Tag: pakistan

  • পাকিস্তান টাকা দিচ্ছে না ভারতকে! ভবিষ্যৎ অন্ধকার, দিল্লি নেবে স্টেপ ?

    পাকিস্তান টাকা দিচ্ছে না ভারতকে! ভবিষ্যৎ অন্ধকার, দিল্লি নেবে স্টেপ ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারতকে টাকা দিচ্ছে না পাকিস্তান। আটকে যাচ্ছে অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ, ভবিষ্যত নষ্ট। পাকিস্তানের থেকে টাকা ভারতের কেন দরকার? ইসলামাবাদের দেখাদেখি একইপথে বাংলাদেশ-নেপাল পাকিস্তান বারবার নিজের রূপ দেখিয়েই দেয়। আর এবার পাকিস্তানের জন্য বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ভারতের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সেইসময় ৭০০ ভবিষ্যত অনিশ্চয়তার পথে। ভাবছেন তো পাকিস্তানকে কী কাজে এত দরকার পড়ল ভারতের? ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট বলছে ভারতের প্রথম আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন কীভাবে থমকে গেল? নেপথ্যে শুধু পাকিস্তান নয়, রয়েছে বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কার মতো দেশও। সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় চালানোর জন্য টাকা বন্ধ করে দিয়েছে ইসলামাবাদ। আর তাদের দেখাদেখি শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশের মতো দেশও একই পথে  চলছে। বর্তমানে প্রায় ঠান্ডাঘরে চলে যাওয়া সার্কের কথা তো অনেকেই শুনেছেন কিন্তু সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় কী? এটাই ভাবছেন তো?

    SAARC এর পুরো কথা হলো South Asian Association for Regional Cooperation। এটি দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক একটি সংস্থা। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান নিয়ে এই SAARC সংস্থাটি তৈরি হয়েছিল হয়েছিল। আফগানিস্তান অষ্টম সদস্য হিসেবে ২০০৭ সালে যোগদান করে। ২০০৫ সালে মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন প্রস্তাব করেন সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় বানানোর, যা তৈরি হয় দিল্লিতে। সার্ক দেশের পড়ুয়াদের পড়ার সুযোগ হয় এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। ভারত কাজ শুরু করেছিল মেজরিটি মানি দিয়ে। ভারতের তরফ থেকে বরাদ্দ করা হয় ২৩৯ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি টাকা। কথা হয় ৫৮ শতাংশ ভারত টাকা দেবে। ১২ শতাংশ পাকিস্তান, ৮ শতাংশ বাংলাদেশ। ভুটান, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ ৩ শতাংশ টাকা দেবে।

    ৭০০ পড়ুয়ারা দক্ষিণ এশিয়ার থেকে রয়েছেন এখনে কিন্তু সার্ক এখন কার্যত মৃতপ্রায় হলেও সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় ঠান্ডাঘরে যায়নি। ২০১৯ সালের পর থেকে টাকা পাঠানো বন্ধ করে দেয় পাকিস্তান। সম্ভবত কাশ্মীরে ৩৭১ ধারা বাতিলের বদলাই ছিল এটা। পাকিস্তানের দেখাদেখি বাংলাদেশ, নেপাল তারাও টাকা দেওয়া বন্দ করে দেয়। যার জেরে এখন চরম সংকটের মধ্যে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ। এখন স্যালারিও আটকে গিয়েছে। এর ভবিষ্যত নিয়ে রীতিমত প্রশ্ম উঠছে এখন। পাকিস্তানে শেষ সার্কের সামিট হওয়ার কথা ছিল তবে উরি টেরর অ্যাটাকের পর সার্কের কোনও সামিট হয়নি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • 26/11 Mumbai Attacks: ২৬/১১ হামলার জঙ্গীরা খুল্লমখুল্লা ঘুরছে! ভারত কবে নেবে বদলা ?

    26/11 Mumbai Attacks: ২৬/১১ হামলার জঙ্গীরা খুল্লমখুল্লা ঘুরছে! ভারত কবে নেবে বদলা ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    26/11 Mumbai Attacks: ২৬/১১ মুম্বই হামলায় ষড়যন্ত্রীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে খুল্লামখুল্লা। আজমল কাসভ ছাড়া কারা কারা ছিল চক্রান্তের নেপথ্যে? পাকিস্তান এখনও জামাই আদরে পুষছে এদের। ভারত কবে নেবে বদলা? ২৬/১১ মুম্বই হামলার মূল ষড়যন্ত্রীরা কে কোথায় আছে? ২০০৮-২০২৩ দেড় দশক কেটেছে গেছে। তবু মুম্বইয়ের তাজের সেই ছবিটা কেউ ভোলেনি। প্রত্যেক ভারতীয়র বুকে আজও দগদগে ২৬/১১-এর ক্ষত।

    তাহাউর হুসেন রানা: মুম্বই হামলার অন্যতম চক্রী ছিল তাহাউর হুসেন রানা। আজমল কসপ, হাফিস সইদের পর পর এর নামটাই আসে। কানাডার ব্যবসায়ী, পাকিস্তান থেকে ভারতে আসা ১০ লস্কর-ই-তইবার জেহাদিদের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল সে। ইতিমধ্যে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে লস অ্যাঞ্জেলস পুলিশ। রানাকে ভারতে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া চলছে। সব ঠিক থাকলে এই বছর শেষের আগেই তাঁকে ভারতের হাতে তুলে দিতে পারে বাইডেন প্রশাসন।

    হাফিজ সঈদ নাম তো শুনা হি হোগা, হিরো নয় ভিলেন। মুম্বই হামলার ব্লু প্রিন্ট তৈরি হয়েছিল হাফিজেরই নেতৃত্বে ১১ হাজার পাতার চার্জশিটে অভিযুক্ত ৩৫ জনের মধ্যে নাম ছিল লস্কর প্রধান হাফিজ সইদেরও। রাষ্ট্রসংঘ ও আমেরিকা উভয়েই তাকে ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী’ তকমা দিয়েছে। তার মাথার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১০ মিলিয়ন ডলার। গত বছর জুনে পাকিস্তানে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল হাফিজকে কিন্তু সেও সেখানে বহাল তবিয়তে রয়েছে বলে দাবি ভারতীয় গোয়েন্দাদের।

    জাকিউর রহমান লকভি: ২৬/১১ মুম্বই হামলার মূল ষড়যন্ত্রী জাকিউর রহমান লকভি-ই। ২০০৮-এর ডিসেম্বরে লকভিকে ‘ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসবাদী’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে রাষ্ট্রসংঘ। সেই সময় পাক সরকার গ্রেপ্তার করলেও বেশিদিন জেলে রাখতে পারেনি। ২০১৫ সালে জামিন পেয়ে যায়। পরে ২০২১ সালে আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তান সরকার তাকে গ্রেপ্তার করে। সেই গ্রেপ্তারি স্রেফ লোক দেখানো দাবি করেছে ভারতের গোয়েন্দারা। তাঁদের মতে পাকিস্তানে জামাই আদরে রেখেছে লস্কর-ই-তইবার কমান্ডার লকভিকে।

    জাইবুদ্দিন আনসারি ওরফে আবু জুন্দল: আজমল কাসভকে জেরায় উঠে এসেছিল আবু জুন্দলের নাম। ভারতে আসার পর কাসভকে হিন্দি শিখিয়েছিল জুন্দলই। ২০১২ সালে জাইবুদ্দিন আনসারি ওরফে আবু জুন্দলকে গ্রেপ্তার করার কথা আদালতে জানায় পুলিশ, কিন্তু ২০১৮ সাল থেকে তাঁর শুনানি প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে রয়েছে। জাইবুদ্দিন আনসারি দাবি করেছে, সে আবু জুন্দল নয়। জেলের ভিতরে ধরনাও দিয়েছে সে।

    ডেভিড কোলম্যান হেডলি: পাক বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক পাক জঙ্গি গোষ্ঠী লস্করের অন্যতম এজেন্ট ছিল ডেভিড কোলম্যান হেডলি। অভিযোগ, মুম্বইয়ে হামলার আগে ভারতে এসে একাধিক জায়গায় রেইকি করে গিয়েছিল। তার পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতেই মুম্বইয়ে প্রবেশ করেছিল জঙ্গিরা।

    ২৬/১১-র মুম্বই হামলার সঙ্গে তার প্রত্যক্ষ যোগ প্রমাণিত হয় মার্কিন আদালতে। সেখানে তাকে ৩৫ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়। যদিও হেডলিকে নিজেদের হেফাজতে পেতে মরিয়া ভারত কিন্তু বিভিন্ন আইনি জটিলতায় তা সম্ভব হচ্ছে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • কাশ্মীরে রহস্যে ঘেরা জঙ্গিঘাঁটি! বড় সিক্রেট ফাঁস, লস্করের কমান্ডো কারা জানেন ?

    কাশ্মীরে রহস্যে ঘেরা জঙ্গিঘাঁটি! বড় সিক্রেট ফাঁস, লস্করের কমান্ডো কারা জানেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তান সেনা জওয়ানরাই লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গি। কাশ্মীরে রহস্যময় গুহার হদিশ, কী করা হত সেখানে?
    রাজৌরিকাণ্ডের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করল ইন্ডিয়ান আর্মি। রাজৌরিতে মৃত জঙ্গি কুয়ারি আসলে কে ছিল জানেন? যারা কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় এখনও ঘাপটি মেরে রয়েছে সেসব জঙ্গিদের দুর্বল ভাবলে বড় ভুল। নতুন প্যাটার্ন নতুন স্ট্র্যাটেজি নিয়ে কাশ্মীরের বুকে সন্ত্রাসের বীজ বোনার বড় চেষ্টা। এর এখানেই পাকিস্তানের গোটা প্ল্যান, গোটা পরিকল্পনা ভেসতে দিতে চলেছে ইন্ডিয়ান আর্মি। পাকিস্তান তাদের আর্মি অবসরপ্রাপ্ত সেনাদের যুক্ত করছে লস্কর ই তৈবায়। রাজৌরিকাণ্ডের পর এমনই তথ্য তুলে ধরেছেন ভারতীয় আর্মির নর্দান কমান্ডার চিফ উপেন্দ্র দ্বিবেদী।

    তাঁর দাবি কাশ্মীরের স্থানীয়দের সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ আর কোনওভাবে যুক্ত করতে পারছে না পাকিস্তান। উপত্যকার স্থানীয় বাসিন্দারা এখন অন্য কাজে মন দিয়েছেন। তাই এবার পাকিস্তানের আর্মির প্রাক্তনদের সন্ত্রাসবাদী দলে ঢোকানো হচ্ছে। সেসব অবসরপ্রাপ্ত সেনা জওয়ান জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত তারাই উপত‌্যকায় জঙ্গি সংগঠনের হয়ে কাজ করছে। সীমান্তের ওপার থেকে ভারতে প্রবেশ করছে। টানা কয়েকমাস ধরে জঙ্গি কার্যকলাপে নজরদারি করতেই সামনে এসেছে এই  তথ‌্য। রাজৌরিতে কুয়ারি নামে যে জঙ্গিকে নিকেশ করেছে ভারতীয় সেনা সে যেমন বোমা বিশেষজ্ঞ ছিল তেমনই ছিল দুর্ধর্ষ স্নাইপার। কারা ট্রেন করেছিল এই কুয়ারিকে? প্রশ্ন উঠছে। বৃহস্পতিবার রাজৌরি জেলায় লস্কর-ই তৈবার শীর্ষ সেনা কমান্ডার-সহ দুই জঙ্গি নিহত হওয়ার পরে নিরাপত্তা আধিকারিকরা একটি গুহার সন্ধান পান সেই ছবি প্রকাশ করেছে ভারতীয় সেনা। জানা গিয়েছে, ওই গোপন ডেরা দীর্ঘদিন ধরেই ব‌্যবহার করছিল সন্ত্রাসবাদীরা। নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে এই ধরনের আস্তানা শনাক্ত করা এবং তা ভাঙা যথেষ্টই কঠিন।

    নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে পাহাড়ি ওই এলাকা এবং নিয়ন্ত্রণরেখার নিকটবর্তী হওয়ার জন‌্যই রাজৌরি এবং পুঞ্চকে নিজেদের সুবিধার জন‌্য ব‌্যবহার করছে জঙ্গিরা। কারণ, রাজৌরি হল কাশ্মীরের ট্রানজিট রুট। শীতকালে পাহাড়ি পথ যখন বন্ধ হয়ে যায় তখন এই অঞ্চল দিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপ বাড়াতে চেষ্টা করে। লস্কর-ই-তৈবার মতো সংগঠনই এই কার্যকলাপ বাঢড়ায়। সেনা আধিকারিকদের মতে এখনও ২০ থেকে ২৫ জন সন্ত্রাসবাদী এই এলাকায় তৎপর রয়েছে। স্থানীয়দের সহায়তায় তাদেরও নির্মূল করার চেষ্টা করছে নিরাপত্তা বাহিনী। গত একবছরের মধ্যে যেহেতু কাশ্মীরে জঙ্গি কার্যকলাপ অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছে তাই ক্রমশ প্রেসার বাড়ছে পাকিস্তানের উপর। আর এবার লস্করের কুখ‌্যাত কুয়ারি নামের যে জঙ্গি খতম হয়েছে তাতেই চাপ বেড়েছে এই জঙ্গি সংগঠনের। কারণ, রাজৌরি-পুঞ্চ এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের মাস্টারমাইন্ড ছিল কুয়ারি। গোটা জম্মু কাশ্মীরকে তাই এখন আর বাড়তি নজরে রাখছে কেন্দ্র এবং ইন্ডিয়ান আর্মি এখানে অ্যালার্ট প্রতিটা মূহুর্তে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকিস্তানে হিন্দু মন্দির দখলের চেষ্ঠা! সারদাপীঠ আগলালো মুসলিমরা, ১৮ শক্তিপীঠের ১ পীঠ

    পাকিস্তানে হিন্দু মন্দির দখলের চেষ্ঠা! সারদাপীঠ আগলালো মুসলিমরা, ১৮ শক্তিপীঠের ১ পীঠ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তান দখল করে নিচ্ছে সারদাপীঠ হিন্দু মন্দিরের জমি। হিন্দু মন্দির সারদাপীঠকে কি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হবে? মুসলিমরা বুক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন ১৮ মহাশক্তিপীঠের এক পীঠ সারদামন্দির পাকিস্তানে কেন? পিওকে-তে মন্দির বাঁচাতে স্থানীয়দের সঙ্গে ধুন্ধুমার পাকিস্তান সেনার। পাকিস্তানে একের পর এক মন্দির ধ্বংসের খবর তো প্রায়শই শুনে থাকেন কিন্তু এবার এমন এক মন্দিরকে টার্গেট করেছে পাক সেনা যে মন্দিরের সঙ্গে জড়িয়ে ভারতীয়দের শ্রদ্ধা, অপার করুণা, আবেগ আর আরাধনা। পাকিস্তান সেনা গুঁড়িয়ে দিতে চাইছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা হিন্দুদের ১৮ মহাশক্তিপীঠের এক পীঠ সারদাপীঠকে।

    ভারতীয় মিডিয়ার রিপোর্ট বলছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নীলম নদীর তীরে পাহাড়ি গ্রাম সারদা। এখানেই আছে সুপ্রাচীন তীর্থক্ষেত্র সারদা পীঠ। সেই সারদাপীঠের জমি দখল করতে উঠেপড়ে লেগেছে পাক আর্মি কিন্তু পাকিস্তানের সেনাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠা পিওকের স্থানীয়রাই সেনাদেরকে খেদিয়ে বের করে দিচ্ছে এলাকা থেকে। এর মানে মহিমা বুঝুন মুসলিমরা বুক দিয়ে আগলাচ্ছে হিন্দু মন্দিরকে একসময় এই মন্দিরে মা দুর্গার এক রূপ সারদা দেবীর মূর্তি ছিল। কাশ্মীরী পণ্ডিতরা এখন আর এই পীঠ দর্শন করতে পারেন না। তাই সারদা পীঠ সংলগ্ন গ্রামের মুসলিম অধিবাসীরা ২০১৮ সালে এই মন্দির চত্বরের মাটি সংগ্রহ করে পাঠিয়ে ছিলেন কাশ্মীরী পণ্ডিতদের কাছে। হিন্দু বিশ্বাস মতে ১৮টি মহাশক্তিপীঠের অন্যতম এই মন্দির। হিন্দু ধর্ম মতে এখানে সতীর ডান হাত পড়েছিল। শুধু হিন্দু ধর্ম নয় ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত এই সারদা পীঠ হয়ে উঠেছিল বৌদ্ধধর্মের অন্যতম জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র। জানলে অবাক লাগবে উপমহাদেশে জ্ঞানচর্চার অন্যতম কেন্দ্র এই সারদা পীঠে এক সময় অধ্যয়ন ও অধ্যাপনা করেছিলেন।

    কলহন, আদি শঙ্করাচার্য্য, কুমারজীবের মতো পণ্ডিতেরা পাণিনি সহ আরও অনেক ভারতীয় পণ্ডিতের লেখা দীর্ঘদিন এই মন্দিরে রাখা ছিল বলে বিশ্বাস ঐতিহাসিকদের। তবে হ্যাঁ পাক অধিকৃত কাশ্মীর যবে থেকে পাকিস্তানের অংশ হয়েছে। তারপর থেকে ধ্বংসাবশেষ ছাড়া এই মন্দিরের এখন আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। যদিও এর আগেও মন্দিরের বাইরের দেওয়াল ভেঙে সেখানে কফি শপ বানিয়ে ছিল পাকিস্তান সেনা। এবার জোর করে জমি দখলের চেষ্টা। প্রাচীন ইতিহাসে অনেক সময়ই কাশ্মীরের উল্লেখ আছে শারদা-দেশ নামে শারদা পীঠের কারণেই এই নাম বলে মনে করেন ঐতিহাসিকেরা। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের রাজধানী মুজফফরাবাদ থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই পীঠ।

    এর ঐতিহাসিক গুরুত্বও চরম। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে দু’বছরের জন্য এই মন্দিরে ছিলেন চীনা পর্যটক এবং বৌদ্ধ পণ্ডিত হিউয়েন সাং। ১১৪৮ খ্রিস্টাব্দে কলহনের লেখা রাজতরঙ্গিনীতে শারদা পীঠকে হিন্দু ধর্মের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। আবুল ফজলের কথা অনুযায়ী এই মন্দির চত্বর পুরোটাই ছিল সোনার মোড়া। প্রতি মাসে পূর্ণিমার আট দিন পর এই মন্দিরে অলৌলিক ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন তিনি। মধুমতী নদীর তীরে এই মন্দির বলে উল্লেখ করেছেন তিনি এই মধুমতী নদীকেই এখন ডাকা হয় নীলম নামে। ১৯৪৭ সালে ভারত-পাক যুদ্ধের সময় পাশতুন উপজাতিদের দখলে আসে এই এলাকা। ফের বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যায় শারদা পীঠ। এখন এই মন্দির সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত কোনও বিগ্রহ নেই কিন্তু ভারতের হিন্দুরা এখনও স্বপ্ন দেখেন কোনওদিনও পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের দখলে এলে এই সারদাপীঠ দর্শন করতে পারবে হিন্দুরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুতিনকে মোদী চরম ওয়ার্নিং দেবেন! বাড়াবাড়ি হচ্ছে পাকিস্তানকে নিয়ে, ব্রিকসে এন্ট্রি নাকি ?

    পুতিনকে মোদী চরম ওয়ার্নিং দেবেন! বাড়াবাড়ি হচ্ছে পাকিস্তানকে নিয়ে, ব্রিকসে এন্ট্রি নাকি ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুতিনকে ওয়ার্নিং দেবেন নরেন্দ্র মোদী! বাড়বাড়ি হচ্ছে এবার। পাকিস্তান ঢুকছে ব্রিকসে ভারত কি আটকাতে পারবে? চীনের বড়সড় লাভ। রাশিয়ার হঠাৎ ভারতবিরোধী এমন স্টেপ নিল কেন? পাকিস্তান ব্রিকসে ঢুকলে ভারতের কোন ক্ষতি হবে? পাকিস্তান ব্রিকসের জন্য অ্যাপ্লাই করে দিয়েছে ভারত কি এই গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যাবে তাহলে? আর্জেন্টিনা আচমকা কেন বলে দিল তারা ব্রিকসে ঢুকতে চায় না। ভারতের পরম বন্ধু রাশিয়াই খাল কেটে কুমির ঢোকাতে পারে। মস্কোর পিছনে ইউক্রেনকে এতটা সাহায্য করার পরও কিছুতেই পাকিস্তান প্রীতি কমছে না রাশিয়ার। এবার রাশিয়া চাইলেই পাকিস্তান হয়ে যেতে পারে ব্রিকসের মেম্বার। রিপোর্ট বলছে ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে ব্রিকসের মেম্বারশিপ পাওয়ার জন্য পাকিস্তান খাতায় কলমে কাজ সেরে নিয়েছে। এবার ব্রিকসের সদস্যদের অনুমতি দেওয়া পালা। ব্রিকসের সদস্যদের মধ্যে চীন তো দুহাত খুলে আমন্ত্রণ জানিয়েই রেখেছে পাকিস্তানকে। কিন্তু ভারত? ভারতের স্ট্যান্ড কী হবে এক্ষেত্রে? ২০২৪ রাশিয়ার কাজানে এবার ব্রিকসের প্রতিনিধিত্ব করবে মস্কো।

    আর পাকিস্তান এই সুযোগকে কোনওমতেই হারাতে চায় না। চলতি বছরই অগাস্ট মাসে এই একই খবর হয়েছিল যে পাকিস্তান ব্রিকসে ঢুকতে চাইছে সেইসঙ্গে ইরান, সৌদির মতো আরও বিভিন্ন দেশ। তখন নয়া দিল্লি পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিল ব্রিকসের সম্প্রসারণে কোনও আপত্তি নেই ভারতের কিন্তু পাকিস্তানকে নিয়েই নীরবই ছিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক। তাতেই বোঝা গিয়েছিল ভারত এখনই ইসলামাবাদের এন্ট্রি নিয়ে ভাবতে রাজি নয়। কিন্তু এবার দিল্লি রাশিয়াকে কি ভাবে আটকাবে?
    কারণ বিশেষজ্ঞদের বেশিরভাগি মনে করছেন রাশিয়া ব্রিকসের পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে খুব একটা আপত্তি করবে না। তাহলে মোদী কি ওয়ার্নিং দিতে পারেন পুতিনকে। নাকি ভারত নিজেই ব্রিকস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ভাববে। কূটনৈতিক মহল বলছে না এই কথাটা বলাটা যতটা সহজ ব্রিকস থেকে হুট করে বেরিয়ে যাওয়ার ভারতের পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ ভারতের ম্যাসিভ বিনিয়োগ রয়েছে ব্রিকসে। ব্রিকসের বহু উদ্যোগে নয়াদিল্লির বড় ভূমিকা রয়েছে। আর সবথেকে বড় কথা ভারত কি ভিতু নাকি যে কাঙাল পাকিস্তান ব্রিকসে ঢুকলে সেখান থেকে বেরিয়ে যাবে ভারত।

    বরং কূটনৈতিকভাবে নয়াদিল্লি অন্যপথে চাপ তৈরি করতে পারে। এক্ষেত্রে বলে রাখি আর্জেন্টিনা ব্রিকসে ঢুকতে চাইছে না কারণ সেদেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জাভিয়ার মিলেই কার্যত প্রো-আমেরিকান বলেই পরিচিত। সম্ভবত সেই প্রভাবেই প্রভাবিত হয়ে আর্জেন্টিনা ব্রিকসে ঢুকতে চাইছে না। এদিকে পাকিস্তান ব্রিকসে অ্যাপ্লাই করার খবরেও ভারতের তরফ থেকে কিন্তু কোনও ধরণের প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। তাই ভারত কি স্টেপ নেবে কি নিতে পারে এ নিয়ে এখনও কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। অনেকেই বলছেন ২০২৪ সাল অনেক বেশি ইন্টারেস্টিং হতে পারে। এই বছরকে মেক অ্যান্ড ব্রেক ইয়ারও বলা হচ্ছে কারণ এবছরে অনেক কিছুই ভাঙতে পারে, অনেক কিছুই গড়তে পারে। এবার দেখার পাকিস্তান ব্রিকসে ঢোকার টিকিট পেলে ভারত ঠিক কি স্টেপ নেয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতকে চরম খোঁচা ইজরায়েলের! পাকিস্তান তুরুপের তাস? দিল্লি টলবে না

    ভারতকে চরম খোঁচা ইজরায়েলের! পাকিস্তান তুরুপের তাস? দিল্লি টলবে না

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তানকে ইজরায়েলের বড় ঝটকা। সাহায্য করেও ধোকা! ইসলামবাদ বোকা বনে যাচ্ছে। দিল্লিকে আসলে এটাই ছিল নেতানইয়াহুর খোঁচা? নাকি গুপ্ত কোনও বার্তা! কিন্তু ভারত কি ইজরায়েলের ফাঁদে পা দেবে? কী সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। পাকিস্তান ভাবতেও পারেনি প্রথমবার ইজরায়েলর ভালো করতে গিয়ে এবার পর্যুদস্তু হতে হবে তাদের। ভারতের ২৬/১১ মুম্বই হামলার ১৫ বছর হতে চলেছে। তার ঠিক আগেই বড়সড় ঘোষণা করে দিল ইজরায়েল। দিল্লি কি তেল আভিভের এই ঘোষণায় কোনওধরণের প্রতিক্রিয়া দেবে? লস্কর-ই-তইবাকে নিষিদ্ধ করল ইজরায়েল। মঙ্গলবার বিবৃতি জারি করে সেদেশের তরফে বলা হয় শয়ে শয়ে ভারতীয়কে হত্যার নেপথ্যে রয়েছে এই মারাত্মক জঙ্গি সংগঠন। তাই লস্করকে নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর তালিকাভুক্ত করা হল। অনেকেই বলছেন পাকিস্তান অস্ত্র বেচেও তাহলে ইজরায়েলের সুনজরে আসতে পারল না।

    অবশ্য এমন এক ঘোষণা করেছে তেল আভিভ যার বিরুদ্ধে পাকিস্তান কোনও ধরণের অ্যাকশন নিতে পারবে না। এমনকি মুখ ফুটে প্রতিবাদ করারও জায়গা নেই, কিন্তু ইজরায়েল আসলে দিল্লিকে কোন বার্তা দিতে চাইল?ভারতের ইজরায়েলি দূতাবাস থেকে বিবৃতি দিয়ে লস্করকে নিষিদ্ধ করার খবর জানানো হয়। মুম্বইতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ১৫তম বর্ষপূর্তির আগেই এই পদক্ষেপ ভারতের ‘বন্ধু’ ইজরায়েলের। বিবৃতিতে বলা হয় ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা ও বিদেশ মন্ত্রীরা যৌথভাবে কাজ করেছেন যেন দ্রুত লস্করকে নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত করা যায়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা করতে সকলের একজোট হওয়া দরকার। এই বিষয়টিও তুলে ধরতে চায় ইজরায়েল। কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন মনে রাখতে হবে ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত আবেদন করেছিলেন হামাসকে নিষিদ্ধ সংগঠন ঘোষণা করুক নয়াদিল্লি, কিন্তু ভারতের তরফ থেকে হামাসের ইজরায়েলে হামলার নিন্দা করা হলেও হামাসকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার কোনও স্টেপ নেওয়া হয়নি। তার পরেই বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রশাসনের এই পদক্ষেপ।

    এক্ষেত্রে কূটনৈতিক মহলের দাবি ভারতকে একপ্রকার আগ বাড়িয়ে ইজরায়েলর এটাই হয়ত বোঝাতে চাইল যে হামাসকে নিয়ে বৃহত্তর স্টেপ নিক ভারত তেমনটাই চায় তেল আভিভ গাজায় ইজরায়েল-হামাস সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পরেই ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত আবেদন জানান। এবার হামাসকে নিষিদ্ধ তকমা দিক নয়াদিল্লি। তাহলে এবার লস্করকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পর কি ভারত ভেবে দেখবে এই বিষয় নিয়ে? বিশেষজ্ঞদের দাবি একটা রয়েছে জটিল অঙ্ক ইজরায়েল পাকিস্তান প্রথম থেকেই একে অপরের শত্রু কিন্তু ভারত স্বাধীন প্যালেস্টাইনে পক্ষে তাতে হামাসের হামলাকে দিল্লি সমর্থন না করলেও হুট করে হামাসকে যে নিষিদ্ধও ঘোষণা তারা করবে না এটা আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। এবার দেখার ভারত ইজরায়েলের এই পদক্ষেপের পর কোন প্রতিক্রিয়া দেয় কিনা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকিস্তান ইজরায়েলকে অস্ত্র বেচছে! মুসলিম বিশ্বকে ধোকা ইসলামাবাদের, কত বিলিয়নের চুক্তি ?

    পাকিস্তান ইজরায়েলকে অস্ত্র বেচছে! মুসলিম বিশ্বকে ধোকা ইসলামাবাদের, কত বিলিয়নের চুক্তি ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তান ইজরায়েলকে গোপনে বেচছে অস্ত্র। মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বড়সড় ধোঁকা। ইজরায়েলকে তো দেশ বলেই স্বীকৃতি দেয় না পাকিস্তান। টাকার জন্য নিজেদের অস্তিত্বও বেচে দেবে ইসলামাবাদ। ছি ছি করছেন পাকিস্তানীরা। পাকিস্তান ইউক্রেনকে অস্ত্র বেচেছিল যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে কম ছি ছি হয়নি কিন্তু বাজি রেখে বলা যাচ্ছে এই খবর কিছুই নয়। কারণ এই খবর সত্যি হলে এটা বলা চলে পাকিস্তান এবার গদ্দারি করল নিজেদের সঙ্গে, মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে। উইয়নের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে সম্প্রতি একটি রিপোর্ট দাবি করা হচ্ছে পাকিস্তান থেকে উড়ে যাচ্ছে কিছু গোপন বিমান। আর সেই বিমানগুলো উড়ে যেখানে পৌঁছচ্ছে তাতেই বোঝা যায় ইসলামাবাদ তলায় তলায় ঠিক কী করছে।

    সত্যিই কি পাকিস্তান আইএমএফের লোনের ওপর নির্ভরশীল? নাকি এটা আসলে গোটাটাই লোক দেখানো এবার কি মুসলিম বিশ্ব আর ভরসা করবে পাকিস্তানের ওপর? রিপোর্ট বলছে ১৫৫ মিমির শেল ইজরায়েলকে বিক্রি করছে পাকিস্তান। ঠিক কত বিলিয়নের চুক্তি ইজরায়েল করেছে পাকিস্তান আর্মির সঙ্গে? ওয়াকিবহাল মহল বলছেন ভারতে থাকা প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন না ভারতের থেকে তাদের কোনও আশা নেই
    এবার পাকিস্তানকে নিয়েও তারা বক্তব্য রাখুক। প্রতিবেদনের তথ্য বলছে বাহারাইন থেকে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে থাকা নুর খান বেসে আসছে সিক্রেট বিমান যা সেখান থেকে ওমান হয়ে সাইপ্রাসে রওনা হয়েছে। সাইপ্রাসে রয়েছে ব্রিটিশ এয়ার ফোর্সের আন্তর্জাতিক আক্রোটিরি বেস। আর এগজ্যাক্টলি সেখান থেকেই ইজরায়েলের কাছে অস্ত্র পৌছচ্ছে। ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের জন্য ব্রিটিশ এই বিমানগুলো পৌঁছচ্ছে দক্ষিণ ইজরায়েলের নেভাটিম এয়ার ফোর্সের বেসে।অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারক্রাফট অস্ত্র নিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে তেল আভিভের বেন গুরিয়ন এয়ারপোর্টে।

    পাকিস্তান এমন একটা দেশ যাদের পাসপোর্টে লেখা থাকে
    তাদের দেশের নাগরিকেরা ইজরায়েলর ছাড়া যে কোনও দেশে যাত্রা করতে পারবে। কারণ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের বা ফিলিস্তিন সঙ্কটের জেরে ইজরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতিই দেয় না পাকিস্তান। এমনকি পাকিস্তানকেও কাশ্মীর ইস্যুতে সাপোর্ট করে না তেল আভিভ। তাহলে তাদের সঙ্গে কিসের ডিল? তবে এখানেই থেমে গেলে চলছে না। ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে পাকিস্তানের ওপর চাপ রয়েছে। তাহলে এটাও কি সেই চাপেরই পরিণতি?

    এদিকে আরেকটা জিনিস লক্ষ্য করার পাকিস্তান বিরুদ্ধে কিন্তু ইউক্রেন ও ইজরায়েলকে এই একই ১৫৫ মিমির শেল বিক্রি অভিযোগ উঠেছে। তাহলে এই সবটাই কি পাকিস্তানের পেটের ভাত জোগানোর জন্য, নাকি এবার যুদ্ধ মিটলেই ইজরায়েলের সঙ্গে গোপনে সম্পর্ক তৈরি করবে পাকিস্তান? এই খবরে মুসলিম বিশ্ব যে ছি ছি করছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই‌।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকিস্তানে দিল্লির শত্রুদের শেষ করেছে কে ? গুপ্তঘাতক ঘুরে বেড়াচ্ছে, ISI সাবধান

    পাকিস্তানে দিল্লির শত্রুদের শেষ করেছে কে ? গুপ্তঘাতক ঘুরে বেড়াচ্ছে, ISI সাবধান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তানে ঢুকে দিল্লির দুশমনদের কে খতম করছে? পাকিস্তানের বুকে ‘অপারেশন র‍্যাথ অফ গড’! ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেডের লিস্টে থাকা এক এক জঙ্গি শেষ। কানাডা যে ভুল করেছে পাকিস্তান না করলেই ভালো। পাকিস্তান দিশেহারা। যাদের এতদিন দুধ কলা দিয়ে পুষেছিল তারা যাতে ভারতের ওপর প্রতিশোধ নেওয়া যায় সময়ে অসময়ে তাদের পাকিস্তানে ঢুকে কারা খতম করে যাচ্ছে? ভাববেন না আইএসআই এর খোঁজ জানে না। বরং এমনটা হতে পারে এমূহুর্তে প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও মুখ খুলতে পারছে না পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা। একটা রিপোর্ট বলা হচ্ছে বিগত দুবছরে পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত হেনেছে গুপ্তঘাতকরা। আর সেই গুপ্তঘাতকদের শিকার হয়েছে অজ্ঞাত অন্তত বারো জন জেহাদি। নিহতদের মধ্যে রয়েছে টপ টপ জঙ্গি লস্কর-ই-তইবা, হিজবুল মুজাহিদিন, জইশ-ই-মহম্মদ ও খলিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের নেতারা। সবচেয়ে বড় কথা হল এরা প্রত্যেকেই ছিল ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড লিস্টে ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে কারা হত্যা করল এদের?

    অবশ্য অনেকেই বলছেন এক্ষেত্রে কানাডার মতো ভুল পাকিস্তান হয়ত করবে না। কানাডা যেমন নিজ্জরের হত্যার নেপথ্যে ভারতকে দায়ী করেছে। আর সবথেকে বড় কথা বারবার প্রমাণ চাওয়া সত্ত্বেও একটাও প্রমাণ তুলে ধরতে পারেনি ওটাওয়া। পাকিস্তান মনে মনে  এর নাম নিলেও হয়ত প্রকাশ্যে কোনওধরণের ঘোষণা করবে না। দেখুন সবথেকে সাম্প্রতিক ঘটনা ১৩ নভেম্বরের করাচিতে ঘাতকদের হাতে প্রাণ যায় মৌলানা রহিমউল্লা তারিকের। জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের ঘনিষ্ঠ ছিল। সে এর আগে, ৯ নভেম্বর খুন হয় লস্কর জঙ্গি। আকরাম খাব ওরফে আকরাম গাজী থাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে তাকে গুলি করে খুন করা হয়। আততায়ী কারা বা কে যানা যায়নি কোন ট্রেসও পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাগুলোকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে পাক সরকার এমনটাই দাবি পাকিস্তানের একাংশের।

    বিশ্লেষকদের একাংশের মতে পাকিস্তানের বুকে ‘অপারেশন র‍্যাথ অফ গড’-এর কায়দায় অভিযান চলছে। যেমন ১৯৭৬-এর মিউনিখ অলিম্পিক হত্যাকাণ্ডের বদলা নিতে ‘অপারেশন র‍্যাথ অফ গড’ শুরু করেছিল ইজরায়েল। ইউরোপ-সহ বিশ্বজুড়ে প্যালেস্তিনীয় জঙ্গি সংগঠন ‘ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর’-এর নেতাদের হত্যা করে মোসাদ ২০২১ সাল থেকে এভাবেই পাকিস্তানের বুকে গোপন মিশন শুরু হয়েছে তবে কারা করছে কেউ জানে না। অনেকেরই দাবি পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলোর নিজেদের সংঘর্ষে এর পক্ষ আরেক পক্ষকে শেষ করছে এমনটাও হতে পারে। তবে এতে যে আদতে ভারতের লাভ হচ্ছে তা বলার বোধহয় প্রয়োজন নেই দিল্লি হিটলিস্টে থাকা একের পর এক জঙ্গি খতম হচ্ছে একের পর এক।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকিস্তানের ৩০ কোটির জ্যাকপট! যুদ্ধ হলেই আসল লাভ, ইসলামাবাদ বোকা বানাচ্ছে বিশ্বকে

    পাকিস্তানের ৩০ কোটির জ্যাকপট! যুদ্ধ হলেই আসল লাভ, ইসলামাবাদ বোকা বানাচ্ছে বিশ্বকে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তান মালামাল হয়ে গেল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে। ৩০ কোটির জ্যাকপট পেয়ে গেল ইসলামাবাদ। রাশিয়া-চীন ধরতেই পারেনি শাহবাজ শরিফের চালাকি। যে তথ্য সামনে এল তাতে বিশ্ব অবাক! পাকিস্তান নিজের দেশের যে অবস্থা দেখাচ্ছে বাস্তব কি সেটাই? নাকি নিজের দেশের জনগনের সঙ্গে গোটা দুনিয়াকে বোকা বানানোর চেষ্টা! পাকিস্তানের বড়সড় লটারি লেগে গেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে এই দেশটা যা কামিয়ে ফেলেছে সেই সংখ্যা শুনে রীতিমত অবাক হতে হয়। অনেকে বলেছিলেন রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে নিরপেক্ষ থেকে আসলে যুদ্ধের ফায়দা লুটছে ভারত। রাশিয়ার থেকে সস্তা দামে কাড়ি কাড়ি তেল কিনছে ভারত। তাহলে বলতে হয় একটু দাঁড়িয়ে যান পাকিস্তানেরটা শুনুন। ২০২২ সালে ইউক্রেনকে গোলাবারুদ সরবরাহ করে ৩৬ কোটি ৪০ লক্ষ মার্কিন ডলার উপার্জন করেছে। অর্থ সংঙ্কটে ভুগতে থাকা পাকিস্তান কারা দিল পাকিস্তানকে এত টাকা?এবার কি তাহলে চীনের লোনের আর দরকার নেই ইসালামাবাদের?

    জানতে পারা যাচ্ছে ‘গ্লোবাল মিলিটারি’ এবং ‘নর্থরপ গ্রুম্যান’ নামে দুটি মার্কিন বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে অস্ত্র চুক্তি করেছিল ইসলামাবাদ। মার্কিন ফেডেরাল প্রোকিওরমেন্ট ডেটা সিস্টেমের তথ্যের উল্লেখ করে বিবিসি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে ইউক্রেনকে ১৫৫ মিমি শেল বিক্রি করেছিল পাকিস্তান। ২০২২-এর ১৭ অগস্ট ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের এই চুক্তিগুলি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তারপর কীভাবে ইউক্রেনে পৌঁছনো হয়েছিল একের পর এক অস্ত্র জানেন? অনেকেই বলছেন যে রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে তা পাকিস্তান অস্বীকার করলেও এবার মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক বিগড়ে যেতে পারে পাকিস্তানের। রাওয়ালপিন্ডির পাক বিমান বাহিনী ঘাঁটি নুর খান থেকে সাইপ্রাসের ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি আকরোতিরি হয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনে অস্ত্রগুলি পৌঁছে দিয়েছিল। একটি একটি ব্রিটিশ সামরিক কার্গো বিমান। এর জন্য নুর খান বিমান ঘাঁটি থেকে মোট পাঁচবার উড়েছিল বিমানটি। ইমরান খানই কি গদিতে থাকার সময় করেছিলেন এসব চুক্তি?

    এদিকে বিবিসি উর্দুর দাবি পাকিস্তান একেবারেই এই লাভের কথ না মানতে চাইলেও পাকিস্তানের ব্যঙ্কের তথ্য সত্যিটা ফাঁস করে দিচ্ছে। স্টেট ব্যাঙ্ক অব পাকিস্তানের তথ্যেও বলা হয়েছে ইসলামাবাদের অস্ত্র রফতানি ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ৩,০০০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২১-২২-এ পাকিস্তান ১ কোটি ৩০ লক্ষ মার্কিন ডলারের অস্ত্র রফতানি করেছে। সেখানে ২০২২-২৩-এ তাদের অস্ত্র রফতানির আয় পৌঁছেছে ৪১ কোটি ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলারে। এই চুক্তিগুলি হয়েছিল পাকিস্তানের বহুদলীয় জোট। পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট-এর শাসনাকালে ইমরান খানের সময় নয় গত বছরের এপ্রিলে ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল। ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট তারপরই এসব চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।

    অনেকেই বলছেন পাকিস্তানের পকেটে যদি সত্যি এই পরিমাণ অর্থ এসে থাকে তাহলে তো তাদের এবার দেশের দুর্দশা ঘোচানোর কাজে তা ব্যবহার করা দরকার। এখন সেই টাকা যদি সেনাবাহিনীর পেটে চলে যায় তাহলে তা আলাদা ব্যাপার বা হয়ত এই টাকা দিয়েই আরও নতুন অস্ত্র কিনে তা ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার করারই ছক কষছে তারা।পাকিস্তানের অবশ্য দাবি রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে দুই দেশের বিরোধ করে তারা ‘কঠোর নিরপেক্ষতা’ নীতি বজায় রেখেছে। যদি এই বক্তব্য খুব কম লোকই বিশ্বাস করেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বোর্ড কর্তা ও প্রাক্তণদের ব্যবহারে হতাশ বাবর ছাড়তে চলেছেন অধিনায়কত্ব! তোলপাড় পাক ক্রিকেটে

    বোর্ড কর্তা ও প্রাক্তণদের ব্যবহারে হতাশ বাবর ছাড়তে চলেছেন অধিনায়কত্ব! তোলপাড় পাক ক্রিকেটে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চলতি বিশ্বকাপটা মোটেও ভালো যায়নি পাকিস্তানের। জোড়া ম্যাচ জিতে চলতি বিশ্বকাপ যুদ্ধের অভিযান শুরু করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু ভারতের কাছ হারের পরেই সব হিসাব বদলে যায়। এর পর অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধেও হারতে হয় পাকিস্তানকে। ভালো শুরু করেও সেটাকে ধরে রাখতে না পারার জন্য বাবর আজমের অধিনায়কত্ব নিয়েও নিন্দায় সরব হয়েছেন অনেকেই। মিকি আর্থার থেকে আব্দুল রজ্জাক, পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকাদের দাবি, ভারতের অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্যই পাক দল নাকি চলতি বিশ্বকাপে পারফর্ম করতে পারেনি। যদিও সেটা মানতে নারাজ অধিনায়ক বাবর আজম। তিনি ভারতের নিরাপত্তা ও আতিথেয়তার প্রশংসা করেছেন।

    পুরো বিশ্বকাপে পাকিস্তানের এই পারফরম্যান্স নিয়ে নিন্দা কম হয়নি। বিশাল বড় কিছু অঘটন ঘটাতে না পারলে শাহিন শাহ আফ্রিদি, মহম্মদ রিজওয়ানদের চলতি বিশ্বকাপ যুদ্ধ থেকে বিদায় নেওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। পাশাপাশি চলতি বিশ্বকাপে বাবরের ব্যাটিং ও অধিনায়কত্ব নিয়ে কম কথা হয়নি। প্রাক্তন ক্রিকেটার থেকে শুরু করে নির্বাচক সকলেই সরব হয়েছে। গতকাল একটি সাক্ষাৎকারে বাবর আজমদের নিয়ে কিছুটা মজা করেন ওয়াসিম আক্রম ও মিসবাহ উল হক। একমাত্র ইংল্যান্ড দলকে আটকে রাখলেই পাকিস্তান সেমিফাইনালে যেতে পারবে বলে মন্তব্য করেন তাঁরা। সেটা যে পুরোপুরি ব্যাঙ্গ ছিল তা বুঝতে কারও সমস্যা হয়নি।

    পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার যারা তাঁর নিন্দা করেছেন, তাঁদের নাম না করে কটাক্ষ করলেন তিনি। সাংবাদিক বৈঠকে পাক অধিনায়ক বলেন, আমার ধারণা, সবাই টিভিতে জ্ঞান দিতে বেশি পছন্দ করে। তাই কেউ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে না। কেউ যদি পরামর্শ দিতে চায়, তাহলে আমাকে সরাসরি ফোন করতে পারে। আমার নম্বর তো সবার কাছে আছে। এদিন তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত সমালোচনা ও ব্যাঙ্গের জবাব দিলেন বাবার আজম।

    এরই মধ্যে বাবরের নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে তোলপাড় পাকিস্তান ক্রিকেট। পাক ক্রিকেট বোর্ড এবং প্রাক্তন ক্রিকেটারদের ব্যবহারে বিরক্ত হয়ে নেতৃত্ব ছাড়তে চাইছেন বলে সূত্রের খবর। শনিবার ইডেন ম্যাচের পরেই তাই বাবর অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিতে পারেন। যদিও এই বিষয়ে বাবর বা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা কোন মন্তব্য করেননি। পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার এবং বোর্ডের কর্তাদের ব্যবহারে হতাশ বাবর। তবে বাবর নেতৃত্ব ছাড়ার আগে নিজের বাবার সঙ্গে এক বার কথা বলতে চান। তার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। যদিও বিশ্বকাপের পর বাবরকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছিল পাক ক্রিকেটে। তাই বাবর যদি নেতৃত্ব নাও ছাড়েন, তাহলেও অধিনায়কের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে তাঁকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম