Tag: Gaja

  • Israel Palestine Conflict Issue: হামাস-এর কী এই নতুন শাখা, কাঁপছে ইসরাইল

    Israel Palestine Conflict Issue: হামাস-এর কী এই নতুন শাখা, কাঁপছে ইসরাইল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel Palestine Conflict Issue: আল কাসাম ব্রিগেডের শরীরে হামাসের ছায়া। এই খতরনাক যোদ্ধাদের ফর্মেই ভয়। দেইফ এদের মাথা, আল কাসাম আসলে কারা? কি পাওয়ার? নড়ে যাবে ইহুদী ভূমির ভিত? সুড়ঙ্গের ভেতর চলছে এলাহি সব কান্ড। “ঘৌল” এর নামে প্রাণ শোকাচ্ছে আইডিএফ এর! বাড়ির বানানো অস্ত্রেই নাস্তানাবুদ ইসরাইল? টানেলের ভেতর কিভাবে বাসা বেঁধেছে আল কাসাম? হামাস নয়, সঙ্গে পঙ্গপালের মতো আটকে রয়েছে এই ব্যাটেলিয়ান ফোর্স। এদের বুকের পাটাই আলাদা। না হলে ডিরেক্ট বলতে পারে। আমরা আমাদের ঘরে তৈরি স্নাইপার রাইফেল দিয়েই তোমাদের সেনাদের শেষ করে যাব। এই হুমকি দিয়েই অস্ত্র তৈরীর একটা নতুন ভিডিও প্রকাশ করেছে আল কাসাম ব্রিগেড।

    ইন্টারনেটে ঝড় উঠেছে। কিভাবে তৈরি হচ্ছে অ্যান্টি ম্যাটেরিয়াল স্নাইপার রাইফেল ঘৌল? দেখেই বুক কাঁপছে ইসরাইলের। তাহলে এটাই কি প্রচ্ছন্ন হুমকি? সত্যিই কি এদের গায়ে আলাদা শক্তি? ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধে গড়ে তোলা একটি সংগঠনের নাম ‘আল-কাসসাম’ ব্রিগেড। আজ নয় ১৯৯০ সালের আগে হামাসের সামরিক শাখা যখন সবার কাছে অপরিচিত ছিল, সেই বছরই আল কাসাম ব্রিগেডের কার্যকলাপ ঘুম হারাম করে যায় ইসরাইলের। আল-কাসাম ব্রিগেড’ ১ ১৯৯২ সালের জানুয়ারিতে প্রথম অপারেশন দিয়ে আত্মপ্রকাশ করে। শুরুতে কম সংখ্যক সেনা নিয়ে শুরু করা এই ব্রিগেড এখন গাজার একটা বড় অংশ জুড়ে আছে।

    শুধু গাজাতেই তাদের সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি। আল কাসাম একটি এমন সেনাদল, যেটাতে সেনাদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে কোম্পানি, ব্যাটালিয়ন এবং ব্রিগেড। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সেনাবাহিনীর মতো আল-কাসাম ব্রিগেডের ইঞ্জিনিয়ারিং, এরিয়াল, আর্টিলারি এবং আত্মঘাতী স্কোয়াড রয়েছে। একটি পিস্তল নিয়ে শুরু হয়েছিল এই সামরিক শাখা। এর পর অস্ত্র ভাণ্ডারে যোগ হয়েছে একটি রাইফেল, নিজেদের তৈরি মেশিন গান। ধীরে ধীরে ‘হোয়াজ’-এর মতো বিস্ফোরক যন্ত্র, আত্মঘাতী হামলার জন্য বেল্ট এবং দূর থেকে হামলার জন্য বিস্ফোরক যন্ত্র এসেছে। এদের অস্ত্র ইসরাইলের ঘুম হারাম করে দেয়। ঠিক যেমনটা করেছে স্নাইপার রাইফেল ঘৌল। শুধু এবারের যুদ্ধেই এখনো পর্যন্ত ইসরাইলের ভেতরে দেড় হাজারের বেশি রকেট ছুঁড়েছে হামাসের আল কাসাম ব্রিগেড।

    এছাড়া মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের পার্ট হিসেবে ইসরাইলি শত্রুদের টার্গেট করে প্রথম থেকেই অস্ত্র তৈরির ভিডিও প্রকাশ করে আসছে হামাস। আর এবার আল কাসাম ব্রিগেডের ভিডিও আইডিএফের গ্রাউন্ড রেড অপারেশনে যথেষ্ট এফেক্ট ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভিডিওর শেষে রয়েছে ওপেন চ্যালেঞ্জ। নেতানিয়াহুর চাপ বাড়ছে। ভিডিওতে দেখানো ছোট ছোট অস্ত্র তৈরীর কারখানাতেই হামাস বিভিন্ন ধরনের ছোট-বড় অস্ত্র তৈরি করে। এইরকম কারখানাতেই ছোট আগ্নেয়াস্ত্র থেকে শুরু করে দূরপাল্লার আর্টিলারি, রকেট তৈরি করে, যেগুলো ২৫০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। মজার বিষয় হলো এই প্রথম হামাস তাদের স্নাইপার রাইফেল ঘৌল তৈরির প্রক্রিয়া বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করল।

    অস্ত্রটি ২০০৪ সালে ইজরাইলের হাতে নিহত আল কাসাম এর একজন সিনিয়র কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার আদনান আল-ঘৌল এর সম্মানে নামকরণ করা হয়েছে। আদনান হামাসের সশস্ত্র শাখা আল কাসাম ব্রিগেডের নেতা মোঃ দেইফের সহকারি ছিলেন। ২০০৪ সালে ইজরাইলি বিমান বাহিনীর আক্রমণে নিহত হন আদনান। ঘৌলের সদস্যরা তাকে শহীদ হিসেবে দেখেন। ঘৌল স্নাইপার রাইফেল প্রথম চালু হয়েছিল ২০১৪ সালে গাঁজা উপত্যকায় ইসরাইলের ব্যর্থ আক্রমণের সময়। পশ্চিমা মিডিয়া একটা সময় এই ঘৌল স্নাইপার রাইফেল নিয়ে অনেক সমালোচনা করেছিল কিন্তু আল কাসাম ব্রিগেড এর পোস্ট করা ভিডিও সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দিল। সঙ্গে নেতানিয়াহুর প্রতিজ্ঞাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করলো। বুঝিয়ে দিল সামনের দিনগুলো ইসরাইলের জন্য আরো বেশি কঠিন হতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  •  Israel-Hamas war: যুদ্ধবিরতি আলোচনায় অংশ নেবে না হামাস! গাজা নয় গোটা পৃথিবীর জন্য বাড়ছে টেনশন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     Israel-Hamas war: গাজার মাটিতে ইসরাইলের বিষবৃক্ষ। নেতানিয়াহুর কোন মন্ত্রে কুঁকড়ে যাচ্ছে হামাস? প্যালেস্টাইনি জঙ্গিগোষ্ঠীর শর্ত মাটিতে মিশিয়ে ছাড়বে আইডিএফ কে। এবার ইসরাইল আরও শক্ত। কোন কূলে ভিড়বে হামাস? দম ফুরাচ্ছে? নেতানিয়াহুর সুপার মুভে তোলপাড় গাজা। হামাসের সঙ্গে ইসরাইলের ডিমান্ডে আকাশ পাতাল ফারাক। দিনরাত এক করে গাজার বুকে অভিশাপ এঁকে দিচ্ছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সাফ কথা, যতক্ষণ না পণবন্দিরা মুক্তি পাচ্ছে আর হামাস সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে ততক্ষণ যুদ্ধ চলবে। কিন্তু, যুদ্ধের আড়াই মাস পর রং বদলাচ্ছে হামাস। হঠাৎ করেই যুদ্ধবিরতি? কেন ইসরাইল দু চোক্ষের বিষ? প্যালেস্টাইনি জঙ্গি সংগঠন হামাস জানিয়েছে, প্যালেস্টাইনিদের বিরুদ্ধে স্থায়ীভাবে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ না করা হলে তারা যুদ্ধবিরতির আলোচনায় অংশ নিতে চায় না।

    প্রশ্ন হলো ৭ই অক্টোবর যে হামাস ইহুদি ভূমি লক্ষ্য করে গুচ্ছ গুচ্ছ রকেট ছুঁড়েছিল তারাই কিনা যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটতে চাইছে? আইডিএফ এর জন্য কি আরো বড় কোনো ফাঁদ? নেতানিয়াহু ট্র্যাপে জড়াতে নারাজ পয়েন্টে খেলছেন। একটা সহজ বাছাই করতেই হবে হামাসকে। হয় আত্মসমর্পণ করতে হবে নাহলে শেষ হয়ে যেতে হবে। মুক্তি দিতে হবে পণবন্দীদের। এছাড়া আর কোনও অপশন নেই। জয় না আসা পর্যন্ত ইসরাইল লড়বে। একদম স্ট্রেটকাট কথা নেতানিয়াহুর। বোঝাই যাচ্ছে পুরো বিষয়টার শেষ দেখে ছাড়বেন নেতানিয়াহু। মনে করিয়ে দিই, কয়েকদিন আগেও একটা যুদ্ধবিরতি হয়েছিল হামাস এবং ইসরায়েল মধ্যে। কিন্তু এবার চেনা ছকের বাইরে হাঁটতে চাইছে ইসরাইল। দেখতে দেখতে আড়াই মাস পেরিয়ে গেছে। ইজরায়েল-হামাস সংঘর্ষ থামার কোনও লক্ষণই নেই। এই পরিস্থিতিতে হামাসের সাঙ্ঘাতিক শর্ত সামনে এসেছে।

    দুটো শর্ত, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের অবসান ঘটাতে হবে। মোদ্দা কথা, হামাস সাময়িক বিরতির সঙ্গে আর একমত নয়। তারা শুধু স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় আগ্রহী। তাছাড়া প্যালেস্টাইনি মানুষদের জন্য মানবিক ত্রাণের পরিমাণ বাড়াতে হবে। এই দুই শর্ত মানা না হলে তারা নতুন করে আর কোনো পণবন্দী মুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতে ইচ্ছুক না। কিন্তু হোয়াইট হাউস ও আশা নিয়ে বসে আছে। গোটা বিশ্ব চাইছে যুদ্ধ বন্ধ হোক। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ গোটা বিশ্বকে কার্যত ঠান্ডা করে দিচ্ছে। যুদ্ধের এফেক্ট পড়তে শুরু করেছে বিভিন্ন সেক্টরে। মানুষের সমস্যা বাড়তে শুরু করেছে যুদ্ধের কারণে। কিন্তু তারপরেও নেতানিয়াহুর ভ্রুক্ষেপ নেই। ইসরাইল নিজের ফর্মে রয়েছে যা আগামী দিনে শুধু গাজা নয়, গোটা পৃথিবীর জন্য মারাত্মক টেনশনের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas war: গাজার মাটির নিচে টেরোরিস্ট সিটি! প্যালেস্টাইন স্কয়ার মৌচাক, দেইফের আস্তানায় ডুবছে IDF

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas war: গাজার মাটির নীচে হামাসের শহর। কালঘাম ছুটিয়ে দিচ্ছে আইডিএফ এর। হামাসের মাস্টারমাইন্ড দেইফ এই গোপন ডেরায় লুকিয়ে থাকে? টেরোরিস্ট সিটিতে কারা থাকে কড়া পাহারায়? প্যালেস্টাইন স্কয়ারই মৌচাক। কিসে ভাঙবে এতো বড় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক? ভয়ানক গোলকধাঁধায় হারিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। সন্ত্রাসের রাজত্বে নেতানিয়াহুর লড়াই আরও কত কঠিন হবে? গোটা পৃথিবীর আড়ালে গাজার আন্ডারগ্রাউন্ড টেরোরিস্ট সিটি। রহস্যময় একটা মানুষ আড়াল থেকে ইসরাইলকে নরক করে দিচ্ছে।সব প্ল্যান কি টেরোরিস্ট সিটিতে বসেই ছকেছে হামাসের মাস্টারমাইন্ড দেইফ? ইসরাইলের গর্ব করার মতো নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে যে নিমেষে ধসিয়ে দিয়েছে। মাটির নীচের এই শহরই কি দেইফের আস্তানা?

    চাঞ্চল্যকর দাবি ইসরাইলের। প্যালেস্টাইনের গাজা উপত্যকায় বড় ধরনের সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের খোঁজ। ইসরায়েলের দাবি, একসময় হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতারা ওই সুড়ঙ্গ ব্যবহার করত। যাকে ‘সন্ত্রাসীদের ভূগর্ভস্থ শহর’ বা আন্ডারগ্রাউন্ড টেরোরিস্ট সিটি বলছে আইডইএফ। এতদুর পৌঁছে গেছে ইজরাইলি বাহিনী? গাজার ‘অভিজাত এলাকা’ হিসেবে পরিচিত, আল-রিমালের প্যালেস্টাইন স্কয়ারের চারপাশ নিজেদের কন্ট্রোলে নিয়ে নিয়েছে বলে দাবি করছে নেতানিয়াহুর প্রতিরক্ষা বাহিনী। ৭ই অক্টোবর ইসরাইলের ভূখন্ডে মাত্র ২০ মিনিটে হামাসের হাজার পাঁচেক রকেট ধেয়ে আসার পর নেতানিয়াহুর ফোর্স গাজা অ্যাটাক করে। তারপর থেকে লড়াই চলছে অবিরত। কয়েক সপ্তাহের লড়াইয়ের পর এলাকাটির কন্ট্রোল নিয়েছে আইডিএফ। ইসরাইল বলছে এখান থেকেই প্যালেস্টাইন মুক্তি আন্দোলনের সংগঠন হামাসের প্রশাসনিক ও সামরিক নেতৃত্ব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত।

    ইসরায়েলের আরও দাবি, হামাসের রাজনৈতিক নেতা ইসমাইল হানিয়া, সামরিক নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার ও হামাস কোমান্ডার মোহাম্মদ দেইফ গাজা নগরীর এই জায়গাতেই থাকত। যে হামাসের কমান্ডার দেইফকে সরিয়ে দিতে ৭ বার চেষ্টা চালিয়েছে ইজরাইল। লাস্ট চেষ্টা ছিল ২০২১ সালে কিন্তু প্রতিবারই ফেইল করেছে। দেইফ সচরাচর প্রকাশ্যে আসে না, কথা বলেনা, একটা চোখে দেখেনা, হুইলচেয়ার ছাড়া চলাফেরা করতে পারে না। কোথায় থাকে নির্দিষ্টভাবে সেটাও কেউ জানে না। মোহাম্মদ দেইফ মানে পুরো একটা ধোঁয়াশা।

    ধোঁয়াশা কাটাতে না পারলেও ইসরাইলের দাবী তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। প্যালেস্টাইন স্কয়ারের ঠিক নিচে সুড়ঙ্গের এক বিশাল নেটওয়ার্ক রয়েছে, যাকে ‘কৌশলগত সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক’ অভিহিত করে ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয় এর সঙ্গে রানতিসি হাসপাতাল ও শিফা হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকার ভূগর্ভস্থ অবকাঠামোর বিরাট কানেকশন রয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এ-সংশ্লিষ্ট একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি প্রথম কলকাতা। ভিডিওতে গাজা নগরীর কয়েকটি সুড়ঙ্গের প্রবেশমুখ চিহ্নিত করে দেখানো হয়েছে। এসব সুড়ঙ্গের সঙ্গে হাসপাতালের সংযোগ রয়েছে, এমন কোনো প্রমাণ তারা দেখাতে পারেনি। শুধু তাই নয়।

    সম্প্রতি গাজায় একটি বড় সুড়ঙ্গের সন্ধান পাওয়ার কথা জানায় ইসরায়েলি বাহিনী! দেশটির সেনা কর্মকর্তারা জানান, এরেজ সীমান্ত ক্রসিং থেকে কয়েকশ মিটার দূরে সুড়ঙ্গটির প্রবেশ মুখের সন্ধান পাওয়া গেছে। জানানো হয়, ওই সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ৪ কিলোমিটারের বেশি বা প্রায় আড়াই মাইল। সীমান্ত এলাকায় এই পর্যন্ত হামাসের যেসব সুড়ঙ্গের সন্ধান পাওয়া গেছে, সেগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়। বুঝতে হবে, গাজার হৃৎপিণ্ড এতো এতো সুড়ঙ্গ। মাটির নীচের ইনফ্রাস্ট্রাকচার গাজার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। গাজা উপত্যকা দীর্ঘদিন ধরে অবরুদ্ধ রয়েছে। সেখানে পণ্য ও মানুষ এর প্রবেশ কিংবা সেখান থেকে বের হওয়ার জন্য ইসরায়েলের অনুমতি দরকার। এমন পরিস্থিতিতে গাজায় গোপনে পণ্য আনা-নেওয়ার জন্য এসব সুড়ঙ্গ ব্যবহার করা হয়।

    যদিও ইসরায়েলের দাবি, হামাসের সশস্ত্র কর্মকাণ্ড পরিচালনায় এসব সুড়ঙ্গ ব্যবহার করা হয়। তাই এসব সুড়ঙ্গ ধ্বংস করতে উঠেপড়ে লেগেছে ইসরায়েলি বাহিনী। শেষ ভরসা ভূমধ্যসাগরের জল। তাতে ইসরাইল সাকসেসফুল হয় কিনা সেটাই দেখার অপেক্ষা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • গোলকধাঁধায় আটকে সুয়েজ খাল, একচুলও নড়ছেনা জাহাজ, শিপিং রুটের অতলে যুদ্ধের বীজ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মধ্যপ্রাচ্যের গোলকধাঁধায় হারিয়ে যাচ্ছে সুয়েজ খাল? এই শিপিং রুটের অতলে ঘাপটি মেরে বসে আছে কোন ভয়ঙ্কর সত্যি? একচুলও নড়ছে না জাহাজ, বিশ্ব বাণিজ্যের প্রাণভোমরায় যুদ্ধের আঁচ। হামাস ইসরাইল সংঘাতের অভিশাপে তেল জমে বরফ, ছুঁতে পারবেননা কোনও জিনিস। জলের নীচে শোয়ানো অর্থনীতির মেরুদণ্ডে এতো বড় ধাক্কা? বাড়ছে টেনশন, মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট বাণিজ্য রুটেই লুকিয়ে আসল রহস্য। বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত শিপিং রুটগুলোর মধ্যে সুয়েজ খাল, লোহিত সাগর, পার্সিয়ান গাল্ফ আর হরমুজ প্রণালীর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে। আর ঠিক এই কারণেই ৭ই অক্টোবর শুরু হওয়া হামাস ইসরাইল যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই অর্থনীতিবিদদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। সুয়েজ অঞ্চল কিন্তু বিরাট রিস্কে আছে।

    বিশ্বের মোট বাণিজ্যের ১৫%, অপরিশোধিত জ্বালানির ৪৫%, পরিশোধিত জ্বালানির ৯%, এলএনজির ৮% শতাংশের বাণিজ্য হয় সুয়েজ খাল দিয়ে। গাজা থেকে শত শত মাইল দূরে হলেও হামাস ইসরায়েল সংঘাতে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে সুয়েজ খালে, যা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য নতুন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরে বিভিন্ন জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। বিশেষ করে ইসরায়েলগামী জাহাজ লক্ষ্য করে। প্যালেস্টাইনের সমর্থনে এই পদক্ষেপ নিয়েছে ইয়েমেনের হুথি। আর তাই ১৫ ডিসেম্বরের পর পাঁচটি বড় কন্টেইনার শিপিং কোম্পানি লোহিত সাগরে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করেছে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্র দেশগুলো মধ্যপ্রাচ্যে নেভাল কার্যক্রম জোরালো করেছে। লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে তারা হুথির বিরুদ্ধে বিশেষ অপারেশন চালাতে পারে।

    জাহাজে হামলার হুমকি, পণ্যবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া আর ড্রোন অ্যাটাকের পর জাহাজ বিকল এবং ক্রুদের হতাহতের আশঙ্কায় চাপে পড়েছে শিপিং কোম্পানিগুলো। ১৫ ডিসেম্বর মারস্ক ও হ্যাপাগ-লয়েড তাদের সার্ভিস বন্ধ করে দিয়েছে। এরপর সার্ভিস বন্ধ করে সিএমএ সিজিএম ও এমসসি। বলা হয়েছে, লোহিত সাগর নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত তারা কার্যক্রম বন্ধ রাখবে। কিছু জাহাজকে কেপ অব গুড হোপ দিয়ে পরিচালনা করা হবে। জানিয়ে রাখি, সার্ভিস বন্ধ করা এই চারটি শিপিং কোম্পানি বিশ্বের কন্টেইনার বাণিজ্যের ৫৩% কন্ট্রোল করে। ফলে ছোট ছোট শিপিং কোম্পানিগুলো যেমন ড্রাই বাল্ক ও অয়েল ট্যাঙ্কারস ও‌ তাদের অনুসরণ করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। এই সুয়েজ খালের মাধ্যমেই লোহিত সাগর দিয়ে ভূমধ্যসাগরের দিকে জাহাজ চলাচল করে। এই সুয়েজ খাল দূরত্ব কমিয়েছে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে। অথচ সেই সুয়েজ সংকটকে কেন্দ্র করে তাৎপর্যপূর্ণ দুটি সমস্যা সামনে আসছে।

    এক, বিশ্ব অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব। দুই, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি। মিশরের আয়ের অন্যতম উৎস সুয়েজ খাল থেকে রাজস্ব আয়। আগে থেকেই দেশটি অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। যদিও ইসরায়েল এই পথে মাত্র পাঁচ শতাংশ বাণিজ্য সম্পন্ন করে, কিন্তু বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বৈশ্বিক অর্থনীতি। কারণ এই পথে জাহাজ চলাচল বন্ধ হলে আফ্রিকার পথ দিয়ে দীর্ঘ পথ ঘুরে শিপিং কার্যক্রম চালাতে হবে। এত বেড়ে যাবে সময় ও খরচ দুটোই। মনে করিয়ে দিই ২০২১ সালে সুয়েজ খালে একটি জাহাজ ছয়দিন ধরে আটকে ছিল। এতেই ব্যাহত হয় বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা। সেক্ষেত্রে এবার কি ঘটবে? মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় এফেক্ট ফেলবে। এক্ষেত্রে জ্বালানি আর শিপিং রুট গুলো আছে চরম ঝুঁকিতে। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যে দেশগুলো মন্দার মুখে পড়ে গেছে তাদের অবস্থা হবে আরো ভয়াবহ! ওপেক প্লাস দেশগুলোর কম তেল উত্তোলনের কারণে চাপে আছে জ্বালানির বাজার।এমনিতেই হামাসের হামলার পরই বিশ্ববাজারে জ্বালানির দর বেড়ে যায়, এখনো সেটা স্থিতিশীল পরিস্থিতিতে আসেনি।

    তার মধ্যে বিশ্বের অন্যতম জ্বালানি তেল বাণিজ্যের রুটগুলো মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত হওয়ায় যুদ্ধের পরিসর বাড়তে থাকলে ব্যহত হবে জ্বালানি সরবরাহ। শুধু জ্বালানি নয়, এই সরবরাহ চ্যানেলগুলো ব্যাহত হলে অস্থির হবে অন্যান্য পণ্যের বাজারও। দাম বাড়বে জিনিসের। জ্বালানির দাম বাড়লে বিপদে পড়বে আমদানি কারক দেশগুলো, সমস্যায় পড়বে সাধারণ মানুষ। আর যখন এই অঞ্চলের অস্থিরতা বিশ্বে জ্বালানির বাজার আর বাণিজ্য অবকাঠামোতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে ঠিক তখনই হুথি বিদ্রোহীরা বিভিন্নভাবে মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই মুহূর্তে তাদেরকে দমন করা শক্ত হবে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি ইসরায়েলকে শেষ করে দিতে চায়। গাজায় খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহ সচল না করা পর্যন্ত ইসরায়েলগামী জাহাজে হামলা চলবে বলে জানিয়ে দিয়েছে তারা। কিন্তু সম্প্রতি নির্বিচারে অর্থাৎ লোহিত সাগরের যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে হুথি। এতে হুমকিতে পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas war: কাঁটার চক্রব্যূহে ইসরাইল, নেতানিয়াহুর ব্লান্ডারে চোখের বিষ ? গাজার মাটির দম আছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas war: কাঁটার চক্রব্যূহে আটকে গেল ইসরাইল। নেতানিয়াহুর একটা ব্লান্ডার, গোটা বিশ্ব ছিটকে গেল ইহুদী ভূমি থেকে। গাজার বুকে গভীর ক্ষত, চোখের বিষ হচ্ছে আইডিএফ। আমেরিকাও ব্যাক টার্ন নিলে? নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে ইসরাইল এর মতো একটা দেশ? নেতানিয়াহুর সাজানো ঘুঁটি ভেস্তে দিল হামাস। গাজার মাটির দম আছে। গাজা যুদ্ধ নেতানিয়াহুর জন্য অস্তিত্বের লড়াই। যাকে বলে প্রেস্টিজ ফাইট। শেষ সম্বল টুকু নিয়ে লড়ছে ইসরাইল। গাজার বুকে অবিরত হামলা দেখে গোটা বিশ্ব ভাবছে মধ্যপ্রাচ্যে ছক্কা হাঁকাচ্ছেন নেতানিয়াহু, কিন্তু ইসরাইলের একের পর এক ভুল নিয়ে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে কতটা ব্যাকফুটে ইহুদি ভূমি?আমেরিকা ইসরাইল কে পেছন থেকে সাপোর্ট করছে। কিন্তু সেই বাইডেন মধ্যপ্রাচ্যে কতটা সেফ?

    চীনের জন্য রীতিমতো ইগো সংকটে ভুগছে মার্কিন প্রশাসন। ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক শিথিলে বড় ভূমিকা রেখেছে চীন। বেইজিংয়ের মধ্যস্থতায় দীর্ঘদিনের বৈরিতা ভুলে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম পরাশক্তির দুই দেশ। অতএব, মধ্যপ্রাচ্যে হঠাৎ চীনের উত্থানে চিন্তার ভাঁজ বাইডেনের কপালে। যেখানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে ইজরাইলের পরিস্থিতি কি হতে পারে? প্রশ্ন থাকছে। ট্রানজিশন একদিকে প্যালেস্টাইনিদের পিষে মারছে অন্যদিকে আরব দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিকে তোড়জোড় চালাচ্ছে ইসরায়েল। আমেরিকার অনুরোধে নেতানিয়াহুর বলয়ে ঢুকেও পড়েছে সুদান, আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশ। সৌদি আরবের সাথেও সম্পর্ক শিথিলের আলাপ-আলোচনা চলছিল। তবে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের মাধ্যমে তা ভেস্তে গেছে বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।

    নতুন করে আর কোনো দেশ ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহও দেখাচ্ছে না। এদিক থেকেও কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে ইসরায়েলের মধ্যপ্রাচ্য শাসনের কূটকৌশল। আর এসব দেখে শুনে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজায় নতুন করে হামলা চালিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে দেশগুলোকে ক্ষেপিয়ে তুলেছে তেলআবিব। শুধু আরব দেশগুলোতেই নয়, ইসরায়েলের পরম মিত্র আমেরিকাও চাইছে না গাজায় এভাবে হামলা চালাক তারা। তাহলে কি যে কোন মুহূর্তে ইসরাইলের পাশ থেকে সরে দাঁড়াতে পারে আমেরিকা? কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ইসরায়েলের উচিত হবে যুদ্ধ বন্ধ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের কথা বলছেন, তা মেনে নেওয়া। যদিও দুই রাষ্ট্রভিত্তিক ব্যবস্থা এখন অনেকটা অবাস্তব। ইসরাইল অন্তত গাজার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যে রেডলাইন এঁকে দিয়েছে, সেটা মেনে চলুক।

    নেতানিয়াহু তো সাফ বলে দিয়েছেন গাজাকে নিরস্ত্রীকরণ করা হবে, ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর কন্ট্রোলে রাখা হবে তবে, ভুলে গেলে চলবে না হামাস কিন্তু একা নয়। “হ” এর ক্ষিপ্রতায় নেতানিয হুর দেশের টিকে থাকাই দায়। বুঝতে হবে, মধ্যপ্রাচ্যের বিরাট ট্র্যাপে পড়ে গেছে ইসরাইল। গাজার হামাস, লেবানন এর হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি, ইরানের ইমাম হুসাইন ব্রিগেড। এই “হ” এর জাল কাটা কিন্তু কঠিন। যুদ্ধে পরিধি কিন্তু দিনকে দিন বাড়ছে। ইহুদি ভূমির উপর কি আরো বড় অ্যাটাকের প্ল্যান রয়েছে? গাজার বুকে কনস্ট্যান্ট হামলা চালিয়ে গেলেও চারদিক থেকে ইসরায়েল এখন আতঙ্কে ভুগছে। থেমে থেমেই হামলা হচ্ছে। ইরানও তাদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির যুদ্ধাস্ত্র প্রস্তুত রাখার কথা বারবার বলে আসছে। তাই পরিস্থিতি সহজেই খুব একটা স্বাভাবিক হবে এমন আশা রাখছেন না রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

    মূলত ইসরায়েলের ভয় ইরান আর সৌদি আরবকে নিয়ে। আমেরিকার নৌকায় উঠে যেভাবে মহাসমুদ্র পার হতে চেয়েছিল নেতানিয়াহু প্রশাসন, সেটাও আর হবেনা বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। হামাসের ওপর চাপ বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ফোর্সকে আসলে এটা ছাড়া তাদের হাতে কিছুই নেই। হুবহু এটাই বলেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাহলে কি ইসরাইল ও নিজেদের বিপদ আঁচ করতে পারছে? সত্যিই কি মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার? উত্তর লুকিয়ে সময়ের গর্ভে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas war: বিষ জলে গলবেনা হামাসের সুড়ঙ্গ! সিক্রেট ফাঁস, ভূমধ্যসাগরেই ক্ষয়ে যাবে ইসরাইল ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas war: ইসরাইলের বিষ জলে গলবে না হামাসের সুড়ঙ্গ। বড় সিক্রেট ফাঁস। গাজা মেট্রো কি দিয়ে সিল করলো প্যালেস্টাইনি জঙ্গিগোষ্ঠী? ভূমধ্যসাগরের নোনাজলেই ক্ষয়ে যাবে আইডিএফ? নেতানিয়াহুর প্ল্যান ডাহা ফেল? হামাসের শকে জোর ঝটকা খাবে আমেরিকা। হামদান ডোজে ভাঙবে ভুল? গাজার মাটিতে এভাবেই কি মিশে যাবে জায়নবাদী সেনারা? মাকড়সার জালের মতো হামাসের সুড়ঙ্গে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িয়ে গেল আইডিএফ।ডুবিয়ে ছাড়বে ইসরাইলি সেনাদের। ভূমধ্যসাগরের নোনাজলেই বিপদ দেখছেন নেতানিয়াহু। বন্যা বোমাও জমে বরফ?

    উইকপয়েন্ট ঢাকলো হামাস। গাজার মাটির নীচে হামাসের টানেলগুলো বন্যা প্রতিরোধী! কোন টেকনিক ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে ওইসব সুড়ঙ্গ? হামাসের মুখপাত্র ওসামা হামদান কি এমনি এমনি এতো কনফিডেন্ট? সাফ বলছেন, হামাসের টানেলে জল ঢেলে কোনো কূলকিনারা করতে পারবে না ইসরায়েলি বাহিনী। মহাবিপদে ইসরাইলি ফোর্স। গাজার মাটিতে আইডিএফের গ্রাউন্ড রেড সাক্সেসফুল হওয়ার পথে সব থেকে বড় বাধা হামাসের সুড়ঙ্গ, এটা জানে গোটা বিশ্ব। গাজার মাটির নীচে বিস্তৃত টানেল নেটওয়ার্কের কারণেই তাদের যোদ্ধারা হামাসকে কাবু করতে পারছে না। তাই বন্ধু আমেরিকার পরামর্শে ইসরাইলের প্ল্যান ছিল, হামাসের সুড়ঙ্গ ফাটিয়ে সাগরের জল ঢুকিয়ে ভেঙে তছনছ করবে গাজার মাটির নীচের ওইসব আস্তানা। ভরসা ছিল ভূমধ্যসাগরের নোনাজল। যে অস্ত্রের মুখে পড়ে টানেলে লুকিয়ে থাকা হামাস যোদ্ধারা বাইরে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হবে কিন্তু, টার্গেট ছোঁয়ার আগেই গ্রাউন্ড অপারেশনে বড় ধাক্কা খেল ইসরাইল। এবার কি প্ল্যানটা ভেস্তে যাবে?

    হামাসের সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক ধ্বংস করবে কয়েকটা বড়সড় পাম্প। উত্তর গাজার আল-শাতি শরণার্থী শিবির থেকে প্রায় এক মাইল উত্তরে কমপক্ষে পাঁচটা পাম্প বসানোও‌ হয়ে‌ গেছে। আর সেই পাম্পের জলের তোড়েই হামাসের টানেল নেটওয়ার্ক ভাসিয়ে দেওয়ার সূক্ষ্ম ছক জায়নবাদী সেনাদের হাতে। যা কি-না মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে হামাসের সব টানেলকে ভাসিয়ে দিতে পারে। পাম্পের নামেই বুক কাঁপছে প্যালেস্টাইনি জঙ্গিগোষ্ঠীর। প্রতিটি পাম্প দিয়ে ভূমধ্যসাগর থেকে ঘণ্টায় কয়েক হাজার ঘন মিটার জল তোলা যাবে। অলরেডি কাজও শুরু করে দিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। আর এতেই রিস্ক বাড়ছে গাজার। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসরাইল এর এই রহস্যময় প্ল্যানিং গাজায় জল সরবরাহ সিস্টেমকে ঝুঁকিতে ফেলে দেবে। তেল আবিব এর সাঙ্ঘাতিক প্ল্যান। আপনি ধরতে পারবেন না। কিন্তু, হামাস হাল ছেড়ে দিতে নারাজ। তাই হামদান বলছেন রীতিমতো টানেলগুলো দক্ষ ও শিক্ষিত ইঞ্জিনিয়ারদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এগুলো প্রতিরোধের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ‌।

    যেগুলো বন্যায় ভাসিয়ে ফেলা থেকে শুরু করে সম্ভাব্য সকল ধরনের আক্রমণের কথা ভেবেই তৈরি করা হয়েছে।জানিয়ে রাখি, ইসরায়েলি বাহিনী এখনও পর্যন্ত ৮০০টি টানেল চিহ্নিত করেছে যদিও তারা বলছে যে, হামাসের টানেল নেটওয়ার্ক এর চেয়েও অনেক বড়। কল্পনার অতীত। যেসব টানেলে ‘সীমিতভাবে’ সমুদ্রের জল দিয়ে প্লাবিত করার ‘পরীক্ষা’ শুরু করার কথা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে জানানো হয়েছে। এতে টানেল নেটওয়ার্কে বড় স্কেলে পরিকল্পনামাফিক অপারেশন চালানো যাবে কি-না, সেই সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা পাওয়া যাবে।

    অতএব, ইসরাইলি সেনারা নিজেদের লক্ষ্যপূরণে অবিচল। হামাসকে নির্মূল করাই এক এবং একমাত্র টার্গেট। গোটা বিশ্ব জানে, গাজা উপত্যকার প্রায় ২৩ লাখ বাসিন্দার মধ্যে ৮০ ভাগই বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তেল আবিব গাজার বেসামরিক নাগরিকদের ওপর অবিরত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, পৌঁছতে দিচ্ছে না খাদ্য, জ্বালানি, জল, বিদ্যুত। তার উপর বন্যা বোমার ছক। গাজার বুকে গ্রাউন্ড রেড আরও কতটা ভয়ঙ্কর হতে যাচ্ছে? বলবে সময়।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas war: পৃথিবী থেকে ছিটকে গেল ইসরাইল! গাজার বুকে জিওনকাঠি ? ১৫৩ বড় রহস্য

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas war: পৃথিবী থেকে ছিটকে গেল ইহুদী ভূমি! গাজার বুকে অক্সিজেনের পাহাড়, কোন আকর্ষণে গোটা বিশ্ব জমে পাথর হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের মাটির নীচে? ১৫৩ সংখ্যাতেই বড় রহস্য, ১০ এ থাকলো কারা? নেতানিয়াহুর ভুল চালে ভারতের এই দামী সম্পদ হারালো ইসরাইল থেকে। বিপদ কাটাবে কে? জাতিসংঘের হাতে গাজা রক্ষার মূলমন্ত্র। মাটি কামড়ে বাঁচবে গাজা। প্রাণভোমরা কাদের হাতে? ফাঁড়া কাটছে না ইসরাইল এর বাইডেন ও ছুঁড়লেন শেষ অস্ত্র? বললেন, প্যালেস্টাইনের গাজায় ‘নির্বিচার’বোমা হামলা চালানোর কারণে ইসরাইল আন্তর্জাতিক সমর্থন হারাতে শুরু করেছে। নেতানিয়াহু ফল ও পেলেন হাতেনাতে। গাজা বাঁচবে নিজের কায়দায়।

    বিশ্ব দাঁড়ালো গাজার পাশে। দু মাসের যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ গিয়েছে ইতিমধ্যেই। নিত্যদিন হতাহতের সংখ্যা এবং ক্ষয়ক্ষতি বেড়েই চলেছে। সেই আবহে এবার গাজায় যুদ্ধবিরতির পক্ষে দাবি আরও জোরাল হল। রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় গাজায় মানবিক যুদ্ধবিরতির পক্ষে ভোট দিল ভারত, বাংলাদেশ। গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাতে মৌরিতানিয়া আর মিশর একটা প্রস্তাব তুলেছিল। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় যে প্রস্তাবটি পাশ হয়ে যায়। ভারত, বাংলাদেশ সহ ১৫৩টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে।তালিকায় রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ইরান, ফ্রান্স, জাপান, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, পাকিস্তান, সৌদি আরব। পাশাপাশি সমস্ত পণবন্দি মানুষজনের নিঃশর্ত মুক্তির প্রস্তাবেও সমর্থন জমা পড়েছে। যেসব দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র, চেক প্রজাতন্ত্র, অস্ট্রিয়া, গুয়াতেমালা, লাইবেরিয়া, মাইক্রোনেশিয়া, নাউরু, পাপুয়া নিউগিনি আর প্যারাগুয়ে।

    ২৩টি দেশ ভোট দেয়নি। আর্জেন্টিনা, বুলগেরিয়া, কেপ ভার্দে, ক্যামেরুন, ইকুয়েটরিয়াল গিনি, জর্জিয়া, জার্মানি, হাঙ্গেরি, ইতালি, লিথুয়ানিয়া, মালাবি, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, নেদারল্যান্ডস, পালাউ, পানামা, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, দক্ষিণ সুদান, টোগো, টোঙ্গা, ইউক্রেন, যুক্তরাজ্য, উরুগুয়ে। যদিও এই দেশগুলোর ভোটদান থেকে বিরত থাকা বিশেষ কোনো এফেক্ট ফেলেনি। কারণ গোটা বিশ্ব চায় বেঁচে থাকুক গাজা। বেঁচে থাকুক গাজার নিরীহ মানুষ। তাই গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাতে সাধারণ পরিষদে প্রস্তাবটা যে পাশ হবে, তা আগেই ধারণা করা হচ্ছিল। তবে, এটাও ঠিক জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পাশ হওয়া প্রস্তাব মানা বাধ্যতামূলক নয়। তবু এর রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। কারণ এর মাধ্যমে গোটা বিশ্বের মনোভাব বোঝা যায়। কিন্তু, এরপর কোন পথে হাঁটবেন নেতানিয়াহু? বাইডেনের কথা মেনেই বদলাবেন স্ট্যান্ড পয়েন্ট? প্যালেস্টাইন নিয়ে অবিলম্বে অবস্থান পাল্টানো উচিত নেতানিয়াহুর, বলেছেন বাইডেন। তাহলে কি যুক্তরাষ্ট্র ও সরছে ইসরাইল থেকে?

    গত ৭ অক্টোবর গাজা থেকে হামাস ইজরায়েলের উপর হামলা চালানোর পর থেকে এখনও পর্যন্ত নেতানিয়াহু কে সমর্থন করে এসেছেন বাইডেন। মাঝে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বিরতির পক্ষে ঝুঁকলেও, এই প্রথম তাদের মধ্যে দূরত্ব চোখে পড়ছে। যখন কিনা সরাসরি ইজরায়েলের সমালোচনা করলেন বাইডেন গোড়ার দিকে অধিকাংশ দেশই ইজরায়েলের সমর্থনে এগিয়ে এসেছিল। কিন্তু যেভাবে নির্বিচারে গাজায় বোমাবর্ষণ করে চলেছে ইজরায়েল, তাতে সমর্থন হারাচ্ছে তারা। ঠিক এই কারণেই কি পরিস্থিতি বুঝে ইসরাইল থেকে নিজেদের দূরত্ব বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র? তেমন হলে নেতানিয়াহুর বিপদ রোখে কে? কিভাবে নিশ্চিহ্ন হবে গাজার বুক থেকে হামাস? কিভাবে নিজেদের টার্গেট ফুল ফিল করবে আইডিএফ? অনেক দূর এগিয়ে গেছে ইসরাইল। এখান থেকে পেছানোর আর কোনো রাস্তা বাকি আছে কি?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas war: ইজরায়েলের হয়ে অদৃশ্য শক্তির যুদ্ধ! হামাস নাগালই পেল না, বোকা বানানো হচ্ছে দুনিয়াকে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas war: ইজরায়েলের হয়ে লড়াই করছে অদৃশ্য শক্তি। গাজায় একটা টার্গেটও মিস হচ্ছে না কেন জানেন? ইজরায়েল যাকে ব্যবহার করছে তার শক্তি মারাত্মক-অসীম। গোটা গাজাটাই দাঁড়িয়ে রয়েছে ইঁদুরের গর্তের ওপর। কেন হামাস চেয়েও কিছু করতে পারছে না? হামাস শক্তি আরও দশগুণ বাড়ালেও বোধহয় কিছু করতে পারবে না। কারণ ইজরায়েলের এই যুদ্ধ ইজরায়েলর নয় করছে অন্য কেউ। চাইলেও যেখানে পৌঁছতে পারবে না হামাস। ‘গসপেল’, ‘অ্যালকেমিস্ট’ ‘ডেপথ অফ উইজডমে’র নাম শুনেছেন, না এগুলো কোনো অস্ত্র, হাতিয়ার, সেনা বা ফোর্সের নাম নয়, তাহলে কী? চমকে যেতে ইহুদিদের এমন বুদ্ধিমত্তায় স্যালেলাইট ম্যাপে ওঠা এই ছবিটা দেখুন ভালো করে উত্তর গাজার ভয়ানক ছবি এটা যে জায়গাগুলো লালরঙে রাঙানো সেগুলো অলরেডি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।

    ইজরায়েলের ফোর্স আইডিএফ বলছে গাজায় হামাসের ব্যবহৃত ৮০০টির মত “সন্ত্রাসী টানেল” পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ৫০০টি ধ্বংস করে দিয়েছে তারা। প্রথম কথা এত অ্যাকুরেট হিসেব কিভাবে দিচ্ছে তেল আভিভ? এখানেই প্রথম সন্দেহ হয় এরপর জানা যায় আসল সত্যি। যুদ্ধক্ষেত্রে AI-এর ব্যবহার করছে ইজরায়েল। হ্যাঁ ইজরায়েলের হয়ে এবার আর্টিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্স করছে যুদ্ধ। এর মানে আর্টিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্স যেমন যেমন আদেশ দিচ্ছে সেখানে সেখানেই পৌঁছে যাচ্ছে IDF। জানা যাচ্ছে ইজরায়েলি সেনার হামলায় গাজায় ১৪ হাজারের উপর মানুষ মারা গেছে। সংখ্যাটা হয়ত দেখতে গেলে আরও অনেকে বেশিই হতে পারে। আর্টিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্স কীভাবে অপারেশন চালাচ্ছে? এর সঙ্গে হামাসের পেরে ওঠা না মুমকিন। বিশেষজ্ঞদের দাবি ২০২১ সালেই ‘অপারেশন গার্ডিয়ানস অফ দ্য ওয়াল’ লঞ্চ করেছিল ইজরায়েল। সেই সময় এআই টুলের সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতেই গাজায় হামলা চালিয়েছিল তেল আভিভ। ইতিহাসে ওই ১১ দিনের লড়াই ‘প্রথম এআই যুদ্ধ’ নামে পরিচিত।

    এবার তার দ্বিতীয় ও বড় লেভেলের প্রয়োগ। আইডিএফ ‘গসপেল’, ‘অ্যালকেমিস্ট’ ও ‘ডেপথ অফ উইজডমে’র মতো সিস্টেম ব্যবহার করেছে। আইডিএফ যেগুলি এআইয়ের মাধ্যমে টার্গেটকে চিহ্নিত করেছে ফলে সেখানে হামলা চালানো সহজ হয়ে গিয়েছে ইজরায়েলি সেনার পক্ষে। এর মধ্যে ‘গসপেল’ সবথেকে দ্রুতগতিতে স্বয়ংক্রিয় টুলের সাহায্যে টার্গেটকে চিহ্নিত করতে পারে। গত ২ নভেম্বর আইডিএফ দাবি করে তারা মাত্র ২৭ দিনে ১২ হাজার টার্গেটে হামলা চালিয়েছে। দৈনিক ৪৪৪ আক্রমণ আর এই পুরোটাই সম্ভব করতে পেরেছে এআই।এবার গাজার দক্ষিণাঞ্চলে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি সৈন্যরা। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর রেডিওতে প্রচারিত প্রাথমিক খবরে কনফার্ম করা হয়েছে যে বর্তমানে তারা খান ইউনিসের উত্তরে অভিযান চালাচ্ছে তাই লড়াইটা এবার হামাস ভার্সেস ইজরায়েলর নয়, হামাস ভার্সেস এআই। জেতা কি কোনওভাবে সম্ভব? বরং আরও বড় সর্বনাশ অপেক্ষা করছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel- Hamas War: রাতারাতি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল গাজা ? ইসরায়েলের ভয়ানক নকশার প্যাঁচ, লুকিয়ে বড় রহস্য

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel- Hamas War: খন্ড বিখন্ড করে কাটা হলো গাজাকে। ইসরাইলের ভয়ানক নকশার প্যাঁচ, রাতারাতি উবে গেল হামাসের আঁতুড়ঘর? পৃথিবীর অতলে হারিয়ে গেল গাজা? রহস্য ঘনাচ্ছে নেতানিয়াহুর দেশে, কোন মন্ত্রে বাসা বাঁধলো এতোগুলো মিস্টিরিয়াস নম্বর? বড়সড় কন্সপিরেসি? আইডিএফ এর নকশায় লুকিয়ে কোন বিপদ সংকেত? সত্যিই কী বড় রিস্কে পড়ে গেল বিশ্বের ‘সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত কারাগার’? যুদ্ধবিরতির পরেই একেবারে ফুল ফর্মে ঝাঁপিয়ে পড়লো ইসরাইল। হামাস নয়, রাতারাতি মুছে গেল প্যালেস্টাইনের গোটা গাজা স্ট্রিপ? আসল রহস্যটা জানেন? প্যালেস্টাইনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা কয়েকশো ভাগে ভাগ হয়ে গেল। আই ডি এফ এর গ্রাউন্ড অপারেশনের এত দম? মাটির তলার সুড়ঙ্গই কি কাল হলো?

    হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের মাঝেই একটা নতুন মানচিত্রের অনলাইন ভার্সনে বিরাট চমক ইসরাইলি ফোর্সের। বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু। প্যালেস্টাইনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকাকে কোন মেসেজ দিয়ে দিল আইডিএফ? কেন এতোগুলো নম্বর দিয়ে মার্কিন করা হয়েছে গাজার বিভিন্ন অঞ্চল কে? ডিসেম্বরেই জীবন্ত ফাঁদ, গাজার বুকে হুলস্থূল কাণ্ড। ইসরাইল ও হামাসের মধ্যকার অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তির মেয়াদ শেষ। তারপরই এই নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে নেতানিয়াহু বাহিনী। বিবিসির রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, ভবিষ্যতে যুদ্ধ এড়াতে এই মানচিত্র গাজার বাসিন্দাদের সাহায্য করবে। যুদ্ধের পরবর্তী ধাপের জন্য তাদেরকে প্রস্তুতে সহায়তা করতেই ওই মানচিত্র তৈরি করে অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে
    সত্যিই কি গাজার জন্য এতোটা ভাবছে ইসরাইল?
    আইডিএফ বলছে, এই মানচিত্রটি শনাক্ত যোগ্য এলাকায় ভাগ করা হয়েছে যাতে “প্রয়োজন হলে বাসিন্দারা নির্দিষ্ট এলাকা থেকে তাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে পারে”।

    এদিকে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের রিস্ক বাড়ছে। তাই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরই খান ইউনিসের বাসিন্দাদের আরও দক্ষিণে সরে যেতে হুঁশিয়ারি দিয়ে লিফলেট বিতরণ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। লিফলেটের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ছবিতে দেখা যচ্ছে, খান ইউনিস শহরকে বিপজ্জনক সামরিক এলাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ জন্য শহরের পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দাদের পাশের রাফাহ এলাকায় আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। রাফাহ মিশরের সীমান্তের কাছে অবস্থিত এখানে একটা কথা জানিয়ে রাখি, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই একই ধরনের লিফলেট গাজার অন্য এলাকাগুলোতেও দেখা গেছে। আইডিএফ দাবি করছে, “গাজা উপত্যকায় বেসামরিক বাসিন্দাদের ক্ষতি এড়াতেই অনেকগুলো উপায়ের মধ্যে এটা একটা”। একদিকে গাজার নিরীহ মানুষের প্রাণ, অন্যদিকে যুদ্ধ। আইডিএফ কি মেপে পা ফেলছে গাজার মাটিতে? কাতারের রাজধানী দোহায় যুদ্ধবিরতি অব্যাহত রাখার জন্য মধ্যস্থতাকারীরা চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার মাঝেই যুদ্ধ আবার শুরু হলো। কিন্তু, যুক্তরাষ্ট্র কতটা সাপোর্ট করছে ইসরায়েল এর এই রহস্যময় কার্যকলাপক?

    নিজের প্রতিরক্ষার অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাকে সমর্থনও করে যাবে, কিন্তু ইসরায়েলকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন মেনেই তা করতে হবে সাফ কথা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের। গাজার উত্তরাঞ্চলে যে পরিমাণ মানুষ নিহত হয়েছে নতুন অভিযানে যাতে এতো বেশি পরিমাণ হতাহত না হয় তা ইসরায়েলকে নিশ্চিত করতে হবে। মানুষের যাওয়ার জন্য নিরাপদ অঞ্চল নির্ধারণ করতে হবে তাদের বলেছেন ব্লিঙ্কেন। এক্ষেত্রে মনে করিয়ে দিই বিভিন্ন সংঘাতের সময় এই ধরনের “নিরাপদ অঞ্চল” নিয়ে অভিজ্ঞতা মোটেই ভালো নয়। অনেকেই বসনিয়া, সাবেক যুগোস্লাভিয়ার যুদ্ধের সময় “নিরাপদ অঞ্চলের” কথা মনে করতে পারবেন যেগুলো আসলে মোটেই নিরাপদ ছিল না। তাহলে কি গাজার সাধারণ মানুষের জন্য আই ডি এফ সেই সেফ জোকে চিহ্নিত করে দিতেই ওই মানচিত্র কে সামনে এনেছে? সেক্ষেত্রে, গাজার বাসিন্দাদের আরো কোন ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে সেটা বলবে সময়।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas war: ইজরায়েল সেনা যুদ্ধ ছেড়ে পালাচ্ছে! হামাস কিডন্যাপ করে নিল, বড় ট্রাম্প কার্ড

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas war: হামাস বন্দি বানাল খতরনাক ইজরায়েলী সেনা জওয়ানদের। যুদ্ধক্ষেত্রে ছেড়ে পালাচ্ছে ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (Israel Defense Forces) সেনারা। নেতানইয়াহুর চোখে ধুলো দিতে কবে ঘটল এমন ঘটনা? যুদ্ধবিরতির সময় কেন বাড়াচ্ছে বলুনতো বারবার? দয়াবান ভাবছেন নাকি আপনি ইসরাইলকে? অঙ্ক কষা হয়েছে বড়সড় পরিণতি তো দেখাই যাবে। মোসাদের পর এবার আইডিএফ ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স ডাঙা ফেল নাকি? গাজার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ভয়ে পালাচ্ছে ইজরায়েলের সেনারা। নিজেদের গরিমা জাহির করতে ইজরায়েলর তা কোনওদিনই স্বীকার করবে না কিন্তু প্রকাশ্যে চলে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য‌। হামাসের নেতাদের খুঁজতে গিয়ে হামাসের হাতেই বন্দি হলো ইজরাইলের ডিফেন্স ফোর্স। আর আইডিএফ এর (ID) সেনারাই হামাসের তুরূপের তাস। কেন যু্দ্ধবিরতির সময় বারবার করে বাড়ানো হচ্ছে সেটা নিয়ে আপনার স্পষ্ট ধারণা আছ? ইজরায়েল বহু ফিলিস্তিন বন্দিদের মুক্তি দিয়েছে, আরো  হয়তো দেবে। কারণ হামাস শর্ত রেখেছে সেরকম। হামাস এদিকে পণবন্দি ইজারায়েলিদের ছেড়েদিচ্ছে।

    বছর ২০ তোমার ইয়াকভ আহিমাস বছর ১৯ এর কিরিল ব্রোডিসকি ও সাকেদ দাহান ৭ অক্টোবর এই তিন সেনা জওয়ানকেই প্রথমে বন্দি বানায় হামাস। আর বলতে পরেন এরাই ছিল হামাসের সোনার ডিম পারা হাঁস। হামাস জানত এদের তিনজনকে বাজি রেখেই অনেক খেলা ঘোরাতে পারবে তারা কিন্তু সেই মনস্কামনা আদতে পূর্ণ হল কি? জানা গিয়েছে দুই ইজরায়েলি সেনাকে বহিস্কার করা হয়। কারণ গাজার উত্তরাঞ্চলে আল কাসাম ব্রিগেডের কাছ থেকে বাঁচার জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে ছেড়ে পালায় ওই দুই সেনা। তারা মেনে নিচ্ছেন তাদের বিশেষ কোনও সহায়তা করা হয়নি। তাই হামাস যোদ্ধাদের মোকাবিলা করতে গিয়ে ঘাবড়ে যান তারা। তাহলে ইজরায়েলের যোদ্ধারাও ভয় পায় বলছেন! এবার আসি যু্দ্ধবিরতির কথায় এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের একপক্ষের দাবি যুদ্ধবিরতির সময় বাড়াতে কঠোর পরিশ্রম করছে হামাস। প্রথমে চারদিন, পরে দুদিনের যুদ্ধবিরতিতে রয়েছে হামাস, ইসরায়েল। তারপর এখন আবার ২৪ ঘন্টা সময় বেড়েছে যুদ্ধবিরতির।

    এর মধ্যেও গাজায় হত্যাকান্ড ঘটে গেছে। এদিকে মেরে ফেলা হয়েছে পশ্চিম তীরের বহু মানুষকে। হামাস তাই পরিস্কার বলেছে তাদের টার্গেটই হল এই যুদ্ধবিরতির সময় যতটা বেশি বাড়ানো মানে সম্প্রসারণ কিন্তু এরই মাঝে বিপাকে পড়ে গেলেন নেতানইয়াহু কারণ এখানে হামাসের ছোট্ট একটা খেলা। যে তিন ইজরায়েলি সেনা জওয়ানের নাম এই প্রতিবেদন আগেই বলেছি তাদের অলরেডি মৃত্যু হয়েছে বলে খবর আর এটা যে ইজরায়েলের কাছে বড় লস সেটার বলে বোঝানোর দরকার নেই। হামাস জানিয়ে দিল তাদের হাতে অপহৃত সব ইজরায়েলি সেনাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তার জন্য ইজরায়েলের জেলে আটক সব ফিলিস্তিনি বন্দিদের ছেড়ে দিতে হবে। তাহলে আরও কত সেনা এখনও হামাসের হাতে রয়েছে?

    ইতিমধ্যেই ১৪ জনকে ছেড়ে দিতে সম্মত হয়েছে হামাস। এদের মধ্যে ১০ জন ইজরায়েলি ৪ জন থাইল্যাল্ডের নাগরিক। এদের মতে সেনাজওয়ানেরা নেই। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাসেম নইম কেপ টাউনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন ইজরায়েলের সব সেনাকে ছেড়ে দেওয়া হবে যদি সেখানকার জেলে বন্দি সব ফিলিস্তিনিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আর এখানেই চরম চাপে বেঞ্জামিন নেতানইয়াহু। কাতার ও মিসর যুদ্ধবিরতি বাড়ানো নিয়ে গাজার হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে আলোচনায় মধ্যস্থতা করছে এই দুটো দেশই। আসলে হামাস চাইছে এটাই সুযোগ ইসরায়েলি কারাগারে থাকা সমস্ত ফিলিস্তিনি বন্দীর মুক্তির হয়ে যাক। সঙ্গে হামাসকে  গ্যারান্টিও দিতে হবে এই ফিলিস্তিনি বন্দিদের আর কখনও গ্রেপ্তার করবেনা ইসরাইল, কিন্তু ইজরায়েলর এত সহজে তা মানবে কিনা সেটাই হল আসলে দেখার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version