Tag: Chiken

  • Healthy Lifestyle: রক্তের গ্রুপ না জেনেই মুরগি-মাটন খাচ্ছেন! কী বিপদ ডেকে আনছেন জানেন?

    Healthy Lifestyle: রক্তের গ্রুপ না জেনেই মুরগি-মাটন খাচ্ছেন! কী বিপদ ডেকে আনছেন জানেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Healthy Lifestyle: আপনার কী আমিষ খাবারের নাম শুনলেই জিভে জল আসে? মাটন বা চিকেন বিরিয়ানি পেলে নিশ্চয়ই লোভ সামলাতে পারেন না। চিংড়ি মালাইকারি বা ইলিশ ভাপা থাকলে নিশ্চয়ই ভাত একটু বেশি খান। কিন্তু আপনার নিজের ব্লাড গ্রুপ জানা আছে তো? রক্তের গ্রুপ মেনে খাবার না খেলে কিন্তু মহা বিপদ। তখন ডাক্তারের কাছে বার বার ছুটেও তেমন লাভ হবে না। আপনি হয়তো বলবেন খাওয়ার সঙ্গে ব্লাড গ্রুপের কী সম্পর্ক!

     

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাবারের সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে রয়েছে রক্তের গ্রুপ। রক্তের গ্রুপই ঠিক করে দিচ্ছে আপনি কী খাবার খাবেন। তা মেনে না চললে শরীর খারাপ অনিবার্য।যাঁর আমিষ খাওয়া দরকার তিনি হয়তো তা খেতে চান না। আবার যার শরীরে দরকার শুধু শাক সবজি, তিনি হয়তো চিকেন মাটন খেয়ে চলেছেন। তখন ফল হচ্ছে বিপরীত।তাই আসুন, কোন রক্তের গ্রুপের জন্য কোন খাবার যথাযথ তা জেনে নেওয়া যাক।

     

    রক্তের গ্রুপ দেখেই এখন ডায়েট করতে বলছেন ডাক্তারেরা। অনেক সময় দেখা যায় পুষ্টিকর খাবার খেয়েও শরীর ভালো থাকছে না। তখন তাদের ঘন ঘন ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী ডায়েট ঠিক করা দরকার। তা না হলে শরীর খারাপ লেগেই থাকবে। রক্তের গ্রুপের ভিত্তিতে নেওয়া খাবার খুব তাড়াতাড়ি হজম হয়। আপনারা সকলেই জানেন, রক্তের গ্রুপ চার ধরনের O, A, B এবং AB। এখন জেনে নেওয়া যাক কোন ব্লাড গ্রুপের কোন ধরনের ডায়েট গ্রহণ করা উচিত। কোন জিনিসগুলি এড়িয়ে চলা উচিত তাও দেখে নিন।

     

    A ব্লাড গ্রুপের মানুষদের খাদ্যতালিকায় থাকতে হবে সবুজ শাক-সবজি। এছাড়াও তাঁদের সামুদ্রিক মাছ এবং বিভিন্ন ধরনের ডাল খাওয়া উচিত। এই গ্রুপের লোকেরা জলপাই তেল, দুগ্ধজাত পণ্য, ভুট্টা খেতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, A ব্লাড গ্রুপের মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুবই সংবেদনশীল। তাই খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। এধরনের ব্যক্তিদের নিরামিষ খাদ্য গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, এই ব্লাড গ্রুপ যুক্ত মানুষ সহজে মাংস হজম করতে সক্ষম হয় না। তাই এই গ্রুপের লোকদের মুরগি-মাটন কম খাওয়া উচিত।

     

    B ব্লাড গ্রুপের মানুষদের খুব একটা খাবার এড়িয়ে চলতে হয় না। সবুজ শাক-সবজি, ফলমূল, মাছ, মাটন, চিকেন সবই খাওয়া যেতে পারে। এই ব্লাড গ্রুপের মানুষের হজম শক্তি খুব বেশি থাকে। তাদের শরীরে চর্বি জমতে পারে না। তবে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে তাদের খাদ্যাভ্যাস যেন ভারসাম্যপূর্ণ হয়।

     

    AB রক্তের গ্রুপ খুব কম মানুষের মধ্যেই পাওয়া যায়। যাদের এবি ব্লাড গ্রুপ আছে তাঁদের বেশি করে ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়া উচিত। বয়স বাড়ার সাথে সাথে কিছু লোকের উচ্চ রক্তচাপ, নিম্ন রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের মতো সমস্যাও দেখা দেয়। তবে সকলের ক্ষেত্রেই কোনও কিছু ডায়েট কিংবা বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকদের থেকে উপযুক্ত পরামর্শ নেওয়া উচিত।

     

    O ব্লাড গ্রুপের উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত। তাহলেই দেখছেন তো রক্তের গ্রুপের সঙ্গে খাবারের সম্পর্ক কতটা। আপনার রক্তের গ্রুপ জানা আছে তো? না থাকলে আজই জেনে নিন। এবার সেই গ্রুপ অনুযায়ী ডায়েট চার্ট ঠিক করুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চিকেন না মাছ ওজন কমবে কোনটা খেলে ? এভাবে রান্নার কায়দাটা পাল্টে ফেলুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মাছ একেবারেই পছন্দ নয় বলে রোজ চিকেন খান! রোগা হতে পারবেন তো? জানেন মাছ না মুরগির মাংস কোনটা খেলে দ্রুত ওজন কমানো যায়? শুধু খেলে হবে! কীভাবে খাচ্ছেন সেটাই আসল। মাছ বা মাংস কীভাবে খেলে আপনার ওজন একেবারে কমে যাবে জানুন। মাছ ও চিকেন দুটোই প্রোটিনে ভরপুর। শরীর সুস্থ রাখার কাজে দুটোই জরুরি।তবে জানেন চিকেন ও মাছ কোনটি খেলে ওজন কমে? আসলে প্রোটিন পর্যাপ্ত পরিমাণে খেলে পেট ভরতি থাকে অনেকক্ষণ। এদিকে নিরামিষ ও আমিষ দুই খাবার থেকেই প্রোটিন পাওয়া যায়। তবে আমিষ খাবারের প্রোটিন অনেক সহজে শরীর গ্রহণ করে। তাই আপনি আমিষ খেলে সহজেই এই ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট গ্রহণ করতে পারবেন কিন্তু ওজন কমাতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করবে কোনটা?

    মাছ খেলে পেট অনেকটা বেশি সময় ভরতি থাকে। এছাড়া মাছে ফ্যাটের পরিমাণ থাকে অনেকটাই কম। তাই এই খাবার ওজন কমাতে সাহায্য করে। এমনকী শরীরে এনার্জি দেয় এই খাবার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন ওজন ্ক মাতে চাইলেও আপনি মন ভরে চিকেন খেতে পারেন। ১০০ গ্রাম মুরগির মাংসের মধ্যে ৩১ গ্রাম প্রোটিন থাকে এবং ক্যালোরি মাত্র ১৬৫। বিশেষজ্ঞদের মতে চিকেন ব্রেস্ট খাওয়া সবথেকে ভালো। এই খাবার দ্রুত ওজন কমাতে পারে। এখানে ফ্যাটের পরিমাণ কম। এক্ষেত্রে কম নুন দিয়ে মুরগির মাংস সিদ্ধ করে খান দেখবেন ফল পেয়েছেন। চিকেন খেলে চামড়া ছাড়া বোনলেস চিকেন ব্রেস্ট বেছে নেবেন। গ্ৰিল করে খেলে সবচেয়ে ভাল কিন্তু প্রক্রিয়াজাত চিকেন বা ফ্রায়েড চিকেন এড়িয়ে চলুন।

    তা বলে মাছকে অবহেলা করলে চলবে না। মাছে রয়েছে অনেকটা পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। হার্টের রোগীদের জন্য খুবই ভালো। তাই বলা হয় মাছ সবসময় খাওয়ার কথা। এক্ষেত্রে ছোট মাছ খাওয়া বেশি উপকারী। বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন ওজন কমানোর আদর্শ খাবার হল ডিম। একটি ডিমের মধ্যে প্রায় ৬ গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। ব্রেকফাস্টে প্রতিদিন ডিম খেলে আপনার দেহে পুষ্টির ঘাটতি তৈরি হবে না। তাছাড়া গবেষণায় দেখা গিয়েছে ডিম খেয়ে সহজেই ওজন কমানো যায়। এই খাবারগুলিতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। এই দুটি খাবারই ওজন কমাতে পারে। তবে খাওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে।

    বাইরের তৈরি করা মাছ, চিকেন নয়। পাশাপাশি প্রসেস করা মাংস বা মাছ মুখে তোলা যাবে না। কারণ এতে ক্ষতিকারক অনেক পদার্থ মেশানো থাকে। চাইলেই সব ধরনের খাবার খাওয়া যায় না। কিন্তু ওয়েট লস ডায়েটে প্রোটিন রাখা জরুরি। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য শুধু যে আপনাকে কাজ করার এনার্জি জোগায়, তা নয়। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার দীর্ঘক্ষণ পর্যন্ত পেটকে ভর্তি রাখে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version