Tag: Rituparna Sengupta

  • Prosenjit-Rituparna: খুব শীঘ্রই প্রসেনজিতের ছেলের সঙ্গে ঋতুপর্ণার মেয়ের বিয়ে ? কী বলছেন তাঁরা

    Prosenjit-Rituparna: খুব শীঘ্রই প্রসেনজিতের ছেলের সঙ্গে ঋতুপর্ণার মেয়ের বিয়ে ? কী বলছেন তাঁরা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Prosenjit-Rituparna: প্রসেনজিতের ছেলের সঙ্গে ঋতুপর্ণার মেয়ের বিয়ে? প্রেম জমে ক্ষীর তৃষাণজিত ঋষণার? খুব তাড়াতাড়ি সাতপাকে বাঁধা পড়বে তারা? এমনই গুঞ্জনে তোলপাড় সিনেপাড়ায। অনেকেই প্রসেনজিতের স্ত্রী হিসেবে ঋতুপর্ণাকেই দেখতে চেয়েছিলেন। বাস্তবে তা হয়নি। এবার কি ছেলেমেয়ের বিয়ে দিয়ে নতুন করে আত্মীয়তার সম্পর্কে বাঁধা পড়তে চলেছেন ঋতুপর্ণা ও বুম্বাদা! শোনা যাচ্ছে, তৃষাণজিত ওরফে মিশুকের সঙ্গে ঋষণার বিয়ের পাকা কথা হয়ে গেছে। গুঞ্জন এতটাই বেশি যে মুখ খুলতে হল প্রসেনজিত ঋতুপর্ণাকেও। কী বললেন তাঁরা? ছেলের বিয়ের খবরে শিলমোহর দিলেন প্রসেনজিত? মেয়ের বিয়ে নিয়ে কী বললেন ঋতুপর্ণা?

     

    একসময় টলিপাড়ায় কান পাতলেই শোনা যেত, প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার প্রেমের গুঞ্জন। সত্যিই কি তাঁরা সম্পর্কে ছিলেন? মন দিয়েছিলেন একে অপরকে? দুদিন আগেও জুটিকে মুখোমুখি হতে হয়েছে সেই প্রশ্নের। সরাসরি উত্তর দেননি। ধোঁয়াসা রেখে দিয়েছেন এখনও। একসঙ্গে অনেক ছবি করেছেন তাঁরা। তাদের সম্পর্ক নিয়ে হয়েছে নানা কথা। যদিও পরবর্তী সময় ঋতুপর্ণা ও প্রসেনজিৎ, দুজনের পথ আলাদা হয়ে যায়। সঞ্জয় চক্রবর্তীকে বিয়ে করেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। অন্যদিকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বিয়ে করেন অর্পিতাকে। আলাদা হওয়ার পর বহুবছর একসঙ্গে কাজ করেননি এই জুটি।

     

    ১৪ বছরের দূরত্ব মিটিয়ে ‘প্রাক্তন’-এর হাত ধরে ফের কাছাকাছি আসেন এই দুই ‘প্রাক্তন’। তারপর কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘দৃষ্টিকোণ’-এ ফের একসঙ্গে কাজ করেন তাঁরা।এবার ‘অযোগ্য’ হয়ে দর্শক দরবারে আসতে চলেছে এই জুটি। এটা তাঁদের ৫০তম ছবি।

     

    এরই মাঝে টলিপাড়ায় শোনা যাচ্ছে অন্য আরেক গুঞ্জন। এবার প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা নন, গুঞ্জনটা তাঁদের ছেলে-মেয়েকে নিয়ে। শোনা যাচ্ছে, প্রসেনজিতের ছেলে তৃষাণজিৎ ওরফে মিশুক-এর সঙ্গে নাকি ঋতুপর্ণার মেয়ে ঋষণার বিয়ে! ঋতুর মেয়েকে পুত্রবধূ করে ঘরে আনবেন প্রসেনজিত। এ ব্যাপারে নাকি পাকাকথা হয়ে গিয়েছে তাদের। এবার এই গুঞ্জন নিয়েই মুখ খুললেন প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা। অযোগ্য’-র প্রচারে তাঁদের নিয়ে নানান গুঞ্জনের জবাব দিয়েছেন প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা। তারই মাঝে সামনে আসে মিশুকের সঙ্গে ঋষণার বিয়ের কথা।

     

    এই প্রশ্নটি শোনামাত্র জোরে হেসে ফেললেন প্রসেনজিৎ। একইসঙ্গে হেসে ফেলেন ঋতুপর্ণাও। হেসেই যাবতীয় জল্পনা উড়িয়ে দিলেন বাংলা সিনেমার অন্যতম সেরা জুটি।তৃষাণজিৎ সম্প্রতি কোডাইকানাল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে স্নাতক হয়েছেন। প্রসেনজিৎ এবং তাঁর স্ত্রী অর্পিতা চট্টোপাধ্যায় মিশুকের স্নাতক হওয়ার পর সার্টিফিকেট নেওয়ার দিন উপস্থিত ছিলেন। ঋতুপর্ণাও মিশুককে অভিনন্দন জানান।

     

    জোর খবর, প্রসেনজিৎ পুত্র তৃষাণজিৎ খুব তাড়াতাড়ি অভিনয় দুনিয়ায় পা রাখবেন। যদিও প্রসেনজিৎ চান মিশুক ইন্ডাস্ট্রিতে আসার আগে পড়াশোনা শেষ করুক। অন্যদিকে ঋতুপর্ণার মেয়ে ঋষণা চক্রবর্তীর বয়স মাত্র ১৩ বছর। তাই তার বিয়ে নিয়ে এখন থেকেই ভাবিত নন ঋতুপর্ণা। ঋষণা এই মুহূর্তে সিঙ্গাপুরে পড়াশোনা করছে। ভালোভাবে সে পড়াশোনা শেষ করুক এটাই চান ঋতুপর্ণা। সময় পেলেই তাই সিঙ্গাপুরে উড়ে যান অভিনেত্রী।

     

    https://fb.watch/sr-uCmEaCQ/

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

     

     

  • Basanti Chatterjee Treatment: অভিনেত্রী বাসন্তী দেবীর চিকিৎসা চলছে টাকা ধার করে, ঋতুপর্ণাকে কুর্নিশ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Basanti Chatterjee Treatment: টাকা ধার করে অভিনেত্রী বাসন্তী চট্টোপাধ্যায়ের চিকিৎসা করাচ্ছেন গাড়ির চালক! কী করুণ অবস্থা বুঝতে পারছেন! হাসপাতালের বিল মেটানোর ভয়ে ছেলে-মেয়ে মায়ের অসুস্থতার সময়ে বেপাত্তা। শোনা যাচ্ছে, তারা খোঁজ নিতেও আসে না। বাসন্তীদেবীর অবস্থা দেখে বলছেন সকলেই। কিন্তু ওই বলে না যার কেউ নেই তার ঈশ্বর আছে। কাছের মানুষ বলতে এখন বাড়ির পরিচারিকা আর গাড়ি চালক। তারাই বাসন্তীদেবীর আপনজন। শেষে ত্রাতা হয়ে দাঁড়ালেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। কীভাবে পাশে দাঁড়ালেন? ৮৬ বছর বয়সে অসহায় মা একা পড়ে রয়েছেন হাসপাতালে। জন্মদাত্রী মা এখন বোঝা।।এই ভিডিও দেখলেই বুঝতে পারবেন।

    ছোট পর্দার খুবই পরিচিত মুখ। আপনার প্রিয় সিরিয়ালে দিদিমা, ঠাকুমার চরিত্রে প্রায়ই দেখতে পান অভিনেত্রী বাসন্তী চট্টোপাধ্যায়কে। বর্তমানে গীতা এলএলবি সিরিয়ালে স্বস্তিক এবং সাত্ত্বিকের ঠাকুমার চরিত্রে দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু আচনকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। এখনও চিকিত্সা চলছে। কিন্তু প্রবীণ অভিনেত্রীর দুঃসময়ে পাশে নেই তার সবচেয়ে আপনডজনেরা। এমনকী যে সন্তানদের জন্ম দিয়েছেন তারাও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।

    আইসিইউতে রাখতে হয়েছে বাসন্তী চট্টোপাধ্যায়কে। সেই বিল মেটাতে ধার করতে হয়েছে লোকের কাছে। এমনকী সেই টাকা জোগার করে আনছেন বাসন্তী দেবীর গাড়ির চালক মলয়বাবু। জামাই – ছেলে বউ এক একদিন করে এসেছিলেন। ব্যাস ওই পর্যন্তই।মায়ের চিকিৎসার খরচপাতি হাসপাতালের বিল মেটানোর ব্যবস্থা নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্যই করেননি কেউ।

    ভর্তি করাতে নিয়ে গিয়েছিলেন। ড্রাইভার মলয় চাকি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনিই। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। এমনকী ছেলে -মেয়ে যে কোনওদিন সেভাবে অভিনেত্রীর দায়িত্ব নেননি তা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের কথাতেও স্পষ্ট। এবার প্রবীণ অভিনেত্রীকে সাহায্য করতে এগিয়ে এলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। অসহায় মানুষদের দেখলে তাঁর মন কাঁদে বরাবর। এবারও চুপ করে থাকতে পারলেন না। চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্য করেছেন ঋতুপর্ণা।

    বাসন্তী দেবীর শরীর মাঝে মধ্যেই ফুলে যায়। শরীরে জল জমে যায় কিডনির জন্য। একটা কিডনি একদম খারাপ হয়ে গিয়েছে । এমনটাই জানা গিয়েছে। এছাড়া অন্যান্য রোগ তো আছেই। চিকিৎসার জন্য অর্থের প্রয়োজন। বাসন্তীদেবী তাঁর দমদমের বাড়িতে একাই থাকেন। ছেলেমেয়ে কেউ সেখানে দেখতে আসেনা। কেউ দায়িত্ব নিতে চায় না। সরস্বতী পুজোর আগে কলকাতার এক বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বাসন্তীদেবী। সেই বেসরকারী হাসপাতালে বিল হয়েছিল ২ লাখ টাকা।

    https://www.facebook.com/100082942485331/posts/401969009244512/?mibextid=NTRm0r7WZyOdZZsz

    মলয়বাবুর দাবী, টাকাটা তিনি বন্ধুবান্ধবদের থেকে ধার করেছিলেন। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর সেই টাকা মিটিয়েছেন বাসন্তীদেবী নিজেই। কোনও ধার বাকি রাখেননি। বয়স হয়েছে ৮৬। এই বয়সেও দাপিয়ে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী বাসন্তী চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু অসুস্থতা সব বন্ধ করে দিল। এরপর দিনগুলো কীভাবে চলবে বাসন্তীদেবীর?ছেলে মেয়ে কী আসবে! তা সময়ই বলবে।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Rituparna Sengupta Son: যেমন লম্বা, তেমনই হ্যান্ডসাম ঋতুপর্ণার ছেলে, এবার কী দেখা যাবে অভিনয়ে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Rituparna Sengupta Son: যেমন লম্বা, তেমনই হ্যান্ডসাম! হিরো হওয়ার জন্য পুরোপুরি তৈরি। ঋতুপর্ণার ছেলেকে দেখলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। এতোদিন তাকে প্রচারের আলোর বাইরে রেখেছিলেন ঋতুপর্ণা। জন্মদিনে তার ছবি প্রকাশ্যে আনলেন। উচ্চতায় মাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে সে। তবে কি এবার তাকে দেখা যাবে অভিনয়ে! মায়ের মন্তব্যে ইঙ্গিত তেমনই। ছেলের জন্মদিনে কি বললেন ঋতুপর্ণা?

