Tag: cyclone

  • Cyclone Tej: সাগরের বুকে ফুঁসছে তেজ, পুজোর মাঝেই ল্যান্ডফল, কতটা রিস্কে বাংলা?

    Cyclone Tej: সাগরের বুকে ফুঁসছে তেজ, পুজোর মাঝেই ল্যান্ডফল, কতটা রিস্কে বাংলা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Tej: সাগরের মাঝে ফুঁসছে তেজ। পুজোর মাঝেই ল্যান্ডফল? সাইক্লোনিক সার্কুলেশন এর চক্রব্যূহে আটকে যাচ্ছে ভারত? বাংলা নাকি গুজরাট, রিস্ক বাড়ছে কার? সিভিয়ার সাইক্লোন স্টর্ম তেজ কতটা ভয়ংকর? আন্দাজ করতে পারছেন? কবে, কোথায় আছড়ে পড়বে বিধ্বংসী এই সাইক্লোন? আইএমডি-র আশঙ্কায় ছুটছে ঘুম। বড় খেল দেখাবে তেজ। ভয় পাওয়ানো উদ্দেশ্য নয়, সচেতন করার লক্ষ্যে এই রিপোর্টে জানানোর বোঝানোর চেষ্টা করব আইএমডি ঠিক কি আশঙ্কা করছে?

    নবমীতেই কী ঘটবে সর্বনাশ? আরব সাগরের বুকে সমুদ্রবক্ষে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণিঝড়। শনিবারের পর থেকে যে ঘূর্ণিঝড় অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। রবিবার তেজ আরো শক্তি বাড়িয়েছে ধীরে ধীরে স্থলভাগের দিকে এগোচ্ছে তেজ। আর তাতেই বাড়ছে চিন্তা। বাংলা নাকি গুজরাট? কোথায় আছড়ে পড়বে তেজ? তছনছ হয়ে যাবে দুর্গাপুজো? আইএমডি বলছে, প্রথমে মনে করা হয়েছিল এই সাইক্লোন গুজরাটে ল্যান্ডফল করবে কিন্তু এখন যে গতিপথে ঘূর্ণিঝড়টা এগোচ্ছে, তাতে ওমান ও ইয়েমেনে তেজের আছড়ে পড়ার চান্স বেশি। এই দুই দেশের উপকূলে তেজের প্রভাব পড়বে সবথেকে বেশি।
    তবে, ঘূর্ণিঝড় তেজের কারণে আগামী ২৩ অক্টোবর কেরালায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। মাঝে মাঝে বইতে পারে দমকা বাতাসও। ২৪ অক্টোবর নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরায় দমকা বাতাস সঙ্গে, বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    তেজের গতিবেগ কত হতে পারে আন্দাজ আছে? একটি সাইক্লোনকে ঘূর্ণিঝড় তখনই বলা হয় যখন সেটির গতি ৬২-৮৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত হয়। বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ৮৯-১১৭ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় পৌঁছালে এটিকে গুরুতর ঘূর্ণিঝড় বলা হয়। এখন দেখার সিস্টেমটা আরো কতটা জোরালো হয়, তেজের গতিবেগ কত হয়?
    কতটা দম দেখাতে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। নবমীর রাতে অর্থাৎ ২৩ অক্টোবর সাইক্লোন তেজ আছড়ে পড়বে ইয়েমেন ও ওমান সীমান্তে। বাংলার এ বিষয়ে চিন্তার কারণ নেই। এমনকি ভারতের কপালেও দুশ্চিন্তার ভাজ ফেলবে না সাইক্লোন তেজ। ভারতের দেওয়া নাম তেজ গুজরাটেও কোনও এফেক্ট ফেলবে না বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কারণ, আইএমডি মানে ইন্ডিয়া মেট্রলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট এর তরফে জানানো হয়েছে,

    দক্ষিণ-পূর্ব এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম আরব সাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ অলরেডি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে
    এই ঘূর্ণিঝড়টা পশ্চিম উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে
    গুজরাটের আবহাওয়া আগামী ৭ দিন শুষ্ক থাকবে। তবে, আরব সাগরের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরেও একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। সেই নিম্নচাপের জেরে নবমী থেকে একাদশী পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে ওড়িশার উপকূলে। সেই নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের দিকে এগিয়ে এলে দুর্গাপুজোর শেষের দিকে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে বৃষ্টি হবে। নবমী থেকে দ্বাদশী, বৃষ্টিতে ভাসবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Tej: তেতে উঠছে বঙ্গোপসাগর, তেজের ভয়ে কাঁটা ভারত! রেহাই পাবেনা বাংলাও? আবহাওয়ার বড় আপডেট

    Cyclone Tej: তেতে উঠছে বঙ্গোপসাগর, তেজের ভয়ে কাঁটা ভারত! রেহাই পাবেনা বাংলাও? আবহাওয়ার বড় আপডেট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    উত্তাল বঙ্গোপসাগরে ফুঁসছে তেজ। ভারতের কোন কোন রাজ্য তেজের রোষানলে? আইএমডি-র আশঙ্কায় ছুটছে ঘুম। বিধ্বংসী এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়বে কবে, কোথায়? কতটা শক্তিশালী এই সাইক্লোন? বাংলা কতটা সুরক্ষিত? দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টি কবে থেকে? আগামী ৫ দিনে ভাসবে এই দুই রাজ্য। বিপর্যয় মোকাবিলায় কতটা এগিয়ে ভারত? রইল আবহাওয়ার ফ্রেশ আপডেট। পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় তেজ। হাওয়া অফিস বলছে এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী অঞ্চলে।

    রিস্ক বাড়ছে কোন কোন রাজ্যে?

    কেরালা, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশে বিধ্বংসী আকার নিয়ে এই ঘূর্ণিঝড় তাণ্ডব চালাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে মৌসম ভবন। এর জেরে আগামী পাঁচদিন ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। কোন কোন রাজ্যে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস? মূলত বৃষ্টিপাত হতে পারে অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, এই ঘূর্ণাবর্ত ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উত্তর পশ্চিমদিকে এগিয়ে যাবে। অন্ধ্র প্রদেশের দক্ষিণের জেলাগুলিতে এই ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব পড়বে, ভারী থেক অতিভারী বৃষ্টি হবে। তবে শুধু অন্ধ্র প্রদেশই নয়, ওডিষ্যার উপকূলবর্তী এলাকাগুলোতেও নাগাড়ে বৃষ্টিপাত চলবে। উড়িষ্যার দক্ষিণের জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টি হলেও হালকা বৃষ্টি হবে অন্য জেলাগুলিতে। IMD-র তরফে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে ওডিশার আটটি জেলায়। তালিকায় রয়েছে ময়ূরভঞ্জ, কেওনঝড়, খান্দমহল, গঞ্জাম, গজপতি, রায়গড়, কোরাপুট, মালকনগিরি। আর, ওড়িশা লাগোয়াই বাংলা, মানে ঘূর্ণিঝড় তেজের প্রভাব যে বাংলায় পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    সময়ের সাথে সাথে এই ঘূর্ণাবর্ত হবে আরও শক্তিশালী। তবে, যে কোনও বিপর্যয় মোকাবিলায় অনেকটাই এগিয়ে ভারত, কারণ সাম্প্রতিক সময় এই দেশে বিপর্যয় মোকাবিলার পরিকাঠামোর অনেকাংশেই উন্নতি হয়েছে। তার প্রমাণ ও মিলেছে বারংবার। কিছুদিন আগেই ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয় তৈরি হয়েছিল। যার জেরেই দেশে বিলম্বিত হয়েছে বর্ষা। গুজরাট উপকূলে আছড়ে পড়েছিল এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। তবে আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল স্থানীয় প্রশাসনের তরফে। বৈঠক করেছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবারেও পরিস্থিতি অনুযায়ী নেওয়া হবে ব্যবস্থা। চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে যখন, গুজরাত, রাজস্থান, পঞ্জাব, চন্ডিগড়, হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ড, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশে, মধ্যপ্রদেশ, ছত্রিশগড়, হিমাচল প্রদেশে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে তখন দেশের অন্য প্রান্তের পরিস্থিতিটা কী? ভারী বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলাও? হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, কলকাতায় মেঘ-রৌদ্রের মাঝে হতে পারে হালকা বৃষ্টিও। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সতর্কতা জারি

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Biparjoy: পাকিস্তানকে বিপর্যয় থেকে বাঁচাল ভারত? লন্ডভন্ড গুজরাত উপকূল, রাজস্থানে হাই অ্যালার্ট জারি

    Cyclone Biparjoy: পাকিস্তানকে বিপর্যয় থেকে বাঁচাল ভারত? লন্ডভন্ড গুজরাত উপকূল, রাজস্থানে হাই অ্যালার্ট জারি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Biparjoy: পাকিস্তানকে ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচাল ভারত। ভারতকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন পাকিস্তানীরা। বিপর্যয় গুজরাত পেরিয়ে রাজস্থানে এ কি তান্ডব চালালো? হাই অ্যালার্ট জারি। হাজার হাজার গাছ উপড়ে গেছে, উপকূল এলাকা লন্ডভন্ড। মাঝরাত পর্যন্ত চলল ঝোড়ো হাওয়া, বৃষ্টির তাণ্ডব। লন্ডভন্ড দ্বারকা, সৌরাষ্ট্র, পোরবন্দর, কচ্ছ উপকূল চত্বর। বিপর্যয়ের এফেক্ট এতটাই জোরদার হবে অনুমান করা হয়েছিল আগেই।

    রাত সাড়ে ১০ থেকে সাড়ে ১১ টার মধ্যে গুজরাতের মাটি ছোঁয় বিপর্যয়। ল্যান্ডফলের সময় ১২৫-১৪০ কিমি বেগ ছিল ঘূর্ণিঝড়ের। হাজার হাজার গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি মাটি থেকে উপড়ে ফেলে ঝড়ের তান্ডব। ওখা বন্দরে ঝড়ের দাপটে জড়োর করা কয়লায় আগুন লেগে যায়। কিন্তু পাকিস্তানের করাচির অবস্থা ঠিক কি দাঁড়াল? সেখানেও কি এতটাই বিপত্তি? গুজরাতের ৯৪০টা গ্রামে সব থেকে বেশি এফেক্ট দেখা গিয়েছে বিপর্যয়ের এর মধ্যে কচ্ছ, সৌরাষ্ট্র পুরোপুরি তছনছ। গুজরাত থেকেই ২ জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গেছে, আহত ২৩। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগে থেকে উপকূলীয় এলাকা সঠিকভাবে খালি করার ফলেই বড় ধরণের দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। আসলে গুজরাট সরকার এবং কেন্দ্র আগে থেকেই বিপর্যয়ের জন্য প্রস্তুত ছিল। ১৮টি বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে প্রস্তুত রেখেছিল প্রশাসন। তৈরি ছিল সেনা, নৌ ও বায়ুসেনা বাহিনী, ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী আগেভাগেই উপকূল চত্বর থেকে প্রায় এক লাখ মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় নিরাপদ দূরত্বে। দুর্গতদের জন‌্য রাজ‌্যজুড়ে ১৫১২টি শিবির তৈরি করে প্রশাসন।

    জানা যাচ্ছে এখনও বেশ শক্তিশালী রয়েছে ঘুর্ণঝড় বিপর্যয়। যা দক্ষিণ রাজস্থানের দিকে বেঁকে গিয়েছে। এদিকে পাকিস্তানের করাচিতে যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল সেটা এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। গুজরাতের জাকাউ বন্দরেই ঝড়ের মূল প্রভাব থাকায় বেঁচে গেল করাচি। তাই পাকিস্তানিরা ধন্যবাদ জানাচ্ছে ভারতকে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর, আছড়ে পড়ার পর একটা সময় ঝড়ের গতিবেগ প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত হলেও রাত বাড়তেই সেটা ক্রমশ কমতে থাকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত ঝড়ের প্রভাব অনেকটা কমে যায়। শনিবার এবং রবিবারের মধ্যে বিপর্যয় গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তবে এখনও রাজস্থানে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে। রাজস্থানের বিভিন্ন জেলায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Biparjay: বিপর্যয়ের ভয়ানক ল্যান্ডফল! রাত বাড়লে আরও করুণ হবে পরিস্থিতি, কত বড় ক্ষতি হয়ে গেল?

    Cyclone Biparjay: বিপর্যয়ের ভয়ানক ল্যান্ডফল! রাত বাড়লে আরও করুণ হবে পরিস্থিতি, কত বড় ক্ষতি হয়ে গেল?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Biparjay: ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের ল্যান্ডফল হল অতি ভয়ানক রূপ নিয়ে। মাঝরাতে কি হতে পারে? মারাত্মক অবস্থার কথা জানাল মৌসম ভবন। ২০২১র টাউকটের স্মৃতি মনে করাচ্ছে এই বিপর্যয়। বিপর্যয়ের জেরে কীভাবে তছনছ হয়ে যাচ্ছে গুজরাতের উপকূল এলাকা? ভারত-পাকিস্তান দুই দেশ কাঁপছিল বিপর্যয়ের আতঙ্কে৷ মারাত্মক বেগে ঝড় ও মেঘভাঙা বৃষ্টি নিয়ে গুজরাত উপকূলে বিপর্যয়ের ল্যান্ডফল শুরু হয়ে গেল বলে জানাল আইএমডি। কিন্তু এত সহজে বাগে আনা যাচ্ছে না ক্যাটাগরি-৩ এর ঘূর্ণিঝড়কে।

    আরব সাগরের সবথেকে বড় এই ঝড় বৃহস্পতিবার মাঝরাত পর্যন্ত চালাবে তান্ডব। প্রশাসনের তরফ থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে৷ বিপত্তি থামলেও শুরু হবে কাজ। আর তাতে ঠিক কি কি ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে সেটা পরিস্কার হওয়া যাবে। একমাত্র দিনের আলো ফুটলেই ঘূর্ণিঝড়ের ‘আই’ অর্থাৎ চোখ ৫০ কিলোমিটার বিস্তৃত বলে জানিয়েছেন আইএমডি প্রধান মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র। তিনি জানিয়েছেন, আছড়ে পড়ার সময় ঝড়ের বেগ ছিল ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার। এখানেই শেষ নয়। যত রাত বাড়বে এবং বিপর্যয় স্থলভাগের দিকে যত এগিয়ে আসবে। ততই তার বেগ বাড়বে বলে জানিয়েছেন আইএমডি প্রধান। আবহাওয়া দফতরের তরফে বেশ কয়েকটি জেলায় লাল এবং কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিপর্যয় পাকিস্তানে কতটা প্রভাব ফেলল সেই ছবিটা এখনও পরিস্কার জানা না গেলেও ধীরে ধীরে বোঝা যাবে ঠিক কতটা পরিমাণে তান্ডব চালিয়েছে বিপর্যয়।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২১ সালের টাউকটের স্মৃতি উস্কে দিচ্ছে বিপর্যয়। ভারী বৃষ্টি সঙ্গে ভূমিধসও শুরু হয়ে গিয়েছিল। ৬৭ জন প্রাণ হারিয়ে ছিলেন এই ঘূর্ণিঝড়ে। এদিকে ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী স্থানীয় জনগণকে সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রেডি। জানতে পারা যাচ্ছে ল্যান্ডফলের আগে উপকূল থেকে ১০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত ২০টি গ্রামের প্রায় ১ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১৮টি দল, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১২টি দল রাজ্য সড়ক ও বিল্ডিং বিভাগের ১১৫টি দল এবং বিদ্যুৎ দফতরের ৩৯৭টি দলকে উপকূল এলাকার বিভিন্ন জেলাগুলিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এনডিআরএফের মোট ৪৫ হাজার  কর্মীকে আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য তৈরি রাখা হয়েছে।

    এনডিআরএফের ডিজি অতুল কারওয়াল জানিয়ে দিয়েছেন গুজরাত ছাড়াও রাজস্থানের দক্ষিণ অংশেও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়তে পারে। এদিকে মহাকাশ থেকে ঘূর্ণিঝড় বিপর্য়ের ছবি তুলে পোস্ট করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মহাকাশচারী সুলতান আল-নেয়াদি। তাঁর পোস্ট করা সেই ছবিগুলি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এবার দেখা বিপর্যয়ের ফলে কি অবস্থা দাঁড়াল গুজরাত ও পাকিস্তানের করাচির৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: বাংলায় বর্ষা কবে? জানাল আবহাওয়া দপ্তর

    Weather Update: বাংলায় বর্ষা কবে? জানাল আবহাওয়া দপ্তর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: ফের তীব্র দাবদাহে পুড়ছে বাংলা অসহ্য গরম থেকে কবে মিলবে মুক্তি? বাংলায় বর্ষা কবে আসছে? দিনক্ষণ জানাল আবহাওয়া দফতর। এদিকে বিপর্যয়ের মহাতাণ্ডব শুরু। ঘণ্টায় ১৯৫ কিমি বেগে প্রলয় দেখাবে প্রচণ্ড শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়। গত কয়েকদিন ধরেই গুমোট গরমে রীতিমতো অস্বস্তিতে শহরবাসী। তাপমাত্রাও বাড়ছে হু হু করে। গরমের জ্বালা জুড়িয়ে উত্তরবঙ্গে বর্ষার বৃষ্টি শুরু। কিন্তু এদিকে দক্ষিণবঙ্গে একদম উল্টো পরিস্থিতি, তবে এবার খবর জানালো আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

    রবিবারের আগে বর্ষা নয় দক্ষিণবঙ্গে। বাংলায় বর্ষার প্রবেশ করলেও থমকে আছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু। আপাতত মালদহের উপরে তার অবস্থান। ১৮ থেকে ২১ তারিখের মধ্যে ফের সক্রিয় হতে পারে মৌসুমী বায়ু এমনটাই অনুমান আবহাওয়াবিদদের। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে। যা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। যদিও তাপপ্রবাহের কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি কলকাতায়। এদিকে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হতে পারে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, বৃহস্পতি ও শুক্রবার উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। পার্বত্য এলাকায় ধস আর নিচু এলাকায় প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে।

    বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতে ১৭ জুন শনিবার পর্যন্ত আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে হতে পারে অতি ভারী বৃষ্টি। নীচের দুই জেলা উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর মালদাতে রয়েছে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। এদিকে ১৫ জুন বিপর্যয় ল্যান্ডফল হওয়ার কথা ৷ জানতে পারা গিয়েছে ঘণ্টায় ১৯৫ কিমি বেগে ঝড় বইতে পারে ঝড়। তীব্র গতিতে এগিয়ে আসছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়। এর প্রভাবে গুজরাট ও পাকিস্তানের
    দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিন্ধের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা। আপাতত অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়েছে সাইক্লোন বিপর্যয়। ইতিমধ্যেই গুজরাত উপকূলের গ্রামগুলি থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বহু মানুষকে। প্রায় ৭৪ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Biparjay: কয়েক ঘন্টা পরই আছড়ে পড়বে বিপর্যয়! কোন কোন এলাকায় বড় ক্ষতির আশঙ্কা?

    Cyclone Biparjay: কয়েক ঘন্টা পরই আছড়ে পড়বে বিপর্যয়! কোন কোন এলাকায় বড় ক্ষতির আশঙ্কা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Biparjay: বড় খবর! ভারত-পাকিস্তানে রেড অ্যালার্ট ভয়ঙ্কর রূপ নিয়ে নিয়েছে ঘুর্ণিঝড় বিপর্যয়। আগামী ২৪ ঘন্টায় মারাত্মক কিছু একটা ঘটে যেতে পারে। হাজার হাজার মানুষকে সরানো হচ্ছে উপকূল থেকে। বড় বিপত্তির আশঙ্কা। ভারত-পাকিস্তানে একসঙ্গে দুদেশের ওপর বিপদের মেঘ৷ বৃহস্পতিবারটা এখনই ভয় ধরাচ্ছে। এটা কোনও সাধারণ ঘূর্ণিঝড় নয়, অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়েছে সাইক্লোন বিপর্যয়। মৌসম ভবন রীতিমত জারি করে দিয়েছে রেড অ্যালার্ট ঠিক কত বড় ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে? আর কয়েক ঘন্টা৷ বৃহস্পতিবার সন্ধায় আছড়ে পড়বে বিপর্যয়৷ এখন থেকে খেল দেখানো শুরু।

    খালি হয়ে গিয়েছে গুজরাতের বন্দরগাঁও তুফান শুরু ৮০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের উপকূলের সিন্ধ প্রদেশ থেকে। ১৫০ কিমি প্রতিঘন্টায় গতি নিয়ে আছড়ে পড়বে বিপর্যয়। গুজরাতের কচ্ছ পাকিস্তানের করাচির মধ্যে স্থলে ল্যান্ডফল। তছনছ হয়ে যেতে পারে গুজরাত ও পাকিস্তানের একটা অংশ। সৌরাষ্ট্রের কচ্ছ উপকূলের জাখাউ বন্দরের উপর দিয়ে ১৫ জুন এই অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি বয়ে যাওয়ার কথা। সবথেকে বড় কথা মৌসম ভবন বলেদিচ্ছে, এই সাইক্লোন মারাত্মক বিধ্বংসী৷ এর মানে ক্ষয়ক্ষতি একটা ব্যাপক আশঙ্কা থাকছেই।

    এলাকার কাচা বাড়ি-ঘর ভেঙে পড়তে পারে। অত্যন্ত প্রবল ঘূর্ণিঝড় এই সমস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি উপড়ে ফেলতে পারে। ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে চাষবাসে। মৌসম ভবনের এই পূর্বাভাস পেতেই উচ্চ পর্যায়ের মিটিংয়ে করে ফেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঝড়ের আগে কত দ্রুত সমস্ত মানুষকেই উপকূল থেকে সরিয়ে ফেলা যায় ব্লুপ্রিন্ট অনুযায়ী কাজ হচ্ছে দ্রুত। গুজরাটের উপকূল থেকে অন্তত ৩০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ দল প্রস্তুত রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী ত্রাণ। প্রচেষ্টায় সহায়তা করার জন্যও প্রস্তুত।

    গুজরাতের পোরবন্দর, দেবভূমি, দ্বারকা ও কচ্ছে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হবে। এসব জেলায় সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা ও স্কুলে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। অলরেডি গুজরাতের ভুজ থেকে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এদের মধ্যে দুজন শিশু রয়েছে বলে খবর। এদিকে পাকিস্তানেও রীতিমত আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ২০২১ সালে করাচী লাগোয়া এলাকাতেই আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় তৌকতি তাতে ১৪৭ জন প্রাণ হারিয়েছিল তবে এবার বিপর্যয় কি আরও বড় ক্ষতি করে দেবে। রিস্ক জোনে থাকা দুদেশের কপালেই এখন চিন্তার ভাঁজ৷ বাংলায় ঘূণিঝড় বিপর্যয়ের কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই জানা গিয়েছে এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Biparjay: পিক আওয়ারে কতটা ভয়ঙ্কর হবে বিপর্যয়? আগেভাগেই বড় পদক্ষেপ ভারতের! এই ৩ টে দিন সতর্ক থাকুন

    Cyclone Biparjay: পিক আওয়ারে কতটা ভয়ঙ্কর হবে বিপর্যয়? আগেভাগেই বড় পদক্ষেপ ভারতের! এই ৩ টে দিন সতর্ক থাকুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Biparjay: ‘বিপর্যয়’ মোকাবিলায় বড় পদক্ষেপ মোদির। রিস্কে গুজরাট, জারি রেড অ্যালার্ট। বন্ধ স্কুল, কচ্ছ উপকূলে বলবৎ ১৪৪ ধারা, সমুদ্র পারে জমায়েত নিষিদ্ধ। প্রাণ বাঁচাতে মানুষকে অস্থায়ী শিবিরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু। সমুদ্র বন্দরগুলোতে সতর্কতা জারি। খারাপ আবহাওয়ায় কোনো বিমান বাতিল, কোনোটা নামতেই পারছে না, মুম্বই বিমানবন্দরে সমস্যায় যাত্রীরা। ১৩-১৫ জুন ভাইটাল টাইম। গুজরাট ছাড়া আর কোন কোন রাজ্যকে সতর্ক থাকা নির্দেশ? শুধু ভারত নয়, পাকিস্তানেও খেল দেখাবে ‘বিপর্যয়’। ভয় নয়, সতর্ক থাকুন।

    আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’ মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি কেমন? তা খতিয়ে দেখতেই অলরেডি একটা উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক সেরে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি রুখতে প্রশাসনের তরফে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন সরকারি আধিকারিকরা। বৈঠকে মোদির নির্দেশ, যাতে সাইক্লোনের মাঝেও ত্রাণের ব্যবস্থা থাকে। বিশেষত স্বাস্থ্য, পানীয় জল, টেলিকমিউনিকেশনের দিক থেকে যেন কোনও ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি না থাকে, তার বন্দোবস্ত করতেও বলা হয়েছে। এছাড়াও মোদি বলেন, প্রাণীদের নিরাপত্তাও যেন সুনিশ্চিত করা হয়। সব দিক থেকে যে জোরদার প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে সেটা একদম পরিষ্কার।

    এদিকে ‘বিপর্যয়’-এর জেরে মুম্বই ও মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে গেছে। আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে মুম্বইতে ব্যাহত বিমান পরিষেবা, বিমানবন্দরে একাধিক বিমান বাতিল করা হয়েছে। সমুদ্র বন্দরগুলোতেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গুজরাতের দীনদয়াল বন্দর ছেড়ে জাহাজগুলো গভীর সমুদ্রে চলে গেছে। গুজরাটের যে সমস্ত এলাকায় ঝড় আছড়ে পড়তে পারে, সেই সমস্ত এলাকায় মঙ্গলবার থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত মোট ৯৫ টি ট্রেন বাতিল হয়েছে। মহারাষ্ট্র, কেরালা, কর্ণাটক ও লাক্ষাদ্বীপের মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ১৪ ই জুন গুজরাটের উপকূলবর্তী এলাকায় কমলা সর্তকতা জারি করা হয়েছে। ১৫ ই জুন রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ১৬ ই জুন পর্যন্ত গুজরাটের কচ্ছ উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। ১৪ এবং ১৫ জুন গুজরাটের কচ্ছ, পোরবন্দর, দেবভূমি দ্বারকা, জামনগর, জুনাগড়, মোরবি এলাকার স্কুলগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন উপকূলবর্তী এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করেছে। পর্যটকদের সমুদ্র সৈকতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। মুম্বাইতে পৌঁছে গেছে এনডিআরএফ এর টিম। আরব সাগরে ফুঁসছে বিপর্যয়। ল্যান্ডফলের আশঙ্কায় গুজরাট গুনছে প্রহর।

    IMD কি জানাচ্ছে?

    আগামী ১৫ জুন মানে বৃহস্পতিবার বিপর্যয় পাকিস্তানের করাচি এবং গুজরাটের মধ্যবর্তী কচ্ছ এলাকার জাখাউতে আছড়ে পড়বে। ল্যান্ডফলের সময় এই সাইক্লোনের গতিবেগ কিন্তু মারাত্মক হতে পারে। হ্যাঁ, পৌঁছতে পারে ঘণ্টায় ১৫০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার। তাই, সতর্ক রয়েছে গুজরাট, মহারাষ্ট্র, কেরালা, কর্ণাটক ও লাক্ষাদ্বীপ ভারতের পাশাপাশি পাকিস্তানের বাণিজ্য শহর করাচিতে ব্যাপক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা হয়েছে। সিন্ধু প্রদেশ থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে স্থানীয় মানুষকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Biparjoy: টেনশনের কারণ ‘বিপর্যয়’, ভারত নাকি পাকিস্তান, কোথায় কতটা এফেক্ট? রাখুন বর্ষার ফ্রেশ আপডেট

    Cyclone Biparjoy: টেনশনের কারণ ‘বিপর্যয়’, ভারত নাকি পাকিস্তান, কোথায় কতটা এফেক্ট? রাখুন বর্ষার ফ্রেশ আপডেট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Biparjoy: প্রবল গরমে বিপর্যয়ই কি বয়ে আনবে স্বস্তির বর্ষা? ফুঁসছে আরব সাগর, শক্তি বাড়াচ্ছে ‘বিপর্যয়’। কতটা বিধ্বংসী হবে এই ঘূর্ণিঝড়? এগোচ্ছে কোনদিকে? তাণ্ডব চালাবে কোথায়? টার্গেট কি ভারত, নাকি তছনছ হবে পাকিস্তান? ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়ে’ বাংলার কপালেও চিন্তার ভাঁজ। রিস্ক কতটা? ভারতীয় মৌসম ভবনের তরফে সতর্কতা জারি। ৮ থেকে ১০ই জুন, ভাইটাল টাইম। ভয় নয় সচেতন হন, বিপর্যয়ের আপডেট রাখুন। মোকার ক্ষতে প্রলেপ পড়তে না পড়তেই টেনশন বাড়াচ্ছে বিপর্যয়। আর এই বিপর্যয়ের কারণেই আগামী রবিবার থেকে রাজ্যের আবহাওয়া আমূল বদলে যেতে চলেছে। গরমে জেরবার পশ্চিমবঙ্গের জন্য রয়েছে সুখবর। তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তির খবর শুনিয়েছে হাওয়া অফিস। বিপর্যয়ের কল্যাণে আগামী ১০ জুন থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা পশ্চিমবঙ্গে। বৃষ্টিতে ভিজবে অসম, অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, সিকিম ও

    কবে ঢুকবে বর্ষা?

    আরব সাগরের বুকে ঘূর্ণিঝড়ের জেরে আরও বিলম্বিত হবে বর্ষার আগমন। আগামী দুদিন এর মধ্যে মধ্যেই কেরলে বর্ষা প্রবেশ করার সম্ভাবনা থাকলেও, ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের কারণে তার শক্তি অত্যন্ত কম থাকতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর পথে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে আগামী কয়েকদিন আরব সাগরেই আটকে থাকবে মৌসুমি বায়ু। এর ফলে বাংলায় বর্ষা পৌঁছতে দেরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূল হতে আরও ১-২ দিন সময় লাগতে পারে বলেই জানিয়েছে মৌসম ভবন। আপাতত শনিবার পর্যন্ত, এই হাঁসফাঁসে গরম চলবে, দহন জ্বালা অব্যাহত থাকবে।

    ৫ই জুন আরব সাগরে তৈরি হয়েছিল গভীর নিম্নচাপ। যা শক্তি সঞ্চয় করে তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আবহবিদদের আশঙ্কা, বিপর্যয় আরও তীব্রতর হবে, আরও শক্তি বাড়াবে। মোদ্দা কথা, সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্ম হবে বিপর্যয়, হবে বিধ্বংসী। কোথায় পড়বে প্রভাব? আবহাওয়া দফতর কি বলছে? আরব সাগরে তৈরি হওয়া এই ঘূর্ণিঝড় উত্তর দিকে এগোলে ধ্বংসলীলা বাড়ার চান্স থাকছে। জানা যাচ্ছে ভারতের পশ্চিম উপকূল ঘেঁষেই সমান্তরাল ভাবে উত্তরে গুজরাটের দিকে এগিয়ে যাবে বিপর্যয়। অতএব, গুজরাট রিস্ক জোনে রয়েছে। বিপর্যয়ের সর্বোচ্চ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা গুজরাতের উপকূলবর্তী শহরগুলোতেই। তবে আইএমডি বলছে বিপর্যয় কর্ণাটক, গোয়া, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে সরে যাচ্ছে। যদিও উপকূলীয় অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি ভারী বৃষ্টিপাত হবে। তবে, এই ঘূর্ণিঝড়টা পাকিস্তানের স্থলভাগে আছড়ে পড়ার একটা বড় সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে গভীর প্রভাব পড়তে পারে পাকিস্তানের করাচিতে।

    বিপর্যয়ের জন্য অলরেডি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্র উপকূলে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। গুজরাতের সমস্ত বন্দরে সতর্কতা সংকেত দেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় যত ঘনিয়ে আসবে সেই অনুযায়ী সতর্কতা সংকেত বাড়ানো হবে। ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় গুজরাট সরকার জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। উপকূলীয় শহরগুলোতে প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছে। সাগরে উঁচু ঢেউ ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে বন্যা পরিস্থিতি এবং অন্যান্য এফেক্টের বিষয়ে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উপকূলবর্তী এলাকার মানুষদের।

    আবহাওয়াবিদদের একাংশের অনুমান ৮-১০ জুন, ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের জেরে ক্রমেই ঝোড়ো হাওয়ার গতি বাড়তে থাকবে। ১০ জুন ঝড়ের সর্বোচ্চ গতি ১৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টা পার করে যেতে পারে। এর গতিবেগ ঘূর্ণিঝড় মোকার গতিকে হার মানাতে পারে। এমনকি, আমফান, ফণীর থেকেও বেশি গতিসম্পন্ন হতে পারে। অলরেডি বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে কেরল, কর্নাটক, গোয়া উপকূলে। এই কদিন দক্ষিণ-পশ্চিম ভারতের উপকূলীয় রাজ্যগুলোতে থাকবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone: তিনটি ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা? কোথায় -কবে আছড়ে পড়বে জানুন

    Cyclone: তিনটি ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা? কোথায় -কবে আছড়ে পড়বে জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone:  একটি বা দুটি নয় জুন মাসেই ধেয়ে আসছে ৩ টি ঘূর্ণিঝড়। প্রচণ্ড গরমই কি বড় কোনও বিপদের সংকেত? বাংলা কি বিপর্যয়ের তালিকায় রয়েছে? ঘূর্ণির গতি হতে পারে ঘন্টায় ১০০ কিমি.! গরমে স্বস্তির সঙ্গে অপেক্ষা করছে কোন দুর্যোগ? তিনটি সাইক্লোন কবে আছড়ে পড়বে ? গরম থেকে সামান্য স্বস্তি ,বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি। কোন কোন জেলার ভাগ্য খুলবে? আগুন গরমে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। কিন্তু আপনি কি জানেন বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে এই সময়ে তিন ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে চলেছে। আবহাওয়া দফতর কী বলছে জানুন।

    ঘূর্ণিঝড় মোকা বাংলাদেশ-মায়ানমার উপকূলে তাণ্ডব চালানোর এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আবারও বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে ঘূর্ণির পূর্বাভাস। একটি-দুটি নয় তিনটি ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস দিচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন আবহাওয়া দফতর। প্রথম যে সাইক্লোন আসবে তার নাম হবে বিপর্যয় যা বাংলাদেশের দেওয়া নাম। এরপর তেজ, আরেকটি সাইক্লোন হামুন ইরানের দেওয়া নাম। মোকায় কান ঘেঁষে পশ্চিমবঙ্গ বেঁচে গিয়েছিল। আগামী এই তিনটে ঘূর্ণিঝড়ের তালিকায় কি বাংলা রয়েছে? দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে পারে পাঁচ থেকে সাত জুনের মধ্যে। তা সাইক্লোনের রূপ নিতে পারে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে। একইসঙ্গে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে কয়েকদিনের মধ্যে তিনটি সাইক্লোন তৈরি হতে পারে বলে দাবি আবহাওয়াবিদদের একাংশের।

    মধ্য আরব সাগরে যেটা তৈরি হচ্ছে সেটির গতি সর্বোচ্চ ঘণ্টা প্রতি ১০০ কিলোমিটার অবধি হতে পারে বলে পূর্বাভাস মিলেছে। আর মুম্বইয়ের কাছাকাছি যেটা তৈরি হবে সেটি পরে চলে যাবে গুজরাটের দিকে। সেটার গতি ১০০ কিমি প্রতি ঘণ্টার চেয়েও বেশি হবার সম্ভাবনা আছে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। বঙ্গোপসাগরের বুকে আট তারিখ রাত থেকে সাইক্লোনে পরিণত হতে পারে। সেই ঝড় এই মুহূর্তে রয়েছে মায়ানমারও বাংলাদেশের উপকূলমুখী। মোকাও বাংলাদেশেই আঘাত হেনেছে। ফের আরেক বিপদের আশঙ্কা। সংবাদমাধ্যমে এমনই তথ্য দাবি করা হয়েছে।

    এদিকে আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে আগুন গরমে আরও কয়েকদিন পুড়তে চলেছে বাংলা। কলকাতায় ৪০ ডিগ্রি ছুঁতে পারে পারদ। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১১টি জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছে। কলকাতায় শুক্রবার পর্যন্ত চরম অস্বস্তিকর আবহাওয়া। এরই মাঝে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকাতেও গরম বাড়বে। তিন জেলায় তাপপ্রবাহ চলবে উত্তরবঙ্গে কিন্তু মালদহ উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone: চোখ রাঙাচ্ছে আরেক সাইক্লোন! বাংলাদেশ সেফজোনে? আতঙ্কে ভুগছে এই দেশগুলো

    Cyclone: চোখ রাঙাচ্ছে আরেক সাইক্লোন! বাংলাদেশ সেফজোনে? আতঙ্কে ভুগছে এই দেশগুলো

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone: মোকার পর এবার আরও বড় সাইক্লোন অপেক্ষা করছে। স্যাটেলাইট ইমেজ ঘিরে আশঙ্কা তীব্র হচ্ছে। স্যাটেলাইট ইমেজে কী ধরা পড়েছে? কোথায় আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়? নতুন সাইক্লোনের আতঙ্কে কাঁপছে কোন দেশ? কি বলছেন আবহবিদরা? ভয় পাওয়ানো উদ্দেশ্য নয়, সচেতন করার লক্ষ্যে এই রিপোর্টে জানানোর, বোঝানোর চেষ্টা করব আবহবিদরা ঠিক কি বলছেন? কি আশঙ্কা করছেন তাঁরা? মোকার পর এবার আরেক সাইক্লোন ফ্যাবিয়েন নিয়ে ছড়াচ্ছে আতঙ্ক। প্রবল শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়। মোকার গতিকেও হার মানাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ আবহবিদদের একাংশের। কবে আছড়ে পড়তে পারে? জানা যাচ্ছে, চলতি মাসেই এই ঘূর্ণিঝড়টা তীব্র বেগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কোথায় আঘাত হানতে পারে ফ্যাবিয়েন?

    এখনও পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় ফ্যাবিয়েন ঠিক কোন দেশের কোন উপকূলভাগে আছড়ে পড়বে তা জানা যায়নি। ল্যান্ডফলের দিনক্ষণ কিংবা সেই মুহূর্তের গতি সম্পর্কেও কোনও ধারণা পাওয়া যায়নি। তবে, আশঙ্কা করা হচ্ছে দক্ষিণ ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপিন্স এবং ইন্দোনেশিয়াতে প্রভাব বিস্তার করতে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। স্যাটেলাইট ইমেজে কি ধরা পড়েছে? জানা যাচ্ছে, প্রায় ৬৫ কিলোমিটার গতিতে ঘূর্ণাবর্তটা বর্তমানে দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে সোমবার এর গতিবেগ ১০০ কিলোমিটারে পৌঁছে গেছে। ধীরে ধীরে এর গতি বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার ১২০ কিলোমিটার, বুধ থেকে শুক্রবারের মধ্যে সাইক্লোন ফ্যাবিয়েনের গতি পৌঁছবে ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটারে। জুম আর্থে এই ঘূর্ণাবর্তের স্যাটেলাইট ইমেজ ধরা পড়েছে। তবে শুধু ঘূর্ণিঝড় ফ্যাবিয়েন নয়, একের পর এক ঘূর্ণিঝড় কিন্তু অপেক্ষায় রয়েছে।

    বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরে পরবর্তী যে ঘূর্ণিঝড়গুলো তৈরি হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের নামকরণ করা বিপর্যয়, ভারতের নামকরণ করা তেজ, ইরানের হামুন, মালদ্বীপের মিধালি, মিয়ানমারের মিচাউঙ্গ, ওমানের নাম দেওয়া রিমাল, পাকিস্তানের নামকরণ করা আসনা, কাতারের নাম দেওয়া ডানা এবং সৌদির ফিনগাল। তবে একটা কথা বলতেই হচ্ছে, মোকার প্রভাবে এমনিতেই আতঙ্কে রয়েছে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার। এরমধ্যে, ফ্যাবিয়েন কোথায় কতটা প্রভাব ফেলবে বা শক্তিশালী হয়ে দাঁড়াবে, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা। কিন্তু, এতো কম সময়ের ব্যবধানে একের পর এক ঘূর্ণিঝড়, কেন? এর নেপথ্যে কোন কারণ? একটু লক্ষ্য করে দেখুন, ঘূর্ণিঝড়ের পরিমাণ ক্রমশ বেড়ে চলেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, প্রতি বছরই একটু একটু করে বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় আর তার ফলে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বন্যার পরিমাণ। এর জন্য বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং জলবায়ুর পরিবর্তনকেই দায়ী করা হয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম