Tag: Smart Bangladesh

  • Smart Bangladesh: নতুন বাংলাদেশ তৈরি হচ্ছে! বদল যাবে কি কি? ‘৪১ এর অপেক্ষা

    Smart Bangladesh: নতুন বাংলাদেশ তৈরি হচ্ছে! বদল যাবে কি কি? ‘৪১ এর অপেক্ষা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Smart Bangladesh: আর কেউ রুখতে পারবে না, ২০৪১ এই স্মার্ট হবে বাংলাদেশ। কিন্তু, স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার মূল চাবিকাঠি কি? কেমন হবে ভবিষ্যতের স্মার্ট বাংলাদেশ? স্মার্ট বাংলাদেশের রূপরেখা সম্পর্কে কতটুকু জানেন? রাজধানীর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ সামিট ও এক্সপো’তেই থাকছে চমক। প্রযুক্তির যুগে নতুন করে দেখুন বাংলাদেশকে। “স্মার্ট বাংলাদেশ” কথাটা এই মুহূর্তে ভীষণ রকম পরিচিত, ট্রেন্ডিং ও। কিন্তু আগে জানতে হবে, যে স্মার্ট বাংলাদেশ নিয়ে এত কথা, এত লেখালেখি, এত আলোচনা সেই “স্মার্ট বাংলাদেশ” বলতে কী বোঝায়? প্রযুক্তি নির্ভর নির্মল ও স্বচ্ছ একটা রাষ্ট্র যেখানে ভোগান্তি ছাড়া প্রত্যেক নাগরিক পাবে অধিকারের নিশ্চয়তা এবং কর্তব্য পালনের সুবর্ণ সুযোগ। স্মার্ট বাংলাদেশের রুপরেখা কে চারভাগে ভাগ করেছে হাসিনা সরকার।
    ১. স্মার্ট সিটিজেন
    ২. স্মার্ট ইকনোমি
    ৩. স্মার্ট গভর্নমেন্ট
    ৪. স্মার্ট সোসাইটি
    এই শব্দগুলোর সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমেই স্মার্ট বাংলাদেশ থিওরির বাস্তব রূপায়ণ সম্ভব। যার মূল সারমর্ম, দেশের প্রত্যেক নাগরিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ হবে, উইথ স্মার্ট ইকনোমি। মানে, অর্থনীতির সব কার্যক্রম প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিচালনা করা হবে। হ্যাঁ, বাংলাদেশ বলছে “ডিজিটাল বাংলাদেশ” গঠন করতে পেরেছে তাঁরা, এটা বাস্তবতা স্মার্ট বাংলাদেশ ও স্মার্ট জাতি গঠনই তাঁদের পরবর্তী লক্ষ্য। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য পূরণে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করে বাংলাদেশ।

    সরকারের দাবি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট অনেকটা করে ফেলেছে তাঁরা। তাই বাকিটাও করে ফেলবে। বাংলাদেশের গোটা সমাজটাই হবে স্মার্ট সোসাইটি, দাবি তাদের। কিন্তু কিভাবে? ’২১ থেকে ’৪১ পর্যন্ত সময়ে কীভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে, তার একটা কাঠামো পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। তবে ২০৪১ সালেই শেষ নয়, ২১০০ সালেও যেন দেশ উন্নত হয়, দেশের মানুষ যাতে ‘সুন্দর, সুস্থ ও স্মার্টলি’ বাঁচতে পারে, সেইজন্যেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ পরিকল্পনা। আর, যে স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে তরুণ প্রজন্ম তার মূল চাবিকাঠি হলো “ডিজিটাল সংযোগ”, জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে এটা মাথায় রাখতে হবে, ডিজিটাল বাংলাদেশের হাত ধরে দেশকে এগিয়ে নিতে হলে বাংলাদেশকে প্রযুক্তি ব্যবহারে অনেক উন্নত হতে হবে। সেই উদ্যোগ সফল করতে স্মার্ট বাংলাদেশ এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী এক কর্মপরিকল্পনা। অনেকেই বলছেন, দেশকে প্রযুক্তিগতভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য স্মার্ট বাংলাদেশ নামের স্লোগানের কী প্রয়োজন? প্রয়োজন আছে স্মার্ট বাংলাদেশ তো শুধু একটি স্লোগান নয়, আগামী দুই যুগ ধরে চলবে এমন এক বিশাল কর্মযজ্ঞের নাম স্মার্ট বাংলাদেশ। দাবি করে দেশটার মানুষ। তার জন্য কি প্ল্যান সাজিয়েছে বাংলাদেশ?

    ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশি জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারের পরবর্তী প্ল্যান বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট, ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি, অগমেন্টেড রিয়েলিটি, রোবোটিকস, বিগ ডেটার মতো ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এসবের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করতে হবে। আসলে, বাংলাদেশ বুঝে গেছে আগামীতে যেসব দেশ প্রযুক্তি ব্যবহারে এগিয়ে থাকবে, তারাই ব্যবসা-বাণিজ্য, আন্তর্জাতিক লেনদেন এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় নিজেদের নিয়ে যেতে পারবে।

    কেমন হবে নতুন, স্মার্ট বাংলাদেশ?

    ২০৪১ এর বদলে যাওয়া বাংলাদেশ কেমন হবে, তা দেখাতে বোঝাতেই দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ সামিট ও এক্সপো’। আগামী ৯ জুন অন্যতম বৃহৎ এই এক্সপো আয়োজন করবে জেসিআই বাংলাদেশ দুদিনব্যাপী এই আয়োজনে অংশ নেবে ৫০টা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে দুদিনব্যাপী এই সামিটে এআই প্রযুক্তির নানান ব্যবহারের সাথে কৃষি, স্বাস্থ্য সহ বিভিন্ন খাতের ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির প্রদর্শনীর আয়োজন থাকছে। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে এমন ব্যতিক্রম আয়োজন দেশে স্টার্টআপ সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সরকার। তাই আপাতত এই গ্র্যান্ড আয়োজনের দিকেই নজর গোটা বাংলাদেশের।

    বুঝতে হবে, একবিংশ শতাব্দীতে গবেষণা থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি, চিকিৎসা; মহাকাশ, মহাসমুদ্র সব ক্ষেত্রেই লেগেছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। বিশ্বায়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যে পিছিয়ে থাকতে চায় না বাংলাদেশ, সেটা বেশ পরিষ্কার। তাই, ২০৪১ সালকে সামনে রেখে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে নেওয়া হচ্ছে একের পর এক উদ্যোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন প্রয়োজন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই উদ্যোগকে সফলভাবে এগিয়ে নিয়ে চলা। বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের উচিত স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরির লক্ষ্যে একনিষ্ঠ হয়ে কাজ করা, যার মাধ্যমে সোনার বাংলাদেশ এগোবে বহুদূর।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: গড়ে উঠবে স্মার্ট বাংলাদেশ, পাশে আছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক! কতটা উন্নতি হবে?

    Bangladesh: গড়ে উঠবে স্মার্ট বাংলাদেশ, পাশে আছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক! কতটা উন্নতি হবে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: গড়ে উঠবে স্মার্ট বাংলাদেশ, সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। এই রোমাঞ্চকর যাত্রায় পারস্পরিক বিশ্বাস নিয়ে একসাথে পথ চলবে বাংলাদেশ আর বিশ্ব ব্যাঙ্ক। দ্রুত উন্নত রাষ্ট্রের মর্যাদা পাবে বাংলাদেশ, বন্ধুর মতো পাশে থাকবে বিশ্ব ব্যাঙ্ক। বাংলাদেশ বলবে সফল উন্নয়নের গল্প। যতই মনোমালিন্য হোক না কেন, যে কোন সংকটে বাংলাদেশ সাহায্য পাবে। বর্তমানে সহজে ঋণ পেতে বিশ্ব ব্যাঙ্ক বাংলাদেশের কাছে অপরিহার্য।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ব ব্যাঙ্কের সদর দপ্তরে বাংলাদেশ এবং বিশ্ব ব্যাঙ্কের সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের সময় পাঁচটি আর্থিক চুক্তি স্বাক্ষরের কথা হয়। যেখানে বিশ্ব ব্যাঙ্ক বাংলাদেশকে প্রবৃদ্ধি, আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং দুর্যোগ প্রস্তুতির জন্য প্রায় ২.২৫ বিলিয়ন ডলার প্রদান করেছে। যার মধ্যে ৭৫৩ মিলিয়ন ডলার এক্সিলারিটি ট্রান্সপোর্ট এন্ড ট্রেড কানেক্টিভিটি ইন ইস্টার্ন সাউথ এশিয়া প্রোগ্রাম ফেস এক আঞ্চলিক বাণিজ্য উন্নত করতে সাহায্য করবে। ৫০০ ডলারের রেসিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফর অ্যাডাপটেশন অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি রিডাকশন প্রকল্প বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যানকে সমর্থন করার জন্য সবথেকে বড় বিনিয়োগ প্রকল্প। যা অভ্যন্তরীণ বন্যার বিরুদ্ধে দুর্যোগ প্রস্তুতির উন্নতিতে সাহায্য করবে। বাংলাদেশকে আরও সবুজ এবং জলবায়ু স্থিতিস্থাপক উন্নয়নে সাহায্য করবে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার। এছাড়াও টেকসই মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্ট ট্রান্সফর্মেশন প্রকল্প মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ সেক্টরকে আরো গতিশীল করে তুলবে। সাহায্য করবে বাংলাদেশের সম্পদ, দক্ষতা, পরিবেশ বান্ধব পরিস্থিতি এবং জলবায়ু স্থিতিস্থাপক বৃদ্ধির খাতে।

    দেখতে দেখতে বিশ্ব ব্যাঙ্কের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ৫০ বছরের সম্পর্ক। সেই সম্পর্কে উদযাপন করতে দুই তরফ থেকেই বেশ আয়োজন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশ্ব ব্যাঙ্কের উপর বাংলাদেশ বিশেষভাবে নির্ভরশীল। বিশ্ব ব্যাঙ্কের একটি শাখা রয়েছে, ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, এই শাখা বিশ্বের নিম্ন আয়ের দেশগুলোর উন্নয়নের জন্য ঋণ প্রদান করে। যার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম সুবিধাভোগী দেশ। বাংলাদেশের যতগুলি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা রয়েছে তার মধ্যে একটি বড় স্তম্ভ বিশ্বব্যাঙ্ক। বিশ্ব ব্যাঙ্ক মনে করে, স্বাধীনতার সময়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের সক্ষমতা সম্পর্কে তারা যতটুকু ধারণা করেছিল, বাংলাদেশ বর্তমান সময় দাঁড়িয়ে সেই গণ্ডিকে বহু অংশ ছাড়িয়ে গিয়েছে। গত ৫০ বছরের হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ব ব্যাঙ্কের কাছ থেকে অনুদান, সুদ মুক্ত ঋণ আর কম সুদে প্রায় ৩৯০০ কোটি ডলার ঋণ পেয়েছে। এখানেই থেমে নেই, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৫৫ টি প্রকল্প চলছে যার পিছনে প্রায় ১৬০০ কোটি ডলার দিয়ে সাহায্য করছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক। বিশ্ব ব্যাঙ্কের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্য, কোনো দেশকে আর্থিক ও নীতিগত সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কাঠামো মজবুত করা। দেশটির মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। বিশ্ব ব্যাঙ্কের সুবিধাভোগী দেশের তালিকায়ে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। বর্তমানে বিশ্ব ব্যাঙ্ক থেকে পাওয়া বাংলাদেশের ঋণের বরাদ্দের পরিমাণ অনেকটা বেড়েছে। যার অন্যতম কারণ অর্থায়নযোগ্য প্রকল্প। ২০১৬ সালের পর থেকে বিশ্ব ব্যাঙ্কের এই শাখার কাছে বাংলাদেশে এই ধরনের প্রকল্প উপস্থাপন করতে পেরেছে বলেই খুব সহজেই ঋণ পাচ্ছে। পদ্মা সেতু ইস্যুতে বিশ্ব ব্যাঙ্কের সঙ্গে একটু মনোমালিন্য হয়েছিল। পদ্মা সেতু বিশ্ব ব্যাঙ্কের ইতিহাসে সব থেকে বড় উন্নয়ন প্রকল্প ছিল, হিসাব অনুযায়ী প্রায় ১২০ কোটি ডলার। পরে দুর্নীতির অভিযোগে বিশ্ব ব্যাঙ্ক এই প্রকল্প থেকে সরে আসে, যদিও বাংলাদেশ পিছিয়ে যায়নি। নিজেদের অর্থায়নে তৈরি করেছে পদ্মা সেতু। বিশ্ব ব্যাঙ্ক তখন ভাবনা চিন্তা করেছিল যে তারা এবার থেকে বাংলাদেশের হাই রিস্ক প্রকল্পে একটু ভেবেচিন্তে ঋণ দেবে। যদিও ফল হয়েছে উল্টো। পদ্মা সেতুর অর্থায়ন থেকে সরে এসে বাংলাদেশের প্রতি আরো দ্বিগুণ নমনীয় হয়েছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক। আসলে এর পিছনে কাজ করছে অন্য স্ট্র্যাটেজি। বিশ্ব ব্যাঙ্ক গোটা বিশ্বের বাজারে তাদের সাফল্য বা কাজ দেখাতে হয়। তাদের সমস্ত টাকা আসে বিশ্বের বাজার থেকে। সেক্ষেত্রে গোটা বিশ্বজুড়ে তাদের কাজের উন্নয়নের সাফল্যের দৌড় ঠিক কতটা তার হিসেব রাখা বড্ড জরুরি। কিন্তু ৮০ থেকে ৯০ এর দশকে তাদের সেই হিসেবে বড়সড় ঘাটতি রয়েছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তারা সাফল্যের মঞ্চ হিসেবে বেছে নিয়েছে বাংলাদেশকে।

    বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কিছুটা হলেও টালমাটাল। একদিকে ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ, অপরদিকে মহামারী পরবর্তী সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত। সব মিলিয়ে মিশিয়ে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি থেকে শুরু করে দেশটির সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অনেকটা বেড়েছে। এছাড়াও রয়েছে ব্যাংকিং খাত এবং ডলার সংকট। ২০২৩ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে রয়েছে প্রচুর চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে মোটা ঋণের প্রয়োজন। বাংলাদেশ আপ্রাণ চেষ্টা করে গিয়েছে গোটা বিশ্বজুড়ে চলা মূল্যস্ফীতির আঁচ থেকে বাঁচতে, কিন্তু পারেনি। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ২০২২ সালে যেসব সমস্যার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ গিয়েছে তার খুব একটা পরিবর্তন ২০২৩ এও হবে না। তাই এই মুহূর্তেই রাশ না টানলে মুশকিল। তবে চলতি বছরের শেষের দিকে অর্থনীতি আবার ঘুরে দাঁড়াবে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটবে। সামনে নির্বাচন, সাধারণত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটা ঊর্ধ্বমুখী ট্রেন্ড দেখা যায়। বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে বেশি করে নজর দিতে হবে আর্থিক খাতের সংস্কারের দিকে। সেখানে বাংলাদেশকে বিশ্ব ব্যাঙ্কের মতো ঋণদাতার সঙ্গে হাতে হাত না মিলিয়ে চলাটা বড্ড জরুরি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম