Tag: Bangladesh PM Sheikh Hasina

  • Bangladesh Election: হিরো আলমের উপর হামলার ঘটনায় জাতিসংঘের উদ্বেগ, আবার যুক্তরাষ্ট্রের চাপে বাংলাদেশ!

    Bangladesh Election: হিরো আলমের উপর হামলার ঘটনায় জাতিসংঘের উদ্বেগ, আবার যুক্তরাষ্ট্রের চাপে বাংলাদেশ!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh Election: সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ আর গণতান্ত্রিক নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশ সরকার বেশ চাপে ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে এসেছে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা। যদিও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারংবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, নির্বাচন হবে সঠিক পদ্ধতিতে, সুষ্ঠুভাবে। কিন্তু সোমবার উপনির্বাচনে হিরো আলমের উপর হামলা প্রসঙ্গ পৌঁছে গেল মার্কিন পররারাষ্ট্র দপ্তরে। সোশ্যাল মিডিয়ায় হিরো আলমের উপর হামলার ভিডিও এখন ভাইরাল। হিরো আলম নিজে সাংবাদিকদের বলেছেন, এই নির্বাচন তিনি মানেন না। তাকে মারার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তারপরেই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে জানানো হয়, গণতান্ত্রিক নির্বাচনে রাজনৈতিক সহিংসতার কোন স্থান নেই।

    বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে, আর সেই অভিযোগ বারংবার করে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুধু তাই নয়, এই ধরনের ঘটনার স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে বাংলাদেশ সরকারকে উৎসাহিত করেছে। সোমবার ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার ঢাকা-১৭ আসনে উপনির্বাচনের সময় হিরো আলমের উপর হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে জানান, গণতান্ত্রিক নির্বাচনে রাজনৈতিক সহিংসতার স্থান নেই। তিনি আশা করেন, বাংলাদেশ সরকার অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন করবে। এই বিষয়টা তিনি নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। ঢাকা-১৭ আসনে বিজয়ী মোহাম্মাদ আলী আরাফাত জানিয়েছেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার মাত্র ২০ মিনিট আগে এই ঘটনা ছিল একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনিও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। তার মতে, নির্বাচনকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যেই এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তিনি দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

    হিরো আলমের উপর হামলার এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। টুইট বার্তার মাধ্যমে বাংলাদেশের আবাসিক সমন্বয়ক গুইন লুইস জানান, সহিংসতা ব্যতীত নির্বাচনে অংশগ্রহণের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত ও সুরক্ষিত করতে হবে। সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, মঙ্গলবার বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই ঘটনায় সাতজনকে আটক করা হয়েছে। হামলার ঘটনার পর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে নিতে হয়েছে হিরো আলমকে। তারপর তিনি নির্বাচনী কার্যালয় গিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানেই জানান এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করছেন। নির্বাচন কমিশনও, এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এসব কিছুর মিলেমিশে বলা যেতেই পারে, মানবাধিকার এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকার কিন্তু নতুন করে আবার চাপে পড়ল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বাংলাদেশের ভাগ্য বদলে দেবে ইউরেনিয়াম! রূপপুরে নিউক্লিয়ার জ্বালানি পাহাড়ার দায়িত্বে কে? এবার জলের দরে বিদ্যুৎ

    বাংলাদেশের ভাগ্য বদলে দেবে ইউরেনিয়াম! রূপপুরে নিউক্লিয়ার জ্বালানি পাহাড়ার দায়িত্বে কে? এবার জলের দরে বিদ্যুৎ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আকাশপথে বাংলাদেশে ঢুকবে ইউরেনিয়াম। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে তোড়জোড় শুরু, উৎপাদন চালু হবে কবে? প্রস্তুত বাংলাদেশ এর সেনা। তৈরি পুতিনও। ইউরেনিয়াম এর উপর কতটা নির্ভরশীল রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র? মহামূল্যবান ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে বড় উদ্যোগ। নিউক্লিয়ার ক্লাবের সদস্য হলো বাংলাদেশ। কিন্তু, সূক্ষ প্রযুক্তির এই প্রকল্প কতটা নিরাপদ? শত বছরের জন্য নিশ্চিন্ত বাংলাদেশ, বিদ্যুৎ মিলবে একেবারে জলের দরে। বিশ্বের বুকে পাবনার রূপপুর বাংলাদেশের নাম ছড়াচ্ছে। কিন্তু কাজ এগোলো কতদূর?

    চলতি বছরেই নিউক্লিয়ার জ্বালানি ইউরেনিয়াম আসার কথা রূপপুরে। মহামূল্যবান এই জ্বালানি পণ্য বিশেষ উড়োজাহাজের বিশেষ কন্টেইনারে করে রাশিয়া থেকে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসবে। সেখান থেকে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সড়ক পথে এই ইউরেনিয়াম বাংলাদেশের রূপপুরে পৌঁছে যাবে। রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটো ইউনিটে বছরে ৭০ থেকে ৮০ টন ইউরেনিয়াম প্রয়োজন হবে। প্রতি ১৮ মাস পর পর চুল্লিতে ওই ইউরেনিয়াম লোড করা হবে। প্রতি কেজি উরেনিয়ামের জন্য সরকারের খরচ পড়বে ৫৫০ ডলার। কিন্তু এই মহা মূল্যবান ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে ঠিক কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?

    ইউরেনিয়াম সংরক্ষণের জন্য এরই মধ্যে সাপোর্ট স্ট্রাকচার, ফ্রেশ ফুয়েল স্টোরেজ ও রয়ুয়েল স্টোরেজ এর কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। জানা যাচ্ছে, প্রথম ইউনিটের রিয়্যাক্টর ভবনে নকশা অনুযায়ী সফল ভাবে বসেছে ট্রান্সপোর্ট লক। ২৩৫ টন ওজনের এই যন্ত্রের মাধ্যমেই রিয়্যাক্টরে পারমাণবিক জ্বালানি লোড করা হবে। এছাড়া প্ল্যান্টের স্টার্ট আপ পর্যায়ে হুইল সিমুলেটর সরবরাহ এবং রিয়্যাক্টর রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চালানো হবে ট্রান্সপোর্ট লক দিয়েই। সে সবই তো হল কিন্তু দেশটার প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব বর্তাল কাদের উপর? সেই দায়িত্ব পেয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

    যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নিউক্লিয়ার প্রোটেকশন ফোর্স। ফোর্সের আওতায় একটি আরমড স্কোয়াড্রন এবং এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম থাকবে। এই বাহিনী সরাসরি সেনাপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণাধীন থাকবে। এছাড়া নিরাপত্তার কারণে বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে কেনা হবে। যার মধ্যে থাকবে বিভিন্ন সেফটি ইকুইপমেন্ট, শক্তিশালী সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট। জানিয়ে রাখি, সূক্ষ্ম প্রযুক্তির এই প্রকল্প শতভাগ নিরাপদ বলেই আশ্বস্ত করছে সরকার। কেন্দ্রটির ভি-ভি-ই-আর ১২০০ টাইপের দুটি তৃতীয় প্রজন্মের রিয়্যাক্টর থেকে উৎপাদিত হবে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট করে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আগামী ১০০ বছর ধরে নিরাপদে অপেক্ষাকৃত কম দামে বিদ্যুৎ পাবে বাংলাদেশ।

    একই সঙ্গে দেশও উন্নীত হবে, প্রযুক্তি ব্যবহারের নতুন স্তরে। অতি-বৈজ্ঞানিক স্পর্শকাতর এই স্থাপনাটি নির্মাণে কারিগরি সহায়তা এবং আর্থিক ব্যয়ের বেশিরভাগই আসছে রাশিয়া থেকে। কিন্তু কবে থেকে মিলবে বিদ্যুৎ, অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় বাংলাদেশ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী জানিয়েছেনচ লতি বছরের সেপ্টেম্বরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের উৎপাদন শুরু হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমেই পরমাণুসমৃদ্ধ দেশগুলোর এলিট প্ল্যাটফর্ম মানে নিউক্লিয়ার ক্লাবের সদস্য হিসেবে নাম লিখিয়েছে বাংলাদেশ। ফলে, পাবনার এই রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যে ধীরে ধীরে বাংলাদেশের আশা ভরসার বড় প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠছে তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • যুক্তরাষ্ট্রে নিজেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করে, অথচ নজর বাংলাদেশে! সপাটে জবাব শেখ হাসিনার

    যুক্তরাষ্ট্রে নিজেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করে, অথচ নজর বাংলাদেশে! সপাটে জবাব শেখ হাসিনার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    যুক্তরাষ্ট্রের মুখের উপর আবারো সপাটে জবাব দিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এভাবে আগে কেউ বলেনি। যুক্তরাষ্ট্র আগে নিজের দেশের মানবাধিকার নিয়ে চিন্তা করুক, তারপর তো বাংলাদেশ। এভাবে বলতে কজন পারে বলুন তো? যুক্তরাষ্ট্রে প্রায়ই সময় গুলি করে চলছে মানুষ হত্যা, অথচ সেখানে বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে এত মাথাব্যথা কেন? এটাই প্রশ্ন শেখ হাসিনার। যুক্তরাষ্ট্রের কি করা উচিত, সেটাও জানিয়ে দিলেন।

    আচ্ছা, শেখ হাসিনা কেন বারবার যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনার সরব হচ্ছেন? বাংলাদেশ তো বন্ধুত্বে বিশ্বাসী, কখনোই আগ বাড়িয়ে শত্রুতা করবে না। তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকে এভাবে চটানোর মানেটা কি? শেখ হাসিনা যেভাবে দৃঢ় কন্ঠে ক্রমাগত যুক্তরাষ্ট্রের উপর বাক্যবাণ ছুঁড়ছেন তাতে দুই দেশ বেশ অস্বস্তিতে। এই ক্ষোভের মূলে দুটো কারণ। এক র‍্যাবের উপর নিষেধাজ্ঞা, দুই মানবাধিকার ইস্যুতে বাংলাদেশের নির্বাচনে উপর চাপ। যদিও এই দ্বিতীয় পয়েন্টটা বারংবার অস্বীকার করেছে বাংলাদেশ সরকার। দেশটার অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে বারংবার মাথা ঘামাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। শেখ হাসিনা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজের দেশের মানুষকে কি করে বাঁচাবে সেই চিন্তা আগে করা উচিত।

    আরেকটা প্রশ্ন করেন। বাংলাদেশের মানবাধিকার খোঁজ নিতে অনেকেই আসছেন, কিন্তু ২০০১ সালের যেভাবে দেশ জুড়ে হত্যা নির্যাতন ধর্ষণ হয়েছিল সেই সময় মানবাধিকার ইস্যু গুলো কোথায় ছিল? তাঁর কথায়, যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলে নিরাপদ নয় শিশুরা।। শপিং মল সহ প্রকাশ্য রাস্তায় মানুষকে গুলি করা হচ্ছে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত, আগে নিজের দেশের কথা চিন্তা করা। ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ বাঁধিয়ে আজ হাজার হাজার নারী পুরুষ রিফিউজি। ভীষণ কষ্ট পাচ্ছে। একইভাবে গোলাগুলি চলছে সিরিয়ায়। বোমা হামলায় বিধ্বস্ত ফিলিস্তিন। অথচ এই বিষয় নিয়ে কেউ কোনো কথা বলছে না। এখানে কি মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে না? প্রত্যক্ষভাবে না হলেও, পরোক্ষভাবে বলতে চাইলেন, সব দোষ তাহলে কি শুধু বাংলাদেশের? কেন যুক্তরাষ্ট্র শুধুমাত্র বাংলাদেশকে টার্গেট করছে? এসব প্রসঙ্গ উঠে এসেছে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে।

    বাংলাদেশের বহু বিশ্লেষকদের মতে, মানবাধিকার আর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজের স্বার্থ হাসিল করতে চাইছে। বাংলাদেশের মাটিতে পোক্ত করতে চাইছে নিজের জায়গা। কিন্তু পারছে কি? যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্র নিয়ে কাজ করার জন্য বেছে বেছে কয়েকটা দেশ হাতে রেখেছে। এর আগেও চীনের সুনির্দিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। উত্তর কোরিয়াও এর ভুক্তভোগী। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক নিষেধাজ্ঞা বয়ে বেড়াচ্ছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র কখনো একা, আবার কখনো সমিল্লিতভাবে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ঠান্ডা লড়াইয়ের সময় কিউবা, চীন আর উত্তর কোরিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। এবার এই ঝঞ্ঝাটে পড়েছে বাংলাদেশ। ২০১৪ এবং ১৮ এর নির্বাচনে বাংলাদেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তা নিয়েও কিন্তু কম জলঘোলা হয়নি। সেই বিষয়টাকে কেন্দ্র করেই আমেরিকা তাগাদা দিচ্ছে বাংলাদেশকে। যদিও এখনো পর্যন্ত দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে তিক্ততার ছাপ পড়েনি। এখানে শেখ হাসিনার আর একটা কথা ইম্পর্ট্যান্ট। যে বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে তারা কিভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে? বিশ্বের বহু জায়গায় মানুষ খুন হচ্ছে কিন্তু নিশানায় বাংলাদেশ কেন? পুরোটাই ভূ রাজনৈতিক প্ল্যান নয় তো?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh Japan: এবার ২২ কোটি ডলার, জাপান কেন বাংলাদেশের জন্য এতো ইনভেস্ট করছে? একটা মানুষের জন্যই এতো ঘনিষ্ঠতা

    Bangladesh Japan: এবার ২২ কোটি ডলার, জাপান কেন বাংলাদেশের জন্য এতো ইনভেস্ট করছে? একটা মানুষের জন্যই এতো ঘনিষ্ঠতা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh Japan: বাংলাদেশে ‘সুদিন’ আনছে বিশ্বস্ত বন্ধু জাপান। হাসিনার দেশকে ফের কোটি কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে জাপানের জাইকা। নতুন করে চুক্তিবদ্ধ দুই দেশ। এই ঋণ বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ? অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কী ভূমিকা পালন করবে? কোন শর্তে ঋণ দিচ্ছে জাপান? সেই শর্ত পূরণ করতে পারবে কি বাংলাদেশ সরকার? বরাবরই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে জাপান। কিন্তু কিভাবে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে এতো গভীর বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো? বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের ভূমিকা সম্পর্কে কতটুকু জানেন?

    জাপান থেকে বিরাট অঙ্কের ঋণ পাচ্ছে শেখ হাসিনার দেশ। বাংলাদেশকে সাড়ে ২২ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা দিচ্ছে জাপান। বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী ১০৮ টাকা প্রতি ডলারের দাম ধরে এর পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ১ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা। অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়াতে এই টাকা খরচ করা হবে। অলরেডি, ঋণচুক্তিতে সই হয়ে গেছে। নমনীয় শর্তে জাপানের থেকে এই ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ। এই ঋণে সুদের হার ১.৬ শতাংশ। ঋণটা ১০ বছর গ্রেস পিরিয়ড সহ মোট ৩০ বছরে পরিশোধ করা যাবে। যা বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ নয়। তবে এই প্রথম না, বারেবারেই জাপান, বাংলাদেশের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবার কল্যাণ, জল সরবরাহ, স্যানিটেশন, পল্লি উন্নয়ন, পরিবেশ উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতের প্রকল্পে ঋণ সহ বিভিন্ন রকম অনুদান দিয়ে চলেছে জাপান সরকার।

    এর আগেও ২০২০ ও ২০২১ সালে জাপান সরকার বাংলাদেশকে মোট সাড়ে ৬৮ কোটি ডলারের বাজেট সহায়তার ঋণ দিয়েছিল। আর, স্বাধীনতার পর থেকে এই পর্যন্ত জাপান সরকার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ৩ হাজার ১২০ কোটি ডলার সহায়তা করেছে। হ্যাঁ, জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আজকের নয়, এই সম্পর্ক দীর্ঘদিনের, বলতে গেলে প্রায় ৪০০ বছরের। এমনকি বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনেও জাপান উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশ সবার আগে যেসব দেশের স্বীকৃতি পায়, জাপান সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জাপান সফর দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তি সুদৃঢ় করে। ১৯৭২ থেকে ২০২২, ৫০ বছর। ২০২২ এর ফেব্রুয়ারি তে দুই দেশ এর মৈত্রীর সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন হয়েছে।

    ১৯৭১-৭২ থেকে ২০০৮-০৯ পর্যন্ত সময়ে জাপান বাংলাদেশকে মোটা সাহায্য দিয়েছে, যার ৪৭ শতাংশের কিছু বেশি ছিল অনুদান। অবশিষ্টাংশ সহজ শর্তে ঋণ। মোট সাহায্যের ৪২ শতাংশই ছিল প্রকল্প সাহায্য। সেই সময় জাপানই ছিল বাংলাদেশের জন্য এককভাবে বৃহত্তম দাতা দেশ। ২০১০ সালের পর থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশকে দেওয়া জাপানের সাহায্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ঢাকা মাস র্যাপিড ট্রানজিট লাইন ১ ও ৬, মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে যমুনা রেল সেতু, দক্ষিণ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক উন্নয়ন প্রকল্প, স্বাস্থ্য খাত উন্নয়নে নীতি সহায়তা ঋণ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প সব ক্ষেত্রেই জাপানের অবদান রয়েছে। তাই, তো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন। জাপান বাংলাদেশের ‘দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু’। জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার। এমনকি, স্বাধীনতা পাওয়ার দুমাসের মধ্যে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ায়, জাপান শেখ হাসিনার কাছে ‘হৃদয়ের খুব কাছের’। এখনও বাংলাদেশ ও জাপান, দুটো দেশই কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: নির্বাচনের আগে চার দেশ সফর, মনোমালিন্য মিটবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে! মাস্টারস্ট্রোক শেখ হাসিনার

    Bangladesh: নির্বাচনের আগে চার দেশ সফর, মনোমালিন্য মিটবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে! মাস্টারস্ট্রোক শেখ হাসিনার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: সামনেই বাংলাদেশের নির্বাচন। টানটান উত্তেজনা। এরই মাঝে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাবেন শেখ হাসিনা! এখন আন্তর্জাতিক ময়দানে যে দেশের খবরগুলো একটু বেশি ঘুরছে, যেমন ইউক্রেন রাশিয়া তাইওয়ান চীন যুক্তরাষ্ট্র পাশাপাশি বারংবার চলে আসছে বাংলাদেশের নাম। দেশটা গণতান্ত্রিক। নির্বাচনও তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। কিন্তু এই নির্বাচন এত গুরুত্বপূর্ণ কেন? নেপথ্যে কাজ করছে, বিশ্ব ভূ-রাজনৈতিক পরিকল্পনা। নির্বাচনের আগে তিন মাসে চার দেশ সফর করতে চলেছেন শেখ হাসিনা। এটা তাঁর মাস্টার প্ল্যান নয় তো? তাহলে কি নির্বাচনের আগে দেশটা নিজেদের ঘুঁটি মজবুত করতে চাইছে? যুক্তরাষ্ট্র সফরে কি মিটে যাবে সব মনোমালিন্য?

    বাংলাদেশের কাছে জুলাই আগস্ট আর সেপ্টেম্বর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতালি, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত আর যুক্তরাষ্ট্র সফরে শেখ হাসিনার গেম প্ল্যান কেমন হবে? আপনি নিশ্চয়ই শুনেছেন, কয়েকদিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রীতিমত ভিসা ইস্যুতে জোর গলায় বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে না গেলে কিচ্ছু যায় আসে না। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর যুক্তরাষ্ট্র সফরের তুমুল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কিন্তু কেন? তাহলে কি তিনি সম্পর্ক মেরামত করতে চাইছেন? নির্বাচনের আগে চার দেশের সফর ভীষণ ভীষণ ভাইটাল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ দুই মিত্র ভারত আর চীনের সঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। শেখ হাসিনা দেখা করতে পারেন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার সরকার প্রধানের সঙ্গে।

    যুগান্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাইতে ইতালির ফুড এন্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনে একটা কনফারেন্স হওয়ার কথা রয়েছে। যেখানে যোগ দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত চীন সহ জাতিসংঘের বহু সদস্য রাষ্ট্র। আর আগস্টের শেষের দিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় রয়েছে ব্রিকস সম্মেলন। এক টেবিলে বসতে পারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ,চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সহ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন । তাহলে বুঝতেই পারছেন, এই সময়ে শেখ হাসিনার বিদেশ সফর ঠিক কতটা ইম্পর্ট্যান্ট । সোজা কোথায়, তার এই সফর বৈদেশিক সম্পর্ক ঝালিয়ে নেওয়ার সমান। এখানেই বিষয়টা থেমে নেই। সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে রয়েছে ভারতের জি-টোয়েন্টি সম্মেলন। সেখানে যোগ দেয়ার পর তৃতীয় সপ্তাহে রয়েছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন। তখন শেখ হাসিনা যাবেন যুক্তরাষ্ট্রে। এই যে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে অন্যান্য দেশের সরকার প্রধানদের সাক্ষাৎ হবে, সেখানে কোন কোন বিষয়ের স্থান পেতে পারে? এই নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। তবে অবশ্যই দেশটির জাতীয় স্বার্থ আগে থাকবে।

    একটু খেয়াল করে দেখবেন, বিনিয়োগ থেকে শুরু করে দ্বিপাক্ষিক নানান সম্পর্কের ক্ষেত্রে চীন এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বেশ মজবুত। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের একটু অবনতি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সম্পর্কে ফাটল ধরার কোন ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে জো বাইডেন আর নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে আলোচনায় পাকিস্তান আফগানিস্তান মিয়ানমার গুরুত্ব পেলেও বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে কোন খবর পাওয়া যায়নি। আশ্চর্যের বিষয়। আঞ্চলিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে অথচ সেখানে বাংলাদেশ নেই। কেন বলুন তো? নাকি দুই রাষ্ট্র এই নিয়ে কোন কথাই বলতে চাইছে না? যেখানে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে বাংলাদেশের এত গুরুত্ব। এখানে যেমন প্রশ্ন রয়েছে, তেমনি ধারণা করা যাচ্ছে, বাংলাদেশ নিয়ে ভারত আর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি আলাদা। সুষ্ঠ নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ভিসা নীতি ঘোষণা করলেও বাণিজ্যিক সম্পর্ক অটুট রেখেছে। তাই আগামী দিনে শেখ হাসিনার সফরে বেশ কিছু সুফল মিললেও মিলতে পারে। নতুন সম্ভবনা রয়েছে বাংলাদেশের জন্য।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Padma Bridge: স্বপ্নের উড়ান পদ্মা সেতু, এক বছর পর বাংলাদেশের অর্জন কতটা?

    Padma Bridge: স্বপ্নের উড়ান পদ্মা সেতু, এক বছর পর বাংলাদেশের অর্জন কতটা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Padma Bridge: পদ্মা সেতু বাংলাদেশের স্বপ্নের উড়ান। মজবুত করেছে দেশটার পায়ের তলার মাটি। সমৃদ্ধ হচ্ছে অর্থনীতি। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের গর্ব। দেখতে দেখতে প্রায় এক বছর কেটে গেল। স্বপ্ন বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ভেবে নিশ্চিন্ত একুশ জেলার মানুষ। শত শত যুবককে আর বেকারত্বের জ্বালা সহ্য করতে হচ্ছে না। একটা সেতু বদলে দিয়েছে দেশটার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বহু জনপদ। মাদারিপুর, শরীয়তপুর, জাজিরা, ফরিদপুরের অজ পাড়াগাঁয়ে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে নতুন নতুন বাণিজ্যিক ভবন। পদ্মা সেতু থেকে দেশটার অর্জন চমকে দেওয়ার মতো।

    আজ থেকে ঠিক এক বছর আগের কথা। তখন রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলবাসীর নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ স্থাপনের একমাত্র বাধা ছিল নদী। কম ঝঞ্ঝাট পোহাতে হত না। অসুস্থ ব্যক্তিকে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হতো নদীর ঘাটে। ক্লান্তি আর একরাশ বিরক্ত নিয়ে বাড়ি ফিরত মানুষ। দেখতে দেখতে পদ্মা সেতুর চালু হওয়ার পর প্রায় এক বছর কেটে গিয়েছে। ২০২২ এর ২৫শে জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের পর, ২৬ শে জুন জনসাধারণ জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। যার মাধ্যমে সাবলীল হয়েছে গ্রামের মানুষের সঙ্গে শহুরে মানুষের যোগাযোগ। খুব সহজেই মানুষ রাজধানী ঢাকায় থেকে নিজের গ্রামের বাড়িতে ফিরে যেতে পারছে। আগের মতো আর ফেরিঘাটে অসহনীয় ভোগান্তি নেই। কাজ শেষ হলে ফেরি ধরার তাড়াও নেই। চাইলেই একটা গাড়িতে চেপে সহজে নদী পারাপার করা যায়। একটা সময় বাড়ির জন্য মন টানলেও শহর থেকে গ্রামের বাড়িতে আসা যেত না। সেই আক্ষেপ মানুষের মিটেছে। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষগুলোকে নতুন প্রাণ দিয়েছে এই সেতু।

    ৬. ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালের নভেম্বরে। তখন থেকেই মানুষের মনে একগুচ্ছ স্বপ্ন জড়ো হতে থাকে। যার বাস্তবায়ন হচ্ছে এখন। আগের থেকে যোগাযোগ এতটাই সহজ আর দ্রুততর হয়েছে যে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আয় অনেকটা বেড়েছে। আগের সেই দরিদ্র নাওডোবাকে চিনতেই পারবেন না। যেন ঝাঁ চকচকে শহর। গত এক বছরে ম্যাজিকের মতো বেড়ে গিয়েছে জায়গার দাম। বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মানুষও এই সেতু তৈরি হওয়ায় বেশ উপকৃত। পশ্চিমবঙ্গের বহু মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্যের নানান কাজে বাংলাদেশে যান। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের পর ঢাকা আর কলকাতার মধ্যে দূরত্ব কমেছে প্রায় দেড়শ কিলোমিটার। যেখানে আগে যেতে হত প্রায় চারশো কিলোমিটার। বিশ্ব যোগাযোগের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ভাবে পদ্মা সেতুর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সেতু নিয়ে বাংলাদেশের স্বপ্ন আকাশচুম্বী। আশা রয়েছে, পদ্মা সেতু একদিন ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের অংশ হবে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার হয়ে বাংলাদেশের পদ্মা সেতু পেরিয়ে ভারত পাকিস্তান ঘুরে ইউরোপ যাবে ট্রেন। এই স্বপ্ন হয়তো সত্যি হতে আর বেশি দেরি নেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: বাংলাদেশের ব্রিকসে যোগ দেওয়ায় বড় বাধা! যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গী হবে ভারত? নতুন স্ট্র্যাটেজি ঢাকার

    Bangladesh: বাংলাদেশের ব্রিকসে যোগ দেওয়ায় বড় বাধা! যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গী হবে ভারত? নতুন স্ট্র্যাটেজি ঢাকার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাংলাদেশের অগ্নিপরীক্ষা ব্রিকসে যোগ দেওয়ার অনুমতি পাবে ঢাকা? যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবে বড় ধস নামবে বাংলাদেশে কাল হতে পারে সেটাই। চিনের আরও কাছাকাছি পৌঁছে যাবে ঢাকা। ভারত কোন মাস্টারস্ট্রোক দিতে পারে! ব্রিকসে একবার ঢুকতে পারলে বাংলাদেশের লাভই লাভ, পাকিস্তান পারবে না। বড় কূটনৈতিক চাপ আসতে চলেছে বাংলাদেশের ওপর৷ পশ্চিমাদের বাইরে এমূহুর্তে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্লক ব্রিকস। অগস্টের মধ্যে বাংলাদেশ ব্রিকসে ঢুকে যাবে একপ্রকার নিশ্চিত এমনটাই বলছেন সে দেশের মন্ত্রীরা। কিন্তু বাংলাদেশের এত বড় পদক্ষেপে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না তো ভারত? বাংলাদেশ ব্রিকসে যোগ দিতে অনেকগুলো ফ্যাক্টর কাজ করছে এই মূহুর্তে দাঁড়িয়ে। তাতে আদতে ভারতের কূটনীতিক লাভ হবে তো? বাংলাদেশকে ব্রিকসে ঢোকার বুদ্ধিটা কি ভারতই দিয়েছিল? ব্রিকসে ঢুকে বাংলাদেশের লাভটা কি?

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ‘২০ ঘণ্টা প্লেনে জার্নি করে আটলান্টিক পার হয়ে মানুষ আমেরিকা না গেলে কিচ্ছু আসে-যায় না। পৃথিবীতে আরও অনেক মহাসাগর আছে, অনেক মহাদেশ আছে সেই মহাদেশে আমরা যাতায়াত করব আর বন্ধুত্ব করব।’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যত জটিল হচ্ছে সম্পর্ক বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস বাড়ছে৷ আর সেই কনফিডেন্স আরও বেড়ে গেল ব্রিকস যোগের অফার পেয়ে কিন্তু মুখে বললেই কি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে পারে বাংলাদেশ?
    একেবারেই নয় আসল খেলা সেখানেই বাংলাদেশ আরও ঝুঁকছে চিন ও রাশিয়ার দিকে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন জানিয়েছেন বিশ্বের বৃহত্তম উন্নয়নশীল দেশগুলোর জোট ব্রিকসে যোগ দিতে চলেছে বাংলাদেশ। ব্রিকসে অলরেডি রয়েছে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন ও দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে আগামী আগস্টে দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের সদস্য পদ চূড়ান্ত হতে পারে।

    প্রথমেই জানুন এতে কত বড় লাভের মুখ দেখবে বাংলাদেশ৷ কূটনৈতিক মহল বলছে ব্রিকস জোটের সদস্য হওয়ার পর বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ ঋণ নেওয়ার সুবিধা পাবে। সবথেকে ইমপরটেন্ট পয়েন্ট ডলারের প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে পারে ঢাকা, যে ডলারের রিজার্ভ নিয়ে রীতিমত সঙ্কটে দিন কাটছে বাংলাদেশ। ব্রিকস জোটভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভবিষ্যতে বিকল্প মুদ্রা বা বিকল্প বাণিজ্যিক ব্যবস্থা চালু করলে এক্ষেত্রে সুবিধা নিতে পারবে বাংলাদেশ। এছাড়াও ব্রিকস জোটের সদস্যদের সাথে সম্পর্ক বাড়বে। এ ক্ষেত্রে সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়বে। এছাড়াও জিওপলিটিক্সে আরও একাধিক সুবিধা তো পেতেই পারে বাংলাদেশ৷ কিন্তু প্রশ্ন হল বাংলাদেশকে ব্রিকসে ঢুকতে দেবে তো আমেরিকা? যুক্তরাষ্ট্রর সঙ্গে ভিসা ইস্যু নিয়ে পরিস্থিতি জটিল হলেও বাংলাদেশের প্রধান যুক্তরাষ্ট্রকে একাধিক হুঁশিয়ারি দিলেও বাস্তবে গ্রাউন্ড লেভেলে সম্পর্ক বলছে অন্য কথা। বিশেষজ্ঞরা বলছে, বাংলাদেশ যদি ব্রিকসে যোগ দেয় তাতে নিসন্দেহে চিনের প্রভাব কয়েকগুণ বাড়বে বাংলাদেশে। এই পরিস্থিতি ভারতের জন্য রীতিমত অ্যালার্মিং। সেক্ষেত্রে আমেরিকা ভারতকে দিয়ে বাংলাদেশকে আটকানোর চেষ্টা করবে না তো?

    আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন বাংলাদেশকে মনে রাখতে হবে বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, শুধু ২০২১ সালে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ৮৩০ কোটি ডলার মূল্যমানের পণ্য আমদানি করেছে। শুধু তা–ই নয়, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মার্কিন কোম্পানিগুলো রয়েছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক উড্রো উইলসন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর স্কলার্সের পরিচালক মাইকেল কুগেলম্যান শেখ হাসিনার যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে প্রতিবাদী মন্তব্যকে বিভ্রান্তিকর বলেও ব্যখ্যা করেছেন। কিন্তু এখন প্রশ্ন হল ভারত কি অবস্থান নেবে বাংলাদেশে ব্রিকসে যোগ নিয়ে। ভারত এখনও কোনও মন্তব্য করেনি এবিষয়ে কিন্তু ব্রিকসের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ভারত দিল্লি না চাইলে আটকে যেতে পারে ঢাকার স্বপ্ন। তবে বাংলাদেশ ব্রিকসে যোগদান করলে পশ্চিমারা চটে যাবে না তো। বিশ্লেষকেরা বলছেন যদি ঢাকা সঠিকভাবে কার্ড খেলতে পারে তবে পশ্চিমের দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধি অব্যাহত রেখেও ব্রিকসে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ নিজের লাভ তুলে আনতে পারবে। বাংলাদেশের সঙ্গে চীন ও রাশিয়া অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্পর্ক জোরদার করেছে। এখন দেখার বিষয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বর্তমান সরকার ক্রমবর্ধমান পশ্চিমা চাপ কীভাবে অগ্রাহ্য করতে পারে বা সামাল দিতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India Bangladesh: ভারতেই অগাধ ভরসা বাংলাদেশের! এবার বোঝার পালা যুক্তরাষ্ট্রের, কার পালে হাওয়া?

    India Bangladesh: ভারতেই অগাধ ভরসা বাংলাদেশের! এবার বোঝার পালা যুক্তরাষ্ট্রের, কার পালে হাওয়া?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India Bangladesh: বাইডেন মোদি বৈঠকের দিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে বাংলাদেশ। বড় প্রশ্ন, বাংলাদেশকে দেওয়া কথা রাখবে কি ভারত? বন্ধু বাংলাদেশকে নিয়ে বড় চিন্তা ভারতের। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রকে ঠিক কি বোঝাতে চাইবে ভারত? ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে শুরু করে বাংলাদেশ ইস্যু, কি কি উঠে আসবে আলোচনায়? মোদির ওয়াশিংটন সফরের উপর কতটা নির্ভর করছে বাংলাদেশের নির্বাচনী গতিপ্রকৃতি? অনধিকার চর্চা নয়, প্রতিবেশীদেরকে অধিক গুরুত্ব দেয় ভারত। এবারেও দেবে প্রমাণ। মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফর বাংলাদেশের জন্য যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে তা নিশ্চয়ই নতুন করে বুঝিয়ে দেওয়ার দরকার পড়বে না। দিল্লি ও ঢাকার কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, অধীর আগ্রহে এই সফরের দিকে তাকিয়ে আছে বাংলাদেশ।

    ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক দৃঢ়, গভীর, বন্ধুত্বপূর্ণ। তাই ঢাকা চাইছে বাংলাদেশ এর নির্বাচন ‘সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ’ করে তুলতে যুক্তরাষ্ট্র যে নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে, যা নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতি এই মুহূর্তে সরগরম, সেই বিষয়ে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়ে রাখি, যুক্তরাষ্ট্রের এই নয়া ফরমান নিয়ে ভারত বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহল পরস্পরের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছে। বাংলাদেশকে এই বিষয়ে আশ্বস্তও করা হয়েছে যে আসন্ন সফরে এই নিয়ে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদি অবশ্যই মত বিনিময় করবেন। যুক্তরাষ্ট্র সফর চলাকালে প্রধানমন্ত্রী মোদি সর্বোচ্চ স্তরে অবশ্যই বিষয়টি উত্থাপন করবেন। আর, কথা দিলে কথা রাখে ভারত। তাছাড়া, প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে প্রতিটি বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী মোদি প্রতিবেশীদের নিয়ে আলোচনা করেন। প্রতিবেশীদের নিয়ে দুই নেতারই আগ্রহ যথেষ্ট। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইস্যু যে এবার অবশ্যই বেশি গুরুত্ব পাবে সেটা কিন্তু বলতেই হচ্ছে তাই, মোদির এই সফরের দিকে বাংলাদেশের দৃষ্টি এতো স্থির।

    না, দুই স্বাধীন সার্বভৌম দেশের পারস্পরিক মতবিনিময়ে তৃতীয় দেশ হিসেবে ভারতের কোনো ভূমিকা নেই। সেই নিরিখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের যা কিছু হচ্ছে, তা ওই দুই দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলেই মনে করে ভারত। তাই, নতুন ভিসা নীতি বা নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ প্রসঙ্গে ভারত কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্যও করছে না‌। ভারত বারবার বলেছে, বাংলাদেশের মানুষ কাকে ভোট দেবে, কোন দলকে সমর্থন করবে, তা তাঁদের বিষয়। এ বিষয়ে ভারত অনধিকার চর্চা করে না, করবেও না। কিন্তু, চাইলেও সব ঘটনা থেকে চোখ ফিরিয়ে থাকা যায় না। বুঝতে হবে, আঞ্চলিক ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারত স্বাভাবিক কারণেই আগ্রহী।তা ছাড়া ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও সুস্থিতির প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র যতটা উদ্বিগ্ন, ভারতও ততটাই এবং সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের গুরুত্ব যে অসীম তা বুঝিয়ে দিতে চায় ভারত।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সংগত কারণেই প্রধানমন্ত্রী মোদি যুক্তরাষ্ট্রকে বোঝাতে চান আঞ্চলিক স্বার্থে শেখ হাসিনার ক্ষমতাসীন থাকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, কতটা প্রয়োজন এবং এর অর্থ কী। তাছাড়াও বোঝাবেন, এমন কিছু করা উচিত হবে না, যাতে আঞ্চলিক অপশক্তি উৎসাহ পায়। আর, ভারতের দ্বিতীয় চিন্তা চীনকে নিয়ে। যাকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রও চিন্তিত। বাংলাদেশের ওপর চীনের অর্থনৈতিক প্রভাব যথেষ্ট। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশ ভারসাম্য রক্ষা করে চলেছে। তাই, যুক্তরাষ্ট্রকে ভারত বোঝাবে, সেই ভারসাম্য কিংবা আঞ্চলিক সুস্থিতি নষ্ট হয় এমন কিছুর জন্য বাংলাদেশকে জোরাজুরি করাটা ঠিক হবে না। চীনের দিকে বাংলাদেশের বেশি মাত্রায় ঝুঁকে পড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত কারও পক্ষে মঙ্গলজনক নয়, সে কথাও বোঝানো হতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এটা পরিষ্কার, যুক্তরাষ্ট্র কে সমঝে চলতে হবে, যা বুঝিয়ে দিতে চায় ভারত। তাই, আপাতত ভারতেই ভরসা রাখছে বাংলাদেশ। মোদী বাইডেন বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের মন বোঝার উপরেই নির্ভর করছে বাংলাদেশের নির্বাচনী গতিপ্রকৃতি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • প্রযুক্তির ম্যাজিক, বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ। একটা ব্যাঙ্কই ভরসা? এই টার্গেট পূরণ করা বড় চ্যালেঞ্জ

    প্রযুক্তির ম্যাজিক, বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ। একটা ব্যাঙ্কই ভরসা? এই টার্গেট পূরণ করা বড় চ্যালেঞ্জ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    সাব্বাস! বাংলাদেশকে আর ঠেকায় কে? থাকবে না ব্রাঞ্চ, এটিএম, চেকবই, ডিজিটাল ব্যাংক চালু হবে বাংলাদেশে। প্রযুক্তি বিশ্বে চমৎকার উদ্যোগ হাসিনা সরকারের। কিন্তু প্রশ্ন হলো লেনদেন হবে কিভাবে?
    প্রচলিত ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের সাথে তফাৎ কোথায়? গ্রাহকদের সুবিধা অসুবিধা নিয়ে কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা? ডিজিটাল ব্যাংকের ওপর কতটা আস্থা রাখতে পারবে গ্রাহকরা? এই ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা বাংলাদেশ কে কোন কোন ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড় করাতে পারে? না, আর সশরীরে লেনদেনের ঝক্কি পোহাতে হবে না। চিন্তা নেই, দিন রাত ২৪ টি ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যাংকের সুবিধা পাবে বাংলাদেশ।

    নতুন যে ব্যাংক চালুর কথা বলা হচ্ছে, সেখানে সমস্ত কাজ হবে প্রযুক্তি নির্ভর। পুরোপুরি প্রযুক্তি নির্ভর ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই ব্যাংকের শাখা, উপশাখা, এটিএম বুথ বা সশরীরে লেনদেনের কোনো ব্যবস্থা থাকবে না। কিন্তু আমানত গ্রহণ, ঋণ দেওয়া থেকে শুরু করে অন্যান্য সব কাজই করবে এই ডিজিটাল ব্যাঙ্ক। আগেই বলেছি, সশরীরে ব্যাঙ্কের কোনো শাখায় যেতে হবে না। তাই মোবাইল বা অ্যাপ ব্যবহার করে গ্রাহকরা এই ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন। থাকবে ভার্চুয়াল কার্ড, কিউআর কোড বা অন্য প্রযুক্তি নির্ভর পরিষেবা। সব ধরনের পরিষেবাই পাওয়া যাবে, কিন্তু লেনদেনের সমস্ত বিষয় হবে ভার্চুয়ালি। এটাই প্রচলিত ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের সাথে ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং এর পার্থক্য। কিন্তু, কিভাবে খোলা যাবে অ্যাকাউন্ট?

    জাতীয় পরিচয় পত্র সহ প্রয়োজনীয় নিজস্ব তথ্য আপলোড করে অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে। একইভাবে ঋণ নেওয়ার জন্যও প্রয়োজনীয় নথিপত্র আপলোড করে ঋণের আবেদন করতে পারবেন। সব কিছুরই একটা ভালো দিক আরেকটা খারাপ দিক থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও তেমনই। এতে মানুষ এর যেমন সুবিধা হবে তেমন কিছু অসুবিধাও হবে। যেমন

    • ব্যাংকে যেতে না হওয়ায় গ্রাহকদের সময় বাঁচবে।
    • ব্যাংকের শাখা খুলতে না হওয়ায় সেখানে ভাড়া-কর্মীদের পেছনে খরচ অনেক কমে যাবে।
    • বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে গ্রাহকরা অ্যাকাউন্ট খুলতে এবং ব্যাংকিং পরিষেবা নিতে পারবেন।
    • ২৪ ঘণ্টার যেকোনো সময় এই ব্যাংক থেকে মিলবে পরিষেবা।

    আর অসুবিধা?

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন প্রযুক্তি ব্যবহারে অনেকের দক্ষতার অভাব এবং প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক মোবাইল ফোন না থাকায় তাঁদেরকে এই ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। বিশেষ করে প্রান্তিক মানুষ, নগর জীবনের বাইরের মানুষকে এই সেবার আওতায় আনা যাবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তবে আরেকাংশের অনেকে বলছেন, বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার সাথে যেভাবে মানুষজন অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে, তাতে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার সাথেও কয়েক বছরের মধ্যেই মানুষ খাপ খাইয়ে নেবে।

    প্রশ্ন হলো এই ডিজিটাল ব্যাংকের ওপর গ্রাহকরা কতটা আস্থা রাখতে পারবে?

    শক্তভাবে নজরদারি আর নিয়ন্ত্রণ করলে গ্রাহকদের আস্থা নিশ্চয়ই বাড়বে মত বিশেষজ্ঞদের। আসলে, শাখা না থাকলেও এসব ব্যাংকের একটি প্রধান কার্যালয় থাকবে। গ্রাহকের অভিযোগ বা অসন্তুষ্টির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। আর, গ্রাহকরা চাইলে ওই প্রধান কার্যালয় বা বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

    কতদূর পর্যন্ত এগিয়েছে বিষয়টা?

    অলরেডি, এই সংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেক্ষেত্রে ব্যাংক গঠনে আগ্রহীরা প্রস্তাব জমা দিতে পারবেন। জানিয়ে রাখি, সিঙ্গাপুর, ফিলিপিনের মতো দেশেও দেখা গেছে, প্রচলিত ব্যাংকের তুলনায় ডিজিটাল ব্যাংক মানুষ বেশি পছন্দ করছে। আশা করা যাচ্ছে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও নতুন প্রজন্ম প্রচলিত ব্যাংকিংয়ের তুলনায় এ ধরনের ব্যাংকিং-এ বেশি আগ্রহ দেখাবে। কারণ, বাংলাদেশে আস্তে আস্তে অনেক কিছুই ক্যাশলেস হয়ে যাচ্ছে। অনেক কেনাকাটায় নগদ টাকার পরিবর্তে মোবাইল ফিন্যান্সিং সার্ভিস ব্যবহার করা হচ্ছে, মোবাইল ফোনের কিউআর কোড স্ক্যান করে পেমেন্ট করা হচ্ছে। আর এবার নেওয়া হচ্ছে ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং এর উদ্যোগে। বলতেই হচ্ছে, স্মার্ট হওয়ার পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: সুখবর! চালেই মাত দিচ্ছে বাংলাদেশ। ভারতের থেকে এগিয়ে নাকি পিছিয়ে? জানুন

    Bangladesh: সুখবর! চালেই মাত দিচ্ছে বাংলাদেশ। ভারতের থেকে এগিয়ে নাকি পিছিয়ে? জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: করে দেখাচ্ছে বাংলাদেশ! হাসিনার দেশ মাত দিচ্ছে চালেই, গড়ছে রেকর্ড। অনেক সমস্যা থাকলেও এই একটা দিকে অন্তত স্বস্তি। দেখার মতো চালের উৎপাদন বাড়াতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু ভারতকে টেক্কা দিতে পারছে কি? চমকের নেপথ্যে রয়েছে কোন কৌশল? বাম্পার ফলনের পরেও কেন মোটা চালের দাম কমছে না? কি বলছে তথ্য? বাংলাদেশকে আশার আলো দেখাচ্ছে চাল গম। কি বলছেন ওই দেশের কৃষি বিজ্ঞানীরা?

    অবশ্যই সুখবর, এক বছরে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি হারে চালের উৎপাদন বাড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশে।২০২২-২৩ এর চেয়ে নতুন বছরে মানে ২০২৩-২৪ এ উৎপাদন বাড়তে পারে ১.৮ শতাংশ। কিন্তু, ভারতকে টেক্কা দিতে পারছে কি? জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন বলছে, না। মোট চালের উৎপাদনে চীন ও ভারতের পর তৃতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। তবে, বাংলাদেশে চালের উৎপাদন যেভাবে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে সেটা তো অস্বীকার করার কোনও জায়গাই নেই। একটা হিসেব দিলে বুঝতে সুবিধা হবে। উৎপাদন কম হওয়ায় বাংলাদেশকে দু বছর আগেও ২৬ লাখ ৫০ হাজার টন চাল আমদানি করতে হয়েছিল। কিন্তু এ বছর উৎপাদন ভালো হওয়ায় বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ কমে ৮ লাখ টনে নেমে এসেছে। এমনকি, বাংলাদেশে গমের উৎপাদনও ১ লাখ টন বেড়েছে।

    এফএওর ইনফরমেশন বলছে, চীন চাল উৎপাদনে এখনো শীর্ষে। এরপর রয়েছে ভারত। তাপরই বাংলাদেশ। হ্যাঁ, বাংলাদেশে গত এক বছরে চালের উৎপাদন মোট সাড়ে সাত লাখ টন বেড়েছে। ফলে চালের আমদানি কমেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন ডলার-সংকট সহ নানা অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্যে বাংলাদেশ কিছুটা হলেও খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে স্বস্তিতে আছে।

    চালের উৎপাদন বৃদ্ধির নেপথ্যে কারণটা কী?

    দেশের কৃষি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাংলাদেশে গত এক যুগে কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহার দ্রুতহারে বাড়ছে। বিশেষ করে করোনা পরিস্থিতিতে এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার ইতিবাচক কিছু এফেক্টও দেশের কৃষি খাতে পড়েছে। দেশে চাল ও গমের দাম বেড়ে যাওয়ায় কৃষক ও উদ্যোক্তারা এই খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে, ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই কৃষিযন্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে। বেড়েছে বাংলাদেশে ফসলের উৎপাদন ও। কিন্তু, বাম্পার ফলনের পরেও কেন মোটা চালের দাম কমছে না? এটা একটা বড় প্রশ্ন।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, বাংলাদেশে এক যুগ ধরে মোটা চালের উৎপাদন কমলেও, মাঝারি চালের উৎপাদন বাড়ছে। মাঝারি মানের চালের চাহিদা বেড়ে যাওয়া এবং মোটা চালের চাহিদা কমে যাওয়াকে কারণ হিসেবে মনে করছেন তাঁরা এদিকে, ধারাবাহিকভাবে মাঝারি চালের উৎপাদন বাড়ার ফলে মাঝারি মানের চাল হয় এমন ধানের নতুন জাতগুলো দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। উৎপাদন বাড়ছে। কৃষকরাও দাম ভালো পাচ্ছে। কোভিড-১৯ ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে নিম্ন আয়ের মানুষগুলো আরও বেশি ভাতের ওপর নির্ভরশীল হচ্ছে। তাই বাংলাদেশ জিংক, ভিটামিন ও পুষ্টিসমৃদ্ধ জাত উদ্ভাবনে আরও বেশি করে মনোযোগ দিচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম