Tag: cyclone

  • Cyclone Mocha: ঘূর্ণিঝড় মোকার কোন পথ ধরে এগোবে? আবহাওয়ার বড় আপডেট

    Cyclone Mocha: ঘূর্ণিঝড় মোকার কোন পথ ধরে এগোবে? আবহাওয়ার বড় আপডেট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Mocha: কোন পথ ধরে এগোবে ঘূর্ণিঝড় মোকা? ঘন্টায় ১৬০ কিমি. বেগে কোথায় আছড়ে পড়বে?‌ হঠাৎ বাঁক নিয়ে ভারত না বাংলাদেশ? কোন দিকে ধেয়ে আসতে পারে ঘূর্ণিঝড়? অবশেষে পরিস্কার জানিয়ে দিল মৌসম ভবন। ক্রমশ সময় নিয়ে ঘনীভূত হচ্ছে সাইক্লোন। মোকা আতঙ্কের মাঝেই আমূল পাল্টে যাবে আবহাওয়া। আরও গরম নাকি তুমুল বৃষ্টি? সতর্ক প্রশাসন‌। যত সময় এগিয়ে চলেছে। আতঙ্ক বাড়ছে। মোকার ভয় বাংলায় কতটা? কেমন হতে পারে তার ধ্বংসলীলা? মৌসম ভবন কী বলছে জানুন, ইতিমধ্যেই সোমবার সকালে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন আন্দামান সাগরে ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়ে গিয়েছে‌ সময়ের সঙ্গে ঘনীভূত হচ্ছে নিম্নচাপ। মঙ্গলবার সাগরের ওই অংশেই গভীর নিম্নচাপের আকার নিতে পারে। তাতেই বাড়ছে বিপদের আশঙ্কা। কারণ মৌসম ভবনের পূর্বাভাস বলছে ১০ মে, বুধবারের মধ্যে গভীর নিম্নচাপ থেকে তৈরি হবে মোকা ঘূর্ণিঝড়। বঙ্গোপসাগরে মোকা তৈরি হওয়ার পর তা কোন পরিস্থিতিতে, কোন দিকে এগোবে? ভারত না বাংলাদেশের বুকে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত পড়বে? কিন্তু আবহাওয়া দফতর বলছে অন্য বিপদের আশঙ্কা।

    এই ঘূর্ণিঝড় এর পর ক্রমশ উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিক বরাবর এগিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। কিন্তু পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর থেকে তা আচমকা উল্টো দিতে বাঁক নিলে তখন কী হবে? শক্তি বাড়িয়ে কোন দিকে এগিয়ে যাবে? প্রথমে ক্রমশ এগোবে বাংলাদেশ মায়ানমার উপকূলের দিকে। তারপর ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ কোন দিকে হতে পারে। তা এখনও আবহাওয়া দফতরের কাছে ধোঁয়াশা। সবটাই নির্ভর করবে ঝড় তৈরি হওয়ার পর তার গতিপ্রকৃতির উপর। ইতিমধ্যেই মোকার প্রভাবে পর্যটকদের জন্য সতর্কতা জারি আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে।

    কতটা প্রস্তুত প্রশাসন?

    আগে থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য। বিশেষ করে প্রস্তুত পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার প্রতিটি ব্লকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার বিশেষ মহড়া চলছে। এদিকে শনিবার থেকেই ঘামছে কলকাতা আগামী কয়েকদিন গরম বাড়বে নাকি তুমুল বৃষ্টি হবে? বুধবার পর্যন্ত ঝড় বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। মোকার পরোক্ষ প্রভাবে মঙ্গলবার থেকে। আরও অস্বস্তি বাড়বে পশ্চিমের জেলাগুলিতে। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায় বৃষ্টি চলবে পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের। বাংলার দক্ষিণের জেলাগুলিতে আগামী কয়েক দিনে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা আবার ৪০ ডিগ্রির পারদ ছুঁতে পারে। তারপরে আরও ভোগান্তি অপেক্ষা করছে কিনা, তা এখনও পরিস্কার নয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Mocha: ঘূর্ণিঝড় মোকা শক্তি বাড়িয়ে কোথায় আছড়ে পড়বে? এযাত্রায় বেঁচে গেল বাংলা

    Cyclone Mocha: ঘূর্ণিঝড় মোকা শক্তি বাড়িয়ে কোথায় আছড়ে পড়বে? এযাত্রায় বেঁচে গেল বাংলা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Mocha: ঘূর্ণিঝড় মোকা বাংলাদেশের উপকূলবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়তে পারে। IMD জানিয়ে দিল ঘূর্ণিঝড় মোকা ঠিক কতটা শক্তিশালী হবে। পশ্চিমবঙ্গ এযাত্রায় বেঁচে যাবে? লালবাজার খুলে ফেলল কন্ট্রোল রুম। বিপদে পড়লে কোন নম্বরে ফোন করবেন? ঘূর্ণিঝড় মোকার যতক্ষণ না ল্যান্ডফল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মোকার ততক্ষণ আশঙ্কার কোনও শেষ নেই৷

    মিনিটে মিনিটে বদলে যাচ্ছে প্রেডিকশন। বাংলা এযাত্রায় বেঁচে যেতে পারে। বেঁচে যেতে পারে অন্ধ্রপ্রদেশও। কিন্তু বাংলাদেশ নিয়ে কী বলছে আবহাওয়া দফতর? রবিবার ৭ মে থেকে বাংলায় বাড়বে গরম। মঙ্গলবার থেকে অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে গোটা বাংলাজুড়ে। এমনকি পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যেতে পারে। এর মানে ঘূর্ণিঝড়ের জেরেও পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে না? পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় সমুদ্র লাগোয়া অংশে মোকার সবথেকে বেশি প্রভাব পড়তে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

    ‘মডেল অ্যানালিসিস’-এর ভিত্তিতে মৌসম ভবন জানিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ৮ মে-র পর শক্তি বাড়াবে। তা পরিণত হতে পারে প্রবল থেকে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে। ঘূর্ণিঝড় মোকার ল্যান্ডফল বাংলাদেশ ও মায়ানমার সংলগ্ন উপকূল হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে সে ক্ষেত্রে খানিকটা হলেও রক্ষা পেতে পারে পশ্চিমবঙ্গ। বাংলার কান ঘেঁষে বেড়িয়ে যাতে পারে মোকা। তবে দেশের মৌসম ভবন এখনও তার গতিপথ পুরোপুরিভাবে সুনিশ্চিত করেনি। বুধ বৃহস্পতিবারে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রবল বৃষ্টি এবং দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। পর্যটক ও মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কবার্তা রয়েছে সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত।

    বাংলা তবুও একেবারেই হাল ছেড়ে দিচ্ছে না। শেষ পর্যায়ে ঘূর্ণিঝড় যদি আছড়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে কী ভাবে উদ্ধার কাজ করা হবে তার একটি নির্দিষ্ট মহড়াও করা হয়েছে। ৭ তারিখ থেকে বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু করছে লালবাজারও।
    94326 10450 (হোয়াটসঅ্যাপ),
    2214 1890
    2250 5033
    2250 5044
    2250 5146
    নম্বরে ফোন করলে বিপদে আটকে পড়া মানুষরা সাহায্য পাবেন।

    শুধু বাংলাই নয়। মোকার মোকাবিলায় সতর্ক বাংলাদেশও
    সেখানেও প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। এবার দেখার মোকার পরবর্তী আপডেটে ল্যান্ডফলে সঠিক জায়গা জানতে পারা যায় কিনা৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Alert: ঘূর্ণিঝড় ‘মোচা’র অ্যালার্টে একা বাংলা নয়, দুর্যোগের মুখে আরেক রাজ্য, স্বস্তি পাবে না বঙ্গবাসী

    Cyclone Alert: ঘূর্ণিঝড় ‘মোচা’র অ্যালার্টে একা বাংলা নয়, দুর্যোগের মুখে আরেক রাজ্য, স্বস্তি পাবে না বঙ্গবাসী

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Alert: বছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড় মোচা কতটা তান্ডব চালাবে পরিস্কার হল ছবি। ঘূর্ণিঝড় মোচা না আসলেও স্বস্তি পাবে না বঙ্গবাসী শুধু বাংলা নয় অ্যালার্টে আরও এক রাজ্য। আরেকটা আমফান যাতে না হয় নবান্ন খুলে দিল কন্ট্রোল রুম। বাংলার কোন কোন জেলায় জারি হবে অ্যালার্ট? বঙ্গোপসাগরের ওপরই এখন মূলত নজর আবহাওয়াবিদদের। ঘূর্ণিঝড় মোচার প্রভাব কি এখন থেকেই বাংলার বিভিন্ন জেলায় পড়তে শুরু করে দিয়েছে? তাহলে সাবধান হয়ে যান। নবান্ন কন্ট্রোল রুম খুলে দিয়েছে। রাজ্যের সব জায়গায় বিপজ্জনক নদী বাঁধগুলির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হবে।

    মার্কিন বেসরকারি আবহাওয়া গবেষণা ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, বঙ্গোপসারে মাথাচাড়া দিচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মোচার। ওডিশা উপকূলে আছড়ে পড়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আর এই খবরই ঘূর্ণিঝড় ফণীর স্মৃতি আবারও উস্কে দিচ্ছে ওড়িশাবাসীর মনে৷ তবে বাংলাদেশে মোচা আদৌ আছড়ে পড়বে কিনা তা নিয়ে যেমন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

    বাংলা নিয়ে কী বলছে আইএমডি? আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন ৩ এবং ৪ মে দুই বঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হবে। চলবে ঝোড়ো হাওয়া। এদিকে ওড়িশার পট্টনায়ক সরকারও কিন্তু পদক্ষেপ করা শুরু করে দিয়েছে। আগাম সতর্কতা হিসেবে মঙ্গলবারই এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক। আধিকারিকদের কোনওরকম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বলা হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় না এলেও সতর্ক থাকতে হবে বঙ্গবাসীকে৷ কারণ এর প্রভাব হবে মারাত্মক৷

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। যা শীঘ্রই নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তবে বাংলায় কোনও ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়বে না। তাতেও খুব একটা স্বস্তি নেই। কারণ এর প্রভাবে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে বিক্ষিপ্তভাবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলাতে। দক্ষিণবঙ্গের নয়টি জেলায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তালিকায় রয়েছে দুই ২৪ পরগণা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং কলকাতা। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় কালবৈশাখী দাপট বাড়বে। এর মধ্যে আছে পুরুলিয়া ও পশ্চিম বর্ধমান।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather update: ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব, ২৪ ঘন্টায় কলকাতায় তাপমাত্রা বাড়ল ২ ডিগ্রি

    Weather update: ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব, ২৪ ঘন্টায় কলকাতায় তাপমাত্রা বাড়ল ২ ডিগ্রি

    ।।প্রথম কলকাতা।।

    Weather update: সোমবার পর্যন্ত মেঘের লুকোচুরি চলবে। আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। এই রাজ্যে ঘূর্ণিঝড় প্রবেশ না করলেও তার প্রভাব পড়ল ঠান্ডার যাত্রাপথে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস মতোই বাংলায় ধাক্কা খেল শীত। দক্ষিণ ভারতে ঘূর্ণিঝড় মানদাসের পরোক্ষ প্রভাবে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে বাংলায়। আর সেই কারণে রাতের তাপমাত্রা এক ধাক্কায় ২ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়ল।

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিন রাতের তাপমাত্রার আর সেরকম কোনো হেরফের হবে না। অর্থাৎ আগামী কয়েকদিন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের তাপমাত্রা এরকমই ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকবে। ফলে শীতের অনুভূতিতে সাময়িক বিরতি হবে। আকাশ প্রধানত পরিষ্কার থাকবে। তবে কোথাও কোথাও মেঘলা হতে পারে খানিক সময়ের জন্য। সোমবার পর্যন্ত মেঘের লুকোচুরি চলবে। আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই।

    আজ সকালে কলকাতা শহর এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকবে। স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। শুক্রবার তাপমাত্রা ছিল ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা ছিল এই মরসুমের শীতলতম দিন। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭.২ ডিগ্রি হাওয়ায় গত ২৪ ঘন্টার বিচারে এক ডিগ্রি বেড়েছে। বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতা সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯০ শতাংশ। পূর্ব ভারতের সব রাজ্যে আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। জানা যাচ্ছে বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয়বাষ্প প্রবেশ করছে রাজ্যে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকছে। আর এর দরুন কার্যত বাড়বে রাতের তাপমাত্রা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম