Tag: pakistan

  • কাশ্মীরের যখের ধনই পাকিস্তানের চাই! এমন কী আছে এই উপত্যকায় ? ছলচাতুরির ইতিহাস স্বাক্ষী

    কাশ্মীরের যখের ধনই পাকিস্তানের চাই! এমন কী আছে এই উপত্যকায় ? ছলচাতুরির ইতিহাস স্বাক্ষী

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    কাশ্মীরে এমন কোন গুপ্তধন আছে যা পেতে এত মরিয়া পাকিস্তান? কাশ্মীর পেলে কী লাভ ইসালামাবাদের? কেন কাশ্মীর এতটা গুরুত্বপূর্ণ ভারত-পাকিস্তানের জন্য? শুধু হরি সিংয়ের কাহিনী জানলেই হবে না নেপথ্যে ছিল অনেক বড় লাভের অঙ্ক। চীনের হাতে কাশ্মীরের একটা পার্ট কীভাবে চলে গেল? উত্তর প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার ভারতের ৪৭ শতাংশ মুসলিমের বাস এই ৩ রাজ্যে কৈ এই রাজ্যগুলোকে তো নিজেদের দখলে করার চেষ্টা করেনা পাকিস্তান? কাশ্মীরে এমন কি সম্পদ আছে যা নিয়ে এত টানাটানি? শুধুই কি কাশ্মীরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য?

    রাজা হরি সিং নিজে ডোগরা সম্প্রদায়ের হয়ে শাসন করেছিলেন এক মুসলিম রাজত্ব। পাকিস্তানের অতিলোভেই তারা হারিয়ে ফেলেছিল কাশ্মীর। কাশ্মীরের যে অংশ ভারতের তা পাকিস্তানের হাতে থাকলে অর্থনীতি নিয়ে আর ভাবতে হত না এমনটাই দাবি করেন বহু বিশেষজ্ঞ। ভাববেন না শুধুমাত্র কাশ্মীরে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ বলেই পাকিস্তানের নজর কাশ্মীরের দিকে। আসলে অঙ্ক কষা হয়েছিল যা অনেক কম মানুষই জানেন কাশ্মীর আসলে কতটা বড় জানেন? ১৯২৫ সালে অবিভিক্ত কাশ্মীরের গদিতে বসেন রাজা হরি সিং কিন্তু রাজনৈতিক ভাবে নিরপেক্ষ অবস্থান ধরে রাখতে চেয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে নর্থ ওয়েস্ট ফ্রন্টিয়ার প্রভিন্স যা আজকের খাইবার পাখতুনখোয়া থেকে আসা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে তাড়াতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাহায্য নেওয়া ছাড়া তাঁর আর কোনও উপায় ছিল না তাঁর কাছে। পরিস্থিতির ফলস্বরূপ ১৯৪৭-এর ২৬ অক্টোবর ইনস্ট্রুমেন্ট অব অ্যাসেশনে স্বাক্ষর করেছিলেন হরি সিং জিন্না অবশ্য বলেছিলেন এসব চুক্তি তিনি মানেন না।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন না মানার যথেষ্ট কারণ আছে। যেহেতু কাশ্মীরে তখনও হিন্দুদের থেকে মুসলিমসংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল জম্মুতে ছিল মূলত হিন্দুদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাই পাকিস্তান আপাদমস্তক মুসলিম দেশ হওয়ায় তাদের দিকেই কাশ্মীরের জনগনকে ঝোকানোর চেষ্টা করে জিন্নার দেশ। আসলে কাশ্মীরে এমন কিছু সম্পদ রয়েছে তা পাকিস্তানের হাতে এলে মালামাল হয়ে যাবে তারা যদিও কাশ্মীরের একটা পার্ট গিলগিট বালটিস্তান যা পাক অধিকৃত কাশ্মীরেই অবস্থিত। তা পাকিস্তানের কাছে থাকা সত্ত্বেও তারা কিছুই বিশেষ করতে পারেনি। ঝিলাম, সিন্দু, রাভি, চেনাব, ঝেলাম, তাওই পাঁচ নদী বয়ে যায় কাশ্মীর দিয়ে। পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশ কৃষিকার্যের জন্য অনুকূল। একবার এই পাঁচ নদীর পুরোপুরি দখল পেলে পাকিস্তান অনেক বেশি শস্যশ্যামলা হয়ে উঠতে পারে। দ্বিতীয়ত কাশ্মীরে থাকা ব্যাপক পরিমাণে খনিজ সম্পদ ও কাঠ ইসলামাবাদের আসলে চোখ সেদিকেই কাশ্মীরে এই নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠতে পারে বড়বড় হাইড্রো পাওয়ার প্ল্যান্ট।

    এবার বুঝতে পারছেন কাশ্মীর দখল কেন পাকিস্তানের স্বপ্ন। বর্তমানে কাশ্মীরের ১৩২৯৭ স্কোয়ার কিমির এলাকা গিলগিট রয়েছে পাকিস্তানের হাতে। প্রায় ৪ মিলিয়ন মানুষের বসবাস সেখানে। ১৯৪৭ সালে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধে তা দখল করে পাকিস্তান। এদিকে ৩৭২৪৪ স্কোয়ার কিমি আকসাই চীন কাশ্মীরের আরেকটা অংশ রয়েছে চীনের অধীনে। ১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে চীন কাশ্মীরের আকসাই-চীন অংশটি নিজেদের দখলে করে নেয়। আর তার পরের বছর পাকিস্তান কাশ্মীরের ট্রান্স-কারাকোরাম অঞ্চলও চীনের হাতে ছেড়ে দেয়। বর্তমানে পাকিস্তানের যা অর্থনৈতিক অবস্থা তাতে পাকিস্তানের বহু মানুষেরই দাবি কাশ্মীর কাড়ার মতো ক্ষমতা পাকিস্তানের আর নেই, শেষ বরং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জনগনের দাবি তারা ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে চায়। পাকিস্তানের অত্যাচার তারা আর মেনে নিতে পারছেন না। তাই কাশ্মীর দখল যে স্বপ্ন যুগ যুগ ধরে দেখছে জিন্নার দেশ। সেটা যে স্বপ্ন থেকে যাবে তা বলাই বাহুল্য।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • শেষ হয়ে গেল পাকিস্তানের চলতি বিশ্বকাপ অভিযান? রয়েছে কঠিন অঙ্ক

    শেষ হয়ে গেল পাকিস্তানের চলতি বিশ্বকাপ অভিযান? রয়েছে কঠিন অঙ্ক

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বিশ্বকাপের লড়াই যে ইতিমধ্যে যথেষ্ট কঠিন হয়ে উঠেছে, সেটা আর আলাদা করে বলে দেওয়ার দরকার নেই। পরপর চার ম্যাচে হেরে ইতিমধ্যেই দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে পাকিস্তানের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে পরাজয়ের পর টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে ওঠা বাবর আজমের দলের কাছে কার্যত স্বপ্ন হয়েই থেকে গেল। শুক্রবার পাকিস্তান এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে একটা হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ উপভোগ করল ক্রিকেটবিশ্ব। এই ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে মাত্র ১ উইকেটে হারতে হয়েছে। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মরণকামড় দিয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু ম্যাচ জেতার জন্য সেটাও যথেষ্ট ছিল না।

    এখন প্রশ্ন হল, দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে গিয়ে পাকিস্তানের সামনে শেষ চারের রাস্তা কী একবারেই বন্ধ হয়ে গেল? বলা যেতে পারে এখনও তা হয়নি। তাহলে কোন সমীকরণে সেই অসাধ্যসাধন করতে পারবে বাবরের দল? প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে পরাজয়ের পরেও কিছুটা হলেও আশার আলো বেঁচে আছে পাকিস্তান দলের কাছে। পর পর চারটি ম্যাচ হেরে যাওয়ায় এখন আর নিজেদের সব ম্যাচ জিতলেই হবে না বাবর আজমদের। তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলের ম্যাচের দিকেও। বর্তমানে ৬ ম্যাচ খেলে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের বাকি রয়েছে এখনও তিনটি ম্যাচ।

    পাকিস্তানের এখনও ম্যাচ বাকি বাংলাদেশ, নিউজিল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। এই তিনটি ম্যাচ জিতলে পাকিস্তানের হবে ১০ পয়েন্ট। এই পয়েন্ট নিয়ে ঈশ্বর ছাড়া কেউ তাঁদের সামনে শেষ চারের দরজা খুলে দিতে পারবে না। বাবরেরা যদি সব ম্যাচ জিতেও যান তাহলে শ্রীলঙ্কা এবং অস্ট্রেলিয়াকে নিজেদের বাকি সব ম্যাচ হারতে হবে। যা একপ্রকার অসম্ভব। পাকিস্তান এখন যে ফর্মে রয়েছে তাতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় পাওয়া কঠিন হতে পারে। বাংলাদেশ এবং ইংল্যান্ড এখন পাকিস্তানের থেকে লিগ তালিকায় নীচে আছে।

    শুক্রবার পাকিস্তান দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে যাওয়ায়, ভারতীয় ক্রিকেট দল দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেছে। ৬ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট পেলেও, ভারতের থেকে নেট রান রেটে অনেকটাই এগিয়ে প্রোটিয়ারা। পরের ম্যাচ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিতলেই ফের শীর্ষে উঠে আসবে রোহিতের দল। বর্তমানে পয়েন্ট টেবিলের যা পরিস্থিতি তাতে দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত এবং নিউজিল্যান্ড খুব সহজেই শেষ চারে জায়গা করে নেবে। বাকি রয়েছে চতুর্থ স্থান। এই স্থানটি নিয়েই লড়াইয়ে রয়েছে বাকি দলগুলি। কোনও দল সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য আশার আলো দেখছেন তো আবার কেউ অপেক্ষায় রয়েছেন বড় কোন মিরাকেলের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকিস্তান বদলা নিতে ফেল! লিক হল সিক্রেট তথ্য, LOC তে উত্তেজনা বাড়ছে

    পাকিস্তান বদলা নিতে ফেল! লিক হল সিক্রেট তথ্য, LOC তে উত্তেজনা বাড়ছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তান রাগে ফুটছে চরম উস্কানির চেষ্টা ইসলামাবাদের সিক্রেট ইনফরমেশন এখন ভারতের হাতে। ইন্ডিয়ান আর্মির হাতে ৫ লস্কর জঙ্গি শেষ হল কীভাবে? LOCতে ঠিক কী ঘটছে এমূহুর্তে? ২৪ ঘন্টার মধ্যে পাকিস্তানের দু-দুটো অ্যাকশনই ফেল। গোহারা হেরে নিজেদের আর সামলাতে পারছে না ইসলামাবাদ। বদলার ক্ষোভে যেন টগবগ করে ফুটছে তারা। দুটো ঘটনা ঘটে গেছে একদিনেই, এফেক্ট হতে পারে বড় লেভেলে। প্রথমত কুপওয়ারা সেক্টর দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা লস্কর জঙ্গিদের। দ্বিতীয়ত আরএস পুরা সেক্টরের আর্নিয়া এলাকায় বিএসএফ-এর একটি ঘাঁটি লক্ষ্য করে অতর্কিতে গোলা-বর্ষণ শুরু করে পাকিস্তানি রেঞ্জার্সরা। তাতেই ফাঁস হয়ে গেল পাকিস্তানের সিক্রেট ইনফরমেশন।

    বিশ্লেষকেরা বলছে এই দুই ঘটনা একটার সঙ্গে একটা জড়িত। কারণ ভারতে লস্কর জঙ্গিরা অনু্প্রবেশের চেষ্টার সময়ই পাকিস্তানকে জব্দ করে ফেলে ইন্ডিয়ান আর্মি। এতটা প্ল্যানিং করার পরও ভারতের সেনার হাতে এভাবে পর্যুদস্তু হওয়া মেনে নিতে পারছে না পাকিস্তান? ২৬ অক্টোবর কুপওয়ারা জেলার মাছিলের নিয়ন্ত্রণ রেখা দিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিল লস্কর জঙ্গিদের এক টিম, কিন্তু ওরা বোধহয় জানত না এদিকে ঠিক কী অপেক্ষা করছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং ভারতের গোয়েন্দা বিভাগের যৌথ অভিযানে ২৬ অক্টোবর সেই অনুপ্রবেশের চেষ্টা ভেস্তে দেওয়া। সেনার গুলিতে নিহত হয় ৫ লস্কর জঙ্গি। এরপরই যেন দাঁত মুখ খিচিয়ে গুহা বেরিয়ে এল পাক সেনা বদলা নেওয়ার বড়সড় চেষ্টা।

    ২৬ অক্টোবরই রাত ৮টা নাগাদ আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় বিনা উস্কানিতেই গোলাগুলি ছোড়া শুরু করে পাকিস্তান এমনটাই বিএসএফ-এর অভিযোগ। এর মানে সোজাসুজি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এর এতেই ভারতের এক বিএসএফ জওয়ান বাসবরাজ এসআর জখম হন গোলাগুলির আঘাতে। তাকে সীমান্ত থেকে সরিয়ে নিরাপদস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। তবে এই গোটা ঘটনায় ইন্ডিয়ান আর্মির হাতে উঠে এল একাধিক গোপন তথ্য সেনাবাহিনী সূত্রের খবর, শীতকালে বরফঢাকা নিয়ন্ত্রণ রেখা দিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ একপ্রকার অসম্ভব। সে কারণে প্রতি বছর শীতের শুরুতেই জঙ্গিরা পাকিস্তান থেকে এ দেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে গত এক মাসে ছ’বার অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরে।

    এর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের ডিজি দিলবাগ সিংহ জানিয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর এখন ১৬টি ‘লঞ্চিং প্যাড’ সক্রিয় রয়েছে। যেখান দিয়ে পাকিস্তান থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করছে জঙ্গিরা। বুধবার অর্থাত ২৫ অক্টোবরই এই অনুপ্রবেশ রোখার জন্য শ্রীনগরে ১৫ কোরের সদর দফতরে বৈঠকে বসেন পুলিশ এবং সেনার শীর্ষকর্তারা। এক সেনা আধিকারিক জানান স্থানীয়দের জঙ্গিদলে নাম লেখানোর প্রবণতা একেবারেই কমে গিয়েছে সে কারণে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চলছে যাতে ওপার থেকে জঙ্গি পাঠিয়ে এপারে ব্রেনওয়াশ করানো যায়। তবে তা কীভাবে রোখা যায় উচ্চস্তরে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে সেনার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • গাজা প্রসঙ্গে কাশ্মীর, পাকিস্তানকে ওপেন চ্যালেঞ্জ ভারতের। ব্যাপক তরজা রাষ্ট্রপুঞ্জেও

    গাজা প্রসঙ্গে কাশ্মীর, পাকিস্তানকে ওপেন চ্যালেঞ্জ ভারতের। ব্যাপক তরজা রাষ্ট্রপুঞ্জেও

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    “গাজা পার্ট টু” জম্মু-কাশ্মীর? এক টুকরো জমিকে হাইফাই নিরাপত্তায় বাঁধছে ভারত। শ্রীনগরের মাটিতে কাশ্মীর বাঁচানোর মন্ত্র। গোপনে কোন ছক কষছে ভারত? রাষ্ট্রপুঞ্জেও প্যালেস্টাইন প্রসঙ্গে কাশ্মীর, ভারত রীতিমতো ধুয়ে দিল পাকিস্তানকে। কীসের আতঙ্কে সিঁটিয়ে উপত্যকা। এই টোটকাতেই গাজার ভয়কে জয় করবে কাশ্মীর। গাজার আতঙ্ক ফিরবে কাশ্মীরে? চান্স কতটা?পাকিস্তান উপত্যকায় ভয়ের বীজ বপন করলেও ভারত তা নির্মূল করতে জানে। শ্রীনগরের মাটিতে তোড়জোড় শুরু ভারতের। ঘটতে যাচ্ছে বড় কিছু। গাজা পার্ট টু এর আতঙ্ক উপড়ে ফেলতে সাংঘাতিক স্টেপ নিল মোদী সরকার।

    সম্প্রতি রাষ্ট্রপুঞ্জে প্যালেস্টাইন প্রসঙ্গে উঠে আসে কাশ্মীরের কথা। রাষ্ট্রপুঞ্জে পাকিস্তানের স্থায়ী সদস্য মুনির আক্রম সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে বলে বসেন, “প্যালেস্টাইন ও কাশ্মীরের অধিকৃত এলাকার বাসিন্দাদের উপরে অত্যাচার চালাচ্ছে যে সব রাষ্ট্র, এই নিরাপত্তা পরিষদেই তাদের মিত্র রাষ্ট্রেরা রয়েছে”। নাম উল্লেখ না-করলেও পাক প্রতিনিধির মন্তব্যের অন্যতম তির যে ভারতের দিকেই ছিল, তা নিয়ে ডাউট ছিল না। তাই ছেড়ে কথা বলেনি ভারতও। এর পাল্টা দিয়ে ভারতের প্রতিনিধি রবীন্দ্র বলেছেন, ‘একটি বিশেষ দেশের স্বভাবই হচ্ছে এ ধরনের মন্তব্য করা, কিন্তু ভারত সেই প্রসঙ্গে কোনও কথা বলবে না। যে ভূখণ্ডের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা ভারতীয় রাষ্ট্রের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং আমাদের দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ, মন্তব্য ভারতীয় প্রতিনিধির। ভারতের কাছে কাশ্মীরের গুরুত্ব আলাদা। তাই ইজ়রায়েল-প্যালেস্টাইন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে কাশ্মীরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চায় প্রশাসন। এই বিষয়ে অলরেডি শ্রীনগরে উচ্চ পর্যায়ের একটি বৈঠকও হয়ে গেছে। দ্বিতীয় ‘গাজা’ হবে না তো জম্মু কাশ্মীর?

    এই ভাবনা থেকেই মূলত নিরাপত্তা নিয়ে প্ল্যানিং শুরু। জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে ১৫ কর্পসের সদর দফতরে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে নতুন নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামিদিনে যদি বিক্ষোভ শুরু হয় উপত্যকায়, তবে কীভাবে তা প্রতিরোধ সম্ভব, তা নিয়েও আলোচনা করা হয়। আলোচনা করা হয়েছে বিদেশি জঙ্গিদের গতিবিধি ও হিংসায় উসকানিতে তাদের ভূমিকা নিয়েও। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের উপদেষ্টা আর আর ভাটনগর, সেনাবাহিনীর নর্থান কম্যান্ডের কম্যান্ডার উপেন্দ্র দ্বিবেদী, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল সহ একাধিক শীর্ষকর্তা। টিভি৯ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, নিরাপত্তা বাহিনীর এক আধিকারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, অবস্থানগতভাবে কাশ্মীর ও গাজা অনেকটাই এক হওয়ায়, গাজার পরিস্থিতির উপরে নজর রাখছেন উপত্যকাবাসী। নিরাপত্তা বাহিনীর আশঙ্কা, জম্মু-কাশ্মীরে ফের একবার বিক্ষোভ-অশান্তি শুরু হতে পারে। বিঘ্নিত হতে পারে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। সেই কারণেই পরিস্থিতি মোকাবিলার ছক কষতে আগেভাগেই বৈঠক করা হল। কাশ্মীরকে গাজা হতে দেবেনা মোদী সরকার। আর তাই এই গ্র্যান্ড প্ল্যানিং।

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের অগস্ট মাসে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ অবলুপ্তি ও জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর উপত্যকার পথেঘাটে বিক্ষোভ-অশান্তি অনেকটাই কমে গিয়েছে। কিন্তু, জম্মু-কাশ্মীরে স্থানীয় জঙ্গির সংখ্যা একধাক্কায় অনেকটা কমলেও, উল্টোদিকে বিদেশি, বিশেষ করে পাকিস্তানি জঙ্গির গতিবিধি ও সন্ত্রাসে যোগ অনেকটাই বেড়েছে। চলতি বছরে উপত্যকায় ৪৬ জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে, এর মধ্যে ৩৭ জনই পাকিস্তানি। বিগত ৩৩ বছরে এই প্রথম স্থানীয় জঙ্গির তুলনায় চারগুণ বেশি বিদেশি জঙ্গিকে খতম করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। কিন্তু তারপরেও রিস্ক নিতে চাইছে না মোদী সরকার। এক চিলতে জায়গা, তা নিয়েই দুই দেশের মধ্যে দশকের পর দশক ধরে বিরোধ, শত্রুতা। নতুন করে যুদ্ধ বেধেছে ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসের মধ্যে। যে যুদ্ধে বলি হচ্ছে গাজা স্ট্রিপ, সেখানকার নিরপরাধ মানুষ। একদিকে যেমন হামাস গাজা স্ট্রিপ থেকে হামলা চালাচ্ছে, তেমনই বদলা নিতে গাজা স্ট্রিপে গোলাবর্ষণ করছে ইজরায়েল সেনা। দুই দেশের টানাপোড়েনে আখেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গাজাই। আর গাজায় এই সঙ্কটই উদ্বেগ তৈরি করেছে জম্মু-কাশ্মীর নিয়েও। কিন্তু ভারত যে তার জন্য তৈরি হচ্ছে, আঁটঘাট বাঁধছে সেটাও দিনের আলোর মতো স্পষ্ট।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • নওয়াজ শরিফ প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তানে! জেলেই ইমরান খানের ভবিষ্যতবাণী

    নওয়াজ শরিফ প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তানে! জেলেই ইমরান খানের ভবিষ্যতবাণী

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    প্রতিশোধ নিতেই কি পাকিস্তানে ফিরছেন নওয়াজ শরিফ? ইমরান খানের দল অ্যাকটিভ কী প্রচার করা হচ্ছে? কারা প্রটেকশন দিচ্ছে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীকে? পাকিস্তানে ঢোকার আগেই বড় চাল নওয়াজের। ৪ বছর পর দেশে ফেরা বুমেরাং হবে না তো নওয়াজের? পাকিস্তানের থিঙ্ক ট্যাঙ্কেরা বলছেন পাকিস্তানের নির্বাচনের আগে যখন দেশে ফিরলেন নওয়াজ শরিফ তখন বুঝতে হবে এর নেপথ্যে যে বড়সড় কারণ রয়েছে সেটা কার্যত স্পষ্ট, কিন্তু সেই উদ্দেশ্যে ইমরান খানের দল কতটা সফল হতে দেবে সেটা নিয়ে রয়েছে বড়সড় প্রশ্ন। কিন্তু পাকিস্তানের আদালত নওয়াজ শরিফকে নিয়ে কী বিধান দেবে? গ্রেফতারি না সাময়িক স্বস্তি?

    ইমরান খান জেলে তাই পাকিস্তানের রাজনীতির ময়দানকে প্রতিদ্বন্দ্বীহীন ভাবলে কার্যত ভুল হবে এমনটাই বুঝিয়ে দিতে চাইছে ইমরান খানের দল। বিশ্লেষকেরা বলছেন নওয়াজ শরিফ ফেরার আগে থেকেই সব ঘুঁটি সাজিয়ে ফেলেছেন পিএমএলএন। চার বছর পর নিজের দেশ পাকিস্তানে পা নওয়াজ শরিফের। বহু মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও অভিযুক্ত নওয়াজ শরিফ চিকিৎসার জন্য ব্রিটেনে গেলেও চার বছরেও ফিরে আসেননি কিন্তু এবারও দেশে ফিরে কার্যত স্বস্তিতেই থাকবেন তিনি। পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এর আইনি দল আশা করছে যে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে পাকিস্তানে পৌঁছনোর পরেই জেলে যেতে হবে না তার কারণ বৃহস্পতিবার শরিফকে সাময়িক স্বস্তি দিয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। অ্যাভেনফিল্ড এবং আল আজিজিয়া দুর্নীতি মামলায় নওয়াজ শরিফকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সুরক্ষামূলক জামিন দেওয়া হয়েছে।

    ভারত চাঁদে পৌঁছে যাচ্ছে, পাকিস্তানের অবস্থান কোথায় দেশের বাইরে থাকাকালীনই এসব প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি দেশে ফিরেও যে ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগীতার প্রসঙ্গই টানবেন তিনি সেটাই স্বাভাবিক। এদিকে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ এক্স-এ ‘রিটার্ন অফ সার্টিফাইড থিফ’ হ্যাশট্যাগ চালানো শুরু করে দেয়। পোস্টটিতে দেখা গেছে যে জেলে বন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলছেন শরিফ জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানে নির্বাচন হতে দেবেন না। ইমরান খান বলেছেন, ‘শরিফ বলবেন, আগে কোনওভাবে ইমরান খানকে সরিয়ে দিন যাতে খান নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারে। দ্বিতীয়ত, শরিফ বলবেন তাঁর বিরুদ্ধে সব দুর্নীতির মামলা বন্ধ করুন। তৃতীয়ত, নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই তাঁর তাই জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী না হলে তাঁরা নির্বাচন হতে দেবেন না। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি পিছোতে পারে পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন?

    একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী এর আগে পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি নওয়াজ শরিফের সমালোচনা করে বলেছিলেন একজন ব্যক্তির ফিরে আসার কারণে সংবিধান, নির্বাচন এবং গণতন্ত্র থেমে গেছে। ভুট্টোও পিএমএল-এনকে নিশানা করেছিলেন একটি জনসভার সময় বিলাওয়ালের বক্তৃতার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছিল আমাদের অতীত মিত্রদের মেনে নিতে হবে যে ্নির্বাচন বিলম্বিত করা ‘ভোটের সম্মান’ করবে না বরং এটিকে অসম্মান করবে। এবার দেখার নওয়াজের পাকিস্তানে পা পাক রাজনীতির মোড় কোনদিকে ঘোরায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাঠানকোট হামলার মাস্টারমাইন্ড শেষ! নেপথ্যে কে ? পাকিস্তান জামাই আদরে রেখেছিল

    পাঠানকোট হামলার মাস্টারমাইন্ড শেষ! নেপথ্যে কে ? পাকিস্তান জামাই আদরে রেখেছিল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাঠানকোট হামলার হ্যান্ডলার শেষ হয়ে গেল পাকিস্তানে। বহাল তবিয়তে এতদিনে পাকিস্তানে ঘাঁটি জইশের অ্যাকটিভ সদস্য লতিফ ভারতে কি করত জানেন? কে বা কারা শেষ করল লতিফকে? মসজিদ থেকে বের হতেই সোজা শ্যুট জইশ জঙ্গি শাহিদ লতিফকে। ভারতে বিমানে ছিনতাই থেকে পাঠানকোন হামলার হ্যান্ডলার পাকিস্তান কার্যত যেন জামাই আদরে রেখেছিল লতিফকে কিন্তু শেষরক্ষা হল না৷ কারা খুন করল এই জইশ জঙ্গিকে?

    ভারতের খাতায় ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ ছিল লতিফ ২০১৬ সালের ২ জানুয়ারির সেই পঠানকোট হামলার স্মৃতি  এখনও টাটকা সেই হামলার মুখ্য হ্যান্ডলারদের মধ্যে একজন ছিল লতিফ। এখানেই তার কুকীর্তির শেষ নয় ১৯৯৯ সালে নেপাল থেকে দিল্লিগামী একটি ভারতীয় বিমানের হাইজ্যাক করার ঘটনাতেও অন্যতম অভিযুক্ত ছিল লতিফ। পঠানকোট হামলার তদন্তে জানা যায় পাকিস্তানে বসে চার জইশ জঙ্গির সঙ্গে ভারতে হামলার পরিকল্পনা করেন লতিফ। তার কথাতেই ২০১৬ সালে নতুন বছর শুরু হতেই কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে ঢুকেছিল চার জন জঙ্গি। বায়ুসেনার ঘাঁটিতে অতর্কিতে তারা হামলা চালায় চার দিনের লড়াইয়ের শেষে জইশের ওই চার জঙ্গিও ভারতীয় জওয়ানদের গুলিতে খতম হয়। হামলার এক দিন পরে ৩ জানুয়ারি পঠানকোটের সেনাঘাঁটিতে একটি বড়সড় বিস্ফোরণ হয় তার ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিল লতিফ। সেই বিস্ফোরণে আরও এক নিরাপত্তারক্ষীর মৃত্যু হয়।

    এই লতিফ কি তারপরই পাকিস্তানে পালায়? নাকি ভারত গ্রেফতার করেছিল তাকে? ১৯৯৪ সালেই বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছিল জইশ জঙ্গি শাহিদ লতিফকে। বিচার প্রক্রিয়া শেষের পর তাঁর জেল হয়। ২০১০ সালে তাঁর সাজা পূরণ হওয়ার পর তাঁকে ওয়াগা সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তানে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছিল ভারতের জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ফের ডানা গজায় তার। পাকিস্তানে ফেরার পরই ফের জিহাদি কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল লতিফ। ভারত সরকারের তরফে তাঁকে ওয়ান্টেড জঙ্গি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই লতিফকেই লক্ষ্য করে বুধবার পাকিস্তানের শিয়ালকোটে গুলি চালায় অজ্ঞাত পরিচয় দুই দুষ্কৃতী ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। এখনও অবধি হামলার দায় স্বীকার করেনি কোনও সংগঠন। কারা ঠিক লতিফের খুনের পিছনে দায়ি সেই তথ্য এখানে পষ্ট নয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • খতরনাক অস্ত্র ভারতীয় সেনার হাতে, কান পেতে শত্রুর কথা শুনবে স্পাই, দেশজুড়ে তোলপাড়, মোদীর প্ল্যান

    খতরনাক অস্ত্র ভারতীয় সেনার হাতে, কান পেতে শত্রুর কথা শুনবে স্পাই, দেশজুড়ে তোলপাড়, মোদীর প্ল্যান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চীন-পাকিস্তানের গুপ্তশত্রু। পঙ্গপালের গায়ে ফিট করা হচ্ছে মিসাইল? ভারতের মাটিতে তৈরি হচ্ছে এ কোন ভয়ংকর শিকারি? কান পেতে শত্রুর কথা শুনবে স্পাই, রিপোর্ট ঢুকবে গ্রাউন্ড স্টেশনে। এই খতরনাক অস্ত্রই ইন্ডিয়ান আর্মির তাকত। শুরু দেশজুড়ে তোলপাড়। কী আছে এদের শরীরে? জানেন Make 2 এর বড় চমক, আল কায়দার জাওয়াহিরি বধের অস্ত্র? উড়ে যাবে ট্যাঙ্ক-গোপন ডেরা, ভারতের ত্রাসে আত্মারাম খাঁচা হওয়ার জোগাড় শত্রুদেশের। শত্রুর কাল। ইন্ডিয়ান আর্মির হাতে আসছে ভয়ঙ্কর হাতিয়ার। মারণাস্ত্র।

    পঙ্গপালের মতো ঝাঁকে ঝাঁকে কিলার ড্রোন পাঠাবে ভারত। ভয়ানক চক্রব্যূহে আটকা পড়বে চীন-পাকিস্তান। মার্কিন স্টাইলে ড্রোন তৈরি হচ্ছে ভারতের মাটিতে। সাইজে ছোট, কিন্তু পাওয়ার একেবারে দেখার মতো। এই ড্রোনের সাথে ফিট করা থাকবে ১০-১২ কেজি ওজনের একটি অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইল। যা থেকে ছুটবে আগুনের গোলা। প্রায় ১৫-২০ কিমি দূরে গিয়ে এই মিসাইল অ্যাটাক করার ক্ষমতা রাখবে। উড়িয়ে দেবে ওয়ার ট্যাঙ্ক-শত্রুঘাঁটি। এই কিলার ড্রোনের অ্যাটাক করার স্টাইলই আলাদা। প্রথমে ড্রোনটি শত্রুদের খবর কালেক্ট করবে। তারপর সেটা পাঠিয়ে দেবে গ্রাউন্ড স্টেশনে। এরপর টার্গেটকে নিশানা করবে মিসাইল। ভুলে যাবেননা, হামলা চালিয়ে ফিরে আসবে এই কিলার ড্রোন। এই খতরনাক ড্রোন তৈরির মধ্যে দিয়ে এক ঢিলে দুই পাখি মারবে ভারত। আপাতত ভারতে তৈরি হচ্ছে মার্কিন স্টাইলের ছোট এবং মাঝারি সাইজের এই ড্রোন‌। যা বানাতে খরচ কম, অথচ কাজ করবে দুর্ধর্ষ। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন মানে ডিআরডিও এই ধরনের ঘাতক ড্রোন তৈরি করতে পারে। তবে এবার ইন্ডিয়ান আর্মির মেক-২ প্রজেক্টের আওতায় ফোর্সের সঙ্গে সমণ্বয় রেখে ৩০-৪০টি কোম্পানি ভারতে এই ধরনের সশস্ত্র ড্রোন তৈরি হচ্ছে। তবে, আর্মির প্রয়োজন অনুসারেই এই ড্রোন তৈরি করা হবে।

    প্রাথমিকভাবে ৫০০টি এই ধরনের সশস্ত্র ড্রোন প্রথম দফায় কেনা হবে তবে কঠিন আবহাওয়ায়, বিভিন্ন রকম ভৌগলিক এলাকায় ব্যবহার করার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে এই ড্রোনগুলোকে। মূলত এটি আমেরিকার সশস্ত্র ড্রোন MQ-9 এর আদলে করা হচ্ছে। তফাৎ একটাই, মার্কিন ড্রোনগুলো সাইজে কিছুটা বড় হত। ভারতের ড্রোনগুলোর সাইজ ছোট হবে। তৈরি ছাড়াও MQ-9B রিপার ড্রোন নিয়ে ভারত-মার্কিন ডিল ফাইনাল হয়ে গেছে। MQ-9B মার্কিন স্পেশাল ফোর্সের গর্ব। মনে করিয়ে দিই ৯/১১ হামলার মাস্টারমাইন্ড আল জাওয়াহিরিকে নিকেশ করতে আমেরিকা এক সময় এই কিলার ড্রোন ব্যবহার করেছিল। একসঙ্গে একজোড়া হেলবয় মিসাইল ছোড়া হয়েছিল মার্কিন ড্রোন থেকে। গোপন ডেরাতেই জোড়া ড্রোন হামলায় মৃত্যু হয় জঙ্গি আল জাওয়াহিরির। এবার ভারতের মাটিতে তৈরি হচ্ছে সেই ভয়ংকর অস্ত্র। খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রাণ শোকাচ্ছে চীন পাকিস্তানের। গোয়েন্দাদের দাবি, বসে নেই ওই দুই দেশ।

    গোপনে ফের ষড়যন্ত্র শুরু করেছে ইসলামাবাদ এই ইস্যুতে অস্ত্র বহণকারী ড্রোন দিয়ে পাক সেনাকে সাহায্যের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে বেজিং। আপাতত ইসলামাবাদের হাতে তিনটে চীনের তৈরি Cai Hong-4 কমব্যাট ড্রোন রয়েছে। মূলত নজরদারি ও বিশেষ ধরনের অভিযানের ক্ষেত্রে এই মানব বিহীন ড্রোন ব্যবহার করে পাক সেনা। যদিও, বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, MQ-9B রিপারের মতো সাফল্যের রেকর্ড নেই চীনের Cai Hong-4 ড্রোনের। সেই দিক থেকে দেখতে গেলে ভারত এগিয়ে। না এখানেই শেষ নয়। এর সঙ্গে বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন তৈরির উপরেও জোর দিচ্ছে ভারত ৫ কেজি পর্যন্ত বিস্ফোরক বহন করতে পারবে, তৈরি হবে এমন ড্রোন। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় নজরদারির জন্য উপগ্রহ নিয়ন্ত্রিত ড্রোনও ব্যবহার করা হয়। মোদ্দা কথা, ভারত আঁটঘাট বাঁধছে। সীমান্ত এলাকায় কড়া নজর রাখছে চীনের গতিবিধির উপর। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝতেই ভারতের দিকে চোখ তুলে তাকালেই হবে সোজা অ্যাকশন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • POK নিয়ে আমেরিকাকে দিল্লির ওয়ার্নিং! কোন কলকাঠি নাড়ছিল যুক্তরাষ্ট্র ? ঘরে ঘরে তালা

    POK নিয়ে আমেরিকাকে দিল্লির ওয়ার্নিং! কোন কলকাঠি নাড়ছিল যুক্তরাষ্ট্র ? ঘরে ঘরে তালা

    ।। প্রথম কলকাতা‌ ।।

    পিওকে নিয়ে ভারত যুক্তরাষ্ট্রকে রীতিমত ওয়ার্নিং দিল। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রতিনিধি পাঠিয়ে কোন কলকাঠি নাড়ে আমেরিকা? পিওকের ঘরে ঘরে তালা হচ্ছেটা কি? পাকিস্তানের নির্বাচনের আগেই হেস্তনেস্ত হবে। পাকিস্তানি আর্মিকে ওপেন চ্যালেঞ্জ পিওকের জনতা সেখানকার অলিগলি এলাকার পর এলাকার নাম নিয়ে ঘোষণা করে দিচ্ছে এই এলাকা তাদের, পাকিস্তান বা পাকিস্তানের সেনার নয়।

    ২২ অক্টোবর এমন কি হতে পারে পাকিস্তানে? ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে রীতিমত দিয়ে দিল ওয়ার্নিং। আমেরিকা হয়ত ভেবেছিল তাদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের উন্নতির জেরে দিল্লি হয়ত যুক্তরাষ্ট্রের পিওকে নিয়ে নাক গলানোয় চুপ থাকবে। না সেটা একেবারেই হল না। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পিওকে সফর নিয়ে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। জম্মু কাশ্মীর ভারতের অংশ। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সম্মান করার আহ্বান জানাতে চাই।

    কবে পিওকে-তে প্রতিনিধি পাঠিয়েছিল আমেরিকা? পাকিস্তানের মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডোনাল্ড ব্লুম পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট বাল্টিস্তানে সফর করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরিভাবে চেয়েছিল এই ইনফরমেশন যাতে গোপন থাকে, কিন্তু তা পাকিস্তানই প্রকাশ্যে এনে দেয়। পাক দৈনিক ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী ছয় দিনের Pok সফর করেন পাকিস্তানের মার্কিন রাষ্ট্রদূত। ব্লুম গিলগিট-বাল্টিস্তানের একাধিক এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে দেখাও করেন।

    এর আগেও ব্লুম পিওকেতে গেছিলেন আর তাতে ভারত রীতিমত আপত্তিও জানিয়েছিল। এবার সেজন্যই এই তথ্য গোপনেই রাখতে চেয়েছিল আমেরিকা। আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আগের থেকে যতই মজবুত হোক না কেন যতই মোদীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হোক না কেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট পিওকে নিয়ে ভারত কোনও আপস করবে না। সবথেকে বড় কথা এই বিষয় নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনও সাহায্য চায় না ভারত, সেটা আরও একবার প্রমাণ করে দিল দিল্লি।

    এদিকে জানা যাচ্ছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে কার্যত শাটডাউন হয়ে যাচ্ছে। বহু এলাকায় দোকানপাট বন্ধ করে প্রতিবাদ করছে মানুষ মুজাফফরাবাদ, কোটলি, মীরপুর, রাওলাকোটে বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে পাকিস্তান পুলিশ অত্যাচার করেছিল মহিলাদের ওপর এমনটাই খবর। এরপরই কার্যত রাস্তায় নেমে প্রতিবাদের ঝড় তোলে পিওকের জনতা। চিতকার করে বলছে তারা পাকিস্তান আর্মি শেষ দেখেই ছাড়বে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকিস্তানকে ক্যাপচার করল চীন! শাহবাজ শরিফের ওপর হামলা, কে বাঁচাবে ?

    পাকিস্তানকে ক্যাপচার করল চীন! শাহবাজ শরিফের ওপর হামলা, কে বাঁচাবে ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তানের মিডিয়া কাজ করবে চীনের কথায়? ভারতবিরোধী বড়সড় অ্যাজেন্ডা নিয়ে মাঠে নামছে বেজিং। নওয়াজ শরিফের পাকিস্তানে ফেরা কী জিনপিংই রুখে দেবে? পাকিস্তান প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের এ কী হাল? চীন এবার পাকিস্তানকে দিয়ে নয়া পথে ভারতের ক্ষতির প্ল্যান কষছে? পাকিস্তানের সন্ত্রাসে এতদিন চীন মদত দিয়ে এসেছে, পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে চীনের দাপট রয়েছে। পাকিস্তান কার্যত চীনের কথাতেই ওঠবোস করে, এতটা তো জানত গোটা দুনিয়া। এবার পাকিস্তানের গণমাধ্যমও চলবে বেজিংয়ের কথায়।

    এমনটা যদি হয়ও পাকিস্তানের ইগনোর করার ক্ষমতা নেই ক্ষমতা নেই। জিনপিংয়ের সিদ্ধান্তের ওপর কোনও কথা বলার বলছেন পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী মহলেই কিন্ত এই খবর কোথাও না কোথাও দিল্লির মাথাব্যাথার কারণ হতে পারে। চীনে যে ধরণের স্ট্র্যাটেজি তৈরি করে ভারত তা চেনে ভারতে এমনটাই হয়ত নিউজক্লিকের হাত ধরে চালাতে চেয়েছিল বেজিং। ভারত ফেল তো এবার ইসলামাবাদ টার্গেট? এর মাঝেই খবর পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এখন পালিয়ে বাঁচছেন। কারণ পাকিস্তানে অলরেডি তাঁর ওপর হামলা হওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। পাকিস্তানীরা কার্যত ক্ষেপে লাল হয়ে গিয়েছে শাহবাজের ওপর। জানা যাচ্ছে শাহবাজ শরিফের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে নির্বাচনী জনসভায় হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তথ্য বলছে মুদ্রাস্ফীতিতে বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষ তাঁকে লাহোরে গাড়ি থেকে নামতেও দেয়নি। লোকজন তার গাড়ি ঘিরে ফেলে এবং গাড়ির বনেটে জোরে জোরে মারতে শুরু করে। মানুষ বলছে, শেহবাজ শরিফের কারণে দুর্নীতি ও মুদ্রাস্ফীতি চরমে পৌঁছেছে।

    প্রশ্ন উঠছে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন পার্টি পিএমএলএন নেতার এই হাল হলে আগামী নির্বাচনে কী হতে পারে দলটার? এই দলেরই নেতারা বলছেন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) সুপ্রিমো নওয়াজ শরিফ কোনো চুক্তি বা শর্তের ভিত্তিতে দেশে ফিরছেন। এমনটাই দাবি করেছেন দলটির নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ। এর মানে অবাধভাবেই পাকিস্তানে ঢুকবেন নওয়াজ কিন্তু পাকিস্তানের জনতা কি আর কোনওভাবে নওয়াজ শরিফকে তাদের নেতা বলে মেনে নেবেন? বড় প্রশ্ন উঠছে। মার্কিন এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে গোটা বিশ্বের সংবাদমাধ্যমকেই নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে বেজিং। পাক সংবাদমাধ্যমকে ইতিমধ্যেই প্রায় নিয়ন্ত্রণে এনে ফেলেছে চীন। এর মধ্যে চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর সংক্রান্ত মিথ্যা তথ্যও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

    এছাড়াও রাশিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বেজিং। তাদের লক্ষ্য আরও বেশি দেশের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চীনের কমিউনিস্ট সরকার বিরোধী খবর প্রচার রোখা। এই কাজে নাকি পাকিস্তানের ক্ষেত্রে তারা অনেকটাই সফল হয়েছে বলেও মার্কিন ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।  এবার দেখার ভারতবিরোধী কোনও অ্যাজেন্ডা চালাতে পাকিস্তানের মিডিয়াকে ব্যবহার করলে দিল্লি এর পাল্টা কীভাবে দেয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতের আতশকাঁচের নীচে পাক-চীন, বর্ডারে বসেছে মোক্ষম অস্ত্র! ৪৮ ঘন্টার মিশন

    ভারতের আতশকাঁচের নীচে পাক-চীন, বর্ডারে বসেছে মোক্ষম অস্ত্র! ৪৮ ঘন্টার মিশন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    অরুণাচল বর্ডারে চীন ফেলতে যাচ্ছে মোক্ষম অস্ত্র। ৪৮ ঘন্টার টাফ মিশনে সাগরেদ কিন্তু পাকিস্তান। বেচাল দেখলেই বিপদ, কিছুই নজর এড়াচ্ছে না ভারতের। শুধুই কী ফেস টু ফেস? কোন ভয়ঙ্কর চক্রান্তে সামিল বেজিং ইসলামাবাদ? ভুল করছে, ষড়যন্ত্রের দুই মাথা চীন পাকিস্তান ভারতের আতশকাঁচের তলায়। চীনের তীক্ষ্ণ নজরে অরুণাচল বর্ডার। ফের ভারত সীমান্তে উস্কানির ইঙ্গিত বেইজিংয়ের। আর, এবার সঙ্গ দিচ্ছে পাকিস্তান।তাহলে কী তলে তলে বড় কোনও ছক কষছে দুই দেশ?

    অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তে মুখোমুখি বসছে বেজিং ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের কার্যনির্বাহী বিদেশমন্ত্রী জলিল আব্বাস জিলানিও এই বৈঠকের পার্ট ভারত সীমান্তে উত্তেজনা বাড়াতে নতুন পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে বেজিং, এটা কিন্তু স্পষ্ট। পাকিস্তান কে নিয়ে অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তে শুরু হিমালয়ান মিট। এই বছর বৈঠকটি তিব্বতের নিংচিতে হচ্ছে এই অঞ্চলটা অরুণাচল প্রদেশ থেকে ১৬০ কিমি দূরে, ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে পড়ে। অর্থাৎ ভারতের একদম কাছে চীন। এই নিয়ে তৃতীয়বার ট্রান্স হিমালয়ান ফোরাম মিট অ্যারেঞ্জ করলো বেজিং উল্লেখ্য, হিমালয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য বেইজং ২০১৮ সালে এই ফোরামটি তৈরি করে। যার মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান, মঙ্গোলিয়া, আফগানিস্তান। গোটা বিশ্ব জানে, অরুণাচলে অলরেডি নজর রয়েছে চীনের। এর প্রধান কারণ ভারতের ভূখণ্ডে চীনের আগ্রাসন প্রতিস্থাপন করা। এমনকি, কিছুদিন আগে সব সীমা পেরিয়ে চীন, অরুণাচল প্রদেশের ১৫টি জায়গার নাম পাল্টে দিয়েছিল।

    অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের ম্যাপে ঢুকিয়ে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্কের আরো অবনতি ঘটিয়েছে বেইজিং। এবার তারমধ্যেই এই বৈঠক। যখন কিনা বিদেশ মন্ত্রী জয়শঙ্কর ও ভারত চীন সম্পর্ককে অস্বাভাবিক বলে দেগে দিয়েছেন। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তের এই বৈঠক নতুন করে নয়াদিল্লির মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ভারতের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতেই চীনের এই কৌশলী পদক্ষেপ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। সিচুয়েশন বিশেষ সুবিধার ঠেকছে না। মনে করিয়ে দিই ভারতে আয়োজিত জি ২০ সামিটে যোগ দেয়নি চীন। এশিয়ান গেমসে অরুণাচল প্রদেশের অ্যাথলিটদের ভিসা দেয়নি পাকিস্তান। লাদাখ সীমান্ত সমস্যাও মেটেনি। এখনও দফায় দফায় লাদাখ সীমান্ত নিয়ে বৈঠক চলছে দুই দেশের মধ্যে। গালওয়ান উপত্যকার পাহাড় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। তারই মাঝে ফের অরুণাচল প্রদেশে হিমালয়ান মিট আয়োজন বেইজংয়ের দুই দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম