• Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
PROTHOM KOLKATA
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
No Result
View All Result
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
No Result
View All Result
PROTHOM KOLKATA
No Result
View All Result
ADVERTISEMENT
Home বিদেশ

সুনীলের চোখে স্বাধীন বাংলাদেশ, এক অন্য গল্প

Prothom Kolkata by Prothom Kolkata
September 7, 2026
in বিদেশ, কলকাতা
0
Sunil Gangopadhyay Bangladesh reflecting the Bengali writer's connection with his birthplace, Bangladesh Liberation War and independent Bangladesh
64
SHARES
101
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Whatsapp

Sunil Gangopadhyay Bangladesh: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে বাংলাদেশ ছিল শুধু একটি প্রতিবেশী দেশ নয়, ছিল জন্মভূমি, শিকড় ও স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক গভীর সম্পর্ক। দেশভাগ থেকে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম এবং বাঙালির ভাষা-সংস্কৃতি নিয়ে তাঁর ভাবনা আজও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

ADVERTISEMENT

প্রথম কলকাতা: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে শুধু কবি, ঔপন্যাসিক কিংবা কথাসাহিত্যিক হিসেবে দেখলে তাঁর বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের একটি বড় অংশই আড়ালে থেকে যায়। যে ভূখণ্ডে তাঁর জন্ম, যে মাটির স্মৃতি শৈশব থেকে তাঁর ভিতরে রয়ে গিয়েছিল, দেশভাগের পরে যে দেশ রাজনৈতিকভাবে তাঁর নাগালের বাইরে চলে গেল, সেই বাংলাদেশই ১৯৭১ সালে নতুন এক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল। আর সেই সময়ে সুনীলের কলমে বাংলাদেশ কেবল একটি যুদ্ধরত ভূখণ্ড ছিল না—ছিল নিজের শিকড়ের সঙ্গে সম্পর্কিত এক গভীর বাস্তবতা। মুক্তিযুদ্ধ, নির্যাতিত মানুষের জীবন, শরণার্থীদের দুর্দশা, ভাষা ও সংস্কৃতির অধিকার, বাঙালির আত্মপরিচয় এবং স্বাধীন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ—সবকিছুই তাঁর ভাবনার মধ্যে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে উঠেছিল। ১৯৭১-এর সেই সময়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একাধিক কবিতা লিখেছেন, বাংলাদেশের পক্ষে সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা নিয়েছেন এবং তাঁর লেখা ও গানের মাধ্যমে নির্যাতিত মানুষের, বিশেষ করে নির্যাতিত নারীদের অবস্থার কথাও তুলে ধরেছেন। পরে বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য তাঁকে মরণোত্তর ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’ প্রদান করে। তাই সুনীলের বাংলাদেশকে বুঝতে গেলে তাঁর জন্ম থেকে শুরু করে দেশভাগ, সাহিত্যজীবন, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশ সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব ধারণা—সবকিছুকে একসঙ্গে দেখতে হয়।

পূর্ব বাংলার মাটিতে জন্ম, তারপর কলকাতায় চলে আসা

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৩৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, পূর্ব বাংলার বর্তমান বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলার আমগ্রাম এলাকায়। তাঁর শৈশবের সঙ্গে গ্রামীণ বাংলাদেশের সম্পর্ক ছিল প্রত্যক্ষ। সেই সময় পূর্ব বাংলা ছিল অবিভক্ত বাংলারই অংশ। পরে পরিবারের সঙ্গে তিনি কলকাতায় চলে আসেন। দেশভাগের রাজনৈতিক বাস্তবতার ফলে যে ভূখণ্ড একসময় তাঁর নিজের পরিচিত পৃথিবী ছিল, সেটিই পরবর্তী সময়ে অন্য একটি রাষ্ট্রের অংশ হয়ে গেল। কিন্তু ভৌগোলিক বিভাজন তাঁর স্মৃতি থেকে সেই জায়গাটিকে মুছে দিতে পারেনি।

সুনীলের জীবনের এই শিকড়ের বিষয়টি তাঁর বাংলাদেশ-ভাবনাকে বুঝতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি যে দেশ ছেড়ে কলকাতায় চলে এসেছিলেন, সেই দেশ তাঁর কাছে কেবল মানচিত্রের একটি অংশ ছিল না। সেখানে ছিল শৈশব, পরিচিত মানুষ, গ্রামের পরিবেশ, পারিবারিক স্মৃতি এবং নিজের জীবনের প্রথম দিকের অভিজ্ঞতা। ফলে পরবর্তীকালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতার জন্য লড়াই শুরু করল, তখন সেই ঘটনাকে তিনি শুধুমাত্র একজন দূরবর্তী পর্যবেক্ষকের চোখে দেখেননি।

কলকাতায় তাঁর পড়াশোনার পর্ব এগোয় সুরেন্দ্রনাথ কলেজ, দমদম মতিঝিল কলেজ এবং স্মৃতি কলেজে। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ১৯৫৪ সালে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন। ১৯৫৫ সাল থেকে তিনি ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকার সঙ্গে সম্পাদনার কাজে যুক্ত হন। এই সময় থেকেই বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার জগতে তাঁর নিজস্ব অবস্থান তৈরি হতে থাকে।

কিন্তু তাঁর পরিচয় কখনও একটি মাত্র জায়গায় থেমে থাকেনি। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, সম্পাদক ও সাংবাদিক। নীললোহিত, সনাতন পাঠক এবং নীলু পাধ্যায়—এই ছদ্মনামগুলিও তিনি ব্যবহার করেছেন। কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প, ভ্রমণকাহিনি এবং শিশুসাহিত্য মিলিয়ে তাঁর রচনার পরিসর ছিল বিস্তৃত। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘একা এবং কয়েকজন’ এবং প্রথম উপন্যাস ‘আত্মপ্রকাশ’। ‘হঠাৎ নীরার জন্য’, ‘অর্ধেক জীবন’, ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’, ‘প্রথম আলো’, ‘সেই সময়’, ‘মনের মানুষ’সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রচনা তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়কে আরও বিস্তৃত করেছে।

এই দীর্ঘ সাহিত্যজীবনের মধ্যেই বাংলাদেশ তাঁর লেখায় বারবার ফিরে এসেছে—কখনও জন্মভূমির স্মৃতি হয়ে, কখনও দেশভাগের বেদনা হয়ে, কখনও মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত বাস্তবতা হয়ে, আবার কখনও একটি স্বাধীন দেশের স্বপ্ন হয়ে।

দেশভাগের পরও যে দেশ তাঁকে ছাড়েনি

১৯৪৭-এর দেশভাগ শুধু একটি রাজনৈতিক সীমারেখা তৈরি করেনি; অসংখ্য মানুষের মতো সুনীলের জীবনেও এটি তৈরি করেছিল ভৌগোলিক বিচ্ছেদ। জন্মস্থান পূর্ব পাকিস্তানের অংশ হয়ে গেল, পরে সেই ভূখণ্ডই বাংলাদেশ নামে স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হল। কিন্তু তাঁর মানসিক ভূগোলে সেই বিভাজন কখনও সম্পূর্ণ হয়ে ওঠেনি।

তাঁর লেখায় পূর্ব বাংলার স্মৃতি, গ্রাম, নদী, শৈশব এবং হারিয়ে যাওয়া ভিটের উপস্থিতি বারবার ফিরে এসেছে। বাংলাদেশ তাঁর কাছে তাই শুধু একটি রাজনৈতিক সত্তা নয়; স্মৃতিরও একটি ভূগোল। যে শৈশব তিনি সেখানে কাটিয়েছেন, সেই অভিজ্ঞতা পরবর্তীকালে তাঁর সাহিত্যিক সত্তার অংশ হয়ে ওঠে।

এই সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল তাঁর জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়া। ১৪ বছর বয়সে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় পরে ২০০৩ সালে তিনি প্রথমবার তাঁর পৈতৃক গ্রামে ফিরে যান। মাদারীপুরের ডাসার ও পূর্ব মাইজপাড়া এলাকার সঙ্গে তাঁর সেই ফিরে যাওয়ার সম্পর্ক ছিল শিকড়ের কাছে ফিরে যাওয়ার মতো। পরে ২০০৮ সালের ২১ নভেম্বর তাঁর ৭৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি আবার জন্মভিটায় যান এবং তিন দিন সেখানে ছিলেন।

এই ফেরাগুলির মধ্যে শুধু একটি পুরনো বাড়ি বা গ্রামের ঠিকানা খুঁজে পাওয়ার বিষয় ছিল না। তাঁর সঙ্গে যুক্ত ছিল শৈশবের স্মৃতি, পরিবারের ইতিহাস এবং সেই ভূখণ্ডের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক। তাঁর জীবন ও লেখার মধ্যে বাংলাদেশকে নিয়ে যে টান দেখা যায়, তার পেছনে এই ব্যক্তিগত ইতিহাসটিও গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ তাঁর কাছে এমন একটি দেশ, যাকে রাজনৈতিকভাবে ছেড়ে আসতে হলেও স্মৃতির দিক থেকে ছেড়ে আসা সম্ভব হয়নি। আর সেই কারণেই তাঁর সাহিত্যিক বাংলাদেশ কখনও শুধুমাত্র একটি রাষ্ট্রের নাম হয়ে থাকেনি। সেটি হয়ে উঠেছে শিকড়ের স্মৃতি, হারানো ভূগোল এবং নিজের পরিচয়ের একটি অংশ।

‘পূর্ব-পশ্চিম’-এ বাংলাদেশ: দেশভাগ থেকে মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ ইতিহাস

বাংলাদেশকে নিয়ে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক ভাবনার সবচেয়ে বড় পরিসর দেখা যায় তাঁর ‘পূর্ব-পশ্চিম’ উপন্যাসে। এই উপন্যাস শুধু দেশভাগের গল্প নয়; এর ভিতর দিয়ে দুই বাংলায় ছড়িয়ে পড়া মানুষের জীবন, ইতিহাস, রাজনীতি, সম্পর্ক এবং পরিবর্তনের দীর্ঘ পথকে তুলে ধরা হয়েছে।

‘পূর্ব-পশ্চিম’-এর কাহিনি অবিভক্ত বাংলা থেকে শুরু হয়ে ১৯৪৭-এর দেশভাগ, উদ্বাস্তু জীবন, ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট, আইয়ুব খানের সামরিক শাসন, ১৯৬৫-এর যুদ্ধ এবং শেষ পর্যন্ত ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যায়। এর ফলে বাংলাদেশের জন্মকে তিনি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনার মতো দেখাননি। বরং তার আগে দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকা রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার ধারাবাহিক পরিণতি হিসেবে স্বাধীনতার ঘটনাকে দেখিয়েছেন।

উপন্যাসের প্রথম পর্বে দেশভাগের ফলে মানুষের জীবন কীভাবে দুই দিকে ভাগ হয়ে যায়, তার ছবি রয়েছে। একদিকে কলকাতা, অন্যদিকে ঢাকা ও পূর্ব বাংলার জীবন। একই সময়ে ভিন্ন ভিন্ন ভূগোলে থাকা মানুষের অভিজ্ঞতা আলাদা হয়ে যায়, কিন্তু তাদের স্মৃতি ও সম্পর্কের সুতো পুরোপুরি ছিঁড়ে যায় না।

দ্বিতীয় খণ্ডে এসে ১৯৭১-এর ঘটনাপ্রবাহ আরও বড় হয়ে ওঠে। ২৫ মার্চের পরের পরিস্থিতি, সামরিক দমন-পীড়ন, মুক্তিযুদ্ধ, শরণার্থীজীবন, মুক্তিবাহিনীর কর্মকাণ্ড এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার ঘটনাগুলি উপন্যাসের বিস্তৃত ক্যানভাসে স্থান পায়।

মুক্তিযুদ্ধের সামরিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতাও সেখানে এসেছে। মুক্তিবাহিনীর সংগঠন, বিভিন্ন বাহিনী ও সেক্টর, প্রশিক্ষণ শিবির, গেরিলা যুদ্ধ, অভিযান এবং যুদ্ধের নানা পর্যায়ের প্রসঙ্গ উঠে আসে। অপারেশন জ্যাকপট, মেলাঘর ও কসবা ক্যাম্প, ঝিনাইদহের লড়াই, কাদের সিদ্দিকীর টাঙ্গাইল অভিযানসহ মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গও কাহিনির মধ্যে স্থান পেয়েছে।

কিন্তু ‘পূর্ব-পশ্চিম’-এর বিশেষত্ব শুধু বড় রাজনৈতিক ঘটনা তুলে ধরায় নয়। যুদ্ধের সঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনকে পাশাপাশি রেখেছেন সুনীল। শরণার্থী শিবিরের কলেরা, চোখের অসুখ, জলের সমস্যা, খিচুড়ি রান্নার গন্ধ, অস্থিরতা এবং অনিশ্চয়তার মতো ছোট ছোট বাস্তবতাও সেখানে এসেছে। ফলে মুক্তিযুদ্ধ শুধু যুদ্ধক্ষেত্রের ঘটনা হয়ে থাকেনি; মানুষের দৈনন্দিন বেঁচে থাকার সংগ্রামও হয়ে উঠেছে তার অংশ।

মুক্তিযুদ্ধের সময় কবিতায় বাংলাদেশের পাশে সুনীল

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক অবস্থান আরও প্রত্যক্ষ হয়ে ওঠে। তিনি মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে একাধিক কবিতা লিখেছেন এবং তাঁর লেখার মাধ্যমে বাংলাদেশের পক্ষে সামাজিক সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করেছেন।

তাঁর ‘যদি নির্বাসন দাও’ কবিতাটি এই প্রসঙ্গে বিশেষভাবে আলোচিত। কবিতাটির সঙ্গে ১৯৭১-এর বাংলাদেশের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট এবং জন্মভূমির প্রতি কবির গভীর অনুভূতির সম্পর্ক রয়েছে। কবিতার শেষে ‘জুলাই ১৯৭১: গঙ্গা থেকে বুড়িগঙ্গা’ উল্লেখটি দুই বাংলার ভৌগোলিক দূরত্বের মধ্যেও এক ধরনের মানসিক সংযোগকে সামনে নিয়ে আসে।

এখানে গঙ্গা ও বুড়িগঙ্গা শুধু দুটি নদীর নাম নয়; কবির কাছে তারা যেন দুই বাংলার দুই প্রান্তের প্রতীক। একদিকে কলকাতা, অন্যদিকে বাংলাদেশ। মাঝখানে রাজনৈতিক সীমারেখা থাকলেও ভাষা, সংস্কৃতি এবং স্মৃতির জগতে সেই দূরত্ব সম্পূর্ণ হয়ে ওঠে না।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শুধু কবিতা লেখেননি, সামাজিক সচেতনতা তৈরিতেও ভূমিকা রেখেছেন। বাংলাদেশের পক্ষে তাঁর অবস্থান ছিল স্পষ্ট। তাঁর লেখা এবং গানের মাধ্যমে যুদ্ধের সময় নির্যাতিত মানুষের দুর্দশা তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে নির্যাতিত নারীদের অবস্থার কথাও তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থী শিবিরে যাওয়া এবং সেই অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশের মানুষের দুর্দশা নিয়ে লেখা তাঁর ভূমিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জন্মভূমির মানুষের দুর্দশাকে তিনি কেবল সংবাদ হিসেবে দেখেননি; তাঁর সাহিত্যিক ও মানবিক অবস্থানের মধ্য দিয়েও সেই বাস্তবতাকে সামনে এনেছেন।

এই সময়ে তাঁর লেখায় বাংলাদেশ একদিকে যুদ্ধের নির্মম বাস্তবতা, অন্যদিকে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা। মানুষের ওপর নির্যাতন, ঘরছাড়া হওয়া, শরণার্থী হয়ে যাওয়া এবং স্বাধীনতার জন্য লড়াই—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের একটি গভীর মানবিক ছবি তাঁর লেখায় তৈরি হয়েছে।

স্বাধীন বাংলাদেশ সম্পর্কে সুনীলের ধারণা: শুধু নতুন রাষ্ট্র নয়, নতুন পরিচয়ের স্বপ্ন

স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম নিয়ে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ভাবনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল—বাংলাদেশকে তিনি কী ধরনের দেশ হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। তাঁর চিন্তায় স্বাধীন বাংলাদেশ কেবল একটি নতুন রাজনৈতিক মানচিত্র ছিল না। এর সঙ্গে জড়িয়ে ছিল বাঙালির ভাষা, সংস্কৃতি, আত্মপরিচয় এবং মানুষের অধিকার।

‘স্বাধীন বাংলাদেশ’ নিয়ে তাঁর লেখায় তিনি নতুন রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে যে ধারণা প্রকাশ করেছিলেন, তার কেন্দ্রে ছিল সাংস্কৃতিক পরিচয়। পাকিস্তানের কাঠামোর মধ্যে পূর্ব বাংলার মানুষের ভাষা ও সংস্কৃতির যে দীর্ঘ লড়াই, সেই ইতিহাসের ধারাবাহিকতার মধ্যেই তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মকে দেখেছিলেন।

তাঁর কাছে বাঙালির পরিচয়কে শুধুমাত্র ধর্মীয় পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা যায় না। বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সামাজিক জীবন এবং দীর্ঘ ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা বাঙালির নিজস্ব পরিচয় তৈরি করেছে। তাই স্বাধীন বাংলাদেশ তাঁর কাছে এমন একটি দেশের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল, যেখানে বাঙালি সংস্কৃতি ও ভাষার নিজস্ব মর্যাদা থাকবে।

এখানে স্বাধীনতার সঙ্গে গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নও যুক্ত ছিল। ১৯৭০-এর নির্বাচন, জনগণের রায়, রাজনৈতিক ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রশ্ন এবং তার পরবর্তী সামরিক দমন-পীড়ন—এই ধারাবাহিকতাকে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার রাজনৈতিক ভিত্তির সঙ্গে যুক্ত করে দেখেছিলেন।

অর্থাৎ তাঁর কাছে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম ছিল দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংকটের পরিণতি। মানুষ নিজের ভাষা, সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক অধিকারের প্রশ্নে যে অবস্থান নিয়েছিল, স্বাধীনতা সেই আকাঙ্ক্ষারই প্রকাশ।

আর এখানেই তাঁর ব্যক্তিগত বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক বাংলাদেশের সম্পর্ক তৈরি হয়। যে পূর্ব বাংলা তাঁর জন্মভূমি, যে দেশকে দেশভাগের পর দূর থেকে দেখতে হয়েছে, সেই ভূখণ্ডই ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের পরিচয় নিয়ে সামনে আসে। তাই নতুন রাষ্ট্রের জন্মের মধ্যে নিজের শিকড়েরও একটি নতুন অর্থ খুঁজে পেয়েছিলেন সুনীল।

তিনি চেয়েছিলেন দুই বাংলার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক অটুট থাকুক। রাজনৈতিক সীমান্ত আলাদা হলেও বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির যে অভিন্ন উত্তরাধিকার, তা যেন আলাদা না হয়ে যায়। তাঁর সাহিত্যেও সেই দুই বাংলার সমান্তরাল জীবন বারবার পাশাপাশি এসেছে।

বাংলাদেশ তাঁর কাছে স্মৃতি নয় শুধু, একটি জীবন্ত সম্পর্ক

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বাংলাদেশকে বুঝতে গেলে তাঁর জন্ম, দেশভাগ, সাহিত্য, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশ সম্পর্কে তাঁর চিন্তাকে আলাদা আলাদা করে দেখলে পুরো ছবিটা পাওয়া যায় না। সবকিছু মিলিয়ে তৈরি হয় তাঁর নিজের বাংলাদেশের একটি বিস্তৃত ছবি।

জন্মভূমির গ্রাম থেকে কলকাতায় চলে আসা, দেশভাগের পর সেই ভূখণ্ডের সঙ্গে রাজনৈতিক বিচ্ছেদ, দীর্ঘ সময় পরে জন্মভিটায় ফিরে যাওয়া, সাহিত্যে পূর্ব বাংলার স্মৃতি নিয়ে আসা, ‘পূর্ব-পশ্চিম’-এ দুই বাংলার ইতিহাসকে পাশাপাশি রাখা, মুক্তিযুদ্ধের সময় কবিতা ও লেখার মাধ্যমে বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ানো এবং স্বাধীন বাংলাদেশ সম্পর্কে নিজের ধারণা প্রকাশ করা—এই পুরো পথটি আসলে তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘ সম্পর্কেরই গল্প।

বাংলাদেশকে তিনি একদিকে দেখেছেন জন্মভূমি হিসেবে, অন্যদিকে বাঙালির একটি স্বাধীন রাজনৈতিক স্বপ্ন হিসেবে। তাঁর কাছে দেশভাগ মানুষের সম্পর্ক ও স্মৃতিকে ভাগ করলেও বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বন্ধনকে সম্পূর্ণ আলাদা করতে পারেনি। আর ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ সেই সম্পর্ককে তাঁর চোখে নতুন রাজনৈতিক অর্থ দিয়েছিল।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি তাঁর অবস্থান তাই শুধু একজন লেখকের সহানুভূতি ছিল না। তাঁর নিজের জন্মভূমির মানুষ তখন স্বাধীনতার জন্য লড়ছিলেন। তাঁদের দুর্দশা, শরণার্থীজীবন, নির্যাতন এবং মুক্তির আকাঙ্ক্ষা তাঁর কবিতা ও লেখায় জায়গা পেয়েছে। সেই অবদানের স্বীকৃতিও এসেছে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে। ২০১২ সালের ১৫ ডিসেম্বর, তাঁর মৃত্যুর পরে, মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য তাঁকে ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’ প্রদান করা হয়।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক পরিচয় যেমন বহুমাত্রিক, তেমনই বাংলাদেশকে দেখার তাঁর চোখও ছিল বহুস্তরীয়। সেখানে ছিল জন্মভূমির স্মৃতি, দেশভাগের বিচ্ছেদ, দুই বাংলার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক, মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত বাস্তবতা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি নির্দিষ্ট ভাবনা।

তাঁর লেখায় বাংলাদেশ তাই কখনও শুধু অতীত নয়। কখনও তা শৈশবের গ্রাম, কখনও হারিয়ে যাওয়া ঘর, কখনও যুদ্ধের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ, আবার কখনও একটি নতুন স্বাধীন দেশের স্বপ্ন।

আর সেই কারণেই সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বাংলাদেশকে পড়তে গেলে শুধু তাঁর কোনও একটি কবিতা বা উপন্যাস পড়লেই হয় না। তাঁর সমগ্র জীবন ও সাহিত্যজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশকে একসঙ্গে দেখতে হয়—যেখানে জন্মভূমি, স্মৃতি, ইতিহাস, দেশভাগ, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা একই সুতোয় বাঁধা।

সেই বাংলাদেশের সঙ্গে সুনীলের সম্পর্ক ছিল দূরত্বের নয়, স্মৃতি শিকড়ের। যে দেশ তিনি ছোটবেলায় ছেড়ে এসেছিলেন, সেই দেশই পরবর্তী জীবনে তাঁর সাহিত্য, চিন্তা এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে থেকেছে।

#SunilGangopadhyayBangladesh #SunilGangopadhyay #Bangladesh #BengaliLiterature #BengaliPoet #BengaliNovelist #BangladeshLiberationWar #BangladeshLiberation #IndependentBangladesh #BengaliCulture #BengaliIdentity #PartitionOfBengal #EastBengal #SunilGangopadhyayBooks #PurbaPaschim #BengaliLiteratureHistory

Tags: BangladeshBangladesh LiberationBangladesh Liberation WarBengali CultureBengali IdentityBengali LiteratureBengali NovelistBengali PoetEast BengalIndependent BangladeshPartition of BengalPurba PaschimSunil GangopadhyaySunil Gangopadhyay BangladeshSunil Gangopadhyay Books
Previous Post

দীনেশ ত্রিবেদী চেষ্টা করছেন, কিন্তু দিল্লির কোথায় আটকে যাচ্ছেন? নতুন প্রশ্ন তুললেন হুমায়ুন কবির

Prothom Kolkata

Prothom Kolkata

Stay Connected test

  • 24k Followers
  • 99 Subscribers
  • Trending
  • Comments
  • Latest
BSF Constable Recruitment: ১৪০০-এর বেশি শূন্য পদ, মাধ্যমিক পাশেই নিয়োগ BSF-এ

BSF Constable Recruitment: ১৪০০-এর বেশি শূন্য পদ, মাধ্যমিক পাশেই নিয়োগ BSF-এ

February 8, 2023
WBPSC : রাজ্যে চাকরির বড় সুযোগ ! নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের

WBPSC : রাজ্যে চাকরির বড় সুযোগ ! নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের

November 30, 2022
মাত্র 50,000 এ নতুন Apple iPhone 14! ফ্লিপকার্টের এই ডিল মিস করবেন না

মাত্র 50,000 এ নতুন Apple iPhone 14! ফ্লিপকার্টের এই ডিল মিস করবেন না

December 6, 2022
5 Safest Cars in India: মাহিন্দ্রা নাকি টাটা! দেশের সবচেয়ে নিরাপদ গাড়ি কোনগুলি?

5 Safest Cars in India: মাহিন্দ্রা নাকি টাটা! দেশের সবচেয়ে নিরাপদ গাড়ি কোনগুলি?

December 16, 2022
Nepal Flash Flood leaves 32 Kolkata tourists missing near Nepal-Tibet border

নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে কলকাতার ৩২ জন নিখোঁজ, তাঁদের খোঁজে জরুরি হেল্পলাইন, জানুন নম্বর

11
US 30-year bond yield rises amid market pressure

২০০৬-এর পর মার্কিন বন্ড বাজারে বড়সড় ধস, তাহলে কি ভারতের শেয়ার বাজারও বিপদের মুখে?

5
Dhanmondi 32 Porabarir Samlap by FM Shaheen unveiled at a literary event in Kolkata

পোড়া বাড়ির নীরব দেয়ালে কি লুকিয়ে আছে বাংলাদেশের ইতিহাস?

4
Nepal Flash Floods rescue operation with Indian relief team and emergency supplies

নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়, কাদায় চলছে উদ্ধারকাজ, কবে ফিরবেন নিখোঁজ ভারতীয়রা?

3
Sunil Gangopadhyay Bangladesh reflecting the Bengali writer's connection with his birthplace, Bangladesh Liberation War and independent Bangladesh

সুনীলের চোখে স্বাধীন বাংলাদেশ, এক অন্য গল্প

September 7, 2026
Dinesh Trivedi Delhi Relations highlighting questions over efforts to strengthen Dhaka-Delhi relations and political remarks by Humayun Kabir

দীনেশ ত্রিবেদী চেষ্টা করছেন, কিন্তু দিল্লির কোথায় আটকে যাচ্ছেন? নতুন প্রশ্ন তুললেন হুমায়ুন কবির

September 6, 2026
Tarique Rahman BRICS Summit discussion as global leaders head to India amid questions over Bangladesh's absence

ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের মঞ্চ এড়িয়ে কী বার্তা দিচ্ছেন তারেক রহমান?

September 5, 2026
World Map Projection showing Africa appearing larger while Europe and North America appear smaller

বদলে যাচ্ছে পৃথিবীর মানচিত্র! নতুন মানচিত্রে বড় দেখাবে আফ্রিকা, ছোট হবে ইউরোপ-উত্তর আমেরিকা

September 5, 2026

Recent News

Sunil Gangopadhyay Bangladesh reflecting the Bengali writer's connection with his birthplace, Bangladesh Liberation War and independent Bangladesh

সুনীলের চোখে স্বাধীন বাংলাদেশ, এক অন্য গল্প

September 7, 2026
Dinesh Trivedi Delhi Relations highlighting questions over efforts to strengthen Dhaka-Delhi relations and political remarks by Humayun Kabir

দীনেশ ত্রিবেদী চেষ্টা করছেন, কিন্তু দিল্লির কোথায় আটকে যাচ্ছেন? নতুন প্রশ্ন তুললেন হুমায়ুন কবির

September 6, 2026
Tarique Rahman BRICS Summit discussion as global leaders head to India amid questions over Bangladesh's absence

ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের মঞ্চ এড়িয়ে কী বার্তা দিচ্ছেন তারেক রহমান?

September 5, 2026
World Map Projection showing Africa appearing larger while Europe and North America appear smaller

বদলে যাচ্ছে পৃথিবীর মানচিত্র! নতুন মানচিত্রে বড় দেখাবে আফ্রিকা, ছোট হবে ইউরোপ-উত্তর আমেরিকা

September 5, 2026
বিশেষ ঘোষণা : সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন প্রথম কলকাতা নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা চার বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা : ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে প্রথম কলকাতা সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন। প্রথম কলকাতা-র

সুব্রত আচার্য

প্রকাশক ও সম্পাদক

বিশেষ ঘোষণা : সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন প্রথম কলকাতা নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা চার বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা : ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে প্রথম কলকাতা সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন। প্রথম কলকাতা-র

  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
  • লাইফস্টাইল
  • বিগ ভাইরাল
  • আরো

© 2023 The MESD Technology The MESD TechnologyThe MESD Technology.

No Result
View All Result
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস

© 2023 The MESD Technology The MESD TechnologyThe MESD Technology.