Tag: cyclone

  • Cyclone Mocha: মোকায় ধ্বংসলীলা মায়ানমারে, ডুবে গেছে সিতওয়ে, এ যেন আমফানের স্মৃতি

    Cyclone Mocha: মোকায় ধ্বংসলীলা মায়ানমারে, ডুবে গেছে সিতওয়ে, এ যেন আমফানের স্মৃতি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Mocha: মোকার তান্ডব মায়ানমার তছনছ হয়ে গেল। জলে ডুবে গিয়েছে সিতওয়ের একাংশ, খাদ্য সংকট শুরু হয়ে গেল। বাংলার আমফানে যা হয়েছিল এ তো একই অবস্থা মায়ানমারের। যতদূর চোখ যায় শুধু ধ্বংসলীলা৷ মোকার জন্য যতটা প্রিকশন বাংলাদেশ মায়ানমার কি নিতে পেরেছিল? যুদ্ধ যুদ্ধ করেই তো শেষ হয়ে যাচ্ছে দেশটা। কিন্তু প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধে হেরে গেল জান্তা সরকার। প্রাণহানি এবং বন্যার আশঙ্কায় অ্যালার্ট জারি করে দিয়েছে সরকার।

    ১২ ফুট উঁচুতে ওঠা জলোচ্ছাসে কোথায় ভেসেছে, কোথায় আটকে পড়ছে মানুষ। বিবিসি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে গাছ ভেঙে পড়ে ১৪ বছরের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। মায়ানমারের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর মোকার তাণ্ডবে মায়ানমারে কমপক্ষে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যন্ত ৭০০ মানুষের আহত হওয়ার খবর রয়েছে। এদিকে মায়ানমার সেনার জানাচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের ফলে বহু ট্রান্সফর্মার উড়ে গিয়েছে। ভেঙে পড়েছে একাধিক এলাকার মোবাইল টাওয়ার, ল্যাম্পপোস্ট। কোকো আইল্যান্ডের স্পোর্টস বিল্ডিংয়ের ছাদ উড়ে গিয়েছে। জান্তা সরকার এখনও সরকারি ভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বলেনি। কিন্তু বিপুল ক্ষতির আশঙ্কাই করছে মায়ানমার প্রশাসন।

    মায়ানমারের বহু এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। ঝড়ের দাপটে তো হুড়মুড় করে ভেঙেছে টেলিফোনের টাওয়ার। ইন্টারনেট পরিষেবা নেই। তবে এখন সিতওয়ের অবস্থা সবথেকে খারাপ। কারণ সেখানে নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে গিয়েছে প্রায় ১০০০ মানুষ সেখানে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনেকেই বলছেন এ যেন এক অভিশাপ৷ যে যে এলাকা এ দুর্গতির শিকার সেখানে কতটা অ্যাকটিভ প্রশাসন, জান্তা সরকার? সিতওয়ার পাশাপাশি কিয়াউপউ, গওয়া, মান আউং এলাকাতেও তাণ্ডব চালিয়েছে মোকা। এ মুহূ্র্তে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত এলাকায় খাবার পৌঁছে দেওয়া। রবিবার দুপুর ১২টা থেকে আড়াইটে ওই সময় ঝড়ের বেগ ছিল ঘণ্টায় ১৮০ থেকে ১৯০ কিমি সর্বোচ্চ বেগ ছিল ২১০ কিমি ‘মায়ানমার নাও’ সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর রবিবার দুপুর দেড়টায় সিতওয়ায় আছড়ে পড়ে মোকা।

    সবথেকে বড় কথা সিতওয়ে বন্দর সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে সিতওয়ের একটি আশ্রয়কেন্দ্রের স্বেচ্ছাসেবী টিন নিনও জানাচ্ছেন বন্দরের তিন লাখ বাসিন্দার মধ্যে চার হাজারেরও বেশি লোককে অন্য শহরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ শহরের বিভিন্ন মঠ, প্যাগোডা এবং স্কুলের মজবুত ভবনগুলিতে আশ্রয় নিয়েছে। তবে অনেক প্রত্যাশার থেকে বেশি মানুষ জড়ো হওয়ার খাদ্য সংকট দেখা দিচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Mocha: মোকায় তছনছ সেন্ট মার্টিন, কেন বারবার ঝুঁকির মুখে পড়ে এই দ্বীপ? সুন্দরবন নাকি!

