Tag: Child

  • Child Care: শিশু মিথ্যা কথা বলছে, কেন বলছে? বুঝবেন কীভাবে?

    Child Care: শিশু মিথ্যা কথা বলছে, কেন বলছে? বুঝবেন কীভাবে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Child Care: শিশুরা সচেতন (Conscious) কিংবা অবচেতনভাবে (ubconscious) মিথ্যা কথা বলে থাকে। শিশুরা সব সময় যে সত্যি কথা বলবে এমনটা নাও হতে পারে। আসলে তাদের মধ্যে সেভাবে নৈতিক বোধ গড়ে ওঠে না। কোন কাজ করা উচিত আর কোন কাজ করা উচিত নয়, এই ঠিক ভুলের ধারণা গড়ে উঠতে একটা বয়স পর্যন্ত সময় লাগে। সেই বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত আপনি কখনোই শিশুকে ঠিক ভুলের গণ্ডিতে বিচার করতে পারেন না। তবে মিথ্যা বলার অভ্যাসও খারাপ, আর এই অভ্যাস থেকে শিশুকে বাঁচাতে একজন মায়ের দায়িত্ব ঠিক কতটা? শিশু সে মিথ্যা কথা বলছে আপনি বুঝবেন কীভাবে? এই প্রতিবেদনেই রইল সব প্রশ্নের উত্তর।

    শিশু মিথ্যা বলছে মানে তাকে ধমকানো (Snubbing) বা গায়ে হাত তোলা একেবারেই চলবে না। সেক্ষেত্রে হিতে বিপরীত হতে হবে পারে। শিশু কেন মিথ্যে কথা বলছে সেই কারণটি আগে আপনাকে খুঁজে বার করতে হবে। হয়তো সে শুধু বাবা-মায়ের থেকে কোন কথা লুকাতে চায়। কিন্তু কেন লুকাতে চায়, এটাই বড় প্রশ্ন। সে হয়ত বাবা-মায়ের সঙ্গে সেই কথা শেয়ার করতে ভয় পাচ্ছে। ভাবছে আসল সত্যি জানতে পারলে হয়তো দ্বিগুণ বকুনি খেতে হবে। শিশুর সঙ্গে মিশতে হবে এক্কেবারে বন্ধুর মতো। যাতে সে তার সমস্ত কথা অনায়াসে বাবা-মায়ের সঙ্গে শেয়ার করতে পারে।

    একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, শিশুরা খেলনা নিয়ে বাজে কথা বললে তারা বেশি মিথ্যা বলে। ৪০ শতাংশ শিশু মিথ্যা স্বীকার করে। কিন্তু শিশুদের এই মিথ্যাচারের মধ্যে অনেক কিছু লুকিয়ে আছে। পোল্যান্ড এবং কানাডার গবেষকরা ১৮ মাস বয়সী শিশুদের আত্ম-নিয়ন্ত্রণের দিকে নজর দিয়েছেন। গবেষকরা ১৮ মাস বয়সে শিশুদের খেলনা না দেখতে বলে তাদের আত্ম-নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষা করেছেন। শুধুমাত্র ৩৫ শতাংশ শিশু দেখা না দেওয়ার অনুরোধ অমান্য করেছে, কিন্তু ২৭ শতাংশ মিথ্যা দাবি করেছে যে তারা যেমন বলা হয়েছিল তেমন করেছে। ছোটবেলা থেকেই শিশুদের শেখানো হয় যে মিথ্যা বলা ভুল। কিন্তু কিছু সামাজিক প্রেক্ষাপটেও শিশুদের মিথ্যা বলতে উৎসাহিত করা হয়। অনেক বাবা-মা স্পষ্টভাবে তাদের সন্তানদের সৎ এবং মিথ্যা বলার প্রতি সহনশীল হওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

    শিশুদের মধ্যে মিথ্যা বলার প্রবণতা তৈরি হয় তিনটি কারণে

    এক, সত্য বলার প্রবণতা কাটিয়ে উঠতে তাদের যথেষ্ট আত্মনিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে। মনোবিজ্ঞানে একে বলা হয় ইনহিবিটরি কন্ট্রোল।
    দুই, তাদের স্বল্পমেয়াদী মেমরি অ্যাক্সেস করার পাশাপাশি বিকল্প পরিস্থিতি তৈরি করতে হবে।
    তিন, বাচ্চাদের সত্য অনুসারে আচরণ করা এবং তারা যে মিথ্যা তৈরি করছে সেই অনুসারে আচরণ করার মধ্যে পরিবর্তন করতে সক্ষম হওয়া দরকার।

    প্রাপ্তবয়স্কদের আচরণ শিশুদের মিথ্যা বলা বা না বলার দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে। যে শিশুরা অন্য ব্যক্তিকে সত্য বলার জন্য পুরস্কৃত বা মিথ্যা বলার জন্য শাস্তি পেতে দেখে তাদের সত্য বলার সম্ভাবনা বেশি। একইভাবে যে শিশুরা ভুল করার জন্য পুরস্কৃত হতে দেখে, তাদের সত্য বলার সম্ভাবনা কম।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Tapa Tini Song: ট্রেনে ‘টাপা টিনি’ গান শুনে ঘুমাচ্ছে শিশু, হঠাৎই সশরীরে হাজির ইমন! তারপর?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Tapa Tini Song: সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমত ট্রেন্ডি গানে রয়েছে জনপ্রিয় ‘ইনি বিনি টাপা টিনি’ গান। তারকা থেকে নেট নাগরিক, অনেকেই কমবেশি এই গানের সঙ্গে রিল বানিয়েছেন। এই গানের জাদুতে গা ভাসিয়েছেন বহু সঙ্গীত প্রেমিক মানুষ। ইমনের এই গান নাকি এক শিশুর কাছে ব্রহ্মাস্ত্র। ‘ইনি বিনি টাপা টিনি’ শুনলে সে আরামে ঘুমের রাজ্যে প্রবেশ করে। শিশুকে শান্ত রাখতে বাবা সেই গানটি চালিয়েছিলেন, কিন্তু ভাবেননি তাদের জন্য বিশেষ চমৎকার অপেক্ষা করছিল।

    ট্রেনে ছোট্ট শিশু যখন ‘ইনি বিনি টাপা টিনি’ গানটি শুনে বাবার কোলে দোল খেতে খেতে ঘুমাচ্ছিল হঠাৎ সেখানে হাজির হন শিল্পী ইমন চক্রবর্তী। তিনি শিশুটির ভিডিও করেন। ‘বেলাশুরু’ সিনেমার ‘টাপা টিনি’ গানের জাদুতে মন্ত্রমুগ্ধ হয়েছে বাঙালি তথা সিনেমা প্রেমী মানুষ। এই গানটি সমবেত কন্ঠে গেছেন শিল্পী ইমন চক্রবর্তী, অনন্যা ভট্টাচার্য এবং উপালি চ্যাটার্জী। ইমন চক্রবর্তীকে দেখে শিশুটির বাবা রীতিমত অবাক হয়ে যান। এই ভিডিওটি ইমন চক্রবর্তী নিজেই তাঁর ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন “এর চেয়ে সুন্দর আর কিছু হতে পারে না… ভিডিওটি দেখার অনুরোধ রইল”।

    ওই ব্যক্তি আবেগে আপ্লুত হয়ে বলেন যে শিশুটির দাদু ঠাকুমা সবাই ইমন চক্রবর্তীর গান শোনেন। তার মা দিদি জানিয়েছেন যদি কোন দিন ইমন চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা হয় তাহলে যেন ধন্যবাদ জানান, শুধুমাত্র এই গানটির জন্য। কথার মাঝে তিনি বলে ওঠেন “আমরা কেন ইউটিউবে শুনছি। আমরা তো লাইভে এই গানটা শুনতে পারি”। তবে শিশুটির সামনে এই গানটা সব সময় ছাড়া হয় না। এটা হচ্ছে ব্রহ্মাস্ত্র। যখন শিশুকে ঘুম পাড়াতে সমস্ত রকম পরিকল্পনা ফেল করে তখনই ‘ইনি বিনি টাপা টিনি’ গানকে ব্রহ্মাস্ত্র হিসেবে হাজির করেন শিশুর সামনে।

    ‘বেলাশুরু’র এই গানটি যখন প্রকাশ্যে আসে তখন টলিউড জুড়ে ‘টাপা টিনি’র মোরসুম শুরু হয়ে গিয়েছিল। ইমনের এই গানের সঙ্গে তাল মিলিয়েছেন বহু অভিনেত্রী। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ছেয়ে গিয়েছিল এই গানের নানান ভিডিও। এই গানটি শুনলে অজান্তে কোমর দুলে ওঠে নৃত্য প্রেমী মানুষদের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pori Moni: ‘রাজের ছেলেমানুষী যত্ন করে তুলে রাখলাম’, স্বামীর কাজে ডগমগ পরীমণি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pori Moni: এখন মাতৃত্বকালীন ছুটি কাটাচ্ছেন তিনি। কবে ফের কাজে ফিরবেন, তা নিয়ে এখনও কোনও কিছু জানান নি। তবে তাঁর কথায় এইটুকুনি বোঝা গিয়েছে, পর্দায় তাঁকে দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও বেশ কিছুদিন। ঢাকাই ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণি। মাঝেমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সন্তানের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও শেয়ার করেন অভিনেত্রী। মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড Facebook পেজ থেকে সেরকমই এক খুশির মুহূর্ত ভাগ করে নিয়েছেন ওপার বাংলার এই নায়িকা।

    এদিন তাঁর পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, বাবা রাজের পাশে শুয়ে খেলা করছে ছেলে। আর তাঁর কাছ থেকে ‘আব্বু’ ডাক শোনার জন্য কাকুতি মিনতি করছেন অভিনেতা। এই ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে পরীমণি লেখেন, ‘আজ রাজ্য প্রথমবার ‘আব্বু’ ডাকল! এটা তাঁদের সাত সকালের গল্প। আমি একজন বাবার ব্যাকুলতা মুগ্ধ হয়ে দেখছিলাম। ছেলের মুখে ‘আব্বু’ ডাক শুনতে চেয়ে রাজের ছেলেমানুষী আমি যত্ন করে তুলে রাখলাম। সুন্দর স্মৃতিরা সব আদরে বেঁচে থাকুক। রাজ তোমায় আমি অনেক ভালোবাসি’।

    গত ১০ অগাস্ট রাজধানীর এক হাসপাতালে পুত্রসন্তানের জন্ম দেন পরীমণি। স্বামী শরীফুল রাজের নামের সঙ্গে মিলিয়ে ছেলের নাম রেখেছেন রাজ্য। আর এখন তাঁকে ঘিরেই সমস্ত কিছু। কিন্তু হঠাৎই গত মাসে বিদ্যা সিনহা মিমের সঙ্গে রাজের বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কের ইঙ্গিত দেন পরীমণি। আর তারপরেই হইচই পড়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রতিক্রিয়ায় এখন রাজের সঙ্গে কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মিম। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, রাজের আগামী ছবির নায়িকা বুবলী। যাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চার শেষ নেই সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই সমস্ত সমালোচনা-আলোচনার মাঝে এবার ছেলে ও স্বামীর আদরের মাখা ভিডিও পোস্ট করেছেন পরীমণি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Spiderman: স্বপ্নের স্পাইডারম্যান বাস্তবে, রোগসজ্জায় ক্ষুদে ভক্তকে জড়িয়ে ধরলেন তিনি! ভাইরাল ভিডিও

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Spiderman: হাসপাতালে ছোট্ট শিশুর সঙ্গে খেলা করছে স্পাইডারম্যান। কখনো বা শিশুকে জড়িয়ে ধরে আদর করছেন। শিশুটিও বেশ খুশি। শিশুটি স্পাইডারম্যানকে এতটাই ভালোবাসে যে তার হাতে রয়েছে একটি স্পাইডারম্যানের পুতুল। হয়ত হাসপাতালে আসার সময় সেটি বাড়িতে রেখে আসতে চায়নি। শিশুটির স্বপ্নের স্পাইডারম্যান বাস্তবে এসে তার কাছে ধরা দিল। তার সাথে সময় কাটাল। শুধু তাই নয়, এই স্পাইডারম্যান তার শিশু ভক্তের সঙ্গে হাত ধরে গোটা হাসপাতাল চত্বর ঘুরে বেরিয়েছেন। সেই ভিডিও এখন ঘুরছে নেটপাড়ায়।

    সিনেমায় কিংবা কল্পনায় স্পাইডারম্যানকে নিয়ে কত গল্পের জাল বোনে শিশুরা। শিশু বয়সে অনেকেই ভাবে, যদি স্পাইডারম্যান তাদের সামনে এসে হাজির হত তাহলে ব্যাপারটা দারুণ হত। শিশুদের কল্পনার নায়ক স্পাইডারম্যান। স্পাইডারম্যান যখন শিশুটির কাছে ধরা দেয়, তখন খুদে ভক্ত আনন্দে রীতিমতো গদগদ। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওটি দেখেছেন প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ।

    ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে গুড নিউজ মুভমেন্ট নামক একটি ইনস্ট্রাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে। শিশুটি অসুস্থ থাকায় হাসপাতালে ভর্তি ছিল। আর এই ক্ষুদে ভক্তকে খুশির মুহূর্ত উপহার দিতে স্পাইডারম্যান সেজে দেখা করতে এসেছিলেন মাটিয়া ভিলারদিতা নামক এক শিল্পী। ওই ক্ষুদে শিশুর নাম ব্রায়ান। ইতিমধ্যেই এই ভিডিওটির ভিডিওটি বহু মানুষের মন কেড়েছে অনেকে দেখে ওই শিল্পীকে বাহবা জানাচ্ছেন। রোগসজ্জায় ক্ষুদের মন ভালো রাখতে এই শিল্পী যা করেছেন তা সত্যিই অভাবনীয়। স্বপ্নের কিংবা কল্পনার স্পাইডারম্যান যদি সত্যি বাস্তবে এসে ধরা দিত তাহলে ব্যাপারটা মন্দ হত না। আপনি যদি এই ভিডিওটি এখনো না দেখে থাকেন তাহলে প্রতিবেদনের সঙ্গে থাকা লিংকে ক্লিক করে দেখে নিতে পারেন।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Using Baby Products : সেনসিটিভ স্কিনে ব্যবহার করছেন শিশুদের প্রসাধনী! আখেরে লাভ কি কিছু হচ্ছে ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Using Baby Products : অনেকের মনেই এই ধারণা বহু কাল ধরে রয়েছে যে স্পর্শকাতর বা সেনসিটিভ স্কিনে বড়দের প্রোডাক্ট ইউজ করার বদলে শিশুদের প্রসাধনী ব্যবহার অত্যন্ত ভালো। এমন অনেক মেয়েই রয়েছেন যারা প্রতিদিন শিশুদের সাবান শিশুদের শ্যাম্পু ব্যবহার করে থাকেন। অনেকে আবার ফেসওয়াশ এর বদলে শিশুদের সাবান দিয়ে মুখ ধুয়ে থাকেন। এতে যদি মনে করা হয় যে সেনসিটিভ স্কিনে কোনরকম সমস্যা তৈরি হবে না তাহলে তা ভুল। এতকিছুর পরেও হঠাৎ করে দেখা যায় মুখে ব্রণ সৃষ্টি হয়েছে অথবা স্কিন অতিরিক্ত অয়েলি হয়ে গিয়েছে। কারণ বিশেষ কিছু খুঁজে পাওয়া যায় না তবে এর মূলে রয়েছে ওই শিশুদের প্রসাধনী।

    মূলত মনে করা হয়, শিশুদের প্রসাধনীতে কোনরকম কেমিক্যাল নেই। তাই এগুলি সব দিক থেকেই সুরক্ষিত। যে কোন ত্বকের ক্ষেত্রে এগুলি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে যে সমস্যাগুলি কমানোর জন্য শিশুদের প্রসাধনী ব্যবহার করা হচ্ছিল সবশেষে দেখা যায় সেই সমস্যাগুলি বরং আরও যেন কিছুটা বেড়ে গিয়েছে । এমনটা কেন হয় জানেন ? সোজা ভাষায় বলতে গেলে শিশুদের ত্বকে বড়দের মতো কোনো সমস্যা থাকে না। যার কারণে শিশুদের ক্রিম, সাবান, তেল সবকিছুই মূলত ময়েশ্চারাইজার বেসড হয়ে থাকে। তাতে তেলের পরিমাণ বেশি থাকে।

    এই কারণেই সেনসিটিভ স্কিন যাদের তাদের ব্রণর সমস্যা দেখা দেয়। মুখ অতিরিক্ত তেলতেলে হয়ে যায়। অনেক সময় আবার শিশুদের প্রসাধনী ব্যবহার করার ফলে মুখে ব্রণ, প্রদাহ ও ত্বকে লালচে ভাব পর্যন্ত দেখা দিতে পারে। এর পেছনে অবশ্যই যুক্তি রয়েছে। শিশুদের ত্বকে যে ঘাম, মেলানিন এবং সেবাম রয়েছে পূর্ণবয়স্কদের শরীরে তার থেকে অনেক বেশি পরিমাণে সেগুলি পাওয়া যায়। তাই শিশুদের প্রসাধনী পূর্ণবয়স্কদের সমস্যা সমাধানে কাজে লাগবে এটা ভেবে নেওয়াই খানিকটা বোকামি।

    প্রথমত শিশুরা রোদে ধুলোয় বাইরে বের হয় না। তাদের হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হওয়ার কোন জায়গাই নেই। তাই তাদের প্রসাধনীগুলি একেবারেই সাধারণভাবে তৈরি করা হয়। কিন্তু বড়দের ত্বকে সেই গুলি বিশেষ কাজ দেয় না। যারা শিশুদের সাবান শ্যাম্পু ব্যবহার করে থাকেন তাঁরা নিজেদের জন্য আরও বেশি সমস্যা ডেকে আছেন। কারণ বড়দের যে সাবান শ্যাম্পু গুলি রয়েছে সেগুলি ত্বকের ভেতরের স্তর থেকেও ময়লা টেনে বার করতে সক্ষম। কিন্তু শিশুদের সাবান শ্যাম্পুতে সেই উপাদান গুলি থাকে না। যার কারণে ত্বক এক্সফোলিয়েট করা যায় না। এর ফলে ব্ল্যাকহেড বা হোয়াইটহেডস এর মত সমস্যাগুলি আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে । আর এই ধরনের কোন সমস্যা দেখতেই পাওয়া যায় না শিশুদের ত্বকে । তাই সেনসিটিভ স্কিনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য শিশুদের প্রসাধনী বেছে নেওয়া একেবারেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। সঠিক পরামর্শ দিতে পারবেন একমাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Childhood obesity: ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে আপনার সন্তানের ওজন! বাবা-মা হিসেবে কী করণীয় ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Childhood obesity: রোগমুক্ত সুন্দর শান্ত জীবন যাপনের জন্য সর্বপ্রথম যেটা প্রয়োজন তা হল শারীরিক সুস্থতা। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ সকলেরই শারীরিক সুস্থতা তাদের জীবন যাপনকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যেতে পারে। কিন্তু খাদ্যাভাসে অনিয়ম, হেলদি লাইফ স্টাইল মেনে না চলার কারণে এমন অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে যা আপনার সন্তানকে ছোট থেকেই অন্যদের তুলনায় পিছিয়ে দেবে। বর্তমানে বাচ্চাদের অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়েছে। কেন বাচ্চাদের এইভাবে ওজন বেড়ে যাচ্ছে ? এমন ওজন বৃদ্ধি পাওয়া কি আদৌ ভালো নাকি খারাপ ? এটা নিয়ন্ত্রণ করতে কী কী করা উচিত বাবা মায়ের ? আজকের প্রতিবেদনে রয়েছে সেই সংক্রান্ত কিছু বিস্তারিত আলোচনা।

    * কেন ওজন বেড়ে যাচ্ছে আপনার সন্তানের ?

    শিশুদের অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার নেপথ্যে অনেক রকমের কারণ থাকতে পারে। তবে প্রাথমিকভাবে এই কারণগুলিকেই চিকিৎসাশাস্ত্রে উল্লেখ করা হয়েছে –

    ১. হরমোনের অসামঞ্জস্যতা
    ২. জেনেটিক সমস্যা
    ৩. একেবারেই আনহেলদি জীবনযাপন
    ৪. খেলাধুলার সঙ্গে কোন রকম সম্পর্ক না থাকা
    ৫. অতিরিক্ত চকলেট, চিপস বার্গার এবং সফট ড্রিংকস নিয়মিত খাওয়া
    ৬. সারাদিন প্রায় শুয়ে বসে কাটানো

    * চাইল্ড ওবেসিটি থেকে কী কী সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে ?

    চাইল্ড ওবেসিটি থেকে আপনার সন্তানের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার সমস্যা , শ্বাসকষ্ট তৈরি হতে পারে। টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও বেশ প্রবল থাকে। চর্বি জমে লিভারে স্থায়ী সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে । আরেকটু বয়সে বড় হলে শারীরিক এবং মানসিক অবসাদের ঝুঁকি পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়াও হার্টের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, কোমর ও শরীরের জয়েন্টে জয়েন্টে ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

    * বাবা-মা হিসেবে আপনার কী করণীয় ?

    ১. সর্বপ্রথম শিশুর বয়স অনুযায়ী তাঁর ওজন কতটা হওয়া উচিত সেই বিষয়ে ডাক্তারের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে হবে।

    ২. প্যাকেটজাত যেকোনো ধরনের খাবার কিংবা কৌটোর দুধ থেকে দূরে রাখতে হবে শিশুকে। প্রথম ছয় মাস বুকের দুধ খাওয়ানো সব থেকে শ্রেয়। আর তারপর ঘরে তৈরি করা পুষ্টিকর খাবার এবং ফলমূল পরিমাণ মতো দিলে সুস্বাস্থ্য বজায় থাকবে শিশুর। চকলেট, চিপস, কোলড্রিংস, পিৎজা, বার্গার, ডোনাট এই ধরনের খাবার থেকে যতটা পারবেন নিজের সন্তানকে দূরে রাখুন।

    ৩. ঘরে আটকে রেখে কোন রকম ইলেকট্রিক্যাল ডিভাইসে আসক্ত হতে দেবেন না নিজের শিশুকে। এতে তাঁর শৈশব যেমন হারিয়ে যাবে তেমনই নানান রোগ বাসা বাঁধবে শরীরে। তাই তাকে টিভির সামনে না বসিয়ে রেখে বাইরে খেলাধুলা করার সুযোগ দিন।

    ৪ . কাছাকাছি যদি স্কুল হয় তাহলে গাড়ি কিংবা রিক্সা নয় শিশুকে পরামর্শ দিন হেঁটে যাতায়াত করার।

    ৫. সাইকেলিং করতে উৎসাহিত করুন । যেকোনো বাচ্চাকে দিয়ে প্রতিদিন ব্যায়াম করানো খুব একটা সহজ বিষয় নয়। সে ক্ষেত্রে প্রতিদিন সাইকেলিং এর অভ্যাস থাকলে সেই খামতি পূরণ হয়ে যাবে।

    ৬. নিজের সন্তানের ছোট ছোট কাজগুলি তাকে করার পরামর্শ দিন। আপনার সাহায্যের প্রয়োজন না হলেও তাঁর কাছ থেকে এমন কিছু কাজের জন্য সাহায্য চান যেটা সে সহজেই করতে পারবে।

    সন্তানের অল্প বয়সে অতিরিক্ত ওজন কোন ভাবেই সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ নয়। তাই তাঁর উচ্চতা অনুযায়ী সঠিক ওজন নির্ধারণ করার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন আপনি যদি নিজে না বুঝতে পারেন যে আসলে তাঁর ওবেসিটি কোন দিকে যাচ্ছে তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করুন বিষয়টি নিয়ে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Child injured in blast: বল ভেবে খেলতে গিয়ে ফাটল বোমা, গুরুতর জখম শিশুসহ এক মহিলা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Child injured in blast: বল ভেবে বোমা নিয়ে খেলতে গিয়ে যখম শিশু সহ দুজন। মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট থানার রামনগর এলাকায়। গুরুতর যখন অবস্থায় শিশু ও এক গৃহবধূ বসিরহাট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খবর পেয়ে বসিরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রাকিবুল মন্ডল নামে বছর এগারোর এক শিশু খেলছিল বাড়ির পাশের উঠোনে। সেসময় হঠাৎই একটি বোমা ফেটে যায়। জখম হয় শিশুটি ও সোনিয়া বিবি নামে অপর এক মহিলা। দুজনেই গুরুতর যখম অবস্থায় বসিরহাট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ওই এলাকায় বোমা এলো কিভাবে স্থানীয়রা তা বুঝে উঠতে পারছেন না। শিশুটি কোথা থেকে এই বোমা পেলো তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে বসিরহাট থানার পুলিশ।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা জানিয়েছেন শিশুটি বল ভেবে খেলতে গিয়েই বোমা ফেটে যায়। বিকট শব্দ হয়। গুরুতর আহত হয় শিশুটি। বোমা ফাটার আওয়াজে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়রা জানান শিশুটির মায়ের পায়ে গুরুতর চোট লেগেছে। তাদেরকে উদ্ধার করে বসিরহাট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনা ঘিরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে ওই এলাকায়। ঘটনা কে কেন্দ্র করে তীব্র শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। তবে ওই এলাকায় কারা বোমা রেখেছিল তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনারর পরেই ঐ এলাকায় পৌঁছয় পুলিশ। ঘটনার তদন্ত করছেন তারা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mobile addiction: শিশুর মোবাইল গেমের আসক্তি দূর করতে মায়ের দায়িত্ব কী? রইল সহজ উপায়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mobile addiction: বর্তমানে শিশুদের খেলার সময় কেড়ে নিয়েছে মোবাইল গেম। শুধু কি খেলা, জীবনের মূল্যবান সময় দিনের পর দিন হারিয়ে যাচ্ছে। ক্ষতি হচ্ছে পড়াশোনায়, হারিয়ে ফেলছে মূল্যবোধ। পরিবারের সঙ্গে সেভাবে আর সময় কাটানোর ফুরসত হয়ে ওঠে না। আলগা হয়ে যাচ্ছে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে থাকা আত্মিক সম্পর্ক। এমন পরিস্থিতিতে মায়েরা শিশুদের নিয়ে অত্যন্ত চিন্তিত থাকেন। স্মার্টফোনের গেমের জেরে শিশুরা খুন পর্যন্ত করছে, যার প্রচুর প্রমাণ রয়েছে। বর্তমানে প্রযুক্তি বিদ্যার দৌড় যেমন উপকার আছে, তেমন কিছু অপকারও রয়েছে। স্মার্টফোন, টেলিভিশন, ট্যাব, ইউটিউবে বেশিক্ষণ সময় কাটানোয় শিশুদের ভবিষ্যৎ বিপদের মুখে পড়ছে। বহু মা আবার বাচ্চাকে শান্ত রাখতে হাতে গুঁজে দেন স্মার্টফোন, যাতে মজার ভিডিও বা কার্টুন দেখে তারা শান্ত থাকে। এই সাময়িক স্বস্তি বড়সড় প্রভাব ফেলবে ভবিষ্যতে। স্মার্টফোনের উপর অত্যাধিক নির্ভরতা ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারেন। স্মার্টফোন অনেকটা মদের নেশার মতো, আর এই আসক্তি অত্যন্ত বিপ্পজনক। শিশুদেরকে এই নেশা থেকে বাঁচাতে মেনে চলুন কয়েকটি সাধারণ নিয়ম।

    (১) শিশুকে মাঠে খেলতে পাঠান। আসলে বন্ধু না থাকলে, অভিভাবকের সঙ্গ না পেলে নিজেদের একা থাকা সময়কে শিশুরা উপভোগ করে ভিডিও গেমের মাধ্যমে। প্রতিদিন অত্যাধিক ব্যস্ত থাকলেও একজন মাকে তার শিশুর সঙ্গে সময় দিতে হবে।

    (২)শিশুরা সব সময় ফোনের মধ্যে নিজস্ব একটা জগত তৈরি করে নেয়। সেই জগতের মধ্যেই বিচরণ করে। ঠিক সেই রকম একটি জগত তৈরি করুন নিজের বাড়ির মধ্যে। যেমন আগেকার দিনের সবাই পরিবারের সব সদস্যরা মিলে বোর্ড গেম খেলতেন। সেই পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে পারেন।

    (৩)বাচ্চার ভুলকে ভুল ভাবেই নিন, তবে সেই ভুল শোধরাতে গিয়ে অত্যাধিক শাসন করলে চলবে না। শিশু ভুলকে সহজভাবে গ্রহণ করে সমস্যা থেকে কিভাবে বেরিয়ে আসবে তার সমাধানে শিশুকে সাহায্য করুন।

    (৪)শিশু সারাদিনে পড়াশোনা বাদে ঠিক কি করছে, সেই বিষয়ে একটু খেয়াল রাখুন। বর্তমানে ওয়ার্কিং প্যারেন্টসটা শিশুদের দিকে খুব একটা খেয়াল রাখতে পারেন না। যার কারণে শিশুরা খুব সহজেই স্মার্টফোন আর ওয়েব সিরিজের দুনিয়ায় নিজেদেরকে হারিয়ে ফেলছে।

    (৫)এখনো অনলাইনের রমরমা। পড়াশোনাও হয় কিছুটা অনলাইনে। তাই দিনের ঠিক কোন সময় শিশু স্মার্টফোন ব্যবহার করবে তার নির্দিষ্ট একটি সময়সীমা বেঁধে দিন। পরিবর্তন যেন না হয়। শিশুর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলি মুছে দিন। নজর রাখুন শিশুটি কোন কোন অ্যাপ ব্যবহার করছে।

    (৬)ঘুমের আগে কখনোই শিশুকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেবেন না। যা সরাসরি মানসিক এবং চোখে ব্যাপক ক্ষতি করে। ঘুমাতে যাওয়ার ২ ঘন্টা আগে শিশুর কাছ থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে নিন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Exam stress: পরীক্ষার ভয়ে অবসাদে ভুগছে সন্তান? মানসিক চাপ দূর করার উপায় জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Exam stress: সামনে পরীক্ষা। পরীক্ষার ভয়ে অনেক বাচ্চাই অবসাদে ভুগতে শুরু করে। পরীক্ষার প্রতি ভয় এই অবসাদ তৈরীর কারণ। অনেক সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এর ফলাফল ভালো হয় না। এমন হলে অনেক সময় বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই পরীক্ষা স্ট্রেস কম নেওয়া উচিত।

    পরীক্ষা এলেই পড়াশোনার চাপ বেড়ে যায়। পুরো বছর ধরে যা যা পড়ানো হয় সেসব পরীক্ষার আগে কয়েকদিনের মধ্যে রিভাইস করার চাপ থাকে। সমস্ত চ্যাপ্টার শেষ হবে কিনা সে কথা ভেবেই চাপ বেড়ে যায়।

    মা বাবা ও নিজের সন্তানের কাছ থেকে অনেক বেশি প্রত্যাশা করে থাকেন। এই কারণে সন্তানকে সব সময় পড়তে বসতে বলা বা বকাঝকা করেন। বাচ্চারা এ হেন আচরণে চাপের মুখে পড়ে যায়।

    কিছু কিছু বিষয় ও চ্যাপ্টার এমন থাকে যা বাচ্চাদের কঠিন মনে হয়। আবার কোনো কোনো কারণে এক দুটি চ্যাপ্টার তারা পড়ে উঠতে পারে না। তখন তাদের মনে ঘুরতে থাকে যে চ্যাপ্টারগুলি তারা পড়েননি সেখান থেকে প্রশ্ন আসবে না তো।

    স্কুলে ছাত্রছাত্রীরা একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে থাকে। নিজেকে অন্যের থেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণিত করার জন্য তারা অধিক চাপ নিতে শুরু করে।

    পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বাচ্চাদের এক্সট্রা টিউশন করানো হয়ে থাকে। এর ফলে ছাত্রদের অবসরের স্তর বৃদ্ধি পায়।

    বাবা-মাকে ইতিবাচক কথাবার্তা বলতে হবে। স্টাডি ব্রেক খুব জরুরি। বাচ্চার সঙ্গে কথা বলে জানতে হবে কোন বিষয় তার সমস্যা হচ্ছে বুঝতে পারছে না বা পিছিয়ে আছে। দরকার পড়লে কিছু বিষয় শিক্ষক রেখে দুর্বলতা কাটাতে হবে।

    ফল খারাপ হলে অহেতুক বিষাদগ্রস্ত না হয়ে পরের পরীক্ষার ফল কী ভাবে ভালো হবে তা নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। ভালো ছাত্র বা ছাত্রী আচমকা খারাপ ফল করলে বাবা-মাকে সাবধান করতে হবে। প্রয়োজনে মনোবিদদের কাছে যান। পরীক্ষা চলাকালীন সন্তানের পাশে থেকে তাকে মনের জোর দেওয়া, লেখাপড়ায় সাহায্য করা, রুটিন বেঁধে দেওয়া ও স্বাস্থ্যের যত্নের গুরু দায়িত্ব দিতে হবে বাবা-মাকেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Child’s Care: সামান্য কটুক্তির ফল হয় মারাত্মক! যে কথা কখনই বলবেন না নিজের সন্তানকে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Child’s Care: বাচ্চারা সবথেকে বেশি নিজের মা-বাবার সান্নিধ্যে স্বাচ্ছন্দ্য খুঁজে পায়। কারণ তাদের কাছ থেকেই সন্তানরা সবথেকে বেশি ভালোবাসা পেয়ে থাকে। অবশ্য সেই ভালোবাসার পাশাপাশি জায়গা করে নেয় শাসনও। অভিভাবকরা শিশুদের মারধর বকাবকি করে থাকেন। এটা প্রতিপালনের অংশ বলা যায়। কিন্তু বাচ্চাদের সাথে অবশ্যই মেপে কথা বলবেন। যে কথা একবার আপনার মুখ থেকে বেরিয়ে গেল তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তাই কোন রকম কটুক্তি এড়িয়ে চলবেন। আপনার কাছে সেটা স্বাভাবিক মনে হলেও আপনার শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট করতে পারে বিভিন্ন কটুক্তি।

    অনেক সময়ই বাবা-মা ছোটখাটো ভুলের জন্য এমন কিছু কথা বলে থাকেন যেগুলি তাদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব না পেলেও শিশুদের মনে গেঁথে যায়। সেই কথাগুলি তাদের মন মস্তিষ্কে ভীষণভাবে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। তাই জেনে নিন কোন কোন কথা শিশুদের কখনই বলা উচিত নয়।

    * নিজের সন্তানকে কখনও বোকা বলবেন না

    প্রত্যেকটি বাচ্চার মানসিক বিকাশ এক রকম হয় না। যার কারণে প্রত্যেকের বুদ্ধিমত্তা সমান না হওয়াই স্বাভাবিক। কখনও কখনও বাবা মা নিজের সন্তানকেই বোকা বলে বসেন। কথায় কথায় তাঁর বোকামি তুলে ধরার চেষ্টা করেন। বোকা শব্দটা হয়তো অভিভাবকদের কাছে খুবই স্বাভাবিক একটা ছোট্ট শব্দ। কিন্তু এই একটা ছোট্ট শব্দ আপনার শিশুর আত্মবিশ্বাস ভীষণভাবে কমিয়ে দিতে পারে। তাই নিজের সন্তানকে সব সময় উৎসাহিত করুন। বিভিন্ন জিনিসের জন্য অবশ্যই তার ভুল তাকে ধরিয়ে দিন। কিন্তু প্রতি পদে খুঁত বের করে নয় বরং সোজা সরল ভাবে।

    * বাচ্চাদের সঙ্গে ঠাট্টা তামাশা নয় : বাচ্চাদের মন একেবারেই স্বচ্ছ কাঁচের মত হয়। তাঁরা কথার মারপ্যাঁচ বোঝে না। তাই নিজের অজান্তে কখনও ঠাট্টা তামাশা শিকার বানাবেন না বাচ্চাদের। এটা তাদের মনে কষ্ট দিতে পারে। যার গভীর প্রভাব পড়তে পারে আপনার বাচ্চার মনে। তাই অভিভাবক হিসেবে বিষয়টি সবসময় মাথায় রাখবেন।

    * সন্তানের আবেগকে অবহেলা নয়: আমরা অনেক সময় বাচ্চাদের মন খারাপ কিংবা তাদের কষ্ট পাওয়ার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখি না। কিন্তু একটা বড় মানুষের যেমন মন খারাপ হতে পারে বাচ্চাদের ক্ষেত্রেও কিন্তু সেটা হওয়ার সম্ভাবনা আরও বেশি। তাই কখনই এই বিষয়টি অবহেলা করবেন না। বরং কী কারণে তাঁর মন খারাপ ? কেন সে কষ্ট পেয়েছে ? সেগুলি জানার চেষ্টা করুন। যথাসাধ্য কথা বলার চেষ্টা করুন। এতে আপনার শিশুর আপনার প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।

    * মিথ্যে শপথ করবেন না : ক্ষণিকের জন্য আমরা শিশুদের মন বদলে দিতে নানান ধরনের শপথ করে থাকি। কিন্তু পরবর্তীতে সেই শপথ আর রাখতে পারি না। কথা দিয়ে কথা না রাখা কিন্তু কোনোভাবেই ভালো নয় । তবে আপনি যে কথা দিলেন সেটা আপনার শিশুর মাথায় থাকে। সঠিক সময়ে যখন সে আপনার কাছ থেকে চাওয়া কোন জিনিস বা সময় পায় না তখন আপনার সম্পর্কে নেগেটিভ ছবি তাঁর মনে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়।

    উপরে উল্লেখিত এই সমস্ত তথ্যগুলি একেবারেই সাধারণ জ্ঞানের জন্য। কোন কারনে যদি মনে হয় আপনার শিশুর সাথে আপনার সম্পর্ক খানিকটা জটিল হয়ে গিয়েছে তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version