Tag: Bangladesh PM Sheikh Hasina

  • India Bangladesh: ভারতের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দায় সারছে বাংলাদেশ! ফেনীর জট কাটার উপায় কি?

    India Bangladesh: ভারতের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দায় সারছে বাংলাদেশ! ফেনীর জট কাটার উপায় কি?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India Bangladesh: ফেনীর জল নিয়ে ভারত বাংলাদেশের জট কাটছে না। ফেনী নদীর জল তোলার পদ্ধতি নিয়েই দুই দেশের মধ্যে তুমুল মতবিরোধ। ভারতের দেওয়া প্রস্তাবে কি ভুল দেখছে বাংলাদেশ? রিস্ক কোথায়? কেন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের চাওয়া মিলছে না? কোথায় ফারাক? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা? বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃসীমান্ত। ফেনী নদীর মাঝখানে গভীরে কূপ খনন করে পাইপের মাধ্যমে জল উত্তোলন করার প্ল্যান ভারতের। কিন্তু, এতে সায় নেই বাংলাদেশের। বরং, নদীর পাড়ে কূপ খনন করে জল প্রত্যাহার করতে চাইছে ঢাকা। আর, এই জল উত্তোলনের পদ্ধতি নিয়েই দুই দেশের মতবিরোধ।

    ভারত কি বলছে?

    আসলে ভারতের দাবি, খাল কেটে পাম্প দিয়ে জল প্রত্যাহার করলে বার বার পলি জমে যাবে। কিন্তু নদী থেকে সরাসরি জল তুললে সেই আশঙ্কা থাকে না। সেইসাথে খাল খনন করা বা রক্ষণাবেক্ষণের ঝক্কিও থাকবে না। তবে, বাংলাদেশের পাল্টা যুক্তি, এই ধরণের পলি প্রতিরোধে আধুনিক ব্যবস্থাও তো রয়েছে। না শুধু মুখের কথাতেই বিষয়টা আটকে নেই। ১২ই জুন, ভারতের যে প্রস্তাব তার যথার্থতা খতিয়ে দেখতে এবং কূপ খননের সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করতে সেখানে গিয়েছিলেন দুই দেশের যৌথ কারিগরি কমিটির সদস্যরা।

    লাভ হলো কোথায়?

    পরিদর্শন শেষে ‘নদীতে কূপ খনন’ আর ‘নদীর পাড়ে কূপ খনন’ নিয়ে দু পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্তই হলো না। ভারত বলছে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সবুজ সংকেত পেলেই কাজ শুরু হবে। আর বাংলাদেশ বলছে, য়কংক্রিটের বেষ্টনী দিয়ে পলি আটকে দেওয়া যাবে। বলতেই হচ্ছে এক্ষেত্রে যৌথ নদী কমিশন ভারতের সিদ্ধান্তে ভুল দেখছে। কিরকম? তারা বলছে নদীর মাঝখানে কূপ খনন করা হলে নদী ভাঙনের ঝুঁকি থাকছে।

    বাংলাদেশ এর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নদীর গতিপথ, বাঁক এবং এর গভীরতা ক্রমশ পরিবর্তনশীল। তাই বাংলাদেশ এর প্রস্তাব অনুযায়ী ভারত পাড়ে খাল কেটে জল উত্তোলন করলে ১০ বছর পর তা অগভীর হয়ে যেতে পারে। কিন্তু ভারতের প্রস্তাব অনুযায়ী নদীর গভীরে মাঝখান থেকে জল তুললে নদীর আচরণে পরিবর্তন হবে, এর প্রভাবে পাড় ভাঙতে শুরু হবে। এমনকি, নদী প্রবাহ ও নদীর নাব্যতায় প্রভাব পড়ারও আশঙ্কা রয়েছে।

    কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে ফেনী নদী এমনিতেই সংকীর্ণ, ফলে জলের অভাবে সহজেই শুকিয়ে যাওয়ার চান্স আছে। এছাড়া, ভারতের বিরুদ্ধে আরও মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে ঢাকার। বলা হচ্ছে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ফেনী নদী থেকে ১.৮২ কিউসেক জল ত্রিপুরার সাব্রুম শহরে সরবরাহ করা হবে, যাতে সেখানে পানীয় জলের প্রয়োজন মেটানো যায়। কিন্তু, সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কয়েক দশক আগে থেকেই ভারত নাকি এই নদী থেকে অবৈধভাবে জল তুলে আসছে বলে অভিযোগ করা হয়। আর এই অবৈধভাবে জল উত্তোলনের কারণেই শুষ্ক মৌসুমে নদীর বিভিন্ন স্থানে বালুচর জেগে ওঠার পাশাপাশি দুই তীরে চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞদের।

    ফেনী নিয়ে কীসের এতো মাথা ব্যাথা বাংলাদেশের?

    কারণ আছে বৈকি! বাংলাপিডিয়ার তথ্য মতে, ১১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ফেনী নদী, ত্রিপুরার পূর্বাঞ্চলীয় পর্বতে উৎপন্ন হয়ে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার বেলছড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল এবং সমতলে ফেনী জেলার দুই পাড়ের মানুষদের জীবনের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে এই ফেনী নদীর। বেশ কয়েকটি উপনদী এসে ফেনীর সাথে মিশেছে। তাই ফেনী নদীর জল কমে গেলে এই উপনদীগুলোতেও জল প্রবাহ কমে যাবে। এতে নদীর জীব-বৈচিত্র্য এবং নদীর তীর সংলগ্ন বাসিন্দারা রিস্কে পড়বে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। তবে, আন্তঃসীমান্ত ফেনী নদীর অন্তর্বর্তীকালীন জল বণ্টন চুক্তি দ্রুত স্বাক্ষরের জন্য বাংলাদেশকে কিন্তু তাড়া দিয়েছে ভারত। আর, ভারত কিন্তু উভয় দেশের মানুষের কথাই ভেবেছে। বাংলাদেশ এর সুবিধা অসুবিধার কথাও ভেবেছে ভারত সরকার। কিন্তু, তারপরেও ফেনীর জল উত্তোলন এর পদ্ধতি নিয়ে ভারত বাংলাদেশ তরজা চলছেই। নিজ নিজ স্বার্থ রক্ষার্থে দুই দেশই নিজের স্ট্যান্ড পয়েন্টে অনড়। এরপর এই ফেনীর জল কোথা থেকে কোথায় গড়ায়, সেটাই দেখার অপেক্ষা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: জ্বালানি ঘাটতি মেটাতে জলের তলায় ভরসা বাংলাদেশের! এভাবে তৈরি হচ্ছে এলএনজি, আরও ভাসমান স্টোরেজের প্ল্যানিং

    Bangladesh: জ্বালানি ঘাটতি মেটাতে জলের তলায় ভরসা বাংলাদেশের! এভাবে তৈরি হচ্ছে এলএনজি, আরও ভাসমান স্টোরেজের প্ল্যানিং

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: থেমেনেই বাংলাদেশ! কক্সবাজারের মহেশখালীতে তৈরি হচ্ছে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল। জ্বালানি ঘাটতি পূরণে শেখ হাসিনার দেশের বড় উদ্যোগ। কিন্তু, হাতে সময় কতদিন? খরচ হবে কত? প্রজেক্ট কমপ্লিট হলে নিরবিচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহে কতটাই বা সফল হবে বাংলাদেশ? কিভাবে তৈরি হয় এলএনজি? জানেন কি? জ্বালানি সমস্যার সমাধানে আরও একধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। কক্সবাজারের মহেশখালীতে ৫০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। ভাসমান টার্মিনালটি প্রতি দিন ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করতে পারবে। এখান থেকে প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাসের জন্য সরকারের ০.৪৫ ডলার খরচ পড়বে।

    কিভাবে তৈরি হয় এই এলএনজি?

    এলএনজি আলাদা কোনও জ্বালানি নয়, এটা প্রাকৃতিক গ্যাসেরই তরল রূপ। প্রাকৃতিক গ্যাস সাধারণ চাপ ও তাপমাত্রায় গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে। শীতলকরণ বা রেফ্রিজারেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের তাপমাত্রা কমিয়ে -১৬০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে নামিয়ে আনলে গ্যাস তরলে পরিণত হয়। এই তরল প্রাকৃতিক গ্যাসকেই এলএনজি বলা হয়। এলএনজির প্রধান উপাদান মিথেন, তবে, সামান্য পরিমান ইথেন, প্রপেন, বিউটেন, পেন্টেনসহ অন্যান্য হাইড্রোকার্বন মিশ্রিত থাকে। প্রাকৃতিক গ্যাস-কে এলএনজিতে রূপান্তর করলে এর আয়তন সংকুচিত হয়ে ৬০০ গুন কমে যায়। জানিয়ে রাখি, অনেক জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে এলএনজি ব্যবহারে দূষণ কম হয়। জ্বালানি হিসেবে এলএনজির জনপ্রিয়তা দিনে দিনে ক্রমাগত বাড়ছে। আর বাংলাদেশে সেই এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের জন্য সামিট গ্রুপের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি সই করে ফেলেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীন পেট্রোবাংলা।

    কবে শুরু হবে নির্মাণ কাজ?

    চূড়ান্ত চুক্তির পর সামিট গ্রুপের একটা প্রতিষ্ঠান ‘সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি’ ভাসমান এই টার্মিনালটি নির্মাণ করবে। এর জন্য ১৮ মাস সময় পাবে প্রতিষ্ঠানটা। কথা আছে, ১৫ বছর পরিচালনার পর এই টার্মিনালটিকে পেট্রোবাংলার কাছে হস্তান্তর করবে সামিট।

    যে উদ্দেশ্যে তৈরি করা হচ্ছে তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল সেটা কতটা সফল হবে?

    সামিট বলছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে তারা বাংলাদেশে নিরবিচ্ছিন্নভাবে জ্বালানি সরবরাহ করতে চায়। ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি স্থাপনের লক্ষ্যে অলরেডি সামিট অয়েল অ্যান্ড শিপিং কোম্পানি লিমিটেডের প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এছাড়াও, ২ টো ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে বাংলাদেশে। হ্যাঁ, বাংলাদেশে বর্তমানে দুটি এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে। মহেশখালীতে প্রতিদিন ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট সক্ষমতার এই দুটি টার্মিনাল নির্মাণ করেছে ইউএসএ-এর এক্সেলরেট এনার্জি এবং সামিট গ্রুপ।

    এর মধ্যে মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে ২০১৬ সালের ১৮ জুলাই পেট্রোবাংলার সঙ্গে চুক্তি করে এক্সিলারেট এনার্জি। নির্মাণ শেষে ২০১৮ সালের ১৯ আগস্ট গ্যাস সরবরাহ শুরু করে কোম্পানিটি। ১৫ বছর মেয়াদি এই টার্মিনাল দিয়ে গ্যাস সরবরাহের চুক্তি রয়েছে ২০৩২ সাল পর্যন্ত। তবে এরই মধ্যে এ টার্মিনাল চুক্তির মেয়াদ ২০৩৮ সাল পর্যন্ত বাড়িয়েছে। একই প্রযুক্তি মেনে মহেশখালীতে ভাসমান স্থানীয় জ্বালানি খাতের কোম্পানি সামিট গ্রুপ এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল চুক্তি সই করে। এরপর ২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল গ্যাস সরবরাহ শুরু করে কোম্পানিটি। এই টার্মিনালের মেয়াদ রয়েছে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বাংলাদেশের পাকা ধানে মই, দোষটা কী? যুক্তরাষ্ট্রের এক চোখা নীতিতে এগিয়ে পাকিস্তান

    বাংলাদেশের পাকা ধানে মই, দোষটা কী? যুক্তরাষ্ট্রের এক চোখা নীতিতে এগিয়ে পাকিস্তান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    কি দোষ করেছে বাংলাদেশ? পাকিস্তানের থেকে হাজার গুণ ভালো পজিশনে থাকা বাংলাদেশের সঙ্গে কীসের শত্রুতা যুক্তরাষ্ট্রের? পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ঢাকার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের এমন বিমাতৃ সুলভ আচরণের কারণ কি? দুই দেশের প্রতি এমন বৈপরিত্যপূর্ণ আচরণকে কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায়? এই প্রশ্নগুলোই এখন খুব বেশি করে প্রাধান্য পাচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, অঘোষিত সামরিক শাসনের অধীনে থাকা পাকিস্তানে বিরোধীদের দমনে গণগ্রেফতার, গুম, খুন, নির্যাতন নিয়ে যখন কোনো আওয়াজই তোলা হচ্ছে না, তখন গণতন্ত্র রক্ষার দোহাই দিয়ে বাংলাদেশে মার্কিন ভিসা নীতি আরোপ করতে কেন উঠে পড়ে লেগেছে যুক্তরাষ্ট্র? নিশ্চয়ই এটা এখনো নতুন করে বুঝিয়ে দিতে হবে না যে যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক অধিকার ফেরি করে বেড়ানোর বিষয়টা পক্ষপাতদুষ্ট। হ্যাঁ, বিশেষজ্ঞদের একাংশের মত এমনই। বুঝতে হবে, বাংলাদেশের ওপর মার্কিন ভিসা নীতি আরোপের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দুটো ক্ষেত্রে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।

    এক, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদদের আত্মীয়দের একটা বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রে থাকে। এমনকি খোদ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলেও যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারী। দুই, বাংলাদেশের উৎপাদিত পণ্যের বড় বাজার পশ্চিমা বিশ্ব, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। ফলে, গণতান্ত্রিক নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য দায়ী বা জড়িত ব্যক্তিদের ভিসা বন্ধ করার বিষয়টা অনেকটা হুমকির মতো। বা বলা যায় ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র যে এই পথে হাঁটছে, সেটা বেশ স্পষ্ট। বাংলাদেশকে টার্গেটে রাখার পেছনে আরো কারণ আছে বৈকি। যেমন ইসলামপন্থিদের প্রবল অপছন্দের পরও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ২০০৯ সাল থেকে ধর্ম নিরপেক্ষ সরকার পরিচালনা করে আসছেন।একদিকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা যেমন বজায় রেখেছেন তেমনই দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ এর ঠিক বিপরীত অবস্থা পাকিস্তানের।

    না রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না অর্থনৈতিক, পাকিস্তান বর্তমানে দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। অথচ এতো ইতিবাচক দিক থাকার পরও বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র আয়োজিত গণতন্ত্র সম্মেলনে ডাকা হয়নি। কিন্তু পাকিস্তান ডাক পেয়েও একবারও যোগ দেয়নি।যুক্তরাষ্ট্র স্বল্পমেয়াদী ভূরাজনৈতিক বিবেচনায় পাকিস্তানকে অব্যাহত সমর্থন দিয়ে গেলেও বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে অভিযোগ এনে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে বঞ্চিত করে চলেছে। মনে করে দেখুন ২০২১ সালে বাইডেন প্রশাসন বাংলাদেশের এলিট ফোর্স র‌্যাবের উপর স্যাঙশন দেওয়া হয়। র‌্যাবের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে তাদের সম্পদ জব্দ করা হয়। অথচ পাকিস্তানে এই মুহূর্তে বিরোধী রাজনৈতিক দলকে দমন করতে যা যা চলছে তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তরফে কোনো উচ্চবাচ্য নেই। বাংলাদেশের চীনা প্রীতি কমাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যা করছে তাতে যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতিরও সম্ভাবনা রয়েছে সেটা কিন্তু একবারও ভেবে দেখেছে না।

    উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী, চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু চীন তাতে সাড়াই দেয়নি। বেইজিং স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয় চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত। ফলে তিনি মার্কিন সরকারের কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করবেন না। একইভাবে মিয়ানমার, ইরান, বেলারুশ এবং কিউবার মতো দেশগুলোর কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। যেসব দেশের নেতা ও কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। কিন্তু এসব নিষেধাজ্ঞা কোনো রাজনৈতিক ফলাফল বয়ে আনেনি। যদিও, পশ্চিমারা এখনও বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো নিয়ন্ত্রণ করছে, ডলার এখনো বিশ্বের প্রাথমিক রিজার্ভ মাধ্যম হিসাবে রয়ে গেছে। তাই নিষেধাজ্ঞা বিষয়টা এখনও মার্কিন নীতিনির্ধারকদের কাছে একটি আকর্ষণীয় বিকল্প। আর তাই বাংলাদেশে, নিজেদের অঘোষিত মোড়লগিরি বজায় রাখতে, বলা ভালো বাংলাদেশকে নিজেদের পক্ষে রাখতে হুমকি এবং জবরদস্তির পথ বেছে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু, এই জবরদস্তি ও বলপ্রয়োগর জন্য বাংলাদেশিদের মনে ওয়াশিংটনের অবস্থান কি হবে বা কেমন হবে সেটা নিয়ে ভাবার সময় আস্তে অনেক দেরি না হয়ে যায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India Bangladesh: বাংলাদেশ ইস্যুতে ভারতের বড় বার্তা! যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কী আলোচনা? মোদীর সফর দেবে স্বস্তি

    India Bangladesh: বাংলাদেশ ইস্যুতে ভারতের বড় বার্তা! যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কী আলোচনা? মোদীর সফর দেবে স্বস্তি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India Bangladesh: বাংলাদেশ ভাবতেও পারেনি এত বড় সাহায্য করতে চলেছে ভারত বড় খবর! নরেন্দ্র মোদী আমেরিকার সঙ্গে কথা বলবেন বাংলাদেশ নিয়ে। অজিত ডোভালের ডিপার্মেন্টের বড় ভূমিকা, কী হতে চলেছে নির্বাচনের আগে বড় স্বস্তি পেতেও পারে শেখ হাসিনার দেশ। গোটা ইকুয়েশনের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে চিন৷ কীভাবে বুঝুন৷

    এই প্রথম নয় বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নাক গলাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৪ কি ঘটেছিল জানেন? বর্তমান পরিস্থিতি বাংলাদেশের ওপর চাপ প্রতিনিয়ত বাড়াচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এখানে হতে পারে বড়সড় লস। ভারত ঠিক মধ্যস্থতাকারীর কাজ করবে? নাকি আরও বড় কিছু, শেখ হাসিনার সরকার তৈরি হোক হয়ত চায় না আমেরিকা এমনটা বিবিসির সাক্ষাৎকারে নিজের মুখে বলেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। আমেরিকার নতুন ভিসা নীতি নিয়ে বাংলাদেশ সরগরম। শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য পৃথক ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে বাইডেন প্রশাসন। তবে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ যখন ভারত আর ভারতের সঙ্গে যখন এতটাই ঘনিষ্ঠতা আমেরিকার নির্বাচনের আগে একটা সুযোগ মিস করতে চাইছে না আওয়ামী লিগ সরকার। বাংলাদেশের অস্বস্তি এবার বদলে যেতে পারে স্বস্তিতে। কারণ ভারত জানিয়ে দিল তারা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াবে। কিন্তু এতে ভারতের স্বার্থ কি? বিশেষজ্ঞরা বলছেন খুব সুক্ষ্ম কূটনীতি জড়িয়ে রয়েছে গোটা বিষয়ে কোনও দেশই তার বিদেশনীতি রাতারাতি বদলায় না। কিছু সূক্ষ্ম তারতম্য ঘটায় মাত্র। বাংলাদেশকে চটালে যুক্তরাষ্ট্রের কি কোনও বড় ক্ষতি হতে পারে? ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় মার্কিন প্রভাব ক্ষুন্ন হবে? রিস্ক রয়েছে আরও গভীরে চোখে আঙুল দিয়ে সত্যতা আমেরিকাকে দেখাবে দিল্লিই।

    ২০১৪ সালে নির্বাচনের আগে আমেরিকা এর আগে বিবৃতি দিয়ে ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশে কোনও রকম হিংসা, মানবাধিকার লঙ্ঘন সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার হলে তারা বরদাস্ত করবে না। তবে এবারের নির্বাচনের আগে কঠোর সিদ্ধান্ত সরাসরি কোপ ভিসানীতিতে। জানা যাচ্ছে ১৯ জুন মোদীর সফরই হতে পারে বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ। আনন্দবাজারের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে শীর্ষ কূটনৈতিক সূত্রের খবর বাংলাদেশের টানাপোড়েন নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কথা বলার পক্ষপাতী ভারতের সাউথ ব্লক। প্রকাশ্যে যদিওবা এমন কোনও ইঙ্গিত দিল্লি দেয়নি, বরং ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল অন্য কোনও রাষ্ট্রের ভোট নিয়ে শেষ কথা বলবেন একমাত্র সেই দেশের মানুষ তাতে নাক গলানোর প্রশ্ন নেই। কিন্তু এখানেই কি রয়েছে গোপন বোঝাপড়া?

    কূটনৈতিক সূত্রের খবর, এর আগেও ভারত এই ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশেই দাঁড়িয়েছিল৷ এবারও তাই হতে চলেছে। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের দফতর থেকে ঢাকাকে জানানো হয়েছে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসনের গুরুত্বের দিকটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আসন্ন ওয়াশিংটন সফরে তুলে ধরা হবে। গত মাসে জাপানের হিরোশিমায় জি-৭ শীর্ষ বৈঠকেই বাংলাদেশের প্রসঙ্গ তোলার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সময়ের স্বল্পতার কারণে তখন তা সম্ভব হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছে, আমেরিকাকে কার্যত এখন থেকেই সতর্ক করতে চাইছে ভারত৷ নয়াদিল্লি আমেরিকাকে বলতে চায় ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাংলাদেশের গুরুত্ব যথেষ্ট সেখানে এখন এমন কিছু করা আমেরিকার বাঞ্ছনীয় নয় যাতে সে দেশে মৌলবাদী, কট্টরপন্থী, সন্ত্রাসবাদীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা যায়। তাতে হিতে বিপরীত পারে৷ নয়াদিল্লি এ কথাও ওয়াশিংটনকে বলতে চায় যে, বাংলাদেশে এমন কিছু করা উচিত হবে না যাতে আওয়ামী লীগ সরকার চিনের দিকে ঝুঁকে পড়ে। আর এই খবর না আমেরিকার জন্য ভালো হবে আর ভারতের জন্য তো নয়ই। এমনতেই যুক্তরাষ্ট্রের থেকে চিনের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের সম্পর্ক গভীর।

    এক্ষেত্রে একটা পয়েন্ট বিশেষ উল্লেখ করে দিতেই হয়। সম্প্রতি ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে ঘিরে হাসিনা সরকার ১৫ দফা রূপরেখা ঘোষণা করেছে। সেখানে ভারতের অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই ওই অঞ্চলের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি উদার, শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ এবং অন্তর্ভূক্তিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথাই বলা হয়েছে। আগেই বাংলাদেশকে জানানো হয়েছিল ভারত এসব বিষয়ের ওপর নজর রাখছে৷ তবে এবার প্রতিবেশী দেশের জন্য অ্যাকশন নিতে পিছুপা হবে না ভারত৷ এবার দেখার এর ফলাফল কতটা ইতিবাচক হয়৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: হাসিনার দেশে ভারতই শেষ ভরসা! কূট-পেঁয়াজ-নীতি

    Bangladesh: হাসিনার দেশে ভারতই শেষ ভরসা! কূট-পেঁয়াজ-নীতি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: হাসিনার দেশে ভারতই শেষ ভরসা। পদ্মার ওপারে পেঁয়াজের বাজারে যখন আগুন জ্বলছে, তখন জল ঢালতে ভারতকেই পাশে পেল শেখ হাসিনার দেশ। রাতারাতি পাল্টে গেল ছবিটা। ভারত থেকে আমদানি শুরু হতেই বাংলাদেশে হুড়মুড়িয়ে দাম কমলো পেঁয়াজের। খুশি কি বাংলাদেশের ক্রেতারা? অসময়ে বন্ধুই বন্ধুর পাশে থাকে প্রমাণ করলো ভারত। মাত্র আড়াই মাস, ভারত থেকে পেঁয়াজ যায়নি বাংলাদেশে। আর তাতেইসা ধারণের নাগালের বাইরে চলে গেছিল হেঁশেলের ‘মাস্ট হ্যাভ’ জিনিসটার দাম। অনেক চেষ্টা করেও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি বাংলাদেশ সরকার। বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে ফের ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। আর তাতেই সব ঠাণ্ডা। ১০০র ঘরে গিয়ে দাঁড়ানো পেঁয়াজের মূল্য এখন বাংলাদেশের বিভিন্ন বাজারে ৬২, ৬৫ কিংবা ৬৮। মানে এই আড়াই মাসে কতটা মুনাফা লুটেছে অসাধু গোষ্ঠীরা, আন্দাজ করতে পারছেন তো? না, কল্পনারও অতীত।

    শুরু হয়েছিল মার্চে। সরকার ইমপোর্ট পারমিট না দেওয়ায় গত মার্চে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছিল বাংলাদেশে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি। আর এতেই বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাচ্ছিল অস্বাভাবিক হারে। গত সোমবার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয় বাংলাদেশের কৃষিমন্ত্রক। ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তারপর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ ঢুকছে বাংলাদেশে। বিভিন্ন জাতের দেশি পেঁয়াজের পাশাপাশি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি করছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। দামগুলো শুনলে চমকে যাবেন। থেকে পেঁয়াজ আমদানি এর আগে কি দাম ছিল আর বর্তমানে কি দামে বিক্রি হচ্ছে পার্থক্যটা একবার শুনুন এবং বুঝুন।

    বর্তমানে পাবনার পেঁয়াজ প্রতি পাল্লা মানে ৫ কেজি বিক্রি করা হচ্ছে ৩৭৫ টাকা থেকে ৪০০ টাকা দরে, কেজিতে ৭৫ টাকা থেকে ৮০ টাকা ফরিদপুরের পেঁয়াজের পাল্লা বিক্রি করা হচ্ছে ৩১০ টাকা থেকে ৩৪০ টাকায়, কেজিতে যা পড়ছে ৬২ থেকে ৬৮ টাকা। রাজশাহীর পেঁয়াজের পাল্লা বিক্রি করা হচ্ছে ৩৭৫ টাকায়, যা কেজিতে পড়ছে ৭৫ টাকা। আর, আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩২৫ টাকায়, যা কেজিতে পড়েছে ৬৫ টাকা। অথচ ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরুর আগে এই বাজারেই প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ১০০ থেকে ১১০ টাকারও বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। মোদ্দা কথা, অসাধু ব্যবসায়ীরা এরই মধ্যে যা হাতিয়ে নেওয়ার তা নিয়েছে। তাই এখন দাম কমলেও ক্রেতাদের দুঃখ ঘুঁচছে না। আড়াই মাস ধরে যেভাবে পকেট কাটা গেছে মধ্যবিত্ত মানুষগুলোর, সেই দায় নেবে কে? প্রশ্ন উঠছে বাংলাদেশে।

    সেক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের একাংশের সাফ কথা মে মাসের মাঝামাঝি সময়েই যদি এই আমদানির সিদ্ধান্ত নিতো বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয় তাহলে হয়তো এভাবে ক্রেতাদের ভুগতে হত না। সেই পেঁয়াজ ভারত থেকেই আমদানি হল, কিন্তু হল অনেক পরে। এতে কি হলো, সমস্যা বাড়লো সাধারণ মানুষের। যদিও নয়া দিল্লি প্রমাণ করে দিয়েছে ভারতই, বাংলাদেশের অসময়ের বন্ধু।
    তাই চরম বিপদের দিনেও ত্রাতার ভূমিকা গ্রহণ করেছে ভারত। কিন্তু, আপাতত সন্তুষ্ট হতে পারছেন না ক্রেতারা। বলছেন, যেভাবে দাম বেড়েছিল, সেভাবে দাম কমেনি। বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে পেঁয়াজের দাম এখনও নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরেই রয়েছে । তবে, যেভাবে পেঁয়াজের দাম রেঞ্জ এর মধ্যে আসতে শুরু করেছে তাতে আমজনতার অসন্তোষ বেশিদিন টিকবে না। এটা হলফ করে বলা যায়। কিন্তু, ভারতকে যে বাংলাদেশি পাঠক-দর্শকরা উঠতে বসতে গাল দেন, তারা এবার কী বলবেন? নিশ্চয় এটা বলবেন যে ব্যবসার স্বার্থেই তো ভারত পেঁয়াজ রপ্তানী করলো বাংলাদেশে?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: ইস্যু অখণ্ড ভারত, ভারতকে ভুল বুঝলো বাংলাদেশ? সম্পর্কে নতুন মোড়

    Bangladesh: ইস্যু অখণ্ড ভারত, ভারতকে ভুল বুঝলো বাংলাদেশ? সম্পর্কে নতুন মোড়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: চিনতে ভুল করবেন না। অখন্ড ভারতের মানচিত্র নিয়ে বাংলাদেশ জুড়ে তোলপাড়। ব্যাখ্যা চাইতেই মুখ খুলল নয়া দিল্লি। কিন্তু ভারতের উত্তরে কি সন্তুষ্ট হলো বাংলাদেশ? এই ইস্যুটাকে কতটা বড় করে দেখছে শেখ হাসিনার দেশ? নির্বাচনের আগে কতটা রিস্ক বাড়লো বাংলাদেশের? এর সাথে কি রাজনীতির সত্যিই সম্পর্ক আছে? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা? নতুন সংসদ ভবনে অখণ্ড ভারতের মানচিত্রের একটা অংশ বাংলাদেশ। আর এই বিষয়টাকেই সহজ ভাবে দেখেনি ঢাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। বাংলাদেশ এর সামাজিক মাধ্যমে উঠেছে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড়। বেকায়দায় পড়ে গেছে বাংলাদেশের শাসক শিবির। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ভারত এ ধরনের মানচিত্র দিয়ে কী বোঝাতে চেয়েছে? উত্তরে নয়া দিল্লি কি বললো জানেন?

    ভারত বলেছে, ওই মানচিত্র সম্রাট অশোকের সময়ের ভারত ভূখণ্ড, যার শরিক উপমহাদেশের সব দেশই। নয়া সংসদ ভবনে সেটা রাখা হয়েছে গণমুখী প্রশাসনের গুরুত্ব তুলে ধরতে, যা সম্রাট অশোকের সময়ে অনুসরণ করা হতো তবে, এই উত্তরে চিরে ভেজেনি। ওই ব্যাখ্যার পরও ভারত বিরোধী প্রচার বন্ধ হয়নি। অখণ্ড ভারতের মানচিত্রের সঙ্গেই এবার বাংলাদেশের সড়ক, নদী, বন্দর ইত্যাদি ভারতকে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আলোচনায় টেনে আনা হচ্ছে।

    বাংলাদেশে সমালোচনার ঝড় থামেনি। কেউ বলছেন এই মানচিত্রের অর্থ ভারত বাংলাদেশের পৃথক অস্তিত্ব স্বীকারই করে না। কারো মতে, ভারতের শাসকদের কল্পিত মানচিত্রে বাংলাদেশকে অখণ্ড ভারতের অংশ দেখানো অপমানজনক, আপত্তিকর। আবার কারোর কথায়, এই ঘটনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য রিস্ক ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াচ্ছে। একটাই প্রশ্ন উঠছে, অন্য কোনো দেশের অখণ্ড মানচিত্রে বাংলাদেশকে দেখানো হবে কেন? যদিও, বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকার এই বিষয়টাতে সেভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। তাঁরা বলছে, অখণ্ড ভারত নিয়ে সংশয় প্রকাশ করার কোনো কারণ নেই। তারপরও বাড়তি ব্যাখ্যার জন্য দিল্লির মিশনকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়।

    এর সঙ্গে রাজনীতির কি কোনও যোগ রয়েছে? বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর উত্তরে সেটা স্পষ্ট হয়ে গেছে। তিনি তো বলছেন, ওটা একটা ম্যুরাল, ওই ম্যুরালে যা চিত্রায়ন করা হয়েছে তার সঙ্গে সাংস্কৃতিক মিল থাকতে পারে কিন্তু এর সঙ্গে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই।যদিও এই নিয়ে বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে শাসক শিবিরকে বারবার কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে, হচ্ছে। সরকারকে অবিলম্বে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে হবে, দাবি বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর। তাহলে কি নির্বাচনের আগে কিছুটা হলেও চাপ বাড়লো বাংলাদেশ সরকারের?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে আর মাত্র মাস ছয় পরই বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। অলরেডি ওই দেশ মার্কিন ভিসা নীতি, মূল্যবৃদ্ধি, ডলার সংকট সহ লোডশেডিংয়ের সমস্যায় জেরবার। তার উপর ভারতের সংসদে অখণ্ড ভারতের মানচিত্র এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এককথায়, ভোটমুখী বাংলাদেশে ওই মানচিত্র রীতিমতো নির্বাচনী ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে, বাংলাদেশের বিরোধী শিবির কে কিছুটা হলেও এক্সট্রা অক্সিজেন যোগাচ্ছে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। যদিও, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই নিয়ে যে বিশেষ মাথা ঘামাচ্ছেন না, তা স্পষ্ট। তিনি ভারতীয় সেনাপ্রধান মনোজ পান্ডের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপরই বরং জোর দিয়েছেন। সত্যিই তো যেকোনো ইস্যুই কি ভারত বাংলাদেশের দৃঢ় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভীত নড়িয়ে দিতে পারে?

    বিশেষজ্ঞদের আর একাংশের কথায়, ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোকে মনে রাখতে হবে এটা চিন নয় যে অন্যের জমিতে ভাগ বসানোই যাদের একমাত্র লক্ষ্য, এটা কিন্তু ভারতবর্ষ। যে ভারতবর্ষের রাজনীতি, কূটনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, সংস্কৃতির সঙ্গে বন্ধুরাষ্ট্র বাংলাদেশ এক শক্ত বন্ধনে আবদ্ধ। দুই দেশের সম্পর্কের উচ্চতা টের পাওয়া কিন্তু এখন এতো সহজ কথা নয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: ডলার সংকটে ফেঁসে বাংলাদেশ? সব খাতেই এফেক্ট, কাটবে এই ফর্মুলায়

    Bangladesh: ডলার সংকটে ফেঁসে বাংলাদেশ? সব খাতেই এফেক্ট, কাটবে এই ফর্মুলায়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: ডলার সংকট বাংলাদেশের কাছে বড় টেনশনের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। একের পর এক সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে শেখ হাসিনার দেশকে। এই সমস্যার সূত্রপাত কিভাবে, কোথায়? কোন কোন খাতে ডলার সংকটের আঁচ এসে পড়ছে? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা? সংকট কাটবে কি সহজেই? ঝক্কি পোহানোর এইতো সবে শুর। ডলার সংকটের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা এসে লেগেছে পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে। রামপালেরও একই পরিস্থিতি। বিদ্যুতে, জ্বালানিতে, জরুরী পণ্য আমদানিতে, এলসি খোলার ক্ষেত্রে, ই কমার্স সহ বিভিন্ন খাতে ডলার সংকট একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশে। না, খুব সহজে এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    যেমন পায়রার ক্ষেত্রেই কয়লা আনতে এখনো প্রায় ২৫ দিন সময় লাগবে, সে হিসাবে জুনের শেষ সপ্তাহে আবার বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে, ততদিন ভোগান্তি। অন্যদিকে, জ্বালানি খাতেও ছবিটা অনেকটা একই রকম। তেল আমদানির বিল দিতে পারছে না বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, এদিকে বকেয়া না মেটালে বিদেশি কোম্পানিগুলো তেল সরবরাহ বন্ধের হুমকি দিয়েছে। না এখানেই শেষ নয় ডলার সংকটের কারণে মেডিকেল ডিভাইস ও জীবনরক্ষাকারী ওষুধের আমদানি কমেছে।কমেছে এলসি খোলা। কম্পিউটার ও মোটর সাইকেলের মতো ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিনারিতে এলসি খোলা কমেছে ৪৬ শতাংশ। টেক্সটাইলের কাঁচামালের জন্য এলসি খোলা কমেছে ৩২ শতাংশ। সিমেন্ট ও স্ক্র্যাপ ভেসেলের মতো পণ্যের এলসি খোলা কমেছে ৩১ শতাংশ। তাছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এফ-কমার্সও। বাংলাদেশে ফেসবুকে বিজ্ঞাপনের কার্যক্রম সীমিত করার কথা ঘোষণা করেছে মেটার অথরাইজড এজেন্ট এইচটিটিপুল। এক্ষেত্রে একটা কথা মাথায় রাখতে হবে, এফ-কমার্স বা ফেসবুকভিত্তিক ব্যবসা হচ্ছে বাংলাদেশের ই-কমার্স বাজারের বড় অংশ। ফলে এরকম চলতে থাকলে ফেসবুকভিত্তিক ব্যবসা ক্ষতির মুখে পড়বে। এফেক্ট শিল্প খাতেও।

    ডলার সংকটের কারণে গত এক বছরে মোংলা বন্দর দিয়ে কমেছে গাড়ি আমদানি। এমনকি, প্রকৌশল শিল্পেও পড়েছে এফেক্ট। যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারীরা দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন, এতে বিক্রি কমেছে ব্যবসায়ীদের। ঈদে চামড়া নিয়েও রয়েছে বিপদের শঙ্কা। চামড়া ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ, একদিকে কাঁচামাল আমদানি করতে পারছেন না, তার ওপর কলকারখানায় বিদ্যুৎ আর গ্যাস না থাকা ব্যবসায়ীদের মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাদ নেই মুদ্রণশিল্প ও। বাংলাদেশের মুদ্রণ শিল্পেও বেশ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ডলার সংকটের কারণে।

    এই সমস্যা হঠাৎ করে একদিনে তৈরি হয়নি। দু বছর ধরে চলা করোনা মহামারির প্রভাব আর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি চরম সংকটে পড়ে গেছে, বিশ্বজুড়ে ডলার সংকট দেখা দিয়েছে। গত বছরের মাঝামাঝি, বাংলাদেশ এই সমস্যার সম্মুখীন হয়। সরকার বেশকিছু কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু ডলার সংকট আরও তীব্র হয়ে দেখা দেয়। যদিও বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই দীর্ঘমেয়াদি ডলার সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে বাংলাদেশের কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিৎ। যেমন, দেশের রফতানি পণ্যের পরিধি বৃদ্ধি, তৈরি পোশাকের পাশাপাশি অত্যাবশ্যক পণ্যের রফতানি বৃদ্ধি। যেমন প্লাস্টিক কন্টেইনার, প্যাকেজিং বা কার্টুনের বক্স, বেকারি আইটেম, ফলমূল শাকসবজি, পাটের ব্যাগ। তাছাড়া অপ্রয়োজনীয় বা বিলাসবহুল আমদানি নিয়ন্ত্রণ, কমপক্ষে পশ্চিমা বিশ্বে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত। প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপার্জন খুব সহজে ব্যাঙ্কিং চানেলে দেশে পাঠানোর সুযোগ থাকতে হবে। আর এর জন্য বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর বিদেশের ব্যাংকের সাথে করেসপনডেন্ট রিলেশনশিপ বাড়াতে হবে। এসব ব্যবস্থা নিয়ে রাখলে ডলার সংকট যতই তীব্র হোক বাংলাদেশ সেরকম কোনো সমস্যার সম্মুখীন হবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh India: ‘অখন্ড ভারত’ বিতর্কে জবাব চাইল বাংলাদেশ, দু’দেশের বন্ধুত্বে বাড়ল ঝুঁকি! কী জানাল ভারত?

    Bangladesh India: ‘অখন্ড ভারত’ বিতর্কে জবাব চাইল বাংলাদেশ, দু’দেশের বন্ধুত্বে বাড়ল ঝুঁকি! কী জানাল ভারত?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh India: অখন্ড ভারতের বিতর্কে এবার ময়দানে বাংলাদেশ। অখন্ড ভারতের ম্যাপ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলল বাংলাদেশ। ভারতও দিয়ে দিল মোক্ষম জবাব। নেপাল, পাকিস্তানের পর ক্ষোভ ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছে গেল নাকি? বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন ভারতের সেনা প্রধান। টাইমিংটা ভুল হয়ে গেল না তো বাংলাদেশের জন্য? বাংলাদেশও কি ভারতকে বিশ্বাস করতে পারল না? নেপাল পাকিস্তানের দেখানো পথেই হাঁটল ভারতের আরেক প্রতিবেশী বাংলাদেশও। কিন্তু বাংলাদেশের এ নিয়ে অস্বস্তি হওয়ার কারণটা ঠিক কি? কাশ্মীর-কালাপানির মতো ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যেও কি রয়েছে জমিবিবাদ?

    পাকিস্তানের সুরে সুর মেলানোর নেপথ্যে অবশ্যই কারণ রয়েছে৷ বাংলাদেশ সরাসরি জানিয়েছে তারা ভারতের সরকারি বিবৃতি শুনতে চায় অখণ্ড ভারতের মানচিত্র নিয়ে। কিন্তু কূটনৈতিক মহল বলছে এসবের সময়টা একটু ভুল হতে গেল না? কারণ ভারতের সেনাপ্রধান মনোজ পান্ডের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। অখন্ড ভারত বিতর্কের এফেক্ট এই মিটিংয়েও পড়ল নাকি? ভারতের মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী অনেক হাওয়া দিয়েছিলেন বিতর্কে। টুইট করে লিখেছিলেন ‘অখণ্ড ভারতের সংকল্প স্পষ্ট। ব্যাস ওমনি রেড অ্যালার্ম বাজতে থাকে ইনসিকিওর পাকিস্তান ও নেপালে।

    লুম্বিনী কপিলবস্তু ভারতের ম্যাপে থাকায় চটে গিয়েছে নেপাল। এদিকে তক্ষশিলা- সিন্ধু দেখানোয় পাকিস্তানেরও মাথায় বাজ পড়েছে। আর সেই পাকিস্তান ভেঙেই তো বাংলাদেশ। এবার নয়াদিল্লির কাছে এ নিয়ে জবাবদিহি চাওয়ার জন্য ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশি। হাইকমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। ভারত কিন্তু এবার আর চুপ করে থাকল না৷ তাহলে কি বলতে হয় বাংলাদেশ এখন পাকিস্তান নেপালের প্রভাবে এতটাই প্রভাবিত হচ্ছে যে তাদের কোনআনকোট মিত্র দেশ ভারতের ওপর এটুকু ভরসাও করতে পারছে না?

    এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের দাবি, উত্তরবঙ্গে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলাগুলির প্রায় দেড়শো গজ জমি ভারতীয় ভূখণ্ডের ওপারে, অর্থাৎ বাংলাদেশের জমিতেই সেই এলাকায় অনেক ভারতীয়কে চাষাবাদ করতে শোনা যায়। কেউ আবার সেখানেই থাকেন এমনও দাবি উঠে এসেছে বহুবার। তবে এককথায় ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ বলা চলে সেই জমিগুলোকে কারণ, সেখানে নেই কারও মালিকানা অথবা কারও একার অধিকার। কিন্তু সমস্যাটা তো এই জমিগুলো নিয়ে নয়৷ আগেই ভারতের বিদেশ মন্ত্রকে মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেছিলেন, ‘দেওয়ালে খচিত এই মানচিত্রটি অশোক সাম্রাজ্যের বিস্তারকে তুলে ধরেছে সেই সময়কার জনমুখী শাসনের ধারণাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এতে’

    এখন প্রশ্ন হল বাংলাদেশ কি ভারতের এই উত্তরে সন্তুষ্ট হবে নাকি পরবর্তীকালে সেদেশের তরফ থেকে আবারও প্রশ্ন উঠতে পারে? এক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানিয়েছেন দিল্লির কাছে এই মানচিত্র নিয়ে জবাবদিহি চাইলেও এই বিষয়টিকে বড় করে দেখছেন না বাংলাদেশ। এদিকে বলে রাখা দরকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেনাপ্রধান মনোজ পান্ডের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোকে মনে রাখতে হবে এটা চিন নয় যে অন্যের জমিতে ভাগ বসানোই যাদের একমাত্র লক্ষ্য এটা ভারতবর্ষ৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • US visa policy: মার্কিন ভিসা নীতিতে বাংলাদেশের স্ট্যান্ড পয়েন্ট নিয়ে চিন্তায় ভারত! সবকূল রক্ষা করতে হাঁটলো এই পথে

    US visa policy: মার্কিন ভিসা নীতিতে বাংলাদেশের স্ট্যান্ড পয়েন্ট নিয়ে চিন্তায় ভারত! সবকূল রক্ষা করতে হাঁটলো এই পথে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    US visa policy: মার্কিন ভিসা নীতি শুধু বাংলাদেশ নয়, কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভারতের জন্য? এই ভিসা নীতির ভালো–মন্দ, প্রতিক্রিয়া কেন এতো ভাবাচ্ছে ভারতকে? বাংলাদেশের পক্ষে নাকি বিপক্ষে, মুখ খুললেই বিপদ। সবকূল রক্ষা করার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে নয়া দিল্লি। মার্কিন চাল কিভাবে সামাল দেবে হাসিনা সরকার? চীন নাকি যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ঝুঁকবে কোন দিকে? ‘ওয়েট অ্যাণ্ড সি’ নীতি নিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা ভারতের। বাংলাদেশ ভারতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, ফলে এই ভিসা নীতির এফেক্ট নিয়ে ভারত খুব স্বাভাবিকভাবেই চিন্তিত। তাই যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত বলা ভালো মার্কিন ভিসা নীতি ঘিরে গড়ে ওঠা বিতর্ক ও সেই নিরিখে প্রতিবেশী বাংলাদেশের সম্ভাব্য রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রয়েছে নয়া দিল্লির।

    কিন্তু, মুখ খোলেনি ভারত। কেন? লজিক আছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতির উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হলো, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হোক। অন্তত যুক্তরাষ্ট্র তেমনই বলছে। সেক্ষেত্রে যেখানে, গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটানোই মূল উদ্দেশ্য, সেখানে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের তো মুখ খোলারই জো নেই। তাই ভারতকে যদি কিছু বলতেও হয়, তা গণতন্ত্রের পক্ষেই বলতে হবে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে তা বলা সম্ভব নয়। কারণ, বাংলাদেশ এর সঙ্গে ভারতের গলায় গলায় ভাব। তাছাড়া, মার্কিন ভিসা নীতি নিয়ে বাংলাদেশে রীতিমতো আতঙ্কের আবহ তৈরি হয়ে গেছে। ফলে, সবকূল রক্ষা করতে ভারত আপাতত চুপ থেকে সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে চলেছে।

    হ্যাঁ, বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে অবশ্যই ভারতের পক্ষে এই বিষয়টা কিছুটা অস্বস্তিজনক। এর প্রথম ও প্রধান কারণ সম্পর্ক। প্রায় দেড় দশক ধরে দুই দেশের মানে ভারত বাংলাদেশের বন্ধুত্বের বন্ধন ক্রমাগত দৃঢ় হয়েছে, পারস্পরিক নির্ভরতা বেড়েছে, তার প্রতিফলন ঘটেছে ব্যবসা, বাণিজ্য, যোগাযোগ সহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও। সম্পর্কের সেই কারণেই কিন্তু বাংলাদেশের ২০১৪ ও ২০১৯ এর জাতীয় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও বন্ধুত্বের হাত ছাড়েনি ভারত।

    কিন্তু এবার কি হবে?

    এবার নির্বাচনের প্রাক্কালে নতুন ভিসা নীতির অস্বস্তির কাঁটা খচখচ করছে। কারণ বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন মার্কিনদের চোখে সুষ্ঠু, অবাধ শান্তিপূর্ণ হতে হবে না হলে স্যাঙশন দেওয়ার ভয় দেখানো হয়েছে। সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে সেটা বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের জন্যেও খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে, ভারতের বিশ্বাস বাংলাদেশ এর বর্তমান শাসকদল তাঁদের মতো করে ঠিক সমাধান সূত্র বের করে ফেলবে। এই অবস্থা থেকে নিশ্চই বেরিয়ে আসবে। আসলে মনে রাখতে হবে, কূটনীতির গতিশীলতা সব সময় এক রকম থাকে না। সম্পর্কে চড়াই–উতরাই থাকে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র দুটো দেশই এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠবে। বাংলাদেশের কূটনৈতিক দক্ষতাও যথেষ্ট। তাছাড়া, দুই দেশই জানে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের একে অপরকে প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে, কেউই চাইবে না নির্বাচনের প্রশ্নে সেই সম্পর্ক তলানিতে নিয়ে যেতে।

    আর একটা দিক ভুলে গেলে চলবে না, যুক্তরাষ্ট্রও কি চাইবে বাংলাদেশকে এতটা কোণঠাসা করতে, যাতে তাদের ওপর চীনের প্রভাব আরও বৃদ্ধি পায়? না, একেবারেই নয়। যুক্তরাষ্ট্র যেমন চায় না বাংলাদেশ চীনের দিকে ঝুঁকুক, তেমনি ভারতও নিশ্চিতভাবেই চায় না, যুক্তরাষ্ট্র এমন কিছু করুক, যাতে চীনকে নিয়ে সাউথ ব্লককে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হতে হয়। সে ক্ষেত্রে ভারত যেমন সব কুল রক্ষা করার চেষ্টা করছে তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের ও আগে পিছে সব দিক চিন্তা করে এগোনো উচিত, মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। কারণ, চীন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত দুই দেশের জন্যই কিন্তু প্রধান উদ্বেগের কারণ। ফলে, এই মার্কিন ভিসা নীতির জট কাটিয়ে, চলতে থাকা সমালোচনা দূর করার ক্ষেত্রে উদ্যোগী হতে হবে বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠীকেই। যেখানে, ভারত আপাতত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। ধৈর্য্যের পরীক্ষা, সামনের দিনগুলোতে কঠিন পরীক্ষা হাসিনা সরকারের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh China: বাংলাদেশকে বড় অফার দিল চিন! কোন সুযোগ তোলার চেষ্টা? ভারত সতর্ক

    Bangladesh China: বাংলাদেশকে বড় অফার দিল চিন! কোন সুযোগ তোলার চেষ্টা? ভারত সতর্ক

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh China: চিন বাংলাদেশকে দিল বড় অফার। ভারত হয়ে গেল সতর্ক। নয়া দিল্লি আগামী অঙ্ক কষে নিচ্ছে। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের টানাপোড়েনে চিনের কোন কলকাঠি নাড়ল? খেলা শুরু গেছে অনেকেই বলছেন। হাসিনার দেশকে জিডিআই অফার করছে বেজিং। জিডিআই কি? এর তাৎপর্যই বা কী? বাংলাদেশের একটা সিদ্ধান্তে ভারতের নিরাপত্তা নির্ভর করছে? এমনটা কি বলা ঠিক হবে।

    এমূহুর্তে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ-চিনের একটা বৈঠক রীতিমত হইচই৷ ভারত যে এব্যাপারে একটু বেশিই নজর দেবে সেটা তো পরিস্কার। কিন্তু বাংলাদেশ এবার কি ভাবছে বেজিংয়ে নয়া অফার পেয়ে সেটা ভারতের জানাটা অনেক বেশি দরকার। যেটা দেখানো হচ্ছে আদতে কি সেটাই হচ্ছে ? চিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টার সুন ওয়েইডং ঢাকা যান। সেখানে তিনি বৈঠক করলেন একইসঙ্গে বাংলাদেশকে প্রস্তাব দিলেন। চিনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ—জিডিআইয়ে বাংলাদেশকে যুক্ত হতে। বাংলাদেশের সঙ্গে চিনের সম্পর্ক ভালো, এদিকে ভারত- বাংলাদেশ পরম মিত্র৷ সেখানেই নয়া দিল্লির উদ্বেগ।

    ভারতের কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসলে চিন বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠতা এসময়ে আরও কয়েকগুণ বাড়াতে চায়। পরিস্কারভাবে বললে অনুমান করা হচ্ছে প্রথম কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় কারণ বাংলাদেশের ওপর ভারতের প্রভাব খর্ব করা। এক্ষেত্রে পার্টিকুলার এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইস্যু অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী এমূহুর্তে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের জন্য নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এমনিতেই নির্বাচন ও মানবাধিকার সুরক্ষা নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একধরনের টানাপোড়েন চলছে। তার মধ্যেই ঢাকায় আগমন চিনের প্রতিনিধির। এই দুয়েই মাঝে কোনও না কোনও লিঙ্ক তো অবশ্যই রয়েছএ।

    চিনের জিডিআই নিয়ে বাংলাদেশ কতটা আগ্রহী? সেখানকার কূটনৈতিক মহল কি বলছেন? ভারত এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে চিনের BRI তে সই করেছে বাংলাদেশ (বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ—বিআরআই) এক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো BRI পর জিডিআইকে উন্নয়নের প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচনা করে চিন বলা হচ্ছে মূলত স্বাস্থ্য, খাদ্য ও জ্বালানি সুরক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির বিকাশ এক্ষেত্রে চিন বাংলাদেশকে পাশে চায়। কিন্তু প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী এক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞদের মত বাংলাদেশ জিডিআইতে যুক্ত হলে ভূরাজনৈতিক প্রভাবসহ রাজনৈতিক দিকও বিবেচনা করা উচিত। তাই এখনই সমঝোতা স্মারক সই না করে আরও কিছুটা সময় নেওয়া উচিত। তবে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ মনে করেন চীনের প্রস্তাবে ক্ষতিকর কিছু নেই। এখানে কোনো দেশকে রুখে দেওয়ার কোনো উপাদান নেই। মূলত জিডিআইতে উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

    কিন্তু কিছু অংশ এইসময়টাকে বোঝহয় ঠিক চোখে দেখছেন না তারা৷ তাদের মতে এমূহুর্তে বাংলাদেশ ও ওয়াশিংটনের পরিস্থিতি আরও অস্বস্তিকর হলে এর সুযোগ নিতে চেষ্টা করবেই করবে চিন। এবার আসি ভারতের কথায়৷ সেপ্টেম্বরে জি-২০ সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ভারত সফরের কথা রয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। এর আগে বা পরে হাসিনাকে বেইজিং আমন্ত্রণ করতে চায় চিন। কূটনৈতিক পর্যায়ে এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের স্পষ্ট দাবি, প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে ভারতের সঙ্গে ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ওপর থেকে ভারতের সমস্ত প্রভাবই খর্ব করতে চায় চিন। তারা তাতে কতটা সফল হবে বা আদৌ হবে কিনা এটাই কিন্তু আসলে দেখার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম