Tag: Hinduism

  • Bhagvat Geeta: লক্ষ কন্ঠে উচ্চারিত হবে ‘যদা যদা হি ধর্মস্য’…নাম উঠবে গিনেস বুকে ? ব্রিগেডে আসছেন ৫ প্রতিনিধি

    Bhagvat Geeta: লক্ষ কন্ঠে উচ্চারিত হবে ‘যদা যদা হি ধর্মস্য’…নাম উঠবে গিনেস বুকে ? ব্রিগেডে আসছেন ৫ প্রতিনিধি

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Bhagvat Geeta: “যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত। অভ্যুত্থানম অধর্মস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্॥ পরিত্রাণায় হি সাধুনাং বিনাশয় চ দুষ্কৃতাম। ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে॥” আগামী ২৪ ডিসেম্বর ব্রিগেডে লক্ষ কন্ঠে উচ্চারিত হবে এই শ্লোক। সূত্রের খবর, সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’-এর প্রতিনিধিরাও। চিঠি দিয়ে গিনেস বুক-এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের পাঁচ প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন সেইদিন। মূলত কোন বিষয়গুলি দেখা যাবে সেইদিন ? চলুন জেনে নেওয়া যাক..এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল :-
    ১) লক্ষাধিক কন্ঠে এই প্রথমবার গীতাপাঠ করা হচ্ছে
    ২) ২০ হাজারের বেশি শঙ্খ একসঙ্গে বাজানো হবে
    ৩) কাজি নজরুল ইসলামের গান এক লক্ষ কন্ঠে গাওয়া হবে
    ৪) ব্রিগেডে একসঙ্গে দেড় হাজারের বেশি সাধু সন্ত উপস্থিত থাকবেন
    ৫) বাংলার এই গীতাপাঠ বিশ্ব রেকর্ডের তকমাও পেতে পারে

    আগামী ২৪ ডিসেম্বর কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বসছে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আসর। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। থাকছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সাধুসন্ত জন। ব্রিগেডে সেদিনের মূল অনুষ্ঠান গীতাপাঠ। গীতার ১৮টি অধ্যায়ের মধ্যে থেকে পাঁচটি অধ্যায় পাঠ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগ নিয়ে কিছু বলতে পারেন। তবে মূল আশীর্বাণী দেবেন দ্বারকা মঠের শংকরাচার্য।

    বাংলায় দিল্লির নেতাদের ডেলি প্যাসেঞ্জারিটা ছিল সময়ের অপেক্ষা। সেটাও কিনা একেবারে নরেন্দ্র মোদীকে সামনে রেখে। যেটা শুরু হচ্ছে ব্রিগেড দিয়ে। মোদ্দা কথা লোকসভা নির্বাচনের আগে বড় ধামাকা বাংলার মাটিতে। ব্রিগেডের গীতাপাঠের অনুষ্ঠানের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। কারণ অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদ, সংস্কৃতি সংসদ ও মতিলাল ভারত তীর্থ সেবা মিশন আশ্রমের মতো সংগঠনগুলি একসঙ্গে এই গীতাপাঠের আয়োজন করেছে। লোকসভা নির্বাচনের মুখে ব্রিগেডে ঘটা করে গীতাপাঠ বিজেপিকে মানুষের মন জয়ের ক্ষেত্রে এক্সট্রা মাইলেজ দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Saffron Colour: সাধুরা কেন গেরুয়া রঙের পোশাক পরেন? উত্তরে মিলবে মানসিক শান্তি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Saffron Colour: সাধু সন্ন্যাসীদের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে জাফরান বা গেরুয়া রঙের (Saffron Colour) পোশাকধারী কিছু আধ্যাত্মিক ব্যক্তিদের কথা। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, ঋষি বা সাধুরা কেন এই রঙের পোশাক পরেন? অন্য কোন রঙের পোশাকও তো পরতে পারতেন। আসলে এই রঙের মধ্যে রয়েছে রহস্য। গেরুয়া বা কেশর রঙকে বলা হয় আলোর আগমনের প্রতীক। সূর্যের কেশর রঙের রশ্মি যেমন মানুষের জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটায়, তেমনি এই রং মঙ্গলের সূচনা করে। এছাড়াও গেরুয়া (Saffron) হল ত্যাগের প্রতীক।

    অনেকেরই মনে প্রশ্ন থাকে, পৃথিবীতে এত রঙ থাকা সত্ত্বেও কেন সাধু সন্ন্যাসীরা গেরুয়া রঙকে এত পছন্দ করেন? এই রং অনেকটা কমলা রঙের মতো। আসলে গেরুয়া রঙের যোগ রয়েছে পুরাণের সঙ্গে। আধ্যাত্বিক বিশ্বাস সহকারে সাধুরা এই রঙের পোশাক পরিধান করেন। বলা হয় অগ্নিদেবের রঙ্গ গেরুয়া। হিন্দু ধর্মের পাশাপাশি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদেরও গেরুয়া রঙের পোশাক পরতে দেখা গিয়েছে। লাল হলুদের মিশেলে পাওয়া এই রঙকে বলা হয় সুখের প্রতীক। কথিত আছে, গেরুয়া রঙের সঙ্গে মানব শরীরের অঙ্গের বিশেষ যোগ রয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে কিডনি, প্রজননতন্ত্র, মলাশয় এবং মূত্রথলি। এই রং নাকি শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখে তাই এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সুস্থ অসুস্থতার বিষয়।

    সাধু সন্ন্যাসীদের কাছে শরীরের প্রথম চক্র হল মূলাধার, যার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে লাল রং। দ্বিতীয় চক্র স্বাধিষ্ঠান, সেখানে যোগ রয়েছে কমলা রঙের সঙ্গে। শরীরে গেরুয়া রঙের চক্র অবস্থান করছে ঠিক লাল আর হলুদ চক্রের মাঝে। বিশ্বাস করা হয়, গেরুয়া রঙের পোশাক পরিধান করলে মনের অশান্তি দূর হয় এবং ধীরে ধীরে আত্মচেতনা বৃদ্ধি পায়। মানব জীবনে এই রঙের প্রভাব সুদূর প্রসারী। আবার অনেকের কাছে গেরুয়া রং ভাগ্যের প্রতীক। হিন্দু সংস্কৃতি এবং ধর্মের চিরন্তনতার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয় গেরুয়া রঙকে।

    জগতের সমস্ত বন্ধন ছিন্ন করে নিজেদেরকে ঈশ্বরের কাছে সঁপে দেন সাধু সন্ন্যাসীরা। তাদের কাছে গেরুয়া রং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। গেরুয়া বা কমলা রঙকে বলা হয় পরিণত হওয়ার প্রতীক। যখন কোন ফল ধীরে ধীরে পাকতে শুরু করে তখন তা সবুজ রং থেকে কমলা রঙে পরিণত হয়। গোটা বিশ্ব প্রকৃতি মায়ের সমান। প্রকৃতি মা স্নেহের বন্ধনে সমস্ত জীবকে আগলে রেখেছেন। যেখানে স্বার্থপরতার কোন জায়গা নেই। তেমনি গাছ লোভ ছাড়াই জীবজগৎকে ফল প্রদান করে থাকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • About Temple: মন্দির পরিক্রমণে মেলে অশ্বমেধ যজ্ঞের সমান পুণ্য! কীভাবে প্রদক্ষিণ করতে হয় জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    About Temple: অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় মন্দিরে ভগবান দর্শন করতে গিয়ে পুণ্যার্থীরা মন্দিরের পরিক্রমা করেন। অন্যান্য ধর্মেও এই রীতির প্রচলন রয়েছে। কিন্তু কেন মন্দিরে গিয়ে মূল ভবনের চারপাশে এইভাবে প্রদক্ষিণ করা হয়? কতবারই বা প্রদক্ষিণ করা উচিত? এ সংক্রান্ত প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। বলা হয় এই প্রদক্ষিণা ভগবানের উপাসনার আরও একটি মাধ্যম। তাই শুধুমাত্র মূল মূর্তির সামনে প্রার্থনা করাই নয়, হাতে ধূপ কিংবা দীপ অথবা ফুল নিয়ে মন্দিরের মূলভবনের চারপাশে ঘুরে আসাকেও পুজো হিসেবেই ধরা হয়।

    তবে হিন্দু ধর্মে যেহেতু প্রকৃতিকে ঈশ্বরের সমান মর্যাদা দেওয়া হয় তাই মন্দিরের পাশাপাশি কোন পবিত্র গাছ, আগুন, এমনকি পবিত্র নদী প্রদক্ষিণ করার রীতিও প্রচলিত রয়েছে। তবে মন্দির প্রদক্ষিণার কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। যেমন ধরুন ঘড়ির কাঁটা যেমন ডান দিক থেকে বাঁ দিকে যায় ঠিক তেমন ভাবেই প্রদক্ষিণ করতে হবে। হিন্দু শাস্ত্রমতে মন্দিরের চারপাশে যদি বৃত্তাকারে হাঁটা হয় তবে সেখানে প্রবাহিত শক্তি গুলি যেকোনো ভক্ত অর্জন করতে পারবে। যেহেতু মন্দিরকে অত্যন্ত পবিত্র স্থান হিসেবে ধরা হয়, তাই মনে করা হয় ওই মূর্তির আশেপাশেও ইতিবাচক শক্তির বসবাস রয়েছে। শুধু তাই নয়, ধর্মীয় শাস্ত্র অনুযায়ী, যেকোনো পবিত্র স্থান যেখানে পুজো করা হয় সেই স্থান প্রদক্ষিণ করলে ওই ব্যক্তি ১০ টি অশ্বমেধ যজ্ঞের সমান পুণ্য লাভ করতে পারেন।

    কোন দেবতাকে কতবার প্রদক্ষিণ করা উচিত :

    * যে কোন দুর্গা দেবীর মন্দিরে গেলে একবার প্রদক্ষিণ যথেষ্ট ।
    * গণেশের মন্দিরে তিনবার প্রদক্ষিণ করতে হয় ভক্তদের।
    * সূর্য দেবতার মন্দিরে প্রদক্ষিণ করতে হয় সাতবার। *ভগবান বিষ্ণুর মন্দিরে প্রদক্ষিণ করতে হয় চারবার । আর প্রদক্ষিণের সময় অবশ্যই সহস্র নাম জপ করা অত্যন্ত আবশ্যিক বলে মনে করা হয়।
    * এছাড়াও ভগবান শিবের মূর্তি অথবা মন্দির সম্পূর্ণ প্রদক্ষিন করতে নেই। শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে, ভগবান শিবের সোম সূত্র অর্থাৎ তাকে নিবেদন করা স্রোত যেখান থেকে প্রবাহিত হয় তা অতিক্রম করা উচিত নয়। তাই যে কোন শিব মন্দিরের অর্ধেক প্রদক্ষিণ প্রচলিত রয়েছে।
    *অন্যদিকে গোবর্ধন পর্বতের পরিক্রমাও বেশ শুভ বলে মনে করা হয় হিন্দু ধর্মে ।
    * অন্যান্য দেবতাদের মন্দির অথবা মূর্তিকে তিনবার প্রদক্ষিণ করতে হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Ekadashi upbash: একাদশী কি? কেন পালন করবেন এই ব্রত?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Ekadashi upabash: একাদশীর উপবাস হিন্দু ধর্ম মতানুসারে পূণ‍্য তিথি হিসেবে বিবেচিত হয়। নিয়মিত একাদশী পালন শরীরের পক্ষে উপকারী। তাই স্বাস্থ্যগত কারণে অনেকে প্রতিমাসে দুটি একাদশী তিথি পালন করেন। চাঁদের শুক্র এবং কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথি হিন্দু ধর্মমতানুসারে গুরুত্বপূর্ণ তিথি হিসেবে বিবেচিত। একাদশী ব্রত অবশ্য পালনীয়।

    একাদশ তিথি পালনে সমস্ত প্রকার পাপ বিনষ্ট, সর্ব সৌভাগ্য ও শ্রীকৃষ্ণের প্রতি বিধান হয়। নারী পুরুষ নির্বিশেষে আট থেকে আশি বছর বয়স পর্যন্ত যে কোনো ব্যক্তি ভক্তি সহকারে পবিত্র একাদশী ব্রত পালন করা কর্তব‍্য। সংকটজনক অবস্থা বা জন্ম মৃত্যুর অশৌচে কখনো একাদশী পরিত্যাগ করতে নেই। একাদশীতে শ্রাদ্ধ উপস্থিত হলে সেই দিন না করে দ্বাদশীতে শ্রাদ্ধ করা উচিত। শুধু বৈষ্ণবরাই নয়, শিবির উপাসক, সূর্যচন্দ্র ইন্দ্রাদি যেকোনো দেবোপাসকের কর্তব্য একাদশী ব্রত পালন করা।

    অহংকারবশত একাদশী ব্রত ত্যাগ করলে অশেষ যম যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়। যে ব্যক্তি এই ব্রতকে তুচ্ছ করে সে জীবিত হয়েও সে মৃতের সমান। কেউ যদি বলেন একাদশী পালনের দরকারটা কি সে নিশ্চয়ই নরকের যাত্রী। যারা একাদশী পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে তারা শনির কোপে বিনষ্ট হয়।

    একাদশীর দিন চাল, ডাল আটা, ময়দা, সুজি, সরিষা, জাতীয় খাদ্যদ্রব্য বর্জন করা উচিত। নির্জলা উপবাসে অসমর্থ ব্যক্তি জল, দুধ, ফলমূল এমনকি আলু পেঁপে, কলা, ঘিয়ে বা বাদাম তেল অথবা সূর্যমুখী তেলে রান্না করে গ্রহণ করতে পারেন। রবিশস্য ধান গম ভুট্টা ডাল সরিষা ও সয়াবিন তেল অবশ্যই বর্জনীয়। গঙ্গাস্নানে যেমন সবার অধিকার আছে তেমনি একাদশী ব্রতের অধিকার সকলের। বিধবা, সধবা সকলের জন্যই একাদশী ব্রত পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একাদশী ব্রত পালনে ধর্ম, অর্থ, কাম, মুখ্য আদি বহু ফলের উল্লেখ শাস্ত্রে থাকলেও শ্রী হরি ভক্তি বা কৃষ্ণ প্রেম লাভ এই ব্রত পালনের মুখ্য উদ্দেশ্য। বছরে ২৬ টি একাদশী আসে। সাধারণত বারোমাসে ২৪টি একাদশী।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version