের দিকে রওনা দেবে। বারাসাত থেকে শিয়ালদহ পর্যন্ত ভাড়া ৬০ টাকা।

    ট্রেনটি সব স্টেশনে দাঁড়াবে না। বারাসাত থেকে ছাড়ার পরে মধ্যমগ্রাম, বিরাটি, দমদম ক্যান্টনমেন্ট, দমদম জংশন ও বিধাননগর রোড হয়ে শিয়ালদহে পৌঁছবে। শিয়ালদহ থেকে বারাসাত পৌঁছতে প্রায় ৪৫ মিনিট এবং বারাসাত থেকে শিয়ালদহ যেতে প্রায় ৪৪ মিনিট সময় নির্ধারিত হয়েছে।

    বারাসাত শিয়ালদহ–বনগাঁ শাখার অন্যতম ব্যস্ত সংযোগস্থল। পূর্ব রেলের ২০২৪ সালের হিসাবে, এই স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। বারাসাত থেকে শিয়ালদহের পাশাপাশি বনগাঁ, হাসনাবাদ ও বসিরহাট শাখার যাত্রীরাও এই স্টেশন ব্যবহার করেন। বর্তমানে বারাসাত ও শিয়ালদহের মধ্যে বিভিন্ন শাখা মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৬৮টি সরাসরি লোকাল পরিষেবা রয়েছে। ফলে মাত্র একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যাত্রা শুরু হলেও নতুন পরিষেবাটির গুরুত্ব যথেষ্ট।

    প্রথম দিনেই নতুন ট্রেনে যাত্রীদের উৎসাহ দেখা যায়। প্রবল গরম ও আর্দ্রতার মধ্যে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লোকালে যাত্রা তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক বলে জানান তাঁরা। তবে যাত্রীদের একাংশের দাবি, দিনের ব্যস্ত সময়ে আরও এসি লোকাল প্রয়োজন। বর্তমানে যে স্টেশনগুলিতে ট্রেনটি দাঁড়াচ্ছে না, সেখানেও ধাপে ধাপে স্টপেজ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন নিত্যযাত্রীরা।

    দত্তপুকুর ও সংলগ্ন এলাকার যাত্রীদের বক্তব্য, সকালে ওই অঞ্চল থেকে একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লোকাল চালু হলে কলকাতাগামী বহু মানুষ উপকৃত হবেন। বনগাঁ শাখায়ও এসি ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি উঠেছে।

    বসিরহাট ও হাসনাবাদ শাখার যাত্রীরাও বারাসাতের নতুন পরিষেবাকে স্বাগত জানিয়েছেন। প্রথম দিন বসিরহাট শাখার কয়েকজন যাত্রী বারাসাতে এসে এসি লোকালে শিয়ালদহের উদ্দেশে রওনা হন। তাঁদের দাবি, হাসনাবাদ শাখাতেও যাত্রীর চাপ যথেষ্ট। ফলে হাসনাবাদ থেকে শিয়ালদহ পর্যন্ত সরাসরি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লোকাল চালু করা প্রয়োজন।

    বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, কেন্দ্র ও পশ্চিমবঙ্গে একই দলের সরকার থাকায় রেল পরিষেবা সম্প্রসারণের কাজে গতি এসেছে। বারাসাতের পরে হাসনাবাদ থেকেও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লোকাল চালুর দাবি রেলমন্ত্রকের কাছে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

    বারাসাতের দৈনিক যাত্রীর সংখ্যা এবং বনগাঁ–হাসনাবাদ শাখার ক্রমবর্ধমান চাপের প্রেক্ষিতে নতুন এসি লোকাল একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। তবে যাত্রীদের দাবি অনুযায়ী পরিষেবার সময়, সংখ্যা ও স্টপেজ বাড়ানো হবে কি না, এখন নজর থাকবে পূর্ব রেলের পরবর্তী সিদ্ধান্তে।

  • Special Ticket Checking: সাবধান! শিয়ালদহ সহ বিভিন্ন শাখায় স্পেশাল চেকিং শুরু, চলন্ত ট্রেনে শয়ে শয়ে টিকিট পরীক্ষক

