ডোনাল্ড ট্রাম্পই একমাত্র ভরসা পাকিস্তানের?

ডোনাল্ড ট্রাম্পই একমাত্র ভরসা পাকিস্তানের? ‘বন্ধু’ ট্রাম্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শাহবাজ শরিফ!

ডোনাল্ড ট্রাম্পই একমাত্র ভরসা পাকিস্তানের? ‘বন্ধু’ ট্রাম্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শাহবাজ শরিফ!

ডোনাল্ড ট্রাম্পই একমাত্র ভরসা পাকিস্তানের? ‘বন্ধু’ ট্রাম্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শাহবাজ শরিফ!

প্রথম কলকাতা : ডোনাল্ড ট্রাম্পের মত সাহসী মানুষ এখনও পর্যন্ত দেখেননি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।ভারত-পাকিস্তানের সংঘাত থামাতে বন্ধু ট্রাম্পের ভূমিকা অসামান্য! ফের একবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ।ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাত ধরে উন্নতির মুখ দেখতে চাইছেন শাহবাজ শরিফ?
আদৌ তা কতটা সম্ভব হবে? নাকি পাকিস্তানে প/র/মা/ণু অস্ত্র-এর পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রসঙ্গ ডোনাল্ড ট্রাম্প বলতেই , নড়ে চড়ে বসেছেন শাহবাজ? ট্রাম্পকে শান্ত করতেই তার প্রশংসায় ভাসছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী?

ভারতের সঙ্গে গত মে মাসের সংঘর্ষ থামাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, দাবি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফের, তবে এই দাবি যে তিনি প্রথম করেছেন তা নয় এর আগেও একাধিকবার এমন দাবি শোনা গেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এবং শাহবাজ শরিফের মুখে । শনিবার আজ়ারবাইজানের রাজধানী বাকুতে দাঁড়িয়ে এ কথা আবারো দাবি করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। ফের মুখ খুলেছেন অপারেশন সিঁদুর নিয়ে। আজ়ারবাইজানের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক যথেষ্ট বন্ধুত্বপূর্ণ। এমনকি, ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালীন হাতেগোনা যে ক’টি দেশ প্রকাশ্যে পাকিস্তানকে সমর্থন করেছিল, তাদের মধ্যেও ছিল এই দেশ।

বাণিজ্য-হুমকি দিয়ে মে মাসে ভারত-পাকিস্তান সংঘাত থামিয়েছেন ৷ প্রথম থেকে এমনটাই দাবি করে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৷যদিও ভারত বারবার দাবি করেছে দুদেশের সামরিক সংঘাত থেমেছে সশস্ত্র বাহিনীর আলোচনার মাধ্যমে ৷ তৃতীয় কোনও পক্ষের ভূমিকা এখানে ছিল না ৷ তবে আবও একবার ভারতের উল্টো পথে হাঁটল পাকিস্তান ৷ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর শুধু এখানেই থামেননি তিনি আরো বলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের মত সাহসী মানুষ আর একজন হয় না। ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষে ট্রাম্পের ভূমিকাকে ‘সাহসী’ বলে উল্লেখ করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাহসী নেতৃত্ব ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষবিরতি সম্ভব করেছিল। দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি স্থাপিত হয়েছিল সেই কারণেই। তাতে একটা বড়সড় যুদ্ধ এড়ানো গিয়েছে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রাণে বেঁচেছেন।’’ ভারতের সামরিক শক্তির কাছে পাকিস্তান ব্যর্থ এটা কী এক প্রকার বুঝেই গেছেন শাহবাজ শরীফ। অন্যদিকে পাকিস্তানে দিনদিন দারিদ্র্যসীমার নিচে জনগণ বেড়েই চলেছে, বহুদিনের দেয় জর্জরিত শাহবাজের দেশ । সে কারণেই কী আমেরিকার হাত ধরে মাথা তুলে দাঁড়াতে চাইছে তারা?

এদিকে অপারেশন সিঁদুরের পরবর্তী সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন,আমেরিকা পাকিস্তানের সাথে বাণিজ্য বাড়াতে আগ্রহী। এই লক্ষ্যে উভয় দেশ প্রযুক্তি, কৃষি, এবং খনিজ সম্পদের মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছে। পাকিস্তান থেকে টেক্সটাইল, চামড়াজাত পণ্য, এবং কৃষি পণ্যের মতো রপ্তানি বৃদ্ধি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যবহৃত পোশাক, স্ক্র্যাপ লোহা এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম আমদানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

তবে বেশ কিছুদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছিলেন পাকিস্তান সহ বেশ কিছু দেশ পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে, যদিও তারপর ইসলামাবাদ থেকে প্রতিক্রিয়া এসেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই দাবি একেবারেই ভুল। ঠিক তারপরেই আবারো ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসায় ভাসলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। ট্রাম্পকে শান্ত রাখতেই কী এই প্রশংসা? অন্যদিকে ভারতের সাথে আমেরিকার সম্পর্ক বেশি শীতল, তারই মধ্যে শাহবাজ শরীফের ট্রাম্প প্রীতি বেশ ভাবাচ্ছে।

Exit mobile version