Tag: Travel

  • হিমালয়ের কোলে নৈনিতাল যেন দেবভূমি

    তিনদিকে পাহাড় আর মাঝে সুন্দর হ্রদ নৈনি লেক নৈনিতাল। হ্রদের শহর হিমালয়ের কোলে নৈনিতাল যেন দেবভূমি। আকাশ পরিষ্কার হলে দেখা যায় গোটা পাহাড়ের রেঞ্জ। সত্যিই নৈনিতাল যেন এক টুকরো স্বর্গ।

    কাঠগোদাম থেকে গাড়িতে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে পৌঁছনো যায় নৈনিতাল। লেক সংলগ্ন হোটেলের ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে দু চোখ ভরে দেখুন সামনের নৈনি লেককে। প্রথমে ঘুরে আসুন সেখানকার জুলজিক্যাল পার্কে। পাহাড়ের গায়ে ধাপে ধাপে রাস্তা করে তৈরি করা হয়েছে এই চিড়িয়াখানাটি। বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী নিয়ে এই চিড়িয়াখানাটি মন্দ নয়। পাহাড়ের বিভিন্ন ঢাল থেকে দৃশ্যমান নৈনি লেকের দৃশ্য অপূর্ব লাগবে।

    পরের দিন নয়নাদেবীর মন্দির এ পুজো দিয়ে লেকে বোটিং। বিশল আকারের নৈনি লেক। ভাবতে অবাক লাগে, দুপাশে পাহাড়ের মাঝে বিশাল ভূখণ্ড জুড়ে শুধু সবুজাভ জল আর জল। কথিত আছে ভগবান শ্রীবিষ্ণু তাঁর সুদর্শন চক্রে টুকরো টুকরো করে দেন সতীর দেহ আর দেবীর নয়ন জোড়া এসে পড়ে এই ভূখণ্ডে। এবং তার ফলেই সৃষ্টি হয় নয়নাকৃতি এই বিশাল তাল। তাই এই তালের নাম নৈনিতাল ও পাশের নয়নাদেবীর মন্দিরও সেই সূত্রে গড়া।
    রোপওয়েতে চড়ে এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে পৌঁছে সেখান থেকে দেখা যায় সুবিশাল হিমালয় পর্বতমালা। হাতে কিছুটা সময় থাকলে লেক সংলগ্ন ম্যাল রোড থেকে গাড়ি বুক করে ঘুরে আসতে পারেন নয়না পিক, টিফিন টপ, স্নো ভিউ পিক, ল্যান্ডস এন্ড, সাত তাল, অ্যানিম্যাল, পাখিরালয় ।

    পরেরদিন সোজা চলে যান কৌশানি। প্রকৃতির আরেক স্বর্গরাজ্যে। এ বার গন্তব্য কৌশানি। নৈনিতাল থেকে একই গাড়িতে চেপে সর্পিলাকার পাহাড়িয়া পথ দিয়ে পাইন গাছের সবুজ জঙ্গলের বুক চিরে গাড়ি এগিয়ে চলবে কৌশানির উদ্দেশে।
    কৌশানি অনেকেরই কাছে ড্রিম ডেস্টিনেশন। অনেকে বলেন সুইজারল্যান্ড অব ইন্ডিয়া কৌশানির অন্যতম আকর্ষণ গাঁধীজির আশ্রমে। দুষ্প্রাপ্য সংগ্রহের দিক থেকেও এটি গুরুত্বপূর্ণ।

    পরের দিন কৌশানি থেকে প্রায় ৭০ কিমি দূরে অবস্থিত বিনসরের ঘন জঙ্গলের উদ্দেশে রওনা হন। গাড়িতে কৌশানি থেকে বিনসর পৌঁছতে সময় লাগে প্রায় আড়াই ঘণ্টা। কিছু দূর গাড়ি যাওয়ার পর বাকিটা পায়ে হেঁটে পাহাড়ে উঠতে হয়। আর সেই চলার মাঝেই অহরহ বিভিন্ন জন্তু-জানোয়ারের ডাক কানে আসতে থাকে। ভাগ্যে থাকলে দিনের আলোতে দেখা মিলতে পারে হরিণ বা অন্য কোনও প্রাণীর। ফেরার সময় চৌকরিতে হিমালয়ের এই নয়নভোলানো সৌন্দর্য মনের মধ্যে নিয়ে এ বার ফেরার পালা! সেই আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা, পাইনের জঙ্গলের ভিতর দিয়ে গাড়ি এগিয়ে চলল সমতলের দিকে।

  • ট্রেনে উঠে সব অভিযোগ এদের কাছে, অসহায় মানুষগুলো জীবন কেমন জানেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আচ্ছা দাদা এসিটা একটু কম করা যাবে? মাংস তো ছেঁড়াই যাচ্ছে না, ভাতটা একেবারে ঠাণ্ডা, একটা বালিশ কম পড়েছে এদিকে দূরপাল্লার ট্রেনে নিশ্চিন্তে আপনি ট্রেনে যাতায়াত করতে পারেন এদের জন্যই। সব অভিযোগ আমরা করে থাকি তাদের কাছে। আপনার সমস্ত সমস্যা অভিযোগ মুখ বুজে শোনেন এরাই। প্রত্যেকদিন কলকাতা থেকে দিল্লি বা দিল্লি থেকে কলকাতা, কখনও আবার অনান্য স্টেশন সকাল থেকে রাত ট্রেনেই কাটে জীবন। ট্রেনে রাতে খাওয়ার পর্ব হয়ে গেলে আমরা তো প্রায় সবাই শুয়ে পড়ি! কিন্তু কখনো ভেবে দেখেছেন তাদের রাতটা কীভাবে কাটে? এই ছবিটা দেখলেই হয়তো কিছুটা আন্দাজ করতে পারবেন। কারোর বাড়ি বাঁকুড়া, কারোর মুর্শিদাবাদ। কিন্তু বাড়ি থাকলে কী হবে! প্রত্যেকদিন এক ট্রেনে এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশন গন্তব্য। স্টেশনেই খাওয়া ঘুম। আপনার সব রাগ মুখ বুজো সহ্য করে এরা। কিন্তু ট্রেনে তাদের জীবন কেমন কাটে জানেন?

    এই ছবিটিই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল যার সত্যতা যাচাই করেনি প্রথম কলকাতা। ছবিতে ট্রেনটি শিয়ালদহ রাজধানী এক্সপ্রেসের। খাবার খেয়ে যখন ট্রেনে লাইট অফ করে শান্তিতে যাত্রীরা ঘুম দেয়। আমরা তো প্রায় সবাই শুয়ে পড়ি কিন্তু এই স্টাফদের শোয়ার জায়গাটাও নেই। রাতের দিকে তেমন কাজ থাকে না। সারাদিনের ক্লান্তিতে চোখে ঘুম নেমে আসে কিন্তু এই অ্যাটেনডেন্টদের জন্য আলাদা শোয়ার কোনও ব্যবস্থা থাকে না। তাই মাটিতে এভাবেই শুতে হয়। আবার ভোর হলেই ব্রেকফাস্টের ব্যবস্থা করা। ছুটি বলতে একবেলা, তখন বাড়িতে যাওয়া আবার কখনও একটানা ডিউটি সেরে দুদিনের ছুটি কিন্তু এদের জীবনের বেশিরভাগটা কেটে যায় রোজকার যাত্রীদের সাথেই।

    এই স্টাফদের তো প্রথম থেকে শেষ অব্দি ট্রেনে থাকতে হয়। আমরা অভাব অভিযোগ জানালেও তাদের কিছু করার থাকে কী ?অনেক ট্রেনেই এখন আইআরসিটিসির নিজস্ব কর্মী থাকে না। অনান্য বেসরকারি সংস্থাকে কনট্র্যাক্ট দেওয়া থাকে। এরা বেশিরভাগই পারমানেন্ট স্টাফ নয় । বেতন বেশি পান না। তবুও প্রতিদিনের যাত্রীদের অপমান শুনে যেতে হয়। এদের খেয়াল রাখে না কেউ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Digha: বিরাট চমক! দীঘাতেই গোয়ার সব মজা, পুজোর আগেই চালু লাক্সারি ক্রুজ সফর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Digha: ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য বিরাট সুখবর। মোটা টাকা খরচ করে আর গোয়া যাওয়ার দরকার নেই। গোয়ার আনন্দ এবার মিলবে আপনার ঘরের কাছের দীঘাতেই। গোয়ার মতোই দীঘায় চালু হতে চলেছে লাক্সারি ক্রুজ পরিষেবা।এবার পুজোর দিনগুলিতে এই প্রমোদতরীতে ভেসে বেড়ানোর আনন্দ নিতে চান? তাহলে হোটেল বুক করুন চটপট। হাতে সময় আর নেই বললেই চলে। রাজ্যের অন্যতম পর্যটনস্থল দিঘা।দিনে দিনে সেজে উঠছে এই সমুদ্র সৈকত সুন্দরী। আগের থেকে অনেকটাই পরিচ্ছন্ন, ঝা চকচকে। সুসজ্জিত সি বিচ। রয়েছে বিভিন্ন বিনোদন পার্ক।

    আর এর মাঝেই পর্যটকদের জন্য এল দারুণ খবর। দীঘার আকর্ষন বাড়তে চলেছে অনেকটাই। কারণ, এবার পুজোয় গোয়ার মতো দিঘার সমুদ্রেও নামতে চলেছে সুসজ্জিত প্রমোদতরী। সারা বছরই রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রচুর মানুষ ভিড় জমান এই সৈকত শহরে৷ ছোট ছুটি বা উইকএন্ড প্ল্যান সবচেয়ে প্রথমেই যে জায়গাগুলির নাম উঠে আসে তার মধ্যে অন্যতম দিঘা। সামনেই দুর্গাপুজো৷ পুজো যত এগিয়ে আসছে দীঘার হোটেলগুলিতে বুকিং ততই শেষের পথে। পুজোকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের আনন্দ দিতে নিজের মতো করে সেজে উঠছে সমুদ্র সৈকত সুন্দরী দিঘা। আর এর মাঝেই পর্যটকদের জন্য এল দারুণ খবর। এবার পুজোয় গোয়ার মতো দীঘার সমুদ্রেও নামতে চলেছে সুসজ্জিত প্রমোদতরী।

    ভারতে যেসব সমুদ্র সৈকতে পর্যটকরা বছরের বিভিন্ন সময়ে ভিড় জমান তার মধ্যে সবচেয়ে বিলাসবহুল সমুদ্র সৈকত রয়েছে গোয়ায়৷ বহু মানুষের স্বপ্ন একবার গোয়ার সমুদ্র সৈকত থেকে ঘুরে আসার। কিন্তু খরচ অনেক বেশি হওয়ার কারণে তা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না। এবার পুজোয় গোয়ার স্বাদ দীঘা সমুদ্র সৈকতেই মিটতে পারে।গোয়ার ধাঁচে এবার দীঘার সমুদ্রে নামতে পারে ঝাঁ চকচকে প্রমোদতরী। রাজ্য পরিবহণ দফতর দিঘায় চালু করছে প্রমোদতরী বা ক্রুজ পরিষেবা। সমুদ্রের তীর বরাবর রয়েছে দীঘা থেকে শৌলা পর্যন্ত দীর্ঘ ২৯ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভ। মাঝখানে ঝাউবন৷ সব মিলিয়ে এক অপূর্ব এবং মনোরম পরিবেশের মধ্য দিয়ে ভেসে চলবেন পর্যটকরা।

    এই পরিষেবা শুরু হলে পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন মানচিত্রে সেটাই হবে সমুদ্রবক্ষে প্রথম প্রমোদতরী। পুজোর আগেই চালু হতে পারে এই পরিষেবা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে পুজোর মরশুমে সমুদ্রবক্ষে প্রমোদতরীতে ভ্রমণের স্বাদ উপভোগের সুযোগ পাবেন পর্যটকরা। এই পরিকল্পনা রূপায়ণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে৷ প্রমোদতরী প্রস্তুতির চূড়ান্ত কাজ চলছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • New Year Travel List: ২০২৩-এর রেজোলিউশনে বেড়ানোর প্ল্যান আছে তো ! জানুন কিছু সুন্দর জায়গার হদিশ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    New Year Travel List: নতুন বছর মানেই নতুন নতুন কত পরিকল্পনা । কেউ পুরনো বছরের খারাপ অভ্যাসকে সেখানেই ফেলে রেখে আসতে চান। আবার কেউ নিজের কিছু ভালো অভ্যাস নিয়ে নতুন বছরে পা রাখতে চান। কেউ আবার কাজে মনোযোগ দেওয়ার শপথ নিয়ে থাকেন। আবার কেউ কেউ রেজোলিউশন (Resolution) বানান সুন্দর সুন্দর কিছু জায়গায় এক্সপ্লোর করার। আপনিও যদি ২০২৩ সালে নতুন জায়গা খোঁজার মতো প্ল্যান করে থাকে তাহলে আজকের প্রতিবেদনটি আপনার জন্য। এখানে এমন কিছু সুন্দর জায়গার তথ্য দেওয়া হল যা মন ছুঁয়ে যাবে ভ্রমণ প্রেমীদের।

    * হাভানা (Havana) : এই নামটা শুনলেই কি চুরুটের কথা মনে পড়ে ? এছাড়াও কিন্তু কিউবার রাজধানী হাভানাতে রয়েছে আরও অনেক কিছু যা দেখার মত। এদেশের বিপ্লব নিয়ে গোটা বিশ্ববাসীর বহু গল্প শুনেছে। কিন্তু তাঁরা হয়তো এটা জানেন না যে হাভানার নাইট লাইফ আপনাকে অন্য জগতে নিয়ে যেতে পারে। এই শহর ঠিক ছবির মত সুন্দর। এখানে স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক স্থাপত্য থেকে শুরু করে পর্যটকদের আকর্ষণ ধরে রাখার জন্য আরও বিভিন্ন জিনিস রয়েছে। অর্থাৎ এই শহরে যদি আপনি ছুটি কাটাতে আসেন তাহলে আপনার ছুটি সার্থক বলাই যায়।

    * ব্রুজস (Bruges) : বলিউডের বহু ছবির শুটিং এর জন্য এই জায়গাটিকে পরিচালক এবং প্রযোজকরা বেছে নেন। বিশেষ করে রোমান্টিক কোন সিন শ্যুট করার জন্য। কারণ বেলজিয়ামের ব্রুজস শহরটি সত্যিই বেশ রোমান্টিক। তাই আপনার কাছের মানুষের সঙ্গে কিছুটা সময় দেশের বাইরে, চেনা কোলাহলের বাইরে কাটাতে চাইলে এই সুন্দর শহরটি অপেক্ষা করছে বেলজিয়ামের বুকে।

    * কেপটাউন (Cape Town) : দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন শহরকে বিশ্বের সুন্দর শহরগুলির মধ্যেই রাখেন অনেকে। বরং বলা ভালো আফ্রিকার সবচেয়ে সুন্দর শহর হিসেবে নাম উঠে আসে কেপটাউনের । এখানে রয়েছে বিরাট বড় বড় অভিজাত সব বিল্ডিং। দেখার মধ্যে আলফ্রেড ওয়াটারফ্রন্ট, ক্লিফটন এবং ক্যাম্পাস বে বিচ ,টেবিল মাউন্টেন, আইল্যান্ড সহ আরও কত কী! তাই নতুন বছরে কোথাও ঘুরতে যাবার প্ল্যান থাকলে সেই জায়গাটাকে কেপটাউন হতেই পারে।

    * বুদাপেস্ট (Budapest) : ইউরোপ ঘোরার ইচ্ছে আছে ? তাহলে ইউরোপের অন্যতম সুন্দর নগরীর বুদাপেস্ট একবার ঘুরে আসতে পারেন । বিশ্বের সুন্দর সুন্দর শহরগুলির মধ্যে সগৌরবে নিজের নাম লেখাতে পেরেছে এই বুদাপেস্ট । এই শহরের মাঝখান দিয়ে আপনি বইতে দেখবেন দানিয়ুব নদীকে। এখানেই রয়েছে মিলেনিয়াম পাতাল রেলপথ। যা বিশ্বের দ্বিতীয় প্রাচীনতম পাতাল রেলপথ বলে উল্লেখ করা হয়। এছাড়াও এই শহরের ঐতিহাসিক স্থান গুলি আপনাকে বেশ আনন্দই দেবে।

    * আমস্টারডাম (Amsterdam) : নেদারল্যান্ডের রাজধানী হল আমস্টারডাম। এই শহরে ঠিক কী নেই এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া খানিকটা মুশকিল। কারণ সোজা কথায় বলতে গেলে স্বর্গপুরী খোদ নেমে এসেছে এই আমস্টারডামে। এখানের খাল গুলিতে নৌকা বিহারের ব্যবস্থা রয়েছে। একই সঙ্গে রাস্তায় আপনি চাইলে এই সাইকেল চালাতে পারবেন। একবার ঘুরে আসতে পারেন এখানকার ভীষণ বিখ্যাত ফুলের বাজার। আসলে কিন্তু সেটি ভাসমান। এছাড়াও রাতের বেলায় এই শহরকে দেখার সৌভাগ্য খুব কম পর্যটকেরই হয়।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Travel Tips For Elder People: জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায়ও উপভোগ্য, নিজেদের মতো করে ঘুরতে দিন অভিভাবকদের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Travel Tips For Elder People: পড়াশোনা শেষ করে চাকরি পিছনে ছোটাছুটি। আর চাকরি পাওয়ার পর ধীরে ধীরে নিজের জন্য নিজের পরিবারের জন্য তারপর ছেলে- মেয়ের জন্য টুকরো টুকরো করে কিছু সঞ্চয় করে রাখার তাগিদ। এইসব করতে গিয়ে দেখা যায় যে কোন ব্যক্তির জীবনের ৫০টি বছর যেন চোখের পলকে পেরিয়ে যায়। কখন তিনি যুবক থেকে প্রাপ্ত বয়স্ক এবং তারপর বার্ধক্যে প্রবেশ করেন তা বোঝাও যায় না। একটা সময় সেই মানুষগুলি নিজেদের উপর থেকে ভরসা হারাতে থাকেন। সামান্য কোথাও গেলেও তাদের ওপর একজনের হাত সাহায্যের জন্য প্রয়োজন হয়। তবে মনোবিদরা বলছেন, ষাট বছর পার করলেও সেই সব ব্যক্তিদের একা কিংবা দল বেঁধে ঘুরতে (Travel) যাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

    জীবনের একটা অধ্যায় তাঁরা দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং ইঁদুর দৌড়ের মধ্যে কাটান। তাই দ্বিতীয় অধ্যায়ে অবসর নেওয়ার পর নিজেদের মতো করে কিছুটা সময় কাটানো উচিত তাদের। এতে শারীরিক এবং মানসিক অনেক রকম সমস্যা থেকেই মুক্তি মেলে বৃদ্ধ মানুষদের (Elder People)। এমন অনেক সংস্থা রয়েছে যারা ট্রাভেল প্ল্যান করে শুধুমাত্র বৃদ্ধ নাগরিকদের জন্য। তাই অবশ্যই নিজের মানসিক শান্তি খুঁজে আনার জন্য এই ধরনের ছোটখাট ট্রিপ তাদেরও দরকার।

    তাঁরা একটা দীর্ঘ সময় একই ধরনের রুটিনে বাধা থাকেন। আর অবসর নেওয়ার পরে সে অভ্যাস কাটাতে বেশ খানিকটা সময় লাগে । তখন অনেকেই মানসিক অবসাদে ঘিরে থাকেন। তা কাটিয়ে ওঠার জন্য ঘুরতে যাওয়া মন ও স্বাস্থ্যের জন্য হিতকর । এতে মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায়। আর তারপরে বৃদ্ধ বয়সে এসে নতুন নতুন জায়গা, নতুন নতুন জিনিস, নতুন মানুষ আবিষ্কার করার আনন্দ বলে বোঝানো সম্ভব নয়। শরীর এবং মন সাথ দিলে বয়স্করাও মাঝেমধ্যে ঘুরতে যেতেই পারেন। তাতে তাদের নিজেদের ওপরেই আত্মবিশ্বাস বাড়বে, হীনমন্যতায় ভুগবেন না তাঁরা।

    বাবা-মা বয়স্ক হয়ে গেলে ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে অনেক সময় মতের মিল হয় না। কারণ বয়সের পার্থক্যটা অনেকটাই থাকে। এই কারণে বৃদ্ধ অভিভাবকদের তাদের মত ঘুরতে যেতে দেওয়া উচিত। এতে তাঁরা নিজেদের মতো করে কিছুটা সময় বের করে নিতে পারেন। তবে বয়স্কদের কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আগে কয়েকটি বিষয়ে অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত। যেহেতু বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, শক্তি কমে আসে , তাই এমন কোন জায়গা বাছা উচিত নয় যেখানে গেলে তাদের কষ্ট হতে পারে। প্রয়োজনীয় কিছু সাধারণ ওষুধ তাদের সঙ্গে রাখা প্রয়োজন। এছাড়াও তাঁরা প্রতিদিন যে ওষুধগুলি খাচ্ছেন সেগুলিও সাথে নিয়ে যাওয়া উচিত। যাদের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা রয়েছে তাদের উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। এছাড়াও বন্ধু-বান্ধব কিংবা কোন এজেন্সি যার সাথেই ঘুরতে যাওয়া হোক না কেন পরিবারের সঙ্গে একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া উচিত নয়। এতে পরিবারের সদস্যদের চিন্তা বাড়তে পারে। এই বিষয়গুলিকে মাথায় রাখলে বয়স্করাও খুব সহজে নিজেদের মতো করে কিছুটা সময় বের করে নিতে পারবেন নতুন করে নিজেদের খুঁজে পেতে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version