Tag: World Health Organisation

  • China Pneumonia: চীনের রহস্যময় নিউমোনিয়া এবার ভারতে! জারি হাই অ্যালার্ট, ৩ টে এফ ফ্যাক্টরে নজর দিন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    China Pneumonia: চীনের ‘অজানা নিউমোনিয়া’ এবার ভারতে? কোন কোন রাজ্যে হাই অ্যালার্ট? ৩ টে এফ ফ্যাক্টর খুব ইম্পরট্যান্ট, ভালো করে নজর দিন। কেন্দ্র দিয়ে দিল নির্দেশ, তৈরি হতে হবে। করোনার মতো এই নিউমোনিয়াও কি ছড়িয়ে যাচ্ছে দুনিয়ায়? ভারতের চিকিৎসকরা বলছেন জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাস তাড়াতাড়ি চলা, এরকম লক্ষণ দেখলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে শীঘ্রই। কারণ, অজানা নিউমোনিয়া নিয়ে চীন যা বলছে সেটা কতটা ভরসাযোগ্য? সময়ের সাথে সাথে এই প্রশ্নটা আরও জোরালো হচ্ছে। সেই কারণেই কী ভারত নিয়ে নিল এতো বড় স্টেপ? অলরেডি সীমান্ত পেরিয়ে চীনের ‘রহস্যময় নিউমোনিয়া’র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে ভারত-সহ গোটা বিশ্বে। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সে ব্যাপারে তৎপর ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রক। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের হাসপাতালগুলোর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব। করোনার পর রহস্যময় নিউমোনিয়া।

    চীন কি এবারও বিশ্ব থেকে কিছু লুকোচ্ছে? ভারত রিস্ক নিচ্ছে না। জ্বর, সর্দি, কাশি সহ ইনফ্লুয়েঞ্জার উপসর্গ নিয়ে কোনো শিশু বা কিশোর হাসপাতালে ভর্তি হলে তার হিসাব সরকারি পোর্টালে আপলোড করার কথা বলা হয়েছে। আবার শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলে রোগীর কফ, থুতুর নমুনা ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি মানে VRDL এ পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে কোনও জরুরি পরিস্থিতির যাতে মোকাবিলা করা যায়, সেইজন্য হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত বেড, অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ, ইনফ্লুয়েঞ্জার ভ্যাকসিন, অক্সিজেন প্ল্যান্ট, ভেন্টিলেটর-সহ সমস্ত রকম পরিষেবা মোতায়েন রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইনফ্লুয়েঞ্জা জাতীয় অসুস্থতার উপর বিশেষ নজর দিতে বলেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। জেলা ও রাজ্য দফতরকে গোটা বিষয়টা পর্যবেক্ষণ করার কথা বলা হয়েছে।

    এদিকে, আতঙ্কিত না হয়ে তিনটে ‘F’ কে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে বলছেন চিকিৎসকরা। ফিভার, ফিডিং, ফার্স্ট ব্রিদিং এই বিষয়গুলোর দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভারতে এখনও এর প্রভাব দেখা যায়নি, এটাই সৌভাগ্য। তাবলে গা-ছাড়া ভাব নয়, করোনা-অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এখন থেকেই সতর্ক হতে হবে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়ার তথ্য বলছে চীনের রাজধানী বেইজিং এবং চীনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদে শলিয়াওনিংয়ের হাসপাতালগুলোতে রহস্যময় নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ভিড় উপচে পড়ছে। প্রতিদিন হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে আসছে গড়ে ৭ হাজার শিশু। মূলত স্কুল পোরবাদের মধ্যে এই রহস্যময় নিউমোনিয়া হুহু করে ছড়িয়ে পড়ছে। ইতিমধ্যেই অনেক স্কুলের পঠন-পাঠন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে চীনে। বেশ কয়েকটা স্কুলে পড়ুয়াদের পাশাপাশি শিক্ষকরাও অসুস্থ। এই রোগে মূলত শিশুরা আক্রান্ত হলেও ছাড় পাচ্ছেন না বড়রাও। ফলে কার্যত জরুরি অবস্থা হাসপাতালগুলোতে।

    যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে এই অবস্থায় আশ্বস্ত করেছে চীন। বেজিংয়ের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নতুন করে যে নিউমোনিয়া নিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সেটা মোটেই বাড়তি চিন্তার নয়। তার কারণও অজানা নয়। চীনা প্রশাসন হু কে (WHO) জানিয়েছে এই নিউমোনিয়া নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। এটা নতুন কোনও প্যাথোজেন বা কোনও নভেল ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায়নি। সাধারণ জীবাণুর প্রকোপেই শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এই অজানা নিউমোনিয়ার সিম্পটম ধুম জ্বর, ফুসফুসের সমস্যার মতো ফ্লুয়ের উপসর্গ থাকলেও কাশি হচ্ছে না। ফলে বিশেষজ্ঞরা অনেকেই মনে করছেন, এই সংক্রমণের নেপথ্যে রয়েছে মাইক্রোপ্লাজমা নিউমনি নামক ব্যাকটেরিয়া। তবে ভাইরাস না ব্যাকটেরিয়া থেকে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে, তা নিয়ে এখনও ধন্দে রয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। অনেক বিশেষজ্ঞরাই বলছেন এই পরিস্থিতি সামলে উঠতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে যে গাউডলাইন দেওয়া হয়েছে সেগুলো মেনে চলা উচিত।

    ১. ঠিক সময়ে টিকাকরণ প্রয়োজন
    ২. অসুস্থদের থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
    ৩. অসুস্থ থাকলে Self Isolation- বজায় রাখুন।
    ৪. প্রয়োজন হলে যাবতীয় পরীক্ষা এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত সাহায্য নেওয়া উচিৎ।
    ৫. খোলা জায়গায় বেরোলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে
    কোভিড বিধি যা যা ছিল সেগুলো পালন করতে হবে।

    সেই সঙ্গে একটা কথা মনে রাখুন এটা মহামারি বা অতিমারি হবে কিনা সেটা বলার মতো পরিস্থিতি এখনও আসেনি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। চীন থেকে অন্য দেশে এমন সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলেও এখনও পর্যন্ত শোনা যায়নি। আর যাতে ভারতে ছড়িয়ে না পড়ে, তাই আগে থেকেই তৎপর স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চীনের নিউমো’নিয়ার থাবা ভারতে পড়বে ? করোনার মতই নাকি! প্রকাশ্যে তথ্য ফাঁস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চীনের অজানা নিউমোনিয়া নিয়ে রহস্য ফাঁস। চীন নিজেই মুখ খুলল এবার, কী জানিয়ে দেওয়া হল? করোনার মতো এই নিউমোনিয়াও কি ছড়াতে শুরু করবে দুনিয়ায়? ভারত এ মূহুর্তে কতটা রিস্কজোনে জানা গেল আসল উত্তর।
    বিভিন্ন পোর্টাল বা সোশ্যাল মিডিয়ায় হেডলাইন দেখে ঘাবড়ে যাবেন না। আসলে জেনে নিন যে চীনে যা ঘটছে তাতে ভারতের বা ভারতের বাইরে থাকা মানুষের এফেক্টেড হওয়ার কোনও সম্ভাবনা কি আদৌ আছে?
    যদি থাকে তাহলে সেটা কতটা? করোনার পর এনিয়ে এমূহুর্তে কোন কোন দেশের সতর্ক হওয়া উচিত? ২২ নভেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছিল। সেখানে চীনের সরকারের কাছ থেকে এই অজানা নিউমোনিয়া সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য চাওয়া হয়েছিল। চীন এবার মুখ খুললো আর তারপর যা বলল তাতে কতটা ভরসা করা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। চীন কি আবারও বিশ্ব থেকে কিছু লুকোচ্ছে যেমন নোবেল করোনা ভাইরাসের সময় লুকিয়েছিল?

    বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়ার তথ্য বলছেন চীনের রাজধানী বেইজিং এবং চীনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ লিয়াওনিংয়ের হাসপাতালগুলোতে রহস্যময় নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ভিড় উপচে পড়ছে।প্রতিদিন হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে আসছে গড়ে ৭ হাজার শিশু। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে এই অবস্থায় আশ্বস্ত করেছে চীন বেজিংয়ের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নতুন করে যে নিউমোনিয়া নিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সেটা মোটেই বাড়তি চিন্তার নয়। তার কারণও অজানা নয়। চীনা প্রশাসন হু-কে জানিয়েছে এই নিউমোনিয়া নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। এটা নতুন কোনও প্যাথোজেন বা কোনও নভেল ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায়নি। সাধারণ জীবাণুর প্রকোপেই শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাছাড়া এর প্রাদুর্ভাবে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে সেটাও সত্যি নয়। চীনের দাবি এখনও কোনও হাসপাতালেই রোগী ‘ওভারলোড’ হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। চীনের এই জবাবে আপাতত সন্তুষ্ট হু। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।

    অনেক বিশেষজ্ঞরাই বলছেন এই পরিস্থিতি সামলে নেওয়ার জন্যয়বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তরফে যে গাউডলাইন দেওয়া হয়েছে সেগুলো মেনে চলা উচিত। যেহেতু শিশুরা মূলত আক্রান্ত হচ্ছে সেজন্য।

    ১. ঠিক সময়ে টিকাকরণ প্রয়োজন।

    ২. অসুস্থদের থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

    ৩. অসুস্থ থাকলে Self Isolation- বজায় রাখুন।

    ৪. প্রয়োজন হলে যাবতীয় পরীক্ষা এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত সাহায্য নেওয়া উচিৎ।

    ৫. খোলা জায়গায় বেরোলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে, কোভিডবিধি যা যা ছিল পালন করতে হবে।

    সেই সঙ্গে একটা কথা মনে রাখুন এটা মহামারি বা অতিমারি হবে কিনা সেটা বলার মতো পরিস্থিতি এখনও আসেনি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। চীন থেকে অন্য দেশে এমন সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলেও এখনও পর্যন্ত শোনা যায়নি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Malaria vaccine: বড়সড় সাফল্য অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের! এবার বিশ্ব থেকে বিদায় নেবে ম্যালেরিয়া

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Malaria vaccine: ম্যালেরিয়া থেকে মুক্তি দিতে নতুন ম্যালেরিয়ার ভ্যাকসিন নিয়ে এল বিজ্ঞানীরা। আশার আলো দেখাচ্ছেন অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা এটিকে ‘বিশ্ব-পরিবর্তক’ বলে মনে করছেন। নতুন এই ম্যালেরিয়া ভ্যাকসিনটির নাম দেওয়া হয়েছে R21/Matrix-M। এই ম্যালেরিয়া ভ্যাকসিনটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৭৫ শতাংশ কার্যকারিতার লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে প্রথম হয়েছে।

    যখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ভ্যাকসিন অনুমোদনের কথা ভাবছে, ঠিক সেই সময় ঘানা হল প্রথম দেশ যেটি নতুন ম্যালেরিয়া ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে। ভ্যাকসিনটি আবিস্কার করেছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির (Oxford University) বিজ্ঞানীরা। ঘানার ফুড অ্যান্ড ড্রাগস অথরিটি পাঁচ মাস থেকে তিন বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। ঘানায় এই টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ (Clinical Trial) সফলতা পেয়েছে।

    এক বিবৃতিতে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি জানিয়েছে, “আশা করা যায় যে এই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপটি ঘানা এবং আফ্রিকান শিশুদের ম্যালেরিয়া মোকাবিলায় কার্যকরভাবে সাহায্য করতে ভ্যাকসিনকে সক্ষম করবে।” অন্যদিকে R21/Matrix-M ভ্যাকসিন প্রোগ্রামের প্রধান তদন্তকারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনার ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর অ্যাড্রিয়ান হিল বলেন, “এটি অক্সফোর্ডের ৩০ বছরের ম্যালেরিয়া ভ্যাকসিন গবেষণার সমাপ্তি চিহ্নিত করে। একটি উচ্চ কার্যকারিতা ভ্যাকসিনের নকশা এবং বিধান যা যে দেশগুলির এটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ করা যেতে পারে।”

    SSRN/Preprints with The Lancet জার্নালে ভ্যাকসিনের ফেজ IIb ট্রায়াল থেকে গবেষকরা তাদের ফলাফল প্রকাশ করেছেন, যা ১২ মাসের ফলোআপে ৭৭ শতাংশ উচ্চ-স্তরের কার্যকারিতা প্রদর্শন করেছে। গত কয়েক দশকে ১০০টিরও বেশি ম্যালেরিয়া ভ্যাকসিন প্রার্থী ক্লিনিকাল ট্রায়ালে প্রবেশ করেছে কিন্তু তাদের মধ্যে কেউই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ম্যালেরিয়া ভ্যাকসিন প্রযুক্তি রোডম্যাপের লক্ষ্যমাত্রা ৭৫ শতাংশের বেশি কার্যকারিতা দেখায়নি।

    ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট বায়োটেকনোলজি জায়ান্ট R21 ভ্যাকসিন তৈরি করছে। তারা জানিয়েছে যে এটি বছরে ২০০ মিলিয়নেরও বেশি ডোজ তৈরি করার সম্ভাবনা রয়েছে। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুসারে সিরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আদর পুনাওয়ালা বলেছেন যে ঘানা কর্তৃপক্ষের দ্বারা ভ্যাকসিনের লাইসেন্স দেওয়া ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • World Health Day: স্বাস্থ্যই সম্পদ, চিকিৎসার অভাবে মারা যায় প্রচুর মানুষ! জানুন স্বাস্থ্য দিবসের গুরুত্ব

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    World Health Day: গোটা বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর শুধুমাত্র ন্যূনতম সঠিক চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু ঘটে লক্ষ লক্ষ মানুষের। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা সম্পর্কে গোটা বিশ্বকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে ৭ই এপ্রিল পালন করা হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। ১৯৪৮ সালের এই দিনই প্রতিষ্ঠা হয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organisation)। ২০২৩ এ এই দিবসের থিম ‘সকলের জন্য সুস্বাস্থ্য’। প্রতি বছর ৭ এপ্রিল ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ (World Health Day) পালিত হয়। এই দিবসটি উদযাপনের মূল উদ্দেশ্য, বিশ্বের প্রতিটি মানুষের কাছে ভাল স্বাস্থ্য সুবিধার ব্যবস্থা করা এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা। এই দিন বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য এবং এর সাথে সম্পর্কিত সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়। আজও অনেক শহর ও গ্রামীণ এলাকা রয়েছে যেখানে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা নগণ্য। যদিও বা পাওয়া যায়, তা এত দূরত্বে যে সময়মত রোগীর কাছে পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সকল সমস্যার সমাধানের জন্য প্রতি বছর ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’-এর আয়োজন করা হয়।

    স্বাস্থ্য সমস্যা এবং সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। যদি সহজ কথায় বলা যায়, এই দিবসটি উদযাপনের মূল উদ্দেশ্য হল সারা বিশ্বের মানুষের স্বাস্থ্যের স্তর উন্নীত করা এবং মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করা। সবাই সুস্থ থাকুন এবং সুচিকিৎসার সুযোগ পান। একই সঙ্গে মানুষকে সচেতন হতে হবে, যাতে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া মারাত্মক রোগ প্রতিরোধ করা যায়।

    ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’-এর ইতিহাস ও উদ্দেশ্য

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই স্মরণে প্রতি বছর ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ পালিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হল জাতিসংঘের (UN) স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞ সংস্থা। সর্বপ্রথম ১৯৫০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন শুরু হয়। একই বছর, WHO-এর প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রতি বছর এই দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এটি একটি আন্তঃসরকারী সংস্থা যা সাধারণত এর সদস্য দেশগুলির স্বাস্থ্য মন্ত্রকের মাধ্যমে এবং সহযোগিতায় কাজ করে।

    ২০২৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের থিম

    প্রতিবছর এই দিবস পালনের বিশেষ একটি করে থিম থাকে। ২০২৩ সালে ‘সকলের জন্য সুস্বাস্থ্য’ এই থিমে পালিত হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। ২০২২ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস -এর থিম ছিল ‘আমাদের গ্রহ, আমাদের স্বাস্থ্য’। লক্ষ্য ছিল আমাদের গ্রহে বসবাসকারী প্রতিটি মানুষের স্বাস্থ্যের উপর ফোকাস করা। ভারত ২০২২ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ‘যোগ অমৃত মহোৎসব’ উদযাপন করছে, যা আয়ুষ মন্ত্রকের দ্বারা আয়োজিত হয়। ২০২১ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের থিম ছিল ‘বিল্ডিং এ ফেয়ার, হেলদি ওয়ার্ল্ড’।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Covid 19: চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনা! দেশে একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৩,০০০ হাজারের গন্ডি ছাড়াল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Covid 19: চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনার দাপট। উদ্বেগে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। দেশে দৈনিক সংক্রমণ ছাড়াল ৩,০০০ হাজার। গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩,০১৬ জন। যা গত প্রায় ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত বছরের ২ অক্টোবর একদিনে মোট ৩,৩৭৫টি করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। সেই সঙ্গে দৈনিক করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে হল ২.৭ শতাংশ। সাপ্তাহিক হার ১.৭১ শতাংশ। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হাজার ৫০৯ জন।

    একদিনে বেড়েছে করোনায় মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। মৃতদের মধ্যে ৮ জন কেরলের, ৩ জন মহারাষ্ট্রের, ২ জন দিল্লির, একজন হিমাচল প্রদেশের বাসিন্দা। মৃত্যুর হার ১.১৯ শতাংশ। বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে ভারতে সংক্রমণের সংখ্যা ছিল ২,১৫১ জন। সুতরাং, বৃহস্পতিবারের তথ্য অনুযায়ী দৈনিক সংক্রমণ বেড়েছে ৪০ শতাংশ। তবে এরই মধ্যে স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার। দেশে মোট সুস্থতার সংখ্যা ৪,৪১,৬৮,৩২১জন। বর্তমানে সুস্থতার হার ৯৮.৭৮ শতাংশ।

    বিশ্বজুড়ে দাপট বাড়ছে ওমিক্রনের এক্সবিবি (Omicoron XBB) ভ‌্যারিয়েন্টের। সংক্রমণ রুখতে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ‌্য সংস্থা (WHO)। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, করোনার টিকার দু’টি ডোজ নেওয়া হয়ে গেলেও ফের নতুন করে বুস্টার ডোজ নিতে হবে। বিজ্ঞানীদের মতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বুস্টার ডোজ নেওয়ার বিকল্প নেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Salt Side Effects: ভাতের সঙ্গে অতিরিক্ত লবণ খাচ্ছেন? চুপিসারে ডাকছেন মৃত্যু! কী বলছে রিপোর্ট?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Salt Side Effects: আপনার কি খাওয়ার সময় অতিরিক্ত লবণ (Salt) খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে? তরকারিতে লবণ ছাড়াও ভাতের সঙ্গে অতিরিক্ত লবণ খাচ্ছেন? যদি এই কাজটি করে থাকেন তাহলে অভ্যাস ত্যাগ করুন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organisation) সতর্কবার্তা বা রিপোর্ট (Report) জানলে একটু অবাক হবেন। শরীরে অতিরিক্ত লবণের কারণে মৃত্যু (Death) পর্যন্ত হতে পারে। প্রতি বছর পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর অন্যতম কারণ অতিরিক্ত লবণ। লবণ মানুষের শরীরের জন্য ঠিক কতটা প্রয়োজনীয় বলার অপেক্ষা রাখে না, কিন্তু তা পরিমিত পরিমাণে। অতিরিক্ত হলেই মুশকিল। তখন এটি শরীরে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে অতিরিক্ত লবণ বা সোডিয়াম গ্রহণের প্রবণতা প্রায় ৩০ শতাংশ কমানোর জন্য একটি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে। সতর্কতা অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে মানুষ গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১০.৮ গ্রাম সোডিয়াম গ্রহণ করে থাকেন। অপরদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বেঁধে দেওয়া সোডিয়ামের মাত্রা প্রায় পাঁচ শতাংশের কম। লবণে থাকা সোডিয়াম যদি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একটু বেশি পরিমাণে থাকে তাহলে হৃদরোগ, স্ট্রোক থেকে শুরু করে অসময়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই আপনি প্রতিদিন কি খাবার খাচ্ছেন তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) তথ্য অনুযায়ী, মানুষের শরীরে অত্যন্ত কম পরিমাণে লবণের প্রয়োজন। কিন্তু মানুষ সেই মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে লবণ গ্রহণ করে ফেলছেন। এক্ষেত্রে মানুষের সারাদিনে এক চা চামচের বেশি লবণ গ্রহণ করা উচিত নয়। মানুষের শরীরে বয়স অনুযায়ী সোডিয়াম ক্লোরাইডের চাহিদা ভিন্ন। অপরদিকে যাদের লিভার, কিডনির জটিলতা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে লবণ গ্রহনের বিশেষ সতর্কতা নিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিসিস কন্ট্রোল বা সিডিসির তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের অভ্যাস রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনা অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের প্রবণতা বেড়ে যায় প্রক্রিয়াজাত খাবার বা রেস্তোরাঁয় থাকা খাবার থেকে। এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন। সিডিসির তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকানরা যে যে পরিমাণ লবণ গ্রহণ করেন তার ৪০ শতাংশ আসে পিৎজা, মাংসের স্যান্ডউইচ, সুপ, চিপস, পপকর্ন, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বা চিকেন ফ্রাই, বার্গার, পাস্তা, ডিমের নানান আইটেম প্রভৃতি থেকে।

    সুস্থ থাকতে কী করবেন?

    • অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে যেতে প্রক্রিয়াজাত খাবার কিংবা ভাজাপোড়া জাতীয় খাদ্যদ্রব্য এড়িয়ে চলতে হবে। তার পরিবর্তে বেছে নিন স্বাস্থ্যকর খাবার।
    • চেষ্টা করুন খাবার বাড়িতে তৈরি করার। সেখানে লবণের একটু কম ব্যবহার করুন।
    • প্যাকেটজাত খাবার বা প্রক্রিয়াজাত খাবার খেলে তার লেবেলে থাকা উপাদানের বর্ণনাটা ভালো করে পড়ে নিন। খেয়াল রাখুন ওই খাবার থেকে আপনার শরীরে ঠিক কতটা পরিমাণে সোডিয়াম প্রবেশ করছে।
    • কাঁচা লবণ খাওয়া একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। তার বদলে তরকারিতে নানান ধরনের ভেষজ ব্যবহার করে খাবারের স্বাদের পরিবর্তন করতে পারেন।
    • যদি অতিরিক্ত লবণ জাতীয় খাবার বাজার থেকে কিনে আনেন তাহলে তা ধুয়ে নিতে পারেন। যেমন প্রক্রিয়াজাত বা কৌটোর বিভিন্ন সবজি, বীজ, টুনা প্রভৃতি একটু ধুয়ে নিলে সোডিয়ামে মাত্রা অনেকটা কমে যাবে।
    • অতিরিক্ত খাবার খাবেন না। অতিরিক্ত মানেই অতিরিক্ত পরিমাণে সোডিয়াম আপনার শরীরে প্রবেশ করবে। পাশাপাশি খাবারের তালিকায় রাখতে হবে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Marburg Virus: মারবার্গ ভাইরাসের নয়া আতঙ্ক, প্রাণ গেল ৯ জনের! উপসর্গ জেনে এখনই সাবধান হন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Marburg Virus: এখনো পর্যন্ত গোটা বিশ্ব করোনা (Corona) ভীতি থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি পায়নি। এর আগেও করোনার মাঝে আরেকটি প্রাণঘাতী ভাইরাস দাপট চালিয়েছিল। সেটি হল মারবার্গ (Marburg)। আফ্রিকার (Africa) বহু দেশ করোনা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করছে। তার মাঝে নয়া বিপত্তি। মধ্য আফ্রিকার দেশগুলিতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। যার কারণে প্রাণ গিয়েছে ৯ জনের। সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organisation)।

    ২০১৪ সালে ইবোলার দাপটের কথা মনে পড়ে? যার কারণে পশ্চিম আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে প্রায় ১১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। বলা হচ্ছে মারবার্গ ভাইরাস ইবোলার মতই মারাত্মক রক্তক্ষরণজনিত জ্বর তৈরি করে। গত বছরের পর আবার এই ভাইরাস মাথাচাড়া দিয়ে উঠতেই আশঙ্কায় রয়েছে বিশেষজ্ঞ মহল। গত বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ভাইরাস নিয়ে যে সতর্কতা জারি করেছিল তা এখনো অব্যাহত। আশঙ্কার বিষয় হল, এই সংক্রমণ যদি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে তাহলে ভবিষ্যতে বড়সড় বিপদ অপেক্ষা করছে। এখনো পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোন টিকা আবিষ্কার হয়নি। এটি ইবোলার থেকেও দ্রুত সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম। এই সময় বিপদের ঝুঁকি থেকে একটু দূরে থাকাই ভালো। খুব ভিড় জায়গা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। বাইরে থেকে ভালোভাবে হাত-পা সাবান দিয়ে ধুয়ে তারপরেই ঘরে প্রবেশ করুন। বাইরের জামা কাপড় পরে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করবেন না। চেষ্টা করুন মাস্ক পরার।

    মারবার্গ ভাইরাসের কিছু লক্ষণ রয়েছে। সাধারণত এই রোগের ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে মাথা ঘোরা, হঠাৎ মাথাব্যথা, পায়খানা, বমি বমি বমি ভাব, প্রচন্ড জ্বর, পেশিতে ব্যথা হতে পারে। যদি এই ধরনের লক্ষণগুলি দেখেন তাহলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এছাড়াও এই ভাইরাসের লক্ষণ অনেকটা ম্যালেরিয়া, টাইফয়েডের মত। হাতে পায়ে ফুসকুড়িও দেখা দিতে পারে।

    মারবার্গ ভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে নড়ে চড়ে বসেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই ভাইরাসের কারণে মৃত্যু হয়েছে প্রায় নয় জনের। ইতিমধ্যেই মারবার্গকে কেন্দ্র করে নয়া আতঙ্ক তৈরি হয়েছে গিনিতে। বলা হয় এই ভাইরাস নাকি এসেছে বাদুর থেকে। এটি দ্রুত মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। সংক্রমিত ব্যক্তিদের প্রায় ৮৮ শতাংশের ক্ষেত্রে এটি ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে। জ্বরের পাশাপাশি হয় রক্তক্ষরণ। সর্বপ্রথম এই ভাইরাসটি প্রকাশ্যে এসেছিল ১৯৬৭ সালে জার্মানি আর সার্বিয়ার বেলগ্রেডের গবেষণাগারে। ২০০৪ সালে এই ভাইরাসের সংক্রমিত হয়ে অ্যাঙ্গোলায় প্রায় ২৫২ জনের মধ্যে ৯০ শতাংশের মৃত্যু ঘটে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Covid-19 Alert: ইউরোপে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে XBB.1.5 ! নয়া চিন্তায় বিশেষজ্ঞরা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Covid-19 Alert: গোটা ইউরোপ জুড়ে নতুন করে করোনা দাপট চালাতে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইউরোপে (Europe) সব থেকে বেশি ভয় রয়েছে করোনার XBB.1.5 সাব ভ্যারিয়েন্টকে নিয়ে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organisation) তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই বিশ্বের প্রায় ৩৮টি দেশে করোনা এই সাব ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়েছে। যার মধ্যে ৮২ শতাংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ৮ শতাংশ যুক্তরাজ্যে এবং ২ শতাংশ ডেনমার্কে। ভাইরোলজিস্টরা মনে করছেন, এই নতুন সাব ভ্যারিয়েন্টটি তার পূর্বসূরী XBB.1 এর মতো, তবে স্পাইক প্রোটিনে অতিরিক্ত মিউটেশন রয়েছে। যার কারণে এর সংক্রমণ ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি।

    এখনো পর্যন্ত XBB.1.5 এর যত গুলি লক্ষণ প্রকাশ্যে এসেছে তা অধিকাংশ ফ্লুয়ের মতো। বেশি ঠান্ডা লাগলে যে উপসর্গ দেখা দেয় ঠিক তেমন। বিশেষ করে যারা ইতিমধ্যেই করোনার টিকা (Corona Vaccine) নিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে খুব একটা প্রভাব ফেলছে না। ব্রিটেনের লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ভাইরোলজিস্ট বলেছেন, করোনার এই সাব ভ্যারিয়েন্টকে নিয়ে আতঙ্কের কোন কারণ নেই। তিনি মনে করেন না, বর্তমানে কোন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তবে এই সাব ভ্যারিয়েন্টের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    কোভিড-১৯ ওমিক্রনের (Omicron) সাব ভ্যারিয়েন্ট গুলির মধ্যে এখনো পর্যন্ত পাওয়া XBB.1.5 সব থেকে বেশি সংক্রামক আমেরিকার (America) এক চতুর্থাংশেরও বেশি করোনা ভাইরাস রোগীর শরীরে এই সাব ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে কয়েক মাসের মধ্যে এটি ইউরোপে দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। শুক্রবার এমনটাই জানিয়েছে, ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল (ECDC)। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নে ২০২২ সালের শেষ সপ্তাহে কোভিড-১৯ সংক্রমণের হার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে। এক্ষেত্রে দায়ী করা হচ্ছে XBB.1.5 কে। এটি খুব দ্রুত প্রভাবশালী রূপ নিতে পারে। বয়স্ক এবং যারা এখনো টিকা নেননি তাদের ক্ষেত্রে এই সাব ভ্যারিয়েন্টে মাঝারি থেকে উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে।

    অপরদিকে করোনার কারণে বেশ সংকটে রয়েছে চীন (China)। সেখানে দাপট চালাচ্ছে ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট বিএফ.৭ (BF.7)। ভারতেও (India) করোনার এই রূপের খোঁজ পাওয়া গেছে, তবে আতঙ্কের কিছু নেই। গত দু’বছর করোনার কারণে মানুষ ঘরবন্দির জীবন কাটিয়ে নতুন করে আবার সবকিছু শুরু করেছে। মানুষ বুঝে গিয়েছে করোনা নামক এই ভাইরাসকে ভয় না পেয়ে মোকাবিলা করা জরুরি। তাই অযথা আতঙ্কিত না হয়ে পুষ্টিকর খাবার খান, আর করোনা স্বাস্থ্যবিধির মেনে চলুন। বাইরে বেরোলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • China Corona: করোনা সংক্রমণের আসল সত্যি ধামাচাপা দিচ্ছে চীন! কী জানাল হু প্রধান?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    China Corona: করোনা মহামারীর প্রথম থেকেই চীন করোনা (Corona) সংক্রমণের তথ্য কিংবা মৃত্যুর হার খুব একটা প্রকাশ্যে আনেনি। বারংবার করোনা সংক্রমণের তথ্য ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এই অভিযোগ বারবার উঠে এসেছে বিশ্বের নানান দেশ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organisation) তরফ থেকে। কিছুদিন আগেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চীনকে (China) বলেছিল যাতে করোনা সংক্রান্ত সঠিক তথ্য প্রকাশ্যে আনে। গত বুধবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহা পরিচালক টেড্রস আধানম গেব্রিয়েসাস (Tedros Adhanom Ghebreyesus) জানিয়েছেন, করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর যে কম তথ্য পাওয়া গিয়েছে তার অন্যতম কারণ, চীনের ক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণের কম রিপোর্ট করা হয়েছে।

    তিনি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organisation) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে গত সপ্তাহে প্রায় ১১,৫০০ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ আমেরিকা থেকে, ৩০ শতাংশ ইউরোপ থেকে এবং ৩০ শতাংশ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান সব দেশকে সঠিক তথ্য শেয়ার করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, নভেল করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার বিরুদ্ধে একটি কার্যকর লড়াইয়ে অবদান রাখতে সঠিক তথ্য ভাগ করে নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    গত সপ্তাহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চীনের কাছে দেশটির করোনা সংক্রমিতদের হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুর নির্ভরযোগ্য তথ্য চেয়েছিল। ২০১৯ সালে চীনের উহান থেকে যে ভাবে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল তা গোটা বিশ্ব কোনদিনও ভুলবে না। তখনও চীন সঠিক তথ্য প্রকাশ্যে আনেনি। সঠিক তথ্য ধামাচাপা দেওয়ার কারণে আজ করোনা গোটা বিশ্বে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, এমনটাই দাবি বহু বিশেষজ্ঞের।

    গত বছরের ডিসেম্বরে চীন সরকার প্রায় তিন বছর পর করোনা মহামারী সংক্রান্ত শুন্য কোভিড নীতির অবসান ঘটায়। যার কারণে কয়েক সপ্তাহ পর সংক্রমণের সংখ্যা ব্যাপক পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। ২০২৩ এর জানুয়ারিতে বাধ্যতামূলক করোনা পরীক্ষা এবং চীনে আগত ব্যক্তিদের জন্য কড়াকড়ি নিয়ম করা হয়। অপরদিকে বিভিন্ন দেশ চীন থেকে আসা যাত্রীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে। চীনে আকস্মিক কোভিড মামলার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া সহ বহু দেশ চীন থেকে আগত ভ্রমণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে।

    বর্তমানে গোটা বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণের হার প্রায় ৯০% এরও বেশি কমেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আশা রাখছে এই ভাইরাস একদিন না একদিন ঠিক চলে যাবে। তাই সমস্ত দেশকে সঠিক নজরদারি এবং পরীক্ষা বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করেছে, যাতে করোনার সঠিক তথ্য শেয়ার করা যায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cough Syrup: ১৯ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় কাশির সিরাপে নিষেধাজ্ঞা, পরীক্ষায় ফেল করল ভারতীয় ওষুধ!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cough Syrup: কাশির সিরাপের বিতর্ক যেন ভারতের পিছু ছাড়ছে না। বিদেশের মাটিতে ভারতীয় কাশির সিরাপ খেয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা বিশ্বজুড়ে হৈচৈ পড়ে গিয়েছিল। ক্লিনিকাল পরীক্ষায় এবার দেখা গেল, সেই কাশি সিরাপের মধ্যে রয়েছে ডাইইথিলিন গ্লাইকল আর ইথিলিন গ্লাইকল। ভারতীয় দুই কাশির সিরাপ নিয়ে সতর্ক করল হু (WHO)। গত বছর উজবেকিস্তান সরকার এই দুটি ওষুধের গুণমান পরীক্ষার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organisation) কাছে নমুনা পাঠিয়েছিল।

    শিশুদের শরীরে যদি অতিরিক্ত মাত্রায় ডাইইথিলিন গ্লাইকল (Diethylene Gycol) আর ইথিলিন গ্লাইকল (Ethylene Glycol) এর ব্যবহার করা হয় তাহলে তা অত্যন্ত ক্ষতিকারক। নয়ডার মেরিয়ন বায়োটেকের (Marion Biotech) দুটি কাশির সিরাপের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল ছড়িয়েছে। এই দুটি সিরাপ ব্যবহার করতে নিষেধ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই সংক্রান্ত তথ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে একটি চিঠি লিখে জানিয়েছে।

    উজবেকিস্থানে (Uzbekistan) ১৯ জন শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বহুদিন ধরেই জল ঘোলা হচ্ছিল। গত বছর ২২ শে ডিসেম্বর দেশটির স্বাস্থ্য দফতরের অভিযোগ অনুযায়ী, নয়ডার মেরিয়ন বায়োটেকের অ্যাম্রোনল (Ambronol) সিরাপ আর ডক-১ ম্যাক্স (Doc-1 Max) সিরাপ খাওয়ার পর প্রায় ১৯ জন শিশু মারা গিয়েছে। তারপর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নমুনা পরীক্ষা করে জানিয়েছে, সিরাপ দুটিতে রয়েছে ডাই ইথিলিন গ্লাইকল এবং ইথিলিন গ্লাইকল। এই ধরনের উপাদান শিশুদের ক্ষেত্রে বেশ বিপ্পজনক। পাশাপাশি হু সতর্ক করে আরো জানিয়েছে, শুধুমাত্র উজবেকিস্তান নয়, ভারতের এই সিরাপ দুটি বিশ্বের অন্য দেশেও পাওয়া যেতে পারে।

    আপাতত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতার পর উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) খাদ্য নিরাপত্তা ও ওষুধ প্রশাসন বিভাগ (Food Safety and Drug Administration) এই ওষুধ দুটি তৈরির লাইসেন্স সাসপেন্ড করেছে। পাশাপাশি সংস্থাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। যদি নোটিশের উত্তর যুক্তিযুক্ত কিংবা যথাযথ না হয় তাহলে সংস্থার শীর্ষ পদাধিকারীদের হাজতবাসের সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version