Tag: Child Care

  • Child Care: বাচ্চা খেতে চাইছে না, পুষ্টিতে বিশাল ঘাটতি! এই মজার খাবার চেটেপুটে খাবে

    Child Care: বাচ্চা খেতে চাইছে না, পুষ্টিতে বিশাল ঘাটতি! এই মজার খাবার চেটেপুটে খাবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Child Care: আপনার বানানো রকমারি খাবার কিছুতেই শিশু মুখে তুলছে না। যার কারণে আপনি কি বেজায় চিন্তায় আছেন? এই প্রতিবেদনে রয়েছে সমস্যার সমাধান। সঠিক ভাবে খাবার না খেলে শিশুদের দৈহিক এবং মানসিক বিকাশে বাধা তৈরি হয়। তাই সব বাবা মা শিশুকে প্রতিদিন পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার পেট ভরে খাওয়াতে চান। শিশুদের খাওয়া নিয়ে নানান বায়নাক্কা থাকে। অনেক মায়েরাই রীতিমত চিন্তায় পড়ে যান, কি রান্না করে দিলে তার বাচ্চা চেটেপুটে খাবে। পড়াশোনায় মনোযোগী করতে এবং শরীরের ইমিউনিটি বাড়াতে পুষ্টিকর খাবার অবশ্যই দিতে হবে। অথচ শিশুরা দুধ কিংবা নানা রকম ফল দেখলেই দৌড় দেয়। সুস্থ থাকতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাটাই আসল। এমন কিছু খাবার রয়েছে যা চটপট বানিয়ে শিশুদের সামনে দিলে তারা পেট ভরে খাবে আবার পুষ্টিতেও কোন ঘাটতি থাকবে না। ব্রেকফাস্টে রাখুন পুষ্টিগুণসম্পন্ন কিছু মজার খাবার।

    • সবজি এবং পনির স্যান্ডউইচ
    শাকসবজি এবং পনিরের সংমিশ্রণ সহ স্যান্ডউইচ সুস্বাদু একটি খাবার। আপনার বাচ্চার পেটের জন্য এটি খুব ভারী হবে না। সব থেকে ভালো ব্যাপার হল, স্যান্ডউইচ তৈরি করা সহজ এবং প্রস্তুত করার সময় আপনার বাচ্চাকে শেখাতেও পারেন। তারাও শীতের রঙিন সবজি দিয়ে স্যান্ডউইচ বানাতে বেশ মজা পাবে। সেক্ষেত্রে খাওয়ার প্রতি একটু হলেও আগ্রহ বাড়বে।

    • মুগ ডাল চিলা
    মুগ ডাল চিলা (Moog Dal Chilla) প্রোটিন সমৃদ্ধ। এটি আপনার বাচ্চার জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্ট হিসেবে পরিবেশন করতে পারেন। সকালে দুই টুকরো মুগ ডাল চিলা খেলে শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তির ঘাটতি পূরণ হয়।

    •ভার্মিসেলি উপমা
    ভার্মিসেলি উপমা (Vermicelli Upma) সবজিতে ভরপুর এবং আপনার বাচ্চাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। ভার্মিসেলি উপমা বিপাক ক্রিয়া উন্নত করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। আসলে উপমায় ব্যবহার করা হয় সিমাই। সিমাই মানেই যে মিষ্টি তা নয়। আপনার বাচ্চাকে সবজি দিয়ে এভাবে উপমা বানিয়ে দিতে পারেন।

    • মেথি পরোটা
    মেথি পরোটা পুষ্টিকর এবং প্রস্তুত হতে খুব বেশি সময় লাগে না। মেথি ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতেও সাহায্য করে। মেথি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো হজমের সমস্যাও দূর হয়।

    • ডালিয়া বা ভাঙা গমের উপমা
    শিশুর ব্রেকফাস্টের জন্য আরেকটি চমৎকার বিকল্প হল ভাঙা গমের উপমা কিংবা ডালিয়া (Dalia)। এটি আপনার বাচ্চার দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভরা থাকতে সাহায্য করে, পাশাপাশি সারা দিন জমিয়ে খেলাধুলা করার জন্য এনার্জি পাওয়া যায়। ভাঙা গম ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য পুষ্টি সরবরাহ করে।

    • সুইট কর্ন স্যালাড
    সুইট কর্ন স্যালাড (Sweet Corn Salad) সকালের খবরের জন্য দুর্দান্ত বিকল্প খাবার। সুইট কর্নে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। খাদ্যতালিকায় ফাইবার থাকলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং অন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকি হ্রাস করে। বড়রাও এই খাবারটি খেতে পারেন। এই খাবার আপনর বাচ্চাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য এনার্জেটিক এবং চনমনে রাখবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Child Care: শীতে শিশুকে সর্দি-কাশি থেকে বাঁচাবে তিল! এতে রয়েছে আশ্চর্য ক্ষমতা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Child Care: তিলের তেল স্বাস্থ্যের জন্য যে কতটা উপকারী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। পুষ্টিগুণে ভরপুর তিলে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সহ নানান খনিজ পদার্থ। এটি সংবেদনশীল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। অ্যান্টিভাইরাল এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যের জন্য বৃদ্ধ থেকে শিশু সবাই তিলের তেল ব্যবহার করতে পারেন। আপনার শিশুকে এই শীতের মরশুমে (winter season) ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষা করতে তিলের তেল মাখালে উপকার পাবেন। শীতের তাপমাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের স্বাস্থ্যের ওপর এর প্রভাব বেশি দেখা যাচ্ছে। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (immunity power) একটু কম। তাই সর্দি-কাশির মতো রোগ তাদের ঘিরে থাকে। ঠাণ্ডায় শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করতে খাদ্য তালিকায় স্বাস্থ্যকর খাবার (healthy food) অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। শীতের মরশুমে তিলের বীজ আপনার শিশুর জন্য এনার্জি বুস্টার হিসেবে কাজ করবে। কয়েকটি তিল বীজ শীতকালে শিশুকে হাজারো রোগ থেকে দূরে রাখবে।

    (১) শীতকালে তিল শরীরকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। বিভিন্ন ঋতুতে হওয়া রোগ থেকে এটি দূরে রাখে। তিল খেলে শিশুদের লিভারও সুস্থ্য থাকে। তিল খাওয়া শিশুদের মধ্যে জন্ডিস, হেপাটাইটিসের মতো রোগের ঝুঁকি কমে। পাশাপাশি হাড় মজবুত হয়।

    (২) তিলের মধ্যে উপস্থিত গুণাবলী শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে খুবই উপকারী। তিলে অসম্পৃক্ত চর্বি থাকে, যা শিশুদের বৃদ্ধিতেও বেশ সহায়ক। শিশুদের ত্বকের জন্য তিল খুব উপকারী।

    (৩) তিলে বিদ্যমান ঔষধি গুণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (immunity power) বৃদ্ধিতে সহায়ক। তিলে ফসফরাস, আয়রন, প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার এবং জিঙ্কের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা আপনার শিশুর শরীরকে উষ্ণ রাখার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

    (৪) তিল শিশুদের জন্য শক্তি বৃদ্ধিকারী হিসেবে কাজ করে। শিশুদের খাদ্যতালিকায় তিলের বীজ তাদের সারাদিন শক্তিতে ভরপুর রাখে। এমত পরিস্থিতিতে শিশুরা কম অসুস্থ হয়। যার কারণে তারা পড়াশোনা ও খেলাধুলায় মনোযোগী হতে পারে।

    (৫) হাড় মজবুত করতে ক্যালসিয়াম (calcium) প্রয়োজন। শিশুদের খাদ্যতালিকায় তিল অন্তর্ভুক্ত করলে তাদের শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর হয়। শিশুদের খাবারে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কম থাকলে তা তাদের উচ্চতায়ও প্রভাব ফেলতে পারে।

    আপনার শিশুর প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় তিল কিংবা তিল জাতীয় খাবার রাখতে পারেন। শিশুরা সরাসরি তিল খেতে খুব একটা পছন্দ করে না। সেক্ষেত্রে আপনি তিল দিয়ে তৈরি লাড্ডু বা অন্যান্য রেসিপি বানিয়ে খাওয়াতে পারেন। শিশুদের খাবারের ডায়েটে তিল জাতীয় খাবার যোগ করার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে নেবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Child Care: শিশু মিথ্যা কথা বলছে, কেন বলছে? বুঝবেন কীভাবে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Child Care: শিশুরা সচেতন (Conscious) কিংবা অবচেতনভাবে (ubconscious) মিথ্যা কথা বলে থাকে। শিশুরা সব সময় যে সত্যি কথা বলবে এমনটা নাও হতে পারে। আসলে তাদের মধ্যে সেভাবে নৈতিক বোধ গড়ে ওঠে না। কোন কাজ করা উচিত আর কোন কাজ করা উচিত নয়, এই ঠিক ভুলের ধারণা গড়ে উঠতে একটা বয়স পর্যন্ত সময় লাগে। সেই বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত আপনি কখনোই শিশুকে ঠিক ভুলের গণ্ডিতে বিচার করতে পারেন না। তবে মিথ্যা বলার অভ্যাসও খারাপ, আর এই অভ্যাস থেকে শিশুকে বাঁচাতে একজন মায়ের দায়িত্ব ঠিক কতটা? শিশু সে মিথ্যা কথা বলছে আপনি বুঝবেন কীভাবে? এই প্রতিবেদনেই রইল সব প্রশ্নের উত্তর।

    শিশু মিথ্যা বলছে মানে তাকে ধমকানো (Snubbing) বা গায়ে হাত তোলা একেবারেই চলবে না। সেক্ষেত্রে হিতে বিপরীত হতে হবে পারে। শিশু কেন মিথ্যে কথা বলছে সেই কারণটি আগে আপনাকে খুঁজে বার করতে হবে। হয়তো সে শুধু বাবা-মায়ের থেকে কোন কথা লুকাতে চায়। কিন্তু কেন লুকাতে চায়, এটাই বড় প্রশ্ন। সে হয়ত বাবা-মায়ের সঙ্গে সেই কথা শেয়ার করতে ভয় পাচ্ছে। ভাবছে আসল সত্যি জানতে পারলে হয়তো দ্বিগুণ বকুনি খেতে হবে। শিশুর সঙ্গে মিশতে হবে এক্কেবারে বন্ধুর মতো। যাতে সে তার সমস্ত কথা অনায়াসে বাবা-মায়ের সঙ্গে শেয়ার করতে পারে।

    একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, শিশুরা খেলনা নিয়ে বাজে কথা বললে তারা বেশি মিথ্যা বলে। ৪০ শতাংশ শিশু মিথ্যা স্বীকার করে। কিন্তু শিশুদের এই মিথ্যাচারের মধ্যে অনেক কিছু লুকিয়ে আছে। পোল্যান্ড এবং কানাডার গবেষকরা ১৮ মাস বয়সী শিশুদের আত্ম-নিয়ন্ত্রণের দিকে নজর দিয়েছেন। গবেষকরা ১৮ মাস বয়সে শিশুদের খেলনা না দেখতে বলে তাদের আত্ম-নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষা করেছেন। শুধুমাত্র ৩৫ শতাংশ শিশু দেখা না দেওয়ার অনুরোধ অমান্য করেছে, কিন্তু ২৭ শতাংশ মিথ্যা দাবি করেছে যে তারা যেমন বলা হয়েছিল তেমন করেছে। ছোটবেলা থেকেই শিশুদের শেখানো হয় যে মিথ্যা বলা ভুল। কিন্তু কিছু সামাজিক প্রেক্ষাপটেও শিশুদের মিথ্যা বলতে উৎসাহিত করা হয়। অনেক বাবা-মা স্পষ্টভাবে তাদের সন্তানদের সৎ এবং মিথ্যা বলার প্রতি সহনশীল হওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

    শিশুদের মধ্যে মিথ্যা বলার প্রবণতা তৈরি হয় তিনটি কারণে

    এক, সত্য বলার প্রবণতা কাটিয়ে উঠতে তাদের যথেষ্ট আত্মনিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে। মনোবিজ্ঞানে একে বলা হয় ইনহিবিটরি কন্ট্রোল।
    দুই, তাদের স্বল্পমেয়াদী মেমরি অ্যাক্সেস করার পাশাপাশি বিকল্প পরিস্থিতি তৈরি করতে হবে।
    তিন, বাচ্চাদের সত্য অনুসারে আচরণ করা এবং তারা যে মিথ্যা তৈরি করছে সেই অনুসারে আচরণ করার মধ্যে পরিবর্তন করতে সক্ষম হওয়া দরকার।

    প্রাপ্তবয়স্কদের আচরণ শিশুদের মিথ্যা বলা বা না বলার দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে। যে শিশুরা অন্য ব্যক্তিকে সত্য বলার জন্য পুরস্কৃত বা মিথ্যা বলার জন্য শাস্তি পেতে দেখে তাদের সত্য বলার সম্ভাবনা বেশি। একইভাবে যে শিশুরা ভুল করার জন্য পুরস্কৃত হতে দেখে, তাদের সত্য বলার সম্ভাবনা কম।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Child Care: অত্যাধিক চাপ নয়, দিন সঙ্গ, সৃজনশীল হয়ে উঠবে আপনার সন্তানও