    বাংলা সিনেমা জগতের জনপ্রিয় উজ্জ্বল নক্ষত্র অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। ১৯৮৯ সালে শুরু হয়েছিল তাঁর অভিনয়ের পথচলা। সেই সফর এখনও অব্যাহত। নিজের কেরিয়ার জীবনের ঝুলিতে রয়েছে  প্রায় ৭০টিরও বেশি ছবি। বেশিরভাগই সুপারহিট। কখনো জুটি বেঁধেছেন প্রসেনজিৎ-র সাথে, আবার কখনো বা চিরঞ্জিত ও অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের সাথে। সব জুটিই হিট। অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের ব্যক্তিগত জীবনকেও বেশ সুন্দর ভাবে সাজিয়েছেন। অভিনয় থেকে বিরতি নিয়ে ১৯৯৯ সালে বাল্যপ্রেমিক সঞ্জয় চক্রবর্তীকে বিয়ে করেন।সঞ্জয় থাকেন সিঙ্গাপুরে। সেখানে তাঁর নিজস্ব ব্যবসা রয়েছে।

    অভিনেত্রীর এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে অঙ্কন চক্রবর্তী আর মেয়ে ঋষনা চক্রবর্তী। এখন দুজনেই অনেকটা বড় হয়ে গেছে। ছেলে ও মেয়েকে এতোদিন লাইম লাইটের বাইরেই রেখে এসেছেন ঋতুপর্ণা। সবেমাত্র গেল অঙ্কনের জন্মদিন। সেই দিনই ছেলের ছবি দিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, তোমাকে এত সুন্দরভাবে বড় হতে দেখে সত্যিই ভাল লাগে। জীবনের নতুন অধ্যায় যেন তোমার খুব ভালো কাটে। দারুণ কাজের সুযোগ পাও তুমি। বিশ্বের সমস্ত ভালবাসা যেন তোমার জন্য থাকে।মায়ের তরফ থেকে রইল অনেক অনেক ভালোবাসা। সব সময় ভালো থেকো। ঋতুপর্ণা কাজের সূত্রে কলকাতাতে থাকেন। আর তার স্বামী ও দুই সন্তান থাকেন সিঙ্গাপুরে।সেখানেই পড়াশোনা করছে ছেলে অঙ্কন এবং মেয়ে ঋষণা।

    তবে সময় সুযোগ পেলেই ঋতুপর্ণা ছেলেমেয়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য চলে যান সিঙ্গাপুরে। সিঙ্গাপুর গেলে স্বামী এবং সন্তানদের সঙ্গে সুন্দর মুহূর্তগুলো ভাগ করে নেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে ঋতুপর্ণা ছেলের কাঁধে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। দেখে মনেই হচ্ছেনা মা ছেলে। ছেলে অঙ্কন উচ্চতায় তাঁকে ছাড়িয়ে গেছে। সকলেই ছবি দেখে কমেন্ট বক্সে সুন্দর সুন্দর মন্তব্য জানিয়েছেন। বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে ঋতুপর্ণা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করেন। বিশেষ করে দুর্গাপুজোয় গোটা পরিবারের সঙ্গে একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করেন অভিনেত্রী।দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো, দীপাবলির মত অনুষ্ঠানগুলো তিনি স্বামী এবং সন্তানদের সঙ্গে কাটান। এছাড়া গোটা বছর তাটকে কাজের চাপের মধ্যে ডুবে থাকতে হয়। খুব শীঘ্রই থাকে ইন্দ্রাশি আচার্যর আগামী ছবি ‘গাজনের ধুলোবালি’তে ঋত্বিক চক্রবর্তীর সঙ্গে তাঁকে দেখা যাবে।এই ছবিটি একটি রাজনৈতিক থ্রিলার। এখানে ঋতুপর্ণাকে দেখা যাবে সাংবাদিকের স্ত্রীর চরিত্রে। আর ঋত্বিককে দেখা যাবে সমাজবিরোধী দলের নেতা রাজেনের চরিত্রে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Rituparna Sengupta: “নায়িকা ভাত খেলে বলে কী ন্যাকা”, কেন বললেন ঋতুপর্ণা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Rituparna Sengupta:  এখনকার দিনে নায়িকারা ভাত খেলেও ট্রোলিং নায়িকারা ভাত খেলে কী খারাপ। আবার ভাত না খেলেও নেটিজেনরা বলবেন কী ন্যাকা। নায়িকারা যা করবে তাতেই দোষ। বাংলাদেশে বিস্ফোরক অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। সাংবাদিক বৈঠকে মেজাজ হারালেন টলি নায়িকা। আমি কিন্তু উঠে চলে যাব এই প্রশ্নটা এডিট করতে হবে। মারাত্মক রেগে কেন গেলেন ঋতুপর্ণা?
    বাংলাদেশে ছবির শ্যুটিংয়ে গিয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। সেখানেই এক সাংবাদিক বৈঠকে একের পর এক প্রশ্নে মেজাজ হারালেন ঋতুপর্ণা। এমন কী হল যে কারণে টলি নায়িকা বলে উঠলেন আমি কিন্তু উঠে চলে যাব।

    ঋতুপর্ণাকে নিয়ে একের পর এক ব্যাক্তিগত প্রশ্ন করতেই রেগে যান। নায়িকারা যা করবে তাতেই ট্রোলিং শুরু হবে বেঁফাস টলি নায়িকা। ভাত খেলেও ট্রোলিং আবার ভাত না খেলেও বলবে কী ন্যাকা! বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমকে সপাটে জবাব নায়িকার। যতও নানা বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করা হোক না কেন ঋতুপর্ণার কোনও কিছুতেই কিছু যায় আসে না বলেই দিলেন অভিনেত্রী। উইকিপিডিয়া বলছে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর বর্তমান বয়স ৫১ বছর। এক সাংবাদিক ৫২ বছর বলতেই ক্ষেপে যান নায়িকা। এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন,‌ ৫২ বছর বয়সেও আপনি এতটা প্রাণবন্ত, ফিট কীভাবে?

    একথা শুনেই ঋতুপর্ণার উত্তর, এই প্রশ্নটা করা কি আপনার খুব দরকার? আর ওই বয়সটা হয়নি এখনও, যেটা আপনি বলছেন আমি হচ্ছি এভারগ্রিন জানেন না? নায়িকার বয়স কখনও বলতে নেই, আর পুরুষদের স্যালারি কখনও বলতে নেই। এরপর মারাত্মক রেগে যান ঋতুপর্ণা। তিনি বলেন, “এই প্রশ্নটা কিন্তু এডিট করতে হবে নাহলে আমি উঠে চলে যাব। হিরোইনদের সঙ্গে এরকমভাবে কথা বলে না কেউ এটায় আমি অবজেকশন জানাচ্ছি”।

    টলিউডের অন্যতম সফল অভিনেত্রী তিনি। তাঁর অভিনয়ে মুগ্ধ আট থেকে আশি সকলেই। স্পর্শ ছবিতে ঋতুপর্ণার বিপরীতে অভিনয় করতে দেখা যাবে নীরবকে। সব ঠিক ছিল। কিন্তু সংবাদমাধ্যমে একের পর এক বিতর্কিত প্রশ্নেই সব যেন তালগোল পেকে গেল! বলছেন নেটিজেনরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বকপাখি থেকে ভাবলি, টলিউডের সুন্দরী নায়িকাদের অদ্ভুত ডাকনাম জানেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাঙালি মানেই তাঁর ভালো নামের পাশাপাশি ডাক নাম থাকাটা একপ্রকার বাধ্যতামূলক। টলিপাড়ার তারকাদের ক্ষেত্রেও এর অন্যথা হয় না। মা-বাবা, আত্মীয় স্বজন থেকে শুরু করে কাছের মানুষেরা এই ডাক নামেই সাধারণত ডেকে থাকেন। শুনলে হয়তো অবাক হবেন, টলিউডের নামীদামী সেলেবদেরও বিচিত্র সব ডাক নাম রয়েছে। চলুন ঝটপট জেনে নেওয়া যাক তাঁদের ডাক নামগুলি কী কী। স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, তাঁর ব্যক্তিত্ব বেশ আকর্ষণীয়। সেই স্বস্তিকারই ডাক নাম কিনা ‘ভেবলি’! প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের সৌজন্যে এখন অবশ্য ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই এই নাম জেনে গিয়েছেন।

    পাওলি দাম: যেমন সুন্দরী দেখতে, তেমনই তুখোড় তাঁর অভিনয়। সেই পাওলির ডাক নাম হল ‘পাও’। তাঁর কাছের মানুষরা এই নামেই তাঁকে ডাকেন।

    টলিউড ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী। তার ডাকনাম পুতাই। জন্মের পর তার কাকা এই নাম দেন। শুভশ্রীর বেশ পছন্দ এই নামটি।

    শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, টলিপাড়ার এই সুন্দরী অভিনেত্রীকে নিয়ে সংবাদমাধ্যম এবং সমাজমাধ্যমে চর্চা লেগেই থাকে। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই। সেই শ্রাবন্তীর ডাক নাম হল ‘মিষ্টি’, ‘গিন্টু’।

    মিমি চক্রবর্তী, টলিউডের সুন্দরী অভিনেত্রী তিনি। মিমি বলতেই অজ্ঞান অনেকেই। সেই নায়িকার একাধিক ডাক নাম রয়েছে। অভিনেত্রীর মা তাঁকে ‘মোনা সোনা’ বলে ডাকেন। অপরদিকে তাঁর বাবা তাঁকে ‘বকপাখি’ বলে ডাকেন। এই নাম দেওয়ার পিছনে অবশ্য একটি কারণও রয়েছে। কারণ ছেলেবেলায় নাকি প্রায়ই মিমি এক পায়ের ওপর ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন। সেখান থেকেই তাঁর এই নামকরণ।

    সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় টলিউডের পাশাপাশি বঙ্গ রাজনীতিরও পরিচিত মুখ হলেন সায়ন্তিকা। সুন্দরী এই অভিনেত্রী বহু পুরুষের ‘ক্রাশ’। সেই সায়ন্তিকার বাবা তাঁকে ‘দধিমণি’ বলে ডাকেন। এই নাম দেওয়ারও একটি কারণও রয়েছে। টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। সাহসী চরিত্রে তার জুড়ি মেলা ভার। তার ডাক নাম হল চুমকি। তার বাবা এই চুমকি নামটি দিয়েছিলেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Rituparna Sengupta: টলিউডের বার্বি এবার ঋতুপর্ণা, বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রশংসা কুড়লেন অভিনেত্রী

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Rituparna Sengupta: বার্বি’ বর্তমানে লেটেস্ট ট্রেন্ড। ২১ জুলাই বারবি মুক্তিব পাওয়ার পর থেকেই কার্যত গোলাপি রঙে মুরেছে টলিউড থেকে বলিউড। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ফিল্ম বার্বির রূপকথার জীবন নয়। বরং রূপকথার জীবন থেকে বাস্তবের রূঢ় মাটিতে পা দেওয়ার পর বার্বির অনুভব নিয়ে তৈরি ফিল্ম ‘বার্বি’। তা নিয়ে অবশ্য সেলিব্রিটিদের একাংশ দ্বিধাবিভক্ত। অভিনেত্রীদের একাংশ ‘বার্বি’ সেজে ছবি তুলে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করছেন। এবার এই ট্রেন্ডের জোয়ারে গা ভাসালেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। ঋতুপর্ণার কাছে বয়স যেন একটা সংখ্যা ছাড়া কিছু না বার্বির লুক এ হট পিঙ্ক আউটফিতে ঋতুপর্ণা জমিয়ে দিলেন ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল তার ছবি দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভক্তরা‌

    সপ্তাহের গোড়াতে ঋতুপর্ণার শেয়ার করা ইন্সটাগ্রাম রিল নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। রিলে দেখা যাচ্ছে, ঋতুপর্ণা ফুশিয়া পিঙ্ক রঙের ড্রেস পরেছেন। এই ড্রেসের একটি স্লিভ কাফতানের মতো তবে সম্পূর্ণ। ফুলস্লিভের নিচের অংশে রয়েছে সাদা, হলুদ, গোলাপি, সবুজ রঙের রাফল ডিজাইন। অপর একটি স্লিভ শোল্ডার অবধি। সেটিও অনুরূপ রাফলড। ড্রেসের নেকলাইনে রয়েছে সাদা রঙের মুক্তোর ডিটেলিং। ড্রেসটি নি লেংথ। এটি সামান্য ঢিলে-ঢালা। এই ড্রেসের নিচের অংশেও রয়েছে ফুশিয়া পিঙ্ক রঙের রাফল ডিজাইন। ড্রেসের কোমরে রয়েছে গোলাপি, সাদা, সবুজ পমপম বেল্ট। এই ড্রেসের সাথে চুলে পনিটেল বেঁধেছেন ঋতুপর্ণা। তাঁর মেকআপও যথেষ্ট উজ্জ্বল। ঋতুপর্ণার চোখকে আকর্ষক করে তুলেছে শিমারি আইশ‍্যাডো ও কালো আইলাইনারের ব্যবহার। ঠোঁট রাঙানো গ্লসি পিঙ্ক শেডের লিপস্টিকে। চিকবোনে রয়েছে গোলাপি হাইলাইটারের ব্যবহার। এই ড্রেসের সাথে ঋতুপর্ণা দুই কানে পরেছেন সিলভার রঙের জাঙ্ক ইয়ারিং। পায়ে রয়েছে বেজ রঙের স্লিপার।

    ভিডিওটি শেয়ার করে ঋতুপর্ণা লিখেছেন, ট্রেন্ডের সাথে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনিও। হ্যাশট‍্যাগে লেখা রয়েছে ‘বার্বি’। ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসাবেও ‘বার্বি’-র টাইটেল সং ব্যবহার করেছেন ঋতুপর্ণা। সব মিলিয়ে গোলাপি রঙের ড্রেসের রীতিমতো মোহময়ী লাগছিল অভিনেত্রীকে। সাম্প্রতিক কালে মুক্তি পেয়েছে ঋতুপর্ণা অভিনীত ফিল্ম ‘দত্তা’। আগামী দিনে তাঁকে দেখা যাবে সাসপেন্স থ্রিলার ঘরানার ফিল্ম ‘শিকার’-এ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Rituparna Sengupta: ছেলেমেয়েদের লাইমলাইট থেকে কেন দূরে রাখেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত?জানলে অবাক হবেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Rituparna Sengupta: লাইমলাইট থেকে ছেলেময়েদের কেন দূরে রাখেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত? নিজে ক্যামেরার সামনেই থাকতে ভালোবাসেন। কিন্তু সন্তানদের লাইট ক্যামেরা-অ্যাকশন থেকে দূরেই রেখেন অভিনেত্রী। অনান্য টলিউডের নায়ক -নায়িকাদের মতো নয়! ঠিক একটা কারণেই এখনও কোনও সিনেমায় দেখা যায়নি ঋতুপর্ণার ছেলে ও মেয়েকে। জানলে অবাক হবেন বইকি। এনআরআই পাত্রকে বিয়ে করে পাড়ি দিয়েছিলেন সিঙ্গাপুর। কেরিয়ারের পাশাপাশি সংসার কীভাবে সামলাতে হয় তা বেশ ভালোমতোই বুঝিয়ে দিয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। ফিল্মি দুনিয়াকে ছাড়া থাকতেই পারেন না নায়িকা। কিন্তু ছেলেমেয়েদের কেন ক্যামেরার সামনে আনেন না ঋতুপর্ণা?

    নায়িকার দু- দুটো সংসার একটি কলকাতায় আরেকটা সিঙ্গাপুরে। সেখানেই থাকেন তাঁর স্বামী সঞ্জয় চক্রবর্তী। তাঁর দুই ছেলেমেয়ে ঋষভ ও ঋষণা কলকাতায় নায়িকার মা ও শাশুড়ি মা থাকেন। একদিকে যেমন তাঁদের দায়িত্ব সামলান ঋতুপর্ণা
    তেমনই সিঙ্গাপুরের সংসারের দায়িত্ব তাঁর কাঁধে।
    কিন্তু উডের অনান্য নায়ক নায়িকাদের সন্তানদের হামেশাই টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যায়। অনেক টলি স্টার কিড অভিনয়ও করছেন কিন্তু ঋতুপর্ণা ছেলে-মেয়েকে বরাবর লাইমলাইট থেকে দূরে রাখেন। পুত্র, কন্যা এবং স্বামীকে নিয়ে তার সুখের সংসার। কলকাতা এবং মুম্বই জুড়ে রয়েছে তার কর্মক্ষেত্র। তবে সংসার রয়েছে সিঙ্গাপুরে। কারণ, সেখানেই কর্মরত রয়েছেন তার স্বামী। ছেলেমেয়েরাও সেখানে পড়াশোনা করে।

    বিয়ের পর অভিনেত্রীকেও যেতে হয়েছিল সেখানে। অভিনয় ছেড়ে দেননি তিনি রয়েছে নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থাও। কিন্তু শুটিংয়ের ফাঁকে সামান্য অবসর পেলেই তিনি যান সিঙ্গাপুরে তাঁর পরিবারের কাছে। একটানা থাকতে পারেন না। দিনে দিনে মায়ের মতই সুন্দরী হচ্ছে আদরের মেয়ে ঋষণা। ছেলের উচ্চতাও প্রায় ঋতুপর্ণার সমান। মাকে ছাড়া দুই ছেলে মেয়ে দিব্যি বড় হয়ে উঠছে। তবে নেটিজেনরা বলছেন ঋষণার মুখের আদল অনেকটা তাঁর বাবার মত। সিঙ্গাপুরের একটি স্কুলে পড়াশোনা করে ঋতুপর্ণার পুত্র ঋষভ ও কন্যা ঋষণা। তাঁরা কোন ক্লাসে পড়ে তা ঠিক জানা যায় না, কারণ ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত জানাতে চান না। নিজের সন্তানদের সাধারণ ভাবে ইবেড়ে উঠতে দিতে চান ঋতুপর্ণা। ফলে তাঁর সাথে কোনো ফিল্মি অনুষ্ঠানে দেখা মেলে না ঋষভ ও ঋষণার। বাবাও সিনেমা জগতের কেউ নন তাই পরিবারকে লাইমলাইট থেকে দূরেই রাখেন ঋতুপর্ণা।

    অন্যদিকে প্রসেনজিতের ছেলে তৃষাণজিতকে নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই। অভিনেত্রী অর্পিতা এবং প্রসেনজিতের সন্তান তিনি। অনেকেই ভেবেছিলেন অভিনয়ের প্রতি টানে বিনোদন দুনিয়ায় তাঁর পা রাখাটা এখন শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। যদিও অর্পিতা এবং প্রসেনজিৎ দুই জনেই জানিয়েছেন তাঁদের একমাত্র সন্তান তৃষাণজিৎ ওরফে মিশুক অভিনয় জগতে পা রাখার বিষয়ে এখনও কিছু ভাবেননি। তার পছন্দ ফুটবল। সেটা খোলাখুলি ক্যামেরার সামনেই জানিয়েছিলেন বাবা -মা। কিন্তু ঋতুপর্ণা ছেলেমেয়েদের সিদ্ধান্ত কখনও জানাননি মিডিয়ার সামনে।আসলে ছেলেমেয়া স্বাধীন ভাবে বাঁচুক। চান নায়িকা। লাইমলাইট সেই স্বাধীনতাকে কেড়ে নিতে পারে। মনে করেন ঋতুপর্ণা। বলছেন সিনেপ্রমীদের একাংশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Prosenjit Chatterjee-Rituparna Sengupta: প্রসেনজিৎ-এর সঙ্গে কেন জুটি ভেঙেছিলেন ঋতুপর্ণা ? সামনে এল আসল কারণ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Prosenjit Chatterjee-Rituparna Sengupta: টলিউডের একসময়কার হিট জুটি হিসাবে পরিচিত ছিলেন প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণা। ৯০ এর দশকে টলিউডের অন্যতম সেরা একটি জুটি ছিল ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এবং প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জীর জুটি। এই জুটির সিনেমা মানেই সেই ছবি বক্সঅফিসে দারুণভাবে সফল। সিনেমা হলেও ফাঁকা থাকত না দর্শকাসন। একাধিক সিনেমায় এই জুটি অভিনয় করেছেন চুটিয়ে। দর্শকদের পছন্দের এই জুটি আচমকাই টলিউড থেকে হারিয়ে যায়। প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা অন্যান্য নায়ক-নায়িকাদের সঙ্গে অভিনয় করলেও তাঁদের জুটি সেই সময় ছিল এক নম্বরে। এখনও তাঁদের এই জুটি নিয়ে চর্চা হয় ইন্ডাস্ট্রিতে। এই দুজনের অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রি দেখে দর্শকেরা মনে করতেন যে তাঁদের হয়ত বাস্তবেও প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। সত্যি সত্যিই বাস্তবে প্রসেনজিৎ এবং ঋতুপর্ণার খুব ভাল বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। একসঙ্গে কাজ করতে তাঁরা বেশ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন। দর্শকদের পছন্দের এই জুটি আচমকাই টলিউড থেকে হারিয়ে যায়। ওই সময় ইন্ডাস্ট্রিতে দর্শকরা তাদের খুব মিস করতেন।

    কিন্তু দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পর্দাতে কখনও প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার কেমিস্ট্রি ফুটে ওঠেনি আর? সেই সময় প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার জুটি টলিউডে খুব সফল ছিল। সে সময় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী জানা যায় বাস্তবেও নাকি তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল। একচ্ছত্রভাবে কাজ করেছেন এই জুটি। এমনকী অনেকেই এই জুটির কারণে সেভাবে সেই সময় লাইমলাইটে আসতে পারেননি। পরে তাঁরা প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণার দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন। সফলতার শিখরে থাকতে থাকতেই ভেঙে গিয়েছিল প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার জুটি। এই নিয়ে সেই সময় টলিউড ছিল তোলপাড়। আসলে এমন এক‌ সময়ে এসে তাঁদের জুটি ভেঙেছিল যে সময় তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল।

    প্রসেনজিতের দ্বিতীয় বিয়ে তখন প্রায় ভাঙতে বসেছিল। এদিকে ইন্ডাস্ট্রিতে প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণার সম্পর্ক নিয়ে গুজব রটতে শুরু করে। ফিল্ম ইন্ডাস্টি থেকে শুরু করে চারদিকে এতটাই মিথ্যে রটনা রটছিল তাঁদের নিয়ে যে শেষমেষ প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণা সিদ্ধান্ত নিলেন যে তাঁরা আর একসঙ্গে কাজ করবেন না। অবশ্য দুজনের মধ্যে হওয়া কিছু মতভেদও অনুঘটকের কাজ করেছে এই জুটি ভাঙার ক্ষেত্রে। দশ বছর পর এই জুটি পর্দায় ফেরে এই জুটি ভেঙে যাওয়ার ১০বছর পর শিবপ্রসাদ এবং নন্দিতার ‘প্রাক্তন’ ছবির হাত ধরে আবার এই জুটি বড় পর্দায় ফেরে। এরপর প্রসেনজিতের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থার ছবি ‘প্রসেনজিৎ ওয়েডস ঋতুপর্ণা’তেও ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করেন ঋতুপর্ণা। বহু বছর বাদে আবার জনপ্রিয় জুটিকে পর্দায় ফিরে পেয়ে দারুণ খুশি হয়েছিলেন ভক্তরা। শুধু তাই নয়, এই জুটির ৫০তম সিনেমা পরিচালনা করবেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। এই সিনেমায় ফের প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণাকে জুটি হিসাবে দেখা যাবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Tollywood Actress: টলিউডের নায়িকারা পান্নার আংটি কেন পড়েন? কারণ জানলে অবাক হবেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Tollywood Actress: শ্রাবন্তী – মিমি থেকে নুসরত
    সকলেই হাতে পান্নার আংটি পরেন কেন? বাদ নেই রচনা ব্যানার্জি থেকে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। হাতে ঝলমলে দামী সবুজ পাথর। টলিউডের নায়িকারা পান্নায় এত বিশ্বাসী কেন ? এতদিন ডান হাতের লিটল ফিঙ্গারে পান্নার আংটি পরতেন মিমি চক্রবর্তী। এখন মাঝেমাঝে ইনডেক্স ফিঙ্গার বা তর্জনীতে পরতে দেখা যায়। আগের পান্নার আকার ছোট হলেও এখন বেশ পেল্লাই সাইজের সবুজ রত্ন পরেন নায়িকা। এমনকী গলাতেও পান্না বসানো হার পরতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। কিন্তু কেন? জানেন কি এই পাথরটির উপকারিতা কম নয়? পান্না কীভাবে ভাগ্য বদলে দেয়?

    পান্না নবরত্নের অন্যতম। শুধু মিমি নয়, তার কাছের বন্ধু নুসরতের হাতেও দেখতে পাবেন। কিন্তু নুসরত কেন পান্না পরেন? সম্প্রতি মা হয়েছেন নুসরত জাহান। লক্ষ্য করে দেখবেন তার হাতেও জ্বলজ্বল করছে পান্না। যদি কোনও মহিলা গর্ভবতী অবস্থায় পান্না ধারণ করেন তা হলে খুব সুস্থ স্বাভাবিক সন্তান জন্ম দেওয়ার সম্ভবনা থাকে। জ্যোতিষীরা বলছেন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক জোরালো করতেও পান্না দারুণ কাজে দেয়। যশের সঙ্গে সম্পর্কের ভিত মজবুত করতেই কি সবুজ রত্ন ধারণ করেছেন নুসরত? প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে অনুরাগীদের মনে। ঠিকমতো পান্না ধারণ করলে কেরিয়ারের প্রতি নাকি ফোকাস বাড়ে। সেই কারণেই কি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বহুবছর ধরে পান্না পরেন? ৫১ বছর বয়সেও তিনি সমানভাবে টলিউড কাঁপাচ্ছেন। তাই এই সবুজ রত্ন যে তার জন্য ভীষণ শুভ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

    তিন তিনটে বিয়ে করেছেন কিন্তু একটাও টেঁকেনি। হ্যাঁ শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের কথা বলছি। জীবনে মনের মানুষ থেকে তাঁর ছেলে ঝিনুক অনেকবেশি গুরুত্বপূর্ণ। একজন মায়ের কাছে তার সন্তানই সব। জ্যোতিষীরা বলছেন, পান্না ধারণ করলে পরিবারের সদস্যদের উন্নতি হয়। সন্তান ভাগ্য ভালো হয় সেই কারণেই হয়তো পান্না ধারণ করেছেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। শ্রীলেখা মিত্রের হাতেও একই আংটি। খাঁটি পান্না ধারণ করলে জীবনে নানা রকম সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। জ্যোতিষশাস্ত্রে ভীষণ বিশ্বাসী রচনা ব্যানার্জি। এক রিয়েলিটি শোয়ে তার বান্ধবীরা জানিয়েছিলেন। তার হাতেও শোভা পাচ্ছে পান্না যতই শ্যুটিং থাক অন্য গয়না থাক এই আংটিটি সবসময় রচনার হাতে দেখা যাবেই।

    পান্না সাধারণত কনিষ্ঠা বা অনামিকা আঙুলে রুপো, সোনা বা ব্রোঞ্জের সঙ্গে ধারণ করতে হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, পান্না সবচেয়ে সুন্দর এবং শক্তিশালী রত্নের মধ্যে একটি। এমনটা বিশ্বাস করেন টলিউডের এই নায়িকারাও।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Rituparna-Nirab: ঋতুপর্ণার বাড়িতে অতিথি বাংলাদেশের শিল্পী নিরব, অভিনেতাকে কী খাওয়ালেন নায়িকা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Rituparna-Nirab: একজন এপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী, অন্যদিকে আরেকজন ওপার বাংলার বিনোদন জগত কাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে। এবার একসঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন তাঁরা। কী নিয়ে কথা বলেছেন দুজনে? ভারতীয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর (Rituparna Sengupta) বাড়িতে ২৬ জানুয়ারি অতিথি হয়ে হাজির হয়েছিলেন বাংলাদেশের নিরব (Nirab Hossain)। বেশ কয়েক ঘন্টা একসঙ্গে সময় কাটিয়েছেন দু’জনে। তাঁদের সেই আড্ডায় হাজির ছিলেন অভিনেত্রীর কিছু বন্ধু-বান্ধব এবং এখানকার কিছু সাংবাদিক বন্ধুও।

    ‘প্রথম আলো’ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গেল ২৫ জানুয়ারি ব্যক্তিগত কিছু কাজের জন্য কলকাতায় (Kolkata) এসেছিলেন নিরব। আর সেই কাজের ফাঁকে ঋতুপর্ণার বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন তিনি। তবে এখন ঢাকায় ফিরে গিয়েছেন। রবিবার ‘প্রথম আলো’র সঙ্গে আলোচনায় তিনি জানিয়েছেন, সরস্বতী পূজার নেমন্তন্ন ছিল ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর বাড়িতে। তাঁর কথায়, পুজো থাকায় নানা পদের খাবার নিজেই রান্না করেছিলেন ঋতুপর্ণা। এত রান্না করেছিলেন যে খেতে খেতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। আসার সময় অভিনেতার হাতে কয়েক রকমের মিষ্টির প্যাকেটও ধরিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী। আর এপার বাংলার তারকার যত্ন পেয়ে আপ্লুত অভিনেতা। কী কী খেয়েছেন অভিনেত্রীর বাড়িতে?

    অভিনেতা জানিয়েছেন, এমন অনেক খাবার খেয়েছেন যার নামও জানেন না। তবে যেগুলো জানেন তার মধ্যে ছিল খিচুড়ি, বাঁধাকপি, বেগুন ভাজা, লুচি, আলুর দম, মিষ্টি কুমড়া, মিঠাই, লাড্ডু। খাবারের ফাঁকে অভিনেত্রী তাঁর সমস্ত বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয় করিয়েছেন নিরবের। একজন বিনোদন দুনিয়ায় রয়েছেন ৩৪ বছর। আরেকজনের মেয়াদ ১৩ বছর। এই প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তাঁরা। ‘স্পর্শ’ ছবির সুবাদেই ঋতুপর্ণার সঙ্গে এক আলাদা সম্পর্ক তৈরি হয়েছে নিরবের। আর সেই সূত্রেই অভিনেত্রীর কলকাতার বাড়িতে আসা তাঁর।

    অন্যদিকে তাঁকে বাংলাদেশের (Bangladesh) সুপারস্টার বলে ব্যাখ্যা করেছেন ঋতুপর্ণা। তাঁর কথায়, ভারত আর বাংলাদেশের বিভাজন আমি একদমই মানি না। আমার মনে, আমরা সবাই এক। যে সিনেমাটি আমরা করতে চলেছি বা করছি, সেটা একটা গভীর সম্পর্কের গল্প। সেখানকার সুপারস্টার নিরব, আর এই দেশটার সঙ্গে আমার ভীষণ ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তাই বাংলাদেশের ছবিতে কাজ করার কথা উঠলে, আমি কোনও ভাবেই না করতে পারি না। দুই বাংলার ইন্ডাস্ট্রির মধ্যেকার সম্পর্ক বেশ ভালো। প্রায় সময় ওপার বাংলার তারকাদের কাজ করতে দেখা যায় এপার বাংলার ছবিতে। আবার এপার বাংলার তারকারা ওপার বাংলার ছবিতে কাজ করে থাকেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version