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Special Ticket Checking: আর রিস্ক নেবেন না। ট্রেনে উঠে যেকোনো সময় পড়তে পারেন সম্মানহানি মুখে। ঘোষণা আগেই হয়েছিল সেই মতো কাজ শুরু। স্পেশাল চেকিং চালু করলো পূর্ব রেল। গায়ে কালো কোট, একহাতে কলম। অন্য হাতে জরিমানার ফর্ম। সতর্ক চোখ ঘুরছে প্রতিটি যাত্রীর মুখে কোন মন্ত্র বলে জানা যায় না। তবে অসাধারণ দক্ষতায় সত্তর থেকে আশি শতাংশ ক্ষেত্রেই মিলে যায় এঁদের আন্দাজ। তাই হয়ে যান সাবধান। ট্রেনে ওঠার আগেই টিকিট অবশ্যই কাটবেন। শিয়ালদা শাখার সমস্ত লাইনে স্পেশাল চেকিং চলছে। রীতিমতো দল বেঁধে ট্রেনে উঠছেন টিকিট পরীক্ষকরা। ছোটখাটো স্টেশন থেকে টিটিরা ট্রেনে উঠে টিকিট পরীক্ষা করছেন।

     

    পূর্ব রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে কোনদিন যেকোনো জায়গায় টিকিট চেকিংয়ের স্পেশাল ড্রাইভ হতে পারে। আরবিনা টিকিটে ধরা পড়া যে কোনোভাবেই সম্মানজনক নয় তাও মনে করিয়ে দেন দেন তিনি। রীতিমত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছিল যারা রোজ বিনা টিকিটে যাতায়াত করে অভ্যাস করে ফেলেছেন তাদের এবার সতর্ক হতে হবে।

     

    রেল ভারত ও অন্যান্য যিনের থেকে অনেক কম। ৫ থেকে ১০ টাকা টিকিট কেটে দীর্ঘ পথ যাত্রা করা যায়। তাও মানুষ কেন টিকিট কাটতে চান না বুঝে উঠতে পারেছেন না কর্তৃপক্ষ। টিকিট নিয়ে করা পদক্ষেপে ইঙ্গিত ছিল পূর্ব রেলের। বিভিন্ন ছোট ছোট জায়গা ধরে এই ধরনের স্পেশাল টিকিট চেকিং ড্রাইভ চলবে বলে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক জানিয়ে দিয়েছিলেন। রেলের প্রত্যেক যাত্রীকেই তার সহযাত্রীকে টিকিট কাটার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করার বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। বিনা টিকিটে রেল যাত্রা দণ্ডনীয় অপরাধ ধরা পড়লে জরিমানা হতে পারে। এই ব্যাপারটা অনেকেই ভুলে যান।

     

    অথচ রেল যাত্রা সময় এমন ঘোষণা প্রায় সকলেই শোনেন। আর এবার প্রত্যেক যাত্রী যাতে টিকিট কাটেন তার জন্য আগেই আবেদন করা হয়েছি। তবে শুধু শিয়ালদা নয়, হাওড়া ডিভিশনের আরামবাগেও ট্রেনে চাপতে পারে টিকিট চেকিং স্কোয়াড। আবার লালগোলা কাটোয়ার মত জায়গাতেও এই ধরনের স্পেশাল ড্রাইভ হতে পারে বলে জানানো হয়েছিল। এক কথায় শুরু হয়ে গেল ছোট ছোট জায়গায় এই ধরনের অভিযান চালানো।

     

    রেলের তরফে অবশ্যই জানানো হয়েছিল এই টিকিট চেকিং এর মাধ্যমে রেল যে প্রচুর লাভ করবে তেমনটা নয়। এই প্রধান উদ্দেশ্য গুলো যাত্রীদের বোঝানো যে তাদের সুবিধার জন্যই এই কাউন্টারগুলি চালু করেছে বা ইউটিএস সিস্টেম এনেছে। টিকিট হাতে থাকলে সবদিক থেকেই সুবিধা। আর এবার দেখা গেল শিয়ালদা শাখার সমস্ত লাইনেই স্পেশাল চেকিং চলছে। রীতিমতো দল বেঁধে ট্রেনে উঠছেন টিকিট পরীক্ষকরা। আরবিনা টিকিটে ধরা পড়া যে কোনোভাবেই সম্মানজনক নয় সেটা তো আপনারা ভালো করে বুঝতে পারছেন। রেলের সাফ বক্তব্য, এত রকম ব্যবস্থা করাই টিকিট না কাটতে পারার জন্য যাত্রীদের কোন অজুহাত শোনা হবে না।

     

    https://fb.watch/sJzATXsJfQ/

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Eastern Railway: রেকর্ড লাভ পূর্ব রেলের! টপকে গেলো গত বছর মে মাসের রেকর্ডকে

     

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

     

    Eastern Railway: ২০২৪ সালের মে মাসে যাত্রী রাজস্বের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন ঘোষণা করেছে পূর্ব রেলওয়ে। একটি গ্রাহক-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির সাথে, পূর্ব রেলওয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। গত মাসে ইস্টার্ন রেলওয়ের যাত্রী রেকর্ড আয় করেছে। মে মাসে মোট ৩০৮.১২ কোটি টাকা আয় করেছে। যা ২০২৩ সালের মে মাসের তুলনায় ১.৮২% চিত্তাকর্ষক বৃদ্ধি হয়েছে। গত বছর মে মাসে ৩০২.৬১ কোটি টাকা আয় করেছিল ইস্টার্ন রেলওয়ে।

     

    শক্তিশালী এই রাজস্ব বৃদ্ধির কারণ হিসেবে জানা গেছে নতুন ট্রেন চালু করা এবং ট্রেনের বর্ধিত ফ্রিকোয়েন্সি। ইস্টার্ন রেলওয়ে যাত্রীদের সন্তুষ্টি ও রাজস্ব বাড়াতে গ্রীষ্ম, শীত এবং বিভিন্ন উৎসবের মরসুমে বিশেষ ট্রেন চালু করা, জনপ্রিয় রুটে দ্রুতগতির ট্রেন চালু করা এবং স্টেশনে ও ট্রেনে যাত্রীদের সুবিধা বৃদ্ধিসহ বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

     

    এছাড়াও ডিজিটাল অ্যাডভান্সমেন্ট ব্যবহার করে ইস্টার্ন রেলওয়ে বিরামহীন ভ্রমণ অভিজ্ঞতার জন্য ই-টিকিট, রিয়েল-টাইম ট্রেন ট্র্যাকিং, ATVM এবং UTS মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন সহ বিভিন্ন অনলাইন পরিষেবা চালু করেছে। এই উদ্যোগগুলি ভ্রমণের সুবিধা এবং আয় বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রেখেছে।

     

    পূর্ব রেলের প্রধান জনসংযোগ আধিকারিক শ্রী কৌশিক মিত্র, যাত্রীদের অব্যাহত সমর্থন এবং আস্থার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “এই মাইলফলকটি উচ্চতর ভ্রমণ অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য আমাদের অটল প্রতিশ্রুতির একটি প্রমাণ। আমরা আমাদের যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান প্রত্যাশা পূরণের জন্য আমাদের পরিষেবা এবং পরিকাঠামোকে আরও উন্নত করতে নিবেদিত”।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

     

  • Train Cancelled: ধেয়ে আসছে রেমাল, বাতিল একাধিক ট্রেন, ঝড়ের মোকাবেলায় কী কী ব্যবস্থা নিল পূর্ব রেল?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Train Cancelled: ধেয়ে আসছে রেমাল, রবিবারেই শুরু হবে তুমুল দুর্যোগ। লণ্ডভণ্ড হবে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ। ইতিমধ্যেই তুমুল ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে মেদিনীপুরে।তার আগেই যাত্রী সুবিধার্থে দূরন্ত পদক্ষেপ পূর্ব রেলের। সাইক্লোনের মোকাবেলায় জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। বাতিল করা হয়েছে একের পর এক ট্রেন।খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম, বাতিল করা হয়েছে কর্মীদের ছুটি। আর কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে পূর্ব রেল?

     

    বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে নিম্নচাপ। শনিবার রাতের মধ্যেই শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে নিম্নচাপটি। রবিবার মধ্যরাতেই পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপর আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’। তার আগেই চূড়ান্ত সতর্ক পূর্বরেল। আশঙ্কা রয়েছে রেল লাইনে ধ্বস নামার। এমন আবহে আগেভাগে সতর্কতা না নিলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে যাত্রীদের। আর সেই কারণেই তৈরি হচ্ছে রেল মন্ত্রকও। রেল ব্যবস্থাকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলার চেষ্টা করছে রেল কর্তৃপক্ষ। জানেন ঠিক কী কী সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে?

     

    বলা হচ্ছে, ইতিমধ্যেই ঝড় নিয়ে এক দফায় বৈঠক সেরে ফেলেছেন হাওড়া ও শিয়ালদহের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজাররা। বাতিল হয়েছে কর্মীদের ছুটি। রেল মন্ত্রকের কড়া নির্দেশ, এই কয়টা কাজে বহাল থাকতে হবে সবাইকেই। চলুন দেখে নিই ঠিক ঠিক কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে পূর্ব রেল।

     

    ফি বছরই শুনে থাকবেন ঝড়ের চোটে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে যায় ওভারহেডের তারে। আর তাতেই ঘটে যায় মর্মান্তিক সব দূর্ঘটনা। মৃত্যু অবধি হয়ে থাকে। তবে এবার আর সেটা হওয়ার কোনও অবকাশ দিচ্ছেনা রেল। ইতিমধ্যেই নাকি, ডাল ভেঙে পড়তে পারে এমন সব গাছকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ঝড়ের আগেই ছেটে ফেলা হচ্ছে সেইসব ডালপালা।

     

    ২৫ মে থেকে ২৭ মে অবধি জরুরি বিভাগে পর্যাপ্ত কর্মী মোতায়েন রাখা হচ্ছে। রেল লাইনে যাতে জল জমতে না পারে তার জন্য জায়গায় জায়গায় বসানো হবে পাম্প। রিলিফ ট্রেন ও মেডিক্যাল ভ্যানও প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

     

    ট্রেন সংক্রান্ত কোনও আপডেট যাতে মিস না হয় তার জন্য আরও ঘন ঘন ঘোষণা করার নির্দেশ দিয়েছে পূর্ব রেল। এছাড়াও সমস্ত প্লাটফর্মের শেড খতিয়ে দেখছে রেলের ইঞ্জিনিয়াররা। কোনোরকম ক্ষতি যদি হয়ও সেক্ষেত্রে, প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টের শীটের বন্দোবস্ত করে রাখা হচ্ছে।

     

    ওদিকে হাওড়া ডিভিশনে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে কন্ট্রোল রুম। প্যানেলের আধিকারিকরা সমস্ত পরিস্থিতির উপরেই কড়া নজরদারি চালাচ্ছেন। বড় স্টেশনগুলিতে ডিজেল জেনারেটর এবং জরুরি পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম আনা হচ্ছে। সেই সাথে বলা হয়েছে, রবিবার সন্ধ্যা থেকে সমস্ত কর্মীদের কাজে বহাল থাকতেই হবে।

     

    আসলে সময় যত এগিয়ে আসছে ততই জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, রেমালের প্রভাব ভয়ঙ্কর হতে পারে। আর সেই কারণেই দীঘাগামি কয়েকটি ট্রেন বাতিল করেছে পূর্ব রেল। রবিবার ২৬ মে বাতিল করা হয়েছে হাওড়া-দিঘা কাণ্ডারী এক্সপ্রেস। বাতিল থাকবে পাশকুড়া-দিঘা মেমু, পাশকুড়া-দিঘা ইএমইউ। এমনকি সোমবার অর্থাৎ ২৭ মে-তেও একাধিক ট্রেন বাতিল থাকছে। দর্শকদের কাছে অনুরোধ, একান্তই প্রয়োজন না থাকলে এই দুর্যোগের সময়টা বাড়িতেই থাকুন। নিজেও সতর্ক থাকুন আর প্রিয়জনদের সতর্ক রাখতে ছড়িয়ে দিন ভিডিওটি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vande Bharat Express: বন্দে ভারতে কী নতুন মেনু? পুরোটাই বাঙালিয়ানা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Vande Bharat Express: ট্রেনের মেনু আপাদমস্তক বদলে যাচ্ছে। কোনও ট্যালট্যালে খাবার আর দেখা যাবেনা। জানেন বন্দে ভারতে ঠিক কী রকম খাবার মিলবে? ভরপুর বাঙালিয়ানা বন্দে ভারতে। একেবারে প্রাতঃরাশ থেকে লাঞ্চ তারপর ডিনার। ট্রেন সফরে হবে ভুরিভোজ। সম্পূর্ণ মেনুটা যদি আপনাকে বলি না, বিশ্বাসই করতে পারবেন না।তাহলে আসুন, ট্রেনের খাবারের পরিবর্তনটা আপনাকে জানিয়ে দিই।

     

    ট্রেনের খাবার নিয়ে অভিযোগ সবারই থাকে। অভিযোগ ছিল বন্দে ভারতকে নিয়েও। ভাড়ার বেলায় লাগছে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা কিন্তু খাবারের মান নাকি একেবারেই খারাপ।এমনই অভিযোগ ছিল যাত্রীদের। আর এবার বোধহয় সেই অসুবিধা মিটল। বন্দে ভারত নিয়ে এল লোভনীয় সব খাবার। আর বাড়ি থেকে খাবার নিতে হবে না! মেনু শুনে নেটিজেনরা তো বলছে, এবার আর রেস্টুরেন্ট নয়। খাবার খেতে উঠে পড়তে হবে বন্দে ভারতেই।

     

    রিপোর্ট বলছে, এবার বন্দে ভারতের মেনুতে যুক্ত হয়েছে মাছ। এতদিন ডিম, চিকেন পাওয়া গেলেও মাছটাকে ব্রাত্যই রাখা হত। তবে এবার সেই ট্রেন্ড ভেঙেছে বন্দরে ভারত।তাও আবার কোনও একরকম মাছ নয়। ট্রেনেই মিলবে নানা মাছের বাহারি সব আইটেম। কী ভাবছেন? চমক এখানেই শেষ? আরে না না, এই তো সবে শুরু। আসল চমক তো রয়েছে বন্দে ভারতের তিন বেলার মেনুতে। মেনুতে রয়েছে এলাহী সব আয়োজন। কথা দিচ্ছি, সম্পূর্ণ মেনু শুনলে জিভে জল আসবে আপনারও।

     

    সম্প্রতি পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক আধিকারি কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, এবার থেকে ব্রেকফাস্টে মিলবে ছানার ডালনা। সেই সাথে ত্রিকোণ পরোটা এবং মাল্টি-গ্রেন রুটির মতো বিভিন্ন পদ। তবে ভুরিভোজ তো শুরু হবে লাঞ্চ থেকে। পেটুক বাঙালির মন এবং পেট শান্ত করতে লাঞ্চ এবং ডিনারে রয়েছে এলাহী ব্যবস্থা। বেলা গড়াতেই পাতে পেয়ে যাবেন বাসন্তী মাছের ঝোল, ভাত, সোনা মুগের ডাল, সর্ষে মাছ এবং ধোকা অথবা ছানার ডালনা। স্বাদ বদল করতে রাখা হয়েছে চিকেন কষা, ফিস ফ্রাই এবং বাসন্তী পোলাওয়ের মত আইটেম। মুখ মিষ্টি করতে রাখা হয়েছে মিষ্টি দই, সন্দেশ এবং ক্ষীরকদমের মত ঐতিহ্যবাহী সব পদ। অর্থাৎ এককথায় ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ এবং ডিনার, সবেতেই মিলবে ট্রেডমার্ক বাঙালি খাবার।

     

    বে শোনা যাচ্ছে সমস্তটাই অপশনাল। নিজেদের পছন্দ মতো বেছে নিতে হবে যাত্রীদের। কী মনে হয় আপনার? এবার যাত্রীগনের মুখে হাসি ফুটবে? যদিও নেটিজেনরা তো বলছেন, কেবল এই মেনুর কারণেই বন্দে ভারতের টিকিট কাটা যায়। তবে একথা ঠিক যে, ট্রেনের মধ্যে মাছ-ভাত দেওয়ার সিদ্ধান্ত যেন ভারতীয় রেলের এক বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত।এখন যাত্রীরা এটা কতটা ভালোভাবে সেটাই দেখার। যদিও মেনু দেখে উন্মাদনা ছড়িয়ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কেউ কেউ তো দাবি করছেন, শতাব্দীতেও এই মেনু যোগ করা হোক। রেল কি শুনবে সেই কথা? সেটা তো সময়ই বলবে। এই নিয়ে আপনার কী মতামত? জানাতে পারেন আমাদের কমেন্ট বক্সে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bardhaman: তিনদিন অতিক্রান্ত, বর্ধমান স্টেশনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Bardhaman: গত বুধবার বর্ধমান স্টেশনে ঘটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। স্টেশনের ২ ও ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মাঝে জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে মৃত্যু হয় তিনজনের। দুর্ঘটনার জেরে আহত হয়ে বেশ কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। দুর্ঘটনার তিনদিন পর সেখানেই মৃত্যু হল সুধীর সূত্রধর এর। বয়স আনুমানিক ৭০ বছর বলে জানা গেছে। যার বাড়ি বর্ধমানের মেমারিতে। ঘটনার দিন মৃত্যু হয়েছিল তিন জনের , যাদের নাম যথাক্রমে মাফিজা খাতুন (৩৫), কান্তিকুমার বাহাদুর (১৭) এবং সোনারাম টুডু (২৭)। ঘটনায় রেলের গাফিলতির অভিযোগ বিভিন্ন মহল সরগরম হয়ে ওঠে । ঘটনার পর থেকে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে ওঠা প্রশ্নে লাগে রাজনৈতিক রংও।

    প্রসঙ্গত, বর্ধমান স্টেশনে জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে বিপত্তি। গত বুধবার দুপুর ১২টা ১০ নাগাদ স্টেশনের ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মধ্যে ২৫ হাজার ৮০০ লিটারের একটি জলের ট্যাঙ্ক আচমকা ভেঙে পড়ে। ঘটনার সময় গোটা স্টেশন চত্বর জুড়ে ছিল প্রচন্ড ভিড়। সেই সময় এই বিপত্তিটি ঘটে। মৃত্যু হয় ৩ জনের , আহত হন প্রায় ৩৪ জন। এই দুর্ঘটনার পর রেলের পক্ষ থেকে হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয় । রেলের তরফে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল 033-2640 2242 এবং 22933 এই দুটি নম্বরের। শুধু রেল নয় এর পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের তরফেও বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যাতে চিকিৎসার সুব্যবস্থা হয় সেদিক নজর রাখা হয়েছিল। খবর মিলেছে, এখনও ১১ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। বাকিরা সুস্থ হয়ে উঠছেন। দু’এক-দিনের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Eastern Railway: অঘটনের পর নড়ল টনক, বর্ধমান স্টেশনের দুর্ঘটনার পর বিশেষ সিদ্ধান্ত নিল রেল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Eastern Railway: বর্ধমান স্টেশনে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার পর টনক নড়ল রেল কর্তৃপক্ষের। বর্ধমানে শতাব্দী প্রাচীন জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ার পর রেল কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসল। এবার পূর্ব রেলের সব ট্যাঙ্কের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ভাবনা সিদ্ধান্ত নিল রেল। নিরাপত্তার স্বার্থে ট্যাঙ্ক এলাকায় থাকা বস্তিবাসী ও দোকানদারের অন্যত্র সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হল। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে যে কোনও মুহূর্তে আবার দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তাঁরা আশঙ্কা করছেন। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    সূত্র মারফত খবর মিলেছে, বর্ধমান স্টেশনের ২ ও ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ভেঙে পড়া জল ট্যাঙ্কের জায়গা খতিয়ে দেখার সঙ্গে তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট আধিকারিক ও কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। শুধু তাই নয়, আধুনিক পদ্ধতিতে ‘স্বাস্থ্য পরীক্ষা’ করা হবে হাওড়া, মালদা, আসানসোল ও শিয়ালদহ ডিভিশনের সব স্টেশনে পুরনো জল ট্যাঙ্কগুলি। সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানা গিয়েছে পূর্ব রেল সূত্রে।

    প্রসঙ্গত, বর্ধমান স্টেশনে জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে বিপত্তি। গত বুধবার দুপুর ১২টা ১০ নাগাদ স্টেশনের ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মধ্যে ২৫ হাজার ৮০০ লিটারের একটি জলের ট্যাঙ্ক আচমকা ভেঙে পড়ে। ঘটনার সময় গোটা স্টেশন চত্বর জুড়ে ছিল প্রচন্ড ভিড়। সেই সময় এই বিপত্তিটি ঘটে। মৃত্যু হয় ৩ জনের , আহত হন প্রায় ৩৪ জন। এই দুর্ঘটনার পর রেলের পক্ষ থেকে হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয় । রেলের তরফে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল 033-2640 2242 এবং 22933 এই দুটি নম্বরের। শুধু রেল নয় এর পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের তরফেও বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যাতে চিকিৎসার সুব্যবস্থা হয় সেদিক নজর রাখা হয়েছিল। খবর মিলেছে, এখনও ১১ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। বাকিরা সুস্থ হয়ে উঠছেন। দু’এক-দিনের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Kolkata Metro: বিশেষ মেট্রো পরিষেবা মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকের জন্য, জেনে নিন সময়সূচী

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Kolkata Metro: আগামীকাল ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যে শুরু হতে চলেছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীদের এবং অভিভাবকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে পূর্ব রেলের (Eastern Railway) তরফ থেকে আগেই একগুচ্ছ লোকাল ট্রেন অতিরিক্ত কিছু স্টেশনে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। যার ফলে স্বাভাবিকভাবেই উপকৃত হবেন তাদের অভিভাবক এবং নিত্যযাত্রীরাও । এবার সেই পথেই হাঁটল কলকাতা মেট্রো রেল (Kolkata Metro Rail)। মঙ্গলবার কলকাতা মেট্রো রেলের তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে তাঁরাও মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য বিশেষ মেট্রো পরিষেবা (Special Metro Service) দিচ্ছেন।

    শুধুমাত্র মাধ্যমিক (Madhyamik) নয়, উচ্চমাধ্যমিক (Higher Secondary) এবং একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার বিষয়টিকে সামনে রেখে এই অতিরিক্ত মেট্রো পরিষেবা পেতে চলেছেন যাত্রীরা। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে জানানো হয়েছে, আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ মার্চ এবং ১৪ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত মেট্রো রেলের এই বিশেষ পরিষেবা পাওয়া যাবে। উল্লেখিত দিনগুলিতে পাঁচ- ছয় মিনিট অন্তর অন্তর চলাচল করবে মেট্রো। সকাল ন’টা থেকে প্রথম মেট্রো চলাচল শুরু হবে। রাত ৮: ১৮ মিনিট পর্যন্ত মেট্রোতে যাতায়াত করতে পারবেন যাত্রীরা।

    এছাড়াও শনিবারে অতিরিক্ত চারটি আপ এবং চারটি ডাউন মেট্রো চলাচল করবে। এদিন সকাল ন’টা থেকে না হলেও বেলা দশটা থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত এবং বিকেল তিনটা থেকে সন্ধ্যা ৫ টা পর্যন্ত অতিরিক্ত মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে। মাধ্যমিক পরীক্ষা আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে , শেষ হবে ৪ঠা মার্চ । আর ২০২৩ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলবে ১৪ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত। মেট্রো কর্তৃপক্ষ মনে করছেন, তাদের এই সিদ্ধান্তে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে যাওয়া আরও সুবিধাজনক হয়ে উঠবে। চলতি বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে চলেছেন ৬ লক্ষ ৯৮ হাজার পড়ুয়া। পরীক্ষা যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় তার জন্য পর্ষদের তরফ থেকে নিরাপত্তার ওপর জোরদার নজর রাখা হয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Extra Train Stoppages For Madhyamik: মাধ্যমিকের জন্য বিশেষ রেল পরিষেবা, অতিরিক্ত স্টেশনে দাঁড়াবে ট্রেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Extra Train Stoppages For Madhyamik: ২০২৩ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। তারপরেই পরীক্ষার্থীরা তাদের ছাত্র জীবনের প্রথম সব থেকে বড় পরীক্ষার মুখোমুখি হবেন। মাধ্যমিক পরীক্ষাকে (Madhyamik) কেন্দ্র করে পর্ষদের তরফ থেকে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সুশৃঙ্খলভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সচেষ্ট পর্ষদ। আর এবার পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে বিশেষ ঘোষণা পূর্ব রেলের। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে চলেছে রাজ্যের মাধ্যমিক পরীক্ষা। সোমবার পূর্ব রেলের (Eastern Railway) তরফ থেকে জানানো হয়, মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন একগুচ্ছ ট্রেন অতিরিক্ত কিছু স্টপেজে (Extra Stoppage) দাঁড়াবে।

    পূর্ব রেলের তরফ থেকে যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে জানানো হয়েছে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২৮ ফেব্রুয়ারি ,১ মার্চ ,৩ মার্চ এবং ৪ মার্চ পর্যন্ত এই বাড়তি রেল পরিষেবা পাওয়া যাবে। সকাল দশটা থেকে ১১:৪৫ মিনিট এবং দুপুর তিনটে থেকে বিকেল সাড়ে চারটে পর্যন্ত বেশ কিছু লোকাল ট্রেন বাড়তি স্টেশন গুলিতে দাঁড়াবে। এতে পরীক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের অনেকটাই অসুবিধা হবে, এমনটাই মনে করছে পূর্ব রেল।

    কোন কোন স্টপেজে দাঁড়াবে ট্রেন ?

    • শিয়ালদা-কৃষ্ণনগর সিটি দাঁড়াবে জগদ্দল এবং কাঁকিনাড়ায়।
    • শিয়ালদা-লালগোলা মেমু প্যাসেঞ্জার দাঁড়াবে জগদ্দল এবং কাঁকিনাড়ায়।
    • শিয়ালদা -শান্তিপুর দাঁড়াবে জগদ্দল স্টেশনে ।
    • কল্যাণী সীমান্ত-শিয়ালদা দাঁড়াবে কাঁকিনাড়া, জগদ্দল এবং পলতায়।
    • কৃষ্ণনগর সিটি- শিয়ালদা দাঁড়াবে জগদ্দল স্টেশনে।
    • কলকাতা -লালগোলা মেমু প্যাসেঞ্জার দুপুরে দাঁড়াবে পায়রাডাঙ্গা স্টেশনে।
    • লালগোলা- শিয়ালদা মেমু প্যাসেঞ্জার দুপুরে দাঁড়াবে কাঁকিনাড়া, জগদ্দল এবং পলতায়।

    মাধ্যমিক পরীক্ষার সূচি অনুযায়ী ২৩ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ আগামী বৃহস্পতিবার প্রথম পত্রের পরীক্ষা। দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা ২৪ ফেব্রুয়ারি। ২৫ ফেব্রুয়ারি ভূগোল, ২৮ ফেব্রুয়ারি জীবনবিজ্ঞান, ১ মার্চ ইতিহাস, ২ মার্চ অঙ্ক, ৩ মার্চ ভৌত বিজ্ঞান এবং ৪ মার্চ অপশনাল ইলেকটিভ সাবজেক্টের পরীক্ষা হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version