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Child Care: মা-বাবারা সাধারণত নিজেদের সন্তানকে নিয়ে ছক ভাঙতে খুবই ভয় পান। কিন্তু প্রত্যেকটি শিশুর বেড়ে ওঠার একটা নিজস্ব ছন্দ থাকে । সেটা ভুলে গেলে চলবে না । তাকে তাঁর জগতে তাঁর মতো করে বেড়ে উঠতে দিন । অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবেন না তার উপরে। নিজের ইচ্ছে কোনভাবেই নিজের সন্তানের উপর চাপিয়ে দেবেন না। বরং সে যেই সহজাত গুণগুলি নিয়ে জন্মেছে তাতে উৎসাহ প্রদান করুন । সে যদি সবসময় হাতের রঙ পেনসিল নিয়ে ঘুরতে ভালোবাসে তবে তাঁর সামনে এগিয়ে দিন একটা সাদা পাতা অথবা সে যদি খেলনা গিটার নিয়ে গান করার চেষ্টা করে তবে তার জন্য চালিয়ে দিন ভালো ভালো কিছু গান।

    বাচ্চাদের উৎসাহ এবং আকর্ষণের জায়গা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাবেন না । আপনার শিশুর উৎসাহ রয়েছে যেক্ষেত্রে সেই ক্ষেত্রে তাকে আরও উৎসাহ প্রধান করলে একদিন ছোট্ট একটি বীজ পরিপূর্ণ বৃক্ষে পরিণত হয়ে উঠবে।

    * সৃজনশীলতাকে বলুন হ্যাঁ

    আপনার সন্তানকে সৃজনশীল হওয়ার সুযোগ দিন । তাকে পর্যবেক্ষণ করুন সে কোন কাজটি করতে বেশি ভালোবাসে । সাদা পাতার উপর রঙ পেন্সিল বোলাতে নাকি খেলাধুলায় তাঁর বেশি মন ? নাকি নাচ গানে আগ্রহ প্রকাশ করছে । যেইদিকে তাঁর মন ঝুঁকছে সেই দিকে আপনিও ঝুঁকুন । বরং তাকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দিন।

    * বাধা দেবেন না

    শিশু মনে আজ এটা তো কাল ওটা হতেই পারে। আজ যদি আপনার সন্তানের ড্রইং করতে ভালো লাগে দুমাস পর হয়তো তাঁর গান শুনতে কিংবা গান করতে ভালো লাগবে । সেক্ষেত্রে আপনি ধৈর্য হারাবেন না । তাঁর নতুন নতুন উৎসাহকে খোরাক জোগান । তাকে বাধা দেবেন না। একটা বদলে অন্যটা করতে গিয়ে হয়তো প্রথম দিকে সে নিজেই খানিকটা ঘেঁটে যাবে ।তাই বলে সব ছাড়িয়ে তাকে ঘরের চার দেওয়ালে বন্ধ করে বসিয়ে রাখবেন না।

    * তাল মিলিয়ে চলুন

    আপনার সন্তান যে কাজটি করতে ভালোবাসে তাঁর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দিলেন । তবে সবটা শুধুমাত্র প্রশিক্ষকের উপর ছেড়ে দিলে কিন্তু চলবে না। আপনাকেও যথেষ্ট সময় দিতে হবে । সঙ্গ দিতে হবে তাঁর। নিজের জন্য সময় বার করতে গিয়ে সন্তানকে ফোন বা ল্যাপটপ দিয়ে বসিয়ে রাখা কখনই ভালো মাতৃত্ব কিংবা পিতৃত্বকে ফুটিয়ে তোলে না । তাই আপনার কাছ থেকে আপনার সন্তানের যেটুকু সময় প্রাপ্য তাকে দেওয়ার চেষ্টা করুন।

    * পরিচয় করান বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে

    পৃথিবীতে যত নামকরা আর্টিস্ট অথবা গুণী ব্যক্তি রয়েছেন তাঁরা নিজেদের এক সময় প্রসারিত করেছিলেন। মানুষকে চার দেওয়ালের মধ্যে আটকে রাখলে তাঁর সৃজনশীলতা কখনও বৃদ্ধি পায় না। একটা বাচ্চাকে ঘরে আটকে রেখে টেকনোলজি দিয়ে অন্ধ বানিয়ে কখনই তাঁর মধ্যে সৃজনশীল মনোভাব তৈরি করা সম্ভব নয়। তাই তাকে বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে পরিচয় করান। পাহাড় সমুদ্র জঙ্গল এইগুলি দেখান।

    * ছোট ছোট আনন্দের মুহূর্ত তৈরি করুন

    আমরা প্রতিদিনের ব্যস্ততায় ভালোভাবে হাসতে ভুলে গিয়েছি । কখন পরিবারের সকল সদস্যরা একসাথে বসে গল্প হয়েছে তাও হয়তো ভুলে গিয়েছেন অনেকে। আর এই ইঁদুর দৌড়ের মাঝে পরিবারের সবথেকে ক্ষুদে সদস্যরা চিঁড়ু চ্যাপ্টা হয়ে যায়। কারণ তাঁরা তাদের মা-বাবার কাছ থেকে পর্যাপ্ত সময়টুকু পায় না । একটা শিশুর জন্য তাঁর মা-বাবার সান্নিধ্য সব থেকে বেশি প্রয়োজন। তাই আপনার বাচ্চার জন্য প্রতিদিন এমন কিছু করার চেষ্টা করুন যেটা তাকে খুশি করে। অল্প সময় কাটাতে পারছেন! সেটাই কাটান । কিন্তু ওইটুকু সময়ে নিজেকে অন্য কিছুতে ব্যস্ত করে দেবেন না।

    * ভরসা রাখুন

    প্রত্যেকটি মানুষের মধ্যে কোনো না কোনো গুণ থাকে। তবে সেই গুণ তাকে নিজে থেকে বের করে নিতে হয়। আপনার শিশুর সহজাত গুণগুলির উপরে ভরসা রাখুন। তাকে হেরে যেতে দেবেন না নিজেও হেরে যাবেন না। নির্ভয় দিন, উৎসাহ দিন। তাকে ছক ভাঙা পথে হাঁটার সাহস দিন। তবে সব সময় মাথায় রাখবেন কোন কিছুই যেন লাগাম ছাড়া না হয়। একটা শিশুকে তাঁর মতো করে বাড়তে দেওয়া যতটা প্রয়োজন, ঠিক ভুল সম্পর্কে অবগত করা ঠিক ততটাই প্রয়োজন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Child mobile: আপনার সন্তান কি সারাক্ষণ মোবাইল ফোনে মুখ গুঁজে? আসক্তি কাটাবেন যেভাবে

    ।‌। প্রথম কলকাতা ।।

    Child mobile: আধুনিক প্রযুক্তির অন্যতম আবিষ্কার হচ্ছে স্মার্টফোন। তবে বাবা-মায়ের ব্যবহার করা ফোন শিশুদের হাতে দেওয়ার অভ্যাস করা খুবই বিপজজনক। কারণ এভাবে শিশুদের মোবাইল আসক্তি তৈরি হচ্ছে‌। এই ফোন ব্যবহারের ফলে শিশুর স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে যায় এবং পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বর্তমান সময়ে শিশুরা এখন আর বাইরে গিয়ে খুব একটা খেলাধুলা করে না। তারা খেলা বলতে মোবাইল ফোনে হরেক রকম খেলা বোঝে। এই খেলা নেশায় পরিণত হয়। এই নেশা শিশুদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। মোবাইল পর্দার দিকে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকলে মাথা ধরা ,মাইগ্রেন, পেশিতে ব্যথা চোখের জ্যোতি কমে যায়। আর আট বছরের কম বয়সের শিশুদের অবশ্যই মোবাইল থেকে দূরে রাখতে হবে। বেশিরভাগ সময় মোবাইল ঘেঁটে কাটালে তাদের মস্তিষ্কের বিকাশ হয় না। তাই শিশুদের মোবাইল নেশা থাকলে তা তাড়াতেই হবে।

    করোনা ও তার পরবর্তী সময়ে শিশু ,কিশোরদের মোবাইলে আসক্তি মারাত্মক বেড়েছে। ঘরবন্দী শিশুদের কাছে ইন্টারনেট, স্মার্টফোন এখন খুবই সহজলভ্য। স্মার্ট ফোন বা মোবাইলের যন্ত্রে একসঙ্গে বিভিন্ন রকম বিনোদন হচ্ছে। গেম নানান ধরনের বিনোদনমূলক অত্যাধুনিক অ্যাপের হাতছানি ইন্টারনেট প্রভৃতি এক জায়গায় উপলব্ধ যা আগে ছিল না। বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করা, খেলাধুলা বই পড়া প্রভৃতির মাধ্যমে ধীরগতিতে আমাদের কল্পনা শক্তির বিকাশ ঘটে। কিন্তু মোবাইলে খেলা ভিডিও দেখার সময় অতিসত্বর শিশু মনে আনন্দ উদ্দীপনা সৃষ্টি হলেও কল্পনা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে।

    তবে এই আসক্তি কাটানোর উপায় রয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাচ্চাদের স্মার্ট ফোনে হাতে খড়ি হয় তার অভিভাবকদের হাতে। কিন্তু চাইলে অভিভাবকরাই পারেন সন্তানকে মোবাইলের আসক্তি থেকে বের করে অন্য জগতে তাদের ভুলিয়ে রাখতে। বাবা মা যা করবেন সেটা দেখেই শিশু শিখবে ।স্মার্টফোন ছাড়াও দুনিয়াতে আনন্দের আরো অনেক কিছু রয়েছে যেখানে অনেক ভালো অভিজ্ঞতার হাতছানি থাকবে। সেদিকে শিশুর ঝোঁক বাড়াতে হবে।

    বাচ্চার চোখে চোখ রেখে কথা বলা তার ভেতরের সুপ্ত প্রতিভা, ইচ্ছাগুলোকে চিনতে বা জানতে পারলে তবেই শিশুদের অন্যদিকে ঝোঁক বাড়ানো সম্ভব। শিশুদের কোমল মন থেকে মোবাইল আসক্তি কাটানো খুব সহজ নয়। তবে তার অন‍্যদিকে আগ্রহের জায়গাটা খুঁজে মোবাইলের সম বিকল্প এবং আকর্ষণীয় জিনিসের প্রতি তার আগ্রহকে বাড়িয়ে তুলতে পারলে তবে মোবাইল ফোনের প্রতি আসক্তি কমবে। যেমন গান গাওয়া, বাদ্যযন্ত্রের প্রতি খুদেদের কৌতুহল থাকলে সেই আগ্রহকে আরো বাড়িয়ে দিতে হবে । এছাড়াও ছবি আঁকাতেও দিতে পারেন। পাশাপাশি কম্পিউটার কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখানো, বিভিন্ন রহস্য রোমাঞ্চকর গল্পের প্রতি ঝোঁক তৈরি করা খুব দরকার।

    সন্তানকে সময় না দিয়ে তার বদলে হাতে মোবাইল ধরিয়ে দেওয়া বা টিভিতে কার্টুন চালিয়ে দেওয়াটা অনুচিত। অনেক শিশু একাকিত্বের কারণে মোবাইল ফোনের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। বাড়ির আবহে পড়াশোনা খেলাধুলার পরিবেশ থাকা অত্যন্ত জরুরি। রাতে ঘুমানোর আগে এক ঘন্টা সকালে ঘুম ভাঙার পর প্রথম এক থেকে দুই ঘন্টা খুদেদের ফোন ব্যবহার নিষেধ রাখতে হবে। স্মার্ট ফোন ও ইন্টারনেটের প্রতি নির্ভরশীলতা বাড়লে শিশুর আনন্দ সূচক ক্রমে কমতে থাকে এবং তারা অসহিষ্ণু হয়ে পড়ে। শিশুদের তাড়াতাড়ি ঘুমোনোর অভ্যাস করান আর ঘুমানোর আগে দুধ খাওয়ান। শিশুদের খাবারের প্রতি যত্ন নিতে হবে। খাবারে পুষ্টি ঠিক রাখতে হবে, সবুজ শাকসবজি খেতে দিন জাঙ্ক ফুড বন্ধ করুন। সপ্তাহের এমন একটা দিন বেছে নিন যেদিন স্মার্টফোনের ব্যবহার করাই যাবে না। এটি পরিবারের সকলের ছুটির দিন হলে সবচেয়ে ভালো হয়। স্মার্ট ফোনে কোন কোন অ্যাপ আপনার সন্তান বেশি ব্যবহার করে সেদিকে নজর রাখুন। দেখা যাবে বহু অ্যাপ রয়েছে যা ওর কাজে লাগে না অথচ সেগুলি নিয়েই সময় কাটায় সবচেয়ে বেশি। দ্রুত ফোন থেকে সেগুলো মুছে ফেলুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version