Tag: Bangladesh PM Sheikh Hasina

  • Bangladesh: বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে অস্বস্তি, দাওয়াই কি ভারতের হাতে?

    Bangladesh: বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে অস্বস্তি, দাওয়াই কি ভারতের হাতে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক সহজ করার ক্ষেত্রে ভারতের ভূমিকা কি? ভারত কি পারবে ঢাকা ওয়াশিংটনের সম্পর্কে নতুন অক্সিজেন জোগাতে? র‍্যাব আর রাশেদ নিয়ে ভারতের স্ট্যান্ড পয়েন্ট কি? দিল্লির কাছে কি এটা স্রেফ জল ভাত? বাংলাদেশ নিয়ে চীন যুক্তরাষ্ট্রের দড়ি টানাটানিতে ভারতের স্বার্থটা কি? লাভ টা কোথায়? কি বলছেন বিশ্লেষকরা?এটা খুব সেনসিটিভ একটা ইস্যু। সময়টাও বুঝে পা ফেলার মতো। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যেভাবে আমেরিকার কড়া সমালোচনা করেছেন, যেভাবে দুই দেশের সম্পর্কে নানান অস্বস্তিকর বিষয় দেখা যাচ্ছে, নিষেধাজ্ঞার বিষয়গুলো সামনে উঠে আসছে তাতে ভারতের ‘ভূমিকা’ বেশ প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে। প্রথমেই সরাসরি একটা পয়েন্টে হিট করছি, ভারতের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ এই মুহুর্তে উভয়েরই দারুণ কূটনৈতিক সম্পর্ক। কারণ ভারত খুব ভালোভাবে ব্যালেন্স করতে জানে।

    সেক্ষেত্রে পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কোনও অস্বস্তি তৈরি হলে সেটা নিরসনের জন্য ভারতের চেষ্টা চালানোটা অস্বাভাবিক কিছু না, যেটা বহুদিন ধরেই হয়ে আসছে। তা ছাড়া ভারত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী শক্তি। তাই এই অঞ্চলের আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ দেশ বাংলাদেশকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে তারা ভারতের মতামতকে আমল দিয়ে থাকে, এটা লক্ষণীয়। যদিও ইদানীংকালে ভারতকে কিছুটা এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি বাংলাদেশের সঙ্গে ‘ডিল’ করছে, এরকম একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তার পরেও ঢাকা ও ওয়াশিংটনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতের একটা ছায়া বা প্রভাব যে আছেই, তা কিন্তু অস্বীকার করার উপায় নেই বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

    সাম্প্রতিকালে বাংলাদেশ তাদের নিজস্ব কিছু সমস্যা সমাধানের চেষ্টায় তৃতীয় পক্ষের ওপর প্রভাব খাটাতে ভারতের সাহায্য চেয়েছে আর সেটা প্রকাশ্যেই। যেমন? রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরার পথকে সুগম করতে ভারত যাতে ‘বন্ধু’ মিয়ানমারের ওপর প্রভাব খাটায়। সেক্ষেত্রে হোক কিংবা রুশ জাহাজ যখন বাংলাদেশের বন্দরে ভিড়তে পারেনি, সেখানে মস্কোর সঙ্গে দিল্লির সুসম্পর্ককেও কাজে লাগানো হোক। তো এটাই আমেরিকার ক্ষেত্রেও না হওয়ার কোনো কারণ নেই। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে দিল্লি আর ঢাকার সম্পর্কটা এমনই যে শেখ হাসিনা যদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কোনও কঠিন অনুরোধও জানালেও, সেটা কিছুতেই ফেলা সম্ভব নয়। আর নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ব্যক্তিগত হৃদ্যতাও যে কতটা নিবিড়, সেটা নিশ্চয়ই নতুন করে বলে দিতে হবে না। ফলে জো বাইডেন ও হাসিনার মধ্যে কোনও বিষয়ে দূরত্ব তৈরি হলে, ব্যক্তিগতভাবে নরেন্দ্র মোদী সেখানে হস্তক্ষেপ করে ভুল বোঝাবুঝি দূর করার ক্ষমতা রাখেন, এটা নিয়ে কোনও সন্দেহই নেই। ভারত যে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে এমন উদাহরণ তো আছে।

    মনে করে দেখুন, ২০১৪ ও ২০১৮ তে বাংলাদেশের প্রশ্নবিদ্ধ সাধারণ নির্বাচনকে যুক্তরাষ্ট্র যাতে মেনে নেয়, সে ব্যাপারেও ভারত যথেষ্ঠ ‘সক্রিয় ভূমিকা’ নিয়েছিল। এমন কি, বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন না তুলে সে দেশের জনগণের ‘ম্যান্ডেট’কে মেনে নিতেও আমেরিকাকে ভারত বহুবার পরামর্শ দিয়েছে। না এখানেই শেষ নয়, জেনে রাখুন এই যে বাংলাদেশে র‍্যাবের কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা। যে এলিট ফোর্স আমেরিকার পরামর্শেই তৈরি হয়েছিল, সেটা এখন কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রেরই চক্ষুশূল হয়ে উঠল, বাংলাদেশ সরকারের এই প্রশ্ন কিন্তু ভারতেরও প্রশ্ন।

    তাছাড়া, বাংলাদেশের জাতির জনকের যিনি আত্মস্বীকৃত খুনী, ফাঁসির আসামি হওয়া সত্ত্বেও সেই রাশেদ চৌধুরীর আমেরিকায় রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে বহাল তবিয়তে থাকা এবং কেন তাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে না? এটাকেও কিন্তু ভারত বৈধ প্রশ্ন বলেই মনে করে। ফলে, এই দুটো ইস্যু নিয়ে ভারত বিভিন্ন পর্যায়ে আমেরিকার সঙ্গে একাধিকবার কিন্তু কথাবার্তা বলেছে। তাই এটা খুব পরিষ্কার একটা বিষয়। ঢাকা ও ওয়াশিংটনের সম্পর্কে কিছু ‘রাফ প্যাচ’ আছে, থাকবে। সেটা দূর করার জন্য ভারতের কিছু করণীয় থাকলে তারা সেটা করতে দ্বিধা করবে না মত বিশেষজ্ঞদের। হ্যাঁ, যদিও স্বার্থ ছাড়া ব্রত হয় না। সেক্ষেত্রে দিল্লি-ঢাকা-ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক ত্রিভুজে পারস্পরিক স্বার্থের অঙ্কটা যে প্রবলভাবে আছে তা অস্বীকার করার উপায় নেই।

    বিশ্লেষকরা মনে করেন, ভারতের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কোনও ‘লাভ’ না-থাকলে তারা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক সহজ করার চেষ্টায় ঢুকতেই যাবে না। কিরকম স্বার্থ? বাংলাদেশকে নিয়ে আমেরিকা ও চীনের মধ্যে ‘ভূ-রাজনৈতিক যুদ্ধ’ চললেও এই লড়াইতে আসলে কিন্তু ভারতেরই জয় হচ্ছে। কিভাবে? কারণ নিজেদের সম্পদ খরচ না করেও বেইজিং ও ওয়াশিংটনকে পরস্পরের বিরুদ্ধে খেলিয়ে দিতে পারছে ভারত। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মতো ভারত, বাংলাদেশকে গণতন্ত্র নিয়ে প্রচ্ছন্নভাবে চাপ দিতে যাচ্ছে না। দায়িত্ব নিয়ে সেই কাজ পালন করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মত পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো। বরং ভারত এমন সব পদক্ষেপ নিচ্ছে, যাতে শেখ হাসিনার সরকার কিছুতেই বিপর্যয়ের মুখে না পড়ে। কারণ পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, যতদিন আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে ক্ষমতায় থাকবে ততই দিল্লীর প্রত্যাশা পূরণের রাস্তা চওড়া হবে। আর এটা তো স্বাভাবিক, ভারত নিজের প্রয়োজনেই, দেশের জনগণের প্রয়োজনে প্রতিবেশী বাংলাদেশের পাশাপাশি নিজেদের স্বার্থটাও দেখবে। কে না চায় এটা? তাই ভারত যে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক সহজ করার জন্য সক্রিয় ও সচেষ্ট থাকবে, তা সহজেই বোঝা যায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: বাংলাদেশের সঙ্গে স্বার্থের খেলা যুক্তরাষ্ট্রের! চীনের কলকাঠিতেই বদলাচ্ছে সমীকরণ?

    Bangladesh: বাংলাদেশের সঙ্গে স্বার্থের খেলা যুক্তরাষ্ট্রের! চীনের কলকাঠিতেই বদলাচ্ছে সমীকরণ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: বাংলাদেশ এর ঘাড়ে আরও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বোঝা চাপার শঙ্কা বাড়ছে। কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আসার চান্স বাড়ছে? যুক্তরাষ্ট্র কি কোনোভাবে বাংলাদেশকে চাপে রাখতে চাইছে? কোন স্বার্থ হাসিল করতে এই নিষেধাজ্ঞার কৌশল যুক্তরাষ্ট্রের? বাংলাদেশের রাজনীতি আর নির্বাচনই কি যুক্তরাষ্ট্রের টার্গেট? যুক্তরাষ্ট্রের কোন স্বার্থে ঘা দিয়েছে বাংলাদেশ? দুই দেশের সমীকরণ বদলের নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্রের চিরশত্রু চীনই কি মাস্টারমাইন্ড? নিষেধাজ্ঞার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কতটা তৈরি বাংলাদেশ? কি বলছেন বিশ্লেষকরা?

    গত দেড় বছরে র‌্যাব ও র‌্যাবের কর্মকর্তাদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। এমতাবস্থায় ফের নতুন করে নিষেধাজ্ঞার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, নতুন এই নিষেধাজ্ঞার তথ্য আগেভাগে জেনেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিভিন্ন বক্তব্য ও সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া সমালোচনা করছেন। কিন্তু, কি কারণে একের পর এক মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হচ্ছে বাংলাদেশকে?

    বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সরকারকে চাপে রাখতে নিষেধাজ্ঞার কৌশল নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে, বাংলাদেশের রাজনীতি আর নির্বাচন তাদের ফোকাস নয়। যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী চীন বিরোধী শক্তিশালী বলয় তৈরি করতে চাইছে। যেখানে, বাংলাদেশ অবশ্যই একটা গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। বিষয়গুলো কে পর পর সাজালে বুঝতে অনেকটা সুবিধা হবে। মনে করে দেখুন, সম্প্রতি ঘোষিত ভারত মহাসাগরীয় রূপরেখা মানে ইন্দো-প্যাসিফিক আউটলুকে শেখ হাসিনার সরকার স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ ভাবনার কথা তুলে ধরেছিল। কিন্তু, যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক নীতি বা কৌশলের থেকে এই ভাবনা যে একেবারেই আলাদা তা নিশ্চয়ই নতুন করে বলে দিতে হবে না। এটাই বাইডেন প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। বলা ভালো যুক্তরাষ্ট্র কোথাও গিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। কেউ তাদের জায়গা দখল করে নিচ্ছে বা অধিকার খর্ব করার চেষ্টা করছে এমনটা মনে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের।

    গত দেড় দশকে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব, চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক দৃঢ় সম্পর্ক এবং যুক্তরাষ্ট্র সহ পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি ভারসাম্যের কূটনীতি বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। করোনা থেকে শুরু করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া বৈশ্বিক অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও এগিয়ে যাচ্ছে শেখ হাসিনার দেশ। আর এই বাংলাদেশকে নিয়েই দড়ি টানাটানি চলছে চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের। হবে নাই বা কেন? ভৌগোলিক অবস্থান, ভূ-রাজনীতি, ভূ-অর্থনীতি ও কৌশলগত নানান কারণ ছাড়াও দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। তাই, বাংলাদেশ কে নিজেদের বলয়ে রাখতে মরিয়া, বিশ্বের দুই পরাশক্তি চীন ও যুক্তরাষ্ট্র।

    এর মধ্যে চীন থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে, আর যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি। দুই শক্তিধরের সঙ্গে সম্পর্কের রসায়নও ভিন্ন। তবুও যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, বাংলাদেশ সরকার এবং নীতিনির্ধারক মহলে চীনের একচেটিয়া প্রভাব আছে, তৈরি হয়েছে। তবে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয় বিশ্লেষকদের একাংশের মতেও, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দূরত্বের নেপথ্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অতিমাত্রায় চীন সংবেদনশীলতা কিছুটা হলেও দায়ী। যা মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের টানাপোড়েনের ভস্মে ঘি ঢেলেছে। এখানে কিন্তু আরো একটা বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে যা চলছে তাতে কি বিরোধীরা কোথাও গিয়ে বেনিফিটেড হবে? এটা তো ঠিক, এক নিষেধাজ্ঞা চলতে চলতেই নতুন নিষেধাজ্ঞা এলে রাজনীতিতে কোণঠাসা বিএনপি সহ সমমনা দলগুলোর জন্য তা হবে অনেকটা ওই মেঘ না চাইতে জল পাওয়ার মতো বিষয়, এটা বলে দিতে হবে না। এর ফলে সরকার বিরোধী আন্দোলনও চাঙ্গা হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    আর, আরেকাংশের মতে, বাংলাদেশ দশ বছর আগের সেই দেশ নেই যুক্তরাষ্ট্র সহ বিশ্বকে এটা মানতে হবে এদেশের নিজস্ব শক্তি, বহুমাত্রিক বন্ধুত্ব ও দৃঢ় নেতৃত্ব উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এখন মডেল তাই কোনো একটা শক্তি চাইলেই বাংলাদেশ বা সরকারকে ফেলে দেবে, সেই অবস্থা আর নেই, সেই বার্তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্র সহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাঁর বিভিন্ন বক্তব্যে দিচ্ছেন। এ ছাড়া সরকার ইতিমধ্যেই সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। আগামী সরকারও বাইরের কোনো শক্তি নয়, বাংলাদেশ এর জনগণ নির্বাচন করবে।

    কিন্তু, এই মুহূর্তে নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা সত্যিই কতটা দুর্ভাগ্যজনক বাংলাদেশের জন্য? বাংলাদেশ কি মনে করছে? সেটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের সঙ্গে শুধু রাজনৈতিক ভাবেই নয়, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি এমনকি কৌশলগতভাবেও জড়িত। তাই বৈশ্বিক প্রত্যাশা বিবেচনায় রেখে কাজ করলে নিষেধাজ্ঞার মতো চ্যালেঞ্জগুলো হয়তো এড়ানো সম্ভব। জানিয়ে রাখি, নিষেধাজ্ঞার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত সরকার। নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনেই করছে না বাংলাদেশ‌। বরং গত দেড় বছরে বেশ দৃঢ়ভাবেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে নিষেধাজ্ঞার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। তাই বাংলাদেশ বলে দিয়েছে, দেশের জনগণের জন্য রাজনীতি করে তারা। সুতরাং ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এরকম তিক্ত অভিজ্ঞতা তাদের রয়েছে। সেই মতই প্রিকশন নিয়ে রেখেছে বাংলাদেশ। বাকিটা সময় বলবে। মোদ্দা কথা, সমালোচনায় বাংলাদেশ যে খুব একটা কান দেয় না তা স্পষ্ট। তবে, বাংলাদেশের মানুষ এটাও কোনোভাবেই চায় না, কোনো ধরনের স্যাংশন আসুক কারণ, এর প্রভাবটা শুধু সেই ব্যক্তির ওপর সীমাবদ্ধ থাকে না, পুরো দেশ এবং দেশের অন্য নাগরিকের ওপর এর একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh Myanmar: বাংলাদেশকে টেকেন ফর গ্রানটেড নিচ্ছে মায়ানমার? মোকায় মৃতের তথ্য ফাঁস, জান্তার বিপদ

    Bangladesh Myanmar: বাংলাদেশকে টেকেন ফর গ্রানটেড নিচ্ছে মায়ানমার? মোকায় মৃতের তথ্য ফাঁস, জান্তার বিপদ

    ।। সুচিত্রা রায় চৌধুরী ।।

    Bangladesh Myanmar: মোকার পর মায়ানমার থেকে আরও রোহিঙ্গা ঢুকতে পারে বাংলাদেশে? বাংলাদেশ কঠোর হচ্ছে একবার হাত তুলে নিলে সর্বনাশ হবে। মোকায় ঠিক কত রোহিঙ্গা প্রাণ হারাল সত্যিটা ফাঁস হয়ে গেল। জান্তা সরকারের অতিচালাকিই ডাকছে কীভাবে বিপদ বাড়াচ্ছে? আরেকটা জলজ্যান্ত মিথ্যে মায়ানমারের৷ বাংলাদেশকে টেকেন ফর গ্রানটেড নিচ্ছে জান্তা সরকার? মোকার জেরে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে ফেরার অনিশ্চয়তা এবারো জাঁকিয়ে বসল। বাংলাদেশ চরম বিরক্ত হাতেনাতে মিলল তার প্রমাণ। কিন্তু মোকার রাখাইনে কত মানুষ প্রাণ হারাল সেই তথ্য কেন চাপা হচ্ছে?

    বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের সাফ বক্তব্য বাংলাদেশ এতো টাকা খরচ করার মতো ধনী দেশ নয়। তবুও আমরা করছি। জানেন ঠিক কত সংখ্যক রোহিঙ্গাদের মুখে ভাত জোগাচ্ছে বাংলাদেশ? সংখ্যাটা চমকে দেবে রীতিমত। বাংলাদেশ যদি এখনি হাত তুলে নেয় তাহলে কতটা বিপদ বাড়বে? রিপোর্ট বলছে মোকা ঘূর্ণিঝড়ে মায়ানমারের বহু অঞ্চল লন্ডভন্ড। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের একেবারে পাশে থাকা আরাকান। বিশেষভাবে তার প্রধান শহর আকিয়াব (যা সেখানে সিতওয়ে নামে পরিচিত এখন) প্রায় দেড় লাখ মানুষের আকিয়াবে অক্ষত বাড়িঘর খুঁজে পাওয়াই মুশকিল হয়ে গেছে।

    আর মৃতের সংখ্যা? খুব বেশি মাথা ঘামাতে না চাইলেও যেনে রাখুন। মায়ানমারের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি আরাকানের রোহিঙ্গারা তাদের কমিউনিটির প্রায় ৪০০ জনের মৃত্যুর কথা ইতিমধ্যে জানিয়েছে। কিন্তু জান্তা সরকারের দাবি মাত্র ১৪৫ জনেরই মৃত্যু হয়েছে। আর বাকীদের মুখ বন্ধ করতে নেওয়া হবে অ্যাকশন। ২০২২ সালের একটি রিপোর্ট বলছে, এখনও পর্যন্ত প্রায় ১২ লক্ষ রোহিঙ্গাদের দেখভাল করছে বাংলাদেশ সরকার। যেমনটা ১৯৭১র যুদ্ধের সময় ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গ করেছিল পূর্ব পাকিস্তান থেকে আসা শরনার্থীদের। বাংলাদেশে প্রতিবছর গড়ে ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শিশু জন্মগ্রহণ করছে। রোহিঙ্গাদের জন্য ১ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার ভাষাণচরে রিফিউজি ক্যাম্পে বাংলাদেশ বিনিয়োগ করেছে এমনটাই দাবি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।

    কিন্তু মায়ানমারের জান্তা প্রত্যাবাসনের আশ্বাস দিয়েও হাত গুটিয়ে বসে রয়েছে বাস্তবে। জান্তা সরকারকে এবার তীব্র ভর্তর্সনা করতে বাধ্য হল আওয়ামি সরকার। পরিস্কার বলে দেওয়া হল রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে মায়ানমারের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর ৭ লাখ ৭৩ হাজার ৯৭২ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছিল। ২০১৬ সালে রাখাইন থেকে প্রাণ বাঁচাতে অন্তত ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে এসেছিল বাংলাদেশে। এর আগে থেকে বাংলাদেশ প্রায় আড়াই লাখ রোহিঙ্গার উপস্থিতি তো ছিলই। তবে এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন মোকার পর আবারও রোহিঙ্গা সংখ্যা বাড়বে না তো?

    সে দেশের সরকার পরিস্কারই করছে না সেখানকার দুর্দশার ছবিটা। ঘূর্ণিঝড় চলে গেলেও বন্যায় ভাসছে বহু এলাকা। ফ্যাক্ট বলছে মায়ানমারের মোখা–উপদ্রুত এলাকায় প্রায় ৫০ লাখ মানুষ এ মুহূর্তে সাহায্যের আশায় বসে আছেন। মোদ্দা কথা তারা তাকিয়ে আছেন বাংলাদেশের সাহায্যের দিকে। ড. মোমেন বলেন, বাংলাদেশের ফরেন পলিসি হচ্ছে ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো জন্য শত্রুতা নয়’। কিন্তু তাই বলে কি বাংলাদেশের ভালোমানুষীর সুযোগ আর কতদিন তুলবে মায়ানমার? প্রশ্নটা অনেকেই তুলছেন৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের টানাপোড়েন! বাড়ছে ক্ষোভ, সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত?

    Bangladesh: বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের টানাপোড়েন! বাড়ছে ক্ষোভ, সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: মানবাধিকার লঙ্ঘণ করছে বাংলাদেশ? বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের চেনা সমীকরণ বদলে যাচ্ছে। একের পর এক গুরুতর অভিযোগ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। বড় আন্তর্জাতিক খেলা চলছে, বলছেন শেখ হাসিনা। কি খেলা? কী ইঙ্গিত করতে চাইছেন তিনি? সত্যিই কি বাংলাদেশের উন্নতি সহ্য করতে পারছে না যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক দাবি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর “যুক্তরাষ্ট্র আমাকে ক্ষমতায় চায় না”। কিন্তু, যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে কেন এই বিরক্তি প্রকাশ শেখ হাসিনার? কেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিছু কিনবে না বলে জানিয়ে দিল বাংলাদেশ? বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক কোন টার্নিং পয়েন্টের দিকে মোড় নিচ্ছে? যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে কতটুকু জানেন আপনারা? মুখ খুললো বাংলাদেশ, জানিয়ে দিল নিজেদের স্ট্যান্ড পয়েন্ট। কি বলছে বিবিসির রিপোর্ট?

    বাংলাদেশের উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে অভিযোগ, বিচার বর্হিভূত হত্যা, গণতন্ত্র এবং রোহিঙ্গা ইস্যু সহ বিভিন্ন বিষয়ে বিবিসির সাক্ষাৎকারে অকপট শেখ হাসিনা। কিন্তু, কোন নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হচ্ছে? ২০২১ সালের ডিসেম্বরে, বাংলাদেশের সামরিক ও পুলিশের কর্মকর্তা সহ ৭ জনের উপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ। এরপর ওই নিষেধাজ্ঞা আর প্রত্যাহার করা হয়নি। কিন্তু, যুক্তরাষ্ট্র কেন বাংলাদেশের এক বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে? কি মনে করেন শেখ হাসিনা? বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, যে বাহিনীর ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সেটা তাঁদের পরামর্শেই ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। তাঁদের প্রশিক্ষণ আর সরঞ্জাম যুক্তরাষ্ট্রই দিয়েছিল
    যেভাবে তাঁরা বাহিনীটাকে তৈরি করেছে, তাঁরা সেভাবেই কাজ করছে। তাহলে কেন যুক্তরাষ্ট্র এই নিষেধাজ্ঞা দিল? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়েই, মারাত্মক দাবি করে বসলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। বলেছেন, তাঁর কাজ অব্যাহত থাকুক তা চায় না যুক্তরাষ্ট্র। তাঁর দাবি, গত ১৪ বছর ধরে গণতন্ত্র অব্যাহত থাকায় দেশে অসাধারণ উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু তিনি বাংলাদেশের জন্য যেসব উন্নতি করেছেন, সেটা যুক্তরাষ্ট্র সহ্য করতে পারছে না।

    এরপরই রীতিমতো বিরক্তি প্রকাশ করে প্রশ্ন তুলেছেন কীসের ভিত্তিতে স্যাংশান দিল যুক্তরাষ্ট্র? একইসাথে জানিয়ে দিয়েছেন নিজেদের সিদ্ধান্তের কথাও। বলেছেন, যারা বাংলাদেশের ওপর স্যাংশন দেবে, তাদের কাছ থেকে কোনো জীনিস কিনবে না বাংলাদেশ। জেদ দেখিয়ে বাংলাদেশ বলেই দিয়েছে, দরকার হলে এক বেলা খেয়ে থাকবে, তাতেও অসুবিধা নেই। তবে, শুধু নিষেধাজ্ঞা নিয়েই মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা নয়। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারির আগে বাংলাদেশে বন্দুকযুদ্ধের একটি পরিসংখ্যান এর ও জবাব দিয়েছেন তিনি। বিবিসির রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারির আগে ২০১৮ সালে ৪৬৬ জন মানুষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। ২০১৯ সালে ৩৮৮ জন। ২০২০ সালে ১৮৮ জন। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার পর এই সংখ্যা মাত্র ১৫ জনে নেমে এসেছে। যদিও, বাংলাদেশ তা মানতে নারাজ। বাংলাদেশ এর বক্তব্য, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব হত্যাকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা বাহিনী করেনি। স্বাভাবিকভাবেই এরপর যে প্রশ্নটা আসে, আমেরিকায় কি ঘটছে? প্রায় প্রতিদিন একাধিক হত্যাকাণ্ড এক্ষেত্রে বাংলাদেশ মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত নিজেদের ব্যাপারে আরও মনোযোগী হওয়া উচিত।

    আসলে, বাংলাদেশ বেশ চাপে রয়েছে এটা পরিষ্কার। কারণ, বাংলাদেশের বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং সংবাদ মাধ্যমের ওপর চাপ তৈরি করা সম্পর্কেও বিভিন্ন সময় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। যদিও, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি অভিযোগ তুলে বাংলাদেশের বক্তব্য। বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে না বাংলাদেশ। তাঁদের দেশে আইন আছে, আইন প্রয়োগকারীরা কোন অন্যায় করলে তাদেরও বিচারের আওতায় আনা হয়, তাঁদের শাস্তির ব্যবস্থাও করা হয়। শেখ হাসিনা প্রশ্ন তুলেছেন, মানবাধিকার সংস্থাগুলো কখনো তাঁর মানবাধিকার নিয়ে কেন কথা বলেনি? আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বড় খেলা চলছে, আঁচ করছে বাংলাদেশ। পরিস্থিতি ক্রমেই যেন জটিল হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সম্পর্কের সমীকরণ যখন বদলাচ্ছে, তখন আমেরিকার কেউ কেউ মনে করছে, বলছে আধা-সামরিক বাহিনী র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার আসল কারণ, বাংলাদেশের মানবাধিকার অবস্থাকে আবার সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা। তাহলে কি বাংলাদেশ এর মানবাধিকার অবস্থা ঠিক নেই? কি মনে করছে বাংলাদেশ?

    বাংলাদেশ এর দাবি, সবসময়েই মানবাধিকার রক্ষা করে আসছে তাঁরা। কারণ এটা বুঝতে হবে যে তাঁদের কাছে মানবাধিকার মানে শুধু শরীরের নিরাপত্তা নয়। বাংলাদেশের কাছে মানবাধিকার মানে তাদের নিরাপত্তা, খাদ্য, শিক্ষা, ভোট, সুস্থ থাকার অধিকার। যেসব কটাই বাংলাদেশ রক্ষা করছে বলে দাবি করা হচ্ছে। একইসাথে মুক্ত ও স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংগ্রাম করেছেন সামরিক শাসকদের বিরুদ্ধে, সেই বিষয়টাও এই সময় সামনে এসেছে। সামনেই নির্বাচন, এই ইস্যুটা ভীষণ রকম প্রাসঙ্গিক। যদিও, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছে, অবাধ এবং স্বচ্ছ নির্বাচন হয়নি বাংলাদেশে। উঠে এসেছে রোহিঙ্গা প্রসঙ্গও। বাংলাদেশের বক্তব্য, মানবাধিকারের কথা বিবেচনা করেই রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। তবে, জাতিসংঘ এবং অন্য সংগঠনগুলোর এখন ব্যবস্থা করা উচিত যাতে রোহিঙ্গারা নিজেদের দেশেই নিরাপদ থাকতে পারে, এটা জাতিসংঘের নিশ্চিত করার দায়িত্ব, বাংলাদেশ এর নয়।

    কিন্তু এই ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে বাংলাদেশ কি আদৌ সমর্থন পাচ্ছে? সমর্থন পেলেও, তা ইতিবাচক নয় বলে মনে করছে বাংলাদেশ। সবথেকে অদ্ভুত ব্যাপার, এরপরেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অভিযোগ করে বাংলাদেশ মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। তাই বিষয়টা ভাবাচ্ছে। যদিও বাংলাদেশ এর সাফ জবাব, এসব অভিযোগ পুরোপুরি সত্যি নয়। মানবাধিকার অবস্থা থেকে শুরু করে নির্বাচন, রোহিঙ্গা ইস্যু সব ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ বেশ কনফিডেন্ট। আর রইল বাকি শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর প্রসঙ্গ। সেক্ষেত্রে, একটা বিষয় মনে করিয়ে দিই এবার প্রথম নয়। বাংলাদেশের পার্লামেন্টে গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়েও শেখ হাসিনা এক বক্তব্যে বলেছিলেন, আমেরিকা বাংলাদেশের ক্ষমতায় পরিবর্তন আনতে চায়। কিন্তু, কেন তিনি এটা মনে করছেন বা বলছেন? সেটাও এবার পরিষ্কার করে দিয়েছেন, যখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেশের সন্ত্রাস মোকাবিলার জন্য কাজ করছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তখন যুক্তরাষ্ট্র কিন্তু লঙ্ঘনকারীদের পক্ষ অবস্থান নিচ্ছে, যারা ভুক্তভোগী, তাদের পক্ষে নয়। এটাই ভাবাচ্ছে বাংলাদেশকে। প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকা শেখ হাসিনাকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Smart Bangladesh: নতুন বাংলাদেশ তৈরি হচ্ছে! বদল যাবে কি কি? ‘৪১ এর অপেক্ষা

    Smart Bangladesh: নতুন বাংলাদেশ তৈরি হচ্ছে! বদল যাবে কি কি? ‘৪১ এর অপেক্ষা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Smart Bangladesh: আর কেউ রুখতে পারবে না, ২০৪১ এই স্মার্ট হবে বাংলাদেশ। কিন্তু, স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার মূল চাবিকাঠি কি? কেমন হবে ভবিষ্যতের স্মার্ট বাংলাদেশ? স্মার্ট বাংলাদেশের রূপরেখা সম্পর্কে কতটুকু জানেন? রাজধানীর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ সামিট ও এক্সপো’তেই থাকছে চমক। প্রযুক্তির যুগে নতুন করে দেখুন বাংলাদেশকে। “স্মার্ট বাংলাদেশ” কথাটা এই মুহূর্তে ভীষণ রকম পরিচিত, ট্রেন্ডিং ও। কিন্তু আগে জানতে হবে, যে স্মার্ট বাংলাদেশ নিয়ে এত কথা, এত লেখালেখি, এত আলোচনা সেই “স্মার্ট বাংলাদেশ” বলতে কী বোঝায়? প্রযুক্তি নির্ভর নির্মল ও স্বচ্ছ একটা রাষ্ট্র যেখানে ভোগান্তি ছাড়া প্রত্যেক নাগরিক পাবে অধিকারের নিশ্চয়তা এবং কর্তব্য পালনের সুবর্ণ সুযোগ। স্মার্ট বাংলাদেশের রুপরেখা কে চারভাগে ভাগ করেছে হাসিনা সরকার।
    ১. স্মার্ট সিটিজেন
    ২. স্মার্ট ইকনোমি
    ৩. স্মার্ট গভর্নমেন্ট
    ৪. স্মার্ট সোসাইটি
    এই শব্দগুলোর সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমেই স্মার্ট বাংলাদেশ থিওরির বাস্তব রূপায়ণ সম্ভব। যার মূল সারমর্ম, দেশের প্রত্যেক নাগরিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ হবে, উইথ স্মার্ট ইকনোমি। মানে, অর্থনীতির সব কার্যক্রম প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিচালনা করা হবে। হ্যাঁ, বাংলাদেশ বলছে “ডিজিটাল বাংলাদেশ” গঠন করতে পেরেছে তাঁরা, এটা বাস্তবতা স্মার্ট বাংলাদেশ ও স্মার্ট জাতি গঠনই তাঁদের পরবর্তী লক্ষ্য। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য পূরণে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করে বাংলাদেশ।

    সরকারের দাবি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট অনেকটা করে ফেলেছে তাঁরা। তাই বাকিটাও করে ফেলবে। বাংলাদেশের গোটা সমাজটাই হবে স্মার্ট সোসাইটি, দাবি তাদের। কিন্তু কিভাবে? ’২১ থেকে ’৪১ পর্যন্ত সময়ে কীভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে, তার একটা কাঠামো পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। তবে ২০৪১ সালেই শেষ নয়, ২১০০ সালেও যেন দেশ উন্নত হয়, দেশের মানুষ যাতে ‘সুন্দর, সুস্থ ও স্মার্টলি’ বাঁচতে পারে, সেইজন্যেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ পরিকল্পনা। আর, যে স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে তরুণ প্রজন্ম তার মূল চাবিকাঠি হলো “ডিজিটাল সংযোগ”, জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে এটা মাথায় রাখতে হবে, ডিজিটাল বাংলাদেশের হাত ধরে দেশকে এগিয়ে নিতে হলে বাংলাদেশকে প্রযুক্তি ব্যবহারে অনেক উন্নত হতে হবে। সেই উদ্যোগ সফল করতে স্মার্ট বাংলাদেশ এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী এক কর্মপরিকল্পনা। অনেকেই বলছেন, দেশকে প্রযুক্তিগতভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য স্মার্ট বাংলাদেশ নামের স্লোগানের কী প্রয়োজন? প্রয়োজন আছে স্মার্ট বাংলাদেশ তো শুধু একটি স্লোগান নয়, আগামী দুই যুগ ধরে চলবে এমন এক বিশাল কর্মযজ্ঞের নাম স্মার্ট বাংলাদেশ। দাবি করে দেশটার মানুষ। তার জন্য কি প্ল্যান সাজিয়েছে বাংলাদেশ?

    ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশি জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারের পরবর্তী প্ল্যান বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট, ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি, অগমেন্টেড রিয়েলিটি, রোবোটিকস, বিগ ডেটার মতো ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এসবের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করতে হবে। আসলে, বাংলাদেশ বুঝে গেছে আগামীতে যেসব দেশ প্রযুক্তি ব্যবহারে এগিয়ে থাকবে, তারাই ব্যবসা-বাণিজ্য, আন্তর্জাতিক লেনদেন এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় নিজেদের নিয়ে যেতে পারবে।

    কেমন হবে নতুন, স্মার্ট বাংলাদেশ?

    ২০৪১ এর বদলে যাওয়া বাংলাদেশ কেমন হবে, তা দেখাতে বোঝাতেই দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ সামিট ও এক্সপো’। আগামী ৯ জুন অন্যতম বৃহৎ এই এক্সপো আয়োজন করবে জেসিআই বাংলাদেশ দুদিনব্যাপী এই আয়োজনে অংশ নেবে ৫০টা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে দুদিনব্যাপী এই সামিটে এআই প্রযুক্তির নানান ব্যবহারের সাথে কৃষি, স্বাস্থ্য সহ বিভিন্ন খাতের ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির প্রদর্শনীর আয়োজন থাকছে। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে এমন ব্যতিক্রম আয়োজন দেশে স্টার্টআপ সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সরকার। তাই আপাতত এই গ্র্যান্ড আয়োজনের দিকেই নজর গোটা বাংলাদেশের।

    বুঝতে হবে, একবিংশ শতাব্দীতে গবেষণা থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি, চিকিৎসা; মহাকাশ, মহাসমুদ্র সব ক্ষেত্রেই লেগেছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। বিশ্বায়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যে পিছিয়ে থাকতে চায় না বাংলাদেশ, সেটা বেশ পরিষ্কার। তাই, ২০৪১ সালকে সামনে রেখে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে নেওয়া হচ্ছে একের পর এক উদ্যোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন প্রয়োজন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই উদ্যোগকে সফলভাবে এগিয়ে নিয়ে চলা। বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের উচিত স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরির লক্ষ্যে একনিষ্ঠ হয়ে কাজ করা, যার মাধ্যমে সোনার বাংলাদেশ এগোবে বহুদূর।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India-Bangladesh Relationship: একেই বলে বন্ধুত্ব, ভারতের জন্য দুই বন্দর খুলে দিল বাংলাদেশ! চাঙ্গা হবে অর্থনীতি

    India-Bangladesh Relationship: একেই বলে বন্ধুত্ব, ভারতের জন্য দুই বন্দর খুলে দিল বাংলাদেশ! চাঙ্গা হবে অর্থনীতি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India-Bangladesh Relationship: একেই বলে বন্ধুত্ব, ভারতের জন্য দুই বন্দর খুলে দিল বাংলাদেশ। বাড়বে বাণিজ্য, বৃদ্ধি পাবে দুই দেশের যোগাযোগ। দুই দেশই নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে মরিয়া। আখেরে লাভ দুই দেশের। ভারতের শত্রু চীনের সঙ্গে বাংলাদেশে হাত মেলালেও, শেখ হাসিনা জানিয়েছিলেন ভারতের সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক। বাংলাদেশ বেজিংয়ের তালে গা ভাসায় নি। বাংলাদেশের একটা ছাড়পত্রে খুশির আবহ ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলে। ভারত বাংলাদেশের চট্টগ্রাম আর মংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারবে। সহজ হবে পণ্য আমদানি রপ্তানি। ভারতকে মানতে হবে একগুচ্ছ নিয়ম।

    বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহার নিয়ে বহুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। এমনকি ভারত বাংলাদেশের মধ্যে এই নিয়ে চুক্তি হয়। সব দিক বিবেচনা করতে করতে বাংলাদেশ কাটিয়ে দিয়েছে বেশ কয়েকটা বছর। সম্প্রতি বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড স্থায়ী ট্রানজিট আদেশ অনুযায়ী ২০১৮ সালের স্বাক্ষরিত দুই দেশের চুক্তির অধীনে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কার্গোর ট্রান্স শিপমেন্ট হবে বলে জানিয়েছে। ভারত পণ্য রপ্তানি আমদানির জন্য ব্যবহার করতে পারবে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর। মূলত বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধান বন্দর এই চট্টগ্রাম, যেখান থেকে দেশটির প্রায় 90% এর বেশি বৈদেশিক বাণিজ্য হয়ে থাকে। বঙ্গোপসাগরে থাকা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মংলা। এবার ভারত ট্রানজিট ও কার্গো ট্রান্স শিপমেন্টের জন্য এই দুই বন্দর ব্যবহার করতে পারবে। প্রচুর উপকার পাবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে রাজ্যগুলি। বিপুল খরচ বাঁচবে ভারতের, খুব সহজে উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে পৌঁছে যাবে পণ্য।

    এনবিআর এর স্থায়ী আদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে হওয়া ‘এগ্রিমেন্ট অন দ্যা ইউজ অফ চট্টগ্রাম অ্যান্ড মোংলা পোর্ট ফর মুভমেন্ট অফ গুডস টু অ্যান্ড ফ্রম ইন্ডিয়া’ আর আওতায় দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর। সেই অনুযায়ী ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট পণ্যের কাস্টমস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ সরকার এই আদেশ জারি করেছে। ভারত এবার থেকে বাংলাদেশের এই দুটি বন্দর ব্যবহার করে নিজের দেশে সহজে পণ্য পরিবহন করতে পারবে। যার জন্য খোলা হয়েছে ১৬টি ট্রানজিট রুট। সেই রুটের তালিকায় রয়েছে মংলা-আখাউড়া-আগরতলা, চট্টগ্রাম-আখাউড়া-আগরতলা, তামাবিল-ডাউকি, বিবিরবাজার-শ্রীমন্তপুর এবং শেওলা-সুতারকান্দি।

    যে যে নিয়ম ভারত কে মানতে হবে

    ট্রান্সশিপমেন্টের ক্ষেত্রে অপারেটরকে বাংলাদেশ কাস্টমস থেকে পাঁচ বছরের জন্য লাইসেন্স নিতে হবে। বাংলাদেশ আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ এমন কোন পণ্য পরিবহন করা যাবে না। সাত দিনের বেশি বাংলাদেশের বন্দরে ট্রান্সশিপমেন্ট পণ্য রাখা যাবে না। বন্দরে যখনই পণ্য পৌঁছাবে তার ২৪ ঘন্টার মধ্যে সেই খবর জানাতে হবে বাংলাদেশ কাস্টমসকে। এছাড়াও কাস্টমসের কাছে জমা দিতে হবে বিল অফ এনট্রি, কমার্শিয়াল ইনভয়েস এবং প্যাকিং লিস্ট সহ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট। পরিশোধ করতে হবে ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে কাস্টমস ডিউটি। ফ্রি এবং চার্জের উপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হবে। প্রত্যেকটি পণ্য সিল করতে হবে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে।

    ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য বাংলাদেশে ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের বন্দর আর স্থলপথ ব্যবহার করে খুব সহজে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা যাবে। এখানে খরচ কম, আবার সময়ও বাঁচবে। অপরদিকে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে মোটা অঙ্কের আয় হবে বাংলাদেশের। সম্প্রতি ভারত এবং বাংলাদেশ নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করতে নানান পদক্ষেপ নিতে চলেছে। ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধের পর বেশ কয়েকটি যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে। বন্ধ হয়ে যাওয়া বেশ কয়েকটি আন্তসীমান্ত রেলপথের পুনরুজ্জীবন, নদীপথে জলপথ ব্যবস্থার সংযোগ এবং পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের বন্দরগুলি ব্যবহার করার অনুমতি সহ নানান কাজ চালাচ্ছে দুই দেশ।

    শুধু যোগাযোগ কিংবা বাণিজ্যিক নয়, প্রতিরক্ষার দিক থেকেও দুই দেশ হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে চায়। ভারতে তিন দিনের সফরে এসেছেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান। ২৭ এপ্রিল দিল্লিতে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে ভারতীয় প্রতিপক্ষ জেনারেল মনোজ পান্ডের একটি বৈঠক হয়েছে। কৌশলগত অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণ, সন্ত্রাস বিরোধী সহযোগিতা, সামগ্রিক দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, আন্তকার্যকারিতা এবং শক্তিশালীকরণ সংক্রান্ত নানান বিষয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল, দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে থাকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি। আশা করা হচ্ছে, দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরো মজবুত হবে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত ও বাংলাদেশ একে অপরের সঙ্গে সহযোগিতা ও সমর্থনের ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার ভাগাভাগি করে নিয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: মাতারবাড়ি বাংলাদেশের ‘ইকোনমিক গেম চেঞ্জার’! কিভাবে ভারতের সাথে সম্পর্ক বদলাবে এই ফর্মুলায়?

    Bangladesh: মাতারবাড়ি বাংলাদেশের ‘ইকোনমিক গেম চেঞ্জার’! কিভাবে ভারতের সাথে সম্পর্ক বদলাবে এই ফর্মুলায়?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: এটাও সম্ভব? দুদিন আগে যে নামটার সাথেই অনেকে পরিচিত ছিল না, এবার সেই “মাতারবাড়ি হবে বাংলাদেশের ইকোনমিক গেম চেঞ্জার” হ্যাঁ, “সোনার বাংলাদেশ” এর স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে শেখ হাসিনার দেশ।

    রাজস্ব বাড়ানোর পরিকল্পনা শুরু হয়ে গেছে। মহেশখালী দ্রুত বদলে যাচ্ছে! সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন ঘটছে চোখে পড়ার মতো! শুধু তাই নয়, মাতারবাড়ী বদলে দেবে বাংলাদেশ, জাপান ও ভারতের মধ্যকার পারস্পরিক অর্থনীতির সমীকরণ। জানেন কেন বলা হচ্ছে, মাতারবাড়ী কে কেন্দ্র করে বদলে যাবে দেশের অর্থনীতি? কোন ফর্মুলা লুকিয়ে আছে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরে? এতো কম সময়ে, মাত্র বছরের ব্যবধানে পুরোপরি পাল্টে যাওয়া একট জায়গা বাংলাদেশের মহেশখালীর মাতারবাড়ী।

    জাপানি বিনিয়োগে এখানেই গড়ে উঠছে গভীর সমুদ্রবন্দর ও বৃহৎ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। জাপানের “বিগ-বি ইনিশিয়েটিভ” এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতির গেম চেঞ্জার হয়ে উঠছে মহেশখালীর এই বন্দর! পুরো অঞ্চল হয়ে উঠছে এশিয়ার বিজনেস হাব! হ্যাঁ, এর মানে একটাই। বিশেষজ্ঞরা যেমনটা বলছেন, মনে করছেন যে, চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হলে শুধু মাতারবাড়িই বদলাবে না, এই মাতারবাড়িকে কেন্দ্র করে বদলে যাবে বাংলাদেশের অর্থনীতি।

    ভাবা যায়? এটাও সম্ভব? দুদিন আগে যে নামটার সাথেই অনেকে পরিচিত ছিল না, এবার সেই “মাতারবাড়ি হবে বাংলাদেশের ইকোনমিক গেম চেঞ্জার”। হ্যাঁ, “সোনার বাংলাদেশ” এর স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে শেখ হাসিনার দেশ। রাজস্ব বাড়ানোর পরিকল্পনা শুরু হয়ে গেছে। মহেশখালী দ্রুত বদলে যাচ্ছে! সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন ঘটছে চোখে পড়ার মতো! শুধু তাই নয়, মাতারবাড়ী বদলে দেবে বাংলাদেশ, জাপান ও ভারতের মধ্যকার পারস্পরিক অর্থনীতির সমীকরণ জানেন কেন বলা হচ্ছে, মাতারবাড়ী কে কেন্দ্র করে বদলে যাবে দেশের অর্থনীতি? কোন ফর্মুলা লুকিয়ে আছে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরে?

    এতো কম সময়ে, মাত্র বছরের ব্যবধানে পুরোপরি পাল্টে যাওয়া একট জায়গা বাংলাদেশের মহেশখালীর মাতারবাড়ী। জাপানি বিনিয়োগে এখানেই গড়ে উঠছে গভীর সমুদ্রবন্দর ও বৃহৎ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। জাপানের “বিগ-বি ইনিশিয়েটিভ” এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতির গেম চেঞ্জার হয়ে উঠছে মহেশখালীর এই বন্দর! পুরো অঞ্চল হয়ে উঠছে এশিয়ার বিজনেস হাব!

    হ্যাঁ, এর মানে একটাই। বিশেষজ্ঞরা যেমনটা বলছেন, মনে করছেন যে, চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হলে শুধু মাতারবাড়িই বদলাবে না, এই মাতারবাড়িকে কেন্দ্র করে বদলে যাবে বাংলাদেশের অর্থনীতি। ভাবা যায়? যে উপকূলীয় এলাকা একসময় অবহেলিত ছিল, যেখানে সাইক্লোন, ঘূর্ণিঝড় আর জলোচ্ছ্বাস হতো, সেই এলাকাই এরপর বাংলাদেশের অর্থনীতির নেতৃত্ব হয়ে দাঁড়াবে। কেন? কোন কোন দিক দিয়ে আশার আলো দেখাচ্ছে এই মাতারবাড়ি?

    ব্যস্ততম চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের ৯২ শতাংশ সম্পাদিত হলেও, এই বন্দরের জাহাজগুলোকে ব্যবহার করতে হয় অন্য দেশের ট্রান্সশিপমেন্ট পোর্ট, কারণ বড় জাহাজগুলো চট্টগ্রামে ভিড়তে পারে না মাতারবাড়িতে হচ্ছে গভীর সমুদ্রবন্দর, যেখানে ভিড়তে পারবে ১৬-১৮ মিটার ড্রাফটের জাহাজ। অর্থাৎ সবচেয়ে বড় জাহাজও নোঙ্গর করতে পারবে এই বন্দরে। একসঙ্গে পরিবহন করা যাবে ১০-১২ হাজার টিইইউএস কন্টেনার পণ্য। ২০২৬-২৭ সালের মধ্যে এই বন্দর চালু হবে।

    ইতিমধ্যেই, ইতালির রেভেনা বন্দর সহ কয়েকটি দেশে বাংলাদেশের পণ্য সরাসরি যাচ্ছে। পর্তুগাল সহ আরও কয়েকটা দেশের সঙ্গে সরাসরি জাহাজ যোগাযোগের প্রক্রিয়া চলছে। বড় জাহাজে একসঙ্গে বেশি পণ্য এলে এবং সরাসরি পণ্য পাঠাতে পারলে বন্দরে জাহাজের অপেক্ষার সময় কমে যাবে। এরই মধ্যে গভীর সমুদ্রবন্দরে প্রকল্পের পণ্যবাহী ১১৭টি জাহাজ ভিড়েছে। এতে আয় হয়েছে ৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।

    শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ নিজেই হবে একটি ট্রান্সশিপমেন্ট পোর্টের মালিক। এতদিন বাংলাদেশ ব্যবহার করেছে অন্য দেশের বন্দর, আর মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর হবে রিজিওনাল পোর্ট, বাংলাদেশের অন্যান্য বন্দর যেমন সুবিধা পাবে তেমন প্রতিবেশী দেশও তাদের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করতে পারবে! এই বন্দরের সঙ্গে থাকবে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। না এখানেই শেষ নয়, এই উন্নয়নযজ্ঞের লম্বা তালিকা রয়েছে।

    • এখানে তৈরি হয়েছে ১২০০ মোগওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
    • এর মধ্যেই ৪০০ কেবি বিদ্যুৎ লাইন সংযুক্ত করা হয়েছে, এরপর উৎপাদন শুরুর অপেক্ষা।
    • কয়লার জেটি তৈরি করতে যে চ্যানেল করা হয়েছে তার সম্প্রসারিত রূপই হবে গভীর সমুদ্রবন্দর।

    এই প্রকল্পগুলো পুরোপুরি চালু হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে লাখো মানুষ নিজেদের জীবিকার সন্ধান পাবে। ঘটবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন। শুধু বাংলাদেশের মানুষ নয়, এখনই মাতারবাড়িতে সাড়ে ৩-৪ হাজার বিদেশী কাজ করছেন। শিল্পায়নের পর, দেশী বিদেশী কর্মসংস্থান আরও বাড়বে। কারণ শুধু গভীর সমুদ্রবন্দর আর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়, এখানে তৈরি হচ্ছে চট্টগ্রাম কক্সবাজার রেললাইনও! প্রকল্পের কাজ শেষ হলে মাতারবাড়ি হবে রিজিওনাল হাব
    বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ আসবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিনিয়োগের জন্য এটা উপযুক্ত এবং আকর্ষণীয় জায়গা।

    এককথায়, গভীর সমুদ্রবন্দর ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে মহেশখালীর মাতারবাড়ি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ‘পাওয়ার অ্যান্ড পোর্ট হাব।’ জল, স্থল এবং রেলপথে সংযুক্ত থাকবে মাতারবাড়ি। কিন্তু, ঢাকা টোকিও দিল্লির সমীকরণ কিভাবে বদলাবে মাতারবাড়ি? প্রশ্ন উঠছে।

    ভারত ও বাংলাদেশের পর্যবেক্ষকরা বলছেন, মাতারবাড়ি থেকে ভারতের ত্রিপুরার দূরত্ব মাত্র ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে। মানে ৬২ মাইল। কাজেই এই বন্দরটা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্যও একটি গেটওয়ের কাজ করবে!
    জাপান সরকার বাংলাদেশ ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে নিয়ে একটি ‘বঙ্গোপসাগরীয় শিল্প হাব’ গড়ে তুলতে চায়! এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনায় মাতারবাড়ি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা স্তম্ভ। কেউ কেউ তো এটাও বলছেন, বাংলাদেশ-জাপান-ভারতের মধ্যে একটি ফ্রি ট্রেড জোন গড়ে তোলার পথও প্রশস্ত করবে এই প্রকল্প। এতো সব সম্ভাবনা আছে বলেই তো মাতারবাড়ি প্রকল্পে জাপানের বৈদেশিক উন্নয়ন সংস্থা জাইকা বিপুল পরিমাণ অর্থলগ্নি করছে। মূলত জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিনজে আবের প্রস্তাবিত বিগ-বি ইনিশিয়েটিভই পাল্টে দিয়েছে মাতারবাড়ির ছবিটা। জাপানের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করেই বাস্তবায়ন হচ্ছে বে-অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোর বেল্ট। এককথায়, বাংলাদেশের ভাগ্য ঘুরছে। এটা বুঝে নিতে হবে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়ক। আর, মাতারবাড়ি মানেই উন্নয়নের চাবিকাঠি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: পঞ্চম জাতিসংঘ সম্মেলনে যোগ দিতে কাতার যাচ্ছেন শেখ হাসিনা, সম্ভাবনা দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের

    Bangladesh: পঞ্চম জাতিসংঘ সম্মেলনে যোগ দিতে কাতার যাচ্ছেন শেখ হাসিনা, সম্ভাবনা দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Bangladesh: স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে নিয়ে আয়োজিত পঞ্চম জাতিসংঘ সম্মেলনে যোগ দিতে কাতার যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। সেই সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে যোগ দি‌তে শ‌নিবার দোহার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার হাসিনার সফর নি‌য়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ের আয়ো‌জিত এক সংবাদ স‌ম্মেল‌নে জানা গেছে সেখানে কাতারের আমিরের সঙ্গে জ্বালানি নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে।

     

    কাতার থেকে বাংলাদেশ এলএনজি আমদানি করে থাকে। বর্তমান জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশ। সেই উদ্দেশ্যেই কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ বিন খলিফা আল থানি এবং কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। বৈঠকে জ্বালানি খাতের বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

     

    তবে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ব্যাপারে এখনও পরিষ্কার করে কিছু জানা যায়নি। কাতার সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রী। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ বিন খলিফা আল থানি এবং জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আমন্ত্রণে সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত থাকবেন। জাতিসংঘের এই সম্মেলনটি ২০২২ সালের ২৩-২৭ মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে স্থগিত করা হয়েছিল।

  • India-Bangladesh Relation: বাংলাদেশের ভালো বন্ধু ভারত, জি-২০ সম্মেলনে আমন্ত্রণ পেলেন শেখ হাসিনা

    India-Bangladesh Relation: বাংলাদেশের ভালো বন্ধু ভারত, জি-২০ সম্মেলনে আমন্ত্রণ পেলেন শেখ হাসিনা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India-Bangladesh Relation: ভারতের (India) সবথেকে ভালো বন্ধু বাংলাদেশ (Bangladesh)। এমনটাই বলছে বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ সম্প্রতি জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে ভারতের তরফ থেকে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ করার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে গড়ে ওঠা গাঢ় সম্পর্ক এবং একে অপরের প্রতি সম্মান প্রতিফলিত হয়েছে।

    এএনআই এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সভ্যতা, সংস্কৃতি, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সাম্প্রতিক সময় দেখা গিয়েছে, দুই দেশ তাদের সম্পর্কের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করেছে। ভারতে জি-২০ সম্মেলনে বৈশ্বিক অ্যাজেন্ডাকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে। গত দু’বছর করোনার পরিস্থিতির মধ্যেও ২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ। ৯.৪৬ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১০.৭৮ বিলিয়ন ডলারে। পাশাপাশি দুই দেশ বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো দৃঢ় করতে কম্প্রেহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্টে সই করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    ভারতের এই শীর্ষ সম্মেলনে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় রয়েছে নাইজেরিয়া, মরিশাস, নেদারল্যান্ডস, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, স্পেন এবং বাংলাদেশ। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ যাকে এই সম্মেলনে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আসন্ন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। পাশাপাশি এই শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে দুই নেতার মধ্যে একটি বৈঠক হবে। দুই দেশের কাছে এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ ২০২৪ সালে উভয় দেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আগাগোড়াই ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত। বিভিন্ন সময়ে দুই দেশকে একত্রে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে দেখা গিয়েছে। এই সম্পর্কের ভিত্তি গভীর ঐতিহাসিক এবং ভ্রাতৃত্বপূর্ণ। ভারতের আমন্ত্রণে শেখ হাসিনা ৪ দিনে ভারত সফরে আসতে পারেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Sourav Ganguly: বাংলাদেশে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন সস্ত্রীক সৌরভ গাঙ্গুলি

    Sourav Ganguly: বাংলাদেশে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন সস্ত্রীক সৌরভ গাঙ্গুলি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Sourav Ganguly: বৃহস্পতিবার একটি বেসরকারি ব্যাংকের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাংলাদেশে পা রেখেছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। সৌরভের সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী ডোনা গাঙ্গুলিও। ব্যাংকের অনুষ্ঠানের আগে বিকেলে ওয়েস্টিন হোটেলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ডিএনসিসি মেয়র কাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রাক্তন বিসিসিআই সভাপতি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক রকিবুল হাসান, গাজী আশরাফ হোসেন, আক্রাম খান, আতহার আলী খান, খালেদ মাসুদ, প্রাক্তন ফুটবলার কায়সার হামিদ ও জাতীয় ভলিবল দলের অধিনায়ক হরষিত বিশ্বাস।

    ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেও যে সৌরভের অনুগামীর সংখ্যা নেহাত কম নয়। তা আবারও একবার প্রমাণিত হল। সৌরভকে ঘিরে অনুগামীদের উচ্ছাস ছিল চোখে পড়ার মতো। মেয়র আতিকুল ইসলাম জানান সৌরভ মেয়র কাপের উদ্বোধনের জন্য কোন পয়সা নেননি। মাদকের বিরুদ্ধে ভবিষ্যত প্রজন্মকে বার্তা দিতেই এই কাপের আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য মেয়র কাপের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে গিয়ে নিজের পুরোনো স্মৃতি রোমন্থন করেন সৌরভ গাঙ্গুলি।

    শুক্রবার সকালে গণভবনে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সৌরভ গাঙ্গুলি। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয় বলে জানা যায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম