Tag: pakistan

  • চীন-পাকিস্তানের মুখোমুখি ভারত! জোর সংঘর্ষ হবে, দুবাইয়ে যুদ্ধের ঘোষণা

    চীন-পাকিস্তানের মুখোমুখি ভারত! জোর সংঘর্ষ হবে, দুবাইয়ে যুদ্ধের ঘোষণা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারত-চীন-পাকিস্তান ফাইনালি মুখোমুখি। ভারতের তেজস একসঙ্গে ধ্বংস করবে চীন-পাক ফাইটার জেট। দুবাইয়ের বুকে এ কোন যুদ্ধের ঘোষণা করল ভারত। এবার মধ্যপ্রাচ্যের আকাশের বোঝা যাবে কার কত দম। কোনও ঘোষণা ছাড়াই কি ঘটতে চলেছে? প্রায় রোজদিনই মধ্যপ্রাচ্য থেকে কোনও না কোনও খারাপ খবর আসছে তা সে গাজা হোক বা ইসরায়েল। এই প্রতিবেদন লেখার সময়ই খবর এল গাজায় ইজরায়েলের বোমায় ২৪ ঘন্টায় ২৪৩ জন নিহত। এই যুদ্ধ কবে থামবে সেটাও কেউ জানে না। তার মধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে কেন ভারত-চীন-পাকিস্তান কেন একে অপরের মুখোমুখি হচ্ছে? ভারত একা মোকাবিলা করবে দুই শত্রুর। তাও আবার একেবারে মাঝ আকাশে। একেবারে দেশীয় সংস্করণ ভারতের তেজসকে টেক্কা দিতে ময়দানে পাকিস্তান কোন যুদ্ধবিমান নামাচ্ছে মনে রাখতে হবে সম্প্রতি পাক আর্মির বায়ুসেনা বেসে জঙ্গি হামলায় পাকিস্তানের বেশ কয়েকটা যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। যদিও তারপরো কার কোনও লিস্ট প্রকাশ্যে আনেনি ইসলামাবাদ।

    তা সত্ত্বেও দুবাইয়ের বুকে ভারতের মোকাবিলা করতে এবার পাকিস্তান নামাচ্ছে জেএফ-১৭। আর চীন এ সুযোগে নামাচ্ছে এমন কিছু যা একটা সময় রাফালে মোকাবিলা করতে পারে বলে মনে করত পাকিস্তান। ভারতের তেজসের মোকাবিলা করতে নামছে চীনে জে-১০সি যুদ্ধবিমান কিন্তু এদের পক্ষে কি সম্ভব তেজসের মোকাবিলা করা? এক্ষেত্রে বলে রাখি ইমরান খানের শাসনকালে পাকিস্তানও ২৫টা মাল্টিরোল জে-১০সি যুদ্ধবিমান কিনেছিল চীনের থেকে। কিন্তু প্রশ্ন হল চীন ও পাকিস্তান তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে কেন হঠাৎ? ডিফেন্স ইকুইপমেন্ট নিয়ে খবর করা ইউরাএশিয়ার রিপোর্ট বলছে দুবাইতে হতে চলেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ার শো। ১৩ থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এ শো। যার ওপর নজর থাকবে গোটা বিশ্বের।

    এইখানে প্রত্যেক দেশ নিজেদের বেস্ট সামরিক ও অসামরিক বিমান শো করে যাতে অন্য কোনও দেশ তা কেনার বিবেচনা করে। আর সেখানেই ভারতের ‘হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্যালস লিমিটেড’ (হ্যাল)-এর যুদ্ধবিমান তেজস অংশ নিতে চলেছে। ‘লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্‌ট’ গোত্রের তেজস সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি কিন্তু পাকিস্তান এখানে শো করছে চীনের তৈরি জেএফ-১৭। এর থেকে পরিস্কার ইসালামাবাদের কাছে এমূহুর্তে জেএফ-১৭র আর কোনও বিকল্পই নেই। তবে চীনের জেএফ-১৭ যা পাকিস্তান ব্যবহার করছে সেই যুদ্ধবিমানের তুলনায় তেজসের নয়া সংস্করণ প্রযুক্তিগত উৎকর্ষে অনেক এগিয়ে এমনটা দাবি প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকিস্তানে হিন্দুরা রাজ করছে! এখানে মুসলিমরা মানায় দীপাবলি, আজব গ্রাম

    পাকিস্তানে হিন্দুরা রাজ করছে! এখানে মুসলিমরা মানায় দীপাবলি, আজব গ্রাম

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তানের মধ্যেই রয়েছে এক টুকরো ভারত। হিন্দু মুসলিমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে থাকে পাকিস্তানের এই গ্রামে। দীপাবলি থেকে ঈদ পালন হয় আলাদাভাবেই জানলে অবাক হবেন! কেউ শান্তি ভঙ্গ করতে এলে এরা কী করে জানেন? হিন্দুদের গায়ে কেউ হাতও লাগাতে পারে না পাকিস্তানের এই গ্রামে। গোটা পাকিস্তানে মুসলিমরা যতটা নিরাপদ এই গ্রামে হিন্দুরাও ঠিক ততটাই।মন্দিরের ঘন্টার ধ্বনিতেই ঘুম ভাঙে সকলের।ভাবতে পারছেন পাকিস্তানের মতো একটা দেশ যেখানে সংখ্যালঘুদের ওপর চরম অত্যাচারের খবর প্রায়দিনই শোনা যায় সেখানে এই গ্রামে হিন্দু মুসলিমরা একে অপরের ভাই ভাই। শুনলেই অবাক লাগে না! পাকিস্তানের বাণিজ্যিক শহর করাচি থেকে ২৭৫ কিলোমিটার পূর্বে এবং ভারতের রাজস্থান সীমান্ত ঘেষেই প্রায় মিঠি নামক একটি মরুগ্রাম রয়েছে এই গ্রামে হিন্দু মুসলিমদের মধ্যে কোনও বিদ্বেষ নেই।

    তথ্য বলছে মিঠিতে প্রায় ৬০ হাজার হিন্দুরা বসবাস করেন। মুসলিমরা এই গ্রামের মোট জনসংখ্যার মাত্র ২০ ভাগ। মানে গোটা পাকিস্তানে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হলেও এই গ্রামে সংখ্যাগুরু তবুও তারা মিলেমিশে একাকার। এখানে মসজিদ আর মন্দির এক সারিতে। মন্দিরের ঘণ্টা আর আজানের ধ্বনির মধ্যে কোনো বিরোধ নেই কিন্তু এমনটা কীভাবে সম্ভব? পাকিস্তানের অশান্তির আঁচ কেন পৌঁছতে পারে না এই গ্রামে? সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারাই বলছেন মিঠিতে হিন্দু মুসলিমদের সম্প্রীতি আজকের নয়, নাই নাই করে প্রায় ২০০ বছরের। এর মানে দেশভাগে কোনও প্রভাবই এদের মধ্যে পড়েনি। অনেকেই বলেন প্রভাব পড়েনি কারণ তারা পড়তে দেননি। তাদের ভালোবাসা ও একে অপরকে শ্রদ্ধার কাছে হার মানে বিদ্বেষ-ঘৃণা।এখানে ধর্মীয় উৎসবে একে অন্যকে মিষ্টি ও অন্যান্য উপহার দেয়া হয় তা সে দীপাবলি হোক বা ঈদই হোক না কেন।

    স্থানীয় অধিবাসীরা বলেন ১৬ শতকের শুরুতে শান্তিকামী হিন্দু সম্প্রদায় এই গ্রাম গড়ে তোলে। মিঠির একটাই সমস্যা যে এখনকার মাটি উর্বর নয় সহজে জল ঢোকে না এই জমিতে ফলে চাষাবাদও কম হয়। এখানকার মানুষের প্রধান বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে তারা শান্তিপ্রিয়। কম ইনকাম, গরিব তারা তবুও তাতেই খুশি। মিঠিতে ৩৬০টি মন্দির আছে যার মধ্যে ১২টি সচল। বাকি মন্দিরগুলোর জমি বেআইনি হওয়ায় চালু করা যাচ্ছে না। আরেকটা অবাক করা তথ্য শুনবেন? মিঠি গ্রামে কোনো গরু বেঁধে রাখা হয় না। হিন্দু মুসলিম উভয়ই গরুর প্রতি যত্নবান। হিন্দুরা মুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আসেন আর মুসলিমরা হিন্দুদের অনুষ্ঠানে যায়। মহররমে তো উভয়ই চাঁদা দিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। রমজান মাসে কেউ প্রকাশ্যে খায় না। হলির আয়োজনে মুসলিমরাও চাঁদা দেয়।

    অবিশ্বাস্য লাগবে শুনতে মিঠিতে অপরাধের হার পাকিস্তানের যেকোনও জায়গার চেয়ে কম মাত্র ০.২%। এর মানে পাকিস্তানের মধ্যে সবচেয়ে কম অপরাধ হয় এই শহরে। এখানে ধর্মীয় অশান্তি হয়নি কোনও দিন। জোর করে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা ঘটেনি কোনও দিন। চেষ্টা করে কোনও পাকিস্তানি মৌলবাদী সংগঠন মিঠিতে জাল বিছাতে পারেনি। হিন্দু মুসলিমরা যৌথভাবে সেই জাল কেটে দিয়েছেন। পাকিস্তানের কোল মাইনিং অথরিটি থর-পার্কার জেলার ৯৬০০ স্কোয়ার কিলোমিটার জুড়ে ১২ ব্লকের কয়লা খনি আবিষ্কার করেছে। যার মধ্যে ৭৫০ বিলিয়ন টন কয়লা আছে বলে অনুমান করছে সরকার। চীন থেকে এক্সপার্ট আসছে পাকিস্তান সরকার বাড়াতে চায় মিঠি শহরের পরিধি তৈরী করতে চায় রাস্তাঘাট, পরিকাঠামো। মিঠির বাসিন্দারা এককাট্টা সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ভাঙতে পারে এমন কিছুই করা চলবে না। বাইরের লোকের এখানে থাকা চলবে না। দিনে দিনে আসুন, কাজ করুন, দিনে দিনেই শহরে ছাড়ুন। তাঁরাও চান এলাকার উন্নতি হোক কিন্তু উন্নয়নের নামে মিষ্টি মিঠিতে মৌলবাদের আমদানি চলবে না। পাকিস্তানের সাংবাদিকরাই বলেন পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অস্থিরতা যতই বাড়ুক না কেন মিঠির শতবছরের ঐতিহ্যে কোনো প্রভাব ফেলতে পারে নি। এর একটাই কারণ, সেটা হলো তাদের ভাতৃত্ববোধ অত্যন্ত প্রবল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকিস্তান আর্মির কাউন্টডাউন শুরু! ৩ অস্ত্রে সব শেষ, অতীতই ভোগাচ্ছে টিম মুনিরকে

    পাকিস্তান আর্মির কাউন্টডাউন শুরু! ৩ অস্ত্রে সব শেষ, অতীতই ভোগাচ্ছে টিম মুনিরকে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তান আর্মি পৃথিবীর বুক থেকে মুছে যাবে?
    ২০১৪ সালে যে পাপ করেছিল এখন তার ফল ৩ কাঁটায় জেরবার হয়ে পালাবার পথ পাচ্ছেন না জওয়ানরা। কেন বারবার পাক সেনাকেই টার্গেচ করে হামলা হচ্ছে? ভারতের দরকার নেই পাকিস্তানই শেষ করবে পাক আর্মিকে। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী নিজেদের বাঁচাবে না পাকিস্তানকে রক্ষা করবে? পায়ের ওপর পা তুলে শাসন করার দিন বোধহয় শেষ এবার। কারণ ৩ কাঁটায় গলা পর্যন্ত বিঁধে রয়ে ইসলামাবাদের সেনা। যা বের করা মুশকিল ই নয় না মুমকিন বলছেন বিশেষজ্ঞ। অবশ্য এক্ষেত্রে পাকিস্তানীদের একাংশের মত অনেক তো হল অত্যাচার, স্বৈরাচারীতা এবার এসব শেষ হওয়ার পালা। পাকিস্তানের মানুষই বলবে আসলে শেষ কথা। একের পর এক জঙ্গি হামলা হচ্ছে কিন্তু ঠেকাতে পারছে না আর্মি।

    অনেকে মনে করছেন পাকিস্তানের সেনা এই মুহূর্তে যে সঙ্কটের মুখোমুখি হয়েছে ২০১৪ সালের পর থেকে সেই অবস্থা আর কখনও হয়নি। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অবস্থান থেকে ২০১৪ সালে নতুন একটি অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিল পাকিস্তানের সেনা। সেখানেই লুকিয়ে আছে ‘কাঁটা’। কারণ, সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে পাল্টা পাটকেল ধেয়ে আসছে তাদের দিকেও। এমন কি করেছিল পাকিস্তান আর্মি ২০১৪ সালে? একটা কথা জেনে রাখুন ইমরান খান জেলে যাওয়ার পরই কিন্তু পাকিস্তান আর্মির কার্যত দুর্দশা শুরু হয়ে গিয়েছে।
    গোটা বিষয়টা বললে বুঝতে পারবেন দুটোর কী লিঙ্ক রয়েছে ২০১৪ সালে পাকিস্তানের সেনা সন্ত্রাসবাদ বিরোধী যে অভিযান ঘোষণা করেছিল
    তার নাম জ়ারব্‌-ই-আজ়ব জঙ্গিগোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে এটিই ছিল। পাক সেনার সব থেকে বড় অভিযান। এবার তারই পাল্টা পরিণতিতে ভুগছে সেনা। গত কয়েকমাসই দেখে নিন না পাক সেনার উপর পর পর কয়েকটি জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে গেছে। গত সপ্তাহেই গোয়াদরে পাক সেনার একটি কনভয়ে হামলা চালায় জঙ্গিরা। মোট ১৪ জন সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয় সেই হামলায়। সেনার কনভয়টি বালুচিস্তানের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। এরপরই পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের মিয়ানওয়ালিতে পাক বায়ুসেনার ঘাঁটিতেও জঙ্গি অ্যাটাক। আর ৩ কাঁটার অন্যতমই হল এই জঙ্গি হামলা।

    যা নিস্তার পাওয়ার পর সেনা বল এখন ইসলামাবাদের আছে নাকি তা বেশ সন্দেহের। ইমরান খান ও তাঁর গ্রেফতারি দেশের সাধারণ মানুষ ভাল চোখে দেখেননি। পাকিস্তানের সেনা ইমরান সাপোর্টারদেরকে দমাতে চাইছে কিন্তু এর একটা আউটবার্স্ট যে হবেই তা অনেকেই বলছেন হেফাজতে থাকাকালীন পাক সেনার বিরুদ্ধে ইমরান শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁকে খুন করা হতে পারে বলে আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন। এখন সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ কোনওকিছুই গোপন করার মতো নয়। তাই পাক সেনার কুকীর্তীও ছড়িয়ে পড়েছে তাদের দেশের আনাচে কানাচে। ৩য় কাঁটা বলতে পারেন বালুচিস্তান। বালুচিস্তান প্রদেশে বাড়তে থাকা সমস্যা পাক বাহিনীকে ভাবাচ্ছে। ওই এলাকায় সেনা-বিরোধী বিদ্রোহ দমন করা বাহিনীর সামনে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বালুচিস্তানে জঙ্গিগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সঙ্গে পাক সেনার যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ২০২২ সালে তার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়। এর পর থেকেই সেনার উপর হামলার পরিমাণ বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী মহলের দাবি পাক আর্মিকে যদি ধ্বংস না হতে হয় তাহলে স্ট্রাটেজি বদলাতে হবে নয়ত তাদের টিকে থাকা মুশকিল।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকিস্তানের রাজধানী বদল ! ইসলামাবাদে কী আছে যা দিল্লিতেও নেই ? জিন্না চাননি এমন হোক

    পাকিস্তানের রাজধানী বদল ! ইসলামাবাদে কী আছে যা দিল্লিতেও নেই ? জিন্না চাননি এমন হোক

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তানের রাজধানী করাচী থেকে কেন চলে গেল ইসলামাবাদে? ইসলামাবাদে এমন কী আছে যা দিল্লিতেও নেই? পাকিস্তান হওয়ার সময় অস্তিত্বই ছিল না এই শহরের। জিন্নার করাচীকে কেন পছন্দ করেননি ততৎকালীন প্রেসিডেন্ট আয়ূব খান ইসলামাবাদে রাজধানী হওয়ার ক্ষতি নাকি লাভ হয়েছিল পাকিস্তানের? পাকিস্তান তৈরি হওয়ার আগে কেমন ছিল ইসলামাবাদ? ৫৭ বছরে আদৌ কি কোনও বদল হয়েছে এর। পাকিস্তানের মানুষের ইসলামাবাদ নিয়ে গর্ব করেন কিন্তু কেন? এখানে এমন কী আছে যা ভারতের দিল্লিতেও নেই? খতরনাক এলাকা নাকি অবাক করার মতো জায়গা ইসলামাবাদ?

    ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান গঠন হওয়ার পর করাচী ছিল পাকিস্তানের ইমিডিয়েট রাজধানী। মুহম্মদ আলির জিন্নার পছন্দ ছিল করাচী। তাহলে এমন কি ঘটে গেল যে রাজধানীকে রাতারাতি বদলে দিতে হল? জানা যায় ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের ততৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেনারেল আয়ুব খান মনে করেছিলেন দেশের রাজধানী এমন একটা জায়গায় হওয়া উচিত যেখানে রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপক সুবিধা পাওয়া যাবে। করাচী সেক্ষেত্রে ছিল পাকিস্তানের এক প্রান্তে অবস্থিত। যেমন ভাবনা তেমন কাজ। একটি কমিশন গঠন করে বেছে নেওয়া হল রাওয়ালপিন্ডির উত্তর-পূর্বে জঙ্গলে ভরা একটি ফাঁকা এলাকা। ১৯৬০ সালে শহর নির্মাণ শুরু হয় সেই জায়গাতেই। যা ছিল করাচীর বাণিজ্যিক এলাকা ও ভারতের কাশ্মীর থেকে বেশ দূরে। ইউরোপীয় নগর পরিকল্পনাবিদরা এসে এর প্ল্যান বানান। সেই শহর তৈরি করতে ৬ বছর লেগে যায়। ১৯৬৬ সালে পুরোদস্তুর তৈরি হয়ে যায় ইসলামাবাদ। ইসালামাবাদ মানে ইসলামের শহর। সেজন্যই তো ইসলামাবাদের জনসংখ্যার ৯৬ শতাংশই মুসলিম। এখানে মাত্র ১.৬০ শতাংশ হিন্দু পাবেন আপনি।

    ২০১৭ আদম সুমারির হিসেব বলছে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত নিরাপত্তায় কতটা উন্নত কিন্তু জানেন কি ভারতের গোয়েন্দা বিভাগ, সেনাবিভাগ, পালার্মেন্ট সহ গুরুত্বপূর্ণ অফিস যেমন নয়াদিল্লিতেই রয়েছে পাকিস্তানের আর্মির অফিস কিন্তু এখনও রাওয়ালপিন্ডিতে। ইসলামাবাদ তৈরির কিছু আগে রাওয়ালপিন্ডি থেকেই হত পাকিস্তানের প্রশাসনিক কাজ। তবে পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ও আইএসআইয়ের অফিসিয়াল হেডকোর্য়াটার রয়েছে ইসলামাবাদেই। ৯০৬ বর্গ কিমি ইসলামাবাদে ১২ লক্ষ মানুষের বসবাস। তবে পাহাড়ের ঠিক পাশেই হওয়ায় ইসলামাবাদের আবহাওয়া বেশ মনোরম। রাজধানী যেহেতু পুরোনো শহর নয় তাই এর রাস্তাঘাট, জল নিকাশি ব্যবস্থা সমস্তটাই ওয়েলপ্ল্যানড‌। পাকিস্তানের সব রাজ্যের মধ্যে শিক্ষার হার সবথেকে বেশি ইসলামাবাদেই। এখানেই রয়েছে জনপ্রিয় শাহ ফয়সান মসজিদ। বলা হয় করাচী এমন একটা শহর ছিল যা মুম্বই থেকে বেশি দূর ছিল না। তাই পাকিস্তান চাইলে অ্যাটাক করতে পারত মুম্বইয়ের ওপর।

    করাচী ও লাহোরের পর পাকিস্তানের ৩য় বড় স্টক এক্সচেঞ্জ হল ইসলামাবাদে। ইসলামাবাদ ইনফরমেশন টেকনলজি সহ বহু আইটি কোম্পানিও রয়েছে এই শহরে। পাকিস্তানের একের পর এক সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে তারা নিজেরাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চোখে ছোট হয়ে গিয়েছে। সেসঙ্গে দেশটার অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের জেরে ভারতের দিল্লির তুলনায় ইসলামাবাদের যতটা উন্নতি প্রাপ্ত সেটা থমকে গিয়েছে এমনটাই দাবি পাক থিঙ্ক ট্যাঙ্কদের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • কাতারকে সৌদি দাওয়াই মোদীর! দোহা-পাকিস্তান গোপন বৈঠক প্রকাশ্যে, চাপ বাড়ল অন্য পথে

    কাতারকে সৌদি দাওয়াই মোদীর! দোহা-পাকিস্তান গোপন বৈঠক প্রকাশ্যে, চাপ বাড়ল অন্য পথে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    কাতারের সঙ্গে পাকিস্তান আর্মি প্রধানের লাগাতার মিটিং। ভারতকে সবক শেখাতে পাকিস্তানই করেছিল প্ল্যান। মোদী সৌদি মডেল আরোপ করবে কাতার ওপর। পাকিস্তানের থিঙ্ক ট্যাঙ্কদের ভারতকে সাপোর্ট ঘুম ছুটল দোহার। অর্থনীতিতে প্রতিপত্তি থাকা মানেই যে বিদেশনীতিও স্ট্রং এমনটা ভুলেও ভাববেন না। পাকিস্তানের ফাঁদে পা দিয়ে দিল কাতার। এবার দোহা বুঝবে কাদের সঙ্গে পাঙ্গা নিয়েছে তারা। পাকিস্তানের থিঙ্ক ট্যাঙ্করা ৮ ভারতীয় অফিসারের মৃত্যুদন্ডের নির্দেশে কাতারকে নয় সমর্থন করছে ভারতকেই। সৌদি মডেল কী? যা ভারত যে কোনো মূহুর্তে অ্যাপ্লাই করতে পারে কাতারের ওপর। কাতার হঠাত করে এমন নির্দেশ দেওয়ার পর প্রথমেই সন্দেহের তীর ছিল পাকিস্তানের দিকে। এবার পাক মিডিয়ার এক খবরে সেই সন্দেহ যেন বাস্তবে পরিণত হওয়ার দিকেই ইঙ্গিত করছে এমনটাই বলছে ওয়াকিবহাল মহল।

    কেন এখনই কাতার আর্মির মাথারা পাকিস্তানে সফর করল? কেন পাকিস্তানের আর্মি প্রধান আসিম মুনির তাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন? জানা যাচ্ছে এই বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কাতার ও পাকিস্তানের। তবে জল যেদিকে গড়াচ্ছে সেটাকে খুব একটা সুবিধা মনে করছেন না বিশ্লেষকেরা। তারা বলছেন এমনিতেই পাকিস্তানের সঙ্গে কাতারের সম্পর্ক বেশ মজবুত। পাকিস্তানকে অর্থনৈতিকভাবে বিভিন্ন সময় সাহায্য করেছে কাতার। আবার ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপের সময় পাক আর্মিই কাতারের বিভিন্ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গেছিল সেদেশে। শুধু তাই নয় কাতারের রাজা ও রাজকুমার তাদের শিকারের শখ পুরণের জন্য বারবার পাকিস্তান যান। তাই এই মিটিংয়ের খবর ফাঁস হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে পাকিস্তানের কতটা উস্কানি ছিল।কাতারে ভারতের ৮ অফিসারকে অপরাধী প্রমাণ করার নেপথ্যে একটা কথা জেনে নিন কানাডা কিন্তু যে অভিযোগটা ভারতের বিরুদ্ধে তুলেছিল সেটা এখনও প্রমাণ করতে পারেনি। নিজ্জরের হত্যাকারীরা যে ভারতের সঙ্গে জড়িত তার কোনও প্রমাণ ট্রুডো তুলে ধরতে পারেননি। এদিকে কাতার ভারতকে এই সংক্রান্ত কোনও প্রমাণ দেখানোর প্রয়োজনই মনে করেনি। এক্ষেত্রে পাকিস্তানি থিঙ্ক ট্যাঙ্কেরা বলছেন কাতার জেনে বুঝে নিজের পায়ে নিজেই কোপ দিল।

    কাতারের সঙ্গে সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের সম্পর্ক একেবারেই সুখকর নয়। এমন অবস্থায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কি এ কেসে ওই দুই দেশের সাহায্য নিতে পারেন? এখানেই উঠে আসছে সৌদি মডেলের কথা। সৌদি আরবেও শরিয়ত নিয়মে চলে আইন কাতারেও। তাই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আইন খুব শক্ত হলেও অনেক সময় মৃত্যুদন্ড দেওয়ার পরও সাজা কম হয়ে যায়। ১৯৯৭ সালে সৌদিতে অস্ট্রেলিয়ার নার্সকে হত্যার ঘটনা ব্রিটেনর ২ নার্সকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়েছিল কিন্তু ব্রিটেনের কূটনৈতিক চাপে ২ নার্সকে মুক্তি দেয় সৌদি। এর মানে মিডল ইস্টে আগে যা হয়েছে তা এখনও হতে পারে। তবে ভারত সৌদিকে এই ঘটনায় জড়াবে কিনা যদিও এমন কোনও খবর এখনও সামনে আসেনি। পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী মহলের দাবি কাতার যদি পাকিস্তানের পরিকল্পনায় এমন কিছু করে থাকে তাহলে তারা জানে না ভারতের বর্তমানে বিদেশনীতি ও কূটনীতি ঠিক কতটা পরিমাণ শক্তিশালী।

    আমেরিকা কাতারের সামরিক সহযোগী। ভারতের চেষ্টা হতে পারে আমেরিকার দ্বারা কাতারের ওপর চাপ সৃষ্টি করার এমনকি ৮ প্রাক্তন নেভি অফিসারকে দেশে ফেরানোর জন্য ভারত রাষ্ট্রপুঞ্জেরও দ্বারস্থ হতে পারে। তবে কাতার যেমন গোপনেই গোটা বিচারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে তেমন ভারত এখনও পর্যন্ত কী কূটনৈতিক স্টেপ নিল। সেই খবর কিন্তু কোনওভাবেই প্রকাশ্যে আনা হয়নি। এবার দেখার খেলা কোনদিকে ঘোরে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • কাশ্মীরে কেন ঠাঁই হয়নি রাজা হরি সিংয়ের! ঝড়ঝাপটা ভরা জীবন, শেষে কে পেল ক্ষমতা ?

    কাশ্মীরে কেন ঠাঁই হয়নি রাজা হরি সিংয়ের! ঝড়ঝাপটা ভরা জীবন, শেষে কে পেল ক্ষমতা ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    কাশ্মীরের রাজা হরি সিংয়ের ঠাঁই কেন হয়নি উপত্যকায়? কাশ্মীরকে ভারতে অন্তর্ভুক্ত করার চরম ফল পেয়েছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে বড় ঝড়ঝাপটা, একের পর এক শোকের শিকার হয়েছিলেন হরি সিং। নেহেরু বা জিন্না নয় কে ছিলেন হরি সিংয়ের কাছের মানুষ? কাশ্মীরের ইতিহাসের কথা উঠলেই মহারাজা হরি সিংয়ের কথা ওঠে কিন্তু তিনি কেমন ছিলেন? রাজা হয়ে এমন কোন বড় কাজ করেছেন? কাশ্মীরবাসীদের জীবনে তার অবদান কী তাঁর ব্যক্তিগত জীবন আসলে কতটা রহস্যে ভরা ছিল? জানেন মহাত্মা গান্ধীর কতটা কাছের ছিলেন রাজা হরি সিং? তাঁর পুত্র করণ সিং এখন কোথায় কাশ্মীরে থাকেন নাকি? তথ্য বলে বিলাসবহুল জীবন থাকা সত্ত্বেও জীবনের শেষ দিনগুলোতে কাশ্মীরে ঠাঁই হয়নি হরি সিংয়ের।

    রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার আদর্শে চলা রাজা হরি সিং কাশ্মীরে এনেছিলেন যা না হলে কাশ্মীরিরা আজ বোধহয় শিক্ষার আলো পেতেন না। ডোগরা রাজপুত বংশে হরি সিংহের জন্ম ১৮৯৫-এর ২৩ সেপ্টেম্বর। এই ডোগরা বংশ প্রথমে ছিল শিখ শাসকদের সেনাদলে। তারপর ব্রিটিশদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাকে সম্বল করে ক্ষমতাদখল করে। ১৮৪৬ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ শিখদের পরে তারাই হয়ে ওঠে উপত্যকার শাসক। আর এই বংশের প্রথম শাসক ছিলেন গুলাব সিংহ জামওয়াল। গুলাব সিংহের উত্তরাধিকার-ধারায় রাজা অমর সিংহ জামওয়ালের পুত্র হরি সিংহ চোদ্দ বছর বয়সে তিনি তাঁর বাবাকে হারান। সেই অবস্থায় তাঁর শিক্ষার দায়িত্ব নেয় ব্রিটিশ সরকার। মেজর এইচ কে ব্রার ছিলেন ব্রিটিশ সরকার নিযুক্ত হরি সিংয়ের অভিভাবক। অজমেঢ়ের মেয়ো কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করেন। তারপর ছিল তাঁর সেনা-প্রশিক্ষণের পালা যা হয় দেহরাদূনের তৎকালীন ইম্পেরিয়াল ক্যাডেট কর্পস-এ।

    পড়াশোনা বা ঐশ্বর্যে কোনও খামতি না থাকলেও হরি সিংয়ের ব্যক্তিগত জীবনে ছিল নানান ঝড়ঝাপটা। চার বার বিবাহ হয়েছিল। হরি সিংহের বিয়ের দু’বছর পরে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মারা যান তাঁর প্রথম রানি। তারপর দ্বিতীয় বিবাহ মাত্র পাঁচ বছরের দাম্পত্যের পরে মৃত্যু হয় নিঃসন্তান দ্বিতীয় স্ত্রীর। তৃতীয় রানিও ছিলেন সন্তানহীনা। পুত্রসন্তানের জন্ম দেন চতুর্থ রানি কাংড়ার তারা দেবী সাহিবা। বিয়ের তিন বছর পরে ১৯৩১ সালে জন্ম হয় হরি সিংহ ও তারা দেবীর একমাত্র পুত্র করণ সিংয়ের। ১৯৫০ সালে ভেঙে যায় রাজা হরি সিংহের চতুর্থ বিয়ে। রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষতার পথে চলা হরি সিং বারবার বিরোধীতা করেছিলেন মুসলিম লিগের। আবার কংগ্রেস বা জওহরলাল নেহরুরও ঘনিষ্ঠ ছিলেন না তিনি। কাকা প্রতাপ সিংহের মৃত্যুর পরে ১৯২৫ সালে সিংহাসনে অভিষেক হয় হরি সিংহের। এই সালটা অনেকেরই জানা তবে হরি সিং নিজের রাজত্বে প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেছিলেন। আইন জারি করেছিলেন বাল্যবিবাহ রোধে নিম্নবর্গের জন্য খুলে দিয়েছিলেন ধর্মস্থানের দরজাও।

    হরি সিং কোনওদিনই চাননি ভারত বা পাকিস্তান কোনও দিকেই অন্তর্ভূক্ত হোক কাশ্মীর কিন্তু পাকিস্তান সেনার হামলা থেকে নিজের প্রদেশকে রক্ষা করতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাহায্য নেওয়া ছাড়া তাঁর আর কোনও‌ উপায় ছিল না। অথচ দেখুন কাশ্মীরের এত বড় ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হরি সিংয়ের শেষ ঠাঁই একেবারেই উপত্যকায় হয়নি। ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিস্থিতি সবই হরি সিংহের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছিল। তিনি বাধ্য হন ছেলে কর্ণ সিংহকে যুবরাজ ঘোষণা করতে। পরিস্থিতির চাপে কাশ্মীর ছাড়তে বাধ্য হন হরি সিংহ। তখন ক্ষমতায় আসেন ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা শেখ আবদুল্লা। আর হরি সিং কোথায় গেলেন জানেন? ক্ষমতাচ্যুত হরি সিংহের জীবনের শেষ দিনগুলো কেটেছিল আরবসাগরের তীরে। সাবেক বম্বে শহরে যা এখন মুম্বই। সেখানেই প্রয়াত হন ১৯৬১-র ২৬ এপ্রিল। তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী চিতাভস্ম ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। জম্মু ও কাশ্মীরে অস্থি বিসর্জন করা হয়েছিল জম্মুর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া তাওয়ই নদীতে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারত-বাংলাদেশে ঢুকবে পাকিস্তানের তাড়ানো শরণার্থীরা! ১৭ লক্ষ আফগান যাবে কোথায়? চিন্তা বাড়ছে

    ভারত-বাংলাদেশে ঢুকবে পাকিস্তানের তাড়ানো শরণার্থীরা! ১৭ লক্ষ আফগান যাবে কোথায়? চিন্তা বাড়ছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারত-বাংলাদেশে ঢুকবে পাকিস্তান থেকে বিতাড়িত আফগান শরণার্থীরা। পাকিস্তান কেন ১৭ লক্ষ আফগান অভিবাসীকে বের করে দিল? বড় বিপদের আশঙ্কায় ইসলামাবাদ কাঠ হয়ে যাচ্ছে পাকিস্তানে কত দেশের রিফিউজিরা বাসা বেঁধে রয়েছে? ভারত ও বাংলাদেশ কি আফগান শরণার্থীদের জন্য দরজা খুলে দেবে? কারণ পাকিস্তান এদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার প্রসেস অলরেডি শুরু করে দিয়েছে। কোন ধরণের চালাকি চায় না তাই সীমান্তে পাক সেনা এবং ফ্রন্টিয়ার কোর বাহিনীর বাড়তি মোতায়েন করেছে ইসলামাবাদ। ভারত ও বাংলাদেশে বর্তমানে ঠিক কত শরণার্থী আছে? রোহিঙ্গা ছাড়াও বাংলাদেশে আর কোন রিফিউজিরা রয়েছেন ভারতের শরণার্থী তালিকা লম্বাচওড়া তাই নতুন করে কি আফগানিস্তানকে আশ্বাস দেওয়া সম্ভব? এটা জানতে গেলে আগে জানতে হবে নিজেদের দেশ থেকে আফগানা পাকিস্তানে কেন পালালেন?

    আশির দশকে আফগানিস্তানে সোভিয়েত সেনার অনুপ্রবেশ এবং মুজাহিদ বাহিনীর সঙ্গে তাদের লড়াই শুরুর পর থেকে পাকিস্তানে মূলত পাশতুন জনগোষ্ঠীর শরণার্থীদের ভিড় শুরু হয়েছিল। দু’দশক আগে আফগানিস্তানে আমেরিকার সেনা অভিযান শুরুর পরে কয়েক লক্ষ আফগান নাগরিক প্রাণের ভয়ে পাকিস্তানে চলে আসেন। মূলত পাক-আফগান সীমান্ত লাগোয়া খাইবার-পাখতুনখোয়া এছাড়াও বালুচিস্তান প্রদেশে তারা বসবাস করতেন। এতবছর একটা দেশে থাকার পর হঠাৎ করে এমন কি হল তাদেরকে রীতিমত আল্টিমেটাম দিয়ে দেশ ছাড়া করছে পাকিস্তান সরকার। পাক সরকারের দাবি এই আফগান শরণার্থীদের সংখ্যা প্রায় ৪০ লক্ষ। যদিও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সমীক্ষায় তা সাড়ে ১৭ লক্ষের আশপাশে। এত শরণার্থী কি তাহলে ভাগ হয়ে যাবেন ভারত বাংলাদেশে? ২০২২র হিসাব বলছে ৪ লক্ষেরও বেশি শরণার্থী ভারতে বাস করে। এদের মধ্যে ২,১৩৫৭৮ জনের নাম সরকারীভাবে রেজিস্টার্ড মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা, তিব্বতি শরণার্থী, বাংলাদেশ থেকে আসা চাকমা শরণার্থী একাত্তর সালে বাংলাদেশী শরণার্থী এবং ১৯৮০র এর দশকের শ্রীলঙ্কার তামিল শরণার্থীদের ভারতে বাস।

    পাকিস্তানে আফগানরা ছাড়া আর কোনও দেশের মানুষই শরণার্থী পরিচয় নিয়ে থাকে না। এবার যে কারণে পাকিস্তান এদের দেশ ছাড়তে বলছে তা হল পাকিস্তানে সম্প্রতি জঙ্গি ও সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। হ্যাঁ পাকিস্তান নিজে এবার তিতিবিরক্ত টেররিজম নিয়ে। তবে দীর্ঘ দিন ধরে আফগান শরণার্থীদের জন্য বিপুল অঙ্কের আন্তর্জাতিক অর্থসাহায্য এবং ত্রাণ পেয়েছে ইসলামাবাদ এটা ভুলে গেলে চলবে না। ২০২১ সালের অগস্টে কাবুলে তালিবানের ক্ষমতা দখলের পরে সীমান্ত চিহ্নিতকরণ নিয়ে দু’দেশের বিরোধ শুরু হয়। তথ্য বলছে চলতি বছরের শুরু থেকে জুন পর্যন্ত পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত ২৭১টি হামলা হয়েছে। পাকিস্তানের নিষিদ্ধ তালেবানপন্থি দল টিটিপি’র বিরুদ্ধে এসব হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। পাকিস্তান পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে এসব হামলার ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে নিবন্ধনবিহীন আফগান শরণার্থীদের।

    আর এই অনিবন্ধিত শরণার্থীই রয়েছেন ১৭ লাখের বেশি যাদের কাছে কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই। সেই শরণার্থীদেরই ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তান। বেশ কয়েকটি আত্মঘাতী মানববোমা হামলায় আফগান শরণার্থীদের জড়িত থাকার প্রমাণও মিলেছে। এখানে বলে রাখি টিটিপির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ছাড়াও সম্প্রতি বিভিন্ন সহিংস অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে আফগান শরণার্থীরা। চলতি সেপ্টেম্বরে কেবল করাচি শহর থেকেই সহিংসতা ও অন্যান্য অপরাধে জড়িত থাকায় ৭০০ আফগানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এটাও ঠিক যারা পাকিস্তান ছাড়ছেন তাদের গন্তব্য কিন্তু ভারত বা বাংলাদেশ নয় তারা সোজা নিজেদের দেশ আফগানিস্তানেই ফিরছেন। পাক-আফগান সীমান্তবর্তী খাইবার-পাখতুনখোয়া বালুচিস্তান প্রদেশের বিভিন্ন চেকপোস্টে দেখা গিয়েছে আফগানিস্তানের মানুষ ও যানবাহনের দীর্ঘ সারি। মঙ্গলবার ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ সীমান্ত পেরিয়েছেন বলে পাক সংবাদমাধ্যমের একাংশের দাবি। এবার দেখার কবে আফগানদের নিজেদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতের আকাশে লোহার প্রোটেকশন! রাশিয়া থেকে সাবধান পাকিস্তান,  LACতে তাক ব্রহ্মাস্ত্র

    ভারতের আকাশে লোহার প্রোটেকশন! রাশিয়া থেকে সাবধান পাকিস্তান, LACতে তাক ব্রহ্মাস্ত্র

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারতের আকাশ লোহার প্রটেকশনে ঢেকে যাচ্ছে। পাকিস্তানের এক একটা মিশাইলকে গিলে খাওয়া শুরু হবে। ভারত বড় বৈঠকে বসছে রাশিয়ার সঙ্গে এই দেশের মাটিতেই। সীমান্তে এতটা প্রটেকশন কেন হঠাৎ করে? স্থলসুরক্ষা থেকে ভারতের মেন টার্গেট সিফট হচ্ছে যাচ্ছে আকাশ সুরক্ষায়? ভারতের সামনে কি কোনওবড়সড় হুমকি রয়েছে? পাকিস্তানের তরফ থেকে নাকি আবারও চীন ভিলেন? যে খবর কোনওভাবেই প্রকাশ্যে আনতে চাওয়া হচ্ছে না। ২৪ ঘন্টায় দুটো খবরের হেডলাইনের ইঙ্গিত একেবারে সেদিকেই ভারত পাকিস্তান-চীন সীমান্তে মোতায়েন করে ফেলল রুশ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম S 400। একেবারে রেডি করে ফেলা হয়েছে তিন ইউনিট S-400। একবার অ্যাকশন বললেই খেলা শুরু করে দেবে এই ব্রহ্মাস্ত্র। ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের মাঝেই পাকিস্তানকে বড়সড় হুঁশিয়ারি দিতেই কি সীমান্তে এত বড় অ্যাকশন নিল দিল্লি? কিন্তু রাশিয়া কি ভারতকে দেওয়া কথা রাখল না?

    S-400 চুক্তির সময়ে যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল মস্কো তাতে এত ডিলে হচ্ছে কেন? দেশের সুরক্ষা নিয়ে যেহেতু কোনও আপস নয় সেজন্য এবার ভারত নিতে চলেছে বড়সড় স্টেপ? সেটা কি রাশিয়ার বিরুদ্ধে নাকি? ধৈর্য ধরুন অবশ্যই জানাবো। ভারতের গোয়েন্দা সূত্র বলছে বেশ কয়েকমাস ধরে পাকিস্তান S-400কে বোকা বানানোর পন্থা খুঁজছে। অর্থনৈতিক সঙ্কটে ধুঁকতে থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তান বেশ মিশাইল টেস্ট করছে কিন্তু তাতে বিশেষ একটা লাভ হচ্ছে বলে মনে করছেন না প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। কারণ খেলা তখনই ঘুরেছে যখন আমেরিকা চীনের ৩ কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা লাগিয়ে দিয়েছে যারা পাকিস্তানকে মিশাইল পরীক্ষা করার সরঞ্জাম পাঠাতো। এর মানে সোজা কথায় S-400কে বরবাদ করার স্বপ্ন দেখা পাকিস্তান নিজে তো ডুবলই তার সঙ্গে চীনকেও নিয়ে ডুবল, কিন্তু ইসলামাবাদ কি আর এত সহজে হার মানবে।

    শোনা যাচ্ছে S-400এর মোকাবিলা করার জন্য পাকিস্তান তাদের বায়ুসেনার পাইলটদের রীতিমত ট্রেনিং দিচ্ছে। আর এই ট্রেনিংয়ে পাকিস্তান ব্যবহার করছে চীনের লড়াকু বিমান জেএফ ১৭ ও জে১ওসি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু এরাও S-400কে ট্র্যাক করতে রীতিমত ব্যর্থ। প্রতিরক্ষামহলের দাবি S-400কে ধ্বংস করতে হলে ৪০০ কিমি দূর থেকে হামলা করতে হবে। একবার যদি কোনওভাবে এর সীমা পাকিস্তানের মিশাইল ঢুকে যায় এদের গিলে খাবে S-400 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। এবার ভারত রাশিয়ার সঙ্গে বসতে চলেছে মিটিংয়ে চীন ও পাকিস্তান সীমান্তে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রের তিনটি স্কোয়াড্রন মোতায়েন করা হয়েছে। বাকি দুটি স্কোয়াড্রন কবে পাঠানো হবে তা নিয়ে শীঘ্রই রাশিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছেন ভারতীয় আধিকারিকরা। কবে ওই দুটি স্কোয়াড্রন ভারতের হাতে আসবে তা নিয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা হবে বলে সূত্রের খবর। তবে পাকিস্তানকে সায়েস্তা করতে যে তিনটি ইউনিটই কাফি এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ISI-র শত্রু নওয়াজ শরিফ ! পাক সেনাকে দিলেন বড় ঘুষ, প্রধানমন্ত্রীত্বের স্বপ্নে জল নাকি?

    ISI-র শত্রু নওয়াজ শরিফ ! পাক সেনাকে দিলেন বড় ঘুষ, প্রধানমন্ত্রীত্বের স্বপ্নে জল নাকি?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তানের সেনার বড় শত্রু নওয়াজ শরিফ। খেলা উল্টে গেল  হটাৎ করে। ISIর বিরুদ্ধে লাগাতার বিষোদগার এই শরিফ। শত্রুর শত্রুকে কীভাবে বন্ধু করবেন শরিফ পাকিস্তানের আর্মিকে কোন ঘুষ দেওয়া হবে? নওয়াজ শরিফ কি এবার ঝোপ বুঝে কোপ মারবেন? দেশের জনতা যখন পাক আর্মি প্রতি ক্ষেপে তখন বিদেশে বসেই পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সেইসঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইকে তুলোধনা করেছিলেন শরিফ। ইমরান খানকে তিনি বলেছিলেন পাক সেনা ও আইএসআইয়ের তোতাপাখি, কিন্তু এবার শরিফ কোথায় যাবেন? পাকিস্তানের কুর্সিতে বসতে গেলে তো সেনাকে বন্ধু বানাতেই হবে। কোন পথে কী ঘুষ দেবে তাঁর দল পাকিস্তান আর্মিকে?

    পাকিস্তানের সব চরিত্রগুলোই কেমন যেন বদলে যাচ্ছে এমনটাই মনে করছেন কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা। নিজের ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সময়টাই পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব থাকা নওয়াজ এখন কী একই ভূমিকা পালন করবেন? তিনি বারবার সেনার বিরুদ্ধে যখন বিষোদগার করেছেন তখন পাকিস্তানের সেনাও যে নওয়াজকে খুব একটা ভালো চোখে দেখে না সেটাই স্বাভাবিক। তাহলে নওয়াজ শরিফের আবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন কি স্বপ্নই থেকে যাবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন পাকিস্তানের নির্বাচন যদি সঠিক সময়ে হয় তাহলে তার আগেই একটা বড়সড় টুইস্ট দেখতে পাবেন আপনারা। পিএমএলএনের প্রধান নওয়াজ শরিফকেই আসন্ন নির্বাচনে দলের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী করা হবে। নওয়াজের দল এমনটা পরিষ্কার করে বলে দিয়েছে। সেটা যেমন ফ্যাক্ট তেমন এটাও সত্যি যে তার আগে ৭৩ বছর বয়সী নওয়াজকে বেশ কিছু বিষয় সামাল দিতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক সংকটের জন্য অনেকে নওয়াজের দলকে দায়ী করে থাকে এ বিষয়টি তাঁকে সামলাতেই হবে।

    শুধু তা–ই নয় অনেকের আশঙ্কা প্রধান বিরোধী নেতা ইমরান খানকে কারাগারে আটকে রেখে নির্বাচন হলে তা কোনওদিনই সুষ্ঠুভাবে হবে না। আর এখানে সবথেকে বড় পয়েন্ট হল নওয়াজ শরিফকে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে বোঝাপড়া করতেই হবে। কারণ, পাকিস্তান কীভাবে পরিচালিত হবে তা নির্ধারণে দেশটির সেনাবাহিনীর ভূমিকা অনেক বেশি। সেনা কি নওয়াজের টোপ গিলেও ফেলল? মনে রাখতে হবে পাকিস্তানের বর্তমান সেনা প্রধান আসিম মুনির নওয়াজ শরিফের অতিঘনিষ্ঠ। কারণ সূত্র বলে ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় আইএসআইয়ের মাথা থেকে আসিম মুনিরকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। এর মানে ইমরান খান মুনিরকে সহ্য করতে পারতেন না। তাই শত্রুর সেই শত্রুকেই বন্ধু বানিয়ে ফেলেছেন শরিফ।

    বলে রাখা ভালো এই আসিম মুনির নওয়াজ শরিফের বেশ ঘনিষ্ঠ। সেজন্যই তো দেখুন না নওয়াজের সঙ্গেও সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের তিক্ততা সত্ত্বেও নওয়াজকে আরেকটি সুযোগ তারা দিতে চাইছে বলে মনে করা হচ্ছে এক্ষেত্রে পাকিস্তানের সাবেক পার্লামেন্ট সদস্য নাদিম আফজাল চ্যানের দাবি নওয়াজ শরিফ ‘ইয়েস স্যার’ বলার মতো ভূমিকা পালন করবেন না। নাদিম মনে করেন, নওয়াজ তাঁর সীমা সম্পর্কে জানেন সে সীমা কখন ভাঙতে হবে তাও তিনি জানেন। বাকীটা নির্বাচন হলেই বোঝা যাবে কার অবস্থান ঠিক কোথায় তখন হিসেব নিকেশ করলেই বোঝা যাবে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সেনাকে পকেটে রেখে নওয়াজ শরিফ আদৌ জিততে পারলেন কিনা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারত-পাকিস্তানের আরেক গুপ্ত সীমান্ত! চোরা টানেলেই রয়েছে রহস্য, স্যর ক্রিক চেনেন ?

    ভারত-পাকিস্তানের আরেক গুপ্ত সীমান্ত! চোরা টানেলেই রয়েছে রহস্য, স্যর ক্রিক চেনেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারত-পাকিস্তানের তুমুল অশান্তি গুপ্ত সীমান্ত নিয়ে। এই সীমান্তের নীচে আছে টন টন গ্যাসের সম্ভার। এমন এক সীমান্ত যেখানে কোনও কাঁটাতারের বেড়া নেই। এই নালায় একবার ভুলেও ঢুকলে সোজা জেল ইংরেজ আমলের কোনও চোরা টানেল নাকি? এমন একটুকরো এলাকা যার দখল পেলে সত্যিই মালামাল হওয়া সম্ভব। LOC, সিয়াচেন, লাদাখ, কাশ্মীর নয় তাহলে পাকিস্তানের নজর ভারতের অন্য কোন গুপ্ত এলাকায়? কেন এই এলাকা নিয়ে খুব বেশি সুর চড়ায় না ইসলামাবাদ, কোনওদিনও কি সেটলমেন্ট হওয়া সম্ভব? একেবারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য গুজরাত সেখানেই রয়েছে স্যর ক্রিক। আর এই স্যর ক্রিক নিয়েই বহু বছর ধরে বিবাদ দুদেশের মধ্যে। নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) যেমন কাশ্মীর থেকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে আলাদা করে রেখেছে সেই রকমই দক্ষিণ-পশ্চিমে ভারতের গুজরাত এবং পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশকে আলাদা করে রেখেছে ‘স্যর ক্রিক’ এর গুরুত্ব মারাত্মক।

    আন্তর্জাতিক মহল বলে এই স্যর ক্রিক কোনওদিনও পাকিস্তানের দখলে চলে গেলে অর্থনৈতিক দুর্দশা নিয়ে অ্যাটলিস্ট ভাবতে হবে না ইসলামাবাদকে। সীমান্ত বা বর্ডার মানেই যে ছবি ভেসে ওঠে এটা কিন্তু একেবারেই তেমন নয়। ‘ক্রিক’ হল এক রকমের কম গভীরতাযুক্ত জলের প্রবাহ একে দেখতে নদীর মতো মনে হলেও এগুলি আসলে নদী নয়। ভারত পাকিস্তান-সহ বহু দেশে এধরণের জলের প্রবাহ দেখতে পাওয়া যায়। তবে এর তলাতেই আছে আসল সম্ভার। ব্রিটিশ আমলে কোনও এক ইংরেজের নামে রাখা স্যর ক্রিকের দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৬ কিলোমিটার। যাত্রাপথের শেষেটা মিশেছে আরব সাগরে। কেউ আপনাকে না বললে হয়ত আপনি বুঝতেও পারবেন না এটাই সেই সীমান্ত। যার জন্য ভারতের ওপর হামলাও করেছিল পাকিস্তান। সিন্ধু নদের ব-দ্বীপে তৈরি হয়েছে এই ক্রিক। এই অঞ্চলটি ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে অবস্থিত একটি বিতর্কিত ভূখণ্ড এটি ভারতের কচ্ছের রণের ঠিক পশ্চিমে অবস্থিত কচ্ছ এলাকাকে পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশ থেকে আলাদা করে রেখেছে স্যর ক্রিক। ভারতে একে আগে ‘বান গঙ্গা’ বলে ডাকা হত।

    এবার আসি মেন ফ্যাক্টরে। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে অবস্থিত এই স্যর ক্রিক অঞ্চলের জমি ভেজা হওয়ায় এই জমিতে টহল দেওয়া বেশ কঠিন। এখানে কোনও কাঁটাতারের বেড়াও নেই। কৌশলগত এবং সামরিক দিক থেকে এর কাশ্মীরের মতো গুরুত্ব না থাকলেও এই জলপ্রবাহে প্রচুর মাছের সম্ভার রয়েছে। এই অঞ্চলকে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ মৎস্যভান্ডার বলে মনে করা হয়। দুই দেশের মৎস্যজীবীরা এখানে মাছ ধরতে এসে প্রায়শই সীমা লঙ্ঘন করে ফেলেন তারপরই জেলবন্দি। এখানেই শেষ নয় মনে করা হয় এই অঞ্চলের মাটির নীচে বিপুল পরিমাণে গ্যাস এবং হাইড্রোকার্বন রয়েছে যে দেশই এর পুরো দখল নিতে পারবে তাদেরই জ্বালানির চাহিদা মেটানোর ক্ষমতা থাকবে। ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধের ঠিক পর ঘটে এক বড় ঘটনা পাকিস্তানি বায়ুসেনার বিমান আকাশসীমা লঙ্ঘন করে এই এলাকা দিয়ে ভারতের আকাশে ঢুকে পড়ে। সেসময় ভারতীয় বায়ুসেনার মিগ-২১ বিমান পাকিস্তানি বিমানটিকে কচ্ছের রণের কাছে ধ্বংস করে। সেই ঘটনায় ১৬ জন পাক সেনা নিহত হন।

    পাকিস্তান মনে করে সীমান্ত নির্ধারণের ২৪তম সমান্তরাল রেখা অনুযায়ী গুজরাটের কচ্ছের রণের অর্ধেক অংশ তাদের। ভারত তাদের এই দাবি নস্যাৎ করে। ১৯৬৮-তে ট্রাইবুনাল তাদের রায়ে জানিয়ে দেয় রণের ৯০ শতাংশ ভারতের মধ্যে পড়ে এবং ১০ শতাংশ পাকিস্তানের। এর পর পাকিস্তান দাবি করে স্যর ক্রিক সিন্ধ প্রদেশের মধ্যে অবস্থিত। শেষমেষ ১৯২৫ সালে আন্তর্জাতিক সীমার থালউইগ প্রিন্সিপালের উপর ভিত্তি করে একটি মানচিত্র প্রকাশিত হয়। সেই ম্যাপ অনুযায়ী স্যর ক্রিকের মাঝামাঝি খুঁটিও বসানো হয়। যদিও পাকিস্তান সেই ম্যাপও মানে না। তবে পাকিস্তান কাশ্মীর নিয়েই এত ব্যস্ত যে স্যর ক্রিক নিয়ে খুব বেশি মাথা ঘামাতে দেখা যায় না তাদের। তবে কবে কোন দ্বন্দ্ব মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে তা কেই বা বলতে পারে।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম