Tag: facial

  • Jade Stone treatment: হাজার হাজার টাকার ফেসিয়াল করেও মুখের জেল্লা নেই? করুন জেড স্টোন ট্রিটমেন্ট

    Jade Stone treatment: হাজার হাজার টাকার ফেসিয়াল করেও মুখের জেল্লা নেই? করুন জেড স্টোন ট্রিটমেন্ট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Jade Stone treatment: নানা ধরণের ক্রিম মেখেও মুখের বলিরেখা দূর করতে পারছেন না? পার্লারে মাসাজ করিয়েও মুখ, চোখের নিচের ফোলাভাব কমাতে পারছেন না? ময়েশ্চারাইজার, নামী দামি প্রোডাক্ট ব্যবহার করেও মুখের সেই তারুণ্য ফিরিয়ে আনতে পারছেন না? তাহলে আপনার জন্য বিশেষ কাজের হয়ে উঠতে পারে জেড স্টোন ট্রিটমেন্ট।এই ট্রিটমেন্ট ঠিক কি ? কিভাবে তা কাজ করে? আজকাল সৌন্দর্যপ্রেমী মানুষের মাঝে বেশ জনপ্রিয় একটি রূপচর্চা অনুষঙ্গ হলো এই জেড জেড স্টোন ট্রিটমেন্ট। এক্ষেত্রে হাতের স্পর্শ ছাড়াই রোলার দিয়ে মুখের ত্বকের ট্রিটমেন্ট করা হয়।

    এখন এই ট্রিটমেন্ট বিশেষ জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও প্রাচীন এশীয় এবং চৈনিক সৌন্দর্যচর্চায় এর ব্যবহার হয়ে আসছে দীর্ঘদিন থেকেই। জেড বা কোয়ার্টজ পাথর দিয়ে তৈরি হয় জেড স্টোন ও জেড স্টোন রোলার। এই পাথর ফ্যাকাশে সবুজ থেকে ফিরোজা রঙের হতে পারে। এই পাথর মূলত আমাদের ত্বকের রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে ত্বকের চাপ কমায়।এই ট্রিটমেন্ট তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে ত্বককে প্রশান্ত করে। এতে ত্বক দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়। এই ট্রিটমেন্ট কিভাবে কাজ করে?

    প্রাচীন চৈনিক বিশ্বাস অনুযায়ী জেড স্টোন রোলার কোনো সাধারণ পাথর নয়। এর রয়েছে নিরাময়ের ক্ষমতা। অর্থাৎ এটি আমাদের ত্বকের ক্লান্তি দূর করতে খুবই কার্যকরী। জেড স্টোন এমনিতে একটি ঠান্ডা পাথর।বরফ ঘষলে যেমন ত্বক প্রশান্ত হয়, ক্লান্তি দূর হয়, জেড স্টোন ঠিক এই কাজটিই করে। সারা দিনের পরিশ্রম, দূষণসহ নানা কারণে আমাদের ত্বক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাতে ত্বকের মধ্যকার রক্তসঞ্চালন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।ফলে ত্বক ঔজ্জ্বল্য হারায়। জেড স্টোন ট্রিটমেন্ট বিভিন্নভাবে আমাদের ত্বককে স্বাভাবিক ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। দুশ্চিন্তা, ঘুম ঠিকমতো না হওয়া, ক্লান্তি, দূষণ, রোদ ইত্যাদির কারণে আমাদের ত্বকের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে ত্বকের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

    জেড স্টোন ট্রিটমেন্ট করলে রক্তসঞ্চালন ঠিক হয় অতিরিক্ত তাপমাত্রাও বের হয়ে যায়। ত্বকের ওপর চাপ কমে। ত্বকের নিচে থাকা রক্তনালিগুলো বাধাগ্রস্ত হলে রক্তসঞ্চালন ঠিকমতো হতে পারে না। ফলে আমাদের মুখমণ্ডল ও চোখ বিশেষ করে চোখের নিচের অংশ ফুলে থাকে। জেড স্টোন ট্রিটমেন্ট এই বাধাগ্রস্ত নালিগুলোকে স্বাভাবিক প্রবাহে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। এতে ফোলাভাব কমে এবং ত্বকে সতেজতা ফিরে আসে। এই ট্রিটমেন্ট তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়তে পারে না। জেড স্টোন ম্যাসাজ ত্বকের টানটান ভাব বজায় রেখে ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে দীর্ঘদিন। অনেকেই ত্বকে সিরাম, ফেসিয়াল অয়েল, ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন। জেড স্টোন রোলারের সাহায্যে ম্যাসাজ করলে এই সব স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট খুব ভালোভাবে ত্বকের সব জায়গায় ভালোভাবে মিশে যায় এবং তাদের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।

    জেড স্টোন ট্রিটমেন্ট কতখানি কাজ করবে সেটা অনেকাংশে নির্ভর করছে আপনারা কীভাবে ব্যবহার করছেন তার ওপর। এই পাথর এমনিতেও বেশ ঠান্ডা, তবে আরও ভালো কুলিং এফেক্ট পেতে অনেকেই ফ্রিজে রেখে এটি ব্যবহার করেন। সপ্তাহে অন্তত তিন থেকে চারবার ৫-৭ মিনিট ধরে ম্যাসাজ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এটি ব্যবহারের কিছু নিয়ম আছে যা না মানলে হিতে বিপরীত হতে পারে। যেমন, রোলার কখনোই ওপর থেকে নিচের দিকে নয় বরং নিচ থেকে ওপরের দিকে টানবেন। তা না হলে উল্টো চামড়া ঝুলে যেতে পারে। শুকনা ত্বকে এই রোলার ব্যবহার করা যাবে না।ম্যাসাজের আগে অবশ্যই তেল, ময়েশ্চারাইজার বা সিরাম মাখিয়ে নিতে হবে।

    প্রতিবার ব্যবহারের পর অবশ্যই একে ভালোমতো উষ্ণ জল ও সাবান দিয়ে ধুয়ে রাখতে হবে, যাতে কোনো জীবাণু না ছড়ায়। আপনি অনলাইনে জেড স্টোন রোলার আনিয়ে এই ট্রিটমেন্ট করতে পারেন। মনে রাখবেন, বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় বাজারজুড়ে বিশেষ করে অনলাইনে নকল ও নিম্নমানের জেড স্টোন রোলারের ছড়াছড়ি। তাই দাম একটু বেশি হলেও দেখেশুনে আসল পণ্যটি কেনাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। আরেকটি বিষয় জেনে রাখা ভালো, জেড স্টোন রোলার একটি সৌন্দর্যচর্চা সামগ্রী মাত্র, চিকিৎসা উপকরণ নয়। তাই যদি কোনো কারণে ত্বক অস্বাভাবিক রকম ফুলে যায় বা দীর্ঘদিন ফোলাভাব থাকে, তাহলে জেড স্টোন রোলারের ওপর ভরসা না করে ডাক্তার দেখানো উচিত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pre-Bridal Juice: রূপচর্চা নয়! এক পানীয়তেই ত্বক হবে উজ্জ্বল, উঠে যাবে দাগছোপ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pre-Bridal Juice: সামনেই বিয়ে? আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি? এদিকে কাজের চাপে একেবারেই রূপচর্চা করার সময় পাচ্ছেন না? অথচ বিয়ের আগে গ্লোইং স্কিন চান? তাহলে এই প্রতিবেদনটি আপনার জন্য। রূপচর্চা নয়, বিয়ের আগে ত্বকের গ্লো ফেরান একটি পানীয় খেয়েই। কয়েকদিন এই পানীয় খেলেই রেজাল্ট পাবেন। ত্বক হবে উজ্জ্বল সেই সাথে সমস্ত দাগছপও দূর হবে। শরীর থাকবে একদম সুস্থ। কিভাবে বানাবেন এই পানীয় জেননিন ঝটপট।

    সব সময় মুখে ক্রিম মাখলেই ফর্সা হওয়া যায় না। দিনরাত ফেসিয়াল করলেই যে মুখের গ্লো বাড়বে এমনটাও হয় না। শরীরকে ভিতর থেকে সুস্থ রাখাও খুব জরুরি। আর তাই রূপচর্চার পাশাপাশি নজর দিতে হবে রোজকারের খাবারেও। খাবারের মধ্যে যাতে প্রোটিন, পুষ্টি এসব সঠিক পরিমাণে থাকে সেই দিকে নজক দিন। রোজ জল বেশি করে খেতে হবে। সঙ্গে ফল, সবজি এসব অবশ্যই রাখবেন। বেশি তেলমশলা চলবে না। সাথে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কিশমিশ, দারচিনি আর মৌরি দিয়ে এই পানীয় বানিয়ে খেতে পারেন। এতে শরীর থেকে যাবতীয় টক্সিন বেরিয়ে যাবে। ত্বক উজ্জ্বল হবে। সহজে বুড়িয়ে যাবে না। আর শরীর ভিতর থেকে সুস্থ থাকবে।

    ডিনার সেরে ৩০ মিনিট পর খান এই পানীয়। ১০ থেকে ১২ টা কিশমিশ ভাল করে ধুয়ে একগ্লাস জলের মাপে ফুটতে দিন। দিয়ে দিন এক চামচ ছোট মৌরি। এই মৌরি আর কিশমিশের মধ্যে থাকে অ্যান্টি এজিং গুণ, যা ত্বকের জন্য ভাল। ফুটতে থাকা জলের মধ্যে দিন কয়েকটি দারচিনির টুকরো। মাঝারি আঁচে সমস্ত উপকরণটিকে ফোটাতে হবে ১০ মিনিট। উষ্ণ গরম অবস্থাতেই কিশমিশ, মৌরি জল থেকে তুলে নিন। বাকি জল ছেঁকে একটা গ্লাসে নিতে হবে। এর মধ্যে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে নিন। রোজ নয়, সপ্তাহে চারদিন করে এই জল খেলেই কাজ হবে।

    গরম অবস্থাতেই খান এই পানীয়। এই জল খাওয়ার ৩০ মিনিট পর ঘুমোতে যান।সান ট্যান তুলতেও কাজে আসে এই পানীয়। কিশমিশের মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি থাকায় তা খুবই উপকারী। আগে কিশমিশ চিবিয়ে খান। তারপর চুমুক দিয়ে জল খান। এই কিশমিশ ফোটানো জল খেলে ঘুম ভাল হয়। চোখের তলায় কালি পড়বে না। শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেবে। ভেতর থেকে শরীর রাখবে পরিষ্কার। আর উজ্জ্বলও হবে আপনার ত্বক।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বিয়ের আগে ইনস্ট্যান্ট গ্লো পান এই উপায়ে, ৭ দিনেই হবে কামাল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বিয়ের আর মাত্র ৭ দিন বাকি? আজ থেকেই শুরু করুন এই স্কিন কেয়ার রুটিন। কোন ফেসিয়ালের প্রয়োজন নেই। ৭ দিনে এই কয়েকটা টিপস আপনার মুখের ভোল পাল্টে দেবে। লাস্ট মিনিট সাজেশনগুলো এক নজরে জেনে নিন। জানেন তো? বিয়ের দিন মেকআপ তো থাকেই। কিন্তু মেকআপ তখনই ভালো বসে যখন ত্বক ভালো থাকে। ত্বকে কোনও দাগ, ব্রণ এসব থাকলে মেকআপ বসতে খুবই সমস্যা হয়। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে স্ক্রাব করা খুবই জরুরি। চালগুঁড়ো, বেসন, লেবু, মধু, চিনি আর কফির গুঁড়ো একসঙ্গে মিশিয়ে স্ক্রাব বানান।সপ্তাহে তিনদিন অন্তত লাগিয়ে নিন।

    সকালে স্নান করে হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। বেশি চিটচিটে কিছু নেবেন না। রাতেও মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে লাগিয়ে নিন, নিয়ম করে মুখ পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজার লাগালে ত্বক ভালো থাকে। চট করে দাগ পড়তে পারে না। খেয়াল রাখবেন বিয়ের ঠিক একদিন আগে ফেসিয়াল করাবেন না। ফেসিয়ালের পর নতুন ব্রেকআউট হতে পারে। তাই এমন একটি ফেসিয়াল বেছে নিন যা আপনার ত্বকের জন্য ভালো। ফেসিয়ালগুলি আপনার ত্বককে পরিষ্কার ও নরম রাখবে। এখন বাজারে প্রাকৃতিক ফেসমাস্কও পাওয়া যায়। এমন কিছু ফেসমাস্ক আছে যা যাতে জলের পরিমাণ বেশ বেশি। চেষ্টা করুন এরকম ফেসমাস্ক সপ্তাহে দুটো ব্যবহার করতে। এতে রক্ত চলাচল ভালো হবে। এই কয়েকদিনে আর ব্রণর সমস্যা হবে না।

    কোনও দিন স্কিনকেয়ার রুটিন মিস করলে চলবে না। গরম জল দিয়ে কখনও মুখ ধোয়া উচিত হবে না একটাদিন। ত্বকে কখনও জোরে জোরে ঘষবেন না। যা ইচ্ছে তাই স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট এবং মেকআপ প্রোডাক্ট ত্বকের উপর ব্যবহার করলে ক্ষতি হতে পারে। সেদিকেও খেয়াল রাখুন। মুখের উপর এই ৭ দিন কোনও এক্সপেরিমেন্ট করবেন না। কোনও অজানা প্রোডাক্ট ত্বকে ব্যবহার করবেন না। তাই সবথেকে ভালো এই কয়েকদি নএকটু বেশি করে ফল খান। ফল আমাদের শরীর ডিটক্স করে আপনার ডায়েট প্রোটিনে ভরপুর হওয়া প্রয়োজন। প্রোটিন এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার আপনার ডায়েটে রাখুন। যা আপনার স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

    ভালো ডায়েট শুধুই আপনার স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে তাই নয়। পাশাপাশি আপনার ত্বকেও এর প্রভাব পড়ে তাই এই ১৫ দিন আপনার ডায়েটে শুধুই সবুজ শাক সবজি , প্রোটিন থাকুক। এই সময়ে বাইরে না খাওয়াই ভালো।হাইড্রেটেড থাকা গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি আপনাকে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করে তুলবে এবং আপনার ব্রেকআউটের সম্ভাবনা কমিয়ে দেবে। জলের পাশাপাশি আপনি ফলের রস, ডিটক্স ড্রিংকও পান করতে পারেন।বিয়ের আগে ঘুমের সঙ্গে কোনও আপস করবেন না। হতে পারে এই কদিন আপনি খুব ব্যস্ত, তবে আপনি যদি আপনার বিয়ের দিনে নিস্তেজ না দেখতে চান তাহলে কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুম জরুরি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • শীতে কোন ফেসিয়াল করাবেন, কি কি মাথায় রাখবেন? জানুন!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    শীতে ত্বক ভাল রাখতে কোন ফেসিয়াল জরুরি জানেন? শীতকালে ফেসিয়াল করানোর সময় কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখবেন? শীতের সময় আমাদের স্কিনকে কিন্তু এক্সট্রা কেয়ার করতেই হয়। কারণ এ সময়ে ত্বক রুক্ষ শুষ্ক হয়ে মুখের বারোটা বাজতে পারে। আর তাই শীতকালে কিন্তু সব ধরণের ফেসিয়াল করা যায় না। কোন ফেসিয়াল গুলি করবেন এবং কি কি মাথায় রাখবেন সমস্ত তথ্য জেনে নিন এই প্রতিবেদন থেকে।

    শীতকালে আবহাওয়া থাকে শুষ্ক আর এই প্রভাব পড়ে আমাদের ত্বকেও। চামড়া খসখসে হয়ে যায়, টান পড়ে। প্রাকৃতিক আর্দ্রতাও নষ্ট হয়ে যায়। শীতের আলসেমিতে অনেকেই এই সময় ঠিক করে স্নান করেন না। কিন্তু ত্বক সবথেকে বেশি নোংরা হয় এই সময়েই। বাইরে দূষণ যেমন বেশি থাকে তেমনই কিন্তু শীতে ক্রিম, ময়েশ্চারাইজার. তেল-সবই ব্যবহার করা হয়। সারাদিন ক্রিম, ময়েশ্চারাইজার মাখার ফলে মুখের উপর একটা ময়লার আস্তরণ পড়ে।তখন ক্ষতিকর টক্সিন যেমন বাইরে বেরোতে পারে না, তেমনই কিন্তু বায়ু চলাচলও করতে পারে না। এতে চামড়া কুঁচকে যায়। যে কারণে এই সময় ত্বকের একটু বেশিই যত্ন নিতে হয়।

    শীতে পার্টি, অনুষ্ঠানও বেশি থাকে। যে কারণে মেকআপও করতে হয়। আর ত্বক যদি পরিষ্কার না থাকে তাহলে কিন্তু মেকআপও ঠিকমতো বসে না। সেই সঙ্গে মুখের ফ্রেশনেসও হারিয়ে যায়। বাজারে এখন নানা রকম ফেসিয়াল কিট পাওয়া যায়। সেই কিট কিনে এনে বাড়িতেও যেমন ফেসিয়াল করতে পারেন তেমনই উপযোগী কিছু প্যাকও বানিয়ে নিতে পারেন। এছাড়াও পার্লার তো রয়েইছে। দেখে নিন কোন, কোন ফেসিয়াল আপনার ত্বকের জন্য উপকারী।

    পার্ল ফেসিয়াল, শীতের ত্বকের জন্য এই ফেসিয়াল কিন্তু বেশ উপকারী। মুক্তোর গুণাগুণ ছাড়াও এই ফেসিয়ালের মধ্যে থাকে বেশ কিছু খনিজ উপাদান। থাকে প্রয়োজনীয় ভিটামিন। যা শীতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে ত্বককে প্রয়োজনীয় খাবার দেয়। যাঁদের সামনেই বিয়ে তাঁরা এই ফেসিয়াল করতে পারেন।

    দ্বিতীয়টি হলো অ্যারোমাথেরাপি, প্রাচীনকাল থেকেই এই অ্যারোমাথেরাপি কিন্তু রূপটানের কাজে ব্যবহার করা হয়। বনের ফুল, মধু এবং গাছ-গাছড়ার নির্যাস থেকেই বানানো হত নানা সিরাম, ফেসপ্যাক। তাই দিয়েই চলত রূপচর্চা। বাজারে এখন অনেক রকম অ্যারোমা ফেসিয়াল কিট পাওয়া যায়। এছাড়াও বাড়িতে বানিয়ে নিতে পারেন বিশেষ ফেসিয়াল প্যাক।

    তারপর তৃতীয় যে ফেসিয়ালটি করতে পারেন সেটি হলো ও থ্রি ফেসিয়াল। এই ফেসিয়াল আমাদের স্কিনে জলের চাহিদা মেটাই। জলের বিশেষ যৌগ ত্বককে দেবে পুষ্টি। যা বলিরেখার হাত থেকে বাঁচাবে। ত্বক লাগবে ফ্রেশ। যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত তাঁদের জন্য কিন্তু এই ফেসিয়াল খুবই ভাল।

    আর ফেসিয়াল করার পর কিছু জিনিস অবশ্যই মাথায় রাখবেন। যেমন, ফেসিয়াল করিয়ে রোদে বেরোবেন না। অনেকবার ফেসিয়াল করার পর, বিউটিশিয়ান অবশেষে একটি সিরাম ব্যবহার করেন, যাতে ত্বক হাইড্রেটেড থাকে। এটি ত্বকে মিশে না যাওয়া পর্যন্ত পার্লার থেকে বের হবে না। শীতে ফেসিয়াল করার পর ফেস ওয়াইপ, ফেসপ্যাক, ফেস মাস্কের মতো জিনিস লাগাবেন না। অন্তত দুই দিন এটি করবেন না। ফেসিয়াল করার পর যদি মুখ তৈলাক্ত মনে হয়, তাহলে ৪ ঘণ্টা পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সেই সঙ্গে একদিন পর ফেসওয়্যাশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারেন।
    শীতকালে কম্বিনেশন ত্বকও শুষ্ক দেখাতে শুরু করে। এই সময় উপরের ঠোঁট বা নীচের ঠোঁটে থ্রেডিং করাতে প্রচুর ব্যথার সম্মুখীন হতে হয়। এমন অবস্থায় ফেসিয়ালের ২ দিন আগে থ্রেডিং করিয়ে নিন।ফেসিয়াল করার পর স্ক্রাব করবেন না। কমপক্ষে ৪ দিন স্ক্রাব করার দরকার নেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ঠান্ডা ফলের রস নাকি অক্সিজেনের পরত? পুজো শুরুর মুখে কোন ফেশিয়াল করবেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুজো শুরু হয়ে গেছে বলাই যায়। কেনাকাটা সাড়া হয়েছে আগেই। কিন্তু কাজের চাপে এখনও ফেসিয়াল করা হয়নি? এখনই তা করতে চান? ঠান্ডা ফলের রস নাকি অক্সিজেনের পরত- কোনটা করলে ঝলমলিয়ে উঠবে আপনার ত্বক? পুজোর দিনগুলোয় ত্বকের যত্ন নেবেন কিভাবে? জানুন লাস্ট মিনিট সাজেশন। পুজোর সময়ে পার্লারে ঢুঁ মারেন না এমন মহিলা হাতেগোনা। রূপচর্চা করব অথচ ফেশিয়ালের কথা ভাববো না, তা হলে চলবে কী করে? তবে কাজের ব্যস্ততায় অনেকে তা করিয়ে উঠতে পারেননি। তাঁদের জন্য রয়েছে আধুনিক ফেশিয়াল।

    গোল্ড, চারকোল, ভিটামিন সি— যত দিন যাচ্ছে নিত্যনতুন ফেশিয়ালের সম্ভার আনছেন রূপবিশেষজ্ঞরা। তবে আপনার ত্বকের জন্য কোন ফেশিয়ালটি সবচেয়ে উপকারী, তা জানাটাও জরুরি ।সব ত্বকে সব ধরনের ফেশিয়াল কিন্তু উপযুক্ত নয়। তাই টাকা খরচের আগে খতিয়ে দেখে নিন এখন ফেশিয়াল আপনার উপযুক্ত। এই আবহাওয়ায় ত্বক কখনও অতি তৈলাক্ত বা অতি শুষ্ক হয়ে পড়ছে। ফলে ত্বকে দেখা দিচ্ছে ওপেন পোর্‌সের সমস্যা।তাই ত্বককে টোনিং করা খুবই জরুরি। ফেশিয়াল করার সময় অবশ্যই ওপেন পোর‌্সের বিষয়টি মাথায় রাখুন।এখন গোল্ড, চারকোল, প্ল্যাটিনাম, পার্ল, ভিটামিন সি, অরগ্যানিক ফেসিয়াল করাতে পারেন। আপনার ত্বকের উপযুক্ত এমন একটি ফেসিয়ালের সিটিং নিতে পারলে খুব ভাল হয়। শুধু ফেশিয়ালই নয়, এখন ‘পিম্পল ট্রিটমেন্ট’, ‘ব্যাক ট্রিটমেন্ট’, ‘হ্যান্ড ট্রিটমেন্ট’-ও করানো ভীষণ জরুরি।

    বরফের মধ্যে এক বিশেষ টনিক ব্যবহার করে ৩০ সেকেন্ড অন্তর অন্তর মুখ রাখা হয়। তার পরে ঠান্ডা ফলের রস দিয়ে ফেশিয়ালটি করা হয়। সব শেষে অক্সিজেন রবার মাস্ক প্রয়োগ করা হয়। ওপেন পোর্‌সের সমস্যা দূর করতে এই ফেশিয়াল বেশ কার্যকর। ব্রণর সমস্যায় সবচেয়ে কার্যকরী হবে অ্যাকটিভেটেড চারকোল ফেসিয়াল। মুখে চারকোল মাস্ক ব্যবহার করে এই ফেশিয়াল করা হয়।আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তা হলে অবশ্যই করান এই ফেশিয়াল।

    এছাড়াও ট্রাই করতে পারেন হোয়াইটনিং অক্সিজেন রবার মাস্ক ফেশিয়াল। এ ক্ষেত্রে ভিটামিন এ এবং ই যুক্ত হোয়াইটনিং ক্রিম দিয়ে মুখে মালিশ করা হয়। এই ্ফে শিয়াল ত্বকে এনে দেয় ঔজ্জ্বল্য। রোদের ট্যান ত্বক থেকে দূর করতে এই ফেশিয়াল করান। তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা যাঁদের রয়েছে, তাঁদের জন্য পার্ল ফেশিয়াল খুব ভাল।আপনার ত্বকের জন্য কোন ফেশিয়ালটি উপযুক্ত সেটি কিন্তু না দেখে বোঝা সম্ভব নয়। তাই কোন ফেশিয়ালটি করালে সবচেয়ে ভাল ফল পাবেন, তা জানার জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

    এ ক্ষেত্রে বলব, পুজোর আগে একটা পিম্পল ট্রিটমেন্ট করিয়ে নেওয়া যেতে পারে। তবে হাতে সময় নেই। তাই এখনই শুরু করতে হবে সেই ট্রিটমেন্ট। প্রতি সিটিংয়ের জন্য খরচ পরবে ১৫০০ টাকা। তার সঙ্গে রোজের ব্যবহারে জন্য কিছু ক্রিম দেওয়া হবে। পুজোর আগে ত্বকের যত্ন নিতে মেনে চলুন কয়েকটি টোটকা। প্রচুর জল খেতে হবে। ডায়েটে ভিটামিন সি-যুক্ত ফল বেশি করে রাখুন। বাইরে বেরোলেই সানস্ক্রিন মেখে বেরোন, আর সঙ্গে রাখুন। প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর অন্তর সানস্ক্রিন ব্যবহার করতেই হবে। সানস্ক্রিন মেখে ত্বকে ঘষবেন না। আলতো হাতে ব্যবহার করলেই হবে। রাত জেগে ফোন ঘাঁটাঘাটি না করে অন্তত পক্ষে আট ঘণ্টা ঘুমান। ঘুম কম হলেই ত্বকে ক্লান্তি ভাব আসে। পুজোর আগে জেল্লাদার ত্বক পেতে হলে পর্যাপ্ত ঘুম ভীষণ দরকার।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুজোর আগে বাড়িতেই করুন এই ফেসিয়াল, ট্যানও গায়েব হবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুজোর মাত্র এক সপ্তাহ আগে কোন ফেসিয়াল করলে ত্বক পাবেন আলিয়ার মত? আচ্ছা ফেসিয়ালের আগে ট্যান রিমুভ কি সত্যিই জরুরি! এতবার পার্লারে যান তাও আপনি এই খবরটা রাখেন না আজ আপনার স্কিনের জন্য সঠিক ফেসিয়ালের সন্ধান দেবো আমরা, যা দিয়ে ট্যান রিমুভ সাথে ফেসিয়াল দুই সম্ভব। জানেন কি বাড়ি বসেই আপনি পেয়ে যেতে পারেন মনের মতো ফেশিয়াল। ট্যান সব উঠে যাবে এই উপায়ে।

    টমেটো ক্লিনজার তৈরি করতে টমেটোর রসে এক চা চামচ নিম পাতার গুঁড়া মেশাতে হবে, এবার তা দিয়ে মুখ হালকা হাতে ম্যাসাজ করে ধুয়ে নিন। নিনটমেটো স্ক্রাব তৈরি করতে আপনাকে একটি গোটা টমেটো নিতে হবে উপরের থেকে কিছুটা কেটে নিতে হবে, তারপর এই কাটা অংশে চালের গুঁড়ো লাগিয়ে মুখে ঘষে নিন। মুখের পাশাপাশি শরীরের অন্য অংশেও রোদে পোড়া দাগ তুলতে এই স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। একটি টমেটো গ্রেট করে সেটার রস ছেঁকে নিন, এই রসে এক চামচ মুলতানি মাটি দিন
    এতে মিশ্রণটা একটু ঘন হয়ে যাবে। এটি মুখে ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে তারপর মুখ পরিষ্কার করুন। এতে মুখ পরিষ্কার দেখাবে। মুখ ধোওয়ার পর ইচ্ছা করলে চালের জল টোনার হিসেবে লাগাতে পারেন, এতে ত্বক আরও ঝকঝকে হবে।

    বাড়িতে যদি আ্যলোভেরা গাছ থাকে, তাহলে তা পাতা তুলে নিন। অ্যালোভেরা ফেশিয়াল প্যাক বানাতে কী কী প্রয়োজন জানুন। পাতার অংশের ভিতরেই থাকে জেল সেখান থেকে ২ থেকে ৩ চামচ অ্যালোভেরা জেল তুলে নিন, তাতে মিশিয়ে নিন এক চামচ লেবুর রস আর ১ চামচ গ্লিসারিন।

    কীভাবে লাগাতে হবে মুখে?

    এই প্যাক তৈরি করে, ধীরে ধীরে মুখে তা ক্লক ওয়াইজ লাগিয়ে নিতে হবে। এই প্যাকটি লাগানোর সময় মুখে ম্যাসাজ করে যেতে হবে। গালের নিচের অংশ থেকে উপরের দিকে স্ট্রোক দিতে হবে। এরপর খানিকক্ষণ এই প্যাক মুখে লাগিয়ে তা পরে মুছে ফেলুন।

    এবার স্ক্রাবিং কিভাবে করবেন?

    ২ থেকে ৩ চামক অ্যালোভেরা জেল নিয়ে, তাতে ১ থেকে ২ চামচ দিয়ে দিন ব্রাউন সুগার, সঙ্গে মিলিয়ে নিন ১ চামচ অলিভ অয়েল। ব্রাউন সুগার না থাকলে চালের গুঁড়ো আর অলিভ অয়েলের জায়গায় কাঁচা দুধ মিশিয়ে নিতে পারেন। এই সমস্ত জিনিস ভাল করে মিশিয়ে নিন প্যাকটি গাঢ় হতে হবে। এই প্যাক মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে ৫ থেকে ৭ মিনিট। যে জলে আপনি ভাপ নিচ্ছেন তাতে
    মিশিয়ে নিতে পারেন খানিকটা এশেনশিয়াল অয়েল।

    এরপর আসি মাস্ক কীভাবে বানাবেন ?

    ১ চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে ২ চামচ অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন, সঙ্গে ২ চামচ দিয়ে দিন গোলাপ জল এই মিশ্রণটি ২০ মিনিটের জন্য লাগিয়ে ফেলুন। যাঁদের শুষ্ক ত্বক, তাঁরা মুলতানি মাটির জায়গায় চন্দনের পাউডার ব্যবহার করতে পারেন।

    পুজো নিয়ে সাজ সাজ রব। আর হবে না-ই বা কেন? বছরের এই চার-পাঁচটি দিন ঘিরেই তো বাঙালির যত উন্মাদনা। নতুন জামা, সাজগোজ, খাওয়া-দাওয়া, ঘুরতে যাওয়া, রাতভর ঠাকুর দেখা, আরও কত কী। আর এই সময় সবার থেকে একদম আলাদা সাজতে আপনাকেও তো ত্বকের যত্ন নিতে হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুজোর আগে ইনস্ট্যান্ট গ্লো চান? এই টিপস ফলো করে দেখুন ম্যাজিক!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুজোর আগে ইনস্ট্যান্ট গ্লো চান? পুজোয় বেরোনোর আগে হাতে মাত্র এক ঘণ্টা সময়? কোন ব্যাপার না, চটজলদি জেল্লা পাবেন কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ে! পার্লারে যতই ফেসিয়াল করুন না কেন, এই টিপস ফলো করে দেখতে পারেন! উৎসব একদম দোরগোড়ায়। পুজো শুরু হতে আর মাত্র কয়েকটা দিন। বছরের এই সময় সকলেই সুন্দর চেহারা পেতে চায়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে পার্লার যাওয়ার আর সুযোগ নেই। এখন পার্লারের সামনেও লম্বা লাইন। পুজো শুরুর আগে হাতে এক ঘণ্টা সময় থাকলেই আর পার্লারে যাওয়ার দরকার পড়বে না। ত্বকের জেল্লা ফিরে পেতে বাড়িতেই ফলো করুণ এই টোটকা গুলি। পুজোয় আপনার জেল্লাদার নিখুঁত ত্বক দেখে চোখ ফেরাতে পারবে না কেউই। জেনে নিন কি কি করতে হবে।

    ত্বকের উপরিতলে জমে থাকা মৃত কোষের কারণ ত্বক উজ্জ্বলতা হারায়। এর জন্য এক চামচ চিনির সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে দিন। এই মিশ্রণটা মুখে, গলায়, ঘাড়ে ভাল করে ঘষে করে নিন। হালকা হাতে স্ক্রাব করবেন। ৩-৪ মিনিট স্ক্রাব করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মুখ ধোয়ার পর একটু এলোভেরা লাগিয়ে আবার মুখ ধুয়ে নিন। এতে স্কিন নরম হবে। আর দেখবেন ট্যান উঠে জেল্লা ফিরেছে আপনার ত্বকের।

    এছাড়াও কাঁচা দুধের ফেসপ্যাক বানাতে পারেন। সেক্ষত্রে ২ চামচ কাঁচা দুধের সঙ্গে ১ চামচ বেসন ও এক চিমটে হলুদ মিশিয়ে ত্বকের উপর লাগান। মিনিট পনেরো-কুড়ি অপেক্ষা করুন। এরপর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণটি সান-ট্যানের সমস্যা দূর করবে এবং ত্বকে এনে দেবে সোনালি আভা।

    ত্বকের জেল্লা ফেরাতে দারুণ উপকারী কফির প্যাক। এক চামচ কফির সঙ্গে দু চামচ মধু মিশিয়ে তা ত্বকের ব্যবহার করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন জল দিয়ে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই তফাৎ চোখে পড়বে।

    এবার এমন একটি ঘরোয়া ফেসিয়ালের কথা বলব যা হার মানাবে পার্লারের ফেসিয়াল কেউ। সময় নষ্ট না করে ঝটপট শিখে ফেলুন। দেখুন কি ভাবে করবেন? ফেসিয়াল করার আগে মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। এবার একটি পাত্রে ২ চা চামচ কাঁচা দুধ নিয়ে তাতে ১ চিমটি লবণ এবং ২ চিমটি হলুদ মিশিয়ে নিন। দুধে এই উপাদানগুলি মেশানোর পরে, একটি তুলোর প্যাড এতে ডুবিয়ে দিন। এবার এই তুলার প্যাডটি মুখে বৃত্তাকার মোশনে একটানা ৩ থেকে ৪ মিনিট ঘষুন। ঘষার পর ১০ মিনিট এভাবে রেখে তারপর জল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন।

    এবার স্ক্র্যাব করার সময়। এর জন্য ২ চা চামচ কাঁচা দুধ, আধ চা চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার এবং ১ চা চামচ চালের আটা মিশিয়ে নিন। যদি পেস্টটি খুব ঘন হয় তবে এটি পাতলা করতে গোলাপ জল যোগ করুন। এবার এই মিশ্রণ দিয়ে মুখ ভালো করে স্ক্রাব করুন। এটি ত্বকের ব্ল্যাকহেডস এবং অতিরিক্ত তেল দূর করতে খুবই কার্যকরী।

    স্ক্রাব করার পরে, কাঁচা দুধ থেকে ক্রিম তৈরি করুন। এর জন্য একটি পাত্রে ১ চা চামচ কাঁচা দুধ নিয়ে তাতে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। আপনি চাইলে এতে অ্যালোভেরা জেলও মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে তুলোর বল ডুবিয়ে মুখে ৩-৪ মিনিট ঘষে নিন। এবার মুখটা এভাবে ৫-৬ মিনিট রেখে তারপর ভেজা তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন।

    ফেসিয়ালের চতুর্থ ধাপ হল ফেসপ্যাক। এর জন্য একটি পাত্রে এক বা দুই চামচ কাঁচা দুধ নিন। এখন আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী উপাদান নিন। তৈলাক্ত ত্বক হলে মুলতানি মাটি, শুষ্ক ও স্বাভাবিক হলে কলার ম্যাশ ব্যবহার করুন। ফেসপ্যাক লাগানোর পর ১০ মিনিট এভাবে রেখে তারপর জল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। এরপর অবশ্যই মশচারাইজার এপলাই করবেন। ব্যাস ত্বকের জেল্লা পাবেন নিমেষে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • skin care: পুজোয় কোন ফেসিয়াল করবেন? ঝলমলে ত্বকের রহস্য জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    skin care: ঠান্ডা ফলের রস না কি অক্সিজেনের ফেশিয়াল? পুজোর আগে ইনস্ট্যান্ট গ্লো পেতে কোনটা করবেন? ফেসিয়াল নিয়ে তেমন আইডিয়া নেই আপনার! স্কিন বুঝে প্রোডাক্ট ব্যবহার না করলে উল্টে বিপদ। ফেসিয়াল করার সময় ফেসিয়াল করানোর আগে এই নিয়মগুলো মাথায় রাখুন। পুজোর আগে ত্বকের যত্ন তো নিতে হবে। ষষ্ঠীর সকাল বা নবমীর রাত মুখটা ঝলমলে দেখাতে কে না চায়। রূপচর্চা করব অথচ ফেসিয়ালের কথা ভাবব না তা হলে চলবে কী করে? সবার স্কিনের জন্য সবরকম ফেসিয়াল নয়। এ বার পুজোয় কোন ফেসিয়াল ট্রেন্ডিং?আপনার ত্বকের জন্য কোনটা পারফেক্ট ? বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিশেষজ্ঞরা বলছেন।

    সব ধরনের ত্বকের জন্যই অ্যালোভেরা জেল ফেসিয়াল ভীষণ কাজের। অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে অক্সিজেন মাস্ক ব্যবহার করা হয় শুধু পুজো উপলক্ষে নয় সারা বছরই ত্বকের যত্ন নিতে করানো যেতে পারে এই ফেসিয়াল। অ্যাকটিভেটেড চারকোল ফেশিয়াল ব্রণর সমস্যায় ভীষণ কাজ দেয়। মুখে চারকোল মাস্ক ব্যবহার করে এই ফেশিয়াল করা হয়।

    আপনার ত্বক যদি অয়েলি হয় তা হলে অবশ্যই করান এই ফেশিয়াল। যাঁদের মুখে ভীষণ তেল তাঁদের জন্য পার্ল ফেসিয়ালও কাছে রবরফের মধ্যে এক বিশেষ টনিক ব্যবহার করে। ৩০ সেকেন্ড অন্তর অন্তর মুখ রাখা হয়। তার পরে ঠান্ডা ফলের রস দিয়ে ফেসিয়ালটি করা হয়। সব শেষে অক্সিজেন রবার মাস্ক ব্যবহার করা হয়।

    গোল্ড, চকোলেট, চারকোল, প্ল্যাটিনাম ফেসিয়ালের পাশাপাশি বেশ কিছু নতুন ফেসিয়ালও বাজারে এসেছে।
    ফেসিয়াল করার সময় আমরা অনেক সময়ই খুঁটিনাটি জিনিস খেয়াল করি না। বা এড়িয়ে যাই। আর সেখানে হয়ে যায় বড়সড় ভুল। তাই কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন? প্রথমত আপনার ত্বক বুঝুন আগে ত্বকের প্রয়োজন অনুযায়ী ফেসিয়াল বাছুন। যা ইচ্ছে হল সেই ফেসিয়াল করিয়ে নিলেই হল না। ফলে ভুলভাল জিনিস মোটেই বাছবেন না এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। ফেসিয়াল করেই বাইরে কড়া রোদের মধ্যে বেরোবেন না
    যদি একান্তই বেরোতে হয় তাহলে ব্যবহার করুন সানস্ক্রিন। কিন্তু এসব ঝামেলা এড়াতে চেষ্টা করুন সন্ধ্যাবেলার দিকে ফেসিয়াল করতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    পুজোর আগে ত্বকের সঙ্গে কোনও রকম আপস করতে চাইবেন না বোধ হয় কেউই। সব ত্বকে সব ধরনের ফেশিয়াল কিন্তু উপযুক্ত নয়। তাই টাকা খরচের আগে খতিয়ে দেখে নিন। নিজেরা সিদ্ধান্ত না নিয়ে বিশেষজ্ঞদের থেকে পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pre Wedding Care: বিয়ের আগেই নিন প্রস্তুতি, নিজেকে সুন্দর করতে কাজে লাগান এই দুর্দান্ত টিপস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pre Wedding Care: বিয়ে মানে জীবনের একটি সেরা মুহূর্ত। যে মুহূর্তের জন্য অনেকেই বহু বছর ধরে অপেক্ষা করেন। সেখানে নিজেকে স্পেশাল করে তুলতে বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই পরিচর্যা নিতে হবে। বিয়ের দিন সাধারণত নতুন বর কনের দিকেই সবার চোখ থাকে। প্রতিটি মেয়েই চান বিয়ের দিন তার সাজ সব দিক থেকে নিখুঁত হোক। এর জন্য কয়েক মাস আগে থেকে আপনার ত্বক, সৌন্দর্য এবং চুলের যত্ন নেওয়া শুরু করুন। বিয়ের দিন আপনার ত্বক কতটা সুন্দর দেখাবে তার জন্য আগে থেকেই ত্বকের যত্ন নেওয়া জরুরি।

    •মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকুন

    আপনি যদি বিয়ের কয়েক মাস আগে আপনার স্ট্রেস ম্যানেজ না করেন, তাহলে মানসিক চাপ মুখে স্পষ্ট ভাবে ফুটে উঠবে। স্ট্রেস ত্বক সম্পর্কিত অনেক সমস্যা যেমন একজিমা, সোরিয়াসিস সৃষ্টি করতে পারে। কারণ স্ট্রেস ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ সৃষ্টি করে। তাই আপনার পর্যাপ্ত ঘুম হওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে যোগব্যায়াম বা ধ্যানের সাহায্যও নিতে পারেন।

    • চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে আলোচনা

    আপনি একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে আলোচনা করে আপনার ত্বকের যত্ন কিভাবে নেবেন সেই সম্পর্কিত টিপস নিতে পারেন। কিছু চিকিৎসা সম্পূর্ণ হতে কয়েক মাস সময় লাগে, তাই কমপক্ষে ৬ মাস আগে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ঠিক করা ভাল।

    •ফেসিয়াল

    ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য, বিয়ের অন্তত ৯ মাস আগে থেকে ফেসিয়াল করা উচিত। এভাবে কোন ফেসিয়াল আপনার ত্বকের জন্য ভালো আর কোনটি নয় তা জানা যায় এবং বিয়ের সময় নতুন ফেসিয়াল করার কোনো আশঙ্কা থাকে না।

    •এক্সফোলিয়েশন

    ত্বকে মৃত কোষ কমলে ত্বক ঔজ্জ্বল্য হারিয়ে ফেলে এবং প্রাণহীন দেখাতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে, একটি উজ্জ্বল সিরামের সাহায্যে ত্বকের নিয়মিত এক্সফোলিয়েশন করা প্রয়োজন। নিয়মিত এক্সফোলিয়েশন ত্বকের মৃত কোষ দূর করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

    •কেরাটিন ট্রিটমেন্ট

    কেমিক্যাল স্ট্রেটেনিং এবং হেয়ার কালারিং চুলকে ক্ষতিগ্রস্থ ও প্রাণহীন করে। এক্ষেত্রে কেরাটিন ট্রিটমেন্ট চুলকে সুস্থ ও সুন্দর দেখাতে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু এর মানে এই নয় যে বিয়ের ঠিক আগে আপনার কেরাটিন চিকিৎসা করাতে হবে। বিয়ের তারিখের ৯ মাস আগে নমুনা হিসেবে কেরাটিন ট্রিটমেন্ট করানো ভালো হবে।

    •ম্যানিকিউর এবং পেডিকিউর

    বিয়ের তারিখের প্রায় ৩ মাস আগে ম্যানিকিউর এবং পেডিকিউর শুরু করা ভাল। এভাবে সুন্দর দেখানোর পাশাপাশি আপনার হাত, পায়ের নখও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। অর্থাৎ শুধু আপনার মুখের ছবি নয়, হাত-পায়ের ফটোও খুব সুন্দর দেখাবে।

    •ঠোঁটের যত্ন

    শীতের মোরসুমে বিয়ের সময় ত্বক এবং বিশেষ করে ঠোঁট ফাটার ভয় থাকে। তাই কনেকে ঠোঁটের বিশেষ যত্ন নেওয়া দরকার। এর জন্য প্রতিদিন ভালো মানের পুষ্টিকর লিপবাম লাগাতে হবে। এর পাশাপাশি সপ্তাহে একবার ঠোঁট এক্সফোলিয়েশন করাও জরুরি। এক্সফোলিয়েশনের জন্য নিয়মিত ফেস স্ক্রাব বা ঘরে তৈরি চিনি ও মধুর স্ক্রাব ব্যবহার করা যেতে পারে।

    •মেকআপ ট্রায়াল

    বিয়ের দিন একবারে মেকআপ না করে, আগে কয়েকবার মেকআপ করে দেখুন কতটা মানানসই। কোন রঙের লিপস্টিক কিংবা কোন রঙের শেড আপনার মেকাপের সঙ্গে যাবেন যাবে তা আপনি স্পষ্ট বুঝতে পারবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version