    Cyclone Mocha: মোকায় তছনছ সেন্ট মার্টিন, কেন বারবার ঝুঁকির মুখে পড়ে এই দ্বীপ? সুন্দরবন নাকি!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Mocha: সেন্ট মার্টিন নিয়ে আশঙ্কাই সত্যি হলো। কেন এ দ্বীপের মানুষের পাকা ঘর নেই? মোকার তান্ডবে লন্ডভন্ড প্রবাল দ্বীপ, মৃত্যু আটকানো গেল না। কেন সেন্ট মার্টিন বারবার ঝুঁকি মুখে পড়ে কারণটা জানেন? এ দ্বীপটা সত্যি জলের তলায় চলে যেতে পারে মোকা পূর্বাভাস যখন দেওয়া হচ্ছেছিল বারবার নাম শোনা গেছে সেন্ট মার্টিনের। সবথেকে বড় ঝুঁকিটা কি সামলে নিল বঙ্গোপসাগরে ঘেরা ছোট প্রবাল দ্বীপটা বর্তমানে কি পরিস্থিতি সেখানের?

    ফেসবুক, টুইটারে টুকরো টুকরো ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলার ছবি ছড়িয়ে পড়েছে এই দ্বীপের। রবিবার দুপুর ১ টার পর শুরু হয় মোকার তান্ডব। মায়ানমারে ল্যান্ডফল হওয়ার পরও ১৪৭ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে চলে সেন্ট মার্টিনে। ৩৫০ র বেশি ঘর বাড়ি ভেঙে গিয়েছে সেখানে। উপড়ে গিয়েছে কয়েকশ গাছপালা। গবেষকরা বলছেন, বর্তমানে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে প্রায় দেড় লাখ নারকেল গাছ আছে। এটা নারকেল জিঞ্জিরা নামেও পরিচিত। তবে রাতের দিকে প্লাবনে ক্ষয়ক্ষতি বাড়বে এমনি আশঙ্কা করা হচ্ছে। জলোচ্ছ্বাস ঠেকানোর মতো টেকসই বেড়িবাঁধ সেন্ট মার্টিনে নেই। কেন নেই সেই বিতর্কে নাই বা গেলাম।

    কিন্তু কেন বারবার এই দ্বীপটাকেই পড়তে হয় ধ্বংসের মুখে? এটাও কি সুন্দরবনের মতোই? সেন্ট মার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি ছোট প্রবাল দ্বীপ। মূল দ্বীপ ছাড়াও এখানে ১০০ থেকে ৫০০ বর্গমিটার আয়তন বিশিষ্ট কয়েকটি ক্ষুদ্র দ্বীপ রয়েছে। যেগুলোকে স্থানীয়ভাবে ছেড়াদিয়া বা সিরাদিয়া বলে। এটি কক্সবাজার জেলার প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে ও মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিভ। আগে রাখাইন অঞ্চলের মানুষের বাস থাকলেও এখন এটা বাঙালীদের এলাকা। বলতেই হয় বাংলাদেশের পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা।

    সেন্ট মার্টিন দ্বীপে কোনো ইটের ভাটা নেই। রড, সিমেন্ট ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী আসে ট্রলারে। ৩৪ কিলোমিটার দূরের টেকনাফ সদর থেকে। নির্মাণসামগ্রী দ্বীপে নিতে হলে পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের পূর্বানুমতি লাগে। কিন্তু নিয়মকানুন বাধা হতে পারেনি হোটেল-রিসোর্ট নির্মাতাদের সামনে। কিন্তু দ্বীপের সাধারণ মানুষ পাকা ঘর করতে পারেন না ঝুপড়ি, যেগুলোর বেড়া ও ছাউনি পলিথিনের সেখানেই মানুষের বাস। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং হোক বা সিডার কেউই একে ছাড়েনি। দ্বীপ মানেই ঝড়ের বড় আশঙ্কা তো থাকেই দ্বীপের চার দিক দিয়ে জলপ্লাবনের ঝুঁকি থাকে। ২০২২ সিত্রাংয়ের সময় এই দ্বীপের ৬০ শতাংশ এলাকাই তলিয়ে গিয়েছিল। তারপরও এক বছরে নতুন করে অনেকটাই গড়েছিল এই দ্বীপ।

    মোকা তান্ডবে আজ আতঙ্কে লোকজন ছোটাছুটি করেন। আশ্রয়কেন্দ্রে যাঁরা ছিলেন তাঁরা আবারও সব হারানোর ভয়ে কান্নাকাটি শুরু করে দেন। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনে ওয়েবসাইট বলে খ্রিস্টান সাধু মার্টিনের নাম অনুসারে দ্বীপটির নাম হয় এই দ্বীপের। এবার আর কি দুর্গতি অপেক্ষা করছে সেন্ট মার্টিনের কপালে সেই আতঙ্কই গ্রাস করছে অনেককে৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Mocha: কক্সবাজারে মোকার ল্যান্ডফল! তছনছ এই দ্বীপ, গেল প্রাণ। রিস্কে রোহিঙ্গা শিশু

    Cyclone Mocha: কক্সবাজারে মোকার ল্যান্ডফল! তছনছ এই দ্বীপ, গেল প্রাণ। রিস্কে রোহিঙ্গা শিশু

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Mocha: মারাত্মক গতিতে ল্যান্ডফল মোকার। বাংলাদেশের কক্সবাজারে ভয়ানক পরিস্থিতি। সেন্ট মার্টিনে মোকার তাণ্ডব, আসতে শুরু করেছে মৃত্যুর খবর।
    বাংলাদেশে লাখ লাখ রোহিঙ্গা শিশু রিস্কে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে থিক থিকে ভিড়। গরু ছাগল নিয়ে শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছে মানুষ। প্রতিটা মুহূর্ত উদ্বেগ উৎকণ্ঠার। তাণ্ডবের পর কখন থেকে দুর্বল মোকা? বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’র কারণে কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতে ছিল।

    আবহাওয়াবিদরা জানিয়ে দিয়েছিলেন, মোকা থাকলে সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে ভয়ংকর তাণ্ডব চালাবে। সেটাই ঘটে গেল দুপুর ১টার পর থেকে সেন্টমার্টিনে তাণ্ডব শুরু করে মোকা। তারপর শুধুই ধ্বংসলীলা। অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোকার তাণ্ডবে ইতিমধ্যেই সেন্টমার্টিনের অনেক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত। গাছ পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। সেন্টমার্টিনকে রীতিমতো লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে মোকা। ১০০ কিলোমিটার ঝোড়ো হাওয়ায় একের পর এক ঘরের চাল উড়ে গেছে। প্রতি মুহূর্তে বাতাসের গতিবেগ বেড়েছে। দ্বীপের বিল্ডিং রীতিমতো কেঁপে উঠেছে। স্বাভাবিকের চেয়ে জলের উচ্চতাও ছিল কয়েক ফুট বেশি। অন্যদিকে, কক্সবাজার এর শেল্টারগুলোতে অনেকে গৃহপালিত পশু নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। পর্যাপ্ত খাবার না থাকার অভিযোগ করছেন অনেকে।

    আর রোহিঙ্গারা? কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে প্রায় পাঁচ লাখ শিশুর বাস। বিবিসির রিপোর্ট অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন জানিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশে মোট ১৫ লাখের বেশি শিশু রিস্কে। ঘূর্ণিঝড়ের ফলে কক্সবাজারে সীমান্ত এলাকায় মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা। কারণ, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে কয়েক লাখ শিশুর বাস। আর, এখানেই ভয়। সময় যত যাবে, চিত্রটা ততই পরিষ্কার হবে। তবে, কিছুটা হলেও স্বস্তির খবর শুনিয়েছিল বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর। কারণ ঘূর্ণিঝড় মোকা মূল আঘাত হেনেছে মিয়ানমারের ওপর। যে কারণে বাংলাদেশের জন্য অনেকটাই ঝুঁকি কেটে গেছে।

    এদিন, বিকাল ৪ টের পর থেকে দুর্বল হতে শুরু করে ঘূর্ণিঝড় মোকা। সন্ধ্যা নাগাদ ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা কমার পূর্বাভাস ছিলই আবহাওয়া অধিদপ্তরের। তবে শুধু বাংলাদেশ মিয়ানমার নয়, মোকার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা ছিল এপার বাংলাতেও। মোকার পূর্বাভাসে সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছিল সুন্দরবন এর মানুষ। সেইমতো আগেভাগেই সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। জরুরিকালীন প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল স্থানীয় প্রশাসন এমনকি এদিন, ট্রলার নিয়ে ফিরে এসেছেন মৎস্যজীবীরা। দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সতর্কতা জারি পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘাতেও। সকাল থেকে দিঘার সমুদ্র উত্তাল আজ এবং আগামীকাল সমুদ্রস্নানে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Mocha: মোকায় মায়ানমারের প্রবল ঝড়, নার্গিসের স্মৃতি ফিরল কি?

    Cyclone Mocha: মোকায় মায়ানমারের প্রবল ঝড়, নার্গিসের স্মৃতি ফিরল কি?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Mocha: মোকায় মায়ানমারের ভয়ানক পরিস্থিতি। জানেন হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিল নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে। জান্তা শাসিত মায়ানমারে কি ব্যবস্থা নেওয়া হল? নাকি এখানেও গন্ডগোল। এমূহুর্তে মায়ানমারে সিতওয়ের অবস্থা জানলে অবাক হয়ে যাবেন। বন্যায় ভেসে যাচ্ছে রাস্তাঘাট, প্রবল ঝড় মায়ানমারের। পাক্কা ৬ বছর পর ফের সর্বনাশের মুখে পড়ল মায়ানমারের ওপর।

    রবিবার ১.৪০ নাগাদ মায়ানমারের সিতওয়ে পোর্টে আছড়ে পড়ে মোকা। তখন গতিবেগ ২০০ কিমি না সুপার সাইক্লোন হয়নি মোকা তবে ঠিক কী অবস্থা মায়ানমারের? মোকা আছড়া পড়ার একদিন আগেই সিতওয়ে উপকূলে থাকা মানুষ কার্যত গ্রামের পর গ্রাম ফাঁকা করে দিয়েছিল। সিতওয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাষ্ট্র মিয়ানমারের পশ্চিমভাগে অবস্থিত আরাকান অঞ্চলের রাখাইন রাজ্যের রাজধানী ও একটি বন্দর নগরী এটি কালাদান নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরের উপকূলে অবস্থিত। একবার ঝড়ের দাপট আছড়ে পড়লে তারা আর প্রাণে বাঁচতে পারবে না। রিপোর্ট বলছে জান্তা সরকার রাখাইন উপকূলের গ্রামগুলোকে রীতিমত খালি করেছে। এমনকি সোমবার পর্যন্ত রাখাইন স্টেটে উড়ানও বন্ধ রাখা হয়েছে। ২০০৮ সালের নার্গিসে মায়ানমারের দক্ষিণের প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার মানুষ নিহত হন। সেই স্মৃতি এখনও টাটকা মায়ানমারের মনে।

    তাই নিজের প্রিয়জন, গবাদি পশুদের সঙ্গে নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে ছুটে যায় মানুষ। অনেকেই প্রার্থনা করেছিলেন যাতে এই ঝড় কোনওভাবে অন্যদিকে ঘুরে যায় কিন্তু নিয়তি এখনও পর্যন্ত মায়ানমারের কতটা ক্ষয়ক্ষতি করেছে মোকা সেটা ধীরে ধীরে জানা যাবে৷ তবে ২০১৭ সালে ঘূর্ণিঝড় মারুথা আছড়ে পড়ায় বন্যায় ভেসে গেছিল মায়ানমার। ২০০৮ সালের নার্গিস তার মধ্যে একটা বড় আতঙ্ক। অন্তত ৫৫ হাজার মানুষ নিখোঁজ হয়েছিল এই একটা ঝড়ে।

    এবারও কি হিসেবটা সেরকমই দাঁড়াবে? নাকি ততটাও প্রভাব পড়বে না৷ টুইটার থেকে পাওয়া বিভিন্ন ছবিতে দেখা যাচ্ছে প্রবল ঝড় বইছে রাখাইন-সিতওয়ে অঞ্চলে। রাস্তাঘাট একেবারে বন্যায় ভেসে গিয়েছে। অনেকেই বলছেন এ যেন ২০১০ সালে সাইক্লোন গিরি-র স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে। ১ মিনিটের ঝড়ে সর্বস্বান্ত হয়ে গিয়েছিল মায়ানমারের বহু এলাকা। এদিকে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থা ইউএনওসিএইচএ ঘূর্ণিঝড় মোখায় মায়ানমারের সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Mocha: সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ‘মোকা’র তান্ডব শুরু

    Cyclone Mocha: সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ‘মোকা’র তান্ডব শুরু

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Mocha: জাতীয় হেল্পলাইন ৩৩৩-এ ফোন করেঘূ র্ণিঝড় মোখাসংক্রান্ত সব তথ্য জানা যাবে। কোনও রকম সমস্যায় পড়লে প্রয়োজনে ফোন করা যাবে। ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’-এ প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর

    সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ‘মোকা’র তান্ডব শুরু। কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করছে ঘূর্ণিঝড় মোখা সেন্টা মার্টিনে প্রবল ঝড় ঘরের চাল উড়ে যাচ্ছে। ভেজা বালি পর্যন্ত উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে

     

    বাংলাদেশের কক্সবাজার ও মায়ানমারের সিতওয়ে উপকূলে আছড়ে পড়ল মোকা। ২০০ কিমি বেগে বইছে ঝড়। প্রক্রিয়া চলবে আরও কয়েক ঘণ্টা। বাংলাদেশ এবং মায়ানমার উপকূলে আরও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Mocha: মোকা আসছে! সেন্ট মার্টিন দ্বীপের রাত কাটল কেমন করে?

    Cyclone Mocha: মোকা আসছে! সেন্ট মার্টিন দ্বীপের রাত কাটল কেমন করে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Mocha: সাবধান! কক্সবাজার অতিক্রম করছে ঘূর্ণিঝড় মোকা। শনিবার রাতে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের কী হাল হল জানেন? মোকার স্থলভাগে উঠে আসছে আর ঠিক কত ঘন্টা বাকি? মোকা কি সুপার সাইক্লোন? শেষ আপডেট কী? বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসের সঙ্গে সঙ্গে এখন বহু মানুষ ফলো করছেন আবহবিদ মোস্তাফা পলাশের ফেসবুক পোস্টও কক্সবাজারে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি। কিন্তু সবথেকে বড় ঝুঁকির মধ্যে থাকা সেন্ট মার্টিন দ্বীপের মানুষের কী হল? তারা কেমন আছেন? মোস্তাফা পলাশ তাঁর পোস্টে বলেছিলেন রবিবার রাত ৩ টে থেকে সকাল ৮টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগ ছোঁবে সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে। তবে তার জেরে কোনও বড় বিপদ হয়নি এখনও পর্যন্ত যা খবর। মারাত্মক আতঙ্ক ছিল বাসিন্দাদের মধ্যে। দ্বীপের বিভিন্ন গ্রাম থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নেওয়া লোকজন চরম আতঙ্কে সময় পার করছেন। চোখের পাতা সারাটা রাত এক করতে পারেনি কেউ।

    এদিকে মোকার প্রভাবে রাতেই কক্সবাজার শহর, সেন্ট মার্টিন, টেকনাফ ছাড়াও ভোলার মনপুরা, চরফ্যাশনসহ দ্বীপ ও চরাঞ্চলে হালকা বাতাস ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। সকালে টেকনাফ এলাকায়ও দমকা হাওয়া বইতে শুরু করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে সাগর এমূহুর্তে উত্তাল রয়েছে। জোয়ারের জলও বেড়েছে রীতিমত। তাহলে মোকা কি সুপার সাইক্লোন হয়েই ঢুকবে বাংলাদেশে? পূর্বাভাস রয়েছে ঝড়ের প্রভাবে চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল বিভাগে ভারি (৪৪-৮৮ মিমি) থেকে অতিভারি (৮৯ মিমি) বর্ষণ হতে পারে। ভারি বর্ষণে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে। কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকা থেকে স্থানীয়দের সরে যেতে প্রচার চালিয়ে আসছে সেখানকার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। তবে অনেক স্থানীয়রা সবটা জেনেও এলাকা ছাড়ছেন না বলে অভিযোগ।

    ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে দক্ষিণাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকা ঝুঁকির মুখে রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের পিক আওয়ার হবে দুপুর ১২টা থেকে ৩টার মধ্যে। আবহবিদরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮ থেকে ১২ ফুট বেশি উচ্চতার জ্বলোচ্ছাসে প্লাবিত হতে পারে। এখন বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ১৯০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া আকারে ২১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। আবহবিদদের মতে ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে যে স্থানে অবস্থান করছে তাতে মোকা সুপার সাইক্লোন হওয়া সম্ভব নয়৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Mocha: মোকার জেরে কলকাতায় বৃষ্টি কখন? বিশেষ সতর্কতা এই জেলায়

    Cyclone Mocha: মোকার জেরে কলকাতায় বৃষ্টি কখন? বিশেষ সতর্কতা এই জেলায়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Mocha: মারাত্মক প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে তৈরি হল মোকা। খেলা দেখাতে শুরু করেছে সাইক্লোন। ঘণ্টায় ১৭৫ কিমি বেগে বাংলাদেশের কোথায় আছড়ে পড়বে? অল্পের জন্য বেঁচে গেল বাংলা? নাকি বিপদ রয়েছে? বাংলাদেশের সঙ্গে এপার বাংলার এই জেলাতেও আতঙ্ক বাড়ছে। মোকার কারণেই কলকাতা সহ কোন কোন জেলায় বৃষ্টি? বঙ্গোসাগরের বুকে ক্রমেই শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝ়ড় থেকে শক্তি বাড়িয়ে মারাত্মক হয়েছে ঘূর্ণিঝড় মোকা। তীব্র গরমে মোকা স্বস্তি দেবে নাকি বিপদের কোনও কারণ রয়েছে?

    মধ্য বঙ্গোপসাগরের থেকে ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটার বেগে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে সরে গিয়ে শুক্রবার রাতের দিকেই মারাত্মক প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে মোকা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের বুকে আরও ঝড় তুলবে ঘূর্ণিঝড়টি পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর থেকে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে এগিয়ে গিয়ে হয়ে আরও ঘণীভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার দুপুরের দিকে মোকা অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ এবং মায়ানমার উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে। ওই সময় ঝড়ের গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১৫০-১৬০ কিমি। সর্বোচ্চ বেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১৭৫ কিমি এমনটাই পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের।

    বাংলাদেশ এবং মায়নমারে ধ্বংসাত্মক রূপে দেখা দেওয়ার পূর্বাভাস থাকলেও মোকার হাত থেকে রেহাই পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। সত্যিই কী তাই? আবহবিদরা কী বলছেন? মোকার প্রভাবে বৃষ্টি হবে বাংলায় শনিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। রবিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদেরও সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা-সহ রাজ্যের বেশ কিছু উপকূল এলাকায় মোতায়েন রয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। সোমবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারেও বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে।

    উপকূলবর্তী জেলা হওয়ায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতে বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন দিঘায় বাড়তি সতর্কতা। দিঘায় নামল এনডিআরএফ -এর টিম
    এই টিম উপকূলবর্তী গ্রামেও ঘুরে মাইকিং চালাবে। দিঘা উপকূলবর্তী এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হচ্ছে। পর্যটকদের সমুদ্রে নামার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের এই দুদিন সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি।

    ঘূর্ণিঝড় মোকা মধ্য বঙ্গোপসাগরে ফুঁসছে। কী কী প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ? মোকার জেরে আপাতত ৫ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশের প্রশাসন। শনিবার থেকেই এই স্থানান্তরের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বাংলাদেশে অন্তত ৫৭৬ টি সাইক্লোন-ত্রাণ শিবির গড়ে উঠেছে। সেনা, কোস্ট গার্ড প্রস্তুত রয়েছে। প্রস্তুত আছে স্থানীয় প্রশাসনও। সাগর উপকূল থাকা মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বিস্তৃর্ণ উপকূলীয় এলাকাজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন ধরণের প্রস্তুতি। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন।

    ঘূর্ণিঝড় মোকা তৈরির সময় এ রাজ্য থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নেওয়ায় আবহাওয়ায় বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। জেলায় জেলায় তাপপ্রবাহ, আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি এবং তাপমাত্রার পারদ ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছিল। স্বস্তির বৃষ্টির জন্য কার্যত চাতক পাখির মতো অপেক্ষায় ছিল রাজ্যবাসী। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাংলায় এবার কিছুটা হলেও গরম কমবে বলেই মনে করছেন আবহবিদরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Mocha: মোকার রিস্কজোনে বাংলাদেশের কোন কোন অঞ্চল? জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা, সাইক্লোনের এই স্টেজকেই ভয়

    Cyclone Mocha: মোকার রিস্কজোনে বাংলাদেশের কোন কোন অঞ্চল? জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা, সাইক্লোনের এই স্টেজকেই ভয়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Mocha: ভেরি সিভিয়ার সাইক্লোন স্টর্ম মোকা কতটা ভয়ঙ্কর? মোকার আঘাতে তছনছ হতে পারে বাংলাদেশের এই দ্বীপ, সেফ নয় পায়রা সমুদ্র বন্দরও। রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোতে পাহাড় ধ্বসের বিরাট রিস্ক।‌ আর কোথায় কোথায় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখানোর নির্দেশ? কোন কোন উপজেলা রিস্ক জোনে? মোকা মোকাবিলায় কিভাবে তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশ? বাংলাদেশের সব উপকূলীয় এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা প্রকাশ আবহবিদদের। ফুঁসছে সাগর।

    ঘূর্ণিঝড় মোকা সুপার সাইক্লোনে পরিণত হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আমেরিকার নৌবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টার। হাওয়ার গতিবেগ হতে পারে ঘন্টায় ২২১ কিলোমিটার এরও বেশি, ইতিমধ্যেই সোশ্যাল সাইটের পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। হ্যাঁ, আরও ভয়ঙ্কর, আরও শক্তি বাড়াচ্ছে “মোকা”। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর রীতিমতো ফুঁসছে। এর প্রভাব হতে পারে মারাত্মক। মোকার প্রভাবে বাংলাদেশের দেশের সব উপকূলীয় এলাকায় ১০ থেকে ২০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবহবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ। কক্সবাজারের টেকনাফ এবং মিয়ানমারের উপকূলে “মোকা” আঘাত হানবে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে দু নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। কক্সবাজারের চারটে উপজেলা টেকনাফ, উখিয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী রয়েছে রিস্কজোনে।

    মোকা মোকাবিলায় তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশ। ইতিমধ্যেই, দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবক সংস্থা কক্সবাজারে দুর্যোগ মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নিলেও সেন্টমার্টিন দ্বীপের ক্ষেত্রে ছবিটা ব্যতিক্রমী। ওই দ্বীপে প্রচার বা মাইকিং হয় না। স্থানীয়রা নিজ দায়িত্বে প্রস্তুতি নেয়। সেই মতো, সেন্টমার্টিন দ্বীপের মানুষ স্পিড বোট, মাছ ধরার নৌকায় করে টেকনাফের দিকে সরে যেতে শুরু করেছেন। বয়স্ক মানুষ বা যারা কাঁচা ঘরে থাকেন তাঁরা রিসর্টের বারান্দায় আশ্রয় নেন। পরিস্থিতির কথা জেনে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আবহবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ। ওই দ্বীপের মানুষগুলোর জন্য কি করা উচিৎ ছিল, প্রধানমন্ত্রী পদে থাকলে তিনি কি করতেন তা সোশ্যাল সাইটে পোস্ট করে জানিয়েছেন

    অন্যদিকে, স্ট্যান্ডিং অর্ডার অন ডিজাস্টারের নির্দেশ অনুযায়ী জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, জল উন্নয়ন বোর্ড, রেড ক্রিসেন্ট সহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সব কর্মকর্তাদের ছুটিতে যেতে বারণ করেছে। কক্সবাজার জেলা জুড়ে ৫৭৬টি সাইক্লোন সেন্টার খোলা হয়েছে। সময় মতো সবাইকে এসব আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। থাকছে জল, শুকনো ও রান্না করা খাবারের ব্যবস্থা। আর, যারা ভিটেবাড়ি ছেড়ে সাইক্লোন সেন্টারে যেতে চায় না সেইসব রিস্কি এলাকায় থাকবে স্বেচ্ছাসেবক। উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোয় যারা থাকেন, তাদের জন্য কোনো আশ্রয়কেন্দ্র নেই। তাদের ঘরবাড়ি বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলারও উপযোগী নয়। এই পরিস্থিতিতে তারা কোথায় আশ্রয় নেবে? রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ইন চার্জের অফিস, হাসপাতাল, মসজিদ, ও সরকারি দফতরগুলোতে সাময়িক আশ্রয় দেওয়া হতে পারে বলে খবর।

    এরপরও ভূমিধসপ্রবণ এলাকাগুলোর জন্য দুশ্চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। সেখানকার লোকজনকে আগেভাগে সরিয়ে নেওয়ার ওপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া হচ্ছে। কারণ, রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোতে পাহাড় ধ্বসের বিরাট রিস্ক রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তায় প্রতিটা ক্যাম্পে ১০০ জন করে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে, যারা রোহিঙ্গাদের বাড়িগুলোকে সাময়িকভাবে মজবুত করার কাজ করবে। একইসাথে, ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে কনক্রিটের কাঠামোয় রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নিতে এই স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ করবেন। পাশাপাশি, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় কক্সবাজারের প্রতিটি উপজেলায় রেড ক্রিসেন্টের আলাদা আলাদা দল গঠন করা হয়েছে। থাকছে কন্ট্রোল টিম যারা সার্বিক তত্ত্বাবধানে কাজ করবে। মোবাইল মাইকিং টিম, যারা আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় প্রচার চালাবে। দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে উদ্ধারকাজ চালাতে মাঠে থাকবে-ইউনিয়ন ডিজাস্টার রেসকিউ টিম। আশ্রয় কেন্দ্রে আহত কেউ থাকলে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য কাজ করবে ফাস্ট এইড টিম।

    ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় উপকূলবর্তী জেলাগুলোর প্রায় ১৫০ ফায়ার স্টেশন প্রস্তুত রয়েছে। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিজিবি, আনসার, কোস্টগার্ডও প্রস্তুত রয়েছে। তৈরি থাকছে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মেডিকেল টিম। খাবার স্যালাইন, জল বিশুদ্ধিকরণ ট্যাবলেট, প্রয়োজনীয় ওষুধ, সাপে কাপড় দেওয়া রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক অ্যান্টিভেনম, প্রয়োজনীয় জ্বালানি সহ অ্যাম্বুলেন্স এবং ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা থাকছে। এককথায়, ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস পাওয়ার পর থেকে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ শূন্য পর্যায়ে রাখতে তৎপরতার সাথে একের পর এক পদক্ষেপ করে চলেছে বাংলাদেশ সরকার। বিভিন্ন গ্লোবাল মডেল বিশ্লেষণ করে আবহবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন “ঘূর্ণিঝড় মোখার অগ্রভাগ ১৪ই মে রবিবার সকাল ৬ টার পর থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলে আঘাত করার আশঙ্কা থাকছে, ঘুর্ণিঝড় কেন্দ্র দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আর পিছনের অংশ সন্ধ্যা থেকে ১৫ই মে সোমবার ভোর পর্যন্ত উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে”।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Mocha: বাংলাদেশেই আছড়ে পড়বে ‘মোকা’! সুপার সাইক্লোন হওয়ার আশঙ্কা, কতটা প্রস্তুত ওপার বাংলা?

    Cyclone Mocha: বাংলাদেশেই আছড়ে পড়বে ‘মোকা’! সুপার সাইক্লোন হওয়ার আশঙ্কা, কতটা প্রস্তুত ওপার বাংলা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Mocha: মোকা বাংলাদেশর উপকূলেই আছড়ে পড়বে। সুপার সাইক্লোন পরিণত হওয়ার রিস্ক রয়েছে মোকার। ১৩০-১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় ল্যান্ডফলের রিস্ক। নতুন কোন আপডেট জানাচ্ছে বাংলাদেশের হাওয়া অফিস? তাহলে কি মিলে যাচ্ছে আবহবিদ মোস্তফা পলাশের আশঙ্কাই? বাংলাদেশ কীভাবে প্রস্তুত হচ্ছে এবার? ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার গতিবেগ ১৩০-১৬০ কিলোমিটার।বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’।

    সাইক্লোন মোকাবিলায় সতর্কতা জারি করেছে হাসিনা সরকার। বুধবার সকালেই আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে সাইক্লোন মোকা সুপার সাইক্লোনের রূপ নিতে পারে। দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি এলাকায় থাকা নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আগামী ১৩ মে রাতে অথবা ১৪ মে ভোরে কক্সবাজার ও টেকনাফ এলাকায় আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় মোখা। রবিবার সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশে আছড়ে পড়তে পারে। এর অগ্রবর্তী অংশ আরও ১২ ঘণ্টা আগেই বাংলাদেশকে স্পর্শ করবে। গতিবেগ হবে ১৩০ থেকে ১৬০কিলোমিটার। যার জেরে তুমুল ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাই করছেন বহু মানুষ৷

    একইসঙ্গে অনেকেই বলছেন একই পূর্বাভাস কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশও দিয়েছিলেন তবে বাংলাদেশ প্রস্তুতি নেওয়ার কোনও ফাঁক রাখেনি বলে দাবি। বাংলাদেশের চারটি সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে উপকূলের কাছাকাছি থাকে বলা হয়েছে। মাছ ধরার নৌকার ও ট্রলারগুলোকে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদফতরের ডিরেক্টর আজিজুর রহমান। বাংলাদেশ সরকার জানাচ্ছে। তারা সবদিক থেকেই প্রস্তুত রয়েছে। সেনা, নৌ, কোস্টগার্ড অ্যালার্টে রয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকায় আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থানকারীদের জন্য নগদ ২০ লাখ টাকা, চাল এবং শুকনা খাবার পাঠানো হয়েছে পাশাপাশি গভীর সমুদ্র থেকে সব নৌযানকে সরিয়ে আনা হয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Mocha: বাংলাদেশে ১৮০ কিমি বেগে মোকা! বাংলা ভুগছে তাপপ্রবাহে, বৃষ্টি কবে হবে?

    Cyclone Mocha: বাংলাদেশে ১৮০ কিমি বেগে মোকা! বাংলা ভুগছে তাপপ্রবাহে, বৃষ্টি কবে হবে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Mocha: ১৮০ কিমি বেগে বাংলাদেশে তাণ্ডব চালাবে মোকা। আবহবিদ মোস্তাফা পলাশের নয়া দাবি ঘিরে শোরগোল। বাংলাদেশের এ মূহুর্তের আবহাওয়ার অবস্থা কী? বাংলায় মোকার উল্টো প্রভাব পড়ে গেল। মারাত্মক তাপপ্রবাহ। কবে বাংলায় বৃষ্টি হবে কী বলছে হাওয়া অফিস? ঘূর্ণিঝড় মোকা নিয়ে সবথেকে প্রথম আবহবিদ মোস্তাফা পলাশের মন্তব্য নিয়ে হইচই হয়েছিল। তিনি আবারও তাণ্ডবের আশঙ্কা করেছেন মোকা নিয়ে। কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশের তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করছেন বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় হিসেবে ঘণ্টায় ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়তে পারে মোকা।

    কিন্তু সত্যিই কি বাংলাদেশের আবহাওয়া সেই কথা বলছে? মোস্তাফা পলাশের আশঙ্কা অনুযায়ী ১৪ মে সকাল ৬ থেকে ১৫ মে সকাল ৬টার মধ্যে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার মায়ানমারের রাখাই রাজ্যের মং-ডু জেলার ওপর দিয়ে স্থলভাগে আঘাত করবে মোকা। এদিক বাংলাদেশের আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান জানিয়েছেন‌ ১২ অথবা ১৩ তারিখে বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা আছে। এদিকে বাংলার অবস্থাও কিন্তু অনেকটা একই৷ ঘূর্ণিঝড় মোকা নিয়ে দুর্যোগের আশঙ্কার মাঝেই রাজ্যে ফের তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করল মৌসুম ভবন। মঙ্গলবার থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাপমাত্রা আবার ছাপিয়ে যেতে পারে ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি।

    মৌসম ভবনের এক শীর্ষস্থানীয় আধিকারিক সৌরিশ বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার জানান, মোকার পরোক্ষ প্রভাবেই তাপমাত্রা এভাবে বাড়ছে এবং পশ্চিমের জেলাগুলিতে পারদ উঠবে ৪২-৪৩ ডিগ্রিতে। আসন্ন মোকার পরোক্ষ প্রভাবে জলীয় বাষ্পপূর্ণ বাতাস সেই দিকে ছুটছে। বাংলায় সেই শূন্যস্থান পূরণ করছে, উত্তর পশ্চিমের গরম হাওয়া। কবে বৃষ্টি হবে তার কোনও পূর্বাভাস দেয়নি হাওয়া অফিস। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত যে কোনও সম্ভাবনা নেই তা একপ্রকার স্পষ্ট৷ এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি ঘণ্টায় ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার বেগে এই ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশে আঘাত হানে সেক্ষেত্রে তা উপকূলের জেলাগুলিতে রীতিমতো তাণ্ডব চালাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই মোকা থেকে বাঁচার আগে বাংলার মানুষ তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচার জন্য প্রিকশন নিন৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম