Tag: India

  • Amit Shah: POK ভারতেরই, শাহের নিশানায় কংগ্রেস, আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন নরেন্দ্র মোদী!

    Amit Shah: POK ভারতেরই, শাহের নিশানায় কংগ্রেস, আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন নরেন্দ্র মোদী!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Amit Shah: লোকসভায় কয়েকদিন আগেই অমিত শাহ POK হুঙ্কার দিয়ে POK বলেছিলেন যে পিওকে আমাদের। এই জমি এই কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না। এই অংশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এবার সেই বিষয়ে নিশানা করলেন কংগ্রেসকে।

    পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই। সরাসরি বলে দিয়েছিলেন অমিত শাহ। জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা বৈঠক সমালোচনার যেন শেষ নেই। সম্প্রতি পার্লামেন্টে জম্মু ও কাশ্মীর সংরক্ষণ (সংশোধন) বিল, ২০২৩ নিয়ে আলোচনা চলাকালীন আবার উঠল আলোচনার ঝড়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বক্তৃতা শুরু হতেই বিরোধী নেতারা একটু দূরে হটতে থাকেন। প্রকৃতপক্ষে, শাহ তাঁর বক্তৃতার শুরুতে বিরোধী দলগুলির একটি জোট INDIA-কে ‘অহংকারী’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

    জম্মু ও কাশ্মীর সংরক্ষণ (সংশোধন) বিল ২০২৩ নিয়ে বক্তৃতা দেওয়ার সময়, শাহ কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ৩৭০ ধারা অপসারণের বিরোধিতা এবং উপত্যকায় বিচ্ছিন্নতাবাদের প্রচারের মতো অনেক গুরুতর অভিযোগ করেছেন। শাহ বলেছেন যে নেতারা যারা পদত্যাগ করছেন তারাও আগামী লোকসভা নির্বাচনে খারাপ পারফর্ম করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জম্মু ও কাশ্মীর সংরক্ষণ (সংশোধন) বিল, ২০২৩ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন (সংশোধন) বিল, ২০২৩-এ রাজ্যসভায় বক্তৃতা করার সময় টার্গেট করেন কংগ্রেস এবং জোটের অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য দলগুলিকেও। বলেন, “আজ ৩৭০ ধারা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তও এসেছে। তারপরও তারা (কংগ্রেস) বলছে যে তারা এটা মানে না এবং ৩৭০ অনুচ্ছেদ ভুলভাবে সরানো হয়েছে। বাস্তবতা কী তা আমি তাদের বোঝাতে পারব না। ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিচ্ছিন্নতাবাদকে প্রচার করেছে। এবং বিচ্ছিন্নতাবাদ সন্ত্রাসবাদের দিকে পরিচালিত করে”। এমনটাই বলেছে ‘Oneindia’র প্রতিবেদন।

    অমিত শাহ আলোচনার সময় আসন্ন নির্বাচনের বিষয়ে হাউস থেকে ওয়াক আউট করা সাংসদদেরও সতর্ক করেছিলেন। তিনি বলেন, “আমি এখনও করছি, ফিরে আসুন নাহলে যারা বাকি আছে তারাও থাকবে না। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতেও, আপনি যদি আপনার সিদ্ধান্তে অটল থাকতে চান তবে জনগণ দেখছে… ২০২৪ সালে।” আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • 370 Article: ভারতের সিদ্ধান্তে আতঙ্কে পাকিস্তান, কাশ্মীর পেতে ছুটল চীনের কাছে!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    370 Article: সম্প্রতি জম্মু এবং কাশ্মীরকে নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায় যেন কিছুতেই হজম হচ্ছে না পাকিস্তানের। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের পর আতঙ্কে রয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলিল আব্বাস জিলানি বলেছেন, তার দেশ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন বিষয়টি ইসলামিক দেশগুলোতে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান। এই নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে ‘নবভারত টাইমস’ এ।

    প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিলের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের পর পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকার আতঙ্কে রয়েছে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তের পর কয়েক ঘণ্টা চুপ ছিলেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলিল আব্বাস জিলানি। জিলানি অবশেষে সন্ধ্যায় তার নীরবতা ভেঙে বলেন যে, ভারতের একতরফাভাবে কাশ্মীরের অবস্থা পরিবর্তন করার অধিকার নেই। আরো বলেন, পাকিস্তান ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে। শুধু তাই নয়, এবার পুরো বিষয়টি অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কান্ট্রিজ (ওআইসি)-তে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়াও, এর আগে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সংবিধান অনুযায়ী ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করার সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতভাবে ঘোষণা করেছিল। পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ কাশ্মীরে নির্বাচন করার নির্দেশও দিয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, কাশ্মীর একটি বৈশ্বিক বিরোধ এবং এ বিষয়ে জাতিসংঘের একটি প্রস্তাবও এসেছে। ২০১৯ এর ৫ আগস্ট ৩৭০ ধরা বাতিল করার সিদ্ধান্ত জাতিসংঘের বিধানের লঙ্ঘন। সুপ্রিম কোর্টের এই রায় বিশ্ববাসীর দৃষ্টি ফেরানোর চেষ্টা। পাকিস্তান ওআইসি ও চীনের আশ্রয় নিতে পারে।

    জিলানি বলেন, পুরো বিষয়টি সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে নিয়ে আলোচনা করা হবে। ভারতের পদক্ষেপ ইতিমধ্যে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ওআইসিকে জানানো হয়েছে। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের পর পাকিস্তান সরকার সব বিকল্প বিবেচনা করছে। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিত্তিহীনভাবে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনা করেছেন। পাকিস্তানের মন্ত্রীর আরো দাবি, ভারত ওআইসি পর্যবেক্ষকদের নাকি কাশ্মীরে যেতেও দেয়নি।

    প্রকৃতপক্ষে, গত কয়েক দশক ধরে পাকিস্তান কাশ্মীর নিয়ে ভারতকে কোণঠাসা করতে সৌদি আরবের তৈরি ওআইসিকে ব্যবহার করছে। পাকিস্তানের পদক্ষেপ নস্যাৎ করতে ভারত ওআইসিকে যোগ্য জবাব দিয়েছে। পাকিস্তান এখন আবারও ইসলামিক দেশগুলোর কাছে ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টির আবেদন করতে পারে। এছাড়া এই পুরো বিষয়টি নিয়ে পাকিস্তান চীনের আশ্রয় নিতে পারে। সেই চীন যে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর গালওয়ান, লাদাখে রক্তক্ষয়ী সহিংসতা চালিয়েছিল। বহু বিশেষজ্ঞের মতে, চীন ও পাকিস্তান এখন ভারতের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Onion Crisis in Bangladesh: ভারতের পিয়াঁজ বাংলদেশে, তাও কমছে না দাম! নাভিশ্বাস বাজার দর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Onion Crisis in Bangladesh: রাতারাতি পিয়াঁজের দাম বাড়ছে বাংলাদেশে। দেশটার মানুষ রাত্রে ঘুমাতে যাচ্ছেন পিঁয়াজের এক দাম শুনে, ঘুম থেকে উঠে দেখছেন এক লাফে বেড়ে গিয়েছে সেই দাম। প্রায় দ্বিগুন থেকে তিনগুণ পর্যন্ত। কেউবা অত্যাধিক দামের কারণে পিঁয়াজ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। আবার কেউ বা অতিরিক্ত টাকা খরচ করে পিয়াঁজ কিনছেন। রান্নাঘরের বিভিন্ন পদের স্বাদ বাড়াতে অমূল্য একটা উপাদান বলে মনে করা হয় পিঁয়াজকে সেখানেই যদি টান ধরে, তাহলে বাঙালির খাওয়া ভালো মতো জমবে কীভাবে? ভারতে পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, ভারত থেকে বাংলাদেশে পিয়াঁজ পৌঁছেছে। কিন্তু তাও দেশটাতে দাম কমার নাম গন্ধ পর্যন্ত নেই। ইতিমধ্যেই দেশটার বাজারে ঢুকতে শুরু করেছেন নতুন পিয়াঁজ। কিন্তু কমছে না পুরনো পিয়াঁজের দাম। বাংলাদেশের কৃষি সচিব জানিয়েছেন, গ্রীষ্মকালীন পিয়াঁজ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনা আরো বাড়ানো হবে। কৃষকদের উৎসাহ দেওয়া হবে। বিশেষ করে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, গ্রীষ্মকালীন পিয়াঁজের উপর। কৃষকদের বীজ থেকে শুরু করে সার দেওয়া হচ্ছে বিনামূল্যে। ইতিমধ্যেই মিলছে তার সুফল।

    বাংলাদেশের গণমাধ্যম যুগান্তরের রিপোর্ট বলছে, ভারত পিয়াঁজ রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ঠিকই। তারপরেও কিন্তু স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে ঢুকেছে ৭৪৩ টন পিঁয়াজ। গত শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৬ টি ট্রাকে করে সেই পিয়াঁজ বাংলাদেশে ঢোকে। আসলে বাংলাদেশের আমদানিকারকরা ভারতীয় পিঁয়াজ কেনার জন্য যে এলসি করেছিল সেগুলোই এখন যাচ্ছে। তবে নতুন করে কোন এলসি পাওয়া যাবে কিনা সেই বিষয়ে আপাতত নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। ৭ই ডিসেম্বর থেকে আগামী ৩১ শে মার্চ পর্যন্ত ভারত সরকার পিয়াঁজ রপ্তানি করবে না বলেই জানিয়েছে। যার এফেক্ট কিছুটা পড়েছে বাংলাদেশের উপর। কারণ বাংলাদেশ কাঁচা লঙ্কা, পিয়াঁজ, আলু থেকে শুরু করে বহু পণ্যের ক্ষেত্রে ভারতের উপর নির্ভরশীল। যখনই পণ্যের দাম লাগাম ছাড়া হয়, তখনই অস্থির বাজার সামলাতে আমদানি করে ভারত থেকে। যেহেতু দুটি দেশ একদম কাছাকাছি, স্থলবন্দরের মাধ্যমে খুব সহজেই কাঁচা পণ্য আমদানি রপ্তানি করা যায়। আপাতত বাংলাদেশের পিয়াঁজের দরে কবে যে লাগাম টানবে, তার ইঙ্গিত এখনো মেলেনি। অপরদিকে নাভিশ্বাস উঠছে দেশটার হেঁসেলে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • PM Narendra Modi: বিশ্বনেতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তায় প্রথম স্থান মোদীর, বাইডেন-হাসিনা কোথায় ? দেখুন তালিকা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    PM Narendra Modi: কোন ট্রিক্সে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নরেন্দ্র মোদী? ম্যাজিক জানেন নাকি? ইসলামাবাদ থেকে চীন, মোদির জনপ্রিয়তার গ্রাফ টা দেখেছেন? জো বাইডেন, ট্রুডোরা ছিটকে গেলেন, হাসিনাই বা কোথায়? পরপর টপার, রিপোর্টে লুকিয়ে এ কোন রহস্য লুকিয়ে? কোন মন্ত্রে গোটা বিশ্বকে পেছনে ফেলে বারংবার সুপারহিট ভারতের নমো?জনপ্রিয়তার নিরিখে ফার্স্ট বয় নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী। তিনি শুধু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি গোটা বিশ্বে সবথেকে জনপ্রিয় মানুষদের মধ্যে অন্যতম। বিশ্বের তাবড় তাবড় শক্তিধর রাষ্ট্র্রপ্রধানদের পিছনে ফেলে সবথেকে জনপ্রিয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

    “মর্নিং কনসাল্ট” অনুযায়ী ৭৬%- রেটিংয়ে বিশ্ব নেতাদের হারালেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থাৎ, মর্নিং কনসাল্টের এই সমীক্ষায় দেখা গেছে ৭৬ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বকে সমর্থন করেছেন। তাঁকে সবচেয়ে বেশি বিশ্বস্ত নেতা বলেও অভিহিত করেছে, যেখানে মাত্র ১৮ শতাংশ মোদীর বিরুদ্ধে তাঁদের মতামত প্রকাশ করেছে। নমোর পোশাক পরিচ্ছদ থেকে শুরু করে বক্তব্য, নীতি, ভাবনা চিন্তা, বাহ্যিক ভাবমূর্তি, ব্যক্তিত্ব সবকিছুই ভারতের পূর্ববর্তী প্রধানমন্ত্রীদের মতো মোটেই নয়। তিনি ব্যতিক্রমী, তিনি ইউনিক। এমনকি চীন পাকিস্তানেও মোদীর আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা। কেন? কোন টেকনিক কাজ করছে?

    সদ্য হিন্দি বলয়ের তিন রাজ্যে বড় জয় পেয়েছে বিজেপি। কোনও মুখ্যমন্ত্রীর ‘মুখ’ ছাড়াই এই তিন রাজ্যে ভোটে লড়েছিল বিজেপি। তাদের ভরসা ছিল নরেন্দ্র মোদীর ওপর। মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় এবং রাজস্থানে মোদী মন্ত্রেই বাজিপাত করেছে পদ্ম শিবির। লোকসভা ভোটর আগে মোদীর জনপ্রিয়তায় ফের একবার শিলমোহর পড়েছে এই নির্বাচনগুলিতে। এরই মাঝে সামনে এসেছে আন্তর্জাতিক একটি সংস্থার ফলাফল। যেখানে বিশ্বের তাবড় তাবড় নেতাদের মধ্যে থেকে জনপ্রিয়তা এবং গ্রহণযোগ্যতার নিরিখে ফের একবার শীর্ষে নরেন্দ্র মোদী। গত ২৯ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে এই সমীক্ষার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। তাতে গ্রহণযোগ্যতার নিরিখে দ্বিতীয় জনপ্রিয় নেতার তকমা পেয়েছেন মেক্সিকোর অ্যান্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাদর, তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ৬৬ শতাংশ, তাঁকে অপছন্দ করা ব্যক্তি হলেন ২৯ শতাংশ।

    তৃতীয় স্থানে সুইৎজারল্যান্ডের অ্যালেইন বারসেট; তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ৫৮ শতাংশ, তাঁকে অপছন্দ করেন ২৮ শতাংশ সুইস। চতুর্থ স্থানে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা। তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ৪৯ শতাংশ, আর অপছন্দ করেন সেদেশের ৪৪ শতাংশ মানুষ। এরপরই তালিকায় আছেন অজি প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ, তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ৪৭ শতাংশ। ৪২ শতাংশ অজি নাগরিকদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা নেই। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি আছেন ষষ্ঠ স্থানে। তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ৪১ শতাংশ, ৫২ শতাংশ ইতালিয়ান পছন্দ করেন না মেলোনিকে। এই তালিকায় অষ্টম স্থানে আছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। অবশ্য তাঁর দেশের ৫৮ শতাংশ মানুষই তাঁকে পছন্দ করেন না। তালিকায় নবম স্থানে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, তাঁর গ্রহণযোগ্যতা মাত্র ৩৭ শতাংশ। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক প্রথম দশে জায়গাই পাননি।

    আসলে বুঝতে হবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বিশ্বের বাকি দেশগুলির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন তা শেখার মতো। ব্যালেন্স রেখে এগিয়ে চলেছেন মোদী। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, মোদি আর পাঁচ জন রাষ্ট্রনেতার চেয়ে আলাদা, এটা মনে করে গোটা বিশ্ব।রাশিয়া, আমেরিকা-সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে মোদির নেতৃত্বে ভারতের যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, তাও তাঁর জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন গোটা পৃথিবীর মানুষ। শেষ নয়, এই তো সবে শুরু। ভারতবর্ষকে উচ্চ শিখরে নিয়ে যাওয়ার মিশনে নরেন্দ্র মোদীর সফলতাই আগামী দিনে বিশ্বের কাছে তাঁকে এক অন্য জায়গা দেবে বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Onion Price: বাংলাদেশের পেঁয়াজের বাজার ভারতের কন্ট্রোলে ? একটা স্টেপ, ঘুরে গেল বাজার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Onion Price: রাতারাতি বাংলাদেশে পেঁয়াজের বাজার ঘুরিয়ে দিল ভারতের একটা স্টেপ। ভারত এক্সপোর্টে ব্যারিকেড দিতেই, বাংলাদেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দাম। আবার কি পেঁয়াজের দামে চোখের জল ঝড়বে বাংলাদেশীদের? ওপার বাংলায় ভারতের পেঁয়াজই কি শেষ ভরসা? নির্বাচনের আগে পেয়াঁজের দামে লাগাম টানাই হাসিনা সরকারের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। বৃষ্টিই ঘুরিয়ে দিল অঙ্ক। বন্ধু না দেশ, ব্যালেন্সের স্ট্র্যাটেজি নেবে মোদী সরকার?বাংলাদেশে পেঁয়াজের বাজার গরম। পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে ভারত, আর পোয়াবারো বাংলাদেশের পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের। বাংলাদেশে পেঁয়াজে কি সত্যিই হাত দেওয়াই দুষ্কর? আসল ফ্যাক্টটা জানেন?

    যে দেশী পেঁয়াজ সকালে খুচরো পর্যায়ে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়। ভারতের নিষেধাজ্ঞা জারির পরে সেই পেঁয়াজ বাংলাদেশে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকার ওপরে এটাই ফ্যাক্ট। ঢাকা সহ ওপার বাংলার বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আমদানি করা পেঁয়াজেরও দাম বেড়েছে। যে পেঁয়াজ সকালে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১১৫ টাকায়, ভারতের নিষেধাজ্ঞা জারির খবরে সেটাই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকা পর্যন্ত। ব্যবসায়ীদের দাবি, চাহিদার তুলনায় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম। পাশাপাশি পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ভারত। এই কারণেই নতুন করে দাম বেড়েছে পেঁয়াজের। কিন্তু কেন হঠাৎ করেই পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞাপন জারি করলো ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রক?

    জানা গিয়েছে, অসময়ের বৃষ্টিতে মহারাষ্ট্রে চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ৪০ টাকা করে বেড়েছে। তাই ভারতের মধ্যে পেঁয়াজ সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে রফতানি করার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের সময়সীমা ৩ মাস বাড়িয়েছে মোদী সরকার। আর, সেই প্রভাবই পড়েছে বাংলাদেশের বাজারে। যদিও, ওপার বাংলা এখনও আশায় বুক বাঁধছে। মনে করছেন তুন পেঁয়াজ পুরোদমে ওঠা শুরু হলে দাম কমে যাবে। এই দাম বৃদ্ধির বিষয়টি সাময়িক। পেঁয়াজের এই আগুন বাজার কন্ট্রোলে হাসিনা সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ চাইছেন বাংলাদেশীদের একাংশ। তাদের দাবি, ভারতের পেঁয়াজ রফতানি নিষেধাজ্ঞাকে ইস্যু করে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়েছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এই সিন্ডিকেট তড়িঘড়ি না ভাঙলে আবারও ৩০০ টাকা ছাড়াতে পারে দাম। তাহলে কি সেই কথা মাথায় রেখেই বন্ধুদেশের জন্য সুযোগ রেখেছে ভারত?

    নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরও শর্তসাপেক্ষে পেঁয়াজ রপ্তানির একটি সুযোগ রেখেছে ভারত সরকার। ডিরেক্টরেট অব ফরেন ট্রেডের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কোনো দেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করতে হলে কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানি করতে ইচ্ছুক সংশ্লিষ্ট দেশও ভারত সরকারের কাছে আবেদন করে অনুমতি নিতে পারবে। ফলে বাংলাদেশের জন্য একটা অপশন কিন্তু থাকছেই। জানিয়ে রাখি, পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে আগেই রফতানির মূল্য বাড়িয়েছিল ভারত। পেঁয়াজের রফতানি শুল্কও বাড়ানো হয়। গত ২৯ অক্টোবর প্রতি টন পেঁয়াজের রফতানি মূল্য ৮০০ ডলার করা হয়। পরে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ভারত। আর এবার সেই মেয়াদ আরও তিন মাস বাড়ানো হলো। মনে করিয়ে দিই, গত বছর ভারত কয়েক ঘণ্টার নোটিসে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেওয়ায় বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।

    সেটাই তো স্বাভাবিক, কারণ বাংলাদেশের চাহিদার ৪০-৪৫ শতাংশই মেটায় ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ। সেই সময়ে দুই দেশ আলোচনা করে ঠিক করে, যে সব নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বাংলাদেশে যায়, সেগুলো রফতানিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হলেও পড়শি দেশের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে। কারণ, এর আগেও বিভিন্ন সময় দেখা গেছে ভারতের সিদ্ধান্তে বড়সড়ো এফেক্ট পড়ে যায় বাংলাদেশের পেঁয়াজ বাজারে। কিছুদিন আগেও বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল ভারত ছাড়াও আরো নয় দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হবে বাংলাদেশে। তালিকায় রয়েছে চীন, মিশর,তুরস্ক, পাকিস্তান কাতার সহ ৯ দেশ। কিন্তু তারপরেও পেঁয়াজ নিয়ে কালোবাজারি থামছেই না। ফলে বাধ্য হয়ে ভারতের পেঁয়াজই বাংলাদেশের কাছে শেষ ভরসা হয়েই থেকে যাচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India Pakistan: POK দখলে মোদীর প্রথম স্টেপ! পাকিস্তান যা করে ফেলল জানলে অবাক হবেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India Pakistan: POK নিয়ে শাহের হুঁশিয়ারিতে রেসপন্স কী পাকিস্তানের? প্রতিক্রিয়া জানাটা জরুরী তাহলে তো বুঝবেন খেলা শুরু। পাকিস্তান ভয় পেল নাকি রুখে দাঁড়াল কাশ্মীর বাঁচাতে? পিওকে কীভাবে গেছিল পাকিস্তানের কাছে জানা আছে আপনার? পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখলে মোদীর এটা প্রথম ধাপ। এ কি পাকিস্তান ভয় পেয়ে গেল নাকি? যে কাশ্মীর নিয়ে এত বছর দাপিয়েছে পাকিস্তান এবার ব্যাকফায়ার হয়ে গেল পুরোটাই। পাকিস্তান কি ভারতের কাশ্মীর নেবে, ভারত পাল্টা দখল করবে পিওকে। আচ্ছা ইদানিং পাকিস্তানকে আর কাশ্মীর নিয়ে কথা বলে না কেন? মোদীর একের পর এক উত্থান দেখে থরহরিকম্প নাকি ISI? অমিত শাহ ভারতের সংসদের দাঁড়িয়ে পিওকে দখলের ব্লুপ্রিন্ট দিয়ে দেওয়ার পর সীমান্ত পেরিয়ে সেই খবর ইসলামাবাদের কানে পৌঁছতে খুব বেশি সময় লাগেনি। সেখানকার সরকার, সেনা ও গোয়েন্দা সংস্থা সর্বোপরি পাকিস্তানের জনতা কী বলছে এরপর? সত্যিই কি নেহরুর জন্যই পিওকে আজ পাকিস্তানের হাতে?

    ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও কাশ্মীর নিয়ে তখনও মীমাংসা হয়নি। কাশ্মীরের রাজা হরি সিং তখনও স্বাধীন থাকতে চেয়েছিলেন, কিন্তু হঠাত করে কাশ্মীরের ওপর আক্রমণ করে দেয় পাকিস্তানি ফোর্স। অবশ্য ফোর্স না বলে পাশতুন উপজাতি বাহিনী বললে বেটার। এরপরই মাউন্টব্যাটেনের প্রস্তাব মেনে ‘ইনস্ট্রুমেন্ট অফ অ্যাকসেশনে’ স্বাক্ষর করেন হরি সিং। এর ফলে জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অংশ হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে শুরু হয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। এতদিন যে লড়াইয়ে পাশতুন বাহিনীর সঙ্গে লড়ছিল ‘জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর স্টেট ফোর্সেস’ এবার সেই লড়াইয়ে অংশ নিল ভারতীয় সেনা। ১৯৪৭ সালের ২২ অক্টোবর শুরু হয় যুদ্ধ। চলেছিল ১ বছর ২ মাস ২ সপ্তাহ সময়কাল ধরে। পরে ১৯৪৯ সালের ৫ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরিত হয়। তার আগে ১৯৪৮ সালেই যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যায়।

    যুদ্ধবিরতির পর নিয়ন্ত্রণরেখা তৈরি হয়ে যায় কিন্তু জারি থেকে যায় বিতর্ক। পাক অধিকৃত কাশ্মীর আর পুনরুদ্ধার করা যায়নি কেন সেই সময় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন নেহরু? সেই প্রশ্নটাই সংসদে তুলেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অবাক করা ঘটনা শুনবেন শাহের এই হুঁশিয়ারির পর পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রক একেবারেই চুপ। পাকিস্তানের তরফ থেকে টুঁ শব্দটাও করা হয়নি কার্যত, কিন্তু কেন? পাকিস্তান কি পাল্টা কোনও প্ল্যান করছে, নাকি মোদী-শাহের এমন আত্মবিশ্বাস পাকিস্তানের মুখে সেলোটেপ লাগিয়ে দিয়েছে। এরইমধ্যে ভারতের বিদেশমন্ত্রক থেকে বড় বয়ান বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন এটা নিয়ে কাউকে জবাবদিহিতা করবে না ভারত। পিওকে ভারতেরই অংশ আর এটা জলের মতো পরিস্কার। এটা ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আর নিজেদের মত বদলানোর কোনও প্রয়োজন ভারতের নেই। পাকিস্তান কি এরপরও চুপ থাকবে?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • FICCI: ভারত বিশ্বের উন্নয়নের ইঞ্জিন, চমক ২০২৭ এ! পিছনে পড়ে থাকবে চীন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    FICCI: ‘ভারত হল বিশ্বের উন্নয়নের ইঞ্জিন’, গুরুত্বপূর্ণ কথা বললেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। গত এক দশকে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিকে তাকালে বোঝা যাবে, ভারত ঠিক থেকে কতটা এগিয়ে। বিদেশি পরাশক্তি গুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা খাত থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে, দেশের অগ্রগতি চোখে পড়ার মতো। সম্প্রতি অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিয়ে FICCI AGM-এ বক্তৃতা দিয়েছেন রাজনাথ সিং। তখনই ভারতের প্রশংসা শোনা গেল তাঁর মুখে।

    শনিবার FICCI -এর ৯৬তম AGM-এ ভাষণ দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এই দিন তিনি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন। তাঁর কথায়, আজ ভারত বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি, তাই এটি স্বাভাবিক যে ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অন্যান্য দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও প্রভাব ফেলবে। এই কারণেই ভারতকে আজকের সময়ের গ্রোথ ইঞ্জিন বলা হচ্ছে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আরো বলেন, ভারত আজ বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে। বহু বিশেষজ্ঞের মতে, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত শীর্ষ তিনটি অর্থনীতির মধ্যে থাকব। বিশ্বের শীর্ষ রেটিং সংস্থা স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুওরসও বলেছে যে ভারত আজ বিশ্বের বৃদ্ধির ইঞ্জিনের ভূমিকা পালন করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের উন্নয়নের গতি মন্থর হবে এবং ভারতের উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত হবে। প্রশংসা করেছেন পীযূষ গয়ালও।

    এর আগে শুক্রবার, FICCI AGM-এ ভাষণ দেওয়ার সময়, ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে ৩০ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য সরকার ও শিল্প-কারখানা সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, ভারত ইতিমধ্যে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি অর্থনীতিতে যোগ দিয়েছে। দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রয়েছে ৬০০ বিলিয়ন ডলার। বিনিয়োগকারীরা ভারতে আসছেন, তার মানে ভারতীয় অর্থনীতিতে আস্থা বেড়েছে। বিদেশি ব্যাংকাররা ভারতীয় মুদ্রাকে বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ বলছেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Beekeeping: মৌ চাষেই লক্ষীলাভ দুই বাংলার, লাখ লাখ টাকার হাতছানি, শখ ভুলে পেশায় ডুবে চাষীরা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Beekeeping: ফুল-মধুই বাংলাদেশের অ্যাসেট। এপার বাংলার মধুতেও বিভোর গোটা ভারত। শখ ভুলে পেশা, মৌ চাষেই বিপুল লক্ষী লাভ। বিশ্বজুড়ে তাক লাগাচ্ছে বাংলাদেশের মধু শিল্প কিন্তু কিভাবে ধরা দিল এই সাফল্য? চোখে সরষে ফুল। কেন মধুর নেশায় বুঁদ দুই বাংলার চাষীরা? মৌমাছি পালনেই সোনার দিন, গ্রামীণ অর্থনীতিতেই বড়লোক সুজলা সুফলা বাংলাদেশ? সৌদি টু থাইল্যান্ড, বাংলাদেশের মধুতে কি আছে জানেন? শখ ভুলে যাচ্ছে দুই বাংলা। লক্ষ লক্ষ টাকা রোজগারের হাতছানি যে মধুতে, তাতে ভর করেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করছে পদ্মা পাড়ের দেশটা। বাংলার মধুও ভিন রাজ্যে পাড়ি দেয়।ভারত জুড়ে মৌমাছি পালকদের মধু চাষের রমরমা।বাণিজ্যিকভাবে মধু চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ভারত বাংলাদেশে।

    প্রতি বছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে খামারের সংখ্যা। তেল ও মসলা জাতীয় ফসল জমির পাশে গড়ে ওঠা এসব মৌখামার বাংলাদেশ এর কৃষির জন্য হয়ে উঠছে আশীর্বাদ। বাংলাদেশে মৌ খামারগুলো থেকে এক লক্ষ টন মধু আহরণের সুযোগ রয়েছে। বাণিজ্যিক এই মধুর স্বাদ, গন্ধ, রঙ, এক কথায় গুণগতমান ভালো হওয়ায় রপ্তানি হয় আন্তর্জাতিক বাজারেও। থাইল্যান্ড, জাপান, ভারত ও মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ যেমন কাতার, দুবাই, সৌদি, আরব আমিরাতে বাংলাদেশের মধু বিসাল জনপ্রিয়। মধু খুবই সম্ভাবনাময় একটি খাত। বিশেষজ্ঞদের মতে এই খাত থেকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। যথাযথ নিয়মে মধু সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ করতে পারলে লক্ষ্মী লাভের বিপুল সম্ভাবনা। চাষিরা এখন রপ্তানির জন্য বাণিজ্যিকভাবে মধুচাষে ঝুঁকছেন। শখ থেকে হয়ে উঠছে পেশা। আর, মৌমাছির পরাগয়নের ফলে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ উৎপাদন ও বাড়ছে কালোজিরা, ধনিয়া, সরষের।

    এই মৌ চাষের জন্য যেটা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ, মৌ বাক্স। প্রতিটি মৌবাক্স থেকে কমপক্ষে ৩ বার মধু সংগ্রহ করা যায়। ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি- এই তিন মাস মৌচাষিরা মধু সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন জেলায় অবস্থান করেন। ক্ষেতের পাশে বসিয়ে দেন সারি সারি মৌবাক্স। প্রতিটি বাক্সে একটি করে রানি মৌমাছি আর কয়েক হাজার কর্মী মৌমাছি থাকে। সকালে খুলে দেওয়া হয় বাক্স, তারা ছুটে যায় ফসলি মাঠে। ফুল থেকে ফুলের নেক্টার আহরণ করে আবারও বাক্সে ফেরে। বাক্সেই চাক বানিয়ে সেখানে মধু সঞ্চয় করে মৌমাছিরা। মৌচাষিরা ১০ থেকে ১৫ দিন পর পর বাক্সের ভেতর থেকে যন্ত্রের সাহায্যে মধু সংগ্রহ করে। সংগৃহীত মধু হাতের স্পর্শ ছাড়াই সম্পূর্ণ মেশিনের সাহায্যে বের করে আনা হয়। মজুদ করে রাখা হয় বিভিন্ন কনটেইনারে যা পরে চলে যায় ক্রেতাদের হাতে।

    বাংলাদেশের নির্দিষ্ট কিছু জেলা থেকে বেশি মধু আহরণ করা যায়, তবে কম-বেশি সব জেলাতেই সেই সুযোগ আছে। যদিও, শরীয়তপুর বাণিজ্যিকভাবে মধু উৎপাদনের একটি বড় ক্ষেত্র। সরষে, ধনিয়া আর কালোজিরা চাষের কারণে এখানে মৌচাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখানকার মধুর একটা আলাদাই গুরুত্ব আছে, কালোজিরার মধুর ওষুধি গুণ অন্য লেভেলের। এই জেলার মধু সারা বাংলাদেশ ও বহির্বিশ্বে ছড়িতে দিতে সরকারিভাবে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে শরীয়তপুরের মধুর পরিচিত বাড়বে, সম্প্রসারণ হবে, কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবে। মোদ্দাকথা কৃষি অর্থনীতি এগিয়ে যাবে, চাইছে বাংলাদেশ। তাছাড়া, মধু শিল্পের গুরুত্ব বুঝে এখন কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে মৌচাষিদের ট্রেনিং ও দেওয়া হচ্ছে। মৌচাষের জন্য চাষিদের উন্নতমানের বাক্সও দেওয়া হচ্ছে।

    বর্তমানে প্রায় তিন হাজার মৌচাষি বাণিজ্যিকভাবে মধু উৎপাদন করছে, বছরে প্রায় ১০ হাজার টন মধু উৎপাদিত হচ্ছে। যথাযথ পরিকল্পনা ও আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে মধুর উৎপাদন লাখ টনে উন্নীত করা সম্ভব। সেই টার্গেটের পেছনেই ছুটছে ওপার বাংলা। একই সাথে এপার বাংলাও মধু চাষে লাভ দেখছে, হাসছে সুন্দরবন।মধু উৎপাদনে শীর্ষ দেশ চীন! এশিয়ার মাঝে ভিয়েতনাম এবং ভারতের মধু রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য স্থান রয়েছে।আর মধু রপ্তানিতে বংলাদেশের অবস্থান ৮৩তম এবং আমদানিতে ৬৬তম, কিন্তু বলতেই হচ্ছে বাংলাদেশে যে মধু উৎপাদন হয় তা যদি সঠিকভাবে বাজারজাত করা যায়, তাহলে সেই দেশের চাহিদা মেটানো সম্ভব। সেক্ষেত্রে আগামী দিনে মধু আমদানির কথা আর ভাবতেই হবে না বাংলাদেশকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Lok Sabha Elections 2024: মোদীর বিরোধী মুখ কে? বিজেপির ফাঁদে পা দিল ইন্ডিয়া, গান্ধী পরিবারের হজম হবে?

    ।। সুচিত্রা রায় চৌধুরী ।।

    Lok Sabha Elections 2024: ২০২৪ মোদীর বিরোধী মুখে নতুন চমক নাকি? ইন্ডিয়া জোটে একাধিক জনপ্রিয় ফেস কে দাঁড়াবেন মোদীর বিরুদ্ধে নাকি অতি সন্ন্যাসী গাজন হবে নষ্ট? রাহুল ভার্সেস মোদী বিজেপির এই রণকৌশলেই বোকা বনেছে কংগ্রেস বারবার। এবারও কি সেটাই হতে চলেছে জানলে অবাক হবেন! রাজনীতি প্যাঁচ যে জিলিপির প্যাঁচের থেকেও জটিল সেটা বুঝতে পারবেন বিজেপির এই স্ট্র্যাটেজি জানলে। কংগ্রেস ভারতীয় জনতা পার্টির পাতা সেই ফাঁদে গুছিয়ে পা দিয়েছে। কোটি টাকার সেই প্রশ্নটা ওঠানোর সময় হয়ে এসেছে যে এবার। ২০২৪ লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদীর বিরোধী মুখ হিসেবে কাকে তুলে আনা হবে? লড়াইটা তো এবার আর বিজেপি কংগ্রেসের নয় বর্তমান ভারতের রাজনীতি বলছে লড়াই হবে বিজেপি ভার্সেস ইন্ডিয়া জোটের কিন্তু সেখানেও মুখ কে? ১৭ তারিখ বড় মিটিং ইন্ডিয়া জোটের সেখান থেকে আসতে পারে আরও আপডেট।

    অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, নাকি সেই রাহুল গান্ধী? বিজেপির এখানেই রয়েছে সাজনো একটা ফাঁদ। তাতে যদি বিরোধী জোট পা দেয় তাহলে চাপ আছে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। বিজেপি সুকৌশলে লড়াইটাকে ‘মোদি বনাম রাহুল’ এই বাইনারিতে নিয়ে গিয়েছে। আর কংগ্রেসও সেই ফাঁদে পা দিয়েছে বারবার। কর্নাটকের বিধানসভা ভোটের জয়ের পর কংগ্রেসের একশ্রেণির নেতারা এই জয়কে রাহুল গান্ধীর ‘ভারত জোড়ো’ যাত্রার সাফল‌্য হিসাবে দেখাতে শুরু করেন, কিন্তু বিশ্লেষকেরা বলছেন ‘ভারত জোড়ো’ যাত্রাটি খায় না মাথায় দেয় সে-সম্পর্কে ভোটারদের কোনও ধারণাই নেই। কেনই বা একজন নেতার একটি পদযাত্রা দেখে মানুষ দলে দলে ভোট দেবে তাও বোধগম‌্য নয়। কর্নাটকে কংগ্রেসের রাজ‌্য নেতাদের ভূমিকাই ছিল সেই জয়ের ক্ষেত্রে প্রধান।

    এই লড়াইটা ‘মোদি বনাম রাহুল’ হলে যে মোদি বারবার এগিয়ে যাচ্ছেন তা এই তিন রাজ্যের বিধানসভা ভোটে ফের স্পষ্ট হল। আগেও ২০১৯ সালে পরিস্কার তার ফল দেশ দেখেছে। আর বিজেপি এরপরও সেটাই বজায় রাখার চেষ্টা করবে ২০২৪ সালে। কিন্তু ইন্ডিয়া জোট সেটা বুঝতে পারবে? আর পারলেও কি এই ছক ভাঙতে পারবে? কে হবে ইন্ডিয়া জোটের মুখ? বিস্তর দ্বন্দ্ব বা কনফিউশনের পর এই প্রশ্নটা উঠেছে। সেখানে কেজরিওয়াল, মমতা দিদি, অখিলেশ বা অন্য কোনও মুখের আড়ালে রাহুল গান্ধীর ইমেজ ফিকে হলে কংগ্রেস বা বিশেষ করে গান্ধী পরিবার কী সেটা হজম করতে পারবে কোনওদিনও। আগেও তৃতীয় ফ্রন্ট বা জোটের সম্ভাবনায় জল পড়েছে এই একটা ইস্যুকে ঘিরেই।

    মোদী সরকারের বিরুদ্ধে তাহলে বিরোধীদের প্রধানমন্ত্রীর মুখ কে? এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেছিলেন ইন্ডিয়া এখন দেশের মুখ। আপাতত মুখ্য উদ্দেশ্যে দেশকে বাঁচানো এর মানে বোঝাই যাচ্ছিল মুখ তখনও বাছা হয়নি‌। এই লজিক বিধানসভা ভোটে চললেও লোকসভা ভোটে চলে কী? ২০২৪ দেশের প্রধানমন্ত্রী বাছাইয়ের নির্বাচন মোদীর মতো এত স্ট্রং শক্তিশালী ক্যান্ডিডেটের বিরুদ্ধে বিরোধীদের যিনি হবেন মুখ তাকেও তো ততটাই জনপ্রিয় হতে হবে গোটা দেশে। ১৭ অক্টোবর বড় মিটিং রয়েছে জোট ইন্ডিয়ার। সেখানেই কি ঠিক হতে পারে ২০২৪ সালের বিরোধী মুখ? আর সেটা যদি ফের রাহুল গান্ধী হন তাহলে অনেকটা বেশি অক্সিজেন পাবে বিজেপি এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pakistan Hamas: পাকিস্তান আটকাবে ইজরায়েল যুদ্ধ! হামাস বড় ফেভার চাইল ইসলামাবাদের থেকে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pakistan Hamas: হামাস পাকিস্তানের কাছে সাহায্য চাইছে গাজাকে বাঁচানোর। নিজেদের মুসলিম বিশ্বের হত্তাকত্তা মনে করা পাকিস্তান হামাসের সাহায্য করবে আদৌ? ইজরায়েলকেই এই যুদ্ধে অস্ত্র পাঠিয়েছিল না পাকিস্তান? চরম দোটানায় পড়ে গেল ইসলামাবাদ দু নৌকায় পা দিয়ে চলা এবার বেরিয়ে যাবে পাকিস্তানের। মুখে স্বাধীন পালেস্তাইনের দাবি আর লুকিয়ে ইজরায়েলকে সাহায্য? হামাসই পাকিস্তানের এনে দাঁড় করালো এমন এক জায়গায় যা নিয়ে ইসলামাবাদের অন্দরে প্রেসার শুরু। এগিয়ে এলেও চাপ পিছিয়ে গেলে ভিতু বলা হবে পাকিস্তানকে। হামাসের দাবি পাকিস্তান এই যুদ্ধে এগিয়ে এলে ইজরায়েল এই যুদ্ধ থামাতে বাধ্য হবে। অনেকেই বলছেন হামাস কি সত্যি মূর্খের স্বর্গে বাস করে নাকি হামাস এই সুযোগে পাকিস্তানের পরীক্ষা নিতে চাইছে।

    ঠিক কী বলা হয়েছে আগে সেটা জেনে নিন। হামাসের শীর্ষ নেতা ইসমাইল হানিয়ার দাবি পাকিস্তানের শক্তি সংঘাত থামাতে পারে। এর মানে তিনি মনে করেন ইসলামাবাদ এগিয়ে এলে গাজার ওপর ইজরায়েলের এই হামলা বন্ধ হবে। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তেল আভিভের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন হামাসের শীর্ষ নেতা। এখন প্রশ্ন উঠছে পাকিস্তানের এ নিয়ে কী মতামত? ইজরায়েলের সঙ্গে কোনও কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই পাকিস্তানের এমন কি ইজরায়েলকে তো দেশ বলেই মানে না ইসলামাবাদ। তবে এখানে মাথায় রাখতে হবে এবারের ইজরায়েলর হামাস যুদ্ধে পাকিস্তান কিন্তু খুব সতর্কভাবে এগিয়েছে। ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের ওপর হামাস হামলা করতেই পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার ইব্রাহিম টু্ইট করে বলেন এই ঘটনা হৃদয়বিদারক তিনি ইজরায়েলের নাগরিকদের নিরাপত্তা কামনা করছেন এবং সেই সঙ্গে টু স্টেট সলিউশন বা দ্বিরাষ্ট্র সমাধান নীতি কথাও উল্লেখ করেন। টু স্টেট সলিউশন বা দ্বিরাষ্ট্র সমাধান নীতির কথা ভারত ও আমেরিকা উভয়ই বলে এসেছে বারবার।

    এর মানে প্যালেস্টাইনদের পক্ষ নেওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তান একবারও বলেনি আমরা হামাসের পাশে রয়েছি এই যুদ্ধে দরকার পড়লে আমরা সাহায্য করব। একইসঙ্গে পাক বিদেশমন্ত্রকের তরফ থেকে বলা হয় আমরা মধ্যপ্রাচ্যের সব অবস্থার ওপর নজর রাখছি। এক্ষেত্রে তখনই বিশেষজ্ঞদের দাবি ছিল অ্যান্ট ইজরায়েল পাকিস্তান এবার যেন অনেকটাই ঢিলে ছেড়ে দিল তাদের ইজরায়েলর বিরোধীতা। বরং এটাও শোনা গিয়েছে এই পাকিস্তান নাকি ব্রিটেন ও আমেরিকার অস্ত্র ইজরায়েলের রীতিমত সাপ্লাই করছে। রিপোর্ট বলছে ১৫৫ মিমির শেল ইজরায়েলকে বিক্রি করছে পাকিস্তান তথ্য ছিল বাহারাইন থেকে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে থাকা নুর খান বেসে আসছে সিক্রেট বিমান যা সেখান থেকে ওমান হয়ে সাইপ্রাসে রওনা হয়েছে। সাইপ্রাসে রয়েছে ব্রিটিশ এয়ার ফোর্সের আন্তর্জাতিক আক্রোটিরি বেস। আর এগজ্যাক্টলি সেখান থেকেই ইজরায়েলের কাছে অস্ত্র পৌছচ্ছে। তাহলে মুসলিমদের নিয়ে মুসলিম বিশ্বকে নিয়ে বড় বড় কথা বলা পাকিস্তান এবার হামাসের আবেদনে সাড়া দেবে কি?হামাসের পাকিস্তানকে দরকার পাকিস্তান কি সাহায্য করতে আসবে? কি উত্তর আসবে সেটাই দেখার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version